Saturday, April 2, 2016

মিঠু ভাই।


চার ভাই এর মধ্যে সবার বড়,তারপর তপু ভাই,দিপু ও প্রতীক।

কলোনীতে থাকতো বি- টাইপে।পড়ালেখাতে স্কুলে থাকতে খুব ভাল ছাএ ছিল।ক্রিকেট খুব ভাল খেলতো,লেগে থাকলে মনে হয় আজ অনেক বড় খেলোয়াড় হতে পারতো।

প্রতীবাদি- কোন সামনে অন্যায় হলে প্রতিবাদ করে,আবার পরে মিলে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে।
ভাইটি জীবনসঙ্গী আমাদের সিএসএম এর এক বোন পান্না আপা।

কলোনীতে থাকতে দিপুর সাথে তাদের বাসায় যেতাম।খুব স্নেহ করত আমাদের। ঈদে সব সময় নামাজ পরে তারা চার - পাচঁ জন আমাদের বাসায় চলে আসত,আমার মায়ের হাতের চটপটি খাওয়ার জন্য।
সবসময় দেখা হলে মায়ের খবরা খবর নেয়।
যেকোন কাজে ডাকলে আসতে চেষ্টা করে।
তারিক ও শামিম এর ব্যাপারে সাধ্যমত সাহায্য করতে চেষ্টা করেছে।
আড্ডা তে সব মিটিং এ থাকতে পারে নাই। কিন্তু আড্ডা সফল করার পিছনে পিছন থেকে যতা সাধ্য চেষ্টা করেছে।
পরিশেষ এ ভাই সব সময় আপনার সরব উপস্হিতি কামনা করি পেজে। এখানে সবাই
আমরা আমরাইতো।

এই কয়দিনে সবাই মেলা তেলাতেলি করেছো, করেছি


এই কয়দিনে সবাই মেলা তেলাতেলি করেছো, করেছি। আজ আমি আমার প্রাণপ্রিয় বা বলা যায় প্রানের চেয়ে প্রিয় ছোটো ভাই আতিককে নিয়ে লিখবো। আতিক কে আসলে চিনতাম না। আমার বোনেরা, আম্মা খুব ভাল করে চিনে। যাহোক। একে প্রথম দেখলাম পপুলারে। ছবিতে দেখতে বুইজ্জা দেখা যায় কিন্তু সামনা সামনি দেখলে বোঝা যায় ও এখনো বাচ্চা। ছেলেটা শুকনা শাকনা হলেও আত্মাডা হেভি বড়। পকেট এর দিক দিয়ে খুব উদার। পকেটে টাকা থাকলে ওর কাছে দুনিয়া পায়ের নীচে। জুহি চাওলার খুব ভক্ত ছেলেটা। আমি স্বপ্ন দেখছি ও একদিন জুহি চাওলার সাথে ব্রেকফাস্ট করবে। পেইজের শুরুতে ওর লেখাগুলার জন্য তীর্থের কাকের মত অপেক্ষা করতাম,এখনো করি। কিন্তু ও সেই বিশাল লেখা অনুছড়ায় নামিয়ে এনেছে।

বিভিন্ন ভাই-বোনদের মান-অভিমান নিয়ে আমার এই লেখা


বিভিন্ন ভাই-বোনদের মান-অভিমান নিয়ে আমার এই লেখা। আমরা যদি পেইজকে সময় দেই এবং লেখার মান ভাল হয় সবাই না হউক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অবশ্যই লা্ইক/কমেন্টস দিবে। তারপরও আরো কিছু ব্যাপার আছে যে গুলো অগোচরে কাজ করে যেমন এখানে গ্রুপিং আছে কেউ বিশ্বাস না করলেও আমি তা বিশ্বাস করি। কেহ যদি খুব নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে তাহলে ভাল করে বুঝবে, কে কাকে দিচ্ছে? সব পোষ্টে দিচ্ছে কিনা? ,না শুধু লাইক দিচ্ছে? না গড় হারে দিচ্ছে ?ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার, মানুষ হিসাবে পছন্দের ব্যাপার আছে, আত্বীয়তার(রিলেশান) ব্যাপার আছে, ব্যাক্তিত্বের ব্যাপার আছে, গ্রহন যোগ্যতার ব্যাপার আছে, তার সামাজিক পজিশনের ব্যাপার আছে ইত্যাদি। কোন সমস্যা হলে সবাই বলে বড় ভাইদের কথা বলে!আবার সেই বড় ভাইরা ভাল কোন পোষ্ট দিলে আশানুরুপ লাইক/কমেন্টস আসে না। অন্যপ্রসঙ্গে- যেমন আমাকে খুব কম জনই চিনে। মোটামোটি সরব খাকার চেষ্টো করি।কিন্তু আমি সেভাবে আশানুরুপ লাইক পাই না।না চিনার কারণে হয়তা দেয় না বা লেখার মান ভাল না। তবে এটা আমি শতভাগ বিশ্বাস করি যে,যখন আমাদের সিএসএম কলোনী পেইজটি পুরোপুরি পরিপক্কতা লাভ করবে তখন এ ধরনের কোন সমস্যা থাকবে না বলে আমার ধারনা। এটার জন্য আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে । সবুরে মেওয়া ফলে। পরিশেষে বলবো- কোন ভাল, সুন্দর ও গঠনমূলক লেখাকে আমরা যদি উৎসাহিত না করি তাহলে ঐ ব্যাক্তি লিখার উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে এবং এটাই স্বাভাবিক। পরিনামে এ লেখা পড়া এবং কিছু জানা বা শিখা খেকে আমরা বঞ্চিত হবো।পুরা ব্যাপারটাকে নিগেটিভভাবে না নেওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ রইল।

স্কুল লাইফের মত অবস্থা শুরু হইছে আমার


স্কুল লাইফের মত অবস্থা শুরু হইছে আমার, এই পড়াটা আজকে না আগামীকাল পড়ব, আগামীকাল থেকে সিরিয়াসলি পড়াশুনা শুরু করব, কিন্তু সেই সিরিয়ারনেস কোন দিন আসেনি, এগুলা ছিলো আমার স্কুল লাইফের কাজের অবস্থা,শুধু আমার নয় আমার মত গাধা মার্কা সকল স্টুডেন্টরই একই অবস্থা ছিল।

এখন অফিসের কাজেও আমার একই অবস্থা বিরাজ করছে, আজকের কাজ আগামীকাল করব এই করতে করতে দুনিয়ার কাজ জমছে, আজকের মধ্যে শেষ করতে না পারলে পুরা ফাটা চেংগীর কেচকিতে পড়তে হবে আমারে।
"গুরু উপায় বলোনা" ছাড়া আর কোন ভাষা পাচ্ছিনা।

যেখানে সারা বিশ্বের মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমাদের মেয়েরা কেন পিছিয়ে আছে বুঝা যাচ্ছেনা


জনি বেচারা ছোট বেলায় মেয়েদের সাথে ঘুরে দারুন বিপদে পড়েছে,পুরা মেয়েদের দায়িত্ব একাই পালন করতেছে। রনি কিছু দায়িত্ব পালন করলেও বাকীরা প্রায় হাতগুটিয়ে বসে আছে।যেখানে সারা বিশ্বের মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমাদের মেয়েরা কেন পিছিয়ে আছে বুঝা যাচ্ছেনা।তব আমার মনে হয় কোমর বেধে আমার বোনরা যুদ্বে নেমে পড়বে।তেলে তেলে পেইজ তৈলাক্ত হয়ে উঠবে।আশা করি আমাদের বোনরা আর পিছিয়ে থাকবে না।

কলোনিতে এ সময় অফিসের ভিতরে আর সকলের বাসার বাগানে প্রায় সব জায়গায় আম গাছ দেখা যেত


কলোনিতে এ সময় অফিসের ভিতরে আর সকলের বাসার বাগানে প্রায় সব জায়গায় আম গাছ দেখা যেত।গাছ ভরা আম দেখে কি জে লোভ লাগতো।সকাল থেকে ১ টা পযন্ত সকুলে থাকতাম। সকুল থেকে আসার পর আমি মুননি,পাননা হাসি আর ফেরদৌসি আমরা দুপুরে সবাই জখন ভাত খেয়ে রেষট নিত তখনি আমাদের মিশন শুরু হতো।আমি আমমা না দেখার মত করে একটা কাগজে অনেক গুলা মরিচ আর লবণ নিয়ে সোজা বৈইজজার বাগান মানে খাল পাড়ে চলে জেতাম।

তারপর E টাইপ,B, C থেকে আম পেরে সবার শেষে বৈইজজার বাগান থেকে পেরে নারকেল গাছের নিচে বসে কাগজ থেকে লবন মরিচ নিয়ে ইচচা মত খাইতাম।আর নানা গলপ করতাম।কলোনির গাড গুলা আমাদেরকে অনেক বার দৌড়াইছিল কে শুনে কার কথা।আমরা আমাদের মত করে জেতাম।শৈশব কালের ঐ কথা গুলা মনে পড়লে অনেক কষট লাগে।ষোল বছর কাটাইলাম কত মজা আর আনন্দ নিয়ে।মেইন অফিসের ভিতর থেকে আববা বসতা ভরে কাচাঁ আম আনতো।সেগুলা ভাল লাগতো না ঐ জে চুরি করা আমগুলা খেতে অনেক মজা ছিল।অনেক মাইর খাইচিলাম বড়ভাই মেজ ভাইয়ের কাছে।আমি আমার ঐ বানধবিদের খুব মিস করি।

চুপচাপ শান্ত এবং এই পেজটির সব চেয়ে পরিপুর্ন একটি ছেলে


চুপচাপ শান্ত এবং এই পেজটির সব চেয়ে পরিপুর্ন একটি ছেলে। আক্ষরিক অর্থেই "Smart"। কমেন্টস গুলিও বুদ্ধিদীপ্ত। সহ্যক্ষমতা অনেক বেশি। আমাদের দুইজন সম্মানিত এডমিনের একজন হলো পুলক।

