Wednesday, April 20, 2016

আজ বেশ আয়োজন করে সবাই খেতে বসেছে


আজ বেশ আয়োজন করে সবাই খেতে বসেছে। রজকিনি সবাইকে বেড়ে খাওয়াচ্ছে। মাথায় ঘোমটা দেওয়া নানিজান ,গাল ভরা হাসি নিয়ে , সুখের দৃশ্যটি দেখছে। মেঝ মামা বড়ই চিন্তিত! মাছের মাথাটা পাবোতো?নানাজান তুমি বলে মাছ চাষ করতে? নানাজানের চোখে খুশির ঝিলিক খেলে গেলো। নানুভাই , আমার পুকুড়ে অনেক মাছ ছিলো। তবে ইলিশ মাছটা অনেক মজার ছিলো! তোর নানিজান বেশী করে পেয়াজ দিয়ে সেই ইলিশ আমাকে ভেজে খাওয়াতো। আহা কি সাদ ছিলো সেই মাছের! আব্বা আপনে এটা কি বললেন? পুকুরে আপনে ইলিশ মাছ কোথায় পেলেন!? আমার তো পরিস্কার মনে আছে, আপনের ভয়ে পুকুড়ে কোনোদিন , শান্তি মত একটা ডুবও দিতে পারিনাই! চরম বিরক্তি নিয়ে নানাজান মধুর বড় মামার দিকে তাকালো। এই হারামি , আমাদের নানা\নাতির কথার মাঝখানে তুই আসলি কেন? এখনি দাড়া, এখন উলটা ঘুর, এবার বল, সামনে এগিয়ে চলো! জী আব্বা! বুদ্ধিমতি রজকিনি এক মুহুর্ত দেরী না করে, মাছের মাথাটা খালামনির পাতে তুলে দিলো।

গভীর রাত। আজও নানাজান চুপচাপ বারান্দায় দাঁড়িয়ে। খুব কায়দা করে একটা বেনসন ধরালো। সুনতে পেল মধুর, মায়া ভরা কন্ঠের গান।

চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে
অন্তরে আজ দেখবো
যদি আলোক নাহিরে------------।

অস্পষ্ট শব্দে নানাজান যেন কাকে ডেকে যাচ্ছে--মা----গো। আজও আকাশে অনেক তারা।

১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পরদিন সকালবেলা


১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পরদিন সকালবেলা, তখনও কলোনিতে কমর সমান পানি। আমরা BH-1 এর তিন তলায় থাকাতে বিপরজয় থেকে সাময়িক রক্ষা পাই। তো যাহা বলিতেছিলাম, আমি Al Amin Billah Shujon , নাসিম, মামুন (৯৮ ব্যাচ ) সহ কয়েকজন বাসা থেকে বের হলাম পরিবেশ দেখার জন্য। কমর পানিতে নামলাম। এ সময় দেখি BH-1 এর মাঠে স্কুলের স্টেজের একটা কাঠের পাটাতন ভাসছে। আমরা পানি ভেঙ্গে দৌড়ে গেলাম তার কাছে। একজন উপরে উঠছে আর আমরা সবাই ওটা ঠেলছি। খুব মজা পাচ্চি সবাই। ভেলার মত ওটা ভেসে চলছে। নাসিম বলল, একটা বইঠা পেলে ভালো হত। এইসময় মামুন বলল, ওই যে একটা লাঠি দেখাজাচ্চে। বলেই মামুন দিল দৌড়। আমরা সবাই ওর দিকে তাকিয়ে আছি। লাঠির কাছে জেতেই হটাত দেখি মামুন নেই। মামুন উধাও। আমরা তো অবাক। একটু পর পানির নিচ থেকে লাফ দিয়ে ওর মাথা ভেসে উঠল। ঘটনাটা বুজতে আমাদের একটু সময় লাগলো। আসলে লাঠি টা ভাসচিল BH-1 এর সামনের রাস্তার পাসের ড্রেনের উপর। মামুন বিষয়টা খেয়াল করতে পারেনি। তাই ঝুপ। বেচারা।

Tuesday, April 19, 2016

রফিক ভাই বাথরুমের জানালা খুলে বড় বাথরুম করা অবস্থায় লোক টিকে বিব্রত করার পরের ঘটনা


রফিক ভাই বাথরুমের জানালা খুলে বড় বাথরুম করা অবস্থায় লোক টিকে বিব্রত করার পরের ঘটনা..........

সেখান থেকে আমরা তিনজন (আমি,রফিক ভাই, মোটা বাবু ভাই) এবার গেলাম পাশের টয়লেট এর জানালার কাছে, এই জানালা টিও রফিক ভাই বাইরে থেকে আলতো ভাবে টান দিয়ে খুলে ফেলল, এখানেও এক লোক মনোযোগ দিয়ে বড় বাথরুম করছে, একেবারে দিগম্বর অবস্থায়, তার আন্ডারগার্মেন্টস আর প্যান্ট টি খুলে রেখেছে জানালার কাছে, রফিক ভাই বাম হাত দিয়ে আন্ডারগার্মেন্টস নিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলে দিলো, লোকটি বাথরুম করা নিয়ে এত ব্যস্ত যে বিষয়টি টেরও পায়নি।

শেষমেশ তিনজনের স্টেশনের দোতালার বারান্দায় দাঁড়িয়ে লাইন ধরে মুত্র ত্যাগ শুরু। আর সব তরল গিয়ে পড়ছে নীচের প্লাটফর্মে। এরপরই শুরু হলো প্লাটফর্ম এর লোকজনের হইচই চিল্লাচিল্লি, আর আমাদের তিনজনেরই তিনদিকে পলায়ন।

১৯৯১ সালের ২৮ শে এপ্রিল


সকাল থেকে হালকা বাতাস হচ্ছে। বিকাল হতে হতে বাতাস বাড়তে থাকে। টিভিতে বার বার সতর্ক করছে। কলোনি মানুষজন খুব একটা পাত্তা দিচ্ছে বলেও মনে হচ্ছে না। আমার।আব্বা ছিল csm মেডিকেলে।আস্তে আস্তে বিকাল শেষ হয়ে সন্ধ্যা নামল। বাতাসের গতিও বাড়তে লাগল।আমার বোনের ( সেলি আপা) ছিল এস এস সি পরীক্ষা। হাতে মোম আর ম্যাচ নিয়ে পড়তে বসে ছিল। কারন কারেন্ট একবার আসতেছে একবার যাচ্ছে। আমার বড় ভাই ( জসিম ভাই) আপাকে বলছে জীবনে পরীক্ষা অনেক দিতে পারবি কিন্তু এই দৃশ্য আর নাও দেখতে পারিস।সিড়িতে দাড়িয়ে বাতাসে গাছ মাটিতে নুয়ে পড়ছে তা দেখাচ্ছে। ছোট ছিলাম বলে খুব ভয় পেয়েছিলাম আর বারবার আব্বার জন্য খারাপ লাগছিল আব্বার মুখটা ভেসে উঠছিল আর কান্না পাচ্ছিল। এরপর বড় ভাই যখন আব্বার জন্য খাবার নিয়ে মেডিকেলে গেল তখন আম্মার সেকি টেনশন। দোয়া পড়ছে আর বাইরে তাকাচ্ছে। 

এই গরমে বন্ধ পড়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত পরিবারসহ ছিলাম গ্রামে


এই গরমে বন্ধ পড়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত পরিবারসহ ছিলাম গ্রামে। উপলক্ষ্য বন্ধে-চৌদ্দগুষ্টির মিলন মেলা ও একটা বিবাহের অনুষ্ঠান। এই 4 দিন মোবাইল/ফেসবুক সব বন্ধ করে বসে ছিলাম। গরমা গরম সব কিছুই ভাল কেবল গরম কালটা বেরসিক অবশ্য বেরসিক বলাটা ঠিক হলো না, বরং স্বরসিক বললে ভাল হয়। কারণ আর কিছু নয়, কিছুক্ষন পর পর জামাকাপুড় ভিজে এমন অবস্থা হয়যে মনে হবে রসে টইটম্বুর রসগোল্লা। ‘‘গরমে প্রাণ অষ্ঠাগত” কথাটা বলে গরমের ইমেজ কোথায় নামিয়ে দেয় সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ হট কেক আর গরম চা গরমের ইমেজ কত উচ্চ করে রেখেছে। যাই হোক জায়গা বুঝে ইমেজ বারে আর কমে সে তো বাঝাই যায়। জায়গা না বুঝলে যে কেমন ঝামেলায় পড়তে হয় সে অভিজ্ঞতার কথা বলছি। বর কে বুদ্ধি দেওয়া হইল-গরমে শেরয়ানী ও পাগড়ী না পরে সাধারন পায়জামা পাঞ্জাবী পড়ে যাওয়ার জন্য এক জন বুঝিয়ে বলে, ‘গরম কালতো সেই জন্য তোমাকে বলছিলাম’।

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের পরের দিন তখনো কলনিতে হাঁটু পরিমান পানি ছিল


১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের পরের দিন তখনো কলনিতে হাঁটু পরিমান পানি ছিল। লিটন থাকত F/2 এ। ঘুর্নিঝড়ে ওর কাপড় চোপড় একটুও ভিজে নাই। তাই পরের দিন কাপড়গুলো পোটলা বেঁধে মাথায় নিয়ে মানিকদের আসতে লাগলো। উদ্দেশ্য নিরাপদ আশ্রয়। কারন মানিকদের বাসা দোতলায়। পানির মধ্যে পুরা রাস্তায় কাপড়ের পোটলা মাথায় নিয়ে হেঁটে আসলো। D/5 এর কোনায় একটা স্ল্যাব ছিল সেটাও আন্দাজ করে পার হয়ে গেলো। এবার ও ভাবলো নিরাপদে চলে আসলো। স্ল্যাবের পরে একটি নারিকেল গাছ আড়াআড়ি ভাবে পড়ে ছিল পানির জন্য সেটা দেখা যাচ্ছে না। তখন দোতলার বরান্দায় মানিকরা সবাই দাঁড়ানো ছিলো। ওদের দেখে লিটন চিৎকার করে বললো "বেয়াক্কিন বাচায় ফেলায়"। অমনি ধপাস করে লিটন পড়ে গেলো। অর্থাৎ আড়াআড়ি ভাবে পড়ে থাকা নারিকেল গাছের সাথে পা লেগে লিটন পড়ে গেলো। লিটন নিজেও ভিজলো সাথে সারা রাস্তায় নিরাপদভাবে নিয়ে আসা শুকনো কাপড়ের পোটলাটাও পানিতে সব কাপড় ভিজে গেলো।

