Tuesday, October 6, 2015

মারবেল খেলা .....



ছোট ছোট গোলাকার মারবেলের তৈরী বল দিয়ে খেলা হয়। মারবেল খেলা কয়েক ধরনের হয়। আন্টিস, চম্পা, বাত এদের মধ্যে অন্যতম।

মারবেলও বিভিন্ন ধরনের ও বিভিন্ন বর্ণের হয়। ভিতরে রঙ্গিন কাজ বিশিষ্ট মারবেল গুলোর নাম ছিল "পাঙ্কিল"।

আন্টিস- মুলত আঙ্গুল দিয়ে খেলতে হয়। (তাই হয়ত এই নাম)। ছোট একটা গর্তকে কেন্দ্র করে খেলাটা চলে। গর্তটার নাম "কেপ"। একটা নির্দিষ্ট দুরত্ব থেকে সব খেলোয়াড় কেপের দিকে তাদের "ডাগ্গি" ( সব চেয়ে গোলাকার, সুন্দর মারবেল, যেটা দিয়ে মুলত খেলা হয়, বাকি গুলা exchange এর জন্য) নিক্ষেপ করে। যারটা কেপের সবচেয়ে কাছে সে প্রথম মারার সুযোগ পাবে। এরপরের জন দ্বীতিয়, তারপরের জন তৃতীয় এভাবে..। বুড়া আঙ্গুলটা মাটিতে রেখে মধ্যমা দিয়ে কেপ করে অন্যের মারবেল ঠুকতে হয়। যার মারবেল ঠুকা হবে সে একটা মারবেল যে ঠুকবে তাকে দিয়ে দিবে। এভাবে চলতে থাকবে যতক্ষন একজন বাদে অন্যরা ফুতুর হয়ে যাবে। অনেক সময় সমঝতার মাধ্যমে যে কোন সময় খেলা শেষ করা যায়।

" আমাদের স্যার "

- Mahabub Rasel

অভিনাশ বাবু স্যারে ক্লাস করাটা ছিলো বিশাল ঝামেলার ব্যাপার, স্যার বোর্ডে অংক বুঝানোর পর জনে জনে জিজ্ঞেস করতেন, " ওই তুই খাড়া, বুঝছত? "

আমরা যদি বলতাম বুঝছি স্যার তখন স্যার বলতেন, " কি বুঝছত ? বোর্ডের কাছে আইয়া আমারে বুঝা !!!" তখন বুঝাতে না পারলে চলতো স্যারের ড্যান্সিং মাইর !!!

আজ স্কুলের কথা মনে পডল


আজ স্কুলের কথা মনে পডল বিশেষ করে আমাদের প্রধান শিক্ষক আহাম্মদ কবির স্যার এর কথা.......
দিন আবাহনী মোহামেডান এর খেলা হবে .৩০টা থেকে আমরা হাফ ছুটির দরখাস্ত করলাম কিন্তু স্যার ছুটি মঞ্জুর করেন নি পরে সকলে সিদ্ধন্ত নিল কেউ টিফিন এর পর আসব না যেই কথা সেই কাজ
পরের দিন সবাই এল পরিবেশ খুব থমতমে 

ডাব



বছর দুযেক আগে আমার ডেংগু জ্বর হয়েছিলো, প্রচুর ডাব খাওয়া লাগতো, একেকটি ডাব ৭০/৮০ টাকা করে কিনা হতো। টাকা পয়সা নানা ভাবে খরচ করি, কিন্ত ৭০/ ৮০ টাকা দিয়ে ডাব কিনে খাওয়া আমার কাছে ঐ ডেংগু জ্বরের চেয়েও কষ্টকর ব্যাপার ছিলো।

৭০ -৮০ টাকা বাদই দিলাম, ডাব কিনে খাওয়া টাই আমার কাছে খুবই বেদনাদায়ক ব্যাপার ছিলো। কলোনীতে সবারই গড়ে ৭/৮ টা করে নারিকেল গাছ ছিলো, ডাব কিনে খাওয়া দূরের কথা ,কল্পনাও করা যেতোনা। আর ডাব চুরির এডভেঞ্চার তো ছিলোই। যা খেতাম তার চেয়ে বেশী নষ্ট করতাম। একবার মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে পা কেটে যায় ঠিক ঐ সময় মাঠের পাশে বাবু (পেতি বাবু) দের গাছ থেকে ডাব পারা হচ্ছিলো, ওখান থেকে একটি ডাব নিয়ে ওইটার পানি দিয়ে পায়ের কাটা জায়গা ধুয়ে ছিলাম। আর যখন তখন ডাবের পানি দিয়ে মুখ ধোয়া তো ছিলোই। আর শলার ঝাড়ুতো কারো কিনাই লাগতো না, গাছের পাতা থেকেই সেটা বানানো হতো। বাইরের কেউ এ ঘটনা গুলো শুনলে এখন রুপকথা মনে করবে।

আমাদের এই অপব্যবহার মনে হয় আল্লাহর সহ্য হয়নি, তাই বোধ হয় এখন ডাব কিনে খাওয়ার মত পরিস্থিতি হয়েছে।

আজ Aslamuddin Mamun এর একটি পোষ্ট পড়ে ডাবের এই কষ্টকর কথা মনে পড়ল।

Monday, October 5, 2015

কিগো আন্নেরা বেকে মিলি কোনাই গেছেন?



আজকের আলোচনার ব্যক্তি একজন, কিন্তু সাবজেক্ট আপাতত তিনটি !!! ...

১) আমাদের সবার প্রিয় শাহীন ভাইয়ের একটা বিষয় নিয়ে CSM মিডিয়াতে উত্তেজিত আলোচনা হচ্ছে, তা হলো,............

