Saturday, February 6, 2016

আম্মুর মন খুব খারাপ হয়ে গেল, নিরবাক হয়ে গেল


কাল রাতে স্মরণিকা "ফেরা" র মইন (টলি) ভাইএর লেখা কবিতা "আমাকে ভিতরে যেতে দিন" পরতে পরতে গলা বন্ধ হয়ে এল, চোখ থেকে পানি থামাতে পারছিলাম্না। তিনি যেন আমাদের সব ex csm বাসী দের আকুতি প্রকাশ করেছেন।

কলনি তে ঢুকে স্কুল দেখার পর ভিতরে যেতে চাচ্ছিলাম, কিন্তু গেটম্যান যেতে দিবেনা। আম্মু বল্ল- এখানে csm কলনি ছিল যেখানে একুশ বছর কাটিয়েছি, আজকে ঢুক্তে পারবনা? দারোয়ান- কিন্তু এখন এটা ইপিযেড, আমি ঢুক্তে দিতে পারবোনা।

আম্মুর মন খুব খারাপ হয়ে গেল, নিরবাক হয়ে গেল। দারওয়ান এর কথা গুলা যেন নিরমম ভাবে বুকের ভিতর কে ঝাঝরা করে দিচ্ছিল। কিছু করার নাই। মন থেকে বের হয়ে আস্ল দির্ঘ শ্বাস আর আকূটী- " আমি অনুপ্রবেশকারী নই, আমাকে ভিতরে যেতে দিন"

Friday, February 5, 2016

একটি অমিমাংসিত বিচারের মিমাংসা হল


একটি অমিমাংসিত বিচারের মিমাংসা হল।পুরুসকার ও বিতরন হল।কিনতু আমরা কি এর শরিক হতে পারলাম?
আমিও এখন একজন CSM এর সদস্যা।এই অধিকার নিয়েই বলছি... মিঠুভাই তো আতিকভাইকে উনার পাওনা বুঝিয়ে দিলেন.. কিনতু আমরা কি কিছু বুঝলাম????

ছোট কোকের বোতলটা বড় আকার ধারন করলো মানলাম.. কারন আতিকভাই ও ছোট থেকে বড় হয়ে গেছেন।কিনতু আমার জানতে ইচছা হচছে উনি আমাদেরকে কেন বঞ্চিত করলেন??? কোকটা যদি উনি সবার সামনে খেয়ে শেষ করতেন আপওি ছিল না।কিনতু উনি নিজেও খেলেন না আমাদেরকেও শেয়ার করলেন না।তো কোকের বোতলটা কই গেলো?????

এর বিচার এখন কে করবে?????

"পাপ্পু এবং তারেক"


আজকে আমি আর লিটন বিকালে পাপ্পুকে দেখতে Nurture Hospital এ গিয়েছিলাম। পাপ্পু দেখে মনটা খারাপ হয়ে গেল। একটা এক্সিডেন্ট ওর জীবনের সুন্দর ভবিষ্যত নষ্ট করে দিল। মেধাবী পাপ্পুর স্মরণ শক্তি মাশাল্লাহ এখনো প্রখর। পুরোনো ঘটনা সে এখনো খুব সুন্দর করে গুছিয়ে বলতে পারে। যা আমরা অনেক সুস্থ মানুষও পারিনা। সেইরকম আমাকে অবাক করে দিয়ে একটি ঘটনা বললো যা পুরোপুরি ভাবে ভুলে গেছি বা এখনো মনে করতে পারছি না। কোন সাল, কোথায় পড়তাম, কি পড়তাম সব ওর মনে আছে। ঘটনাটি ১৯৯৩ সালের অর্থাৎ ২৩ বছর আগের। পাপ্পু পুরো ঘটনা বর্ননা করে এভাবে...

মেজাজ টা গরম


মেজাজ টা গরম। সারা দিন ঠিক করেছি শুক্রবার দেরীতে ঘুম থেকে উঠব। মানে সকাল ৮.৩০ টা বা ৯.০০ টায়। এজন্য সকালের নাস্তা টাও রাতে তৈরী করে রেখেছি যাতে সকালে উঠে গরম করেই খেতে পারি। কিন্তু বিধি বাম। Csm আড্ডাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে দেখতে সেই ৪.৩০ টায় ঘুম ভঙল। তারপর উঠে নামাযও পরলাম। মাগার ঘুম আর এই পর্যন্ত আমায় দেখা দিলো না। অথচ অন্য দিনে ঘুম থেকেই উঠতে পানি না। শুধু স্কুলের জন্য জোর করে উঠা।"আয় ঘুম আয়। দু চোখ ভরে আয়"।

আজকের দিন গত ২৯ তারিখ যে এক অবিস্বরনীয় ঘটনা ঘটে গেলো তা এখনো মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে


আজকের দিন গত ২৯ তারিখ যে এক অবিস্বরনীয় ঘটনা ঘটে গেলো তা এখনো মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। আমার কাছে এখন অফিস ছুটির সময়টা বড়ই বিরক্ত লাগে। আড্ডার আগের দিন গুলোতে আড্ডার বিষয় নিয়ে আড্ডা চলতো আর এখন বেকার। গতোকাল সুজইন্নারে আর পুলকরে ডেকে এনে কিছুটা সময় কাটালাম, কিন্তু আজকে কি করবো!! মাথায় কাজ করছে না। প্রথমে চুল কাটলাম তারপরও দেখলাম মাত্র ২:৪৫ আমি তখনো লাঞ্চ করিনাই, কি করবো!!! হঠাৎ চোখে পড়লো মিনা বাজার, তখনই মাথায় আসলো আজকের দিনে আমি গরুর আগ্নি করবো। মাংস কিনে ফিরলাম আর খেয়েদেয়ে কাজে লেগে গেলাম। দেখি কেমন হয়। আমার বাসায় all CSM বাসির দাওয়াত। স্পেশালী ঢাকার মানুষ তাড়াতড়ী আইসাপড়েন। স্টক....

খা, ফিডার এ করে দুধ খা তোরা


পরসু রাত, ছোট ছেলে রাত ১০টায় হঠাত তিব্র কানের ব্যাথায় কান্না শুরু করল। বাবু ক নিয়ে রাত আরাইটায় ও hospital এ যাওয়ার record আছে, কিন্তু তা খুলনায়। সেদিন রাতে সারে বারটায় বাসা হতে তুলনামুলক কাছে কাক্রাইলের ইস্লামি ব্যাংক হাস্পাতালে রওনা হলাম রিকশা নিয়ে।

আমার বাম হাতে একটা আর ডান হাতেও ব্যাগ ছিল। বাম হাতের ব্যাগ দেখলেই বুঝা যায় যে এতে টাকা নাই। আমার গায়ের চাদর দিয়ে দুই ব্যাগ ঢেকে রাখছিলাম। তবে বাম ব্যাগ হয়ত কিঞ্চিত বের হয়ে ছিল।

আচমকা পেছন থেকে ট্যাক্সি ক্যাব থেকে হাইয্যাকার ব্যাগ নিল, আমি ভয়ে চিৎকার করলে গারি দ্রুত চলে গেল।
অই ব্যাগ এ কি ছিল? ছেলের পানির ফিডার, দুধের কউটা আর পানির বোতল।।

খা, ফিডার এ করে দুধ খা তোরা। অনেক এনার্জি খরচ করছিস। মানুষ তো হতেই পারিস নাই, অমানুসের training ও ভাল ভাবে রপ্ত করতে পারিস্নাই।

খুশির সময়গুলার ব্যাপ্তি এত কম হয় কেন?


