নভেম্বর মাসের শেষের দিকের দিন।যেদিন বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হত।সেদিন ক্লাসে
প্রয়াত হামিদ স্যার এসে বলতেন, তোমরা সবাই ১৬ ঈ
ডিসেম্বর সকাল ছয়টা বাজে স্কুল মাঠে হাজির থাকবে।যারা থাকবেনা,তাদের রিপোর্ট কারড পাবেনা।দেখা যেত এই ভয়ে ১৬ঈ ডিসেম্বর
আমার মত অনেকেই স্কুল মাঠে শীতের আরামের ঘুম কে হারাম করে ঠান্ডা কে বুড়ো আংগুল
দেখিয়ে শীতের কাপড় গায়ে চাপিয়ে হাজির হত।হামিদ স্যার সবাইকে লাইন করে সারিবদ্ধ করে
দাড় করাতেন।তারপর মেইন অফিসের দিকে নিয়ে যেতেন।আমরাও ধাক্কাধাক্কি করে স্যারের
পিছু পিছু যেতাম।সবাই রংগন ফুল দিয়ে ঘেরা গোলাকার বাগানের চারপাশে দাড়াতাম।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Tuesday, December 15, 2015
Monday, December 14, 2015
আজ আমার মন-দিল যা আছে সব খুবই খারাপ
আজ আমার মন-দিল যা আছে সব খুবই খারাপ। আমার মেয়েটা ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে পড়ে
আর আমার ছোট্ট ছেলেটা ছোট্টবেলা থেকেই ইন্নির স্কুলে যাবে ইন্নির স্কুলে যাবে এই
বলে বড় হচ্ছে। কিন্তু আজ সে ভর্তি যুদ্ধে পরাজিত, লটারীতে তার নাম আসলো না। আমি কোনভাবেই অডিটোরিয়াম থেকে বের
হতে পারছিলাম না, বারংবার মনে হতে লাগলো এই
মনে হয় ০৪ ক্রমিক নাম্বারটি কল করে বলবে আপনার ছেলে সিলেক্টেড।
সাদা মনের মানুষ
সাদা মনের মানুষ আমি খুবই পছন্দ করি,,সম্মান করি এবং ভালবাসি।।কারণ এই রং-এর মানুষ বর্তমান দুনিয়ায় পাওয়া খুবই
দুষ্কর।।মানুষটার সাথে আমার কখনও বা এখনও দেখা হয়নি।।ওনার সম্পর্কে এই পেজের
মাধ্যমে অন্যের মুখে কেবল শুনেছি এবং ওখান থেকেই ওনার ভক্ত হয়ে গেলাম।।আজ প্রথম
ওনার সাথে ফোনে কথা হয়।।অসম্ভব একটা ভাল লাগা অনুভব করলাম।।সেই সাথে একটা যাদুও
অনুভব করলাম।।
Sunday, December 13, 2015
" খানা বাতিক "
আমাদের "এমদাদ-৯৭" ( ভাই ভাই ষ্টোর ), কলোনীর কয়েকজন বুদ্ধিজীবী মার্কা বান্দরের মধ্যে একজন ছিলো।
মাঝে মধ্যে ভাই ভাই ষ্টোরে বসার কারনে কলোনীর ছোট বড় সবাই তাকে চিনতো। তবে তার
অনেকগুলো বদভ্যাসের মধ্যে একটি অন্যতম বদঅভ্যাসের নাম ছিলো "বিবাহের খানা
বাতিক"। অফিসার্স ক্লাবের এমন কোন বিয়ে নাই এমদাদ খায় নাই। সুন্দর মত শার্ট-প্যান্ট,
জুতা পরে ঢুকে যেত বিয়ের অনুষ্ঠানে, এর পর খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমাদের সাথে এসে আড্ডা দিত।
আমরা যদি বলতাম, " কিরে কেউ তোকে
সন্দেহ করে না ?"
