বার্ষিক পরিক্ষার রেজাল্টের পর যখন নতুন ক্লাসে ঢুকলাম। দেখি আমাদের চিরাচরিত পিছনের সারির বেঞ্চে(গুনধরদের স্থায়ী আসন)নতুন মুখের পুরাতন বাসিন্দা। আমাদের নতুন ক্লাসের নাম ৭ম শ্রেণী। পূর্বের বছরের অভিজ্ঞতা সস্পূর্ন যে বন্ধুকে আমরা পেলাম, তার এক মাথা কাচা পাকা চুলের জজ্ঞাল। গায়েগতরে আমাদের চেয়ে বেশ ভোলা-ভালি। চেহারায় রাজ্যের লজ্জা- শরম নিয়ে মাথা নিচু করে বসে আছে। কয়েক দিনের মধ্যে আমাদের ভীষণ রকম বন্ধুত্ব হয়ে গেল। কিন্তু সমস্যা হলো পিছনের বেঞ্চের গুনধর ছাত্ররা বিদ্যা অর্জন ছাড়া যেমন বিচিত্র সব গুনের(!!) অধিকারী হয়। তার তেমন কোন গুনই ছিল না। তবে হা, তার একটা বিশেষ গুন ছিল। তা হলো, সে মহা-ধর্য্য সহকারে নির্বিকার স্যারদের প্যাদানি খেতে পারতো। একদিন এক স্যার তাকে আচ্ছা মত মেরে-টেরে বিরক্ত গলায় বললো----“আস্তো একটা পাঠা । তোকে মারাটা পন্ডশ্রম ছাড়া কিছু-ই না”। আমরা তার সমব্যাথি। তাকে বলি স্যাররা মারতে এলে একটু লাফা-লাফি আও-কাউ করলেই তো স্যাররা থেমে যায়। জবাবে সে তার মার খাওয়া জাগায় মালিশ ছাড়া কিছুই বলতো না।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Monday, September 7, 2015
বেসামাল লুংঙ্গি গ্রুপে"র পক্ষথেকে আবারও শুভেচ্ছা
অনেক দিন আগে আমার টাইম লাইনে ছবিটা দিয়ে ছিলাম। কলোনীর সবার জন্য আমাদের "বেসামাল লুংঙ্গি গ্রুপে"র পক্ষথেকে আবারও শুভেচ্ছা।
আমরা লুঙ্গিপড়া ৬হিরো....ডান দিক থেকে আমি-মোজম্মেল-রতন-জামিল-ফারুক(বাবু)-তারপরের জনের নাম মনে করতে পারছিনা। কোন এক সন্ধায় চট্টগ্রাম ষ্টিল মিলের মেইন অফিসের সামনে। যে কালো বারটার উপর আমরা হেলান দিয়ে দাঁড়ানো সেটা ১৯৬৭ সালে ষ্টিল মিলের প্রথম তৈরী ষ্টিলের in got সবই তো বেচা হয়ে গেছে জানি না ঐ ঐতিহাসিক ধতব পিন্ডটা কোথায় আছে.......হৃদয় .ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়া ষ্টিল মিলের মানুষেরা কেউ কি জানেন ওটার হদিস...........

বিউটি আপার ক্লাস...
