Thursday, September 3, 2015

" হোম অফ মার্বেল "


এখানে কেউ কি আছে কলোনিতে থাকা অবস্থায় মার্বেল খেলে নাই !!!

কলোনির সব জায়গাতেই মার্বেল খেলা হত, তবে কলোনিরহোম অফ মার্বেলযদি বলা হয় সেটা ছিলোবুইজ্জার বাগান (মাঠ) খাল পাড়অনেক আইটেমের মার্বেল খেলা ছিলো, এর মধ্যে খুবই জনপ্রিয় ছিলোবাত

তখন অনেক বড়ভাইরা ছিলো এই বাত খেলার তুখড় খেলোয়াড়, অনেকে টিনের কোউটা করে মার্বেল নিয়ে আসতো, ৫০, ৭০, ১০০ মাঝেমধ্যে জনপ্রতি ১৫০, ২০০ টা করে দিয়ে বাত খেলতো, যখন এতগুলো মার্বেল একসাথে মাটিতে গড়িয়ে মারতো, সে এক দেখার মত দৃশ্য হতো !!! আমরা নিজেরাও মার্বেল খেলা নিয়ে ব্যাস্ত থাকতাম, এর মধ্যে যখন বড়ড়া প্রচুর পরিমানে মার্বেল দিয়ে এই স্পেশালবাতখেলতো তখন পাশে দাঁড়িয়ে তাদের খেলা দেখতাম, মার্বেলগুলোর দিকে তাকিয়ে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকতাম আর ভাবতাম, …………


ভাইয়েরা কত বড়লোক !! কত্ত মার্বেল তাদের কাছে !! শালা…… আমার কাছে যদি এত টাকা থাকতো তাহলে মার্বেল কিননা ভরাইয়া ফালাইতাম

Wednesday, September 2, 2015

অনেক বড় ভাই ID হিসাবে আসল নাম ব্যবহার করাতে চিন্তে আসুবিধা হচ্ছে


অনেক বড় ভাই ID হিসাবে আসল নাম ব্যবহার করাতে চিন্তে আসুবিধা হচ্ছে। অথচ উনারা আমাদের কত স্নেহ করতেন। উনাদের সামনে কত দুষ্টামি করছি। তারিখ ঠিকই বলছে, আমি ষে দুষ্ট ছিলাম এখনকার ছেলেপিলেরা তা কল্পনা করতে পারবেনা। কিন্তু কখনও বড় ভাইদের বকা পর্যন্ত খাইনি। রলি ভাই নিজে frnd রিকোয়েষ্ট পাঠাইছেন। হয়ত মিউচুয়েল দেখে চিনতে পারছেন। অথচ কলোনিতে থাকতে সোহাগের বড় ভাই হিসাবেই জানতাম খালি। কখনও কথা হতনা। আমার বড় বোন শরীফা আপা আর ভাই শহীদুলকে উনি ভাল করেই চিনেন।সনি আপার নামটা মনে আছে। তবে খান দেখে একটু confusion এ পরছিলাম। মিঠু ভাইকে আমি রিকু পাঠাইছিলাম। উনাকে চিন্তে সমস্যা হয়নি । আমিন গ্রূপতো!

কথা গুলো বললাম Anisur Rahman-Reza bhai
Moin khan- Toly bhai
Mohammad Nazrul-Tinku bhai
উনাদেরকে আমি চিন্তে পারছিনা, নাকি উনারা আমাকে চিন্তে পারছেনা? জানতে মনচায়

