Thursday, December 3, 2015

"কলোনী ও কান্না - ৩"


২৯শে এপ্রিল ১৯৯১ এর ভয়ংকর ঘুর্নিঝড়ের সময় আমরা ছিলাম F/2 বিল্ডিংয়ে নীচ তলায় এই দিন আর রাতের বিস্তারিত সবকিছু সবারই জানা আমার এই ঘটনাটা এর / দিন পরের বন্যার পর নিচতলায় যাদের বাসা ছিলো, বাসায় থাকার মত পরিস্থিতি মোটেও ছিলো না কারো এমতবস্থায় বন্যার পরদিন আমরা উঠলাম F-1-10 নাম্বার বাসায় বাসাটি ছিলো বাতেন কাকার তিনি একাই থাকতেন, তার পরিবারের সবাই থাকতো সন্দ্বীপ

পরদিন আমরা বাতেন কাকার বাসায় উঠার পর যা দেখলাম, তিনি অস্থির হয়ে আছেন, কখন সন্দ্বীপ যাবেন, তার পরিবারের মানুষের জন্য তিনি ছিলেন খুবই চিন্তিত শুধু তিনি চিন্তিত ছিলেন বললে ভুল হবে, বিল্ডিংয়ের সবাই চিন্তিত ছিলেন কারন তখন সন্দ্বীপে তার পরিবারের লোকজন কি অবস্থায় আছে, তা খবর নেওয়ার কোন উপায় ছিলো না তিনি তড়ি-ঘড়ি করে চলে গেলেন সন্দ্বীপ কিভাবে গেলেন জানি না!!! তবে ছুটে গেলেন

লেডিস & জেন্টেল C.S.M


এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, আমাদের কিছু C.S.M একজন বিখ্যাত ...... হালিমের কারনে মানবেতর জীবন যাপন করিতেছেন জীবনে মজা করে এত ধরনের হালীম খেলাম, কিন্তু এই হালিমের দেখা আগে কেন পেলাম না, এই হালিমের বাবুর্চি কে?
এই হালিম খেয়ে আমাদের কিছু C.S.M এর মনবেতর জীবন যাপনের নমুনা দেখেন,
তাদের ফেসবুক একাউন্ট আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের কাছে ডাটা আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের হাতে মোবাইল আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের বাসায় কারেন্ট আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের অনেক ইচ্ছা আছে, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!
তাদের চোখে ঘুম নাই, কিন্তু C.S.M কলোনী নাই !!!

এই সব গৃহবন্ধী এবং হালিমে আটকে পড়া ভাই-বোনদের উদ্ধারের জন্য আমাদের করনীয় কি ? আমরা কি পারি না তাদের পাশে দাড়াতে tongue emoticon এইসব অসহায়দের উদ্ধার করতে ? tongue emoticon

Tuesday, December 1, 2015

আমাদের প্রিয় শামীম



যখনই দেখতাম তাকে তখনই সে ফুটবল খেলার পোষাকে আছে, সাধারন পোষাকে খুব কম দেখা যেতো,বড় মাঠে ফুটবল খেলা হচ্ছে আর সেখানে সে নাই এটা চিরন্তন অসম্ভব ঘটনাভালো ফুটবল খেলতো,অসাধারন ড্রিবলিং এর গুন ছিলো তারসঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে হয়ত বড় মাপের ফুটবল খেলোয়ার হতে পারতো

ফুটবলই ছিলো তার ধ্যান জ্ঞানপনের বছরের কলোনী লাইফে তার সাথে আমার কথা হয়েছে হাতে গোনা দু/এক বার,যা কথা হয়েছে তাও ফুটবল নিয়ে১৯৯৯ সালের পরে তার সাথে আমার আর দেখা হয়নি হঠাৎ সেদিন শুনলাম সে গুরুতর অসুস্থ,আর আজ সকালে অফিসের আসার পথে শুনলাম সে চলে গিয়েছে না ফেরার দেশে আমাদের প্রিয় শামীম, যাকে আমরা আদর করে ডাকতাম বিপি

আল্লাহ তাকে সবসময় ভালো রাখুক

Monday, November 30, 2015

শীতকালটা বোধ হয় এসেই পড়ল


শীতকালটা বোধ হয় এসেই পড়ল। চারিদিকে কেমন যেন একটা রোমান্টিক গন্ধ, বার্ষিক পরীক্ষা চলছে, পরীক্ষা শেষে একসাথে পথ চলতে চলতে স্কুল থেকে বাসায় ফেরা, কুট কুট করে কত কথা বলা, চোখ জুড়ে আবেগের সব অবাস্তব স্বপ্ন। সব পরীক্ষা শেষ, অফিসার্স ক্লাবে ব্যাডমিন্টন কোর্টে সণ্ধ্যার পরে অপেক্ষায় বসে থাকা, কখন বাপ চাচাদের খেলা শেষ হবে, তারপর আমরা তাদের ফেলে দেওয়া পুরানো কর্ক দিয়ে খেলবো। রাতে বাসায় গিয়ে নিশ্চিন্তের ঘুম, হাজার সাধনা করলেও এই ঘুম পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যাবেনা। 

