Monday, November 2, 2015

তখন ১৯৯১ সালের পরবর্তী সময়

- Niaz Morshed


তখন ১৯৯১ সালের পরবর্তী সময়। কলোনি র বিধ্বস্ত অবস্থা। এ সময় কলোনি র কিছু বড় ভাই নিজেরা মিলে এপ্রিল ২৯ নামে একটা সেচ্ছাসেবী দল গঠন করে।উনারা একটা লরি করে বিভিন্ন টিউবওয়েল, ওয়াসার ট্যাংকি থেকে পানি নিয়ে বাসার সামনে গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসতেন।আবার পানি নেয়ার সময় যাতে কোন ঝামেলা না হয় তাও দেখতেন।অনেক টা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মত।

একদিন আমাদের বাসার পাশের ওয়াসার ট্যাংকি থেকে লাইন ধরে সবাই পানি নিচ্ছিল। আতিক ভাই ওইখানে দাড়িয়ে লাইন নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। এমন সময় সুফিয়ার মা নামে আমাদের বুয়া আসল কেটলি করে পানি নিতে।যেহেতু কেটলির আকার ছোট তাই তাই সে বলল তাকে আগে দিয়ে দিতে।তখন আতিক ভাই জানতে চাইলেন কাদের বাসা থেকে এসেছে। বুয়া বলল, মোরশদগো বাসাত থন। আতিক ভাই বুঝলেন, মাকসুদ চাচার বাসা থেকে এসেছেন।তিনি পানি দেয়া হবেনা বলে দিলেন।

”পানির ট্যাংকী”


”পানির ট্যাংকী” শব্দ টা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে কলোনীর পানির ট্যাংকীটি। ওটা ছিলো কলোনীর জিরো পয়েন্ট। সব কিছুর মূল কেন্দ্র এই ট্যাংকীর তলা। ট্যাংকীর নীচে টাংকি মারা থেকে শুরু করে অনেক সিরিয়াস বিষয়ের নিষ্পত্তি এই ট্যাংকীর তলায়, কত রোমানস, কত থ্রিল,কত বিনোদন এই ট্যাংকীর তলায়, কলোনীর সর্বশ্রেষ্ঠ সফল প্রেমের সফল পরিনতি হয়েছিলো এই ট্যাংকীর তলায়।

ট্যাংকীর নীচে বসে ট্যাংকীর খয়ে যাওয়া পলেস্তরা পরে মাথা ফেটেছে, ট্যাংকীকে বিপজ্জনক ঘোষনা করা হয়েছে, আতিক কাক্কুর দাবড়ানি, কোন কিছুই দমাতে পারেনি ট্যাংকীর তলারে আড্ডাকে। ট্যাংকীর পাশে ব্যাংকে আসা গ্রাহক রা দু দন্ড জিড়িয়ে নিতো এ ট্যাংকীর নীচে।সব রাজনৈতিক, সামাজিক, অসামাজিক, আলোচনার মিলন কেন্দ্র ছিলো এ ট্যাংকীর তলা।

Sunday, November 1, 2015

আমার নিরু ভাই



নিরু ভাই কে প্রথম দেখি নাজমুল ভাইদের বাসায়। নিরু ভাইয়ার কথা বলার স্ট্যাইল, ড্রেস হাটা চলা ফেরা সব কিছুই আলাদা । দূর থেকেই নিরু ভাই কে চেনা যায়। নিরু ভাই ব্যাডমিন্টন খেলতো । জসিম ভাই এর সাথে জুটি বেধে অনেক ট্যুরনামেন্ট খেলেছে ।ওনার রেকেট ধরার স্ট্যাইল টা ছিল অসাধারন। আমি অনেকবার ট্রাই করে ব্যার্থ হয়েছি সত্যি বলতে আমি অনেক বড় ভাই কে অনেকবার ফলো করার চেষ্টা করেছি কিন্তু সাক্সেস হইনি । রেকেট ধরার স্ট্যাইল টা ফলো করতে গিয়ে "উশটা" খেয়েছি । তৌফিক প্রায় এইটা নিয়ে ক্ষেপাতো । সবাই নিরু ভাই হতে পারে না, নিরু ভাই একজনি হয়।

লুঙী ও ডাব....



ডাব অপারেশনে লুঙীর অবদান অনস্বীকার্য। কি কারনে এ বক্তব্য তা এক্ষুনি বলছি।

আমরা মোটামুটি ছোট ছোট ডাব গাছ বেছে বেছে অপারেশন চালাতাম। ছোট গাছ থেকে ডাব ফেললে ডাব মাটিতে পড়ে ফেটে নষ্ট হতোনা বা ফাটলেও খুব কম পরিমান। আমাদের স্কুলের ডাব গাছ গুলা ছিলো অনেক লম্বা, তাই সহজে ওখানে অপারেশন চালাতামনা। 

Saturday, October 31, 2015

" কপালের বল !!! "

নতুন নতুন কাঠের বলের খেলা শুরু হয়েছে, মোটামুটি সব জায়গায় হচ্ছে। প্রায় সময় বভিন্ন দল বা কলোনির সাথে ম্যাচ নেয়া হত, কেবলস কলোনির সাথ একবার খেলা নেয়া হল ( হাউজিং কলোনীর পিছনে, সম্ভবত ক্যাবলস কলোনী'ই ছিলো) , খেলা হবে ক্যাবলস এর মাঠে, চরম উৎসাহের সাথে আমরা সবাই গেলাম খেলাতে, আমরা রবিন, ছামির, রিপু, সোহেল, আক্কাস, ছাড়াও আমাদের সাথে আছে , মাসুম ভাই, পল্লব ভাই, আর আবু ভাই ।

