টলি ভাই, রাসেল, নমি, জাবেদ, হিমেল, হয়তো আরো আছে, নাম এই মুহুর্তে বলতে পারবো না। আমাদের এডমিন কি, এদের কাউকে বের করে দিছে! কেন গেল? টলি ভাই এবং জাবেদের আংগুল আমার দিকে, কেন? টলি ভাই এর কথা আমি তাকে স্টেজ থেকে নামিয়ে দিছি! ভুল! সন্ধ্যার সময় যখন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়, তখন অপু(মগা) আমার কাছে অনুরোধ করে, সে যেহেতু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর দায়িত্বে, অনুষ্ঠান টি, সে নিজেই পরিচালনা করতে চাচ্ছে। কারন, অনুষ্ঠান টি চলাকালিন সময় যেন, অন্য কোন আইটেম না আসে। যেহেতু নাচ গান হবে এবং সবাই আনন্দ করবে। আমি মোজাম্মেল ভাই কে তখন অনুরোধ করি, টলি ভাই কে, সরিয়ে নিতে। আমি নিজে বন্যা কে সরিয়ে নেই। টলি ভাই অভিযোগ করে চলে গেলো! উনার সুনার সময় টুকু হলোনা। জাবেদ চলে গেছে, কেন? এবং সে কিছু নোংরা কথাও আমাকে বলেছে! একটি পোস্টের কমেন্টের যায়গায়, আব্দুল্লাহ আল মাহাবুব টিপুএবং আমার মাঝে কথা হচ্ছিল। টিপু সেখানে আমাকে নমির ব্যাপারে অনুরোধ করে। আমি তখন টিপুকে বলি, নমি কে তার অবস্থান পরিস্কার করার জন্য। সে কমেন্টের মাঝখানে এসে বন্যা কমেন্ট শুরু করেদিলো। বন্যা আমাকে আক্রমন করে বসলো! সে স্পস্ট ভাষায় বললো, বন্যা, আতিক, শায়লা,এবং আতিক কে যেন আমি কোনো উপদেশ না দেয়! ভালো কথা, দিবোনা। জাবেদ আমাকে বললো কেচো! মেরুদন্ড হীন! এবং সে বিদায় বলে চলে গেলো। রাসেল আর নমিও নাই। কেন গেছে! রাসেলের দাবি ছিলো, নির্দিস্ট একজন কে পেজ থেকে বের করে দিতে হবে। যেটা নাজমুল এবন জসিম, পাত্তা দেয় নাই। রাসেল রাগ করে চলে গেলো। নমির ব্যাপারটা আমি ক্লিয়ার না। সময় করে নমির সাথে একদিন কথা বলবো।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Thursday, April 21, 2016
আতিক ভাই,বাবু,শায়লা, সবার পোস্ট গুলো পড়ে খুব ভালো লাগল
আতিক ভাই,বাবু,শায়লা, সবার পোস্ট গুলো পড়ে খুব ভালো লাগল। সবার বক্তব্য একই রকম। csm colony আমাদের পেইজ, সম অধিকার বলে সবাই এখানে লিখতে পারে। শায়লার উদাহরণ সুন্দর হয়েছে। যে বুজার সে এটাতেই বুঝে যাবে। csm colony একটা ব্রান্ড। এটার নকল হতেই পারে Bata র নকল টাটা/ডাটা/ রাটা, ইত্যাদি আছে। সেই রকম কেও csm colony র নকল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা সফল হবেনা। আমরা আগের মত আমাদের পেইযে লিখব পেইজ জমজমাট থাকবে। আমাদের কোয়ালিটি আমরা ধরে রাখব মনে রাখতে হবে আমরা ব্রান্ড।
সবাইকে এটাও মনে রাখতে হবে csm colony পেইজের কোয়ালিটি খারাপ হয়ে গেলে অন্য পেইজ গুলো সক্রিয় হয়ে যাবে তাই আমাদেরকে বেশি বেশি লিখতে হবে।
আমি কারো সাধিনতায় হস্তক্ষেপ না করে বলতে চাই আপনারা যারা অন্য পেইজ গুলোতে লিখছেন তারা তা এখানে লিখেন সবাই মিলে এই পেইজটাকে জমিয়ে রাখি কারণ আপনারাতো এই পেইজেরও মেম্বার।
মান অভিমান হাসি কান্না সুখ দুখ সবাই এক ঘরে
থেকে শেয়ার করি। এটাই সবার কাছে কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।
কিভাবে শুরু করবো বুঝতে পারছি না
কিভাবে শুরু করবো বুঝতে পারছি না।।সারাদিন অনেক ধকল গেছে।।তাই সারাদিনে একবারের জন্যও পেজে ইন করতে পারিনি।।পোশাক টাও এখন গায়ে আছে।।।ভূল কিছু হলে রেজা ভাই আমার দোষ নাই।।সারা দিনের ক্লান্তি শেষে পেজে আসলাম একটু বিনোদনের আশায়,,প্রশান্তির আশায়।।কিন্তু ঢুকতেই প্রথম দর্শন কমু ভাইয়ের সাথে।।দেখলাম অনেক চিন্তিত এবং ভারাক্রান্ত।।প্রশ্ন করলাম,,ভাই কি অবস্থা??জবাব দিল কুমিল্লার রসমলাই।।বললাম,,বুঝলাম না।।দেখিয়ে দিল ওনার পোস্ট।।পড়লাম এবং বুঝলাম।।কিছুটা হাসি আসলো এবং একটু মুখ ঘুরিয়ে হেসে নিলাম এবং বুঝলাম আমাদের অনেক কিছু শেখার বাকি আছে এখনও।।মাইন্ড খাইয়েন না প্লিজ।।কোথাও একবার বলেছিলাম যে,আমি লিটনকে সবার পছন্দ করতে হবে,,মতামত কে প্রাধান্য দিতে হবে,,মূল্যায়ন দিতে হবে এটা ভাবা যেমন বোকামি অপরদিকে অন্য কেও আমার ভাল লাগাতে হবে এটাও ঠিক না।।ভাল লাগাটা ভেতর থেকে আসে এটাকে জোর করে আনা যায় না।।
29 জানুয়ারির পর একটা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক কিছু হয়ে গেছে।।আমি নিজেও করেছি।কিন্তু সময়ের বিবর্তনে এখন সব কিছুই ঠিক হয়ে গেছে।এটাই নিয়ম।।এবং এটাই হওয়া উচিত।।
কমু ভাইয়ের CSM Colony page নিয়ে আশংকায় আমার উপলব্ধি
কমু ভাই, আপনার আশংকা অযোক্তিক না। তবে নকল করা বা অন্যের কাছে ভালো কিছু দেখে নিজে পাওয়ার চেষ্টা করা এটা একটা সাধারন মানুষের চারিত্রিক অভ্যাস। কে কি করছে তা দেখার সময় আমাদের নাই। আমার ব্যাপারটা আমি ক্লিয়ার করি:
১/ সকালে উঠে মেয়েকে স্কুলে দিয়ে বাসায় এসে অফিসে পৌঁছুতে মাসে ২০ দিনই লেট হয়। বস কেনো এখনো শান্টিং দিলোনা এটা একটা রহস্য।
২/ বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত ১০০% ব্যস্ত থাকে। বউ বাচ্চার খবরও নিতে পারি না।
৩/ অফিস ছুটির পর মোবাইল চেক করে দেখি important কারো ফোন মিস করলাম কিনা। মনটা অপেক্ষায় থাকে CSM এর কোন ভাই আড্ডার জন্য ডাকে কিনা। কেহ না ডাকলে বাড়ীর পথে চলা।
৪/ বাড়ী পৌছানোর পর কিছুক্ষন টিভি দেখি, বোঝে না সে বোঝেনা যখনি শুরু হয় মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কারন রিমোট তখন আমার দখলে থাকে না।
৫/ শুরু হয় CSM Colony এর পোষ্ট গোলো পড়া। তখনই মনটা ভালো হয়ে যায়। দুনিয়া দারির আর কোন খবর থাকে না। CSM এর নেশায় রাতের বেলা ভাত না খেতে খেতে এখন রাতের খাবার খাওয়া আর হয়ই না। আমার ওজন তিন কেজি কমলো। grin emoticon...
