Friday, October 2, 2015

7 /13


আমার উপর লাকি নাম্বার ৭ & আনলাকি নাম্বার ১৩ দুই টার প্রভাব আছে ।প্রথমে আনলাকি ১৩ এর পার্ট শেষ করে নেই । আপদ যত তাড়াতাড়ি বিদায় হবে ততই ভালো tongue emoticon . আমার জন্ম তারিখ ১৩ জুলাই । স্টিল মিল স্কুলে ভর্তি হয়ে প্রথম রোল পেলাম ১৩ ।আন লাকি কি জিনিষ তখন বুঝে উঠার ক্ষমতা হয় নি । আমার ভাগ্নে সৌম্যর জন্ম দিন ও ১৩ অক্টোবর । এই খানেও ১৩ । এক ভাগ্নির জন্মদিন ১৪ এপ্রিল। লিপিয়ার এর বছর না হলে সেও ১৩ হতো।
আমার আনলাকি এই খানেই শেষ ।
এইবার দেখি লাকি আপুর কি অবস্থা !!!

অতঃপর তাহাকে আমি পাইলাম।।

- Jashim Uddin


শিক্কক: হোম ওয়ার্ক করেন নাই?
ছাত্র: মাথা গরম আগে বলো সিগারেট আনছো নাকি?
বাহ কি শ্রদ্বেয় সম্পর্ক!!! ছাত্র শিক্ককের মধ্যে।আড্ডা, ডাব চুরি, মুরগি চুরি,সবই একসাথে হয় আবার যার যা সম্মান তা পালন করা হয়।ছাত্র বয়সে অনেক বড় হলেও এস এস সি পাশের ইচ্ছা পোষন করলো শিক্কক সে মিশনে যোগ দিয়ে নিজেকে ইতিহাসের স্বাক্কী করতে বদ্বপরিকর।শিক্কক গোপনে ছাত্রকে এমন এক স্কুলে ভর্তি করালো যেখানে অনায়াসে নকল করা যায়।তারপর মহাউৎসাহের সাথে শুরু করে দিল প্রস্তুতি। ছাত্রের চেয়ে শিক্ককের ব্যস্ততাই বেশী।প্রস্তুতি নিতে গিয়ে দেখা গেল ছাত্র দেখে দেখে ও লিখতে পারে না।সো রেগুলার হোম ওয়ার্ক হচ্ছে দেখে দেখে লেখা।পরীক্কা সন্নিকটে শুনলাম মহাধুমধামের সাথে চলছে পরীক্কার প্রস্তুতি। অবুঝ মনকে বুঝাতে না পেরে একদিন দেখতে গেলাম।সত্যই মহা আয়োজন, বাজার থেকে আনা নুতন নুতন গাইড বইয়ের ম্যাক্সিমাম পাতাই নাই।টেবিলের উপর ছড়ানো চিটানো চুরি, কাছি,বই সেলানোর সুই সুতা,ইলাস্ট্রিক ইত্যাদি ইত্যাদি।পরীক্কার সাথে এসবের সম্পর্ক কি জানতে চাইলে উত্তর এলো - যা বুঝসনা তা নিয়ে কথা বলবি না। ধমক খেয়ে চুপচাপ।

হক্কল সালম এর বর পাতা


কলোনিতে কিছু মানুষ ছিলো যাদেরকে আমরা বলতাম, " হক্কল সালম এর বর পাতা " বা "আলু " কারন তারা ছোট বাড় সবার সাথে মিশতো, অনেকেই তখন Confused হয়ে যেত, কারন বুঝা যেত না ওনারা আসলে কোন ব্যাচ এর, এমন কিছু স্পেশাল নাম,
*** বেলাল ( টারজান বেলাল, E-11) 
*** সুমন ( বেকা, ৯৬ ব্যাচ )
*** বাইট্টা আক্তার ( ভাই ভাই ষ্টোর )
*** বেলাল ভাই ( ভাই ভাই ষ্টোর ) 
*** ইউনুস ভাই ( সাত্তার ষ্টোর )
মোকাদ্দেস ভাইকেও এই লিস্টে রাখা যেতে পারে।

শ্রদ্ধা জানাচ্ছি চ, ই, কা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দকে


জাফর স্যারকে দেখলেই মনে পড়ে চশমার উপর দিয়ে পিটপিট করে চাহনী আর ঠোঁটে মৃদু হাসির একজন ব্যাক্তির কথা

আর আনোয়ার স্যারকে দেখলেই মনে পড়ে মোটামুটি গম্ভীর স্বভাবের হিটলারী গোঁফ ওয়ালা একজন ব্যাক্তির কথা

দুজনেরই মার এর স্টাইল ছিল ভিন্ন।। ভয়ংকর ছিল জাফর স্যার মাত্র কয়েক সে: আমাদের পিঠে কত ঘা দিয়ে দিতেন হিসেব কষার সময়ই পেতাম না বেচারা স্যার এই স্বল্প সময়েই হাপিয়ে উঠতেন আর চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে কিছুক্ষন রেস্ট নিতেন আর জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিতেন মনে হত ডাক্তার বুঝি বুকে স্টেথিস্কোপ চেপে ধরে ঘন ঘন শ্বাস নিতে বলছেন।।।।।


