Monday, February 15, 2016

চিটাগাংয়ের স্টীলাররা এতই বেশী প্রোগ্রামমুখী আর খাওয়াখাওয়ী মুখী


চিটাগাংয়ের স্টীলাররা এতই বেশী প্রোগ্রামমুখী আর খাওয়াখাওয়ী মুখী মাঝে মধ্যে ভাবি অফিস থেকে ট্রান্সফার লেটার নিয়ে বৌ-পোলাপাইনসহ চিটাগাংয়ে ঘাঁটি গারবো কিনা!!!

তাইলে অমুকের জন্মদিন, তমুকের বিবাহ বার্ষিকী, অমুকের মেজবানী, তমুকের সাদি মোবারক ইত্যাদি প্রোগ্রামে এটেন্ড করতে পারতাম।

এই মুহুর্তে পুলকের বার্থডে সেলেব্রেশনটা মিস করছি। এর আগে মিস করেছি সুজনেরটা। তার আগে কমু ভাইসহ সবার সাথে মেজবানী খাওয়া। আহারে কেবল খাওয়া আর খাওয়া।

আরো আছে ১৬ ডিসেম্বরে কিংবা ২১ ফেব্রুয়ারীতে শহীদ মিনারে ফুল দেয়া। সবইতো মিসিং এর খাতায় যুক্ত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশী মিস করছি চিটাগাংয়ে থাকা (চিটাগাংয়ের বাহিরে যারা আছে তাদেরকেও) আমাদের সব স্টীলার ভাই-বোনদের যাদেরকে মন ভরে দেখেছি, কোলাকুলি করেছি প্রানের সাথে প্রান মিলিয়ে আর হৃদ্ধতা বাড়িয়েছি ২৯ জানুয়ারীতে প্রায় দেড় যুগ পরে।

স্টীলাররা যে যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন সবাই সবসময় ভাল থাকুক, সুস্থ থাকুক।।।।

তারিকের ফান্ড & বর্তমান অবস্থা


তারিকের ফান্ডঃ- চিটাগাং-- 3,21000Taka.
                       ঢাকা-- 1,67,400Taka.
---------------------------------
                      Total --- 4,88,400Tak.
খরচ--
১. তারিকের আসার খরচ - ১০০০০টা।
২.পপুলার হাস্পাতাল--৭২০০০টা।
৩. টেস্ট -৪০০০টা।
৪. জুতা-৬০০০টা।
৫.ডিভাইস সু----------- ৪০০০টা
৬. ই,এস,টি--------৫০০০টা
৭. Ambulance ----১৫০০টা
৮. ঢাকা মেডিকেল --১০৩০০০টা।(কবিন, ঔষধ, টেস্ট, থেরাপ,খাবার)।
৯. মগবাজার কমিউনিটি এখন পর্যন্ত- ৬২,৫০০টা।
১০. তারিক --৩০,০০০টাকা (তারিকের খরচ)। 
------------------------------------------------------------ মোট খরচ---২,৯৮,০০০টাকা।
মোট ফান্ড---৪,৮৮,৪০০টাকা।
বর্তমান জমা আছে--- ১,৯০,৪০০টাকা। 
ঢাকায় আছে- ১,৬৯,৪০০টাকা।
চিটাগাং আছে-- ২১০০০টাকা।

কলোনীতে আমি আসি ৮৭ সালে


কলোনীতে আমি আসি ৮৭ সালে, আর বের হয়ে যাই (বের হয়ে যাই না বলে বলা উচিৎ আমাদের বের করে দেওয়া হয়) ২০০০ সালে, অর্থাৎ মোট তেরো বছর ছিলাম। এই তেরোটি বছর ছিলো আমার জীবনের সুবর্ন সময়।

সাধারনত একটি নতুন স্থানে এলে সংগী সাথী যোগাড়ে সমস্যা হয়,কিন্তু ৮১ সাল থেকেই কলোনীর ভিতরের স্কুলে পড়ার কারনে কলোনীতে নতুন এসে বন্ধুত্ব করতে সমস্যা হয়নি আস্তে আস্তে বন্ধু বাড়তে লাগলো (বান্ধবীও বোধ হয় জুটেছিলো)। ক্লাস মেট বন্ধু তো ছিলোই সাথে আরও বাড়তে লাগলো জুনিয়র সিনিয়র বন্ধু, এদের আমরা বড় ভাই বা ছোট ভাই পরিচয় দিতাম।

১৯৯৯ সালের ৯ ই সেপ্টেম্বর


বলেছিলাম এই পেজে সক্রিয় থাকব তাই মাঝে মাঝে লিখা...কিন্তু তারপরও পারি না... দুঃখিত!! কারন আমি আসলে সময়ের সাথে পেরে উঠি না...। আর ও কিছু কারন আছে, বলব তবে এখন না......সময় হোক তখন বলব পরিবেশ পরিস্তিতি বুঝে।

১৯৯৯ সালের ৯ ই সেপ্টেম্বর এই তারিখটা আমার পরিবারে অন্য কারও মনে আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে কিন্তু আমার খুব মনে আছে যেদিন একটা বড় ট্রাক এসেছিল আমাদের কফিনে করে বেধে কলোনি থেকে ছুড়ে ফেলার জন্য, অন্য আর দশটা পরিবারের মত...। আমার সব বন্ধুই এসেছিল সেইদিন কিন্তু তারপর ও একা একা লাগছিল... কিন্তু এমনটি তার আগের দিন ও লাগে নাই... আসলে মোটেও প্রস্তুতি ছিলাম না...এমন একটা দিন মেনে নিতে হবে...আর সেই দিনটাই এখন জীবনে পরিনত হয়ে গেছে...... অর্থাৎ সারা জীবনের জন্য সব হারিয়ে ফেলেছিলাম...।

আজ পুলক ভাইয়ের জন্মদিন


আজ পুলক ভাইয়ের জন্মদিন।অনেকদিন আগে এই দিন টাতে উনার পৃথিবীতে আগমন নিশ্চয় চাচা চাচীকে অনেক পুলকিত মানে আনন্দিত করেছিল।

এই সেই পুলক ভাই যাকে ছোটবেলায় অফিসারস ক্লাবে বা বি এইচ ওয়ানের মাঠে খেলতে দেখতাম।উনার সমবয়সী রাজন, লিটন ভাইদের মুখে যেখানে কথার খই ফুটত সেখানে পুলক ভাই হাজারে একটা কথা বলত, বেশিরভাগ সময় চুপচাপ। 

অথচ উনার আব্বা হারুন চাচাকে অনেক স্মার্ট লাগত।চোখে সানগ্লাস, গোফ ওয়ালা, হোন্ডায় চড়তেন। আজকালকার দাবাং এ সালমান খান, সিংহাম এ অজয় দেবগন,কিংবা রৌডি রাথোড় এ অক্ষয় কুমার দের লুকের সাথে মিলে যায়।সেই মানুষ টার ছেলে এত ভোলাভালা কেন, মনে প্রশ্ন জাগত।

সেই পুলক ভাইয়ের সাথে দেখা বহুদিন পর নিরু ভাইয়ের অফিসে।সময় বদলালেও পুলক ভাই কিন্তু আগের মতই শান্ত তবে কথা বলেন গুছিয়ে।আমার ঘাড়ে হাত রেখে যখন কথা বলছিলেন তখন মনে হচ্ছিল অনেক আপনা লোক।
হুম।পুলক ভাই আসলেই একজন ভাল মানুষ, সোজা সরল মানুষ।এই মানুষ টা আরো অনেকদিন বেচে থাকুক সুস্থ হয়ে, মাথার উপর ছায়া হয়ে। শুভ জন্মদিন পুলক ভাই, বেঁচে থাকুন আরো অনেক বছর

আজ আমার জন্মদিন


আজ আমার জন্মদিন।আজকে আমার জন্য সব মাফ।আজকে আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু শক্ত কথা বলিঃ