কুমিল্লার মুল মাতৃ ভান্ডার অনেক কিছু লেখার ছিল
কুমিল্লার মুল মাতৃ ভান্ডার অনেক কিছু লেখার ছিল। কিন্তু লিখলাম না। আমি বিতর্ক চাই না। আমি সব ভাই বোনকে নিয়ে একসাথে থাকতে চাই। আমাদের তোমাদের এই শব্দে আমি বিশ্বাসী নই। আমি মনে করি আমরা সবাই এক। আর আমি কখনো বলি নাই একটা পেইজ আসল বাকি সব নকল। কখনো বলি নাই একটা পেইজ বেস্ট বাকি সব ফেইক। সব পেইজইতো আমাদের কলনির কেউ না কেউ বানাইছে। অর্থাৎ সব পেইজই আমাদের। আমরা যখন ইচ্ছা যে কোন পেইজে ঢুকতে পারবো (এডমিন চাইলে)। সব পেইজে লিখতে পারবো। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের এই বিভক্তির কারনে তৃতীয় পক্ষ হয়তো সুবিধা নিতে পারে। হয়তো বলতে পারে একটা কলনির অনেকগুলা পেইজ।
কে কোথায় কি করছে এটা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নাই
কে কোথায় কি করছে এটা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নাই। আমার বা আমাদের জায়গা টি ঠিক আছে কিনা সেটাই আসল কাজ। কেউ যদি দু তিন জায়গায় ঘুরাফিরা করে মজা পায় বা স্থির হতে না পারে সেটা তার ব্যাপার এবং এটা তার নিজের প্রতি নিজের আস্থাহীনতা। আসুন আমরা নিজেদের জায়গাটিকে সবসময় রমরমা রাখি, স্বয়ংক্রিয় ভাবেই সব ঠিক হয়ে যাবে, এই পেজে কেউই সেলিব্রেটি না, আমরা সবাই ম্যাংগো পাবলিক। অতএব কে কোথায় গিয়ে কি লিখছে বা আমাদের এখানে লিখছেনা কেন, আই ডোন্ট কেয়ার।
সিএসএম কলোনী ও স্টীলমিল এখানে মিলে বাবা,চাচা,চাচীরা চাকুরী করতো
সিএসএম কলোনী ও স্টীলমিল এখানে মিলে বাবা,চাচা,চাচীরা চাকুরী করতো।আর কলোনী জরুরী আবাসিক কলোনী ও যৌথ আবাসিক কলোনী।
আর সিএসএম জরুরী আবাসিক কলোনী নিয়ে সিএসএম কলোনী পেজের সৃষ্টি।
আগে পরে আরো সিএসএম দিয়ে পেজ তৈরী হয়েছে,হচ্ছে,হয়তো হবে,তাতে মূল পেজের কিছুহবে না।
তাই সবাই কে বলবো মতের পাথর্ক্য থাকবে,কিন্তু মূল পেজ নিয়ে যাতে কেউ দ্বন্দ্ব সৃষ্টি না করি।কারন পেজে সবাই স্বাধীন।এখানে কাহকে বড়- ছোট করা হয় না,সবাই রাজা,তবে বড়দের সন্মার্ন- ছোটদের স্নেহ করা সবার দায়িত্ব।
কুমিল্লার যে মুল মাতৃভান্ডার
কুমিল্লার যে মুল মাতৃভান্ডার সেটা তাদের পণ্যের গুনগত মান,বিশ্বস্ততা অর্থাৎ টোটাল কোয়ালিটি টা শুরু থেকে আজ পর্যন্ত একইরকম ভাবে অক্ষুণ্ণ রেখেছে।মুল মাতৃভান্ডারের পরে আরো যেসব মাতৃভান্ডার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান কে মুল মাতৃভান্ডার কিন্তু মোটেও নিজেদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি মনে করেনাই।কারন ওইযে কোয়ালিটি।ওরা নিজেদের উন্নতি/ব্যাবসা নিয়েই ব্যাস্ত।কে কি করলো সেটা নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় কোথায় ওদের।
ঠিক তেমনি csm colony এই গ্রুপের এখন যে কোয়ালিটি তাতে তো অন্য কাউকে নিয়ে চিন্তা করার কোনই দরকার নাই।"আমাদের টাই আসল আমাদেরটাই বেস্ট আর অন্যদেরটা ফাউল" এগুলা নিয়ে লম্ফঝম্প করাটা এখন বিশেষ করে গ্রুপের এই stable আর জমজমাট অবস্থায় হাস্যকর লাগে।অন্য কাউকে এ্যাটেনশন দেওয়া মানে নিজের অবস্থান কে নড়বড়ে করে ফেলা।আমার আত্মবিশ্বাস এত ঠুনকো না যে অল্পতেই ভয় পেয়ে যাব।
আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ভালো কাজ করেছি আবার দুষ্টামিও করেছি
আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ভালো কাজ করেছি আবার দুষ্টামিও করেছি। ভালো কাজের জন্য যেমন বাবা মা আদর করেছে আবার দুষ্টমির জন্যও বকা দিয়েছে। তবে বকা দেয়ার জন্য নিশ্চয়ই একেক জনের বাবা মা একেকটা ডায়লগ ব্যবহার করত। যেমন আমার বাবা এই ডায়লগ টা বেশি বলত বচকা দেয়ার সময় " বালেশ্বর বাল হরিদাষ পাল" (বানান ভুল হতে পারে)। (তবে এই বোকা টা ভাইয়াই বেশি শুনত)। আজ তাহলে শুনি কে কে তার বাবা মায়ের কাছ থেকে কোন বকাটা বেশি শুনত।
২৯ শে এপ্রিল ১৯৯১ নিয়ে আমার ছোট্ট একটা সৃতিচারণ
এপ্রিল মাস চলছে, ২৯ এপ্রিল ১৯৯১ এর কথা এই পেজ এর অনেকের মনে আছে।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল ভয়াল এই রাতে মুখোমুখি হয়েছিলাম ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের । আমার জীবনে প্রত্যক্ষ চোখে দেখা এক ভয়াবহ রাত । বাতাশের প্রচন্ড বেগ পাশাপাশি অঝোর ধারায় বৃষ্টি, কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই চারিদিকে শুধু পানি আর পানি । হাহাকার আর উৎকণ্ঠার মাঝে কিভাবে যে সেই রাতটা পার করে ছিলাম । সকাল বেলার দৃশ্য আরও ভয়াবহ চারিদিকে ভাসমান লাশের পর লাশ, মরা মাছ , গাছপালা গবাদি পশুর ধ্বংসলীলা । খাওয়া দাওয়ার নিদারুন কষ্ট । সহায় সম্পত্তি হারা মানুষের চিৎকার আজো ভেসে উঠে দুই চোখে ।
# ২৯_শে_এপ্রিল_১৯৯১_নিয়ে_আমার_ছোট্ট_একটা_সৃতিচারণঃ
১৯৯১, আমি তখন ক্লাস থ্রীতে পরি। আমাদের এই পেজ এর একজন নীরব, শব্দহীন, নির্বাক, চুপচাপ, নিঝুম, অরব, মুখচাপা, নিরূত্তর, অনুত্তর, স্বল্পভাষী মেম্বার নাফিয ইমতিয়াজ সজীব (ব্যাচ – ২০০৩, শফিকুর রহমান কাকার বড় ছেলে) তখন BH-1 এর নীচ তালায় থাকতো। ঝড় চলাকালীন রাত ৩ তার দিকে যখন পানি অনেক বেড়ে গেল তখন নীচ তালা থেকে সবাই তাড়াহুড়া করে ২ তালায় উঠতে লাগলো। সজীব সম্ভবত ওর আম্মার কোলে ছিল, সজীব তখন খুব সম্ভবত শিশু শ্রেণীতে পরত। তাড়াহুড়া করে ২ তালায় উঠার সময় সজীব হটাত করে ওর আম্মার কাছ থেকে ছিটকে যায় এবং জলোচ্ছ্বাসের পানিতে ভেসে যেতে থাকে। এরপর ওর আম্মা অথবা অন্য কেউ একজন অনেক কষ্টে সজীবকে রক্ষা করে। আল্লাহ্র অশেষ রহমতে সজীব সেইদিন প্রাণে বেঁচে যায়। ঝড়ের পরদিন ৩০ এপ্রিল ১৯৯১ সকালে আমরা সবাই দলে দলে সজীবকে দেখতে যাই, সজীব চুপ করে ওর আম্মুর কোলে বসে ছিল, ওর আম্মুও ওকে জড়িয়ে ধরে চুপচাপ বসে ছিল আর কাদতেছিল এবং সেইদিন আমাদের বিল্ডিং এ এটাই ছিল আলোচণার মুল বিষয়।
এখন আমাদের সজীব অনেক বড় হইছে। গ্র্যান্ড আড্ডায়ও এসেছিল। যারা সজীবকে চিনেন না অথবা ভুলে গেছেন তাদের জন্য গ্র্যান্ড আড্ডায় তোলা সজীবের একটা ছবি পোস্ট করলাম।
র্পৃথিবীর সবচেয়ে আরামদায়ক পোশাক লুংগি
গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পোশাক নিয়ে আলাপ করেছি, এখন করব আমাদের তথা র্পৃথিবীর সবচেয়ে আরামদায়ক পোশাক লুংগি নিয়ে।
লুঙ্গি দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী পোষাক! প্রাপ্তবয়স্ক সকল পুরুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ।
তবে ইদানীংশহরের আধুনিক ছেলেরা থ্রী-কোয়ার্টার নামক পোষাক ছাড়া আর কিছু বুঝেনা।এমনকি এরা পোষাক পরিবর্তনের সময়ও লুঙ্গি ব্যবহার করে না। অনেকেই আছে জীবনে লুঙ্গি দেখেও নাই। দিগম্বর হয়ে জামা-কাপড় পাল্টায়। ছি ছি ; শরম নাই।
আমাদের জীবনে লুঙ্গির গুরুত্ব বলে বুঝানো যাবে না। তারপরেও কিছু না বললে এ পোশাকের সাথে নিমক হারামীগিরি করা হবে। তাই বলছি।
০১. লুঙ্গি পড়তে এবং খুলতে খুবই অল্প সময় লাগে। গিনেস বুকে নাম থাকতে পারে এই ব্যাপারে। না থাকলে অতি শীঘ্রই নিবন্ধন করানো দরকার।
০২. আয়রন করানোর দরকার হয় না। প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুত বেঁচে যায় এ কারণে। দেশের সব লুঙ্গি পরিধাণকারী যদি আয়রন করে পরতো, তাহলে দেশে যে কি পরিমাণ বিদ্যুত ঘাটতি দেখা দিতো, সেটা ভেবে শিউরে উঠতে হচ্ছে।
০৩. সহজেই ধোয়া যায়। খুব তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।
০৪. প্রয়োজনের হাটুর উপর ভাজ করে ঢং করা পড়া যায়।
০৫. জরুরী প্রয়োজনে মালকোচা দিয়ে পড়া যায়। গ্রামীণ জনপদে এই ভাবে লুঙ্গি পড়ার বেশ প্রচলন দেখা যায়,। ক্ষেতের কৃষক, জেলে সহ বেশ কিছু পেশার মানুষ এভাবে নানা প্রয়োজনে পরেন।
