কোন প্লান না করে বাড়িতে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভোর ৫ টার গাড়িতে উঠে ৮.৩০ মিনিটে বাড়ি এসে পৌছে সবাইকে অন্য রকম একটা সারপ্রাইজ দিলাম, আমার ৩ টা ছেলে যে কি খুশি হইছে তা বলার মতো না,বিশেষ করে আমার ৮ মাসের ছেলেটা বাবাকে পেয়ে সারাদিন বাবার কোলেই ছিল,এটাই তো এক অন্য রকম ভালোবাসা দিবস তাই না
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Sunday, February 14, 2016
ভরা ডুবি-ডুবি জীবন আমার
- Ripon Akhtaruzzaman
ভরা ডুবি-ডুবি জীবন আমার
চরম শূন্যতায়
বেঁচে থেকে কি লাভ বল?
কি আছে দুনিয়ায়!
ছড়া আর জোকস বলি সারা দিনই
কাঁচা হাসি ভরা ভরা মুখ
বিস্ময় ভরা, বিষ-ময় পথ
নাইরে কোথাও সুখ!
মেজাজ মর্জি কন্ট্রোলে নাই
পকেটেও নাই ক্যাশ
ক্ষুধা পিাপাসা নিদ্রাও নাই
আসলেই আমি শ্যাষ!
জানিনা আমি চলব কিভাবে
কিভাবে আজও চলছি
পাগলেও আমার ধার ঘেঁষে না
অনেক দুঃখ নিয়া বলছি।
ভরা ডুবি-ডুবি জীবন আমার
চরম শূন্যতায়
বেঁচে থেকে কি লাভ বল?
কি আছে দুনিয়ায়!
ছড়া আর জোকস বলি সারা দিনই
কাঁচা হাসি ভরা ভরা মুখ
বিস্ময় ভরা, বিষ-ময় পথ
নাইরে কোথাও সুখ!
মেজাজ মর্জি কন্ট্রোলে নাই
পকেটেও নাই ক্যাশ
ক্ষুধা পিাপাসা নিদ্রাও নাই
আসলেই আমি শ্যাষ!
জানিনা আমি চলব কিভাবে
কিভাবে আজও চলছি
পাগলেও আমার ধার ঘেঁষে না
অনেক দুঃখ নিয়া বলছি।
গত কয়েক দিন ধরে ভাবছি লিখব, কিন্তু কি লিখব?
গত কয়েক দিন ধরে ভাবছি লিখব, কিন্তু কি লিখব? লিখার জন্য স্থির হতে হয়। তাতো হতে পারছিনা, গাড়িতে বসে লিখা যায়, কিন্তু ঝাঁকুনি তে ভাবনাগুলো ঝাকাঝাকি করে।তবুও লিখা, ফাল্গুন, ভালবাসা দিবস এগুলো ঈ ত লিখার মৌসুম।
ঘটনা টা নব্বই দশকের।তখন আমরা ডি টাইপে থাকি।সবে ভার্সিটি তে এডমিশন নিয়েছি কিন্তু ক্লাস শুরু হয়নি।গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়াচ্ছি।সন্ধ্যাবেলায় বাসায় ফিরছি।দেখি আমাদের পাশের বাসার তুশি নিচতলার লিমার সাথে কথা বলছে কোন রচনা পড়বে তা নিয়ে।কালকে ওর ইংরেজি ২ য় পরীক্ষা। ওর টেনশন দেখে আমি বলে বসলাম A journey by bus রচনা দেখে যেতে পারিস, আসতে পারে।এটা বলেই আমি বাসায় ঢুকে গেলাম।
"একটি অমানবিক আবেদন"
সিএসএম পেইজের স্বল্প পরিচিত এবজন সদস্য আগামি ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি অফিসের কাজে ঢাকায় অবস্থান করবে। ঢাকার রাস্তাঘাট, হোটেল, খাওয়া দাওয়া সম্পর্কে সে বিশেষ ভাবে অজ্ঞ। কোন সহ্রদয় ব্যক্তি তাকে এই ব্যাপারে সাহায্য সহযোগীতা করেন তাহলে সে চির কৃতজ্ঞ থাকিবে। উল্লেখ্য যে হোটেল ও খাওয়া দাওয়া উপর যে পরিমান টাকা সাশ্রয় হবে সে টাকা দিয়ে ঢাকায় সিএসএম বাসীদের নিয়ে পার্টির আয়োজন করা হবে।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ সিএসএম পেইজ।
বিদ্রঃ হোটেল ও খাওয়া দাওয়া উপর যে পরিমান টাকা সাশ্রয় হবে সে টাকা দিয়ে ঢাকায় সিএসএম বাসীদের নিয়ে পার্টির আয়োজন করা হবে।
মরা রাশেদের বাসা খালি আজ দু তিন ধরে
মরা রাশেদের বাসা খালি আজ দু তিন ধরে, ইতিমধ্যে তার বাসায় অপারেশনের মুরগী পর্ব, ইমোশনাল পানীয় পর্ব শেষ । আর কি করা যায় সে ভাবনায় আছি, সবাই মিলে ভেবে বের করলাম সবজী খিচুড়ি করলে কেমন হয় আমাদের মনিরূল আবার ভালো খিচুড়ি রান্না করতে পারে। এখন সবজী পাওয়া যায় কোথায়, সবজী কিনার পাবলিক তো আমরা নই, মনে পড়ল বি এইচ ১ এর মাঠের এক কোনায় এক চাচার সবজী বাগান আছে, (সংগত কারনে চাচার নাম প্রকাশ করলাম না) উনি সেখানে নানান পদের সবজী চাষ করেছেন। রাত ৯ /১০ টার দিকে আমরা কয়েকজন অপারেশনে নেমে গেলাম, কিছুক্ষন পর দেখি বাগানের মালিক ঐ চাচা বাজার থেকে আসার সময় আমাদের দেখে ফেলেছেন আমারাও ধরা খাওয়া মুরগীর মত উনার সামনে কাচুমাচু হয়ে আছি, খেয়াল করলাম আমদের মধ্যে রাশেদ নেই, দু তিন মিনিট পর রাশেদ বাগানের ভিতর থেকে একটি স্যান্ডেল হাতে আরেকটি স্যান্ডেল পায়ে নিয়ে ঐ চাচার কাছে এসে বলল “ কাকা আমার এই স্যান্ডেল টা আপনার বাগানে পড়ে গেছিলো তাই এটা নিতে আপনার বাগানে ঢুকেছিলাম চুরি করতে ঢুকি নাই, আমরা সবজী চুরি করিনা” এই চাচা কে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে সে আমাদের সবাইকে নিয়ে সেখান খেকে চলে গেলো আর ঐ চাচা তো রাশেদের কথা শুনে পুরা হতভম্ব।
খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঘুমিয়ে থাকা আদৃতা
খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঘুমিয়ে থাকা আদৃতা - আজানের মার কপালে আলতো করে চুমু খেলাম। বৌ আমার এতো অল্প স্পর্শেই সাড়া দিবে ভাবিনি। ঘুমের ঘোরে আড়মোরা দিয়ে তাকানোর সাথে সাথেই বললাম "Happy Samee's Day. বৌ বোধহয় ইলেক্ট্রিক সকড খেল আর বসে বললো কি বললে? একই কথা আবার রিপিড করলাম। বৌ আমার পুরো সময়টাই মাটিতো না এক্কেবারে কাঁদাযুক্ত এটেল মাটি করে দিয়ে বললো কি ব্যাপার এই বুড়া বয়সে মনে হয় ভালবাসা মন ডিঙ্গিয়ে উপছে পড়ছে! ব্যাপারটা কি? আর ভ্যালেন্টাইন সাহেব কে কই পাঠায়া দিয়া ওই আসনটা নিজে দখল করলা? বুঝলাম আমরা সবাই valentine শুনতে শুনতে অভ্যস্ত। কাজেই উলটা সিধা করলে খবর আছে। সকালটা শুরু হলো এই ভাবেই।
রাত পেরোলেই পরীক্ষা
