Thursday, April 14, 2016

যেখানে সবাই বিশেষ দিন গুলোতে পরিবার নিয়ে আনন্দ করে


যেখানে সবাই বিশেষ দিন গুলোতে পরিবার নিয়ে আনন্দ করে,সেখানে আমার মত কিছু মানুষ ছুটে চলে অন্যদের আনন্দ গুলোকে সুন্দর করতে। ছুটে যায় এখান থেকে ওখানে। কেউ করে দেশের জন্য,কেউ পরিবারের জন্য। কিন্তু মনটানা মাঝে মাঝে অবুঝের মত কাঁদতে থাকে নিরবে। যা শুধু সে নিজে বুঝে, আর কেউ না।আজ সকাল থেকে বাহিরে,দুপুরে খাবার টাও একসাথে খেতে পারলাম না। আর এখন যাচ্ছি কুমিল্লা। আসব কাল রাতে। সবার দোয়া কামনা করি,যেন ভালভাবে ফিরে আসি।

সারাদিন কি আমাদের ঘরের কাজ করতে হইবো


সারাদিন কি আমাদের ঘরের কাজ করতে হইবো।আমাগো কোন শখ আললাদ নাই।আমরার কি নববর্ষের একটু মজা করতে ইচছা করে না।আপনারা কি কন।দেখলাম ভাইয়েরা কত মজা করতাছে,আর আমরা খালি চুলা ঠেলতাচি।কে কি খাইবো,কারে,কি দিমু।বিকালের নাসতা কি,দুপুরে,রাতে কি খাইবো আর পারি না।মন চায় কোন খানে পালায় যাই।আবার চিনতা করি জামো কই।আজকের কথাই ধরেন সকালে উঠে তিন রকমের ভতা,দুইরকমের মাছ ভাজি দি পানতা খাইবো।এরপর দুপুরে দশ বারো রকমের সবজি রাননা,লইটটা মাছ ঝোল,আবার ফ্রাই,মাছের দু পেয়াজা,বেগুন ভাজী,দেশি মরগির রেজালা এতো কাজ করতে করতে আর fb তে ঢুকতে পারিনি,কে কোথায় কি মজা করতাছে একটু দেখতে ও পারিনি।ঐ দিকে বন্যা আপা আবার ইলিশ চাইচে সব ভাইগো কাছে এডাও অনেক পরে দেখচি।একটুও শান্তি নাই খালি কাজ আর কাজ কই যাই কনতো।।।

মধুসুদনের বিদেশ যাত্রা (ফুল অ্যান্ড ফাইনাল)


হাটতে হাটতে খিলগাঁও চলে গেল সে । সেখানে এক হুজুরের সাথে পরিচয় হল । হুজুর বলেছে তাকে বিদেশ পৌঁছে দিবে । কিন্তু হুজুরের সাথে ১ ঘণ্টা না কাটাতেই পুলিশ তাদের দু জনকে ধাওয়া করল । কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা ধরাও পরে গেল। কাহিনি হল হুজুর ‘মুখলিশ’ জঙ্গি সংগঠনের সহকারী প্রধান । মধুসুদনের বুঝতে বাকি রইলো না হুজুর তাকে সিরিয়ায় জিহাদে পাঠাতে চেয়েছিল । দু'দিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ আর হাল্কা পাতলা লাঠির আদ রে মধুসুদনের জান যায় জান যায় অবস্থ্যা ।এবার নিজেকে বাচানোর জন্য পুরুষত্বের বাহন দেখানো ছাড়া আর কোন পথ রইল না । তাকে ছেড়ে দেয়া হল । কারাগার থেকে বের হয়েই সে সোজা গ্রামে চলে গেল । বিয়ে যদি হয় খারাপ কি ? অন্তত বিদেশ যেতে গিয়ে পুলিশের দাবড়ানি খাওয়ার চেয়ে । ছোটোবেলা থেকে জেনে আসা শত্রুর প্রতিশোধ নেয়াও হবে ।
(সমাপ্ত)

আমার ছেলের আরবী পড়ানোর শিক্ষক মোটামুটি আধুনিক মন মানসিকতার


আমার ছেলের আরবী পড়ানোর শিক্ষক মোটামুটি আধুনিক মন মানসিকতার। ফেসবুক ইউজ করে ভাইবার, ইমো সবই আছে। নিয়মিত ক্রিকেট খেলার খোঁজখবর রাখে। আমাদের এলাকার মসজিদের খাদেম। বয়সে আমার অনেক জুনিয়ার। নাম রাসেল।

অন্যন্য দিনের মত আজ সকালে ছেলেকে পড়াতে এসেছে। হুজুর কে নাস্তা দিতে গিয়ে শুনি সে আজ নফল রোজা রেখেছে। জিজ্ঞাসা করতেই জানলাম বাংলা নববর্ষে সবার কল্যান কামনায় তার এই নফল রোজা।

আমি নিজে ব্যক্তিগত ভাবে তেমন ধর্মকর্ম পালন করিনা, কিন্তু নববর্ষের অনেক ডামাডোলের কৃত্রিম কল্যান কামনার ভিড়ে, নববর্ষে সবার জন্য নীরব কল্যান কামনা করার হুজুরের এই পদ্ধতি টি খুবই ভালো লেগেছে।

মধুসুদনের বিদেশ যাত্রা (পার্ট -২)


ভোর রাত্রেই পালালো মধুসুদন । সেই সম্ভবত জগতের প্রথম বর যে নিজের বিয়ের আগে পালাচ্ছে । পকেটে কিছু টাকা আছে তাই কোন সমস্যা নেই । সোজা ঢাকা চলে এসেই হোটেলে উঠলো মধুসুদন । কিন্তু ভোর রাত্রেই রেড পড়ল হোটেলে । দ্বিতীয় বারের মত আবার পালাতে হল তাকে । ব্যাগ ট্যাগ রেখেই পালানোতে এই যাত্রায় মধুসুদনের চোখে শুধু অন্ধকার । পকেটে টাকা নেই,মনে শান্তি নেই । কেমন করে দিনটাও কেটে গেল । কমলাপুর রেলষ্টেশনে রাত পার করার প্ল্যান নিয়েই কোন মতে সেখানে পৌঁছেও গেল সে । কিন্তু রাত্রে ঘুমানোর পর শুরু হয়ে গেল গোলাগুলি । চোখ খুলেই দেখল একটা লাশ পড়ে আছে । কিছু করার নেই,সবাই পালাচ্ছে । তারও পালানো লাগলো । পৃথিবী ব্যাপী সব গ্যাঞ্জাম তাকেই ঘিরে হয় নাকি ? সবাই ঘুমাচ্ছে আর সে দৌড়াচ্ছে আর দৌড়াচ্ছে………..
(চলিবে )

মধুসুদনের বিদেশ যাত্রা (পার্ট -১ )


মধুসুদনের ছোটোবেলা থেকেই ইচ্ছা বিদেশ ভ্রমনের । কৈশোরে পা দিতেই বিষয়টা আরও মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো । এইবার তার বিদেশ যাত্রা ঠেকায় কে ? বিষয়টা এরই মধ্যে তার বাবার কানেও পৌঁছে গেল । এরপর তাকে ঘরে বেধে রাখার জন্য বিয়ে ছাড়া অন্য কোন পথ দেখলেন না পিতামশাই । কিন্তু মদুসুদন কি কম নাকি? সে দাবি করে বসলো রজকিনীকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করবে না । পিতামশাই রাজি হলেন । মধুসুদন মনে মনে খুশি । কারণ ছোটোবেলা থেকেই রজকিনির সাথে মধুসুদনের দা-কুমড়া সম্পর্ক । রজকিনির রাজি হবার কোন আশা নাই । রাতে বাসায় ফিরেই মধুসুদন তো পুরাই থ । আগামী সপ্তাহে রজকিনির সাথে মধুসুদনের বিয়ে । রাতে ঘুম আসে না । মধুসুদনের একটাই দুঃখ ...চাইলাম জল,পাইলাম শরবত ।
(চলিবে)

আজ (১৩.৪.১৬) আমার অফিসে মামুন এসেছিল


আজ (১৩.৪.১৬) আমার অফিসে মামুন এসেছিল, আসলেই সে যোগ্য প্রচার মন্ত্রী, চিটাগাং থেকে আমাদের গ্রান্ড আড্ডা র সিডি নিয়ে এসেছে। সারারাত জার্নি করে ভোরে তার ফ্যামিলি কে কেরানিগঞ্জ রেখে আবার মোহাম্মদপুর থেকে কাজি ও বনানি থেকে রেজা ভাইকে নিয়ে আমার অফিসে। এই গরমে আর ঢাকা শহরের যানজটে এভাবে দৌড়াদৌড়ি আর যাই হোক আমার পক্ষে অসম্ভব। থ্যানক্স মামুন। 

গ্রান্ড আড্ডা র সিডি আমার কাছে আছে। আমি এটি সেভ করে রেখেছি। কারো প্রয়োজন লাগলে আমার সাথে যোগাযোগ করলে আমি দেয়ার চেষ্টা করব।

গরম ভালোই পড়েছে


গরম ভালোই পড়েছে, সাথে গরমের প্রভাবটা, সবার মনে, মারাত্মক আকার ধারন করেছে। সামান্য কথাতেই কোর্ট কাছারি বসে যাচ্ছে। সকালে বাসায় বললাম, অল্প কয়টা টাকা দেও, পকেট খালি, উনি ছ্যাত করে উঠলেন! তুমি টাকা দিয়ে কি করবে? ঘরে চুপচাপ বসে থাকো! পেজের ভাই বোন গুলিও খুব গরম। যে, যেভাবে পারছে, সে ভাবেই ঝারতেছে! হাতের কাছে গোলা বারুদ থাকলে, মনে হয়, এতক্ষনে দুই/চারটা হাসপাতালে ভর্তি হতো! কেও ইলিশ খাবে, কেও খাবেনা, কেও সাজু/গুজু করে বেড় হবে, কেও বলবে, খবরদার, এই সব করা যাবেনা! আল্লাহ, কোন দিকে যামু? মেয়েকে নিয়ে একটু বের হবো, মেয়ের অংকের মাস্টার এসে হাজির! মাস্টার আরো এক কাঠি সরেস! কট্টরপন্থী! সারাফ সোনা, বাইরে যেতে হবেনা, বাইরে খামাকা ধুলা/বালি খাওয়ার মানে হয়না! মেয়ে আমার ছল ছল চোখে, আমার দিকে তাকিয়ে আছে। মেয়ের মা খুশি! আমি ভয়ে ভয়ে মাস্টোর কে বললাম, বস, আজ কে একটু অল্প পড়িয়ে, ছুটি দিয়ে দেন। আমি আর সারাফ, সন্ধ্যায় একটু গান সুনতে যাবো। চরম বিরক্তি নিয়ে, মাস্টোর বললো, দিচ্ছি ছুটি, তবে এটা ঠিক না! মাস্টোর মানুষ কিছু বললাম না, আরে বেটা আজকে হলো, বাংলা নববর্ষ। আমরা হলাম বাংলা ভাষা ভাষি মানুষ। আমাদের নতুন বছরের শুরু, আমরা তো একটু আনন্দ করবোই। 

উৎসব ভাতা বৈশাখ ১৪২৩


উৎসব ভাতা, আনন্দের বার্তা তাই না!!!!
সরকার কিছু একটা ঘোষনা দেয় আর আমাদের ১৩টা বাজে। আচ্ছা বলতে পারো সারা দেশে কতো জন সরকারী কর্মচারী!!!!? সরকার কি পারেনা সব প্রতিষ্ঠানকে সরকারী সিডিউল মেনটেইন করাতে। যারা পারবেনা তাদের আলাধা অডিটের ব্যবস্থা রাখলে আরো ভালো হতো।
সত্যি কথা বলতে কি, আমরা না পারি তাল মিলাতে আবার না পারি ছাড়তে।
রিতীমতো জীবন জীবিকার যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে পেষ্ট হয়ে আছি।
তারপরও আমরা আশাবাদী, সকলের জন্য রইলো শুভ নববর্ষ.... ভালো থাকবেন সবাই আগামীতে...