শ্রদ্ধা জানাচ্ছি , , কা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দকে।।। যে যেখানেই আছেন ভাল থাকবেন

বৃষ্টি যদি না হয় কখনো


[গতবছর এক গরমের দিনে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে বৃষ্টির উপর রাগ করে একটা কবিতা লিখে ফেলেছিলাম। আজকেও গরমে অতিষ্ঠ, আজকেও বৃষ্টির উপর রাগ তাই গতবছরের মাল আবার ঝেড়ে দিলাম grin emoticon ]

বৃষ্টি যদি না হয় কখনো
--------------------------
বৃষ্টি যখন হবেনা সহসা আর
ছাতা হাতে নিয়ে বেরুনো কি দরকার?
বর্ষাতি গুলো ভাজ হয়ে পড়ে থাক
বোবা মেঘগুলো দিবেনাই যদি ডাক।
বড় গামবুট, প্লাস্টিক জুতো
জানালা বাঁধার দড়িদড়া সুতো,
কার্নিশে বসা ভিজে যাওয়া দাঁড়কাক
এগুলো নাহয় সব হারিয়ে যাক।
রাত্রি বেলার ঝিরঝির গান,
মাটির সোঁদা ভেজা ভেজা ঘ্রান,
দুলে দুলে চলা কাগজের নাও,
বর্ষা বিহীন সব যে উধাও।
ভুনা খিচুরি ইলিশের ধুম,
ঝুম দুপুরের কাঁথামুড়ি ঘু্‌ম
পর্দা লাগানো লাজুক রিকশার
বুঝিনা কি দরকার
বৃষ্টি যদি হবেনা কিছুতে আর।।
(২৫/০৪/২০১৪)

বৃষ্টি ভেজার দিন



বাস থেকে নামতেই বৃষ্টি শুরু হল। এতক্ষণ কটকটে রোদ ছিল। হঠাৎ আকাশ কালো করে বৃষ্টি। আমি মাথা নিচু করে দৌড়ে একটা দোকানের ঝাপের নিচে ঠাই নিলাম। আমার বুক পকেটে একটা চিঠি। চিঠিটা ভেজেনি দেখে আশ্বস্ত হলাম।

আমার বুক পকেটে আমার ভাইয়ার চিঠি। ভাইয়া এক বছর হল চাকরিতে ঢুকেছে ভাল একটা লিজিং কম্পানিতে। ও আমার পাঁচ বছরের বড় কিন্তু সম্পর্কটা বন্ধুর মতো। তুই তোকারি করি, মাঝে মাঝে ডাকিও নাম ধরে। ওকে দেখে আমার কখনো সিগারেট লুকাতে হয়নি। ও একদিন হঠাৎ একটা চিঠি আমাকে দিয়ে বলল ছোটন যা তো এটা মিতুকে দিয়ে আয়। আমি আকাশ থেকে পড়লাম। মিতু কে, কি পরিচয় কিছুই তো জানিনা। তাছাড়া ভাইয়ার মেয়ে বিষয়ক আগ্রহের কথাও কখনো শুনিনি। ভাইয়াই বলে দিল নাসিরাবাদ ওমেন্সের সামনে জামিল স্টোরে দাঁড়াবি মিতুই তোকে চিনে নিবে। আমি খানিকটা বিরক্ত হয়ে বললাম চিঠির দরকার কি ফোন করতে পারিস না? ভাইয়া বলল মিতুর নাকি চিঠি পেতে ভাল লাগে। আমি চিঠি নিয়ে গিয়ে জামিল স্টোরে দাঁড়ালাম। একটু পর একটা মেয়ে এলো। ছিপছিপে গড়ন। শ্যামলা চেহারা। মায়া মায়া দুটা চোখ। আমার চেয়ে বছর দুয়েকের বড় হবে। প্রথমদিন মিতুর সাথে আমার টুকটাক কিছু কথা হল।

Thursday, October 1, 2015

Ma er moto Chachi.


Kono ek kurbanir eid. May be 1991 or 1992 er ghotona. Gorur mangsho kat-te jeye nijer daan haat er angul (finger) kete jay. Primary school er shomoy Eid e amra C type er polapain shobai ekshathe ghuraghuri kortam. Jahid Hossenpappu vai, shilu, suji, Sumon Islam, baitta peyaz Babu vai, Choton vai, Rakibul. Sei eid tay ami kono basay jeye khete parchilamna kata angul er jonno. Shondhar shomoy gelam Md Maksudur Rahman Rana vai der basay. Shobai janen Rana vai der kono bon chilona. 