০৬. অন্যান্য জামা-কাপড়ের তুলনায় দাম বৃদ্ধির হার বেশ কম। একটা শার্ট আগে ৬০০-৭০০ এ পাওয়া যেত। এখন ১২০০-১৪০০ হয়ে গেছে। লুঙ্গির দাম এত নির্লজ্জ ভাবে বৃদ্ধি পায়নি।
তবে এখন লুংগীরও ব্র্যান্ডিং হয়েছে, সেক্ষেত্রে আমি সবসময় আড়ং এর লুঙ্গি পড়ি।
"প্লিজ, প্লিজ, Please"
সিএসএম কলনি নামে এখন অনেকগুলা পেইজ হয়েছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ভবিষ্যতে আরো হবে।প্রতিজনে একটা পেইজ হলেও অবাক হওয়ার কিছু নাই। কারন যে কেউ পেইজ খুলতে পারে। পেইজ হবে ভাল কথা। কিন্তু আমরাতো কনফিউশনে পড়ে যাই। সিএসএম কলনির পেইজ গুলো এখন কুমিল্লার মাতৃ ভান্ডার মিষ্টির দোকানের মতো হয়ে গেছে। দোকনগুলোর সাইনবোর্ডে লেখা থাকে আদি মাতৃ ভান্ডার, বিখ্যাত মাতৃ ভান্ডার ইত্যাদি ইত্যাদি। কুমিল্লায় প্রতিটি মাতৃ ভান্ডার মিষ্টির দোকানে আরেকটা কমন শব্দ লেখা থাকে। সেটা হলো "আমরাই প্রথম, আমরাই সেরা"।
আমরা যতই কিছুই বলিনা কেন কলনিতে আমরা এক ছিলাম না। আমাদের মধ্যে মতের অমিল ছিল বেশি। এত বছর পরে আবার সেটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এটা ভাল লক্ষন নয়। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি এভাবে চলতে থাকলে আমরা গ্র্যান্ড আড্ডার মত বড় আয়োজন ভবিষ্যতে কোনদিনও করতে পারবো না।।
বয়স হয়েছে। আগের মত শক্তি পাই না
বয়স হয়েছে। আগের মত শক্তি পাই না। আর্থিক সক্ষমতাও নেই কারো বিশেষ কোন উপকারেও আসবো না সেটা সবাই বুঝে গেছে। প্রিয়জনরা ছেড়ে যেতে শুরু করেছে। তারা ধরেই নিয়েছে আমাদের দিয়ে কিছু হবার নয়। এটাই প্রকৃতির নিয়ম ছোটদের জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। আমিও প্রস্তুত ছেড়ে দিতে। কিন্তু কষ্ট হয় যখন কেউ যায়গাটা ছিনিয়ে নিতে চায়। ভুলে যায় একদিন কেউ তার কাছ থেকেও এমনিভাবে ছিনিয়ে নিবে। সমাজ আমাদের যে শিক্ষাটা দিয়েছে অতীতকে মনে রাখতে বা অতীতের সহযোগীদের পাশে দাড়াতে। আমরা স্বার্থের টানে মুহুর্তেই সেটা ভুলে যাই। আজ আক্ষেপ করে বলতে ইচ্ছে করে একদিন আমিই তোমার পাশে দাড়িয়েছিলাম রক্ষা কবজের মত। একদিন আমিই তোমাকে আগলে রেখেছিলাম। একদিন আমি তোমাকে সাহস যুগিয়েছিলাম। একদিন তোমার জন্যই সকল অপবাদ মাথায় নিয়েছিলাম। সমস্ত কষ্ট নিজের করে নিয়ে তোমাকে সদা হাসি খুশি রাখতেই ব্যস্ত ছিলাম। সেই তুমি আজ ছেড়ে যাবার সময় একটু বলতেও পারলে না। তোমাকে অভিশাপ দেবো না।সরি সে যোগ্যতা আমার নেই। তবে কষ্ট পেলাম। খুশি হও, সুখে থাকো। এই বুড়ো মানুষটাকে বা বুড়োমানুষগুলোকে কখন প্রয়োজন হয়, এসো। সদা তোমাদের সেবাতেই প্রস্তুত। কারন নিজের অঙ্গের সাথে চালাকী চলেনা,অভিমান চলে না,কৌশল চলে না। এখানে শুধুই ভালবাসার জয়জয়কার। ভালো থেকো, সুস্হ থেকো। যদি মনে কর ভেবে দেখা দরকার- একবার ভেবে দেখো।
মধুর বিয়ের আগের জীবন (পর্ব ৪)
রজকিনি বসে আছে একটা বাক্স হাতে,সে অপেক্ষা করছে যে মধু কখন আসবে।এদিকে মধুর বাপের বিয়ের কয়েকদিন পার হয়ে গেল।সবকিছু যেন তার ভালো ঠেকছে না।সিজনাল মা টা কে তার একদম ও ভালো লাগছে না।মল্লাইয়া মেয়ে সম্পর্কে যে তথ্য দিয়েছিলো তা একদম ও মিলছে না,মেয়েটা নামায তো দূরের কথা,মুরব্বিদের সামনে মাথায় কাপড় পর্যন্ত দিচ্ছে না।মধু ভাবতে লাগল যে এই পরিবারের সাথে তার ভবিষ্যৎ ভালো যাবে না।এমন দুশ্চিন্তার মাঝে মধু রজকিনির কাছে গেল।রজকিনি মধুকে দেখে তার হাতে থাকা বক্সটি মধুর দিকে এগিয়ে দিলো আর মধুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাল।।।মধু তো পুরাই অবাক,,আজকে তো তার জন্মদিন না, তাহলে রজকিনি কেন তাকে উপহার দিবে??? ডাল মে কুছ কালা লাগতা হ্যায়।।এই ভেবে মধু বাক্সটা খোলতে গেল,আর খুলে দেখতে পেল তাতে মরা ইদুর।।কি পাজিরে মেয়েটা।কিন্তু ততক্ষনে রজকিনি পালিয়ে গেল .....
চলবে
গতকাল ইউ টিউবে আমাদের আড্ডার ভিডিও টা দেখলাম
গতকাল ইউ টিউবে আমাদের আড্ডার ভিডিও টা দেখলাম।।বৌ-ছেলে দু'জনেই উপভোগ করলো।।ছেলেটা প্রথমে ভেবেছিল ওটা আমার/আমাদের স্কুল।।পরে তাকে বিস্তারিত বললাম এবং সে আমার/আমাদের স্কুলটা দেখতে চাইলো এবং দেখালাম।।সে দেখে বললো এতো বড় স্কুল আপনাদের।।আর কত বড় মাঠ।।তখন বললাম হ্যাঁ বাবা এটা আমাদের স্কুল এবং এই মাঠেই আমরা ছোটাছুটি করে বড় হয়েছি।।তখন ছেলে বলছে বাবা আমাদের স্কুলটা এতো ছোট কেন??? আমি কোন উত্তর দিলাম না!!!!! পরে বললো মাঠে এতো মানুষ কেন??বললাম ওটা এসেম্বলি।।স্কুল শুরুর আগে এটা করতে হয় এবং জাতীয় সংগীত গাইতে হয়।।তখন ও বললো বাবা আমাদের স্কুলে এতো বড় মাঠ নেই কেন?? তাহলে তো আমিও ওখানে খেলা ধূলা করতে পারতাম আর আমাদের তো এসিম্বলি করানো হয়না।।জাতীয় সংগীত ও গায় না।।তখন বললাম তোমাদের তো মাঠ নেই তাই করানো হয়না বলে ছেলেকে বুঝ দিলাম।।কিন্তু তার প্রশ্নের শেষ নেই।।বললো তাহলে আমাকেও আপনাদের স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন?? কি বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না।।শেষে বললাম আর একটু বড় হয়ে নাও তখন করাবো।।
ছেলের প্রশ্ন গুলো শুনে অনেকটাই বিব্রত এবং চিন্তিত।।কোথায় আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আর কোথায় বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা!!!!!!!
Wednesday, April 20, 2016
৯২ সালের ঘটনা
৯২ সালের ঘটনা । আমি ও আমার দুই বন্দু আন্দরকিল্লা বইয়ের দোকানে ঢুকলাম।আমরা দুজন মনযোগ দিয়ে গল্পের বই দেখতে লাগলাম আর আমার তৃতীয় বন্দু হুমায়ূন আহমেদ এর গল্পের বই শাটের নীচে কোমরে গুজে কিছুক্ষন পর বই না কিনে দোকান থেকে বের হয়ে গেলাম।বি দ্র দুই জনের নাম প্রকাশ করলাম না।একজন সিটি িকলেজ ও আরেকজন এম ই এস কলেজে পড়ত।
আমরা যখন কলোনি তে ছিলাম তখন পোশাক নিয়ে কোন বাছ বিচার ছিলনা
আমরা যখন কলোনি তে ছিলাম তখন পোশাক নিয়ে কোন বাছ বিচার ছিলনা, যেটা পেতাম সেটাই পড়তাম। পোশাকেও যে ব্রান্ড আছে এটা জেনেছি বহুদিন পর। কলোনি তে লুঙ্গী পড়ে থাকাটাই ছিল স্বাভাবিক ব্যাপার। কেউ প্যান্ট পড়া মানেই সে কলোনির বাইরে দূরে যাচ্ছে। তবে স্টিলমিলের অফিস এরিয়ায় যেতে হলে প্যান্ট পড়া লাগতো। দুএক জন লুঙ্গী পড়ে অফিস এরিয়ায় ঢুকে আমার আব্বার ধমকও খেয়েছে। জহুর হকার্স মার্কেট থেকে ১৫০ টাকা দিয়েই কাপড় সহ প্যান্ট সেলাই হতো। এক ঈদের কাপড় দিয়েই পুরা বছর চলে যেত। এখন কাপড় চোপড় পর্যাপ্ত, সাথে কত কত ব্রান্ড, অমুক তমুক, কিন্ত জহুর হকার্স মার্কেট থেকে বহু কষ্টে বানানো ১৫০ টাকার প্যান্ট প্রাপ্তিতে যে তৃপ্তি সেটা বোধ করি কখনওই পাওয়া যাবেনা আর আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম সেই আবেগ কোন দিনই অনুভব করতে পারবেনা।
কক্সবাজারে এসে আগে থেকে বুকিং করা হোটেলে উঠলাম
কক্সবাজারে এসে আগে থেকে বুকিং করা হোটেলে উঠলাম। রুম নং ছিলো ১০৬, ১১০, ১১১। আমারটা ছিলো ১১০। রিসিপসন থেকে চাবি নিয়ে রুমে গেলাম। রুমের ঢুকার দশ মিনিটের মধ্যে ইন্টারকমে ফোন আসলো। রিসিভ করলাম। অপর প্রান্ত থেকে বললো "হ্যালো রিসিপসন? আমি বললাম any problem? উনি বললো "টিস্যু লাগবে"। আমি বললাম ঠিক আছে পাঠিয়ে দিব। উনি ফোন রেখে দিলো। এরপর আমরা যে যার কাজ করছি। বাচ্চারা ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হচ্ছে। বাচ্চার মা ব্যাগ থেকে কাপড় বের করছে। আমি বসে বসে টিভি দেখছি। কিছুক্ষণ পর আবার ইন্টারকমে ফোন। আমি রিসিভ করলাম। অপর প্রান্ত থেকে লোকটা উচ্চস্বরে বলে যাচ্ছে " আপনাদের সার্ভিস এত বাজে? সামান্য একটা টিস্যু দিতে এত সময় লাগে? আমি বললাম " সরি, লোক ছিলো না, তাই লেট হলো। আপনি ৫ মিনিটের মধ্যে পেয়ে যাবেন।" এই বলে ফোনটা রেখে দিলাম। ঘটনাটা আমাদের সবাইকে বললাম। সবাই হেসে অস্থির। আধ ঘন্টা পরে নিচে নেমে রিসিপসনের সামনে বসলাম। তখন জানতে পারলাম এক লোক রিসিপসনে এসে টিস্যুর ঝামেলা করছিলো। আমি তখন ব্যপারটা বুঝতে পারলাম, আর মনে মনে হাসতে লাগলাম।
