Tuesday, April 5, 2016

আজ মনে পড়ে ছোটবেলার কিছু সাথীদের


আজ মনে পড়ে ছোটবেলার কিছু সাথীদের। বড় ছোট বড় কথা নয় একসাথে বড় হওয়াটাই গল্পটাই আসল।একসাথে মার্বেল খেলা,লাটিম খেলা পুকুরে ঝাপ দেওয়া। তারা অনেক আগেই কলোনী ছেড়েছিল। কারো কারো সাথে ফোনে যোগাযোগ থাকলেও অনেকের সাথেই নাই। তাদের কোনভাবে এই পেইজেও খুজে পাওয়া গেল না। কারো কি তাদের কথা মনে আছে। মোস্তাক- ই টাইপের বাসিন্দা ছিল।বাপ্পী ভাইয়ের ছোট ভাই। মাহবুবুল আলম ভুইয়া(শিবলী)। সে বর্তমানে ঢাকা আছে মাঝে মাঝে যোগাযোগ হয়। মিজান নামের এক ছেলে ছিল ই - ৩ থাকতো।ঢাকা বাড়ী। তাকে আর কখনও খুজে পাইনি। একই বিল্ডিং এ রফিক নামের বন্ধু ছিল।চট্টগ্রাম বাড়ী।তাকেও আর খুজে পাইনি।বকুল নামের এক বন্ধু ছিল শাহিন জাফরদের ব্যাচের। কিন্তু ছোটবেলার অনেক স্মৃতির সাথে সেও জড়িত।তাদের প্রতি আমার বিশেষ অনুকম্পার কারন এইযে কৈশোরটা কাটিয়েছি তাদের সাথে আর বর্তমানে তাদের কারো কারো সন্ধান জানলেও। অধিকাংশের সাথে কোন যোগাযোগ নাই।খুব ইচ্ছে করে তাদের দেখতে তাদের সাথে আড্ডা দিতে।অন্তরথেকেই বলছি আমি তাদের মিস করি।সরি আমি আমারটা শেয়ার করলাম।আপনাদের অনুভুতিটাও জানতে চাই।

একটি টেলিভিশন


আমাদের সতেরো ইঞ্চি একটি সাদা-কালো টিভি ছিল।।তখন রঙিন টিভি খুব কমই ছিল।।ছোট ছিলাম তাই টিভির প্রোগরাম গুলো খুব একটা মিস করতাম না।।বেশ কিছু উল্লেখ যোগ্য অনুষ্ঠান ছিল।।যেমন:-সিন্দাবাদ,,টিপু সুলতান,,মেকগাইভার,,নাইট রাইডার,,দি এ টিম,,এক্স ফাইল,,দি সাইমন,,দি ফল গাই,,হারকিউলিস ইত্যাদি ইত্যাদি।।

তো একানব্বইর ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে বাবা যখন মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেল তারপর বাবা পূরোপরি ইসলামিক মাইন্ডের হয়ে গেল।।বিভিন্ন হাদিস কালামের ভাল ভাল বই আমাদের বাসায় আসতে লাগলো।।একটা সময় মানে বছর খানেক পরই বাবা আমাদের বাসার টিভি টা বিক্রি করে দিলেন।।কলি ভিডিওর মালিক আমাদের টিভিটা নাম মাত্র মূল্যে কিনে নিয়ে গেল।।তখন খুব খারাপ লেগেছিল।।এতোটা খারাপ লেগেছিল যে বলে বোঝাতে পারবো না।।অনেক বলেছিলাম মাকে কিন্তু মা বাবাকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়।।কারন বাবার একটাই কথা।।এটা জাহান্নামের বাক্স।।একে বাসায় রাখা যাবেনা।।তখন আমি টিভি দেখতাম অন্যের বাসায়।।অনেক সময় দেখার সুযোগ দিতো অনেক সময় দিতো না।।অনেক সময় এমনই হয়েছে যে,,অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ওরাও দেখছে কিন্তু যেই আমি ঢুকলাম ওমনি টিভি টা বন্ধ করে দিয়ে আমাকে বের করে দরজাটা বন্ধ করে দেয় এবং পরে তাঁরা আবারও টিভি চালু করে অনুষ্ঠান উপভোগ করতো।।তখন আমার খুব কষ্ট লাগতো।।একা একা কাদতাম।।তারপর মন খারাপ করে বাসায় চলে যেতাম।।এটা সব সময় হতো না।মাঝে মাঝে হতো।।আমি বুঝতাম।।আমার যাওয়া টা তারা পছন্দ করতো না।।তাই আমিও আর যেতাম না।।মাঝে মাঝে ওয়ার্কার্স ক্লাবে যেতাম কিন্তু ওখানে বেশির ভাগই দশটার পর টিভি অফ থাকতো আর ইংরেজি অনেক গুলো ছবিই রাত দশ টার ইংরেজি সংবাদের পর শুরু হতো।।

আজকে সুজনের রিপোর্টা দেইখা হালকা পাতলা মন খারাফ


আজকে সুজনের রিপোর্টা দেইখা হালকা পাতলা মন খারাফ।মন খারাফের কারণ- সারা মাস বউয়ের ঘ্যানঘ্যানানি শুইনা সি এস এম পেইজে লিখলাম,মাস শেষে সুজন আমারে নাম্বার দিল ২,পরে চিন্তা করে দেখলাম আমার বেশীর ভাগই ছিল কমেন্টস।যাক আপাতত আমাদের নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এখনো কেউ প্রশ্ন তোলেনি,আমি ও তুলবনা,সুতরাং উনি এখনো নিরপেক্ষ।

বেশ কয়েকদিন "তৈল মর্দন"নিয়া পেইজ ছিল সরগরম।হঠাৎ করে "তৈল মর্দনে"ছেদ পড়ার কারণ উৎঘাটন করিতে গিয়া বুঝিতে পারিলাম-এই সাবজেক্ট মার্কেটে আর চলিতেছেনা।কিন্তু আমার তৈল মর্দনের লিষ্টে এখনো কয়েকজন বাকি।

এই পেইজ যে কয়েকজনের পদচারণায় মুখরিত থাকত(এখন ও মুখরিত) আহসান উল্লাহ জাবেদ,ব্যাচ ৯৫ (দোস্ত আসল নাম ভূল হলে ক্ষমাপ্রার্থী) তাদের মত অন্যতম। শ্রদ্ধেয় বড়ভাই রিপন ভাইয়ের মতে,এই পেইজের সবচেয়ে ভাল লেখক। আমার ও প্রিয় লেখকদের একজন,এবং ভাল বন্ধু।ইদানীং কবিতা টবিতা ও লিখে। এবং একজন ভালো ফটোগ্রাফার।ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে।সময় পেলেই ছুটে চলে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত (ব্যাচেলর থাকলে সবাই পারে)।খুবই বন্ধুসুলভ,এবং ভদ্র ও নম্র(তবে লেজ বিহীন)।তার সবচেয়ে বড় দোষ (আমার মতে) সে একটু ঘাড়ত্যাড়া(পারিবারিক ভাবে সে মেজ,এবং মেজরা সবসময় একটু ঘাড়ত্যাড়াই হয়)।অন্যায় সহ্য করতে পারে না,অন্যায় দেখলেই আগপিছ চিন্তা না করে দু'চার কথা শুনিয়ে দেয়।কিছু ভূলবুঝাবুঝিতে জাবেদ আজ পেইজে নেই।আমাদের সবারই বুঝা উচিত ভাল কাজে বাধা আসবেই,সমালোচনা হবেই।তাই বলে আমি কি ভাল কাজ করা থেকে বিরত থাকব?যদি হ্যাঁ হয়,তাহলে দোস্ত আমার বলার কিছুই নেই,আর যদি না হয় তাহলে বলব-ফিরে আস দোস্ত,এই সি এস এম আমার, তোর, আমাদের সকলের।কোন ব্যক্তি বিশেষের উপর রাগ করে এই পেইজ থেকে চলে যাওয়ার কোন মানে হয় না।

কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবিটি এরই মধ্যে সানাই হলে গিয়ে দুবার গিয়ে দেখেছি


কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবিটি এরই মধ্যে সানাই হলে গিয়ে দুবার গিয়ে দেখেছি, দু মাস পরে আবার সাগরিকা হলে ছবিটি চলছে, আমাদের ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা শেষ বদরুল,আমি,রাশেদ সহ আরো কয়েকজন দেখতে গিয়েছি, সব টাকা দিয়ে টিকেট কেটে ফেলেছি, অল্প কিছু টাকা আছে আমার কাছে ওগুলা বাসায় ফিরার গাড়ি ভাড়া। সিনেমা শুরু হয়ে গেছে,হলে তেমন লোকজন নেই, এর আগে যেহেতু দুবার সিনেমাটি দেখেছি তাই তেমন মনোযোগ দিয়েও সিনেমা টি দেখছিলাম না। ভিতরে গরম লাগছে তাই সবাই শার্ট খুলে ফেললাম, সিনেমার একটি গানের সাথে আমারা চার পাঁচজন মাথার উপর শার্ট ঘুরিয়ে নাচতে লাগলাম , শার্টের পকেটে থাকা টাকা গুলোও এ ঘুরানোর কারনে কোথায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ল,আর খুজে পেলাম না, আর কারো কাছে কোন টাকা ছিলনা, টাকার অভাবে কিছু রাস্তা হেঁটে,কিছু বাসের বাম্পারে চড়ে রাত সাড়ে দশটার দিকে বাসায় ফিরি।

চিরদিনের


কলোনি থেকে চলে আসার পর নতুন স্কুলে ভর্তি হলাম। নতুন সহপাঠী, নতুন পরিবেশ,নতুন শিক্ষক। সব কিছু মিলিয়ে নতুন আর মিশ্র অভিজ্ঞতা। পারব ত সবার সাথে মানিয়ে চলতে। নিজেকে নতুন করে প্রমানের একটা চাপ ছিল। পুরনো দের মিস করছি কিন্তু তা নিয়ে ভাবার সময় কই।

আস্তে আস্তে সবার সাথে মিশতে লাগলাম। সবাইকে জানার চেষ্টা করছি,বুঝার চেষ্টা করছি।কিন্তু কোথায় যেন সুর কেটে যাচ্ছে,তা বেশ বুঝতে পারছিলাম।এখন আর টুং করলে টাং হয় না। এটা ও টা জানার পর যেটা খেয়াল করলাম এখানে সবার মায়েরা কর্মজীবী। কারো মা স্কুল শিক্ষিকা, কারো মা কলেজের প্রফেসর, কারো মা ডাক্তার,কারো ব্যাংকার।কারো মা আবার পি এইচ ডি ডিগ্রী নিতে দেশের বাইরে যাচ্ছেন।

