Showing posts with label Titu Shikder. Show all posts
Showing posts with label Titu Shikder. Show all posts

Saturday, July 2, 2016

আজও সেহেরি খাওয়ার পর ঘুম আসছিল না


আজও সেহেরি খাওয়ার পর ঘুম আসছিল না, ভোরের দিকে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো(প্রায় মাস খানেক এর মত হবে বৃষ্টির কোন দেখা ছিল না। হঠাৎ দুই দিন ধরে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে)। তারপরও বৃষ্টি ভেজা ভোরে (অবশ্য একটু কাজও আছে) রওনা দিলাম সাগরের প্রান্তে।

কাজটাও সারালাম ওমনি শুনি আযানের ধ্বনি। বুজলাম এক(১) টা বাজছে (কখন যে ১ টা বেজে গেল বুঝতেই পারলাম না)। অতঃপর, নামাজ পড়েই আমার চোখ যাকে খুজছে! তাহার দিকে গেলাম। 

এসেই দেখলাম, আকাশের মন ভাল না থাকার কারনে মাতাল হাওয়াটা আর মাতাল হাওয়া নেই। তাই আর বসে না থেকে আমার চেনা জানা হোটেল মূখী হলাম। অনেকটা রাগের স্বরে বকা দিয়ে বলি....
হেই ই ই সমুদ্র!!!

সত্যিই তোমার দিকে তাকানোই ভুল ছিল আমার।

এখন আমার চোখ,মন সারাক্ষণ তোমার -
ওই মাতাল হাওয়া খুজে বেড়ায়....

Wednesday, June 29, 2016

সকালে বীচ থেকে ফিরে চিন্তা করলাম, একটু রেস্ট নিয়ে দুপুরের দিকে বাড়ীতে রওনা দিব


সকালে বীচ থেকে ফিরে চিন্তা করলাম, একটু রেস্ট নিয়ে দুপুরের দিকে বাড়ীতে রওনা দিব।তাই কলাতলি রোডে আমার এক ফ্রেন্ড(হোটেলের মালিক) কে ফোন দিয়ে জানতে চাইলাম, সে হোটেলে আছে কিনা! তখন সে বলল, না আমি মারম্যাড হোটেলে আছি এবং এখানে চলে আয়। তো আসলাম এবং বললাম একটু রেস্ট নিবো। সে সব কিছু ঠিক করে অন্য রুমে চলে গেল। 

(হোটেলে আছি বলে আমি বাথটাব এর ছবি দিব না।এই ডিজিটাল যুগে অনেকে দেয় তো তাই বললাম)।

অতঃপর আমি ঘুম যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম।কিন্তু মাননীয় ঘুম মহোদয় কিছুই তে আসছে না। তাই, শুয়ে শুয়ে লেখতে লাগলাম যদিও আমি তেমন লেখতে পারি না। লেখতে গেলেই সব কেমন যেন সেই -
"সিএসএম কলোনী"তে থাকা কালীন আমার প্রিয় 
"হুমায়ুন আহমেদ" স্যারের -
"আজ রবিবার" 
নাটকের জাহিদ হাসানের ডায়ালগ -
"হি জি বি জি"র মত হয়ে যায়। 
যাই হোক.....
আহ্ !!! 

বন্ধু রানা, তুই তো শুধু ঈদের বাড়তি গাড়ি বাড়া দেখলি


বন্ধু রানা, তুই তো শুধু ঈদের বাড়তি গাড়ি বাড়া দেখলি। এবার দেখ জামানার আঞ্চলিক ভাষায় বলি - বরি/হানপুল(এই সব পোলাদের আমি এই নামেই ডাকি, শুদ্ধ ভাষায় পাংকু) লাগানো ছেলেদের ফ্যাশন যদি এমন হয়, তাহলে নেংটো হতে অার কত বাকী ? 

অাসলে দেশটা ডিজিটাল হচ্ছে কিনা জানিনা, তবে কিন্তু দেশের এই শ্রেনীর মানুষগুলো ডিজিটালের 'ডিজি' বাদ দিয়ে সত্যি সত্যি টাল হয়ে যাচ্ছে নাতো !!!

