Friday, September 4, 2015

কি জানি মিস করে ফেললাম


এই গ্রুপে একটু পর পর ঢু না মারলে মনে হয় কি জানি মিস করে ফেললাম। বড় ভাই/আপা/ ছোট ভাইদের অসাধারন এক আড্ডার জায়গা এই গ্রুপ। Morshed Neeaj (জনি) কে কত পিচ্চি দেখেছি এখন সে বড় বড় মামলা সামলাচ্ছে। Kal Purush (মানিক) কেও দেখলাম। এই ব্যাচের গিয়াস উদ্দিন ( বাকি নাম গুলো মনে পরছে না) এর খবর কি ? Mahmudur Rashid Pulak ভাইয়ার সাথে কখনো সেভাবে কথা হয়নি তারপরেও আত্বার একটা টান ছিল বলেই এইখানে এক সাথে আড্ডা হচ্ছে। মুরাদ ভাই কে দেখা যাচ্ছে না frown emoticon শুভ ভাই ( ৯৬ ব্যাচ) কিংবা টিপু ভাই (৯৫ ব্যাচ) কে দেখতে পেলে অনেক ভালো লাগতো। Sony Khanআপা আপনি গল্প না লিখে যে আমাদের ঠকাচ্ছেন এই টা কি বুঝতে পারছেন ? Mohammed Kamar Uddin ভাই কি নিরবতা পালন করেই যাবেন? আমাদের Anisur Rahman ভাই টিকেট না কেটে ট্রেনে ঊঠে একটু বেকায়দায় আছে উনি ফিরলেই ব্যবস্থা নিবো । কাউ রে ছাড়া হবে না ।

Thursday, September 3, 2015

ঢং.....ঢং......ঢং...টং......টং......এবং .......টং


এতদ্বারা কলোনীর সকল ছেলে-মেয়েদের জানানো যাাতেছে যে, যাহারা কলোনীতে খেয়ে পড়ে থেকে ( ভেতরে ভেতরে ই-য়ে করে) বাহিরের লোক জন বিবাহ করিযা নানা জায়গায় ছবিসহ এ্যাড: দিযা বাহাদুরি দেখাইতেছেন,তাহাদের বিরুদ্ধে অচিরেই শ্পেসাল ট্রাইবুনাল গঠন করিয়া বিচারের ব্যবস্থা করা হইতেছে। ক্ষতিগ্রস্থ (যাহারা ই-য়ে করে উপেক্ষিত হয়েছেন) সকল পক্ষকে সাক্ষি প্রমানসহ (চিঠি-ছবি থাকলে ভাল হয়) প্রস্তুত থাকার জন্য অনুরোধ করা হইল। সেই সাথে পক্ষগনকে মন্তব্যের ঘরে ফরিয়াদী শব্দটি লিখে নাম লেখানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হইল...............ঢং.....ঢং......ঢং...টং......টং......এবং .......টং

পবিত্র ইচ্ছা পূরণ (......)


ঘটনাটি খুব সম্ভবত ১৯৯৮ সালের। রাত ১০ টার পর ৩ নাম্বার (F Type) বিল্ডিং এর পাশের রাস্তা দিয়ে আমি, কল্লোল, মানিক, ফুয়াদ, শাহিদ হাঁটতেছিলাম। উদ্দেশ্য প্রতিদিনের মত কল্লোল, মানিক এবং শাহিদ এর পবিত্র ইচ্ছা পূরণ। যথারিতি প্রতিদিনের মত তাদের পবিত্র ইচ্ছা পূরণ (......) চলিতেছে ...।। 

হটাত আগুন্তুপ এর মত কোত্থেকে মানিক এর আব্বা (ইলিয়াস মিয়া আঙ্কেল) এসে হাজির। আমরা সবাই কল্লোল, মানিক এবং শাহিদ এর ইচ্ছা পূরণ নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত ছিলাম যে মানিক এর আব্বা কখন আসছে আমরা একটুও টের পাইনি। উনি অনেকক্ষণ আমাদেরকে খেয়াল করছিলো যে আমরা কি করি। যখন বুস্তে পারল এইখানে পবিত্র ইচ্ছা পূরণ (......) চলিতেছে তখন ই টর্নেডো এর গতিতে আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ল। আমি, কল্লোল এবং ফুয়াদ কোন রকম এ দৌড়ে পালিয়ে বাঁচলাম কিন্তু বেচারা মানিক এবং শাহিদ আঙ্কেল এর কাছে ধরা খেয়ে গেল। এরপর কি ঝারি টাই না খাইল ওরা ২ জন।