আমরা তখন পড়ি সপ্তম বা অষ্টম শ্রেণীতে,
বিউটি আপা স্কুলে নতুন যোগদান করেছেন,
পড়াতেন সামাজিক বিজ্ঞান। পড়া দেয়া এবং নেয়ার ব্যাপারে আপা খুব কড়া। পড়া না পারলে কোনও মাফ নেই,
রীতিমত নিয়ম করে পড়া না পারার কারণে ধোলাই চলছে।
টিফিনের পর ক্লাস করা এমনিতেই বিরক্তিকর ছিল। বিউটি আপার ক্লাস ছিল টিফিনের পর প্রথম ঘণ্টায়। কোন এক কারণে আমাদের ক্লাস ক্যাপ্টেন খোরশেদও একদিন ধোলাই খেলো
(পড়া না পারার কারণে নয়)। ধোলাই খেয়ে বেচারা বেশ ক্ষেপে গেল। নিয়মিত ধোলাই খাওয়ারা তো আগে থেকেই ক্ষেপা। তো একদিন নিয়মিত ধোলাই খাওয়ারা ঠিক করলো যে ক্লাস পণ্ড করা হবে। খোরশেদ ব্যাপার টাতে পূর্ণ সমর্থন দিল । কথামত টিফিনের সময়, রানা এবং আরও দুই একজন মিলে গন্ধ ভাদালি পাতা
(পাদানি পাতা)
এনে বোর্ডের আশপাশে আর স্যারদের চেয়ারের এবং টেবিলের তলায় ভাল করে ঘষে রাখল।
Sunday, September 6, 2015
“ কলোনী ও কান্না “
সবসময় মজা মাস্তির কথা শেয়ার করি, কারন কষ্টের স্মৃতি অনেক কষ্ট দেয়, ভালো লাগে না সেইসব স্মৃতি মনে করতে। কারন কোনদিন কলোনি ছেড়েছি সেই তারিখটা নির্দিষ্ট করে বলতে পারবো না, তবে আমার মনে হয় ১৫ বছরের বেশি হবে। বিভিন্ন সময় অনেকে চলে যেতো সেটা ভিন্ন কথা, কিন্তু কলোনি থেকে যখন সবাই একসাথে এক এক করে বের হয়ে যাচ্ছিল সেই দৃশ্য কখনো ভুলা সম্ভব না, কারন সেই সময়টা সবার জন্য ছিলো দুঃস্বপ্নের মত। প্রতিদিন গেট দিয়ে ট্রাক ঢুকতো আর এক একটা বিল্ডিং এর সামনে এসে দাঁড়াত, ট্রাক ঢুকলেই বুঝতাম আজকে যে কোন একজন কলোনি থেকে বিদায় নিচ্ছেন।

“ পোস্টার থেরাপি “
স্টিল মিলস তখন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে,
৪০% বিল্ডিং খালি,
বেশিরভাগ মানুষ বের হয়ে গেছে,
আমরাও তখন কলনি থেকে বের হয়ে গেছি,
বলতে গেলে বাসাটাই শুধু বাহিরে ছিলো কিন্তু সব কিছু কলোনিতেই হতো। অবসরের ৯০%
সময়ই কাটতো কলোনিতে। সব কিছুই স্বাভাবিক ভাবেই চলছে,
সেই আতিক কাকার প্যাড়া,
খেলাধুলা, আড্ডাবাজী, ডাব অপারেশন সব কিছুই স্বাভাবিক।
এই সময় নতুন ২ আঙ্কেল এর আবির্ভাব। উফ………
তাদের খবরদারীতে আমাদের কলোনিজীবন তেজপাতা হবার উপক্রম। যেখানে আতিক কাকার থিওরি অনুযায়ী যদি ভদ্র হয়ে থাকতাম,
আতিক কাকার প্যাড়া এড়িয়ে চলা যেতো,
সেখানে এই ২ জনের আলগা খবরদারীর যন্ত্রণায় আমাদের মাথাতো ফরটি-নাইন হয়ে থাকতো।
ইনশাল্লাহ আমরা সফল হবো
গত শুক্রবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত CSM Colony ‘র আড্ডাতে, আমাদের বন্ধু, ছোট ভাই Ahsanul Tarique -এর চিকিৎসার ব্যাপারে সর্বসম্মত ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা ইতিমধ্যে আমরা সবাই জেনেছি। সুতরাং সবার কাছে বিনীত ভাবে অনুরোধ, ব্যাপার টি নিয়ে অযথা কোন তর্ক বিতর্ক না করে আপনারা যার যার অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসুন।
এ টি কোন ব্যাক্তি বিশেষের উদ্যোগ নয়, এ টি সমগ্র CSM Colony ‘র উদ্যোগ, আমাদের প্রাণপ্রিয় CSM Colony ‘র প্রতি ভালোবাসা থেকে, আবেগ থেকে আসুন আমরা এক সাথে এই মহতী কাজে সামিল হই।
ইনশাল্লাহ আমরা সফল হবো।
Saturday, September 5, 2015
বিব্রত.......
মাঝেমাঝে পেপারে দেখি অমুক বিচারক বিচার পরিচালনায় বিব্রত বোধ করেছেন। তখন ভাবি বিচারক রা কিভাবে বিব্রত হোন।আমরা সাধারণ মানুষ বিব্রত হলে চেহারায় একটা কাচুমাচু ভাব থাকে, বিচারক দের ও কি তেমন হয়। থাক বাদ দেই এসব, বিচারক নিয়ে কথা না বলাই ভালো, কখন আবার আদালত অবমাননা কেসে পরি ঠি ক নাই, বরং নিজের কথা বলি।
নাইনে পড়ি, রোমিও রোগ ধরে ফেলেছে, উড়ু উড়ু ভাব,একদিন স্কুলে যাবার সময় আমাদের MD Younus খুব খাতির করে একটা পান খেতে দিলো, খাওয়ার দশ মিনিট পরে স্কুলের স্টেজের সামনে বমি করা শুরু করলাম (হারামজাদা পানে জরদা দিছিলো)ঠিক তখনি মেয়েদের শিফটের টিফিন ব্রেক শুরু (মেয়েদের ক্লাস তখন নিচ তলায় হোত) আমার এ অবস্থায় সবাই আতংকি, একজন বিব্রত আর আমি চিন্তিত এটা ভেবে যে আমি কি জীবিত না মৃত আর ওদিকে ইউনুস হারামজাদা উল্লসিত (আচ্ছা Moin Khan টলি ভাই ইউনুসের বিরুদ্ধে কি এ ব্যাপারে এটেম্পট টু মার্ডার কেস করা যাবে?)