এখন সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করে আমার মা কি করেন।আমি ত এসব ব্যাপারে ক্রেজি। সবাইকে সোজা উত্তর দেই।বাসায় এসে মাকে বলি, তুমি কি স্কুলে একটা চাকরি নিতে পারো না,আমার সহপাঠী দের মায়েরা কিছু না কিছু করেন।শুধু তুমিই ছাড়া।

জ্বি,আয়নার ছোট মেয়েটা আমিই


জ্বি,আয়নার ছোট মেয়েটা আমিই।আম্মু ছবিটা পোস্ট করতে চেয়েছিল।আমিই দিলাম।ছোট থেকেই আমাকে খালারা সাজিয়ে গুজিয়ে রাখতো আমাকে।ঊর্মি খালা আর শর্মি খালা। আমাকে লাল লিপ্সটিক দিয়ে দিত খালারা।জামার সাথে ম্যাচিং করে। অভ্যাস রয়ে গেছে এখনো। আর আম্মুর লিপ্সটিক বের করে ঠোটে লাগাতাম।এই ছবিতে লিপ্সটিক দিয়ে পুরা ভাসায়ে দিসি। প্রায় ১৬ বছর আগের ছবি। শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারিনি। 

"মা" এক অতুলনীয় নাম


"মা" এক অতুলনীয় নাম।।কখনও আবেগী, কখনও মমতাময়ী।।মায়ের বিভিন্ন রুপ।।যা আমরা সন্তানরা অনেক সময় বুঝি আবার বুঝি না।।ছোট বেলায় মা আমাদের অনেক বিষয়ে নিষেধ করতেন আবার অনেক বিষয়ে নিষেধ করতেন না।।কিন্তু যে বিষয় গুলো নিষেধ করতেন সেগুলোই আমরা বেশি করতাম।।তখন আমাদের কাছে নিষেধাজ্ঞা বিষয় গুলো করতে বা যেতে বেশি ভাল লাগতো।।কখনও কখনও তার ফল গুলো আমরা সাথে সাথে পেয়ে যেতাম এবং তখনই আমরা আমাদের ভূলটা বুঝার পাশাপাশি মাকেও বুঝতে পারতাম এবং সাথে সাথেই হয়তো সরি বলতাম।।

কিন্তু কিছু কিছু ভূল ছিল যা আমরা হয়তো আজ এই পর্যায়ে এসে বুঝতে পারছি যে আমাদের মা সঠিক ছিল কিন্তু আমরা ছিলাম ভূল।।যার মাশুল আজ আমরা প্রতিটা পদে পদে দিচ্ছি।।মাকে বলতেও পারছি না যে,,মা আমি সরি।।
কারন আজ এই পর্যায়ে এসে যদি মাকে সরি বলি তবে মা আমাদের কেবলই কেঁদেই যাবে।আর বলবে বাপরে তখন কত নিষেধ করেছিলাম করিসনা।।কিন্তু শুনলি না।।

তাই নিজের জীবন থেকে বলছি,,মা-বাবার কথা শুনুন এবং তাঁদের পছন্দ-অপছন্দকে মূল্য দিন।।

কারন পৃথিবীতে একমাত্র এ দুটো মানুষই আছেন যারা কিনা কখনও আপনার অমঙ্গল চাইবেন না এবং বিনা স্বার্থে আপনার জন্য সব কিছু করে যাবেন।।

আমরা কাজিনরা মিলে এক সন্ধ্যায় খাটে বসে সবাই গল্প করছিলাম কাজিনদের বাসায়


আমরা কাজিনরা মিলে এক সন্ধ্যায় খাটে বসে সবাই গল্প করছিলাম কাজিনদের বাসায়।এমন সময় মামা ডাইনিং রুম থেকে চেঁচিয়ে বলে উঠলো ভুমিকম্প ভুমিকম্প।আমরা সবাই খাট থেকে নেমে যে যার মত দিলাম দৌড়।আমি কিছুদূর গিয়ে হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার মামাতো বোন রুমেই আছে।আমি ব্যাক করে গেলাম দেখি সেই বোন খাটের নিচে কি যেনো খুজছে।আমি তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম কিরে কি খুজোস!!??

আমারে যাহা বলিল তাহা শুনিয়া আমিতো হতভম্ব।।আমার প্রশ্নের উত্তরে সে যা বলল.........
" ভাইয়া আমার সেন্ডেল টা খুঁজে পাচ্ছিনা, একটু খুঁজে দিবে "

এটি একটি শিশুতোষ পোস্ট


এটি একটি শিশুতোষ পোস্ট। বড়রা পড়বেন না আর শিশুরা যেদিন পড়তে শিখবে সেদিন পড়বে।

আমার ভাগিনা, সংক্ষিপ্ত নাম ওয়াফি। বিস্তারিত নাম ওয়াফি তাজওয়ার। রিকশা এবং রিকশাওয়ালা তার পছন্দের তালিকার এক নাম্বারে আছে। সে তার ট্রাইসাইকেল চালায় রিকশাওয়ালার মতো কোমর দুলিয়ে। আরো ছোটবেলায় তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো "ওয়াফি তুই বড় হয়ে কি হবি?" সে বিন্দুমাত্র চিন্তা না করে জবাব দিয়েছে "আমি রিকশাওয়ালা হব। হবু রিকশাওয়ালার মা বেশ মনক্ষুন্ন হয়েছিলো সেদিন পুত্রের ভবিষ্যৎ পেশা শুনে। তাকে করা এই প্রশ্ন তার হয়ত মনের কোনে কোথাও থেকে গিয়েছিল। সে কিছুদিন আগে তার মাকে প্রশ্ন করলো "আম্মু তুমি বড় হয়ে কি হবা? তার মা উত্তর দিলো "আরো বড় হলে আমি বুড়ো হয়ে যাবো।" ভাগিনা ব্যাপারটার গুরুত্ব উপলব্ধি করলো। কাঁদো কাঁদো হয়ে মায়ের কাছে ফরিয়াদ জানালো "আম্মু আমি বড় হতে চাই না, তুমিও বুড়ো হয়ো না"।

আমার ভাতিজা আইমান জাওয়াদ রুহিন। সারাক্ষন কথা বলে। তার প্রিয় পশু ডাইনোসর। ডাইনোসরের যত বিদঘুটে নাম আছে সে মুখস্ত করে ফেলেছে। মুখস্ত করেই সে ক্ষান্ত হয়নি, এই জ্ঞান সে সকলের মাঝে বিতরন শুরু করেছে। তার দাদুমনিকে ডাইনোসরের নাম শিখিয়েছে। তাচ্চিবাবাকে শিখিয়েছে (রুহিন আমাকে তাচ্চিবাবা ডাকে। চাচ্চু উচ্চারন করতে পারতো না বলে তাচ্চি ডাকতো, সেটাই বহাল থেকে সাথে বাবা যুক্ত হয়েছে)। এরপর আমাদের বাসার কাজে সহায়তাকারী রাবেয়াকে ধরেছে। রাবেয়ার বাড়ি রংপুর। সে স্বাভাবিক বাংলা শব্দ উচ্চারনেই গলদঘর্ম এখন তাকে শিখতে হচ্ছে টাইরানোসরাস, ওয়ানানোসরাস, প্লাটিওসরাস ইত্যাদি ইত্যাদি। রাবেয়াকে দেখলে আমার মাঝে মাঝে বড় মায়া লাগে। 

বহুদিন ট্রেনে উঠিনা


বহুদিন ট্রেনে উঠিনা,সর্বশেষ ২০১১ সালে সিলেট থেকে ট্রেনে ঢাকা আসছিলাম। ট্রেনের চড়ার মজাই অন্যরকম। পুরা এ মাথা থেকে ও মাথা হাটাহাটি। আর কয়েকজন বন্ধু মিলে ঊঠলেতো কোন কথাই নেই। ৯১ সালে এসএসসি পরিক্ষা দিয়ে, আমি,রিমান,দুলি জুয়েল একসাথে চিটাগাং থেকে ঢাকা আসছিলাম একসাথে। ওইবারই আসার পথে টিকেট কাটার সময় শাহিন ভাইয়ের সাথে কমলাপুরে দেখা, পরে দুজনে একসাথে চিটাগাং আসি (বিস্তারিত আমার এক পোস্টে উল্লেখ আছে)। ট্রেনে এ এক আরেক মজা পরিচিত কারো না কারো সাথে দেখা হতোই। আর পুরা বগি ঘুরলে যে কত সুন্দর সুন্দর কেশী /এলোকেশী ললনা দেখতাম, আহ! 

মনে পড়লে এখন বুকটা ফাইট্টা যায় অবস্থা হয়। তবে ট্রেনে একবার সবচেয়ে মজার একটা জিনিস দেখেছিলাম, সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা থেকে চিটাগাং যাচ্ছি, প্রায় ১৩/১৪ বছর আগে, ট্রেনের টয়লেটে ঢুকেই নাক বরাবর তাকিয়ে দেখি সেখানে লেখা রয়েছে, ডানে তাকান,কৌতুহল বশত ডানে তাকালাম, ডানে আবার লিখে রেখেছে বামে তাকান, বামে তাকিয়ে দেখি লেখা রয়েছে পিছনে তাকান কৌতুহল আরো চেপে বসল, তাকালাম পিছনে, লেখা উপরে তাকান, শ্বাসরুদ্ধ কর কৌতুহল নিয়ে উপরে তাকিয়ে দেখি লেখা রয়েছে "" টয়লেটে এসে এতো তাকাতাকি কিসের?" আর আমার অবস্থা তখন ট্রেনের দরজা খুলুক, আমি লাফ দেই", নিজেরে গাধা শ্রেষ্ঠ মনে হলো (আমি অবশ্য গাধা টাইপেরই)।

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ মার্চ ২০১৬ (১ মার্চ ২০১৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত)

- Al Amin Billah Shujon

রেকর্ড রেকর্ড রেকর্ড আবারো রেকর্ড। ভেবেছিলাম ফেব্রুয়ারী মাসের রেকর্ডটা হয়তো এতো সহজে ভাঙবে না কিন্তু ভেঙ্গে গেল। আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত করলো আমার প্রাণপ্রিয় ভাই এবং বোনেরা। মার্চ মাসেও লিখালিখি আর লেখকের পদচারনায় ভরপুর ছিল সি.এস.এম পেজটি। প্রতিদিনই অসংখ্য লিখা, পোস্ট, ছবি, ছড়া, কবিতা এসেছে পেজ টিতে।

