Friday, December 4, 2015

টি শার্ট

 -       -  Iftee Nomi 

বছর পাঁচ কি ছয় আগের কথা আমার স্কুলের কম্বাইন্ড রিইউনিয়ন এর কথা শুনতে পেলাম আমারে ষ্টিল মিল স্কুল/ কলোনি একবার ডাকলেই হলো কোথায় কি আছে দেখার সময় নেই , একদম উসাইন বোল্টের মতো করে দৌড় শুরু করি তারুপর আবার জাহাঙ্গির/রায়হান/ কাইজ্জা যাবে আমারে আর পায় কে ? প্রতিদিন আমরা প্ল্যান করি , সময় যেন কাটছেই না চিটাগং এর আলো বাতাস এর স্পর্শ পাবো সব বড় ভাই বোন দের সাথে দেখা হবে উফ ভাবতেই কেমন জানো লাগছে ভাবতে ভাবতে এক সময় আমাদের রিইউনিয়নের সময় হয়ে গেলো , রিপক আমাদের ফ্রেন্ডের জন্য ট্রেনের টিকেট কেটে আনলো কিন্তু প্রোগ্রাম হচ্ছে শীতের সময়, এক দম হাড় কাপুনে শীত জাহাঙ্গির বগুড়া থেকে আমার বাসায় এসে বলে দোস্ত টঙ্গিতে শীত কম থাকলেও একেবাড়ে কম না তুই ফ্লিসের কম্বল টা নিয়ে নে

Thursday, December 3, 2015

যাদের জীবনে কখনো কলোনিতে থাকার সুযোগ হয় নি তাদের এই লেখাটি পড়া ঠিক হবেনা



যাদের জীবনে কখনো কলোনিতে থাকার সুযোগ হয় নি তাদের এই লেখাটি পড়া ঠিক হবেনা কারণ এটা তাদের জীবনে কি কি মিস করেছিসেই তালিকাটা বড়ই করবে কেবল। আমার জীবনের প্রায় ১৪ বছর কেটেছে এই সিএসএম কলোনীতে। ১৪ বছর মানে তো সুস্থ সবল বাঙ্গালি জীবনের প্রায় চার ভাগের এক ভাগ। আর জীবনের ১৪ বছরের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় আর কি হতে পারে। মানুষ হিসেবে আমি কেমন হব, আমার চিন্তা-ভাবনা কেমন হবে সবই তো ঐ সময়টায় সচেতন বা অচেতন ভাবে শিখেছি। বাংলাদেশের প্রায় সব কলোনির কাহিনী, জীবন-চিত্র প্রায় একই রকম বড়জোর উনত্রিশ-ত্রিশ পার্থক্য (বদলে যাও বদলে দাওমৌসুম চলছে বলে বহুল প্রচলিত উনিশ-বিশ বাগধারাটা বদলে দিলাম!) তাই সবার সাথে সেই অভিজ্ঞতাগুলো ভাগাভাগি করার লোভ সামলাতে পারলাম না!

গতকাল টিভি নিয়ে একটি নষ্টালজিক লেখা পোষ্ট করেছিলাম


গতকাল টিভি নিয়ে একটি নষ্টালজিক লেখা পোষ্ট করেছিলাম এরপর থেকে মাথায় অনেক কিছু ঘুরছিলো।
সেই আমলে বাড়ির বড়দের মুখে মুখে আলোচিত একটি নাটক ছিলো সকাল সন্ধ্যা এবং এর পরে ঢাকায় থাকি সিরিয়াল।