গ্রান্ড আড্ডার ভিডিও দেখলাম তবে পুরোটা নয়, কাটছাঁট করে
গ্রান্ড আড্ডার ভিডিও দেখলাম তবে পুরোটা নয়,কাটছাঁট করে। নাচের পার্ট টা দেখসি বেশি আগ্রহ নিয়ে।মিতুভাইয়ের বিরতিহীন নাচ,সুজন রাজন দুই ভাইয়ের বলিউডি নাচের যুগলবন্দী, ফিটফাট রিমান ভাইয়ের ঝাকানাকা নাচের সময় শার্টের ফিটিংস একটুও নষ্ট না হওয়া,স্ট্রাইপ সোয়েটার পরা (চিনতেসিনা উনাকে)একজনের অবিরাম লম্ফঝম্ফ,পুলকভাইয়ের মোহনীয় নাচ,ভাইয়ার সাপের ছোবলের নৃত্য সাথে আবার ছেলেও আছে,শাহিন ভাইয়ের স্পিন বোলিং এর মত হাত ঘুরানো নাচ,ইউনুস ভাইয়ের রুপবান গানে সেরকম কঠিন কোমর দুলানি,মোরশেদ ভাইয়ের স্থির নৃত্য,মুরাদ ভাইয়ের লেফট রাইট লেফট আরো অনেকের হরেক রকম নৃত্য।ও আচ্ছা ফাঁকে দিয়ে আমার পছন্দের মানুষ শিল্পী আপাও একটু খানি নেচে নিলো।সবার নাচ দেখে আমারও হাত পা একটু ঝাঁকাইতে ইচ্ছা করছে।সামনের আড্ডায় আমরা মেয়েরা আর পিছিয়ে থাকবোনা।পারি আর না পারি লাফাবো হাত পা ঝাঁকাবো।
গতকাল লেখার পর লেখাটি-চলমান করার ইচ্ছা থাকলেও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ থাকায় আর আগ বাড়িলাম না
গতকাল লেখার পর লেখাটি-চলমান করার ইচ্ছা থাকলেও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ থাকায় আর আগ বাড়িলাম না। কখন কে আবার কোন উপাধী দিয়া বসে? তবে 84-85 এর দিকের একটি ঘটনা মনে পড়ল। কলেজে ভর্তির জন্য সিটি কলেজের ওয়েটিং লিষ্টে থাকিয়া সেন্ডেলের তলা খোইয়া শেষে আমার আর হাফিজের স্থান হইল-এম ই এস কলেজে। হাফিজকে লেখাপড়ায় খুব সিরিয়াস দেখিলাম। বাধ্য হইয়া আমাকেও সিরিয়াস হইতে হইল। ফাস্টইয়ারের ফাইনাল পরীক্ষায়-হাফিজ ফাস্ট হইল আর আমি সেকেন্ড হইলাম। তবে কয়টি প্রশ্ন মুখস্ত লিখিয়াছিলাম মনে নাই। তবে বেশীর ভাগই নকল করিয়া লিখিয়াছিলাম-উহা মনে আছে! লাভের মধ্যে দুইটা জিনিস হইল-দরখাস্ত করিয়া কিছু বেতন মৌওকুফ হইল এবং প্রথম 5 জন বিনা টাকায় পিকনিকে যাইবা্র অনুমতি পাইলাম। পিকনিকে জায়গা নির্ধারিত হইল কক্সবাজার প্রিন্সিপলকে জানানো হইল। ঠিক হলো স্যারেরা যাবে।
আমাদের (৯২ পরবর্তী ব্যাচের) একরাম ভাই
একরামুল হক
ব্যাচঃ-৯২
বাসা নং -F/8
আমাদের (৯২ পরবর্তী ব্যাচের) একরাম ভাই,অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, সদা হাস্যোজ্জ্বল প্রাণবন্ত একজন মানুষ।কলোনীতে আমরা অনেকেই বসবাস করলে ও কিছু প্রিয়মুখ কলোনীর সেলিব্রিটি হিসাবে পরিচিত। একরাম ভাই সে রকমই একজন।বিশেষ করে স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।সেখান থেকে তাকে চেনা এবং পরবর্তিতে উনার কাছে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে উনার কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ।দীর্ঘদিন স্ব-পরিবারে আমেরিকায় অবস্থান করছেন।পেইজে সক্রিয় না হলে ও নিয়মিত সবকিছুর খোঁজ খবর রাখেন বলে আমার ধারণা।
আজ বেশ আয়োজন করে সবাই খেতে বসেছে
আজ বেশ আয়োজন করে সবাই খেতে বসেছে। রজকিনি সবাইকে বেড়ে খাওয়াচ্ছে। মাথায় ঘোমটা দেওয়া নানিজান ,গাল ভরা হাসি নিয়ে , সুখের দৃশ্যটি দেখছে। মেঝ মামা বড়ই চিন্তিত! মাছের মাথাটা পাবোতো?নানাজান তুমি বলে মাছ চাষ করতে? নানাজানের চোখে খুশির ঝিলিক খেলে গেলো। নানুভাই , আমার পুকুড়ে অনেক মাছ ছিলো। তবে ইলিশ মাছটা অনেক মজার ছিলো! তোর নানিজান বেশী করে পেয়াজ দিয়ে সেই ইলিশ আমাকে ভেজে খাওয়াতো। আহা কি সাদ ছিলো সেই মাছের! আব্বা আপনে এটা কি বললেন? পুকুরে আপনে ইলিশ মাছ কোথায় পেলেন!? আমার তো পরিস্কার মনে আছে, আপনের ভয়ে পুকুড়ে কোনোদিন , শান্তি মত একটা ডুবও দিতে পারিনাই! চরম বিরক্তি নিয়ে নানাজান মধুর বড় মামার দিকে তাকালো। এই হারামি , আমাদের নানা\নাতির কথার মাঝখানে তুই আসলি কেন? এখনি দাড়া, এখন উলটা ঘুর, এবার বল, সামনে এগিয়ে চলো! জী আব্বা! বুদ্ধিমতি রজকিনি এক মুহুর্ত দেরী না করে, মাছের মাথাটা খালামনির পাতে তুলে দিলো।
গভীর রাত। আজও নানাজান চুপচাপ বারান্দায় দাঁড়িয়ে। খুব কায়দা করে একটা বেনসন ধরালো। সুনতে পেল মধুর, মায়া ভরা কন্ঠের গান।
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে
অন্তরে আজ দেখবো
যদি আলোক নাহিরে------------।
অস্পষ্ট শব্দে নানাজান যেন কাকে ডেকে যাচ্ছে--মা----গো। আজও আকাশে অনেক তারা।
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পরদিন সকালবেলা
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পরদিন সকালবেলা, তখনও কলোনিতে কমর সমান পানি। আমরা BH-1 এর তিন তলায় থাকাতে বিপরজয় থেকে সাময়িক রক্ষা পাই। তো যাহা বলিতেছিলাম, আমি Al Amin Billah Shujon , নাসিম, মামুন (৯৮ ব্যাচ ) সহ কয়েকজন বাসা থেকে বের হলাম পরিবেশ দেখার জন্য। কমর পানিতে নামলাম। এ সময় দেখি BH-1 এর মাঠে স্কুলের স্টেজের একটা কাঠের পাটাতন ভাসছে। আমরা পানি ভেঙ্গে দৌড়ে গেলাম তার কাছে। একজন উপরে উঠছে আর আমরা সবাই ওটা ঠেলছি। খুব মজা পাচ্চি সবাই। ভেলার মত ওটা ভেসে চলছে। নাসিম বলল, একটা বইঠা পেলে ভালো হত। এইসময় মামুন বলল, ওই যে একটা লাঠি দেখাজাচ্চে। বলেই মামুন দিল দৌড়। আমরা সবাই ওর দিকে তাকিয়ে আছি। লাঠির কাছে জেতেই হটাত দেখি মামুন নেই। মামুন উধাও। আমরা তো অবাক। একটু পর পানির নিচ থেকে লাফ দিয়ে ওর মাথা ভেসে উঠল। ঘটনাটা বুজতে আমাদের একটু সময় লাগলো। আসলে লাঠি টা ভাসচিল BH-1 এর সামনের রাস্তার পাসের ড্রেনের উপর। মামুন বিষয়টা খেয়াল করতে পারেনি। তাই ঝুপ। বেচারা।
Tuesday, April 19, 2016
রফিক ভাই বাথরুমের জানালা খুলে বড় বাথরুম করা অবস্থায় লোক টিকে বিব্রত করার পরের ঘটনা
রফিক ভাই বাথরুমের জানালা খুলে বড় বাথরুম করা অবস্থায় লোক টিকে বিব্রত করার পরের ঘটনা..........
সেখান থেকে আমরা তিনজন (আমি,রফিক ভাই, মোটা বাবু ভাই) এবার গেলাম পাশের টয়লেট এর জানালার কাছে, এই জানালা টিও রফিক ভাই বাইরে থেকে আলতো ভাবে টান দিয়ে খুলে ফেলল, এখানেও এক লোক মনোযোগ দিয়ে বড় বাথরুম করছে, একেবারে দিগম্বর অবস্থায়, তার আন্ডারগার্মেন্টস আর প্যান্ট টি খুলে রেখেছে জানালার কাছে, রফিক ভাই বাম হাত দিয়ে আন্ডারগার্মেন্টস নিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলে দিলো, লোকটি বাথরুম করা নিয়ে এত ব্যস্ত যে বিষয়টি টেরও পায়নি।
শেষমেশ তিনজনের স্টেশনের দোতালার বারান্দায় দাঁড়িয়ে লাইন ধরে মুত্র ত্যাগ শুরু। আর সব তরল গিয়ে পড়ছে নীচের প্লাটফর্মে। এরপরই শুরু হলো প্লাটফর্ম এর লোকজনের হইচই চিল্লাচিল্লি, আর আমাদের তিনজনেরই তিনদিকে পলায়ন।
১৯৯১ সালের ২৮ শে এপ্রিল
সকাল থেকে হালকা বাতাস হচ্ছে। বিকাল হতে হতে বাতাস বাড়তে থাকে। টিভিতে বার বার সতর্ক করছে। কলোনি মানুষজন খুব একটা পাত্তা দিচ্ছে বলেও মনে হচ্ছে না। আমার।আব্বা ছিল csm মেডিকেলে।আস্তে আস্তে বিকাল শেষ হয়ে সন্ধ্যা নামল। বাতাসের গতিও বাড়তে লাগল।আমার বোনের ( সেলি আপা) ছিল এস এস সি পরীক্ষা। হাতে মোম আর ম্যাচ নিয়ে পড়তে বসে ছিল। কারন কারেন্ট একবার আসতেছে একবার যাচ্ছে। আমার বড় ভাই ( জসিম ভাই) আপাকে বলছে জীবনে পরীক্ষা অনেক দিতে পারবি কিন্তু এই দৃশ্য আর নাও দেখতে পারিস।সিড়িতে দাড়িয়ে বাতাসে গাছ মাটিতে নুয়ে পড়ছে তা দেখাচ্ছে। ছোট ছিলাম বলে খুব ভয় পেয়েছিলাম আর বারবার আব্বার জন্য খারাপ লাগছিল আব্বার মুখটা ভেসে উঠছিল আর কান্না পাচ্ছিল। এরপর বড় ভাই যখন আব্বার জন্য খাবার নিয়ে মেডিকেলে গেল তখন আম্মার সেকি টেনশন। দোয়া পড়ছে আর বাইরে তাকাচ্ছে।
এই গরমে বন্ধ পড়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত পরিবারসহ ছিলাম গ্রামে