এই পেজটির মাধ্যেমেই পুলকের সাথে পরিচয়। Colony তে কখনো দেখি নাই। কারন একটাই, আমার আর পুলকের বয়সের ব্যাবধান অনেক বেশী।

আমাদের আড্ডার সফল আয়োজনের, পর্দার পিছনে যে কয়জন কারিগর ছিলো, পুলক অন্যতম।

দারুন একটা ছেলে। সে চমতকার বক্তব্য রাখতে জানে। MFC তে, আমার অনুরোধে সে ৫ মিনিট বক্তব্য রেখেছিলো। এক কথায়, দারুন ছিলো, তার কথা গুলি। ভালো নাচতেও জানে। আড্ডাই তার প্রমান। যে কোনো কাজ, এই পেজের সার্থে, সে হাসি মুখে করে। আর এই পেজটি সৃস্টির, সে হলো আমাদের কারিগর। ছোট এই ভাইটির প্রতি রইলো, আমার অনেক ভালোবাসা। দোয়া রইলো ভাই।

(আমার ভাই/বোনদের নিয়ে, আমার এই লেখাগুলির ইচ্ছা, বেশ কিছু দিন ধরে, ইনশাল্লাহ আমি পর্যায় ক্রমে লিখবো, এখানে তেলের কিছুই নাই, আছে ভালোবাসা।)।

কলোনির সকল মুরুব্বিই আমাদের গুরুজন


কলোনির সকল মুরুব্বিই আমাদের গুরুজন, তাদের প্রতি আমদের সবসময় থাকবে শ্রদ্ধা আর সালাম।

আমার বন্ধু রাশেদের (মরাইয়া) আব্বা আম্মা খুবই আন্তরিক ও স্নেহপ্রবন মানুষ। কাকা ( জনাব আব্দুস সালাম, কমার্শিয়াল ডিভিশন) কে যখনই সালাম দিতাম তখনই তিনি সহাস্যমুখে সালামের উত্তর দিয়ে কুশলাদি জিজ্ঞেস করতেন। আর খালাম্মার কথা কি বলব, এতো আন্তরিক মহিলা সহজে দেখা যায়না, যে কারো বিপদে বা প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়তেন, আমাদের ক্রিকেট ক্লাবের সকল ইন্সট্রুমেন্ট রাশেদ দের বাসায় রাখতাম, বিশাল এক কাঠের ট্রাংকে এগুলো রাখা হতো, প্রতিদিন এগুলো আনতে আর রাখতে যেতাম তাদের বাসায়, বিরাট ঝামেলায় ফেলতাম তাদের, অথচ খালাম্মা কোনদিন নূন্যতম বিরক্ত হননি, বরং উনি আমাদের উৎসাহ দিতেন, আমি জানিনা খালাম্মা খেলাধুলা কতটুকু বুঝতেন, তবে তিনি নিয়মিতভাবে আমাদের খেলার ব্যাপারে খোঁজখবর রাখতেন। আমার সৌভাগ্য, আমি এই দুটি ভালো মানুষের স্নেহধন্য ছিলাম, আমার যে কোন ভাল খবরে উনারা উচ্ছসিত হতেন।

কিছু কথা --------


কয়েকদিন যাবত কিছু বড় ভাই ,ছোট ভাই ও বন্দুরা অনুরোধ করিতেছে আমি যেন পেজে একটা পোষ্ট দি এবং পেজে যেন আগের মতো সময় দি । এদের সবার প্রশ্ন একটাই -কেন পেজে আমার কোন পোষ্ট বা কমেন্টে নাই , কারন একটা তো ছিলই বটে এবং তার উপর সময়ও একটা ব্যাপার ছিল । তাদের অনুরোধে আমার এই পোষ্ট বিশেষ করে মনা ভাই গত ১০/১২ দিন থেকে ফোনে ও ম্যাসেজে বলছে, আজকেও কয়েকবার ফোন করেছে, শাহিন ভাইও সকালে ফোন করেছিল । ছোট ভাই লিটন গত ৫/৬দিন আগে ফোন করে বলেছিল পেজে একটা সুন্দর পোষ্ট দিতে , বরং তাকে আমি ধমক দি । তাকে বললাম - তোর কমেন্ট গুলোর মধ্যে পুলিশের গন্ধ থাকে কেন । বড়দের সাথে ভাল ব্যাবহার করিস , তাতে সবাই তোকে আদর করবে । লিটন আমাকে উত্তর দিন - ভাই আপনি পেজে নিয়নিত থাকেন , এরপর আপনি আমার কোন কমেন্ট বা পোষ্টে যদি কোন আপন্তিকর কিছু পান এরপর আমারে আপনি যেখানে ডাকেন আপনার সাথে এসে দেখা করবো । এবং যে শাস্তি দেন মাথা পেতে নিবো । লিটন আমার বন্দু ফারুকের ছোট ভাই । আমি তারে ছোট কাল থেকে দেখে এসেছি , তখন সে অনেক শান্ত ও ভদ্র ছিল । এখনো পর্যন্ত তাকে আমি আমার সামনে কোন বেয়াদবি করতে দেখি নাই ।

Friday, April 1, 2016

সিনেমার নামে নাম


পুলক ভাই বললেন, বোনদের নামের সাথে সিনেমার নাম জুড়ে দিতে।মজা করতে।
Chand Sultana- কাভি খুশি, কাভি গাম। চান্দ কা টুকরা,
Jerin Ripa- দিল হ্যায় কে মানতা নাহি,
Rehana Alam- খুবসুরৎ,
Nasrin Begum - চুপকে চুপকে,
Sharmin Elahi- ম্যায় হু না,
Umama Iqbal - চিল্লার পার্টি,
নাহিদ ঊর্মি- দম লাগা কে হেইশা,
Munne Khodeza- বারখা বাহার,
Farzana Haque Rini- ফির তেরি কাহানি ইয়াদ আয়ি,

পোস্টের লেখাটা আমার না,বন্ধু অংশু'র


পোস্টের লেখাটা আমার না,বন্ধু অংশু'র। অংশু আমার মনের কথটাই বলেছে। ইঞ্জিনিয়ারিং এ হলের পাশাপাশি রুমে থাকতাম। এখন থাকে মালোয়েশিয়া।

টেস্ট ক্রিকেট, ওয়ান ডে-লাইভ থাকলে দিনে রাতে যখনই হোক - শুনতাম,দেখতাম,গিলতাম। 
সে এক কঠিন নেশা । এখন কিছুটা কমলেও একেবারে কাটেনি।

যাইহোক লেখাটা পোস্ট করার উদ্দেশ্য ছিল -অর্থ আর ব্যস্ততা ক্রিকেটকে, জীবনকে কতোটা বিবর্তিত করেছ সেটা বুঝান।

আতিকের কথাটাই ঠিক। তবে নতুন প্রজন্মের কথা অন্য্রকম ----
আমার প্রিয় দল যেহেতু নেই সেহেতু আমি দূরবলের পখখে। আমার বিবেচনায় ইংলিশরা কিছুটা দুর্বল।
আরেকটা কারন হোল দুর্বল এর পখখে থাকলে খেলাটা এনজয় করা যায় অনেক বেশী ।

ফেইস বুকে আসার পর, বিশাল একটা অংশকে পেয়ে গেলাম। এর মাঝে আতিক একজন।


কলোনিতে কথা/বার্তা হতোনা। বয়সে অনেক ছোটো। তাছাড়া, এই পোলাপানডি যখন বড় হয়ে উঠছিলো, তখন আমি কলোনি ছেড়ে চলে যায়। অনেক বছর পর যখন আমি আস্তে আস্তে ঢাকায় কাজকর্ম শুরি করি, তখন মাঝে মাঝেই কারো সাথে দেখা হতো।

ফেইস বুকে আসার পর, বিশাল একটা অংশকে পেয়ে গেলাম। এর মাঝে আতিক একজন। 

দারুন একটা ছেলে! আচার ব্যাবহার পুরাই স্টিলার! আবেগের একটা ডিব্বা। ধরো মুরগি করো জবাই টাইপের! এখনি হলোনা কেন? দুরু ভাই, আপনেরে দিয়া কিছু হবেনা! দুই দিন পর আবার ঠিক। মানুষের বিপদে দ্রুত এগিয়ে আসে। ভিতরে ভিতরে সে অনেক কে সাহায্য করে। যা অনেকেই জানেনা। এই ছেলেটাও, নিজের অস্তিত্ব ভালোভাবেই জানান দিতে পারে। ম্যানেজ করতে পারে দারুন। ভালোবাসার অনুছড়া দিয়ে দারুন জমিয়ে রেখেছিলো। সবচেয়ে ভালোগুন অল্পতেই খুশি হয়ে পড়ে। আর সেটা যদি হয়, একটু ভালোবাসা।

আনিসুর রহমান ( রেজা ভাই)


রেজা ভাই কে এই পেজে বর্তমানে চিনে না,এমন ভাই- বোন আছে বলে আমার মনে হয় না।
রেজা ভাই : দুই ভাই,এক বোন।
ছোট ভাই মোটা বাবু ভাই
বোন- রনি আপু।
থাকতো কলোনীর বি টাইপে।কলোনীতে রেজা ভাই এর সাথে কথা হয়েছে তবে সে রকম ভাবে না।রেজা ভাই মুন স্টার ক্লাব এর সমর্থক ছিলেন। কলোনীতে প্রেম করেছে তা জানতাম না।এই পেজের আড্ডার মিটিং নিয়ে একদিন আমায় জেরা করার পর বুঝলাম ভাই প্রেম এ পরেছিল।তবে আমাকে বুকে জরিয়ে বলেছিল মজা করলাম আমার সাথে ইয়ে ছিল।