এমদাদের উত্তরঃ "আরে শুধু খেতে বসে গেলে সন্দেহ করতে পারে, তাই আগে কিছুক্ষন এদিক সেদিক ঘুরি, খাবার পর বোউ-জামাই দেখে দাত খিলাল করতে করতে বের হয়ে আসি,
ন্যাচারাল থাকলে কেউ সন্দেহ করে না।"
Saturday, December 12, 2015
আল্লাহর নাম নিয়ে ট্রেনে উঠে বসলাম
আল্লাহর নাম নিয়ে ট্রেনে উঠে বসলাম। সাথে হাফিজ মামা। গন্তব্য রাজশাহি। হাফিজ
মামা হলো আমার ছোট খালার চামচা। খালা যদি সকালে উঠে বলে এখন রাত ১২টা, হাফিজ মামা বলবে, জি ভাবি রাত যাগা ঠিক না, আপনে আরাম করে
ঘুমান। খালা হাফিজ মামা কে দায়িত্ত বুঝিয়ে দিয়েছে। কোন ভাবেই খালি হাতে আসা
যাবেনা। উপরে আল্লাহ আর নিচে আপনে এবার ভাবি খালি হাতে ফিরবো না।
বেশ কিছু টাকা পয়সা হাফিজ মামার হাতে দেওয়া হলো। আমার হাতে specially কিছু দেওয়া হলো যায়গা মত দেওয়ার জন্য।
এটা আমার নানুর বাড়ী
ছোট বেলায় বার্ষিক পরীক্ষার শেষে যখন নানুর বাড়ী ঢাকায় বেড়াতে যেতাম- তখন
অন্যান্য খালাতো ও মামাতো ভাই ও বোনেরা আসতো। নানুর বাড়ীতে হতো আমাদের বাৎসরিক
মিলন মেলা। আমার ব্যবহারে তারা অসন্তুষ্ট হলে- নানীকে যেয়ে না বুঝে তারা বলতো- “এটা আমার নানুর বাড়ী”।
মিয়া ভাইকে চলে
যেতে বলো। আমার নানী তখন হাসির ছলে বলতো-নানু ভাই, আমার পাঁচ আঙ্গুলের যেটাকেই কাটি, সেটার থেকেই রক্ত বের হবে সুতরাং আমি কোন আঙ্গুলই কাটতে
পারবো না। তাহলে আমি ব্যাথা পাবো। সুতরাং আমাদের যে কোন কিছু ধরে রাখতে পাঁচটা
আঙ্গুলের দরকার আছে। হয়তো আঙ্গুল গুলো ছোট-বড় কিন্তু কাজের দিক থেকে কোন টারই
অবদান কম নয়।
Friday, December 11, 2015
বিব্রত কর মুহুর্ত
ভার্সিটিতে আমাদের ৮ জনের একটা গ্রুপ ছিল । তার মধ্যে আমার আর কাইয়ুমের জিএফ
ছিল না । এই নিয়ে আমাদের প্রায় ক্ষেপাতো চৈতি আর সুবর্না । কাইয়ুম হঠাত করে আমারে
টেনে নিয়ে যায় ডিপার্টমেন্টের ছাদে।
মামা আগুন তো লাইগা গেছে ?
কই?
আমার বুকে রে মাম্মা । পরীর মতো একজন রে দেখলাম উড়ে উড়ে আসছে । আমি অনেক্ষন
ফলো করে বোটানি ডিপার্ট মেন্টের কাছে গিয়ে হারিয়ে ফেললাম । হা হুতাশ করেই চলেছে
কাইয়ুম
আমি কি করবো তাহলে ?