মন খারাপ করার কিছুই নেই


আজকে মনে হচ্ছে আমাদের গ্রুপের পরিবেশ টা একটু ভারী বা গম্ভীর হয়ে আছে, আসলে টলি ভাইএর কবিতা কিংবা রেজা ভাইএর পোষ্ট আমাদের একটু বিষন্ন করে তুলেছে । মন খারাপ করার কিছুই নেই, আমার তো মনে হচ্ছে আমাদের মধ্যে ভালবাসা বা সৌহার্দ আগের চেয়ে আরো বেড়েছে, যে রেজা ভাইয়ের সাথে কোলোনি তে সারাদিন ও একটা কথা হোত কিনা সন্দেহ আছে, সেই Anisur Rahman রেজা ভাই আমার এখন অনেক কাছের, টলি ভাইএর সাথে আমার কলোনি তে কোনদিন কথা হয় নি সে টলি ভাইকে মনে হচ্ছে কত পরিচিত , Sony Khan আপার সাথে আমার কোন পরিচয় ছিলোনা, তিনিও এখন আমার আপনজন, এমন অনেক উদাহরণ আছে, সো আমাদের বিষন্নতার কিছু নেই, হতাশ হওয়ার ও কিছু নেই, আমরা আবারও জেগে উঠবো, Moin Khan টলি ভাই আপনাকে কে বলেছে স্টিল মিল কলোনি নেই, সব ই আছে, আমাদের সবার মনের মাঝে। সবাই চলে আসুন ট্যাংকির নিচে, কিংবা পুকুর পাড়, বড় মাঠ, আমরা সি টাইপ মাঠেও বসতে পারি, আতিক কাক্কুর সাথে কথা হয়েছে,উনি আর আমাদের কিছু বলবেননা, ঠিক না Taskin Ashiq,
তাড়াতাড়ি চলে আসুন আজ জম্পেস আড্ডা হবে, দেখি কে কারে কত পচাইতে পারে , Riman Babu মামা রেডি হও।

“আমাকে ভেতরে যেতে দিন”

- Moin Khan

“আমাকে ভেতরে যেতে দিন”
(উৎসর্গ:-চট্টগ্রাম ষ্টীল মিলের সব মেহানতি মানুষকে)
-----------------------মঈন খান।

আপনি আমাকে চিনবেন না।
এখানে একটা সময়------
একদল মেহানতি মানুষ ছিল।
যারা প্রতিদিন মৃত্যুকে সাথে নিয়ে
আগুন আর ইস্পাতের সাথে করতো
জীবনের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই।
বাবুই পাখির মত ছিল তাদের বাসাগুলো।
স্বপ্নমুখর একঝাক ছেলে মেয়ে ছিল তাদের
ওদের কোলাহলে জীবন্ত ছিল সব।
আমি সেই বাসা ভেঙ্গে দেয়া পাখিদের
দল ছুট একজন।

" CSM-GD-1 & 2 "


ফান্ড সল্পতা ও উন্নত প্রযুক্তি না থাকার কারনে CSM-GD-1 প্রকাশ এর পর অনেকেই তিক্ত ভাষায় বকাবকি করেছেন, Atiq Csm, Reajul Islam Shahin, Jashim Uddin ভাইতো USA যাবার পরিকল্পনা করছিলেন। যাই হোক বারাক আঙ্কেল *( আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ) আপনাদের চোখের কথা বিবেচনা করে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে " CSM-GD-1 & 2 " এক সাথে প্রকাশ করা হলও।

আহাসানুল তারিক



আহাসানুল তারিক টা কে চিনতে পারছি না। মজার-মজার কমেন্ট করে। সেই কবে CSM COLONY ছেরে চলে এসেছি । নিরু কে কল দিলাম। তারিক কে রে? তালুকদার চাচার ছেলে , চিনতে পারলি? নিরু চিনাতে চেষ্টা করলো । কিছুটা হলেও চিনতে পারলাম। কাকলি আর সরভির ভাই। 

সন্ধায় তারিক আমাকে মোবাইল এ কল দিল। নিরু আমার নাম্বারটা দিয়ে ছিল । অনেক কথা হল তারিক এর সাথে । শুনলাম চাচা ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন । জমি-জমা বিক্রি করতে হয়েছে , অনেক অনেক টাকা চাচার জন্য খরচ হয়েছে । আরও বড় খারাপ খবর আমার জন্য অপেক্ষা করছিলো , যখন জানতে পারলাম তারিক paralysis রোগে আক্রান্ত । 

ইমোশনাল হইয়েন না, এর পরিনাম সুবিধার না


সবাই আজকে শুধু ইমোশনাল স্টাটাস দিতেছে কেরে, ইমোশনাল হইয়েন না, এর পরিনাম সুবিধার না , উদারারন ..................