রাত পেরোলেই পরীক্ষা । অসম্ভব প্যারা খাচ্ছি । ঘুম আসছেনা । একটা কারনে মন ও বেশ খারাপ । চোখ বন্ধ করে যতই ঘুমানোর চেষ্টা করলাম ততই কিছু স্মৃতি মনে পড়ছে ।
আমার জীবনের প্রথম বাসা F-9 এর ১৬ নং বাসা । আচ্ছা একটা মানুষের ছোটবেলার স্মৃতি কতটুক মনে থাকে? জীবনের প্রথম ৫বছর ৪মাস কাটানো ওই বাসার অনেক স্মৃতি আমার এখনো মনে আছে বললে আমার ভাই হাসে । ওর ধারনা আমি বানিয়ে বলি কথাগুলো । অথচ আমি বানিয়ে কখনোই বলিনা । আমার সব কিছু মনে না থাকলেও কিছু জিনিস খুব স্পষ্ট মনে আছে ।
গোটা একটা দিন চলে যাচ্ছে
গোটা একটা দিন চলে যাচ্ছে। তাও আবার ভালোবাসা দিবস। কি করি? কার কাছে যাই? মনে মনে চাচ্ছিলাম, আতিকের কাছে যাই, দুই ভাই মিলে ডাল/ভাত খাবো, আর ভালোবাসা দিবসটা নিয়ে, বিশাল একখান আলোচনা করবো। হারামি আবার দিবস/টিবস বিশ্বাস করেনা। মনে হয়, বউ এর প্যাদানি খাইয়া, এখন সাধু হইছে। রিপনের কাছে যাবো!! না, লাভ হবেনা, শালা, সকালে উঠেই, টেলিফোনের লাইন নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরে। অপুর কাছে গেলে, বলে বসবে, ভাই সুনেন, এটা যদি গার্মেন্টস এর কোনো আইটেম হয়ে থাকে, তাহলে আলোচনা করা যায়, তা না হলে ভাগেন। আপনে মানুষ সুবিধার না, সুযোগ দিলেই CSM Colony, এর নামে, আগামি আড্ডার চাদা চেয়ে বসবেন। বন্যার কাছেতো যাওয়াই যাবেনা। আমার চেয়ে বড় চাদা বাজ। দেখা হওয়া মাত্র বলবে, ভালোবাসা/টালোবাসা পরে, কি আনছেন আগে কন?? তারিকের কাছেতো আজকে যাবোই না। এই বুইড়া বয়সে আমার সর্বনাশের মুল, তারিক হারামি।
Saturday, February 13, 2016
আজ ১২/০২ আমার প্রিয় ভাই/বন্দু/শিক্ষক রিপন ওরফে মদন ওরফে সারেগামা র ৪৮তম জন্ম দিন
আজ ১২/০২ আমার প্রিয় ভাই/বন্দু/শিক্ষক রিপন ওরফে মদন ওরফে সারেগামা র ৪৮তম জন্ম দিন। সে আমার ও ছোটবোনের বিজ্ঞান ও গনিতের শিক্ষক ছিল।তার বুঝানোর অভিনব উপায় সব সময় আমায় মুগ্ধ করত।তিনি বন্ধুদের মন্ জয় করতে সক্ষম হলেও জীবনযুদ্ধের এক পরাজিত সৈনিক।তার জীবনের শত দুঃখ কষ্ট ও অভাবের কথা কাউকে বুঝতে দিত না।ফলে সবাই ভাবতো রিপনের কোন দুঃখ নাই। সে হাসি মুখে শত দুঃখকে জয় করে নিতে পারে। সে বলত পুরুষের প্রেম নারীকে কাদায় আর নারীর ছলনা পুরুষকে করে খাটি। সেই খাটি মানুষটি ১৯৯১র জলোচ্ছাসে আমাকে ও আমার পরিবারকে যে সাহায্য করেছ তা ভুলার নয়। আজ তার জন্মদিন অনেক অনেক শুভকামনা।
পল্লী কবির-ব্যাপি ভ্যালেনটাইন ডে
- Ripon Akhtaruzzaman
পল্লী কবির-ব্যাপি ভ্যালেনটাইন ডে
ফেব্রুয়ারীর 14 তারিখ হঠাৎ সকাল বেলা
ভালবাসার সমস্ত ভুত পল্লী কবিকে মারে ঠেলা
ভুতের ঠেলায় ভালবাসার গান উঠে যেই গেয়ে
সিড়িঁর উপর কবি দেখেন----- সাহেবের বড় মেয়ে।
দেখেই কবি চমকে গেলেন, থমকে বলেন হায়
কিছু বলার এমন সুযোগ এই বুঝি যায় যায়!
ঠোঁট নরেনা পেটর ভিতর উঠে কথার ঝড়
কেমন আছো? বললেন কবি অনেক ঘামের পর।
পল্লী কবির-ব্যাপি ভ্যালেনটাইন ডে
ফেব্রুয়ারীর 14 তারিখ হঠাৎ সকাল বেলা
ভালবাসার সমস্ত ভুত পল্লী কবিকে মারে ঠেলা
ভুতের ঠেলায় ভালবাসার গান উঠে যেই গেয়ে
সিড়িঁর উপর কবি দেখেন----- সাহেবের বড় মেয়ে।
দেখেই কবি চমকে গেলেন, থমকে বলেন হায়
কিছু বলার এমন সুযোগ এই বুঝি যায় যায়!
ঠোঁট নরেনা পেটর ভিতর উঠে কথার ঝড়
কেমন আছো? বললেন কবি অনেক ঘামের পর।
পাপপু
পাপপু ভাই সি এস এমের এক। মেধাবী সিংহ, দীর্ঘ সাত বছর শারীিরক অক্ষ মতার যনত্রনার সাথে লড়াই করা এক সি এস এম ভাই, যার সাথে আজ আমার সাকখৃাত ১৭ বছর পর, কমু ভাইয়ের কথা (ওর সব কিছু মনে আছে) আজ আমাকে মুগ্ধ করে দিল , পপপু ভাই আমাকে দেখেই বললেন, আরে তোমাকে চিনব না?তুমি ঔ কাকার ছেলে। এক এক করে আমার বাবার সাথে উনা সমপর্ক, বাবার দৈনদিন ধর্মীয় কার্যকলাপ গুছিয়ে বললেন, উনার সাথে দেখা হওয়ার পর থেকেই আজ বাবার কথা বারবার মনে পরছে।
পাপপু ভাই কলোনির সব ভাই বোন দের কথা জানতে চাইলেন, সবাইকে জানাতে বলেছেন উনি আগের থেকে একটু ভাল আছেন। নাজমুল ভাই এর মাধ্যমে সবাই উনার খোঁজ খবর রাখেন, জামশেদ ভাই ও ভাবী উনার খোঁজ খবর করেন, আজও জামশেদ ভাই ভাবী দেখতে গিয়ে ছিলেন। পাপপু ভাই উনার সাথে তোলা ছবি পোসট করতে বলেছিলেন , কিনতু কারিগরি সমস্যার কারনে ছবি দিতে পারলাম না, এই জন্য দু:খিত, আজ আমার সাথে ছিল রেমন, জামশেদ ভাই ও ভাবী।
গ্রান্ড আড্ডা এবং আমার পোষ্টমটাম
আমার এ লেখাটা গ্রান্ড আড্ডা দুদিন পর লিখে ছিলাম। তখন কলোনীর পরিবেশ অন্য রকম হয়ে যাওয়ায় পোষ্ট করা থেকে বিরত ছিলাম। আবার স্বাভাবিক অবস্থ ফিরে এসেছে---তাই পোষ্ট করা:
______________________________________________________
গ্রান্ড আড্ডা এবং আমার পোষ্টমটাম
---------------------------------মঈন খান
ঈদ ঈদ আনন্দ নিয়ে রওয়ানা হলাম।আমার ছোট কন্যার আবার বাস জার্নিতে ভীষণ রকম এ্যলারর্জি। বাসে উঠাতো দূরের কথা বাসের কথা শুনলেই বমি বমি বলে চিৎকার শুরু করে।তাই বহু ঝক্কি ঝামেলা করে ট্রেনের ২টিকেট যোগার করেছিলাম। ট্রেনে উঠেই দেখি বন্যা তার পুরো টিম নিয়ে আমার দুসিট দখল করে বসে আছে।ওর মেয়েদের মামা মামা চিৎকারে তখন আমি সব যাত্রীদের চোখে পাক্কা মামু। আমার সাথে তারাও আমার ভাগনিদের দেখছে। কবে ট্রেন ভ্রমন করে ছিলাম মনে নেই। এবার জার্নিতে ট্রেনের স্থায়ী বাসিন্দা পেশাদার ভিক্ষক-ফেরিয়ালাদের সাথে নতুন উৎপাত ২ হিজরাকেও দেখলাম। ফেরিয়ালা ভিক্ষক তো ঠেকানো যায় কিন্তু হিজরা ঠেকাবেন কী দিয়ে!! সারাক্ষণ হা হা হি হি করে ২৮/০১/১৬ তারিখ চট্টগ্রাম নামলাম।সংক্ষেপে এই ছিল গ্রান্ড আড্ডার জার্নি।