তুই আমার সাথে বোটানি ডিপার্টমেন্টে যাবি ।
পারেও শালারা
পারেও শালারা। এই নাক বুচা জাতিরা জুয়া আর ওয়াইন নিয়ে যেখানে/সেখানে আসর বসাতে
পারে। কোরিয়া থেকে ব্যাংকক যাচ্ছি। ব্যাংকক ৪দিন থেকে বাংলাদেশে চলে আসবো।বহু বছর
আগের কথা। আমার সাথে বাসাবোর ইসলাম। থাই এয়ারলাইন্স। ফ্লাইট আকাশে উঠার ৩০ মিনিট
পর ব্যাংককের কিছু যাত্রি playing cards নিয়ে খেলতে বসে গেলো। আমার অস্থিরতা সুরু হলো। কি করা যায়? ইসলামের দিকে তাকালাম। ইসলাম বুজে গেলো আমার মতি/গতি খারাপ।
ভাই আপনের পায়ে ধরি। আমি সিট বেল্ট খুলে আস্তে আস্তে উঠতে লাগলাম। ভাই যদি হারেন
তাইলে আপনেরে আমি ব্যাংকক ফালাই থুইয়া যামুগা।
Thursday, December 10, 2015
আড্ডা (3)
তখন ক্লাস টেন পড়তাম। ক্লাস টেন আমাদের টেনে নিয়ে যাচ্ছে পরার টেবিলে । টেবিল
থেকে উঠে গেলেই ধমক শুনতে হয়। বিনোদনের এক মাত্র মাধ্যম বিটিভি ও আমার জন্য বন্ধ
হয়ে যায়। আমার বিনোদন বলতে বিকাল বেলা জাহাঙ্গির এর কাছে কোন নাটকে কে কি করলো তাই
হজম করা। জাহাঙ্গির নাটকের গল্প বলতে মজা পেতো , জাহাঙ্গির এর মজা দেখতে ভালো লাগতো বলেই উৎসাহের পরিমান টা
একটু ফুলিয়ে ফাপিয়ে দেখাতাম । প্রতি মাসে মান্থলি টেষ্ট ছিল আমার জন্য চরম
বিরক্তকর সময়।
সারাক্ষন চাপে চ্যাপ্টা হয়ে যেতে কার ভালো লাগে ? আমার ভালো না লাগলেও টেষ্টের আগে তিন তলায় বেঞ্চ নিয়ে
যাওয়ার সময় টা ফ্রেন্ডদের অনেক পছন্দের সময় ছিল। তিন তলায় নাকি পরীমনি আছে ?এদের দেখার জন্য রবিন মুসলিম থেকে শুরু করে হেভিওয়েট সবাই
মিলে মিশে একাকার হয়ে যেতো আমি অবশ্য এখনো জানি না মেয়েরাও কি এই রকম ভাবে আমাদের
দেখতে চাইতো ? আমি মেয়েদের সাইকোলজি
বুঝি না তাই জানি না মেয়েদের কি মনে হতো? যাই হোক বেঞ্চ তিন তলায় উঠানোর জন্য হেংলা পাতলা রাসেল রেও দেখলাম বিপুল উৎসাহ
নিয়ে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে । এক একটা বেঞ্চের যেই ওজন আমি একটা তিন তলায় নিয়ে গেলে
তিন তলা থেকে নির্ঘাত আমারে হসপিটালে নিতে হতো ।
Wednesday, December 9, 2015
৯১ এর পরে স্টিল মিলের ক্রান্তিকাল শুরু হয়
- Atiq CSM
৯১ এর পরে স্টিল মিলের ক্রান্তিকাল শুরু হয়, কর্মী দের বেতন অনিয়মিত হতে থাকে। কৃচ্ছতা সাধনের জন্য ৯৪ এ
মুস্তাফিজ কমিশন নামে এক প্রজেক্ট এর মাধ্যমে অনেক লোক ছাটাই করা হয়। অনেকেই কলোনি
থেকে অকালে বিদায় নেন। তারপর ও মিলের দুর্দিন শেষ হয়না। খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতে থাকে,
এমন ও হয়েছে শেষ দিকে ৫/৬ মাসের বেতন বকেয়া হয়ে
যায় কর্মী দের। একেক টি পরিবারের সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যায়। যাদের গ্রামের অবস্থা