খেলা শুরু হতে এখনো কিছু দেরি আছে, দুই দলেরই প্লেয়াররা আসছে, আমরা সবাই বসে আছি, অপেক্ষা করছি, কিন্তু আমাদের ব্যাচের শয়তানের লাঠি আলী আক্কাস স্বপন আমাদের সাথে দর্শক হিসেবে গিয়েছিলো, সে ব্যাট আর বল নিয়ে টুকটুক করছে, এমন সময় আক্কাস আবু ভাইকে ডাক দিয়ে বললো, “ আবু আয় তোকে ক্যাচ প্র্যাকটিস করাই “ বলে আবুর হাতে বল দিলো, আবুও খুশি খুশিতে ক্যাচ প্র্যাকটিস করতে লাগলো, কিন্তু আবুতো আর বুঝে নাই কার হাতে ব্যাট !!!!! হা হা হা, আবু ভাই হালকা করে বল ছুড়ে দিচ্ছে আর আক্কাস হালকা করে এদিক সেদিক মেরে ক্যাচ প্র্যাকটিস করাচ্ছে, হটাত আক্কাসের মাথায় কি ভুত উঠলো কে জানে, আবু হালকা করে আক্কাসের ব্যাটে কাঠের বলটা দিলো, আর আক্কাস ধুম করে মারলো ছক্কা !!!!!

আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, তোমাদের নিকট দুয়াও চাই, মাপও চাই


আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, তোমাদের ঢাকায় গিয়া তোমাদের কিছুই দিতে পারি নাই তিনটি বই ছাড়া। ইহার জন্য তোমাদে অনেক দৌড়ানি খাইয়াছি, এমন কি এক ছোট ভাই আমার শরীরের মাংস খুলাইয়া ২৫০ গ্রাম ওজন করিয়া পাইয়াছে এবং আমার কঙ্কালটি কাপড়বিহীন অবস্হায় এক মহিলা ডাক্তারের নিকট বিক্রি করিয়াছে। লজ্জায় আমার কঙ্কাল লুঙ্গি খুঁজিতেছে।যাক ঢাকা হইতে তোমাদের কাছ থেকে কিছুই আনিতে পারি নাই,তবে ডেঙ্গু জ্বর নিয়া আসিয়াছি।বর্তমানে আমি ডেঙ্গু জ্বরে ঢেং ঢেঙ্গাইয়া নাচিতেছি। সারা শরীরে বেদনা। তোমাদের নিকট দুয়াও চাই, মাপও চাই।

সবার জন্য মশার দোয়া

- Masuk Elahi

সবার জন্য মশার দোয়া
ইয়া আইউহাল মশা
তরজমাঃ হে মশা।
লা তা ভ্যান ভ্যান।
তরজমাঃ আমার কানে ভ্যান ভ্যান করিসনা।
এন্দাল করনাইন।
তরজমাঃআমার কানে ক্যান ক্যান করিসনা।
আনা সকচুন গরিবুন।
তরজমাঃআমি গরিব মানুষ,
লায়ে চায়ে মশিরউন।
তরজমাঃআমার কোন মশারি নেই

সব চরিত্র কাল্পনিক (১)


বি: দ্র: এই গল্পের সব চরিত্র এর নাম গ্রুপের মেম্বারদের নামানুসারে যাতে লিখতে সুবিধা হয়।কাউকে বিরক্ত বা অসস্তিতে ফেলার জন্য নয়।

আজ শনিবার।খুব সকালে উঠে শায়লা বাসার সবার জন্য নাস্তা বানাতে উঠল।যদিও তার খুব অসুখ।বুয়াও আসেনি।এমন সময় শায়লার দেবর জিসান আসল ঘুম থেকে উঠে।শায়লাকে একা নাস্তা বানাতে দেখে সেও সাহায্য করতে এগিয়ে এল শায়লা নিষেধ করার পরেও।এমন সময় দরজা খুলে আসলেন জিসানের বড় বোন বন্যা আপা।ভাবিকে সাহায্য করছে দেখে চোখ কপালে তুললেন।

" কি ব্যাপার,শায়লা, সপ্তাহে ছুটির দিনগুলোতে আমার ছোট ভাইটাকে কাজে লাগাই দিছ।"জিসান আগ বাড়িয়ে বলল, "আপা, আমি নিজ থেকেই করছি।" হয়ছে,তোরে আর ওকালতি করতে হবেনা।বন্যা আপা বললেন। মায়ের ঘরে আয়।

সি এস এম টিভি চ্যানেল (২)



ভাবছি চট্রগ্রামে আমাদের সি এস এম টিভি চ্যানেল এর জন্য ব্রাঞ্চ খুলবো , তাই গতকাল রাতে ট্রাকের উপর উঠে চট্রগ্রাম পৌছালাম। চট্রগ্রাম পৌছানোর পরেই রাসেল এর পেট রকেটের মতো ছুটলো । আহ বেচারা ওয়াস রুমের সাথে বন্ধুত্ব করে নিলো

কি আর করা আমাকেই ক্লাস নিতে হবে। জনিরে বুঝাতে হবে কি করে জসিম ভাই কে গুতা দিতে হবে কি করে পুলক ভাই রে পালিস দেয়া লাগবে