Wednesday, April 13, 2016

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের পরের দিন


১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের পরের দিন। কলোনীতে যাদের বাসা নীচ তলায় ছিল তারা সারাদিনে বাসাটা ভাল করে পরিষ্কারও করতে পারে নাই। চারিদিকে স্যাতসেতে ভাব। বিশ্রী একটা গন্ধ। কারেন্ট ছিলো না।ঠিকমত খাওয়া দাওয়া করা যাচ্ছে না। দরজাগুলো পানিতে ফুলে বড় হয়ে গেছে। বন্ধ করা যাচ্ছিল না। রাস্তাও পরিষ্কার ছিলো না। রাতে হঠাৎ গুজব ছড়িয়ে পড়লো ভুমিকম্প হবে। সবাই বাসা থেকে বেরিয়ে রাস্তায় চলে আসলো। রাত দুইটা তিনটা পর্যন্ত বাহিরে ছিলো। সেদিনের কথা মনে হলে আজও গা শিউরে উঠে।

যে দুপুরে ঘুম আসত না


ছোটবেলায় বেশিরভাগ দুপুরে ঘুম আসত না।অনেক সময় ঘুম পাড়ানো র জন্য চোখএর পাতার উপর হাত দিয়ে রাখা হত,তবুও না।আব্বা অফিসে চলে গেলে আস্তে করে উঠে টুলের উপর দাড়িয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে যেতাম। মাঝেমাঝে ইউনুস ভাইয়ের দোকানে গেলে বন্ধ থাকত।তখন ঈ টাইপের ওয়ার্কার ক্লাবের দোকানে যেতাম। দেখা যেত সেটাও বন্ধ।দূরে এফ টাইপের দোকান টাতে আর যেতে ইচ্ছা করত না।তখন জেক্সের দিকে পা বাড়াতাম।

এত গরমে রোদে হাটতে এতটুকু খারাপ লাগত না,সেটা চৈত্র এর দুপুর হোক বা শরৎ এর মেঘ ভাসা আকাশের দুপুর। জেক্সে বিনগো আর কোকোলা নামে ১ টাকা দামের চকলেট পাওয়া যেত।সেগুলো কিনে খেতাম সাথে প্যাকেট এর গা থেকে প্লাস্টিক সরিয়ে সেটা তে তেল লাগিয়ে সাদা খাতায় ঘষতাম। তাতে করে প্যাকেট এর কার্টুন এর ছবি খাতায় উঠে যেত। এই দুপুর গুলো তে খেলার জন্য কাউকে পেতাম না।কিন্তু তাতে খারাপ লাগত না, মাঝেমাঝে পেজে বাজার থেকে কলোনি তে ঢোকার সময় ট্যাংকির ছবি টা দেখলে মনে হয়, এ পথে আমি যে গেছি বার বার

আজ ছুটি স্কুল


আজ ছুটি স্কুল। আজ মানে আজ থেকে শনিবার অব্দি। কি আরাম ঘরে থাকা। কাল টের পাওয়া যাবে। আমি থাকি যেহেতু বেইলী রোড,কাল বিকাল থেকে টের পাওয়া যাবে অবস্থা। ঢাকা শহরের যত বদ আর বদনিগুলা আছে এইডি যে কত ঢং ঢাং করবো। গতবার বিকালে গেইট খুলে সামনের রাস্তায় দাঁড়ালাম তামশা দেখতে। পুলাপানের পাকনামি দেইক্ষা বেশিক্ষন দাঁড়াতে পারি নাই।ভাবছিলাম এদের বাপ মা নাই? মেয়েগুলার? কি সাজ,কি পোশাক কোনোটাই রুচিকর না। বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরতে আসছে। এর মাঝেই দেখি রিকশা করে একটা পরিবার যাচ্ছে। হাসব্যান্ড, ওয়াইফ আর বাচ্চা। অসহায় মুখে বাপ বাচ্চা কোলে নিয়ে বসে আর মা তো সেইরকম সাজ দিয়ে আসছে। পুরা হোয়াইট ওয়াশ করা মুখ,তার ওপর আলপনা করা এক গালে,চুল গুলা ইলেকট্রিক শক খাইলে যেমন হয়ে থাকে তেমন হয়ে আছে, লাল শাড়ি পরনে আর মাথার মধ্যে আবার এঞ্জেলদের মত ফুলের রিং। এইটা দেখে পরে বাসায় ঢুকে গেলাম। এইটা আমাদের বাংগালি সংস্কৃতি!!!!! উহু,কোথাও একটা ভুল আছে আমাদের।

আজ ঢাকা এসে প্রথমে মায়ের সাথে দেখা করলাম


আজ ঢাকা এসে প্রথমে মায়ের সাথে দেখা করলাম।মায়ের শরীরটা খুব দূর্বল।মা একদম শুকিয়ে গেছে সবাই মায়ের জন্য দোয়া করবেন।

তারপর বন্ধু কাজীকে নিয়ে রেজাভাই এর অফিস থেকে ভাইকে তুলে আতিক ভাই এর অফিসের দিকে রওনা পথে অনেক জ্যাম ছিল।

তারপর আতিক ভাই গুলশানের একটি রেস্তোরাতে দুপুরের খাওয়া খাওয়াইলো।

কিছুক্ষন আড্ডারর পর কাজীর অফিসে বসে কিছু আলাপচারী করে,বাড়ীর দিকে রওনা দিব।

সিএসএর সবাই কে অগ্রিম বাংলা নবর্বষের শুভেচ্ছা।যে যেখানে থাকবেন ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।সেই প্রত্যাশায়।

অনেকেই বলে বা বলছে পেজ আগের মত জমছে না


অনেকেই বলে বা বলছে পেজ আগের মত জমছে না। এটা নিয়ে প্রায়ই আমাদের মাঝে তর্ক হচ্ছে। যারা বলছে পেজ আগের মত জমছে না তাদের কাছে কোন না কোন ডাটা অবশ্যই আছে আবার আমরা যারা বলছি পেজ আগের চেয়েও অনেক ভালো জমছে তাদের কাছেও নিশ্চয়ই ডাটা আছে। শুধুশুধু অনর্থক তর্ক না করে আমাদের ডাটা ভিত্তিক কথা বলা উচিত তাহলে মনে হয় আমরা আসল ব্যাপারটা জানতে পারব এবং সত্য উন্মোচন হবে এবং এটা নিয়ে আর ভবিষ্যতে কোন তর্ক হবে না। আমি আপনাদের সবার জন্য কিছু ডাটা পেশ করলাম, আগেও পেশ করেছি তারপরও আবারও পেশ করার প্রয়োজন মনে করলাম।

• অগাস্ট ২০১৫ (২০ অগাস্ট থেকে ৩১ অগাস্ট) এ লিখা পোস্ট হইছে ২৬ টা, এভারেজ ২.১৭।
• সেপ্টেম্বর ২০১৫ এ এ লিখা পোস্ট হইছে ১২৫ টা, এভারেজ ৪.০৩। 
• অক্টোবর ২০১৫ এ লিখা পোস্ট হইছে ১৪৯ টা, এভারেজ ৪.৮১। 
• নভেম্বর ২০১৫ এ লিখা পোস্ট হইছে ৫৪ টা, এভারেজ ১.৮।
• ডিসেম্বর ২০১৫ এ লিখা পোস্ট হইছে ৬০ টা, এভারেজ ১.৯৪।
• জানুয়ারী ২০১৬ এ লিখা পোস্ট হইছে ৯০ টা, এভারেজ ২.৯।
• ফেব্রুয়ারী ২০১৬ এ লিখা পোস্ট হইছে ২০৪ টা, এভারেজ ৭.০৩। 
• মার্চ ২০১৬ এ লিখা পোস্ট হইছে ২৯৩ টা, এভারেজ ৯.৪৫।
• এপ্রিল ২০১৬ এ এখনো পর্যন্ত লিখা পোস্ট হইছে ১৮৯ টা, এভারেজ ১৪.৫৩।

এছাড়াও লাইক, কমেন্ট, রেপ্লি সব কিছু অনেক অনেক বেড়েছে। তারপরও যারা বলে গ্র্যান্ড আড্ডার পর পেজ আগের মত জমছে না, তাদের নিকট বিনীত অনুরোধ আপনারা দয়াকরে একটা পরিসংখ্যান দেন। তাহলে আমরা বুজতে পারব আসলেই পেজ টা আগের মত জমছে না নাকি আগের চেয়েও বেশি জমছে। ধন্যবাদ সবাইকে।

সি এস এম কলোনি।।


প্রায়ই মেজাজ খারাপ হয়ে যেত।।কর্মস্থলের কিছু কিছু ব্যক্তিকে অস্বস্তি লাগতো।।এদের আচার-আচরণ দেখলে মন চায় গুলি করে দেই।।নূন্যতম আত্মসম্মান নেই।।যেটা আছে সেটাও রাখতে নারাজ।।তো প্রথম প্রথম বুঝতাম না।।প্রতিবাদ করতাম।।কারন আমি তাঁদের ন্যায় আচরণ করতে পারতাম না বা আসতো না।।কারন আমি যে পরিবেশে মানুষ হয়েছি সে পরিবেশে এ ধরনের স্বার্থন্বেষী মানুষের বসবাস ছিল না।।একটা সময় চিন্তা করলাম পোস্টিং হয়ে চলে যাই কিন্তু পরে চিন্তা করলাম এখানে সবাই তো খারাপ না।।দু'একজন খারাপ।।তো তাদের কারনে আমি অন্যদের কেন ছাড়বো।।পরে ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করলাম এবং ওদের একটা তালিকা করলাম এবং যতটা সম্ভব এড়িয়ে থাকার চেষ্টা করতে লাগলাম।।কারন চিন্তা করলাম ওদের ছাড়া আমি চলতে পারবো না বা চাকরি করতে পারবো না।।এদের মাঝেই আমাকে থাকতে হবে।।চাকরি করতে হবে।।তাই এখন আর ঝামেলা করিনা।।ভাল না লাগলে এড়িয়ে যাই।।এই হলো আমার কর্মস্থলের কাহিনী।।

