Sunday, November 8, 2015

মহাদেব সাহার কবিতা



আমাদের সেই কথোপকথন, 
সেই বাক্যালাপগুলি টেপ করে রাখলে পৃথিবীর যে-কোনো গীতি কবিতার শ্রেষ্ঠ সঙ্কলন হতে পারতো; 
হয়তো আজ তার কিছুই মনে নেই 
আমার মনে সেই বাক্যালাপগুলি নিরন্তর শিশির হয়ে ঝরে পড়ে, মৌমাছি হয়ে গুনগুন করে 
স্বর্ণচাঁপা আর গোলাপ হয়ে ঝরতে থাকে; সেই ফুলের গন্ধে,
সেই মৌমাছির গুঞ্জনে আর কোকিলের গানে 
আমি সারারাত ঘুমাতে পারি না, নিঃশ্বাস ফেলতে পারি না, আমাদের সেই কথোপকথন, সেই বাক্যালাপগুলি আমার বুকের মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকার সমস্ত সোনার খনির চেয়েও বড়ো স্বর্ণখনি হয়ে আছে- 
আমি জানি এই বাক্যালাপগুলি গ্রথিত করলে পৃথিবীর একটি শ্রেষ্ঠ প্রেমের কবিতা হতে পারতো; 
সেইসব বাক্যালাপ একেকটি হীরকখণ্ড হয়ে আছে, জলপ্রপাতের সঙ্গীত মূর্ছনা হয়ে আছে, 

সেইসব মানুষেরা



আমাদের কলোনিতে এমন কিছু পরিচিত মানুষ ছিল যারা কোনভাবেই স্টিলমিলের সাথে জড়িত না অথচ ছিল আমাদের বড় আপনজন। আমরা নিজেরাও জানিনা কবে কিভাবে তারা আমাদের কাছের মানুষ হয়ে গিয়েছিলো। সেইসব দুচারজন মানুষ নিয়ে এই ফিচার। এরকম আরো কয়েকজন হয়তো আছে যা আমার জানা নেই।

সুজাউদ্দিন (প্রকাশ সুজি): সেই কবে নোয়াখালীর কোন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এসে সাগর পাড়ের স্টিলমিল কলোনিতে জীবিকার সন্ধান পেয়েছিলেন সুজাউদ্দিন। কলোনিতে সবাই তাকে চিনতো সুজি নামে। একটা কাজই জানতেন- নারকেল গাছের রক্ষণাবেক্ষণ। সেই থেকে কলোনিতে। শেষের দিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে খলিল নামের একজনের আগমন ঘটেছিলো তবে অত্যধিক চতুর প্রকৃতির হওয়ায় কলোনিতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি খলিল। সহজ সরল সুজাউদ্দিন কথা একটু বেশি বলতেন আর কথার পুনরাবৃত্তি করতেন খুব। 

" ছোট্ট বেলার দুঃখ "



দুঃখটা হলো, ছোট বেলায় কখনো নিজের সাইজের জামা, প্যান্ট, জুতা পরতে পারি নাই 
আর যতদিনে এইগুলো আমার সাইজের হতো, ততদিনে জামা, প্যান্ট, জুতা স্ক্রাফ হয়ে যেত এবং বাতিলের খাতায় চলে যেত ।

করন যখনি জামা, প্যান্ট, জুতা কিনতো, এক বা দুই ইঞ্চি বড় কিনতো !!!!
কারনটা সবার'ই ভালো করে জানা আছে ..................
একবার মনে আছে, তখন বুট স্টাইলের জুতার ফ্যাশন চলছে, আমি ঈদের সময় প্রায় এক সপ্তাহ চিল্লাচিল্লি করে, ৩/৪ বার নিউ মার্কেটে গিয়ে চকলেট কালারের CAT এর ওই জুতাই কিনেছিলাম, যত জুতাই দেখাক না কেন, ওইটাই লাগবে আমার দাম ছিলো ১৯৯১/৯২ সালে প্রায় ১৭০০ টাকা। 

Saturday, November 7, 2015

”দি লাইফ অব ইমোশনাল ১“ ( তারল্য জীবন)



যাক অবশেষে সেনসর বোর্ডের সদয় অনুমতি পাওয়া গিয়াছে। তাহলে শুরু করি।
”দি লাইফ অব ইমোশনাল ১“ ( তারল্য জীবন)

কলোনীর পোলাপান যখন দু টাকার সিগারেটের জন্য ফাষ্ট বুক, সেকেন্ড বুক করছে , তখন তাদেরই একজন ঢাকায় সেটেল হয়ে পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী , য়খন পোলাপান তিন টাকারভাড়াকেও হাফ করে ২ টাতা দিয়ে ২ নং বাসে করে নিউ মার্কেট আসে যায়, তখন ঐ ব্যবসায়ী বন্ধু বিলাসবহুল এসি বাসে করে মাসে দু তিনবার আড্ডা মারতে চট্টগ্রাম আসে। আসার সময় অনেকের জন্য দামী বিভিন্ন চকলেট বা অন্যান্য কিছু নিয়ে আসতো।

ছিঃ ছিঃ তোমরা এতো খরাপ



আমরা সবে মাত্র কলেজে ১ম বর্ষে পড়ছি।যুক্ত হলাম স্ববান্ধব নামে একটি অরাজনৈতিক/সামাজিক সংগঠনের সাথে একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে(বলা যাবেনা)।শুরুতে তাদের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করতে লাগলাম।একবার তারা সিদ্ধান্ত নিলো একটি লাইব্রেরী দিবে, আমাদেরকে (সি এস এম ) একটি অফার লেটার সহ যাবতীয় কাগজ দিলো, আমরা জানালাম চেস্টা করব।

কিছুদিন পর আমরা এক সন্ধ্যায় চারজন গেলাম তাহের ব্রাদার্স এর অফিসের সামনে।ঠিক করলাম যা পাবো তার থেকে কিছু আমরা খাবো।তারপর আমি এবং বাবার ফেসভ্যালু ভালো চিনে এইরকম আরেকজন কে নিয়ে ঢুকলাম তাহের ব্রাদার্সের অফিসের ভিতরে,তাহের আঙ্কেলের কাছেই।উনি আমার এবং আমার সাথের আরেকজন কে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলেন আমরা কার ছেলে,আমরাও বলে দিলাম এবং তিনি চিনতে পারলেন।টাকার অংক আমরা অফার লেটারে বসাই নাই।