আমি ভুলে যাই তুমি আমার নও (গল্প-১)
রিকশা তে তোমার হাতে হাতটা রাখতেই এক ঝাঁকি দিয়ে হাতটা সরিয়ে নিলে।কেনো হঠাৎ তোমার এই আচরণ, জানতে চাইনি।ঠিক দুই বছর আগে সেই দিনটি যেদিন আমার কাছে “না” শব্দটি শুনে পাগলের মত রিকশা করে চলে যাচ্ছিলে, তোমার উড়না জড়িয়ে যাচ্ছিলো রিকশার চাকায় , সেদিনও জানতে চাইনি তোমার কেনো এই আচরন।সবকিছু মন দিয়ে বুঝে নিয়েছিলাম।আজো বুঝে নিলাম তোমার হয়ত অন্য কেউকে ভালো লেগেছে কিংবা হঠাৎ তোমার উপলব্ধি আমাকে তুমি জেদ করে ভালোবেসেছিলে।
আজ ভালোবাসার দিন সবাইকে দেখে আমার কি তোমার কথা মনে করা উচিত!? না মনে পড়েনা, আরেহ আমরাতো এই দিনে একসাথে বেরই হতামনা,আমি থাকতাম অফিসের কাজে, আজো তাই।তোমাকে কি এই দিনে কখনো একটি গোলাপ দিয়েছিলাম,মনে তো পড়েনা!!আমি তোমাকে মিস করছিনা কেন!? তবে কি আমিও তোমায় ভালোবাসিনি!! হবে হয়ত।
শনিবার আমার অফিস খোলা থাকলেও আমি একটু রিল্যাক্স থাকি
শনিবার আমার অফিস খোলা থাকলেও আমি একটু রিল্যাক্স থাকি। কারন ব্যাংক, শিপিং লাইন, আমাদের কোরিয়া অফিস বন্ধ থাকে। কিন্তু আজকে সব কিছু বন্ধ থাকার পরও এত প্রেসারে ছিলাম তা বলার মত না। মনে হয় আমার চাকুরী জীবনে কোন শনিবারে এত টেনসনে বা প্রেসারে ছিলাম না। টেনসনে দুপরে লাঞ্চ পর্যন্ত ঠিক মত করতে পারি নাই। এখন রাত বাজে ৯.০০ টা তারপরও টেনসনে ক্ষিধাও লাগছে না। আজকের কাজ শেষ। টেনসন কিছুটা কমেছে। তবে আগামীকাল সন্ধ্যা আগ পর্যন্ত পুরোপুরি টেনসনে ফ্রি হতে পারবো না। তারপরেও কাজের ফাঁকে ফাঁকে সিএসএম পেইজে ঢুকেছি। কে কি পোষ্ট দিছে তা ভাল করে দেখি নাই। তবু লাইক দিয়ে গেছি। সারাফের মাকে নিয়ে একটা কমেন্টস লিখতে চেয়েছিলাম পরে কাজের চাপে তা ভুলে গেছি। সিএসএম পেইজে ঢুকা নেশার মতো হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর পর না ঢুকলে মনে হয় কি যেন মিস করে ফেলছি। আড্ডার থিম সং মিউজিকটা রিংটোন হিসেবে রেখেছি যেন ফোন আসলে সিএসএম এর কথা মনে পড়ে। মনে হয় সহজে এই রিংটোন পরিবর্তন হবে না।
সংবিধিবদ্ধ করন সতক করন বিজ্ঞপ্তি::
অনেক দিন থেকে একটা বিষয়য় লজ্ঞনিয় যে আমাদের রেজার লিখায় প্রায় ওঠে আসে সরাফের মায়ের কথা। সরাফের মা এটা করছে ওটা করছে বাদরামি ইতরামি করছে। কিন্তু আমার মুটে ও সেরকম মনে হয় না। সকলেই কি ভাবছ?
রেজা কি কিছুই করছে না সরাফের মার সাথে? সরাফের মার কি কন নাম নেই? জানা মতে আমাদের ভাবিজানের এই ধরনিতে আগমনের সময় উনার মা বাবা গরু ছাগল অথবা মুরগি জবাই করে সুন্দর একটা নাম দিয়েছেন। সেই নাম টা আমাদের রেজা কি কখনও কি সুন্দর করে সবার মাজে উপ্সতাপন করেছে? না তা কখনও করেনি।
এর সমাধান সরাফের মার সরব উপস্তিতিতে প্রমানিত হবে। কাজেই এই সুন্দর কাজ টি রেজা না করা পরজন্ত সমন জারি করা হল।
উকিল সাব
আমেরিকান হাই কমিটি।
কপি টু """জসিম রিপন নাজমুল নিরু জিয়া চাঁদ সুলতানা"
১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৬
১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৬, জরুরী কাজে হঠাৎ করে ঢাকা আসা লাগবে এবং রাতের মধ্যেই, তখন তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগের আন্দোলন চলছিলো, তড়িঘড়ি করে বিকেলেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম কিন্ত অনেক রাতেও ঢাকা এসেও কাজ হলোনা, পরদিন ১৩ তারিখ সকালে কাজ শেষ করলাম, এবং এ িদনই আবার চিটাগাং ব্যাক করবো পরদিন অর্থাৎ ১৪ তারিখ থেকে আবার হরতাল। ঢাকার আত্মিয় স্বজন রা আমাকে এই আন্দোলনের মধ্যে চিট্াগাং যেতে দিতে চাইছেনা। বলছেন আরো দু এক দিন পর যেতে,কিন্ত আমাকে যে করেই হোক ১৩ তারিখের মধ্যে চট্টগ্রাম ফিরতেই হবে। অবশেষে তাদের সাত পাঁচ চৌদ্দ বুঝিয়ে অনেক ঝক্কি ঝামেলার মধ্যে দিয়ে অনেক রাতে ১৩ তারিখই চট্টগ্রাম পৌছেছি।
Friday, February 12, 2016
৮৭./৮৮ সালে ঢাকায় আবহনী /মোহামেডান এর খেলা প্রভাব পড়ত আমাদের কলোনীতে
৮৭./৮৮ সালে ঢাকায় আবহনী /মোহামেডান এর খেলা প্রভাব পড়ত আমাদের কলোনীতে ।ঢাকায় মাঠ কাপাত মহসিন,চুন্নু ,মুন্না,আসলাম,কানন,সাব্বির,কায়ছার হামিদ।আমাদের কলোনীতেও মাঠ কাপাইত আবহনীর হয়ে ইকবাল ভাই,জামশেদ ভাই.,জাফর ভাই,নিরু মামা,রেজুওয়ান ভাই ,জসিম ভাই, তাপস দা আর মোহামেডানে বাবলা ভাই,রেজা ভাই,আনোয়ার ভাই,টিটু ভাই,বাবু দা,শেলি ভাই . রিপন ভাই,শাহিন ভাই আরো অনেকে।সবার নাম মনে নেই।তখন কলোনীতে থমথমে ভাব থাকত।খেলা হত চরম উওেজনা ।হাফটাইমে দেখতাম রেজা ভাই,বাবু দা,তাপস দা কি যেন টানত এফ টাইপ ৫নং এর সিড়ির নীচে।সিগারেট।এটা খাইলে নাকি দম বাড়ে।খেলায় স্পিরিট পাওয়া যেত।
আমাদের রিপন ভাই
আমাদের রিপন ভাই | কলোনীতে থাকতেই উনার সাথে পরিচয় ছিলো কিন্তু তেমন একটা কথা হতোনা | ঢাকায় আসার পর উনার সাথে আবার দেখা হলো | অসাধারণ একজন মানুষ |জীবনে খুব কম মানুষ দেখেছি এই রকম | উনার ব্যাক্তিগতো যতোই জরুরী কাজ থাকুক না কেনো CSM এর কাজ থাকলে সব ছেড়ে চলে আসে শুধো CSM না CSM এর কোনো সদস্যর যদি কোনো সমস্যা হয় তা যদি উনি জানতে পারে তাকেও সাহায্য করার জন্য ঝাপিয়ে পড়ে | আজকে রিপন ভাইয়ের জন্মদিন | শুভজন্মদিন রিপন ভাই |ভালো থাকবেন |অনেক অনেক ভালো থাকবেন | দোয়া করি আল্লাহ যেনো আপনাকে পরিবার পরিজন নিয়ে সবসময় সুখী রাখেন |