খুশির সময়গুলার ব্যাপ্তি এত কম হয় কেন? গত বৃহস্পতিবার এই সময়ে ছিলাম Grand আড্ডার ভেন্যুতে। খুব ঠান্ডা পারেনি আমাদের আটকে রাখতে। সে কি উত্তেজনা সবার চোখে মুখে। ধুমধুমানো ব্যস্ততা। আমি যেতেই নাজমুল ভাই বললেন, 'আমি একটু বাইরে যাচ্ছি,রান্না হচ্ছে,তুই মেয়েদের নিয়ে না খেয়ে যাবি না।' আমার ত শুধু বাহানা চাই থাকার। নাজমুল ভাইয়ের আর কোনো কথা মানি বা না মানি সেদিন আদেশ মনে করে থেকে গেছি। আমার দুই বোন ছিল সাথে,কাশেম চাচি, পিংকি আর তার গুল্লুগুলা সবাই আসলো। কি আনন্দ। ঈদ যেন। দলবেঁধে চা খেতে গেলাম। রেজাভাই আসলেন তার কিছু আগেই। 

আমার মেয়েরা পুরা জায়গা জুড়ে দৌড়াচ্ছে,ছবি তুলছে। আমার কথাগুলো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে আমি ওখানে বসেই লিখছি। একসময় গিয়ে বসলাম যেখানে রান্নার আয়োজন হচ্ছে সেখানে। বিরাট বিরাট হাড়ি রাখা,একপাশে লাকড়ির স্তুপ,আরেকপাশে বাজার সদাই। এর মাঝেই রাতের খাওয়ার আয়োজন হচ্ছে। মুরগী আর ভাত। খুব সাধারণ খাওয়া,কিন্তু সেদিনের মুরগী আর ভাতের স্বাদ ছিল অন্যরকম। বসার জায়গা নেই এক্টুও,তাতে কি। ফেরার সময় দেখলাম গরু আনা হয়েছে। সেল্ফি তুলতে চেয়েছিলাম।তা গরুর হাবভাব দেখে প্ল্যান বাদ দিলাম। পরেরদিন আড্ডার আবহ ছিল একরকম কিন্তু আগের দিনের যে আমেজ ছিল তার সাথে কোনোকিছুরই তুলনা চলেনা। আরেকটা আড্ডার আয়োজন করা যায় না?

Thursday, February 4, 2016

আস্তে ধীরে এক পা/এক পা করে দরজার সামনে দারালাম


আস্তে ধীরে এক পা/এক পা করে দরজার সামনে দারালাম। কলিং বেলে আংগুল রাখলাম। কে? আমি বাবা, বাবা কে? আগুনের ধাচ টা বেটির কাছ থেকেই আগে আসলো। ঘরে ঢুকে বুঝলাম, পরিবেশ অনুকুলে নাই। বউ/বেটি কেউ কথা বলেনা। বেটির মা কথা বলেনা, না বলুক কিন্তু মেয়েটাকে কথা বলাতে হবে। বুঝেছি বেটিকে Special ভাবে পড়ানো হয়েছে। খাওয়া/দাওয়া হলো কথা বার্তা ছাড়া। মনে হলো কোনো মুসাফির কে খেতে দেওয়া হয়েছে। 

ঘুমানোর সময় মশারী আমাকেই ফেলতে হয়। আমার কাছে সব চেয়ে বিরক্তির কাজ। মশারিতে হাত দেওয়া মাত্রই, প্রথম বোমাটা ফাটালো, ছাড়ো মশারিতে হাত দিবেনা, তুমি কি মনে করো, মশারি ফেলে দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে?? চুপচাপ থেকে গেলাম। বহু বছর পর, আল্লাহ আমার মুখের পানে তাকিয়েছে। আহারে, বাকি জিবন এই জঘন্য কাজটা তুমি করে দিও। বেটি আমার,আমাকে ধরেই ঘুমায়। এখানেও দেখি ছন্দ পতন। গায়ে হাত দিতেই সরিয়ে দিলো। কি আর করা, অন্যপাশ হয়ে সুয়ে পরলাম। রাত আর একটু গভীর হতেইছোট্ট নরম হাতের ছোয়া পেলাম। সাথে পা টি আমার শরিরের উপর। আহা কি শান্তি। ঘুম থেকে ডেকে বলতে ইচ্ছা করছিলো, "বেটি তো আর বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে আসোনি।

এক বন্ধুর ( বালিশের) বিয়ের অনুষ্ঠান


এক বন্ধুর ( বালিশের) বিয়ের অনুষ্ঠান, সব বন্ধুরা বিয়েতে আসলো, অনেক ব্যাস্ততা এবং ঝামেলার মধ্যে থাকায় সব কিছুর ব্যাবস্থা করলেও কিভাবে যেন পাগড়ীটা বাদ পড়ে গেলো !!! এখন কি উপায় !!! 
এক বন্ধু বললো কিরে বালিশ, তুই টুপি পরেই বিয়ে করবি নাকি ? আমি তোর পাগড়ীর ব্যাবস্থা করছি, একদিনের জন্য পাগড়ী কিনে কাজ নেই, অত:পর বন্ধুর দেয়া পাগড়ী পরেই দুই বন্ধু মিলে গেটে দাড়িয়ে বিয়েতে আগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাতে লাগলো,
১ম অতিথি :...... বাহ তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে smile emoticon
বন্ধু :........... সুন্দরতো লাগবেই, বালিশের মাথার পাগড়ীটা আমার শশুর বাড়ী থেকে আমাকে দিয়েছিলো, ইন্ডিয়া থেকে আনা, ২০ হাজার টাকা দাম !!!
বালিশ :.......তোকে কেউ পাগড়ীর কথা জিজ্ঞেস করছে? তুই আগ বাড়িয়ে এত কথা বলিস কেন ?
বন্ধু :........... তুই আমার পাগড়ী পরে বিয়া করবি, আর আমি এটা বলতে পারবো না ? এটা কিন্তু অন্যায় !!!
বালিশ :........ দোস্ত, পাগড়ীর ব্যাপারে এত কিছু ডিটেইলস বলার দরকার নাই 

কিছু "দুর্জন"


ছোটবেলায় পাঠ্যবইতে একটি গল্প পড়েছিলাম- এক বৃদ্ধলোকের দশ ছেলে। ছেলেদের মধ্যে কোন ঐক্য নেই। সারাদিন ঝগড়াঝাঁটি করছে। মারামারি, গালাগালি করছে। এ ওকে ঘর থেকে বের করে দিচ্ছে কিংবা নিজেই কেউ একজন রাগ করে বেরিয়ে যাচ্ছে। এক যাচ্ছেতাই অবস্থা। বৃদ্ধ দিনের পর দিন এসব দেখেন আর ছেলেদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে শঙ্কিত হয়ে উঠেন। একদিন বৃদ্ধ ভদ্রলোক বিশটি কঞ্চি যোগাড় করে ছেলেদের ডাকলেন। সকলের হাতে একটি করে কঞ্চি দিয়ে বললেন ভাঙো। ছেলেরা ভাবল বুড়ো বয়সে বাবার মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেছে। যে যার মতো মটমট করে বাঁশের চিকন কঞ্চি ভেঙ্গে ফেললো। যার যার কাজ সমাপ্ত করে চলে যেতে উদ্যত হলো ছেলেরা। বুড়োর ম্যাজিক কিছু বাকি ছিলো তখনো। তিনি ছেলেদের দাঁড়াতে বললেন এবং বাকি দশটি কাঠি একটি আঁটি বেঁধে জ্যেষ্ঠ পুত্রের হাতে দিয়ে বললেন "ভাঙো"। বড় ছেলে বিফল হলে দ্বিতীয় পুত্রের হাতে দিলেন। এভাবে একে একে সব ছেলেই সেই আঁটি ভাঙতে বিফল হলে বুড়ো বললেন তোমরা যদি একতাবদ্ধ না থাকো তাহলে ওই কঞ্চিগুলোর মতোই মটমটিয়ে ভেঙ্গে যাবে আর একসাথে আঁটি বেঁধে থাকলে কেউ তোমাদের ভাঙ্গতে পারবে না। 

Wednesday, February 3, 2016

অফিসিয়াল পার্টি চলছে, কিন্তু আমি একটুও মজা পাচ্ছি না


অফিসিয়াল পার্টি চলছে। কিন্তু আমি একটুও মজা পাচ্ছি না। তার কারন হলো শুক্রবারের গ্র্যান্ড আড্ডা এর পরে আমাদের ''৮৯ এসোসিয়েনের পার্টি এগুলোর কাছে আমাদের অফিসের পার্টি আমার কাছে পানসে মনে হনে হচ্ছে। গ্র্যান্ড আড্ডার ঘোর এখনো কাটেনি। চোখ বন্ধ করলে কলনির সবাইকে দেখতে পাই। সারাক্ষন মনে হয় সবাই আমার আশে পাশে আছে। গ্র্যান্ড আড্ডাতে আপ্যায়নের দ্বায়িত্বে থাকায় সবার সাথে দেখা করতে পারি নাই। ইচ্ছে ছিল সারাদিন আড্ডা দিব, প্রান ভরে সবার সাথে গল্প করবো, স্টেজ প্রোগ্রাম মজা করে দেখবো, সবার গল্প করতে করতে মনের অজান্তে কলনিতে চলে যাবো, কিন্তু না কোনটাই পুরোপুরিভাবে করতে পারি নাই। বাবুর্চি পরিচালনার দ্বায়িত্বে থাকার কারনে। তারপরও যত টুকু আনন্দ করেছি বা আনন্দ পেয়েছি তার কাছে আজকের আমার অফিসের এই পার্টি কিছুইনা। একশত ভাগের এক ভাগও না। অনেক দিন মনে থাকবে গ্র্যান্ড আড্ডার কথা। মোবাইলের রিং টোনে আছে সিএসএম আড্ডার থিম সং মিউজিক। মাঝে মাঝে অফিসে কাজের ফাঁকে শুনি পুরো গানটা। 

হ্যালো CSM, প্রানের CSM.