আবিয়াত্যাদের বিয়ে নিয়ে ভাবনা



আবিয়াত্যাদের বিয়ে নিয়ে ভাবনা

জাবেদ কালকে মেডিকেলে দুষ্টুমীর ছলে বলেছে, বিয়ের আগেই যেন প্রোগ্রাম হয়ে যায় তাইলে ১০০০ টাকা দিয়ে বাঁচা যাবে।। কিন্তু আমরা চাই জাবেদের মত আরো যারা আবিয়াত্যা আছে ছেলে অথবা মেয়ে সে যেই হোক তাদের এই স্বপ্ন যেন কিছুতেই পুরণ না হয়। বন্ধু কাজীতো বলেছে প্রোয়োজনবোধে ইতিহাস সৃষ্টির জন্যই প্রোগ্রামেই ওদের সবার সাদি মোবারক সম্পন্ন হবে। তাই আমাদেরকে এই স্বল্প সময়েই আগে লিষ্ট করতে হবে আমাদের আবিয়াত্যা ভাই বোন দের নাম তারপর এদের জন্য মেয়ে (ছেলেদের জন্য), ছেলে (মেয়েদের জন্য) দেখতে নেমে পরতে হবে। অবশ্যই সবই হবে ওদের বাবা মার অনুমতিতে। বাবা মা এই পোলা মাইয়া নিয়া অনেক সমস্যায় আছে। তাই আমাদেরকেই নেমে পরতে হবে পবিত্র এই কাজে।

অবিনাশ স্যার




ক্লাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি, ক্লাস নিচ্ছেন অবিনাশ স্যার, হঠাৎ আমার কাছে এসে খুব মধুর স্বরে বললেন বাপজান বাইরে কি দেখো, স্যার আমার এক পরিচিত জন যাচ্ছে তো এটা দেখছিলাম- আমার উত্তর। স্যারের মধুর স্বর এবার রন হুংকারে পরিনত কান ধরে টানতে টানতে বললেন, তোর পরিচিত জন যে একটা মাইয়া এইটা তো আমি বুঝি।

স্কুলে পৌছাতে অনেক দেরী হয়ে গেছে, আজ অবিনাশ স্যার আমার খবর করে দিবেন। তাই স্যারকে ম্যানেজ করার জন্য ইউনুসের দোকান থেকে স্যারের জন্য স্পেশাল পানের খিলি নিলাম। ক্লাসে ঢুকতেই স্যার পানটা মুখে দিয়ে আমার ঘাড় ধরে মাথাটা টেবিলে নামিয়ে পিঠের মধ্যে স্যারের হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে (স্যারের আংগুলে সবসময় তিন চার টি পাথরের আংটি থাকতো) রাম থাপ্পড়।

দেখা হবে বন্ধু



গতকাল সবার মতামত এর উপর আমরা একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে যা পোস্ট করা হয়েছে, আগামী ২৯/০১/২০১৬ ইং গানার ক্লাব এ আমরা সিএসএম কলোনী বাসী এক গ্রেন্ড আড্ডায় মিলিত হতে যাচ্ছি। সে জন্য সিএসএম এর সকল ভাই বোনদের অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আমরা কলোনী থেকে ১৯৯৩ এ বের হয়ে যাই।দুবছর চিটাগাং ছিলাম তারপর ঢাকা চলে যাই। আজ আমার, ও আমাদের অনেকের বাবা বেচেঁ নেই,অনেকের বাবা অসুস্থ।

ভোর ৫.৩০ এখন

- Nahidul Alam Razon


ভোর ৫.৩০ এখন।
ভেবেছিলাম ঘুমাতে যাবো।
হঠাৎ টেবিলের উপর রাখা আপেলের উপর চোখ পরল
আপেল গুলো কেমনে জানি আমার দিকে তাকাইয়া আছে!!!!
বড় আকারের একটা আপেল মুখে নিয়া 
মুখ আর কি-বোর্ডে এ আঙ্গুল একসাথে চালানো শুরু করলাম।

"BABA DOLE DOLE JABO"



yes, little confusing, this is the desire of my little angel after getting her father for about a week. She expressed her desire for rocking in the park & to walk with her father. When I was taking my breakfast she came with tearful eyes and told "BABA tara tare khaw na, ame dole dole jabo." Though I had some other commitments, even though nothing could stop me with out enjoying the time with my little angel in the park. 

I was enjoying her rocking & Unremitting questions. At some time I was turning the pages of memories of myself. It is so rusty and was quite difficult for me to recollect the names of my childhood friends who all were rocking with the tree in "Buijjar Bagan". mother help me out to recollect the names & act as a bridge of my thoughts. 

বিষয় টার দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি

- Chand Sultana

কাল রাতে আড্ডা দিতে গিয়ে খুব জরুরি বিষয় যা উঠে এসেছে তা হল জাবেদ,রাসেল,ইফতি, নমি,সুজন সহ কয়েকজনের বিয়ের কথা। জাবেদ ছিল চুপ,মানে সম্মতি দিয়েছে যে হলে ভাল। জনি,ইফতি ও চুপ। সুজন পানিতে ডুবে ছিল,বিয়ের কথা শুনে ভেসে উঠেছিল। তার মানে সেও রেডি। রাসেল হল চরম বেয়াদ্দপ। কথারে নানাদিকে ঘুরাইসে,প্যাচাইসে। এইগুলার কি ব্যবস্থা করা যায় তা ২৯ শে জানুয়ারির আগেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আজ টাকা কত দিতে হবে তা শুনে ইচা মাছ লাফ মারসে,যে তাদের ফ্রি দিতে হবে। আব্দার শুনে তাজ্জব হয়ে গেলাম। এদের এই প্রোগ্রামের আগে বিয়ে না করলে ডাবল টাকা দিতে হবে। এই বিষয় টার দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

বহু বছর পরে

- Nahidul Razon


বহু বছর পরে
মানুষ ফেরে ঘরে
প্রস্ন আসে কোথায় ছিলে????
জানায় সে উত্তরে
ঘুমের ঘরে ছিলাম
রাতের ঘরে ছিলাম
প্রানের কালো ছবির মতো
একলা নিঝুম ঘরে

Friday, November 6, 2015

সি এস এম আড্ডা



আড্ডা হচ্ছে আতিক ভাই রেজা ভাই আর বুবুর মধ্যে 
আতিক খবর শুনছিস ?
কোন খবর রেজা ভাই ?
পাগল দুইটা চিটাগং এ গিয়ে কো কো শুরু করছে ?
রাসেইল্লার পেট রকেটের মতো ছুটছে কিন্তু নইম্মার কি হলো ? 
কাল জসিম ফোন করে বলল নইম্মার চোখে পেইন হচ্ছে ? 
এই দুইটারে ঢাকা থেকে দৌড়ায় একদম ঠিক করছেন রেজা ভাই , আমারে জ্বালায় মারলো নইম্মা । 
মুহাহাহাহাহাহাহাহহাহাহা ...... ( হেসে উঠলো দারোগা বুবু) 
এই জন্য বুবু একটা পার্টি দেন । 