" চট্রগ্রাম টু বরিশাল বাই ট্রেন "

২) ছাড়াও আমাদের জসীম ভাই বলিয়াছেন, শাহীন ভাই আমাদের একজন সন্মানিত বড় ভাইয়ের গানের লাইন নিজের বলিয়া চালাইয়া দিচ্ছেন, লাইনটি হল,...

Sunday, October 4, 2015

অফ দ্যা রেকর্ড


পড়াশুনা মাত্র শেষ করলাম। মাত্র বেকার জীবন শুরু হলো । খুব তাড়াতাড়ি কোথাও জোয়েন করে লাইফের বারো টা বাজিয়ে দেয়ার ইচ্ছে নেই। তাই কোথাও ট্রাই করছি না । রাসেল এর অবস্থাও আমার মতোই। আমাদের কাজ বলতে শুধুই সারাদিন আড্ডা মারা আর ঘুমানো । আমাদের সুখ মনে হয় রেজা ভাই এর সহ্য হলো না। দুই জন রে ডেকে CSM TV channel এ জোয়েন করিয়ে দিলো। আমি যতই বলি ভাই আমারে দিয়ে কাজ হবে না আমাদের কে দেখতে বান্দরের মতো দেখা যায় কেউ আমাদের কোন প্রোগ্রাম দেখবে না । আপনি স্পন্সর পাবেন না। চ্যানেল এর চৌদ্দ টা বাজবে । রেজা ভাই কোন ভাবেই আমাদের কথা শুনলো না। ওনার এক কথা আমার বান্দরই দরকার । কি আর করা আমাদের কাজ করতে নেমে পরতে হলো ।প্রতিদিন নতুন নতুন আইটেম নিয়ে প্রোগ্রাম সাজাতে হবে বলে একটা মোবাইল ধরায় দিলো। সাথে একটা হেড ফোন !!!
রেজা ভাই এইটা দিয়ে কি করবো ?
একজন মোবাইল কে ক্যামেরার ভেবে কাজ করবি অন্য জন সঞ্চালনা করবি ? 
এই রকম কথা কেউ বাপের জন্মেও শুনে নাই এইটা কি করে সম্ভব ? 
রেজা ভাই বললেন দেখ রাসেইল্লা আমাদের আজ কে হয়তো বাজেট কম এইভাবেই শুরু করতে হবে কিন্তু একদিন আমরা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ চ্যানেল হবো। টিআরপি তে আমরা সবাই কে ছাড়িয়ে যাবো .........

১৯৯১ এর ঘূর্ণি ঝড়ের ঘটনা


১৯৯১ এর ঘূর্ণি ঝড়ের ঘটনা। আমার বন্ধু আসিফ দের বাসায় একজন সাস্থবতি বয়সি বুয়া ছিলেন। ঘূর্ণি ঝরের পরের দিন উনি হাটু পানি থেকে মাছ ধরে তা শাড়ির মধ্যে প্যাঁ চিয়ে রাখছেন। এমন সময় এক টা বড় মাছ দেখে পিছু ছুটলেন আর হাটু পানিতে ড্রেন খেয়াল করতে না পেরে ড্রেনে পরে যান আর সব মাছ প্যাচ থেকে পালিয়ে যায়। পরে হায় হুতাস করে। (Oct 4)

১৯৯১ এর ঘূর্ণি ঝড়ের কয়েক দিন পর আমাদের প্রিয় স্কুল দেখতে গেলাম। প্রথম তলার বারান্দায়কিছু দূর হাটার পর এমন একটা যায়গায় গিয়ে দাড়িয়ে যেতে বাধ্য হলাম যেখান থেকে না সামনে মুভ করতে পারছি না পেছনে। বস্তিবাসী যারা ঘূর্ণি ঝড় থেকে বাঁচার জন্য স্কুল এ আশ্রয় নিয়েছিল তারা আমাদের স্কুলের বাড়ান্দা কে শোউচাগারে পরিনত করেছিল। কোন রকম কষ্ট করে নরম কাটা থেকে রেহাই পেয়ে একটা ক্লাস রুম এ উকি দিয়ে দেখি আমাদের বেঞ্চ গুলো তেও তারা একই কাজ করে রেখেছে। পড়া লেখায় ফাকিবায আমি স্কুল এ যেতে খুব এক টা ভাল লাগত না। তাই ভালবাসা ও কম ছিল। কিন্তু সেদিন স্কুলের জন্য খুব মায়া হচ্ছিল। (Oct 13)

বাসা বদল



আমদের বন্ধুদের মধ্যে কারো বাসা বদল করার প্রয়োজন হলে আমরা সবাই এ ব্যাপারে সহায়তা করতাম। সেটা কলোনির ভিতরে এক বাসা থেকে আরেক বাসা অথবা কলোনি থেকে বাইরে যেখানেই হোক।

কলোনির ভিতর কেউ বাসা বদল করলে আমার, Monirul Islam Monir, Mamunur Rashid রাশেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হতো অই নতুন বাসায় সবার আগে কে বড় বাথরুম করতে পারে। প্রায় ক্ষেত্রে রাশেদ প্রথম হতো।
৯৪ সাল থেকে আমার বন্ধুদের মাঝে বাসা ছেড়ে বাইরে বাসা নেওয়া শুরু হয়। দুলিরা বাসা চেঞ্জ করে নারিকেল তলা। মনিরুল্ রা একেবারে গ্রামের বাড়ি চৌদ্দগ্রাম, ওদের মালামাল ট্রাকে করে দুলি, রাশেদ,লিটন নিয়ে যায়। রোমান্স সংক্রান্ত জটিলতায় আমি যেতে পারিনি। হায় রোমান্স!! বন্ধুর বিদায়ের দিনেও আমি থাকতে পারিনি।