আসি তারেক এর বিষয়ে,তারেক এর ব্যাপারে ২০১১ তে ৯৪ ব্যাচের মাধ্যমে জেনেছিলাম।
তারপর মনে হয় ৯৪ ব্যাচ বাদে কেউ অতটা নজর দেয়নি। একদিন নিরু ভাইয়ের অফিসে রেজা ভাই সব কিছু বিস্তারিত জানাল সবাই কে, তারপর শুধূ একটা কথা বলল আমরা কি পারি না,তখন সবাই বলল অবশ্যই পারব,বাচাঁ মরা আল্লাহরর হাতে আমরা চেষ্টা করতে তো দোষ নাই। এইভাবে তারেকের জন্য আমাদের একএে কাজ করা শুরু।সেলুট ভাই আপনার সবাই কে একএ করার ক্ষমতা দেখে।

মহল্লার বড় মাঠে


মহল্লার বড় মাঠে কাল মার্চ 26 টীমের সাথে ষ্টার স্পোর্টস এর টুর্নামেন্ট এর গুরুত্ববাহী খেলা, নেহাল মার্চ 26 টীমের গুরুত্বপূর্ণ পজিশনের প্লেয়ার, এদিকে কালই দুপুরে নেহালের এক আত্মীয়ার জরুরি অপারেশন, আরো ভয়াবহ ব্যাপার কাল বিকালেই জিনা নেহাল কে দেখা করতে বলছে, এ এক আরেক ভেজাল, যখন নেহাল জিনা কে আসতে বলে তখন জিনা আজ না কাল এখন না তখন বলে ঘুরায়, কিন্তু জিনা যখন নেহাল কে দেখা করতে বলে তখন যে ভাবেই হোক নেহাল কে দেখা করতেই হবে, নড়চড় করার কোন সুযোগ দেয়না জিনা, কিন্ত কাল তো অন্যরকম বিষয়, একেতো কাল এক রিলেটিভ এর অপারেশন, তবে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নেহালের মার্চ 26 এর খেলা, কিন্তু এই খেলার কথা জিনা কে কোন মতেই বলা যাবেনা, কেন জানি জিনা মার্চ 26 কে পছন্দ করতো না। তাই আত্নীয়ের জরুরি অপারেশন বলে সেদিনের মত দেখা করা বন্ধ, আসলেতো আত্মীয়ের অপারেশন তো উছিলা ওইটা তো দুপুরেই শেষ হয়ে যাবে, মূল উদ্দেশ্য তো খেলায় অংশ নেওয়া।

আনন্দ বিচিত্রা


এই লিখার জন্য এর চেয়ে বেশি কিছু লিখা ঠিক হবে না। কারন আমার ম্যাগাজিন পড়ার শুরু এই আনন্দ বিচিত্রা নিয়ে।আনন্দ বিচিত্রার ঈদ সংখ্যা, ফটো সুন্দরী দের নিয়ে সংখ্যা,বর্ষ পত্র এগুলো দেখতাম আমাদের বাসায় আসত।কখনো আতিক ভাইদের বাসা,কখনো নিধি আপাদের বাসা কিংবা রিনির আম্মার কাছ থেকে।কিন্তু ছোটদের সেগুলো ধরা নিষেধ ছিল।তাই আমার কাছ থেকে দূরে রাখা হত।

আমাদের বাসায় একটা টি টেবিলে বিচিত্রাগুলো গুছানো থাকত।আপা গুছায়ে রাখতেন।আমি দুপুরে না ঘুমিয়ে সেগুলো পড়তাম,বিশেষ করে কোন হিন্দি সিনেমা এক নম্বর কোন টা দুই নম্বর এ আছে।কাহিনি কি নিয়ে,কে কে অভিনয় করছেন।আতিক ভাইয়ের কাছ থেকে যেগুলো আনা হত সেগুলার উপরে থাকত ববিতা,সুচরিতা, সোহানা ইত্যাদি ঢাকাই ছবির নায়িকাদের ছবি।উনার একটা ম্যাগাজিন আমি অনেকবার পড়ছি,সেটা হল, সোহানার আসন সুশক্ত।মজার ব্যাপার হল, পড়ে আমি আবার গুছায়ে রাখতাম কিন্তু আপার মত হত না,কিভাবে যেন ধরা খেয়ে যেতাম।বকা খেতাম অনেক।তারপরেও অভ্যাস যেত না।

ভাগ্যিস একড্রাম তেল চুরি করছিলাম


ভাগ্যিস একড্রাম তেল চুরি করছিলাম যা শুরু হইছে কাউকে কেউ একফোটা তেল ধারও দিচ্ছে না।।এবার আমার তেলের সদব্যবহার করবো।বাঁশও যখন আছে বাঁশ ভর্তি করেই তেল দিব।।তবে অনুরোধ বিপদে পড়লে একটু বাচানোর চেস্টা করবেন সবাই।কারন- বয়সে আমার ছোট হলেও অনেক আগে থেকেই বেয়াদবের মত আমার সাথে তুই তোকারী করে।অথচ কি অদ্ভুত ব্যাপার অন্যদের বেলায় আদব লেহাযে ও আমাদের মুসলিম ভাইকেও ছাড়িয়ে যায়।কলোনীর সবার কাছে ভদ্রছেলেদের উদাহরন হিসাবে তার নামটা সবার আগে চলে আসে।ব্যক্তিগতভাবে সৎ এই মানুষটি দ্বারা কারো কখনো ক্ষতি হয়েছে এমন নজির নাই।

অন্যরা তার ক্ষতি করলেও নীরবে সহ্য করেছেন।মাঝে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এমন বেরসিকের মত তর্ক করে মন চায় সিধা মাথাটা ফাটাই দেই।যতক্ষন তাকে বুজিয়ে দেয়া যাবে না ততক্ষন সে মানবে না।সোজা কথা আগে বুজবে তারপর করবে। আর যখন কোন কিছু করবে জানপ্রান দিয়েই করবে- একেবারে খাদ বিহীন।যে কোন মানুষ বিপদে পড়লে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে সাহায্য করবে।এসব কারনে রাগ করে ওর কাছ থেকে দুরেও থাকা যায়না।মাঝে মাঝে এমন কিছু শিশুসুলভ আচরন করে মনটাই খারাপ হয়ে যায় আবার এমনভাবে সহযোগীতা করে মনটাই গলে যায়।আড্ডার সময় কয়েকবার নিজ দায়িত্ব থেকে ইস্তফাও দিয়েছিল আবার এমনভাবে কাজটা শেষ করলো যা সত্যিই প্রসংশার দাবি রাখে।এই কঠিন মানুষটি প্রকাশ করার ভংগিটাই শিখে নাই।

ছবিতে আমরা তিনজন


ছবিতে আমরা তিনজন ।ঝুমুর ,একা , মেরী ।জন্ম থেকে ১৯৯৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা একসাথে ছিলাম ।একসাথে খেলা করা , ,স্কুলে যাওয়া ,খাল পাড়ে গোসল করা ,তোকমা খাওয়া ,স্লিপারে স্লিপ খাওয়া ,মক্তব পালানো ,স্কুল পালানো ,ওয়াকার্স ক্লাবে বাদুর ঝোলা ,সারা কলোনি ঘুরে লুকোচুরি খেলা ,ফুল চুরি করে মালা বানানো ,কোরবানির গরু সাজানো ,টাংকি মারা আর ও কত কি করেছি একসাথে।এখন সবই স্মৃতি ।সময় আর জীবনের প্রয়োজনে আমরা হয়ত আলাদা বসবাস করছি ।কিন্তু মন ?তা কি আলাদা হতে পেরেছে ?

শালার দাঁতের যন্ত্রনা তো আছেই


শালার দাঁতের যন্ত্রনা তো আছেই, আরো চার দিন লাগবে দাঁতের ট্রিটমেন্ট শেষ হতে, এদিকে গোদের উপর বিষ ফোঁড়ার মত গত কাল থেকে শুরু হইছে কানের যন্ত্রনা, এমন ব্যাথা মনে হয় কে যেন কানের ভিতর ড্রিল মেশিন দিয়া গুতাইতেছে। বিকালে যন্ত্রনার এক পর্যায়ে মোবাইল ছোবাইল অফ করে আগেই অফিস থেকে বের হয়ে গেছি। রাত ১০ টার দিকে ফোন অন করে মিসড কল এলার্টে দেখি ইম্পর্টেন্ট ও ভি আইপি (!!) কিছু কল এসেছিল। যেদিন ফোন বন্ধ রাখি সেদিনই ভি আইপি কল আসে। কপাল আর কি আমার।

যাক কান ব্যাথার রহস্য হচ্ছে, কক্সবাজার হোটেলে বাথটাবে গোসল শেষে উঠতে গিয়ে পিছলা খেয়ে বাথটাবের পানি তে চুবা খাই, এতেই কানে পানি ঢুকে। তখন তেমন সমস্যা না হলেও এখন খবর হয়ে যাচ্ছে।

গরীবের ঘোড়া রোগ হইছিল আমার, কোন কুলক্ষনে যে বাথটাবে গোসল করতে গেছিলাম!!!

নুতন কালের স্রোতে


জোরে জোরে ব্যট ঘোরাও। লাগলে ছক্কা,নইলে ফক্কা। বল কর,ফাঁক খোঁজ। ইয়র্কার দাও,বল নীচে নামাও বা উপরে তোল বাউন্সের পর। মাঝামাঝি রাখলে ধুমধাম। বল যেন কোন ভাবে ব্যটারদের নাগালে না আসে। বিভ্রান্ত করো। পুল-স্লগ যাই করুক ফিল্ডারের ফাঁক গলে হয় কট,নয় মিস । রান,বাউন্ডারি,ওভার বাউন্ডারি। শতবর্ষি ক্রিকেট পুরো অন্যরকম হয়ে গেছে। ফাষ্ট ফুড,ইনষ্ট্যন্ট কফি। ফুটবল একশো মিনিটের। কেন বাবা পাঁচদিন। কি বিরক্তি,সময় নষ্ট। পঞ্চাশ ওভার সারাদিন তাও না। 

এই চটপটে দুনিয়ায়,ধ্রূপদী সংগীত-ছায়াচিত্র! সত্যজিৎ রায়!! পথের পাঁচালী!!!