এবার আসি পেজ নিয়ে।।এই পেজে আমিও অনেক সময় বিভিন্ন বিষয়ে উত্তেজিত হয়ে যেতাম।।মতের অমিল হলে যা হয় আরকি।।পরে এক বড় ভাই উপদেশ দিল যে,,তুই এমন গরম হয়ে যাস কেন।।কোন বিষয় যদি তোর ভাল না লাগে এড়িয়ে যা,,অনেকটা রাজনীতি বীদদের মতো।।মুখে বলবি দেশকে ভালবাসি,,আর ভেতরে ভেতরে দেশকে বেঁচে দিবি।।অনেকটা এদেশের মতো।।পরে চিন্তা করলাম ঠিকতো।।দু'একজনের কারনে আমি বাকি দের কেন ছেড়ে যাবো।।উনার উপদেশটা আমি এখনও অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।।

একটা জোকস দিয়ে শুরু করি


একটা জোকস দিয়ে শুরু করি। এক কাজি ছিলেন। তাঁর কাছে কোন অভিযোগ এলে তিনি একটাই প্রশ্ন করতেন-মেয়েটি কে? একবার এক ফাদার মুখ খোলা ম্যানহোলে পড়ে পা ভেঙ্গে ফেললেন। ফাদার গেলেন কাজির কাছে অভিযোগ নিয়ে। কাজি সব শুনে জিজ্ঞাসা করলেন-মেয়েটি কে? কাজির পাসের সবাই তাকে বুঝাতে চেষ্টা করলেন, ইনি একজন সম্মানিত ফাদার! তাকে এ ধরনের প্রশ্ন করে বিব্রত না করতে। কাজি নাছোড় বান্ধা। তার একই প্রশ্ন-মেয়েটি কে? ফাদার শেষে নিরুপায় হয়ে সত্য কথাটি বললেন-রাস্তার ডান পাশ্বের তিন তলার মেয়ে! মেয়েটি বারান্দায় বসে চুল শুকাচ্ছিল। ফাদার রাস্তা দিয়ে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাটছেন। তারপর পা ম্যানহোলে! শেষে কাজি ফাদারকে বললেন-রাস্তায় হাটার সময় রাস্তার দিকেই তাকাবেন!

এই গল্পটি বর্তমানে হলে কেমন হতো। তা দেখি। িএক দেশে এক কাজি আছেন। তার কাছে কোন অভিযোগ আসলে প্রথম বলেন-নিশ্চয়ই এই ঘটনার পিছনে ইন্ডিয়া আমেরিকার কানেকশন আছে। এক দিন এক মহিলা কেদে বুক ভাসাতে ভাসাতে আসলেন কাজির কাছে। তার স্বামী তাকে গত রাতে পিটিয়েছে। কাজি সাহেব নিদের্শ দিলেন ঐ মহিলার স্বামী কে ধরে আনার জন্য । ধরেও আনাহলো। এবার কাজি বলল-বল আমেরিকা ইন্ডিয়া কিভাবে তোমাদের মধ্যে ঝগড়াটা বাদালো। কাজির পাশের সবাই হতভম্ব। স্বামী স্ত্রীর ঝগড়ার মাঝে ইন্ডিয়া আমেরিকা আসবে কিভাবে! স্বামী মুখ খুললো, তার স্ত্রী দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা টিভিতে ইন্ডিয়ান কাঁদতে কাঁদতে যায় বেলা টাইপের সিরিয়ালগুলো দেখে। আর কেঁদে হাটু ভাসায়। স্বামীর পছন্দ আমেরিকান চ্যানেল এএক্সএন (AXN) এর এ্যাকশন মুভি। সে বাসায় এসে স্ত্রীর কারনে এএক্সএন (AXN) এর এ্যাকশন মুভি দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গতরাতে তিনি রাগ সামলাতে না পেরে এএক্সএন (AXN) এর এ্যাকশন তার স্ত্রীর উপর চালিয়েছেন। কাজি সব শুনে মুচকি হেসে বলল-এবার বুঝলা সব কাহিনীর পিছনে আছে ইন্ডিয়া আমেরিকার কানেকশন।

ঝরাপাতা গো আমি তোমারি দলে

- Mosaddeque Ali

বৃষ্টিতে কোন একদিন ভিজে সারা
ভিজি কানন শ্যামল পথে
কোন একদিন দিনের রৌদ্র খরায়
ঘেমে চলাচল অন্য প্রান্তরে
ভোলাপথে মূখর বার্তা গত বছরের।
কোনো শরত হেমন্ত দিনে সুবাতাসে
আঙিনাতে ফুলের মঞ্জরি
বসন্ত দিনের ছায়া ফাগুনি পুর্ণীমায়
দখিনা সৌরভ ভাসে মনে
বিগত বছরের সুনন্দ স্মৃতিরা জ্বলে।
কতদিন বেদনা পেয়ালা ভরে যায়
ওষ্ঠ ছুঁয়ে বিষাদাচ্ছন্ন করে
আনন্দের পানপাত্রে করুণ মাদক
অন্যখানে অন্য কিন্নর ডাকে
নিরুদ্দেশা অতীতের ঘোর মধ্যান্হে।
সবকিছু ঝরাপাতা ডালিতে ভরেছি
পত্রপল্বব সব যতকিছু স্মৃতি
তোমারি দলে ঝরাপাতা ঝরাপাতা
ঝরাপাতা গো তুমি সাথী হও
উচ্চাশে নিশ্বাসে সামনের বনপথে।।
——————————
বিদায় ১৪২২। চৈত্রের শেষদিন।
নুতন দেখা দিক আরবার।

সরকারি বন্ধ বা বিশেষ দিন গুলো এলে আমার রীতিমতো ভয় এবং বিরক্ত লাগে


সরকারি বন্ধ বা বিশেষ দিন গুলো এলে আমার রীতিমতো ভয় এবং বিরক্ত লাগে।।কারন এই দিন গুলোতে সবাই যখন পরিবার পরিজনদের নিয়ে ব্যস্ত এবং আনন্দগন মুহূর্তে সময় গুলো পার করে তখন আমি থাকি বিভিন্ন রকম নিরাপত্তা মূলক ডিউটিতে নিয়োজিত।।রাস্তায়,,পার্কে বিভিন্ন রেস্তারাঁ সহ অন্যান্য জায়গায় যখন দেখি কোন পুরুষ তার পরিবারের বা প্রিয় মানুষ গুলোকে নিয়ে এক সাথে ঘুরে বেড়ায়,,খাবার খায় তখন আমার আনন্দ লাগার পরিবর্তে খারাপ লাগে।।মন খারাপ করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না।।

আর সবার মতো এবারো ছেলের জন্য এবং ছেলের মায়ের জন্য বৈশাখের কাপড় কিনেছি।।ছেলের বায়না শিশু পার্কে যাওয়ার আর বৌয়ের বায়না মেলায় যাওয়ার এবং ফিরতি পথে বাহিরে এক বেলা তৃপ্ত করে খাওয়া।।আমি জানি অন্য বারের মতো এবারো আমি ওদেরকে সময় দিতে পারবো না।।তবুও মিথ্যে সান্ত্বনা দিয়েছি যে,,আমরা অবশ্যই যাবো।।আনন্দ করবো।।বৌও জানে আমি মিথ্যে সান্ত্বনা দিচ্ছি।।তবুও সে এবং তার ছেলে তৈরি হয়ে বসে থাকবে আমার প্রতিক্ষায় এবং একটা সময় মন খারাপ করে সব কিছু ভূলে যাবে এবং একটা ফোন আসবে আমার কাছে আর বলবে,দেশ সেবা নিয়েই থাকো,,বৌ-সন্তানের প্রয়োজন নেই বলেই ফোনটা টোটাললি অফ করে দিবে।।আর ঠিক তখন আমার কষ্টটা আরো বেড়ে যায় এবং মনে মনে বলি খোদা এ কেমন রিজিক তুমি আমার কপালে রাখলে😢

আমাদের বন্ধু মহলে সর্বাধিক পঠিত গল্প বই টি ছিল প্রজাপতি প্রকাশনীর "লুকোচুরি "


আমাদের বন্ধু মহলে সর্বাধিক পঠিত গল্প বই টি ছিল প্রজাপতি প্রকাশনীর "লুকোচুরি "। রোমান্টিক কমেডি ঘরানার গল্প ছিল। বই টি এতো বার পড়েছি যে পুরো বইটি মুখস্ত হয়ে গিয়েছিল। সবচেয়ে বেশি বার পড়েছি আমি আর মরা রাশেদ। বই টি পড়ে আমি রাশেদ এতোটাই কল্পনায় ভেসে গেলাম যে, দু জনেই সিদ্ধান্ত নিলাম বই এর কাহিনী অবলম্বনে ছবি বানাবো। হিন্দি ও বাংলা দু ভাষায়ই ছবিটি রিলিজ দেয়া হবে। নায়ক নিয়ে কোন সমস্যা নেই। তখন আমির খানের যুগ, রাশেদ আর আমি দুজনেই আমির কে চয়েস করেছি। ভেজাল লাগলো নায়িকা নিয়ে, আমার পছন্দ জুহি আর রাশেদের মাধুরি, এ নিয়ে দু জনের মাঝে তুমুল ঝগড়া। ঝগড়ার চোটে ছবি বানানোর পরিকল্পনাই বাতিল। হুম! জাতি দুজন ভবিষ্যত গুনি চিত্র নির্মাতা কে অকালেই হারালো।

কোথায় আমির আর কোথায় জুহি মাধুরি আর কলোনি তে বসে আমাদের অতি আবেগী কল্পনার পাগলামো। কত সরলতার জীবন ছিলো আমাদের।

এই সরলতার জীবনটাতেই আবার ফিরে যেতে মন চায় বারবার।

ব্লাড নিয়ে এইটা আমার দ্বিতীয় লিখা


ব্লাড নিয়ে এইটা আমার দ্বিতীয় লিখা। চট্টগ্রাম সিটি কলেজে পড়াশোনা করার সময় আমি যুব রেড ক্রিসেন্ট সিটি কলেজ ইউনিট এর একজন সদস্য হই। পরবর্তীতে ব্লাড বিভাগীয় প্রধান হই। এর পর থেকে ব্লাড নিয়ে কাজ শুরু। ২০০৭-২০১২ পর্যন্ত আমি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করেছি। রেড ক্রিসেন্ট করার সময় আমার যুব প্রধান আমাকে সাহস দেয় ব্লাড দেয়ার । সেই থেকে বিদেশ আসার আগ পর্যন্ত ১২ বার ব্লাড দিয়েছি । যখনি কেউ কল দিত ব্লাড দেওয়ার জন্য চলে যেতাম ।কেউ কে চিনতাম না।কিন্তু রক্ত দিয়েছি । এই জন্য অবশ্য আম্মা অনেক বকা দিত। বলত্ নিজের শরীরে রক্ত নাই উনি অন্যেরে রক্ত দেয় ।কিন্তু রক্ত দিলে মনের মধ্যে একটা শান্তি কাজ করে।।মানুষ মন থেকে দোয়া করে।জীবনে একটা ভাল কাজ করতে পারি এই রক্ত দান করে।আমরা অনেক রক্ত দিতে ভয় করি। কিন্তু ভয়ের কিছু নাই। ।।।তাই হইত অনেকেই আমার ব্লাড নিয়ে প্রথম লেখায় লাইক দিলেও তাদের ব্লাড গ্রুপ কী তা লিখেনি।।।।