এই গরমে বন্ধ পড়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত পরিবারসহ ছিলাম গ্রামে। উপলক্ষ্য বন্ধে-চৌদ্দগুষ্টির মিলন মেলা ও একটা বিবাহের অনুষ্ঠান। এই 4 দিন মোবাইল/ফেসবুক সব বন্ধ করে বসে ছিলাম। গরমা গরম সব কিছুই ভাল কেবল গরম কালটা বেরসিক অবশ্য বেরসিক বলাটা ঠিক হলো না, বরং স্বরসিক বললে ভাল হয়। কারণ আর কিছু নয়, কিছুক্ষন পর পর জামাকাপুড় ভিজে এমন অবস্থা হয়যে মনে হবে রসে টইটম্বুর রসগোল্লা। ‘‘গরমে প্রাণ অষ্ঠাগত” কথাটা বলে গরমের ইমেজ কোথায় নামিয়ে দেয় সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ হট কেক আর গরম চা গরমের ইমেজ কত উচ্চ করে রেখেছে। যাই হোক জায়গা বুঝে ইমেজ বারে আর কমে সে তো বাঝাই যায়। জায়গা না বুঝলে যে কেমন ঝামেলায় পড়তে হয় সে অভিজ্ঞতার কথা বলছি। বর কে বুদ্ধি দেওয়া হইল-গরমে শেরয়ানী ও পাগড়ী না পরে সাধারন পায়জামা পাঞ্জাবী পড়ে যাওয়ার জন্য এক জন বুঝিয়ে বলে, ‘গরম কালতো সেই জন্য তোমাকে বলছিলাম’।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের পরের দিন তখনো কলনিতে হাঁটু পরিমান পানি ছিল
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের পরের দিন তখনো কলনিতে হাঁটু পরিমান পানি ছিল। লিটন থাকত F/2 এ। ঘুর্নিঝড়ে ওর কাপড় চোপড় একটুও ভিজে নাই। তাই পরের দিন কাপড়গুলো পোটলা বেঁধে মাথায় নিয়ে মানিকদের আসতে লাগলো। উদ্দেশ্য নিরাপদ আশ্রয়। কারন মানিকদের বাসা দোতলায়। পানির মধ্যে পুরা রাস্তায় কাপড়ের পোটলা মাথায় নিয়ে হেঁটে আসলো। D/5 এর কোনায় একটা স্ল্যাব ছিল সেটাও আন্দাজ করে পার হয়ে গেলো। এবার ও ভাবলো নিরাপদে চলে আসলো। স্ল্যাবের পরে একটি নারিকেল গাছ আড়াআড়ি ভাবে পড়ে ছিল পানির জন্য সেটা দেখা যাচ্ছে না। তখন দোতলার বরান্দায় মানিকরা সবাই দাঁড়ানো ছিলো। ওদের দেখে লিটন চিৎকার করে বললো "বেয়াক্কিন বাচায় ফেলায়"। অমনি ধপাস করে লিটন পড়ে গেলো। অর্থাৎ আড়াআড়ি ভাবে পড়ে থাকা নারিকেল গাছের সাথে পা লেগে লিটন পড়ে গেলো। লিটন নিজেও ভিজলো সাথে সারা রাস্তায় নিরাপদভাবে নিয়ে আসা শুকনো কাপড়ের পোটলাটাও পানিতে সব কাপড় ভিজে গেলো।
সম্ভবত ৯২ সালের দিকের ঘটনা, আমি, রফিক ভাই, মোটা বাবু ভাই
সম্ভবত ৯২ সালের দিকের ঘটনা, আমি, রফিক ভাই, মোটা বাবু ভাই সহ আরো কয়েকজন নাসিরাবাদ মহিলা কলেজের সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছি। কলেজের সামনে দিয়ে বেশ কিছু ললনা হেটে যাচ্ছে, আচমকা রফিক ভাই একটি অপরিচিত মেয়েকে মোটা বাবু ভাইকে দেখিয়ে বলছে " আপু আপু দেখো দেখো আমার এই বন্ধুটি না খেতে খেতে শুকিয়ে যাচ্ছে", আর ওই মেয়ে একবার রফিক ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে পরে বাবু ভাইয়ের দিকে তাকালো তারপর তো কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
চট্টগ্রাম রেল স্টেশনে টিকেট করতে গিয়েছি ( তখন পুরান স্টেশন) সেই আমি, রফিক ভাই আর মোটা বাবু ভাই। টিকেট কাটার পর তিনজনেরই ছোট বাথরুম পেয়েছে,দোতালায় গেলাম দেখি সব গুলো টয়লেট ই বুকড। ব্রিটিশ আমলের বিল্ডিং, টয়লেট গুলোতে ভেন্টিলেটর এর পরিবর্তে বিশাল জানালা, আর কেউ যদি জানালা খুলে টয়লেট করতে বসে তাহলে সব চিচিং ফাক। তো যাই হোক সব বাথরুম বন্ধ দেখে, রফিক ভাই রাগ করে এক জানালা বাইরে থেকে টেনে খুলে দেখে এক লোক বড় বাথরুম করছে, আর লোক টি ওই অবস্থায় পুরো দিশোহারা আর রফিক ভাই নির্বিকার ভাবে বলছে কি " কি ভাই পায়..... করেন, আচ্ছা করেন ভাই করেন"
অনেক অনেক দিন পর সকালটা বড় আপন মনে হচ্ছে
অনেক অনেক দিন পর সকালটা বড় আপন মনে হচ্ছে।নানাজানের মনটা আজ ফুরফুরে।রিনিঝিনি চুড়ির শব্দে, রজকিনি আজ সকালে, নানাজানকে এক কাপ চা খাইয়েছে। আহা, কি যে মধু ছিলো , সে চায়ের সাদ। নানাজান পন করে ফেলেছে, আজ বাজারের সব চেয়ে বড় মাছটা কিনবেই। বড় ছেলেটা কে পাঠাবো নাকি বাজারে? উঁহু ঠিক হবেনা, হারামির পুড়ানো অভ্যাস রয়ে গেছে কিনা, কে জানে!? নিজেই যাবো আজ বাজারে।মেঝ মামা আর নানাজান ছুটে চললো বাজারের দিকে, বড় মাছ আজ চাই।বাজার/ঘাটের ব্যাপারে মেঝ মামার কপালটা বরাবরই ভালো। বিশাল এক নদির পাঙ্গাস মাছ ভাগ্য জুটে গেলো। নানাজানের খুশি দেখে কে! খুশীতে এক প্যাকেট বেনসন কিনে ফেললো! আর মেঝ মামার টার্গেট মাছের মাথাটা তার চাই!
[চলবে]।
জীবনের প্রথম ভাগের অর্ধেক এর বেশী সময় কাটিয়েছি চ্ট্টগ্রামে
- Mosaddeque Ali
জীবনের প্রথম ভাগের অর্ধেক এর বেশী সময় কাটিয়েছি চ্ট্টগ্রামে। শুধু আলো হাওয়াই নয়, ভাষা-সংফস্কৃতির সাথেও তাই সখ্যতা হয়েছিল অবলীলায়। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার কিছু গানের আবেদন আমার মনে আজও অনুরনিত হয়।
লোক সাহিত্য গবেষকদের কাছে এগুলোর মুল্য অপরিসীম। সেফালী ঘোষ এর কন্ঠে গীত এসব গানে বিরহী নারীর আকুলতা বিধৃত হয়েছে।
১. সূর্য উডেরে ভাই লালমারী
রইস্যা বন্ধু ছারি যারগুই আ'রে
বুকত ছ্যাল মারি।
২. করনফুলিরে- সবাখখী রাখিলাম তোরে
অভাগিনীর দুখ'র খতা কইয়ো
যাইয়া বুন্দুরে --ওরে করনফুলিরে।
৩. ও পরানের তালতো ভাই
তাল খাইও যে মনত নাই
চিডি দিলাম ফত্র দিলাম
ন'আইলা কিয়েল্ল্যাই।!
৪. --------?
৫. --------?
এর উপর মন্তব্য বা আলোচোনা হতে পারে।, স্টিলারস! কি বলেন?
জীবনের প্রথম ভাগের অর্ধেক এর বেশী সময় কাটিয়েছি চ্ট্টগ্রামে। শুধু আলো হাওয়াই নয়, ভাষা-সংফস্কৃতির সাথেও তাই সখ্যতা হয়েছিল অবলীলায়। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার কিছু গানের আবেদন আমার মনে আজও অনুরনিত হয়।
লোক সাহিত্য গবেষকদের কাছে এগুলোর মুল্য অপরিসীম। সেফালী ঘোষ এর কন্ঠে গীত এসব গানে বিরহী নারীর আকুলতা বিধৃত হয়েছে।
১. সূর্য উডেরে ভাই লালমারী
রইস্যা বন্ধু ছারি যারগুই আ'রে
বুকত ছ্যাল মারি।
২. করনফুলিরে- সবাখখী রাখিলাম তোরে
অভাগিনীর দুখ'র খতা কইয়ো
যাইয়া বুন্দুরে --ওরে করনফুলিরে।
৩. ও পরানের তালতো ভাই
তাল খাইও যে মনত নাই
চিডি দিলাম ফত্র দিলাম
ন'আইলা কিয়েল্ল্যাই।!
৪. --------?
৫. --------?
এর উপর মন্তব্য বা আলোচোনা হতে পারে।, স্টিলারস! কি বলেন?
পুরানো সেই দিনের কথা
- Ahsanul Tarique
পুরানো সেই দিনের কথা
ভুলবি কিরে হায় ও সে
চোখের দেখা প্রানের কথা
সে কি ভুলা যায়।
আয় আরেক টি বার আয় রে সখা
প্রানের মাঝে আয়,
মোরা সুখের দুঃখের কথা কব
প্রান জুড়াবে তাই।
আয় দোস্তরা সব কে কোথায় আছিস। পাইন্না খেলার মাঠে আয়, পুকুর পাড়, খাল পাড়, ট্যাংকির তলার আড্ডায় আয়। এক সিগারেট পাচ জন মিলে ফাস্ট বুক সেকেন্ড বুক থার্ড বুক করে ভাগাভাগির মজলিসে আয়। বিকাল বেলার কলোনীর অলি গলিতে টাংকি মারার মিছিলে আয়। শীতের রাতে ব্যাডমিন্টন খেলার কোটে আয়। ডাব চুরি,আম চুরি আর রস চুরির অভিজানে আয়। থার্টি ফাস্ট নাইটে গুরুর গানের তালে তাল ছাড়া নাচে আয়। গরমের রাতে খালি গায়ে গলা ছেড়ে গানের আসরে আয়। আয় না রে সব আয় না আরেক টা বার আয়। আয় আয় আয়.........
পুরানো সেই দিনের কথা
ভুলবি কিরে হায় ও সে
চোখের দেখা প্রানের কথা
সে কি ভুলা যায়।
আয় আরেক টি বার আয় রে সখা
প্রানের মাঝে আয়,
মোরা সুখের দুঃখের কথা কব
প্রান জুড়াবে তাই।
আয় দোস্তরা সব কে কোথায় আছিস। পাইন্না খেলার মাঠে আয়, পুকুর পাড়, খাল পাড়, ট্যাংকির তলার আড্ডায় আয়। এক সিগারেট পাচ জন মিলে ফাস্ট বুক সেকেন্ড বুক থার্ড বুক করে ভাগাভাগির মজলিসে আয়। বিকাল বেলার কলোনীর অলি গলিতে টাংকি মারার মিছিলে আয়। শীতের রাতে ব্যাডমিন্টন খেলার কোটে আয়। ডাব চুরি,আম চুরি আর রস চুরির অভিজানে আয়। থার্টি ফাস্ট নাইটে গুরুর গানের তালে তাল ছাড়া নাচে আয়। গরমের রাতে খালি গায়ে গলা ছেড়ে গানের আসরে আয়। আয় না রে সব আয় না আরেক টা বার আয়। আয় আয় আয়.........