সম্ভবত ৯২ সালের দিকের ঘটনা, আমি, রফিক ভাই, মোটা বাবু ভাই


সম্ভবত ৯২ সালের দিকের ঘটনা, আমি, রফিক ভাই, মোটা বাবু ভাই সহ আরো কয়েকজন নাসিরাবাদ মহিলা কলেজের সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছি। কলেজের সামনে দিয়ে বেশ কিছু ললনা হেটে যাচ্ছে, আচমকা রফিক ভাই একটি অপরিচিত মেয়েকে মোটা বাবু ভাইকে দেখিয়ে বলছে " আপু আপু দেখো দেখো আমার এই বন্ধুটি না খেতে খেতে শুকিয়ে যাচ্ছে", আর ওই মেয়ে একবার রফিক ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে পরে বাবু ভাইয়ের দিকে তাকালো তারপর তো কিংকর্তব্যবিমূঢ়। 

চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে টিকেট করতে গিয়েছি ( তখন পুরান স্টেশন) সেই আমি, রফিক ভাই আর মোটা বাবু ভাই। টিকেট কাটার পর তিনজনেরই ছোট বাথরুম পেয়েছে,দোতালায় গেলাম দেখি সব গুলো টয়লেট ই বুকড। ব্রিটিশ আমলের বিল্ডিং, টয়লেট গুলোতে ভেন্টিলেটর এর পরিবর্তে বিশাল জানালা, আর কেউ যদি জানালা খুলে টয়লেট করতে বসে তাহলে সব চিচিং ফাক। তো যাই হোক সব বাথরুম বন্ধ দেখে, রফিক ভাই রাগ করে এক জানালা বাইরে থেকে টেনে খুলে দেখে এক লোক বড় বাথরুম করছে, আর লোক টি ওই অবস্থায় পুরো দিশোহারা আর রফিক ভাই নির্বিকার ভাবে বলছে কি " কি ভাই পায়..... করেন, আচ্ছা করেন ভাই করেন"

অনেক অনেক দিন পর সকালটা বড় আপন মনে হচ্ছে


অনেক অনেক দিন পর সকালটা বড় আপন মনে হচ্ছে।নানাজানের মনটা আজ ফুরফুরে।রিনিঝিনি চুড়ির শব্দে, রজকিনি আজ সকালে, নানাজানকে এক কাপ চা খাইয়েছে। আহা, কি যে মধু ছিলো , সে চায়ের সাদ। নানাজান পন করে ফেলেছে, আজ বাজারের সব চেয়ে বড় মাছটা কিনবেই। বড় ছেলেটা কে পাঠাবো নাকি বাজারে? উঁহু ঠিক হবেনা, হারামির পুড়ানো অভ্যাস রয়ে গেছে কিনা, কে জানে!? নিজেই যাবো আজ বাজারে।মেঝ মামা আর নানাজান ছুটে চললো বাজারের দিকে, বড় মাছ আজ চাই।বাজার/ঘাটের ব্যাপারে মেঝ মামার কপালটা বরাবরই ভালো। বিশাল এক নদির পাঙ্গাস মাছ ভাগ্য জুটে গেলো। নানাজানের খুশি দেখে কে! খুশীতে এক প্যাকেট বেনসন কিনে ফেললো! আর মেঝ মামার টার্গেট মাছের মাথাটা তার চাই!

[চলবে]।

জীবনের প্রথম ভাগের অর্ধেক এর বেশী সময় কাটিয়েছি চ্ট্টগ্রামে

- Mosaddeque Ali

জীবনের প্রথম ভাগের অর্ধেক এর বেশী সময় কাটিয়েছি চ্ট্টগ্রামে। শুধু আলো হাওয়াই নয়, ভাষা-সংফস্কৃতির সাথেও তাই সখ্যতা হয়েছিল অবলীলায়। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার কিছু গানের আবেদন আমার মনে আজও অনুরনিত হয়।

লোক সাহিত্য গবেষকদের কাছে এগুলোর মুল্য অপরিসীম। সেফালী ঘোষ এর কন্ঠে গীত এসব গানে বিরহী নারীর আকুলতা বিধৃত হয়েছে।

১. সূর্য উডেরে ভাই লালমারী
রইস্যা বন্ধু ছারি যারগুই আ'রে
বুকত ছ্যাল মারি।

২. করনফুলিরে- সবাখখী রাখিলাম তোরে
অভাগিনীর দুখ'র খতা কইয়ো
যাইয়া বুন্দুরে --ওরে করনফুলিরে।

৩. ও পরানের তালতো ভাই
তাল খাইও যে মনত নাই
চিডি দিলাম ফত্র দিলাম
ন'আইলা কিয়েল্ল্যাই।!

৪. --------?
৫. --------?

এর উপর মন্তব্য বা আলোচোনা হতে পারে।, স্টিলারস! কি বলেন?

পুরানো সেই দিনের কথা

- Ahsanul Tarique

পুরানো সেই দিনের কথা
ভুলবি কিরে হায় ও সে
চোখের দেখা প্রানের কথা
সে কি ভুলা যায়।

আয় আরেক টি বার আয় রে সখা
প্রানের মাঝে আয়,
মোরা সুখের দুঃখের কথা কব
প্রান জুড়াবে তাই।

আয় দোস্তরা সব কে কোথায় আছিস। পাইন্না খেলার মাঠে আয়, পুকুর পাড়, খাল পাড়, ট্যাংকির তলার আড্ডায় আয়। এক সিগারেট পাচ জন মিলে ফাস্ট বুক সেকেন্ড বুক থার্ড বুক করে ভাগাভাগির মজলিসে আয়। বিকাল বেলার কলোনীর অলি গলিতে টাংকি মারার মিছিলে আয়। শীতের রাতে ব্যাডমিন্টন খেলার কোটে আয়। ডাব চুরি,আম চুরি আর রস চুরির অভিজানে আয়। থার্টি ফাস্ট নাইটে গুরুর গানের তালে তাল ছাড়া নাচে আয়। গরমের রাতে খালি গায়ে গলা ছেড়ে গানের আসরে আয়। আয় না রে সব আয় না আরেক টা বার আয়। আয় আয় আয়.........

"""মধুসুধনের বিয়ের আগের জীবন""" পার্ট=৩


আজকে বৃহস্পতিবার,কালকে মধুর পিতা মহাশয় এর বিয়ে।মধুর পিতার শশুর বাড়ি থেকে মধুর বাপের জন্য পাঞ্জাবি দেওয়া হলো।বিয়া হইবো কামাল বাজারের এক বিখ্যাত মসজিদে।তো মধু মল্লাইয়ারে জিগাইলো যে বিয়া পড়াইবো কেডা??? মল্লা তার স্বর্নের দাঁতত দুপাটি দেখাইয়া বলিলো মসজিদের ইমামা সাহেব বিয়ে টা পড়াইবো।তো যথারীতি মেনে বিয়া হয়ে গেল মধুর বাপের।গাড়ী তে কইরা বউ বাড়িত নিয়ে আসা হল।মধু তার বাপেরে ডাইকা কইলো "দেখ বাপজান,বিয়া তো আমি আপ্নারে করাই দিলাম,সিজনাল বউটার পাশাপাশি আমাদের ও দেখাশোনা কইরেন,আইচ্ছা আব্বা আমি এইবার আসি" এই বইল্ল্যা মধু চলে গেলয় পুকুরপাড়ে, পুকুরপাড়ে গিয়া দেখে রজকিনি বইসা আসে।মধু তো চরম ভাবে ক্ষেইপ্যা গেলো।সালার মেয়েটা থেকে কোনরকমে পিছু ছুডাইতে পাড়লেই মধু যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে।তো রজকিনি রে পাইয়া মধু তারে বান্দরের শলা ডলে দিলো।রজকিনি তো বেজায় ক্ষেপে গিয়ে মধুরে গালি দিয়া চইল্যা গেল।রজকিনি তো আর ছাড়বার পাত্রি নয়।সে ফন্দি আঁটতে লাগল প্রতিশোধ নেবার জন্য।ওইদিকে আবার রাত হয়ে গেল,মধুর বাপে ঘুমাইতে গেল,যাবার সময় মধুরে বলে গেল"মধুরে ঘরের দিকে খেয়াল রাখিস " মধু কোন উত্তর দিলো না।বেচারার মন টা মনে হয় খারাপ হয়ে গেল।সে রাতভর ঘুমালো না।সকালে সে যা একটু ঘুমিয়েছে,
(চলবে)

Monday, April 18, 2016

আজ রাতে বলে রাজিব কুমার দে(বাবু) csm পেজে আসবে


আজ রাতে বলে রাজিব কুমার দে (বাবু) csm পেজে আসবে। সত্য/মিথ্যা জানিনা! তবে আসলে খুব খুশি হবো। জমবে! একাই একশো! বাবু যখন বলে, তখন সবাই শুনে! শুনতে শুনতে এক সময় সবাই অস্থির হয়ে পড়ে! তারপর আল্লাহ কে ডাকা শুরু করে! সুরের তালে তালে বাবু কথা বলে! ধীরে ধীরে তাল উপরের দিকে উঠতে থাকে! তাল টা দাদা/দাদি দিয়ে শুরু হয় এবং শেষটা যার উপর দিয়ে যায় একমাত্র সেই বুঝে, কি ভয়ংকর সুন্দর বাবুর মাতৃ ভাষা! ভাষার উপর ডিগ্রিপ্রাপ্ত! বুজুর্গ মানুষ। পাগল আর বুজুর্গ টাইপের মানুষ এর সাথে মশকরা করতে হয় না! এবং আমি করিও না। এই মহান ভাষাবিদ কে, নতশির-এ, আমন্ত্রন জানাচ্ছি। চলে আয় বন্ধু। আমরা আমরাইতো।