যাত্রা শুরু



অনেক দিন ধরেই কিছু লিখব লিখব করে লিখা আর হয়ে উঠছে না। টলি ভাই, জসিম ভাই, জাভেদ ভাই, আতিক ভাই, রেজা ভাই আর ও অনেক ভাই বোন (সবার নাম উল্লেখ করলাম না) আর specially রাসেল এর লিখাগুলি পরে আমি অনেক সময় পার করেছি এবং ষ্টীল মিলের যা কিছু ভুলে গিয়েছিলাম আর যা ছিল অজানা সবই এখন জানা। ধন্যবাদ এবং সাধুবাদ সবাই কে। ভাবতাম আমিও কিছু শেয়ার করতে পারি, বিশেষ করে টলি ভাই আমার এক কমেন্ট পরে বলেছিলেন আমি যেন কিছু শেয়ার করি। কিন্তু সময় এবং ব্যস্ততার কাছে আমি বরই অপরাগ। কি আর করা প্রবাস জীবন মেনে নিয়েছি অনেক আগেই, বুজে গেছি এভাবেই চলতে হবে সব সামলিয়ে। তাই কিছুটা সময় নিয়েই লিখতে বসেছি। জানি না কেমন হবে কারন এটাই আমার প্রথ্ম লিখা বাংলাতে। তাই অনেক সময় লেগে যায়। (চলবে)

Stockholm
Sweden

"ওস্তাদ যখন ছাত্র...র...র...র... !!!"

- Mahabub Rasel

অনেকের অনুরোধের সমাধান হিসেবে, মামলা খাওয়ার ভয়ে, আর শ্রধ্যেয় স্যারের প্রতি সন্মান রেখে সিনেমাটি অকালে মুক্তি দেওয়া হল............

কেলা-কেলি আর করগোশের অভিজ্ঞতার পর থেকে টিউশনি করার তেমন একটা আগ্রহ থাকতো না, ছোট পোলাপাইন হলেতো প্রথমেই না তার উপরে বিকাল বেলায় নিজেদের খেলাটাও বিসর্জন দিতে হয় পড়াতে গেলে একদিন এক ছোট ভাই এসে বলল, “ রাসেল ভাই আপনার জন্য একটা টিউশনি ঠিক করেছি আমি বললাম ভালো কথা কিন্তু বিকালে হলে, আর ছোট পোলাপাইন হলে পড়াবো না, আমার মাথা গরম হয়ে যায় সে বলল, “ না ভাই, কি যে বলেন, আপনার জন্য বড় ছাত্র ঠিক করেছি, আর আপনার সুবিধা মত পড়ালেই চলবে !!!” আমিতো এমন অফারে দারুন খুশি

জীবিত ও মৃত


আজ বিকালে হঠাত দেখি পুলক ভাই সবার জন্য ফরম এর ব্যবস্থা করছেন যার মাধ্যমে সবাই ইনফরমেশন জমা দিবে। ব্যাপার টা দেখে নিজেই একটু দিধায় পড়ে গেলাম।

রবীন্দ্রনাথ এর একটা গল্প আছে। জীবিত ও মৃত। গল্পের নায়িকা কাদম্বিনী মারা গেলে তাকে দাহ করতে নিয়ে যাওয়া হয়। শ্মশান এ হঠাত তার দেহ নড়ে উঠলে সবাই পালায় তাকে ফেলে।কারন সবার কাছে মৃত। পরে এক বান্ধবী র বাড়িতে সে আশ্রয় নেয়।কিন্তু সবসময় সে দিধায় থাকে এই ভেবে যে কোথায় তার স্থান।এই পৃথিবীতে নাকি পরপারে।এক সময় তার মৃত্যুর ব্যাপারটা সবাই জেনে যায়। কেউ তাকে এ জগতের মানুষ বলে গ্রহণ করতে চায় না। শেষ পর্যন্ত সে পুকুরে ডুবে মরে প্রমাণ করে সে আসলেই মরেনি।

Wednesday, September 30, 2015

তোমার আজ মন ভালো নেই

- Javed


তোমার আজ মন ভালো নেই
-------------------------------
আমি সীমান্তে পাঠিয়েছি দূত
সে খবর এনেছে
তোমার আজ মন ভালো নেই।
আমি কাঁটাতার কেটে দিয়ে
উপড়ে এনেছি চৌকি
দুঃখ সব এপারে আসুক।
সীমান্তরক্ষীদের বলে দিয়েছি
নতজানু হয়ে থাকো
দুঃখ সব এপারে আসুক।
ঘোড়সওয়ার খবর এনেছে
তোমার আজ মন ভালো নেই।।
শুল্ক বিভাগকে বলে দিয়েছি
দুঃখের উপর কোন কর শুল্কায়ন হবেনা
দুঃখ অবাধে এপারে আসুক।
গোয়েন্দারা প্রতিবেদন দিয়েছে
তোমার আজ মন ভালো নেই।।
(৩০/০৯/২০১৫)