গ্র্যান্ড আড্ডা ২০১৬ সি এস এম কলোনী

- Jashim Uddin


গ্র্যান্ড আড্ডা ২০১৬ সি এস এম কলোনী
--------------------------------------------
আমাদের আড্ডাবাজ সি এস এম কলোনীর মেম্বারদের জন্য সুখবর এই যে, গ্র্যান্ড আড্ডার জন্য আমরা মিলিত হতে যাচ্ছি আগামী ২৯.০১.২০১৬ রোজ শুক্রবার।
আমরা সেদিন সকাল ৮:০০ ঘটিকা থেকে রাত ১০:০০ ঘটিকা পর্যন্ত দীর্ঘ আড্ডায় মিলিত হতে যাচ্ছি।আড্ডার স্থান হিসেবে চট্রগ্রাম হালিশহরস্থ আর্টিলারীর গানার অফিসার্স ক্লাব নির্ধারন করা হয়েছে।
আমাদের এই আড্ডায় মাতা পিতা এবং সকল শিক্ষকদের উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য।
আড্ডায় অংশগ্রহন ফি : ১৫০০ টাকা (দম্পতি)
১০০০ টাকা (ব্যাচেলর)

"ইমোশনাল স্টোরি - ৩ "



আমাদের ইমোশনাল আইকন একরাতে অতি মাত্রায় ইমোশনাল, কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না !!! কি আর করা একা এলোমেলো ভাবে হাটতে হাটতে খাল পাড়ের দিকে চললেন, এমন সময় তার সাথে দেখা একজন আনসার ভাইয়ের। আনসার ভাই হাতে রাইফেল নিয়ে হেটে হেটে আসছেন, সম্ভবত তার ডিউটিতে যাচ্ছিলেন। দুইজন মুখোমুখি হতেই ইমোশনাল আইকন আনসার ভাইকে বলে উঠলেন,
ইমোশনাল আইকন.........: ওডা তোর বন্দুকর মইধ্যে গুল্লি আছে নারে ? গুল্লি গরিত ফারচ না তুই ?
আনসার ভাই.....................: আপনার সমস্যা কি ? এদিক সেদিক না ঘুরে বাসায় যান।

তিন টাকা দামের ইকোনো কলম



যদি ভুল না হই তাহলে আমার ধারণা আমাদের জেনারেশনের সবার লেখার শুরু হয়েছে তিন টাকা দামের ইকোনো কলম দিয়ে । কয়েক কালারের কলম, উপরে কালো একটা ক্যাপ, ক্যাপের সাইডে একটা চিকন ডান্ডা । ঐটা কামড়াইয়া ফার্ষ্টের দিন ই বাকা কইরা ফেলতাম ।

এই ইকোনো কলম উলটা করে কিছুক্ষণ রাখলেই কালি পড়ত । এই কালিতে স্কুলের শার্ট প্যান্টের পকেট ভরায় নাই এমন পোলাপাইন মনে হয় না খুব একটা পাওয়া যাবে । তবে কিছু কিছু কলমের কালিতে আবার সেন্ট মারা থাকত । ঐগুলা নরমালি পাওয়া যাইত না । মেলা টেলা হইলে পাওয়া যাইত ।

অথচ আমি ভেবেছিলাম



অথচ আমি ভেবেছিলাম-
ছোটবেলায় গাড়ি , প্লেন দিয়ে খেলার জায়গায় হঠাত পেন্সিল, খাতা, বইয়ের আগমন,
অথচ আমি ভাবতাম সবকিছু একইরকম থাকবে আজীবন।
তারপর একসময় সকালে উঠে স্কুলে যাওয়া,বাড়ি ফেরা, 
অথচ আমি ভেবেছিলাম সব আগের মতই থাকবে সারাজীবন।
বিল্ডিং এর পুরনো মানুষগুলোর অন্যকোথাও চলে যাওয়া,কিংবা সে জায়গায় নতুন মানুষ আসা,
অথচ আমি ভাবতাম সবাই একই জায়গায় থাকতে পারব আজীবন।
স্কুলে বড় ভাই- বোনদের বিদায় অনুষ্ঠানের দিন চোখ আদ্র হয়ে ওঠা, 
অথচ আমি ভাবতাম সবকিছু আগের মতই থাকবে সারাজীবন।

Thursday, November 5, 2015

“ কলোনি টু মাসুক ভাই “



আওয়ামিলীগ / বি আন পি যে কোন একদলের ১০০ টাকার কলোনি টু কক্সস বাজার পিকনিকে যাবার জন্য আমি, সোহেল, ছামির, রিপু, হিমেল, রবিন সহ বাস ভর্তি সবাই সকাল ৭ টা বাজেই বাসে এসে বসে আছি, আচমকা কে যেন বাসের বাহিরে থেকে জানালা দিয়ে লাঠি দিয়ে মারছে আর চিল্লা চিল্লি করছে !!!

ঘটনা কি ? মারে কে ? তাকিয়ে দেখি মাসুক ভাই !!! লাঠি দিয়ে মারার চেস্টা করছেন আর বলছেন,
“ ওই বান্দর বাহির হ, ২ দিন পরে পরীক্ষা আর তোরা কক্সসবাজার পিকনিকে যাস !!, পিকনিক বন্ধ, যে যাবি আসার পরে তার খবর আছে “

অনেক Request করলাম, ভাই চাঁদা দিয়ে দিছি, এইবার যাই, টাকা মাইর যাবে।
না, কে শুনে কার কথা, Manage করার সব চেস্টা বিফল, মাসুক ভাইতো পারলে আমাদের কারনে বোম মেরে বাস উড়িয়ে দেয় !! কিন্তু এতো সস্তায় কক্সসবাজার ট্যুরতো আর মিস করা যায় না !!

Wednesday, November 4, 2015

একাকী পথ

- Masudul Hasan

একাকী পথ
.............
তুমি যদি আমার পথে
হেটে চল একাকী
সঙ্গী হব তোমার সাথে
কথা হবে চুপি চুপি।
তোমার হাতে হাত রেখে
চলে যাব বহুদূর
গাইতে গাইতে গায়েন হব
শুনবে তখন আমারই সুর।

Tuesday, November 3, 2015

“(বালির হোটেলে- বিবাহের ফিটিং-)”



জসিম: আমি হইলাম পালের গোদা। নইম্মাটা না চিটাগাং আসিয়াছিলো..? থাকলে সি,এস,এম টিভিতে আমারে একটু দেখাইতো। অবশ্য সেদিন এক কমেন্টসে বলিলাম-“কলেনীর তোর বোনটা যে আমার বোন”- তাহলে রুবা আমার বৌ হইলো কেমনে..? আমি কি শীতকালের ওয়াজ গরম কার বলিলাম..? চিন্তার বিষয়।

শাহীনঃ মন গোমরা হইয়াছে- লাভ ক্ষতির অংক লইয়া। আসা ও যাওয়ার সিএনজি ভাড়া 450 টাকা। বেল্ট খুলিয়া খাইয়াও 350 টাকার বেশি উশুল হইলো না। 100 টাকা লছ। বরিশালের ছেলেদের অভিধানে লছ থাকতে নাই। ও পাইয়াছি, আসল বিবাহের সময় এক হালি লইয়া আসিয়া খাইয়া বাকি টাকা উশুল করিবো।