মা

- Pavel

হঠাৎ করে নই, অনেক সময় ভেবেছি। কিন্তু এখনকার ভাবনার গভীরতা অনেকটাই বেশি। তখন আমি 3rd year এ পড়ি, একে একে ৩ ভাই-বোনের খুব জ্বর । কোনো ভাবেই ভালো হয় না। বেশ কিছু Test এর পরে জানা গেল প্যারা-টাইফয়েড ৩ জনেরই।৩ জনরই সুস্থ হতে আড়াই মাস সময় লাগলো। এই আড়াই মাস তারা কঠিন কষ্ট পাইলো আর রাত-দিন এক করে আম্মা করলেন অকল্পনীয় কষ্ট । যেখানে প্রায়ই রাতেই আম্মা ঘুমাতেন ১-২ ঘন্টা। মাঝ রাতে উঠে কাউকে না কাউকে মাথায় পানি ঢালছেন আর দিনের বেলাতো ছিলই, সাথে তাদের জন্য টাটকা স্যুপ রান্নাসহ রোগির পথ্যের জন্য রান্না, অন্যদের জন্য তো আলাদা কিছু করতই ।

এর সাথে বাকি কাজ। হঠাৎ করে আব্বার পায়ের অপারেশন করতে হলো জরুরি কারণে। আবার আব্বার আলাদা খেয়াল। আমি ব্যবসায় যেতাম, মাঝে পড়তে যেতাম আর ডাক্তার, ঔষধ, বাজার এর ফাঁকে আম্মাকে কিছুটা সাহায্য করার চেষ্টা। আর আরো যখন ছোট- ৩ ভাই-বোনকে সকাল সকাল উঠে রেডি করে স্কুলে পাঠানো, ফিরে আসার আগে খাবার রেডি রাখা, আব্বার প্রতি দায়িত্ব, ঘরের অন্যান্য কাজ। আর যদি কাজের বুয়া না থাকতো তাহলে তো সব কাজ আম্মাকে একাই করতে হতো। কি পরিমাণ কষ্ট করতে হতো আম্মাকে, কিভাবে সবারটা ঠিক রাখতো। বাকি এই দীর্ঘ সময়ে আমিও ভালোই অসুস্থ হলাম ,জন্ডিস,ম্যালেরিয়া জ্বর আর ছোট বেলার কথাতো নাই বললাম।

Tuesday, February 2, 2016

প্রেম ও বিয়ে নিয়ে কিছু ধারকরা কৌতুক কে গুছিয়ে লিখলাম


আড্ডা নিয়ে কিছু-সিরিয়াস ও রসাত্মক লিখা রেডি করেছিলাম। কিন্ত যে হিসাবে কম্বল থেকে পশম উঠা শুরু হয়েছে তাতে আমার এলেখা লেখলে দেখা যাবে শেষে কম্বলই থাকবে না। তাই আপতত প্রেম ও বিয়ে নিয়ে কিছু ধারকরা কৌতুক কে গুছিয়ে লিখলাম-
বিয়ে হলো জটিল একটা জিনিস। ওরস্যালাইনের মত এক মুঠো প্রেম, আধসের ভালবাসা আর এক চিমটি প্রতারনাকে লম্বা একটা চাওয়া যাওয়ার ফর্দ দিয়ে ঘুটা দিলে যে জটিল যৌগটি প্রস্তত হয় তাকে ঠিক বিয়ে না বলে বিয়ের আধুনিক সংস্করণ বলাই ভাল।

স্বদেশ

- Masudul Hasan

স্বদেশ
*****
আমার দেশ সেরা যে ভাই
সকল স্বাদ পাই,
কভু তুমি পাবে নাকো
অন্য দেশে তাই।।
জীবন চলার ছন্দ আছে
আমার দেশে ভাই,
অন্য দেশে সবই আছে
সুখ যে আর নাই।।
২০০৭
সুইডেন

Monday, February 1, 2016

অপেক্ষা


কলোনি তে আমরা যখন প্রথম আসি আমাদের বাসা ছিল BH 1 এ।তিন তলা।পাশাপাশি অনেকগুলো ফ্যামিলি। বাসার পাশেই স্কুল,মসজিদ।আমরা আগে যে বাসায় থাকতাম সেখানে এত মানুষ ছিল না।তাই হঠাত বেশি মানুষ দেখে আমি কিছুটা ভড়কে গিয়েছিলাম।আমি নিতু।মা বাবার একমাত্র সন্তান।ভাই বোন নেই।তাই খুব সহজে কারো সাথে মিশতে পারতাম না।

প্রথম দিন স্কুলে গেলাম।একপাশে বসে আছি ক্লাসের।এমন সময় আমার পাশে এসে বসল ইতি।আমার সাথে ও কথার ফুল ঝুড়ি খুলে বসল।সবার সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিল।এদিকে আমার মাথায় শুধু চিন্তা কিভাবে টিচারদের সুনজরে নিজেকে নিয়ে আসব।।প্রথম সাময়িক পরীক্ষার অনেক দেরি।ইতি আমাকে বুদ্ধি দিল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় নাম লিখাতে।আমিও ওর কথা মত গান, উপস্থিত বক্তৃতা তে নাম দিলাম এবং প্রথম পুরস্কার জিতে নিলাম।

সবারই মাথা মনে হয় কিঞ্চিত গরম


সবারই মাথা মনে হয় কিঞ্চিত গরম, তাই আমিও বাদ যাবো কেনো, সে জন্য বোধ হয় আমারো মাথা গরম হয়েছিলো, দুই জন বড় ভাইয়ের সাথে রাগ করে (রাগ করার কারনও ছিলো)এই পেজ ছেড়ে দিব ভেবেছিলাম, পরে একজন বড় ভাইয়ের অনুরোধে / আদেশে (সমস্যা এই জায়গা টায় উনার অনুরোধ/ আদেশ আমি কখনো ফেলতে পারিনা) এই হঠকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসি।

আসলেই আমরা যারা এই পেজ টার জন্ম লগ্ন থেকে জড়িত তারা একবার চোখ বন্ধ করে ভাবিতো, এই পেজ ছাড়া কি আমাদের থাকা সম্ভব, কখনোই না। পেজ টা খুললেই তো আমি আমার অস্তিত্ব কে খুঁজে পাই। আর অস্তিত্ব কে অস্বীকার করার কোন উপায় কারো নেই।

কেউই ইচ্ছৃাকৃত ভূল করেনি


যারা বিভিন্ন কারণে (মনের কষ্ট ও ক্ষোভে) আমাদের ত্যাগ করার অভিপ্রায় ব্যাক্ত করেছে তাদের উদ্দেশ্যে সংক্ষেপে বলবো কেউই ইচ্ছৃাকৃত ভূল করেনি। যদি হয়েই থাকে তবে তা অনিশ্চকৃত বা মনের অজান্তে ভূল।এটা হতেই পারে যেহেতু আমাদের শুরু।যেমন, আমার অফিসে গ্র্যান্ড আড্ডা’র একটি মিটিং এ আলোচনার এক পর্যায়ে আমি রেজা’র বিরুদ্ধে রেজার অনুুপস্থিতেতে (অন্যের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে কিন্তু প্ররোচিত হওয়া ভাল না) কিছু অন্যায় মন্তব্য করেছিলাম ।পরে জানলাম/দেখলাম যে, রেজা কোন অন্যায় করেনি ততক্ষণাৎ রেজাকে ফোন দিয়ে নিজের ভূলগুলো নিজে্ই কারেকশান করে নিলাম, আর তাতে কি আমার মান সম্মানের হাণি বা কোন প্রকার ক্ষতি হয়েছে? মোটেই না। আসলে মন উদার থাকলে এক সাথে থেকে অনেক কিছু করা যায়। সুতুরাং যার যার ভূল গুলো সে যদি নিজ থেকে কারেকশান করে নেয় তাহলে সেটাই হবে সত্যিকারের সংশোধিত/বিশুদ্ধ একটি শক্তি্ আর যদি না করি তবে তা হবে অপশক্তি। একটা কথা আছে “রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’’। তাহলে কি আমরা হেরে যাবো! মনে রাখতে হবে আমরা হেরে যাওয়ার ষ্টীলার নই, জয় আমাদের হতেই হবে।সামনে আরো অনেক দূর্গম/পিচ্ছিল পথ।