সময় নেই। 

বই পড়,হার্ডকপি নামাও,সময় কই। সোশাল মিভিয়ায় কত জ্ঞানী গুনী বিশেষঙ্ঘ। গু’গুলে সব আছে। গেজেট নিয়ে বসে থাক।সব বিদ্যা সেখানে। এনাফ্ জ্ঞানী হওয়া যায়। আর কি লাগে। বেশ স্মার্ট ভাব আসে। 

বৃষ্টির দিন তেমন ভাল লাগতোনা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ


বৃষ্টির দিন তেমন ভাল লাগতোনা, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ, বাইরে বের হওয়া যায়না, আর বের হলেও সাথে বড় ডাট ওয়ালা ছাতা আর শুধু ট্যাংকীর নীচে বসে থাকা। কতক্ষণ আর ভালো লাগে। তবে শুধু পাইন্যা খেলার জন্য বৃষ্টি ভাল লাগতো। 

ইউনুস এর দোকানের ফ্রিজের পাশে একটি মসৃণ জায়গা ছিল, বৃষ্টি র সময় ঐ জায়গাটায় বসে বৃষ্টি দেখার মজাই ছিল অন্য রকম। ওখানে বসে একটা সিগারেট ধরিয়ে ইউনুসের সাথে সুখ দু:খের আলাপ করতে করতে বৃষ্টি দেখা আর সাথে থাকতো ওয়ার্কার ক্লাবের লতিফ ভাইয়ের ক্যান্টিনের চা। আহ! 

এমন বর্ষায়, ইউনুসের দোকানে এমন সুখ দু:খের আড্ডা দিতে ইচ্ছে হয় সাথে একটা সিগারেট আর লতিফ ভাইয়ের চা।

ছবির এই ভদ্র ছেলেটাকে চেনেন না এমন সদস্য এই পেজে বোধ হয় নেই।।তবুও পরিচয় দিচ্ছি


ছবির এই ভদ্র ছেলেটাকে চেনেন না এমন সদস্য এই পেজে বোধ হয় নেই।।তবুও পরিচয় দিচ্ছি।।

নাম:মো:নজরুল ইসলাম টিং-কু।।
ব্যাচ:95

আমার বড় ভাইয়ের খূব ভালো একজন বন্ধু।।সেই মাধ্যমেই উনার সাথে পরিচয়।।চেনা-জানা।।কলোনিতে থাকা কালীন একদম শুকনা মেনমেনা ছিল।।অনেকটা শ্রদ্ধেয় অভিনেতা টেলি সামাদের মতো।।কলোনিতে থাকা কালীন তিনি ছিলেন আমার দৃষ্টি কোন থেকে অত্যন্ত নম্র,,ভদ্র,,এবং পরোপকারী।।ঘাড়ের রগ গুলো তেমন বাঁকা ছিল না।।কিন্তু বর্তমানে পুরো উল্টো।।মোটা,,খাদক আর বদ মেজাজী মানুষ হযে গেছে।।স্বাস্থ্যের সাথে সাথে ঘাড়ের সেই চিকন রগ গুলোও মোটা হয়ে গেছে।।বিশেষ করে বাম পাশের টা।।একবার কোন বিষয়ে জিদ্ ধরলে তা মানানো খুব কষ্ট কর হয়ে দাঁড়ায়।।((তবে মনটা অনেক ভাল।।অনেকটা নোয়াখালীর নারিকেলের মতো))

অনেক বছর আগের কথা


অনেক বছর আগের কথা। মোটু খেতে বসে বললো, ভাইয়া, তিন কন্যার আগমন ঘটেছে! জামিলদের বিল্ডিং -এ। পরে রনির কাছে, নাম জানলাম, বন্যা/উর্মী/সর্মী। সর্মী তখন ম্যালা ছোট। উর্মীও মনে হয় স্কুলের নিচের ক্লাসে পড়ে। তবে, বন্যা তখন স্কুল শেষ বা কলেজে যায়। colony তে বন্যার সাথে কোনো কথা হয়নি। যদিও তার যাতায়াত ছিলো, রনি, মিতু আর সর্নার সাথে। মোটু আর রফিকের সাথে, দাও মাছ সম্পর্ক ছিলো, বন্যার। এর জন্য চাচা(বন্যার বাবা, আল্লাহ চাচাকে বেহেস্ত নসিব করুন) মোটুকে বাসায় ডেকে নিয়ে গিয়ে, বিচার করেছে এবং সাথে ভালো/মন্দও খাইয়েছে। বন্যাকে এর বেশি আমি জানতাম না।

আবারো বহু বছর পর, কোনো একদিন, কি কাজে যেনো, আমি বেইলী রোডে, ভিকারুননেছা স্কুলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বন্যা কে দেখলাম। সাথে হয়তো ওমাম ছিলো। রনি কে জিজ্ঞাসা করলাম, colony তে, গোব্দা/গাব্দা একটা মেয়ে ছিলো, বাবু আর রফিকের সাথে ঝগড়া হতো, কি যেন নাম!? ভাইয়া, তুমি বন্যার কথা বলছো, বন্যা তো এখন ম্যালা টাকা কামায়! পোলাপান পড়াই, আর দুই হাতে টাকা কামায়! ভাইয়া, সর্না বলে, বন্যার টাকা গুনার জন্য, একজন assistant রাখতে হবে। আবার নতুন করে বন্যা কে চিনলাম। আমার খালাতো বোন, ভিকারুননেছা স্কুলে পড়তো। তারপর একদিন বন্যাকে দেখলাম, আমার ছোট খালার বাসায়। আমাকে একখান লম্বা ছালাম দিয়ে, কথা শুরু করে দিলো!! এই প্রথম! আমার সাথে বন্যার আগে কখনো কথা হয়নি।

আমার আজকের "তৈল মর্দন" যাকে নিয়ে,তাকে নিয়ে ইতিমধ্যে ছোটভাই লিটন(পুলিশ) লিখেছে


আমার আজকের "তৈল মর্দন" যাকে নিয়ে,তাকে নিয়ে ইতিমধ্যে ছোটভাই লিটন(পুলিশ) লিখেছে।আমার দশা অনেকটা আতিক ভাইয়ের মতই-আতিক ভাই রাত ভইরা চিন্তা করল সক্কাল বেলা আমগো ইউনুচ ভাইরে লইয়া জব্বর একখান পোষ্ট দিব,ভোরে উইট্টা দেহে হেই কাম আমগো মামুন ভাই আগেই সাইরা লইছে।

ভদ্রলোকের নাম মোঃ নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া (টিংকু)।টিংকু নামেই বেশী পরিচিত।সে আবার ভুঁইয়া বংশের পোলা-তাই মাইন্ডা একটুখানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী। তবে মনডা জব্বর ভালো।খুবই সাংগঠনিক, সহজ সরল(তবে লেজ নেই),এবং আমাদের (৯৫ ব্যাচের) সবার নিয়মিত খোঁজখবর রাখে। যদি ও সি এস এম বাসীর খবরাখবর ও নিয়মিত নেয়।আমাদের সফল আড্ডার পিছনে তার ভূমিকা মনে রাখার মত।

তোমাদের জন্য সিনেমার নাম


আপনি করে বললে পর পর লাগে।তাই বড় ভাইদের জন্য কিছু নাম সিনেমার সাথে মিলিয়ে দিলাম। শুধু কি আপু রাই পাবে। ওনাদের ত ইচ্ছা করে, না! ভুল হলে নিজ গুনে ক্ষমা করবেন।
Anisur Rahman Reza- ইয়ে তেরা ঘর,ইয়ে মেরা ঘর,
Jashim Uddin- পেয়ার ঝুকতা নেহি,
Khurshed Alam Manik- ম্যায়নে পেয়ার কিয়া,
Nazmul Huda- রিস্তে,
Ziaul Hasan- কর্পোরেট,
Atiq Csm- লাভ লাভ লাভ,
Shajib Kumer Dey- রাজু বান গায়া জেন্টলম্যান,
Mahmudur Rashid Pulak- ইনসান,
Mohammad Nazrul- আলবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিউ আতা হ্যায়,

তসলিমা জাহান মুন্নি, সম্পর্কে আমার মা হয়


তসলিমা জাহান মুন্নি, সম্পর্কে আমার মা হয়।এক্সজেঞ্জ করা মা।মা হিসেবে খুবই ভালো।আব্বু র সাথে প্রতিবার ঝগড়া করে যখন ঘর থেকে বের হয়ে যেতাম তখন আমার এই মা টার ঘরই হতো আমার একমাত্র গোপন আশ্রয়।খুবই দেখতে পারে আমাকে ও আমার বোন কে। খুবই ভালো মানষিকতার একজন তিনি।Infact ধরতে গেলে তিনিই আমার original মা। একজন ভালো বন্ধু,যাকে সবকিছুই শেয়ার করা যায়।তিনি এত ভালো এত ভালো এত ভালো যে আমি নিজেও জানি না যে তিনি কতো ভালো।

মায়ের চেয়ে ও বেশি কিছু তুমি আম্মু।।।

নিপুর সাথে শফিকের বিরাট রাগারাগি চলছে


নিপুর সাথে শফিকের বিরাট রাগারাগি চলছে,নিপু এবার টেনশনে, কারন শফিক কখনো এতো রাগেনা, সামনে শফিকের পরীক্ষা, শফিক যে ধরনের মাথা গরম পাগল টাইপ মানুষ হয়ত রাগ করে পরিক্ষা নাও দিতে পারে, নিপু নিজে কয়েকবার শফিক কে সরি বলেছে, বুঝিয়েছে, কিন্তু শফিকের উপর ভরসা রাখতে পারছেনা, দেখা যাবে শফিক পরীক্ষা দেয় নি আর দিলেও রাগারাগি র কারনে গাধা টা পরীক্ষা ভালো দেয়নি, এমনিতেই শফিক তার বন্ধুদের মাঝে সবচেয়ে গাধা মার্কা ছাত্র। 

নিপু আর কোন রিস্ক নিলোনা, পরীক্ষার প্রথম দিন থেকেই শফিক কে নিজে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছে, আবার পরীক্ষা শেষ হলে তাকে কেন্দ্র থেকে নিয়ে এসেছে, শফিকের পাগলামির ভয়ে তাকে এক মূহুর্ত চোখের আড়াল করেনি। আর তত দিনে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক।

লেডিস হোস্টেল নাকি জাগো গো ভগিনি


Farhana Islam Rony আপা যদি বোনদের পাশ কাটিয়ে ভাইদের নিয়ে লিখতে পারেন,তেমনি বোন দের নিয়ে লিখার মত কেউ না কেউ থাকে।আমি না হয় লিখলাম।

প্রথমে বলে রাখি, Jerin Ripa, Nasrin Begum, Rehana Alam,Taslima Khan, Farzana Haque Rini এদের কথা আলাদা করে বলবনা।কারন আমি আগেই এদের নিয়ে লিখেছি।জানি যত দিন বেচে থাকব উনারা আমার শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেই থাকবেন।আজ বলব অন্যদের কথা। আমাদের নিচতলায় থাকতেন Khurshed Alam Manik ভাইয়ের বোন রুনা আপা।আমাকে আদর করতেন, আবার বকা দিতেন দুপুরে খেলার সময় চিতকার করে উনার ঘুম ভাংগাতাম বলে।আর ছুটি র দিনে গলা সেধে আমার ঘুম ভাঙাত Zinat Farjana মিষ্টি। দারুন গাইত।Farjana Rita ছিল আমাদের দোতলায়।খুব আড্ডা বাজ আর হাসিখুশি মেয়ে। Ishrat Jahan Shaila ছিল আমাদের সামনের বিল্ডিং এ।ছোটবেলায় আমার সাথে গল্পের বই দেয়া নেয়া করছিল।ওকে ওর খালারা খুব সুন্দর ড্রেস দিত। ভাইদের খুব আদরের।ওর মুখে চাটগাঁইয়া কমেন্ট পড়লে আমি হাসি থামাতে পারিনা। 

Thursday, March 31, 2016

আমাদের ছোট বোন মুনা


এই পরিবারের ছোট কন্যাটি আমাদের ছোট বোন মুনা।বাসার সবার খুব আদরের।কলোনী ও স্কুলে ওর দূরন্তপনা আমরা দেখেছি।খুবই লক্ষী একটি বোন আমাদের, সবার সাথে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে।

২০১১ তে পূর্ণ মিলনীতে এসেছিল,আড্ডা তে মনে হয় পারিবারিক কাজে ব্যাস্ত থাকায় আসতে পারে নাই।আমরা বোন তোকে মিস করেছি।

রেজা ভাই একটা পিকনিকের কথা বলতে, বেশীর ভাগ কুমিল্লা তে মত দেওয়ায় বোনটি সবাই কে কুমিল্লাতে আপ্যায়ন করবে বলেছে,কয়েক মন আলু সংগ্রহ করে রেখেছে।

সবাই কে আলু গোশ খাওয়াবে।

সবশেষে বোন তুই কিন্তু এখনো পেজে কিছু লিখস নাই, তোর লিখার অপেক্ষায় আমরা সবাই। আর সব সময় পেজের সাথেই থাকবি।

এখানে আমরা আমরাইতো।

Mohammed Kamar Uddin আমাদের মেজ ভাই


Mohammed Kamar Uddin আমাদের মেজ ভাই।আমাদের পরিবারের অন্যতম প্রধান সদস্য।উনাকে আমি খুবই respect করি।উনি খুব চাপা স্বভাবের হলেও অনেক মজার একজন মানুষ।উনি খুবই বন্ধুসুলভ,সবার সাথে সহজেই মিশে যায়।বিপদে আপদে সবাই কে পাওয়া না গেলেও উনাকে পাওয়া যায়।উনি আমাদের সবার প্রিয় একজন।

Jashim Uddin - উনি আমার বড় ভাই


Jashim Uddin।উনি আমার বড় ভাই।আমাদের পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একজন।আমি উনাকে খুবই শ্রদ্ধা করি।উনি খুবই শান্তশিষ্ট, ভদ্র ও অমায়িক।আমাদের পারিবারিক সব কাজেই উনার সরব উপস্থিতি থাকে।উনি খুবই সামাজিক এবং সর্বদা সামাজিক কাজে ব্যস্ত থাকেন।উনি আমাদের পরিবারের আদর্শবান সন্তান।

লিটন ৯৪ ব্যাচ।


আমাদের সিএসএম এর ছোট ভাই, ও আমার বন্ধু।কলোনীতে থাকতো এফ টাইপে।চশমা ছাড়া খুব কম দেখে।
খুবই পরিশ্রমী একটা ছেলে,যেকোন কাজ করতে বললে সাধ্যমত করতে চেষ্টা করে।

সবাই কে সংগঠিত করার প্রচন্ড ক্ষমতা রাখে,
তারিকের ব্যাপারে ২০১১ তে পূর্ণমিলনীতে সবার নিকট তাদের ব্যাচ থেকে সাহায্যার্থে কাজ করেছে,এখন কোন কারও রক্ত এর প্রয়োজন হলে সবার আগে আমি সব সময় আমার এ বন্ধুটির নাম বলে থাকি।
ও একবার আমাকে বলেছিল দোস্ত কখনো কোন গ্রুপের রক্তের দরকার হলে বলিস,সাধ্যমত চেষ্টা করবো ব্যাবস্হা করার।

আমার মায়ের হাসপাতালে থাকার সময় রক্তের প্রয়োজন হলে ওকে বলি,ও চেষ্টা করেছে ব্যাবস্হা করার।সেদিন আমার বন্ধুঅপুর এক কলিগ এর রক্তের প্রয়োজন হলে ওকে বলি ও ব্যাবস্হা করে।

যে গল্পের শেষ নেই


তখন সবেমাত্র এইচ এস সি পরীক্ষা দিয়েছি।কোচিং এ ভর্তি হয়েছি। ভাল কোন বিশ্ববিদ্যালয় এ চান্স পাবার চেষ্টা। প্রাইভেট ভার্সিটি তে পড়ার ইচ্ছা নেই।সেখানেই পরিচয়।লেকচার শীট নিতে গিয়ে।দেখলাম ক্লাসে রেসপন্স খুব ভাল। তাই নিজ থেকেই পরিচিত হলাম। খাতির বাড়ানোর জন্য আমিও পড়ায় মন দিলাম।দিন দিন বন্ধুত্ব বাড়তে লাগল। বুঝলাম না শুধুই কি বন্ধু নাকি আরো বেশি কিছু।কোচিং ক্লাস না থাকলে মন খারাপ থাকে দুজনের সেটা বুঝি।

পড়ায় মন দিতে কষ্ট হয় কিন্তু ওর জন্য জোর করে পড়তে বসি।তখন মোবাইল,ফেসবুক এগুলো চালু হয়নি।তাই টি এন্ড টি ভরসা। বাজারের মোড়ে ফোনের দোকানে গিয়ে ফোন করা।কোচিং ক্লাসের পড়া দিয়ে শুরু হত,কিন্তু শেষ হত অন্য কিছু দিয়ে। মডেল টেস্টে আমি ওর চেয়ে ভাল করি একটাতে,আর ও আরেক টাতে।ইচ্ছা করে ওর চেয়ে কম নম্বর পাই যাতে খুশি হয়।

একসময় এডমিশন টেস্ট আসে।আমি চান্স পাই আইন,অর্থনীতি, ইংরেজি তে।কিন্তু ও কোনটাতেই না।কারন দুর্ঘটনায় ও পরীক্ষা দিতে পারেনা।ওর কথামত আমি আইনে এডমিশন নেই।ক্লাস শুরু হবার পর আমাদের দেখা করা শুরু।মোবাইল কিনলাম ওর সাথে কথা বলার জন্য।প্রতি বৃহস্পতিবার সেন্ট্রাল প্লাজায় দেখা করতাম। একদিন কলোনি র এক বড় আপা দেখলেন।আমি উনাকে না চেনার ভান করি। একদিন ডিপার্টমেন্ট থেকে ট্যুরে যাই। চারদিন পর ফিরে আসি।জানতে পারি অসুস্থ খুব।কিন্তু দেখতে যাবার চান্স নেই। ও বারান্দায় আসে, আমি দূরে দাড়িয়ে ওকে দেখি। 
না সত্যিই না।আসলে সত্যিকারের কাউকে ভাল না বাসলে ভালবাসার গল্প লিখা যায় না।আমিও তাই লিখাটা শেষ করতে পারলাম না। এ ধরনের গল্পগুলোর শুরু থাকে,শেষ থাকেনা