এই পেজটার শুরু বিশাল আবেগ দিয়ে।সকলের আবেগের মিশ্রিত আবেগে ঠিক হলো গ্র্যান্ড আড্ডা হবে।তবে আমাদের এত শীগ্রই করার ইচ্ছে ছিলোনা,শীগ্রই হতে হলো ঐযে বললাম আবেগ সেই আবেগের কারনে।এই আবেগের কারনেই আমাদের অনেক ভাই বোন পরিশ্রম করে গ্র্যান্ড আড্ডা সফল করলো।যে আমি, অফিস বাসা এই দুইয়ের মাঝে অন্য কোথাও সময় দিতামনা, সেই আমি গত কয়েক মাস বাসায় ফিরতে লাগলাম রাত ১০/১১টায়,আমার মা বাবা অবাক এই ছেলে আবার আড্ডা দেয়!!?।এখানে শুধু আমার গানই গাচ্ছি অন্যদের কথা বললামনা,তবে আমরা সবাই জানি কারা কারা কাজ করেছে নিঃশ্বার্থভাবে, তাদের সবাইকে স্যালুট।অনুষ্ঠানের তিনদিন আগে হঠাৎ শুনতে পেলাম,যাদের থেকে টাকা পাওয়ার আশ্বাস পাওয়া গিয়েছিলো(যেহেতু মাত্র ১৫০০টাকা দিয়ে এক ফ্যামিলির চার বেলা ইত্যাদি সম্ভব না,সেহেতু কিছু ব্যাক্তির কাছ থেকে এক্সট্রা টাকা চাওয়া)আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছিলো না।আমি নিজেও বড় ভাইদের সাথে রাগ করেছিলাম এই বলে যে” আমাকে ইভেন্ট গ্রুপে রাখবেন অথচ আমার মত(বাজেট) করে যদি ইভেন্ট করতে না পারি তাহলে আমি নাই”।শেষে মাসুক ভাই সবাইকে অভয় দিয়ে বলল তোরা তোদের কাজ তোরা করে যা টাকার ব্যাপারটা আমরা দেখছি।আমরা পুরুদমে সতস্ফুর্তভাবে কাজ করতে থাকলাম।গ্র্যান্ড আড্ডা সফল হলো।

আমি জীবনের প্রথম ইংজেরি গান শুনি পুলক ভাইএর কাছে


আমি জীবনের প্রথম ইংজেরি গান শুনি পুলক ভাইএর কাছে। সেই আমলের একটা বড় ক্যাসেট প্লেয়ার ছিল উনার কাছে। সেখান থেকে ভেসে আসত মাইকেল জেকসন এবং আরও অনেকে। উনি বেশ জোরেই গান শুনতেন। বেশ ভালো লাগতো। আস্তে আস্তে ইংজেরি গান ভালো লাগতে শুরু করল। থাঙ্কু পুলক ভাই। শুভ জন্ম দিন।

মানিক- BH-1

কাল খুব ব্যাস্ত ছিলাম ও মনটা ভাল ছিল না তাই আজ সকালে লিখলাম


কাল খুব ব্যাস্ত ছিলাম ও মনটা ভাল ছিল না তাই আজ সকালে লিখলাম।
১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস। ভালবাসার মানুষ যে কেও হতে পারে। আপনি আপনার মাকে ভালবাসেন তার জন্যে দিবস লাগেনা।
সন্তানকে ভালবাসেন তার জন্যে দিবস লাগেনা। প্রতিদিনইতো তার জন্যে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন। নাহয় একদিন ঘটা করে জানালেন আই লাভ ইউ। দোষের কি?
ভাইবোনকে ভালবাসেন তার জন্যে দিবস লাগেনা। আত্বীয় স্বজনকে ভালবাসেন তাতেও দিবস লাগেনা। ভালবাসা প্রতিদিনের। না হলে এই পৃথিবী সুন্দর হতনা।
শিক্ষক এতো কষ্ট করে পড়ে শিক্ষক হন যাতে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ উপকৃত হন। দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করবে বলে।

Sunday, February 14, 2016

কোন প্লান না করে


কোন প্লান না করে বাড়িতে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভোর ৫ টার গাড়িতে উঠে ৮.৩০ মিনিটে বাড়ি এসে পৌছে সবাইকে অন্য রকম একটা সারপ্রাইজ দিলাম, আমার ৩ টা ছেলে যে কি খুশি হইছে তা বলার মতো না,বিশেষ করে আমার ৮ মাসের ছেলেটা বাবাকে পেয়ে সারাদিন বাবার কোলেই ছিল,এটাই তো এক অন্য রকম ভালোবাসা দিবস তাই না

ভরা ডুবি-ডুবি জীবন আমার

- Ripon Akhtaruzzaman

ভরা ডুবি-ডুবি জীবন আমার
চরম শূন্যতায়
বেঁচে থেকে কি লাভ বল?
কি আছে দুনিয়ায়!
ছড়া আর জোকস বলি সারা দিনই
কাঁচা হাসি ভরা ভরা মুখ
বিস্ময় ভরা, বিষ-ময় পথ
নাইরে কোথাও সুখ!
মেজাজ মর্জি কন্ট্রোলে নাই
পকেটেও নাই ক্যাশ
ক্ষুধা পিাপাসা নিদ্রাও নাই
আসলেই আমি শ্যাষ!
জানিনা আমি চলব কিভাবে
কিভাবে আজও চলছি
পাগলেও আমার ধার ঘেঁষে না
অনেক দুঃখ নিয়া বলছি।

গত কয়েক দিন ধরে ভাবছি লিখব, কিন্তু কি লিখব?


গত কয়েক দিন ধরে ভাবছি লিখব, কিন্তু কি লিখব? লিখার জন্য স্থির হতে হয়। তাতো হতে পারছিনা, গাড়িতে বসে লিখা যায়, কিন্তু ঝাঁকুনি তে ভাবনাগুলো ঝাকাঝাকি করে।তবুও লিখা, ফাল্গুন, ভালবাসা দিবস এগুলো ঈ ত লিখার মৌসুম।

ঘটনা টা নব্বই দশকের।তখন আমরা ডি টাইপে থাকি।সবে ভার্সিটি তে এডমিশন নিয়েছি কিন্তু ক্লাস শুরু হয়নি।গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়াচ্ছি।সন্ধ্যাবেলায় বাসায় ফিরছি।দেখি আমাদের পাশের বাসার তুশি নিচতলার লিমার সাথে কথা বলছে কোন রচনা পড়বে তা নিয়ে।কালকে ওর ইংরেজি ২ য় পরীক্ষা। ওর টেনশন দেখে আমি বলে বসলাম A journey by bus রচনা দেখে যেতে পারিস, আসতে পারে।এটা বলেই আমি বাসায় ঢুকে গেলাম।

"একটি অমানবিক আবেদন"


সিএসএম পেইজের স্বল্প পরিচিত এবজন সদস্য আগামি ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি অফিসের কাজে ঢাকায় অবস্থান করবে। ঢাকার রাস্তাঘাট, হোটেল, খাওয়া দাওয়া সম্পর্কে সে বিশেষ ভাবে অজ্ঞ। কোন সহ্রদয় ব্যক্তি তাকে এই ব্যাপারে সাহায্য সহযোগীতা করেন তাহলে সে চির কৃতজ্ঞ থাকিবে। উল্লেখ্য যে হোটেল ও খাওয়া দাওয়া উপর যে পরিমান টাকা সাশ্রয় হবে সে টাকা দিয়ে ঢাকায় সিএসএম বাসীদের নিয়ে পার্টির আয়োজন করা হবে।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ সিএসএম পেইজ।

বিদ্রঃ হোটেল ও খাওয়া দাওয়া উপর যে পরিমান টাকা সাশ্রয় হবে সে টাকা দিয়ে ঢাকায় সিএসএম বাসীদের নিয়ে পার্টির আয়োজন করা হবে।

মরা রাশেদের বাসা খালি আজ দু তিন ধরে


মরা রাশেদের বাসা খালি আজ দু তিন ধরে, ইতিমধ্যে তার বাসায় অপারেশনের মুরগী পর্ব, ইমোশনাল পানীয় পর্ব শেষ । আর কি করা যায় সে ভাবনায় আছি, সবাই মিলে ভেবে বের করলাম সবজী খিচুড়ি করলে কেমন হয় আমাদের মনিরূল আবার ভালো খিচুড়ি রান্না করতে পারে। এখন সবজী পাওয়া যায় কোথায়, সবজী কিনার পাবলিক তো আমরা নই, মনে পড়ল বি এইচ ১ এর মাঠের এক কোনায় এক চাচার সবজী বাগান আছে, (সংগত কারনে চাচার নাম প্রকাশ করলাম না) উনি সেখানে নানান পদের সবজী চাষ করেছেন। রাত ৯ /১০ টার দিকে আমরা কয়েকজন অপারেশনে নেমে গেলাম, কিছুক্ষন পর দেখি বাগানের মালিক ঐ চাচা বাজার থেকে আসার সময় আমাদের দেখে ফেলেছেন আমারাও ধরা খাওয়া মুরগীর মত উনার সামনে কাচুমাচু হয়ে আছি, খেয়াল করলাম আমদের মধ্যে রাশেদ নেই, দু তিন মিনিট পর রাশেদ বাগানের ভিতর থেকে একটি স্যান্ডেল হাতে আরেকটি স্যান্ডেল পায়ে নিয়ে ঐ চাচার কাছে এসে বলল “ কাকা আমার এই স্যান্ডেল টা আপনার বাগানে পড়ে গেছিলো তাই এটা নিতে আপনার বাগানে ঢুকেছিলাম চুরি করতে ঢুকি নাই, আমরা সবজী চুরি করিনা” এই চাচা কে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে সে আমাদের সবাইকে নিয়ে সেখান খেকে চলে গেলো আর ঐ চাচা তো রাশেদের কথা শুনে পুরা হতভম্ব।

খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঘুমিয়ে থাকা আদৃতা


খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঘুমিয়ে থাকা আদৃতা - আজানের মার কপালে আলতো করে চুমু খেলাম। বৌ আমার এতো অল্প স্পর্শেই সাড়া দিবে ভাবিনি। ঘুমের ঘোরে আড়মোরা দিয়ে তাকানোর সাথে সাথেই বললাম "Happy Samee's Day. বৌ বোধহয় ইলেক্ট্রিক সকড খেল আর বসে বললো কি বললে? একই কথা আবার রিপিড করলাম। বৌ আমার পুরো সময়টাই মাটিতো না এক্কেবারে কাঁদাযুক্ত এটেল মাটি করে দিয়ে বললো কি ব্যাপার এই বুড়া বয়সে মনে হয় ভালবাসা মন ডিঙ্গিয়ে উপছে পড়ছে! ব্যাপারটা কি? আর ভ্যালেন্টাইন সাহেব কে কই পাঠায়া দিয়া ওই আসনটা নিজে দখল করলা? বুঝলাম আমরা সবাই valentine শুনতে শুনতে অভ্যস্ত। কাজেই উলটা সিধা করলে খবর আছে। সকালটা শুরু হলো এই ভাবেই।

রাত পেরোলেই পরীক্ষা


রাত পেরোলেই পরীক্ষা । অসম্ভব প্যারা খাচ্ছি । ঘুম আসছেনা । একটা কারনে মন ও বেশ খারাপ । চোখ বন্ধ করে যতই ঘুমানোর চেষ্টা করলাম ততই কিছু স্মৃতি মনে পড়ছে ।

আমার জীবনের প্রথম বাসা F-9 এর ১৬ নং বাসা । আচ্ছা একটা মানুষের ছোটবেলার স্মৃতি কতটুক মনে থাকে? জীবনের প্রথম ৫বছর ৪মাস কাটানো ওই বাসার অনেক স্মৃতি আমার এখনো মনে আছে বললে আমার ভাই হাসে । ওর ধারনা আমি বানিয়ে বলি কথাগুলো । অথচ আমি বানিয়ে কখনোই বলিনা । আমার সব কিছু মনে না থাকলেও কিছু জিনিস খুব স্পষ্ট মনে আছে ।

গোটা একটা দিন চলে যাচ্ছে


গোটা একটা দিন চলে যাচ্ছে। তাও আবার ভালোবাসা দিবস। কি করি? কার কাছে যাই? মনে মনে চাচ্ছিলাম, আতিকের কাছে যাই, দুই ভাই মিলে ডাল/ভাত খাবো, আর ভালোবাসা দিবসটা নিয়ে, বিশাল একখান আলোচনা করবো। হারামি আবার দিবস/টিবস বিশ্বাস করেনা। মনে হয়, বউ এর প্যাদানি খাইয়া, এখন সাধু হইছে। রিপনের কাছে যাবো!! না, লাভ হবেনা, শালা, সকালে উঠেই, টেলিফোনের লাইন নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরে। অপুর কাছে গেলে, বলে বসবে, ভাই সুনেন, এটা যদি গার্মেন্টস এর কোনো আইটেম হয়ে থাকে, তাহলে আলোচনা করা যায়, তা না হলে ভাগেন। আপনে মানুষ সুবিধার না, সুযোগ দিলেই CSM Colony, এর নামে, আগামি আড্ডার চাদা চেয়ে বসবেন। বন্যার কাছেতো যাওয়াই যাবেনা। আমার চেয়ে বড় চাদা বাজ। দেখা হওয়া মাত্র বলবে, ভালোবাসা/টালোবাসা পরে, কি আনছেন আগে কন?? তারিকের কাছেতো আজকে যাবোই না। এই বুইড়া বয়সে আমার সর্বনাশের মুল, তারিক হারামি। 

Saturday, February 13, 2016

আজ ১২/০২ আমার প্রিয় ভাই/বন্দু/শিক্ষক রিপন ওরফে মদন ওরফে সারেগামা র ৪৮তম জন্ম দিন


আজ ১২/০২ আমার প্রিয় ভাই/বন্দু/শিক্ষক রিপন ওরফে মদন ওরফে সারেগামা র ৪৮তম জন্ম দিন। সে আমার ও ছোটবোনের বিজ্ঞান ও গনিতের শিক্ষক ছিল।তার বুঝানোর অভিনব উপায় সব সময় আমায় মুগ্ধ করত।তিনি বন্ধুদের মন্ জয় করতে সক্ষম হলেও জীবনযুদ্ধের এক পরাজিত সৈনিক।তার জীবনের শত দুঃখ কষ্ট ও অভাবের কথা কাউকে বুঝতে দিত না।ফলে সবাই ভাবতো রিপনের কোন দুঃখ নাই। সে হাসি মুখে শত দুঃখকে জয় করে নিতে পারে। সে বলত পুরুষের প্রেম নারীকে কাদায় আর নারীর ছলনা পুরুষকে করে খাটি। সেই খাটি মানুষটি ১৯৯১র জলোচ্ছাসে আমাকে ও আমার পরিবারকে যে সাহায্য করেছ তা ভুলার নয়। আজ তার জন্মদিন অনেক অনেক শুভকামনা।

পল্লী কবির-ব্যাপি ভ্যালেনটাইন ডে

- Ripon Akhtaruzzaman

পল্লী কবির-ব্যাপি ভ্যালেনটাইন ডে
ফেব্রুয়ারীর 14 তারিখ হঠাৎ সকাল বেলা
ভালবাসার সমস্ত ভুত পল্লী কবিকে মারে ঠেলা
ভুতের ঠেলায় ভালবাসার গান উঠে যেই গেয়ে
সিড়িঁর উপর কবি দেখেন----- সাহেবের বড় মেয়ে।
দেখেই কবি চমকে গেলেন, থমকে বলেন হায়
কিছু বলার এমন সুযোগ এই বুঝি যায় যায়!
ঠোঁট নরেনা পেটর ভিতর উঠে কথার ঝড়
কেমন আছো? বললেন কবি অনেক ঘামের পর।

পাপপু



পাপপু ভাই সি এস এমের এক। মেধাবী সিংহ, দীর্ঘ সাত বছর শারীিরক অক্ষ মতার যনত্রনার সাথে লড়াই করা এক সি এস এম ভাই, যার সাথে আজ আমার সাকখৃাত ১৭ বছর পর, কমু ভাইয়ের কথা (ওর সব কিছু মনে আছে) আজ আমাকে মুগ্ধ করে দিল , পপপু ভাই আমাকে দেখেই বললেন, আরে তোমাকে চিনব না?তুমি ঔ কাকার ছেলে। এক এক করে আমার বাবার সাথে উনা সমপর্ক, বাবার দৈনদিন ধর্মীয় কার্যকলাপ গুছিয়ে বললেন, উনার সাথে দেখা হওয়ার পর থেকেই আজ বাবার কথা বারবার মনে পরছে।

পাপপু ভাই কলোনির সব ভাই বোন দের কথা জানতে চাইলেন, সবাইকে জানাতে বলেছেন উনি আগের থেকে একটু ভাল আছেন। নাজমুল ভাই এর মাধ্যমে সবাই উনার খোঁজ খবর রাখেন, জামশেদ ভাই ও ভাবী উনার খোঁজ খবর করেন, আজও জামশেদ ভাই ভাবী দেখতে গিয়ে ছিলেন। পাপপু ভাই উনার সাথে তোলা ছবি পোসট করতে বলেছিলেন , কিনতু কারিগরি সমস্যার কারনে ছবি দিতে পারলাম না, এই জন্য দু:খিত, আজ আমার সাথে ছিল রেমন, জামশেদ ভাই ও ভাবী।