সকাল সন্ধ্যা একটি বাংলা ধারাবাহিক নাটকের নাম। ১৯৮০-র দশকের শুরুতে এটি বিটিভি-তে সম্প্রচার হয়। প্রধান চরিত্রে ছিলেন পীযুষ বন্দোপাধ্যায় এবং আফরোজা বানু । তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাটক ছিলো এই সকাল সন্ধ্যা। আরেক ধারাবাহিক নাটক ঢাকায় থাকিতে অভিনয় করেছিলো ডাব্লিউ আনোয়ার পরে বাংলা সিনেমাতে আলীরাজ নাম নিয়ে অভিনয় করেন আর ছিলেন আমাদের তারানা ম্যাডাম (বর্তমানে ফেসবুক রিলেটেড প্রতিমন্ত্রী)। শুকতারা নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটক প্রচারিত হতো তখন, অবশ্য সেটি ছিলো যথেষ্ঠ সমালোচিত, সমসাময়িক কালে সময় অসময় নামে আরেকটি ধারাবাহিক নাটক ছিলো যেখানে রাইসুল ইসলাম আসাদের ন্যাড়া মাথায় মধু পাগলা চরিত্রের অভিনয় এখনো চোখে ভাসে।

"কলোনী ও কান্না - ৩"


২৯শে এপ্রিল ১৯৯১ এর ভয়ংকর ঘুর্নিঝড়ের সময় আমরা ছিলাম F/2 বিল্ডিংয়ে নীচ তলায় এই দিন আর রাতের বিস্তারিত সবকিছু সবারই জানা আমার এই ঘটনাটা এর / দিন পরের বন্যার পর নিচতলায় যাদের বাসা ছিলো, বাসায় থাকার মত পরিস্থিতি মোটেও ছিলো না কারো এমতবস্থায় বন্যার পরদিন আমরা উঠলাম F-1-10 নাম্বার বাসায় বাসাটি ছিলো বাতেন কাকার তিনি একাই থাকতেন, তার পরিবারের সবাই থাকতো সন্দ্বীপ

পরদিন আমরা বাতেন কাকার বাসায় উঠার পর যা দেখলাম, তিনি অস্থির হয়ে আছেন, কখন সন্দ্বীপ যাবেন, তার পরিবারের মানুষের জন্য তিনি ছিলেন খুবই চিন্তিত শুধু তিনি চিন্তিত ছিলেন বললে ভুল হবে, বিল্ডিংয়ের সবাই চিন্তিত ছিলেন কারন তখন সন্দ্বীপে তার পরিবারের লোকজন কি অবস্থায় আছে, তা খবর নেওয়ার কোন উপায় ছিলো না তিনি তড়ি-ঘড়ি করে চলে গেলেন সন্দ্বীপ কিভাবে গেলেন জানি না!!! তবে ছুটে গেলেন

লেডিস & জেন্টেল C.S.M


এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, আমাদের কিছু C.S.M একজন বিখ্যাত ...... হালিমের কারনে মানবেতর জীবন যাপন করিতেছেন জীবনে মজা করে এত ধরনের হালীম খেলাম, কিন্তু এই হালিমের দেখা আগে কেন পেলাম না, এই হালিমের বাবুর্চি কে?
এই হালিম খেয়ে আমাদের কিছু C.S.M এর মনবেতর জীবন যাপনের নমুনা দেখেন,
তাদের ফেসবুক একাউন্ট আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের কাছে ডাটা আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের হাতে মোবাইল আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের বাসায় কারেন্ট আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের অনেক ইচ্ছা আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের চোখে ঘুম নাই, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!

এই সব গৃহবন্ধী এবং হালিমে আটকে পড়া ভাই-বোনদের উদ্ধারের জন্য আমাদের করনীয় কি ? আমরা কি পারি না তাদের পাশে দাড়াতে tongue emoticon এইসব অসহায়দের উদ্ধার করতে ? tongue emoticon

Tuesday, December 1, 2015

আমাদের প্রিয় শামীম



যখনই দেখতাম তাকে তখনই সে ফুটবল খেলার পোষাকে আছে, সাধারন পোষাকে খুব কম দেখা যেতো,বড় মাঠে ফুটবল খেলা হচ্ছে আর সেখানে সে নাই এটা চিরন্তন অসম্ভব ঘটনাভালো ফুটবল খেলতো,অসাধারন ড্রিবলিং এর গুন ছিলো তারসঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে হয়ত বড় মাপের ফুটবল খেলোয়ার হতে পারতো