কলোনির ....Sxyz...... আঙ্কেল ( আমি জানি সবাই তাকে চিনেন, তাই নাম নিলাম না, আশা করি আপনারও নিবেন না ) যে কারনেই হোক প্রায় সময় ইমোশনাল হয়ে রাস্তার মধ্যে এলোমেলো ভাবে হাটতেন !! অনেক সময় চিল্লা চিল্লিও করতেন !!! ঠিক এভাবে একদিন আঙ্কেল চরম ইমোশনাল হয়ে গেছেন, এলোমেলো ভাবে হাটতেছেন, তার নিজের দুই পা কোথায় পড়তেছে তিনি নিজেও বোধহয় বুজতেছেন না !!! এইভাবে হাটতে হাটতে হটাথ তিনি ড্রেনে পড়ে গেলেন, সে এক করুন অবস্থা, ড্রেনে পড়ে গিয়ে আঙ্কেল আরো ইমোশনাল হয়ে গেলেন আর বলতে লাগলেন,..................


" অডা, চো .....নির ( সেন্সরড ) ড্রেন ইবা রাস্তার মিডলত ক্যানে চলি আইস্যে !!! "

Tuesday, September 1, 2015

মোটা বাবু ভাই



প্রতিদিন আমরা কয়েকজন ইউনুসের দোকান আর নয়তো অফিসার্স ক্লাবে সকাল ১০ টার সময় আডডা দিতাম, অই সময় স্কুলের মেয়েদের শিফটের টিফিন ব্রেক থাকে, আর এই আড্ডার মূল উদ্দেশ্যই ওই মেয়ে গুলোর সাথে ইটিসপিটিস সোজা বাংলায় যাকে বলে ফিল্ডিং মারা (তবে আমি স্কুলের মেয়েদের সাথে ফিল্ডিং মারতাম না, আমি তো আগেই রিজার্ভ হইয়া আছিলাম, হা হা হা হা) ঐ আড্ডায় আমাদের মোটা বাবু ভাই ও থাকতো, বাবু ভাই কে কোন মেয়ে পাত্তা দিতো না দেখে, বাবু ভাই সবসময় খুব উদাস ভাবে বলত : “ সবাই আমার এই এত বড় শরীর টাই দেখলো, এত বড় শরীরে যে এত বড় মন আছে সেটা কেউ বুঝলোনা”
এখন খুব জানতে ইচ্ছে করে , বাবু ভাই আপনার মন টা কি কেউ বুঝতে পেরেছে।
ভালো থাকবেন বাবু ভাই সবসময়।

“ গেরিলা মাইর “


আজিজ স্যারকে স্কুলে ভয় পেতোনা এমন কেউ আমার মনে হয় না আছে ভয় পাওয়ার প্রধান কারন হলো স্যার এর মাইর ( স্যার এর ভাষায় ভিটামিন ) স্যার মেরেই বলতেন, “ ভিটামিন দিয়া দিছি , অহন ঠিক হইয়া যাইবোস্যারের সব রকম মাইরই ছিলো বিপদজনক এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক ছিলো গেরিলা মাইর

স্যার কিছু একটা পড়াচ্ছেন, এই অবস্থায় যদি তার চোখে উল্টা পাল্টা লাগে এমন কিছু দেখতেন তাহলে পড়ানো অবস্থাতেই উঠে দাঁড়াতেন, হাতে লাঠি নিয়ে হাটতে হাটতে পড়াতেন আর টার্গেট বরাবর এসেই AK-47 এর মতো ঠুস-ঠাস করে মিনিটে ১০/১৫ টা টার্গেটের পিঠের উপরে চালিয়ে দিতেন আর বলতেন,
বাজানেরে ভিটামিন দিয়া দিছি, অহন ঠিক হইয়া যাইবো “ ( টার্গেট বেচারা স্যারটাও বলার সুযোগ পেতনা, স্যার এরস্যা…” বলেছে…” বাহির হওয়ার আগেই AK-47 ভিটামিন এর কাজ শেষ ) আবার পড়া চালিয়ে যেতেন ( স্যারের পড়ানো কিন্তু বন্ধ হত না ), ওইদিকে বেচারা টার্গেট এর পিঠের ১২ টা বেজে গেছে, পিঠ কচলাচ্ছে আর চিরিং মাছ এর মতো লাফাচ্ছে, কিন্তু কোন শব্দ করতে পারতেছে না , শব্দ করলেতো আরেকদফা চলবে, এইটা সবারই জানা ছিলো ( টার্গেট বেচারা মিনিট আগেও জানতনা তার উপরে কি আসতেছে ) আমি নিজেও ১বার স্যার এর এই গেরিলা মাইর এর শিকার হয়েছিলাম