ভালো ছিলো তারা গ্রাম থেকে টাকা পয়সা এনে চলতে থাকলেন, কারো পাশে এসো দাড়ালো তাদের মামা চাচারা কেউ কেউ ধার কজ'
করে চলতে থাকলেন।
কিন্তু কারো জীবন থেমে থাকেনি,আমার জানামতে কারো লেখাপড়া বন্ধ হয়নি, বন্ধ হয়নি বিয়ে শাদির মত সামাজিক অনুষ্ঠান, সমান তালে চালিয়ে গিয়েছি আমাদের বাঁদরামি, খেলাধুলা এমনকি প্রেম ভালোবাসাও বাদ যায়নি। এক সময় সব শেষ
হয়ে যায়। জীবনের তাগিদে আমরা একেকজন একেক দিকে ছড়িয়ে পড়ি। এতটুকু জানি ছোট বড় যাই
হোক সংগ্রাম করে আমরা সম্মানের সাথেই জীবন ধারন করছি।
ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন
ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন, এক বর্ষাকালের
ঠিক সন্ধ্যার আগে আগে অফিসার্স ক্লাব থেকে আমি ,দুলি, রাশেদ সহ আরো
কয়েকজন বের হচ্ছিলাম, ক্লাবের গেটের বাইরে
আসতেই চোখ পড়ল আনোয়ার ভাইদের (ডি 1) কাঁঠাল গাছের দিকে, যেটার অবস্থান
উনাদের বিল্ডিংএর পিছনে আর রাস্তার ঠিক পাশে। দেখি তিন চারটি কাঁঠাল আমাদের দিকে
তাকিয়ে আছে আর মনে হচ্ছে যেনো বলছে আমাদের গাছ থেকে পেড়ে নাও।
দুলি আর আমি পরস্পর
একে অপরের দিকে তাকালাম, যা বোঝার দুজনেই
বুঝে নিলাম। কিন্তু তখন ও হালকা আলো ছিলো আর রাস্তা দিয়ে মুসুল্লিরা মাগরিবের
নামাজ পড়তে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলো।আর বৃষ্টির জন্য গাছ ও পিছলা হয়ে আছে, সে জন্য কোন ঝুঁকি নিলাম না।কি করা যায় চিন্তা করছি।
কিছুক্ষন অপেক্ষা করলাম, দেখি রাস্তায়
লোকজন কমছেনা। দুলি আর সহ্য করতে পারলোনা একটা পাথর নিয়ে সোজা গাছের কাঁঠাল বরাবর
মারলো এবং দুটো কাঁঠাল নীচে পড়ল। পাথর ছুড়ে আম, বরই পেরেছি কিন্তু কাঁঠাল পারা !!!
Monday, December 7, 2015
প্রসংগ Grand Adda 29 January, 2016.
বিয়ে শাদীর কথায় আমাদের দেশে একটা প্রবাদ আছে যে লাখ কথা না হলে বিয়ে হয় না'। আমাদের এইটা বিয়ের আয়োজন না হলেও এত বিশাল একটা আয়োজন যে এতে লাখ কথা হবেই।
সবাই সব কিছু বিনা কথায় মেনে নেবে তা হয় না। সবারি এই আড্ডা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি
চলছে। আমরা মেয়েরা ভাবছি কি শাড়ি পড়বো,কিভাবে ছবি তুলবো,কেমন লাগবে ওখানে এতদিন
পর পুরানো মানুষ গুলাকে দেখতে। একটু জটিলতা হয়েছে সেটা আমি মনে করি আর কিছুনা
শুধুমাত্র co_ordination এর অভাব। আর এটার
মুল কারন দুরত্ব। দুই জায়গায় বসে একটা প্রোগ্রাম fix করা চাট্টিখানি কথা না। ওখানে যারা আছেন তারাও আমাদের
শ্রদ্ধাভাজন।
আমার মতে এই সংকট নিরসনের একমাত্র পথ হল প্রতিনিয়ত আপডেট দেয়া। এটা
দুই জায়গা থেকেই হতে হবে। মুল দায়িত্বে যারা আছি বা আছেন আমাদের নিজেদের মধ্যে
প্রতিনিয়ত যোগাযোগ থাকা জরুরি। কতদুর কি হল সেটা নিজেরা জেনে পেইজে জানাতে হবে