এমন অনেক শীতকাল গেলো আর আসলো, আমরাও বড় হতে লাগলাম। সকালেে ঘুম থেকে উঠেই মাঠে ক্রিকেট প্র্যাকটিস, বিকালেও আরেক দফা। আবারো আবেগী অবাস্তব স্বপ্ন “ আমরা বোধ হয় অনেক বড় ক্রিকেট প্লেয়ার হয়েই যাচ্ছি”। 

সারা কলোনীতে শুকনো ঝড়ে পড়া পাতায় সয়লাব হয়ে গেছে। তারই কিছু অংশ পুকুর পাড়ে প্রতি সন্ধ্যায় জড়ো করে আগুন লাগানো রাশেদের (মরাইয়া) রুটিন কাজ। সারাদিন ছুটাছুটি করে হাতে পায়ে শীতের চিহ্ন, কিসের লোশন আর অলিভ অয়েল, ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর ধুয়ে ফেললেই সব ঠিক।
শীতকাল যেতে আর আসতে লাগলো, তেমনি এক শীতের সকালে কলোনীটা পিছনে ফেলে আসলাম সারাটি জীবনের জন্য।

Thursday, November 26, 2015

Memories are like a knife, they hurts


Hannibal মুভির একটা খুব সুন্দর ডায়ালগ হল,

"Memories are like a knife, they hurts"

আসলেই আমাদের মেমোরির ছুরিটা মনে হয় একটু বেশি ধারালো, খুব মিস হয় CSM Colony আর সব কিছু মিলিয়ে সময়গুলো

আমার জীবনের সেরা সময়টা আর সেরা মানুষগুলো আবার ফিরে এসেছে, হয়তো বয়সটা ফিরে আসবে না অনেক অনেক লিখা, ছবি, সেই চেনা দুষ্টুমি, সেই চেনা চেহারাগুলো দেখে বয়সটাও যেন কলোনি ফিরে পেলো

ফিরে এসেছে বললে ভুল হবে, সবাই ছিলো কিন্তু অনেকেই আমার নেটওয়ার্ক এর বাহিরে ছিলো, এখন সবাই আবার একই নেটওয়ার্কের মধ্যে আসায় অনুভুতি আসলেই অসাধারন grin emoticon


এই ফিরে পাবার অনুভিতিটা কার কেমন আসলেই শুনতে ইচ্ছে করছে grin emoticon

লেখাপড়াটাকে কোনদিন সিরিয়াসলি নেইনি


লেখাপড়াটাকে কোনদিন সিরিয়াসলি নেইনি, পড়াশোনা করা দরকার তাই করেছি। কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কোন দিন পড়াশোনা করিনি। যা থাকে কপালে এটাই ছিলো ভিশন।তবে যতটুকুই পড়ালেখা করেছি তা আনন্দ নিয়ে করেছি। লেখাপড়ার ও যে আনন্দ নিয়ে করা যায় এটা এই জেনারেশনের পোলাপান কোন দিন কল্পনাও করতে পারবেনা।

পরীক্ষার সময় পরীক্ষা দিয়ে এসেছি, এটা নিয়ে বাড়তি কোন টেনশন ছিলোনা। এমন কি আমি কখনও এটার জন্য বাড়তি প্রস্ততিও নেইনি ওই একই চিন্তা “যা থাকে কপালে”। এ জন্যই বোধ হয় ক্লাস এইটে একবার ইংরেজীতে ১১ আর ক্লাস নাইনে অংকে ডাবল জিরো পাইছিলাম। তবে এগুলা নিয়া আমার কোনদিন আফসোস ছিলোনা। কিন্তু এখন বলতে গিয়া পেটটা গ্যাসে মনে হয় দু ইঞ্চি বড় হয়ে গেছে যে ক্লাস টেনে নির্বাচনী পরীক্ষায় ছেলে মেয়েদের মধ্যে আমি ১৬ তম হইছিলাম (আমার ধারনা স্যাররা কোথাও কোন ঝামেলা করছিলো, নাহলে আমার মত ডাবল জিরো পাওয়া ষ্টুডেন্ট ১৬ তম হওয়ার কথা না, সবার শেষের দিকে থাকার কথা)। মেট্রিক পরীক্ষাও দিয়েছি সেরকম বিনোদনের মধ্যে, প্রথম বার ৯১ এর ঘূর্নিঝড়ের কারনে পরীক্ষা বাতিল, দু মাস পরে পরীক্ষা শুরূ হলো, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে আবারও পরীক্ষা বাতিল, ১ মাস পর পরীক্ষা হলো। তখন বাংলা আর ইংরেজী ১ম ও ২য় পত্র একইদিনে সকাল বিকাল দু বেলা হতো। 