ফুটবলই ছিলো তার ধ্যান জ্ঞানপনের বছরের কলোনী লাইফে তার সাথে আমার কথা হয়েছে হাতে গোনা দু/এক বার,যা কথা হয়েছে তাও ফুটবল নিয়ে১৯৯৯ সালের পরে তার সাথে আমার আর দেখা হয়নি হঠাৎ সেদিন শুনলাম সে গুরুতর অসুস্থ,আর আজ সকালে অফিসের আসার পথে শুনলাম সে চলে গিয়েছে না ফেরার দেশে আমাদের প্রিয় শামীম, যাকে আমরা আদর করে ডাকতাম বিপি

আল্লাহ তাকে সবসময় ভালো রাখুক

Monday, November 30, 2015

শীতকালটা বোধ হয় এসেই পড়ল


শীতকালটা বোধ হয় এসেই পড়ল। চারিদিকে কেমন যেন একটা রোমান্টিক গন্ধ, বার্ষিক পরীক্ষা চলছে, পরীক্ষা শেষে একসাথে পথ চলতে চলতে স্কুল থেকে বাসায় ফেরা, কুট কুট করে কত কথা বলা, চোখ জুড়ে আবেগের সব অবাস্তব স্বপ্ন। সব পরীক্ষা শেষ, অফিসার্স ক্লাবে ব্যাডমিন্টন কোর্টে সণ্ধ্যার পরে অপেক্ষায় বসে থাকা, কখন বাপ চাচাদের খেলা শেষ হবে, তারপর আমরা তাদের ফেলে দেওয়া পুরানো কর্ক দিয়ে খেলবো। রাতে বাসায় গিয়ে নিশ্চিন্তের ঘুম, হাজার সাধনা করলেও এই ঘুম পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যাবেনা। 

এমন অনেক শীতকাল গেলো আর আসলো, আমরাও বড় হতে লাগলাম। সকালেে ঘুম থেকে উঠেই মাঠে ক্রিকেট প্র্যাকটিস, বিকালেও আরেক দফা। আবারো আবেগী অবাস্তব স্বপ্ন “ আমরা বোধ হয় অনেক বড় ক্রিকেট প্লেয়ার হয়েই যাচ্ছি”। 

সারা কলোনীতে শুকনো ঝড়ে পড়া পাতায় সয়লাব হয়ে গেছে। তারই কিছু অংশ পুকুর পাড়ে প্রতি সন্ধ্যায় জড়ো করে আগুন লাগানো রাশেদের (মরাইয়া) রুটিন কাজ। সারাদিন ছুটাছুটি করে হাতে পায়ে শীতের চিহ্ন, কিসের লোশন আর অলিভ অয়েল, ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর ধুয়ে ফেললেই সব ঠিক।
শীতকাল যেতে আর আসতে লাগলো, তেমনি এক শীতের সকালে কলোনীটা পিছনে ফেলে আসলাম সারাটি জীবনের জন্য।

Thursday, November 26, 2015

Memories are like a knife, they hurts


Hannibal মুভির একটা খুব সুন্দর ডায়ালগ হল,

"Memories are like a knife, they hurts"

আসলেই আমাদের মেমোরির ছুরিটা মনে হয় একটু বেশি ধারালো, খুব মিস হয় CSM Colony আর সব কিছু মিলিয়ে সময়গুলো

আমার জীবনের সেরা সময়টা আর সেরা মানুষগুলো আবার ফিরে এসেছে, হয়তো বয়সটা ফিরে আসবে না অনেক অনেক লিখা, ছবি, সেই চেনা দুষ্টুমি, সেই চেনা চেহারাগুলো দেখে বয়সটাও যেন কলোনি ফিরে পেলো