Tuesday, April 12, 2016

কিছুদিন আগে একটা কমেন্ট এ বলেছিলাম, আমাদের এই পেইজে silent member আছেন


কিছুদিন আগে একটা কমেন্ট এ বলেছিলাম, আমাদের এই পেইজে silent member আছেন যারা শুধু দেখেন কিন্তু কোন পোষ্ট লাইক কমেন্ট এ যান না। সেই রকম একজন মানুষ নিয়ে আমার এই লেখা। কলোনিতে থাকাকালীন আমাদের সমসাময়িক কালে অর্থাৎ আশির দশক থেকে নব্বই দশক এর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত কলোনির অত্যন্ত প্রিয় মুখ বেবী আপা এবং বুলা আপা(শিখা,মানিক,সুমন,সুজন এবং নমির বড় বোন)।বেবী আপার ফেইসবুক আইডি আছে কিনা আমার জানা নেই কিন্তু Salma Akter বুলা আপা আমাদের সাথেই আছেন। সেই ছোট বেলায় হাউজিং কলোনিতে আমরা পাশাপাশি ছিলাম এবং পরবর্তী সময় যখন স্টিলমিল কলোনিতে আসি কাকতালীয় ভাবে পাশাপাশি বাসায়ই ছিলাম। নিজের বোন ছিলোনা কিন্তু বেবী আপা এবং বুলা আপা সবসময় নিজের ছোট ভাই মনে করতেন। উনাদের পরিবারের সাথে আমাদের পরিবারের খুব ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিলো যা আজো বিদ্যমান। কলোনিতে দেখেছি বেবী আপা ভীষন উচ্ছল ছিলেন, সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন। সেই তুলনায় বুলা আপা কিছুটা চাপা স্বভাবের মানুষ ছিলেন। আমাদের এই পেইজেও তিনি আছেন,আমাদের দেখছেন। আমরা চাই তিনি আমাদের জন্য কিছু লিখুন। ভালো থাকুন আপা।

আমি যখন বছরের শেষে গ্রামে যেতাম তখন পাকা ধান দেখতে আমার খুবই ভালো লাগতো


আমি যখন বছরের শেষে গ্রামে যেতাম তখন পাকা ধান দেখতে আমার খুবই ভালো লাগতো। আমার ফুফাতো ভাই ও দুই পাড়াতো ভাই আমি গ্রামে গেলেই আমার সাথে সাথেই থাকতো। গ্রামে প্রতিটি বাড়ীতে দুপুর আর রাতের খাবারের জন্য আমাকে কখনোই ভাবতেই হয় নাই, বরঞ্চ চিন্তায় থাকতাম আজ কাকে কাকে বাদ দিবো।

একদিন সকালে চিন্তা করলাম আজকে কোথাও খাবো না জমিনের দিকে যাবো। তখন ছিলো মাইলের পর মাইল জমিন। জমিনে মটরশুটি আরো কি কি যনো চাষ করছিলো। আনুমানিক ১০টার দিকে দেখলাম আমার পাড়ার এক চাচা গামছা বিছিয়ে খাওয়ার আয়োজন করছে। আমাদের দেখে ডাকদিলো। বললো তুই সোলেমানের ছেলে না? কথা শেষ করে চলে যাচ্ছিলাম, তিনি বললেন "ওয়া পানি ভাত খাইবানা! তোয়ারা তো শরগো মানুষ ন খ'ও পানলার"। আমি অনেকবার পানতা ভাত খাইছি বাসায় শখ করে। গরম ভাতে পানি ঢেলে লবন দিয়ে মেখে গরুর মাংসের ঝোল দিয়ে অনেকবার খাইছি। এখনো সময় পেলে খাই। 

আমি গত দুয়েক দিন ধরে অফিসে বসে ইউটিউবে বিভিন্ন ছবি বা গান দেখছি


আমি গত দুয়েক দিন ধরে অফিসে বসে ইউটিউবে বিভিন্ন ছবি বা গান দেখছি, এগুলো নিয়ে মজা করে এ পেজে শেয়ার করছি, পুরা ব্যাপারটিই একটা ফান বা মজা। আজকাল প্রযুক্তি এতো সহজ যে, যে কেউ যে কোন স্থানে বসেই ইউটিউব এ এগুলো দেখতে পারে, এটা তেমন উল্লেখ করার মত কিছুই না। একটু মজা করার জন্যই এটা শেয়ার করা।

অনেকে আমার কাছে ব্যাক্তি গত ভাবে জানতে চেয়েছেন, আমি অফিসে এসে সারাদিন কি এগুলো নিয়ে পড়ে থাকি কিনা? বা অফিসে আমার কোন কাজ নেই কিনা?

তাদের উদ্দেশ্যেই বলছি, আমার অফিসে আমার কাজ খুবই গোছানো, রুটিন কাজ গুলো সকালেই এসে সেরে রাখি, তবে একদিনেই এই অবস্থা আসেনি দিনের পর দিন প্রচন্ড পরিশ্রম করে এই পরিবেশ সৃষ্টি করেছি, অনেক টা রিলাক্সে কাজ করি এখন। তবে অফিসে কোন কাজেই সমস্যা করে আমি কিছু করিনা। আর অফিসের প্রয়োজনেই আমি সার্বক্ষণিক নেটে থাকি।

আরেক টা ব্যাপার বলি, আমরা এখানে যতই ফান বা মজা করিনা কেনো আমরা সবাই আমাদের যার যার পরিবার, সমাজ, বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ। পেজের ফান পেজ পর্য্যন্তই সীমাবদ্ধ। বাইরে আসার কোন সুযোগ নেই।

অফিসের বাইরে যাওয়ার কথা ছিল আজ


অফিসের বাইরে যাওয়ার কথা ছিল আজ,বস কাল বলে ছিল আজ মার্কেটে একটা ভিজিট করার জন্য। আমি যাব যাব বলেছি। কিন্ত বাইরে যে রোদ, পানি ভর্তি চাল পাতিলে ভরে বাইরে আধা ঘন্টা রেখে দিলে আধা ঘন্টায় ফুটে পুরো ভাত হয়ে যাবে। তার উপর আমার পাইলট ছুটিতে। 

অসম্ভব! এ চাল ফুটানো রোদে বাইরে যাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। এর চেয়ে অফিসে বসে জুহি চাওলার সিনেমা দেখা উত্তম, বসরে ম্যানেজ করে আগামীকালের মার্কেট ভিজিট প্রোগ্রামও ক্যান্সেল করেছি, চিন্তা করছি শ্রাবণ না আসা পর্য্যন্ত নো বাইরে যাওয়া যাওয়ি।
শ্রাবন তুমি জলদি চলে এসো।

বৈশাখী পারিবারিক ছবি উথসবে আজ আমিও নাম লিখালাম...


বৈশাখী পারিবারিক ছবি উথসবে আজ আমিও নাম লিখালাম...। অনেক খোঁজা খজি করে অবশেষে পরিবারের সবাইকে একসাথে খুজে পেলাম... বড় পরিবারের এইটি একটা বড় সমস্যা সবাইকে একসাথে পাওয়া আর তার মধ্যে যদি সবাই চাকরিজীবী হয়। যাই হোক উপরের দিকে বাম পাশ থেকে শুরু করছি। আমার মেঝ ভাই মইনুল হুদা, বড় ভাই নাজমুল হুদা, আমার মেঝ ভাবি অ্যাডভোকেট কানিয কাওসার চৌধুরী, বড় ভাবি অধ্যাপিকা নাজমা বেগম,নাজমুল ভাই এর বড় ছেলে নাযিব হুদা, মইনুল ভাই এর এক মাত্র ছেলে মুহতাসিম হুদা, আমার স্রদ্দেয় আব্বা শামসুল হুদা, আমি ইমরুল হুদা আমার কোলে মইনুল ভাই এর এক মাত্র কন্যা যাহারা তাসনিম, আমার স্ত্রী শাহিদা সুলতানা এবং আমার স্রদ্ধেয় আম্মা ফেরদউস আক্তার।

উহ এর পরেও একজন বাদ পরে গেল। সে অবশ্য তখন এই দুনিয়াতে আসেনি। আমার মেয়ে আনাবিয়া আফশীন। আলাদা করে তার ছবি পোস্ট করলাম। ধন্যবাদ।

আমরা কি আয়েশি হয়ে যাচ্ছি, নাকি সহ্য ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, গরমে সবাই আহ!


আমরা কি আয়েশি হয়ে যাচ্ছি, নাকি সহ্য ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, গরমে সবাই আহ! উহ! মরে গেলাম পুড়ে গেলাম শুরু করে দিয়েছি । অথচ এমন গরম নুতন নয়, এই সিজনে এই গরম টা পড়বেই,এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিকতা। বরং গরম না পড়লেই অস্বাভাবিক ছিল। 

কলোনি তে থাকার সময় এই গরমেই সকাল থেকেই ঘন্টার পর ঘন্টা ক্রিকেট খেলেছি বিকেলে আবার ফুটবল, কত দৌড় ঝাপ, আরো কত কিছু। আর এখন একটুতেই হাপিয়ে উঠছি। 

আসলেই আমাদের সহ্য ক্ষমতা কমে গিয়েছে, সহ্য ক্ষমতা বাড়লে বোধ করি গরম টা কমে যাবে

ধরেন, আপনি বাস থেকে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে গেলেন

- Towsif Noor Kabbo

ধরেন,
আপনি বাস থেকে তাড়াহুড়ো করে
নামতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে
গেলেন। পিছন থেকে আরেকটা বাস
এসে আপনাকে চাপা দিয়ে পিষ্ট
করলো। আপনি মারা গেলেন। আপনি
মারা যাওয়ায় আপনার বন্ধুরা মিলে
সেই বাস কোম্পানির বাসগুলো
ভাংচুর শুরু
করলো। আগুন ধরালো। এর ফলে
বাসের
পেট্রোলের টাংকিতে আগুন ধরে
প্রচন্ড
বিস্ফোরন ঘটলো।