যৌথ আবাসিক কলোনি



আজ বন্ধু Md Jahid এর একটি লেখা পরলাম। বন্ধু Tajul Islam এর সমর্থনের (লাইক) কারনেই লেখাটি চোখে পড়লো। ফেসবুকে আমি জাহিদের বন্ধু তালিকায় নেই তাই তার টাইম লাইনে কিছু লিখতে পারছি না। তার অভিযোগ CSM পেজটি শুধুমাত্র জরুরি আবাসিক কলোনির প্রতিনিধিত্ব করছে। আপাতদৃষ্টিতে তাই মনে হতে পারে কেননা পেজটিতে যৌথ আবাসিক কলোনির বাসিন্দাদের অংশগ্রহন কম। একারনে স্মৃতিচারণমূলক কোন লেখাতে যৌথ আবাসিক কলোনির কোন প্রসঙ্গ উঠে আসেনা। যৌথ আবাসিক কলোনিতে আমি নিজেও অনেক আড্ডা দিয়েছি। যৌথ আবাসিক কলোনির পানির পাম্প, খেলার মাঠ, বিল্ডিংগুলোর ছাদ সব জায়গাতেই আড্ডা দেয়ার পরম সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আমি ভুলে যাইনি সেই বিখ্যাত চাকলুপানিয়ার কথা। আমি বাক্তিগত ভাবে মনে করি নিয়মতান্ত্রিকতার মাঝে থাকা জরুরি আবাসিক কলোনির চেয়ে যৌথ আবাসিক কলোনির দিনগুলো অনেক বেশি রঙ্গিন ছিল। যৌথ আবাসিক কলোনির বাসিন্দাদেরই সেই রঙ্গিন দিনগুলোর কথা তুলে আনা উচিত। 

CSM সবসময় একটি পরিবার ছিল, একটি পরিবারই থাকবে।

চুরি ও ইমোশোন।


আমরা তখন ডি টাইপে থাকি, আমাদের পিছনের বিল্ডিং এ রিনিদের বাসা, ওদের আম গাছে অনেক আম ধরেছে, তখন ৮৮ সাল রোজার মাস, তারাবির টাইমে অপারেশন শুরু, আমি, দুলি, মনিরুল, আরো কয়েকজন আম পাড়ছি এমন সময় রিনি দের বাসা থেকে আম চোর আম চোর বলে চিৎকার, আমি আর দুলি আর দেরি না করে ওদের বাসার দরজার বাইরের দিকের ছিটকারি লাগিয়ে দিলাম যাতে ঘর থেকে কেউ বের না হতে পারে। তারপর মনের সাধ মিটিয়ে আম চুরি করলাম। বাসার ভিতর থেকে চিৎকার করছে, তাতে কি কেউ তো আর বের হতে পারবেনা। পরে পুকুরপাড় বসে আম খেলাম, যা খেলাম তার চেয়ে বেশি নস্ট করলাম। বাসায় যাওয়ার সাথে সাথে বাপ কতৃক ঝাড়ু পেটা। আজো বুঝলাম না এতো তাড়াতাড়ি বাসায় কমপ্লেইন্ গেলো কিভাবে। পরদিন এর প্রতিবাদে দুলি কে সাথে নিয়া রিনিদের বাসার সামনে টাইম বোমা ফাটাতে গেছি ( বোমার সাথে আগর বাতি লাগিয়ে আগরবাতি তে আগুন জালিয়ে দিলে ৫/৭ মিনিট পর বোম ফাটে, এটাকে আমরা টাইম বোমা বলতাম) বোম ফিট করে একটু দূরে যেতেই কে জানি বলল রিনির দাদি বা দাদা খুবি অসুস্থ, একথা শুনার সাথে সাথে আমরা বোমার আগুন নিভিয়ে ফেললাম।

“ আদব লেহাজের চুড়ান্ত নমুনা “



আমাদের ৯৭ ব্যাচের আলী আক্কাস স্বপন, কলোনীর কয়েকজন বিরল প্রজাতির বান্দরের মধ্যে একজন। মসজিদে গেলেও আমাদের বাঁদরামির শেষ থাকতো না, জুম্মার নামাজ পড়তে গেলে সবার আগে খুঁজে বের করতাম আমাদের গুলো কোথায় বসে আছে ? এরপর একসাথে হয়ে সেখানেও বাঁদরামি, জামা টানাটানি, পাঞ্জাবি গীট্টু দিয়ে দেওয়া, কে ঘুমে ঝুরছে তাকে নিয়ে হাসা হাসি ইত্যাদি ইত্যাদি !

একদিন সম্ভবত এশার নামাজের সময়, নামাজ শুরু হয়ে গেছে, সবগুলো দৌড় দিয়ে নামাজের কাতারে হাসা-হাসি করতে করতে হুড়-মুড় করে দাঁড়ালাম, আক্কাস দাঁড়িয়ে দেখে তার পাশে ছানার আব্বা ( আঙ্কেলের নাম মনে নেই এখন ) নামাজের নিয়ত বাঁধা অবস্থায় আছেন, তবুও আক্কাস আঙ্কেলের দিকে তাকিয়ে আদবের সাথে দাঁত কেলিয়ে বলল, “ আঙ্কেল আসসালামুয়ালাইকুম !!! “ আঙ্কেল নামাজের নিয়ত বাঁধা অবস্থায় আক্কাসের দিকে তাকিয়ে বললেন “ ওয়ালাইকুম-আসসালাম !!! “ আবার নামাজের দিকে মনোযোগ দিলেন।