Sunday, January 31, 2016

আপ্যায়ন


আপ্যায়ন শব্দটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত। কিন্তু কাউকে আপ্যায়ন করতে গিয়ে সব কিছু জোগাড় করা, তদারকি করা যে কি পরিমান কষ্ট সাধ্য কাজ তা একমাত্র যে করে সে জানে। আমাকে গ্র্যান্ড আড্ডার আপ্যায়ন কমিটির প্রধান করা হলো। পূর্বের অভিজ্ঞতার কারনে আমি প্রথমে রাজি ছিলাম না।কিন্তু বড় ভাইদের চাপাচাপিতে আমাকে দ্বায়িত্ব নিতে হলো। আমার কমিটির যারা ছিল তারা ছাড়াও বাকিরা সবাই আমাকে সাহায্য করবে, এই শর্তে রাজি হলাম। তারপর শুরু হলো আমার ছুটাছুটি। টিংকু, হিমেল, সুমন, সজিব এবং বাকিদের সাথে ফোনে কথা বলে যাত্রা শুরু করলাম। শাহাবুদ্দিন লিটন (অর্থ কমিটির সদস্য) আমাকে অভয় দিলো এবং সারাক্ষণ আমার পাশে ছিল। 

Grand Adda Fever


দুইদিন ধরে Grand Adda Fever এ ভুগছি। Fever টা কিছুতেই নামছে না। নাম্বেই বা কেমনে? ভাইরাসটা (প্রানের মেলা) যে কত মারাত্বক এবং এর কার্যকারীতা যে কতোটা ভয়াবহ (আনন্দ-উচ্ছাস) ছিল সেটা সবাই - যারা এটেন্ড করেছি আমরা দেখেছি। তাইতো এক্কেবারে Highest level এ উঠে ঘাঁপটি মেরে বসে আছে।

জানি Grand Adda Fever টা সারতে সময় লাগবে। এই ধাক্কা সামলাতে না পেড়ে কাল ঢাকা এসেও আজ অফিস যাওয়া হয়নি। সারাটা সময় কেটেছি ১৭/১৮ বছর পর দেখা চাচা-চাচী, স্কুলের স্যার-ম্যাডাম, বন্ধু-বান্ধব আর প্রিয় মানুষগুলোকে দেখে খুশীতে আত্বহারা হয়ে গভীর আবেগে বুকে জড়িয়ে ধরার গল্প করে।

শরীরটা নিয়ে চলে এসছি ঠিকই কিন্তু মনটা bitray করে রয়ে গেছে CSM Colony -তে থাকা সেই সব আপনজনদের কাছে।। প্রিয় মানুষগুলো সবসময় অনেক ভাল থাকুক।

ফেইস বুক


ফেইস বুক। একটি পেজ। CSM Colony নিয়ে একটি গ্রুপ। অনেক অনেক আবেগ দিয়ে তৈরী এই গ্রুপ। এই আবেগের এতটাই শক্তি যে, কল্পনাকেও হার মানিয়ে হয়ে গেলো এক অসাধারন মিলন মেলা। যাকে আমরা ভালোবেসে নাম দিয়েছি "আড্ডা"। আমাদের এই গ্রুপটির ছেলে মেয়েরা, অমানুষিক পরিশ্রম করে, এই আড্ডাটিকে সফল করেছে। এই গ্রুপটির ভাইবোনেরা, CSM এর সকলের ঘরে ঘরে গিয়ে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে, আমাদের মিলন মেলার গুরুত্বটিকে। ধন্য আমাদের এই পেজ, ধন্য আমাদের ভাই/বোনেরা। গুরুজনরা আমাদেরকে বুক ভরা ভালোবাসা দিয়েছে, আর দুই হাত তুলে দোয়া করেছে। আমরা কৃতজ্ঞ তাদের প্রতি এবং সবচেয়ে বড় ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য, আমাদের এই গুরুজনেরা। আমাদের প্রতি তারা আস্থা রেখেছেন এবং আমাদের এই মিলনমেলাকে শোভামণ্ডিত করেছেন এবং এর সাথে সাথে ধন্যবাদ, আমদের এই পেজটির বাইরের সকল ভাই/বোনদের যারা আমাদের নিঃশর্ত সমর্থন দিয়ে, মিলন মেলায় এসেছে। আমরা পারি। আমরা পেরেছি এবং আমরা পারবো।

Saturday, January 30, 2016

২৯ শে জানুয়ারি


২৯শে জানুয়ারি | CSM এর সবাই আজকের এই দিনটির জন্য অপেক্ষায় ছিলাম | দিনটি আসলো এবং সবাই খুব আনন্দের সাথে দিনটি কাটিয়েছে | ছোট বড় ভাই বোন, আমাদের বাবা চাচারা এবং আমাদের সম্মানিত শিক্ষক মহোদয় সবাই খুব আনন্দের সাথে দিনটি অতিবাহিত করেছেন | মনে হচ্ছিলো যেন সেই আগের CSM কলোনিতেই ছিলাম সারাদিন | সার্থক হয়েছে সবার পরিশ্রম | সবার উপস্থিতি খুব ভালো লেগেছে |

অনুষ্ঠান শেষ হওয়া পযন্ত থাকতে পারিনি | সময় ছিলো কম | রাতেই আবার ফিরতে হচ্ছে | খুব খারাপ লাগছিল আসার সময় এই রকম একটা আনন্দঘন মুহুরত ছেড়ে চলে আসতে| এই রকম একটা দিন এই ররকম একটা সময় আর কি কখনো পাবো? ধন্যবাদ CSM এর প্রতিটি সদস্য কে যারা আজকের এই ADDA তে উপস্থিত হয়েছেন | করম জীবনে ফেরত যাচ্ছি কিন্ত সাথে নিয়ে যাচ্ছি আজকের এই দিনটির প্রতিটি মুহুরত | জয় হউক CSM এর | CSM বেচে থাক আমাদের সবার মাঝে | আজীবন |

কোথাউ আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা মনে মনে


কোথাউ আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা মনে মনে
মেলে দিলেম গানের সুরে এই ডানা.....
কাল হারানোর দিন ছিলো। হারিয়েছিলো খালাম্মারাও। আমি হারিয়ে ফেলছিলাম আম্মু কে, আমার ছেলেরা হারিয়ে ফেলছিল তাদের আম্মু কে।
কত বছর পর মুক্তা, লিপি, জয়নাল, টিপু.........সবাই কে পেলাম।
মামি (খোদেজা আপা), চাচি ( Taskin Ashiq এর আম্মা), খালাম্মা ( Tanjina Bashar আপুর আম্মা) সবাই কে খুব feel করলাম। 
যেন অনেক কথা জমে আছে একেক জনের সাথে, কিন্তু কারো সাথেই কথা শেষ হচ্ছিলনা, কাকে রেখে কার সাথে কথা বলব। জানি সবার একি অবস্থা ছিল।

''ফিরে দেখা সি এস এম তোমাকে''


এক এক করে গুনতে গুনতে কতগুলো বছর যে অতিবাহিত হয়েগেছে আজ আংগুল কোঠায় গুনতে না বসলে হয়ত বুঝতেই পারতাম না।এরই মাঝে পেরিয়েগেছে দুইদশকের কাছাকাছি কিছু সময়।এই দুই দশক সময় পরিক্রমায় সি এস এম-র সদস্যরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে দেশ বিদেশের নানান স্হানে।কখনই চিন্তা করি নাই আমরা একএিত হতে পারব।এই অসাধ্যকে সম্ভব করতে পেরেছে 'আড্ডা'।সময়ের স্রোতে বদলে গেছে অনেক কিছু, শুুধু বদলায় নাই সি এস এম র প্রতি ভালবাসা, আবেগ আর উচ্ছাস। সে কারনেই হয়ত প্রানের আহ্ববানে মিলিত হয়েছে সি এস এম-এর সহস্র প্রান 'আড্ডা' নামের মিলন মেলায়।