সীমানা হারিয়ে সীমানায়


নিরাপদ প্রাচীরে ঘেরা সংরক্ষিত এক আবাসিক কলোনীর নাম সি এস এম জরুরী আবাসিক কলোনী। জনজীবনের চাহিদার সকল সুবিধা বিদ্যমান ছিলো সেই কলোনীতে। স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, খেলার মাঠ, খোলামেলা পরিবেশ। সারিসারি নারিকেল গাছ আর নানা রকমের ফলের গাছের সমারোহে কলোনীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিলো শীতল সবুজ।
বৃহতাকার এই সুন্দর কলোনীটেতে বসবাস ছিলো চিটাগাং স্টীল মিলস নামক দক্ষিন এশিয়ার সর্ববৃহত মিলটির চাকুরী জীবি ও তাদের পরিবারের বর্গের।

প্রতিটি পরিবারের সাথে প্রতিটি পরিবারের দৃঢ় সামাজিক বন্ধন, সুখে দুঃখে একে অপরের পাশে দাড়ানোর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিলো কলোনীর বাসিন্দাদের মাঝে।

চাকুরী জীবিদের সন্তানদের নানা রকম কর্ম কান্ডে মুখরিত থাকতো কলোনীর পরিবেশ। খেলাধুলা, আড্ড,া সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড চাকুরীজীবীদের সন্তানদের মাঝে গড়ে তুলেছিল বন্ধুত্ব আর ভাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধন।

নব বর্ষ-এ, ইলিশ পান্তা খেতে হবে


নব বর্ষ-এ, ইলিশ পান্তা খেতে হবে! পান্তা না হয় খেলাম কিন্তু ইলিশ! এত দাম দিয়ে কিনে এই আহ্লাদের মানে কি? মাথায় ঢুকেনা এই বদমায়েশি টা এলো কোথা থেকে!? আমি অন্তত আমার ছোট বেলায় এই সংস্কৃতি টা দেখি নাই। পুর্ব পুরুষ গ্রামের মানুষ, সেখানেও তো চর্চা হয় নাই। কলেজ লাইফ টায় দেখলাম, রমনা বটমুলে, ইলিশ/পান্তা! কালচারাল পার্টি দের নাচ গান গেয়ে বর্ষ বরন আয়োজন। বর্ষ বরন আমাদের অধিকার। এই রমনা পার্কে জুটে গেলো, বড় বড় মানি ম্যান! কালচারাল পার্টদের নাচ গান এর সাথে, বড় বড় মানি ম্যানদের ইলিশ পান্তা আহ্লাদ! এখন জাতির রন্ধে রন্ধে ঢুকে গেছে! ইলিশ পান্তা খেতে হবে! হাতের কব্জির সমান একটা ইলিশের দাম, ১০০০টাকার উপড়ে বা তারো বেশি! কয় জন মানুষের সাধ্যি আছে! বর্ষ বরন আমরা করবো কিন্তু এই ইলিশ পান্তা কালচার টা কে একটা লাথি মারলে কেমন হয়??? এর চেয়ে আতিকের ডাল ভাত কর্ম সুচিকে স্বাগত জানাই। যেটা প্রায়ই সবার জন্য সম্ভব।

পৃথিবীর সব বাপগুলা হইল বট গাছের মত যতদিন থাকে আমরা বুজিনা কি এটা


পৃথিবীর সব বাপগুলা হইল বট গাছের মত যতদিন থাকে আমরা বুজিনা কি এটা.... যখন ছোট ছিলাম ঈদে বাড়ি গেলেই দেকতাম দাদু আব্বুকে বিভিন্ন কারনে বকা দিতেসে আর আব্বু মাথা নিচু করে দাঁড়ায় থাকতো। মজা লাগতো অনেক আব্বু ও বকা খায় এটা চিন্তা করে। আমার দাদা ছিল আবার মেম্বার তার উপর কঠিন রাগি..... আমার নিজের চোখে দেখা আমার আব্বু কি পরিমান সম্মান করতো দাদুকে আর যখন দাদু মারা যাই তখন আব্বুর কান্না দেখে বুঝসিলাম কি পরিমান ভালবাসত আব্বু দাদুকে..........

তখন আমি ক্লাস ৭ এ পরি দাদু খুব অসুস্ত ছিল..... আব্বু অফিস শেষ করে বাড়িতে গেল দাদুকে দেকতে.... বাসায় আসলো ১১টা বাজে আব্বুর সাথে ভাত খাব বলে ঘুমায় গেলাম....আব্বু ডেকে বল্লো চল ভাত খাব (আমি তখন আবার ম্মাম্মি ডেডি ছিলাম)... ভাত খেতে খেতে আব্বুকে দেরি করার কারন জিজ্ঞেস করলাম আব্বু বললো তোমার দাদু খুব অসুস্থ তাই .... 

Monday, April 11, 2016

মুখ চেনা সেই মানুষ গুলো


জীবিকা নির্বাহের জন্য কিছু মানুষের পদচারনা ছিলো সি এস এম কলোনীতে। কারো ছিলো নিরব পদচারনা কেউ করতো হাকডাক। হাকডাক ওয়ালা জীবিকা নির্বাহী সেই কাগজের ফেরী ওয়ালার সুর করা এই কাগেএএএএএজ পুরানো বই খাতা পেপার বিক্রির কাগেএএএএএজ হাকটি আজো কানে বাজে। জুতা সেলাই করা সেই মুচির এই সেলাইইইই, কটকটি ওয়ালার টুংটুংগীর শব্দ কিম্বা মিল্ক ভিটার ভ্যানের প্যা পু প্যা পু শব্দ গুলি ছিলো কলোনী বাসীর কাছে পরিচিত শব্দ এই মুখ গুলো ছিলো চেনা মুখ।

আজকে যাইতাসি বাপের বাড়ি


,পোলার Exam শেষ কি মজ।ষটীলমিলস যাওয়ার কথা মনে হলে আমার আর রাতে ঘুম হয়না অথচ আমার বাসা থেকে ষটীলমিলের জেতে মাএ দইশ টাকা গাড়ি ভাড়া।৪৫ মিনিটে বাসায় চলে যাই।বড় ভাই,ভাবী,ছোট ভাইবোনরা খালি কখন জুবায়েরর examশেষ হবে এদিন গনে।আজকে আমাদের বাসায় সবাই অনেক খুশি কারন আমি জাব।অনেক দিন পরে যাচছি।ষটীল বাজার,মুনবেকারির পরোটা আরও কত কি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।আললাহ হাফেজ।

অতিথি


যেখানে সীমান্ত তোমার সেখানে বসন্ত আমার
ভালোবাসা হৃদয়ে নিয়ে আমি বারেবার আসি ফিরে ডাকি তোমায় কাছে..........
বাস ফেনীর মহিপাল ক্রস করার পর এই গানটা ক্যাসেটে বাজতে লাগলো। এমনিতে আবেগ আপ্লুত হয়ে ছিলাম এই গান বাজতে শুরু করায় আবেগ নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে গেলো দুই চোখ বেয়ে পানি পড়তে শুরু করলো নিরবে। এটাকে কান্না বলে না। আবেগে চোখ বেয়ে এভাবে পানি পড়াকে কি বলে আমার জানা নাই। 

সি এস এম কলোনী ছেড়ে নাটোরে চলে এসেছি একমাস আগে ১৯৯৮ সালের ৪ ঠা মার্চ। কলোনী ছেড়ে চলে আসার পর এই প্রথম আবার কলোনীতে যাচ্ছি তাই এতো বাধ ভাংগা আবেগ।বাস যতই চট্টগ্রামের কাছাকাছি পৌছাচ্ছে আমার আবেগ ততই বেড়ে চলেছে। শীতাকুন্ড পার হয়ে এসেছি। আর কিছুক্ষনের মধ্যেই চট্টগ্রাম শহরে পা রাখবো। চিন্তা করছি নেমে প্রথমে কোথায় যাবো রাত তখন বাজে দশটা তাই সিদ্ধান্ত নিলাম এতো রাতে আর কলোনীতে যাবো না। বৌ বাজার পানির কলে বন্ধু ডালিমদের বাসা তাই দেওয়ানহাটে বাস থেকে নেমে ওদের বাসায় গেলাম। মাত্র একমাস আগেই চিটাগাং থেকে বিদায় নিয়েছি কিন্তু ওদের বাসার সবার ব্যবহারে মনে হলো কয়েক যুগ পর পরিবারের কোনো সদস্যের সাথে দেখা। রাতের বেশীর ভাগ সময় কাটলো ডালিমের সাথে গল্প করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে আমার আর তর সয় না কখন পৌছাবো কলোনীতে। সকাল দশটার দিকে ডালিমকে সাথে নিয়ে রওনা হলাম বেবী ট্যাক্সি চড়ে। পরিচিত শহরটাকে দেখতে দেখতে পৌছে গেলাম চিরচেনা স্টীলমিলস বাজারে। ট্যাক্সি থেকে বাজারেই নামলাম। ভাই ভাই বেকারি তে দেখা বন্ধু সিরাজের সাথে আরো অনেক পরিচিত মানুষের সাথে। বাজার গেট দিয়ে কলোনীতে ঢুকতেই লেখাটা চোখে পড়লো " থামুন, আপনার পরিচয় দিন"। বুকের ভিতর কেমন যেনো করে উঠলো কি পরিচয়ে আমি কলোনীতে প্রবেশ করছি? জন্ম থেকে বেড়ে উঠা এই কলোনীর সাথে আমার সম্পর্ক টা এখন কি? আমিতো আর এই কলোনীর বাসিন্দা নই। জন্ম, বেড়ে উঠা, হাসি আনন্দের হাজারো স্মৃতি বিজড়িত এই কলোনীতে আমি এখন অতিথি। 

