Friday, December 11, 2015

বিব্রত কর মুহুর্ত


ভার্সিটিতে আমাদের ৮ জনের একটা গ্রুপ ছিল । তার মধ্যে আমার আর কাইয়ুমের জিএফ ছিল না । এই নিয়ে আমাদের প্রায় ক্ষেপাতো চৈতি আর সুবর্না । কাইয়ুম হঠাত করে আমারে টেনে নিয়ে যায় ডিপার্টমেন্টের ছাদে।

মামা আগুন তো লাইগা গেছে ?
কই?
আমার বুকে রে মাম্মা । পরীর মতো একজন রে দেখলাম উড়ে উড়ে আসছে । আমি অনেক্ষন ফলো করে বোটানি ডিপার্ট মেন্টের কাছে গিয়ে হারিয়ে ফেললাম । হা হুতাশ করেই চলেছে কাইয়ুম
আমি কি করবো তাহলে ?
তুই আমার সাথে বোটানি ডিপার্টমেন্টে যাবি ।

পারেও শালারা


পারেও শালারা। এই নাক বুচা জাতিরা জুয়া আর ওয়াইন নিয়ে যেখানে/সেখানে আসর বসাতে পারে। কোরিয়া থেকে ব্যাংকক যাচ্ছি। ব্যাংকক ৪দিন থেকে বাংলাদেশে চলে আসবো।বহু বছর আগের কথা। আমার সাথে বাসাবোর ইসলাম। থাই এয়ারলাইন্স। ফ্লাইট আকাশে উঠার ৩০ মিনিট পর ব্যাংককের কিছু যাত্রি playing cards নিয়ে খেলতে বসে গেলো। আমার অস্থিরতা সুরু হলো। কি করা যায়? ইসলামের দিকে তাকালাম। ইসলাম বুজে গেলো আমার মতি/গতি খারাপ। ভাই আপনের পায়ে ধরি। আমি সিট বেল্ট খুলে আস্তে আস্তে উঠতে লাগলাম। ভাই যদি হারেন তাইলে আপনেরে আমি ব্যাংকক ফালাই থুইয়া যামুগা।

Thursday, December 10, 2015

আড্ডা (3)


তখন ক্লাস টেন পড়তাম। ক্লাস টেন আমাদের টেনে নিয়ে যাচ্ছে পরার টেবিলে । টেবিল থেকে উঠে গেলেই ধমক শুনতে হয়। বিনোদনের এক মাত্র মাধ্যম বিটিভি ও আমার জন্য বন্ধ হয়ে যায়। আমার বিনোদন বলতে বিকাল বেলা জাহাঙ্গির এর কাছে কোন নাটকে কে কি করলো তাই হজম করা। জাহাঙ্গির নাটকের গল্প বলতে মজা পেতো , জাহাঙ্গির এর মজা দেখতে ভালো লাগতো বলেই উৎসাহের পরিমান টা একটু ফুলিয়ে ফাপিয়ে দেখাতাম । প্রতি মাসে মান্থলি টেষ্ট ছিল আমার জন্য চরম বিরক্তকর সময়। 

সারাক্ষন চাপে চ্যাপ্টা হয়ে যেতে কার ভালো লাগে ? আমার ভালো না লাগলেও টেষ্টের আগে তিন তলায় বেঞ্চ নিয়ে যাওয়ার সময় টা ফ্রেন্ডদের অনেক পছন্দের সময় ছিল। তিন তলায় নাকি পরীমনি আছে ?এদের দেখার জন্য রবিন মুসলিম থেকে শুরু করে হেভিওয়েট সবাই মিলে মিশে একাকার হয়ে যেতো আমি অবশ্য এখনো জানি না মেয়েরাও কি এই রকম ভাবে আমাদের দেখতে চাইতো ? আমি মেয়েদের সাইকোলজি বুঝি না তাই জানি না মেয়েদের কি মনে হতো? যাই হোক বেঞ্চ তিন তলায় উঠানোর জন্য হেংলা পাতলা রাসেল রেও দেখলাম বিপুল উৎসাহ নিয়ে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে । এক একটা বেঞ্চের যেই ওজন আমি একটা তিন তলায় নিয়ে গেলে তিন তলা থেকে নির্ঘাত আমারে হসপিটালে নিতে হতো ।