এবারের কক্সবাজারের ট্যুরটা আমার একেবারেই বাজে ভাবে কাটলো


এবারের কক্সবাজারের ট্যুরটা আমার একেবারেই বাজে ভাবে কাটলো। যেদিন যাবো তার আগের দিন রাতে মেয়ের শরীরটা হালকা গরম ছিলো। মানে জ্বর উঁকি দিচ্ছিল। গাড়ি, হোটেল সব আগে থেকেই ঠিক করা বিধায় প্রোগ্রাম বাতিল করতে পারিনি। বৃহস্পতিবার সকালে যাওয়ার সময় নাপা খাইয়ে রওনা দিলাম। কক্সবাজারে দুপুরে খাওয়ার সময় মেয়ে কিছুই খেলোনা। আমাদের সাথে বেবি আপারাও ছিল। বেবি আপার হাজব্যান্ড মামুন ভাই (উনি ডাক্তার) মেয়ে দেখেই বললো ওকে এন্টিবায়োটিক খাওয়াতে হবে। কোন রকমে লাঞ্চ করে মেয়ের ওষুধ কিনে আনলাম। বিকালে ইনানী যাওয়ার সময় মেয়ের জ্বর ছিলো। কিছুই খেতে চাচ্ছে না। 

আবার জোর করে খাওয়ালে বমি করে দিচ্ছে। রাতের বেবি আপারা সহ একসাথে ডিনার করলাম। তখন মামুন ভাই বললো রাতে জ্বর বাড়লে মেয়েকে সাবোসিটার দিও। ডিনার শেষ করে আবার ওষুধের খোঁজে বের হলাম। চিপায় চাপায় ছোট ছোট ওষুধের দোকান। একটা পেলে আরেকটা পাইনা। সারারাত টেনশনে কাটলো। শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি এবার ছেলের জ্বর আসলো। ছেলে মেয়ে দু'জনকেই নাপা সিরাপ খাইয়ে দিলাম। তারপর দশটার দিকে বিচে গেলাম। ছেলের গায়ে জ্বর থাকা সত্ত্বেও সে পানিতে নামলো। পানি থেকে উঠতেই চায়না। জোর করে পানি থেকে তুললাম। দুপুরে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করলাম। 

সকালে বলেছিলাম শার্ট, ফতুয়া নিয়ে


সকালে বলেছিলাম শার্ট, ফতুয়া নিয়ে। আসুন আলাপ করি প্যান্ট,পলো শার্ট আর পাদুকা নিয়ে।

আমার আগের চাকুরী তে ( বসুন্ধরাগ্রুপ) খুব ফরমাল ড্রেস পড়া লাগতো, টাই ছিল বাধ্যতামূলক। খুবই বোরিং লাগতো। সে তুলনায় এখন কার চাকুরী তে পোষাকের দিক থেকে খুব রিলাকসে থাকি। ফরমাল পোষাকের পাশাপাশি পলো শাট', টি শাট' গাবাডিন জিন্সের প্যান্ট পড়ে অফিস করি।

পলো হাফ স্লিভের সাথে গাবাডিন প্যান্ট ইন করে পড়া আমার খুব পছন্দের ড্রেস। অনেক টা গলফার দের মত। এ ক্ষেত্রে পলো শাট' এর কালার হবে একটু ডাক' আার গাভডিন প্যান্ট এর কালার হবে ঘিয়ে,ব্রাউন বা এ্যাশ। আর পায়ে থাকবে খুব সফট স্নিকার।

পছন্দের সব পোষাকের বিবরণ দিয়া দিলাম, এখন কে কোনটা গিফট দিবেন?

মেরুন কালার টা যে কি রঙ সেটা আমি কখনওই জানতাম না


মেরুন কালার টা যে কি রঙ সেটা আমি কখনওই জানতাম না, তখন আমি বসুন্ধরাগ্রুপ এ চাকুরী করতাম অফিস পুরানো ঢাকায়, ইসলামপুর থেকে কাপড় কিনে এলিফ্যান্ট রোডে শার্ট প্যান্ট বানাতাম। একদিন শার্টের কাপড় কিনতে গিয়ে একটি লালচে টাইপ কাপড় পছন্দ হয় এবং সেটা দিয়েই শার্ট বানাই, পড়ার পর সবাই সুন্দর বলল, সেদিনই জানলাম এই কালার টিই মেরুন কালার, এ হচ্ছে মেরুন কালারের ইতিহাস। তবে এতো ডিপ কালারের শার্ট আমি গরম কালে পড়িনা।

আমার প্রিয় রঙ আকাশী, এটা কোথাও আগে আমি বলিনি। আর ছাত্রাবস্থায় এতো কালার চয়েস করে কাপড়চোপড় পড়ার সামর্থ্য ছিলনা। যা পাইছি তাই পড়ছি। এখন অবশ্য আকাশী কালারের শার্ট পড়ি নিয়মিত।

ফতুয়া নিয়ে এতো কথা খুব সম্ভবত তারিকের করা একটি কমেন্টস থেকে এসছে। গরমের দিনে ক্যাজুয়াল ড্রেস হিসেবে ফতুয়া খুবই আরামের। আড়ং এর ফতুয়া কখনোই ভালো লাগেনা। সূতি কাপড়ের চেক ফতুয়াই সুন্দর লাগে। আর পাঞ্জাবি ভালো লাগে লা রিভ -এর। লুবনান এর পাঞ্জাবীও খারাপ না। তবে পাঞ্জাবি বা ফতুয়া পড়ার সময় কই। সারাদিন তো কামলা খেটেই দিন শেষ। বাসায় গিয়ে পৃথিবী র সবচেয়ে আরামদায়ক পোষাক লুঙী আর স্যান্ডো গেঞ্জিই সেরা। 

আর আপাতত ফতুয়ার টপিক শেষ করলাম।

মধুর ছোট মামা খুব টেনশনে আছে


মধুর ছোট মামা খুব টেনশনে আছে! চুপিচুপি সে রজকিনির সাথে দেখা করেও এসেছে! মাগো, আমাদের মধুর মা নেই। তোমার হাতে তুলে দিচ্ছি মা! আমাদের মধুকে তুমি কষ্ট দিওনা। রজকিনি তো অবাক!! জিন্স/পলো শার্ট পড়া, "ইশমার্ট" ছোট মামাটা এত আবেগী হলো কেমন করে!!?? দূর ছোট মামা, আপনি কোনো চিন্তাই করবেন না! ম্যা হু না! মধু কে আমি, শাড়ির আচলে বেধে রাখবো! বড়ই শান্তি পেলামরে মা। এই দেখো মা, আমি তোমার জন্য এপেক্স থেকে ৫ জোড়া ভেনটুরিনির স্যান্ডেল এনেছি"! আজ মধুর নানা বাড়িতে আনন্দের ঢল নেমেছে। একটু পড়েই বড়যাত্রি রওনা হবে। মধু কেবলি গাড়িতে উঠতে যাবে, তখনি বড় মামার সেই ঐতিহাসিক হুংকার সুনতে পেলো, সা--ম--নে--এ, এগিয়ে চলো! এক হুংকারেই সবাই বিয়ে বাড়িতে পৌছে গেলো। বিয়ের উকিল বাপ হলো, মধুর "পীর মামা"! মধুর এই আবদার পীর সাহেব ফেলেন কি করে? এই সব ব্যাপারে আবার পীর সাহেবের আগ্রহটা একটু বেশী এবং লজ্জা শরম টাও একটু কম! 

"মধুসুদনের বিয়ের আগের গল্প" পার্ট=২


মধুর বাপে সবাইকে তার বিয়ের কথা বলতে গেল।এদিকে মধু একটু বাইরে গেলে সামনে পড়ে যায় হতভাগা রজকিনি।তো কি আর করা,গালি দিয়ে রজকিনি কে পাশ কাটিয়ে চলে গেল মধু।রজকিনি আর কিছু না বলে সরাসরি মধুদের বাসায় চলে গেল আর বল্ল যে মধু নাকি তাকে ঢিল মারসে।।। রজকিনি মেয়েটা খুবই পেঁচি। মধু আর রজকিনি যেন চির জন্মের শত্রু।এদিকে মধুর বাবা মধুরে সাথে নিয়া মাছ ধরতে যাচ্ছিল,এমন সময় মল্লা বাবাজি হাজির হইলো পাত্রির খোঁজ নিয়া,কইল রাইভাল পাত্রি খুইজা পাইতাসি না তয় আমার একখান ভাগ্নি আসে,সদ্য ডিভোর্স প্রাপ্ত।মেয়ে কিন্তু বেশি ভালা,আগের জামাই মেয়ের নামাজ পড়া সহ্য করতে পাড়ত না,খালি নামাজ পড়লেই মারত,তো কি আর করা বাধ্য হয়েই ডিভোর্স নিতে হলো।মধু তো এইসব শুইন্যা একবাক্যে রাজি হয়ে গেল,আর মধুর বাবা সে কি খুশি।যাক অবশেষে পাত্রির খোজ পাওয়া গেল। একখান শুভ দিন ঠিক করার জন্যে মধু পাত্রির বাসায় গেল,দিনক্ষণ ঠিক হইলো,বিয়ে হবে সামনে র শুক্কুরবার এ।যা হোক পরিবারের সবাই এই বিয়া নিয়া খুবোই এক্সাইটেড।মধু ঠিক করলো বিয়েতে সবাইকে দাওয়াত দিবে রজকিনি কে ছাড়া।

(চলবে)

Sunday, April 17, 2016

আমাদের গ্র্যান্ড আড্ডার ভিডিও টি দেখলাম


আমাদের গ্র্যান্ড আড্ডার ভিডিও টি দেখলাম। কোন বর্ননায় যাবোনা, এক কথায় অসাধারণ, কোন উপমা বা উদাহরণ দিয়ে বুঝানো যাবেনা। অনেক বড় বড় কর্পোরেট হাউসও অনেক টাকা দিয়ে এতো সুন্দর ও সুশৃঙ্খল অনুষ্ঠান করতে পারবেনা আমি বাজি রেখে বলতে পারি।