[sHujOn, 99 Batch]

“ ওষুধের নাম, কোকাকোলা !!! “


এইটা একটা বদঅভ্যাস হয়ে গিয়েছিলো, ( এইটাকে আমাদের কলোনির একটা জাতীয় শখও বলা যায়, সবারই প্রিয় শখ ছিলো এইটা ) কয়েকজন একসাথে হলেই ডাব খাওয়ার ভুত চাপতো, একজন না একজনের কাছ থেকে ডাব খাওয়ার কথা আসতোই অভ্যাসমত একরাতে আমি, রবিন, ছামির, হিমেল,রিপু, বেলাল (টারজান ) আরো কয়েকজন দল বেধে গেলাম বুইজ্জার বাগানে ( খালপাড়ের কাছে ) যেকোন একটা গাছে ডাব অপারেশনে গাছ সিলেক্ট হলো, এখন অপারেশনের পালা, আজকে আমাকেই উঠতে হবে !! 

কারন প্রতিদিন কেউ না কেউ উঠে কিন্তু আমি উঠি না, তার উপরে গাছ একটু বড় বলা যায়, নিচে থেকে কেই একজন ডাবগুলো ধরতে হবে !!! সাহসী বেলাল বলল, “ ধুর আমি ধরবো, এইটা কোন ব্যাপার না, আরো বড় গাছ থেকেও অনেক ডাব আরামচে ধরে ফেলছি !!” আমি বললাম আরেকটু ছোট গাছ থেকে খেলেওতো হয়, উঠাটাতো সমস্যা না কিন্তু ধরাটাতো একটা ব্যাপার, না... কে শুনে কার কথা !! এই গাছেই আজকের আপারেশন হবে

“২৯শে এপ্রিল ১৯৯১”


কলোনির কাউকে মনে হয় ওইদিনের অবস্থার বিবরন দিতে হবে না, কারন সবাই জানেন সারাদিন রাত আবহাওয়ার কি অবস্থা ছিল, কিন্তু আমার কাছে ওই দিনের একটা ঘটনা আলাদা করে মনে থাকবে সারাজীবন ওই ঘটনা মনে হলে এখনো অবাক হই


আমার দেখা আজ পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা, আমাদের বাসা তখন ছিল F/2 নিচতলা সিগন্যাল বাড়তে বাড়তে ১০ নাম্বার বিপদ সংকেত হয়ে গেলো, সন্ধ্যার পর বাতাস শুরু হল, আস্তে আস্তে বাড়তে লাগলো, রাত ১২ টার পরে প্রচন্ড ঝড় তুফান, আমরা বাসায় মোম জালিয়ে বসে আছি আর বাতাসের তাণ্ডব দেখছি বিল্ডিং এর আঙ্কেলরা মাঝে মধ্যে একবাসা থেকে আরেক বাসায় যাচ্ছেন, তারা নিজেরাও বোধহয় বুঝতে পারছিলেননা আসলে কি করা দরকার মুখে সবাই বলছেনআরে কিছু হবে না, ১০ নাম্বার সিগন্যাল তাই ঝড় হচ্ছেকিন্তু সবাই আতঙ্কে আছেন 

" হোম অফ মার্বেল "


এখানে কেউ কি আছে কলোনিতে থাকা অবস্থায় মার্বেল খেলে নাই !!!

কলোনির সব জায়গাতেই মার্বেল খেলা হত, তবে কলোনিরহোম অফ মার্বেলযদি বলা হয় সেটা ছিলোবুইজ্জার বাগান (মাঠ) খাল পাড়অনেক আইটেমের মার্বেল খেলা ছিলো, এর মধ্যে খুবই জনপ্রিয় ছিলোবাত

তখন অনেক বড়ভাইরা ছিলো এই বাত খেলার তুখড় খেলোয়াড়, অনেকে টিনের কোউটা করে মার্বেল নিয়ে আসতো, ৫০, ৭০, ১০০ মাঝেমধ্যে জনপ্রতি ১৫০, ২০০ টা করে দিয়ে বাত খেলতো, যখন এতগুলো মার্বেল একসাথে মাটিতে গড়িয়ে মারতো, সে এক দেখার মত দৃশ্য হতো !!! আমরা নিজেরাও মার্বেল খেলা নিয়ে ব্যাস্ত থাকতাম, এর মধ্যে যখন বড়ড়া প্রচুর পরিমানে মার্বেল দিয়ে এই স্পেশালবাতখেলতো তখন পাশে দাঁড়িয়ে তাদের খেলা দেখতাম, মার্বেলগুলোর দিকে তাকিয়ে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকতাম আর ভাবতাম, …………