" ইমোশন স্টোরি - ২ "


আজ আতিক ভাইয়ের CSM এর বিদায় বেলার স্টাটাস পড়ে আমাদের প্রিয় তারিক ভাই অত্যাধিক ইমোশনাল হয়ে পড়েছেন!  
এত বলি ইমোশনাল হবেন না, তবুও ইমোশনাল হয়ে যায় সবাই!!!! কারন ইমোশনের পরিনতি ভালো হয় না, উদাহারন.......
আমাদের সকলের পরিচিত ইমোশনের রাজা একদিন ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিলেন, অবশ্য একদিন বললে ভুল হবে, তিনি সব সময়'ই ইমোশনাল হয়ে থাকতেন!!! খুব'ই করুন অবস্থা!!!

Saturday, October 3, 2015

আমার ডায়েরির ছেড়া পাতা


Samee Sam & Smm Hossan Babu বড় দুই ভাই কে একজন মানুষ ভেবে ভুল করার জন্য আমাকে শাস্তি হিসেবে আজ কের মধ্যে কোন গল্প পোষ্ট করার কড়া অর্ডার দেয়া হয়েছে ।গল্প পোষ্ট না করলে অমার্জনিয় অপরাধের শাস্তি আরো বেড়ে যেতে পারে। কি আর করা আমাকে আবার কি বোর্ড নিয়ে বসতে হলো । লিখতে আমার সব সময় ভালো লাগে । মাথায় গল্প গিজ গিজ করতে থাকে grin emoticon লিখতে বললেই আমি শুরু করে দেই tongue emoticon কোন কিছু তেই আমার সমস্যা হয় না। এই সমস্যা না হওয়া টা আমার অনেক পুরানো অভ্যাস। ভার্সিটি পড়ার সময় ডিন স্যার যখন ফাইনাল একাউন্ট করাতো তখন সায়েন্স থেকে এসেছি প্রথম দিকে বুঝতে একটু প্রব্লেম হতো । সত্যি বলতে কি কিছুই বুঝতাম না। আমাকে কিছু প্রশ্ন করেছিল কিছুই বলতে পারলাম না। 

স্যার আমার ব্যাক গ্রাউন্ড কি জানতে চাওয়ার পর বলেছিল যারা সব পারে আর যারা কিছুই বুঝে না তাদেরই কোন সমস্যা নেই grin emoticon যারা পারে তাদের কেন সমস্যা নেই বুঝিয়ে বলার দরকার নেই কিন্তু যারা বুঝেই না তারা জানেই না কোথায় তাদের ঝামেলা ? আমি যে না জানার দলের ম্যম্বার বোধকরি এত দিনে সবাই বুঝে গিয়েছে । আমি গল্পের প্যাটার্ন বুঝি না শেষ শেক্সপিয়ারের গল্প পরেছিলাম তাও ম্যাকবেথ এর সাথে ওথেলো এমন ভাবে প্যাচ লেগে আছে বুবুর মাইর না খেলে এইটা মাথায় ঢুকবে বলে মনে হয় না। কম বুঝি বলেই লিখতে বেশি পছন্দ করি , কথায় বলে না খালি কলশি বাজে বেশি grin emoticon এতক্ষন আমি আজাইরা প্যাচাল করছি শুধুই আমার সামি ভাইয়া & বাবু ভাইয়ার মেগাবাইট খাওয়ার জন্য grin emoticon আমারে শাস্তি দিবে আর আমি চুপ করে থাকবো হতেই পারে না grin emoticon

"কলোনী ও সিনেমা"


কলোনিতে থাকা অবস্থায় অনেক আনন্দ করে সিনেমা দেখতে যেতাম ঘরের সবাই মিলে, অন্যান্য সিনেমার কথা তেমন একটা মনে পড়ে না, তবে ঘরের সবাই মিলে সর্বশেষ যে সিনেমাটা দেখেছিলাম ওইটা মনে আছে বনানী কম্পলেক্স সিনেমা হল, ওরে বাপরে!!! সিনেমা হলেতো আসি নাই, মনে হচ্ছিলো যেন, কোন মেলায় এসেছি!!!

আমার জীবনে আমি আর কখনো এইরকম ভীড় দেখি নাই সিনেমা হলে সিনেমা দেখার জন্য!!!

জাকিয়া আপা


আজ সকালে ফেসবুকে Riman Babu ভাইয়ের মেয়ের ছবিটা দেখে বহুদিন আগে দেখা একজন মানুষের চেহারা চোখের সামনে ভেসে উঠলো।ছোট্ট ওই মুখখানির সাথে মানুষটির চেহারার আশ্চর্য মিল।তিনি হলেন রিমন ভাইয়ের মা জাকিয়া আপা,শ্রদ্ধেয় শিক্ষিকা।

তখন ক্লাস ওয়ানে উঠেছি।আজিজ স্যারের কাছে তিনদিন পড়ে নিজের পড়া নিজে শিখব এই প্রতিজ্ঞা করে স্যারের কাছে আর যাইনি। প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় মোটামুটি নাম্বার পেয়ে পাশ করে গেলেও শুরু হল নতুন ঝামেলা ( ওই বয়সে ত অবশ্য ঝামেলা)। জাকিয়া আপা আমার ভাইকে দিয়ে খবর পাঠালেন ওনার বাসায় যাবার জন্য।আমি ত যাব না।কি দরকার আমার ওনার বাসায়। 