বড় মাঠে ফুটবল ম্যাচ, আমি গোলকিপার, দুর্দান্ত কয়েকটি গোল সেভ করলাম, না আর পারলাম না, উহু আমি গোল সেভের কথা বলছিনা, বলছি আমার প্যান্ট রক্ষা করতে পারিনি, একটি গোল সেভ করতে গিয়ে জায়গা বরাবর প্যান্ট চিচিংফাঁক , ভাগ্য ভালো ভিতরে সেকেন্ড পারট ছিলো, এবং জার্সি লম্বা ছিলো। না হলে বিব্রতভাব চলতেই থাকতো, যে কারনেই হোক শেষ পয্য'ন্ত ৫ গোল খেয়েছিলাম, এবারে আমি বলতে গিয়ে আসলেই বিব্রত বোধ করছি, কারন আমার টিমের প্রধান বা মালিক ছিলো সুদি কাশেমের পোলা কোরবান আলি।
দু দিন জরে ভুগে খুব দুর্বল হয়ে গেছি, বিকালে আস্তে আস্তে হেটে সি টাইপ মাঠে যাচ্ছি খেলা দেখার জন্য, দেখি জুলিয়েট সখি পরিবেষ্টিত হয়ে মাঠের পাশে হেটে বেরাচ্ছে, আমি ড্রেন পার হয়ে মাঠে যাওয়ার পথে ধুপ শব্দ, মানে আমি ড্রেনে নিপাতিত, কারে বুঝাই যে আমি জুলিয়েট দেখে দুর্বলতায় নয়, জরের দুর্বলতা র কারনে ড্রেনে পড়েছি। ওদিকে সখি গন আমার পতনে পুলকিত, নাইকা (টলি ভাইয়ের দেয়া উপাধি) বিব্রত, মাঠের পোলাপাইন খেলা বন্ধ করে খুবি বিনোদিত, আর আমি তখনো ড্রেনে চুবিতো মানে ড্রেনে চু বা খাচ্ছি।
রোমান্স এখন আউট ডোরে চলছে, মানে কলোনির বাইরে খুব মাঞ্জা মেরে সবচেয়ে ভাল শার্ট প্যান্ট পড়েছি, কিন্তু কাউ য়ার সহ্য হলোনা, আমার উপর কাউয়ার বজ্য' নিক্ষেপ। আজো আমার মাঝে প্রশ্ন জাগে সেদিন কে সবচেয়ে বিব্রত হয়েছিলো, আমি নাকি ওই কাউয়া।
রোমান্স এবার ইনডোর এ, সিড়ি তে অগভীর ---- আমি আবারো বলছি "অগভীর "রোমান্স চলছে, আহ কি পবিত্র রোমান্স, ক্ষানিক বাদেই হাতেনাতে নাইকার মাতা কতৃক কট এন্ড বোল্ড, বিব্রত আমার পবিত্র রোমান্স।
রোমান্স এবার টেলিফোনে, Riman Babu র বাসা থেকে প্রতিদিন সকাল দশটায় নাইকার কাছে ফোন করি, নাইকার বাসায় ফোন না থাকায় তার বান্ধবী র বাসায় মেয়েলি কন্ঠে ফোন করে নাইকা কে এনে দেয় বন্ধু রিমান,এমনি একদিন জটিল টেলি রোমান্স চলছে, কঠিন সব রোমান্টিক ডায়ালগ সাপ্লাই দিচ্ছি, হটাত অপর প্রান্ত থেকে মহিলা গলার আওয়াজ "এ্যারে তুমি কে" অর্থাৎ নাইকার বান্ধবী র মা এর হাতে ধরা। সেদিন বোধ হয় সবচেয়ে বিব্রত হয়েছিলো রিমান দের বাসার টেলিফোন সেট টি।
যাক আমার আজকের এ লেখায় কেউ বিব্রত হয়ে থাকলে সত্যিই আমি আজ বিব্রত বোধ করব।
তবে সত্যিকার বিব্রত হয়েছিলাম আমরা আমরা সাধারণ কলোনি বাসি ও সাধারণ চাকুরী জীবী রা সেদিন, যেদিন কিছু লুটেরাদের কারনে আমাদের স্টিল মিল বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।কারন ওই দিন আমাদের কস্ট পাওয়ার, দু:খ বোধ করার বোধ টি ও নস্ট হয়ে গিয়েছিলো, বিব্রত বোধ করা ছাড়া আর কোন পথ ছিলোনা আমাদের।।
with. Chand Sultana
হারানো স্বর্গ
প্রাচীন গ্রিক পৌরাণিক কাহিনীতে আটলান্টিস নামে একটি নগর ছিল। বলা হয়ে থাকে নগরটি সমৃদ্ধিতে, সুখে আর স্বাচ্ছন্দে অতুলনীয় ছিল। এও বলা হয় যে আটলান্টিস ছিল স্বর্গের মত। পরে কোন একসময় আটলান্টিস পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে হারিয়ে যায়। গ্রিক পৌরাণিকে আটলান্টিসকে হারানো স্বর্গ বলা হয়েছে।