(রিপন ভাই আপনার অনুমিত ছাড়া আপনাকে নিয়ে লিখলাম | ভূল হলে ছোট ভাই টাকে ক্ষমা করবেন)
একটু আগে অফিসের পিকনিক শেষ করে বাসায় ফিরছি
একটু আগে অফিসের পিকনিক শেষ করে বাসায় ফিরছি, পথে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় জ্যামে আটকে আছি, বসে বসে আমাদের গ্রান্ড আড্ডা আর আজকের পিকনিক নিয়ে চিন্তা করছি। আমাদের গ্রান্ড আড্ডা ছিলো সম্পূর্ন আবেগের সৃষ্টি, প্রাণের টানের একটি অনুষ্ঠান। আর আজকের পিকনিক পুরোপুরি চাকুরীর বাধ্যবাধকতার কারনে যোগ দেয়া লেগেছে। প্রচুর অর্থের যোগান ছিলো, কিন্তু প্রানের কোন টান ছিলোনা। এ থেকে একটা জিনিসই পরিষ্কার হয়ে গেলো যত বড় অনুষ্ঠানেই যাই না কেনো আমার সি এস এম - এর চেয়ে বড় কোন অনুষ্ঠান হতে পারেনা। সিএসএম এর চার পাঁচজন মিলেও যদি একসাথে হই সেটাও আমার কাছে বিশাল ব্যাপার।
আজ বন্ধু রিপনের জন্মদিন
আজ বন্ধু রিপনের জন্মদিন।দিনের শেষে আসলাম বন্ধুর জন্য কিছু লিখতে।দেরি নিয়ে রিপনের কোন অভিযোগ থাকবে না,এটা আমি নিশ্চিত কারন রিপন কোন কাজ সঠিক সময়ে করতে পারে না।সুতরাং তার বন্ধু হিসাবে আমারও ব্যাতিক্রম হবে কেন? রিপন সাদা মনের মানুষ কিনা আমি জানিনা,রিপন সহজ সরল কিনা তার ব্যাখাও আমার কাছে নেই।আজ একটা কমেন্ট- এ নটি লিখেছিলাম কারন মাঝে মাঝে আমি নই স্বয়ং আল্লাহও মনে হয় ওকে চিনতে পারে না।ক্ষমা করবেন আমি আল্লাহর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিনা রিপনের অদ্ভুত আচরনের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করলাম।মাফ করে দিস্ রিপন সবাই হয়তো তোর বন্দনা করে পোস্ট দিয়েছে আমি আমার দৃস্টিকোন থেকে তোকে বিশ্লেষন করার চেষ্টা করছি।
আমার বন্ধু মানিক আবার রিপনের পক্ষে কলম ধরে লিখে দিতে পারে" কাব্য রসিক সজ্জন, বেসম্ভব প্রতিভার অধিকারী বন্ধু রিপনকে নিয়ে এ এক নিচক ষড়যন্ত্র" আবার নাজমুল লিখতে পারে - "আপনি একটু বেশীই বুজেন"। রেজা লিখে দিতে পারে -" নাজমুল ইস রাইট"। আমার বন্ধু মাসুক আমাকে ফোন দিতে পারে।ওপাশ থেকে হয়তো শুনবো-" হ্যালো জসিম তোমার এটা উচিত হয়নি, ফেসবুকে লিখা কি তোমার উচিত হইছে,জেনারেল একটা ভদ্রতাতো থাকা উচিত"। বিষেশ করে বন্ধু ইকরাম বলবে -"দেখ জসিম তোর উচিত ছিল ফোনে রিপনকে এসব বলা,এখানে লিখাটা তোর উচিত হয়নি"। আসলে আমি বুঝিনা কোনটা ফোনে বলতে হয় আর কোনটা ফেসবুকে দিতে হয়।নুতন ইউজার তাছাড়া এমন সোসাল গ্রুপের সাথে কখনও জড়িত ছিলাম না।
Thursday, February 11, 2016
খোলা চিঠি
প্রায় সব মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির জীবন যাপন একই রকম। আমাদের CSM Colony এরও সবার জীবন যাপন প্রায় একই রকম ছিল। মধ্যবিত্ত ফামিলিরা অনেক কষ্ট করে তাদের সন্তানদের বড় করে। সেটা আমার CSM Colony এর সব ভাই বোনই অনেক ভাল জানে, অনেক ভাল বলব না, সবচেয়ে ভাল জানে। মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির বাবা মার একটাই স্বপ্ন থাকে তাদের সন্তানরা বড় হয়ে মানুষের মত মানুষ হবে, ভাল মানুষ হবে।
আমাদের বাড়ির অনেক বড়লোক আত্মীয় স্বজন আমার আব্বুকে প্রায় একটা প্রশ্ন করত, সেটা হলঃ সব টাকা, জমিজমা যদি সন্তানদের পিছনে খরচ করছ তাহলে কি হবে? নিজেদের জন্য কিছু ব্যাংকে জমা কর, কিছু জমি কিন, জাইগা কিন, বাড়িতে বাড়ি কর আর অনেক কিছু। এখন সন্তানদের জন্য সব খরচ করতেছিস দেখবি পড়ে এই সন্তানরাই তোদের লাথি মেরে চলে যাবে, এখনো সময় আছে নিজেদের জন্য বাড়িতে কিছু কর।
উনাদের প্রশ্নের জবাবে আব্বু হাসতে হাসতে শুধু এটাই বলত “ আমার ২ ছেলেই আমার ব্যাংক ডিপোজিট, আমার সম্পদ, আমার জাইগা জমি, আমার বাড়ি সর্বোপরি আমার সব। আমি যদি আমার ২ ছেলেকে মানুষের মত মানুষ বানাতে পারি, ভাল মানুষ বানাতে পারি তাহলে ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার কোন চিন্তা করতে হবে না। ওরাই আমাদের দেখবে। আমার ছেলেরা CSM Colony তে থাকে, ওরা আমার সৎ উপার্জনের টাকার ডাল ভাত খেয়ে বড় হচ্ছে, ওরা CSM Colony এর সৎ বাবা মায়ের সন্তানদের সাথে মিশে, ওরা CSM Colony এর সৎ বাবা মায়ের সন্তানদের সাথে লিখাপড়া করে, ওদের সারাদিন সারারাত ২৪ ঘণ্টা কাটে CSM Colony এর একদল সৎ মেহনতি মানুষের সৎ সন্তানদের সাথে। সুতরাং আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন ভয় নাই। শুধু আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের জন্য দোয়া করবেন। বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা ।“
ধন্যবাদ দিবো না
- Kamar Uddin Komu
ধন্যবাদ দিবো না,
ধন্যবাদ নিবো না।
ধন্যবাদ দিতে দিবো না,
ধন্যবাদ নিতে দিবো না।
ধন্যবাদ দিলে সমস্যা,
ধন্যবাদ না দিলে আরো বেশি সমস্যা।
ধন্যবাদ দিবো না,
ধন্যবাদ নিবো না।
ধন্যবাদ দিতে দিবো না,
ধন্যবাদ নিতে দিবো না।
ধন্যবাদ দিলে সমস্যা,
ধন্যবাদ না দিলে আরো বেশি সমস্যা।
মুরাদপুর মোড়
- Javed
মুরাদপুর মোড়
----------------
ইদানীং নগরীর বিশেষ একটা মোড়ে
ট্রাফিক জ্যামে পড়ে
আমার অদ্ভুত অনুভুতি হচ্ছে।
গাড়ির ভেতরের গুমোট গরম- হয়ে যাচ্ছে