হীরা



আলমের মন আজ বেজায় খুশী। আজ সে হাসু ভাইদের সাথে কাজে যাবে। আলমের বয়স তেরো। স্থানীয় ভোলাপুর প্রাইমারী স্কুলে সে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়েছে এরপর অভাবের কারনে স্কুল ছেড়ে দিয়ে বাজারের চা দোকানে চাকরি নিয়েছে। এই চা দোকানে হাসুদের দল আড্ডা দিতে আসে। হাসু, রেজাউল, ইদ্রিস একসাথেই থাকে সবসময়। হাসুই আলম কে জিজ্ঞেস করেছে কাজে যাবে কিনা। আলম এক বাক্যে সায় জানিয়েছে। হাসুদের কাজটা সব অর্থেই নিচু। ওরা সীমান্তের ওপার থেকে ফেন্সিডিল এনে ঢাকায় পাঠায়। এদিকের অনেক বাড়ির আয় উপার্জনের উৎস এই কাজ। সীমান্ত আর ঢাকার রেললাইন কাছাকাছি হওয়ায় এই অঞ্চলে ডাইল ব্যবসা রমরমা। বর্ডার থেকে বস্তা ভরা ফেন্সিডিল ট্রেনে তুলে দিতে পারলেই হলো। ট্রেনে তোলাও খুব সহজ। আগের স্টেশন থেকে আলম ট্রেনে উঠে বসে থাকবে। মাল তোলার জায়গা আসার আগেই সে ট্রেনের হাইড্রোলিক প্রেসারের ভালভ খুলে ব্রেক ফেলে দিবে, জায়গা মতো ট্রেন থেমে যাবে। ট্রেনের গার্ড, ড্রাইভার, পুলিশের সাথেও বন্দোবস্ত করা আছে। ওরা অযথা কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে সিগন্যাল পেলে ট্রেন টেনে চলে যাবে।

Friday, October 30, 2015

খাল পাড়



CSM COLONY তে কি কি আছে , চলো আজ আমরা সবাই মিলে স্বপ্নে দেখি ?স্বপ্ন দেখতে দেখতে যদি খাল পাড়ের পানিতে ভেসে যাই তবে তা হবে সবচেয়ে আনন্দের ।কারণ ষ্টিল মিল কলোনির খাল পাড় ছিল আমার সেরা পছন্দের স্হান ।কত সময় যে কাটিয়েছি এই খাল পাড়ে ।খালি ষ্টিল কলোনিতে একটা প্রেম কপালে জুটলো না ।নয়ত গদগদ করে আরো কত লেখা বাইর হইতো ।বাকী টা বাকীর খাতায় থাক ।

আমি খুব দুঃখিত যে এমন একটি পোস্ট দিচ্ছি



(আমি খুব দুঃখিত যে এমন একটি পোস্ট দিচ্ছি। এটি পুরোপুরি ব্যক্তিগত নয় আর কিছুটা পেজ সম্পর্কিত তাই এখানে দেয়া। ব্যাপারটা কয়েকজনের সাথে আমি ফোনে শেয়ার করেছি। আমি চাই এটা আমার কাছের কিছু মানুষ জানুক। ভাঙ্গা মন নিয়ে এটা লিখলাম।)

আজ এই পেজ কেন্দ্রিক সম্মিলনকে কেন্দ্র করে একটা স্টান্টবাজির শিকার হলাম আমি। ব্যাপারটাতে এতোটাই ছোটলোকামি ছিলো যে এখানে লেখা, এখানে আড্ডা দেয়া বা কোনকিছুতে অংশগ্রহন করার ইচ্ছেও চলে গেছে আমার। যে কারনে কয়েকজনকে কথা দিয়েও তারিক ভাইকে দেখতে যেতে পারিনি আজ।

আজকে CSM প্রশংসা দিবস পালন করলে খারাপ হয় না

- Mahabub Rasel


আজকে CSM প্রশংসা দিবস পালন করলে খারাপ হয় না

কারন অনেকেই অবজেকশন দিচ্ছে, আমরা নাকি একজন আরেকজনকে শুধু পচাই, বাঁশ দেই, ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি।

আজকে দেখি কে কার কত প্রশংসা করতে পারে !!!!

আগের দিনগুলোই বোধহয় ভাল ছিল, অনেক ভাল



আজ বিকেলে DMC তে যাওয়ার জন্য রেডী হচ্ছি অমনি আদৃতা আর আজানের (আমার পোলাপাইন) মা, তারিককে দেখতে যাওয়ার জন্য সাথে যেতে চাইলো। নিয়ে গেলাম সাথে করে। ওখানে আগে থেকেই রেজা ভাই, রফিক ভাই, মনির ভাই আর নমি ছিল, খালেদ ভাইতো সবসময়ই আছে। নমি ছেলেটাকে এই প্রথম দেখলাম। ভিশন স্মার্ট আর ভদ্র। চোখে চশমা পড়ে। কিছুক্ষন পর এলো স্টীভ জব এর আপেলের বোন শাহিদা। ওকে আগেই আপেল নাসেরদের ইফতারে দেখেছিলাম। এর মধ্যে তারেকের ব্যাপারে রেজা ভাইয়ের সাথে অনেক কথা হলো। তারেক কয়েকবার বমি করলো, খুব অসুস্থবোধ করছে। 