"""মধুসুধনের বিয়ের আগের জীবন""" পার্ট=৩
আজকে বৃহস্পতিবার,কালকে মধুর পিতা মহাশয় এর বিয়ে।মধুর পিতার শশুর বাড়ি থেকে মধুর বাপের জন্য পাঞ্জাবি দেওয়া হলো।বিয়া হইবো কামাল বাজারের এক বিখ্যাত মসজিদে।তো মধু মল্লাইয়ারে জিগাইলো যে বিয়া পড়াইবো কেডা??? মল্লা তার স্বর্নের দাঁতত দুপাটি দেখাইয়া বলিলো মসজিদের ইমামা সাহেব বিয়ে টা পড়াইবো।তো যথারীতি মেনে বিয়া হয়ে গেল মধুর বাপের।গাড়ী তে কইরা বউ বাড়িত নিয়ে আসা হল।মধু তার বাপেরে ডাইকা কইলো "দেখ বাপজান,বিয়া তো আমি আপ্নারে করাই দিলাম,সিজনাল বউটার পাশাপাশি আমাদের ও দেখাশোনা কইরেন,আইচ্ছা আব্বা আমি এইবার আসি" এই বইল্ল্যা মধু চলে গেলয় পুকুরপাড়ে, পুকুরপাড়ে গিয়া দেখে রজকিনি বইসা আসে।মধু তো চরম ভাবে ক্ষেইপ্যা গেলো।সালার মেয়েটা থেকে কোনরকমে পিছু ছুডাইতে পাড়লেই মধু যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে।তো রজকিনি রে পাইয়া মধু তারে বান্দরের শলা ডলে দিলো।রজকিনি তো বেজায় ক্ষেপে গিয়ে মধুরে গালি দিয়া চইল্যা গেল।রজকিনি তো আর ছাড়বার পাত্রি নয়।সে ফন্দি আঁটতে লাগল প্রতিশোধ নেবার জন্য।ওইদিকে আবার রাত হয়ে গেল,মধুর বাপে ঘুমাইতে গেল,যাবার সময় মধুরে বলে গেল"মধুরে ঘরের দিকে খেয়াল রাখিস " মধু কোন উত্তর দিলো না।বেচারার মন টা মনে হয় খারাপ হয়ে গেল।সে রাতভর ঘুমালো না।সকালে সে যা একটু ঘুমিয়েছে,
(চলবে)
(চলবে)
Monday, April 18, 2016
আজ রাতে বলে রাজিব কুমার দে(বাবু) csm পেজে আসবে
আজ রাতে বলে রাজিব কুমার দে (বাবু) csm পেজে আসবে। সত্য/মিথ্যা জানিনা! তবে আসলে খুব খুশি হবো। জমবে! একাই একশো! বাবু যখন বলে, তখন সবাই শুনে! শুনতে শুনতে এক সময় সবাই অস্থির হয়ে পড়ে! তারপর আল্লাহ কে ডাকা শুরু করে! সুরের তালে তালে বাবু কথা বলে! ধীরে ধীরে তাল উপরের দিকে উঠতে থাকে! তাল টা দাদা/দাদি দিয়ে শুরু হয় এবং শেষটা যার উপর দিয়ে যায় একমাত্র সেই বুঝে, কি ভয়ংকর সুন্দর বাবুর মাতৃ ভাষা! ভাষার উপর ডিগ্রিপ্রাপ্ত! বুজুর্গ মানুষ। পাগল আর বুজুর্গ টাইপের মানুষ এর সাথে মশকরা করতে হয় না! এবং আমি করিও না। এই মহান ভাষাবিদ কে, নতশির-এ, আমন্ত্রন জানাচ্ছি। চলে আয় বন্ধু। আমরা আমরাইতো।
এবারের কক্সবাজারের ট্যুরটা আমার একেবারেই বাজে ভাবে কাটলো
এবারের কক্সবাজারের ট্যুরটা আমার একেবারেই বাজে ভাবে কাটলো। যেদিন যাবো তার আগের দিন রাতে মেয়ের শরীরটা হালকা গরম ছিলো। মানে জ্বর উঁকি দিচ্ছিল। গাড়ি, হোটেল সব আগে থেকেই ঠিক করা বিধায় প্রোগ্রাম বাতিল করতে পারিনি। বৃহস্পতিবার সকালে যাওয়ার সময় নাপা খাইয়ে রওনা দিলাম। কক্সবাজারে দুপুরে খাওয়ার সময় মেয়ে কিছুই খেলোনা। আমাদের সাথে বেবি আপারাও ছিল। বেবি আপার হাজব্যান্ড মামুন ভাই (উনি ডাক্তার) মেয়ে দেখেই বললো ওকে এন্টিবায়োটিক খাওয়াতে হবে। কোন রকমে লাঞ্চ করে মেয়ের ওষুধ কিনে আনলাম। বিকালে ইনানী যাওয়ার সময় মেয়ের জ্বর ছিলো। কিছুই খেতে চাচ্ছে না।
আবার জোর করে খাওয়ালে বমি করে দিচ্ছে। রাতের বেবি আপারা সহ একসাথে ডিনার করলাম। তখন মামুন ভাই বললো রাতে জ্বর বাড়লে মেয়েকে সাবোসিটার দিও। ডিনার শেষ করে আবার ওষুধের খোঁজে বের হলাম। চিপায় চাপায় ছোট ছোট ওষুধের দোকান। একটা পেলে আরেকটা পাইনা। সারারাত টেনশনে কাটলো। শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি এবার ছেলের জ্বর আসলো। ছেলে মেয়ে দু'জনকেই নাপা সিরাপ খাইয়ে দিলাম। তারপর দশটার দিকে বিচে গেলাম। ছেলের গায়ে জ্বর থাকা সত্ত্বেও সে পানিতে নামলো। পানি থেকে উঠতেই চায়না। জোর করে পানি থেকে তুললাম। দুপুরে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করলাম।
সকালে বলেছিলাম শার্ট, ফতুয়া নিয়ে
সকালে বলেছিলাম শার্ট, ফতুয়া নিয়ে। আসুন আলাপ করি প্যান্ট,পলো শার্ট আর পাদুকা নিয়ে।
আমার আগের চাকুরী তে ( বসুন্ধরাগ্রুপ) খুব ফরমাল ড্রেস পড়া লাগতো, টাই ছিল বাধ্যতামূলক। খুবই বোরিং লাগতো। সে তুলনায় এখন কার চাকুরী তে পোষাকের দিক থেকে খুব রিলাকসে থাকি। ফরমাল পোষাকের পাশাপাশি পলো শাট', টি শাট' গাবাডিন জিন্সের প্যান্ট পড়ে অফিস করি।
পলো হাফ স্লিভের সাথে গাবাডিন প্যান্ট ইন করে পড়া আমার খুব পছন্দের ড্রেস। অনেক টা গলফার দের মত। এ ক্ষেত্রে পলো শাট' এর কালার হবে একটু ডাক' আার গাভডিন প্যান্ট এর কালার হবে ঘিয়ে,ব্রাউন বা এ্যাশ। আর পায়ে থাকবে খুব সফট স্নিকার।
পছন্দের সব পোষাকের বিবরণ দিয়া দিলাম, এখন কে কোনটা গিফট দিবেন?
মেরুন কালার টা যে কি রঙ সেটা আমি কখনওই জানতাম না
মেরুন কালার টা যে কি রঙ সেটা আমি কখনওই জানতাম না, তখন আমি বসুন্ধরাগ্রুপ এ চাকুরী করতাম অফিস পুরানো ঢাকায়, ইসলামপুর থেকে কাপড় কিনে এলিফ্যান্ট রোডে শার্ট প্যান্ট বানাতাম। একদিন শার্টের কাপড় কিনতে গিয়ে একটি লালচে টাইপ কাপড় পছন্দ হয় এবং সেটা দিয়েই শার্ট বানাই, পড়ার পর সবাই সুন্দর বলল, সেদিনই জানলাম এই কালার টিই মেরুন কালার, এ হচ্ছে মেরুন কালারের ইতিহাস। তবে এতো ডিপ কালারের শার্ট আমি গরম কালে পড়িনা।
আমার প্রিয় রঙ আকাশী, এটা কোথাও আগে আমি বলিনি। আর ছাত্রাবস্থায় এতো কালার চয়েস করে কাপড়চোপড় পড়ার সামর্থ্য ছিলনা। যা পাইছি তাই পড়ছি। এখন অবশ্য আকাশী কালারের শার্ট পড়ি নিয়মিত।
ফতুয়া নিয়ে এতো কথা খুব সম্ভবত তারিকের করা একটি কমেন্টস থেকে এসছে। গরমের দিনে ক্যাজুয়াল ড্রেস হিসেবে ফতুয়া খুবই আরামের। আড়ং এর ফতুয়া কখনোই ভালো লাগেনা। সূতি কাপড়ের চেক ফতুয়াই সুন্দর লাগে। আর পাঞ্জাবি ভালো লাগে লা রিভ -এর। লুবনান এর পাঞ্জাবীও খারাপ না। তবে পাঞ্জাবি বা ফতুয়া পড়ার সময় কই। সারাদিন তো কামলা খেটেই দিন শেষ। বাসায় গিয়ে পৃথিবী র সবচেয়ে আরামদায়ক পোষাক লুঙী আর স্যান্ডো গেঞ্জিই সেরা।
আর আপাতত ফতুয়ার টপিক শেষ করলাম।
মধুর ছোট মামা খুব টেনশনে আছে
মধুর ছোট মামা খুব টেনশনে আছে! চুপিচুপি সে রজকিনির সাথে দেখা করেও এসেছে! মাগো, আমাদের মধুর মা নেই। তোমার হাতে তুলে দিচ্ছি মা! আমাদের মধুকে তুমি কষ্ট দিওনা। রজকিনি তো অবাক!! জিন্স/পলো শার্ট পড়া, "ইশমার্ট" ছোট মামাটা এত আবেগী হলো কেমন করে!!?? দূর ছোট মামা, আপনি কোনো চিন্তাই করবেন না! ম্যা হু না! মধু কে আমি, শাড়ির আচলে বেধে রাখবো! বড়ই শান্তি পেলামরে মা। এই দেখো মা, আমি তোমার জন্য এপেক্স থেকে ৫ জোড়া ভেনটুরিনির স্যান্ডেল এনেছি"! আজ মধুর নানা বাড়িতে আনন্দের ঢল নেমেছে। একটু পড়েই বড়যাত্রি রওনা হবে। মধু কেবলি গাড়িতে উঠতে যাবে, তখনি বড় মামার সেই ঐতিহাসিক হুংকার সুনতে পেলো, সা--ম--নে--এ, এগিয়ে চলো! এক হুংকারেই সবাই বিয়ে বাড়িতে পৌছে গেলো। বিয়ের উকিল বাপ হলো, মধুর "পীর মামা"! মধুর এই আবদার পীর সাহেব ফেলেন কি করে? এই সব ব্যাপারে আবার পীর সাহেবের আগ্রহটা একটু বেশী এবং লজ্জা শরম টাও একটু কম!