Monday, November 2, 2015

তখন ১৯৯১ সালের পরবর্তী সময়

- Niaz Morshed


তখন ১৯৯১ সালের পরবর্তী সময়। কলোনি র বিধ্বস্ত অবস্থা। এ সময় কলোনি র কিছু বড় ভাই নিজেরা মিলে এপ্রিল ২৯ নামে একটা সেচ্ছাসেবী দল গঠন করে।উনারা একটা লরি করে বিভিন্ন টিউবওয়েল, ওয়াসার ট্যাংকি থেকে পানি নিয়ে বাসার সামনে গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসতেন।আবার পানি নেয়ার সময় যাতে কোন ঝামেলা না হয় তাও দেখতেন।অনেক টা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মত।

একদিন আমাদের বাসার পাশের ওয়াসার ট্যাংকি থেকে লাইন ধরে সবাই পানি নিচ্ছিল। আতিক ভাই ওইখানে দাড়িয়ে লাইন নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। এমন সময় সুফিয়ার মা নামে আমাদের বুয়া আসল কেটলি করে পানি নিতে।যেহেতু কেটলির আকার ছোট তাই তাই সে বলল তাকে আগে দিয়ে দিতে।তখন আতিক ভাই জানতে চাইলেন কাদের বাসা থেকে এসেছে। বুয়া বলল, মোরশদগো বাসাত থন। আতিক ভাই বুঝলেন, মাকসুদ চাচার বাসা থেকে এসেছেন।তিনি পানি দেয়া হবেনা বলে দিলেন।

”পানির ট্যাংকী”


”পানির ট্যাংকী” শব্দ টা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে কলোনীর পানির ট্যাংকীটি। ওটা ছিলো কলোনীর জিরো পয়েন্ট। সব কিছুর মূল কেন্দ্র এই ট্যাংকীর তলা। ট্যাংকীর নীচে টাংকি মারা থেকে শুরু করে অনেক সিরিয়াস বিষয়ের নিষ্পত্তি এই ট্যাংকীর তলায়, কত রোমানস, কত থ্রিল,কত বিনোদন এই ট্যাংকীর তলায়, কলোনীর সর্বশ্রেষ্ঠ সফল প্রেমের সফল পরিনতি হয়েছিলো এই ট্যাংকীর তলায়।

ট্যাংকীর নীচে বসে ট্যাংকীর খয়ে যাওয়া পলেস্তরা পরে মাথা ফেটেছে, ট্যাংকীকে বিপজ্জনক ঘোষনা করা হয়েছে, আতিক কাক্কুর দাবড়ানি, কোন কিছুই দমাতে পারেনি ট্যাংকীর তলারে আড্ডাকে। ট্যাংকীর পাশে ব্যাংকে আসা গ্রাহক রা দু দন্ড জিড়িয়ে নিতো এ ট্যাংকীর নীচে।সব রাজনৈতিক, সামাজিক, অসামাজিক, আলোচনার মিলন কেন্দ্র ছিলো এ ট্যাংকীর তলা।

Sunday, November 1, 2015

আমার নিরু ভাই



নিরু ভাই কে প্রথম দেখি নাজমুল ভাইদের বাসায়। নিরু ভাইয়ার কথা বলার স্ট্যাইল, ড্রেস হাটা চলা ফেরা সব কিছুই আলাদা । দূর থেকেই নিরু ভাই কে চেনা যায়। নিরু ভাই ব্যাডমিন্টন খেলতো । জসিম ভাই এর সাথে জুটি বেধে অনেক ট্যুরনামেন্ট খেলেছে ।ওনার রেকেট ধরার স্ট্যাইল টা ছিল অসাধারন। আমি অনেকবার ট্রাই করে ব্যার্থ হয়েছি সত্যি বলতে আমি অনেক বড় ভাই কে অনেকবার ফলো করার চেষ্টা করেছি কিন্তু সাক্সেস হইনি । রেকেট ধরার স্ট্যাইল টা ফলো করতে গিয়ে "উশটা" খেয়েছি । তৌফিক প্রায় এইটা নিয়ে ক্ষেপাতো । সবাই নিরু ভাই হতে পারে না, নিরু ভাই একজনি হয়।

লুঙী ও ডাব....



ডাব অপারেশনে লুঙীর অবদান অনস্বীকার্য। কি কারনে এ বক্তব্য তা এক্ষুনি বলছি।

আমরা মোটামুটি ছোট ছোট ডাব গাছ বেছে বেছে অপারেশন চালাতাম। ছোট গাছ থেকে ডাব ফেললে ডাব মাটিতে পড়ে ফেটে নষ্ট হতোনা বা ফাটলেও খুব কম পরিমান। আমাদের স্কুলের ডাব গাছ গুলা ছিলো অনেক লম্বা, তাই সহজে ওখানে অপারেশন চালাতামনা। 

Saturday, October 31, 2015

" কপালের বল !!! "

নতুন নতুন কাঠের বলের খেলা শুরু হয়েছে, মোটামুটি সব জায়গায় হচ্ছে। প্রায় সময় বভিন্ন দল বা কলোনির সাথে ম্যাচ নেয়া হত, কেবলস কলোনির সাথ একবার খেলা নেয়া হল ( হাউজিং কলোনীর পিছনে, সম্ভবত ক্যাবলস কলোনী'ই ছিলো) , খেলা হবে ক্যাবলস এর মাঠে, চরম উৎসাহের সাথে আমরা সবাই গেলাম খেলাতে, আমরা রবিন, ছামির, রিপু, সোহেল, আক্কাস, ছাড়াও আমাদের সাথে আছে , মাসুম ভাই, পল্লব ভাই, আর আবু ভাই ।

খেলা শুরু হতে এখনো কিছু দেরি আছে, দুই দলেরই প্লেয়াররা আসছে, আমরা সবাই বসে আছি, অপেক্ষা করছি, কিন্তু আমাদের ব্যাচের শয়তানের লাঠি আলী আক্কাস স্বপন আমাদের সাথে দর্শক হিসেবে গিয়েছিলো, সে ব্যাট আর বল নিয়ে টুকটুক করছে, এমন সময় আক্কাস আবু ভাইকে ডাক দিয়ে বললো, “ আবু আয় তোকে ক্যাচ প্র্যাকটিস করাই “ বলে আবুর হাতে বল দিলো, আবুও খুশি খুশিতে ক্যাচ প্র্যাকটিস করতে লাগলো, কিন্তু আবুতো আর বুঝে নাই কার হাতে ব্যাট !!!!! হা হা হা, আবু ভাই হালকা করে বল ছুড়ে দিচ্ছে আর আক্কাস হালকা করে এদিক সেদিক মেরে ক্যাচ প্র্যাকটিস করাচ্ছে, হটাত আক্কাসের মাথায় কি ভুত উঠলো কে জানে, আবু হালকা করে আক্কাসের ব্যাটে কাঠের বলটা দিলো, আর আক্কাস ধুম করে মারলো ছক্কা !!!!!

আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, তোমাদের নিকট দুয়াও চাই, মাপও চাই


আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, তোমাদের ঢাকায় গিয়া তোমাদের কিছুই দিতে পারি নাই তিনটি বই ছাড়া। ইহার জন্য তোমাদে অনেক দৌড়ানি খাইয়াছি, এমন কি এক ছোট ভাই আমার শরীরের মাংস খুলাইয়া ২৫০ গ্রাম ওজন করিয়া পাইয়াছে এবং আমার কঙ্কালটি কাপড়বিহীন অবস্হায় এক মহিলা ডাক্তারের নিকট বিক্রি করিয়াছে। লজ্জায় আমার কঙ্কাল লুঙ্গি খুঁজিতেছে।যাক ঢাকা হইতে তোমাদের কাছ থেকে কিছুই আনিতে পারি নাই,তবে ডেঙ্গু জ্বর নিয়া আসিয়াছি।বর্তমানে আমি ডেঙ্গু জ্বরে ঢেং ঢেঙ্গাইয়া নাচিতেছি। সারা শরীরে বেদনা। তোমাদের নিকট দুয়াও চাই, মাপও চাই।

সবার জন্য মশার দোয়া

- Masuk Elahi

সবার জন্য মশার দোয়া
ইয়া আইউহাল মশা
তরজমাঃ হে মশা।
লা তা ভ্যান ভ্যান।
তরজমাঃ আমার কানে ভ্যান ভ্যান করিসনা।
এন্দাল করনাইন।
তরজমাঃআমার কানে ক্যান ক্যান করিসনা।
আনা সকচুন গরিবুন।
তরজমাঃআমি গরিব মানুষ,
লায়ে চায়ে মশিরউন।
তরজমাঃআমার কোন মশারি নেই

সব চরিত্র কাল্পনিক (১)


বি: দ্র: এই গল্পের সব চরিত্র এর নাম গ্রুপের মেম্বারদের নামানুসারে যাতে লিখতে সুবিধা হয়।কাউকে বিরক্ত বা অসস্তিতে ফেলার জন্য নয়।

আজ শনিবার।খুব সকালে উঠে শায়লা বাসার সবার জন্য নাস্তা বানাতে উঠল।যদিও তার খুব অসুখ।বুয়াও আসেনি।এমন সময় শায়লার দেবর জিসান আসল ঘুম থেকে উঠে।শায়লাকে একা নাস্তা বানাতে দেখে সেও সাহায্য করতে এগিয়ে এল শায়লা নিষেধ করার পরেও।এমন সময় দরজা খুলে আসলেন জিসানের বড় বোন বন্যা আপা।ভাবিকে সাহায্য করছে দেখে চোখ কপালে তুললেন।

" কি ব্যাপার,শায়লা, সপ্তাহে ছুটির দিনগুলোতে আমার ছোট ভাইটাকে কাজে লাগাই দিছ।"জিসান আগ বাড়িয়ে বলল, "আপা, আমি নিজ থেকেই করছি।" হয়ছে,তোরে আর ওকালতি করতে হবেনা।বন্যা আপা বললেন। মায়ের ঘরে আয়।

সি এস এম টিভি চ্যানেল (২)



ভাবছি চট্রগ্রামে আমাদের সি এস এম টিভি চ্যানেল এর জন্য ব্রাঞ্চ খুলবো , তাই গতকাল রাতে ট্রাকের উপর উঠে চট্রগ্রাম পৌছালাম। চট্রগ্রাম পৌছানোর পরেই রাসেল এর পেট রকেটের মতো ছুটলো । আহ বেচারা ওয়াস রুমের সাথে বন্ধুত্ব করে নিলো

কি আর করা আমাকেই ক্লাস নিতে হবে। জনিরে বুঝাতে হবে কি করে জসিম ভাই কে গুতা দিতে হবে কি করে পুলক ভাই রে পালিস দেয়া লাগবে

হীরা



আলমের মন আজ বেজায় খুশী। আজ সে হাসু ভাইদের সাথে কাজে যাবে। আলমের বয়স তেরো। স্থানীয় ভোলাপুর প্রাইমারী স্কুলে সে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়েছে এরপর অভাবের কারনে স্কুল ছেড়ে দিয়ে বাজারের চা দোকানে চাকরি নিয়েছে। এই চা দোকানে হাসুদের দল আড্ডা দিতে আসে। হাসু, রেজাউল, ইদ্রিস একসাথেই থাকে সবসময়। হাসুই আলম কে জিজ্ঞেস করেছে কাজে যাবে কিনা। আলম এক বাক্যে সায় জানিয়েছে। হাসুদের কাজটা সব অর্থেই নিচু। ওরা সীমান্তের ওপার থেকে ফেন্সিডিল এনে ঢাকায় পাঠায়। এদিকের অনেক বাড়ির আয় উপার্জনের উৎস এই কাজ। সীমান্ত আর ঢাকার রেললাইন কাছাকাছি হওয়ায় এই অঞ্চলে ডাইল ব্যবসা রমরমা। বর্ডার থেকে বস্তা ভরা ফেন্সিডিল ট্রেনে তুলে দিতে পারলেই হলো। ট্রেনে তোলাও খুব সহজ। আগের স্টেশন থেকে আলম ট্রেনে উঠে বসে থাকবে। মাল তোলার জায়গা আসার আগেই সে ট্রেনের হাইড্রোলিক প্রেসারের ভালভ খুলে ব্রেক ফেলে দিবে, জায়গা মতো ট্রেন থেমে যাবে। ট্রেনের গার্ড, ড্রাইভার, পুলিশের সাথেও বন্দোবস্ত করা আছে। ওরা অযথা কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে সিগন্যাল পেলে ট্রেন টেনে চলে যাবে।

Friday, October 30, 2015

খাল পাড়



CSM COLONY তে কি কি আছে , চলো আজ আমরা সবাই মিলে স্বপ্নে দেখি ?স্বপ্ন দেখতে দেখতে যদি খাল পাড়ের পানিতে ভেসে যাই তবে তা হবে সবচেয়ে আনন্দের ।কারণ ষ্টিল মিল কলোনির খাল পাড় ছিল আমার সেরা পছন্দের স্হান ।কত সময় যে কাটিয়েছি এই খাল পাড়ে ।খালি ষ্টিল কলোনিতে একটা প্রেম কপালে জুটলো না ।নয়ত গদগদ করে আরো কত লেখা বাইর হইতো ।বাকী টা বাকীর খাতায় থাক ।

আমি খুব দুঃখিত যে এমন একটি পোস্ট দিচ্ছি



(আমি খুব দুঃখিত যে এমন একটি পোস্ট দিচ্ছি। এটি পুরোপুরি ব্যক্তিগত নয় আর কিছুটা পেজ সম্পর্কিত তাই এখানে দেয়া। ব্যাপারটা কয়েকজনের সাথে আমি ফোনে শেয়ার করেছি। আমি চাই এটা আমার কাছের কিছু মানুষ জানুক। ভাঙ্গা মন নিয়ে এটা লিখলাম।)

