Monday, August 24, 2015

একদিনের কথা মনে পরে গেলো (সালটা সেইই ১৯৯৮)


Iftee Nomi ভাইএর লেখাটা পড়ে একদিনের কথা মনে পরে গেলো। সালটা সেইই ১৯৯৮ । ক্লাস টেন। মাহফুয স্যার এর ক্লাস। যথারীতি স্যার তার মনের মাধুরি মেশানো অতি সুন্দর হাস্য মুখ খানা নিয়ে ক্লাস এ আসলেন। ও হ্যাঁ ওনার সবসময়ের সঙ্গী সেই অত্যধিক সুন্দর বেত খানা আনতে ভুললেন না। 

যা হোক ক্লাস এ ঢুকেই হুঙ্কার ছাড়লেন, যারা যারা পড়া শিখিসনি তারা বেঞ্চের উপর দাড়া আর বই নিয়ে পরতে থাক। আর আমরাও টুঁ শব্দটি না করে অতিভদ্র ছেলের মত দাড়িয়ে গেলাম। আমাদের মধ্যে আবার একটা ব্যাপার ছিল। এটা কে unity না যেন কি বলে। আমরা আবার যা করতাম ক্লাস এর সবাই একযোগে করতাম। ধরা খেলে একযোগে ধরা খেতাম। মাইর খেলে তাও একযোগে খেতাম। তো সেরকম ভাবে মোটামুটি আমরা সবাই একযোগে দাঁড়ালাম আর পড়ার চেষ্টা (বৃথা চেষ্টা) করতে লাগলাম। 

আমি ,সুজন, ফুয়াদ, আসিফ, খোকন সহ এমন সময় দেখি স্কুল এর গেইট দিয়ে ঢুকছে স্কুল কমিটির মেম্বার মহাম্মদ আলী (আসিফের বাবা) । আমরা তখন আসিফের বাসায় নিখিল স্যার এর কাছে প্রাইভেট পরতাম। আর এটা মাহফুয স্যার ও জানতো। আর যায় কোথায়। স্যার সোজা গিয়ে মহাম্মদ আলী কাকা কে ডেকে নিয়ে আসলো। আমাদের স্যামনে এনে বলল দেখেন তো এদেরকে চিনতে পারেন কিনা। আমরা তো একজন আরেকজনের পিছনে মুখ লুকানর চেষ্টা করচিলাম। আর আসিফের অবস্থা বলাই বাহুল্য। টার তো গলা সুকিয়ে কাঠ। 

Sunday, August 23, 2015

বালি ঘড়ি


সেদিন বলেছিলাম আজিজ স্যার এর কথা। রেজা ভাই এর প্রশংসা দেখে লোভ বেড়ে গেলো। ভাইয়ার সম্মানার্থে আমাকে আবার লিখতে বসতে হলো। প্রাইমারির গন্ডি পার না হতেই পরলাম মাহফুজ স্যার এর সামনে। ক্লাস ফাইভ কি সিক্স এ পরি তখন , মাহফুজ স্যার আমাদের ক্লাস নিচ্ছেন, স্যার দেখতে অনেক স্মার্ট , তারচেয়েও স্মার্ট স্যারের হাতে থাকা বেত । স্যার কলম বেত টা খুব যত্ন করে রাখতেন ,এই কলম বেত কে ক্যাটরিনার মত করে নাচিয়ে নাচিয়ে আমাদের রক্ত চলাচল বন্ধ করে দিতেন, ক্লাসে ঢুকেই বললেন কেউ আমার ক্লাসে কথা বলবে না , যদি কোন কথা থাকে আমাকে বলবে। বালি ঘড়ির একটা চ্যাপ্টার পড়াচ্ছেন, খুব সুন্দর করেই পড়ালেন, ক্লাসেই আমার মুখস্ত হয়ে যায়, স্যার সবাইকে পরের দিন মুখস্ত করে আসতে বলে চলে গেলেন । 

পরদিন ক্লাস শুরু হলো, স্যার হুঙ্কার দিয়ে বললেন ,“যারা পড়া শিখোনি বেঞ্চে কান ধরে উঠে দাড়াও, আমি জিজ্ঞেস করার পর যদি দেখি পারছো না শাস্তির পরিমান কিন্তু দ্বিগুন হবে ”