তাহলে সবাই যখন জানবে যে কাজ আগাচ্ছে তখন সবাই আরো আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসবে। এখানে
আমাদের first priority হল যারা অংশগ্রহণ
করবে তারা। আমাদের আয়োজন, কস্ট তখনি
স্বার্থক হবে যখন সবার গোচরে বিষয়টা বিস্তারিত আনা হবে। এই যোগাযোগটা না হবার
কারনেই ভুল বুঝাবুঝি। আমরা বুঝতে পারছিনা আমাদের কি করা উচিত বা কেউ জানতে চাইলে
কি বলবো।
Sunday, December 6, 2015
টেলিফোনে যখন ফিসফিস কথা হয় ......................।
এককালে ল্যান্ড টেলিফোনে প্রেম হত।কলোনীর ল্যান্ডন ফোনকেই বুঝানো হতো। সকাল ১০/১১
বাজলেই শুরু হত গুনগুন। নিজের বাসা থেকে কথা বলার সুযোগ পাওয়া যেত বোধ হয় কম,
বন্ধুর বাসা থেকেই চলত আর ওই পাশেও একই অবস্থা একক দিন কন্যার একেক সখির বাসা,
টেলিফোনে কথা টেলিফোনেই প্রেম। সামনা সামনি দেখা হওয়ার চান্স কদাচিৎ। দেখা কর
- দেখা কর বলে বলে মুখে ফেনা উঠে গেলেও অনেক সময়ই দেখা হত না।
যত সব আজাইরা প্যাচাল ছিলো,
এই করছিি এই করব,
এই হইছে,
এই হবে ইত্যাদি ইত্যাদি যারে বলে টোনাটুনির বাক বাকুম।
ঐ ছেলে যদি ব্লগে লিখত তাহলে পোস্টের সংখ্যা যে কত হত। অফিস যাচ্ছি,
অফিস আসলাম এই জাতীয় পোস্টে ভরে যেত। আবার তার সাথে কথা হল সে সুস্থ আছে সে চট্টগ্রাম যাচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি পোস্টও অনেক দেখা যেত।
বলাবাহুল্য এখন এই ফোন অন্য কেউ করে বা অন্য কারো কাছে করা হয়।
" Proudly C.S.M "
- Mahabub Rasel
সবার মাঝে এখন একটাই স্লোগান,
গ্রান্ড আড্ডায় গাইবো একসাথে গান।
আমি C.S.M, আমি DONE grin emoticon
গ্রান্ড আড্ডার ব্যাপারে সবার সহমত আছে,
সবার সহমতের ভিত্তিতেই আমাদের বড়ভাইরা অনেক কষ্ট করছেন এই আয়োজনকে সামনে রেখে,
তাহলে এখানে আমাদের কি করনীয় আছে?
সব কিছু কি এমনি এমনি হয়ে যাবে
?
এই আয়োজনকে সুন্দর করে সফল করার জন্য সবারই অংশগ্রহন প্রয়োজন। এখানে কি এমন কেউ আছেন,
গ্রান্ড আড্ডায় অংশগ্রহন করতে চান না
!!!! নানাবিধ জটিলতায় হয়তোবা ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও অনেকেই আসতে পারবেন না,
কিন্তু আমি এই ব্যাপারে সিউর সবারই এই আড্ডায় অংশগ্রহন করার ইচ্ছা আছে।
Friday, December 4, 2015
টি শার্ট
- - Iftee Nomi
বছর পাঁচ কি
ছয় আগের কথা। আমার স্কুলের কম্বাইন্ড রিইউনিয়ন এর কথা শুনতে পেলাম। আমারে ষ্টিল মিল স্কুল/
কলোনি একবার ডাকলেই হলো কোথায় কি আছে দেখার সময় নেই
, একদম উসাইন বোল্টের মতো করে দৌড় শুরু করি । তারুপর আবার জাহাঙ্গির/রায়হান/ কাইজ্জা ও যাবে । আমারে আর পায় কে
? প্রতিদিন আমরা প্ল্যান করি
, সময় যেন কাটছেই না । চিটাগং এর আলো বাতাস এর স্পর্শ পাবো । সব বড় ভাই বোন দের সাথে দেখা হবে উফ ভাবতেই কেমন জানো লাগছে । ভাবতে ভাবতে এক