উপরের লিখাটা আতিক ভাইয়ের।গতকাল লিখেছিলেন আড্ডা নিয়ে।এই লিখাটা তার একটা অংশ ।আতিক ভাইয়ের সাথে আমরা সবাই একমত।আমাদের আড্ডাই ছিলো সেরা।কোন কিছু দিয়েই তুলনা করা যাবেনা। 

ফেব্রুয়ারি মাসে রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এর রিউনিয়ন হয়েছিলো।ধানমন্ডিতে হয়েছিলো।আমার রুমের একজন সেই অনুষ্ঠানের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বছিল তাই তার সাথে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিলো। আয়োজন ছিলো বিশাল।অনেক লোকজন।দুয়েক টা ব্যান্ড ও ছিলো।তারকাদের অভাব ছিলোনা বিদ্যা সিনহা মীম,নীরব,মম,শুভ আরো কয়েকজন ছিলো।স্পন্সর ও ছিলো অনেক বেশী। যেমন-sailor,orion group,spel,poly cables, pakija group,fit elegence সহ আরো অনেক বড় বড় কোম্পানি। 

রোমান্টিক এই Boy টাকে তো সকলেই চেনেন


রোমান্টিক এই Boy টাকে তো সকলেই চেনেন।।তবুও যাঁরা চেনন না তাঁদের জন্য আর একবার।।

নাম:-আবু নাছের।।
পিতা:-মো:নুরুল আফছার।।
বড় ভাই:-আবু হেনা(95 ব্যাচ)
মেজ ভাই:-আবু কাইছার(99 ব্যাচ)
ছোট ভাই:-আবু ফয়সাল (জানা নেই)
বাসা:-F-1/24

আমার বেষ্ট ফ্রেন্ডদের মধ্যে একজন।।বর্তমানে ঢাকায় আছে।।একটি বেসরকারি কোম্পানিতে বেশ সুনামের সাথেই কর্মজীবন অতিবাহিত করছে।।সি এস এম-এর প্রতি সে দারুণ নারভাস।।অনেক কিছুই করেছে এবং আরো কিছু করতে চায়।।তবে একটা বিষয় যে,,সে কারো সামনে থেকে কিছু করতে চায় না।।সব সময় পর্দার আড়ালে থেকে নিরলস শ্রম দিয়ে আসছে এই কলোনির জন্য।।পেজের মানুষ গুলোর জন্য।।আসলে ভাল প্রকৃতির মানুষ গুলো সব সময় এমনই হয়।।প্রশংসা পাওয়ার আশায় কিছু করেনা।।যা করে অন্তর থেকেই করে।।আমাদের আড্ডার পেছনেও রয়েছে তার অনেক নিঃস্বার্থ পরিশ্রম,,যা আমরা অনেকেই হয়তো জানি বা জানি না।।

বাবা মৃত্যর আগে সবসময় ১টা কথা বলত


বাবা মৃত্যর আগে সবসময় ১টা কথা বলত, মা হচেছ মায়া, আর বাবা হচেছ ছায়া, এখন বুঝবিনা মারা গেলে ঠীক বুঝবি, তখন আর বুঝেও কোন লাভ হবে না, তখন বাবা বলত, কিনতু এইকান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দিতাম, এখন বুঝি, কিনতু বুঝেও কিছু করার নাই, আসলে বাবা ছায়া আর অন্যর ছায়া মধ্য অনেক পার্থক্য, লিখাটা লিখতে বার বার চোখ বিজে যাচিছল, তাই গুছি এ লিখতে পারলাম না, মাফ করবেন

মধুসুধনের বিয়ের আগের জীবন


বিয়ের আগে মধুসুধনের একটা বাপ ছিলো।তয় মধুর আসল মা অন্য একটি রাইভাল ক্লাবে ট্রান্সফার হয়ে যাওয়ায় মধুর বাপে মধুরে কয়,, দেখ বাবা,বয়স তো বহুত হইসে আমার।তো বাবা কথা হইলো গিয়া এই বয়সে কি কেউ রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস সিংগেল রাখে??? মধু কয় আব্বা জান কথা তো হাচাই কইসেন।মধুর বাবা কয়,,বাবা বিয়ে তো করন লাইগবো,,অহন আমি কিতা করাম?? মধু কয়,,বাপরে বিয়া কইরা ফেলান,মল্লাইয়ারে বইলা দিসি আপনার জন্যে একখান রাইভাল পাত্রি খোঁজার লাইগ্যা।মধুর বাপে কয়,,বাবারে তুই আমার বড় আপন।অহন জাই হগগল্রে খবর দেওয়া লাইগবো যে আমি বিয়া করবাইন।।।
(চলবে)

Saturday, April 16, 2016

বাপের বাড়ির ফ্লেভার


আজ অনেক দিন পর আমি সেই বাপের বাড়ির ফ্লেভারটা পেয়েছি। আজ দেখা হয়েছিল আমার সেই প্রিয় CSM এর ভাই, বোন ও ভাবীদের সাথে। কমু ভাই, শাহেদ ভাই,লিটনভাই ও বেবী আপা অনেক ধন্যবাদ জানায় আপনাদের সুন্দর একটি মুহূর্তে আমাকে সাথে রাখার জন্য। বেবী আপাকে এই প্রথম দেখেছি কিন্তু একবারের জন্য ও মনে হয়নি এই প্রথম দেখা। বারবার জড়িয়ে ধরছিলাম যেন কিসের একটা টান ।বিদায় জানাতে ইচ্ছে হচ্ছিল না সময়টা যেন খুব তাড়াতাড়ি চলে গেল।আনন্দের সময় গুলো মনে হয় এভাবেই তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়। সবাইকে অনেক মিস করছি। আল্লাহ যেন ভাল ভাবেই তাদের গন্তব্য স্থলে পৌঁছে দেয়।।

হাস্যজ্বল ছেলেটির নাম আবু হেলাল


হাস্যজ্বল ছেলেটির নাম আবু হেলাল।।
ব্যাচ:-2000;;
পিতা:-আঃকাদের সিকদার(মরহুম)।।
বড় ভাই:-মুসলিম সিকদার।।
বাসা:-F-6/1..
সিকদার পরিবারের সন্তান।।তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে ছোট।।শুনেছি ছোট সন্তান নাকি একটু দুষ্ট আর চঞ্চল প্রকৃতির হয়।।কিন্তু ওর বেলা দেখলাম উল্টো।।একে বারে শান্ত শিষ্ট এবং অত্যন্ত আন্তরিক।।হাসি ছাড়া সে এক মুহূর্ত থাকতে পারে না।।প্রমাণ হিসেবে তার এই ছবিটা দিলাম।।দেখেন এখানেও সে হাসছে😎।।কলোনিতে থাকাকালীন আমরা খুব ভাল বন্ধু ছিলাম।।এখনও আছি।।তবে এখন আর আগের মতো জমে না।।কারন জীবিকার প্রয়োজনে একেক জন একেক জায়গায় চলে গেছি।।তাই এখন আর আগের মতো হয়ে উঠে না।।কলোনিতে থাকাকালীন আমাদের অনেকেরই হয়তো মনে আছে ওদের স্টাইল গুলো ছিল অন্য দের তুলনায় সম্পুর্ন আলাদা এবং ব্যতিক্রম।।চোখে পড়ার মতো ছিল।।যেমন কাউ বয় কেপ,,কুটি ইত্যাদি।।বর্তমানেও তার ব্যতিক্রম নয়।।পেশায় একজন ব্যবসায়ী।।বৈচিত্র ধরে রাখতেই তার এই চিন্তা।।।

বেশিরভাগ মানুষই এসব পান্তা ইলিশ সাপোর্ট করেনা


বেশিরভাগ মানুষই এসব পান্তা ইলিশ সাপোর্ট করেনা। যেসব নিউজ টিভি চ্যানেলে দেখানো হয় কিংবা যাদের উৎসব পালন দেখানো হয় তারা কত % বাঙালীর প্রতিনিধিত্ব করে? বছরের অন্য সময় যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে বাংলা মাসের কত তারিখ চলে কিংবা বাংলা কোন মাস চলে, আমি নিশ্চিত তাদের ৯০% ই সঠিক উত্তর দিতে পারবেনা । বাংলা তারিখের সাথে গ্রামের মানুষের সম্পর্ক এখনও আছে। কৃষক জমির ফসলের পরিকল্পনা বাংলা মাস ধরেই করেন। গ্রামে চৈত্র সংক্রান্তি আর বৈশাখী মেলা আর হালখাতার উৎসব এখনও চলে। সেখানে মিষ্টি খাবার একটা চল আছে। অন্য খাবার নিয়ে কোন শহুরে টাইপের আদিখ্যেতা নেই। শহরে বাকির খাতাই নাই। তার আবার হালখাতা। শহরের লোক একদিনের জন্য বাংলা নববর্ষের উৎসবে মাতে। মেলাও বসে দুই একটা। সেটা আবার স্পনসরওয়ালা মেলা। সানকিতে পান্তাভাত, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ আর ইলিশ ভাজা খেয়ে বাঙালী সাজার ভণ্ডামীপূর্ণ একটা ভাব ধরে। এইটা না হইলে আজকাল আর প্রেস্টিজ থাকেনা। ফলে ইলিশওয়ালারা পকেট কাটা শুরু করে। এমনিতে এটা ইলিশ মৌসুম না। তাই দামটা আরও বাড়ে।