মাসের শুরুতে আড্ডা সংক্রান্ত পোস্ট তারপর প্রেম ভালবাসা সংক্রান্ত পোস্ট তারপর শুরু হল কিছুটা খুনসুটি, ভুল বুঝাবুঝি এবং আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে সেটাও মিটে গেল তারপর শুরু হল ইতিবাচক চর্চা (তৈল চর্চা) এবং এখনো সেটা চলছেই এবং চলবে। ইতিবাচক চর্চার কারনে আমরা কিছু নতুন লেখক পেয়েছি এবং যার কারনে পেজ এ লিখার সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, এটাও খুব ইতিবাচক দিক বলে আমি মনে করি (এটা আমার ব্যক্তিগত মত) আবার পূর্বের অনেক লেখক এই মাসে কিছুটা নীরব ছিল যার কারনে নতুন লেখকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও মোট লিখকের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। পূর্বের মত এই মাসেও সবার লাইক, কমেন্টস, রিপ্লেতে ছিল ভরপুর। মোটকথা সবার অংশগ্রহন ছিল চোখে পড়ার মত। তাই এই মাসেও অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ হইছে।

এইবার সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ

সামনে ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ২৯ শে এপ্রিল আমরা এই পেজ এর বেশিরভাগ সদস্য CSM Colony তে ছিলাম। ভয়াবহ ২৯ এপ্রিল ১৯৯১ নিয়ে সবার ই কিছু না কিছু স্মৃতি আছে। তাই সবার প্রতি অনুরোধ রইল ২৯ শে এপ্রিল নিয়ে অন্তত একটা করে লিখা পোস্ট করার জন্য।

ইলিশ মাছ


ইলিশ মাছ : পোষ্টটা ভাল কইরা পড়েন আর মনে প্রাণে বুইঝবার চেষ্টা করেন। সামনে ১লা বৈশাখ। দৌড় দিয়া বউয়ের কথায় বাজারে যাইবেন না। ইলিশ মাছের বংশ বৃদ্ভিতে সাহায্য করেন । জানি বউয়েরা সমস্যা কইরবো। পুতুল দিয়া যেমনি ছোট মেয়েদের বুঝ দিয়া রাখা যায় তেমনি আমনার বউরে ও অন্য ”কিছু” একটি দিয়া বুঝ দিয়া রাখেন।দেশকে ভালবাসেন। বি:দ্র : আমি সস্তা পা্ইয়া দেশের কথা ভূইল্লা ৪টা বড় ইলিশ কিইন্না ফালাইছি, আমনাগো হগলরে খাওয়ামু মনে কইরা !!! আবার ভূলে ১লা বৈশাখের আগেই একটা খাইয়াও ফালাইছে।তবে বউয়ের চাহিদা আরও কয়েকটা কিইন্না আনি। তবে আমি আমনাগো লগে ওয়াদা কইরতাছি আর কিনুম না।দেশকে একটু ভালবাসতে হবে তো !! আমগো লগে ১লা বৈশাখে দেখা করার ইচ্ছা থাকলে ডিসি হিল এ আইসেন।ছবিডা আমার এক সিএসএম ইঞ্জি: ভাই আনোয়ারুল হকের পোষ্ট থেকে চুরি কইয়া আনছি। হে আবার আমার বেশী কাছের আত্বীয় তো তাই সমস্যা হয় নাই।

আম্মু বলেছে আমি পারব


আজ রেজাল্ট দিবে আমার। সারামাস ধরে কত টুকু পড়ালেখা করেছি তার প্রমান দিবে।রেজাল্ট দিবেন Al Amin Billah Shujon। ভয় করছে।রেজাল্ট কেমন হয়।এবার আমি প্রথম হতে পারব ত? আব্বু বলেছে এবার রেজাল্ট এ প্রথম না হলে বাসা থেকে বের করে দিবেন।কিন্তু আম্মু বলেছে আমি পারব।তিনি আরো বলেছেন, তুই যেভাবে সারাদিন csm পেজে পড়ে থাকিস, মনে হয় তোর ঘর।ঘুমানোর আগে,ঘুম থেকে উঠে,খাবার আগে,পরে,রাস্তায় সবখানে।তোকে প্রথম হতেই হবে।ইশ যদি আরেক টু বেশি পড়তাম তাহলে টেনশনে পড়তাম না।

আসলে পেজে যখন লিখি তখন ভাল লাগা থেকে লিখি।কোন কিছু ভেবে না। তাসকিন ভাই বা রাসেল ভাইয়ের মত আমার ছবির কালেকশন নেই।তাছাড়া কলোনি র মানুষ গুলো র সাথে আড্ডা দেই না।লেখা ছাড়া গতি কি! তবে সুজনের পরিসংখ্যান দেখে মনে হল গত মাসে পেজে লিখা ছাড়া আমার কোন কাজ ছিল না। প্রতিদিন গড়ে একটি লিখা। যারা কষ্ট করে আমার লিখা পড়েন,কমেন্ট করে লাইক দিয়ে উতসাহিত করেন,পারলে সবার বাড়ি গিয়ে ধন্যবাদ দিয়ে আসতাম।জানি সেটা সম্ভব না।তবুও সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভ কামনা থাকল সবার জন্য।

এক অপারাজয়ে বাঙালী ( রাজীব)!


এক অপারাজয়ে বাঙালী ( রাজীব)!

আমাদের সিএসএম এর ছোট ভাই।রানা ভাই, সবুজ,সজীব এর সবার ছোট ভাই টি।খুব আদরের।
আমাদের সিএসএমএর গর্ব।কারন সে বর্তমানে সেননাবাহিনীর মেজর।এক সময় বর্তমান প্রধানমণএীর এসএসএফ এর দায়িত্বে থাকায় তার সাথে ছিল।
খুব ভাল গান গায়।ছোট কালে আমি কলোনীতে ভাইটিকে দেখিনি।তবে শুনেছি চলাফেরা কিছুটা মেয়েদের মত ছিল।
এই পেজের মাধ্যমে ভাই টিকে চিনেছি।
আড্ডাতে ভাই টি খুব সুন্দর গান গেয়েছে।২৮ তারিখ রাতে তারা দুই ভাই কমু ভাই কে আপ্যায়ন এ কি রকম সাহা্যা করছে তা আমরা যারা ওখানে ছিলাম তারা দেখেছি।কয়েকদিন ধরে ভাই টির কোন খবর নাই।
পরিশেষ এ বলব ভাই তুমি সব সময় এভাবে পাশে পাশে থেকো।আর আগের মত সুন্দর সুন্দর পোস্ট কর।

সোলস, বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত জগতে শীর্ষস্থানীয় নাম


সোলস, বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত জগতে শীর্ষস্থানীয় নাম। যখন থেকে ব্যান্ড সংগীত বুঝি, তখন ব্যান্ড বলতে চট্টগ্রামের এই সোলস কেই বুঝতাম। সেই ৮৪/৮৫ সাল থেকে এখন পর্য্যন্ত এদের মেলোডিয়াস টাইপের গান গুলো শুনতে খুবই ভালো লাগে। এখনো আমি প্রতিদিন অফিস যাওয়া আসার পথে সোলসের গান গুলো শুনি। আমাদের কলোনিতে প্রথম ব্যান্ড শো করে এই সোলস। এর পরে অবশ্য April 29 সফট টাচ আর স্পার্ক নামে দুটো ব্যান্ড দল কে শো করার জন্য কলোনিতে নিয়ে আসে।তবে বিভিন্ন প্রোগ্রামে ব্যান্ড শো করার জন্যই যাদেরই আনা হোক না কেন সেখানে ব্যান্ড জগতের গুরু আযম খানের গান ছিলো মাস্ট। গুরুর গান ব্যাতীত ব্যান্ড প্রোগ্রাম ছিল পানসে। গুরুর সাধাসিধে চালচলন আর গানের ভঙ্গিমা আমাদের খুবই টানতো। অবশ্য ফিডব্যাক, রেনেসাঁ, এল আর বি, চাইম এদের গানও আমাদের খুব পছন্দের ছিল, এত মিডিয়া বা প্রযুক্তি ছিলনা তখন, যেদিন বিটিভি তে ব্যান্ড শো থাকতো সেদিন আমরা হাঁ করে অপেক্ষায় বসে থাকতাম। পরদিন জনপ্রিয় গান গুলো সবার মুখে মুখে বিশেষ করে আমাদের মরাইয়া রাশেদের মুখেতো থাকতোই। এখন অনেক মিডিয়া, অনেক প্রযুক্তি, আংগুলের এক ক্লিকে পুরো সংগীত দুনিয়া কে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা যায়, কিন্ত সে আবেগ নিয়ে গান শুনার আগ্রহ থাকেনা। এখন গান শুনার জিনিস নাকি দেখার জিনিস মাঝেমাঝে কনফিউজড হয়ে যাই। এমন কি গান কোন ভাষায় গাচ্ছে সেটা নিয়েও দ্বিধায় থাকি।

শুভ সকাল


শুভ সকাল । আমরা সবাই সন্তানকে নিয়ে কত না স্বপ্ন দেখি, জন্মদিন পালন করি, কত না ভাবে সবার কাছে প্রেজেন্ট করি বিভিন্ন ফটোসেশনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। এক সময় আমাদের বাবা-মারাও তা করত। এখন আমরা কি সবাই আমাদের বৃদ্ব বাবা-মার খোজ রাখি, তাকে সময় দেই, তার সব দায়-দায়িত্ব কাধে নেই যদি না হয় তাহলে এখনো আমাদের সময় আছে তাদের পাশে গিয়ে দাড়াই নতুবা ঠিক একই সাজা আপনিও পাবেন আপনার সন্তান থেকে। ভাল থাকেন সবাই।

নুর হোসেন (হোসেন ভাই)


আমাদের নিরু ভাইয়ের ছোট ভাই। কলোনীতে থাকতো ই/১১ এ।ব্যাচ স্কুল -৯০।তারা অনেক গুলো ভাই বোন ছিল।তার মধ্যে সবার ছোট হোসেন ভাই। বাসার খুব আদরের ছিল।এখন আছে কিনা নিরু ভাই ভাল বলতে পারবে।

খেলাধূলা ও পড়ালেখায় ভাল ছিল।ফুটবল খুব ভাল খেলত।
দীর্ঘ দিন দেশের বাইরে ছিল।এখন চিটাগাং থাকে।খুব পরিশ্রমী।
এখন মনে হয় ছোট খাট ব্যাবসা করে।

আড্ডার আগে একদিন কূপন দিতে যাচ্ছিলাম আমি জসিম ভাই, দুলাল বাবু স্যারকে,তো সেখানে সে আমাদের দেখে জড়িয়ে ধরে এবং আমাদের সাথে দুলাল বাবু স্যারকে কূপন দিতে যায়।ব্যাস্হতার মাঝে ও আমাদের সাথে সেদিন অনেক সময় দেয়,এবং স্যার সহ আমাদের নাস্তা করায়।সবাই ভাইটির জন্য দোয়া করবেন।