Friday, October 2, 2015

7 /13


আমার উপর লাকি নাম্বার ৭ & আনলাকি নাম্বার ১৩ দুই টার প্রভাব আছে ।প্রথমে আনলাকি ১৩ এর পার্ট শেষ করে নেই । আপদ যত তাড়াতাড়ি বিদায় হবে ততই ভালো tongue emoticon . আমার জন্ম তারিখ ১৩ জুলাই । স্টিল মিল স্কুলে ভর্তি হয়ে প্রথম রোল পেলাম ১৩ ।আন লাকি কি জিনিষ তখন বুঝে উঠার ক্ষমতা হয় নি । আমার ভাগ্নে সৌম্যর জন্ম দিন ও ১৩ অক্টোবর । এই খানেও ১৩ । এক ভাগ্নির জন্মদিন ১৪ এপ্রিল। লিপিয়ার এর বছর না হলে সেও ১৩ হতো।
আমার আনলাকি এই খানেই শেষ ।
এইবার দেখি লাকি আপুর কি অবস্থা !!!

অতঃপর তাহাকে আমি পাইলাম।।

- Jashim Uddin


শিক্কক: হোম ওয়ার্ক করেন নাই?
ছাত্র: মাথা গরম আগে বলো সিগারেট আনছো নাকি?
বাহ কি শ্রদ্বেয় সম্পর্ক!!! ছাত্র শিক্ককের মধ্যে।আড্ডা, ডাব চুরি, মুরগি চুরি,সবই একসাথে হয় আবার যার যা সম্মান তা পালন করা হয়।ছাত্র বয়সে অনেক বড় হলেও এস এস সি পাশের ইচ্ছা পোষন করলো শিক্কক সে মিশনে যোগ দিয়ে নিজেকে ইতিহাসের স্বাক্কী করতে বদ্বপরিকর।শিক্কক গোপনে ছাত্রকে এমন এক স্কুলে ভর্তি করালো যেখানে অনায়াসে নকল করা যায়।তারপর মহাউৎসাহের সাথে শুরু করে দিল প্রস্তুতি। ছাত্রের চেয়ে শিক্ককের ব্যস্ততাই বেশী।প্রস্তুতি নিতে গিয়ে দেখা গেল ছাত্র দেখে দেখে ও লিখতে পারে না।সো রেগুলার হোম ওয়ার্ক হচ্ছে দেখে দেখে লেখা।পরীক্কা সন্নিকটে শুনলাম মহাধুমধামের সাথে চলছে পরীক্কার প্রস্তুতি। অবুঝ মনকে বুঝাতে না পেরে একদিন দেখতে গেলাম।সত্যই মহা আয়োজন, বাজার থেকে আনা নুতন নুতন গাইড বইয়ের ম্যাক্সিমাম পাতাই নাই।টেবিলের উপর ছড়ানো চিটানো চুরি, কাছি,বই সেলানোর সুই সুতা,ইলাস্ট্রিক ইত্যাদি ইত্যাদি।পরীক্কার সাথে এসবের সম্পর্ক কি জানতে চাইলে উত্তর এলো - যা বুঝসনা তা নিয়ে কথা বলবি না। ধমক খেয়ে চুপচাপ।

হক্কল সালম এর বর পাতা


কলোনিতে কিছু মানুষ ছিলো যাদেরকে আমরা বলতাম, " হক্কল সালম এর বর পাতা " বা "আলু " কারন তারা ছোট বাড় সবার সাথে মিশতো, অনেকেই তখন Confused হয়ে যেত, কারন বুঝা যেত না ওনারা আসলে কোন ব্যাচ এর, এমন কিছু স্পেশাল নাম,
*** বেলাল ( টারজান বেলাল, E-11) 
*** সুমন ( বেকা, ৯৬ ব্যাচ )
*** বাইট্টা আক্তার ( ভাই ভাই ষ্টোর )
*** বেলাল ভাই ( ভাই ভাই ষ্টোর ) 
*** ইউনুস ভাই ( সাত্তার ষ্টোর )
মোকাদ্দেস ভাইকেও এই লিস্টে রাখা যেতে পারে।

শ্রদ্ধা জানাচ্ছি চ, ই, কা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দকে


জাফর স্যারকে দেখলেই মনে পড়ে চশমার উপর দিয়ে পিটপিট করে চাহনী আর ঠোঁটে মৃদু হাসির একজন ব্যাক্তির কথা

আর আনোয়ার স্যারকে দেখলেই মনে পড়ে মোটামুটি গম্ভীর স্বভাবের হিটলারী গোঁফ ওয়ালা একজন ব্যাক্তির কথা

দুজনেরই মার এর স্টাইল ছিল ভিন্ন।। ভয়ংকর ছিল জাফর স্যার মাত্র কয়েক সে: আমাদের পিঠে কত ঘা দিয়ে দিতেন হিসেব কষার সময়ই পেতাম না বেচারা স্যার এই স্বল্প সময়েই হাপিয়ে উঠতেন আর চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে কিছুক্ষন রেস্ট নিতেন আর জোড়ে জোড়ে শ্বাস নিতেন মনে হত ডাক্তার বুঝি বুকে স্টেথিস্কোপ চেপে ধরে ঘন ঘন শ্বাস নিতে বলছেন।।।।।


শ্রদ্ধা জানাচ্ছি , , কা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দকে।।। যে যেখানেই আছেন ভাল থাকবেন

বৃষ্টি যদি না হয় কখনো


[গতবছর এক গরমের দিনে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে বৃষ্টির উপর রাগ করে একটা কবিতা লিখে ফেলেছিলাম। আজকেও গরমে অতিষ্ঠ, আজকেও বৃষ্টির উপর রাগ তাই গতবছরের মাল আবার ঝেড়ে দিলাম grin emoticon ]