Wednesday, December 9, 2015

৯১ এর পরে স্টিল মিলের ক্রান্তিকাল শুরু হয়

- Atiq CSM

৯১ এর পরে স্টিল মিলের ক্রান্তিকাল শুরু হয়, কর্মী দের বেতন অনিয়মিত হতে থাকে। কৃচ্ছতা সাধনের জন্য ৯৪ এ মুস্তাফিজ কমিশন নামে এক প্রজেক্ট এর মাধ্যমে অনেক লোক ছাটাই করা হয়। অনেকেই কলোনি থেকে অকালে বিদায় নেন। তারপর ও মিলের দুর্দিন শেষ হয়না। খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতে থাকে, এমন ও হয়েছে শেষ দিকে ৫/৬ মাসের বেতন বকেয়া হয়ে যায় কর্মী দের। একেক টি পরিবারের সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যায়। যাদের গ্রামের অবস্থা ভালো ছিলো তারা গ্রাম থেকে টাকা পয়সা এনে চলতে থাকলেন, কারো পাশে এসো দাড়ালো তাদের মামা চাচারা কেউ কেউ ধার কজ' করে চলতে থাকলেন। 

কিন্তু কারো জীবন থেমে থাকেনি,আমার জানামতে কারো লেখাপড়া বন্ধ হয়নি, বন্ধ হয়নি বিয়ে শাদির মত সামাজিক অনুষ্ঠান, সমান তালে চালিয়ে গিয়েছি আমাদের বাঁদরামি, খেলাধুলা এমনকি প্রেম ভালোবাসাও বাদ যায়নি। এক সময় সব শেষ হয়ে যায়। জীবনের তাগিদে আমরা একেকজন একেক দিকে ছড়িয়ে পড়ি। এতটুকু জানি ছোট বড় যাই হোক সংগ্রাম করে আমরা সম্মানের সাথেই জীবন ধারন করছি।

ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন


ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন, এক বর্ষাকালের ঠিক সন্ধ্যার আগে আগে অফিসার্স ক্লাব থেকে আমি ,দুলি, রাশেদ সহ আরো কয়েকজন বের হচ্ছিলাম, ক্লাবের গেটের বাইরে আসতেই চোখ পড়ল আনোয়ার ভাইদের (ডি 1) কাঁঠাল গাছের দিকে, যেটার অবস্থান উনাদের বিল্ডিংএর পিছনে আর রাস্তার ঠিক পাশে। দেখি তিন চারটি কাঁঠাল আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে আর মনে হচ্ছে যেনো বলছে আমাদের গাছ থেকে পেড়ে নাও। 

দুলি আর আমি পরস্পর একে অপরের দিকে তাকালাম, যা বোঝার দুজনেই বুঝে নিলাম। কিন্তু তখন ও হালকা আলো ছিলো আর রাস্তা দিয়ে মুসুল্লিরা মাগরিবের নামাজ পড়তে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলো।আর বৃষ্টির জন্য গাছ ও পিছলা হয়ে আছে, সে জন্য কোন ঝুঁকি নিলাম না।কি করা যায় চিন্তা করছি। কিছুক্ষন অপেক্ষা করলাম, দেখি রাস্তায় লোকজন কমছেনা। দুলি আর সহ্য করতে পারলোনা একটা পাথর নিয়ে সোজা গাছের কাঁঠাল বরাবর মারলো এবং দুটো কাঁঠাল নীচে পড়ল। পাথর ছুড়ে আম, বরই পেরেছি কিন্তু কাঁঠাল পারা !!! 

Monday, December 7, 2015

প্রসংগ Grand Adda 29 January, 2016.