পরিশেষ এ ভাই সব সময় সিএসএম সাথে বিপদে- আপদে,সুখে- দুখে একসাথে থাকারর চেষ্টা করবেন,করাণ এখানে আমরা আমরাইতো।।

Monday, April 4, 2016

পুলক এই পেজ তৈরি করার পর থেকেই আমাকে এডমিনের দায়িত্ব দেয়


পুলক এই পেজ তৈরি করার পর থেকেই আমাকে এডমিনের দায়িত্ব দেয়, আমি ফেসবুকে অনেক দিন ধরে লিখছি, কিন্ত ফেসবুকের একটি পেজ চালানোর মত টেকনিক্যাল জ্ঞান আমার ছিলোনা, এখনো পুরাপুরি নেই, যতটুকু জানি সেটা পুলক থেকেই শিখেছি। তা স্বত্তেও এডমিন বা টেকনিক্যাল কাজের চেয়ে লেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছি আমি। কলোনি নিয়ে যখন লিখতাম তখন একটা ঘোরের মধ্যে চলে যেতাম, মনে হত যেন আমি এখনো কলোনিতেই আছি, চরম আবেগ দিয়ে লিখে গেছি, এমনও হয়েছে আমি টাইপ করছি আর আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে।আমার কোন লেখাই হয়ত কোন মান দন্ডেই লেখা হিসেবে বিবেচ্য নয়, কিন্তু আমার কাছে এগুলো ছিল কলোনির চলমান ছবি। অফিস পরিবার সব কাজ একপাশে রেখে আমি এ পেজে সময় দিয়েছি। 

আমার এ পরিশ্রম কোন সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য নয়, আমি কোন ইলেকশন করবনা, এখান থেকে দু পয়সা লাভেরও কারো কোন সুযোগ নেই, বরং অনেকেই এখানে নিজের পকেটের পয়সা ঢেলেছে। শুধু মাত্র একটি নির্দোষ আড্ডা, ফান আর প্রয়োজনে মানবতায় এগিয়ে আসার জন্য। আমি দুদিন আগেও বলেছি এ পেজের বাইরেও আমাদের একটি জগত আছে, সেখানে আমাদের সমাজ,পরিবার,ধর্ম,ব্যবসা, বানিজ্য আছে। আমাদের দৈনন্দিন রুটিন বা প্র্যাক্টিকাল কাজ গুলো ঐ জগতের জন্য রেখে দেই। পেজ টাকে শুধু মাত্র একটি নির্দোষ বিনোদনের জায়গা হিসেবে রাখি।

Shamima Bithi বিথী আমাদের সিএসএস কলোণীর সদস্য


Shamima Bithi বিথী আমাদের সিএসএস কলোণীর সদস্য , ব্যাচ-৯৫ । বিথী বন্দু হিসাবে অনেক আন্তরিক ও মিশুক , মেয়ে হিসেবেও অনেক ভাল । বিবাহ্ সুত্রে কুমিল্লায় বসবাস করছে । কিন্তু মন পরে আছে চট্টগ্রাম ও সি. এস. এমে সুযোগ পেলেই চট্টগ্রাম চলে আসে , তার বড় উদাহারন নাজিমের বিয়ে । আমি তারে একদিন ফোনে বল্লাম আমাদের সিএসএম-এর ছোট ভাই নাজিমের বিয়ে তুই চট্টগ্রাম আসবি সাথে সাথে উত্তরে বললো যদি দাওয়াত দেয় অবশ্যই আসবো এবং কমু ভাইয়ের ফোন পেয়ে সে এসেছেও বটে। বিথী আমাদের শাহিন ভাইয়ের ছোট বোন ।

আজ আমাদের বিথীর শুভ জন্মদিন সি.এস. এম- এর পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।

(বি:দ্র:- বিথী যেহেতু কুমিল্লায় , সেহেতু শাহিন ভাই বিথীর পক্ষ থেকে একটা পার্টির আয়োজন করলে মন্দ হয় না । সবাই কি বলেন ?)

বাজে লোক,,অসভ্য লোক,,সারাক্ষণ কেবল মোবাইল আর মোবাইল।।


বাজে লোক,,অসভ্য লোক,,সারাক্ষণ কেবল মোবাইল আর মোবাইল।।
বললাম:-কি হই ছে??
কথা বলবা না।।একদম চুপ।।বাসায় স্বামী আসলে স্ত্রীরা খুশি হয় আর আমার হয় উল্টা।।বাসায় ঢোকার সাথে সাথে গায়ে আগুন ধরে যায়।।যতক্ষণ বাসায় না থাকো ততক্ষণই আমি সুখি।।
আবারও জিজ্ঞাসা করলাম:-কি হই ছে??
কি হইছে তুমি জানো না।।তুমি কি বুঝতে পারছো তোমার আর আমার মাঝে এ মোবাইল টা কতটা দূরত্বের সৃষ্টি করেছে??আমার সব চাইতে অশান্তির কারন এখন এই মোবাইল!!
হুম বুঝলাম।।তো এখন কি করা??
বিছানায় মোবাইল নিয়ে আসতে পারবে না??সব কাজ শেষ হলে আসবে।।
আর যদি না শুনো??
না শুনলে।।
আইন শূধু তুমি জানো না আমিও জানি।।এখন থেকে সমান সমান।।
তুমি আমার কথা না শুনলে আমিও শুনবো না।।
বললাম আচ্ছা তুমি যে সিরিয়াল দেখ কৈ আমি তো কিছু বলিনা।।
ওমনি ঠাস্ !!এটা আর ওটা কি এক হলো!!!!! 
পরিস্থিতি খুব খারাপ যাচ্ছে🙉🙉

জাবেদ ভাই


জাবেদ ভাই আমাদের সবার প্রিয়। কথা কম বলেন,কিন্তু যখন বলেন তখন খুব হাসি আমরা। মজা করেন খুব। উনার লিখার খুব ভক্ত আমি।উনি ছবিও তোলেন খুব সুন্দর। গানও করেন কিন্তু তা শোনার সৌভাগ্য হয়নি।আমার খুব পছন্দ এই ভাইটারে। গত কিছুদিন যাবত উনাকে পেইজে না দেখে খোজ নিয়ে জানলাম উনি পেইজ ছেড়ে চলে গেছেন। ভাই কার ওপর বা কেন রাগ করেছেন তা নিয়ে কথা বলবোনা। ধরে নিলাম কয়েকজনের ওপর আপনার রাগ। বাকিরা আমরা যারা আপনাকে পছন্দ করি তাদের কথা আপনার মনে হয়না? ঝগড়া সবারি হয়,ভাই বোনের মধ্যেও হয়,তাই বলে আমরা কি তাদের ছেড়ে দেই? এত বছর ধরে একসাথে থেকেছি,পেইজের মাধ্যমে সবাইকে পেয়েছি,হারাতে চাইনা কাউকে। ফিরে আসেন ভাই। বড়ভাইদের অনুরোদ করছি উনাকে ফিরিয়ে আনুন। জাবেদ ভাই ফিরে আসেন সব ভুলে। মামুন ভাইয়ের মত বলি আমরা আমরাই ত। আশা করি ছোট ভাইয়ের অনুরোধ বড়ভাইরা রাখবেন,তাকে ফিরিয়ে আনবেন।

তিন পুরুষ


গ্রুপ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল সুইডেনে আমদানি হয়েছে। তাই ভাবলাম কিছু তেল আমার সিএসএম ভাই, যারা সুইডেনে থকে তাদের সাথে ভাগাভাগি করি।

প্রতীক - Ridwanul Amin Protik
অতি শান্ত সুবোধ ও ঠাণ্ডা মাথার ছেলে, ডাক্তার। যখন আমাদের সাথে খেলতে আসতো, তখন নাকের নিচে তখন হালকা লোম ছিল। তার পর অনেক দিন দেখা নেই, ও ক্যাডেট কলেজে পড়তে চলে যায়। 
প্রায় ১৫ বছর পর আবার ওর সাথে দেখা, স্টকহোমে। স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে এসেছে ক্যারোলিনিস্কা ইনিস্টিটিউটে, যেখান থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কারের জন্য বাছাই করা হয়। 
সে কি পরিমাণ ঠাণ্ডা মাথার ছেলে তার একটা উদাহরণ দেই। ক্যারোলিনিস্কাতে সে সারাদিন ক্লাস করার পর বিকাল বেলা আবার সুইডিশ ভাষার ক্লাসে যায়। এবং দুই জায়গাতেই তার ফলাফল খুবই ভাল। আমি পাঁচ বছরে সুইডিশ লেভেল-সি শেষ করতে পারিনি। প্রতীক মোটামুটি এক বছরের মধ্যে লেভেল-ডি শেষ করে ফেলেছে। 
অতি ডাইনামিক ছেলে, ওর বিয়ের ব্যাপারটা তার একটা উদাহরণ smile emoticon । পরিবারের সদস্য ছাড়া, ফোনে আমি অধমের খোঁজ নিয়মিত এই প্রতীকই নেয়।

আদিবা তাবাস্সুম (পিংকী)

- Aslamuddin Mamun

আদিবা তাবাস্সুম( পিংকী)-৯৮ ব্যাচ।

আমাদের ফরিদা আপার মেয়ে,বাপেন এর ছোট বোন।থাকতো সি টাইপে।কনা আপাদের পাশের বাসা।আমার ছোট বোনের ক্লাসমেট।

পড়া লেখাতে খুবই ভাল ছিল।কলোনীতে দেখেছি মাঝে মাঝে,তবে কখনো কথা হয়নি,আর সেই রকম পরিচিতি ও ছিল না।

খুবই শান্ত শিষ্ট বোনটি।
এতদিন ঢাকা ছিল এখন চিটাগাং থাকে।

আড্ডা তে এসেছিল ২৮ তারিক রাতে মা ও বাচ্চা নিয়ে, সবার সাথে মিশেছে।
পেজে মাঝে মাঝে লাইক কমেন্ট করে,দু একটা পোস্ট করে সময় পেলে।

বোন দোয়া করি ভাল থাকিস সিএসএম এর সাথে সব সময় সুখে দুঃখ এ থাকিস।কারণ এখানে আমরা আমরাইতো।