"মধুসুদনের বিয়ের আগের গল্প" পার্ট=২
মধুর বাপে সবাইকে তার বিয়ের কথা বলতে গেল।এদিকে মধু একটু বাইরে গেলে সামনে পড়ে যায় হতভাগা রজকিনি।তো কি আর করা,গালি দিয়ে রজকিনি কে পাশ কাটিয়ে চলে গেল মধু।রজকিনি আর কিছু না বলে সরাসরি মধুদের বাসায় চলে গেল আর বল্ল যে মধু নাকি তাকে ঢিল মারসে।।। রজকিনি মেয়েটা খুবই পেঁচি। মধু আর রজকিনি যেন চির জন্মের শত্রু।এদিকে মধুর বাবা মধুরে সাথে নিয়া মাছ ধরতে যাচ্ছিল,এমন সময় মল্লা বাবাজি হাজির হইলো পাত্রির খোঁজ নিয়া,কইল রাইভাল পাত্রি খুইজা পাইতাসি না তয় আমার একখান ভাগ্নি আসে,সদ্য ডিভোর্স প্রাপ্ত।মেয়ে কিন্তু বেশি ভালা,আগের জামাই মেয়ের নামাজ পড়া সহ্য করতে পাড়ত না,খালি নামাজ পড়লেই মারত,তো কি আর করা বাধ্য হয়েই ডিভোর্স নিতে হলো।মধু তো এইসব শুইন্যা একবাক্যে রাজি হয়ে গেল,আর মধুর বাবা সে কি খুশি।যাক অবশেষে পাত্রির খোজ পাওয়া গেল। একখান শুভ দিন ঠিক করার জন্যে মধু পাত্রির বাসায় গেল,দিনক্ষণ ঠিক হইলো,বিয়ে হবে সামনে র শুক্কুরবার এ।যা হোক পরিবারের সবাই এই বিয়া নিয়া খুবোই এক্সাইটেড।মধু ঠিক করলো বিয়েতে সবাইকে দাওয়াত দিবে রজকিনি কে ছাড়া।
(চলবে)
Sunday, April 17, 2016
আমাদের গ্র্যান্ড আড্ডার ভিডিও টি দেখলাম
আমাদের গ্র্যান্ড আড্ডার ভিডিও টি দেখলাম। কোন বর্ননায় যাবোনা, এক কথায় অসাধারণ, কোন উপমা বা উদাহরণ দিয়ে বুঝানো যাবেনা। অনেক বড় বড় কর্পোরেট হাউসও অনেক টাকা দিয়ে এতো সুন্দর ও সুশৃঙ্খল অনুষ্ঠান করতে পারবেনা আমি বাজি রেখে বলতে পারি।
উপরের লিখাটা আতিক ভাইয়ের।গতকাল লিখেছিলেন আড্ডা নিয়ে।এই লিখাটা তার একটা অংশ ।আতিক ভাইয়ের সাথে আমরা সবাই একমত।আমাদের আড্ডাই ছিলো সেরা।কোন কিছু দিয়েই তুলনা করা যাবেনা।
ফেব্রুয়ারি মাসে রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এর রিউনিয়ন হয়েছিলো।ধানমন্ডিতে হয়েছিলো।আমার রুমের একজন সেই অনুষ্ঠানের ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বছিল তাই তার সাথে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিলো। আয়োজন ছিলো বিশাল।অনেক লোকজন।দুয়েক টা ব্যান্ড ও ছিলো।তারকাদের অভাব ছিলোনা বিদ্যা সিনহা মীম,নীরব,মম,শুভ আরো কয়েকজন ছিলো।স্পন্সর ও ছিলো অনেক বেশী। যেমন-sailor,orion group,spel,poly cables, pakija group,fit elegence সহ আরো অনেক বড় বড় কোম্পানি।
রোমান্টিক এই Boy টাকে তো সকলেই চেনেন
রোমান্টিক এই Boy টাকে তো সকলেই চেনেন।।তবুও যাঁরা চেনন না তাঁদের জন্য আর একবার।।
নাম:-আবু নাছের।।
পিতা:-মো:নুরুল আফছার।।
বড় ভাই:-আবু হেনা(95 ব্যাচ)
মেজ ভাই:-আবু কাইছার(99 ব্যাচ)
ছোট ভাই:-আবু ফয়সাল (জানা নেই)
বাসা:-F-1/24
আমার বেষ্ট ফ্রেন্ডদের মধ্যে একজন।।বর্তমানে ঢাকায় আছে।।একটি বেসরকারি কোম্পানিতে বেশ সুনামের সাথেই কর্মজীবন অতিবাহিত করছে।।সি এস এম-এর প্রতি সে দারুণ নারভাস।।অনেক কিছুই করেছে এবং আরো কিছু করতে চায়।।তবে একটা বিষয় যে,,সে কারো সামনে থেকে কিছু করতে চায় না।।সব সময় পর্দার আড়ালে থেকে নিরলস শ্রম দিয়ে আসছে এই কলোনির জন্য।।পেজের মানুষ গুলোর জন্য।।আসলে ভাল প্রকৃতির মানুষ গুলো সব সময় এমনই হয়।।প্রশংসা পাওয়ার আশায় কিছু করেনা।।যা করে অন্তর থেকেই করে।।আমাদের আড্ডার পেছনেও রয়েছে তার অনেক নিঃস্বার্থ পরিশ্রম,,যা আমরা অনেকেই হয়তো জানি বা জানি না।।
বাবা মৃত্যর আগে সবসময় ১টা কথা বলত
বাবা মৃত্যর আগে সবসময় ১টা কথা বলত, মা হচেছ মায়া, আর বাবা হচেছ ছায়া, এখন বুঝবিনা মারা গেলে ঠীক বুঝবি, তখন আর বুঝেও কোন লাভ হবে না, তখন বাবা বলত, কিনতু এইকান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দিতাম, এখন বুঝি, কিনতু বুঝেও কিছু করার নাই, আসলে বাবা ছায়া আর অন্যর ছায়া মধ্য অনেক পার্থক্য, লিখাটা লিখতে বার বার চোখ বিজে যাচিছল, তাই গুছি এ লিখতে পারলাম না, মাফ করবেন
মধুসুধনের বিয়ের আগের জীবন
বিয়ের আগে মধুসুধনের একটা বাপ ছিলো।তয় মধুর আসল মা অন্য একটি রাইভাল ক্লাবে ট্রান্সফার হয়ে যাওয়ায় মধুর বাপে মধুরে কয়,, দেখ বাবা,বয়স তো বহুত হইসে আমার।তো বাবা কথা হইলো গিয়া এই বয়সে কি কেউ রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস সিংগেল রাখে??? মধু কয় আব্বা জান কথা তো হাচাই কইসেন।মধুর বাবা কয়,,বাবা বিয়ে তো করন লাইগবো,,অহন আমি কিতা করাম?? মধু কয়,,বাপরে বিয়া কইরা ফেলান,মল্লাইয়ারে বইলা দিসি আপনার জন্যে একখান রাইভাল পাত্রি খোঁজার লাইগ্যা।মধুর বাপে কয়,,বাবারে তুই আমার বড় আপন।অহন জাই হগগল্রে খবর দেওয়া লাইগবো যে আমি বিয়া করবাইন।।।
(চলবে)
Saturday, April 16, 2016
বাপের বাড়ির ফ্লেভার
আজ অনেক দিন পর আমি সেই বাপের বাড়ির ফ্লেভারটা পেয়েছি। আজ দেখা হয়েছিল আমার সেই প্রিয় CSM এর ভাই, বোন ও ভাবীদের সাথে। কমু ভাই, শাহেদ ভাই,লিটনভাই ও বেবী আপা অনেক ধন্যবাদ জানায় আপনাদের সুন্দর একটি মুহূর্তে আমাকে সাথে রাখার জন্য। বেবী আপাকে এই প্রথম দেখেছি কিন্তু একবারের জন্য ও মনে হয়নি এই প্রথম দেখা। বারবার জড়িয়ে ধরছিলাম যেন কিসের একটা টান ।বিদায় জানাতে ইচ্ছে হচ্ছিল না সময়টা যেন খুব তাড়াতাড়ি চলে গেল।আনন্দের সময় গুলো মনে হয় এভাবেই তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়। সবাইকে অনেক মিস করছি। আল্লাহ যেন ভাল ভাবেই তাদের গন্তব্য স্থলে পৌঁছে দেয়।।
হাস্যজ্বল ছেলেটির নাম আবু হেলাল
হাস্যজ্বল ছেলেটির নাম আবু হেলাল।।
ব্যাচ:-2000;;
পিতা:-আঃকাদের সিকদার(মরহুম)।।
বড় ভাই:-মুসলিম সিকদার।।
বাসা:-F-6/1..