বিয়ে শাদীর কথায় আমাদের দেশে একটা প্রবাদ আছে যে লাখ কথা না হলে বিয়ে হয় না'আমাদের এইটা বিয়ের আয়োজন না হলেও এত বিশাল একটা আয়োজন যে এতে লাখ কথা হবেই। সবাই সব কিছু বিনা কথায় মেনে নেবে তা হয় না। সবারি এই আড্ডা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। আমরা মেয়েরা ভাবছি কি শাড়ি পড়বো,কিভাবে ছবি তুলবো,কেমন লাগবে ওখানে এতদিন পর পুরানো মানুষ গুলাকে দেখতে। একটু জটিলতা হয়েছে সেটা আমি মনে করি আর কিছুনা শুধুমাত্র co_ordination এর অভাব। আর এটার মুল কারন দুরত্ব। দুই জায়গায় বসে একটা প্রোগ্রাম fix করা চাট্টিখানি কথা না। ওখানে যারা আছেন তারাও আমাদের শ্রদ্ধাভাজন। 

আমার মতে এই সংকট নিরসনের একমাত্র পথ হল প্রতিনিয়ত আপডেট দেয়া। এটা দুই জায়গা থেকেই হতে হবে। মুল দায়িত্বে যারা আছি বা আছেন আমাদের নিজেদের মধ্যে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ থাকা জরুরি। কতদুর কি হল সেটা নিজেরা জেনে পেইজে জানাতে হবে তাহলে সবাই যখন জানবে যে কাজ আগাচ্ছে তখন সবাই আরো আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসবে। এখানে আমাদের first priority হল যারা অংশগ্রহণ করবে তারা। আমাদের আয়োজন, কস্ট তখনি স্বার্থক হবে যখন সবার গোচরে বিষয়টা বিস্তারিত আনা হবে। এই যোগাযোগটা না হবার কারনেই ভুল বুঝাবুঝি। আমরা বুঝতে পারছিনা আমাদের কি করা উচিত বা কেউ জানতে চাইলে কি বলবো। 

Sunday, December 6, 2015

টেলিফোনে যখন ফিসফিস কথা হয় ......................।


এককালে ল্যান্ড টেলিফোনে প্রেম হতকলোনীর ল্যান্ডন ফোনকেই বুঝানো হতো সকাল ১০/১১ বাজলেই শুরু হত গুনগুন নিজের বাসা থেকে কথা বলার সুযোগ পাওয়া যেত বোধ হয় কম, বন্ধুর বাসা থেকেই চলত আর ওই পাশেও একই অবস্থা একক দিন কন্যার একেক সখির বাসা, টেলিফোনে কথা টেলিফোনেই প্রেম সামনা সামনি দেখা হওয়ার চান্স কদাচিৎ দেখা কর - দেখা কর বলে বলে মুখে ফেনা উঠে গেলেও অনেক সময়ই দেখা হত না

যত সব আজাইরা প্যাচাল ছিলো, এই করছিি এই করব, এই হইছে, এই হবে ইত্যাদি ইত্যাদি যারে বলে টোনাটুনির বাক বাকুম

ছেলে যদি ব্লগে লিখত তাহলে পোস্টের সংখ্যা যে কত হত অফিস যাচ্ছি, অফিস আসলাম এই জাতীয় পোস্টে ভরে যেত আবার তার সাথে কথা হল সে সুস্থ আছে সে চট্টগ্রাম যাচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি পোস্টও অনেক দেখা যেত


বলাবাহুল্য এখন এই ফোন অন্য কেউ করে বা অন্য কারো কাছে করা হয়

" Proudly C.S.M "

- Mahabub Rasel

সবার মাঝে এখন একটাই স্লোগান,
গ্রান্ড আড্ডায় গাইবো একসাথে গান
আমি C.S.M, আমি DONE grin emoticon

গ্রান্ড আড্ডার ব্যাপারে সবার সহমত আছে, সবার সহমতের ভিত্তিতেই আমাদের বড়ভাইরা অনেক কষ্ট করছেন এই আয়োজনকে সামনে রেখে, তাহলে এখানে আমাদের কি করনীয় আছে? সব কিছু কি এমনি এমনি হয়ে যাবে ?

এই আয়োজনকে সুন্দর করে সফল করার জন্য সবারই অংশগ্রহন প্রয়োজন এখানে কি এমন কেউ আছেন, গ্রান্ড আড্ডায় অংশগ্রহন করতে চান না !!!! নানাবিধ জটিলতায় হয়তোবা ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও অনেকেই আসতে পারবেন না, কিন্তু আমি এই ব্যাপারে সিউর সবারই এই আড্ডায় অংশগ্রহন করার ইচ্ছা আছে