দুঃস্বপ্ন ১ - সি-টাইপের মাঠ


এই বিল্ডিঙটা ছিল আমাদের বিল্ডিং এর সামনে , আর দুই বিল্ডিং এর মাঝে ছিল সি-টাইপের মাঠ

১৯৯২ তে যখন আমরা যখন কলোনিতে আসি তখন আমি পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ি ওই বয়সে ঘর থেকে যখন তখন বের হবার একটা অলিখিত নিষেধ ছিল তাই মাঠের ওপারের বিল্ডিঙ্গে থাকা শিলু, সুজি, Åđɱ Salauddin দের সাথে আমার মাঝে মাঝে কথা হতো বারান্দাতে বসে আর বিকেল বেলা আমাদের মার্বেল খেলার জায়গা ছিল বিল্ডিংটার সামনেই

যখন মাঠে ক্রিকেট খেলা হতো, নারিকেল গাছ গুলোর নিচে স্কোরাররা বসতেন ব্যাটিং এর সময় বল গড়িয়ে রাস্তায় পৌঁছালে চার, আর উড়ে গেলে ছক্কা মনিরুল ভাইরা চলে যাবার পর তাদের বাসাটা খালি ছিল বেশ কিছু দিন, বাসাটায় তখন বাইরে থেকে তালা দেয়া থাকতো কোন ভাবে বল যদি ওই বারান্দাতে ঢুকে যেত, তাহলে ডাক পড়তো মিঠুর ওর বয়স তখন - বছরে চেয়ে বেশি হবার কথা না 

Monday, August 31, 2015

CSM Colony

- Mahabub Rasel

১) কলোনী গেট।
২) B Type বিল্ডিং ও খেলার মাঠ।
৩) ষ্টীল মিলস মেইন অফিস।
৪) ষ্টীল মিলস মেইন গেট।
৫) শহীদ মিনার ।



৬) জেক্স।

“ Cricketer আব্দুর রাজ্জাক “


তখন বাংলাদেশ খেলতো না, পাকিস্তানের চরম সাপোটার আমরা, প্রায় সময় দল বেধে পাকিস্তানের খেলা দেখতাম, বেশীরভাগ সময় দেখতাম সোহেলের বাসায়, একদিন আমি, রবিন, সামির, রিপু, হিমেল, সোহেল আরো কয়েকজন মিলে সোহেল এর বাসায় পাকিস্তানের খেলা দেখতেছি। ( সাব স্টেশনের পাশের বিল্ডিংটা D -…….. ) সোহেলের আব্বাও খেলা দেখতেছেন আমাদের সাথে । চরম উত্তেজনা, ইন্ডিয়ার ব্যাটসম্যানরা পাকিস্তানের বোলার আব্দুর রাজ্জাক যখনই বল করতে আসে তুলাধুনা করতেছে ।

সময়টা ছিল ১৯৯৭-৯৮



সময়টা ছিল ১৯৯৭-৯৮ , আমাদের কলেজ জীবন।।খুব ভোরে ভোরে উঠতাম। আমি , রাজন , সুমন আর লিটন মিলে ২টি সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়তাম।।উদ্দেশ্য নেভাল বিচ অথবা সী বীচ। একটি সাইকেল ছিলো সুমন এর আরেকটি রাজনের।একজন সাইকেল চালাতো আরেকজন পিছনে বসে থাকত । কাঠগড় পার হওয়ার পর রাস্তায় পড়ে থাকা ক্যান লাথি মারতে মারতে একজন থেকে আরেকজন পাস খেলতে খেলতে আমারা আমাদের গন্তব্য নেভাল বিচ এ পৌঁছে যেতাম।সমুদ্রের বাতাসে গা এলিয়ে দেওয়া, বড় বড় পাথরে শুয়ে থাকা,আবার মাঝে মাঝে বিচের পানিতে গোসল করা।।এভাবে চলত ৭টা পর্যন্ত ।এবার ফেরার পালা।আবার সেই ক্যান খোঁজা, আবার ফুটবল খেলতে খেলতে কাটগড় আসা।।দেরি হচ্ছে মনে হলে সাইকেল চালিয়ে দ্রুত চলে আসা অথবা গার্মেন্টস এর খালি বাসে চড়ে বসা।তবে বিতর্ক আছে এই নিয়ে ক্যান দিয়ে ফুটবল খেলতে খেলতে নাকি দ্রুত আসা যায়(অবশ্য কাঠগড় থেকে বিচ পর্যন্ত রাস্তা তেই কেবল ক্যান নিয়ে খেলতে খেলতে যাওয়া প্রযেজ্য)।সময় থাকলে হোটেল এ নাস্তা করা।।বাসায় ফিরে কলেজ এর জন্য তৈরী হয়ে দ্রুত কলেজ বাস ধরা।।হুম কলেজ বাস করে কলেজ যাওয়া ,আরেক রোমাঞ্চের শুরু এখানেই।।