এটাকে তুই কি বলবি?

নোট:- দয়া করে, কেউ বিষয়টা অন্য ভাবে নিবেন না। আসলেই তো দেশ টা এখন এই ভাবেই চলছে।

রাতে আমার এমনিতেই ঘুম হয় না


রাতে আমার এমনিতেই ঘুম হয় না। রাতে প্রজেক্টকেই সময় দিই এবং আজ অনেকটা বোরিং লাগছে প্রজেক্ট এর হাওয়া টা। কেন যানি বিরক্ত লাগছে তাই পাগলা টাইপের এই মন চাইল, সমুদ্রের হাওয়া খাবে(অনেকদিন আসা হয় না এবং আমরা স্হানীয় যারা আছি তারা আসলে রাতের সমুদ্র উপভোগ করি এবং প্রায় রাতে আসা হয় )। রাতের সাগরের হাওয়া অবলোকন করার জন্যে তাই প্রজেক্ট এর একজনকে সাথে নিয়ে বাইকে উঠে গাড়ি স্টার্ট দিলাম এবং চলে আসলাম।

সাগর পাড়ে নেমেই গেন্জি খুলে ফেললাম। খালি শরীরে সমুদ্রের হাওয়া লাগানো উফফফ! কি যে একটা ভাল ফিলিংস হচ্ছে বলে বুঝানো যাবে না এবং ফেরারী স্মৃতি গুলো আমাকে বার বার আঘাত (৯১' "হারিকেন" ঘুর্নি ঝড়ের মত) হানছে আমার হ্নদয়ের অ অ অ অন্তরে........ 

এবং ইন্দ্রনীল ছেত্রী'র মত মনে মনে বলি ---
প্রিয় ফুলন দেবী(কাল্পনিক),
একদিন এখানে রাতের পারে,
আঁধারের মত,
চাপা প'ড়ে গেছে যে হৃদয়, 
সেখানে দেখেছি
কোনো মানুষী ছিল না,
ছিল না আশা, 
নিরাশার ভয় য় য় য়....।

Friday, June 24, 2016

ইফতার মাহফিল


সময় মত সেহেরী খেয়ে ফজরের নামাজটা পড়ে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছিল না(প্রচন্দ চোখে ঘুম থাকা সত্ত্বেও কারন গতকালও খুবই কম ঘুমিয়েছি)। চোখে শুধুই সিএসএম এর স্মৃতি গুলো ভাসছিল এবং আজ আবার সিএসএম কলোনীর ইফতার মাহফিল বলে কথা তো ঘুমতো আসবেই না যতক্ষণ পর্যন্ত উপস্হিত হতে না পারি(আমার আমিকে চিনিতো)। চিন্তা করছিলাম তিন/চারেক ঘন্টা ঘুমিয়ে দশ বা এগারটার(মাননীয়া সরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলা ছিল দশটার দিকে যেন ডেকে দেয় কিন্তু কি জন্যে! সেটা বলিনি কারন আমি জানি যে, বললে আমাকে ডেকে দিবে না) দিকে রওনা দিব কিন্তু বিধিবাম একবার এপাশ হয় তো আবার অন্য পাশ ঘুম কিছুইতে আসছে না যদিও চোখে ঘুম আছে। পড়লাম মহা যন্ত্রণায়, ঠিক যেন গেলবার গ্রান্ড আড্ডার মত, তখন তো রাতের বারটা বাজেই রওনা দিয়েছিলাম এবং না ঘুমিয়ে সারাদিন আড্ডায় খোশ মেজাজে ছিলাম। তাই বুজলাম, এবারও না ঘুমিয়ে সারাটা দিন কাটাতে হবে।