Sunday, November 22, 2015

ইমোশন ও ড্রেন দুজনে দুজনার


ড্রেনে পড়া নিয়ে অনেক দিন ধরেই আমরা অনেক কিছু বলছি বা লেখছি, কেউ ইমোশনাল হয়ে ড্রেনে পড়ে, কেউ জ্বরের দুর্বলতায় ড্রেনে পড়ে, কেউ প্রেমে পড়ে ড্রেনে পড়ে আরো কত কাহিনী

আজ সকালে এসে শুনলাম বা দেখলাম ড্রেনে পড়ার আরেক কাহিনী, তবে এর সংগে আমাদের সিএসএম- এর কেউ জড়িত নয়

সকালে অফিসে এস বসতে না বসতেই,অফিসের পিয়ন সানোয়ার বিধ্বস্ত ভেজা অবস্থায় আমার রুমে এসে কান্নাকাটি শুরূ করল, বিস্তারিত যা বলল তা হচ্ছে সে প্রতিদিনের মত চেক জমা দেওয়ার জন্য ব্যাংক এশিয়া , মহাখালী ব্রাঞ্চে যাচ্ছিলো, যাওয়ার পথে সে হঠাৎ একটি বড় ড্রেনে পড়ে যায় তবে সানোয়ার বলল ,” স্যার আমি পড়ছি সমস্যা নাই তবে সব কয়টা চেক ড্রেনে ভাইসা গ্যাছে”, এই বলে আবার কান্না শুরু করল 

Saturday, November 21, 2015

আড্ডা


আড্ডা শব্দটা অনেকের কাছে শুনতে হয়ত খারাপ লাগতে পারে, বিশেষ করে মুরুব্বি দের তবে আমার কাছে ভালো লাগে ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক কারন আমি নিজেই একসময় আড্ডাবাজ ছিলাম তবে চাকরীর জন্য ঢাকা আসার পর আর আড্ডার মজা পাইনি খুব মিস করি অতীতের আড্ডা একটা সময় ছিল যখন তিন বেলা আড্ডা না দিতে পারলে ভাত হজম হতো না ট্যাংকীর নীচে আড্ডা, রাস্তায় আড্ডা, মাঠে আড্ডা, নারিকেল গাছ তলায় আড্ডা, পুকুর পাড়ে, ইউনুসের দোকান ইত্যাদি শত পদের আড্ডা ছিল নিত্য সঙ্গি তবে এই আড্ডা কখনো নেশা বা সন্ত্রাসের জগতে হয়নি

Wednesday, November 18, 2015

আজ অফিসে অনেক তাড়াতাড়ি এসেছি



আজ অফিসে অনেক তাড়াতাড়ি এসেছি, ভেবেছিলাম কোন একটা রসাত্নক পোষ্ট দিবো। কিন্ত ল্যাপটপ খুলে দেখি মোটামুটি ট্যাংকীর নীচের ঝগড়া শুরু হয়ে গেছে, এটা ভালো, কলোনী থাকবে অথচ ঝগড়া , মান অভিমান থাকবেনা এটা হয়না।

সিএসএম কলোনী মানেই হইচই,ঝগড়া,চাপাবাজি,গলাবাজি। তা না হলে কলোনী কিভাবে, ট্যাংকীর নীচে এমন একটা দিন বাদ নেই যেদিন কারো না কারো ঝগড়া বা গ্যাঞ্জাম হয়নি।তবে দিন শেষে আবার এক সাথে গলায় জড়াজড়ি করে হাঁটা, দুই ঝগড়াবাজ বন্ধু একটি সিগারেট নিয়ে ভাগাভাগি করে খাওয়া, যেমন রেজা ভাই আর মোল্লা অপু ভাই, আমি আর মরা রাশেদ বা আরো অনেকের মধ্যেই , । তবে আমাদের সিনিয়র জুনিয়র দের মাঝে চমৎকার বোঝাপড়া ছিলো, সুন্দর একটা সম্পর্ক ছিলো। আর এ জন্যই বোধ করি আমরা আবারো সিএসএম কলোনী টা ্ৈতরী করতে পেরেছি।

লেখতে চেয়েছিলাম রসাত্নক লেখা, হয়ে গেলো বুদ্ধিজিবী টাইপ লেখা, যাক সবাইকে শুভ সকাল, তবে আমি কোন ফুল টুল দিয়ে শুভ সকাল দিতে পারবোনা, ওটা মানিক ভাই ভালো পারবেন।

অস্থিরতা বেড়ে গেছে



অস্থিরতা বেড়ে গেছে। ২৯ শে জানুয়ারি। কি হবে ২৯ শে জানুয়ারি তে? আজ থেকে ৪ মাস আগে fb.কে জন্ম নেয় আড্ডা নামক আমাদের পেজটি। পুলক/আতিকের পরিশ্রম এবং বাকি সকলের একান্ত চেষ্টায় আজ এই পেজটি আমাদের খুব প্রিয়।