“ ঘুড়ি ও মাঞ্জা “


ঘুড়ি উড়ানোর কথা কেউ বলছেনা কেন ? কলোনির থাকা অবস্থায় অগণিত Exciting কাজের মধ্যে ঘুড়ি উড়ানোটা প্রথম দিকেই থাকবে

আমার মনে আছে, আমি ১ম ঘুড়ি কিনেছিলাম আব্দুল ভাইয়ের দোকান থেকে, তখন কেন যেন আমি ঘুড়ি উড়াতে চাইলেও বদ ঘুড়ি উড়তো না, তখন বড় ভাইদেরকে বলতাম ভাই একটু ঘুড়িটা উড়িয়ে অনেক উপরে তুলে দেন, তারা উড়িয়ে ঘুড়ি উপরে তুলে দিতেন এরপর আমি নাটাই ধরে বসে থাকতাম, আমার কোন ভুমিকা নাই, আমার ঘুড়ি উড়তেছে,আমি হাতে নাটাই নিয়ে ঘুড়ির দিকে তাকিয়ে আছি, বাহ্ ... দারুন মজা কয়েকদিন পরে অবশ্য আমার হাতেও ভালোই উড়তো ঘুড়ি

Sunday, August 30, 2015

টুকরো টাকরা এলোমেলো কিছু ..........................


কলোনী তে যখন প্রথম আসলাম, নিজের যেনো একটি পৃথিবী খুজে পেলাম, নিয়ন্ত্রনের মধ্যে বাঁধন হারা উচ্ছাস আর আনন্দে শৈশব চলতে থাকলো, ডাব গাছ, আম গাছ সম্পর্কে ব্যাপক ঞ্জান অর্জন শুরু হোল। এর মধ্যে কখন যেনো রোমিও হয়ে গেলাম টের ও পাইনি, বিশাল ভাবে আছি তখন। সিগারেট খেয়েছি কেনো এজন্য জুলিয়েটের ছলছল চোখে অভিমান। নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে হলো, যাক একজন বিশেষ কেউ আমার জন্য ছলছল চোখে থাকে,তখন আমির খানের যুগ চলছে, আহ! নিজেকে আমির খান না হোক অন্তত আতিক খান মনে হচ্ছে। এর মধ্যে ৯১ এর ঘূর্নিঝড় তান্ডবে পুরো চট্টগ্রামের পাশাপাশি কলোনীর অবস্থা শোচনীয়, কিন্ত কলোনী বাসীর দুরন্ত মনোবল ও ‍দুর্দান্ত হিউমারে সকল দুর্যোগ কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক অবস্থা। মেট্রিক পাশ করে নিজেদের আমি কি হনুরে একটা ভাব। আর রোমান্টিক মৌসুমের কারনে বন্ধু Riman Babu র বাসায় টেলিফোন রোমান্স চলছে আর হিন্দি রোমানটিক সিনেমা মুখস্থ করছি। রোমিও জুলিয়েটের রোমান্স তখন আস্তে আস্তে কলোনীর বাইরেও যাওয়া শুরু করল।