পুরনো সব স্মৃতি(শৈশব এবং কৈশর) মনে পড়তে পড়তে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সাড়ে পাঁচটা(৫.৩০)। উঠে বসলাম এবং চিন্তা করলাম ঘুম আর আসবে না, এখন রওনা দিলে ঘন্টা সাড়ে তিন ঘন্টার মধ্যে পৌছাব এবং মনে মনে ভাবলাম, পৌছে সেই প্রানের সিএসএম কলোনীর বাজার এবং এর আশপাশ ঘুরব কারন সত্যি কথা বলতে কি সেই ৯৮' সালে যে চলে আসলাম, তারপর প্রায় ১৯ টা বছরে আর কোনদিন ওদিকটাই যাওয়া হয়নি আসলে যাওয়া হয়নি বললে ভুল হবে ইচ্ছে করে যাইনি(বন্দর টিলা পর্যন্ত গেছিলাম) কারন আমার কিছুতেই ভাল লাগবে না এবং খুবই আবেগ আপ্লুত হয়ে যাব(আমার আবার আবেগটা একটু বেশী যা এই মুহুর্তেও মনের ক্যাভাসে কাজ করছে মনে হচ্ছে কেউ আমার ভেতর ঢুকে Shajib Kumer Dey দার মত ড্রামস বাজাচ্ছে)।

Wednesday, June 22, 2016

প্রজেক্ট থেকে সেহরি খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি ফেরার পথে খুবই সুন্দর একটা সাপের সাথে দেখা হলো


প্রজেক্ট থেকে সেহরি খাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি ফেরার পথে খুবই সুন্দর একটা সাপের সাথে দেখা হলো। এমনভাবে রাস্তার মধ্যখানে পড়ে আছে যেন মনে হচ্ছিলো সাপটি শুয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। কোন সারা শব্দ নাই।
আমার সাথে যিনি ছিলেন উনাকে বললাম, সালু ভাই, দেখেন কি সুন্দর একটা সাপ! 
ওনি বললেন কাছে যেও না। এটা সাপের রাজা।
আমি বললাম এটা কি তাহলে কিং কোবরা!
ওনি বললেন আরে না। তাহলে! (আমি আবার সাপ খুব কম দেখেছি, যা দেখছি চিড়িয়াখানায় দেখছি)
ওনি বললেন, এটা যেমন শান্ত ঠিক তেমন রাগী ও বিশাক্ত এবং এই সাপটা যদি অন্য কোন সাপের উপর দিয়ে যায় তাহলে সেই অন্য সাপটা দিখন্ডিত হয়ে যায়। অন্য সাপেরা তাকে খাদ্য যোগান দেয়। এবং এটি বাচ্চা সাপ। এটা সাধারণত দৈর্ঘ্য ১৫ মিটার এবং প্রস্ত অনেক মোটা হয়। আমি বললাম, অবুক কি বলেন এইসব! এইটার নাম কি?
ওনি বললেন, এইটার নাম হলো আইন সাপ(আঞ্চলিক ভাষায়)
আমি বললাম, এই রকম সাপের নামতো 
আগে কখনও শুনেছি বলে মনে হয় না। এটার শুদ্ধ নাম বলেন। 
ওনি বললেন আমিও এর শুদ্ধ নাম জানি না। আমাদের এখানে এটারে আইন সাপ বলে।
তারপর আমি মোবাইল বের করে ছবি তুলতে গেলে ওনি নিষেধ করেন কাছে না যাওয়ার। 
বললেন তুমি কাছে গেলে সাপটা মনে করবে তুমি সাপটাকে উত্তক্ত করছ তখন সাপটা তোমাকে ছোবল না মারা পর্যন্ত দম নিবে না।
আমি বললাম কেন? 
ওনি বললেন এটাকে তুমি যতক্ষণ বিরক্ত করবে না ততক্ষণ সে শান্ত। 
তাহলে আমরা এখানে এইভাবে দাড়িয়ে থাকব!
ওনি বললেন, সে আমাদের কথা শুনতেছে এবং টর্চের আলো পড়লে আস্তে আস্তে চলে যাবে। 
ওমা ! আসলেই তো টর্চের আলো যখন গায়ে পড়তে ছিল তখন দেখি ঠিকই আমাদের রাস্তা করে দিল।
এবং রাস্তার একপাশে যখন গেল আমি তখন খুব কাছে গিয়ে ক্যামেরা বন্দি করতে ভুল করলাম না।(যদিও সালু ভাই অত কাছ থেকে ছবি না তুলতে নিষেধ করছিলেন আমি শুনিনি)।
তাই সাপটির শুদ্ধ নামটা জানার কৌতূহল বেড়ে গেল।
কি কেউ জানেন!
এবং
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভালো রাখুক।
আমিন।