বর্ত্তমান সরকারের ক্রীড়া উপ মন্ত্রি আরিফ খান জয়


বর্ত্তমান সরকারের ক্রীড়া উপ মন্ত্রি আরিফ খান জয়, একসময়ের জাতীয় দলের ফুটবল খেলোয়াড়, খেলেছেন আবাহনী সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্লাব গুলোতে। কিন্ত তার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল আমাদের ইস্পাত একাদশে খেলার মাধ্যমে। ৯১/৯২ সালে জয় সূদুর নেত্রকোনা থেকে এসে ইস্পাত একাদশে খেলতেন, তবে প্রায় সময় সাইড লাইনে বসে থাকতেন, মূল একাদশে জায়গা হতোনা, বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামতেন। আমার এবং ইউনুসের সাথে খুব খাতির ছিল তার, ইউনুসের খিলি পানের খুব ভক্ত ছিলো জয়, দিনের বেশির ভাগ সময় আমার সাথে আড্ডা দিত, আর খুব আফসোস করে বলত, যদি পুরাপুরি চান্স পেত তাহলে সে দেখাই দিত, সে কত ভালো ফুটবল খেলতে পারে। পরে অবশ্য ঠিকই প্রমান করেছে জয়, যে সে বড় মাপের ফুটবলার। সিএসএম এর অনেকেই তাকে মনে রেখেছে। মাননীয় উপ মন্ত্রী, জয় সাহেবের কি মনে আছে তার ক্যারিয়ারের উত্থান কারিগর ইস্পাত একাদশের কথা।

হাসান রুবাঈয়াত( সাগর)


সিএসএম কলোনীর আমাদের ছোট ভাই।মাকছুদা আপার ছোট ছেলে,শুভর ছোট ভাই,কলোনীতে থাকতো এপ টাইপে।

কলোনীতে খেলাধূলায় ছিল ভাল।একটু জিত বেশী। কিন্তু ভাইটির মনটা ভাল।
বতর্মানে সেনাবাহিনীর একজন মেজর।
কটর পরিশ্রমী।
আড্ডা আগে এক মিটিং এসেছিল টিপুর শোরুমে।জসিম সহ আমরা যারা ছিলাম, সেদিন প্রোগ্রাম কেমনে কেমনে করলে ভাল হয় খুব সুন্দর করে বলেছিল।আর্মি ট্রেনিং প্রাপ্ত।
বর্তমানে বগুড়া আছে।ভাই টির জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন আর সুনম অর্জন করতে পারে।আমাদের কলোনীর গর্ব।ভাই টি এখন পেজে কম,হয়তো ব্যাস্তবেশী।ভাই মাঝে মাঝে পোস্ট করিস।আর আমাদের পাশে থাকিস।কারন এখানে আমরা আমরাইতো।

আমাদের পেইজের খুব সুন্দর সময় যাচ্ছে এখন


আমাদের পেইজের খুব সুন্দর সময় যাচ্ছে এখন। আমরা সবাই এনজয় করছি ব্যাপারটা। অনেককে নিয়ে লিখা হয়েছে। তাদের ভালো দিক সমূহ জানতে পারছি,এটা খুবই ভালো দিক। আমি এই পক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার সুযোগই পাচ্ছিনা। যখনি চিন্তা করছি কাউকে নিয়ে লিখবো তখন দেখা গেল কেউ না কেউ ওই ব্যক্তিকে নিয়ে লিখেছে। এটা নিয়ে আমার কোনো আফসোস নেই। আজকে যাকে নিয়ে লিখছি সে আমাদের এই পেইজের নেপথ্য কারিগর মাইনুদ্দিন সিদ্দিকি (টিটু)। একই সাথে লেখাপড়া করেছি চুপচাপ স্বভাবের মানুষ। কিন্তু দুষ্টমিতেও কম যেতোনা আমার বন্ধু। আড্ডার ব্যাপারে সারাক্ষণ আমাকে এবং আমাদের সবাইকে সাহস দিয়ে গেছে। তারিকের চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্যের ব্যাপারে টিটু ওর ব্যাংকে একাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে টাকা সংগ্রহ এর জন্য ভীষন সহযোগিতা করেছে। ফেইসবুকে খুব একটা সময় দেয়না টিটু। মেধাবী ছাত্র ছিলো সে। ফেইসবুকে কিছুক্ষন সময় দিলে আমাদের পেইজটা উপকৃত হতো। আমার বন্ধুর সর্বাঙ্গীণ উন্নতি কামনা করছি।

আমার একমাত্র ভাই বা‌পেন


আমার একমাত্র ভাই বা‌পেন।চাচিরা ভেজাল বল‌তো,আস‌লেই একটু বে‌শি ই ভেজাল করত।‌ছোট‌বেলায় ছাত্র অতো ভা‌লো না থাক‌লে ও বড় হ‌তে হ‌তে বেশ ভা‌লো ছাত্র হই‌ছে।আ‌রেক ভাই শু‌ভো এর সা‌থে Competition ছিল চরম।class 6 এর জয়নুল বৃত্তি না পাওয়া‌তে আম্মার কি রাগ,৩\৪‌দিন কথাই ব‌লে নাই ভাই এর সা‌থে।‌সেই রাগ এর result এরপর আর কোন বৃত‌ি্িত বাদ যায়‌নি।class 8 এর বৃ‌ত্তির result দি‌সে,ভাই তো ভ‌য়ে শেষ,তার হা‌তের লেখা আবার যা তা,তাই কোনই আশা নাই,যাই হোক আব্বু office থে‌কে paper পাঠা‌চ্ছ‌ে in the mean time খবর হ‌য়ে গে‌সে শুভ ভাই talentpool এ পাই‌সে,আর যায় কই আমার ভাই,বকা শু‌নে ভচকায় কনা আপার সা‌থে ব‌সে আছে,paper আস‌লো,‌কোথাও roll no নাই,আম্মা তো এখু‌নি ফে‌টে যায় তখ‌নি কনা আপা বলল "চা‌চি talentpool টা দে‌খি",আম্মা পাত্তাই দি‌লো না,কনা আপা দে‌খে ভাই এর roll talentpool এ ই...আর কনা আপার খু‌শি কে দে‌খে,ম‌নে হ‌চ্ছি‌লো উনি ই পাই‌সেন।আর তারপর থে‌কেই ভাই এর ভা‌লো ছাত্র হওয়া শুরু।আর সেই শু‌ভো ভাই আর বা‌পেন ভাই এখনও খুব ভা‌লো বন্দ্ধু।

পুরা ফেসেলিটির মইদ্যে আছি


১০ টার অফিসে সাড়ে ৯ টার মধ্যেই ঢুকে প্রথমেই সিএসএম কলোনি তে ঢুকলাম। সকাল সকাল এখানে না ঢুকলে মনে হয় যেন বিরাট কিছু একটা বাদ পড়ে গিয়েছে। সারাক্ষণ আমার ফেসবুক ওপেন থাকে, পাঁচ / সাত মিনিট পরপর এখানে উঁকি না দিলে খাওয়া হজম হতে চায়না।

গতকাল অফিস করিনি, আজ অফিস এসেছি, কিন্তু শরীরে কোন জুত পাচ্ছিনা,কেমন জানি এই ম্যাজমেজে ভাব,কোন কাজ করতে ইচ্ছা করছেনা এবং আদতে কোন কাজই করিনি। আবারো কাজ জমছে, জানি না কোন টা কেমনে সামলাই।

পুরা ফেসেলিটির মইদ্যে আছি।
দোয়া প্রার্থী।।

CSM গ্রুপ থেকে বের হয়ে গেছি অনেকদিন হলো


CSM গ্রুপ থেকে বের হয়ে গেছি অনেকদিন হলো। বলতে দ্বিধা নেই তীব্র বেদনা আর হতাশা বুকে নিয়েই বের হয়েছি। এরপর ওখানে ফিরে যাবারও আগ্রহ বোধ করিনি কখনো। তবে খোঁজ রেখেছি সবসময়। সম্ভব হলে লেখাগুলো পড়েছি। কলোনির স্মৃতি গন্ধের মাদকতা একেবারে ছেড়ে দেয়া মুশকিল। সেদিন আমার বোনের মোবাইলে তার একাউন্ট থেকে লেখা পড়ছিলাম। দেখলাম একে অপরকে নিয়ে লিখছে। আমারো একজনকে নিয়ে লিখতে ইচ্ছা হল। আমার বন্ধুকে নিয়ে। এই লেখাটি আমার বন্ধুর প্রতি আমার শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। তার সাথে আমার পরিচয় কবে আমার মনে নেই। হয়তো তখন ক্লাস ফোর বা ফাইভে পড়ি। সে আমাদের মত ছিল না। ভয়াবহ রকম সীমাবদ্ধতা নিয়ে সে জন্মেছিলো। স্কুল জীবনের একটা সময় তার সাথে কিভাবে যেন আমার হৃদ্যতা তৈরী হয়েছিল। আমি তাকে দেখে অসংখ্যবার অনুপ্রানিত হয়েছি, নিজেকে ঢেলে সাজাবার কথা ভেবেছি। ছেলেটা আজন্ম ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড এবং সেই চ্যালেঞ্জ সে খুব সাহসের সাথে নিয়েছে। 

নাসেরাপেল মামা


মানুষ এখানে দুইজন।আপেল মামা ও নাসের মামা।তারা একে অন্যের পরিপূরক । অক্সিজেন আর কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতন। আমি সারাক্ষণ তাদের পিছে লেগে থাকি।আপেল মামা বলে আমি নাকি বিড়ালের মত ম্যাও ম্যাও করি।নাসের মামা আর আপেল মামার সাথে অমানুষিক দুষ্টামি করি।মামারা খালি হাসে আর চুপ করে রং ঢং দেখে। আপেল মামা আর নাসের মামার সাথে বেশী ফ্রেন্ডলি সম্পর্ক আমার।"ফেরা" নিয়ে কাজ করার সময় বাসায় যখন আসতো,তখন যেই আড্ডা দিতাম তা ভুলা মুশকিল। আপেল মামার "ছি " বলার মুদ্রাদোষ আছে।কিন্তু এই মানুষ দুইজন প্রচন্ড স্বার্থহীন এবং পরোপকারী। আপেল মামা আর নাসের মামা অতি শীঘ্রই আমাকে খাওয়াবে (স্বপ্নে দেখেছি)।সেই অপেক্ষায় আছি।

মামারা,অনেক ভালো থাকো।আমাদের সাথেই থাকো।

একজন নিরু মামা


পেইজে সবাইকে ক্লান্ত মনে হচ্ছে।ক্লান্ত হওয়ার ই কথা-গত কয়েকদিন যাবৎ গণহারে যেভাবে একজন আরেকজনরে "তেলাইছে" তাতে ক্লান্ত না হয়ে উপায় আছে? নাকি রেজা ভাইয়ের ড্রাম ও খালি হইয়া গেছে!