আজ সারাদিন বসে পেজের লেখাগুলো পড়লাম। কত স্মৃতি আর কত কাহিনি। কলোনির বিখ্যাত স্পটগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠছিল লেখা পড়তে পড়তে। খালপাড়, গার্ড ব্যারাক, বুইজ্জার বাগান, টাঙ্কির তলা, বড়মাঠ, স্কুলের স্টেজ, জেকস, ইউনুস ভাইয়ের দোকান আর স্কুলের পিছনের সেই দরজাহীন বারান্দাটা (আমরা বলতাম ভুতের বারান্দা), আরো কত গুপ্ত আস্তানা। আমরা সুখে ছিলাম। নির্দ্বিধায় বলতে পারি আটলান্টিসের চেয়ে স্টিলমিল কলোনিতে সুখ বেশি ছিল। আটলান্টিসের মত আমাদের কলোনিও চিরতরে হারিয়ে গেছে। হারানো স্বর্গ যদি বলতেই হয় আমাদের কলোনিকেই বলতে হবে। ইতিহাসের লস্ট প্যারাডাইস আটলান্টিস নয়, স্টিলমিল কলোনি।
(আমি কলোনির পরিচিত মুখ নই। কলোনির অনেকেই আমাকে চিনবে না। এতদিন পর হয়ত কেউই আর চিনবে না। মানুষের মুখ ভুলে যাবার জন্য ১৫ বছর অনেক লম্বা সময়।)
Friday, September 4, 2015
সি এস এম কলোনী গ্রুপ এর প্রথম আড্ডা
- Anisur Rahman Reza
আজ বিকাল ৫টায় আমরা সবাই নিরু এবং জসিম এর অফিসে মিলিত হই।এইটাই ছিল আমাদের সি এস এম কলোনী গ্রুপ এর প্রথম আড্ডা ।আজকের আড্ডাটি ছিলো একান্তই আমাদের বন্ধু আহসানুল হক তারিক কে নিয়ে।এখানে আমরা যারা , সি এস এম কলোনীর হয়ে উপস্থিত ছিলাম একটি বিষয় সবাই একমত তারিক এর জন্য কিছু একটা করতে হবে।সবার মত অনুযায়ী তারিক এর জন্য আগামী ০৬/০৯/২০১৫ তারিখে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হবে।তারিক এর জন্য আমরা ৯ সদস্যের একটি মনিটরিং গ্রুপ করেছি। নিন্মে তাহাদের নাম দেয়া হইলো ঃ
আজ বিকাল ৫টায় আমরা সবাই নিরু এবং জসিম এর অফিসে মিলিত হই।এইটাই ছিল আমাদের সি এস এম কলোনী গ্রুপ এর প্রথম আড্ডা ।আজকের আড্ডাটি ছিলো একান্তই আমাদের বন্ধু আহসানুল হক তারিক কে নিয়ে।এখানে আমরা যারা , সি এস এম কলোনীর হয়ে উপস্থিত ছিলাম একটি বিষয় সবাই একমত তারিক এর জন্য কিছু একটা করতে হবে।সবার মত অনুযায়ী তারিক এর জন্য আগামী ০৬/০৯/২০১৫ তারিখে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হবে।তারিক এর জন্য আমরা ৯ সদস্যের একটি মনিটরিং গ্রুপ করেছি। নিন্মে তাহাদের নাম দেয়া হইলো ঃ
কি জানি মিস করে ফেললাম
এই গ্রুপে একটু পর পর ঢু না মারলে মনে হয় কি জানি মিস করে ফেললাম। বড় ভাই/আপা/ ছোট ভাইদের অসাধারন এক আড্ডার জায়গা এই গ্রুপ। Morshed Neeaj (জনি) কে কত পিচ্চি দেখেছি এখন সে বড় বড় মামলা সামলাচ্ছে। Kal Purush (মানিক) কেও দেখলাম। এই ব্যাচের গিয়াস উদ্দিন ( বাকি নাম গুলো মনে পরছে না) এর খবর কি ? Mahmudur Rashid Pulak ভাইয়ার সাথে কখনো সেভাবে কথা হয়নি তারপরেও আত্বার একটা টান ছিল বলেই এইখানে এক সাথে আড্ডা হচ্ছে। মুরাদ ভাই কে দেখা যাচ্ছে না frown emoticon শুভ ভাই ( ৯৬ ব্যাচ) কিংবা টিপু ভাই (৯৫ ব্যাচ) কে দেখতে পেলে অনেক ভালো লাগতো। Sony Khanআপা আপনি গল্প না লিখে যে আমাদের ঠকাচ্ছেন এই টা কি বুঝতে পারছেন ? Mohammed Kamar Uddin ভাই কি নিরবতা পালন করেই যাবেন? আমাদের Anisur Rahman ভাই টিকেট না কেটে ট্রেনে ঊঠে একটু বেকায়দায় আছে উনি ফিরলেই ব্যবস্থা নিবো । কাউ রে ছাড়া হবে না ।
Thursday, September 3, 2015
ঢং.....ঢং......ঢং...টং......টং......এবং .......টং
এতদ্বারা কলোনীর সকল ছেলে-মেয়েদের জানানো যাাতেছে যে, যাহারা কলোনীতে খেয়ে পড়ে থেকে ( ভেতরে ভেতরে ই-য়ে করে) বাহিরের লোক জন বিবাহ করিযা নানা জায়গায় ছবিসহ এ্যাড: দিযা বাহাদুরি দেখাইতেছেন,তাহাদের বিরুদ্ধে অচিরেই শ্পেসাল ট্রাইবুনাল গঠন করিয়া বিচারের ব্যবস্থা করা হইতেছে। ক্ষতিগ্রস্থ (যাহারা ই-য়ে করে উপেক্ষিত হয়েছেন) সকল পক্ষকে সাক্ষি প্রমানসহ (চিঠি-ছবি থাকলে ভাল হয়) প্রস্তুত থাকার জন্য অনুরোধ করা হইল। সেই সাথে পক্ষগনকে মন্তব্যের ঘরে ফরিয়াদী শব্দটি লিখে নাম লেখানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হইল...............ঢং.....ঢং......ঢং...টং......টং......এবং .......টং
পবিত্র ইচ্ছা পূরণ (......)
ঘটনাটি খুব সম্ভবত ১৯৯৮ সালের। রাত ১০ টার পর ৩ নাম্বার (F Type) বিল্ডিং এর পাশের রাস্তা দিয়ে আমি, কল্লোল, মানিক, ফুয়াদ, শাহিদ হাঁটতেছিলাম। উদ্দেশ্য প্রতিদিনের মত কল্লোল, মানিক এবং শাহিদ এর পবিত্র ইচ্ছা পূরণ। যথারিতি প্রতিদিনের মত তাদের পবিত্র ইচ্ছা পূরণ (......) চলিতেছে ...।।
হটাত আগুন্তুপ এর মত কোত্থেকে মানিক এর আব্বা (ইলিয়াস মিয়া আঙ্কেল) এসে হাজির। আমরা সবাই কল্লোল, মানিক এবং শাহিদ এর ইচ্ছা পূরণ নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত ছিলাম যে মানিক এর আব্বা কখন আসছে আমরা একটুও টের পাইনি। উনি অনেকক্ষণ আমাদেরকে খেয়াল করছিলো যে আমরা কি করি। যখন বুস্তে পারল এইখানে পবিত্র ইচ্ছা পূরণ (......) চলিতেছে তখন ই টর্নেডো এর গতিতে আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ল। আমি, কল্লোল এবং ফুয়াদ কোন রকম এ দৌড়ে পালিয়ে বাঁচলাম কিন্তু বেচারা মানিক এবং শাহিদ আঙ্কেল এর কাছে ধরা খেয়ে গেল। এরপর কি ঝারি টাই না খাইল ওরা ২ জন।
[sHujOn, 99 Batch]
“ ওষুধের নাম, কোকাকোলা !!! “
এইটা একটা বদঅভ্যাস হয়ে গিয়েছিলো,
( এইটাকে আমাদের কলোনির একটা জাতীয় শখও বলা যায়,
সবারই প্রিয় শখ ছিলো এইটা
) কয়েকজন একসাথে হলেই ডাব খাওয়ার ভুত চাপতো,
একজন না একজনের কাছ থেকে ডাব খাওয়ার কথা আসতোই। অভ্যাসমত একরাতে আমি,
রবিন, ছামির, হিমেল,রিপু, বেলাল (টারজান ) আরো কয়েকজন দল বেধে গেলাম বুইজ্জার বাগানে
( খালপাড়ের কাছে
) যেকোন একটা গাছে ডাব অপারেশনে। গাছ সিলেক্ট হলো,
এখন অপারেশনের পালা,
আজকে আমাকেই উঠতে হবে
!!