কলোনীতে থাকতে সব সময় বাপের কাছে নালিশ আসতো আমার নামে


কলোনীতে থাকতে সব সময় বাপের কাছে নালিশ আসতো আমার নামে, বাপটা খুবই ভালো বলে আমাকে মারতো না, সব সময় বুঝাইতো আব্বা কারো মনে ব্যাথা দিয়োনা,কেউ যেন তোমার জন্য আমাকে কিছু বলতে না পারে,নিজের সন্মান রেখ আমার টা ও রেখ,কে শুনে কার কথা এই কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে ধোয়ার মতো বের করে দিতাম,প্রতিদিন না হলে সপ্তাহে একদিন হলেও নালিশ আসতো,বাবা তো বিরত্ত হয়ে বহু কিছু করলো আমার জন্য তা আশা করি সবাই অবগত আছেন,আর কলোনীতে যাদের কে জালাতন করতাম তারা তো জলতো আশাপাশের সবাইকে জালিয়ে রাখতো এই ছেলে ভালো না আমুকের এই ছেলের জন্য আমার ছেলেটাও খারাপ হয়ে যাচেছ,আমি সবসময় জানতাম কলোনীর তে ছোট বড় সবাই আমাকে টেরা চোখে দেখতো,এই ভাবে কলোনী জীবন পার করে এসেছি,কলোনীতে যে দাগ গুলি রেখে এসেছি মানুষের মনে তা সবাই আজীবন মনে রাখবে সযত্মে,দুই যুগ এর কাছি কাছি পর পেইজ এর মাধ্যমে সবাই আবার একসাথে হয়েছি,প্রথম প্রথম খালি দেখতাম কে কি লিখে কোনো আওয়াজ করতাম উকি ঝুকি মারতাম,না দেখলাম কলোনী আগের মতোই আছে যাই কলোনীতে ডু মেরে আবার আগের মতো ফাজলামি করে আসি,আগেও ডেমকেয়ার ভাবে চলতাম, এখন ও ডেমকেয়ার ভাবে চলি,পাথক্য তখন সাথে বহু সঙী ছিল এখন একলা সব মোকাবেলা করতে হবে,কলোনীতে ভুলেও জন্মদিন পালন হতোনা মায়ের জন্য,মা আবার ধমে কড়া,কিন্তুু পেইজে আসার পর দেখলাম Mohammad Nazrulটিংকা ওরফে টিংকু Aslamuddin Mamun মামুন্না ওরফে মামুন সবার জন্মদিন এর ব্যাপারটা সবাইকে জানিয়ে দিচেছ বহুত বহুত ভালো লাগতো কিন্তুু কেউ কে আমি জন্মদিনে কমেনট করতাম না বেশি হলে লাইক দিতাম কারণ জন্মদিন টা আমাদের ফ্যামিলিতে চল না আমিও বিভিন্ন বই পড়ে জানতে পারলাম এটা মুসলমান দের জন্য উচিত না,গতকাল আমার জন্মদিন গেলো মনে করছি কি আর হবে গতানুতিক ভাবে মামুন হয়তো আমার জন্মদিন টা সবাইকে জানিয়ে দিবে কেহ দেখবে তো কেউ দেখবে না, আজ জন্মেছি না তাই আজ বেশি সময় দিতে পারি নাই কলোনীর এবংআমার জগতের বিভিন্নজনের ফোন করে ধরতে পারি না এই জন্য হাত জোড় করলাম,রাতে পেইজে টাইম লাইনে ডুকে তো অবাক নিয়মবহিভুত ভাবে আমাকে Atiq Csmআমার দোস্ত Ahsanul Tariqueআমার গুড়া কালে সঙী,আর যতারীতি মামুন, টিংকু ও দেখি আমার জন্মদিনের বাতা চারিদিকে আযান দিয়া প্রচার করতাছে,আর এই আওয়াজ শুনে কলোনীতে সকলে আবার সজাগ হলো জানি না কলোনীতে কে কি মনে করতো আমাকে দেখলে তা তো আগে বলে দিয়াছি,তো এবার ও মনে করছিলাম সবাই আমার জন্ম দেইখখা আবার টেনশন করে লো হাই প্রেশার হয়ে যাবে আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত হলো এবার কলোনীতে এসে,এতো এতো মানুষ আমার জন্মকে সাগতম জানালো সত্যি আমি পুরাই তাসকি খাইলাম বুঝলাম এরই নাম ভালোবাসা, দীঘজীবি হউক কলোনীর সকলের ভালোবাসা সকলের জন্য,(ধন্যপাতা জানিয়ে কারো হাত ঘ্র্যাণ করতে চাই না আল্লাহ যেন আমারে সামনের বছর আবার আরো নতুন করে জন্মায়)

Sunday, April 10, 2016

দীপক ভাই‌কে নি‌য়ে লিখা পোস্ট‌টি প‌ড়ে খুবই মন খারাপ ছিল


দীপক ভাই‌কে নি‌য়ে লিখা পোস্ট‌টি প‌ড়ে খুবই মন খারাপ ছিল। অাজও তার ব্য‌তিক্রম ছিল না। বু‌কের ভেতর কেমন যেন একটা কষ্ট অনুভব কর‌ছিলাম। দিপক ভাই, যার হাত ধ‌রেই অামার ব্যায়াম জগ‌তে পদচারনা শুরু হ‌য়ে‌ছিল। বারংবার ম‌নে পড়‌ছিল সেই স্কু‌লের স্টেই‌জে উনার কো‌চিং এর মুহুর্তগু‌লো। উনার হা‌স্যোজ্জ্বল মুখ খা‌নি চো‌খের সাম‌নে ভে‌সে উঠ‌লে এখনও চো‌খে জল চ‌লে অা‌সে।

অাজ যখন কবীর ভাই‌য়ের সা‌থে দেখা হ‌লো তখন ম‌নে হ‌চ্ছিল যেন দীপক ভাই‌কেই সাম‌নে পে‌য়ে গেলাম। কারণ দীপক ভাই‌য়ের শেষ মুহুর্তগু‌লো খুব কাছ থে‌কে একমাত্র কবীর ভাই দে‌খে‌ছিল।

অাজও কবীর ভাই‌য়ের চোখ দু‌টো ছলছল কর‌ছিল যখন উনি দীপক ভাই প্রস‌ঙ্গে শেষ মুহুর্তগু‌লো অামা‌কে বর্ণনা কর‌ছি‌লো।

কবীর ভাই! এক পরা‌জিত সৈ‌নি‌কের ম‌তো জীবন যাপন কর‌ছেন। সেই দিন‌টির পর অাজও কবীর ভাই স্বাভা‌বিক জীবনে ফির‌তে পা‌রে নি। দীপক ভাই‌য়ের প্রসঙ্গ অাস‌তেই খেয়াল করলাম, কবীর ভাই যেন এক নিষ্প্রাণ অন্তর নি‌য়ে অাজও স্সৃ‌তিগু‌লো ব‌য়ে বেড়া‌চ্ছে।

ফুল যদি ভুল হয়


ছেলেটি মেয়েটি র বিছানার পাশে প্রতিদিন একটি ঘাস ফুল রেখে যেত। ছেলেটির ইচ্ছা করত গোলাপ রেখে যেতে কিন্তু তার সে সামর্থ্য ছিল না। আবার এই মেয়েটি যেহেতু তার স্ত্রী, তার উপর আবার অসুস্থ তাই ফুল রেখে যেত যাতে ঘুম থেকে উঠে ফুল দেখে তার মন ভাল হয়ে যায়।

একদিন ছেলেটি ফুল রেখে যেতে ভুল গেল।কারন অফিসের তাড়া ছিল।দুপুরে যখন সে মধ্যহ্ন ভোজ এ গেল তার স্ত্রী ফোন দিল কেন সে গোলাপ রেখে যায় নি তার জন্য। ছেলেটি বেশ অবাক হল।পরে বুঝতে পারল ছেলেটির ভালবাসার কারণে ঘাসফুল তার কাছে গোলাপের মত মনে হত।

সিনেমা বলতেই ফাইটিং সিনেমা কে ই বুঝতাম


সিনেমা বলতেই ফাইটিং সিনেমা কে ই বুঝতাম, সিনেমা শুরু হওয়ার পর থেকে শেষ না হওয়া পর্য্যন্ত অন্তত গোটা দশেক মারামারি না থাকলে ঐ সিনেমা দেখে পোষত না। যখন ক্লাস এইট নাইনে পড়ি তখন, মামার বাসা থেকে প্রায় সময় ভিসি আর এনে রাখতাম, আর এই সব ডিসুয়া ডিসুয়া মার্কা ফাইটিং ছবি দেখতাম। 

এক দিন মরা রাশেদ এসে বলল নুতন একটা ছবি এসছে, নতুন নায়ক নায়িকা আমীর খান আর জুহি চাওলা। সিনেমার নামটা একটু বড়, দেখি রাশেদ ও নামটা ঠিক মত উচ্চারণ করতে পারলোনা, কি কেয়ামত কেয়ামত করে খালি। যাই হোক পরদিন রাশেদ ক্যাসেট টি দিল, বাসায় এনে দেখি নাম কেয়ামত সে কেয়ামত তাক। সিনেমা দেখা শুরু করলাম খালি ঘ্যান ঘ্যান সিনেমা, হালকা দু মিনিটের মারামারি আর শেষে নায়ক নায়িকা দু জনেই কুল্লু খালাস মানে ইন্তেকাল। ধুর! মোটেই ভালো লাগলো না।

যাদু


আমার গোপন কথাটি সখি রেখো গোপনে।

কবি গুরুর এই গানের কথাটি কেউ রাখেনা। কেউ যদি চায় তার কোনো কথা প্রচার করা দরকার তাহলে কথাটি কাউকে বলে শুধু নিষেধ করে দিতে হবে যেন অন্য আর কাউকে কথাটি না বলে তাহলেই আশা করা যায় সবাই ব্যাপার টা যেনে যাবে।

কোনো একদিন বন্ধু Monirul Islam Monir তার এক গোপন প্রতিভার কথা বলেছিলো বন্ধু Monowar Dalim Dalim কে এবং নিষেধ করেছিলো আর কাউকে যেন না বলে। ডালিম ও কথা রেখেছিলো একজন কে কথাটি বলে নিষেধ করে দিতো যেন আর কাউকে না বলে। এইভাবে মনিরের গোপন প্রতিভার কথাটি সবাই যেনে যায়। মনিরুলের গোপন প্রতিভাটা ছিলো ও মুখ দিয়ে পানি খেয়ে নাক দিয়ে সে পানির সম্পুর্নটাই বের করে দিতে পারে। আমরা বন্ধুরা সবাই মনিরুলের এই প্রতিভায় দেখে যারপরনাই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। প্রতিদিন ই মনিরুলের কাছে এই যাদু দেখতাম। একদিন সবাই চিন্তা করলাম বিনা পয়সায় আর যাদু না। যাদু দেখতে হলে পয়সা লাগবে যেই কথা সেই কাজ ডি টাইপের টিউবওয়েল এর কাছে যাদু প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হলো আমরা টিউবওয়েল থেকে এক গ্লাস পানি মনিরুল কে দিতাম ও সেই পানি মুখ দিয়ে খেয়ে নাক দিয়ে আবার গ্লাস ভর্তি করে পানি বের করে দিতো। যাদু দেখার মূল্য ছিলো চার আনা। চার আনার বিনিময়ে যে কেউ যাদু দেখতে পেতো। কয়েকদিন যাদুর ব্যবসা দারুন চলেছিলো। যাদু দেখানোর পয়সা দিয়ে আমরা জিলাপি কিনে খেতাম। আনোয়ারুল হক, ডালিম, বিপুল, মিল্টন, আমি আর যাদুকর মনিরুল এই যাদুর ব্যবসা করতাম। যে সময়ের গল্পটা এতোক্ষন আমি বললাম আমরা তখন অনেক ছোট ছিলাম সবে স্কুলে ভর্তি হয়েছি এমন। 