সময় আমাদের রিইউনিয়নের সময় হয়ে গেলো
, রিপক আমাদের ৪ ফ্রেন্ডের জন্য ট্রেনের টিকেট কেটে আনলো। কিন্তু প্রোগ্রাম হচ্ছে শীতের সময়,
এক দম হাড় কাপুনে শীত। জাহাঙ্গির বগুড়া থেকে আমার বাসায় এসে বলে দোস্ত টঙ্গিতে শীত কম থাকলেও একেবাড়ে কম না তুই ফ্লিসের কম্বল টা নিয়ে নে ।
Thursday, December 3, 2015
যাদের জীবনে কখনো কলোনিতে থাকার সুযোগ হয় নি তাদের এই লেখাটি পড়া ঠিক হবেনা
যাদের জীবনে কখনো কলোনিতে থাকার সুযোগ হয় নি তাদের এই লেখাটি পড়া ঠিক হবেনা
কারণ এটা তাদের ‘জীবনে কি কি মিস করেছি’
সেই তালিকাটা বড়ই করবে কেবল। আমার জীবনের
প্রায় ১৪ বছর কেটেছে এই সিএসএম কলোনীতে। ১৪ বছর মানে তো সুস্থ সবল বাঙ্গালি জীবনের
প্রায় চার ভাগের এক ভাগ। আর জীবনের ১৪ বছরের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় আর কি হতে
পারে। মানুষ হিসেবে আমি কেমন হব, আমার
চিন্তা-ভাবনা কেমন হবে সবই তো ঐ সময়টায় সচেতন বা অচেতন ভাবে শিখেছি। বাংলাদেশের
প্রায় সব কলোনির কাহিনী, জীবন-চিত্র
প্রায় একই রকম বড়জোর উনত্রিশ-ত্রিশ পার্থক্য (‘বদলে যাও বদলে দাও’ মৌসুম চলছে বলে বহুল প্রচলিত উনিশ-বিশ বাগধারাটা বদলে দিলাম!) তাই সবার সাথে
সেই অভিজ্ঞতাগুলো ভাগাভাগি করার লোভ সামলাতে পারলাম না!
গতকাল টিভি নিয়ে একটি নষ্টালজিক লেখা পোষ্ট করেছিলাম
গতকাল টিভি নিয়ে একটি নষ্টালজিক লেখা পোষ্ট করেছিলাম এরপর থেকে মাথায় অনেক কিছু ঘুরছিলো।
সেই আমলে বাড়ির বড়দের মুখে মুখে আলোচিত একটি নাটক ছিলো সকাল সন্ধ্যা এবং এর পরে ঢাকায় থাকি সিরিয়াল।
সকাল সন্ধ্যা একটি বাংলা ধারাবাহিক নাটকের নাম। ১৯৮০-র দশকের শুরুতে এটি বিটিভি-তে সম্প্রচার হয়। প্রধান চরিত্রে ছিলেন পীযুষ বন্দোপাধ্যায় এবং আফরোজা বানু । তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাটক ছিলো এই সকাল সন্ধ্যা। আরেক ধারাবাহিক নাটক ঢাকায় থাকিতে অভিনয় করেছিলো ডাব্লিউ আনোয়ার পরে বাংলা সিনেমাতে আলীরাজ নাম নিয়ে অভিনয় করেন আর ছিলেন আমাদের তারানা ম্যাডাম (বর্তমানে ফেসবুক রিলেটেড প্রতিমন্ত্রী)। শুকতারা নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটক প্রচারিত হতো তখন, অবশ্য সেটি ছিলো যথেষ্ঠ সমালোচিত, সমসাময়িক কালে সময় অসময় নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটক ছিলো যেখানে রাইসুল ইসলাম আসাদের ন্যাড়া মাথায় মধু পাগলা চরিত্রের অভিনয় এখনো চোখে ভাসে।
সেই আমলে বাড়ির বড়দের মুখে মুখে আলোচিত একটি নাটক ছিলো সকাল সন্ধ্যা এবং এর পরে ঢাকায় থাকি সিরিয়াল।