“ সিনেমা বিডম্বনা “



পকেটে কিছু টাকা জমা হয়েছে, সারাদিন ভাবছিলাম, কি করা যায় ? তার উপরে পকেট গরম থাকলে শান্তিতে থাকার পাবলিক আমি কখনো’ই ছিলাম না। নতুন কোন গানের ক্যাসেটও বের হয় নাই !!! মাথায় ভুত উঠলো সিনেমা দেখতে যাবো !!!!, কিন্তু কখনো একা যাই নাই আমি সিনেমা হলে। একা যাওয়া কি ঠিক হবে ? সাধারনত দল বেধে যেতাম আমরা সিনেমা দেখতে।
যাই হোক টাকা পয়সা হিসাব করে সিনেমা দেখার জন্য বাসে উঠে পড়লাম, উপহার সিনেমা হলে রুবেলের একটা সিনেমা চলছিলো, তখন ফাইটিং সিনেমার জন্য রুবেল মোটামুটি বিখ্যাত ছিলো বলা যায়। অনেক ভিড়, টিকেট কাটার জন্য লাইনে দাড়ালাম, হটাত দেখি মুকুল ভাই ( ভাই ভাই ষ্টোর ) টিকেটের লাইনে দাঁড়ানো !!!

একজন মানুষ মনে হয় শত জনম তপস্যা করলেও তার ভাগ্যে এমন ভাই/বোন/বন্ধু মিলবে কিনা সন্দেহ



ও রে ভাই তোরা আমাকে একটু দম নিতে দে। এ কয়দিন ঢাকা শহরের জামে আর জার্নিতে আমার অবস্থা এক্কেবারে ছেরা-ভেরা।বই নিয়া তোমরা আমার যে পোষ্ট-মর্টাম করলা। তাতে আমার এখন ছালা পিন্দা লুকায়ে থাকা দরকার। কনা (Shahnaz Kona)সহ বেশ কয়েকজন ইনবক্সে এমন হুমকী দেয়া শুরু করলো তাতে মনে হচ্ছিল—সামনে পেলে আমাকে আলু ভর্তা করে ফেলবে।কী করবো আমার কাছে বই ছিল তিনটা।তিন বই দিছি চারজনকে(আতিকের সাথে জাবেদের নামও ঢুকায়ে দিছি—-এ জন্য জাবেদ যে আমাকে কী করে কে জানে)যাক এ সব……..

শিরোনামহীন গল্প



ভার্সিটিতে আমার খুব ভালো ফ্রেন্ড নাম কাইয়ুম। আমরা সব ফ্রেন্ডরা সবার বাসায় গিয়ে কত ভাবে মজা করি লাঞ্চ করি গ্রুপ স্ট্যাডি করি কিন্তু কাইয়ুম কোন দিন তার বাসায় নেয়নি। একবার কথার ছলে বলে ফেললাম।কাইয়ুম কথা ঘুরিয়ে বলে চল তোরে চা খাওয়াই ক্যান্টিনে।কোন ভাবেই সে রাজি হয়না। কাইয়ুম বোন আছে কিন্তু সে তো বাড়িতে থাকে তাহলে কি প্রব্লেম আমাদের নিতে ?যাই হোক নিজ থেকে না যেতে বললে কি করে যাই? এইভাবে দিন শেষ হয় বছর যায়। রেজাল্ট এর সময় ঘনিয়ে এলো । এখন তো রেগুলার আর দেখা হবে না। ফাইনাল রেজাল্ট এর দিন ফ্রেন্ড রা কেন যে জড়ায় ধরে কান্না করছিল এইটা এখন বুঝি। ইচ্ছে করলেই এখন শামিমের কাছে যেতে পারি না কাইয়ুম তো থাকে আরো দূরে,বিপ্লব তো ভুলেই গিয়েছে, শাহিন ও ব্যস্ত। রেজাল্ট এর পর হঠাত করে কাইয়ুম আমাকে এক রকম টেনে তার বাসায় নিয়ে গেলো।কি ছিমছাম গোছানো ঘর। একটা বালিও নেই।সব কিছু কে যেনো পোর্টেট করা। হুট করে একটা ১৩/১৪ বছরের একটা ছেলে এলো? কেমন জানি লাগলো ?

Thursday, October 29, 2015

টলি ভাই



গতকাল সন্ধ্যায় তারিক কে দেখার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আশা ছিলো সেখানে টলি ভাইয়ের সাথে দেখা হবে এবং দেখা হলে সেটা হত উনার সাথে আমার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। কিন্তু ওখানে গিয়ে শুনলাম উনি দুপুরে এসেছিলেন এবং উনার লেখা একটি বই আমার জন্য রেখে গিয়েছেন। বই রেখে যাওয়ার ব্যাপারটি ছিলো আমার জন্য খুবই সারপ্রাইজের। কয়েকজন বড় লেখকের অটোগ্রাফ সহ কিছু বই আমার সংগ্রহে আছে, তা স্বত্তেও টলি ভাইয়ের দেয়া উনার এ বইটি আমার কাছে স্পেশাল।

আমার এত কিছু বলার কারন হচ্ছে ফেসবুকে আমার লেখালেখির শুরুর উতসাহ পেয়েছি টলি ভাইয়ের কাছ থেকে ও ফেসবুকে উনার বিভিন্ন লেখাগুলো পড়ে।

Thanks. Moin Khan টলি ভাই। I m grateful to u.