Mdnurul Kabir Niru,কলোনীতে ছোট বড় সবাই "নিরু" বললে একনামে সবাই চিনে।কারণ-কলোনীতে উনাদের পদচারণা ছিল সর্বত্র।সি টাইপ থেকে এফ টাইফ সর্বত্র দাপিয়ে বেড়াতেন দাপটের সহিত।খেলাধুলা ও করতেন ভাল।বিশেষ করে ব্যাডমিন্টন আর ফুটবলে তার নৈপূণ্য ছিল দেখার মত।

সবাই ভাই ডাকলে ও আমি উনাকে মামা বলেই সম্ভোধন করি।উনার ভাগিনা নিজাম ৯৫ ব্যাচ(বর্তমানে জাহাজের ক্যাপ্টেন) আমার খুব ক্লোজ দোস্ত,যাকে বলে ভোজন ফ্রেন্ড।সেই সূত্রে উনি আমার মামা।খুবই সাংগঠনিক একজন ব্যক্তিত্ব।তিনি আরেকটা কারণে কলোনীতে বেশ ফেমাস ছিলেন-তার ঐতিহ্যবাহী "ব্রেকড্যান্স"।যারা আড্ডায় এসেছিলেন তারা কিছুটা হলে দেখেছেন।সিনিয়র বলে মামার সাথে খুব একটা ক্লোজ কখনোই ছিলাম না,কিন্তুু পেইজে এসে দেখছি উনি খুবই বন্ধুসুলভ,পরোপকারী একজন মানুষ।

ভাল থাকুন মামা,দীর্ঘজীবি হউন।আর আপনাদের নেতৃত্বেই সি এস এম এগিয়ে যাক যুগ থেকে যুগান্তরে।

(বিঃদ্রঃ-Aslamuddin Mamun vai বলেছিলেন কারো সম্পর্কে লিখলে তার ছবি সহ দেওয়ার জন্য,আমার মনে হয় নিরু মামার জন্য এটা প্রযোজ্য নয়)

রাগারাগি হৈচৈ করা আমার স্বভাবে নেই


রাগারাগি হৈচৈ করা আমার স্বভাবে নেই, খুব সহজে আমি কারো সাথে রাগারাগি করিনা আর কারো উপর রাগলেও খুব অল্পতেই তা আবার নেমে যায়, আর যার উপর রাগ করি সে যদি পরে দুটো মিষ্টি কথা হাসি দিয়ে বলে তাহলেতো আমার রাগ শেষ হয়ে পুরাপুরি বিশুদ্ধ মিনারেল ওয়াটার (এ জন্য জীবনে অনেক মূল্য দিতেও হয়েছে)। রাগারাগির ক্ষেত্রে আমার নীতি হচ্ছে হাসি মুখে পিঠে হাত বুলিয়ে কাজ আদায় করে নেওয়া। আমার কর্মক্ষেত্রে আমার এই সুনামটা আছে যে, আমি কারো সাথে রাগারাগি করিনা, আসলে আমাকে করতে হয়না, পিঠে হাত বুলানো নীতি নিয়ে কাজ করি, তাই অযথা চিল্লা ফাল্লা করে এনার্জি লস করতে হয়না। 

সব জায়গায় যদি মিষ্টি হাসি আর হাত বুলানো নীতি এপ্লাই করা যেত তাহলে জাতির অনেক এনার্জি সেভ করা যেত।
(নিজেরে নিজে কিছুক্ষণ তেলাইলাম আরকি)

বেশির ভাগ সময়ই টেনিস বল দিয়ে ক্রিকেট খেলতাম আমরা


বেশির ভাগ সময়ই টেনিস বল দিয়ে ক্রিকেট খেলতাম আমরা, এখনকার দিনের মত যখন তখন সব কিছুর এতো পর্যাপ্ততা ছিলনা। টেনিস বল যোগাড় করা গেলেও ব্যাট ছিলোনা, প্যাটার্ন শপের কিংবদন্তি নানার কাছ থেকে একটি ব্যাট বানিয়ে আনি আমরা। ভালো স্ট্রোক ছিল ব্যাট টি তে, খেলার পরে ব্যাট টি আমার বাসায় রাখতাম। একদিন সবুজ রঙ করে ফেলি আমি, ব্যাট টি তখন আরো সুন্দর লাগছিল।আমি খেলাধুলার প্রতি অন্তপ্রান হলেও তেমন ভালো খেলতে পারতাম না। কিন্তু কেন জানি ঐ ব্যাট টি দিয়ে ভাল ব্যাটিং করতে পারতাম। সময়ের বিবর্তনে ব্যাট টি কোথায় জানি হারিয়ে যায়।

আজ সকালে অফিসে আসার সময় মাটিকাটা নুতন রাস্তা নামক এক জায়গার দেখি বৃষ্টি ভেজা মাঠে ছেলেরা ক্রিকেট খেলছে, তাদের হাতে হুবুহ ঐ সবুজ ব্যাট টির মত ব্যাট।

পুরোপুরি নষ্টালজিক করে দেয় আমাকে।

আকাশ সংস্কৃতি


১৯৯৪ সালের শেষ দিকের কথা।হঠাত করে শোনা গেল কলোনি তে ডিশ এন্টেনা আনা হচ্ছে। যারা সংযোগ নিতে আগ্রহী, তারা যোগাযোগ করছে। এর মাধ্যমে বাইরের দেশের অনুষ্ঠান দেখা যাবে।আমাদের বাসায় এ নিয়ে দ্বিমত এর সৃষ্টি হল। যারা আনার পক্ষে তারা এক দলে আর যারা আনতে চায় না তারা অন্য দলে। আমি উপরে উপরে না আনতে চাইলেও মনে মনে চাইছিলাম।ভাবছিলাম প্রিয় হিন্দি ছবি আর গান মন ভরে দেখব। আম্মা ভাবছিলেন, পড়ালেখার কথা। কারন একেত আমি নাচুনে বুড়ি আর ডিশের সংযোগ আসা মানা বাসায়, ঢোলের বাড়ি। তারপরেও নানা মত বিরোধের পর সংযোগ আসল।

কিন্তু আসার পর প্রতিদিনের জীবনে পরিবর্তন আসল।প্রতি শুক্রবারে আমরা রিতাদের বাসায় সকালবেলা দলবেঁধে সিনেমা দেখতাম। আবার বিকালে স্কুল থেকে ফিরে পড়তে বসতাম যাতে রাতে অনুষ্ঠান দেখতে পারি।তখন জি টিভিতে, এবার জমবে মজা, দে রে নামের কিছু হাসির নাটক দেখাত।এগুলো রিতাদের বাসায় দেখতাম। আমাদের টিভিতে চ্যানেল গুলো ক্লিয়ার ছিল না।আর যে চ্যানেল গুলো দেখতাম, সেগুলো তে ভাল।ছবি দেখাত না।তারপরেও মনে মনে খুশি থাকতে চাইতাম।তবে পড়ালেখায় ক্ষতি হবার যে আশংকা করেছিলাম তা কিন্তু হয়নি।

মেয়েদের নাম জনি হয় কেমনে


তখন আমরা থাকতাম নারিকেল তলায় মোহাম্মাদ আলি'র বিল্ডিঙে। ঐ বিল্ডিং টা ছিল কলোনীর এফ টাইপের আদলে, পাশা পাশি ১০ টা করে বাসা, এক টা কমন বারান্দা। আমাদের কয়েকটা বাসা পাশেই থাকতেন রিমা আপু রা। রিমা আপুর পুরো নাম হচ্ছে রিমা পাল, সম্ভবত '৯৫ ব্যাচ এর ছিলেন উনি। যাই হোক, একদিন উনি আমাকে বললেন, "কলোনী তে যাও, গিয়ে গেট দিয়ে ঢুকেই প্রথম বামের বিল্ডিঙে যাবা। ২ (বা ৩, ঠীক মনে নাই) তলায় গিয়ে ডান পাশের বাসাটা জনিদের। ওর কাছ থেকে গিয়ে ভূগোল বই টা নিয়ে আসো। গিয়ে বলবা আমি চাইসি, তাহলেই হবে"।
যথারীতি আমি গেলাম। নক করলাম দরজায়, এক আপু দরজা খুললেন। আমি বললাম "জনি ভাইয়া আছে? আমি কল্লোল, রিমা আপু আমাকে পাঠাইসে ভূগোল বই নেওয়ার জন্যে"।

উনার মুখে মুচকি হাঁসি আর উত্তর টা ছিল "আমি ই জনি। দাড়াও, বই দিচ্ছি"।

আমি ১০০% টাশকি এবং পূর্নদৈর্ঘ্য বেকুব হয়ে গেলাম। তারপর, পুরা রাস্তা হাটতে হাটতে আর ভাবতে ভাবতে বাসায় আসলাম "মেয়েদের নাম জনি হয় কেমনে"?

এটা আমার ঐ ছোট্ট বয়েসের ছোট্ট একটা মজার অভিজ্ঞতা।

তানিয়ার অনুরোধে : ( ঢেকি গেলা)


সবিনয়ে বলি-
আমার কোন ছোট বেলার ছবি নেই। তবে এ সংক্রান্ত গল্প আছে:
হোসেন আহ্মমদ পাড়া স্কুলে ক্লাস ফাইভে পড়ি। বৃত্তি পরীক্ষা দেবার জন্য ছব্বির দরকার। আব্বা স্কুলের শিখখক " বুড়ো স্যার " এর সাথে পাঠালেন শহরে। স্যার আমাকে নিয়ে গেলেন লালদিঘীর ময়দানে। সেখনে একেবারে " নিরভেজাল দেশী প্রযুক্তির " বায়োস্কপের বাক্সে চবি তুললেন। ৫ মিনিটে ডেলিভারী।
ছবির চেহারা দেখে কাদো কাদো কন্ঠে বললাম
- স্যার ছবিটা কেমন যেনি,ঠিক আমার মত না।
স্যার ধমক দিয়ে বললেন-
-কী বলিস, খুব সুন্দর হয়েছে। দেখছিস না তোর আব্বার চেহারার সাথে অনেক মিল।
আমি শুধু বললাম
-জী স্যার।
লোভ সামলাতে না পেরে পুরনো দিনের কিছু ছবি পোস্ট করলাম।

ফারজানা আক্তার (রেবা আপু)


আমাদের ফেরদৌসি আপার বড় মেয়ে,
জেবা আপু,তুমান ভাই এর বড় বোন।
থাকতো কলোনীতে সি টাইপে,জিয়া ভাই ও দুলি ভাই দের তয় তলায়
কলোনীতে কখনো কথা হয়নি করাণ, আপু আমাদের অনেক সিনিয়ার,তবে স্কুলে আপুকে দেখেছি খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিতে সবসময় পথম হতে।পড়ালেখাতে খুব ভাল।
বতর্মানে আপু প্রবাসী জীবন যাপন করছে,সেখানে ও আপু সাংস্কৃতির সাথে জড়িত।তার মেয়েদেরকো তার মত করে গড়ে তুলছে।
আপু সিএসএম কলোনী পতেঙ্গা গ্রুপে ও আছে,সেখানে আনালক ভাইয়ের একটা পোস্ট এ কমেন্ট করলে আমি আপু কে এ পেজে লিখতে বলি।আপু লিখবে বললে, আমি একটা পোস্ট করি যে আমরা আরো একজন আপর লেখা পাব।আড্ডা নিয়ে মিটিং বড় ভাইয়েরা আমাকে জেরা করে তুই কি চিনিস,আমি বললাম ফেরদোসি আপার বড় মেয়ে শুধু এতটুকু জানি।
আপু এখন প্রায় পোস্ট এ লাইক দেয়,এবং মাঝে মাঝে কমেন্ট করে।আপু আপনি পেজে কলোনী নিয়ে নিয়মিত লিখেন। ভাল থাকবেন সিএসএম কলোনীর পেজের সাথে থাকার চেষ্টা করবেন সব সময়।