ফিরে এসেছে বললে ভুল হবে, সবাই ছিলো কিন্তু অনেকেই আমার নেটওয়ার্ক এর বাহিরে ছিলো, এখন সবাই আবার একই নেটওয়ার্কের মধ্যে আসায় অনুভুতি আসলেই অসাধারন grin emoticon


এই ফিরে পাবার অনুভিতিটা কার কেমন আসলেই শুনতে ইচ্ছে করছে grin emoticon

লেখাপড়াটাকে কোনদিন সিরিয়াসলি নেইনি


লেখাপড়াটাকে কোনদিন সিরিয়াসলি নেইনি, পড়াশোনা করা দরকার তাই করেছি। কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কোন দিন পড়াশোনা করিনি। যা থাকে কপালে এটাই ছিলো ভিশন।তবে যতটুকুই পড়ালেখা করেছি তা আনন্দ নিয়ে করেছি। লেখাপড়ার ও যে আনন্দ নিয়ে করা যায় এটা এই জেনারেশনের পোলাপান কোন দিন কল্পনাও করতে পারবেনা।

পরীক্ষার সময় পরীক্ষা দিয়ে এসেছি, এটা নিয়ে বাড়তি কোন টেনশন ছিলোনা। এমন কি আমি কখনও এটার জন্য বাড়তি প্রস্ততিও নেইনি ওই একই চিন্তা “যা থাকে কপালে”। এ জন্যই বোধ হয় ক্লাস এইটে একবার ইংরেজীতে ১১ আর ক্লাস নাইনে অংকে ডাবল জিরো পাইছিলাম। তবে এগুলা নিয়া আমার কোনদিন আফসোস ছিলোনা। কিন্তু এখন বলতে গিয়া পেটটা গ্যাসে মনে হয় দু ইঞ্চি বড় হয়ে গেছে যে ক্লাস টেনে নির্বাচনী পরীক্ষায় ছেলে মেয়েদের মধ্যে আমি ১৬ তম হইছিলাম (আমার ধারনা স্যাররা কোথাও কোন ঝামেলা করছিলো, নাহলে আমার মত ডাবল জিরো পাওয়া ষ্টুডেন্ট ১৬ তম হওয়ার কথা না, সবার শেষের দিকে থাকার কথা)। মেট্রিক পরীক্ষাও দিয়েছি সেরকম বিনোদনের মধ্যে, প্রথম বার ৯১ এর ঘূর্নিঝড়ের কারনে পরীক্ষা বাতিল, দু মাস পরে পরীক্ষা শুরূ হলো, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে আবারও পরীক্ষা বাতিল, ১ মাস পর পরীক্ষা হলো। তখন বাংলা আর ইংরেজী ১ম ও ২য় পত্র একইদিনে সকাল বিকাল দু বেলা হতো। 

Sunday, November 22, 2015

ইমোশন ও ড্রেন দুজনে দুজনার


ড্রেনে পড়া নিয়ে অনেক দিন ধরেই আমরা অনেক কিছু বলছি বা লেখছি, কেউ ইমোশনাল হয়ে ড্রেনে পড়ে, কেউ জ্বরের দুর্বলতায় ড্রেনে পড়ে, কেউ প্রেমে পড়ে ড্রেনে পড়ে আরো কত কাহিনী

আজ সকালে এসে শুনলাম বা দেখলাম ড্রেনে পড়ার আরেক কাহিনী, তবে এর সংগে আমাদের সিএসএম- এর কেউ জড়িত নয়

সকালে অফিসে এস বসতে না বসতেই,অফিসের পিয়ন সানোয়ার বিধ্বস্ত ভেজা অবস্থায় আমার রুমে এসে কান্নাকাটি শুরূ করল, বিস্তারিত যা বলল তা হচ্ছে সে প্রতিদিনের মত চেক জমা দেওয়ার জন্য ব্যাংক এশিয়া , মহাখালী ব্রাঞ্চে যাচ্ছিলো, যাওয়ার পথে সে হঠাৎ একটি বড় ড্রেনে পড়ে যায় তবে সানোয়ার বলল ,” স্যার আমি পড়ছি সমস্যা নাই তবে সব কয়টা চেক ড্রেনে ভাইসা গ্যাছে”, এই বলে আবার কান্না শুরু করল 