মন দিল খুব খারাপ


মন দিল খুব খারাপ।তেলেও আর কাজ হচ্ছেনা।আমার ছানি পড়া মোবাইল এখন প্রায় মৃত।কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাস মানে চার্জ দিলে উনি শ্বাস নিয়ে অর্থাৎ অন হয়ে পুনরায় অফ হয়ে যাচ্ছেন।কিছুতেই উনাকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনতে পারছিনা।বরং অবস্থার ক্রমেই অবনতি হচ্ছে।অল্প সময়ের মধ্যেই আমার প্রাণপ্রিয় মোবাইল হয়তো ইহলোক ত্যাগ করবে।ছেলেকে ভুলিয়ে ভালিয়ে ছেলের গেইম খেলার মোবাইল দিয়ে এফবি চালাচ্ছি।জানিনা ছেলে কতক্ষন এলাউ করে।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন এই শোক আমি সামলে নিতে পারি।সকলের সহযোগীতার জন্য ধন্যবাদ।

কমর উদ্দিন ( কমু ভাই)

- Aslamuddin Mamun


আমাদের জসিম ভাইদের পাচঁ ভাই- বোনের মধ্যে ২য়।
ভাই- জসিম উদ্দিন ও নাজিম
বোন- শেলী ও মুন্নী।

কি করেন- বতর্মানে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান এর ম্যানেজার। খুবইপরিশ্রমী একটি মানুষ।
কলোনীতে থাকতে কখনো কোন কিছু ব্যানার বা পোস্টারর লিখতে হলে চলে যেতাম কমু ভাইয়ের কাছে কখনো না বলেনি।কলোনীতে ছোট ভাইদের কাছে খুব প্রিয় ছিল।একজন খুব ভাল সংগঠক।কলোনীতে নবীন সংঘের সাথে জড়িত ছিল।বর্তমানে ৮৯ ক্লাব এর আহবায়ক।

আড্ডা তে- আড্ডা তে কমু ভাইকে খাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।যথা সাধ্য চেষ্টা করেছে দায়িত্ব পালন,কি পরিমাণ কাজ করেছে আমরা যারা আড্ডা সাথে জড়িত ছিলাম তারা জানি।কতটুকু সফল হয়েছে সেটা যারা আড্ডাতে এসেছে তারাই ভাল বলতে পারবেন।

কিছুদিন আগে তার জন্মদিবসে পেজের মাধ্যমে সকলকে দাওয়াত দিয়েছে, যারা পেরেছে গেছে,।আড্ডা দিতে ভাইটি প্রচুর পছন্দ করে।সময় পেলে আড্ডারর কথা বললে চলে আসবে।আর ছবি তুলে পোস্ট করবে।সব সময় একটা কথা বলবে আমি ছবি তে না থাকলে পোস্ট হবে না,আমার ছবি টা ভাল আসে নাই আবার তুলতে হবে,না হলে আমি খেলবো না।

স্কলম্ব


কলনিতে থাকার সময় আমরা আট জন এক সাথে থাকতাম। এই আট জনের একটা গ্রুপ ছিলো। যে কোন কাজ আমরা একসাথে করতাম। আমাদের গ্রুপের নাম ছিলো "স্কলম্ব"। আজকে এই আটজনের পরিচিতি আপনাদের কাছে তুলে ধরবো।
স্কলম্ব (SKLMB)
S= সাহেদ, সুমন, শাহিন
সাহেদ (Shahed Hussein) বর্তমানে পুবালী ব্যাংক, চাক্তাই শাখায় কর্মরত।
সুমন ( ভ্রান্ত পথের পথিক আমি) বর্তমান সৌদিআরবে প্রবাস জীবন যাপন করিতেছে। 
শাহিন= বর্তমানে ঢাকার গাউছিয়া মার্কেটে ছেলোয়ার কামিজের ব্যবসা করিতেছে।
K= কমু বর্তমানে কাজ ফাঁকি দিয়া পোষ্ট দিতাছে।
L= লিটন (Shahabuddin Liton) সিমেন্টের ভিতরে জমে গেছে।
M= মনু, মানিক
মনু (Muhammad Moinul Huda) বর্তমানে ব্যবসা, সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।
মানিক (Saiful Manik) টুকটাক ব্যবসা করে আর সংসার সামলাতে ব্যস্ত।
B= বাবু ও এখন সিলেট থাকে। এখন পর্যন্ত বিয়ে করে নাই।

বন্ধু আমার, এভাবেই লিখতে চাচ্ছি


বন্ধু আমার, এভাবেই লিখতে চাচ্ছি। আজ বলবো বয়সে একটু ছোট তবে খুব কাছের বন্ধু। হিওমারটা দারুন। যে কোন বিষয় নিয়ে মজা করতে উস্তাদ। 

মনটাও উদার। রিপনের সাথে হরি হরি আত্না!! মানিকের কথা বলছিলাম এতক্ষন। রিপন যদি বলে, এখন সকাল, মানিক বলবে হ্যা তাইতো, যদিও তখন অনেক রাত!!!! দুইটাই মুরগি চোরের উস্তাদ ছিলো! কত দুপুর, মানিকের বাসায় আড্ডা মেরেছি। এই পেজে মানিক কে পেয়ে খুব খুশি হয়েছিলাম। দারুন ছোট ছোট কমেন্ট, প্রতিদিন সকালে, সবাইকে ফুলের শুভেচ্ছা, ছোট ভাই বোনদের, নাতি/নাতনি বলে সম্বোধন করা, বেশ জমিয়ে রেখেছিলো, এই পেজটিকে। ভদ্রলোক রাগ করে এখন আর পেজে ঢুকেন না। আমরা তাকে "মিস" করছি। 

চলে আয় বন্ধু। ছোট ভাই বোনদের উপর রাগ করে কি লাভ? আশায় থাকলাম কাল সকালেই তুই, সবার জন্য, ফুলের শুভেচ্ছা পাঠাবি।

আমার দুই বোন


আমার দুই বোন।প্রথম বোন salina akter shali।তিনি ছিলেন খুবই সৎ, সহজ সরল একজন।তিনি কাওকে কষ্ট দিতে চাইতেন না infect দিতেন ও না।তিনি সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলতেন।সবার সাথে খুবই সহজে মিশতে পারতেন। তিনি আবার csm colony school এর শিক্ষিকা ছিলেন।তিনি উন্নত মানসিকতার অধিকারী ছিলেন।তিনি আমাদের খুব পছন্দ করতেন,বিশেষ করে ভাইদের খুবই ভালোবাসতেন।বড় আপু তুমি যেখানেই থাকো না কেন ভালো থেকো।আমার দ্বিতীয় বোন Tafsi Fariha ওরফে তসলিমা জাহান মুন্নি।সে খুবই চঞ্চল প্রকৃতির ছিল।সে খুবই মানব দরদি,মহান ও দেশপ্রেমিক।সে খেলাধুলায় পারদর্শী যদিও জাতীয় দলে চান্স পাওয়ার খুবই কাছাকাছি পর্যায়ে চলে গিয়েছিল।সে আমাদের পরিবারের গর্ব।যাইহোক আমাদের পরিবারের দুই রত্ন আমার এই দুই বোন।

"পাঁচ ফোড়ন মশলা "


আজ আমি কোন তেল বা ঘি দিবোনা। একেবারে মনের কথা মশলা দিয়ে লিখছি যেন টেষ্টি হয়।এই পেইজে এমন কিছু মানুষ আছে যাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান আপনা আপনি চলে আসে।Anisur Rahman Reza আংকেল যাকে আমরা পীর বলে ডাকি অসাধারন একজন মানুষ। আমাকে আদর করে মা বলে ডাকে। অসম্ভব মায়া ভরা মন সবাইকে খুব সহজে আপন করে নেয়। জানিনা সবার অনুরোধে নাকি আন্টির ভয়ে বেনসন খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। Jashim Uddin আংকেল আমার চাচার সূত্র ধরে আংকেল ডাকা। আমার বড় দুঃখ আমার কোন বড় ভাই নাই। উনাকে চাচা ডাকার ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও ডাকতে হয়। রাজনীতি ভালো পদচারনা ছিল উনার। খুব সাদা মনেরএকজন মানুষ। Nazmul Huda আংকেল সবার প্রিয় একজন মানুষ। সবসময় হাসি মুখে থাকেন। 

কোন সমস্যা হলে সুন্দর করে তার সমাধান দেন। Mdnurul Kabir Niru আংকেল সবসময় আমার চাচার সাথে দেখতাম নাজমুল আংকেল ও নিরু আংকেল কে ছোটবেলায় খুব ভয় পেতাম ওনাদের দেখলে। ভালো নিংরেজী লিখেন। খুব আন্তরিক একজন মানুষ। Atiq Csm আমার চাচা ভাই।কলোনিতে কোনদিন কথা হয়নি। জানিনা কেন উনাকে দেখলে বা উনার লিখা পড়লে এতো ভালো লাগে। উনার প্রতি ভক্তি আর শ্রদ্ধা আপনা আপনি চলে আসে। ভাই ডাকতে গেলে বলে আমি তোর চাচা। আরে চাচা হলে কি দুষ্টামি করা যায়। মনে এমনি দুঃখ বড় ভাই নেই বলে। Jafar Alam Alam ভাই খুব ভালো একজন মানুষ। কোন ঝামেলার মধ্যে নাই। জীবনে আমার নামটা শুদ্ধ করে ডাকেনি। আদর করে রইন্যা বা রনি বেগম বলে ডাকতো।। 

তেল সংক্রান্ত ' কিছ লেখা ও কমেন্টস পড়ে


'তেল সংক্রান্ত ' কিছ লেখা ও কমেন্টস পড়ে এটা বোঝা গেল- হাসি তামাশার মধ্যেও কিছু "নিগূঢ় সত্যি" লুকিয়ে আছে। এই সব সুত্যি গুলো আমাদের অনেকের কাছে প্রেরণা, প্রনোদনা।

স্টিল মিলের অনেক ছেলেমেয়েই এখন দেশে বিদেশে আপন আপন মেধা,প্রতিভার গুনে উদ্ভাসিত,প্রতিস্টিত। তাদের বিষয়ে জানানটা, আমাদের পরবরতীপ্রজন্মের কাছে পৌছে দেয়াটা একটা ভালো উদ্যোগ ।