শাহজাহান ভাই ও হুজুর স্যারের চাউল পড়া


ক্লাস এইট অথবা নাইনে আমাদের ক্লাসে এক নতুন ছাত্র ভর্তি হলো। আমাদের নতুন সহপাঠীর নাম শাহজাহান। হালকা পাতলা লম্বা গড়নের শাহজাহান এর মুখে সব সময় থাকতো সারল্য মাখা হাসি। মোটা ফ্রেমের চশমা পরা মুখে সুন্দর করে ছাটা গোফ ওয়ালা শাহজাহান সত্যি কারেই ছিলো অত্যন্ত সহজ সরল বোকা সোকা একটা ভাল ছেলে।শাহজাহান আমাদের চেয়ে বয়সে কিছুটা বড়ই হয়তো ছিল সেটা তার গোফ ই বলে দিতো। কিছু দিনের মধ্যে শাহজাহানের সাথে আমাদের দোস্তি হয়ে গেলো। কিন্তু সমস্যা একটা শাহজাহান ক্লাসের সবাই কে ভাই বলে সম্বোধন করে উপায় না দেখে আমরা ও তাকে শাহজাহান ভাই ডাকতাম। 

Tuesday, September 29, 2015

লুলু পাগলা


মাঝে মাঝে আমার পুরাতন পোষ্ট বের করে পড়ি। নিচের পোষ্টা তেমনি একটা লেখা। যখন এটা আমার টাইম লাইনে দেই তখন সিএস এম কলোনীর এ পেজটার জন্ম হয়নি। ভাবলাম কলোনীর সবার জন্য আবার পোষ্ট করি-----------------
লুলু পাগলা

এমন কোন কবি-লেখকদের আড্ডা নেই যেখানে তাকে পাওয়া যেতোনা। একমুখ ঘন গ্যাজালো সাদা লম্বা দাড়ি, মাথায় কোঁকডা সাদা চুলের কাশবন।সেখানে থেকে থেকে দু’একটা কালো চুল তখনো অতীতের গৌরবময় স্মৃতি ঘোষণা করছে। নাক মুখ তীক্ষ্ণ ধারালো। গোল চশমার পেছনে সম্মোহন করার মত চোখ। ঠোটে একটা দুষ্ট হাসি ঝুলেই থাকতো। কোন কথা বলার পর প্রাণ খোলা পরিচ্ছন্ন হাসি। এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম তিনি আমাদের কবি সামশুল আলম ওরফে লুলু ওরফে লুলু পাগলা তার আরেকটা নাম আমরা দিয়ে ছিলাম-ঠাকুর।তবে আমরা কেউ লুলু ভাই আবার কেউ ঠাকুর বলে ডাকি(ঠাকুর বলে ডাকলে তিনি ভীষণ খুশি )।পাগলের হাসি সুন্দর আর সরল।তার হাসি দেখলেই বোঝা যেতো তিনি ঐ শ্রেনির অন্তরগত।বয়স অবশ্যই ৭০-এর উপর হবে।বয়সের ওজনে শরীর সামান্য ধনুক বাঁকা।হাড্ডিসার শরীরে উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ে তিনি প্রগৈতিহাসিক যুগের রেলিং সাইকেলে প্যডেল মেরে সারা কুষ্টিয়া ঘুরে বেড়ান।যতবড় আর দামি অনুষ্টানই হউক না কেন আমাদের ঠাকুর লুঙ্গি-সার্ট আর রাবারের সেন্ডেল ছাড়া দ্বিতীয় কোন পোষাক পড়তেন না।দেখা গেল রবীন্দ্র কুঠি বাড়ি বা শহীদ মিনরে অথবা শিল্পকলা একাডেমিতে যথা সময়ে তিনি ঐ পোষাকে স্টেজেউঠে পড়লেন।ঠাকুরের হাতে থাকতো বাজারের থলে ভর্তি রাজ্যের লেখালেখির পান্ডুলিপি ।তবে কোন আড্ডায় তাকে তেমন একটা কবিতা পড়তে শুনতাম না। আড্ডায় যা সাধারনত: হয়--- লেখা পড়া- আলোচনা-সমালোচনা কখনো মন মতো মন্তব্য না হলে আলোচকের উপর আকারে ইংগিতে কথার ঝড় বইয়ে দেয়া, এর কোনটাতেই লুলু ভাই নেই।একবারই শুধু কি একটা বিষয় নিয়ে যেন অধ্যাপক মিজান সাহেবের সাথে জম্মের লাগা লাগেছিল।ব্যতিক্রমি মানুষ অল্পদিনেই অন্তরঙ্গ এবং যথারীতি এক বৃদ্ধের সাথে বন্ধুত্ব। আড্ডা শেষে নিচু গলায় আমার লেখার খুঠি-নাটি ধরে মন্তব্য করতেন উপদেশ দিতেন। কখনো তা শুনতাম আবার কখনও হু হা করে পাশ কাটাতাম। তার লেখায় কখনো মানুষ,কখনো সমাজের অসংগতি আবার কখনো ঈশ্বরের কাছে প্রর্থনার কথা সুন্দর ভাবে ফুটে উঠতো।যা এক কথায় ভালই লাগতো।

মঙ্গলে বইছে পানির ধারা


এই সংবাদে চান্দে যাওয়ার সিন্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করলাম। যারা যারা মঙ্গলে মাছ ধরতে যাইতে চাও তারা জাল---বরশী...টেটা...জুতি..বল্লম...পলো জোগার কর্ আর যারা মাছ ধরবা এবং ঘর বাড়ী বানায়ে থাকতে চাও প্রত্যেকে একজন করে নতুন জীবন সংগী( পুরুষ হলে নতুন বউ......মহিলা হলে ফ্রেস হাজব্যান্ড......তৃতীয় লিংগ আপাতত: বাদ) সাথে নিতে হবে। সব কিছু রেডী মাত্র কয়েকটি মঙ্গলমনের(পাঙ্খা যুক্ত গাড়ী) সিট ও অল্প সংখক দক্ষিন মুখি প্লট বাকি আছে। সত্ত্বর যোগাযোগ করুন।