তিন বোন: কনা, লায়লা, জনি


তিন বোন,কনা লায়লা জনি,‌তিন বোনের কাছ থে‌কে জীব‌নের অ‌নেক কিছু শেখা,ঘ‌রের কাজ,রান্না,নামাজ,সাজ‌গোজ,ঝগড়া,খেলা,অ‌নেক কিছু,ছোট‌বেলার অ‌নেকটা সময় কে‌টে‌ছে উনা‌দের বাসায়।আম্মু যখন school এ থাক‌তো তখন আমি ওই খা‌নেই থাকত‌াম।ঈদ মা‌নেই হ‌লো জ‌নি আপার সা‌থে উনার friend দের বাসায় ঘুর‌তে যাওয়া।ঘ‌ড়ির কাটা চিন‌তে শিখ‌সি কনা আপার কাছ থ‌ে‌কে।তিন বোন ই অনেক কা‌জের র গু‌নের।আপা আপনা‌দের জন্য অনেক দোয়া ক‌রি,অ‌নেক ভা‌লো থা‌কেন।

Sunday, April 3, 2016

আজকে বিকাল থেকে মনটা খারাপ


আজকে বিকাল থেকে মনটা খারাপ।আমার মা বাবা আর ভাইবোনদের কথা খুব মনে পড়ছে।তাইতো ভাইদের নিয়ে কিছু লিখলাম।বেশি আমমার কথা মনে পড়ছে। কারন আমার মন খারাপ হলে আমমা বুঝতো।আসলে মা আমার অনেক আপন ছিল আমমা চলে যাওয়ার পর সবচাইতে বেশি আপন ছিল আববা। আর সেই আববাও নেই।যখন লিখছে তখন খুব কাননা করছিলাম।কেমন দূভাগ্য আমাদের আববা আমমাকে কত তাড়াতাড়ি হারিয়ে ফেললাম।খুব মনে পড়ে উনাদের আদর আর ভালবাসা গুলা।একটু জর হলে বা বলি জদি খারাপ লাগে তাহলে ভাল রাখার কত চেষটা করতো।আর এখন হাজার খারাপ লাগলেও কোনো শবদ করা যায় না।আসলে মেয়েদের জীবনটা অনেক কষটের।হাজার করলেও কোনো নামই নাই।তবুও বলা হয় এটা হয় নাই ওটা হয় নাই।কি করবো বুঝি না এ শশুরের গুসটি গোলারে কি করলে যে শান্তি হবে একমাএ আললাহ রাববুল আলামিন জান ন।

জলে তাহার ছায়া


বাসায় অনেকগুলো মানুষ কিন্তু উনি সবার চেয়ে আলাদা। বোঝা যায় তার প্রতিদিনের জীবন যাপনে,যারা তাকে কাছ থেকে চেনে। নিজেকে সবার চেয়ে আলাদা করে তৈরি করতে চায় সে। স্কুলের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কাজে তার সরব উপস্থিতি, বন্ধুরা তাকে ভালবাসে দারুন আর তার স্বভাব সুলভ সহজাত হাসি দিয়ে যে কাউকে আপন করে নিতে পারে খুব সহজেই। 

রাস্তা দিয়ে হাত দুটো স্থির করে হেটে যেতেন, তাকিয়ে থাকতাম কিভাবে হাত না নেড়ে হাটেন তিনি।কিশোর বয়সে একবার মোহাবিষ্ট হয়েছিলেন একবার, বুঝতে পারেন নি সেটা মোহ নাকি প্রেম।কারন ১৫ বছরের আগে যা হয় তা মোহ আর ১৫ এর পরে প্রেম। সেই ক্ষত তাকে আহত করে। একসময় কলোনি ছেড়ে চলে যান।কিন্তু চির আপন মানুষ গুলো র জন্য টান রয়ে যায় চিরদিনের জন্য। 

সবাই কাউকে না কাউকে নিয়ে লিখছে মজা করে


সবাই কাউকে না কাউকে নিয়ে লিখছে মজা করে।আমার এ দুই ভাইকে তো সবাই চিনে বলতে গেলে।আমারর পাঁচ ভাই।আললাহর অশেষ রহমতে আর আববা আমমার দোয়ায় আমার ভাইয়েরা হলেন একেক জন অসাধারন।বড় ভাই আর মেজ ভাই এদুজন ভাইয়ের কথা বলে শেষ করা জাবেনা।আমার ভাইয়েরা সেই ২০০০ সাল থেকে কত না কষট করছে আমাদের সংসারের জন্য।এখনও পযন্ত আমাদের জন্য ওনাদের ভালবাসা এতটুকুও কমেনি।আমাদের তো বাবা মা বলতে কেউ নেই।কিনতু আমার বড় দুইভাই তা কখনও বুজতে দেয়নি।আমার বড় ভাই কিনতু পড়ালখায় অনেক ভাল ছিল।উনি খুব সৎতার সাথে জীবন ধারন করেন।মেজভাইও তাই।আমাদের সব ভাইবোদের পড়ালেখার ব্যাপারে উনারা খুব সচেতন ছিলেন।জার কারনে আমরা সবাই টিক ভাবে মানুষ হতে পেরেছি।যেদিন আমার এম. এ পরীক্ষার পাসের খবর ভাইয়া জানলো ভাইয়া অনেক.... অনেক খুশি হয়েছিল।আমার সব পরীক্ষারর সময় আমি বাপের বাড়িতে চলে জেতাম।আর ভাই ভাবীর বোনেরা আমাকে অনেক Help করেছে জা কখনও ভুলার নয়।আমার এ ভাইদের মত ভাই এত ভাল ভাই কোথাও আছে কিনা আমি জানিনা।যখনই বাপের বাড়িতে জাব সব পছনদের খাওয়া আর অন্য সব আমার ভাইয়েরা পূরন করে।ঠিক একজন বাবা মা জা করে তাই।আমার ভাবী টাও হয়েছে একদম মনের মত।খুব ভাল অনেক আদর করে আমাদের। আমার জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় ভাইয়া আমাকে নিয়ে গেছে পরীক্ষাসেনটারে।পরীক্ষা শেষ না হওয়া পযন্ত থাকতো।কত রোদের গরমে তারপরও ভাইয়া শুদু চাইতো আমরা জেন ভালভাবে পড়ালেখা করি একজন বাবার দায়িত্ব আমার ভাইয়েরা পালন করেছে আর এখনও করছে।অনেক কম বয়সে আমারভাইয়েরা আমাদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে।আমি আমার ভাইবোনদের খুব ভালবাসি।আপনারা সবাই আমার ভাইদের জন্য দোয়া করবেন জেন আমাদের পরিবারের এ বন্দন জেন সারাজীবন থাকে।

ফ্যাসফেসে গলার সুজন মামা


সুজন মামার সাথে পরিচয় গ্রুপেই।তখন থেকেই ইচ্ছামত দুস্টামি করি।মামা পুরাই আমার মত।দুস্টের শিরোমণি লংকার রাজা টাইপ। সুজন মামার ফ্যাস্ফ্যাসে গলার বিকট হাসি আমার খুবই পছন্দ।খুবই স্টাইলিশ সুজন মামা।বিয়ে থা করেনাই এখনো।অধীর অপেক্ষায় আছি।আড্ডায় গভীর রাতে আমাদের হোটেলে ড্রপ করেছিল গাড়ী দিয়ে।মামা আমাদের ট্রিটও দিয়েছে ঢাকায় এসে।আশা করি এবার ঢাকায় এসে পাস্তা খাওয়াবে।

সুজন মামা,মিস করি।গ্রুপে লেইখো প্লিজ।আর তোমাকে আমরা খুব পছন্দ করি। grin emoticon
তোমার সিএসএমের গানটা মামা- মন ছুয়ে যাওয়া।আসলেই। smile emoticon

আহসানুল তারিক (তারিক)


তারিক ৯৪ ব্যাচ,কলোনীতে থাকতে ভাল গোলকিপার ছিল,এবং ক্রিকেট খেলতো।ফাস্ট বোলিং করতো।মিঠু ভাইয়ের শিষ্য ছিল।

বাসা ছিল সি টাইপে, মাঠের সাথে।সব- সময় স্টাইল করে চলতে পছন্দ করতো।স্কুলে গিটার বাজিয়ে ভাল সুনাম অজর্ন করে ছিল ভাইটি।প্রায় সময় দেখতাম ঘারটা খালি ঘুরায়,মনে করেছিলাম মুদ্রা দোষ।কিন্তু না ভাই টির এইটাই তার স্পাইনাল কর্ড এর সমস্যা।যার কারণে ভাইটি এখন বিছানাতে।

রাত জেগে জেগে কমেন্ট করে সবার সাথে।
তার কারণে আমরা অনেকাংশে আজ আবার এক মহতি কাজে একএিত হতে পেরেছি।
সবাই ভাই টির জন্য দোয়া করবেন, যেন সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।
কারন এই পেজে সকলে আমরা আমরাইতো।

সাজ্জাদ শাকিল


পরিচিতি:-
এখন বলছি এক সংগ্রামী বন্ধুর গল্প।।অনেকেই হয়তো চিনবেন না।।আমার বন্ধু।।শুধু বন্ধু বললে ভূল হবে।আমার ভালো বন্ধুদের মধ্যে একজন।।
নাম:-সাজ্জাদ শাকিল।।
পিতা:-নছরুল কবির।।
বোন:-একা(95-ব্যাচ)
ব্যাচ:-2000
বাসা:-এফ-3/21;
অত্যন্ত ভাল একটা ছেলে।।ভাল মনের একটা মানুষ।।যার ভেতরে কোন রাগ,,লোভ বা লালসা নেই।।অত্যন্ত মিসুক একটা ছেলে।।আছে কেবল চাপা কিছু কষ্ট আর অভিমান।।

ছোট বেলা থেকে ছিল অত্যন্ত লাজুক।।খেলাধুলার পাশাপাশি আড্ডাটা তার বেশি পছন্দের ছিল।।
অনেকটা বাবার মতোই হয়েছে।।আমি যতদূর দেখেছি এবং জানি,,ওর বাবাও ছিল একজন মাটির মানুষ।।আমাদের অত্যন্ত ভালবাসতেন।।