তারিকের অসুস্থতা আমাদের আরো কাছে নিয়ে আসলো। এই কাছে আসাটা কে আমরা একটি বন্ধনে বাধতে চাই। ২৯ শে জানুয়ারি টা আমাদের সেই দিন।

Tuesday, November 17, 2015

না লিখে পারলাম না



না লিখে পারলাম না।।পক্ষ বা বিপক্ষ নিয়ে কোন কথা বলছি না।।উচিতটা আমার মুখ দিয়ে সব সময় বের হয়ে আসে।।সেদিন ""হিজাব""নিয়ে খারাপ লাগাতে একটা পোস্ট করেছিলাম।।কিন্তু আতিক ভাইয়ার অনুরোধ বা অর্ডারে পোস্টটা ডিলিট করি।।কারন আতিক ভাইয়ের দৃষ্টিতে নাকি বিষয়টা বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে।।ভাল মন্দ বিচার করিনি।।বড় ভাই বলেছেন তাই আর এখানে কোন প্রশ্ন রাখিনি।।আমার মতেএটা হচ্ছে জুনিয়রদের কাছে সিনিয়রদের অধিকার।।যেটা আমি রক্ষা করতে বাধ্য।।অপরদিকে গতকাল আতিক ভাই একটা পোস্ট শেয়ার করেছিল।।আমি কমেন্টস করেছিলাম যে,,বাচ্চু ভাইকে দিয়ে শুরু করেছেন,,শেষটা কিন্তু জেমস্ ভাইকে দিয়ে করবেন এবং সেটা তিনি রেখেছেন।।

আমি এই পেইজের সব জুনিয়র ছেলেদের,মেয়েদের তুই করে বলি



আমি এই পেইজের সব জুনিয়র ছেলেদের,মেয়েদের তুই করে বলি এবং নামটাও উল্টা পাল্টা করে বলি। সেটা লিখার সময়। কিন্তু দেখা হলে বা ফোনে কথা বলার সময় তুই করে বললেও নাম ঠিক করেই বলি।আতিক থেকে শুরু করে সবার সাথেই এমন। আজ জনির লিখা আমার মন খুব খারাপ করে দিল। এই ছেলেটা এমন কেন বুঝিনা। সেদিন মৃত্যুর মত একটা বিষয়ে সে নুজাইমার নাম নিল,হোক তা কাল্পনিক। আজ আবার এমন। ওর নিজের ভাল লাগেনা তা বললেই হত,কিন্তু সে সামি,নমি সবাইকে জড়িয়েছে বুঝতে পারলাম না। এখানে মজা করে সবাই কথা বলে,আমিও তা করেছি। আমার মনে হয় আমি আজ অব্দি এমন কোনো লিখা দেইনি যা অন্যের মন খারাপ করবে। তাহলে আমার সাথে কেন এমন হবে। জনিকে বলছি,জিবন অনেক সহজ, তাকে জটিল কোরো না। এখানে সবার সামনে এমন করে ইনবক্সে সরি বলে লাভ কি? যাহোক,লোক দেখানো মাফ আমি করতে পারিনা নিজের মন যতদিন না চাইবে ততদিন। আমি আশা করবো জনি আমার সাথে কোনো কিছুতে participate করবে না। আমাকে বোঝাতে কেউ ফোন করবে না বা মেসেজ দিবেনা এটাও চাইছি সবার কাছে।

টুকরো সৃতি- আমি মোল্লা আর বাঁদরা ভাই



আমি আর মোল্লা( Sumon Islam) মিলে আমাদের বাসায় আড্ডা দিচ্ছি, এমন সময় আমাদের অর্ধেক ক্লাসে পড়া এক ছোট ভাই (গ্রুপের নিয়ম অনুযায়ী নাম দেয়া হল না) এসে আমাদের সাথে বাঁদরামি করা শুরু করলো।
আমি বললাম "মোল্লা, বেটা তো বেশি জ্বালাইতেছে, বেটারে কি করা যায়"।
মোল্লা চিন্তায় পড়ে গেল, পেন্ডা পোলা, মাইর তো দেয়া যায় না। হটাত মনে হল বেটা পেন্ডা হইলেও, তার শরম ঠিকই আছে।
আমি বললাম "চল বাঁদরা ভাইয়ের হাফ-প্যান্ট দিয়ে ক্যাচ খেলি"।

বিয়ে নামক ফরজ কাজটার উপর কেন জড়িমানা গুনতে হবে জসিম ভাই??