সিকদার পরিবারের সন্তান।।তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে ছোট।।শুনেছি ছোট সন্তান নাকি একটু দুষ্ট আর চঞ্চল প্রকৃতির হয়।।কিন্তু ওর বেলা দেখলাম উল্টো।।একে বারে শান্ত শিষ্ট এবং অত্যন্ত আন্তরিক।।হাসি ছাড়া সে এক মুহূর্ত থাকতে পারে না।।প্রমাণ হিসেবে তার এই ছবিটা দিলাম।।দেখেন এখানেও সে হাসছে😎।।কলোনিতে থাকাকালীন আমরা খুব ভাল বন্ধু ছিলাম।।এখনও আছি।।তবে এখন আর আগের মতো জমে না।।কারন জীবিকার প্রয়োজনে একেক জন একেক জায়গায় চলে গেছি।।তাই এখন আর আগের মতো হয়ে উঠে না।।কলোনিতে থাকাকালীন আমাদের অনেকেরই হয়তো মনে আছে ওদের স্টাইল গুলো ছিল অন্য দের তুলনায় সম্পুর্ন আলাদা এবং ব্যতিক্রম।।চোখে পড়ার মতো ছিল।।যেমন কাউ বয় কেপ,,কুটি ইত্যাদি।।বর্তমানেও তার ব্যতিক্রম নয়।।পেশায় একজন ব্যবসায়ী।।বৈচিত্র ধরে রাখতেই তার এই চিন্তা।।।
বেশিরভাগ মানুষই এসব পান্তা ইলিশ সাপোর্ট করেনা
বেশিরভাগ মানুষই এসব পান্তা ইলিশ সাপোর্ট করেনা। যেসব নিউজ টিভি চ্যানেলে দেখানো হয় কিংবা যাদের উৎসব পালন দেখানো হয় তারা কত % বাঙালীর প্রতিনিধিত্ব করে? বছরের অন্য সময় যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে বাংলা মাসের কত তারিখ চলে কিংবা বাংলা কোন মাস চলে, আমি নিশ্চিত তাদের ৯০% ই সঠিক উত্তর দিতে পারবেনা । বাংলা তারিখের সাথে গ্রামের মানুষের সম্পর্ক এখনও আছে। কৃষক জমির ফসলের পরিকল্পনা বাংলা মাস ধরেই করেন। গ্রামে চৈত্র সংক্রান্তি আর বৈশাখী মেলা আর হালখাতার উৎসব এখনও চলে। সেখানে মিষ্টি খাবার একটা চল আছে। অন্য খাবার নিয়ে কোন শহুরে টাইপের আদিখ্যেতা নেই। শহরে বাকির খাতাই নাই। তার আবার হালখাতা। শহরের লোক একদিনের জন্য বাংলা নববর্ষের উৎসবে মাতে। মেলাও বসে দুই একটা। সেটা আবার স্পনসরওয়ালা মেলা। সানকিতে পান্তাভাত, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ আর ইলিশ ভাজা খেয়ে বাঙালী সাজার ভণ্ডামীপূর্ণ একটা ভাব ধরে। এইটা না হইলে আজকাল আর প্রেস্টিজ থাকেনা। ফলে ইলিশওয়ালারা পকেট কাটা শুরু করে। এমনিতে এটা ইলিশ মৌসুম না। তাই দামটা আরও বাড়ে।
NWD কল করতে এক সময় খুব সমস্যা হত
NWD কল করতে এক সময় খুব সমস্যা হত। একটা লাইন পেতে অনেক সমস্যা হতো। একটা কল করতে অনেক বার ডায়াল করতে হতো। কল করতে গেলেই বার বার ভাঙ্গা রেকর্ড বাজতে থাকতো- "সব কটি লাইন এই মুহুর্তে ব্যস্ত আছে। একটু পরে আবার ডায়াল করুন"। এই কমন ডায়লগ শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে যেত। সেই কষ্টের যুগে আমাদের এক বন্ধু NWD কল করতে গিয়ে বার বার এই ডায়লগ শুনে এক সময় বলতে শুরু করল " ম্যাডাম ওনাকে আমার জরুরী প্রয়োজন,প্লিজ ওনাকে একটু ফোন টা দিবেন"। এভাবে যতবার ফোন করে ততবার রেকর্ড বাজতে থাকে আর আমার বন্ধুও ততবার অনুনয় বিনয় করে একই কথা বলতে থাকে। কেউ কারো শুনেও না বুজেও না। শেষে আমার বন্ধু রাগ করে ফোন করা বন্ধ করে দিয়ে বলতে লাগল-" এত খারাপ মহিলা আমি জীবনেও দেখি নাই। এত রিকোয়েস্ট করলাম তারপরও মহিলা মহিলার কথা বলেই যাচ্ছে। আমার কথা শুনলই না"। কি আর করা বন্ধুর দুঃখ দেখে আমরা বন্ধুকেই শান্তনা দিলাম।
কলোনীর সবচেয়ে বখাটে গ্রুপ
আমাদের গ্রুপটা মানে যারা কলোনীতে দীর্ঘ সময় একসাথে চলাফেরা করেছি তারা মনে হয় কলোনীর সবচেয়ে বখাটে গ্রুপ। এই গ্রুপে ৮৩ ব্যাচ থেকে শুরু করে ৮৬ পর্যন্ত আকাইম্যাদের নিয়ে গড়া। আজব বিষয় আমাদের গ্রুপে এমন লোকও আছে যে কখন পরীক্ষায় পাস করেছে সে নিজেও জানে না। সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে দেখে সে অলরেডী দুবার বি এ পাস করে ফেলেছে। তো বুজুন কেমন স্টুডেন্ট। আবার এমন কেউ আছে যারে কিডনি কোথায় জিজ্ঞেস করতেই এমন এক উত্তর দিল স্বয়ং ডাঃ কনফিউজড হয়ে গেল। এবার বুজুন আমাদের কোয়ালিটি।
অবশেষে আমি রেজা ভাই আর তারিক কক্সবাজার রওনা দিলাম
Anisur Rahman Reza vai আর Ahsanul Tarique চলো আজ সংসদ ভবনের সামনে থেকে অন্য জায়গায় যাই। কই যাওয়া যায়? চলেন রমনা পার্কে যাই, আরে বাদ দেন চলেন কক্সবাজার যাইগা, দুই দিন থাকমু। উঠমু হোটেল ওশেন প্যারাডাইজ এ। ভাল জায়গা, রিলাক্স করার অনেক বিষয় আছে এখানে।
কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়, আমার আর তারিকের ফতুয়া রঙ উইঠা নষ্ট হয়া গেছে। রেজা ভাই সাবের টা কি ঠিক আছে?
অবশেষে আমি রেজা ভাই আর তারিক কক্সবাজার রওনা দিলাম। ঢাকা থেকে সকাল ১১ টার নভো এয়ারে যাবো। আমি আর তারিক সকাল দশটায় এয়ারপোর্ট এ হাজির। রেজা ভাইয়ের কোন খবর নাই। সাড়ে দশটায় রেজা ভাই হন্তদন্ত হয়ে আসলো। রেজা ভাই দেরী করে আসছে এটার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, উনি এই গরমে পাঞ্জাবি র উপর আকাশী সোয়েটার পড়ছেন। আশেপাশে র লোকজন অবাক দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছেন। আমি আর তারিক লোকজন কে বুঝাতে সক্ষ্মম হলাম যে উনি জ্বরের কারনে সোয়েটার পড়ছেন। রেজা ভাই চোখের ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন আকাশি রঙ নিয়ে কোন প্রশ্ন করা যাবেনা। আমরাও কিছু বললাম না। যাক ঠিক টাইমেই প্লেন ছাড়লো।
কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়, আমার আর তারিকের ফতুয়া রঙ উইঠা নষ্ট হয়া গেছে। রেজা ভাই সাবের টা কি ঠিক আছে?
অবশেষে আমি রেজা ভাই আর তারিক কক্সবাজার রওনা দিলাম। ঢাকা থেকে সকাল ১১ টার নভো এয়ারে যাবো। আমি আর তারিক সকাল দশটায় এয়ারপোর্ট এ হাজির। রেজা ভাইয়ের কোন খবর নাই। সাড়ে দশটায় রেজা ভাই হন্তদন্ত হয়ে আসলো। রেজা ভাই দেরী করে আসছে এটার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, উনি এই গরমে পাঞ্জাবি র উপর আকাশী সোয়েটার পড়ছেন। আশেপাশে র লোকজন অবাক দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছেন। আমি আর তারিক লোকজন কে বুঝাতে সক্ষ্মম হলাম যে উনি জ্বরের কারনে সোয়েটার পড়ছেন। রেজা ভাই চোখের ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন আকাশি রঙ নিয়ে কোন প্রশ্ন করা যাবেনা। আমরাও কিছু বললাম না। যাক ঠিক টাইমেই প্লেন ছাড়লো।
আমি আর তারিক পাশাপাশি সিটে আর রেজা ভাই সিংগেল সিটে। রেজা ভাইয়ের মতিগতি ভাল ঠেকছেনা। সুন্দরি এয়ার হোস্টেজের সাথে হাস্য মুখে কি জানি গুজুরগুজুর করছে, আর আমি মনে মনে বলছি, আল্লাহ তাড়াতাড়ি এক ঘন্টা পার করাও, কক্সবাজার গিয়া নামি। নাহলে সারাফের মা যে আমাগো কপালে কি রাখবে মাবুদে খোদা জানে। সময়মতই কক্সবাজার নামলাম। রেজা ভাইরে জিজ্ঞাস করলাম এয়ার হোস্টেজের সাথে কি এত আলাপ, রেজা ভাইয়ের উত্তর, তারিকের লাইগা মাইয়াডারে পছন্দ হইছে।
ছেলে ও মেয়ে দুজনেই কলোনির বাইরের,সম্ভবত মেয়ে মাদারবাড়ির ও ছেলে আন্দরকিল্লা এলাকার ছিল
ছেলে ও মেয়ে দুজনেই কলোনির বাইরের,সম্ভবত মেয়ে মাদারবাড়ির ও ছেলে আন্দরকিল্লা এলাকার ছিল। দু জনের মধ্যে সাংঘাতিক মোহাব্বত। ঘটনা চক্রে তাদের সংগে আমার পরিচয় ছিল। দু জনেই সিদ্ধান্ত নিল গোপনে বিয়ে করবে। বিয়ে কর ভাল কথা। কিন্ত এই বিয়ের অর্গানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান বানাইছে আমারে। মানে তাদের বিয়ের আদালত উকিল, কাজী সব আমিই ম্যানেজ করলাম। এমন কি এই বিয়ের একজন স্বাক্ষিও ছিলাম আমি। সব কিছু ঠিক মতই হলো।
দু মাস পর দু পরিবার সব কিছু জেনে যায় এবং মেনে নেয় ও খুব ধুমধাম করে বিয়ের অনুষ্ঠানও করে। কিন্ত কিছুই জানতে পারিনি আমি। বিয়ের অনুষ্ঠানের দাওয়াত দূরে থাক সামান্য সৌজন্যতাও দেখায় নি, অথচ তাদের জন্য আমি কত কষ্ট করেছিলাম।
এরেই বলে আমি কার খালুরে !!
জন্মদিন সমাচার....
আল্লাহ একটা নির্দিস্ট সময় পর্যন্ত হায়াত দিয়ে আমাদেরকে পাঠিয়েছেন। তাইতো আমাদের কারো জন্মদিন মানে আল্লাহর দেয়া সেই নির্দিস্ট সময় থেকে একটা বছর কমে যাওয়া। তার মানে জন্মদিনটা উৎসবের না হয়ে বরং মন খারাপেরই। কিন্তু তারপরেও প্রিয়জনের জন্মদিনে তাকে উইশ করতেই হয়। আর সে যদি হয় অন্তরের অন্তরস্থলে থাকা কেউ তাইলেতো কথাই নেই।
আজ আমার মেঝ মা ইনানের জন্মদিন। মা'টাকে শুরু থেকেই দেখছি ভীশন সুন্দর, চঞ্চল। আর অল্পতেই সবার সাথে মানিয়ে নেওয়ার অসাধারন ক্ষমতা রাখে। সুন্দর সুন্দর মজার কথা বলে আড্ডা জমিয়ে রাখার বিস্ময়কর ক্ষমতা ও খিলখিল করেও হাসতে পারে যে কোন সময়। কখনও মন খারাপ করতে দেখিনি। সারাক্ষন ঠোঁটের কোনায় মিস্টি একটা মায়াবী হাসি লেগেই থাকে। অল্পতেই সবাইকে আপন করে নিতে পারে এবং খুব্বি মিশুক বলেই ইনান নামটা ধারনকারী মা'টা আমাদের সবারই খুব্বি প্রিয়।
জীবনে অনেক বড় হ মা আর মায়ের ইচ্ছেগুলো এক এক করে পূরন কর এটাই কামনা। শুভ জন্মদিন মেঝ মা। ভাল থাকিস প্রত্যেকটা মুহুর্ত।
Subscribe to:
Posts (Atom)