গ্রান্ড আড্ডা এবং আমার পোষ্টমটাম


আমার এ লেখাটা গ্রান্ড আড্ডা দুদিন পর লিখে ছিলাম। তখন কলোনীর পরিবেশ অন্য রকম হয়ে যাওয়ায় পোষ্ট করা থেকে বিরত ছিলাম। আবার স্বাভাবিক অবস্থ ফিরে এসেছে---তাই পোষ্ট করা:
______________________________________________________

গ্রান্ড আড্ডা এবং আমার পোষ্টমটাম
---------------------------------মঈন খান

ঈদ ঈদ আনন্দ নিয়ে রওয়ানা হলাম।আমার ছোট কন্যার আবার বাস জার্নিতে ভীষণ রকম এ্যলারর্জি। বাসে উঠাতো দূরের কথা বাসের কথা শুনলেই বমি বমি বলে চিৎকার শুরু করে।তাই বহু ঝক্কি ঝামেলা করে ট্রেনের ২টিকেট যোগার করেছিলাম। ট্রেনে উঠেই দেখি বন্যা তার পুরো টিম নিয়ে আমার দুসিট দখল করে বসে আছে।ওর মেয়েদের মামা মামা চিৎকারে তখন আমি সব যাত্রীদের চোখে পাক্কা মামু। আমার সাথে তারাও আমার ভাগনিদের দেখছে। কবে ট্রেন ভ্রমন করে ছিলাম মনে নেই। এবার জার্নিতে ট্রেনের স্থায়ী বাসিন্দা পেশাদার ভিক্ষক-ফেরিয়ালাদের সাথে নতুন উৎপাত ২ হিজরাকেও দেখলাম। ফেরিয়ালা ভিক্ষক তো ঠেকানো যায় কিন্তু হিজরা ঠেকাবেন কী দিয়ে!! সারাক্ষণ হা হা হি হি করে ২৮/০১/১৬ তারিখ চট্টগ্রাম নামলাম।সংক্ষেপে এই ছিল গ্রান্ড আড্ডার জার্নি।

আমি ভুলে যাই তুমি আমার নও (গল্প-১)


রিকশা তে তোমার হাতে হাতটা রাখতেই এক ঝাঁকি দিয়ে হাতটা সরিয়ে নিলে।কেনো হঠাৎ তোমার এই আচরণ, জানতে চাইনি।ঠিক দুই বছর আগে সেই দিনটি যেদিন আমার কাছে “না” শব্দটি শুনে পাগলের মত রিকশা করে চলে যাচ্ছিলে, তোমার উড়না জড়িয়ে যাচ্ছিলো রিকশার চাকায় , সেদিনও জানতে চাইনি তোমার কেনো এই আচরন।সবকিছু মন দিয়ে বুঝে নিয়েছিলাম।আজো বুঝে নিলাম তোমার হয়ত অন্য কেউকে ভালো লেগেছে কিংবা হঠাৎ তোমার উপলব্ধি আমাকে তুমি জেদ করে ভালোবেসেছিলে।

আজ ভালোবাসার দিন সবাইকে দেখে আমার কি তোমার কথা মনে করা উচিত!? না মনে পড়েনা, আরেহ আমরাতো এই দিনে একসাথে বেরই হতামনা,আমি থাকতাম অফিসের কাজে, আজো তাই।তোমাকে কি এই দিনে কখনো একটি গোলাপ দিয়েছিলাম,মনে তো পড়েনা!!আমি তোমাকে মিস করছিনা কেন!? তবে কি আমিও তোমায় ভালোবাসিনি!! হবে হয়ত।

শনিবার আমার অফিস খোলা থাকলেও আমি একটু রিল্যাক্স থাকি


শনিবার আমার অফিস খোলা থাকলেও আমি একটু রিল্যাক্স থাকি। কারন ব্যাংক, শিপিং লাইন, আমাদের কোরিয়া অফিস বন্ধ থাকে। কিন্তু আজকে সব কিছু বন্ধ থাকার পরও এত প্রেসারে ছিলাম তা বলার মত না। মনে হয় আমার চাকুরী জীবনে কোন শনিবারে এত টেনসনে বা প্রেসারে ছিলাম না। টেনসনে দুপরে লাঞ্চ পর্যন্ত ঠিক মত করতে পারি নাই। এখন রাত বাজে ৯.০০ টা তারপরও টেনসনে ক্ষিধাও লাগছে না। আজকের কাজ শেষ। টেনসন কিছুটা কমেছে। তবে আগামীকাল সন্ধ্যা আগ পর্যন্ত পুরোপুরি টেনসনে ফ্রি হতে পারবো না। তারপরেও কাজের ফাঁকে ফাঁকে সিএসএম পেইজে ঢুকেছি। কে কি পোষ্ট দিছে তা ভাল করে দেখি নাই। তবু লাইক দিয়ে গেছি। সারাফের মাকে নিয়ে একটা কমেন্টস লিখতে চেয়েছিলাম পরে কাজের চাপে তা ভুলে গেছি। সিএসএম পেইজে ঢুকা নেশার মতো হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর পর না ঢুকলে মনে হয় কি যেন মিস করে ফেলছি। আড্ডার থিম সং মিউজিকটা রিংটোন হিসেবে রেখেছি যেন ফোন আসলে সিএসএম এর কথা মনে পড়ে। মনে হয় সহজে এই রিংটোন পরিবর্তন হবে না।

সংবিধিবদ্ধ করন সতক করন বিজ্ঞপ্তি::


অনেক দিন থেকে একটা বিষয়য় লজ্ঞনিয় যে আমাদের রেজার লিখায় প্রায় ওঠে আসে সরাফের মায়ের কথা। সরাফের মা এটা করছে ওটা করছে বাদরামি ইতরামি করছে। কিন্তু আমার মুটে ও সেরকম মনে হয় না। সকলেই কি ভাবছ? 
রেজা কি কিছুই করছে না সরাফের মার সাথে? সরাফের মার কি কন নাম নেই? জানা মতে আমাদের ভাবিজানের এই ধরনিতে আগমনের সময় উনার মা বাবা গরু ছাগল অথবা মুরগি জবাই করে সুন্দর একটা নাম দিয়েছেন। সেই নাম টা আমাদের রেজা কি কখনও কি সুন্দর করে সবার মাজে উপ্সতাপন করেছে? না তা কখনও করেনি।
এর সমাধান সরাফের মার সরব উপস্তিতিতে প্রমানিত হবে। কাজেই এই সুন্দর কাজ টি রেজা না করা পরজন্ত সমন জারি করা হল।
উকিল সাব
আমেরিকান হাই কমিটি।
কপি টু """জসিম রিপন নাজমুল নিরু জিয়া চাঁদ সুলতানা"

১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৬


১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৬, জরুরী কাজে হঠাৎ করে ঢাকা আসা লাগবে এবং রাতের মধ্যেই, তখন তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগের আন্দোলন চলছিলো, তড়িঘড়ি করে বিকেলেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম কিন্ত অনেক রাতেও ঢাকা এসেও কাজ হলোনা, পরদিন ১৩ তারিখ সকালে কাজ শেষ করলাম, এবং এ িদনই আবার চিটাগাং ব্যাক করবো পরদিন অর্থাৎ ১৪ তারিখ থেকে আবার হরতাল। ঢাকার আত্মিয় স্বজন রা আমাকে এই আন্দোলনের মধ্যে চিট্াগাং যেতে দিতে চাইছেনা। বলছেন আরো দু এক দিন পর যেতে,কিন্ত আমাকে যে করেই হোক ১৩ তারিখের মধ্যে চট্টগ্রাম ফিরতেই হবে। অবশেষে তাদের সাত পাঁচ চৌদ্দ বুঝিয়ে অনেক ঝক্কি ঝামেলার মধ্যে দিয়ে অনেক রাতে ১৩ তারিখই চট্টগ্রাম পৌছেছি। 