কারন প্রতিদিন কেউ না কেউ উঠে কিন্তু আমি উঠি না,
তার উপরে গাছ একটু বড় বলা যায়,
নিচে থেকে কেই একজন ডাবগুলো ধরতে হবে
!!! সাহসী বেলাল বলল,
“ ধুর আমি ধরবো,
এইটা কোন ব্যাপার না,
আরো বড় গাছ থেকেও অনেক ডাব আরামচে ধরে ফেলছি
!!” আমি বললাম আরেকটু ছোট গাছ থেকে খেলেওতো হয়,
উঠাটাতো সমস্যা না কিন্তু ধরাটাতো একটা ব্যাপার,
না... কে
শুনে কার কথা
!! এই গাছেই আজকের আপারেশন হবে।
“২৯শে এপ্রিল ১৯৯১”
কলোনির কাউকে মনে হয় ওইদিনের অবস্থার বিবরন দিতে হবে না,
কারন সবাই জানেন সারাদিন রাত আবহাওয়ার কি অবস্থা ছিল,
কিন্তু আমার কাছে ওই দিনের একটা ঘটনা আলাদা করে মনে থাকবে সারাজীবন। ওই ঘটনা মনে হলে এখনো অবাক হই।
আমার দেখা আজ
পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা,
আমাদের বাসা তখন ছিল
F/2 নিচতলা। সিগন্যাল বাড়তে বাড়তে ১০ নাম্বার বিপদ সংকেত হয়ে গেলো,
সন্ধ্যার পর বাতাস শুরু হল,
আস্তে আস্তে বাড়তে লাগলো,
রাত ১২ টার পরে প্রচন্ড ঝড় তুফান,
আমরা বাসায় মোম জালিয়ে বসে আছি আর বাতাসের তাণ্ডব দেখছি। বিল্ডিং এর আঙ্কেলরা মাঝে মধ্যে একবাসা থেকে আরেক বাসায় যাচ্ছেন,
তারা নিজেরাও বোধহয় বুঝতে পারছিলেননা আসলে কি করা দরকার। মুখে সবাই বলছেন
“ আরে কিছু হবে না,
১০ নাম্বার সিগন্যাল তাই ঝড় হচ্ছে”
কিন্তু সবাই আতঙ্কে আছেন।
" হোম অফ মার্বেল "
এখানে কেউ কি
আছে কলোনিতে থাকা অবস্থায় মার্বেল খেলে নাই
!!!