Saturday, June 18, 2016

ক্যাপশন নেই


ইদানিং প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ততার কারনে তেমন একটা নেটে ঢুকার সময় পাই না। কিন্তু যখনই পায় নেটকে সময় দিই। গতকাল সেহেরী খাওয়ার পর রিলেক্স মুডে নেটে ঢুকে এফবি তে ডুব দিয়ে নিউজ ফিড দেখতে ছিলাম হঠাৎ চোখ পড়ল Iftee Nomi ভাইয়ের একটা পোস্ট (যেটা পোস্ট করেছেন ২/৫/১৬)। যার শিরোনাম ছিল....

"আমার ডায়েরির ছেড়া পাতা
আজ সুমন বিশ্বাস সিক্যুয়ালের শেষ পর্ব"।

সাধারণত নমি ভাইয়ের লেখাগুলো আমার খুবই ভাল লাগে তাই অতীব আগ্রহ নিয়ে পড়লাম এবং সুমন বিশ্বাস নামটা আমার অনেক পরিচিত মনে হলো। তাই আমার মেমোরিকে একটু ব্যাকে নিয়ে চিন্তা করলাম এবং পেয়েও গেলাম, সাথে সাথে কমেন্টস করলাম। যা চিন্তা করছিলাম সেটাই হলো।

নমি ভাইকে বললাম ইনবক্সে ওর ছোট ভাইয়ের(রনি) নম্বরটা দেওয়ার জন্য।ওনার কাছে রনির(ওকে আমরা ভোলা বলে ডাকতাম। নামটা Riton Moniruzzaman ভাইয়ের দেওয়া) নম্বর নেই তাই ওনি সুমনের বড় বোন ছন্দা দিদির নম্বর দিলেন এবং বললেন whats app এ উনাকে পাবা। 

তো উনাকে অনেকবার কল করার পরও যখন ফোনে পাচ্ছিলাম না তখন whats app এ ম্যাসেজ দিলাম যার রিপ্লাই এখনও পাইনি।

তাই নমি ভাইয়ের কথার সুত্র ধরে লিখতে বসে পড়লাম।

"সুমন বিশ্বাস" আমাদের এফ ১০ নং বিল্ডিং ২৩ নং রুম এর সুপরিচিত একটি নাম। যে ছেলেটার ছিলনা কোন অহংকার এবং খুবই কম কথা বলত এক কথায় সে ছিল খুবই সহজ, সরল এবং শান্ত প্রকৃতির। যে সময়টাতে আমি, Md Rafique Csm Ctg , Mokther Hossain এবং সৌরভ কুমার রায় খুবই দুষ্টমি করতাম তখন তাকে দেখতাম ঘরের ভেতর/বাহিরে বই নিয়ে পড়তে। সম্ভবত ৯৭' ব্যাচের ক্লাস ক্যাপ্টেন ছিল। হঠাৎ তার বাবা চাকরি থেকে অবসর গ্রহন করে সহপরিবার নিয়ে ভারত এ চলে যান এবং এখন অব্দি ভারতের বারাসাতে বসবাস করছেন। চাইলে আঞ্চলিকতার টানে ওর পরিবার নিয়ে অনেক গল্প লেখা যাবে। অন্য আরেকদিন সময় করে লিখব।