Friday, February 12, 2016

৮৭./৮৮ সালে ঢাকায় আবহনী /মোহামেডান এর খেলা প্রভাব পড়ত আমাদের কলোনীতে


৮৭./৮৮ সালে ঢাকায় আবহনী /মোহামেডান এর খেলা প্রভাব পড়ত আমাদের কলোনীতে ।ঢাকায় মাঠ কাপাত মহসিন,চুন্নু ,মুন্না,আসলাম,কানন,সাব্বির,কায়ছার হামিদ।আমাদের কলোনীতেও মাঠ কাপাইত আবহনীর হয়ে ইকবাল ভাই,জামশেদ ভাই.,জাফর ভাই,নিরু মামা,রেজুওয়ান ভাই ,জসিম ভাই, তাপস দা আর মোহামেডানে বাবলা ভাই,রেজা ভাই,আনোয়ার ভাই,টিটু ভাই,বাবু দা,শেলি ভাই . রিপন ভাই,শাহিন ভাই আরো অনেকে।সবার নাম মনে নেই।তখন কলোনীতে থমথমে ভাব থাকত।খেলা হত চরম উওেজনা ।হাফটাইমে দেখতাম রেজা ভাই,বাবু দা,তাপস দা কি যেন টানত এফ টাইপ ৫নং এর সিড়ির নীচে।সিগারেট।এটা খাইলে নাকি দম বাড়ে।খেলায় স্পিরিট পাওয়া যেত।

আমাদের রিপন ভাই


আমাদের রিপন ভাই | কলোনীতে থাকতেই উনার সাথে পরিচয় ছিলো কিন্তু তেমন একটা কথা হতোনা | ঢাকায় আসার পর উনার সাথে আবার দেখা হলো | অসাধারণ একজন মানুষ |জীবনে খুব কম মানুষ দেখেছি এই রকম | উনার ব্যাক্তিগতো যতোই জরুরী কাজ থাকুক না কেনো CSM এর কাজ থাকলে সব ছেড়ে চলে আসে শুধো CSM না CSM এর কোনো সদস্যর যদি কোনো সমস্যা হয় তা যদি উনি জানতে পারে তাকেও সাহায্য করার জন্য ঝাপিয়ে পড়ে | আজকে রিপন ভাইয়ের জন্মদিন | শুভজন্মদিন রিপন ভাই |ভালো থাকবেন |অনেক অনেক ভালো থাকবেন | দোয়া করি আল্লাহ যেনো আপনাকে পরিবার পরিজন নিয়ে সবসময় সুখী রাখেন |

(রিপন ভাই আপনার অনুমিত ছাড়া আপনাকে নিয়ে লিখলাম | ভূল হলে ছোট ভাই টাকে ক্ষমা করবেন)

একটু আগে অফিসের পিকনিক শেষ করে বাসায় ফিরছি


একটু আগে অফিসের পিকনিক শেষ করে বাসায় ফিরছি, পথে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় জ্যামে আটকে আছি, বসে বসে আমাদের গ্রান্ড আড্ডা আর আজকের পিকনিক নিয়ে চিন্তা করছি। আমাদের গ্রান্ড আড্ডা ছিলো সম্পূর্ন আবেগের সৃষ্টি, প্রাণের টানের একটি অনুষ্ঠান। আর আজকের পিকনিক পুরোপুরি চাকুরীর বাধ্যবাধকতার কারনে যোগ দেয়া লেগেছে। প্রচুর অর্থের যোগান ছিলো, কিন্তু প্রানের কোন টান ছিলোনা। এ থেকে একটা জিনিসই পরিষ্কার হয়ে গেলো যত বড় অনুষ্ঠানেই যাই না কেনো আমার সি এস এম - এর চেয়ে বড় কোন অনুষ্ঠান হতে পারেনা। সিএসএম এর চার পাঁচজন মিলেও যদি একসাথে হই সেটাও আমার কাছে বিশাল ব্যাপার।

আজ বন্ধু রিপনের জন্মদিন


আজ বন্ধু রিপনের জন্মদিন।দিনের শেষে আসলাম বন্ধুর জন্য কিছু লিখতে।দেরি নিয়ে রিপনের কোন অভিযোগ থাকবে না,এটা আমি নিশ্চিত কারন রিপন কোন কাজ সঠিক সময়ে করতে পারে না।সুতরাং তার বন্ধু হিসাবে আমারও ব্যাতিক্রম হবে কেন? রিপন সাদা মনের মানুষ কিনা আমি জানিনা,রিপন সহজ সরল কিনা তার ব্যাখাও আমার কাছে নেই।আজ একটা কমেন্ট- এ নটি লিখেছিলাম কারন মাঝে মাঝে আমি নই স্বয়ং আল্লাহও মনে হয় ওকে চিনতে পারে না।ক্ষমা করবেন আমি আল্লাহর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিনা রিপনের অদ্ভুত আচরনের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করলাম।মাফ করে দিস্ রিপন সবাই হয়তো তোর বন্দনা করে পোস্ট দিয়েছে আমি আমার দৃস্টিকোন থেকে তোকে বিশ্লেষন করার চেষ্টা করছি।

আমার বন্ধু মানিক আবার রিপনের পক্ষে কলম ধরে লিখে দিতে পারে" কাব্য রসিক সজ্জন, বেসম্ভব প্রতিভার অধিকারী বন্ধু রিপনকে নিয়ে এ এক নিচক ষড়যন্ত্র" আবার নাজমুল লিখতে পারে - "আপনি একটু বেশীই বুজেন"। রেজা লিখে দিতে পারে -" নাজমুল ইস রাইট"। আমার বন্ধু মাসুক আমাকে ফোন দিতে পারে।ওপাশ থেকে হয়তো শুনবো-" হ্যালো জসিম তোমার এটা উচিত হয়নি, ফেসবুকে লিখা কি তোমার উচিত হইছে,জেনারেল একটা ভদ্রতাতো থাকা উচিত"। বিষেশ করে বন্ধু ইকরাম বলবে -"দেখ জসিম তোর উচিত ছিল ফোনে রিপনকে এসব বলা,এখানে লিখাটা তোর উচিত হয়নি"। আসলে আমি বুঝিনা কোনটা ফোনে বলতে হয় আর কোনটা ফেসবুকে দিতে হয়।নুতন ইউজার তাছাড়া এমন সোসাল গ্রুপের সাথে কখনও জড়িত ছিলাম না।

Thursday, February 11, 2016

খোলা চিঠি


প্রায় সব মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির জীবন যাপন একই রকম। আমাদের CSM Colony এরও সবার জীবন যাপন প্রায় একই রকম ছিল। মধ্যবিত্ত ফামিলিরা অনেক কষ্ট করে তাদের সন্তানদের বড় করে। সেটা আমার CSM Colony এর সব ভাই বোনই অনেক ভাল জানে, অনেক ভাল বলব না, সবচেয়ে ভাল জানে। মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির বাবা মার একটাই স্বপ্ন থাকে তাদের সন্তানরা বড় হয়ে মানুষের মত মানুষ হবে, ভাল মানুষ হবে। 

আমাদের বাড়ির অনেক বড়লোক আত্মীয়  স্বজন আমার আব্বুকে প্রায় একটা প্রশ্ন করত, সেটা হলঃ সব টাকা, জমিজমা যদি সন্তানদের পিছনে খরচ করছ তাহলে কি হবে? নিজেদের জন্য কিছু ব্যাংকে জমা কর, কিছু জমি কিন, জাইগা কিন, বাড়িতে বাড়ি কর আর অনেক কিছু। এখন সন্তানদের জন্য সব খরচ করতেছিস দেখবি পড়ে এই সন্তানরাই তোদের লাথি মেরে চলে যাবে, এখনো সময় আছে নিজেদের জন্য বাড়িতে কিছু কর। 

উনাদের প্রশ্নের জবাবে আব্বু হাসতে হাসতে শুধু এটাই বলত “ আমার ২ ছেলেই আমার ব্যাংক ডিপোজিট, আমার সম্পদ, আমার জাইগা জমি, আমার বাড়ি সর্বোপরি আমার সব। আমি যদি আমার ২ ছেলেকে মানুষের মত মানুষ বানাতে পারি, ভাল মানুষ বানাতে পারি তাহলে ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার কোন চিন্তা করতে হবে না। ওরাই আমাদের দেখবে। আমার ছেলেরা CSM Colony তে থাকে, ওরা আমার সৎ উপার্জনের টাকার ডাল ভাত খেয়ে বড় হচ্ছে, ওরা CSM Colony এর সৎ বাবা মায়ের সন্তানদের সাথে মিশে, ওরা CSM Colony এর সৎ বাবা মায়ের সন্তানদের সাথে লিখাপড়া করে, ওদের সারাদিন সারারাত ২৪ ঘণ্টা কাটে CSM Colony এর একদল সৎ মেহনতি  মানুষের সৎ সন্তানদের সাথে। সুতরাং আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন ভয় নাই। শুধু আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের জন্য দোয়া করবেন। বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা ।“