Saturday, November 21, 2015

আড্ডা


আড্ডা শব্দটা অনেকের কাছে শুনতে হয়ত খারাপ লাগতে পারে, বিশেষ করে মুরুব্বি দের তবে আমার কাছে ভালো লাগে ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক কারন আমি নিজেই একসময় আড্ডাবাজ ছিলাম তবে চাকরীর জন্য ঢাকা আসার পর আর আড্ডার মজা পাইনি খুব মিস করি অতীতের আড্ডা একটা সময় ছিল যখন তিন বেলা আড্ডা না দিতে পারলে ভাত হজম হতো না ট্যাংকীর নীচে আড্ডা, রাস্তায় আড্ডা, মাঠে আড্ডা, নারিকেল গাছ তলায় আড্ডা, পুকুর পাড়ে, ইউনুসের দোকান ইত্যাদি শত পদের আড্ডা ছিল নিত্য সঙ্গি তবে এই আড্ডা কখনো নেশা বা সন্ত্রাসের জগতে হয়নি

Wednesday, November 18, 2015

আজ অফিসে অনেক তাড়াতাড়ি এসেছি



আজ অফিসে অনেক তাড়াতাড়ি এসেছি, ভেবেছিলাম কোন একটা রসাত্নক পোষ্ট দিবো। কিন্ত ল্যাপটপ খুলে দেখি মোটামুটি ট্যাংকীর নীচের ঝগড়া শুরু হয়ে গেছে, এটা ভালো, কলোনী থাকবে অথচ ঝগড়া , মান অভিমান থাকবেনা এটা হয়না।

সিএসএম কলোনী মানেই হইচই,ঝগড়া,চাপাবাজি,গলাবাজি। তা না হলে কলোনী কিভাবে, ট্যাংকীর নীচে এমন একটা দিন বাদ নেই যেদিন কারো না কারো ঝগড়া বা গ্যাঞ্জাম হয়নি।তবে দিন শেষে আবার এক সাথে গলায় জড়াজড়ি করে হাঁটা, দুই ঝগড়াবাজ বন্ধু একটি সিগারেট নিয়ে ভাগাভাগি করে খাওয়া, যেমন রেজা ভাই আর মোল্লা অপু ভাই, আমি আর মরা রাশেদ বা আরো অনেকের মধ্যেই , । তবে আমাদের সিনিয়র জুনিয়র দের মাঝে চমৎকার বোঝাপড়া ছিলো, সুন্দর একটা সম্পর্ক ছিলো। আর এ জন্যই বোধ করি আমরা আবারো সিএসএম কলোনী টা ্ৈতরী করতে পেরেছি।

লেখতে চেয়েছিলাম রসাত্নক লেখা, হয়ে গেলো বুদ্ধিজিবী টাইপ লেখা, যাক সবাইকে শুভ সকাল, তবে আমি কোন ফুল টুল দিয়ে শুভ সকাল দিতে পারবোনা, ওটা মানিক ভাই ভালো পারবেন।

অস্থিরতা বেড়ে গেছে



অস্থিরতা বেড়ে গেছে। ২৯ শে জানুয়ারি। কি হবে ২৯ শে জানুয়ারি তে? আজ থেকে ৪ মাস আগে fb.কে জন্ম নেয় আড্ডা নামক আমাদের পেজটি। পুলক/আতিকের পরিশ্রম এবং বাকি সকলের একান্ত চেষ্টায় আজ এই পেজটি আমাদের খুব প্রিয়।

তারিকের অসুস্থতা আমাদের আরো কাছে নিয়ে আসলো। এই কাছে আসাটা কে আমরা একটি বন্ধনে বাধতে চাই। ২৯ শে জানুয়ারি টা আমাদের সেই দিন।