সবার প্রিয় নীরু মামা


রুনী মামা 
সবার প্রিয় নীরু মামা।

নীরু মামা হচ্ছেন এমন একজন মানুষ যিনি কথাই বলেন কবিতায়,ছন্দ মিলিয়ে।অবাক হই যে কেমনে সম্ভব।কারণ ছাড়াই আমাদের তিন বোনকে অনেক আদর করেন।আমার সাথে চলে তাঁর ছন্দ বিনিময়। আমার মন খারাপ হলে ইনবক্সে নক করে আমাকে হাসান নীরু মামা।দুষ্টামি করে ডাকেন মামাউ।মামার সাথে কথা বলেই নিংরেজী ভাষায় ডিগ্রী নিয়েছি। নীরু মামার শরীরের অবস্থা তেমন বেশী ভালো না।আল্লাহ্‌ যেন আমার এই অসম্ভব প্রিয় মামাকে দ্রুত সুস্থ করে তোলেন।

মামা,তুমি খুব ভালো।খুব খুব ভালো।

এই লেখাটি আমার টাইমলাইনে পোস্ট করেছিলাম, আগস্টের ১৪ /১৫ তারিখ ২০১৫ তে


এই লেখাটি আমার টাইমলাইনে পোস্ট করেছিলাম, আগস্টের ১৪ /১৫ তারিখ ২০১৫ তে। তখনো আমাদের পেজটি সৃষ্টি হয়নি। আজ Ziaul Hasan ভাইয়ের জন্য আবার পোস্ট করলাম

সকাল থেকে ঝুম বৃষ্টি, সি টাইপ মাঠে পাইন্যা ফুটবল খেলতে স্কুল কলেজ বাদ দিয়ে সিনিয়র জুনিয়র সব পোলাপাইন হাজির, এমন িক জীবনে কোনদিন ফুটবল টাচ করেনি সেই আনোয়ার ভাই ও কোথ্থেকে যেনো একটা একটা কালো হাফ প্যান্ট যোগাড় করে, তার উপর সাদা স্যান্ডো গেন্জি পড়ে মাঠে হাজির, উনাকে দেখে সবার উৎসাহ আরও বেড়ে গেল। কোন পক্ষ বিপক্ষ নেই সবাই উনাকেই ল্যাং মারতে লাগলো, এক একটি ল্যাং খায় আর উনি শূণ্যে ভাসতে থাকেন, তবে আনোয়ার ভাইকে দেখা যাচ্ছিলো না শুধু কালো হাফ প্যান্ট আর সাদা গেন্জি শূণ্যে ভাসতে দেখা যাচ্ছিলো। খেলা শেষে পুকুরে গোসল করে যে যার বাসায় চলে গেলাম, বাসায় ঢুকতেই বাপ মা আমারে হালকার উপর ঝাপসা প্যাদানী দিলো, খেলার আনন্দে আর একটু পর জানলায় বসব সে খুশীতে কিছু গায়ে মাখলাম না। ভাত খেয়ে পিছনের জানলার ধারে বসলাম বিশেষ উদ্দেশ্যে !!! 

ওহে পরবাসী


মাকসুদ চাচা চলে যাবার পর উনাদের বাসায় আসেন তারা।এক ভাই এক বোন।বাবা সিকিউরিটি অফিসার।সারাদিন বাইক নিয়ে কলোনি দাপিয়ে বেড়ান। কিছু অনিয়ম দেখলে বকাঝকা করেন। কলোনি র সিনিয়র ভাইয়েরা উনার উপর কিছুটা বিরক্ত, তটস্থ থাকতে হয়। কিন্তু ছেলেটা হয়েছে উল্টো। সবার সাথে মিলেমিশে থাকে, খেলাধুলা করে।কথাবার্তা য় তার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায়। প্রায় অফ হোয়াইট শার্ট আর খাকি কালারের প্যান্ট পড়ত। চোখে মোটা ফ্রেমের পাওয়ারফুল চশমা। 

অনেকেই হয়ত চিনতে পেরেছেন, কার কথা বলছি।তাসকিন ভাই। তাসকিন ভাইয়ের নাম যখন প্রথম শুনি তখন অবাক হয়,এরকম নাম আগে শুনিনি বলে। মাঝেমাঝে দুপুরে বের হলে উনাদের বাসায় যেতাম,উনি ডাকতেন।ওনাদের বারান্দা ছিল ছোট খাট বোটানিক্যাল গার্ডেন। তাসকিন ভাই আমাকে বলতেন,কোন টা কি ক্যাকটাস বা ফুলের গাছ।তখনই উনার কথা বলার ধরন দেখে মুগ্ধ হতাম। 

ফ্যামিলিতে খেলাধুলার আবহ ছিলো সবসময়


ফ্যামিলিতে খেলাধুলার আবহ ছিলো সবসময়, ফূটবল বা ক্রিকেট যে কোন আন্তুর্জাতিক মানের খেলা হলে আমাদের বাসা মোটামুটি মিনি স্টেডিয়াম, আব্বার কলিগ রা সহ আশেপাশে র লোকজন সবাই আমাদের বাসায়, রাত জেগে খেলা দেখা হৈ হুল্লোর, ভুনাখিচুড়ি, ঝালমুড়ি ননস্টপ চলত।

আমার মামা ছিল ৮৫ থেকে ৯০ সাল পর্য্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্লেয়ার, উনি দীর্ঘ দিন ঢাকা আবাহনী ও ব্রাদার্স ক্লাবেও খেলেছেন। মামারা থাকতেন আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনিতে, আমার শৈশব, কৈশোর জীবনের অনেক টা সময় কেটেছে এই মামাদের সংস্পর্শে। তাই খেলার প্রতি ছিল আমার দুর্নিবার আকর্ষন। তার উপর মামার ব্যাক্তিত্ব চালচলনও আমাকে টানতো, মামা ছিলেন রোমান্টিক পুরুষ, আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনি র সবচেয়ে সুন্দরি মেয়েটিকে বিয়ে করেছিলেন সিনেমাটিক সস্টাইলে।তারপর থেকেই ভবিষ্যত জীবনে আমার ফুটবলার হওয়ার ইচ্ছে জাগে, সেটা একসময় ভেস্তে গেল কল্পনা কল্পনায়ই থেকে গেল, পরবর্তিতে জোড়েসোড়ে ক্রিকেট খেলার পরিকল্পনা ও খেলা শুরু করলাম, ভাবছি এই বুঝি বড় ক্রিকেট প্লেয়ার হয়ে যাচ্ছি, এখানে তথৈবচ। পরিকল্পনার পরি উড়ে গিয়ে কল্পনাই থেকে গেল। অবশেষে টিপিক্যাল মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তানের মত কোনমতে লেখাপড়া শেষ করে চাকুরী শুরু করলাম।
আমি এখন কাগজের ফেরিওয়ালা।

সজীব ৯৬ ব্যাচ


আমাদের রানা ভাইয়ের ভাই।আরো দুই ভাই আছে,সবুজ ও রাজীব।
থাকতো সি টাইপে,আতিক ভাই - পলাশ ভাইদের বিল্ডিং এ।
ছোট কালে বেশী একটা মিশা না হলে, দেখেছি শান্তশিষ্ট ভাই টি আমাদের। খুবই পরিশ্রমী। কোন কাজে না নেই।সাধ্যমত সব কাজ করার চেষ্টা করে।
আড্ডা তে ভাইটির দায়িত্ব ছিল কমু ভাই এর সাথে,আপ্যায়ন এ।তার এবং তার ভাই রাজীব এর যে পরিশ্রম করেছে,সে ব্যাপারে সব থেকে বেশী বলতে পারবে কমু ভাই।
আড্ডা আগের দিন রাতে সবাই কে খাওয়ার পর ভাই টি খেয়েছে,ওর গুনর্কীতন করে ওকে বিব্রত কর অবস্থায় ফেলতে চাই না।
পরিশেষ এ ভাই তুই সব সময় এরকম থাকিস।এখানে আমরা আমরাইতো।
সবাই ভাইটির জন্য দোয়া করবেন।যেন ও খুব তারাতারি জীবনসঙ্গী খুজেঁ পায়।

ছবির ভদ্রলোক একজন ষ্টীলার।।


পরিচিতি:-
ছবির ভদ্রলোক একজন ষ্টীলার।।
হয়তো চেনেন,,হয়তো চেনেননা।।তবুও পরিচয় জানাচ্ছি।।
নাম:-উদয়ন বড়ূয়া প্র:আবু।।
ব্যাচ:-95।।
বাসা:-F-7&C2।।

আমার বড় ভাইয়ার আর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু।।খুবই পছন্দ করতেন ভাইয়াকে।।সেই মাধ্যমেই পরিচয়।।খুবই চঞ্চল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন।।খেলাধূলার প্রতি ছিল ওনার ধারুন নেশা।।ফুটবল বেশি পছন্দ করতেন।।দারুণ গোল কিপার ছিলেন।।হাসি-আনন্দ আর বন্ধু বান্ধব নিয়ে থাকতেন সারাক্ষণ।।কলোনিতে থাকাকালীন ওনার মা মারা গিয়েছিলেন।।বাবা ছিলেন খুব শান্ত স্বভাবের মানুষ।।কিন্তু আমার চিন্তা ছিল ওনি কেন এতো অশান্ত ছিলেন।।😜😜

জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন।।লেখাপড়া শেষ করে পুলিশে যোগদান করেন।।বর্তমানে RAB-এ আছেন।।ওপরে যে ছবিটি ওটা ওনার পরিবার।।স্ত্রীও কিন্তু একই পথের পথিক।।মানে পুলিশে চাকুরি করেন।।মজার ঘটনা হল ওনার চাকরি নিয়ে কিন্তু দারুন এক কাহিনী আছে।।সেটা হলো ওনার যেদিন ইন্টারভিউ ছিল সেদিন ওনি ছিলেন কুমিল্লায়।।ফুটবল খেলায় ওনাকে হায়ার করে নেয়া হয়েছিল।।পরে কি করে চাকরি হলো সেটা আমার জানা নেই!!আমাদের বাসায় ওনি প্রায়ই আসতেন।।আমার বিছানাতেই ওনি ঘুমাতেন।।ওনেক ভালোবাসেন আমায়।।আমার দৃষ্টিতে ওনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন।।এখন আছেন কিনা জানি না😜😜(কারন!!জবটা পুলিশের))

সর্বোপরি উনার সাফল্য কামনা করি।।
ভাল থাকবেন আবু ভাই।।সকাল,,দুপুর,, সন্ধ্যায়।।