Friday, December 4, 2015

টি শার্ট

 -       -  Iftee Nomi 

বছর পাঁচ কি ছয় আগের কথা আমার স্কুলের কম্বাইন্ড রিইউনিয়ন এর কথা শুনতে পেলাম আমারে ষ্টিল মিল স্কুল/ কলোনি একবার ডাকলেই হলো কোথায় কি আছে দেখার সময় নেই , একদম উসাইন বোল্টের মতো করে দৌড় শুরু করি তারুপর আবার জাহাঙ্গির/রায়হান/ কাইজ্জা যাবে আমারে আর পায় কে ? প্রতিদিন আমরা প্ল্যান করি , সময় যেন কাটছেই না চিটাগং এর আলো বাতাস এর স্পর্শ পাবো সব বড় ভাই বোন দের সাথে দেখা হবে উফ ভাবতেই কেমন জানো লাগছে ভাবতে ভাবতে এক সময় আমাদের রিইউনিয়নের সময় হয়ে গেলো , রিপক আমাদের ফ্রেন্ডের জন্য ট্রেনের টিকেট কেটে আনলো কিন্তু প্রোগ্রাম হচ্ছে শীতের সময়, এক দম হাড় কাপুনে শীত জাহাঙ্গির বগুড়া থেকে আমার বাসায় এসে বলে দোস্ত টঙ্গিতে শীত কম থাকলেও একেবাড়ে কম না তুই ফ্লিসের কম্বল টা নিয়ে নে

Thursday, December 3, 2015

যাদের জীবনে কখনো কলোনিতে থাকার সুযোগ হয় নি তাদের এই লেখাটি পড়া ঠিক হবেনা



যাদের জীবনে কখনো কলোনিতে থাকার সুযোগ হয় নি তাদের এই লেখাটি পড়া ঠিক হবেনা কারণ এটা তাদের জীবনে কি কি মিস করেছিসেই তালিকাটা বড়ই করবে কেবল। আমার জীবনের প্রায় ১৪ বছর কেটেছে এই সিএসএম কলোনীতে। ১৪ বছর মানে তো সুস্থ সবল বাঙ্গালি জীবনের প্রায় চার ভাগের এক ভাগ। আর জীবনের ১৪ বছরের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় আর কি হতে পারে। মানুষ হিসেবে আমি কেমন হব, আমার চিন্তা-ভাবনা কেমন হবে সবই তো ঐ সময়টায় সচেতন বা অচেতন ভাবে শিখেছি। বাংলাদেশের প্রায় সব কলোনির কাহিনী, জীবন-চিত্র প্রায় একই রকম বড়জোর উনত্রিশ-ত্রিশ পার্থক্য (বদলে যাও বদলে দাওমৌসুম চলছে বলে বহুল প্রচলিত উনিশ-বিশ বাগধারাটা বদলে দিলাম!) তাই সবার সাথে সেই অভিজ্ঞতাগুলো ভাগাভাগি করার লোভ সামলাতে পারলাম না!

গতকাল টিভি নিয়ে একটি নষ্টালজিক লেখা পোষ্ট করেছিলাম


গতকাল টিভি নিয়ে একটি নষ্টালজিক লেখা পোষ্ট করেছিলাম এরপর থেকে মাথায় অনেক কিছু ঘুরছিলো।
সেই আমলে বাড়ির বড়দের মুখে মুখে আলোচিত একটি নাটক ছিলো সকাল সন্ধ্যা এবং এর পরে ঢাকায় থাকি সিরিয়াল।

সকাল সন্ধ্যা একটি বাংলা ধারাবাহিক নাটকের নাম। ১৯৮০-র দশকের শুরুতে এটি বিটিভি-তে সম্প্রচার হয়। প্রধান চরিত্রে ছিলেন পীযুষ বন্দোপাধ্যায় এবং আফরোজা বানু । তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাটক ছিলো এই সকাল সন্ধ্যা। আরেক ধারাবাহিক নাটক ঢাকায় থাকিতে অভিনয় করেছিলো ডাব্লিউ আনোয়ার পরে বাংলা সিনেমাতে আলীরাজ নাম নিয়ে অভিনয় করেন আর ছিলেন আমাদের তারানা ম্যাডাম (বর্তমানে ফেসবুক রিলেটেড প্রতিমন্ত্রী)। শুকতারা নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটক প্রচারিত হতো তখন, অবশ্য সেটি ছিলো যথেষ্ঠ সমালোচিত, সমসাময়িক কালে সময় অসময় নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটক ছিলো যেখানে রাইসুল ইসলাম আসাদের ন্যাড়া মাথায় মধু পাগলা চরিত্রের অভিনয় এখনো চোখে ভাসে।