আমার ভাগ্য সব সময় আমার বিরুদ্ধে সুপ্রসন্ন



আমার ভাগ্য সব সময় আমার বিরুদ্ধে সুপ্রসন্ন। আমি উত্তরে গেলে সে যায় দক্ষিনে আর আমি দক্ষিনে গেলে সে যায় উত্তরে। যে কারনেই হোক ভাগ্য বেচারা (আসল “বেচারা” তো আমি) আমার সাথে চলতে মোটেই পছন্দ করে না। বিভিন্ন জায়গায় আমার সরাসরি “কট” খাওয়ার পিছনেও আনেকটাই এই ভাগ্যেরই অবদান (নিজের দোষ ঢাকার চেষ্টা না)। যেমন আমার সব বন্ধু আমাকে অত্যন্ত ভদ্র ও ভালো ছেলে বলেই জানে। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু করে ফেলি বা করে ফেলতে যাই যা অন্তত আমাকে মানায় না বলে তারা মনে করে।

Wednesday, October 28, 2015

বাহাত্তর চুম্বন



(২০১৩ সালের ১১ জুন বগুড়ার একটি পার্ক থেকে বাহাত্তর জোড়া প্রেমিক প্রেমিকাকে স্থানীয় থানার পুলিশ আটক করে এবং অন্যায়ভাবে বাহাত্তরটি মুচলেকায় স্বাক্ষর নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। পরদিন এর প্রতিবাদে একটি কবিতা লিখেছিলাম। যদিও কবিতা দিয়ে কিছু হয়না তবু স্বান্তনা পেয়েছিলাম যে আমি একটি অন্যায় আচরনের প্রতিবাদ করেছি। কবিতাটি একটু ঔদ্ধত্যপূর্ণ। কারো কাছে আপত্তিকর মনে হলে জানাবেন, আমি তুলে নিবো।)
----------------------------------------------------------

বাহাত্তর চুম্বন
------------

আমি বাহাত্তর বার চুম্বন করব
বিপুল জনারণ্যে।
পারলে তুমি ১৪৪ ধারা দাও
চুম্বন থামাতে।

সবার স্বার্থহীন ভালোবাসা অটুট থাকুক



csm এর ষ্টীলার ভাই ও বোনেরা,আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিন্দন সকলের জন্য।এক সময় আমরা যারা csm colony তে বসবাস করতাম আজ যেন বসার মনের রাজ্যে csm Colony বসবাস করছে।কি দারুণ csm colony সাথে ভালোবাসার আদান-প্রদান,ধন্য csm colony ধন্য csm colony বসবাসকারি।আমি বিশ্বাস করি সবকিছুর শেষ আছে,তবে আমাদের পরস্পর এর ভালোবাসায় যে csm colony সৃষ্টি হয়েছে তার শেষ নিয়ে আমার মন প্রশ্ন বিদ্ধ।কারণ,এখানে নিস্বার্থ ভাবে পরস্পরের আন্তরিকতা আমাকে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে।আজ মনের রাজ্যে নতুন csm colony সৃষ্টি স্বার্থপর এই দুনিয়ায় এটা বিরল।
এই স্বার্থহীন ভালোবাসায় csm group কোন দিন ধ্বংস হবার নয়।
সবার স্বার্থহীন ভালোবাসা অটুট থাকুক.....
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

আমার সুমনা হক



আজকে চান্দু আর টিংকু মিলে আমার মন উদাস করে দিলো। সুমনা হকের কথা মনে করিয়ে দিলো আমাকে। সুমনা হক যে আসলে কে সেটা হয়তো আমিও জানিনা। হয়তো সেই গান গাওয়া পাখি অথবা অন্য কেউ। এসব নিয়ে চলতিপত্র নামে একটা পত্রিকায় একটু লিখেছিলাম ১৯৯৭ সালে। ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৭। লেখাটা মানের দিক থেকে মূল্যহীন তবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব কিছুটা হলেও আছে। আর আমার আবেগের পুরো ষোলআনা তো আছেই। দিলাম লেখাটা।
-----------------------------------------------------------

আমার সুমনা হক
-----------------

পিঁপড়ের পাখা গজালে নাকি আগুনে পড়ে, তেমনি ছেলেদের গোঁফ গজালে প্রেমে পড়ে।

Tuesday, October 27, 2015

“ প্রেমে বান্দরের উৎপাত “



আমাদের প্রধান কাজ ছিলো বাঁদরামি করা তাই বাঁদরামির কোন সুযোগ সহজে হাত ছাড়া করতাম না। বাঁদরামি ছাড়া জীবনটা’ই পানসে মনে হত !!! কলোনির জনৈক প্রেমিক যুগলও আমাদের বাঁদরামির হাত থেকে রেহাই পায় নাই !!!

একদিন সন্ধার সময় কলোনির মেইন রাস্তায় হাটা-হাটি করছিলাম। দুই বড় ভাই আমার অপজিট দিক থেকে হেটে হেটে আসছেন, তাদেরকে অতিক্রম করে একটু সামনে গিয়েছি, এমন সময় কানে এলো, একজন এহেম...এহেম... করে ২/৩ বার কাশি দেবার মত সাউন্ড করলেন। কাশি রিয়েল হলে তো বুঝা যায়, এইটা কেমন কাশি !!! আমি পিছনে ফিরে তাদেরকে একনজর দেখে আবার হাটা শুরু করলাম, ব্যাপারটা তেমন আমলে নিলাম না।

আজিজ আর Robin Shafiul রবিনের কথোপকথন



আমাদের ব্যাচের আব্দুল আজিজের নতুন চাকরি হয়েছে, ২/৩ মাস কোন দেখা নেই, একদিন আমরা সবাই আড্ডা দিচ্ছিলাম, তখন আমাদেরকে সুখবরটা শুনানোর জন্য আজিজ হাজীর, তখন আজিজ আর Robin Shafiul রবিনের কথোপকথন,

রবিন...........: কিরে আজিজ কোথায় থাকস, দেখা যায় না কেন?