আজ এই পেজ কেন্দ্রিক সম্মিলনকে কেন্দ্র করে একটা স্টান্টবাজির শিকার হলাম আমি। ব্যাপারটাতে এতোটাই ছোটলোকামি ছিলো যে এখানে লেখা, এখানে আড্ডা দেয়া বা কোনকিছুতে অংশগ্রহন করার ইচ্ছেও চলে গেছে আমার। যে কারনে কয়েকজনকে কথা দিয়েও তারিক ভাইকে দেখতে যেতে পারিনি আজ।

আজকে CSM প্রশংসা দিবস পালন করলে খারাপ হয় না

- Mahabub Rasel


আজকে CSM প্রশংসা দিবস পালন করলে খারাপ হয় না

কারন অনেকেই অবজেকশন দিচ্ছে, আমরা নাকি একজন আরেকজনকে শুধু পচাই, বাঁশ দেই, ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি।

আজকে দেখি কে কার কত প্রশংসা করতে পারে !!!!

আগের দিনগুলোই বোধহয় ভাল ছিল, অনেক ভাল



আজ বিকেলে DMC তে যাওয়ার জন্য রেডী হচ্ছি অমনি আদৃতা আর আজানের (আমার পোলাপাইন) মা, তারিককে দেখতে যাওয়ার জন্য সাথে যেতে চাইলো। নিয়ে গেলাম সাথে করে। ওখানে আগে থেকেই রেজা ভাই, রফিক ভাই, মনির ভাই আর নমি ছিল, খালেদ ভাইতো সবসময়ই আছে। নমি ছেলেটাকে এই প্রথম দেখলাম। ভিশন স্মার্ট আর ভদ্র। চোখে চশমা পড়ে। কিছুক্ষন পর এলো স্টীভ জব এর আপেলের বোন শাহিদা। ওকে আগেই আপেল নাসেরদের ইফতারে দেখেছিলাম। এর মধ্যে তারেকের ব্যাপারে রেজা ভাইয়ের সাথে অনেক কথা হলো। তারেক কয়েকবার বমি করলো, খুব অসুস্থবোধ করছে। 

“ সিনেমা বিডম্বনা “



পকেটে কিছু টাকা জমা হয়েছে, সারাদিন ভাবছিলাম, কি করা যায় ? তার উপরে পকেট গরম থাকলে শান্তিতে থাকার পাবলিক আমি কখনো’ই ছিলাম না। নতুন কোন গানের ক্যাসেটও বের হয় নাই !!! মাথায় ভুত উঠলো সিনেমা দেখতে যাবো !!!!, কিন্তু কখনো একা যাই নাই আমি সিনেমা হলে। একা যাওয়া কি ঠিক হবে ? সাধারনত দল বেধে যেতাম আমরা সিনেমা দেখতে।
যাই হোক টাকা পয়সা হিসাব করে সিনেমা দেখার জন্য বাসে উঠে পড়লাম, উপহার সিনেমা হলে রুবেলের একটা সিনেমা চলছিলো, তখন ফাইটিং সিনেমার জন্য রুবেল মোটামুটি বিখ্যাত ছিলো বলা যায়। অনেক ভিড়, টিকেট কাটার জন্য লাইনে দাড়ালাম, হটাত দেখি মুকুল ভাই ( ভাই ভাই ষ্টোর ) টিকেটের লাইনে দাঁড়ানো !!!

একজন মানুষ মনে হয় শত জনম তপস্যা করলেও তার ভাগ্যে এমন ভাই/বোন/বন্ধু মিলবে কিনা সন্দেহ



ও রে ভাই তোরা আমাকে একটু দম নিতে দে। এ কয়দিন ঢাকা শহরের জামে আর জার্নিতে আমার অবস্থা এক্কেবারে ছেরা-ভেরা।বই নিয়া তোমরা আমার যে পোষ্ট-মর্টাম করলা। তাতে আমার এখন ছালা পিন্দা লুকায়ে থাকা দরকার। কনা (Shahnaz Kona)সহ বেশ কয়েকজন ইনবক্সে এমন হুমকী দেয়া শুরু করলো তাতে মনে হচ্ছিল—সামনে পেলে আমাকে আলু ভর্তা করে ফেলবে।কী করবো আমার কাছে বই ছিল তিনটা।তিন বই দিছি চারজনকে(আতিকের সাথে জাবেদের নামও ঢুকায়ে দিছি—-এ জন্য জাবেদ যে আমাকে কী করে কে জানে)যাক এ সব……..

শিরোনামহীন গল্প



ভার্সিটিতে আমার খুব ভালো ফ্রেন্ড নাম কাইয়ুম। আমরা সব ফ্রেন্ডরা সবার বাসায় গিয়ে কত ভাবে মজা করি লাঞ্চ করি গ্রুপ স্ট্যাডি করি কিন্তু কাইয়ুম কোন দিন তার বাসায় নেয়নি। একবার কথার ছলে বলে ফেললাম।কাইয়ুম কথা ঘুরিয়ে বলে চল তোরে চা খাওয়াই ক্যান্টিনে।কোন ভাবেই সে রাজি হয়না। কাইয়ুম বোন আছে কিন্তু সে তো বাড়িতে থাকে তাহলে কি প্রব্লেম আমাদের নিতে ?যাই হোক নিজ থেকে না যেতে বললে কি করে যাই? এইভাবে দিন শেষ হয় বছর যায়। রেজাল্ট এর সময় ঘনিয়ে এলো । এখন তো রেগুলার আর দেখা হবে না। ফাইনাল রেজাল্ট এর দিন ফ্রেন্ড রা কেন যে জড়ায় ধরে কান্না করছিল এইটা এখন বুঝি। ইচ্ছে করলেই এখন শামিমের কাছে যেতে পারি না কাইয়ুম তো থাকে আরো দূরে,বিপ্লব তো ভুলেই গিয়েছে, শাহিন ও ব্যস্ত। রেজাল্ট এর পর হঠাত করে কাইয়ুম আমাকে এক রকম টেনে তার বাসায় নিয়ে গেলো।কি ছিমছাম গোছানো ঘর। একটা বালিও নেই।সব কিছু কে যেনো পোর্টেট করা। হুট করে একটা ১৩/১৪ বছরের একটা ছেলে এলো? কেমন জানি লাগলো ?