বৃষ্টি যদি না হয় কখনো
--------------------------
বৃষ্টি যখন হবেনা সহসা আর
ছাতা হাতে নিয়ে বেরুনো কি দরকার?
বর্ষাতি গুলো ভাজ হয়ে পড়ে থাক
বোবা মেঘগুলো দিবেনাই যদি ডাক।
বড় গামবুট, প্লাস্টিক জুতো
জানালা বাঁধার দড়িদড়া সুতো,
কার্নিশে বসা ভিজে যাওয়া দাঁড়কাক
এগুলো নাহয় সব হারিয়ে যাক।
রাত্রি বেলার ঝিরঝির গান,
মাটির সোঁদা ভেজা ভেজা ঘ্রান,
দুলে দুলে চলা কাগজের নাও,
বর্ষা বিহীন সব যে উধাও।
ভুনা খিচুরি ইলিশের ধুম,
ঝুম দুপুরের কাঁথামুড়ি ঘু্‌ম
পর্দা লাগানো লাজুক রিকশার
বুঝিনা কি দরকার
বৃষ্টি যদি হবেনা কিছুতে আর।।
(২৫/০৪/২০১৪)

বৃষ্টি ভেজার দিন



বাস থেকে নামতেই বৃষ্টি শুরু হল। এতক্ষণ কটকটে রোদ ছিল। হঠাৎ আকাশ কালো করে বৃষ্টি। আমি মাথা নিচু করে দৌড়ে একটা দোকানের ঝাপের নিচে ঠাই নিলাম। আমার বুক পকেটে একটা চিঠি। চিঠিটা ভেজেনি দেখে আশ্বস্ত হলাম।

আমার বুক পকেটে আমার ভাইয়ার চিঠি। ভাইয়া এক বছর হল চাকরিতে ঢুকেছে ভাল একটা লিজিং কম্পানিতে। ও আমার পাঁচ বছরের বড় কিন্তু সম্পর্কটা বন্ধুর মতো। তুই তোকারি করি, মাঝে মাঝে ডাকিও নাম ধরে। ওকে দেখে আমার কখনো সিগারেট লুকাতে হয়নি। ও একদিন হঠাৎ একটা চিঠি আমাকে দিয়ে বলল ছোটন যা তো এটা মিতুকে দিয়ে আয়। আমি আকাশ থেকে পড়লাম। মিতু কে, কি পরিচয় কিছুই তো জানিনা। তাছাড়া ভাইয়ার মেয়ে বিষয়ক আগ্রহের কথাও কখনো শুনিনি। ভাইয়াই বলে দিল নাসিরাবাদ ওমেন্সের সামনে জামিল স্টোরে দাঁড়াবি মিতুই তোকে চিনে নিবে। আমি খানিকটা বিরক্ত হয়ে বললাম চিঠির দরকার কি ফোন করতে পারিস না? ভাইয়া বলল মিতুর নাকি চিঠি পেতে ভাল লাগে। আমি চিঠি নিয়ে গিয়ে জামিল স্টোরে দাঁড়ালাম। একটু পর একটা মেয়ে এলো। ছিপছিপে গড়ন। শ্যামলা চেহারা। মায়া মায়া দুটা চোখ। আমার চেয়ে বছর দুয়েকের বড় হবে। প্রথমদিন মিতুর সাথে আমার টুকটাক কিছু কথা হল।

Thursday, October 1, 2015

Ma er moto Chachi.


Kono ek kurbanir eid. May be 1991 or 1992 er ghotona. Gorur mangsho kat-te jeye nijer daan haat er angul (finger) kete jay. Primary school er shomoy Eid e amra C type er polapain shobai ekshathe ghuraghuri kortam. Jahid Hossenpappu vai, shilu, suji, Sumon Islam, baitta peyaz Babu vai, Choton vai, Rakibul. Sei eid tay ami kono basay jeye khete parchilamna kata angul er jonno. Shondhar shomoy gelam Md Maksudur Rahman Rana vai der basay. Shobai janen Rana vai der kono bon chilona. 

যাত্রা শুরু



অনেক দিন ধরেই কিছু লিখব লিখব করে লিখা আর হয়ে উঠছে না। টলি ভাই, জসিম ভাই, জাভেদ ভাই, আতিক ভাই, রেজা ভাই আর ও অনেক ভাই বোন (সবার নাম উল্লেখ করলাম না) আর specially রাসেল এর লিখাগুলি পরে আমি অনেক সময় পার করেছি এবং ষ্টীল মিলের যা কিছু ভুলে গিয়েছিলাম আর যা ছিল অজানা সবই এখন জানা। ধন্যবাদ এবং সাধুবাদ সবাই কে। ভাবতাম আমিও কিছু শেয়ার করতে পারি, বিশেষ করে টলি ভাই আমার এক কমেন্ট পরে বলেছিলেন আমি যেন কিছু শেয়ার করি। কিন্তু সময় এবং ব্যস্ততার কাছে আমি বরই অপরাগ। কি আর করা প্রবাস জীবন মেনে নিয়েছি অনেক আগেই, বুজে গেছি এভাবেই চলতে হবে সব সামলিয়ে। তাই কিছুটা সময় নিয়েই লিখতে বসেছি। জানি না কেমন হবে কারন এটাই আমার প্রথ্ম লিখা বাংলাতে। তাই অনেক সময় লেগে যায়। (চলবে)

Stockholm
Sweden

"ওস্তাদ যখন ছাত্র...র...র...র... !!!"