আজিজ.......: দোস্ত আমার চাকরি হইছে

চাকরিতে জয়েন করছি তাই আসতে পারি নাই।

শ্রদ্ধেয় মরহুম ইউনুস স্যার



শ্রদ্ধেয় মরহুম ইউনুস স্যারের প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে লিখছি,
আমি, বদরূল, রিমান সহ আরো কয়েকজন স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তাম। ওখানে পড়ার চেয়ে দুষ্টামী করতাম বেশী (সব বান্দর এক সাথে হলে যা হয় আরকি)। স্যার দু লাইনের একটা কবিতা লিখেছিলেন:

”তুমি ক্ষনে ক্ষনে, মৌ বাতায়নে
দোলা দিয়ে যাও মনে-----””

স্যার বদরুল কে অনেকবার বলেছিলেন লাইন দুটিতে সুর তুলে দেয়ার জন্য, বদরুল দিবো দিবো করে আর দেয়নি।
আল্লাহ স্যারকে বেহেশতবাসী করুন।

সব কটা একেকজন রত্ন



আল্লাহ চাইলে কাল তারিক শিফট করবে। খুব মিস করব প্রথমদিন দলবেধে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে চা,পান খাওয়া (আরিফ আমাকে পান কিনে দিয়েছিল),এরপর রফিক আসলে পরে সব মিলে স্টারে চা পরটা খেতে যাওয়া,নাজমুল ভাইদের স্টেশনে ড্রপ করা,অনেকের সাথে দেখা হওয়া, রুমে গলা ফাটিয়ে চিতকার করে কথা বলা আর মাঝেমাঝেই attendant দের ঝাড়ি খাওয়া যে আস্তে কথা বলেন। 

Monday, October 26, 2015

আড্ডা ২



পপুলার ডায়গনেষ্টিক সেন্টারে ৬৬০ নাম্বার কেবিনে ষ্টিল মিল কলোনি জন্মেছে , সকালেই রাসেল এস এম এস করে জানালো । ভার্চুয়ালি দেখতে গেলাম তারেক ভাইয়া কে। উনি আমাকে দেখেই হেসে দিলেন । আমি হাসির পাত্র হয়ে যাচ্ছি সবাই আমারে দেখলেই হাসে কেন বুঝতে পারছি না তারেক ভাইয়ার কাছে যেতেই জইন্না এসে বিকট চিৎকার করে উঠলো। নমি ভাইইইইইইইইইইইইইইইই। আরে ভাই রোগি তো আমি না , আমারে চিৎকার করে ডাকার কি হলো ?
আরে তারেক ভাই সুস্থ হয়ে উঠতে শুরু করেছে ষ্টিলাররা বেশি দিন অসুস্থ থাকতে পারে না। জসিম ভাই আসলো ? উনি এসেই শুরু করলো কিরে জইন্যা মরবি কবে ? 

Sunday, October 25, 2015

ভালোবাসা



এক সময় জসিম ভাই আমার টিচার ছিলেন (এখনো জসিম ভাই কে টিচার /গাইড /বড় ভাই মনে করি) অবশ্য সেই কথা আমার নিজেরই তেমন একটা মনে নাই

জসিম ভাই যখন বেচে ছিল ( বিয়ের পরের জীবন ছেলেদের জন্য অনেকটাই মৃত মানুষের মতোই ) তখন কোন এক সময় আমাকে একটা ছেড়া ডায়েরি দিয়ে যান। কাকতালীয় ভাবে সেই ডায়েরি তে লিখা কবিতা গুলোর সাথে আমার জাবেদ ভাই এর লিখা কবিতার অদ্ভুত মিল পেয়ে যাচ্ছি। আজ জাবেদ ভাই & জসিম ভাইয়ার ডায়েরি থেকে নেয়া কবিতা গুলো সবার সাথে শেয়ার করছি ।

“আমি সুস্থ / অসুস্থ / তার ছিড়া !!!!”

- Mahabub Rasel


তারেক ভাইয়ের ম্যাডিকেলের ছবি দেখতে দেখতে এখন এমন অবস্থা হয়ে গেছে, মনে হচ্ছে এইটা আসলে কোন ম্যাডিকেলের ক্যাবিন না, এইটা একটা আড্ডা কক্ষ, সবাই একজন বিশিষ্ট ব্যাক্তির সাথে দেখা করে করে ধন্য হচ্ছেন, তার সাথে দেখা না করলে মান সন্মান আর থাকছে না !!! হা হা হা
আমি সিওর, তারেক ভাই নিজেও ব্যাপারটা দারুন উপভোগ করছেন।