- Samee Sam


বিয়ে নামক ফরজ কাজটার উপর কেন জড়িমানা গুনতে হবে জসিম ভাই?? যদিও তা মাত্র ৫ এর ডান পাশে দুইটা শূন্য।।

জসিম ভাইয়ের grand Adda-র পোস্ট টি পড়লাম। ভাইজান আমার খুবি সুন্দর করে বিবাহিত, অবিবাহিত সহ অন্যান্যদের টাকার পরিমান উল্লেখ করেছেন। আর অনেক সুন্দর করে bracket দিয়ে জড়িয়ে রেখেছেন।।

আজ থেকে প্রোগ্রামের দিন পর্যন্ত কেউ কি এই জড়িমানার ভাগীদার হতে চাও কিংবা যাদের সানাই বাজবে বাজবে অবস্থা তারা স্বল্প টাকার বিনিময়ে আমাদের (বিবাহিত/বিবাহিতাদের) কাতারে/লাইনে এসে দাঁড়াতে পারো।

বি:দ্র: এই সুযোগ সীমিত সময়ের জন্য। জসিম ভাই দিন, তারিখ, সময় সব উল্লেখ করে দিয়েছেন তোমাদের সুবিধার্থে।

Monday, November 16, 2015

১৯৯৩ সাল



১৯৯৩ সাল।আমাদের ক্লাস টিচার নাজিমুদ্দিন স্যার ক্লাস চলা নেবার সময় বলে উঠলেন, কিরে, আজকে ত তোদের বাকের ভাইয়ের ফাসি হবে।দুপুরে বাসা থেকে খেয়ে এসে স্কুলের তিনতলায় গিয়ে দেখি,দেয়াল,দরজা সব সিনিয়রেরা লিখে ভরে ফেলেছেন। যেমন- বাকের ভাইয়ের কিছু হলে,জলবে আগুন ঘরে,ঘরে, কিংবা কুত্তাওয়ালির চরিত্র, অমুকের মত পবিত্র।অবাক হয়ে গেলাম।মানুষ নাটকের একটা চরিত্র কে এত ভালবাসতে পারে।রাতে যখন " কোথাও কেউ নেই" দেখতে বসলাম, বাকের ভাইয়ের মৃত্যুর দৃশ্য দেখে চোখে পানি এল।অন্যায়ের জয় নাকি বাকের ভাইয়ের জন্য ভালবাসা বুঝলাম না।

ছোট বেলা থেকে চুল বড় রাখার খুব ইচ্ছা ছিল



ছোট বেলা থেকে চুল বড় রাখার খুব ইচ্ছা ছিল।।কিন্তু বাবার কারনে কখনওই পারতাম না।।কারন বাবা চুল বড় রাখা মোটেও পছন্দ করতেন না।।যখনই চুল কাটানোর সময় হতো বাবা সাথে যেত আর বলতো বাটি ছাট দেন।।খুব বিরক্ত লাগতো।।মাকে বললে মা বলতেন তোর বাবার উপরে কোন কথা হবে না।।আজ ছেলের চুল কাটানোর সময় হয়েছে।।ছেলের মায়ের সোজা কথা চুল থাকবে বড়।।কোন ভাবেই যেন ছোট না হয়।।ছেলের পছন্দ দেব (ভারতীয় নায়ক) স্টাইল।।দু'জনের পছন্দ শুনে হতবম্ভ সহ বেকুব বনে গেলাম।।আর মনে মনে বললাম বাবা তুমি কেন এতো নিষ্ঠুর ছিলে।।

বিশেষ বিশেষ জরুরী বিজ্ঞপ্তি.....

- Moin Khan


বিশেষ বিশেষ জরুরী বিজ্ঞপ্তি.....
----তথ্য দেও পুরুস্কার নেও-----

তোরা কলোনীতে কে কে কত গা ফ্রেম কইচ্ছস। কই ফালা।( ব্যাক কতা গুফন থাইক বো না) বিশেষ বিশেষ ফুরুস্কারের ব্যবস্থা আছে।তবে হাচা কইতে অইবো। দেয়া তথ্য ভুল করন যাইতো ন। ধরা খাইলে জরি মানা।
উত্তর দেয়ার নিয়মাবলি:----------
১)যদি ফ্রমে করি থাক লেখ-----"হ কইচ্ছি"
২) এর বাদে যতু গা কইচ্ছ ডেস দি লেখ------১,২,৩ ...যত বেশী অইতো হারে...
৩) যেতিয়ে কইত্তে হার ন, সে লেক---(ক) চেষ্ট কইচ্ছিলাম হারি ন। (খ) চেষ্টা করি ধরা খাই মাইর খাইছি এবং সে পথে আর যাই ন। (গ) চেষ্টা কইচ্ছি পাত্তা দে ন। (ঘ)আঁ র আগেই হেতে বুক হই গেছে। (ঙ) যারে পিয়ন বানাইছিলাম হেতেই কাম সারি বই রইছে। ........ইত্যাদি।

সময় খুব কম । তাড়াতাড়ি জবাব হাটাও ...........................