Thursday, October 29, 2015

টলি ভাই



গতকাল সন্ধ্যায় তারিক কে দেখার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আশা ছিলো সেখানে টলি ভাইয়ের সাথে দেখা হবে এবং দেখা হলে সেটা হত উনার সাথে আমার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। কিন্তু ওখানে গিয়ে শুনলাম উনি দুপুরে এসেছিলেন এবং উনার লেখা একটি বই আমার জন্য রেখে গিয়েছেন। বই রেখে যাওয়ার ব্যাপারটি ছিলো আমার জন্য খুবই সারপ্রাইজের। কয়েকজন বড় লেখকের অটোগ্রাফ সহ কিছু বই আমার সংগ্রহে আছে, তা স্বত্তেও টলি ভাইয়ের দেয়া উনার এ বইটি আমার কাছে স্পেশাল।

আমার এত কিছু বলার কারন হচ্ছে ফেসবুকে আমার লেখালেখির শুরুর উতসাহ পেয়েছি টলি ভাইয়ের কাছ থেকে ও ফেসবুকে উনার বিভিন্ন লেখাগুলো পড়ে।

Thanks. Moin Khan টলি ভাই। I m grateful to u.

আমার ভাগ্য সব সময় আমার বিরুদ্ধে সুপ্রসন্ন



আমার ভাগ্য সব সময় আমার বিরুদ্ধে সুপ্রসন্ন। আমি উত্তরে গেলে সে যায় দক্ষিনে আর আমি দক্ষিনে গেলে সে যায় উত্তরে। যে কারনেই হোক ভাগ্য বেচারা (আসল “বেচারা” তো আমি) আমার সাথে চলতে মোটেই পছন্দ করে না। বিভিন্ন জায়গায় আমার সরাসরি “কট” খাওয়ার পিছনেও আনেকটাই এই ভাগ্যেরই অবদান (নিজের দোষ ঢাকার চেষ্টা না)। যেমন আমার সব বন্ধু আমাকে অত্যন্ত ভদ্র ও ভালো ছেলে বলেই জানে। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু করে ফেলি বা করে ফেলতে যাই যা অন্তত আমাকে মানায় না বলে তারা মনে করে।

Wednesday, October 28, 2015

বাহাত্তর চুম্বন



(২০১৩ সালের ১১ জুন বগুড়ার একটি পার্ক থেকে বাহাত্তর জোড়া প্রেমিক প্রেমিকাকে স্থানীয় থানার পুলিশ আটক করে এবং অন্যায়ভাবে বাহাত্তরটি মুচলেকায় স্বাক্ষর নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। পরদিন এর প্রতিবাদে একটি কবিতা লিখেছিলাম। যদিও কবিতা দিয়ে কিছু হয়না তবু স্বান্তনা পেয়েছিলাম যে আমি একটি অন্যায় আচরনের প্রতিবাদ করেছি। কবিতাটি একটু ঔদ্ধত্যপূর্ণ। কারো কাছে আপত্তিকর মনে হলে জানাবেন, আমি তুলে নিবো।)
----------------------------------------------------------

বাহাত্তর চুম্বন
------------

আমি বাহাত্তর বার চুম্বন করব
বিপুল জনারণ্যে।
পারলে তুমি ১৪৪ ধারা দাও
চুম্বন থামাতে।

সবার স্বার্থহীন ভালোবাসা অটুট থাকুক



csm এর ষ্টীলার ভাই ও বোনেরা,আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিন্দন সকলের জন্য।এক সময় আমরা যারা csm colony তে বসবাস করতাম আজ যেন বসার মনের রাজ্যে csm Colony বসবাস করছে।কি দারুণ csm colony সাথে ভালোবাসার আদান-প্রদান,ধন্য csm colony ধন্য csm colony বসবাসকারি।আমি বিশ্বাস করি সবকিছুর শেষ আছে,তবে আমাদের পরস্পর এর ভালোবাসায় যে csm colony সৃষ্টি হয়েছে তার শেষ নিয়ে আমার মন প্রশ্ন বিদ্ধ।কারণ,এখানে নিস্বার্থ ভাবে পরস্পরের আন্তরিকতা আমাকে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে।আজ মনের রাজ্যে নতুন csm colony সৃষ্টি স্বার্থপর এই দুনিয়ায় এটা বিরল।
এই স্বার্থহীন ভালোবাসায় csm group কোন দিন ধ্বংস হবার নয়।
সবার স্বার্থহীন ভালোবাসা অটুট থাকুক.....
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

আমার সুমনা হক



আজকে চান্দু আর টিংকু মিলে আমার মন উদাস করে দিলো। সুমনা হকের কথা মনে করিয়ে দিলো আমাকে। সুমনা হক যে আসলে কে সেটা হয়তো আমিও জানিনা। হয়তো সেই গান গাওয়া পাখি অথবা অন্য কেউ। এসব নিয়ে চলতিপত্র নামে একটা পত্রিকায় একটু লিখেছিলাম ১৯৯৭ সালে। ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৭। লেখাটা মানের দিক থেকে মূল্যহীন তবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব কিছুটা হলেও আছে। আর আমার আবেগের পুরো ষোলআনা তো আছেই। দিলাম লেখাটা।
-----------------------------------------------------------

আমার সুমনা হক
-----------------

পিঁপড়ের পাখা গজালে নাকি আগুনে পড়ে, তেমনি ছেলেদের গোঁফ গজালে প্রেমে পড়ে।

Tuesday, October 27, 2015

“ প্রেমে বান্দরের উৎপাত “



আমাদের প্রধান কাজ ছিলো বাঁদরামি করা তাই বাঁদরামির কোন সুযোগ সহজে হাত ছাড়া করতাম না। বাঁদরামি ছাড়া জীবনটা’ই পানসে মনে হত !!! কলোনির জনৈক প্রেমিক যুগলও আমাদের বাঁদরামির হাত থেকে রেহাই পায় নাই !!!

একদিন সন্ধার সময় কলোনির মেইন রাস্তায় হাটা-হাটি করছিলাম। দুই বড় ভাই আমার অপজিট দিক থেকে হেটে হেটে আসছেন, তাদেরকে অতিক্রম করে একটু সামনে গিয়েছি, এমন সময় কানে এলো, একজন এহেম...এহেম... করে ২/৩ বার কাশি দেবার মত সাউন্ড করলেন। কাশি রিয়েল হলে তো বুঝা যায়, এইটা কেমন কাশি !!! আমি পিছনে ফিরে তাদেরকে একনজর দেখে আবার হাটা শুরু করলাম, ব্যাপারটা তেমন আমলে নিলাম না।

আজিজ আর Robin Shafiul রবিনের কথোপকথন



আমাদের ব্যাচের আব্দুল আজিজের নতুন চাকরি হয়েছে, ২/৩ মাস কোন দেখা নেই, একদিন আমরা সবাই আড্ডা দিচ্ছিলাম, তখন আমাদেরকে সুখবরটা শুনানোর জন্য আজিজ হাজীর, তখন আজিজ আর Robin Shafiul রবিনের কথোপকথন,

রবিন...........: কিরে আজিজ কোথায় থাকস, দেখা যায় না কেন?