NWD কল করতে এক সময় খুব সমস্যা হত


NWD কল করতে এক সময় খুব সমস্যা হত। একটা লাইন পেতে অনেক সমস্যা হতো। একটা কল করতে অনেক বার ডায়াল করতে হতো। কল করতে গেলেই বার বার ভাঙ্গা রেকর্ড বাজতে থাকতো- "সব কটি লাইন এই মুহুর্তে ব্যস্ত আছে। একটু পরে আবার ডায়াল করুন"। এই কমন ডায়লগ শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে যেত। সেই কষ্টের যুগে আমাদের এক বন্ধু NWD কল করতে গিয়ে বার বার এই ডায়লগ শুনে এক সময় বলতে শুরু করল " ম্যাডাম ওনাকে আমার জরুরী প্রয়োজন,প্লিজ ওনাকে একটু ফোন টা দিবেন"। এভাবে যতবার ফোন করে ততবার রেকর্ড বাজতে থাকে আর আমার বন্ধুও ততবার অনুনয় বিনয় করে একই কথা বলতে থাকে। কেউ কারো শুনেও না বুজেও না। শেষে আমার বন্ধু রাগ করে ফোন করা বন্ধ করে দিয়ে বলতে লাগল-" এত খারাপ মহিলা আমি জীবনেও দেখি নাই। এত রিকোয়েস্ট করলাম তারপরও মহিলা মহিলার কথা বলেই যাচ্ছে। আমার কথা শুনলই না"। কি আর করা বন্ধুর দুঃখ দেখে আমরা বন্ধুকেই শান্তনা দিলাম।

কলোনীর সবচেয়ে বখাটে গ্রুপ


আমাদের গ্রুপটা মানে যারা কলোনীতে দীর্ঘ সময় একসাথে চলাফেরা করেছি তারা মনে হয় কলোনীর সবচেয়ে বখাটে গ্রুপ। এই গ্রুপে ৮৩ ব্যাচ থেকে শুরু করে ৮৬ পর্যন্ত আকাইম্যাদের নিয়ে গড়া। আজব বিষয় আমাদের গ্রুপে এমন লোকও আছে যে কখন পরীক্ষায় পাস করেছে সে নিজেও জানে না। সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে দেখে সে অলরেডী দুবার বি এ পাস করে ফেলেছে। তো বুজুন কেমন স্টুডেন্ট। আবার এমন কেউ আছে যারে কিডনি কোথায় জিজ্ঞেস করতেই এমন এক উত্তর দিল স্বয়ং ডাঃ কনফিউজড হয়ে গেল। এবার বুজুন আমাদের কোয়ালিটি।

অবশেষে আমি রেজা ভাই আর তারিক কক্সবাজার রওনা দিলাম


Anisur Rahman Reza vai আর Ahsanul Tarique চলো আজ সংসদ ভবনের সামনে থেকে অন্য জায়গায় যাই। কই যাওয়া যায়? চলেন রমনা পার্কে যাই, আরে বাদ দেন চলেন কক্সবাজার যাইগা, দুই দিন থাকমু। উঠমু হোটেল ওশেন প্যারাডাইজ এ। ভাল জায়গা, রিলাক্স করার অনেক বিষয় আছে এখানে।

কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়, আমার আর তারিকের ফতুয়া রঙ উইঠা নষ্ট হয়া গেছে। রেজা ভাই সাবের টা কি ঠিক আছে?

অবশেষে আমি রেজা ভাই আর তারিক কক্সবাজার রওনা দিলাম। ঢাকা থেকে সকাল ১১ টার নভো এয়ারে যাবো। আমি আর তারিক সকাল দশটায় এয়ারপোর্ট এ হাজির। রেজা ভাইয়ের কোন খবর নাই। সাড়ে দশটায় রেজা ভাই হন্তদন্ত হয়ে আসলো। রেজা ভাই দেরী করে আসছে এটার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, উনি এই গরমে পাঞ্জাবি র উপর আকাশী সোয়েটার পড়ছেন। আশেপাশে র লোকজন অবাক দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছেন। আমি আর তারিক লোকজন কে বুঝাতে সক্ষ্মম হলাম যে উনি জ্বরের কারনে সোয়েটার পড়ছেন। রেজা ভাই চোখের ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন আকাশি রঙ নিয়ে কোন প্রশ্ন করা যাবেনা। আমরাও কিছু বললাম না। যাক ঠিক টাইমেই প্লেন ছাড়লো।

আমি আর তারিক পাশাপাশি সিটে আর রেজা ভাই সিংগেল সিটে। রেজা ভাইয়ের মতিগতি ভাল ঠেকছেনা। সুন্দরি এয়ার হোস্টেজের সাথে হাস্য মুখে কি জানি গুজুরগুজুর করছে, আর আমি মনে মনে বলছি, আল্লাহ তাড়াতাড়ি এক ঘন্টা পার করাও, কক্সবাজার গিয়া নামি। নাহলে সারাফের মা যে আমাগো কপালে কি রাখবে মাবুদে খোদা জানে। সময়মতই কক্সবাজার নামলাম। রেজা ভাইরে জিজ্ঞাস করলাম এয়ার হোস্টেজের সাথে কি এত আলাপ, রেজা ভাইয়ের উত্তর, তারিকের লাইগা মাইয়াডারে পছন্দ হইছে। 

ছেলে ও মেয়ে দুজনেই কলোনির বাইরের,সম্ভবত মেয়ে মাদারবাড়ির ও ছেলে আন্দরকিল্লা এলাকার ছিল


ছেলে ও মেয়ে দুজনেই কলোনির বাইরের,সম্ভবত মেয়ে মাদারবাড়ির ও ছেলে আন্দরকিল্লা এলাকার ছিল। দু জনের মধ্যে সাংঘাতিক মোহাব্বত। ঘটনা চক্রে তাদের সংগে আমার পরিচয় ছিল। দু জনেই সিদ্ধান্ত নিল গোপনে বিয়ে করবে। বিয়ে কর ভাল কথা। কিন্ত এই বিয়ের অর্গানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান বানাইছে আমারে। মানে তাদের বিয়ের আদালত উকিল, কাজী সব আমিই ম্যানেজ করলাম। এমন কি এই বিয়ের একজন স্বাক্ষিও ছিলাম আমি। সব কিছু ঠিক মতই হলো।

দু মাস পর দু পরিবার সব কিছু জেনে যায় এবং মেনে নেয় ও খুব ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠানও করে। কিন্ত কিছুই জানতে পারিনি আমি। বিয়ের অনুষ্ঠানের দাওয়াত দূরে থাক সামান্য সৌজন্যতাও দেখায় নি, অথচ তাদের জন্য আমি কত কষ্ট করেছিলাম।

এরেই বলে আমি কার খালুরে !!

জন্মদিন সমাচার....


আল্লাহ একটা নির্দিস্ট সময় পর্যন্ত হায়াত দিয়ে আমাদেরকে পাঠিয়েছেন। তাইতো আমাদের কারো জন্মদিন মানে আল্লাহর দেয়া সেই নির্দিস্ট সময় থেকে একটা বছর কমে যাওয়া। তার মানে জন্মদিনটা উৎসবের না হয়ে বরং মন খারাপেরই। কিন্তু তারপরেও প্রিয়জনের জন্মদিনে তাকে উইশ করতেই হয়। আর সে যদি হয় অন্তরের অন্তরস্থলে থাকা কেউ তাইলেতো কথাই নেই।

আজ আমার মেঝ মা ইনানের জন্মদিন। মা'টাকে শুরু থেকেই দেখছি ভীশন সুন্দর, চঞ্চল। আর অল্পতেই সবার সাথে মানিয়ে নেওয়ার অসাধারন ক্ষমতা রাখে। সুন্দর সুন্দর মজার কথা বলে আড্ডা জমিয়ে রাখার বিস্ময়কর ক্ষমতা ও খিলখিল করেও হাসতে পারে যে কোন সময়। কখনও মন খারাপ করতে দেখিনি। সারাক্ষন ঠোঁটের কোনায় মিস্টি একটা মায়াবী হাসি লেগেই থাকে। অল্পতেই সবাইকে আপন করে নিতে পারে এবং খুব্বি মিশুক বলেই ইনান নামটা ধারনকারী মা'টা আমাদের সবারই খুব্বি প্রিয়।

জীবনে অনেক বড় হ মা আর মায়ের ইচ্ছেগুলো এক এক করে পূরন কর এটাই কামনা। শুভ জন্মদিন মেঝ মা। ভাল থাকিস প্রত্যেকটা মুহুর্ত।

Friday, April 15, 2016

আজ আমাদের ৯৫ আড্ডা ছিল


আজ আমাদের ৯৫ আড্ডা ছিল ।তো গেলাম ।ভাল লাগলো ।সবার সাথে দেখা হলো ,কথা হলো ,খাওয়া হলো ।But আমার গলা দিয়ে তো খাওয়া নামে না ।শুধু আমার আরিন এর চোখ দুটো ভাসে ।আমি আড্ডা উপলক্ষে ঘর থেকে বের হতে যাব এমন সময় আরিনকে রুমে আসতে দেখে আমি ওয়াস রুমে লুকিয়ে গেলাম ।পুত্র এসে বলল ,আমাকে আজকে আলু চিপস বানায় দিবা ।আমিও বললাম আচ্ছা ।হাতে সময় ছিল কম ।আমি পুত্রকে ফাঁকি দিয়ে ঘর থেকে বের হলাম ।আরিন এর আলু চিপস আজ খাওয়া হলো না ।তো বলেন - আমি কি করে খায় ?বাসায় আসার সময় দুটো খেলনা কিনলাম ,যা ওর প্রিয় ।কিন্তু আরিন আলু চিপস এর কথা ভুলেনি । আরিন বলছে -কালকে বিকালে তুমি আমাকে আলু চিপস , সুপ ,চিকেন fry বানায় খাওয়াবা ,বুছছো ।আমি বললাম - আচ্ছা । আমি কি এখন হাসবো না কাঁদবো ?