ভূমধ্যসাগর অঞ্চলের আরামদায়ক জলহাওয়া।
সারাদিন খেটে আসা মানুষ গুলোর গায়ের ঘামের গন্ধ
রুপান্তরিত হচ্ছে ইরানি "গুলাব" সুগন্ধিতে।
মুরাদপুর মোড়
----------------
ইদানীং নগরীর বিশেষ একটা মোড়ে
ট্রাফিক জ্যামে পড়ে
আমার অদ্ভুত অনুভুতি হচ্ছে।
গাড়ির ভেতরের গুমোট গরম- হয়ে যাচ্ছে
ভূমধ্যসাগর অঞ্চলের আরামদায়ক জলহাওয়া।
সারাদিন খেটে আসা মানুষ গুলোর গায়ের ঘামের গন্ধ
রুপান্তরিত হচ্ছে ইরানি "গুলাব" সুগন্ধিতে।
রেগে গেলেই তো হেরে গেলে
একটা বাংলা প্রবাদ আমাদের সবার জানা তবুও আমি আবার মনে করিয়ে দিতে চাই, জানিনা আমার এভাবে বলা ঠিক হচ্ছে কি না, তার পর ও বলছি ভুল হলে pardon me " রেগে গেলেই তো হেরে গেলে"। আমি জয় পরাজয় নিয়ে বলছি না।আমার বলার উদ্দেশ্য হলো আমরা সবাই একে অপরের আর সেই কারনেই আমরা এত বছর পর আবার আকত্রিত হতে পেরেছি। সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় আমরা একটু একটু করে কিছু করার চেষ্টা করছি। তাই আমাদের উচিত conflict হয় এমন অনেক কিছু এরিয়ে যাওয়া।
আমরা আনেকেই না বুঝে অকারনে অনেক সময় react করি কিন্তু,ফলাফল বা প্রাপ্তি কি হবে তার দিকে একবারও তাকাই না। এটা relationship কে আরও জটিল করে তোলে। তবে কারো আবদানকে highlight করাটা দোষের কিছু নয় বরং কৃতঙ্গতা প্রকাশ করলে তার সাথে সম্পৃক্ত সকলে তার প্রতি আরো সহানুভুতিশীল হয়। কারো প্রতি কৃতঙ্গতা প্রকাশ করলে যদি মনে হয় নিজেকে ছোট করা তাহলে মনে হয় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবরতন আনা একান্ত প্রয়োজন। তাই ভাল কাজের জন্য আমাদের সকলের উচিত recognition দেওয়া তার মানে এই না যে তাকে প্রসংশার বন্দনায় বিশেষায়িত করা।
"আমার ছোট বোন শেলী"
গত কয়েকদিন এক বায়ারের শিপমেন্ট নিয়ে টেনসনে ছিলাম। ফরওয়ার্ডার বলে এক কথা ক্যারিয়ার বলে আরেক কথা। দুইটারই ভাবসাব আলাদা। আজকে ফোনে কথা বলেছি প্রচুর। এত বেশি কথা বলেছি যে মোবাইলের চার্জ দুইবার দিতে হয়েছে। বিদেশী এক ব্যাংকের ম্যানেজারের সাথে দেখা করার কথা ছিল, করতে পারি নাই এমনকি ফোন করতেও ভুলে গেছি। প্রচন্ড টায়ার্ড লাগছে। সন্ধ্যায় বাসায় আসার পরে তাই বিছানায় শরীরটাকে আত্মসমর্পন করলাম। একটু পরে গৃহমন্ত্রী এসে বললো আগামীকাল বোয়ালখালী যেতে হবে জানো? আমি বললাম জানি। বললাম গিফট কি দেওয়া যায়? বললো এখন গিফট কিনার সময় নাই। তাছাড়া সবাই টাকা দিচ্ছে । আমি বললাম টাকা দেওয়াটা বিশ্রী দেখায় তাছাড়া টাকা দিলেতো লস। ও বললো লস হলেও কিছুই করার নাই। অগত্যা রাজি হলাম। গৃহমন্ত্রী তার কাজে চলে গেলো। চোখটা একটু বন্ধ করলাম। তখনি মনে পড়লো আমার ছোট বোন শেলীর কথা। ওকে দেখিনা প্রায় সাড়ে চার বছর। আর দেখা হবেওনা কোনদিন। ২০১১ সালের ৩১ জুলাই ইহজগতের মায়া ত্যাগ করে চলে যায়।
ছোটবেলায় স্কুলে যারা লেখা পড়ায় ভাল ছিলেন
ছোটবেলায় স্কুলে যারা লেখা পড়ায় ভাল ছিলেন মানে যাদের রেজাল্ট ভাল ছিল,যেমন টিপু ভাই, শুভ ভাই, মুরাদ ভাই তাদেরকে আমার স্টার মনে হত।বিশেষ করে বড় ভাই বোনেরা, তাদেরকে আমি সবসময় দূর থেকে খেয়াল করতাম। সামনে গিয়ে কথা বলার সাহস হত না।মনে হত নাক উঁচু টাইপের হবেন।আর যারা খেলা ধুলায় ভাল ছিলেন, চ্যাম্পিয়ন হতেন যেমন শিল্পী আপা( পরাগ ভাইয়ের বউ), আর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এ জড়িত থাকতেন যেমন গান, আবৃত্তি ইত্যাদি তে যারা ফি বছর পুরস্কার নিতেন যেমন অপু দা, খুব ভাল ইলেক্ট্রিক গিটার বাজাতেন।আর প্রথম পুরস্কার টা যেন উনার জন্যই বরাদ্দ থাকত। এসব মানুষ গুলোকে আমার দূর আকাশের তারা মনে হত। ওনাদের প্রতি মুগ্ধতা কাজ করত।
প্রথমে সি এস এম পেইজের সকল মেম্বারদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি
প্রথমে সি এস এম পেইজের সকল মেম্বারদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি, যাদের আর্থিক সহযোগীতায় তারেকের চিকিৎসার জন্য আমরা একটা ফান্ড গঠন করতে পেরেছি এবং এখনো পর্যন্ত চিকিৎসা চলছে। সি এস এম পেইজের সকল মেম্বারদের আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আর্থিক সহহোগিতার কারণে আমরা গ্রান্ড আড্ডার মতো একটি বড় প্রোগ্রাম করতে পেরেছি।
শ্রদ্ধেয় বড় ভাইদের দ্রিষ্টি আকর্ষণ করছি, তারেকের চিকিৎসার জন্য শেষ পরজন্ত কত টাকা উঠেছে তা কোন কোন খাতে খরচ হয়েছে এবং বর্তমানে কি অবস্থা তা সি এস এম পেইজের সকল মেম্বারের জানার জন্য উপস্থাপন করা যেতে পারে।
সেই সাথে গ্র্যান্ড আড্ডার জন্য কুপন বিক্রি থেকে কত টাকা এসেছে ডোনেশন থেকে কত টাকা এসেছে এবং খরচের হিসাব বিবরণী উপস্থাপন করলে এই পেইজের মেম্বারদের মনোবল আরো শক্তিশালী হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।
Priceless Asset
ফেব্রুয়ারি মআসের এক তারিখে বনানী থেকে গুলশানের একটা সরকারী ফ্লাটে উঠেছি। ওই দিন। রাতেই সরকারী কাজে এক সপ্তার জন্য দেশের বাইরে। ফিরে এসে দেখি বাসার এলোমেলো অবস্থা পুরোপুরি ঠিক হয়নি। একই সাথে আমার অনুপস্থিতি এবং গিন্নির অসুস্থতা এ জন্য দায়ী।
যাহোক সচারাচর বাসা বদলের সময় ছুটকো অনেক জিনিষ পত্র হারিয়ে যায়।। বিধাতার কল্যানে আমার হোল উলটো। এমন অমূল্য যিনিস খুজে পেয়েছি আমি যা আমার জন্য সত্যি "Priceless Asset".