ধন্যবাদ দিবো না

- Kamar Uddin Komu

ধন্যবাদ দিবো না,
ধন্যবাদ নিবো না।
ধন্যবাদ দিতে দিবো না,
ধন্যবাদ নিতে দিবো না।
ধন্যবাদ দিলে সমস্যা,
ধন্যবাদ না দিলে আরো বেশি সমস্যা।

মুরাদপুর মোড়

- Javed

মুরাদপুর মোড়
----------------

ইদানীং নগরীর বিশেষ একটা মোড়ে
ট্রাফিক জ্যামে পড়ে
আমার অদ্ভুত অনুভুতি হচ্ছে।
গাড়ির ভেতরের গুমোট গরম- হয়ে যাচ্ছে
ভূমধ্যসাগর অঞ্চলের আরামদায়ক জলহাওয়া।
সারাদিন খেটে আসা মানুষ গুলোর গায়ের ঘামের গন্ধ
রুপান্তরিত হচ্ছে ইরানি "গুলাব" সুগন্ধিতে।

রেগে গেলেই তো হেরে গেলে


একটা বাংলা প্রবাদ আমাদের সবার জানা তবুও আমি আবার মনে করিয়ে দিতে চাই, জানিনা আমার এভাবে বলা ঠিক হচ্ছে কি না, তার পর ও বলছি ভুল হলে pardon me " রেগে গেলেই তো হেরে গেলে"। আমি জয় পরাজয় নিয়ে বলছি না।আমার বলার উদ্দেশ্য হলো আমরা সবাই একে অপরের আর সেই কারনেই আমরা এত বছর পর আবার আকত্রিত হতে পেরেছি। সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় আমরা একটু একটু করে কিছু করার চেষ্টা করছি। তাই আমাদের উচিত conflict হয় এমন অনেক কিছু এরিয়ে যাওয়া।

আমরা আনেকেই না বুঝে অকারনে অনেক সময় react করি কিন্তু,ফলাফল বা প্রাপ্তি কি হবে তার দিকে একবারও তাকাই না। এটা relationship কে আরও জটিল করে তোলে। তবে কারো আবদানকে highlight করাটা দোষের কিছু নয় বরং কৃতঙ্গতা প্রকাশ করলে তার সাথে সম্পৃক্ত সকলে তার প্রতি আরো সহানুভুতিশীল হয়। কারো প্রতি কৃতঙ্গতা প্রকাশ করলে যদি মনে হয় নিজেকে ছোট করা তাহলে মনে হয় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবরতন আনা একান্ত প্রয়োজন। তাই ভাল কাজের জন্য আমাদের সকলের উচিত recognition দেওয়া তার মানে এই না যে তাকে প্রসংশার বন্দনায় বিশেষায়িত করা।

"আমার ছোট বোন শেলী"


গত কয়েকদিন এক বায়ারের শিপমেন্ট নিয়ে টেনসনে ছিলাম। ফরওয়ার্ডার বলে এক কথা ক্যারিয়ার বলে আরেক কথা। দুইটারই ভাবসাব আলাদা। আজকে ফোনে কথা বলেছি প্রচুর। এত বেশি কথা বলেছি যে মোবাইলের চার্জ দুইবার দিতে হয়েছে। বিদেশী এক ব্যাংকের ম্যানেজারের সাথে দেখা করার কথা ছিল, করতে পারি নাই এমনকি ফোন করতেও ভুলে গেছি। প্রচন্ড টায়ার্ড লাগছে। সন্ধ্যায় বাসায় আসার পরে তাই বিছানায় শরীরটাকে আত্মসমর্পন করলাম। একটু পরে গৃহমন্ত্রী এসে বললো আগামীকাল বোয়ালখালী যেতে হবে জানো? আমি বললাম জানি। বললাম গিফট কি দেওয়া যায়? বললো এখন গিফট কিনার সময় নাই। তাছাড়া সবাই টাকা দিচ্ছে । আমি বললাম টাকা দেওয়াটা বিশ্রী দেখায় তাছাড়া টাকা দিলেতো লস। ও বললো লস হলেও কিছুই করার নাই। অগত্যা রাজি হলাম। গৃহমন্ত্রী তার কাজে চলে গেলো। চোখটা একটু বন্ধ করলাম। তখনি মনে পড়লো আমার ছোট বোন শেলীর কথা। ওকে দেখিনা প্রায় সাড়ে চার বছর। আর দেখা হবেওনা কোনদিন। ২০১১ সালের ৩১ জুলাই ইহজগতের মায়া ত্যাগ করে চলে যায়।

ছোটবেলায় স্কুলে যারা লেখা পড়ায় ভাল ছিলেন


ছোটবেলায় স্কুলে যারা লেখা পড়ায় ভাল ছিলেন মানে যাদের রেজাল্ট ভাল ছিল,যেমন টিপু ভাই, শুভ ভাই, মুরাদ ভাই তাদেরকে আমার স্টার মনে হত।বিশেষ করে বড় ভাই বোনেরা, তাদেরকে আমি সবসময় দূর থেকে খেয়াল করতাম। সামনে গিয়ে কথা বলার সাহস হত না।মনে হত নাক উঁচু টাইপের হবেন।আর যারা খেলা ধুলায় ভাল ছিলেন, চ্যাম্পিয়ন হতেন যেমন শিল্পী আপা( পরাগ ভাইয়ের বউ), আর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এ জড়িত থাকতেন যেমন গান, আবৃত্তি ইত্যাদি তে যারা ফি বছর পুরস্কার নিতেন যেমন অপু দা, খুব ভাল ইলেক্ট্রিক গিটার বাজাতেন।আর প্রথম পুরস্কার টা যেন উনার জন্যই বরাদ্দ থাকত। এসব মানুষ গুলোকে আমার দূর আকাশের তারা মনে হত। ওনাদের প্রতি মুগ্ধতা কাজ করত।

প্রথমে সি এস এম পেইজের সকল মেম্বারদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি


প্রথমে সি এস এম পেইজের সকল মেম্বারদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি, যাদের আর্থিক সহযোগীতায় তারেকের চিকিৎসার জন্য আমরা একটা ফান্ড গঠন করতে পেরেছি এবং এখনো পর্যন্ত চিকিৎসা চলছে। সি এস এম পেইজের সকল মেম্বারদের আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আর্থিক সহহোগিতার কারণে আমরা গ্রান্ড আড্ডার মতো একটি বড় প্রোগ্রাম করতে পেরেছি। 

শ্রদ্ধেয় বড় ভাইদের দ্রিষ্টি আকর্ষণ করছি, তারেকের চিকিৎসার জন্য শেষ পরজন্ত কত টাকা উঠেছে তা কোন কোন খাতে খরচ হয়েছে এবং বর্তমানে কি অবস্থা তা সি এস এম পেইজের সকল মেম্বারের জানার জন্য উপস্থাপন করা যেতে পারে।

সেই সাথে গ্র‍্যান্ড আড্ডার জন্য কুপন বিক্রি থেকে কত টাকা এসেছে ডোনেশন থেকে কত টাকা এসেছে এবং খরচের হিসাব বিবরণী উপস্থাপন করলে এই পেইজের মেম্বারদের মনোবল আরো শক্তিশালী হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

Priceless Asset


ফেব্রুয়ারি মআসের এক তারিখে বনানী থেকে গুলশানের একটা সরকারী ফ্লাটে উঠেছি। ওই দিন। রাতেই সরকারী কাজে এক সপ্তার জন্য দেশের বাইরে। ফিরে এসে দেখি বাসার এলোমেলো অবস্থা পুরোপুরি ঠিক হয়নি। একই সাথে আমার অনুপস্থিতি এবং গিন্নির অসুস্থতা এ জন্য দায়ী।

যাহোক সচারাচর বাসা বদলের সময় ছুটকো অনেক জিনিষ পত্র হারিয়ে যায়।। বিধাতার কল্যানে আমার হোল উলটো। এমন অমূল্য যিনিস খুজে পেয়েছি আমি যা আমার জন্য সত্যি "Priceless Asset".