উন্মুক্ত প্রেম জরিপ কমিটি
সিএস এম কলোনী।
চট্টগ্রাম।
১৬/১১/১৫

৯২ সালের ঘটনা



৯২ সালের ঘটনা, সি টাইপ মাঠে বৃষ্টির সকালে পাইন্যা ফুটবল খেলছি, হঠাত আতিক কাক্কুর আগমন, উনি চিৎকার করে বলছেন, " এ্যারে হোলাইন, তুগো স্কুল কলেজ নাইনি, হড়া লেয়া বাদ দি খেইলতোছোস, যা বেকে বাসাত চলি যা" এই বলে উনি সামনের দিকে চলে গেেলন।

কে শোনে কার কথা, আমরা আমাদের খেলা খেলে যাচ্ছি, ওদিকে আমাদের ডালিম খেলছে আর মনের আনন্দে তখনকার হিট নায়ক রুবেল অভিনীত হিট সিনেমা "উত্থান পতন" এর বিখ্যাত গান " ডানে মারো বায়ে মারো, বুকে মেরোনা.... এ বুকে আছে হৃদয়,, সেখানে আছো তুমি" চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে গাচ্ছে, ঠিক ওই সময় আতিক কাকা আবার মাঠে হাজির হয়ে বললেন, "আঁই কইছি হেতেগো বাসাত ছলি যাইবার লাই, শতান হগল বাসাত তো যায়নো, উল্ডা গান গার, ডাইনে মারো বামে মারো-----তোগোর বেগগুনেরে অন আঁই মাথার মইদ্যে মাইরমু"।

Saturday, November 14, 2015

তুমি একটা লেখা লেখ, তাহলে আমি লিখবো



গতকাল ডি,এম,সি তে অন্য সবার মত নাছের এর সাথেও দেখা হইলো। নাছের বলিলো, ভাইজান অনেকদিন আপনার লেখা পড়িনা। লেখেন না কেন..? আমি দুষ্টামি করিয়া বলিলাম, তুমি একটা লেখা লেখ, তাহলে আমি লিখবো। কিন্তু নাছের সত্যি সত্যিই লেখা পোস্ট করবে তাহা আমি কল্পনাও করি নাই। একটু আগে আমাকে ফোন করিয়া বলিলো, ভাইজান পোস্ট দিয়ে তো বিপদেআছি। আমাকে বাচান। প্রতি দুই ঘন্টা অন্তরন্তর পোস্ট দেওয়ার আদেশ আসিয়াছে। জসিম ভাই বলিয়াছে, বুবু নাকি বেত নিয়া ঘুরিতেছে। এখন ভাই আপনি আপনার কথা রাখেন।

আব্বা আমি এখানে



কলোনী তে থাকার সময় আমার সাথে সবচেয়ে বেশী রাগারাগি হতো রাশেদের (মরাইয়া)সাথে, হারামজাদার সবসময় মাথা গরম থাকতো, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সে আমার সাথে লেগে যেতো। ওই নির্দোষ রাগারাগি গুলো এখন খুব ফিল করি। নীচের লেখাটি এই পেজের প্রথম দিকে একবার শেয়ার করেছিলাম। আজ রাশেদের সাথে আবারো গ্যাঞ্জাম করতে ইচ্ছে হচ্ছে। তাই লেখাটি আবারো পোস্ট করলাম। বারবার পুরানো লেখা গুলো পোস্ট করছি বলে ক্ষমা প্রার্থী।

আহাম্মকের সতর্কীকরণ এবং অতপর……



বিষয়: আহাম্মকের সতর্কীকরণ এবং অতপর………

এ কয় দিন ব্যস্ততার জন্য নেটে বসতে পারিনি। আজ কলোনীতে ঢুকে দেখি আরে খোদা !! আমার ভাই বোনরা তো আমাকে নিয়ে ফাটা ফাটি অবস্থা। ইনবক্সের ডাব্বা ভরি ভরি লেখা। ও ও…রে আমার ভাই বোনরা আমি রাগ-ফাগ করিনি।আমার ভয় হচ্ছিল আমরা সবাই যে ভাবে হা..হা…হি…হি করছি কখন মুখ ফসকে কে কী বলে ফেলি শেষে সব কিছু না জগা খিচুরী পাকিয়ে যায়।আমার মনে হচ্ছিল তাই লেখাটা দিয়ে তোমাদের সতর্ক করার চেষ্টা করেছি। এখন দেখি আমার ভাই-বোনরা এতো সতর্ক যে লাঠি-সটা নিয়ে বাইরা-বারির অবস্থা।