এই বিষয়ের উপরে আমাদের এক ফ্রেন্ডের কথা মনে পড়ে গেলো। গায়ের রঙ বাদামী, বেটে করে, সামগ্রিক ভাবে দেখতে অনেকটা গোলাকার, কলোনিতে হাতে গোনা কয়েকজন বান্দরের মধ্যে সে উল্লেখযোগ্য। তার আচরন, চলাফেরা, ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি কর্মকান্ডে তার বাবা অস্থির। কোন ভাবেই তাকে বাগে আনা যাচ্ছে না!!! তার সাথে থাকলে তার বাবা মনে করেন আমাদের সাথে থেকে হয়তোবা সে এমন হয়ে যাচ্ছে, আসলে সত্যি কথা বলতে কি তার কর্মকান্ডের কোন কিছু’ই আমাদের সাথে হত না, কারন আমাদের দুষ্টামীর একটা গন্ডী ছিলো, সীমা কখনো’ই অতিক্রম করতাম না। আসলে সে যে আমাদের চেয়েও কয়েক ডিগ্রি উপরের বান্দর ছিলো এইটা তার বাবা সম্ভবত অনুধাবন করতে পারেন নাই। অবশেষে আমরা সবাই তাকে আমাদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চেষ্টা করলাম, কোন কাজেই তাকে আর ডাকি না, এমনকি খেলাধুলাতেও না । কি দরকার শুধু শুধু কিছু না করেও তার বাবার চোখে খারাপ হবার। কিন্তু তার চোখতো আর ফাকি দেওয়া যায় না, কিভাবে যেন খুঁজে ঠিক’ই আমাদেরকে বের করে ফেলতো !!!

তোমরা সবাই কেমন আছ?

- Farzana Akhter


আজ একসাথে অনেক গুলো post পড়ে, এটাই বুঝেছি, আমি অনেক পিছিয়ে আছি....
I was feeling restless...কোনটা রেখে কোনটা পড়বো....
এই ভেবে অনেক ভালোলাগায় মন ভরে গেলো যে এই আসর এবার জমে উঠেছে.....

আমাকে তোমাদের সাথে রেখো কিন্তু... সময় বের করে কিছু লিখে post করবো এই page এ..তা আর হয়ে ওঠে না...

কিন্তু কাজের ফাঁকে আর মেয়েকে স্কুল থেকে pick করার আগে , যখন ই সুযোগ পাই, CSM এর page এ ছবি আর staus এ চোখ বুলিয়ে 'like' দিতে ভুলে যাই না...

ক্ষমা করো আমায় সিএসএম



নিজেকে খুব অসহায় আর ছোট মনে হচ্ছে, দু দুটি ভাই অসুস্থ হয়ে ঢাকা শহরের দুটি হাসপাতালে, আমি যেতে পারছিনা প্রতিদিন। বড় ভাইদের কথা বাদ দিলাম, ছোট ছোট ভাইয়েরা প্রতিদিন সকাল বিকাল এ হাসপাতাল খেকে ওই হাসপাতাল ছুটাছুটি করছে। নিরু ভাই আমার বাসার কাছের হাসপাতালে ভর্তি অথচ এখনো সেখানে যেতে পারিনি। তারিকের ওখানে যাই দু এক দিন পরপর মেহমানের মত করে , সময় নিয়ে থাকতেও পারিনা। আসলে জীবন, জীবিকা আর সংসারের কাছে একেবারে আষ্ঠেপৃষ্ঠে বাঁধা পরে গেছি।
ক্ষমা করো আমায় সিএসএম।

Saturday, October 24, 2015

প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই



প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই আকুপাকু করে মন কখন তারিকের কাছে যাব,ওর সাথে কথা বলব। কিছু নতুনমুখ দেখি প্রতিদিন,ওটাও একটা আগ্রহ। আমি চলে গেলে ত মেয়েরা স্বাধিন দেশের মহা স্বাধিন হয়ে যায় পড়া বাদ দিয়ে।হাসপাতাল থেকে ফোন আসতে থাকে যাব কিনা। তাই মোটামুটি গুছিয়ে চলে যাই। সব একসাথে থাকলে তারেকের যেন ঈদ লেগে যায়। মুখে যেন খই ফোটে। হাসাহাসি তে মুখটা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। তারেকটার জন্য একটা মায়া জন্মে গেছে। আগে দেখিনি কোনোদিন এই ছেলেটাকে তা মনেই হয় না। ভাই বোন মনে হয় এমনি। সবারি এমন লাগে জানি। আল্লাহ আমাদের সবার তারেকের প্রতি ভালবাসার প্রতিদান দিন এই দোয়া চাই। ফি আমানিল্লাহ।

হ্যাটস অফ টু সিএসএম কলোনি



আমার ছোটবেলা কিশোরবেলা টা এত রঙ্গিন এত আনন্দদায়ক ছিল যে পরবর্তীতে কলোনি থেকে চলে যাওয়ার পর বাস্তবতার সাথে তাল মেলাতে গিয়ে বার বার হোঁচট খেয়েছি।এই কারনেই কলেজের শেষ সময়টাতে গিয়ে মাত্র দুইজনের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে।আর সেই বন্ধুত্ব আজো অটুট।। একা একা কি দুর্বিষহ দিন যে আমি কাটিয়েছি কলেজে।কলোনির সব বন্ধুরা সিটি কলেজ,চট্টগ্রাম কলেজ বা মহসিন কলেজে।আমি একা কমার্স কলেজে।আজো চলতে ফিরতে অনেকের সাথেই আমার ঘনিষ্ঠতা হয় কিন্তু বন্ধুত্ব সহজে হয়না।আমার ইচ্ছাও করেনা খুব একটা।

আহা সেই দিনগুলি.....