কলোনির সব জায়গাতেই মার্বেল খেলা হত,
তবে কলোনির
“ হোম অফ মার্বেল
“ যদি বলা হয় সেটা ছিলো
“ বুইজ্জার বাগান (মাঠ) খাল পাড়
“ অনেক আইটেমের মার্বেল খেলা ছিলো,
এর মধ্যে খুবই জনপ্রিয় ছিলো
“বাত” ।
তখন অনেক বড়ভাইরা ছিলো এই বাত খেলার তুখড় খেলোয়াড়,
অনেকে টিনের কোউটা করে মার্বেল নিয়ে আসতো,
৫০, ৭০, ১০০ মাঝেমধ্যে জনপ্রতি ১৫০,
২০০ টা করে দিয়ে বাত খেলতো,
যখন এতগুলো মার্বেল একসাথে মাটিতে গড়িয়ে মারতো,
সে এক দেখার মত দৃশ্য হতো
!!! আমরা নিজেরাও মার্বেল খেলা নিয়ে ব্যাস্ত থাকতাম,
এর মধ্যে যখন বড়ড়া প্রচুর পরিমানে মার্বেল দিয়ে এই স্পেশাল
“বাত” খেলতো তখন পাশে দাঁড়িয়ে তাদের খেলা দেখতাম,
মার্বেলগুলোর দিকে তাকিয়ে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকতাম আর ভাবতাম,
…………
“ ভাইয়েরা কত বড়লোক !! কত্ত মার্বেল তাদের কাছে
!! শালা…… আমার কাছে যদি এত টাকা থাকতো তাহলে মার্বেল কিননা ভরাইয়া ফালাইতাম
“
Wednesday, September 2, 2015
অনেক বড় ভাই ID হিসাবে আসল নাম ব্যবহার করাতে চিন্তে আসুবিধা হচ্ছে
অনেক বড় ভাই ID হিসাবে আসল নাম ব্যবহার করাতে চিন্তে আসুবিধা হচ্ছে। অথচ উনারা আমাদের কত স্নেহ করতেন। উনাদের সামনে কত দুষ্টামি করছি। তারিখ ঠিকই বলছে, আমি ষে দুষ্ট ছিলাম এখনকার ছেলেপিলেরা তা কল্পনা করতে পারবেনা। কিন্তু কখনও বড় ভাইদের বকা পর্যন্ত খাইনি। রলি ভাই নিজে frnd রিকোয়েষ্ট পাঠাইছেন। হয়ত মিউচুয়েল দেখে চিনতে পারছেন। অথচ কলোনিতে থাকতে সোহাগের বড় ভাই হিসাবেই জানতাম খালি। কখনও কথা হতনা। আমার বড় বোন শরীফা আপা আর ভাই শহীদুলকে উনি ভাল করেই চিনেন।সনি আপার নামটা মনে আছে। তবে খান দেখে একটু confusion এ পরছিলাম। মিঠু ভাইকে আমি রিকু পাঠাইছিলাম। উনাকে চিন্তে সমস্যা হয়নি । আমিন গ্রূপতো!
কথা গুলো বললাম Anisur Rahman-Reza bhai
Moin khan- Toly bhai
Mohammad Nazrul-Tinku bhai
উনাদেরকে আমি চিন্তে পারছিনা, নাকি উনারা আমাকে চিন্তে পারছেনা? জানতে মনচায়
মন খারাপ করার কিছুই নেই
আজকে মনে হচ্ছে আমাদের গ্রুপের পরিবেশ টা একটু ভারী বা গম্ভীর হয়ে আছে, আসলে টলি ভাইএর কবিতা কিংবা রেজা ভাইএর পোষ্ট আমাদের একটু বিষন্ন করে তুলেছে । মন খারাপ করার কিছুই নেই, আমার তো মনে হচ্ছে আমাদের মধ্যে ভালবাসা বা সৌহার্দ আগের চেয়ে আরো বেড়েছে, যে রেজা ভাইয়ের সাথে কোলোনি তে সারাদিন ও একটা কথা হোত কিনা সন্দেহ আছে, সেই Anisur Rahman রেজা ভাই আমার এখন অনেক কাছের, টলি ভাইএর সাথে আমার কলোনি তে কোনদিন কথা হয় নি সে টলি ভাইকে মনে হচ্ছে কত পরিচিত , Sony Khan আপার সাথে আমার কোন পরিচয় ছিলোনা, তিনিও এখন আমার আপনজন, এমন অনেক উদাহরণ আছে, সো আমাদের বিষন্নতার কিছু নেই, হতাশ হওয়ার ও কিছু নেই, আমরা আবারও জেগে উঠবো, Moin Khan টলি ভাই আপনাকে কে বলেছে স্টিল মিল কলোনি নেই, সব ই আছে, আমাদের সবার মনের মাঝে। সবাই চলে আসুন ট্যাংকির নিচে, কিংবা পুকুর পাড়, বড় মাঠ, আমরা সি টাইপ মাঠেও বসতে পারি, আতিক কাক্কুর সাথে কথা হয়েছে,উনি আর আমাদের কিছু বলবেননা, ঠিক না Taskin Ashiq,
তাড়াতাড়ি চলে আসুন আজ জম্পেস আড্ডা হবে, দেখি কে কারে কত পচাইতে পারে , Riman Babu মামা রেডি হও।