নববর্ষ, বৈশাখ, রবীন্দ্রনাথ, বাংগালী সংস্কৃতি ও অন্যান্য প্রসঙ্গ


তখন খুব ছোট ছিলাম। স্টিল মিল কলোনীর বাইরে ফাল্গুন-চৈত্র মাসের দিকে ধান কাটা শেষ হলে খালি মাঠে তখন মেলা (বলী খেলা) বসত। সেই মেলার একটা অনিবার্য অনুষঙ্গ ছিল পয়সা দিয়ে চরকী (এক ধরনের জুয়া) খেলা। সে কারণে মেলায় যাবার অনুমতি ছিল না বাবার। কিন্তু মায়ের আঁচলের ছায়াতো ছিল। মায়ের কাছ থেকে ৪ আনা পয়সা পেয়েই দে ছুট।
সেই শুরু--এখনও থামেনি।

স্টিল মিলের মাঠ থেকে লাল দিঘী হয়ে আজ ঢাকার WESTIN হোটেলের আঙিনা, গতকাল বটমূলে, অফিসারস ক্লাবে। শুধু স্থান,কাল,চরিত্র,আংগিক আর ধরন বদলেছে;আবেদন কি কমেছে?
একটা সুখের বিষয়- বরতমান প্রজন্ম ব্যান্ড, জাজ, রক ইত্যাদির উম্মাদনায় বাংগালী সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে গেলেও নববর্ষ এর এসব বরনীল আয়োজনের সুবাদে শিকড় থেকে একেবারে বিছছিন্ন হতে পারবে না। 
কারন এসব অনুস্টানে ঢোল, তবলা, একতারা, বাশির সাথে রবীন্দ্র, নজরুল,লালন, শাহকরিমের গানের চরচা আমাদের পুরন ঐতিহ্যকে নিশ্চয় বাচিয়ে রাখবে।

অন্য দিনের মতই আজ সকালেও পূবের জানালাটা গলে রোদ এসে পড়েছে আমার শোবার ঘরের দেয়ালে


অন্য দিনের মতই আজ সকালেও পূবের জানালাটা গলে রোদ এসে পড়েছে আমার শোবার ঘরের দেয়ালে। ঘরের পাশের নিম আর আম পাতার দুলনিতে রৌদ্র ছায়ার খেলা চলছে সেখানে। চমৎকার লাগছিল দেখতে। সেদিকে নির্লিপ্ত তাকিয়ে থাকতে থাকতেই মনটা ভারী হয়ে উঠলো। মনে হলো রৌদ্র ছায়ার খেলার মতই আমাদের এই ক্ষুদ্র জীবন। গত মাসের ২৩ তারিখে সন্ধ্যায় মাহবুব ভাইকে আমার বাসায় ডেকেছিলাম আরও এক প্রবাসী সহকর্মীর ফ্যামিলির সাথে। বসার ঘরে বসে অনেকটা সময় গল্প হয়েছিল সেদিন সন্ধ্যায়।

কথায় কথায় মাহবুব ভাই বলেছিল “সার্টিফিকেটে আমার জন্ম তারিখটা বদলাননি আমার বাবা। তিনি বলতেন জীবনে অনেকবার তোমাকে লিখতে হবে, বলতে হবে এই জন্ম তারিখটি। সুতরাং এটা ঠিক না থাকলে জীবনে বহুবার মিথ্যাই বলতে হবে তোমাকে”। খাবার টেবিলে নানা আয়োজনে খুব সতর্কভাবে মেনু সিলেক্ট করে তিনি আহার সারলেন। সত্যপ্রিয়, স্বাস্থ্য সচেতন সেই মাহবুব ভাই হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে আজ দুই সপ্তাহ হলো হাসপাতালের বিছানায় অচেতন। রৌদ্র ছায়ার খেলার মতই যেন আমাদের জীবন।

আকাশ ও তার বোনেরা


- তোমার নাম কি?
- ইতর
- এটা আবার কেমন নাম?
- জানিনা।সবাই এই নামেই ডাকে।
- ও।স্কুলে যাও?
- না
- কেনো?
- বাজান যাইতো দে না।
- কেনো যেতে দে না?
- অম্মা!আই যদি ইস্কুলে হরা লেয়া কৈত্তাম যাই তাইলে হেতেনরে কাম কাজ আগাই দিবো কে।
- তোমার স্কুলে যেতে ইচ্ছে হয় না?
- হ অয়।সকাল বেলা লেদা লেদা হোলা হাইনরে দেই বাফ মায়ে ধরি ধরি ইস্কুলে লৈ যায়।আঁরো যাইতে মন ছায়।কিন্তু হারি না।
- কেনো পারো না?
- অম্মা আন্নেরে এক্কানা আগে দি কিয়া হুনাইলাম?এগিন বাদেয়ো আব্বার টিয়া হৈসা নাই,হরানির লাইগা।
- আমরা যদি বলি আমরা তোমাকে ফ্রিতে পড়াবো তাহলে তুমি পড়বা?

আজ মধুর বিয়ে


আজ মধুর বিয়ে। ছোট বেলার চির শত্রু রজকিনির সাথে। সব রকম প্রস্তুতি মধু নিয়ে রেখেছে! প্রতিশোধ নিতেই হবে! অনেক জালিয়েছে এই ছেমড়ি। এই ব্যাপারে মধু আর নানাজানের মধ্যে সবরকম বাতচিত হয়ে গেছে। নানাজানের বড় আদরের নাতি এই মধু। সেই ছোট্ট বেলায় মা হারিয়েছে মধু। সে থেকেই নানা/মামাদের আদরে বড় হয়েছে মধু। বুঝলি নাতি, বিয়ে শাদী হলো মায়া মহব্বতের জিনিশ। যেখানে কোন খাদ নেই। আছে শুধু ভালোবাসা আর ভালোবাসা। যত দিন যায় ততো পক্ত হয়। এই দেখ আমাকে, তোর নানি, এখনো আমাকে কত ভালোবাসে। বড় মামাও চান্সে উপদেশ দেয়া শুর করলো, শোন ভাইগ্না, এই যে আমি, তোর বড় মামা, আমাকে এক নামে, ৬০০০স্টিলার চিনে! বিশ্বাস না হয়, পানির ট্যাংক কে জিজ্ঞাসা কর! স্টিলারদের ইতিহাস তো সেখান থেকেই শুরু! শুধু বলেছি, সামনে এগিয়ে চলো, সাথে সাথে তোর মামি, রিপনের গাড়ি থেকে নেমে, আমার দিকে চলে এসেছে! বিশ্বাস না হলে পানির ট্যাংককে জিজ্ঞাসা কর! আজ তোকে দুইটা মন্ত্র শিখিয়ে দিবো! এক, পানির ট্যাংকের উপর সব সময় ভরসা রাখবি! দুই, সামনে এগিয়ে যাবি! বাকি আল্লাহ ভরসা। এবার মেঝো মামা এগিয়ে আসলো। বাবারে, বিয়া শাদী করছো তো, মনে করো জেল জীবন শুরু হইলো! এখন তোমাকে ঠিক করতে হবে, রজকিনি কে মার্ডার করে জেলে যাবা নাকি বিয়ে করে যাবত জীবন হাযত বাসি হবা।
(চলবে)।

ঢাকার সংসদ ভবনের সামনে তিন জন ব্যাক্তি একসাথে পয়লা বৈশাখে মনের আনন্দে ঘুরে বেরাচ্ছে


ঢাকার সংসদ ভবনের সামনে তিন জন ব্যাক্তি একসাথে পয়লা বৈশাখে মনের আনন্দে ঘুরে বেরাচ্ছে, তাদের মধ্যে রেজা নামের লোক টি একটু বয়স্ক গায়ে আকাশি রঙ এর ফতুয়া , হাতে একটি ডায়েট কোকের ক্যান, একটু পরপর চুকচুক করে তাতে চুমুক দিচ্ছে। বুঝাই যাচ্ছে রেজা সাহেব চিনি রোগে আক্রান্ত। দ্বিতীয় ব্যক্তির নাম আতিক, সাদা কালো চুল, কপালে চুল কম, চোখে চশমা, তার গায়ে মেরুন কালারে ফতুয়া আর শেষ ব্যক্তি তারিক, সুদর্শন যুবক গায়ে ঘিয়ে কালারের ফতুয়া। তারা মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর গান গাচ্ছে আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। আনন্দ হওয়ারই কথা, তাদের এত সুন্দর আড়ং এর ফতুয়া গিফট করেছেন তাদের জনৈকা নানি। আবার রেজা সাহেব কে ডায়েট কোকও পাঠিয়েছে।

আসলেই এমন নানী সবার হয়না।

Thursday, April 14, 2016

আবহমান কালের মানুষ


১৯৯১ সালের ২৯ শে এপ্রিল। সম্ভবত রাত ১ টা কি দেড় টা। আমার ঘুম ভেঙে গেল।দেখি আমাদের বাসায় নিচতলার সব মানুষ।বুঝতে সময় লাগল। উঠে দেখি পানিতে সব ভেসে যাচ্ছে। খোয়াড়ে হাস মুরগির চিতকার। বের হতে পারছেনা।এমন সময় মানিক ভাই বলে উঠলেন, খালাম্মা, দরজা খুলে দেই যাতে মুরগি গুলো বের হয়ে বেচে যেতে পারে।আম্মা নিষেধ করলেন।সেদিন বুঝলাম, পশুপাখি দের প্রতি উনার কি টান।শুধু পশুপাখি না বাচ্চাদের প্রতিও ছিল উনার প্রগাঢ় স্নেহ। তাদের সাথে গল্প করতে,গল্প বলতে, ভুল করলে শাসন করতে উনি খুব পছন্দ করতেন।

কাউকে ভালবাসি বলে ফেলা যত সহজ, সারাজীবন এর জন্য তার দায়িত্ব নেয়া তত সহজ নয়।কিশোর কুমার নাকি তার ভালবাসার মানুষকে রাস্তায় রেখে আসতেন না,বাসায় নিয়ে আসতেন।মানিক ভাইও তাই।তিনি শুধু মুন্নি আপাকে ভালবাসেন নি সাথে সারাজীবন এর জন্য তার দায়িত্ব নেবার দুঃসাহস দেখিয়েছেন,যা সবাই পারেনা। 