ভাইয়েরা কত বড়লোক !! কত্ত মার্বেল তাদের কাছে !! শালা…… আমার কাছে যদি এত টাকা থাকতো তাহলে মার্বেল কিননা ভরাইয়া ফালাইতাম

Wednesday, September 2, 2015

অনেক বড় ভাই ID হিসাবে আসল নাম ব্যবহার করাতে চিন্তে আসুবিধা হচ্ছে


অনেক বড় ভাই ID হিসাবে আসল নাম ব্যবহার করাতে চিন্তে আসুবিধা হচ্ছে। অথচ উনারা আমাদের কত স্নেহ করতেন। উনাদের সামনে কত দুষ্টামি করছি। তারিখ ঠিকই বলছে, আমি ষে দুষ্ট ছিলাম এখনকার ছেলেপিলেরা তা কল্পনা করতে পারবেনা। কিন্তু কখনও বড় ভাইদের বকা পর্যন্ত খাইনি। রলি ভাই নিজে frnd রিকোয়েষ্ট পাঠাইছেন। হয়ত মিউচুয়েল দেখে চিনতে পারছেন। অথচ কলোনিতে থাকতে সোহাগের বড় ভাই হিসাবেই জানতাম খালি। কখনও কথা হতনা। আমার বড় বোন শরীফা আপা আর ভাই শহীদুলকে উনি ভাল করেই চিনেন।সনি আপার নামটা মনে আছে। তবে খান দেখে একটু confusion এ পরছিলাম। মিঠু ভাইকে আমি রিকু পাঠাইছিলাম। উনাকে চিন্তে সমস্যা হয়নি । আমিন গ্রূপতো!

কথা গুলো বললাম Anisur Rahman-Reza bhai
Moin khan- Toly bhai
Mohammad Nazrul-Tinku bhai
উনাদেরকে আমি চিন্তে পারছিনা, নাকি উনারা আমাকে চিন্তে পারছেনা? জানতে মনচায়

মন খারাপ করার কিছুই নেই


আজকে মনে হচ্ছে আমাদের গ্রুপের পরিবেশ টা একটু ভারী বা গম্ভীর হয়ে আছে, আসলে টলি ভাইএর কবিতা কিংবা রেজা ভাইএর পোষ্ট আমাদের একটু বিষন্ন করে তুলেছে । মন খারাপ করার কিছুই নেই, আমার তো মনে হচ্ছে আমাদের মধ্যে ভালবাসা বা সৌহার্দ আগের চেয়ে আরো বেড়েছে, যে রেজা ভাইয়ের সাথে কোলোনি তে সারাদিন ও একটা কথা হোত কিনা সন্দেহ আছে, সেই Anisur Rahman রেজা ভাই আমার এখন অনেক কাছের, টলি ভাইএর সাথে আমার কলোনি তে কোনদিন কথা হয় নি সে টলি ভাইকে মনে হচ্ছে কত পরিচিত , Sony Khan আপার সাথে আমার কোন পরিচয় ছিলোনা, তিনিও এখন আমার আপনজন, এমন অনেক উদাহরণ আছে, সো আমাদের বিষন্নতার কিছু নেই, হতাশ হওয়ার ও কিছু নেই, আমরা আবারও জেগে উঠবো, Moin Khan টলি ভাই আপনাকে কে বলেছে স্টিল মিল কলোনি নেই, সব ই আছে, আমাদের সবার মনের মাঝে। সবাই চলে আসুন ট্যাংকির নিচে, কিংবা পুকুর পাড়, বড় মাঠ, আমরা সি টাইপ মাঠেও বসতে পারি, আতিক কাক্কুর সাথে কথা হয়েছে,উনি আর আমাদের কিছু বলবেননা, ঠিক না Taskin Ashiq,
তাড়াতাড়ি চলে আসুন আজ জম্পেস আড্ডা হবে, দেখি কে কারে কত পচাইতে পারে , Riman Babu মামা রেডি হও।

“আমাকে ভেতরে যেতে দিন”

- Moin Khan

“আমাকে ভেতরে যেতে দিন”
(উৎসর্গ:-চট্টগ্রাম ষ্টীল মিলের সব মেহানতি মানুষকে)
-----------------------মঈন খান।