আমার প্রয়াত পিতা সখের বশে নয়, একেবারে জীবনের প্রয়োজনে যে দু'একটি ছবি তুলেছেন এটি হয়তো তারই একটি।

তার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রাথী।

আমি আজ লিখছি পরীক্ষার রেসাল্ট নিয়ে সত্যি ঘটনা


আমি আজ লিখছি পরীক্ষার রেসাল্ট নিয়ে সত্যি ঘটনাঃ ১৯৮০ শতাব্দির মাঝামাঝি সময় এক্স ও বি দুই জন এইচ এস সি পরীক্ষার রেসাল্ট আনতে গেলো কিন্তূ দুইজনের মনেই সন্ধেহ পাশ করবো তো, যাক দুই জন ই কলেজে গেল রেসাল্ট শিট টানানো হয়েছে,এক্স রেসাল্ট দেখতে গিয়ে শিট এর নিচের থেকে দেখা শুরু করলো কারন এক্স জানে হইতো সে পাশ করবে না তাই ঠিক তাই হল সে পাশ করেনি তাই আমরা সবাই এক্স কে সান্তোনা দিলাম কিছু হবে না আবার পরীক্ষা দিলে পাশ করবি, সে মন খারাপ করে বলল তোরা যারা আমাকে নকল সাপ্লাই দিচিলি তারা আমার পরীক্ষা এর জন্য দায়ি যাক এভাবে কথা কাটা কাটি করতে করতে আমরা সবাই কলেজ থেকে বার হয়ে চলে আসতেছি সে সময় এক্স এর পাশে বসে পরীক্ষা দিচিলো এমন একজন কে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে থাকলে দেকে এক্স জিজ্ঞাসা করলো কি খবর ভাই রেসাল্ট কি? তখন এক্স এর পাশে বসে পরীক্ষা দেয়া বেক্তি বলল পরীক্ষা খারাপ হয়েছে,এক্স বলল ও তাই না?,আর এক্স বলল কিছু হবে না আমরা আবার আগামি বার পরীক্ষা দিব এক্স এর পাশের বেক্তি বল্লো কেনো আবার পরীক্ষা দিতে হবে? আমি ২য় ডিভিশন পেয়েছি,তখন এক্স বল্লো ও তাই না আমি ফিল করছি আমার মন খারাপ করি নাই আবার পরীক্ষা দিয়ে পাশ করবো চিন্টা করচি আর তুই কি ওই অচ দে ২য় ডিভিশিন পাই ও তোর তে শোকর নাই তুই কি প্রথম হতি পারল্লার,পাইওচ কি,যা ছ-----পো----- ঘরট যা,বেসি কাবিল গিরি ন দেখাইচ।----------------------এখানে শারাওংশ হলঃএক্স পাশ না করেও মন খারাপ করে নাই কিন্তূ ২য় ডিভিশন পাওয়া বেক্তি কেন মন খারাপ করবে, এক্স এর কথা হল এই ছেলে তো আর ইশ্রর চন্দ্র বিদ্দাসাগর হয়নাই।              --------------- আজ এই পর্যন্ত চলবে

চলমান-----------------------

সবাই যেহেতু দিচ্ছে তাই আমিও একখান ধন্যবাদ পোষ্ট দিয়েই দেই তাহলে


সবাই যেহেতু দিচ্ছে তাই আমিও একখান ধন্যবাদ পোষ্ট দিয়েই দেই তাহলে tongue emoticon

প্রথম ধন্যবাদ পুলক ভাইকে,আমাকে গ্রুপে জায়গা দেয়ার জন্য grin emoticon

এরপর ধন্যবাদ সামী ভাইকে। আমি গ্রুপে বলতে গেলে তেমন কাউকেই চিনতে পারতাম না প্রথম দিকে। সামী ভাই আমাকে এতটাই আপন করে নিয়েছিল যে আমার নিজেকে কখনোই আলাদা মনে হয়নি সবার থেকে।

এরপরের ধন্যবাদ এবং সবচে বড় ধন্যবাদ রেজা ভাইকে। উনার বারবার তাগাদা দেয়া আর প্রেরনার কারনে আমি গ্রুপে পোষ্ট করা শুরু করি।

Wednesday, February 10, 2016

আমার দ্বিতীয় জন্মস্হান স্টীল আমার মায়ের মতই আমার প্রিয়


আজ আমার জন্মদিন ।কিন্তু আমার দ্বিতীয় জন্মস্হান স্টীল আমার মায়ের মতই আমার প্রিয় ।২১ বছরে তোমাকে ভুলিনি স্টীল মিল ।২১ শতাব্দীতে ও তুমি ভুলবার নও ।তুমি রক্তের সাথে মিশে গেছো ।মরণের পর যদি কোন জীবন থাকে তবে সেই জীবনে স্টীল মিল ই যেন হয় আমার জন্মস্হান । ।আমরা CSM COLONY'r সবাই যেন একসাথে থাকতে পারি । 

CSM পেজ টাতে অনেক অনুছড়া দেখি, পড়ি, ভালও লাগে


CSM পেজ টাতে অনেক অনুছড়া দেখি, পড়ি। ভালও লাগে।তবে এই অনুছড়া র সাথে আমার পরিচয় অনেকদিন আগে, ২৩,২৪ বছর ত হবেই।
একদিন সকাল সাড়ে এগারটা, বারো টা হবে।রিপা আপা আসছেন আমাদের বাসায়।আবার চলেও যাচ্ছেন। যাবার সময় আমি বারান্দায় দাঁড়ানো। 
আমাকে দেখে বললেন,জনি একটু হাসো ত,
আমি উনার কথা মত একটু করে হাসলাম।উনি সাথে সাথে ছড়া কেটে বললেন,
" তোমার ডান গালের টোল,
যেন ৮৬ তে ম্যারাডোনার গোল"
তারপর হাসতে হাসতে চলে গেলেন।
হঠাৎ উনার এমন ছন্দময় কথায় আমি যেমন অবাক হলাম, তেমনি মজাও পেলাম।সাথে সাথে আয়নাতে নিজের ডান গালের টোল দেখতে চলে গেলাম।
এখন অনেক অনুছড়া পড়ি,দেখি।ভাল লাগলেও ওই অনুছড়ার মত মুগ্ধ হতে পারিনা।

ধন্যবাদ


ধন্যবাদ Mosaddeque Ali ভাইকে
ধন্যবাদ Moin Khan টলি ভাইকে,
ধন্যবাদ Drmozammel Hoque ভাইকে,
ধন্যবাদ জামশেদ ভাইকে,
ধন্যবাদ বক্কর ভাইকে,
ধন্যবাদ Anisur Rahman Reza ভাইকে,
ধন্যবাদ Ziaul Hasan ভাইকে,
ধন্যবাদ Jashim Uddin ভাইকে,
ধন্যবাদ Nazmul Huda ভাইকে,
ধন্যবাদ Masuk Elahi ভাইকে,
ধন্যবাদ Ripon Akhtaruzzaman ভাইকে,

২০০০ সাল, শিশু শ্রেনীতে পড়ি

- Muntaha Toru

২০০০ সাল, শিশু শ্রেনীতে পড়ি। স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের যেমন খুশি তেমন সাজো ইভেন্টে গাঁয়ের বঁধু সেজে ফার্স্ট প্রাইজ পাই *_*

আব্বু কোলে করে নিয়ে গেছিলো স্টুডিওতে ছবি তোলার জন্য kiki emoticon

সেটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম পুরষ্কার। পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছিলাম একখান মেলামাইনের ভাতের প্লেট colonthree emoticon সেই মেলামাইনের প্লেটে আমি এখনো ভাত খাই pacman emoticon

যেমন খুশি তেমন সাজো ইভেন্ট যখন শুরু হলো তখন মাঠে আমার সাথে সাথে আমার চে একটু বড় এক বাদাম ওয়ালা(সেজেছিল আর কি tongue emoticon ) হাঁটছিল। সে শুধু আমাকে তার কাছ থেকে বাদাম নিতে বলছিল আর আমি মুখ ভেংচে নিজের মত হাঁটছিলাম grin emoticon