যেখানে সবাই বিশেষ দিন গুলোতে পরিবার নিয়ে আনন্দ করে


যেখানে সবাই বিশেষ দিন গুলোতে পরিবার নিয়ে আনন্দ করে,সেখানে আমার মত কিছু মানুষ ছুটে চলে অন্যদের আনন্দ গুলোকে সুন্দর করতে। ছুটে যায় এখান থেকে ওখানে। কেউ করে দেশের জন্য,কেউ পরিবারের জন্য। কিন্তু মনটানা মাঝে মাঝে অবুঝের মত কাঁদতে থাকে নিরবে। যা শুধু সে নিজে বুঝে, আর কেউ না।আজ সকাল থেকে বাহিরে,দুপুরে খাবার টাও একসাথে খেতে পারলাম না। আর এখন যাচ্ছি কুমিল্লা। আসব কাল রাতে। সবার দোয়া কামনা করি,যেন ভালভাবে ফিরে আসি।

সারাদিন কি আমাদের ঘরের কাজ করতে হইবো


সারাদিন কি আমাদের ঘরের কাজ করতে হইবো।আমাগো কোন শখ আললাদ নাই।আমরার কি নববর্ষের একটু মজা করতে ইচছা করে না।আপনারা কি কন।দেখলাম ভাইয়েরা কত মজা করতাছে,আর আমরা খালি চুলা ঠেলতাচি।কে কি খাইবো,কারে,কি দিমু।বিকালের নাসতা কি,দুপুরে,রাতে কি খাইবো আর পারি না।মন চায় কোন খানে পালায় যাই।আবার চিনতা করি জামো কই।আজকের কথাই ধরেন সকালে উঠে তিন রকমের ভতা,দুইরকমের মাছ ভাজি দি পানতা খাইবো।এরপর দুপুরে দশ বারো রকমের সবজি রাননা,লইটটা মাছ ঝোল,আবার ফ্রাই,মাছের দু পেয়াজা,বেগুন ভাজী,দেশি মরগির রেজালা এতো কাজ করতে করতে আর fb তে ঢুকতে পারিনি,কে কোথায় কি মজা করতাছে একটু দেখতে ও পারিনি।ঐ দিকে বন্যা আপা আবার ইলিশ চাইচে সব ভাইগো কাছে এডাও অনেক পরে দেখচি।একটুও শান্তি নাই খালি কাজ আর কাজ কই যাই কনতো।।।

মধুসুদনের বিদেশ যাত্রা (ফুল অ্যান্ড ফাইনাল)


হাটতে হাটতে খিলগাঁও চলে গেল সে । সেখানে এক হুজুরের সাথে পরিচয় হল । হুজুর বলেছে তাকে বিদেশ পৌঁছে দিবে । কিন্তু হুজুরের সাথে ১ ঘণ্টা না কাটাতেই পুলিশ তাদের দু জনকে ধাওয়া করল । কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা ধরাও পরে গেল। কাহিনি হল হুজুর ‘মুখলিশ’ জঙ্গি সংগঠনের সহকারী প্রধান । মধুসুদনের বুঝতে বাকি রইলো না হুজুর তাকে সিরিয়ায় জিহাদে পাঠাতে চেয়েছিল । দু'দিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ আর হাল্কা পাতলা লাঠির আদ রে মধুসুদনের জান যায় জান যায় অবস্থ্যা ।এবার নিজেকে বাচানোর জন্য পুরুষত্বের বাহন দেখানো ছাড়া আর কোন পথ রইল না । তাকে ছেড়ে দেয়া হল । কারাগার থেকে বের হয়েই সে সোজা গ্রামে চলে গেল । বিয়ে যদি হয় খারাপ কি ? অন্তত বিদেশ যেতে গিয়ে পুলিশের দাবড়ানি খাওয়ার চেয়ে । ছোটোবেলা থেকে জেনে আসা শত্রুর প্রতিশোধ নেয়াও হবে ।
(সমাপ্ত)

আমার ছেলের আরবী পড়ানোর শিক্ষক মোটামুটি আধুনিক মন মানসিকতার


আমার ছেলের আরবী পড়ানোর শিক্ষক মোটামুটি আধুনিক মন মানসিকতার। ফেসবুক ইউজ করে ভাইবার, ইমো সবই আছে। নিয়মিত ক্রিকেট খেলার খোঁজখবর রাখে। আমাদের এলাকার মসজিদের খাদেম। বয়সে আমার অনেক জুনিয়ার। নাম রাসেল।

অন্যন্য দিনের মত আজ সকালে ছেলেকে পড়াতে এসেছে। হুজুর কে নাস্তা দিতে গিয়ে শুনি সে আজ নফল রোজা রেখেছে। জিজ্ঞাসা করতেই জানলাম বাংলা নববর্ষে সবার কল্যান কামনায় তার এই নফল রোজা।

আমি নিজে ব্যক্তিগত ভাবে তেমন ধর্মকর্ম পালন করিনা, কিন্তু নববর্ষের অনেক ডামাডোলের কৃত্রিম কল্যান কামনার ভিড়ে, নববর্ষে সবার জন্য নীরব কল্যান কামনা করার হুজুরের এই পদ্ধতি টি খুবই ভালো লেগেছে।

মধুসুদনের বিদেশ যাত্রা (পার্ট -২)


ভোর রাত্রেই পালালো মধুসুদন । সেই সম্ভবত জগতের প্রথম বর যে নিজের বিয়ের আগে পালাচ্ছে । পকেটে কিছু টাকা আছে তাই কোন সমস্যা নেই । সোজা ঢাকা চলে এসেই হোটেলে উঠলো মধুসুদন । কিন্তু ভোর রাত্রেই রেড পড়ল হোটেলে । দ্বিতীয় বারের মত আবার পালাতে হল তাকে । ব্যাগ ট্যাগ রেখেই পালানোতে এই যাত্রায় মধুসুদনের চোখে শুধু অন্ধকার । পকেটে টাকা নেই,মনে শান্তি নেই । কেমন করে দিনটাও কেটে গেল । কমলাপুর রেলষ্টেশনে রাত পার করার প্ল্যান নিয়েই কোন মতে সেখানে পৌঁছেও গেল সে । কিন্তু রাত্রে ঘুমানোর পর শুরু হয়ে গেল গোলাগুলি । চোখ খুলেই দেখল একটা লাশ পড়ে আছে । কিছু করার নেই,সবাই পালাচ্ছে । তারও পালানো লাগলো । পৃথিবী ব্যাপী সব গ্যাঞ্জাম তাকেই ঘিরে হয় নাকি ? সবাই ঘুমাচ্ছে আর সে দৌড়াচ্ছে আর দৌড়াচ্ছে………..
(চলিবে )

মধুসুদনের বিদেশ যাত্রা (পার্ট -১ )


মধুসুদনের ছোটোবেলা থেকেই ইচ্ছা বিদেশ ভ্রমনের । কৈশোরে পা দিতেই বিষয়টা আরও মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো । এইবার তার বিদেশ যাত্রা ঠেকায় কে ? বিষয়টা এরই মধ্যে তার বাবার কানেও পৌঁছে গেল । এরপর তাকে ঘরে বেধে রাখার জন্য বিয়ে ছাড়া অন্য কোন পথ দেখলেন না পিতামশাই । কিন্তু মদুসুদন কি কম নাকি? সে দাবি করে বসলো রজকিনীকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করবে না । পিতামশাই রাজি হলেন । মধুসুদন মনে মনে খুশি । কারণ ছোটোবেলা থেকেই রজকিনির সাথে মধুসুদনের দা-কুমড়া সম্পর্ক । রজকিনির রাজি হবার কোন আশা নাই । রাতে বাসায় ফিরেই মধুসুদন তো পুরাই থ । আগামী সপ্তাহে রজকিনির সাথে মধুসুদনের বিয়ে । রাতে ঘুম আসে না । মধুসুদনের একটাই দুঃখ ...চাইলাম জল,পাইলাম শরবত ।
(চলিবে)

আজ (১৩.৪.১৬) আমার অফিসে মামুন এসেছিল


আজ (১৩.৪.১৬) আমার অফিসে মামুন এসেছিল, আসলেই সে যোগ্য প্রচার মন্ত্রী, চিটাগাং থেকে আমাদের গ্রান্ড আড্ডা র সিডি নিয়ে এসেছে। সারারাত জার্নি করে ভোরে তার ফ্যামিলি কে কেরানিগঞ্জ রেখে আবার মোহাম্মদপুর থেকে কাজি ও বনানি থেকে রেজা ভাইকে নিয়ে আমার অফিসে। এই গরমে আর ঢাকা শহরের যানজটে এভাবে দৌড়াদৌড়ি আর যাই হোক আমার পক্ষে অসম্ভব। থ্যানক্স মামুন। 

গ্রান্ড আড্ডা র সিডি আমার কাছে আছে। আমি এটি সেভ করে রেখেছি। কারো প্রয়োজন লাগলে আমার সাথে যোগাযোগ করলে আমি দেয়ার চেষ্টা করব।

গরম ভালোই পড়েছে


গরম ভালোই পড়েছে, সাথে গরমের প্রভাবটা, সবার মনে, মারাত্মক আকার ধারন করেছে। সামান্য কথাতেই কোর্ট কাছারি বসে যাচ্ছে। সকালে বাসায় বললাম, অল্প কয়টা টাকা দেও, পকেট খালি, উনি ছ্যাত করে উঠলেন! তুমি টাকা দিয়ে কি করবে? ঘরে চুপচাপ বসে থাকো! পেজের ভাই বোন গুলিও খুব গরম। যে, যেভাবে পারছে, সে ভাবেই ঝারতেছে! হাতের কাছে গোলা বারুদ থাকলে, মনে হয়, এতক্ষনে দুই/চারটা হাসপাতালে ভর্তি হতো! কেও ইলিশ খাবে, কেও খাবেনা, কেও সাজু/গুজু করে বেড় হবে, কেও বলবে, খবরদার, এই সব করা যাবেনা! আল্লাহ, কোন দিকে যামু? মেয়েকে নিয়ে একটু বের হবো, মেয়ের অংকের মাস্টার এসে হাজির! মাস্টার আরো এক কাঠি সরেস! কট্টরপন্থী! সারাফ সোনা, বাইরে যেতে হবেনা, বাইরে খামাকা ধুলা/বালি খাওয়ার মানে হয়না! মেয়ে আমার ছল ছল চোখে, আমার দিকে তাকিয়ে আছে। মেয়ের মা খুশি! আমি ভয়ে ভয়ে মাস্টোর কে বললাম, বস, আজ কে একটু অল্প পড়িয়ে, ছুটি দিয়ে দেন। আমি আর সারাফ, সন্ধ্যায় একটু গান সুনতে যাবো। চরম বিরক্তি নিয়ে, মাস্টোর বললো, দিচ্ছি ছুটি, তবে এটা ঠিক না! মাস্টোর মানুষ কিছু বললাম না, আরে বেটা আজকে হলো, বাংলা নববর্ষ। আমরা হলাম বাংলা ভাষা ভাষি মানুষ। আমাদের নতুন বছরের শুরু, আমরা তো একটু আনন্দ করবোই। 