- Mahabub Rasel

অনেকের অনুরোধের সমাধান হিসেবে, মামলা খাওয়ার ভয়ে, আর শ্রধ্যেয় স্যারের প্রতি সন্মান রেখে সিনেমাটি অকালে মুক্তি দেওয়া হল............

কেলা-কেলি আর করগোশের অভিজ্ঞতার পর থেকে টিউশনি করার তেমন একটা আগ্রহ থাকতো না, ছোট পোলাপাইন হলেতো প্রথমেই না তার উপরে বিকাল বেলায় নিজেদের খেলাটাও বিসর্জন দিতে হয় পড়াতে গেলে একদিন এক ছোট ভাই এসে বলল, “ রাসেল ভাই আপনার জন্য একটা টিউশনি ঠিক করেছি আমি বললাম ভালো কথা কিন্তু বিকালে হলে, আর ছোট পোলাপাইন হলে পড়াবো না, আমার মাথা গরম হয়ে যায় সে বলল, “ না ভাই, কি যে বলেন, আপনার জন্য বড় ছাত্র ঠিক করেছি, আর আপনার সুবিধা মত পড়ালেই চলবে !!!” আমিতো এমন অফারে দারুন খুশি

জীবিত ও মৃত


আজ বিকালে হঠাত দেখি পুলক ভাই সবার জন্য ফরম এর ব্যবস্থা করছেন যার মাধ্যমে সবাই ইনফরমেশন জমা দিবে। ব্যাপার টা দেখে নিজেই একটু দিধায় পড়ে গেলাম।

রবীন্দ্রনাথ এর একটা গল্প আছে। জীবিত ও মৃত। গল্পের নায়িকা কাদম্বিনী মারা গেলে তাকে দাহ করতে নিয়ে যাওয়া হয়। শ্মশান এ হঠাত তার দেহ নড়ে উঠলে সবাই পালায় তাকে ফেলে।কারন সবার কাছে মৃত। পরে এক বান্ধবী র বাড়িতে সে আশ্রয় নেয়।কিন্তু সবসময় সে দিধায় থাকে এই ভেবে যে কোথায় তার স্থান।এই পৃথিবীতে নাকি পরপারে।এক সময় তার মৃত্যুর ব্যাপারটা সবাই জেনে যায়। কেউ তাকে এ জগতের মানুষ বলে গ্রহণ করতে চায় না। শেষ পর্যন্ত সে পুকুরে ডুবে মরে প্রমাণ করে সে আসলেই মরেনি।

Wednesday, September 30, 2015

তোমার আজ মন ভালো নেই

- Javed


তোমার আজ মন ভালো নেই
-------------------------------
আমি সীমান্তে পাঠিয়েছি দূত
সে খবর এনেছে
তোমার আজ মন ভালো নেই।
আমি কাঁটাতার কেটে দিয়ে
উপড়ে এনেছি চৌকি
দুঃখ সব এপারে আসুক।
সীমান্তরক্ষীদের বলে দিয়েছি
নতজানু হয়ে থাকো
দুঃখ সব এপারে আসুক।
ঘোড়সওয়ার খবর এনেছে
তোমার আজ মন ভালো নেই।।
শুল্ক বিভাগকে বলে দিয়েছি
দুঃখের উপর কোন কর শুল্কায়ন হবেনা
দুঃখ অবাধে এপারে আসুক।
গোয়েন্দারা প্রতিবেদন দিয়েছে
তোমার আজ মন ভালো নেই।।
(৩০/০৯/২০১৫)

যৌথ আবাসিক কলোনি



আজ বন্ধু Md Jahid এর একটি লেখা পরলাম। বন্ধু Tajul Islam এর সমর্থনের (লাইক) কারনেই লেখাটি চোখে পড়লো। ফেসবুকে আমি জাহিদের বন্ধু তালিকায় নেই তাই তার টাইম লাইনে কিছু লিখতে পারছি না। তার অভিযোগ CSM পেজটি শুধুমাত্র জরুরি আবাসিক কলোনির প্রতিনিধিত্ব করছে। আপাতদৃষ্টিতে তাই মনে হতে পারে কেননা পেজটিতে যৌথ আবাসিক কলোনির বাসিন্দাদের অংশগ্রহন কম। একারনে স্মৃতিচারণমূলক কোন লেখাতে যৌথ আবাসিক কলোনির কোন প্রসঙ্গ উঠে আসেনা। যৌথ আবাসিক কলোনিতে আমি নিজেও অনেক আড্ডা দিয়েছি। যৌথ আবাসিক কলোনির পানির পাম্প, খেলার মাঠ, বিল্ডিংগুলোর ছাদ সব জায়গাতেই আড্ডা দেয়ার পরম সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আমি ভুলে যাইনি সেই বিখ্যাত চাকলুপানিয়ার কথা। আমি বাক্তিগত ভাবে মনে করি নিয়মতান্ত্রিকতার মাঝে থাকা জরুরি আবাসিক কলোনির চেয়ে যৌথ আবাসিক কলোনির দিনগুলো অনেক বেশি রঙ্গিন ছিল। যৌথ আবাসিক কলোনির বাসিন্দাদেরই সেই রঙ্গিন দিনগুলোর কথা তুলে আনা উচিত। 