Revival of Bonding


উফফ কী একটা চমৎকার দিন কাটালাম! আনন্দের সময় গুলো এতো তাড়াতাড়ি কেন শেষ হয়ে যায় । কেন গতকালের দিনটা ২৪ ঘণ্টার না হয়ে ৪৮ ঘণ্টার হল না। তাহলে কলোনির প্রিয় মানুষগুলোর সাথে, প্রিয় বন্ধু গুলোর সাথে আর বেশী সময় থাকতে পারতাম। খুব আফসোস হচ্ছে যে এই আয়োজনে সামান্য কিছুও করতে পারিনি বলে, অথচ খুব ইচ্ছে ছিল এই আয়োজনে সামান্য কিছু হলেও যদি কিছু করতে পারতাম। বড় ভাই রা ছোট ভাইরা সবাই কত পরিশ্রম করল। আমি কিছুই করতে পারলাম না। সবাই কে মনের আন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ দেই। 

ধন্যবাদ দেই যারা এতো পরিস্রম করে আমাদের হাতে একটা স্মৃতির ফোয়ারা (ফেরা)ধরিয়ে দিলেন। সারাজীবন এটা আমি যত্ন করে রেখে দেব। সন্ধার পর খারাপ লাগছিলো এটা ভেবে যে একটু পর সবাইকে হারাই ফেলব। এতো সুন্দর একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হল , খুব ভালো লাগলো। নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হচ্ছিল ওদের কথা ভেবে যারা এই আড্ডায় আসলো না। 

চিটাগং ছাড়ার সময় সব সময়ই মন খারাপ হয়


চিটাগং ছাড়ার সময় সব সময়ই মন খারাপ হয়।কিন্তু এবার সেটা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।আড্ডা থেকে ফিরে রাত থেকেই মন খারাপ পরদিন ঢাকা ব্যাক করতে হবে।মন খারাপ থাকলে যা হয়,মেজাজও খারাপ হল সাথে।সকালে অকারনেই ছেলেটা বকা খেলো।পতিদেবও দুরে দুরে থাকে,রাগটা কখন কার উপর গিয়ে পরে বলা যায়নাতো।এদিকে আব্বার শরীর টাও ভালোনা।ট্রেনের উদ্দেশ্যে যখন সবাইকে ছেড়ে সি এন জি তে উঠলাম আমার মনে হল কিছু ফেলে যাচ্ছি, মুল্যবান কিছু। আমার প্রাণের শহরে আমার প্রাণের মানুষ গুলোকে ফেলে যাচ্ছি আমি।

ম্যারাথন ঘুম দিয়া উঠলাম দুপুর দেড়টায়


ম্যারাথন ঘুম দিয়া উঠলাম দুপুর দেড়টায়। মোবাইল silent করে ঘুম দিসিলাম। উঠে দেখি বেশকিছু মিসকল। কলব্যাক করে জানতে পারলাম, অসামান্য কাজের(!?) স্বীকৃতি জানাতে ভাইয়ারা ফোন দিছে। হাঃহাঃহাঃ!! উনাদের মহানুভবতায় মুগ্ধ হলাম। কারণ, আড্ডার প্রধান উদ্যোক্তাদের একজন,যিনি আড্ডার সফলতার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেছেন,তিনিই আমাকে আমার অসামান্য (!?) কাজের জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন!!! কই যাই!!!!!!
মজার ব্যাপার হলো,এই ধন্যবাদ দেওয়া-না দেওয়া নিয়ে আবার দেখি মন কষাকষি শুরু হয়েছে!!! ছোটবেলায় প্রায় পরীক্ষাতে দুইটা ভাব-সম্প্রসারণ আসতো। একটা ছিলো, 
"শৈবাল দিঘিরে কয় উচ্চ করে শির,
লিখে রেখো একফোঁটা দিলেম শিশির "।
আরেকটি হলো, " কেরোসিন শিখা কহে মাটির প্রদীপেরে,
"ভাই বলে ডাকো যদি, দিবো গলা টিপে",
হেনকালে গগণেতে উঠিল হে চাঁদা,
কেরোসিন শিখা বলে,"এসো মোর দাদা!!" 

I'm going off


একটি পোস্টে সবার কমেন্ট দেখে যা বুঝার বুঝে নিয়েছি। I'm going off. গ্রুপ থেকে যাচ্ছিনা তবে এই গ্রুপের কোন পোস্টে অংশগ্রহন বা কোন পোস্ট প্রদান থেকে বিরত থাকছি। মানসিকতা একটি বড় ইস্যু। আমার মনে হচ্ছে আমি এখানে বেমানান কারন এধরনের কমেন্ট আমি করিনা এবং অভ্যস্তও নই। খুব দুঃখের সাথে দেখলাম গ্রুপের প্রথমদিকের একজন সদস্যের সাথে বাজে আচরন করা হচ্ছে যিনি ব্যক্তিগত জীবনেও একজন সম্মানিত মানুষ। এই মানুষটা সেই মানুষ যিনি দেশের সবচেয়ে উপর দিকের একটি শিক্ষাংগনের শিক্ষিকা। 

অনেক কষ্ট হয়....

- Mahamud Hasan

অনেক কষ্ট হয়....
অঝর কান্নার অশ্রু মুছে ফেলতে কষ্ট হয় না..
কারন তা গড়িয়ে পড়ে যায়
চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রু মুছে ফেলা অনেক কষ্টের..
কিছু লিখবো না মনে করছিলাম..
আর পারলাম না..
কষ্ট হলেও চোখের কোণের অশ্রু মুছে ফেল্লাম..
কার সাথে অভিমান?

কয়েক মাস এর পরিশ্রম পর আমাদের গ্র্যান্ড আড্ডা গতকাল সম্পন্ন হল


কয়েক মাস এর পরিশ্রম পর আমাদের গ্র্যান্ড আড্ডা গত্কাল সম্পন্ন হল।এখানে সিএসএম কলোনির সকলের প্রচেষ্টায় এই আড্ডা সফল হয়েছে,প্রথমবার তাই আমাদের কিছু ভূল ভ্রান্তি হতে পারে,যা এত বড় অনুষ্ঠান করতে গেলে হতে পারে,তাই সকলে ক্ষমা সুন্দর চোঁখে দেখবেন।আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করেছি সিএসএম কলোনীর সকলকে একএিত করতে,হয়তো অনেক আনতে পারি নাই,আবার অনেকে বিভিন্ন কারণে আসতে পারে নাই।

আমার মায়ের খুব ইচ্ছা ছিল সে আসবে,তার কত আয়োজন করেছিল আসার কিন্তু তিনি হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পরেন ২ দিন icu তে ছিলেন, এখনো হাসপাতালে আছে,আমার ভাই - বোনরা কেউ আসতে পারে নাই,আমি ৩ দিন ঢাকা ছিলাম মায়ের কাছে,শেষের ৩ দিন আমি সময় দিতে পারি নাই,তবে আমি সবার সাথে যোগাযোগ রেখেছি,এবং সবাই আমার মায়ের খবর নিয়েছে,এবং বলেছে আগে মার পাশে তুই থাক,আমরা দেখব। এটা আমার অনেক বড় পাওনা।আমাদের রিপন ভাইয়ের বাবা অসুস্থ তাই তাদেরকে ও বাবার পাশে থাকতে হয়েছে।

প্লিজ স্টপ


আমি সজিবের কথার উত্তরে বলেছিলাম আমি অনেকের নাম জানিনা কিন্তু যাদের নাম লিখেছি তারা সবাই কোনো না কোনো কমিটি লীড করছে।কাজ সবাই করেছে। সারাটাদিন কমু আর লিটন এই দুইটার চেহারা দেকসো কেউ,খাবার নিয়ে ব্যস্ত,আমি personally কমুর সাথে কথা নলেছি।।নাম না বললেই কি তাকে ছোট করা হল? এত বড় প্রোগ্রাম ঢাকায় এত সুন্দর করে হত না এই কথাটা আমি হাজারবার বলছি। এখন ত নিজেই বোকা হয়ে গেলাম যে কেন এই পোস্ট দিলাম। ধন্যবাদ জানানো দরকার ছিল শুধুমাত্র বড় তিনজনকে, ছোটো গুলা এখনো ছোটোই। 

Friday, January 29, 2016

CSM Theme Song

শিরোনামঃ- সি এস এম থীম সং
কথা ও সুরঃ- এইচ. এম. এ আলম সুজন
শিল্পীঃ-এইচ. এম. এ আলম সুজন
সংগীত আয়োজনঃ- এইন্ডস ক্রিয়েশন