আজিজ.......: দোস্ত আমার চাকরি হইছে

চাকরিতে জয়েন করছি তাই আসতে পারি নাই।

শ্রদ্ধেয় মরহুম ইউনুস স্যার



শ্রদ্ধেয় মরহুম ইউনুস স্যারের প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে লিখছি,
আমি, বদরূল, রিমান সহ আরো কয়েকজন স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তাম। ওখানে পড়ার চেয়ে দুষ্টামী করতাম বেশী (সব বান্দর এক সাথে হলে যা হয় আরকি)। স্যার দু লাইনের একটা কবিতা লিখেছিলেন:

”তুমি ক্ষনে ক্ষনে, মৌ বাতায়নে
দোলা দিয়ে যাও মনে-----””

স্যার বদরুল কে অনেকবার বলেছিলেন লাইন দুটিতে সুর তুলে দেয়ার জন্য, বদরুল দিবো দিবো করে আর দেয়নি।
আল্লাহ স্যারকে বেহেশতবাসী করুন।

সব কটা একেকজন রত্ন



আল্লাহ চাইলে কাল তারিক শিফট করবে। খুব মিস করব প্রথমদিন দলবেধে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে চা,পান খাওয়া (আরিফ আমাকে পান কিনে দিয়েছিল),এরপর রফিক আসলে পরে সব মিলে স্টারে চা পরটা খেতে যাওয়া,নাজমুল ভাইদের স্টেশনে ড্রপ করা,অনেকের সাথে দেখা হওয়া, রুমে গলা ফাটিয়ে চিতকার করে কথা বলা আর মাঝেমাঝেই attendant দের ঝাড়ি খাওয়া যে আস্তে কথা বলেন। 

Monday, October 26, 2015

আড্ডা ২



পপুলার ডায়গনেষ্টিক সেন্টারে ৬৬০ নাম্বার কেবিনে ষ্টিল মিল কলোনি জন্মেছে , সকালেই রাসেল এস এম এস করে জানালো । ভার্চুয়ালি দেখতে গেলাম তারেক ভাইয়া কে। উনি আমাকে দেখেই হেসে দিলেন । আমি হাসির পাত্র হয়ে যাচ্ছি সবাই আমারে দেখলেই হাসে কেন বুঝতে পারছি না তারেক ভাইয়ার কাছে যেতেই জইন্না এসে বিকট চিৎকার করে উঠলো। নমি ভাইইইইইইইইইইইইইইইই। আরে ভাই রোগি তো আমি না , আমারে চিৎকার করে ডাকার কি হলো ?
আরে তারেক ভাই সুস্থ হয়ে উঠতে শুরু করেছে ষ্টিলাররা বেশি দিন অসুস্থ থাকতে পারে না। জসিম ভাই আসলো ? উনি এসেই শুরু করলো কিরে জইন্যা মরবি কবে ? 

Sunday, October 25, 2015

ভালোবাসা



এক সময় জসিম ভাই আমার টিচার ছিলেন (এখনো জসিম ভাই কে টিচার /গাইড /বড় ভাই মনে করি) অবশ্য সেই কথা আমার নিজেরই তেমন একটা মনে নাই

জসিম ভাই যখন বেচে ছিল ( বিয়ের পরের জীবন ছেলেদের জন্য অনেকটাই মৃত মানুষের মতোই ) তখন কোন এক সময় আমাকে একটা ছেড়া ডায়েরি দিয়ে যান। কাকতালীয় ভাবে সেই ডায়েরি তে লিখা কবিতা গুলোর সাথে আমার জাবেদ ভাই এর লিখা কবিতার অদ্ভুত মিল পেয়ে যাচ্ছি। আজ জাবেদ ভাই & জসিম ভাইয়ার ডায়েরি থেকে নেয়া কবিতা গুলো সবার সাথে শেয়ার করছি ।

“আমি সুস্থ / অসুস্থ / তার ছিড়া !!!!”

- Mahabub Rasel


তারেক ভাইয়ের ম্যাডিকেলের ছবি দেখতে দেখতে এখন এমন অবস্থা হয়ে গেছে, মনে হচ্ছে এইটা আসলে কোন ম্যাডিকেলের ক্যাবিন না, এইটা একটা আড্ডা কক্ষ, সবাই একজন বিশিষ্ট ব্যাক্তির সাথে দেখা করে করে ধন্য হচ্ছেন, তার সাথে দেখা না করলে মান সন্মান আর থাকছে না !!! হা হা হা
আমি সিওর, তারেক ভাই নিজেও ব্যাপারটা দারুন উপভোগ করছেন।

এই বিষয়ের উপরে আমাদের এক ফ্রেন্ডের কথা মনে পড়ে গেলো। গায়ের রঙ বাদামী, বেটে করে, সামগ্রিক ভাবে দেখতে অনেকটা গোলাকার, কলোনিতে হাতে গোনা কয়েকজন বান্দরের মধ্যে সে উল্লেখযোগ্য। তার আচরন, চলাফেরা, ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি কর্মকান্ডে তার বাবা অস্থির। কোন ভাবেই তাকে বাগে আনা যাচ্ছে না!!! তার সাথে থাকলে তার বাবা মনে করেন আমাদের সাথে থেকে হয়তোবা সে এমন হয়ে যাচ্ছে, আসলে সত্যি কথা বলতে কি তার কর্মকান্ডের কোন কিছু’ই আমাদের সাথে হত না, কারন আমাদের দুষ্টামীর একটা গন্ডী ছিলো, সীমা কখনো’ই অতিক্রম করতাম না। আসলে সে যে আমাদের চেয়েও কয়েক ডিগ্রি উপরের বান্দর ছিলো এইটা তার বাবা সম্ভবত অনুধাবন করতে পারেন নাই। অবশেষে আমরা সবাই তাকে আমাদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চেষ্টা করলাম, কোন কাজেই তাকে আর ডাকি না, এমনকি খেলাধুলাতেও না । কি দরকার শুধু শুধু কিছু না করেও তার বাবার চোখে খারাপ হবার। কিন্তু তার চোখতো আর ফাকি দেওয়া যায় না, কিভাবে যেন খুঁজে ঠিক’ই আমাদেরকে বের করে ফেলতো !!!

তোমরা সবাই কেমন আছ?

- Farzana Akhter


আজ একসাথে অনেক গুলো post পড়ে, এটাই বুঝেছি, আমি অনেক পিছিয়ে আছি....
I was feeling restless...কোনটা রেখে কোনটা পড়বো....
এই ভেবে অনেক ভালোলাগায় মন ভরে গেলো যে এই আসর এবার জমে উঠেছে.....

আমাকে তোমাদের সাথে রেখো কিন্তু... সময় বের করে কিছু লিখে post করবো এই page এ..তা আর হয়ে ওঠে না...

কিন্তু কাজের ফাঁকে আর মেয়েকে স্কুল থেকে pick করার আগে , যখন ই সুযোগ পাই, CSM এর page এ ছবি আর staus এ চোখ বুলিয়ে 'like' দিতে ভুলে যাই না...