উৎসব ভাতা বৈশাখ ১৪২৩


উৎসব ভাতা, আনন্দের বার্তা তাই না!!!!
সরকার কিছু একটা ঘোষনা দেয় আর আমাদের ১৩টা বাজে। আচ্ছা বলতে পারো সারা দেশে কতো জন সরকারী কর্মচারী!!!!? সরকার কি পারেনা সব প্রতিষ্ঠানকে সরকারী সিডিউল মেনটেইন করাতে। যারা পারবেনা তাদের আলাধা অডিটের ব্যবস্থা রাখলে আরো ভালো হতো।
সত্যি কথা বলতে কি, আমরা না পারি তাল মিলাতে আবার না পারি ছাড়তে।
রিতীমতো জীবন জীবিকার যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে পেষ্ট হয়ে আছি।
তারপরও আমরা আশাবাদী, সকলের জন্য রইলো শুভ নববর্ষ.... ভালো থাকবেন সবাই আগামীতে...

Wednesday, April 13, 2016

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের পরের দিন


১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের পরের দিন। কলোনীতে যাদের বাসা নীচ তলায় ছিল তারা সারাদিনে বাসাটা ভাল করে পরিষ্কারও করতে পারে নাই। চারিদিকে স্যাতসেতে ভাব। বিশ্রী একটা গন্ধ। কারেন্ট ছিলো না।ঠিকমত খাওয়া দাওয়া করা যাচ্ছে না। দরজাগুলো পানিতে ফুলে বড় হয়ে গেছে। বন্ধ করা যাচ্ছিল না। রাস্তাও পরিষ্কার ছিলো না। রাতে হঠাৎ গুজব ছড়িয়ে পড়লো ভুমিকম্প হবে। সবাই বাসা থেকে বেরিয়ে রাস্তায় চলে আসলো। রাত দুইটা তিনটা পর্যন্ত বাহিরে ছিলো। সেদিনের কথা মনে হলে আজও গা শিউরে উঠে।

যে দুপুরে ঘুম আসত না


ছোটবেলায় বেশিরভাগ দুপুরে ঘুম আসত না।অনেক সময় ঘুম পাড়ানো র জন্য চোখএর পাতার উপর হাত দিয়ে রাখা হত,তবুও না।আব্বা অফিসে চলে গেলে আস্তে করে উঠে টুলের উপর দাড়িয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে যেতাম। মাঝেমাঝে ইউনুস ভাইয়ের দোকানে গেলে বন্ধ থাকত।তখন ঈ টাইপের ওয়ার্কার ক্লাবের দোকানে যেতাম। দেখা যেত সেটাও বন্ধ।দূরে এফ টাইপের দোকান টাতে আর যেতে ইচ্ছা করত না।তখন জেক্সের দিকে পা বাড়াতাম।

এত গরমে রোদে হাটতে এতটুকু খারাপ লাগত না,সেটা চৈত্র এর দুপুর হোক বা শরৎ এর মেঘ ভাসা আকাশের দুপুর। জেক্সে বিনগো আর কোকোলা নামে ১ টাকা দামের চকলেট পাওয়া যেত।সেগুলো কিনে খেতাম সাথে প্যাকেট এর গা থেকে প্লাস্টিক সরিয়ে সেটা তে তেল লাগিয়ে সাদা খাতায় ঘষতাম। তাতে করে প্যাকেট এর কার্টুন এর ছবি খাতায় উঠে যেত। এই দুপুর গুলো তে খেলার জন্য কাউকে পেতাম না।কিন্তু তাতে খারাপ লাগত না, মাঝেমাঝে পেজে বাজার থেকে কলোনি তে ঢোকার সময় ট্যাংকির ছবি টা দেখলে মনে হয়, এ পথে আমি যে গেছি বার বার

আজ ছুটি স্কুল


আজ ছুটি স্কুল। আজ মানে আজ থেকে শনিবার অব্দি। কি আরাম ঘরে থাকা। কাল টের পাওয়া যাবে। আমি থাকি যেহেতু বেইলী রোড,কাল বিকাল থেকে টের পাওয়া যাবে অবস্থা। ঢাকা শহরের যত বদ আর বদনিগুলা আছে এইডি যে কত ঢং ঢাং করবো। গতবার বিকালে গেইট খুলে সামনের রাস্তায় দাঁড়ালাম তামশা দেখতে। পুলাপানের পাকনামি দেইক্ষা বেশিক্ষন দাঁড়াতে পারি নাই।ভাবছিলাম এদের বাপ মা নাই? মেয়েগুলার? কি সাজ,কি পোশাক কোনোটাই রুচিকর না। বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরতে আসছে। এর মাঝেই দেখি রিকশা করে একটা পরিবার যাচ্ছে। হাসব্যান্ড, ওয়াইফ আর বাচ্চা। অসহায় মুখে বাপ বাচ্চা কোলে নিয়ে বসে আর মা তো সেইরকম সাজ দিয়ে আসছে। পুরা হোয়াইট ওয়াশ করা মুখ,তার ওপর আলপনা করা এক গালে,চুল গুলা ইলেকট্রিক শক খাইলে যেমন হয়ে থাকে তেমন হয়ে আছে, লাল শাড়ি পরনে আর মাথার মধ্যে আবার এঞ্জেলদের মত ফুলের রিং। এইটা দেখে পরে বাসায় ঢুকে গেলাম। এইটা আমাদের বাংগালি সংস্কৃতি!!!!! উহু,কোথাও একটা ভুল আছে আমাদের।

আজ ঢাকা এসে প্রথমে মায়ের সাথে দেখা করলাম


আজ ঢাকা এসে প্রথমে মায়ের সাথে দেখা করলাম।মায়ের শরীরটা খুব দূর্বল।মা একদম শুকিয়ে গেছে সবাই মায়ের জন্য দোয়া করবেন।

তারপর বন্ধু কাজীকে নিয়ে রেজাভাই এর অফিস থেকে ভাইকে তুলে আতিক ভাই এর অফিসের দিকে রওনা পথে অনেক জ্যাম ছিল।

তারপর আতিক ভাই গুলশানের একটি রেস্তোরাতে দুপুরের খাওয়া খাওয়াইলো।

কিছুক্ষন আড্ডারর পর কাজীর অফিসে বসে কিছু আলাপচারী করে,বাড়ীর দিকে রওনা দিব।

সিএসএর সবাই কে অগ্রিম বাংলা নবর্বষের শুভেচ্ছা।যে যেখানে থাকবেন ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।সেই প্রত্যাশায়।

অনেকেই বলে বা বলছে পেজ আগের মত জমছে না


অনেকেই বলে বা বলছে পেজ আগের মত জমছে না। এটা নিয়ে প্রায়ই আমাদের মাঝে তর্ক হচ্ছে। যারা বলছে পেজ আগের মত জমছে না তাদের কাছে কোন না কোন ডাটা অবশ্যই আছে আবার আমরা যারা বলছি পেজ আগের চেয়েও অনেক ভালো জমছে তাদের কাছেও নিশ্চয়ই ডাটা আছে। শুধুশুধু অনর্থক তর্ক না করে আমাদের ডাটা ভিত্তিক কথা বলা উচিত তাহলে মনে হয় আমরা আসল ব্যাপারটা জানতে পারব এবং সত্য উন্মোচন হবে এবং এটা নিয়ে আর ভবিষ্যতে কোন তর্ক হবে না। আমি আপনাদের সবার জন্য কিছু ডাটা পেশ করলাম, আগেও পেশ করেছি তারপরও আবারও পেশ করার প্রয়োজন মনে করলাম।

• অগাস্ট ২০১৫ (২০ অগাস্ট থেকে ৩১ অগাস্ট) এ লিখা পোস্ট হইছে ২৬ টা, এভারেজ ২.১৭।
• সেপ্টেম্বর ২০১৫ এ এ লিখা পোস্ট হইছে ১২৫ টা, এভারেজ ৪.০৩। 
• অক্টোবর ২০১৫ এ লিখা পোস্ট হইছে ১৪৯ টা, এভারেজ ৪.৮১। 
• নভেম্বর ২০১৫ এ লিখা পোস্ট হইছে ৫৪ টা, এভারেজ ১.৮।
• ডিসেম্বর ২০১৫ এ লিখা পোস্ট হইছে ৬০ টা, এভারেজ ১.৯৪।
• জানুয়ারী ২০১৬ এ লিখা পোস্ট হইছে ৯০ টা, এভারেজ ২.৯।
• ফেব্রুয়ারী ২০১৬ এ লিখা পোস্ট হইছে ২০৪ টা, এভারেজ ৭.০৩। 
• মার্চ ২০১৬ এ লিখা পোস্ট হইছে ২৯৩ টা, এভারেজ ৯.৪৫।
• এপ্রিল ২০১৬ এ এখনো পর্যন্ত লিখা পোস্ট হইছে ১৮৯ টা, এভারেজ ১৪.৫৩।

এছাড়াও লাইক, কমেন্ট, রেপ্লি সব কিছু অনেক অনেক বেড়েছে। তারপরও যারা বলে গ্র্যান্ড আড্ডার পর পেজ আগের মত জমছে না, তাদের নিকট বিনীত অনুরোধ আপনারা দয়াকরে একটা পরিসংখ্যান দেন। তাহলে আমরা বুজতে পারব আসলেই পেজ টা আগের মত জমছে না নাকি আগের চেয়েও বেশি জমছে। ধন্যবাদ সবাইকে।