আপনি আমাকে চিনবেন না।
এখানে একটা সময়------
একদল মেহানতি মানুষ ছিল।
যারা প্রতিদিন মৃত্যুকে সাথে নিয়ে
আগুন আর ইস্পাতের সাথে করতো
জীবনের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই।
বাবুই পাখির মত ছিল তাদের বাসাগুলো।
স্বপ্নমুখর একঝাক ছেলে মেয়ে ছিল তাদের
ওদের কোলাহলে জীবন্ত ছিল সব।
আমি সেই বাসা ভেঙ্গে দেয়া পাখিদের
দল ছুট একজন।

" CSM-GD-1 & 2 "


ফান্ড সল্পতা ও উন্নত প্রযুক্তি না থাকার কারনে CSM-GD-1 প্রকাশ এর পর অনেকেই তিক্ত ভাষায় বকাবকি করেছেন, Atiq Csm, Reajul Islam Shahin, Jashim Uddin ভাইতো USA যাবার পরিকল্পনা করছিলেন। যাই হোক বারাক আঙ্কেল *( আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ) আপনাদের চোখের কথা বিবেচনা করে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে " CSM-GD-1 & 2 " এক সাথে প্রকাশ করা হলও।

আহাসানুল তারিক



আহাসানুল তারিক টা কে চিনতে পারছি না। মজার-মজার কমেন্ট করে। সেই কবে CSM COLONY ছেরে চলে এসেছি । নিরু কে কল দিলাম। তারিক কে রে? তালুকদার চাচার ছেলে , চিনতে পারলি? নিরু চিনাতে চেষ্টা করলো । কিছুটা হলেও চিনতে পারলাম। কাকলি আর সরভির ভাই। 

সন্ধায় তারিক আমাকে মোবাইল এ কল দিল। নিরু আমার নাম্বারটা দিয়ে ছিল । অনেক কথা হল তারিক এর সাথে । শুনলাম চাচা ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন । জমি-জমা বিক্রি করতে হয়েছে , অনেক অনেক টাকা চাচার জন্য খরচ হয়েছে । আরও বড় খারাপ খবর আমার জন্য অপেক্ষা করছিলো , যখন জানতে পারলাম তারিক paralysis রোগে আক্রান্ত । 

ইমোশনাল হইয়েন না, এর পরিনাম সুবিধার না


সবাই আজকে শুধু ইমোশনাল স্টাটাস দিতেছে কেরে, ইমোশনাল হইয়েন না, এর পরিনাম সুবিধার না , উদারারন ..................

কলোনির ....Sxyz...... আঙ্কেল ( আমি জানি সবাই তাকে চিনেন, তাই নাম নিলাম না, আশা করি আপনারও নিবেন না ) যে কারনেই হোক প্রায় সময় ইমোশনাল হয়ে রাস্তার মধ্যে এলোমেলো ভাবে হাটতেন !! অনেক সময় চিল্লা চিল্লিও করতেন !!! ঠিক এভাবে একদিন আঙ্কেল চরম ইমোশনাল হয়ে গেছেন, এলোমেলো ভাবে হাটতেছেন, তার নিজের দুই পা কোথায় পড়তেছে তিনি নিজেও বোধহয় বুজতেছেন না !!! এইভাবে হাটতে হাটতে হটাথ তিনি ড্রেনে পড়ে গেলেন, সে এক করুন অবস্থা, ড্রেনে পড়ে গিয়ে আঙ্কেল আরো ইমোশনাল হয়ে গেলেন আর বলতে লাগলেন,..................


" অডা, চো .....নির ( সেন্সরড ) ড্রেন ইবা রাস্তার মিডলত ক্যানে চলি আইস্যে !!! "