এবার মুল কথায় আসি, 
আমাদের এই উজ্জ্বল(নমি ভাইয়ের মতে, দেশে থাকলে ড. জাফর ইকবাল হতো) স্টিলার, ইংলিশে অনার্স মাষ্টার্স করা সুমন বিশ্বাস আর আমাদের মাঝে নেই।
সত্যিই বিশ্বাস করতে খুবই কষ্ট হচ্ছে যে তার মৃত্যুটা ছিল খুবই করুন যা এই পাবলিক প্লেসে লেখার মত দুঃসাহস আমার নেই।
(গত ৩০শে এপ্রিল সবাইকে কাঁদিয়ে যোজন যোজন মাইল দুরে না ফেরার দেশে চলে গেছে)।
প্রার্থনা করি যে, ঈশ্বর যেন তাকে স্বর্গের সর্বোচ্চ চুড়ায় অধিষ্ঠিত করেন।

Thursday, June 16, 2016

কথোপকথন এবং ফ্লাস ব্যাক


আমি সাধারনত বাহিরে ইফতার করি না। বাড়িতে সবার সাথে বসেই ইফতার করি। ইফতারি করে পাড়ার দোকানের দিকে বের হলাম ৭.১৫ এর দিকে এবং দোকানে পৌঁছে একটা চা এর অর্ডার দিলাম(যদিও বাড়িতে চা পান করেছি তারপরও কেন জানি পাড়ার দোকানের চা পান না করলে খাবার হজম হয়না)। হঠাৎ দেখি সেল ফোনে গ্রামীণ নম্বর থেকে এস এম এস এবং সেটি পড়লাম। পড়ে একটু ভয় পেলাম(আমার একটু ভয় পাবার সংশয়ও আছে)। আমি আর রিপ্লাই না করে সরাসরি গ্রামীণ নম্বরটাতে ফোন করলাম এবং দুইটা রিং পড়ার পর ওপাশ থেকে কেটে দিল। আমি আবার করলাম এবং ওপাশ থেকে কেটে দেয়। আমার ভয় আরো বেড়ে গেলো কারন দেশের যে অবস্হা তাতে একটু ভয় পাওয়ারই কথা(গতকালও আমার এখান থেকে দুই কিলোমিটার দুরে রাত এগারোটার দিকে গোলা গোলিতে এক জন নিহত এবং আরেক জন চমেক হাসপাতালে আইসিও তে)।
যাই হোক এস এম এসটি ছিল ...
tumi ki titu. 
ওপাশ থেকে যখন ফোন রিসিভ করে না তখন মেরিডিথের উক্তি টি মনে পড়ে গেল ___ 
'সাহস নিয়ে বেঁচে থাকো না হয় মরে যাও।'
আমিও সাহস নিয়ে রিপ্লাই দিলাম ...

Tuesday, March 1, 2016

মহাপুরুষ


csm colony page এর যখন আবির্ভাব তখন থেকেই রিপন ভাইকে নিয়ে কিছু লিখব লিখব করেও আমার লিখা হয়ে উঠেনি। উঠেনি বললে ভুল হবে একটু সময়ের অপেক্ষায় ছিলাম এবং সেই সময়টা পেলাম আর অমনি লিখতে শুরু করলাম। তবে আমি রিপন ভাইয়ের মত রস কস দিয়ে বা গুছিয়ে লিখতে পারিনা।

যদি ভুল হয় দয়া করে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
আমার দেখা সিএসএম কলোনীর সেরা মানুষ(রিপন ভাই)।আমি উনাকে সবসময়ই মহাপুরুষই বলি। এমনকি গ্র্যান্ড আড্ডাতে ভাবীকে(রিপন ভাইয়ের বউ) ও বলেছিলাম যে, ভাবী জীবনে অনেক বড় একজন মানুষ পেয়েছেন। কিন্তু ভাবী বলেছিলেন তুমি তোমার ভাইকে কতটুকু চেন!

ভাবীকে বলেছিলাম, উনাকে আমি আমার জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার আগে থেকেই চিনি আর জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেতো আরও ভাল করে চিনি।