হ্যাঁ আজ কলোনির ব্যাংক গুলোর কথা বলছি


ইস্ আজ যদি পাইতাম।।হ্যাঁ আজ কলোনির ব্যাংক গুলোর কথা বলছি।।ছোট বেলায় টাকা কুড়িয়ে পাওয়ার স্বপ্নটা খুব বেশিই দেখতাম।।হাট তাম আর ভাবতাম ইস্ এখন যদি কিছু টাকা পেতাম তাহলে কত মজাই না করতাম।।তো এই ভেবে প্রায় সময়ই ব্যাংক ছুটি হলে অধীর আগ্রহ নিয়ে ছুটে যেতাম আর ভাবতাম আজ যদি পাই।।কিন্তু না সব সময়ই স্বপ্ন ভেঙে মনটা চৌচির হয়ে যেত আর বরাবরই মন খারাপ করে ফিরে আসতাম।।কিন্তু একদিন ঠিকই স্বপ্নটা পূরন হলো।।কিন্তু আমি খুশি হতে পারিনি।।কারন টাকার পরিমাণটা ছিল মাএ দুই টাকা।।আবেগে আপ্লুত হয়ে অবাক দৃষ্টিতে টাকা টার পানে চেয়ে ছিলাম আর মনে মনে বেকুব বনে গেলাম।।ভাবলাম এই ছিল কপালে।।তারপরও ভারাক্রান্তহৃদয়ে টাকা তুলে নেই এবংইউনুস ভাইয়ের দোকান থেকে দুই টাকায় আটটা জ্বাল চকলেট কিনে খেতে বাসায় ফিরে যাই।।

স্পেশাল একটা কাজের জন্য অনেক রাতে বাহির হতে হবে


স্পেশাল একটা কাজের জন্য অনেক রাতে বাহির হতে হবে, তাই রাত ১১ টার দিকেই বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম, কিন্তু কাজ আরো পরে, বাকী সময় টুকু কিভাবে কাটাই। আমার সাথে ছিলো Dulu Ctg. দুলি দের দুটো টেম্পো ছিলো। সারাদিনের ট্রিপ শেষ করে অই সময়ে গ্যারেযে গাড়ি রাখতে আসলো তখন সদরঘাটের একটা রিজার্ভ ভাড়া পাওয়া গেছে, কিন্তু ড্রাইভার আর গাড়ি চালাবেনা। আর হেল্পার ও নেই। হাতে সময় ও আছে,আর কি করা ড্রাইভার হলো দুলি আর আমি তার হেল্পার, এভাবেই সদরঘাট যাওয়া, আসার পথে হঠাত টেম্পো নষ্ট। এদিকে আমার কাজের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। দুলি আর আমি মিলে নিজস্ব জ্ঞানে যতটুকু পারি গাড়ি ঠিক করে তুফান বেগে কলোনিতে ফিরে আসি রাত দুটার সময়। 

দুলির প্লেনের বেগে টেম্পো চালনা আর আমার হেল্পারি সেদিন খুব কাজে লেগেছিলো। তাই তো অনুছড়া লিখেছিলাম
সে দিন রাতে ছিলো
আকাশে তারার মেলা
বন্ধু চালায় টেম্পো
আমি তার চ্যালা।। (২৯)

ধন্যবাদ দেওয়ার "দিগন্ত" খুলে দিলাম


ধন্যবাদ পুলক, এই আবেগের পেজটিতে লেখা/লেখি সুরু করার জন্য। ধন্যবাদ তাবাসসুম, মজার দিনগুলি সবার সাথে শেয়ার করার জন্য। ধন্যবাদ আভা, আতিক চাচার লিখা কবিতা আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য। ধন্যবাদ ছামি, "হাগু" নিয়ে এক ভিন্ন সাধের, পরিবেশনার জন্য। ধন্যবাদ মইন খান/ধন্যবাদ জাবেদ, এই দুজনের মন ছুয়ে যাওয়া গল্প/কবিতার জন্য। ধন্যবাদ খোদেজা আপাকে, CSM-এ, তার সন্তানতুল্য ছেলে/মেয়েদের নিয়ে কবিতা উপহার দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ সব্যসাচিকে, নাটকিয় ভাষায়, তার লেখাগুলি প্রকাশ করার জন্য। 

‘‘হ্যাপি বার্থ ডে টু রিপন”


12 ই ফেব্রুয়ারী আমার জন্ম দিন। আমার কাছে এই দিনটি অন্য 365 দিনের মতই একটি দিন কিন্ত অল্প একটু ভিন্ন। তারকাদের মত আমি শুধু আমার জন্ম তারিখটা উল্লেখ্ করলাম। (কিন্তু খুব সচেতন ভাবে এড়িয়ে গেলাম সাল বা কত তম জন্ম দিন সেটা)। 

‘‘সবাই বলে বয়স বাড়ে আমি বলি কমে” এটি বাংলাদেশের ছায়াছবির একটি জনপ্রিয় গান। এ গানের মঝে যেন চিরন্তন সত্যটিই ফুটে উঠেছে। ‘‘এভরি বার্থ ডে ইজ ওয়ান স্টেপ ফরোর্য়াড টু ডেথ”-একজন মনিষী বলেছেন, জন্ম দিনের আনন্দের পরিবর্তে মাণুষের দুঃখ করা উচিৎ। কেননা তার জীবন থেকে আরও একটি বছর চলেগেল”। অথচ ছোট সোনা মনিদের কাছে জন্ম দিনটা অ-নে-ক বেশি আনন্দের। বার্থ ডে উৎসব ওদের কাছে ‘‘হ্যাপি বার্থ ডে” হিসেবেই পরিচিত। ওরা ভাবে দ্রুত বড় হয়ে অনেক কিছু করবে। 

"ঢোল"


লোকে বলে নিজের ঢোল নিজে পিঠানো ভাল না। কিন্তু আমি বলি নিজের ঢোল নিজে পিঠানো উচিত। কারন আরেকজন পিঠাইলে ঢোলের আন্দাজ না বুঝে খুব জোরে পিঠাবে, তাতে ঢোল ফেটে যেতে পারে। অর্থাৎ লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হতে পারে। আবার হয়তোবা খুব আস্তে পিঠাবে তাতে কোন শব্দ হবে না। ঢোল বাজলো কি বাজলো না কেউ জানতেও পারবে না। আপনার উপস্থিতি কেউ টের পাবে না। সেই ক্ষেত্রে ও ক্ষতি হতে পারে। তাই আমার কথা হলো নিজের ঢোল নিজে পিঠানো। কারন আপনার ঢোলের আন্দাজ একমাত্র আপনিই বুঝবেন। আপনার ঢোল কখন জোরে পিঠাতে হবে অথবা কখন আস্তে পিঠাতে হবে তা আপনার চেয়ে ভাল কেউ জানবে না। 

পুরো লিখাটা মৌলিক নয়,আংশিক সংগৃহীত


নতুন এক মার্কেটের মেইন গেটের উপর থেকে সজোরে নিচে নামা বাতাসের নিচ দিয়ে ৫ বার হাঁটালাম।একবার ঢুকি আর গ্লাস চিচিং ফাঁক কইরা আমারে অভ্যার্থনা জানায়।
..মুগ্ধ হয়ে বাসায় ফিরলাম
আর আজকের পোলাপাইন জন্মের পর যে প্লে নার্সারিতে থাকে, সেখানেই নাকি 24/7 এসি
টেকনোলোজি চেইঞ্জ, এরা কি বুঝবে
একসময় আমরা ডায়াল-আপ ব্যবহার করতাম নেট কানেকশানের জন্য
রাতেরবেলা নেট কানেকশান নিতে গেলেই মডেম থেকে গড়গড় এক আওয়াজ বের হতো
পুরা এলাকা বুঝে যেত এই বাসা থেকে নেটে ঢুকা হচ্ছে।।

ভাড়া দেন ভাড়া দেন,ভাড়া ন দিলে বউ মরি যাইব, ভাড়া ফাঁকি দিলে বউ মারা যাইব


আগ্রাবাদে এসে বাস থামল। অফিস যাত্রীগণ যে যার মত আস্তে আস্তে নামা শুরু করলো। এর মাঝে শুনতে পেলাম কন্ডাক্টরের হেল্পার এর হাঁক "ভাড়া দেন ভাড়া দেন,ভাড়া ন দিলে বউ মরি যাইব, ভাড়া ফাঁকি দিলে বউ মারা যাইব "।

দেখালাম সবাই খুবি শুশৃঙখল ভাবে নিজ নিজ ভাড়া প্রদান করে নেমে যাচ্ছে।বুঝাই যাচ্ছে সবাই তাদের বউদের খুব ভালোবাসে।আমিও ভালোবাসি।।সবাই সবার বউ পরিবার নিয়ে সুখে থাকুন।