“আমাকে ভেতরে যেতে দিন”
- Moin Khan
“আমাকে ভেতরে যেতে দিন”
(উৎসর্গ:-চট্টগ্রাম ষ্টীল মিলের সব মেহানতি মানুষকে)
-----------------------মঈন খান।
আপনি আমাকে চিনবেন না।
এখানে একটা সময়------
একদল মেহানতি মানুষ ছিল।
যারা প্রতিদিন মৃত্যুকে সাথে নিয়ে
আগুন আর ইস্পাতের সাথে করতো
জীবনের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই।
বাবুই পাখির মত ছিল তাদের বাসাগুলো।
স্বপ্নমুখর একঝাক ছেলে মেয়ে ছিল তাদের
ওদের কোলাহলে জীবন্ত ছিল সব।
আমি সেই বাসা ভেঙ্গে দেয়া পাখিদের
দল ছুট একজন।
“আমাকে ভেতরে যেতে দিন”
(উৎসর্গ:-চট্টগ্রাম ষ্টীল মিলের সব মেহানতি মানুষকে)
-----------------------মঈন খান।
আপনি আমাকে চিনবেন না।
এখানে একটা সময়------
একদল মেহানতি মানুষ ছিল।
যারা প্রতিদিন মৃত্যুকে সাথে নিয়ে
আগুন আর ইস্পাতের সাথে করতো
জীবনের হাড্ডা হাড্ডি লড়াই।
বাবুই পাখির মত ছিল তাদের বাসাগুলো।
স্বপ্নমুখর একঝাক ছেলে মেয়ে ছিল তাদের
ওদের কোলাহলে জীবন্ত ছিল সব।
আমি সেই বাসা ভেঙ্গে দেয়া পাখিদের
দল ছুট একজন।
" CSM-GD-1 & 2 "
ফান্ড সল্পতা ও উন্নত প্রযুক্তি না থাকার কারনে CSM-GD-1 প্রকাশ এর পর অনেকেই তিক্ত ভাষায় বকাবকি করেছেন, Atiq Csm, Reajul Islam Shahin, Jashim Uddin ভাইতো USA যাবার পরিকল্পনা করছিলেন। যাই হোক বারাক আঙ্কেল *( আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ) আপনাদের চোখের কথা বিবেচনা করে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে " CSM-GD-1 & 2 " এক সাথে প্রকাশ করা হলও।

আহাসানুল তারিক
আহাসানুল তারিক টা কে চিনতে পারছি না। মজার-মজার কমেন্ট করে। সেই কবে CSM COLONY ছেরে চলে এসেছি । নিরু কে কল দিলাম। তারিক কে রে? তালুকদার চাচার ছেলে , চিনতে পারলি? নিরু চিনাতে চেষ্টা করলো । কিছুটা হলেও চিনতে পারলাম। কাকলি আর সরভির ভাই।
সন্ধায় তারিক আমাকে মোবাইল এ কল দিল। নিরু আমার নাম্বারটা দিয়ে ছিল । অনেক কথা হল তারিক এর সাথে । শুনলাম চাচা ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন । জমি-জমা বিক্রি করতে হয়েছে , অনেক অনেক টাকা চাচার জন্য খরচ হয়েছে । আরও বড় খারাপ খবর আমার জন্য অপেক্ষা করছিলো , যখন জানতে পারলাম তারিক paralysis রোগে আক্রান্ত ।
ইমোশনাল হইয়েন না, এর পরিনাম সুবিধার না
সবাই আজকে শুধু ইমোশনাল স্টাটাস দিতেছে কেরে,
ইমোশনাল হইয়েন না,
এর পরিনাম সুবিধার না
, উদারারন
..................
কলোনির ....Sxyz...... আঙ্কেল ( আমি জানি সবাই তাকে চিনেন,
তাই নাম নিলাম না,
আশা করি আপনারও নিবেন না
) যে কারনেই হোক প্রায় সময় ইমোশনাল হয়ে রাস্তার মধ্যে এলোমেলো ভাবে হাটতেন
!! অনেক সময় চিল্লা চিল্লিও করতেন
!!! ঠিক এভাবে একদিন আঙ্কেল চরম ইমোশনাল হয়ে গেছেন,
এলোমেলো ভাবে হাটতেছেন,
তার নিজের দুই পা কোথায় পড়তেছে তিনি নিজেও বোধহয় বুজতেছেন না
!!! এইভাবে হাটতে হাটতে হটাথ তিনি ড্রেনে পড়ে গেলেন,
সে এক করুন অবস্থা,
ড্রেনে পড়ে গিয়ে আঙ্কেল আরো ইমোশনাল হয়ে গেলেন আর বলতে লাগলেন,..................
" অডা, চো .....নির ( সেন্সরড ) ড্রেন ইবা রাস্তার মিডলত ক্যানে চলি আইস্যে
!!! "
Subscribe to:
Posts (Atom)