আমার দাদুর আর বোনের সাথে প্রায় দশ বছর আগে


আমার দাদুর আর বোনের সাথে প্রায় দশ বছর আগে। আহারে আমার দাদু ছবি তুলতে খুব পছনদ করতো।খুব মিস করি আমার দাদুমনিকে।আমাকে অনেক.......অনেক বেশি আদর করতো যা কখনও বলে বুঝানো জাবেনা।আমমা মারা যাওয়ার দাদু আমাদের সাথে থাকতেন।উনার আমরা চার বোন সব কিছু শেয়ার করতাম।অনেক আধুনিক ছিল কিনতু উনি।আমি কলেজ আর টিউশনি ছেড়ে যখন বাসায় আসতাম তখন উনি খাবেন বলতেন।কোন কিছু আমাকে ছাড়া করতেন না। জা হবে শামমী জা বলবে তা।আমার জন্য উনি সব সময় দোয়া করতেন জেন আমার খুব ভাল জায়গায় বিয়ে হয়,আমি জেন ভাল থাকি।আললাহ উনার দোয়া কবুল করেছে হয়তো।আমিও উনি যা যা পছনদ করতেন তাই করতাম।জখন আমার ছেলে হয় ৩০ মাথায় আমার দাদু আমাকে ছেড়ে চলে যায়।আমার ছেলেকে দেখতে ছেয়েছিল কিনতু আমি দেখাতে পারিনি কারন শশুর বাড়ির কতগুলা নিয়ম কাননের জন্য।যাক অনেক কিছু লিখে ফেললাম মাফ করবেন সবাই।।।আমার দাদুর জন্য দোয়া করবেন।দাদাদাদুর আদর অনেক রহমতের জিনিস জারা পায় তারা অনেক ভাগ্যবান আমার মতে।।

Saturday, April 9, 2016

মিজানুর রহমান ( মিজান)


আমাদের ব্যাচ এর ছিলো।ওরা থাকতো এফ/২ নং বিল্ডিং এ।পরে আমাদের পাশের বাসায় আসলো।এফ/১ এ।তার বাবার নাম হচ্ছে আব্দুল আলম। সিকিউরিটি সেকশন এ ছিলো।রাউজান হচ্ছে তাদের বাড়ী। কলোনী থেকে বের হওয়ার পর তারা নারিকেল তলায় ভাড়া বাসায় অনেক দিন ছিলো।মিজানের বড় ভাই Md Hannan আর তার ছোট ভাই হচ্ছে Cricketer Minhaj মিজান কলোনীতে খুব ঘুরে বেড়াতো।হাসি খুশির মাঝেই সবাইকে মাতিয়ে রাখতো।কলোনী থেকে বের হওয়ার পরে মিজান দুবাই গিয়েছিলো।ঐ খানে ভালোই ছিলো।মাঝে মাঝে ফোন করতো।রাউজানে বাড়ি করার পর তারা সবাই ঐখানেই চলে আসলো।গত বছর দেশে এসে বিয়ে করেছে।বন্ধুদের বিয়ের দাওয়াত ও দিয়েছে।যাওয়া হয়নি।ফোনে কথা হয়েছিলো।আমাদের পাশের বাসায় ছিলো বিধায় আমাদের সাথে ওর পরিবারের সাথে যোগাযোগ ছিলো এখনো আছে।ওর বিয়ের ঠিক ১৯ কি ২০ দিনের দিন বন্ধুর মৃত্তুর খবর পেলাম।গত বছর কোরবান ঈদের ঠিক আগের দিন রাতে মারা গেছে মিজান।ঐ দিন রাতে নাকি পুকুরে ওযু বানাতে গিয়ে পুকুরে পরে গিয়েছিলো। আর উঠতে পারেনি।রাতে খুযার পরে পুকুরে তার লাশ ভাসতে দেখেছে।দেশে আসছিলো ছুটিতে আর যাওয়া হলোনা দুবাই।

আজ পিংকি আর কাশেম চাচি আসছিলেন বাসায়


আজ পিংকি আর কাশেম চাচি আসছিলেন বাসায়। দিনটা খুব দারুন পার হল। আম্মা থাকলে আরো ভাল লাগতো। বাসায় মাঝে মাঝেই চাচিদের আড্ডা বসতো। কাশেম চাচি আর আম্মা প্রথম লুডু খেলার সুচনা করেছিলেন। সে কি নেশা দুজনের! আমার দায়িত্ব ছিল উনাদের চা আর পান সাপ্লাই দেয়া।তখন সি টাইপে থাকতাম। আস্তে আস্তে তা ছড়িয়ে পড়লো বি টাইপেও। সবার বাসায়ই লুডুর বোর্ড কেনা হয়েছিল। যে যখন যে বাসায় যেতেন সেখানেই এক রাউন্ড হত। বি টাইপে আমরা আর চাচিরা যাবার পর খানসুর চাচি,সিদ্দিক চাচিও যোগ দিলেন। সেকি খেলা! পরে দেখা গেলো চার গুটিতে হচ্ছেনা।একেকজন আট গুটি নিয়ে বসতেন।ওদিকে লুডুর বোর্ড ছিল শুভদের বাসায়। যে বাসায় যেতেন চায়ের আগে এক রাউন্ড খেলা পরে চা আর পান চলতো। আহা,কি দিন। এখন খালি একসাথে হলে এইসব গল্পই চলে। আজ চাচিকে দেখে ওসব মনে পড়ছিল।

আমার বন্ধু মনিরুল, খুবই ঘনিষ্ঠ


আমার বন্ধু মনিরুল, খুবই ঘনিষ্ঠ, বহু আকাম কুকামের সাথী,ঔষধ বানিজ্যের আমার প্রধান পার্টনার, চিকিৎসা বিজ্ঞানে তার কাছ থেকে বহুবিধ জ্ঞান অর্জন করছি। শালা ছিল প্রচুর বিদ্যানুরাগী, তবে পাঠ্য বইয়ের প্রতি তার কোন আকর্ষণ ছিলোনা, অপাঠ্য বইয়ের প্রতি ছিল তার প্রবল আকর্ষণ। এই শালার সংগে মিলে ইপিজেড এর এক বই এর দোকান থেকে বই ভাড়া আনতাম, নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি উনার প্রচন্ড দুর্বলতা ছিল। সাংগঠনিক কাজে উনার ক্ষিপ্রতা ছিল ইর্ষনীয়। উনি যে কাজ ধরতেন "টিপো সুইচ জ্বালাও বাত্তি" স্টাইলে দ্রুত গতিতে সে কাজ সম্পন্ন করতেন। আমার রোমান্সের সহায়তায় উনি কিছু দুর্দান্ত সাহসী কাজ করেছেন। বন্ধু মহলে উনি সবার আগে ইনকাম করা শুরু করেন, উনার শিনার মত উনার আত্মা টাও বড়, ঢাকা শহরে উনি উনার ব্যবসা শুরু করেন, তখন ঢাকা শহরে আমরা কপর্দক শূন্য অবস্থায় এলেও জনাব মনিরুল আমাদের বটবৃক্ষের ন্যায় আশ্রয় দিতেন এনং চিটাগাং যাওয়ার ভাড়াও দিয়ে দিতেন। উনি বন্ধুমহলে সবার আগে শহিদ হোন মানে বিয়ে করেন, দাম্পত্য জীবনের যাবতীয় খুঁটিনাটি জ্ঞান উনি আমাদের সবিস্তারে বিতরন করেন।

মুখের ভিতর স্প্রে মেরে গন্ধ দূর করার দুর্লভ জ্ঞান উনিই আবিষ্কার করেন। আমার চাকুরী জীবনের প্রথম দিকের নিরামিষ দিনগুলোতে উনি আমাকে সংগ ও সাহস দিয়েছেন।

পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা তাদের ব্যক্তিত্বের গুনেই অন্যকে আকর্ষন করতে পারে


পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা তাদের ব্যক্তিত্বের গুনেই অন্যকে আকর্ষন করতে পারে। এমনকি ভিন্ন মতের মানুষকেও কাছে টানতে পারে। সদা হাস্য মুখ, পরোপকারে ক্লান্তিহীন, সজ্জন, সদালাপি এমন মানুষের সংখ্যা আমাদের সমাজে দিন দিন কমে আসছে। উপরোক্ত গুনাবলীর অধিকারী-বন্ধু দুইটির একজনের নাম ‘‘হাফিজ” অন্য জন ‘‘সওগাত”।

স্কুল জীবনে দেখেছি হাফিজ কে অত্যন্ত মেধাবী ও তীক্ষ্ম বুদ্ধি মত্তার অধিকারী যদিও স্কুলের গতানুগতিক পরীক্ষায় সেই অনুপাতে কৃতিত্ব দেখাতে পারেনি। আর এই জন্য তাকে কখনো ব্যকুল ও দেখিনী। বরংচ জীবনকে সব সময় স্বভাবিক, সামাজিকতায় আচ্ছন্ন, রসময় ও উচ্ছৃল করে নেওয়ার প্রবনতা হাফিজকে এক অপূর্ব ব্যক্তিত্বে রূপদান করে। হাফিজের মুখস্ত বিদ্যার ক্ষমতা ছিল অসাধারণ। কোন কিছু না বুঝেও সে অনার্গল মুখস্ত করে ফেলত-অনেকটা লোহা খেয়ে লোহা হজমের মত। অসম্ভব পরিশ্রমি ছিল সে। ভাল ফুট বল খেলত। তার হাতের লেখা ছিল অসাধারন। যে কোন সংগঠনিক কাজেও খুব গুছিয়ে করতে পারত। খুব স্টাইলীস্ট ছিল। আধুনিক যে কোন স্টাইলকে সে ফল করতে ভালবাসত। স্কুল জীবনের অনেক টা সময় দুজন এক সঙ্গে কাটিয়েছি-আজ স্মৃতি চারনার এই মুহুর্তে তার আগামী অগ্র যাত্রা, সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

চিটাগাং এর এক বড় ব্যবসায়ীর ছেলে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত


চিটাগাং এর এক বড় ব্যবসায়ীর ছেলে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত, ঢাকায় চিকিৎসাধীন, প্রতি তিন মাস পরপর বি+ রক্ত দেয়া লাগে। িএপ্রিল ২৯ এর রক্ত দান প্রোগ্রামের কারনে রোগীর স্বজন রা কলোনীতে যোগাযোগ করে। সে প্রেক্ষিতে ৯৭ এর ডিসেম্বরে আমার বন্ধু রানা সহ তিনজন রক্ত দিতে ঢাকা যায়। আবার মার্চে দেয়া লাগবে,রোগীর আত্মীয় স্বজন ব্যাপক সমাদর করে রক্ত দাতা দের। এবারের যাবো আমি ,দীপক দা আর মিজান ভাই। ৯৮ এর মার্চের ৮ বা ৯ তারিখে ঢাকায় রওনা দিবো সৌদিয়া এসি বাসে, টিকেট কাটা হয়ে গেছে এক দিন আগে আমার জ্বর শুরু। এ অবস্থায় আমার রক্ত দিতে ঢাকায় যাওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। আমার বদলে নেওয়া হলো কলোনীর বাইরের সম্ভবত দক্ষিন পতেংগার কাশেম নামে এক ব্যাক্তিকে,গার্জিযান হিসেবে গেলেন কবির ভাই (লম্বা কবির ভাই)।