Saturday, August 29, 2015

খতম তারাবী ও লুঙ্গি সমাচার


তখন সবে হাফ-প্যান্ট ছেড়ে লুঙ্গি পড়া শুরু করেছি।থাকি চট্টগ্রাম ষ্টিল মিল কলোনীতে। প্রথম প্রথম একটা ভাব নিয়ে চলতে লাগলাম। যাক এতো দিনে বড় (সিয়ানা) হয়েছি। কিন্তু কিছু দিন যেতেই সিয়ানা হওয়ার বিড়ম্বনায় আমাদের যা-তা অবস্থা। কোন দিন ঘুম থেকে উঠে দেখি কোমরের লুঙ্গি গলায় পেঁচানো। আবার কোন কোন দিন লুঙ্গি খাটের নিচ থেকে কুড়িয়ে পড়তে হয়। সমবয়সিদের মাঝে এ নিয়ে দুষ্টামী আর হাসা-হাসির অন্ত নেই। তখনো ঠিক মত লুঙ্গি বাঁধতে শিখিনি। দেখা গেল সবাই মিলে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছি---এর মধ্যে কারো লুঙ্গি আস্তে করে খুলে পড়ে যাচ্ছে। তার কো--ন খবর নেই। সর্তক করতে করতে লুঙ্গি ততক্ষনে হাটুর নিচে। বেচার লজ্জায় আধ-মরা। এর উপর আমাদের নতুন আবিস্কার হঠাৎ টানদিলে লুঙ্গি পড়ে যায়।তখন আমরা ঘন ঘন আবিস্কার চর্চা করছি আর ভিকটিম লুঙ্গি সামলাতে সামলাতে বজ্জাত লুঙ্গি-কুলঙ্গার ততক্ষণে পগার পার।এই বেলায় সবাই সতর্ক হই। পুনরায় ফেলে দেয়া হাফ প্যান্ট পড়ে, উপরে লুঙ্গি পড়া শুরু করলাম।

বেচারা রিমন

- Reajul Islam Shahin


বেচারা রিমন--------------অামার অতি পরিচিত ও অামার বনধুর ছোট ভাই, দেখতে নাদুস নুদুস ও নিরিহ টাইপের, কিনতু সমস্যা হল ২৯group সদস্য অাতিক তার লেখনির মাধ্যমে বারবার রিমনের উপর পারিবারিক নির্যাতনের কথা বলেছে, অামার কথা এ নির্যাতনের khetra বা পথ কারা তৈরি করেছে তা অাতিকের লেখনি পড়লে বুজা যাবে, অামি এর বিচার চাই।
অাসামী -----------

Cricket Match: April 29 (C) Vs Batch 96


বড় মাঠে ক্রিকেট ম্যাচ হচ্ছে। সেমি ফাইনাল খেলা। আমি ছিলাম এপ্রিল ২৯ (সি) এর ১২ তম খেলোয়াড়। আমাদের টিম ক্যাপ্টেন ছিল মাসুম ভাই আর ৯৬ এর টিম ক্যাপ্টেন ছিল সুমন ভাই। কিন্তু মোটা বাবু ভাই ৯৬ এর হয়ে খেলছিল। ২৯ এর ওপেনিং ব্যাটসম্যান ছিল ৯৩ ব্যাচ (BH-1) এর সুমন ভাই। কিন্তু সেইদিন উনি অনুপস্থিত ছিল। কি কারনে জানি খেলতে পারেন নাই। ২৯ এর সবাই মিলে আমাকে খেলতে বলল। আমিও রাজি হয়ে গেলাম। তাও আবার ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে। টস এ জিতে ২৯ ব্যাটিং নিল। তুমুল প্রতিদন্দিতায় খেলা চলছিল। যখন আমার ব্যক্তিগত রান ছিল ৩৯ তখন মোটা বাবু ভাই বোলিং করতে আসল। মোটা বাবু ভাই এর ১ম বলে আমি একটা সিক্স মারলাম কিন্তু boundary তে ক্যাচ ধরা হল। শুরু হল ক্যাচ নিয়ে তর্ক বিতর্ক। এক গ্রুপ বলছে আউট আর অন্য গ্রুপ বলছে সিক্স। umpire রা সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না। আমি মাঠের মাঝখানে দাড়াই ছিলাম। এক পর্যায় অবস্থা মারামারি পর্যন্ত গড়াতে লাগল।