ফুটবল সমাচার


বেশ কদিন আগে মেডিকেলে নাইট ডিউটি করার সময় ২টার িদকে হঠাৎ এক রোগীর মুখোৃুখি হতেই পুরনো স্মৃতি...বড়মাঠ,ফুটবল টুনামেন্ট, বড় বড় দল (মুনষ্টার,ম্যানষ্টার,নবীনসংগ..) মনে পড়ে গেল। রোগী আমার সবসময়ের পতিপক্ষ ম্যানষ্টারের দুর্দান্ত *শামীম*...

লিভারের জটিল রোগে আক্রান্ত।পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠালাম।

Saturday, August 22, 2015

স্কুল লাইফ


স্কুল লাইফে আমাদের খুব পছন্দের টিচার ছিল; আজিজ স্যার । আবার প্রচন্ড ভয় ও পেতাম স্যার কে। সামনে আসলেই হার্ট বিট বেড়ে যেতো। কোন ভাবেই নরমাল হতে পারতাম না। স্যার এর হোম ওয়ার্ক রেডি করতে ভুল হতো না কিন্তু পড়া ধরলেই কেমন জানি সব গোলমেলে হয়ে যেতো। যথারীতি একদিন পড়া ধরার জন্য সামনে এসেছে । আমি তো ভয়ে শেষ , মুখস্ত করে রাখা পড়া যেখানে ভ্যানিশ হয়ে যেতো সেখানে পড়াই শিখেই আসি নাই । কি যে হবে ? এক কলমে বিএ পাশ নামের কলম বেত এর আঘাতে বিয়ে করতে না পারলেও আজ কে আমারে লাল দুনিয়া দেখিয়ে দিবে।

কাজি রে ধরেই ঘ্যাচেং ঘ্যাচেং করে লাগিয়ে দিলো । ফয়জুল এর কাছে পড়া নিচ্ছে ।
আমি দোয়া দরুদ পড়ছি
আল্লাহ আজ দিন টা এত বড় কেন ? ঘড়ির কাটা কি অনসন করছে ? তাহের ভাই ঘন্টা বাজাবে কখন? স্যার যদি আজ কোন কারনে স্কুলে না আসতো ......... 
নমি উঠ ? 
জ্বি স্যার 
পড়া শিখছিস ? আগে স্বীকার করলে দুইটা পিটুনি খাবি আর আমি চেক করার পর না পারলে আনলিমিটেড
ওরে আল্লাহ এই রকম প্যাকেজ কবে বাজারে আসলো ? আমি তো এখনো জানলাম না ।

Friday, August 21, 2015

কনফিউজড ছিলাম

- Iftee Nomi

কলোনির বড় ভাইয়ারা যখন বড় আপু দের বিয়ে করে তখন আমাদের একটা প্রব্লেম ফেস করতে হয় । সেই সময় আপু দের কি ভাবি বলে সম্বোধন করবো নাকি ভাই দের দুলাভাই বলে সম্বোধন করবো এইটা নিয়ে কনফিউজড ছিলাম ।

Thursday, August 20, 2015

আমার এ লেখাটা আগে কমেন্টস হিসেবে ছিলো


আমার এ লেখাটা আগে কমেন্টস হিসেবে ছিলো , এখন এখানে পোষ্ট করলাম,

আমাদের রতন (বর্তমানে আর্মিতে) ঢাকা আসার জন্য গ্রীন লাইন বাসের টিকেট কাটতে দুই টার ষ্টাফ বাসে করে দামপাড়া যাবে, জেক্সর সামনে আমি আর রাশেদ (মরা) বসে ছিলাম, আমাদের জোর করে সে নিয়ে গেলো, সমস্যা হলো আমি লুংগী পড়া ছিলাম, তারপরও রতন আমাকে নিয়ে গেলো, টিকেট কেটে আমরা তিনজন কলোনী আসার জন্য গনি বেকারিী তে সাড়ে তিনটার বাস ধরতে আসলাম বাসে আগে থেকেই অনেক জুনিয়র পোলাপান ছিলো, তারা আমারে দেখে মুচকি হাসহাসি করতেছিলো, এমনও শুনেছিলাম যে আমার পিছনে ফোড়ার কারনে নাকি আমি লুংগী পড়েছি, আরও ভয়াবহ ব্যাপার হলো বাস যখন নিউমার্কেট আসলো তখন বাসে বিশেষ কেউ একজন উঠলো, আর আমার দিকে যে লুক দিলো,ভাইরে পরে আমার উপর দিয়া অনেক ঝড় গেছে এ লুংগী পড়ে কলেজ বাসে উঠা নিয়া। সব দোষ শালা ঐ রতইন্যার।( thnx পুলক মধুর স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য)