আমার প্রয়াত পিতা সখের বশে নয়, একেবারে জীবনের প্রয়োজনে যে দু'একটি ছবি তুলেছেন এটি হয়তো তারই একটি।
তার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রাথী।

আমি আজ লিখছি পরীক্ষার রেসাল্ট নিয়ে সত্যি ঘটনা
আমি আজ লিখছি পরীক্ষার রেসাল্ট নিয়ে সত্যি ঘটনাঃ ১৯৮০ শতাব্দির মাঝামাঝি সময় এক্স ও বি দুই জন এইচ এস সি পরীক্ষার রেসাল্ট আনতে গেলো কিন্তূ দুইজনের মনেই সন্ধেহ পাশ করবো তো, যাক দুই জন ই কলেজে গেল রেসাল্ট শিট টানানো হয়েছে,এক্স রেসাল্ট দেখতে গিয়ে শিট এর নিচের থেকে দেখা শুরু করলো কারন এক্স জানে হইতো সে পাশ করবে না তাই ঠিক তাই হল সে পাশ করেনি তাই আমরা সবাই এক্স কে সান্তোনা দিলাম কিছু হবে না আবার পরীক্ষা দিলে পাশ করবি, সে মন খারাপ করে বলল তোরা যারা আমাকে নকল সাপ্লাই দিচিলি তারা আমার পরীক্ষা এর জন্য দায়ি যাক এভাবে কথা কাটা কাটি করতে করতে আমরা সবাই কলেজ থেকে বার হয়ে চলে আসতেছি সে সময় এক্স এর পাশে বসে পরীক্ষা দিচিলো এমন একজন কে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে থাকলে দেকে এক্স জিজ্ঞাসা করলো কি খবর ভাই রেসাল্ট কি? তখন এক্স এর পাশে বসে পরীক্ষা দেয়া বেক্তি বলল পরীক্ষা খারাপ হয়েছে,এক্স বলল ও তাই না?,আর এক্স বলল কিছু হবে না আমরা আবার আগামি বার পরীক্ষা দিব এক্স এর পাশের বেক্তি বল্লো কেনো আবার পরীক্ষা দিতে হবে? আমি ২য় ডিভিশন পেয়েছি,তখন এক্স বল্লো ও তাই না আমি ফিল করছি আমার মন খারাপ করি নাই আবার পরীক্ষা দিয়ে পাশ করবো চিন্টা করচি আর তুই কি ওই অচ দে ২য় ডিভিশিন পাই ও তোর তে শোকর নাই তুই কি প্রথম হতি পারল্লার,পাইওচ কি,যা ছ-----পো----- ঘরট যা,বেসি কাবিল গিরি ন দেখাইচ।----------------------এখানে শারাওংশ হলঃএক্স পাশ না করেও মন খারাপ করে নাই কিন্তূ ২য় ডিভিশন পাওয়া বেক্তি কেন মন খারাপ করবে, এক্স এর কথা হল এই ছেলে তো আর ইশ্রর চন্দ্র বিদ্দাসাগর হয়নাই। --------------- আজ এই পর্যন্ত চলবে
চলমান-----------------------
সবাই যেহেতু দিচ্ছে তাই আমিও একখান ধন্যবাদ পোষ্ট দিয়েই দেই তাহলে
সবাই যেহেতু দিচ্ছে তাই আমিও একখান ধন্যবাদ পোষ্ট দিয়েই দেই তাহলে tongue emoticon
প্রথম ধন্যবাদ পুলক ভাইকে,আমাকে গ্রুপে জায়গা দেয়ার জন্য grin emoticon
এরপর ধন্যবাদ সামী ভাইকে। আমি গ্রুপে বলতে গেলে তেমন কাউকেই চিনতে পারতাম না প্রথম দিকে। সামী ভাই আমাকে এতটাই আপন করে নিয়েছিল যে আমার নিজেকে কখনোই আলাদা মনে হয়নি সবার থেকে।
এরপরের ধন্যবাদ এবং সবচে বড় ধন্যবাদ রেজা ভাইকে। উনার বারবার তাগাদা দেয়া আর প্রেরনার কারনে আমি গ্রুপে পোষ্ট করা শুরু করি।
Wednesday, February 10, 2016
আমার দ্বিতীয় জন্মস্হান স্টীল আমার মায়ের মতই আমার প্রিয়
আজ আমার জন্মদিন ।কিন্তু আমার দ্বিতীয় জন্মস্হান স্টীল আমার মায়ের মতই আমার প্রিয় ।২১ বছরে তোমাকে ভুলিনি স্টীল মিল ।২১ শতাব্দীতে ও তুমি ভুলবার নও ।তুমি রক্তের সাথে মিশে গেছো ।মরণের পর যদি কোন জীবন থাকে তবে সেই জীবনে স্টীল মিল ই যেন হয় আমার জন্মস্হান । ।আমরা CSM COLONY'r সবাই যেন একসাথে থাকতে পারি ।
CSM পেজ টাতে অনেক অনুছড়া দেখি, পড়ি, ভালও লাগে
CSM পেজ টাতে অনেক অনুছড়া দেখি, পড়ি। ভালও লাগে।তবে এই অনুছড়া র সাথে আমার পরিচয় অনেকদিন আগে, ২৩,২৪ বছর ত হবেই।
একদিন সকাল সাড়ে এগারটা, বারো টা হবে।রিপা আপা আসছেন আমাদের বাসায়।আবার চলেও যাচ্ছেন। যাবার সময় আমি বারান্দায় দাঁড়ানো।
আমাকে দেখে বললেন,জনি একটু হাসো ত,
আমি উনার কথা মত একটু করে হাসলাম।উনি সাথে সাথে ছড়া কেটে বললেন,
" তোমার ডান গালের টোল,
যেন ৮৬ তে ম্যারাডোনার গোল"
তারপর হাসতে হাসতে চলে গেলেন।
হঠাৎ উনার এমন ছন্দময় কথায় আমি যেমন অবাক হলাম, তেমনি মজাও পেলাম।সাথে সাথে আয়নাতে নিজের ডান গালের টোল দেখতে চলে গেলাম।
এখন অনেক অনুছড়া পড়ি,দেখি।ভাল লাগলেও ওই অনুছড়ার মত মুগ্ধ হতে পারিনা।
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ Mosaddeque Ali ভাইকে
ধন্যবাদ Moin Khan টলি ভাইকে,
ধন্যবাদ Drmozammel Hoque ভাইকে,
ধন্যবাদ জামশেদ ভাইকে,
ধন্যবাদ বক্কর ভাইকে,
ধন্যবাদ Anisur Rahman Reza ভাইকে,
ধন্যবাদ Ziaul Hasan ভাইকে,
ধন্যবাদ Jashim Uddin ভাইকে,
ধন্যবাদ Nazmul Huda ভাইকে,
ধন্যবাদ Masuk Elahi ভাইকে,
ধন্যবাদ Ripon Akhtaruzzaman ভাইকে,
২০০০ সাল, শিশু শ্রেনীতে পড়ি
- Muntaha Toru
২০০০ সাল, শিশু শ্রেনীতে পড়ি। স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের যেমন খুশি তেমন সাজো ইভেন্টে গাঁয়ের বঁধু সেজে ফার্স্ট প্রাইজ পাই *_*
আব্বু কোলে করে নিয়ে গেছিলো স্টুডিওতে ছবি তোলার জন্য kiki emoticon
সেটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম পুরষ্কার। পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছিলাম একখান মেলামাইনের ভাতের প্লেট colonthree emoticon সেই মেলামাইনের প্লেটে আমি এখনো ভাত খাই pacman emoticon
যেমন খুশি তেমন সাজো ইভেন্ট যখন শুরু হলো তখন মাঠে আমার সাথে সাথে আমার চে একটু বড় এক বাদাম ওয়ালা(সেজেছিল আর কি tongue emoticon ) হাঁটছিল। সে শুধু আমাকে তার কাছ থেকে বাদাম নিতে বলছিল আর আমি মুখ ভেংচে নিজের মত হাঁটছিলাম grin emoticon
২০০০ সাল, শিশু শ্রেনীতে পড়ি। স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের যেমন খুশি তেমন সাজো ইভেন্টে গাঁয়ের বঁধু সেজে ফার্স্ট প্রাইজ পাই *_*
আব্বু কোলে করে নিয়ে গেছিলো স্টুডিওতে ছবি তোলার জন্য kiki emoticon
সেটাই ছিল আমার জীবনের প্রথম পুরষ্কার। পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছিলাম একখান মেলামাইনের ভাতের প্লেট colonthree emoticon সেই মেলামাইনের প্লেটে আমি এখনো ভাত খাই pacman emoticon
যেমন খুশি তেমন সাজো ইভেন্ট যখন শুরু হলো তখন মাঠে আমার সাথে সাথে আমার চে একটু বড় এক বাদাম ওয়ালা(সেজেছিল আর কি tongue emoticon ) হাঁটছিল। সে শুধু আমাকে তার কাছ থেকে বাদাম নিতে বলছিল আর আমি মুখ ভেংচে নিজের মত হাঁটছিলাম grin emoticon
হ্যাঁ আজ কলোনির ব্যাংক গুলোর কথা বলছি