CSM সবসময় একটি পরিবার ছিল, একটি পরিবারই থাকবে।

চুরি ও ইমোশোন।


আমরা তখন ডি টাইপে থাকি, আমাদের পিছনের বিল্ডিং এ রিনিদের বাসা, ওদের আম গাছে অনেক আম ধরেছে, তখন ৮৮ সাল রোজার মাস, তারাবির টাইমে অপারেশন শুরু, আমি, দুলি, মনিরুল, আরো কয়েকজন আম পাড়ছি এমন সময় রিনি দের বাসা থেকে আম চোর আম চোর বলে চিৎকার, আমি আর দুলি আর দেরি না করে ওদের বাসার দরজার বাইরের দিকের ছিটকারি লাগিয়ে দিলাম যাতে ঘর থেকে কেউ বের না হতে পারে। তারপর মনের সাধ মিটিয়ে আম চুরি করলাম। বাসার ভিতর থেকে চিৎকার করছে, তাতে কি কেউ তো আর বের হতে পারবেনা। পরে পুকুরপাড় বসে আম খেলাম, যা খেলাম তার চেয়ে বেশি নস্ট করলাম। বাসায় যাওয়ার সাথে সাথে বাপ কতৃক ঝাড়ু পেটা। আজো বুঝলাম না এতো তাড়াতাড়ি বাসায় কমপ্লেইন্ গেলো কিভাবে। পরদিন এর প্রতিবাদে দুলি কে সাথে নিয়া রিনিদের বাসার সামনে টাইম বোমা ফাটাতে গেছি ( বোমার সাথে আগর বাতি লাগিয়ে আগরবাতি তে আগুন জালিয়ে দিলে ৫/৭ মিনিট পর বোম ফাটে, এটাকে আমরা টাইম বোমা বলতাম) বোম ফিট করে একটু দূরে যেতেই কে জানি বলল রিনির দাদি বা দাদা খুবি অসুস্থ, একথা শুনার সাথে সাথে আমরা বোমার আগুন নিভিয়ে ফেললাম।

“ আদব লেহাজের চুড়ান্ত নমুনা “



আমাদের ৯৭ ব্যাচের আলী আক্কাস স্বপন, কলোনীর কয়েকজন বিরল প্রজাতির বান্দরের মধ্যে একজন। মসজিদে গেলেও আমাদের বাঁদরামির শেষ থাকতো না, জুম্মার নামাজ পড়তে গেলে সবার আগে খুঁজে বের করতাম আমাদের গুলো কোথায় বসে আছে ? এরপর একসাথে হয়ে সেখানেও বাঁদরামি, জামা টানাটানি, পাঞ্জাবি গীট্টু দিয়ে দেওয়া, কে ঘুমে ঝুরছে তাকে নিয়ে হাসা হাসি ইত্যাদি ইত্যাদি !

একদিন সম্ভবত এশার নামাজের সময়, নামাজ শুরু হয়ে গেছে, সবগুলো দৌড় দিয়ে নামাজের কাতারে হাসা-হাসি করতে করতে হুড়-মুড় করে দাঁড়ালাম, আক্কাস দাঁড়িয়ে দেখে তার পাশে ছানার আব্বা ( আঙ্কেলের নাম মনে নেই এখন ) নামাজের নিয়ত বাঁধা অবস্থায় আছেন, তবুও আক্কাস আঙ্কেলের দিকে তাকিয়ে আদবের সাথে দাঁত কেলিয়ে বলল, “ আঙ্কেল আসসালামুয়ালাইকুম !!! “ আঙ্কেল নামাজের নিয়ত বাঁধা অবস্থায় আক্কাসের দিকে তাকিয়ে বললেন “ ওয়ালাইকুম-আসসালাম !!! “ আবার নামাজের দিকে মনোযোগ দিলেন।

শাহজাহান ভাই ও হুজুর স্যারের চাউল পড়া


ক্লাস এইট অথবা নাইনে আমাদের ক্লাসে এক নতুন ছাত্র ভর্তি হলো। আমাদের নতুন সহপাঠীর নাম শাহজাহান। হালকা পাতলা লম্বা গড়নের শাহজাহান এর মুখে সব সময় থাকতো সারল্য মাখা হাসি। মোটা ফ্রেমের চশমা পরা মুখে সুন্দর করে ছাটা গোফ ওয়ালা শাহজাহান সত্যি কারেই ছিলো অত্যন্ত সহজ সরল বোকা সোকা একটা ভাল ছেলে।শাহজাহান আমাদের চেয়ে বয়সে কিছুটা বড়ই হয়তো ছিল সেটা তার গোফ ই বলে দিতো। কিছু দিনের মধ্যে শাহজাহানের সাথে আমাদের দোস্তি হয়ে গেলো। কিন্তু সমস্যা একটা শাহজাহান ক্লাসের সবাই কে ভাই বলে সম্বোধন করে উপায় না দেখে আমরা ও তাকে শাহজাহান ভাই ডাকতাম। 

Tuesday, September 29, 2015

লুলু পাগলা


মাঝে মাঝে আমার পুরাতন পোষ্ট বের করে পড়ি। নিচের পোষ্টা তেমনি একটা লেখা। যখন এটা আমার টাইম লাইনে দেই তখন সিএস এম কলোনীর এ পেজটার জন্ম হয়নি। ভাবলাম কলোনীর সবার জন্য আবার পোষ্ট করি-----------------
লুলু পাগলা