“পরীক্ষা “



স্কুলের পরীক্ষার সময়ের দৃশ্যগুলো মনে আসলে এখনো হাসি আসে । পরীক্ষার সময় ক্লাসে ঢুকলেই দেখতাম, বড় ছোট ভেদাভেদ নাই, সব দেয়ালে লিখে সাদা দেয়াল নিউজপেপার এর মত কালো করে ফেলেছে !!! আর কয়েকজন বেঞ্চে লিখার জায়গা নাই, তাই বেঞ্চের উপরে বসে লোহার স্কেল দিয়ে কাঠ মিস্ত্রির মত মনোযোগ সহকারে বেঞ্চ ছেঁচে সাদা করছে নতুন করে লিখার জন্য । স্কুল এর বাহিরের কেউ যদি এই অবস্থায় ক্লাসরুমে আসতো তাহলে বোধহয় এইটাই ভাবতো, “ বাহ পোলাপাইনগুলো কত্ত ভালো, নিজের গরজে দেয়াল আর বেঞ্চ এর মেরামত করতেছে “ হা হা হা



Friday, August 28, 2015

আমাদের হক স্যার


গত ১৪ ফেব্রু/১৫ তারিখে আমার টাইম লাইনে হক স্যারকে নিয়ে দু’অংশে স্মৃতি চরণ করে ছিলাম।ভাবলাম কখন কি হয় ততো বলা যায় না ।তাই হুবহু সে দু’অংশকে একত্র করে csm colony পেইজে জমা দিয়ে রাখলাম।
----------------------------------------------------------------------
আমাদের হক স্যার

হঠাৎ করেই বিখ্যাত কিছু ব্যক্তির আত্মজীবনিমূলক বই হাতে এসে পড়লো। বই গুলির পৃষ্টা উল্টাতে উল্টাতে মনে হলো বইয়ের কথাগুলো আগে অনেক বার পড়েছি। কিছুতেই মনে করতে পারছিলাম না । এ সময়ে অকস্মাৎ মনে পড়লো আমদের ষ্টিল মিল হাই স্কুলের হক স্যরের কথা। স্যারের পুরো নাম ছিল ওবায়দুল হক। আমাদের মাঝে স্যারের আরেকটা নাম ছিল—‘কম্বল স্যার’। অনেক দিন আগে—‘আমি তো কম্বল ছাড়িয়া দিয়াছি কিন্তু কম্বল তো আমাকে ছাড়ে না’—প্রসিদ্ধ এ গল্পটি শোনানোর পর তিনিও ‘কম্বল স্যার’ নামে ছাত্রদের মাঝে প্রসিদ্ধ হয়ে যান।স্যার ছিলেন ছোট-খাট শরীরের মানুষ। দারুন ভলিবল খেলতে পারতেন। বাড়ী স্বন্দীপ । সেখানকার আঞ্চলিক টানে কথা বলতেন।অসম্ভব একরোখা,স্পষ্টবাদী,ণীতিবান সাহসী মানুষ।তার মুখ থেকেই শুনে ছিলাম এ সব কথা। তিনি চোখ বন্ধ করে অনর্গল বলে যেতেন ভারত ভাগ, প:পাকিস্থানিদের বৈশম্যমূলক আচরণ, দেশের স্বাধীনতা এবং এর পরবর্তি অবস্থা। সাথে আরো অনেক কিছু।যার আগা মাথা তেমন একটা বুঝতাম না।

“ প্যাঁড়া “


কলোনি থাকাকালীন সময় সবচেয়ে প্যাঁড়া ছিল স্কুল এর পরীক্ষা, এর চেয়েও প্যাঁড়া ছিলো পরীক্ষার পরে খাতা দেওয়া, খাতা বাসায় নিয়ে যাওয়া, খাতায় বাবার স্বাক্ষর নিয়ে আসা, উফ ……, নাম্বার ভালো হলে বাসায় খাতা দেখাতাম আর খারাপ হলে খাতা ব্যাগ এর মধ্যেই থাকতো প্রতিদিন বাসায় জেরার সম্মুখীন হতে হতো আজকে কোন খাতা দিছে কিনা

একদিন মালেক স্যার তার সাবজেক্ট এর খাতা দিলেন , নিয়ম মত বাসায় দেখিয়ে বাবার স্বাক্ষর নিয়ে আসতে হবে, খুবই খারাপ অবস্থা, বাসায় দেখালে মাইর একটাও মাটিতে পরবে না কি আর করা, খাতা দিন ব্যগ এর মধ্যে রেখে দিলাম, পরে আম্মুর স্বাক্ষর নিজেই মেরে দিয়ে স্যারকে জমা দিলাম