ছোট বড় খাল বিল মনের স্টীল মিল
কিভাবে ভুলে থাকি বলো
স্মৃতির পাতায় পাতায় মিশে আছে
ভাবলেই চোখে আসে আলো

হাই সি এস এম
হ্যালো সি এস এম
আমাদের সি এস এম
প্রানের সি এস এম ।।

বর্ষার পানিতে ফুটবল খেলা
আনন্দে উৎসবে কেটে যায় বেলা
রেখে এলাম পরিশেষে রয়ে গেলো স্মৃতি
পারবো না জেনে আমি ভুলে থাকার ভীতি

হাই সি এস এম
হ্যালো সি এস এম
আমাদের সি এস এম
প্রানের সি এস এম ।।

ডাব চুরি পেঁপে চুরি
কত মেয়ের মন চুরি
মনে কত দোলা দেয়
তাস খেলা মার্বেল সাতচারা লুকোচুরি
কিভাবে আড়ালে রাখি বলো।

হাই সি এস এম
হ্যালো সি এস এম
আমাদের সি এস এম
প্রানের সি এস এম ।।

শীতকালে শুরু হত পিকনিকের মজা
জ্যাকসনের গান শুনে উলটা পালটা নাচা
রেখে এলাম পরিশেষে...
পারবোনা জেনে আমি......।

হাই সি এস এম
হ্যালো সি এস এম
আমাদের সি এস এম
প্রানের সি এস এম ।।

বার্ষিক খেলা আর স্কুলের ফাংশান
কতটা ভাবিয়ে বেড়ায়
টাংকির নিচে আড্ডার জাংশান
নস্টালজিক হয়ে যায় সবাই
কিভাবে ফাঁকি দেই সাত্তার স্টোর
স্বপ্নের আড়ালে কাটে না ঘোর
নামটা ভুলি নি মনে পড়ে আজও
মনের গভিরে স্মৃতি তোমার মত সাজো

হাই সি এস এম
হ্যালো সি এস এম
আমাদের সি এস এম
প্রানের সি এস এম ।।

মাতাল করা সেই জেক্সের আড্ডা
কিভাবে কেটে যায় অর্ধেক রাতটা
সময় গড়িয়ে আজ মেতেছি আমরা
সি এস এম এর গ্র্যান্ড আড্ডায়

হাই সি এস এম
হ্যালো সি এস এম
আমাদের সি এস এম
প্রানের সি এস এম ।।


Thursday, January 28, 2016

হ্যালো, শুনছেন?

- Javed

হ্যালো, শুনছেন?
আজ যত বাস আর ট্রেন
ভরে আছে সেই মেহনতি মানুষদের
সন্তানের গানে, শেকড়ের টানে
সব ছুটছে সাগর শহর পানে।
হ্যালো, ইস্পাত যোদ্ধাদের সন্তান,
আজ পিতার শরীরের ঘামে ভেজা মাটি,
নতজানু হয়ে কুর্নিশ করে
আন্তঃনগর নিশিথা, প্রভাতী
বয়ে নিয়ে এসে সেই সূর্য সন্তানদের।

গ্রান্ড আড্ডা


সবাই এখন আড্ডামুখী। যারা আড্ডায় যেতে পারছিনা আমি নিশ্চিত তারাও ফেসবুক বা ফোনে প্রতিনিয়ত আড্ডার খবর নিচ্ছেন। আর যারা সরাসরি যোগ দেবেন তাদের তো পুরো ঈদের খুশি। খোদা তালার কাছে অশেষ শুকরিয়া যে, আপনারা সবাই ভালভাবে চট্টগ্রাম পৌঁছে গেছেন। যারা পথে আছেন বা পরে রওনা দেবেন আশা করি তারাও ভাল ভাবে পৌঁছবেন।

আড্ডার শুরুটা হয়েছিল রেজা ভাইয়ের একটা পোস্ট থেকে, উদ্দেশ্য ছিল সবাই মিলে এক হয়ে কোথাও বসা। শুরুতে ব্যাপারটা কল্পনায় ছিল কোন একটা ভ্যেনুতে নিছক চায়ের আড্ডা। কিন্তু সে কল্পনা বাস্তবে পরিণত হতে হতে বিশাল এক আয়োজনে রূপ নিয়েছে। চায়ের আড্ডা পরিণত হয়েছে দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান , স্বারক বই সব কিছু মিলে একটা জম জমাট ব্যাপার। আর এখানেই সবার দায়িত্ব বোধের একটা বিষয় চলে আসে। এত বড় একটা ইভেন্টে সব কিছু পরিকল্পনা মাফিক চলেনা। কিছুটা এদিক ওদিক হয়েই যায়। 

Wednesday, January 27, 2016

”কি করি আজ ভেবে না পাই টাইপ” আনন্দ


প্রতিটি ছোট বড় ভাই খুব ব্যস্ত,যখনই কাউকে ফোন করি দেখা যাচ্ছে যে সে আড্ডা সংক্রান্ত কাজে দৌড়ের উপর আছে। বড়ই আনন্দদায়ক ব্যাপার।”কি করি আজ ভেবে না পাই টাইপ” আনন্দ।

১৭/১৮ বছর আগে কে কোথায় ছড়িয়ে পড়েছে আর আজ আবার এক সাথে হচ্ছে ভাবতেই অন্যরকম অনূভূতি জাগে। এতাগুলো মানুষকে এক সাথে করার জন্য সবাই বিশেষ করে চট্টগ্রামে অবস্থানরত ভাইয়েরা যেভাবে সকাল থেকে রাত পর্য্্যন্ত এই শীতের মধ্যে কাজ করে যাচ্ছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। সে তুলনায় আমরা যারা ঢাকা বা অন্য জেলায় অবস্থান করছি তারা অনেকটা ঈদের ছুটির আমেজে রয়েছি। 

বেচেঁ থাক

- Arif

বেচেঁ থাক স্লেক পথ
দুষ্টুমি দুপুরে.....
বেচেঁ থাক ঘুড়ি উড়া
লাফালাফি পুকুরে....!

বেচেঁ থাক ডানলব
টেনিস বা প্লাস্টিক....
বেচেঁ থাক বড় মাঠ
পিঠে বোম ব্লাস্টিক....!

সেই আগের মতোই, আন্তরিকতার কোন কমতি নেই


সি, এস,এম কলোণীর এই পেজটা খোলার পর পুনরায় নতুন করে সবার সাথে যোগাযোগ শুরু হলো । আড্ডার সুভাদে অনেকের বাসায় কুপন বিলিতে যাওয়ার সুভাগ্য হয় , সেই আগের মতোই, আন্তরিকতার কোন কমতি নেই । এখন কলোনীর অনেকেই ফোনে যোগাযোগ করে , আমরাও চেষ্টা করি সবার সাথে যোগাযোগ রাখতে । সবার একটাই উদ্দেশ্য "গ্র্যান্ড আড্ডাকে" সফল করা । "গ্র্যান্ড আড্ডার " দায়ীত্বে যারা আছে বড় ছোট সকল ভাইয়েরাই আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে । সবাই নিজ কাজে এতো ব্যাস্ততা থাকার পরও , কাজের ভিতর থেকে সময় বের করে "গ্র্যান্ড আড্ডার" কাজে সময় দিচ্ছে । অনেকেই এই শীতের রাতে ১০টার পর বাসায় ঢুকছে । যা বলার কোন অবকাশ রাখে না । সবাই "গ্র্যান্ড আড্ডার" আগমনের আনন্দিত সময় পার করার মাঝেও , কিছু দু:খের সংবাদ ভেসে উঠে ।

Tuesday, January 26, 2016

ইস্পাত পরিবার

- Ava Abid

মাঘের শেষে গুনগুনিয়ে ফাগুনের হাত ছানি
কান পেতে শুনি যেন কাদের মধুর আগমনী
ওরা নাকি স্বপ্নের ব্যাপারী,
স্বপ্ন নিয়ে আসছে ওরা ২৯ শে জানুয়ারী
মুখে তাদের মায়াবী আবাহন
সে আবাহনে দিতে হল সাড়া
জাদুর ছোঁয়ায় কেড়ে নিল ওরা
আছে যত স্নেহাশীষ আর মায়া
তাইতো মোরা স্বপ্ন দেখি একটি নতুন সকাল