এমন কোন কবি-লেখকদের আড্ডা নেই যেখানে তাকে পাওয়া যেতোনা। একমুখ ঘন গ্যাজালো সাদা লম্বা দাড়ি, মাথায় কোঁকডা সাদা চুলের কাশবন।সেখানে থেকে থেকে দু’একটা কালো চুল তখনো অতীতের গৌরবময় স্মৃতি ঘোষণা করছে। নাক মুখ তীক্ষ্ণ ধারালো। গোল চশমার পেছনে সম্মোহন করার মত চোখ। ঠোটে একটা দুষ্ট হাসি ঝুলেই থাকতো। কোন কথা বলার পর প্রাণ খোলা পরিচ্ছন্ন হাসি। এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম তিনি আমাদের কবি সামশুল আলম ওরফে লুলু ওরফে লুলু পাগলা তার আরেকটা নাম আমরা দিয়ে ছিলাম-ঠাকুর।তবে আমরা কেউ লুলু ভাই আবার কেউ ঠাকুর বলে ডাকি(ঠাকুর বলে ডাকলে তিনি ভীষণ খুশি )।পাগলের হাসি সুন্দর আর সরল।তার হাসি দেখলেই বোঝা যেতো তিনি ঐ শ্রেনির অন্তরগত।বয়স অবশ্যই ৭০-এর উপর হবে।বয়সের ওজনে শরীর সামান্য ধনুক বাঁকা।হাড্ডিসার শরীরে উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ে তিনি প্রগৈতিহাসিক যুগের রেলিং সাইকেলে প্যডেল মেরে সারা কুষ্টিয়া ঘুরে বেড়ান।যতবড় আর দামি অনুষ্টানই হউক না কেন আমাদের ঠাকুর লুঙ্গি-সার্ট আর রাবারের সেন্ডেল ছাড়া দ্বিতীয় কোন পোষাক পড়তেন না।দেখা গেল রবীন্দ্র কুঠি বাড়ি বা শহীদ মিনরে অথবা শিল্পকলা একাডেমিতে যথা সময়ে তিনি ঐ পোষাকে স্টেজেউঠে পড়লেন।ঠাকুরের হাতে থাকতো বাজারের থলে ভর্তি রাজ্যের লেখালেখির পান্ডুলিপি ।তবে কোন আড্ডায় তাকে তেমন একটা কবিতা পড়তে শুনতাম না। আড্ডায় যা সাধারনত: হয়--- লেখা পড়া- আলোচনা-সমালোচনা কখনো মন মতো মন্তব্য না হলে আলোচকের উপর আকারে ইংগিতে কথার ঝড় বইয়ে দেয়া, এর কোনটাতেই লুলু ভাই নেই।একবারই শুধু কি একটা বিষয় নিয়ে যেন অধ্যাপক মিজান সাহেবের সাথে জম্মের লাগা লাগেছিল।ব্যতিক্রমি মানুষ অল্পদিনেই অন্তরঙ্গ এবং যথারীতি এক বৃদ্ধের সাথে বন্ধুত্ব। আড্ডা শেষে নিচু গলায় আমার লেখার খুঠি-নাটি ধরে মন্তব্য করতেন উপদেশ দিতেন। কখনো তা শুনতাম আবার কখনও হু হা করে পাশ কাটাতাম। তার লেখায় কখনো মানুষ,কখনো সমাজের অসংগতি আবার কখনো ঈশ্বরের কাছে প্রর্থনার কথা সুন্দর ভাবে ফুটে উঠতো।যা এক কথায় ভালই লাগতো।

মঙ্গলে বইছে পানির ধারা


এই সংবাদে চান্দে যাওয়ার সিন্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করলাম। যারা যারা মঙ্গলে মাছ ধরতে যাইতে চাও তারা জাল---বরশী...টেটা...জুতি..বল্লম...পলো জোগার কর্ আর যারা মাছ ধরবা এবং ঘর বাড়ী বানায়ে থাকতে চাও প্রত্যেকে একজন করে নতুন জীবন সংগী( পুরুষ হলে নতুন বউ......মহিলা হলে ফ্রেস হাজব্যান্ড......তৃতীয় লিংগ আপাতত: বাদ) সাথে নিতে হবে। সব কিছু রেডী মাত্র কয়েকটি মঙ্গলমনের(পাঙ্খা যুক্ত গাড়ী) সিট ও অল্প সংখক দক্ষিন মুখি প্লট বাকি আছে। সত্ত্বর যোগাযোগ করুন।

চাঁন্দের বুড়ী চাঁদ সুলতানা ওরফে বন্যা
ম্যানাজার(ভারপ্রাপ্ত)
সি,এস,এম কলোনী।
তাং ২৯/০৯/১৫

আতিক ভাইয়ের নাম


আমাদের বিল্ডিং এর এক আপা একদিন বিকাল বেলায় আমাদের বাসায় আড্ডা দিতে আসছেন। বিষয়, আতিক ভাইয়ের নাম।আতিক ভাইয়ের ডাক নাম নাকি জোসেফ। উনার সাথে মিলায়ে ছোট ভাইয়ের নাম জাবেদ।আতিক ভাইয়ের ভাল নাম নাকি আতিক উল্লাহ। তারপরে বলতেছেন, আল্লাহ জানেন, জাবেদের ভাল নাম কি? মনে হয় জাবো উল্লাহ! আজ ওই আপা থাকলে কইতাম, আপা জাবেদ ভাইয়ের ভাল নাম জাবো উল্লাহ না, Tambourine man তবে উনাকে অনেকে আদর করে তাম্বুরা বা জাম্বুরা বলে ডাকেন

Monday, September 28, 2015

"খোলা চিঠি"

- Mahabub Rasel

লেডিস & জেন্টেল CSM,

আমরা আসলে কি মিস করি? আমাদের গর্ব কি? CSM কলোনি, নাকি CSM কলোনির মানুষজন ? আমরা সবাই যদি CSM কলোনির না হয়ে অন্য কোন কলোনির হতাম, ধরে নেন আমাদের কলোনির নাম ছিলো " ভুতের কলোনি", তাহলে কি আমাদের মন মানুষিকতা অন্য রকম হত ? আমারতো তা মনে হয় না কারন আমরাই CSM কলোনির পরিবেশকে এমন ভাবে বানিয়েছিলাম যার কারনে আমরা CSM কলোনিকে মিস করি গর্ব করি