ইস্ আজ যদি পাইতাম।।হ্যাঁ আজ কলোনির ব্যাংক গুলোর কথা বলছি।।ছোট বেলায় টাকা কুড়িয়ে পাওয়ার স্বপ্নটা খুব বেশিই দেখতাম।।হাট তাম আর ভাবতাম ইস্ এখন যদি কিছু টাকা পেতাম তাহলে কত মজাই না করতাম।।তো এই ভেবে প্রায় সময়ই ব্যাংক ছুটি হলে অধীর আগ্রহ নিয়ে ছুটে যেতাম আর ভাবতাম আজ যদি পাই।।কিন্তু না সব সময়ই স্বপ্ন ভেঙে মনটা চৌচির হয়ে যেত আর বরাবরই মন খারাপ করে ফিরে আসতাম।।কিন্তু একদিন ঠিকই স্বপ্নটা পূরন হলো।।কিন্তু আমি খুশি হতে পারিনি।।কারন টাকার পরিমাণটা ছিল মাএ দুই টাকা।।আবেগে আপ্লুত হয়ে অবাক দৃষ্টিতে টাকা টার পানে চেয়ে ছিলাম আর মনে মনে বেকুব বনে গেলাম।।ভাবলাম এই ছিল কপালে।।তারপরও ভারাক্রান্তহৃদয়ে টাকা তুলে নেই এবংইউনুস ভাইয়ের দোকান থেকে দুই টাকায় আটটা জ্বাল চকলেট কিনে খেতে বাসায় ফিরে যাই।।
স্পেশাল একটা কাজের জন্য অনেক রাতে বাহির হতে হবে
স্পেশাল একটা কাজের জন্য অনেক রাতে বাহির হতে হবে, তাই রাত ১১ টার দিকেই বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম, কিন্তু কাজ আরো পরে, বাকী সময় টুকু কিভাবে কাটাই। আমার সাথে ছিলো Dulu Ctg. দুলি দের দুটো টেম্পো ছিলো। সারাদিনের ট্রিপ শেষ করে অই সময়ে গ্যারেযে গাড়ি রাখতে আসলো তখন সদরঘাটের একটা রিজার্ভ ভাড়া পাওয়া গেছে, কিন্তু ড্রাইভার আর গাড়ি চালাবেনা। আর হেল্পার ও নেই। হাতে সময় ও আছে,আর কি করা ড্রাইভার হলো দুলি আর আমি তার হেল্পার, এভাবেই সদরঘাট যাওয়া, আসার পথে হঠাত টেম্পো নষ্ট। এদিকে আমার কাজের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। দুলি আর আমি মিলে নিজস্ব জ্ঞানে যতটুকু পারি গাড়ি ঠিক করে তুফান বেগে কলোনিতে ফিরে আসি রাত দুটার সময়।
দুলির প্লেনের বেগে টেম্পো চালনা আর আমার হেল্পারি সেদিন খুব কাজে লেগেছিলো। তাই তো অনুছড়া লিখেছিলাম
সে দিন রাতে ছিলো
আকাশে তারার মেলা
বন্ধু চালায় টেম্পো
আমি তার চ্যালা।। (২৯)
ধন্যবাদ দেওয়ার "দিগন্ত" খুলে দিলাম
ধন্যবাদ পুলক, এই আবেগের পেজটিতে লেখা/লেখি সুরু করার জন্য। ধন্যবাদ তাবাসসুম, মজার দিনগুলি সবার সাথে শেয়ার করার জন্য। ধন্যবাদ আভা, আতিক চাচার লিখা কবিতা আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য। ধন্যবাদ ছামি, "হাগু" নিয়ে এক ভিন্ন সাধের, পরিবেশনার জন্য। ধন্যবাদ মইন খান/ধন্যবাদ জাবেদ, এই দুজনের মন ছুয়ে যাওয়া গল্প/কবিতার জন্য। ধন্যবাদ খোদেজা আপাকে, CSM-এ, তার সন্তানতুল্য ছেলে/মেয়েদের নিয়ে কবিতা উপহার দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ সব্যসাচিকে, নাটকিয় ভাষায়, তার লেখাগুলি প্রকাশ করার জন্য।
‘‘হ্যাপি বার্থ ডে টু রিপন”
12 ই ফেব্রুয়ারী আমার জন্ম দিন। আমার কাছে এই দিনটি অন্য 365 দিনের মতই একটি দিন কিন্ত অল্প একটু ভিন্ন। তারকাদের মত আমি শুধু আমার জন্ম তারিখটা উল্লেখ্ করলাম। (কিন্তু খুব সচেতন ভাবে এড়িয়ে গেলাম সাল বা কত তম জন্ম দিন সেটা)।
‘‘সবাই বলে বয়স বাড়ে আমি বলি কমে” এটি বাংলাদেশের ছায়াছবির একটি জনপ্রিয় গান। এ গানের মঝে যেন চিরন্তন সত্যটিই ফুটে উঠেছে। ‘‘এভরি বার্থ ডে ইজ ওয়ান স্টেপ ফরোর্য়াড টু ডেথ”-একজন মনিষী বলেছেন, জন্ম দিনের আনন্দের পরিবর্তে মাণুষের দুঃখ করা উচিৎ। কেননা তার জীবন থেকে আরও একটি বছর চলেগেল”। অথচ ছোট সোনা মনিদের কাছে জন্ম দিনটা অ-নে-ক বেশি আনন্দের। বার্থ ডে উৎসব ওদের কাছে ‘‘হ্যাপি বার্থ ডে” হিসেবেই পরিচিত। ওরা ভাবে দ্রুত বড় হয়ে অনেক কিছু করবে।
"ঢোল"
লোকে বলে নিজের ঢোল নিজে পিঠানো ভাল না। কিন্তু আমি বলি নিজের ঢোল নিজে পিঠানো উচিত। কারন আরেকজন পিঠাইলে ঢোলের আন্দাজ না বুঝে খুব জোরে পিঠাবে, তাতে ঢোল ফেটে যেতে পারে। অর্থাৎ লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হতে পারে। আবার হয়তোবা খুব আস্তে পিঠাবে তাতে কোন শব্দ হবে না। ঢোল বাজলো কি বাজলো না কেউ জানতেও পারবে না। আপনার উপস্থিতি কেউ টের পাবে না। সেই ক্ষেত্রে ও ক্ষতি হতে পারে। তাই আমার কথা হলো নিজের ঢোল নিজে পিঠানো। কারন আপনার ঢোলের আন্দাজ একমাত্র আপনিই বুঝবেন। আপনার ঢোল কখন জোরে পিঠাতে হবে অথবা কখন আস্তে পিঠাতে হবে তা আপনার চেয়ে ভাল কেউ জানবে না।
পুরো লিখাটা মৌলিক নয়,আংশিক সংগৃহীত
নতুন এক মার্কেটের মেইন গেটের উপর থেকে সজোরে নিচে নামা বাতাসের নিচ দিয়ে ৫ বার হাঁটালাম।একবার ঢুকি আর গ্লাস চিচিং ফাঁক কইরা আমারে অভ্যার্থনা জানায়।
..মুগ্ধ হয়ে বাসায় ফিরলাম
আর আজকের পোলাপাইন জন্মের পর যে প্লে নার্সারিতে থাকে, সেখানেই নাকি 24/7 এসি
টেকনোলোজি চেইঞ্জ, এরা কি বুঝবে
একসময় আমরা ডায়াল-আপ ব্যবহার করতাম নেট কানেকশানের জন্য
রাতেরবেলা নেট কানেকশান নিতে গেলেই মডেম থেকে গড়গড় এক আওয়াজ বের হতো
পুরা এলাকা বুঝে যেত এই বাসা থেকে নেটে ঢুকা হচ্ছে।।
ভাড়া দেন ভাড়া দেন,ভাড়া ন দিলে বউ মরি যাইব, ভাড়া ফাঁকি দিলে বউ মারা যাইব
আগ্রাবাদে এসে বাস থামল। অফিস যাত্রীগণ যে যার মত আস্তে আস্তে নামা শুরু করলো। এর মাঝে শুনতে পেলাম কন্ডাক্টরের হেল্পার এর হাঁক "ভাড়া দেন ভাড়া দেন,ভাড়া ন দিলে বউ মরি যাইব, ভাড়া ফাঁকি দিলে বউ মারা যাইব "।
দেখালাম সবাই খুবি শুশৃঙখল ভাবে নিজ নিজ ভাড়া প্রদান করে নেমে যাচ্ছে।বুঝাই যাচ্ছে সবাই তাদের বউদের খুব ভালোবাসে।আমিও ভালোবাসি।।সবাই সবার বউ পরিবার নিয়ে সুখে থাকুন।
সকাল ৮ টার দিকে ঘুম থেকে উঠলাম
সকাল ৮ টার দিকে ঘুম থেকে উঠলাম, কোন মতে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা শেষ করে ড্রয়ার এর কোণাকানা ঘেটে দুটো টাকা যোগাড় করে সোজা ইউনুসের দোকানে একটা গোল্ড লিফের সুখটান অবশ্য এই সুখটানের ভাগীদার আরো কয়েকজন। তারপর কিছু রোমান্টিক কাজ কর্ম শেষ করে আবার বাসায় ফিরে ক্রিকেট নেট প্র্যাক্টিসের জন্য সোজা সিটাইপ মাঠে। Manzoor Murshed ভাইয়ের বাসা থেকে প্র্যাক্টিসের সব ইন্সট্রুমেন্ট নিয়ে আসা হয়েছে, আমাদের টীম ক্যাপ্টেন Fauzul Amin মিঠু ভাইয়ের নেতৃত্বে প্র্যাক্টিস শুরু সাথে আরো প্র্যাক্টিস করাচ্ছেন Mainuddin Ahmed Siddique Titu Abdullah Al Mamun অপু ভাইয়েরা।
আল আমিন বিল্লাহ সুজন
আল আমিন বিল্লাহ সুজন, আপনি পরিসংখ্যান রিপোর্ট পেশ করার পর থেকে অপেক্ষা করছিলাম জানার জন্য আপনি কোন ষড়যন্তে লিপ্ত।আজ চাদ সুলতানার একটা পোস্ট দেখে আমার কাছে আপনাদের ষড়যন্তের বিষয়টি একবারে পানির মত পরিষ্কার হয়ে গেলো।নিজেকে বুদ্বিমান ভাবুন সমস্যা নাই কিন্তু অন্যরা যে বোকা এই তত্ব আপনি কোথায় পেলেন?