চাঁন্দের বুড়ী চাঁদ সুলতানা ওরফে বন্যা
ম্যানাজার(ভারপ্রাপ্ত)
সি,এস,এম কলোনী।
তাং ২৯/০৯/১৫

আতিক ভাইয়ের নাম


আমাদের বিল্ডিং এর এক আপা একদিন বিকাল বেলায় আমাদের বাসায় আড্ডা দিতে আসছেন। বিষয়, আতিক ভাইয়ের নাম।আতিক ভাইয়ের ডাক নাম নাকি জোসেফ। উনার সাথে মিলায়ে ছোট ভাইয়ের নাম জাবেদ।আতিক ভাইয়ের ভাল নাম নাকি আতিক উল্লাহ। তারপরে বলতেছেন, আল্লাহ জানেন, জাবেদের ভাল নাম কি? মনে হয় জাবো উল্লাহ! আজ ওই আপা থাকলে কইতাম, আপা জাবেদ ভাইয়ের ভাল নাম জাবো উল্লাহ না, Tambourine man তবে উনাকে অনেকে আদর করে তাম্বুরা বা জাম্বুরা বলে ডাকেন

Monday, September 28, 2015

"খোলা চিঠি"

- Mahabub Rasel

লেডিস & জেন্টেল CSM,

আমরা আসলে কি মিস করি? আমাদের গর্ব কি? CSM কলোনি, নাকি CSM কলোনির মানুষজন ? আমরা সবাই যদি CSM কলোনির না হয়ে অন্য কোন কলোনির হতাম, ধরে নেন আমাদের কলোনির নাম ছিলো " ভুতের কলোনি", তাহলে কি আমাদের মন মানুষিকতা অন্য রকম হত ? আমারতো তা মনে হয় না কারন আমরাই CSM কলোনির পরিবেশকে এমন ভাবে বানিয়েছিলাম যার কারনে আমরা CSM কলোনিকে মিস করি গর্ব করি

“ হারামজাদা হোলাইন !!!”

- Mahabub Rasel

কলোনির একটা ব্যাপার খেয়াল করলে এখন মজাই লাগে, আমাদের স্কুলে পড়তো বা স্টিল মিলস চাকরি করতেন এমন অনেকেই কলোনির বাহিরে খালপাড়ে ( বার্মা পাড়ার পাশে ) থাকতেন প্রায় সময় খালপাড়ের সাথে ফুটবল বা ক্রিকেট ম্যাচ নেওয়া হত যেদিন ম্যাচ হত আমরা যেহেতু কলোনির, তাই তাড়াতাড়ি চলে যেতাম বড় মাঠে প্র্যাকটিস করতাম, ঘড়ির দিকে তাকাতাম আর অপেক্ষা করতাম খালপাড় দল কখন আসবে?

বাহ, খালপাড় দল জার্সি, ট্রাউজার, জুতা, মোজা পরে ফিটফাট হয়ে একজন একজন করে আসা শুরু হয়েছে F-12 নাম্বার বিল্ডিং এর পাশে দেয়ালের উপর দিয়ে ( যেখানে একটা লোহার গেট ছিলো, সারা জীবন বন্ধই ছিলো ), প্লেয়ার এর সাথে কিছু কিছু দর্শকও আসতেছে!!! খেলা শেষ হলে আবার যেভাবে এসেছিলো, সেভাবেই দেয়ালের উপর দিয়ে চলে যেত মাঝে মধ্যে আতিক কাকা হামলা করলে বল ব্যাট রেখেই দেয়ালের উপর দিয়েই পালাতো, হা হা হা

CSM সৃতিচারনা (১ম অধ্যায়)


মরহুম আজিজ স্যারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক
আল্লাহ স্যারকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।