Keep it on & on

আজ লিখবো আমার কিছু প্রিয় বন্ধুদের নিয়ে


আজ লিখবো আমার কিছু প্রিয় বন্ধুদের নিয়ে।যাদের কে আমি csm colony র মাধ্যমে পেয়েছি।তাদের কে নিয়ে csm colony আমার অনেক ভালো সময় কেটেছিল।csm colony তে আমি অনেক ভালো বন্ধু পেয়েছি যাদের আমি কখনও ভূলতে পারবোনা। তারা Farhana Islam Rony,Bgm Khadiza,Shazi Khan,Saifur Rumi, Shazzad Shakil,Abu Naser,Juwel Nazmul আমার সবচেয়ে প্রিয় বাল্য বন্ধু।তাদের কে এখনও আমি অনেক miss করি।তাদের কেউ এখন কাছে আবার কেউবা দূরে।দোস্ত তোদের মতো বন্ধু পেয়ে আমি আজ নিজেকে ধন্য মনে করি। তোরা সবসময় পাশে ছিলি আছিস এবং থাকবি।দোয়া করি তোদের জন্য।তোরা সবাই ভালো থাকিস।

কলোনির মাঠে প্রতিদিন বিকেলে উঠতি বয়সের ছেলেরা ফুটবল খেলে


কলোনির মাঠে প্রতিদিন বিকেলে উঠতি বয়সের ছেলেরা ফুটবল খেলে, তাদের মধ্যে ফয়সলও আছে, কোত্থেকে জানি সে একটি আকাশী রঙ এর জার্সি যোগাড় করেছে, খুব সুন্দর জার্সি । আবার মাঝেমধ্যে ঢোলা সাদা গেঞ্জি পড়েও ফুটবল খেলে।

মুমু রা ফয়সাল দের কাছের বিল্ডিং এ থাকে, মুমু ফয়সাল দুজন দুজন কে পছন্দ করে, দুজনের মধ্যে টুকটাক কথা হয়, কিন্তু পছন্দের কথা এখনো কেউ কাউকে বলেনি। এভাবেই সময় চলছিল।

একদিন দুপুরে ফয়সাল নামাজ শেষ করে মুমু দের বাসার সামনে দিয়ে ওর বাসায় ফিরছিল, হঠাৎ মুমু সিঁড়ি তে ফয়সালকে একা পেয়ে ডেকে নিয়ে বলল, ফয়সাল তুমি ওই সাদা গেঞ্জি টি পড়ে আর খেলবানা এইটা তে তোমাকে ভালো লাগেনা,তুমি ঐ আকাশি জার্সি টি পড়ে খেলবে, ঐ জার্সি পড়ে তুমি যখন খেলতে থাকো তোমাকে যে কি সুন্দর লাগে।

এখন জাতির সামনে প্রশ্ন, মুমুর এই কথাটিকে ফয়সাল তার প্রতি মুমুর ভালোবাসার প্রকাশ ধরবে নাকি ১ নং খাটি তেল হিসেবে ধরবে????

সব মানুষের জীবনে গল্প আছে। আমরা কয়জনের খবর রাখি?


সব মানুষের জীবনে গল্প আছে। আমরা কয়জনের খবর রাখি? আর রাখা টাও অনেকটা অসম্ভব ব্যাপার। আমার ধারণা-সিএসএম এর সকল মানুষের গল্প যদি সংগ্রহ করা সম্ভব হত-তাহলে মহা ভারতের চেয়েও অনেক বড়-‘‘সিএসএম মহা কাব্য” নামক এক বিশাল পুস্তক লেখা সম্ভব হত। পৃথীবিতে কিছু কিছু মানুষ জম্নে-যারা সুধু দেওয়ার দলে থাকে-অনেকটা সিনেমার ক্যামেরাম্যানদের মত- নিজের সামর্থ্য ও ভালবাসা উজার করে দিয়ে-দুর থেকে-‘‘আবেগ ও ভালবাসার” নিঃচাষ দেখে মনে মনে তৃপ্তি লাভ করে। তেমনি একজন-সাদা মনের মানুষের নাম-‘‘চশমা অপু” ওরফে আমাদের কাছে আদরের ডাক ‘‘কানা অপু”। তার মনের চক্ষু এত পরিস্কার-আমার ধারনা পীর সাহেব কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে-তার মতামতকে সব চেয়ে বেশী প্রধান্য দেয়। আমাদের এই সিনিয়র সিএসএম এর বন্ধুটি-‘‘আড্ডার” জন্য যে অকৃত্তিম ভালবাস দেখিয়েছে-তা সিএসএম পেইজে দ্বিতীয় ঘটনা আছে কিনা আমার জানা নেই। প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের লীলা ভরা-সিএসএম কলোনীর রোমান্টিক পরিবেশে-কৈশর পেরিয়ে যৌবনে পদারপন করার সময়-ফুল হাতে কোন বালিকাকে ‘‘সুরঞ্জনা ঐ খানে যেয়োনাকো তুমি/বলোনাকো কথা ঐ যুবকের সাথে-ফিরে এসো সুরঞ্জনা”-বলেছিল কিনা আমার জানা নেই। তবে ভাইয়ের মনে যে প্রেম ছিল-তা আমরা গুলশানের এক হোটেলে ‘‘আড্ডার প্রি-মিটিং এর সময় পীর সাহেবের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন-রেজা ভাই, আপনি সবাইকে সন্তোষ্ট করতে পারবেন না। কারণ-‘‘আনোয়ারা সুন্দরীও পারে নাই” ‘‘কে এই আনোয়ারা সুন্দরী-ভাইয়ের কাছে জানতে ইচ্ছে করে। আমি শুধু শানে নুজুলটা লিখলাম-বাকিটা সবাই যে যা জানে কমেন্টস এর মাধ্যমে প্রকাশ করবে। কেহ ভাইয়ের একটা ফটো পোষ্ট করলে কৃতাজ্ঞ থাকিব।

প্রতি বছর ৩১শে ডিসেম্বর আমাদের বাসার সামনে C টাইপ মাঠে রাতে পিকনিক এর আয়োজন করতাম


প্রতি বছর ৩১শে ডিসেম্বর আমাদের বাসার সামনে C টাইপ মাঠে রাতে পিকনিক এর আয়োজন করতাম আমরা সকলেই, ছোট বড় সকলের অধিকার ছিল এখানে অংশগ্রহণ করার শুধু মেয়েরা বাদ ছিল,নিজেরাই সব কিছু করতাম খালি রান্না করতো অফিসাস ক্লাবের মোকলেস ভাই,দুপুর ২ টার বাসে Atiq Csmএর সাথে আর একজন মাকেটে গিয়ে বোম নিয়ে আসতো,রাত ১২টার আগে ই সবাই মিছিল করতে করতে কলোনীর বাহিরে গেইটে পোঁছে যেতাম,আমি দুলি মরা রাশেদ সব সময় বোম পাঠাইতাম,নিজের এলাকা বলে সাহস ও বেশি আমি রাস্তা পার হয়ে যেখানে ২নং বাস দাড়াতো সেখানে গিয়ে বোম নিয়ে তৈরী ১২টা বাজলেই আগুন লাগাবো,আমার হাতে দুইটা বোম ১২টা বাজলো চারদিকে বুম বুম আওয়াজ,আমার প্রথম বোমটা পায়ের পাক দিয়া বাহাদুর ভাইয়ের দোকানে গিয়ে পড়লো,চারিদিকে চিৎকার শা শা করে প্রাইভেট কার গাড়ি সীবিচের দিকে ছুটছে,এবার ২য় বোম টা সৎকার করতে হবে আমি কাঠঘরের দিকে মুখ করে বসে বোমে আগুন লাগালাম, হঠাৎ শুনি পুলিশ পুলিশ পালা পালা আমি আর পিছন দিকে তাকাই নাই সোজা ভো দৌড় এক দৌড়ে বাজারের শেষ সীমানায় পুরাপুরি একলা পিছনে কি হইছে কিছুই জানি না এক দোকানের পিছে চুপচাপ দাড়িয়ে আছি ১০/১৫ মিনিট পর আস্তে আস্তে সামনের দিকে আগাইলাম,বাজারের ভিতর দিয়ে মাছ বাজারের ভিতর দিয়ে গেইটের সামনে পৌছলাম সবাই চিৎকার করে উঠলো পাইছি পাইছি মনিরুল কে পাইছি,ঘটনা হলো আমি একলা রাস্তার ঐ পাড়ে পুলিশ গাড়ি নিয়া না এসে টেম্পু নিয়ে হঠাৎ করে সবার সামনে নামাতে সবাই কলোনীতে ডুকে পড়ছে আমাকে চিৎকার করে সাবধান করছে,তারপর আমাকে না দেখাতে মনে করছে আমাকে পুলিশ নিয়া গিয়াছি,আহা রে কি মজার ছিল সেই দিন গুলি

রাতে চিন্তা করছিলাম সকালে উঠে আমাদের ইউনুস রে তেলামু


রাতে চিন্তা করছিলাম সকালে উঠে আমাদের ইউনুস রে তেলামু, সকালে দেখি আমাদের প্রচার মিনিষ্টার মামুইন্যা তেলাইয় ফেলছে, যাক মামুন মামুইন্যার মত তেলাক আর আমি আমার মত তেলাই।