মিলি কে দেখলেই মবিনের দুনিয়াদারীর আর কিছুই ভালো লাগেনা



মিলি কে দেখলেই মবিনের দুনিয়াদারীর আর কিছুই ভালো লাগেনা। কেমন জানি লাগে। CSM বাজারে গেটের কাছে মবিনের পুরান কাপড়ের ব্যবসা। মিলিদের বাসাটা বাজারের গেটের কাছে। ভালোবাসি এই কথাটি কি ভাবে মিলিকে জানাবো। কাকে বলা যায়? কে আছ বন্ধু আমার একটু সাহায্য করবে? চিন্তায় অস্থির মবিনের প্রেমিক মন। লেখা /পড়া খুব একটা জানিনা। চিঠি লিখবো কি করে? না হয় লিখলাম পৌছে দিবে কে? আল্লাহ আমার কি কেউ নাই? পাইছি, খুশিতে মন ভরে গেলো মবিনের। CSM এর সবচেয়ে Talent বদের হাড়ি কানা শাহিনের কাছ ছুটে গেলো মবিন। 

জাতীয় মামা



আমার মামার সংখ্যা ৬ হলেও মিন্টু মামার প্রতি আমাদের একটু এক চোখা নীতি সব সময় ছিল। ছোট বেলায় আমার অন্য কাজিনরা যখন মিন্টু মামাকে মামা সম্বোধন করতো অনেকবার ঘাড় ঘুড়িয়ে তাকিয়েছি হয়তো বিরক্ত ও হয়েছি ,চোখ রাঙ্গাতাম কিনা তা ঠিক মনে করতে পারছিনা। উনি আমাদের শুধু মামাই ছিলেন না উনি আমাদের গাইড ফ্রেন্ড সব ছিলেন। অন্য মামারাও মামা কিন্তু মিন্টু মামা যেন শুধুই আমাদের মামা। কিছু দিন পর দেখলাম উনি কলোনীর সবার মামা হয়ে গিয়েছেন। অনেক চাচারাও আমার মামারে মামা ডাকে আবার চাচাদের ছেলেদের কাছেও উনি মামা !!! জাতীয় মামা বলতে যা বুঝায় উনি ঠিক তাই। সব সময় হাঁসি মুখ করে থাকতো। সম্ভবত কলোনীতে একজন মানুষ ও খুজে পাওয়া যাবে না যে বলবে মামা আমার পছন্দের কেউ ছিলেন না।

Friday, November 13, 2015

আজকেও যথারীতি DMC তে গিয়েছিলাম

- Abu Naser


আজকেও যথারীতি DMC তে গিয়েছিলাম| সামি ভাই আগেই আসছে এর পরে আমি আর আমার কাজিন গেলাম | তারপরে আসলো রিপন ভাই সাথে ইকরাম ভাই ও সওগাত ভাই |অনেক দিন পরে সওগাত ভাইয়ের সাথে দেখা হলো যদিও উনি আমাকে চিনেনা মনে হয় |তারপর আসলো বুবু এবং বুবুর তিন কন্যা |তারপর নেসার ভাই ভাবি কে নিয়ে আসল | নেসার ভাইয়ের সাথেও অনেক দিন পর দেখা হলো |রিপন ভাইতো আছে উনার মজার মজার কথা নিয়ে |কথা প্রসঙ্গে উনি উনার মেয়েদের কথা বলছিলেন উনার মেয়েরা নাকি ২৯ শে জানুয়ারির অপেক্ষায় আছে |ডিসেম্বরেইতো কেলেন্ডার শেষ তাই নাকি রিপন ভাইয়ের মেয়েরা এক্সট্রা কেলেন্ডার বানিয়ে নিয়েছেন |শুনে অবাক হলাম |এই দিনটির জন্যে আমরাও অপেক্ষায় আছি কিন্তু ওদের অপেক্ষার ধরন টা আমাদের চেয়েও ভিন্ন |এইটাই মনে হয় আমাদের CSM পরিবার |আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ADDA তে উপস্থিত হউয়ার তৌফিক দান করেন |এইখানে বলে রাখি রিপন ভাইয়ের মেয়ে দুইজনই কিন্তু আপন বোন |

Thursday, November 12, 2015

চিটগাং যাচ্ছি / চিটাগাং যাব / চিটাগং যেতে হবে



অনেকটা পথ পিছনে ফেলে এসেছি। আরও অনেকটা পথ যেতে হবে। চিটগাং যাচ্ছি / চিটাগাং যাব / চিটাগং যেতে হবে। মন ভালো হয়ে যায়। জীবনের সবচেয়ে মধুর সময় গুলি চিটাগাং জমা রেখে এসেছি। শুধু একটা উসিলা পেলেই ছুটে চলি হারানো আপন মানুষের কাছে। আমার এই চিটাগাং প্রিতি বউ এর কাছে অসহ্য। সারাফের বাবা, বারবার কেন চিটাগাং যাও? কে আছে চিটাগাং এ? ইংগিত টা ভালো না। বললাম আমি ডায়াবেটিসের রুগী। বয়স হয়ে গেছে। ইদানিং ছোট ভাই বোনেরা পীর সাহেব বলে ডাকে। 