আজিজুর রহমান ওরপে আজিজ স্যার। একটি নাম। একজন মুর্তিমান আতংক। আমার সময়ে এমন কোন পোলাপান ছিলনা, স্যারের নাম শুনে ভিমরি খেয়েছে। স্যারকে দেখলে সহপাঠীরা ১০২ হাত দুর দিয়ে চলাফেরা করতো। আমি তখন ক্লাস থৃীতে পড়ি। দুষ্ট হিসাবে মাএই নাম কামাতে শুরু করেছি। এই সময় আমাদের ক্লাসে মহা কঠিন এক বই এল নাম repid reder. আসম্ভব কঠিন। আব্বা পড়লেন বিপদে। এমন সময় আব্বার মাথায় বুদ্ধি এল এক ঢিলে দুই পাখি মারতে হবে। অর্থাত আমার দুষ্টামি + পড়ালেখা দুটই কন্ট্রোল করতে হবে। আর এ কাজের জন্য একমাত্র উপজুক্ত হলেন আজিজ স্যার। একদিন আববা আমাকে সাথে নিয়ে স্যারের বাসায় (F-10) গেলেন। বলিলেন, আজিজ ভাই, ছেলেকে আপনার কাছে দিয়েছিল গেলাম। চামড়া মাংস আপনার, আমার জন্য হাড্ডি রাখিলে চলবে। একথা শুনে স্যার দাত বের করে এমন এুর হাসি দিলেন ভয়ে আমার আত্মরাত্মা শিউরে উটলো। স্যার বললেন, সিরাজ ভাই আপনি কুন চিন্তা করবেন না। আপনার কথা ভালভাবে পালন করা হবে। আমি ক্লাস থৃী থেকে ফাইভ পর্যন্ত প্রাইভেট পড়েছি স্যারের কাছে। এই দীর্ঘ সময়ে স্যার তার কথা রেখেছিলেন আমার পিঠের বারটা বাজিয়ে। সে সময়ে স্যারের একটা কমন ডায়লগ ছিল, পড়া শিখলে ভাল না শিখলে আরও ভাল। আমার জীবনে বেত মেরে স্যারকে ক্লান্ত হতে দেখিনি কখনও। প্রতিদিন নব উদ্দমে বেত মেরে যেতন। আমাকে পিটাতেন তিন বেলা। ভোরে ও বিকালে ওনার বাসায় আর সকালে ইস্কুলের ক্লাসে। ওই যে আববাকে কথা দিয়েছিলেন। আমি নিয়মিত মার খেতাম আর মনেমনে বলতাম, কত মারবি মাইরা ল, একদিন তোরে আমি খুন করি হালামু। মার খাওয়ার কিছু সময় পর ভূলে যেতাম কারন সাগরের আম্মা মানে স্যারের ইস্ত্রী আমাকে রুটি ভাজি দিয়ে নাস্তা করাতেন প্রায় সকালে। কি স্বাদ তার! অতুলনীয়। এভাবে অনেক দিন কেটে গেল। আমি তখন ফাইভে পড়ি। একদিন টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছিল। আমি বাসা থেকে প্রায়ভেট পড়ার নাম দিয়ে বেরিয়ে স্যারের বাসায় না গিয়ে বই খাতা আমাদের মুরগীর খোয়াড়ে লুকিয়ে তার পিছনে নারকেলের চোবড়ায় আগুন দিয়ে খেলছিলাম। বৃস্টির জন্য স্যার ইস্কুল থেকে বাসায় ফিরছিলেন আমাদের বাসার পিছন দিয়ে। কিভাবে যেন আমাকে দেখে ফেললেন। বললেন, কিরে কোহিনূর আজ পড়তে যাস নাই কেনো? বললাম, স্যার আজ আম্মার অসুখ তাই যায়নি। স্যার বললেন চল তোর আম্মাকে দেখে আসি। আমি তখনই শেষ। আমাকে নিয়ে বাসায় গেলেন। আম্মাকে বললেন, ভাবি আপনার কি অসুখ হয়েছে? মা বললেন, আমারতো কিছু হয়নি। সাথে সাথে স্যার কাহিনি বুজে ফেললেন। আমাকে হুংকার দিয়ে বললেন, আজিজের লগে মামদোবাজি! আজ তর দইদিন কি আমার একদিন। আমাকে টেনে নিয়ে গেলেন ইসমাঈলদের বাসায় (জিগার আপাকে পড়াতেন তখন)। অতঃপর....অতঃপর মনের মাধুরী মিশিয়ে ওনার জীবনের স্রেষ্ট মাইরটা দিলেন আমায়। এক মাইরে আমি কোহিনূর একদম সোজা। এত বছর পরেও শিউরে উঠি। যারা আজিজ স্যারকে পায়নি তাদের কাছে আমার এ লেখা নিছক গল্প মাএ। স্যার আপনার কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আমার প্রায়মারি লাইফে আমাকে পিটিয়ে আমার ভিত্তি সোজা করেছিলেন বলেই আজ আমি এই অবস্থানে আসতে পেরেছি। স্যার আপনার সাথে আমার শেষ দেখা রিমন- মেরির বিয়েতে ২০০৫ সালে। আজ আপনি নেই। কিন্তু মিশে আছেন আমার জীবনে ওতোপ্রতোভাবে। মহান আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুক। আমিন।

