গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পোশাক নিয়ে আলাপ করেছি, এখন করব আমাদের তথা র্পৃথিবীর সবচেয়ে আরামদায়ক পোশাক লুংগি নিয়ে।
লুঙ্গি দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী পোষাক! প্রাপ্তবয়স্ক সকল পুরুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ।
তবে ইদানীংশহরের আধুনিক ছেলেরা থ্রী-কোয়ার্টার নামক পোষাক ছাড়া আর কিছু বুঝেনা।এমনকি এরা পোষাক পরিবর্তনের সময়ও লুঙ্গি ব্যবহার করে না। অনেকেই আছে জীবনে লুঙ্গি দেখেও নাই। দিগম্বর হয়ে জামা-কাপড় পাল্টায়। ছি ছি ; শরম নাই।
আমাদের জীবনে লুঙ্গির গুরুত্ব বলে বুঝানো যাবে না। তারপরেও কিছু না বললে এ পোশাকের সাথে নিমক হারামীগিরি করা হবে। তাই বলছি।
০১. লুঙ্গি পড়তে এবং খুলতে খুবই অল্প সময় লাগে। গিনেস বুকে নাম থাকতে পারে এই ব্যাপারে। না থাকলে অতি শীঘ্রই নিবন্ধন করানো দরকার।
০২. আয়রন করানোর দরকার হয় না। প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুত বেঁচে যায় এ কারণে। দেশের সব লুঙ্গি পরিধাণকারী যদি আয়রন করে পরতো, তাহলে দেশে যে কি পরিমাণ বিদ্যুত ঘাটতি দেখা দিতো, সেটা ভেবে শিউরে উঠতে হচ্ছে।
০৩. সহজেই ধোয়া যায়। খুব তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।
০৪. প্রয়োজনের হাটুর উপর ভাজ করে ঢং করা পড়া যায়।
০৫. জরুরী প্রয়োজনে মালকোচা দিয়ে পড়া যায়। গ্রামীণ জনপদে এই ভাবে লুঙ্গি পড়ার বেশ প্রচলন দেখা যায়,। ক্ষেতের কৃষক, জেলে সহ বেশ কিছু পেশার মানুষ এভাবে নানা প্রয়োজনে পরেন।
০৬. অন্যান্য জামা-কাপড়ের তুলনায় দাম বৃদ্ধির হার বেশ কম। একটা শার্ট আগে ৬০০-৭০০ এ পাওয়া যেত। এখন ১২০০-১৪০০ হয়ে গেছে। লুঙ্গির দাম এত নির্লজ্জ ভাবে বৃদ্ধি পায়নি।
তবে এখন লুংগীরও ব্র্যান্ডিং হয়েছে, সেক্ষেত্রে আমি সবসময় আড়ং এর লুঙ্গি পড়ি।