ড: ইউনুসের পুরষ্কার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে, জাতি আজ জানতে চায়। আমরা জানি কৌশলে মানুষ তার চরিত্র কিছু সময়ের জন্য গোপন রাখতে পারে কিন্তু সব সময়ের জন্য নয়।যাক বোধবুদ্বি যেহেতু ভালো আশা করি এমন প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের সাথে আর জড়িত হবেননা।হলে পরিনতি ভালো হবে না।মি: সুজন আপনার আরও একটি বিষয় নজরে আনা দরকার আমরা যারা পাঠক তাদের জন্য আপনার কিছু করা উচিত।রাত জেগে যে সব দর্শক এই আড্ডা পর্যবেক্ষন করে তাদের ভুমিকাও সামনে আনা দরকার।
কিছু আইডল সদস্য আছে যারা মাঝে মাঝে এই পেজে আসে কিন্তু কোন লাইক কমেন্ট দেন না, তাদের পরিসংখ্যানও জাতি জানতে চায়।আপনি স্মরন রাখবেন আমাদের দর্শক ফোরাম,পাঠক সমিতী, মেম্বার এসোসিয়েশান আপনার কর্মকান্ডের উপর সতর্ক দৃষ্টি রাখছে।দায়িত্ব অবহেলার কোন সুযোগ নাই।দ্রুত বাকী রিপোর্টগুলি প্রকাশ করে জাতিকে শংকামুক্ত করুন।
সবাই লিখছে
সুজনের এক পরিসংখ্যান সবার মাঝে দারুন প্রভাব ফেলেছে। সবাই লিখছে। ভাল হয়েছে কাজটা। এর জন্য আমি ভাবছি নোবেল পুরস্কার টা ইউনুস ভাইয়ের কাছ থেকে এনে ওরেই দিয়ে দিব। সবাই কম্পিটিশন দিয়ে লিখছে। ভাল। আমাদের পেইজটা আরো মুখরিত হোক। কিন্তু এই কাজে ওরে ধন্যবাদ দিব না। লিখ সবাই। আসলে কি সুজনের বিষয়টা ত আছেই কিন্তু আড্ডার সাফল্য একটা বড় ভুমিকা রেখেছে। সবার সাথে সবার দেখা হবার আনন্দে সবাই লিখা শুরু করেছে। আগে হয়ত জড়তা কাজ করতো। সবাই তা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে এটা বড় কথা। এমন আড্ডা আরো চাই। তবে হ্যা প্রথম আড্ডা প্রথমই। এর আমেজটা সবার মাঝে একরকম ভাবেই আজিবন থেকে যাবে। যাহোক, সবার কাছ থেকে মজার মজার লিখা আশা করছি।
ছোটবেলায় চঞ্চল ছিলাম,তবে ফাজিল ছিলাম না
ছোটবেলায় চঞ্চল ছিলাম,তবে ফাজিল ছিলাম না tongue emoticon
লম্ফঝম্ফ বহুত করলেও তা আম্মুর মাইরের ভয়ে একটু লিমিট রেখেই করতাম।
আমি প্রতিদিন বিকেলে BH-1 এ যেতাম আকতার আংকেলের মেয়ে রাহিন আপুর সাথে খেলতে। রাহিন আপু বেশ ফাজিল ছিল।উলটা পালটা কাজকর্ম সব ও শুরু করতো, আমরা বাকিরা তা ফলো করতাম। ক্লাশ টু / থ্রী তে পড়ি তখন এরকমই একদিন খেলতে গিয়ে দেখি রাহিন আপু সিড়ির রেলিং এ চড়ে চড়ে নামছে। আমার বাচ্চা মন তখন তা দেখে বড়ই পুলকিত হলো। আমি ভাবলাম, আরেহ কি মজার জিনিস। আমারো ওভাবে চড়তে হবে ওখানে।
Tuesday, February 9, 2016
জুহি চাওলার ছবি রিলিজ হলে কোন হুশ থাকতোনা
জুহি চাওলার ছবি রিলিজ হলে কোন হুশ থাকতোনা, যে করে হোক ঐ ভিডিও যোগাড় করে ছবিটি আমার দেখা চাইই চাই।আমি হিন্দি ভাষা কম বুঝি, তাই সিনেমার কাহিনী বুঝি আর না বুঝি জুহি চাওলাকে দেখার জন্যই তার ছবি মনোযাগ দিয়ে দেখতাম, আজও ইউটিউবে তার অভিনীত ডুপ্লিকেট ছবিটির কিছু কিছু অংশ দেখলাম, চোখ সরানো যায়না। "কি যাদু করিলা পীরিতি শিখাইলা " টাইপ আকর্ষণ তার প্রতি।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার এ লেখাটি যখন লিখছি ঠিক তখনই একটি চ্যানেলে জুহির একটি এ্যাড দেখাচ্ছিল। একেই বলে মনের টান। আসলেই কি যাদু করিলা............
আমরার ময়মনসিংহের ভাষা
ইদানিং আমার বন্দু আতিক আমরার ময়মনসিংহের ভাষা লইয়া খুব লেহা লিহি করতাছে।দোস নান্দলেরর ইউনুস তরে মাইন্ড করছে।তরে হে পাইলে তর খবর করইয়া দিব।তুই আমরার ভাষা লইয়া লিহছ কেরে।আর ফহিন্নির পুত মোশারফেরে পাইলে কি করুম হেইডা এওন কইতাম না।ফহিন্নির পুত আমরার শ্রুতিমধুর ময়মসিংহে ভাষা লইয়া নাটক করে।
এক রাতের ঘুম নাকি সাত রাতেও কাভার হয় না
এক রাতের ঘুম নাকি সাত রাতেও কাভার হয় না। গতকাল রাতে সময়মতো না ঘুমানোর কারনে সকালে অফিসে ঝিমাইছি। আর এখনতো ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে আসছে।
আসলে মুল কথা হলো সন্ধ্যার পরে এখন কোন কাজ নেই। ২৯ তারিখের আগে আড্ডা নিয়ে মিটিং,সিটিং, ইটিং কতো কিছুই হতো। তখন রাত একটা / দুইটা বাজলেও ঘুম আসতো না। না ঘুমালে খারাপও লাগতো না। তখন শরীরে আলাদা একটা এনার্জি ছিলো। অন্য রকম উম্মাদনা ছিলো। ছিলো আড্ডা সফল করার বাড়তি টেনশন। এখন আড্ডা শেষ কোন কাজ নেই, তাই অবসরে খই ভাজি। আর সময়ের আগে ঘুমও চলে আসে।
সত্যি ঘটনাঃ এই জিবনে এই প্রথম লিখা সি এস এম এ
সত্যি ঘটনাঃ এই জিবনে এই প্রথম লিখা সি এস এম এ
সন টা ঠিক মনে নেই,তবে এইচ,এচ,সি পরীক্ষার পরের ঘটনা সম্ববতো। আমার সব ছেয়ে প্রিয় বন্ধু যখন আমাদের কলোনিতে এলো তখন আমারে আর পায় কে,আমি আমার বাবার অভাবের কারনে অনেক শখের অনেক জিনিষ অনেক সময় পরতে বা কিনতে পারিনি তারপর ও থেমে থাকেনি আমার পথ চলা কারন তখন আমার বন্ধু তার জিনিষ দিয়ে আমাকে আমার ইচ্ছা পুরন করতে সব সময় পাশে দাড়িয়েছে।আমি আজ যাকে নিয়ে লিখছি তার গুনের কোনো অভাব নাই আর আমি তার বন্ধু হয়ে আমার কোনো গুন ই নাই,কিন্তু সে আমাকে কোনো দিন আজ এখন পর্যন্ত আমার কোন খারাপ গুনার কথা বলেনি। আমাকে শুদু আমার প্রশংসা করে চলেছে।
মনের মাঝে কলোনি মানেই যেন চিরসবুজ, চির বসন্তের এক নগরী
সুচিত্রা সেন নাকি একটা বয়সের পর লোক চক্ষু র আড়ালে চলে গিয়েছিলেন কারণ তিনি আজীবন ভক্তদের চোখে চিরতরুণী থাকতে চেয়েছিলেন।
আমার কাছে কলোনি র ব্যাপারটা ঠিক তাই।কলোনি থেকে চলে আসার পর যাব যাব করে আর যাওয়া হয়নি।মাঝে মাঝে যারা কলোনি ঘুরে আসত তাদের মুখে শুনতাম আমরা যেখানে খেলতাম সেখানে নাকি বড় বড় ঘাস জন্মেছে।ঘাসের কি দোষ! অনেক দিন কলোনি র ছেলেমেয়েগুলোর পায়ের স্পর্শ না পেলে বেহায়ার মত ঘাস ত গজাবেই। কলোনির এই বদলে যাওয়া রুপ টা তাই কেন জানি দেখতে ইচ্ছে করত না।এখনো অনেকে কলোনি তে যায়, কিন্তু কিছুই খুজে পায় না।এটা ভীষন কষ্টের কথা!
Subscribe to:
Posts (Atom)