সেদিনই বিকেলে জ্বর একটু কম, বাজারের সালাউদ্দিন ভাইদের দোকানে আড্ডা দিচ্ছি, একটি ফোন এলো, সাথে সেই ভয়াবহ সংবাদ, দীপক দা ,মিজান ভাই আর কাশেম নামের ওই ব্যাক্তি যে কিনা আমার বদলে গিয়েছিলো তিনজনই ফেনীতে বাস একসিডেন্টে আর নেই, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস প্রথম এই খবর টা পেলাম আমি, আর এ যাত্রায় কাশেমের পরিবর্তে আমার যাওয়ার কথা ছিলো, খবর টি শুনে আমার পিঠ দিয়ে মনে হলো চিকন একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। কোন মতে জেকসের শাহনুর ভাইকে খবর টি দিয়ে উদভ্রান্তের মত বাসায় গিয়ে শুয়ে ছিলাম। পুরা কলোনী তে খবর রটে যায় মূহূর্তেই। কলোনী থমথমে হয়ে যায়। রাতে দীপক দার লাশ আসে, পুরা কলোনী কান্নায় ভেংগে পড়ে, দীপক দাকে দাহ করার সময় কবির ভাইয়ের কান্ন্া মনে পড়লে এখনো চোখে পানি এস পড়ে। ওই চারজনের মধ্যে উনিই বেঁচে ছিলেন।

আশোক - The lord of the jungle (Buijjar Bagan)


তখন অনেক ছোট, বোধয় 4/5 এ পড়ি। শয়নে, স্বপনে টারজান ছিল আমাদের স্বপ্নের পুরুষ। মনে প্রানে টারজান কে আমরা মানতাম হিরো হিসেবে। সেই টারজানের কিছু ফ্লেভার পাইতাম আমারা আশোকের ভেতর। নারকেল গাছের ডাল দিয়ে দোল খাওয়া, দোতলার কার্নিশ থেকে প্রিকুলিয়ার আওয়াজ করে জাম্প দেয়া, তীর ধনুকের ব্যাবহার, সর্বোপরি ৬নাম্বার বিল্ডিং এর আযমের লগে ফাইটিং, সব মিলায় আশোক ছিল আমাদের সেই টারজান এর মূর্তিমান প্রতীক।

তবে চরম বদ হিসেবে ওর ছিল কলোনিতে খুব সুনাম। কারও কিছু হারানো গেলে বা নষ্ট হলে সন্দেহের তীরটা প্রতমেই যেত ওর দিকে। ওর চুরির অপারেশনে নিজ মুরগির খামার বা নারকেল গাছও বাদ যেত না।

একটা ই পেজ, একটা ই গ্রুপ, একটা ই ঠিকানা, "সিএসএম কলোনি"


একটা ই পেজ, একটা ই গ্রুপ, একটা ই ঠিকানা, "সিএসএম কলোনি"। এর কোন শাখা,প্রশাখা,বিশাখা নেই। এটি অন্য কোন প্রতিষ্ঠান তৈরির বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র নয়। সম্পূর্ন স্বতন্ত্র এবং একক একটি পেজ বা গ্রুপ। নামে নামে মিলে গেলেও কোন বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। এখানে কোন স্বজন প্রীতি বা স্বজন ভীতি নেই। এ পেজের সকল সদস্যই আমাদের স্বজন।
যারা এ পেজের মেম্বার নন তারা এ পেজ সম্পর্কে দয়া করে কোন জ্ঞান দিবেন না। এ পেজের সদস্যদের মতামতই গুরুত্বপুর্ন ও যথেষ্ট। আমাদের সমস্যা আমরাই সমাধান করতে পারি।
এটা শুধু নির্মল, নির্দোষ বিনোদন, সুখ দু:খ, আনন্দ বেদনা একে অপরেরর সাথে শেয়ার করা জায়গা। পাশাপাশি মানবিকতার গান গেয়ে চলি সবসময়।

গ্রান্ড আড্ডা ২০১৮


গ্রান্ড আড্ডা ২০১৮, সিএসএম কলোনি, ভেন্যু: কক্সবাজার।
-----------------------------------------------------------------------------------
এবারের এই আসরে সিএসএম ফার্স্ট জেনারেশন আসেনি, এত দূর জার্নি,, উনাদের এখন বয়স হয়ে গেছে, তাই এতো ধকল নিলেন না। আবার ইয়াং জেনারেশনের মধ্যে অনেকের ছুটি ছাটা ইত্যাদি ঝামেলায় আসতে পারে নাই, তবে বিশাল অংশই আছে।
যারা ফ্যামিলি নিয়ে আসছে এবং মেয়েরা হোটেল সায়মানে উঠেছে, যারা ব্যাচেলর বা ফ্যামিলি ছাড়া এসেছে তারা উঠেছে ওশেন প্যারাডাইস হোটেলে। এই নন ফ্যামিলি দলে আছে আতিক,রেজা ভাই, নাজমুল ভাই,নিরু ভাই আরো কলোনির কিছু জুনিয়রর ভাইয়েরা। আর হোটেল সায়মানে জিয়া ভাই,শাহিন ভাই,বন্যাপা সহ কলোনির আরো জুনিয়র সিনিয়র ছেলে মেয়েরা।
কিন্ত মজা হচ্ছে বেশি ওশেন প্যারাডাইজে, যেখানে সব ফ্যামিলি ছাড়া পোলাপান, নিরু ভাই গানের তালে তালে ব্রেক ড্যান্স দিচ্ছে। এখন আতিক নাচবে।
ওহ! ওহ! খাটের পাশের ওয়ালে পায়ে বাড়ি খাইছিরে। ধুর এতো সুন্দর স্বপ্ন আর ঘুম টা ভেংগে গেলো।

যেজন আছেন মাঝখানে


মধ্যবিত্ত শব্দ টা ছোটবেলা থেকে এত বেশি শুনতাম কিন্তু ভাবার্থ বুঝতাম না।এখনো যে খুব বুঝি তা না।তবে তাদের কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য খেয়াল করি,যেমন- তাদের জীবন হয় আটপৌরে, বৈচিত্র্য থাকে কম। মাঝে মাঝে এটা সেটা করে তারা জীবনে আনন্দ খোজার চেষ্টা করে। এরা পারেনা গরীব দের মত সরাসরি নিজের অবস্থা সবার সামনে তুলে ধরতে,আবার ধনীদের মত যা খুশি করতে। আপোষ করে চলতে হয়। ছেলেগুলোর থাকে দ্রুত নিজের পায়ের দাঁড়ানোর চেষ্টা আর মেয়েগুলো র থাকে বিয়ের পিড়িতে বসার চাপ।মেয়েগুলো কে লিখাপড়া শেখানো হয় ভাল পাত্রস্থ করার জন্য কিন্তু বলা হয় নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য পড়াশোনা করছে।এরা বড় বড় স্বপ্ন দেখতে জানে, কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারে খুব কম কিংবা বাস্তবায়ন এর জন্য অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়। হাসিমুখে নিজের কষ্ট টাকে চাপা দিতে হয়।এযেন নিজের সাথে নিজের লুকোচুরি খেলা।প্রতিদিন অনেক অচেনা মানুষের সাথে আন্তরিকতার অভিনয় করতে হয়, আবার আপন মানুষকে চিনেও না চেনার, দেখেও না দেখার ভান করতে হয়।

আসলে মধ্যবিত্ত দের দৈনন্দিন জীবনে থাকে এক ধরনের ভন্ডামির প্র‍্যাকটিস।

এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি?


টানটান উত্তেজনাকর মুহুর্ত। শিরা উপশিরা সব উত্তেজিত একদৃষ্টে তাকিয়ে আছি টেলিভিশনের দিকে। মাইটি ইগল এর ফাইটিং চলছে। হ্যা রেসলিং দেখছিলাম টেলিভিশনে। অনেক আগের কথা বলছি। কোন ক্লাসে পড়ি মনে নাই তবে বেশ ছোট ছিলাম। মিল মাস্কারাস, মাইটি ইগলরা তখন ফেমাস রেসলার। রেসলিং দেখার সেই উত্তেজনাকর মূহুর্তে আব্বার এক কলিগ এসেছিলেন আব্বার সাথে দেখা করতে। আব্বার কলিগ আব্বার জন্য অপেক্ষা করছিলেন আর রেসলিং দেখছিলেন। কিছুক্ষণ পর আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন "কাগু এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি"। এই কথা শুনে আমার মনে হয়েছিলো কাগুর সাথে আমি নিজেই রেসলিং খেলে দেখিয়ে দেই এগিন অভিনয় ন। প্রচণ্ড রাগ আর ক্ষোভ হজম করে চুপচাপ ছিলাম কোনো উত্তর দিতে পারিনি। এর অনেক বছর পর জানতে পেরেছি রেসলিং আসলেই অভিনয়।নিজের প্রতি বিরক্ত জন্ম নিলো আর নোয়াখালী অধিবাসী ওই কাগুর প্রতি শ্রদ্ধা জন্মালো। সত্যি ভেবে দিনের পর দিন চরম উত্তেজনা নিয়ে যে রেসলিং দেখেছি আমার সেই কাগু একদিন দেখিই সন্দেহ করেছিলো রেসলিং টা অভিনয়। সমাজের অনেক অসংগতি দেখে কাগুর সেই প্রশ্নটা আজো আমার মনে বাজে... "কাগু এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি?"

:::তু চিজ বা‌ড়ি হে মাস্ত মাস্ত:::


অামা‌দের ক‌লোনীর কিছু "‌চিজ" পাব‌লিক‌কে এই পেই‌জে খুব মিস কর‌ছি। তারা থাক‌লে পেইজটা অারও জমজমাট হ‌তো ।
১) মোকাদ্দাস কা সিকান্দার ("হা‌ন্ড্রেড টেন" ছিল তার জন‌প্রিয় অ‌নেক ডায়ল‌গের এক‌টি)
২)শীতল ভাই (জ‌সিম ভাই‌দের ব্যাচ, উনার কোন এক বন্ধু fun ক‌রে উনার লু‌ঙ্গি খু‌লে দি‌য়ে‌ছিল এবং পরক্ষ‌ণে অাবার বাধ্য হ‌য়েই সেই বন্ধু লু‌ঙ্গিটা শীতল ভাই‌কে প‌রি‌য়ে দি‌য়ে‌ছিল। grin emoticon ) 
৩) অালমগীর বিরানী ( সর্ম্প‌কে কিন্তু অামার চাচা হয়)
এমন অারও অ‌নেক পিকু‌লিয়ার পাব‌লিকের বসবাস অামা‌দের ক‌লোনী‌তে ছিল যা‌দের নাম অামার ম‌নে অাস‌ছে না।
দয়া ক‌রে অাপনারা এই টাই‌পের কিছু লো‌কের নাম পোস্ট ক‌রে সবাই‌কে ম‌নে ক‌রি‌য়ে দিন।