কলোনির প্রতিটি বাসার ড্রইং রুম থেকে কিচেন রুমের খবর, কলোনির প্রেমের খবর থেকে বিশ্বের খেলার খবর অর্থাৎ সব ধরনের খোঁজখবর যেখানে বা যার কাছে পাওয়া যায় সে হচ্ছে আমাদের সাত্তার ষ্টোরের ইউনুস। যাকে একটি প্রতিষ্ঠানও বলা যায়।বলতে পারি ইউনুস বা সাত্তার ষ্টোর হচ্ছে বিশ্ব মিডিয়া সেন্টার। তার কাছ থেকে বাকী নেয় নাই বা খায় নাই এমন পাবলিক পাওয়া বিরল। বরং যারা তার কাছ থেকে বাকী খেতে পারে নাই তাদের জীবন বৃথা। ইউনুসের বাকীর খাতায় নাম তুলতে পারা ছিল বিশাল সম্মানের ব্যাপার।

আপনারা অনেকেই হয়ত জানেননা যে, মাইক্রোসফট এর মালিক বিল গেটস ও ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ এর কাছ থেকেও ইউনুস টাকা পাবে। সেটা কিভাবে ব্যাখ্যা করছি : তখনো মিঃ গেটস সফটওয়্যার আবিষ্কার করেন নি, একদিন তিনি ইউনুসের দোকানে পান খেতে এসে ইউনুসের বিগ ভলিউম বাকীর খাতা দেখে বিল গেটসের মাথায় সফটওয়্যারের আইডিয়া মাথায় আসে, পরে ইউনুসের সাথে বিল গেটসের ৫০% ৫০% অনুপাতে চুক্তি হলেও বিল গেটস সে টাকা এখনো ইউনুস কে এখনো প্রদান করেনি।অপরদিকে জুকারবার্গের ও একই অবস্থা, জুকারবার্গ যখন একটা পান আর একটি আবুল বিড়ি খাইতে খাইতে সারাদিন ইউনুসের দোকানে আড্ডা দিত এবং অন্যদের আড্ডা দিতে দেখতো তখন জুকারেরর মাথায় ভার্চুয়াল আড্ডা র ফেসবুক বিষয় টি মাথায় আসে, উল্লেখ্য ফেসবুক নাম টিও ইউনুসের দেয়া। জেনেভায় স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক জুকার ইউনুস চুক্তিনামা অনুযায়ী পাওনা এখনো জুকারবার্গ ইউনুস কে প্রদান করেনি। উপরোক্ত দু টি চুক্তির পাওনার ব্যাপারে জনাব ইউনুস ইতিমধ্যে জাতিসংঘে মামলা করার প্রস্ততি নিয়েছেন, ইউনুসের আইনজীবী হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান আইনজীবী জনাব Niaz Morshed জনি কে নিয়োগ করা হয়েছে।

জাহাজ খালা


(তেলের ফ্যাক্টরি কিনসি আজকে)
আমাদের এই খালার সাথে পরিচয় অবশ্যই গ্রুপে।তিনি খুবই মায়াবতী, কোমলমতী,রূপবতী, গুণবতী একজন মানুষ।আদর করে খালা আমাকে ওবাম বলে ডাকেন।আতিক মামার বোন হিসেবেই খালাকে প্রথম চিনেছিলাম।জাবেদ মামারও যে বোন তিনি তা আমি আড্ডার কয়েকদিন আগে জেনেছি।জাহাজ খালা বেশ প্রতিবাদী মানুষ(আমিই যেমন,তিনি তো আমারও খালা)। আড্ডায় মাঞ্জা মারতে গিয়া অর্ধেক আড্ডাই মিস করে ফেলেছিলেন।যদিও খালাকে মারাত্মক খুবসুরত লাগছিল।একটা ব্যাপার নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে খালার সাথে চুক্তিতে আসতে চাচ্ছি।খালা যেন রাজি হয় এটা এক্টা প্রয়াস মাত্র।

শায়লা খালামণি,তোমার সাথে ঝগড়া না করলে ইদানীং পেটের ভাত হজম হয়না। tongue emoticon
(বিশেষ দ্রষ্টব্য : আমি চাইনাই পোস্ট দিতে।খালা ৩দিন ধরে ইনবক্সে কানতেসিলো যেন পোস্ট দেই।খালাকে ঘুষ হিসেবে দিলাম।)

আমাদের কিছু সীমাবদ্বতা আছে


আমাদের কিছু সীমাবদ্বতা আছে। আমরা এই পেইজের সবাইকে সঠিক পরিচয়ে চিনি না বা জানিনা।তেল বা বাঁশ দেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে সবার পরিচয় সবার কাছে তুলে ধরা।আমি সকল মেম্বারদের অনুরোধ করব প্রত্যেকে নিজ নিজ পরিচিত জনের পরিচিতি তুলে ধরুন।সেটা প্রচুর তেলযুক্ত হলেও মমস্যা নাই।অথবা নিজ পরিচয় নিজে তুলে ধরুন। নিজের ঢোল নিজে জোরে জোরে পিটাইলেও আমরা মাইন্ড করব না।চবি সংযোজন করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়।এই সুবাধে সবার সাথে সবার পরিচয় তুলে ধরা যায় যা ভবিষ্যতে আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ন কাজে সহযোগীতা করতে পারে।সবার সহযোগীতা কামনা করছি।

আমাদের সবার প্রিয় ইউনুস ভাই


নিচের তিনটি ছবিতে যে মানুষটি দেখছি,সে কে তা আর আমার বলার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না,কারণ সিএসএম কলোনীতে তাকে চিনে না এমন মানুষ খুব কম আছে।

আমাদের সবার প্রিয় ইউনুস ভাই। সব- সময় হাসি খুশি,আর ব্যাবসার ফাকেঁ আড্ডা দিতে পছন্দ করে।বড়দের সম্মান ছোটদের আদর স্নেহ করতেন,এখনও করে।আর বন্ধু মহলে আর কি বলবো,তার সরব উপস্হিতি।

কলোনীতে থাকতে খিধা লাগলে সাথে পয়সা না থাকলে গিয়ে বলতাম ইউনুস ভাই বিস্কুট দেন আব্বা আসলে টাকা দিয়ে দিবে।কখনো না করত না।আর সব সময় ছোটদের খেয়াল রাখার চেষ্টা করতেন,কারণ বাবা- মারা স্কুলে এসে ইউনুস ভাইয়ের দোকান থেকে বাচ্চার ও কলোনীর খবরাখবর নিতেন।

আড্ডার কথা বলি,আড্ডা জন্য আমি ইউনুস ভাইয়ের বর্তমান দোকান খেজুরতলা ওখানে গিয়ে দেখি ভাই দোকান একা সামল্লাচ্ছে।কাস্টমার,বিভিন্ন কোম্পানির এস আর,তার মধ্যে আমাকে দেখে দোকান থেকে উঠে এসে বুকে বুক মিলালেন।তারপর সাধ্যমত আপ্যায়িত করললেন।যখন আড্ডা নিয়ে কথা,বললাম তখন শুধূ বললেন আমি দোকান বন্ধ রেখে আড্ডা তে যোগ দিব,এবং আমার আশে পাশে যারা আছে তাদেরকে খবর আমি পৌঁছে দিব।এ হলো ইউনুস ভাই।

পরিশেষ এ বলবো এভাবে সাথে থাকবেন সব- সময়।কারন এখানে সকলে আমরা-আমরাইতো।

আন্দাজে হিজিবিজি

- Towsif Noor Kabbo

ছাত্র আমি ভদ্র অতি
করিনা কোন ভূল,
দুষ্টু লোকের মন্দ কথায়
গায়ে বিঁধে যায় শূল।
বিজ্ঞ আমি অজ্ঞ নইতো
উদারপন্থী কোন বিষয়ে,
ছবি তুলি ভদ্র ভাবে
সেল্ফি তুলি না বাদড় হয়ে।
পাড়ায় আমি অতি ভদ্র
থাকি সবারি আদরে,
ফেবু জগতে আমি কবি মানুষ
ভালোবাসিলাম সব কবিতারে।
শিল্প জগতের শিল্পী আমি
কল্প জগতের কল্পনা,
ধর্ম জগতের ধার্মিক আমি
দুষ্টু জগতের আল্পনা।

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ


তেলে,ঘিয়ে গ্রুপ এখন সয়লাব।খুব সাবধানে চলাফেরা করতে হবে আমাদেরকে।যারা ধুমপান করেন তারা ধোয়া পান করে তারপর গ্রুপে ঢুকবেন। কারন জ্বলন্ত বিড়ি সিগারেট নিয়ে গ্রুপে প্রবেশ করাটা বিপজ্জনক। তবে হ্যাঁ নিভে যাওয়া বিড়ি/সিগারেট গ্রহনযোগ্য, এ থেকে বিপদের আশঙ্কাও নেই।দিয়াশলাই বা লাইটারও সাথে রাখা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে এমন দুর্ঘটনা এড়াতেই এ ব্যাবস্থা। কারন একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না।ধন্যবাদ।

আমি csm page এ কখনও কিছু লিখি নি


আমি csm page এ কখনও কিছু লিখি নি।কারণ এই পেজ এ আমার বড় ভাইয়েরা আছেন এবং আমি সবার মতো গুছিয়ে লিখতে পারি না।আজ আমি যাকে নিয়ে লিখবো তিনি আমার এক বড় ভাই এবং একজন সম্মানিত শিক্ষক।তিনি হলেন Shajib Kumer Dey।তিনি আমকে শিখিয়েছেন কিভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয়।আমার মা-বাবা ও পরিবারের পর তিনিই ছিলেন আমার গাইডলাইন।তিনি যদি আমাকে ওই ভাবে গাইড না করতেন তাহলে হয়তো আজ আমি এই পর্যায়ে আসতে পারতাম না,তিনি আমাকে পড়াশোনার দিক দিয়ে অনেক সহায়তা করেছেন যদিও ছাত্র হিসেবে আমি তেমন ভালো ছিলাম না।আমি উনার কাছে আজীবন চির কৃতজ্ঞ থাকব।পরিশেষে আমি উনার সুস্থতা ও সফলতা কামনা করি।