"কলোনী ও কান্না - ৩"


২৯শে এপ্রিল ১৯৯১ এর ভয়ংকর ঘুর্নিঝড়ের সময় আমরা ছিলাম F/2 বিল্ডিংয়ে নীচ তলায় এই দিন আর রাতের বিস্তারিত সবকিছু সবারই জানা আমার এই ঘটনাটা এর / দিন পরের বন্যার পর নিচতলায় যাদের বাসা ছিলো, বাসায় থাকার মত পরিস্থিতি মোটেও ছিলো না কারো এমতবস্থায় বন্যার পরদিন আমরা উঠলাম F-1-10 নাম্বার বাসায় বাসাটি ছিলো বাতেন কাকার তিনি একাই থাকতেন, তার পরিবারের সবাই থাকতো সন্দ্বীপ

পরদিন আমরা বাতেন কাকার বাসায় উঠার পর যা দেখলাম, তিনি অস্থির হয়ে আছেন, কখন সন্দ্বীপ যাবেন, তার পরিবারের মানুষের জন্য তিনি ছিলেন খুবই চিন্তিত শুধু তিনি চিন্তিত ছিলেন বললে ভুল হবে, বিল্ডিংয়ের সবাই চিন্তিত ছিলেন কারন তখন সন্দ্বীপে তার পরিবারের লোকজন কি অবস্থায় আছে, তা খবর নেওয়ার কোন উপায় ছিলো না তিনি তড়ি-ঘড়ি করে চলে গেলেন সন্দ্বীপ কিভাবে গেলেন জানি না!!! তবে ছুটে গেলেন

লেডিস & জেন্টেল C.S.M


এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, আমাদের কিছু C.S.M একজন বিখ্যাত ...... হালিমের কারনে মানবেতর জীবন যাপন করিতেছেন জীবনে মজা করে এত ধরনের হালীম খেলাম, কিন্তু এই হালিমের দেখা আগে কেন পেলাম না, এই হালিমের বাবুর্চি কে?
এই হালিম খেয়ে আমাদের কিছু C.S.M এর মনবেতর জীবন যাপনের নমুনা দেখেন,
তাদের ফেসবুক একাউন্ট আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের কাছে ডাটা আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের হাতে মোবাইল আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের বাসায় কারেন্ট আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের অনেক ইচ্ছা আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের চোখে ঘুম নাই, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!

এই সব গৃহবন্ধী এবং হালিমে আটকে পড়া ভাই-বোনদের উদ্ধারের জন্য আমাদের করনীয় কি ? আমরা কি পারি না তাদের পাশে দাড়াতে tongue emoticon এইসব অসহায়দের উদ্ধার করতে ? tongue emoticon

Tuesday, December 1, 2015

আমাদের প্রিয় শামীম



যখনই দেখতাম তাকে তখনই সে ফুটবল খেলার পোষাকে আছে, সাধারন পোষাকে খুব কম দেখা যেতো,বড় মাঠে ফুটবল খেলা হচ্ছে আর সেখানে সে নাই এটা চিরন্তন অসম্ভব ঘটনাভালো ফুটবল খেলতো,অসাধারন ড্রিবলিং এর গুন ছিলো তারসঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে হয়ত বড় মাপের ফুটবল খেলোয়ার হতে পারতো

ফুটবলই ছিলো তার ধ্যান জ্ঞানপনের বছরের কলোনী লাইফে তার সাথে আমার কথা হয়েছে হাতে গোনা দু/এক বার,যা কথা হয়েছে তাও ফুটবল নিয়ে১৯৯৯ সালের পরে তার সাথে আমার আর দেখা হয়নি হঠাৎ সেদিন শুনলাম সে গুরুতর অসুস্থ,আর আজ সকালে অফিসের আসার পথে শুনলাম সে চলে গিয়েছে না ফেরার দেশে আমাদের প্রিয় শামীম, যাকে আমরা আদর করে ডাকতাম বিপি

আল্লাহ তাকে সবসময় ভালো রাখুক