বিদ্যুৎ সংকটের জন্য কলোনী তে সন্ধ্যা থেকে রাত নয় টা পয্যন্ত ষ্ট্রীট ল্যাম্প বন্ধ রাখতে হচ্ছে


বিদ্যুৎ সংকটের জন্য কলোনী তে সন্ধ্যা থেকে রাত নয় টা পয্যন্ত ষ্ট্রীট ল্যাম্প বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তবে বাসায় বিদ্যুতের কোন সমস্যা হচ্ছেনা, কিন্তু রাস্তা গুলো রাত নয়টা পর্য্যন্ত অন্ধকার থাকতো। এমনি এক সণ্ধ্যায় ইউনুসের দোকানের সামনে আমরা আড্ডা মারছি, দেখলাম এক লোক আমাদের কাছে আসছে এবং যে বাসায় যাবে, সে ওই বাসা চিনেনা, ওরে খোদা, কি তামশা সে দেখি কলোনীর এক ভয়াবহ ত্যাদড় লোকের এক আত্নিয় ,আর বাসার ঠিকানা নিচ্ছে আমাদের কাছ থেকে !!!!!!!!!( আর আমরাও ভূল ঠিকানা দিয়া দিছি) আর তার হাতে দেখলাম মিষ্টির পোটলা , ঐ ত্যাদড় ব্যাটা তো আমাদের সারা জীবন জালাইছে, এখন তার আত্নিয় রে আজকে খবর করে দিব, েমানে তার মিষ্টির পোটলা কেড়ে নিব। যথারিতী আমি, রাশেদ (পলা বা মরাইয়া) মনিরুল (মইয়ু), দুলি একশনে নামলাম ওই মিষ্টি অলা ব্যাটারে ফলো করতে করতে বড় মাঠের কোনায় গিয়ে অন্ধকারে ঝোপের কাছে যে মুহূর্তে মিষ্টির পোটলা টান দিব অমনি আমাদের সামনে তাপস দা হাজির , উনারে দেখে আমরা পুরা ভদ্র, কিন্ত চেহারার কাচুমাচু ভাব দেখে তাপস দা ঠিকই বুঝলেন আমরা কোন আকামে আসছি, উনার জেরার মুখে সব কিছু স্বিকার করলাম, উনি সব শুনে আমাদের উল্টা ঝাড়ি মাইরা বললেন”আরে গাধারা তোরা এই কাম করবি তো আমারে দেইখ্যা ডরাস ক্যান আমি কি তোদের বাইরের কেউ”, কিন্ত ততক্ষনে আমাদের শিকার হাওয়া, তাপস দা বললেন আচ্ছা ঠিক আছে নেক্সটে ঠিক মতো করিস আর আমার ভাগ রাখিস।

তাপস দা কলোনী টা আর নেই, কেউ আর মিষ্টির পোটলা হাতে আমাদের ঠিকানা জিগ্গেস করেনা, আমি জানি ওপার থেকে আপনি সব দেখছেন।

তাপস দা আপনি কি এটা দেখেছেন, সব কিছু আমরা গড়ে নিয়েছি আগের মতো করে, কারও আর সাধ্য নেই এটা বন্ধ করার। আপনি ও আসুন প্লিজ, যদি দীপক দা র সাথে দেখা হয় তাকেও বলুন সব আগের মতো হয়ে গিয়েছে, ট্যাংকীর নীচের আড্ডাটা আবার জমে উঠেছে।