গেলাম ইন্ডিয়া আইলাম বাংলাদেশ

- Elahi Newyaz


আমার জীবনে অপ্রিয় রং লাল,তবে লাল সবুজের পতাকা টা আমার খুব প্রিয়।
লাল রং এর প্রতি এই অপ্রীতি টা কেন জানেন?
আমি যখন ৭ম শ্রেনীতে, আজাজিল এর নিয়োগকৃত শয়তান ছিল আমার প্রিয় বন্ধু।
বন্ধুর বদৌলতে পরিক্ষার রিপোর্ট কার্ডের ৩ বিষয়ে লাল কালির দাগ।
মানুষ কাপড় দিয়ে লজ্জা নিবারণ করে,কিন্তূ লাল কালির দাগের রিপোট কার্ডের লজ্জা কিভাবে নিবারণ করি?আজাজিলের নিয়োগকৃত শয়তানের বুদ্ধিতে রাবার দিয়ে ঘষামাঝা করে লাল দাগ কোন মতে উঠাইলাম।কিন্তূ বাসাই গিয়ে শেষ রক্ষাটা হল না,ধরা খেয়ে গেলাম।সেকি মাইর গো,নিজের শরীরের লাল দাগ দেখে রিপোট কার্ডের লাল দাগের কথা বেমালুম ভুলে গেলাম।শরীরে লাল দাগের কারণে ফুল শার্ট পড়ে স্কুলে গেলাম।

Wednesday, November 11, 2015

দ্বিতীয় জীবন



Versity তে স্ট্যাডি ট্যুর নিয়ে আমরা মহা ব্যস্ত । সাত দিনের ট্যুরে ৬ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। পাবলিক ভার্সিটির ছেলেদের খুব কমোন প্রবলেম হচ্ছে টাকা নাই। দোস্ত খাওয়া টাকা নাই , মেস এর বিল দিতে পারছিনা , টিউশনি করছি মাস শেষ হয়ে আজ ৭ তারিখ এখনো টাকা দেয় নাই কি করে যে চলি ? দোস্ত জিএফ কে নিয়ে ডেট করতে যাবো টাকা দে ,তোর হাতে পায়ে ধরি টাকা দে

মোবাইলের ব্যালেন্স নেই , এই রকম কথা শুনতেই আমরা অভ্যস্ত। এরা এত টাকা কি করে দিবে ? ব্যাপারটা স্যার রাও বুঝতে পেরেছে । তাই মিটিং করে সাত দিনের ট্যুর চার দিনে কনভার্ট করে দিয়েছে । টাকাও কমে গিয়েছে । কিন্তু আমাদের দাবির মুখে ডিন স্যার বলতে বাধ্য হয়েছে সাত দিনের সব মজা তোমরা চার দিনে পাবে, জোর করে হলেও মজা দিবো

Tuesday, November 10, 2015

বিশেষ কিছু উপলক্ষ.....



উপলক্ষ ১) 
দুইজন করে আমাদের সেই চিরচেনা খুব্বি পরিচিত স্টীল মিলের খুব প্রিয় মানুষগুলোর সাথে অনেক অনেক বছর পর প্রায় ১৭/১৮ বছর আগে ছেড়ে আসা, হারিয়ে যাওয়া কিংবা অনেককে না চেনা সেই মানুষগুলোর সাথে দেখা হচ্ছে। সেটা মেডিকেলে হোক কিংবা কারো অফিসে অথবা রাস্তার কোন টি স্টলে। এর জন্য আমাদের এই CSM Colony গ্রুপের সব বড়-ছোট ভাই বোনদেরকে ধন্যবাদের সাথে সাথে আমার লাড্ডি তারেককেও ধন্যবাদ। আল্লাহর ইচ্ছায় আর কিছুটা হলেও লাড্ডির উসিলাতেই আমরা একসাথে হয়েছিলাম। 

বান্দরের‬ শলা



আমি মো:এলাহী নেওয়াজ (মাছুম)।

csm colony তে জীবনের দীর্ঘ ২২ টি বছর যেন স্বর্গ রাজ্য ছিল আমার কাছে।
সে স্বর্গ রাজ্যের কিছু মজার কাহিনী লিখতে চাইলেও কেন জানি লিখতে পারি না।আজ সাহস করে লিখতে বসলাম....

‪#‎বান্দরের‬ শলা#
স্কুলে পড়া না পারা আর মাফুজ স্যারের বেত যেন আমার জম্মগত বাজেট ছিল।
আমার সর্বময় মেধা খরচ করে এর থেকে পরিত্রাণের উপায় খুজতে লাগলাম।

শুনেছি,নিউটন আপেল গাছের নিচে মধ্যাকর্ষন শক্তির থিওরি আবিস্কার করে ছিল।
এক দিন আমিও স্কুল পালিয়ে খাল পাড়ের নারকেল গাছের নিচে বসে চুলকানি শক্তি(বান্দরের শলা)ও তা প্রয়োগের থিওরি আবিস্কার করে ছিলাম।