Tuesday, September 1, 2015

মোটা বাবু ভাই



প্রতিদিন আমরা কয়েকজন ইউনুসের দোকান আর নয়তো অফিসার্স ক্লাবে সকাল ১০ টার সময় আডডা দিতাম, অই সময় স্কুলের মেয়েদের শিফটের টিফিন ব্রেক থাকে, আর এই আড্ডার মূল উদ্দেশ্যই ওই মেয়ে গুলোর সাথে ইটিসপিটিস সোজা বাংলায় যাকে বলে ফিল্ডিং মারা (তবে আমি স্কুলের মেয়েদের সাথে ফিল্ডিং মারতাম না, আমি তো আগেই রিজার্ভ হইয়া আছিলাম, হা হা হা হা) ঐ আড্ডায় আমাদের মোটা বাবু ভাই ও থাকতো, বাবু ভাই কে কোন মেয়ে পাত্তা দিতো না দেখে, বাবু ভাই সবসময় খুব উদাস ভাবে বলত : “ সবাই আমার এই এত বড় শরীর টাই দেখলো, এত বড় শরীরে যে এত বড় মন আছে সেটা কেউ বুঝলোনা”
এখন খুব জানতে ইচ্ছে করে , বাবু ভাই আপনার মন টা কি কেউ বুঝতে পেরেছে।
ভালো থাকবেন বাবু ভাই সবসময়।

“ গেরিলা মাইর “


আজিজ স্যারকে স্কুলে ভয় পেতোনা এমন কেউ আমার মনে হয় না আছে ভয় পাওয়ার প্রধান কারন হলো স্যার এর মাইর ( স্যার এর ভাষায় ভিটামিন ) স্যার মেরেই বলতেন, “ ভিটামিন দিয়া দিছি , অহন ঠিক হইয়া যাইবোস্যারের সব রকম মাইরই ছিলো বিপদজনক এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক ছিলো গেরিলা মাইর

স্যার কিছু একটা পড়াচ্ছেন, এই অবস্থায় যদি তার চোখে উল্টা পাল্টা লাগে এমন কিছু দেখতেন তাহলে পড়ানো অবস্থাতেই উঠে দাঁড়াতেন, হাতে লাঠি নিয়ে হাটতে হাটতে পড়াতেন আর টার্গেট বরাবর এসেই AK-47 এর মতো ঠুস-ঠাস করে মিনিটে ১০/১৫ টা টার্গেটের পিঠের উপরে চালিয়ে দিতেন আর বলতেন,
বাজানেরে ভিটামিন দিয়া দিছি, অহন ঠিক হইয়া যাইবো “ ( টার্গেট বেচারা স্যারটাও বলার সুযোগ পেতনা, স্যার এরস্যা…” বলেছে…” বাহির হওয়ার আগেই AK-47 ভিটামিন এর কাজ শেষ ) আবার পড়া চালিয়ে যেতেন ( স্যারের পড়ানো কিন্তু বন্ধ হত না ), ওইদিকে বেচারা টার্গেট এর পিঠের ১২ টা বেজে গেছে, পিঠ কচলাচ্ছে আর চিরিং মাছ এর মতো লাফাচ্ছে, কিন্তু কোন শব্দ করতে পারতেছে না , শব্দ করলেতো আরেকদফা চলবে, এইটা সবারই জানা ছিলো ( টার্গেট বেচারা মিনিট আগেও জানতনা তার উপরে কি আসতেছে ) আমি নিজেও ১বার স্যার এর এই গেরিলা মাইর এর শিকার হয়েছিলাম

দুঃস্বপ্ন ১ - সি-টাইপের মাঠ


এই বিল্ডিঙটা ছিল আমাদের বিল্ডিং এর সামনে , আর দুই বিল্ডিং এর মাঝে ছিল সি-টাইপের মাঠ

১৯৯২ তে যখন আমরা যখন কলোনিতে আসি তখন আমি পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ি ওই বয়সে ঘর থেকে যখন তখন বের হবার একটা অলিখিত নিষেধ ছিল তাই মাঠের ওপারের বিল্ডিঙ্গে থাকা শিলু, সুজি, Åđɱ Salauddin দের সাথে আমার মাঝে মাঝে কথা হতো বারান্দাতে বসে আর বিকেল বেলা আমাদের মার্বেল খেলার জায়গা ছিল বিল্ডিংটার সামনেই

যখন মাঠে ক্রিকেট খেলা হতো, নারিকেল গাছ গুলোর নিচে স্কোরাররা বসতেন ব্যাটিং এর সময় বল গড়িয়ে রাস্তায় পৌঁছালে চার, আর উড়ে গেলে ছক্কা মনিরুল ভাইরা চলে যাবার পর তাদের বাসাটা খালি ছিল বেশ কিছু দিন, বাসাটায় তখন বাইরে থেকে তালা দেয়া থাকতো কোন ভাবে বল যদি ওই বারান্দাতে ঢুকে যেত, তাহলে ডাক পড়তো মিঠুর ওর বয়স তখন - বছরে চেয়ে বেশি হবার কথা না