সকাল সন্ধ্যা একটি বাংলা ধারাবাহিক নাটকের নাম। ১৯৮০-র দশকের শুরুতে এটি বিটিভি-তে সম্প্রচার হয়। প্রধান চরিত্রে ছিলেন পীযুষ বন্দোপাধ্যায় এবং আফরোজা বানু । তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাটক ছিলো এই সকাল সন্ধ্যা। আরেক ধারাবাহিক নাটক ঢাকায় থাকিতে অভিনয় করেছিলো ডাব্লিউ আনোয়ার পরে বাংলা সিনেমাতে আলীরাজ নাম নিয়ে অভিনয় করেন আর ছিলেন আমাদের তারানা ম্যাডাম (বর্তমানে ফেসবুক রিলেটেড প্রতিমন্ত্রী)। শুকতারা নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটক প্রচারিত হতো তখন, অবশ্য সেটি ছিলো যথেষ্ঠ সমালোচিত, সমসাময়িক কালে সময় অসময় নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটক ছিলো যেখানে রাইসুল ইসলাম আসাদের ন্যাড়া মাথায় মধু পাগলা চরিত্রের অভিনয় এখনো চোখে ভাসে।
"কলোনী ও কান্না - ৩"
২৯শে এপ্রিল ১৯৯১ এর ভয়ংকর ঘুর্নিঝড়ের সময় আমরা ছিলাম
F/2 বিল্ডিংয়ে নীচ তলায়। এই দিন আর রাতের বিস্তারিত সবকিছু সবারই জানা। আমার এই ঘটনাটা এর ১/২ দিন পরের। বন্যার পর নিচতলায় যাদের বাসা ছিলো,
বাসায় থাকার মত পরিস্থিতি মোটেও ছিলো না কারো। এমতবস্থায় বন্যার পরদিন আমরা উঠলাম
F-1-10 নাম্বার বাসায়। বাসাটি ছিলো বাতেন কাকার। তিনি একাই থাকতেন,
তার পরিবারের সবাই থাকতো সন্দ্বীপ।
পরদিন আমরা বাতেন কাকার বাসায় উঠার পর যা দেখলাম,
তিনি অস্থির হয়ে আছেন,
কখন সন্দ্বীপ যাবেন,
তার পরিবারের মানুষের জন্য তিনি ছিলেন খুবই চিন্তিত। শুধু তিনি চিন্তিত ছিলেন বললে ভুল হবে,
বিল্ডিংয়ের সবাই চিন্তিত ছিলেন। কারন তখন সন্দ্বীপে তার পরিবারের লোকজন কি অবস্থায় আছে,
তা খবর নেওয়ার কোন উপায় ছিলো না। তিনি তড়ি-ঘড়ি করে চলে গেলেন সন্দ্বীপ। কিভাবে গেলেন জানি না!!!
তবে ছুটে গেলেন।
লেডিস & জেন্টেল C.S.M
এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে,
আমাদের কিছু
C.S.M একজন বিখ্যাত
...... হালিমের কারনে মানবেতর জীবন যাপন করিতেছেন। জীবনে মজা করে এত ধরনের হালীম খেলাম,
কিন্তু এই হালিমের দেখা আগে কেন পেলাম না,
এই হালিমের বাবুর্চি কে?
এই হালিম খেয়ে আমাদের কিছু
C.S.M এর মনবেতর জীবন যাপনের নমুনা দেখেন,
তাদের ফেসবুক একাউন্ট আছে,
কিন্তু
C.S.M কলোনী নাই
!!!
তাদের কাছে ডাটা আছে,
কিন্তু
C.S.M কলোনী নাই
!!!
তাদের হাতে মোবাইল আছে,
কিন্তু
C.S.M কলোনী নাই
!!!
তাদের বাসায় কারেন্ট আছে,
কিন্তু
C.S.M কলোনী নাই
!!!
তাদের অনেক ইচ্ছা আছে,
কিন্তু
C.S.M কলোনী নাই
!!!
তাদের চোখে ঘুম নাই,
কিন্তু
C.S.M কলোনী নাই
!!!
এই সব গৃহবন্ধী এবং হালিমে আটকে পড়া ভাই-বোনদের উদ্ধারের জন্য আমাদের করনীয় কি
? আমরা কি পারি না তাদের পাশে দাড়াতে
tongue emoticon এইসব অসহায়দের উদ্ধার করতে
? tongue emoticon
Subscribe to:
Posts (Atom)