পুরোপুরি ঈদের আমেজ চলছে


পুরোপুরি ঈদের আমেজ চলছে- ঢাকা থেকে কে কিভাবে চিটাগাং যাবে তার একটা প্রস্ততি, যাদের অগ্রিম টিকেট করা আছে তারা মোটামুটি নির্ভার,যারা এখনো টিকেট করে নাই তাদের দৌড়ঝাপ। দেখতে এবং শুনতে ভালোই লাগছে।

ঢাকা থেকে টাকা পাঠাতে হচ্ছে, উপায় বড় ভাইয়ের ব্যাংক একাউন্ট, কিন্ত না উনার ব্যাংক একাউন্টে নাকি আবার FBI এর নজর আছে, এক সাথে বেশী টাকা পাঠানো যাবেনা। অতএব বিকল্প পন্থা। আবার দৌড়াও।

আরেকদিকে চলছে কাপড় চোপড় কেনাকাটার ধুম, একটু আগে খবর পেলাম এক বড় ভাই তার পোলার জন্য ব্লেজার কিনছে এই গ্রান্ড আড্ডা উপলক্ষ্যে।। আর বউ, ভাবী আর বোন দের কেনা কাটা তো পুরা আনলিমিটেড। তবে আমাদের মত গো বেচারা স্বামী আর বোন জামাই দের কি অবস্থা এ খবর এখনো পাইনি।

আন্তর্জাতিক অর্থাৎ লন্ডন, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ সব জায়গা থেকেই শুভেচ্ছা বার্তা।

আর আমি আসছি চাঁন রাতে, সদলবলে।আশা করি চাঁন রাতে ঈদের আমেজ টা আরো বেশী পাওয়া যাবে।
”ঈদের খুশীর এ প্রাণের মেলা
আনন্দে কাটুক সারাটি বেলা”

আড্ডা (কবিতা)

সি.এস.এম এর পিছকুলের আড্ডা


বিষয়ঃ সি.এস.এম এর পিছকুলের আড্ডা
সময়ঃ আড্ডার দিন সকাল 8.00 হইতে যতক্ষন থাকা যায়।
পূর্ণমানঃ (সোয়াদ অনুযায়ী)
1। আতিক ভাইয়ের সেঞ্চুরী অনুছড়ার লেখার কারণ-উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা কর।
2। বুবুর-হাতের বেত যেমন শক্ত-মনের শাসন ততখানি নরম-কারন কি?
3। পীর সাহেবের-মনের অসুখ বড় নাকি শরীরের অসুখ বড়-বিশদ আলোচনা কর।
4। নাজমুল ভাইয়ের হঠাৎ-মানজায় হাত দিয়া নারিকেল তলায় দাড়ানোর কারন কি?
5। ‘‘বিড়াল বিপদে পরিলে গাছে উঠে”-কিন্ত জসিম ভাই কি কারনে পেয়ারা গাছে উঠতে ব্যস্ত-কারণসহ ব্যাখা কর।
6। শাহিন ভাইয়ের একহালি বিয়ের রহস্য কি?
7। জাফর আলম কেন ঘন ঘন কক্সবাজার যায়-রহস্য উদঘাটন কর।
8। মানিক চাদপুরী-সকালে উঠিয়া-শুভ সকাল-বলার জন্য ব্যস্ত কেন হয়-ব্যাখ্যা কর।
9। জিয়া ভাই ফেসবুকের দৌড়ে এত পরে অংশগ্রহণ করিল কেন-ব্যাখ্যা কর।
10। নিরু ভাই-ফেসবুকে হিরো হওয়ার দৌড়ে এত পিছনে কেন?
বিঃদ্রঃ জুনিয়রদের প্রশ্নপত্র-জুনিয়রা ফাঁস করিবে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর- এ যেন সেই হারানো আটলান্টিস, যেন এক পরশ পাথর


(এটি লিখেছিলাম ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখে। আজ একটি সংবাদ পড়ে মনে হল এই লেখার সময় উপযোগিতা একটুও কমেনি। লেখার সাথে আজকের সংবাদটিও সবার সাথে ভাগাভাগি করলাম।) grin emoticon

ছেলেবেলায় পাঠ্যবইয়ে পড়তাম বাংলাদেশে গ্যাস, চুনাপাথর এর খনি আছে। একটু বড় হয়ে জানলাম কক্সবাজার আর টেকনাফের সৈকতের বালুতে এমন উপাদান আছে যা দিয়ে নাকি হাজার হাজার অ্যাটম বোমা বানানো যাবে। এটা শুনে বেশ পুলকিত হয়েছিলাম, সাথে কিঞ্চিৎ আতঙ্কিতও। কক্সবাজার গিয়ে বালুতে সাবধানে পা ফেলতে হবে, কখন আবার হিরোশিমা বা নাগাসাকির মতো কিছু ঘটে যায় তার ঠিক আছে? একদিন দেখি বাপ চাচারা ব্যাপক আলোচনা করতেছে কি নিয়ে যেন। সবই আশাবাদী ধরনের কথাবার্তা। "বাংলাদেশ আরব হয়ে যাবে", "মাত্র তো শুরু", সৌদি ফেরত এক চাচা আরো বেশি আবেগপ্রবন "শালা অ্যারাবিয়ান, কামলা দিতে তো আমাদের দেশেই আসবি। জোব্বা উঠাইয়া জালি বেত দিয়া পাছার উপর যদি দুইটা না দিছি"। 

Monday, January 25, 2016

জয়যাত্রা ১

- Iftee Nomi

কাইজ্জা তাড়াতাড়ি আয় Reza ভাই প্লেন স্টার্ট দিয়ে দিছে দেরি করলে ফ্লাইট মিস করবি
রেজা ভাই এত তাড়াতাড়া কেন?
রেজা ভাইঃ তাড়াতাড়ি না গেলে কমু সব খাবার খেয়ে ফেলবে ? grin emoticon
কিন্তু আতিক ভাই তো এখনো আসলো না ?
রেজা ভাইঃ আতিক রে দেখলাম বনানীতে নারকেল গাছে উঠে আছে। প্লেন থেকে রশি নামায় দিলে ও উঠে আসবে grin emoticon
বন্যা আপা/ শায়লা ও তো নাই
রেজা ভাইঃ ওদের কে দুই দিন আগে পাঠায় দিছি
কেন ?

Sunday, January 24, 2016

csm এর এই আড্ডা নিয়ে csm colony র 3rd generation এর ও কোন স্বপ্নের কমতি নাই


csm এর এই আড্ডা নিয়ে csm colony র 3rd generation এর ও কোন স্বপ্নের কমতি নাই। আমার ছেলে আড্ডার দিন কি করবে খালি এই নিয়ে কথা। কাল সে আমায় প্রশ্ন করে ফুল পেন্ট পড়বে না হাফ পেন্ট পড়বে? আমি বললাম সকালে ফুল পেন্ট আর দুপুরে হাফ পেন্ট। তখন সে প্রশ্ন করল ঐখানে ড্রেস চেন্জ করার রুম আছে কিনা।

Saturday, January 23, 2016

তারা সব সময় ভালো থাকুক, এটাই আমাদের ভালো থাকা


ছোট বেলায় একটি খেলনা গাড়ি দেখেছিলাম দোকানের তাকে সাজানো,আব্বাকে বলতে সাহস হয়নি ঐ টা কিনে দেয়ার, ওই ছোট বয়সেই বুঝতাম আব্বার সীমিত আয়, আসলে আর্থিক সংকট আমাদের একটু তাড়াতাড়িই ম্যাচিউরড বানিয়ে দিয়েছিলো।তখন ভাংতি পয়সা জমাতাম ভেবেছিলাম ঐ জমানো পয়সা দিয়ে একদিন গাড়িটি কিনব। এখন মনে পড়লে হাসি পায়, কোন দিন ওই পরিমান পয়সাও জমেনি গাড়িটি ও কিনতে পারিনি।

কাপড় চোপড় নিয়ে কখনও বিলাসিতা করতে পারিনি, ক্লাস নাইনে যখন পড়ি তখন একটা জিনসের প্যান্ট কিনে ছিলাম ৬০০ টাকা দিয়ে, কি যে যত্ন করতাম প্যান্ট টার , প্যান্ট টি প পড়লে কোথাও বসতাম না, যদি প্যান্ট টি ক্ষয় হয়ে যায়। তারপরেও আমাদের কলোনীতে সবার সাথে মিশতে কোন সমস্যা হয়নি,কলোনীর প্রায় সবারই তো আমাদের মত অবস্থা।