Sunday, September 27, 2015

কাইজ্জা



প্রতিটা মানুষের কিছু বিশেষ বন্ধু থাকে , আমাদের আতিক ভাইয়ার অনেক গল্পে আমি রিমন ভাই এর অস্তিত্ব পেয়েছি রেজা ভাইএর যেমন মোল্লা ওরফে অপু ভাইয়া তেমনি আমার একজন ফ্রেন্ড কাজী । আমার জীবনের প্রথম বন্ধু কাজী , পুরো নাম কাজী জাহিদুল হাসান । ডাক নাম হেলাল । আমি কখনো এই নামে ডেকেছি বলে মনে করতে পারছি না ,আমার কাছে হেলাল শুধুই কাজী কখনো বা কাইজ্জা ,অবশ্য কাজীর চৌদ্দ গুষ্টির সবাই কাজী নামে পরিচিত। কাজীর বাবা কে যেমন আমার বাবা / আঙ্কেলরা কাজী সাহেব বলে সম্বোধন করতো তেমনি কাজীর বড় ভাইকেও আমরা কাজী ভাই বলে সম্বোধন করতাম , কাজীর একটা ছোট ভাই আছে. সেই পিচ্চিও কাজী নামেই পরিচিত !!!
আমি কাজী কে প্রথম দেখি স্কুল জীবনের একদম প্রথম দিন , এত বছর পর সেই স্মৃতি খুজে যত টুকু উদ্ধার করতে পেরেছি আমরা ফাস্ট বেঞ্চের কোন এক জায়গায় বসেছিলাম একটু পর পর কাজী আমার গাল টেনে দিচ্ছিল , কি কথা হইয়েছিল একদম মনে করতে পারছিনা । ক্লাস শেষ হবার পর আমার বড় ভাইয়া আমাকে স্কুল থেকে নিতে আসে , আমি ব্যাগ গুছিয়ে যাবার সময় কাজী কে আর খুজে পাইনি । 

একদিন সকালে (এই গল্পের কাহিনী পুরোপুরি কাল্পনিক নয়)



(এই গল্পের কাহিনী পুরোপুরি কাল্পনিক নয় তাই ব্যাক্তি বিশেষে মিলে যেতেও পারে। মিলে গেলে সেটা কাকতাল ভাবার কোন কারন নেই। )
আযান শুনে হারুন সাহেবের ঘুম ভাংলো। ঘরের পাশেই মসজিদ, আযানটা বেশ জোরেই শোনা যায়। অন্যদিন আযানের আগেই ঘুম ভেঙ্গে যায় হারুন সাহেবের। আজ দেরি হয়ে গেলো। তাড়াহুড়া করে ওজু করে তিনি মসজিদে যাবার জন্য তৈরি হলেন। ঘর থেকে বের হবার সময় দেখলেন তাঁর ছেলে পুলক উপুর হয়ে ঘুমিয়ে আছে। এভাবে শুয়ে থাকা স্বাস্থের জন্য খারাপ, অনেকবার বলা হয়েছে তাকে। বদভ্যাস ছাড়তে পারলো না ছেলেটা। তিনি নিঃশব্দে দরজা টেনে বেরিয়ে গেলেন মসজিদের উদ্দেশ্যে। তিনতলা থেকে নামার পথে সিঁড়ির ল্যান্ডিঙে দেখা আকতার সাহেবের সাথে। তিনিও মসজিদের উদ্দেশ্যেই রওনা হয়েছেন। দুজন একসাথে নামাজ পড়লেন। ইমাম সাহেবের নামও হারুন। হারুন হুজুর তাঁর সুললিত কণ্ঠে লম্বা মোনাজাত করলেন নামাজ শেষে। হারুন সাহেব ও আকতার সাহেব নামজ শেষে রোজই কিছুক্ষণ হাঁটেন। আজ হাঁটতে নেমে হারুন সাহেব দেখলেন কলোনিরই মুখচেনা কয়েকটি ছেলে রাস্তায় ইতস্তত হাঁটাহাঁটি করছে। হারুন সাহেব বিশাল এই ফ্যাক্টরির নিরাপত্তা কর্মকর্তা। শুরুতে সবকিছুই তিনি সন্দেহের চোখে দেখেন। ছেলেগুলোর দিকে সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে পরক্ষনেই ভুল বুঝতে পারলেন। ওরা প্রাতঃভ্রমনে বেরিয়েছে। নিজের ছেলের কথা ভাবলেন তিনি। এই ভোরবেলায় মিলের সত্তর টনি ক্রেন দিয়ে টেনেও ছেলেটাকে বিছানা থেকে তোলা যাবেনা। ভালো অভ্যাসগুলোর কিছুই পেলনা ছেলেটা। একটা ছেলে এগিয়ে এসে সালাম দিল। হারুন সাহেব মৃদু হেসে সালাম নিলেন এরপর হাঁটতে থাকলেন রাস্তা ধরে।

শাহীন ভাই (Reajul Islam Shahin)

- Mahabub Rasel

শাহীন ভাইয়ের চোখে, মাফ করবেন চশমায় আঙ্গুল দিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলছেন !!!, এটা কিন্তু অনেক দুরের হেড অফিস পর্যন্ত চলে গেছে তাহার চারিত্রিক সনদ দেখতে চেয়েছেন অনেকে, তাহার সহিত এহেন আচরেনের প্রতিবাদ হিসাবে অনেক দুরের হেড অফিসের পক্ষ থেকে আমি গভীর উস্মা প্রকাশ করিতেছি শাহীন ভাই এহেন চতুর্মুখি আক্রমনে বিচলিত হইয়া আমাকে চরকা ঘুরাইতে বলিয়াছেন !!! অমি আমার চরকা ঘুরাইয়া অনেক দুরের হেড অফিস হইতে একখানা মহা মুল্যবান চারিত্রিক সনদ খুজিয়া পাইয়াছি, ইহার পরে কেউ যদি উস্মা প্রকাশ করিবার মত আচরন করেন তাহলে,

"মুই এক্কেরে CSM এর খাম্বাডি দইরা লারা দিয়া দিমু কইয়্যে দেলাম"

Reajul Islam Shahin