সেই জিন্স

- Javed

(কবিতাটা টলি ভাইয়ের জন্য)
সেই জিন্সটা
অপারগতা আর অক্ষমতার সাক্ষী হয়ে আজো ঝুলছে
দোকানের হ্যাঙ্গারে।
সেই মোটা কাপড়ের নীল প্যান্টটা,
পিছনের সেই লেখাটাও স্পষ্ট,
জ্বলজ্বল করছে কালো কালিতে "লিভাইস"।
এক কারখানা কর্মী বাবা
ফি বছর উৎসব এলে
এসে দেখে যেতেন প্যান্টখানা।
ইস্পাতের আগুনে কঠিন হয়ে যাওয়া,
প্রায় মমতাহীন হাতে ছুঁয়ে দেখতেন।
পোড় খাওয়া কঠোর মুখমণ্ডল
ধীরে ধীরে কোমল হয়ে যেতো।

Friday, January 22, 2016

বড় ধরনের একটা ভ্যাজাল বাজাতে হবে


বড় ধরনের একটা ভ্যাজাল বাজাতে হবে। দুই মাস আগে সারাফের মাকে বলেছি, তোমাকে চিটাগাং নিয়ে যাবো, ছোট ভাই/বোনেরা আড্ডা নামক এক বিশাল আয়োজন করতেছে। সবাই আসবে দারুন মজা হবে। বির/বির করে কি যেন বললো বুঝলাম না। চলো যাই, ভালোই লাগবে তোমার। তুমি যাও, তোমার মনে অনেক----- র্তী। এবার স্পষ্ট সুনতে পেলাম। যাক বাচা গেলো যাবেনা। মুখটা খুব ভার করে রাখলাম, যেন প্রচন্ড আঘাত পেয়েছি মনে।

কিন্তু শেষ সময়ে গ্যাঞ্জামটা বাজালো খালা। কেন যাবানা? সবাই যাবে, মজা করবে। রেজা একা একা মজা করবে, তোমাদের কে রেখে, কখনো এই সুযোগ দিবেনা। 

উনত্রিশ জানুয়ারি



উনত্রিশ জানুয়ারি। এক ঐতিহাসিক দিন। সময় যেন আর ফুরায়না।আমি ভিতরে ভিতরে খুবই এক্সাইটেড। কিন্তু উপরে উপরে শীতল ভাব ধরে আছি যেন গ্র্যান্ড আড্ডা সিরিয়াস হওয়ার মত কোন বিষয় না।তারপরও ফাঁকেফুঁকে উষ্ণতা দেখিয়ে ফেলছি নিজের অজান্তেই।আমি খেয়াল করেছি কোন বিষয় নিয়ে একটু বেশি উচ্ছ্বাস দেখালে কোন না কোন ভাবে সে উচ্ছ্বাসে ভাটা পরে।কোন সমস্যার কারনে আমার সে উচ্ছ্বাসের বিষয়ে আর শরিক হতে পারিনা বা বিষয়টাই ক্যান্সেল হয়ে যায়।সে জন্য এই শীতলতা।

পুনশ্চ:গ্র্যান্ড আড্ডায় সালামি পাওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে?

হক স্যারের ধোলাই



শাহীন স্কুলে পড়ার সময় ক্লাসে টিচার আসলে আমরা বলতাম "গুড মর্নিং স্যার/ ম্যাডাম"। স্টিল মিলস স্কুলে আসার পর দেখলাম নিয়ম ভিন্ন। এখানে স্যার/আপা ক্লাসে আসলে দেখি সবাই সালাম দেয়। একদিন হক স্যার ক্লাসের আসলেন। সবার মত আমিও সালাম দিলাম কিন্তু অনভ্যস্ত মুখে সালামটা মনে হয় অন্য রকম ছিল। স্যার ক্ষেপে গেলেন। " এরে তুই এরুম করি সালাম দিলি কিল্লাই ?" । বেকায়দা অবস্থা, আমার ব্যাখ্যা করার কিছু ছিলনা, ব্যাখ্যা দেবার উপায়ও ছিল না। তার আগেই স্যার অপারেশন চালিয়ে ফেলেছেন। ব্যথা পাবার চেয়ে অবাক বেশি হয়েছিলাম।

যাক পরে স্যারের সাথে ভাল মতই মানিয়ে নিয়ে ছিলাম । কারণ স্যার পড়া নেবার সময় যদি কেউ গরগর করে শুরু করতো তাহলে স্যার আর বাকিটা শুনতেন না, পরের জনকে পড়া ধরতেন। তাই আমি ( আতিক ভাইয়ের মতে ৩য় বেঞ্চের ছাত্ররা ) সবসময় প্রথম প্যারা ভালো মত শিখতাম, আর ২য় প্যারা মোটা মুটি ভাবে শিখে রাখতাম (প্রথম প্যারা বেশি দ্রুত বলে ফেললে ব্যাক আপ হিসাবে) ফাঁকির টেকনিকটা ভালই ছিল, কোনদিন ধরা খাই নাই smile emoticon ।

Thursday, January 21, 2016

ড্রাইভারের কান্ড দেখে অবাক ... !!!



অফিস থেকে বেরুতে বেরুতে প্রায় ৭:৪০ বাজলো।তারিককে বলেছিলাম মেডিকেলে যাবো। কিন্তু দেরী হওয়াতে আর যাওয়া হয়নি। কোনমতে ধাক্কাধাক্কি করে গ্রামীণ পরিবহণে উঠলাম। মহাখালী থেকে মিরপুর রোডে জ্যামের কারনে রাস্তা ব্লক করে দেওয়ায় গ্রামীন নাবিস্কো, তিব্বতের জ্যাম পাড় হয়ে তেজগাঁও ফ্লাইওভারে পৌছলো। ব্যাস, ২০/২৫ মি: ধরে একটু একটু করে সামনে এগুচ্ছে। আর তখনি এসিষ্টান্ট এক প্যাকেট বাদাম কিনে ড্রাইভারকে বললো "ওস্তাদ বইয়া বইয়া বাদাম খান, সিগ্রেট আনমু"? ড্রাইভার বললো "ওই বেডা, আমি বাদাম খামু আর হেরা কি চাইয়া দেখবো? বেবাকতের লইগা ল"। এসিস্টান্টসহ সবাই ভাবলাম হয়তো মশকারী করছে। কিন্তু বাদামওয়ালাকে যখন ২৭ টা বাদাম (২৭ জনের জন্য ২৭ প্যাকেট, গ্রামীণ পরিবহণে ২৭ টাই সিট থাকে) দিতে বললো। 

ওদের সময়গুলো, স্বপ্নগুলো যেন মাত্র পাঁচ টাকায় বিক্রি হয়ে না যায়


আজ সকালে অফিসে যাওয়ার পথে বাসে বসে আছি, দশ নাম্বারে কঠিন গিট্টু লেগে আছে। হকারদের পন্য বিকিকিনির মচ্ছব লেগে গেছে। কত আজব রকম জিনিস যে বিক্রি হতে পারে আর কত আজব ভাষায় যে বিক্রির প্রচারনা চলতে পারে না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল। সুগন্ধি কলম, যষ্ঠিমধু, ডিজিটাল তসবি, খোয়াবনামা, রুমাল, জায়নামাজ সবই পাওয়া যাচ্ছে হকারদের কাছে। গাড়িতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় সংবাদপত্র। কি জানি কেন পেপার বিক্রেতা হকার সবই বাচ্চা। ৬/৭ বছর বয়স ওদের। নরম ছোট ছোট হাত, তুলতুলে আঙুল। 

বাচ্চাগুলো চলন্ত বাসের সাথে পাল্লা দিয়ে যখন দৌড় শুরু করে আমার ভয় লাগে এই বুঝি পড়ে গেলো। প্রতিদিন আমার একই আতংক। কিছু বাসযাত্রী আছে খবিসের চূড়ান্ত। সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পেপার কিনে কিন্তু আগে টাকা দেয় না। পেপার হাতে নিয়ে এরপর বড় নোট দেখিয়ে বলে ভাংতি বের কর। ততক্ষণে গাড়ি চলতে শুরু করে আর বাচ্চাটা টাকা গুনতে গুনতে দৌড়াতে থাকে গাড়ির পিছন পিছন। কষ্টে আমার চোখে পানি চলে আসে। ভালো লোকও আছে। একদিন এরকম এক লোক এক বাচ্চা হকারের কাছে পেপার চাইলো কিন্তু তার আগেই বাস ছেড়ে দিয়েছে। বাচ্চাটা কাস্টোমার হাতছাড়া না করার জন্য প্রাণপণে দৌড়াতে লাগলো।