শিপনের আম্মা আমাকে অনেক পছন্দ করতেন। C-3 তে থাকতে ওদের বাসার পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকে সামনের দরজা দিয়ে বের হতাম। তিন জেনারেশনের তিন ভাইয়ের সাথেই আমার গলাগলি ছিল। আমরা হালিশহর আসার পরও চাচী সবাইকে নিয়ে আমাদের বাসায় আসছিলেন। ডালিমের একটা কথা খুব মনে পরে। ডালিম বাথরুমের জানালার উপর যে সানশেড ছিল তাতে দাড়িয়ে " বাঁচকে রেহনা রে বাবা বাঁচকে রেহনা রে...." গানটা নাচতে নাচতে গাইত। আর আমি পাশের সানশেডের উপর নাচতাম। 

ছাত্র হিসেবে কখনোই ভাল ছিলামনা



ছাত্র হিসেবে কখনোই ভাল ছিলামনা। এস.এস.সি পাস করার পর ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সিটি কলেজে ভর্তি হতে পারলামনা। বাবার ইচ্ছায়, মনের বিরদ্ধে শাহীন কলেজে ভর্তি হতে হবে। শাহীন কলেজের বাঁধাধরা নিয়ম আমার পছন্দ ছিলনা। বন্ধু হিসেবে স্টীল মিল থেকে পেলাম স্কুলে পড়াকালীন সময়ে যাকে অপছন্দ করতাম সেই নিরুকে। দুজনে সাইকেল চালিয়ে কলেজে যেতাম। আমার সব বন্ধুরা উত্তর দিকে যেতো, আমরা দু’জন দক্ষিণে। আস্তে আস্তে নিরুর সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করল। আমাদের ক্লাসের ৩০ জন স্টুডেন্ট-দের মধ্যে নিরু কিছুটা ব্যতিক্রমী গুনের অধিকারী ছিল। ও আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শাহীন কলেজের অধিনায়ক ছিল। 

কোরবান ভাই



আজ Shajib Kumer Dey দা'র পোস্টে কোরবান ভাই এর ছবি দেখে কিছুটা নস্টালজিক হয়ে পড়লাম। কিছু একটা লিখতে ইচ্ছা হল কিন্তু লিখতে পারলাম না তাই ২০১৪ এর বিশ্বকাপ ফুটবলের সময়ের একটি লেখা দিয়ে দিলাম। লেখাটিতে অল্প হলেও কোরবান ভাই এর প্রসঙ্গ আছে।
-----------------------------------------------------------------

চারদিকে ফুটবলের ঝড় শুরু হয়ে গেছে। পতাকাওয়ালার কাঁধে, বাড়ির ছাদে, গাড়ির বনেটে এরই মধ্যে পতাকা লেগে গেছে। বুঝাই যাচ্ছে আগামী কিছুদিন ক্রিকেট নির্বাসিত হবে। অথচ মনে পড়ে আমার ছোটবেলায় ফুটবলই ছিল খেলার রাজা। সেকি উন্মাদনা ছিল ফুটবল নিয়ে। তখন স্পেনিশ লীগ, ইতালিয়ান লীগ নিয়ে খোঁজ নেয়ার উপায় ছিলনা। মানুষ দেশের প্রিমিয়ার লীগের আবাহনী মোহামেডানের খেলা দেখেই মহাখুশি। আসলাম কতদূর থেকে হেড দিয়ে গোল করেছে এটা নিয়ে আলোচনার অন্ত ছিলনা ছেলে বুড়োর। আবাহনী মোহামেডানের খেলাতে মারামারি ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। 

ইদানিং সবার হইছে কি



ইদানিং সবার হইছে কি !! এক এক জনে এমন এমন ষ্টাটাস দিচ্ছে---পড়ার পর বুক ফাইট্ট্যা—চোউখ ভাইঙ্গা কান্দা আসে।আইজ দেখলাম রেজাও এ দলে যোগ দিয়ে ইংরেজিতে দু:খের প্যরাগ্রাফ লিখে দিছে।আবেগে সবার অবস্থা ছেরাভেরা।
ঐ এখন কী ইমোশনাল হওয়ার সময় ??আমাদের প্রথম টারগেট তারিকের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সেটা আল্লাহর রহমতে প্রথম ধাপেরটুকু হয়েছে। এতো বড় একটা সাফল্য সিএসএম কলোনীর ভাই/বোনেরা মিলেমিশে করে ফললো কোথায় সবাই একটু হাসবে তা না করে এক একজন কান্দাকাটি-রান্দাবাড়ি করে নতুন /পুরানা কী সব নিয়া ইমোশন খাই বসি রইছে !!!! এখন থেকে যে ইমোশনাল পোষ্ট দিবে তার পিছনে আফ্রিকান তিমি লাগায়া দিমু………………….

আমাদের নিরু ভাই



আবার সকলের জন্য পোষ্ট করলাম:

মিটিং এ আমার আসার কথা ছিলো সবার শেষে, কিনতু আমি এসে দেখি কেহ নাই। কি আর করা চিন্তা করলাম টাকা খরচ না করে সময় যখন পেলাম গাড়ীটা ঝাড়মুচ করি। ঝাড়মুছের জন্য যখন সকল হাতিয়ার নিয়ে রেডি তখনি দেখলাম এককালের আমাদের নায়ক, আমাদের আইডল বড় ভাই সময়ের কাছে অসহায় নিষপ্রান দেহটাকে ঠেলতে ঠেলতে আমার দিকে এগিয়ে নিয়ে আসছে। আমাদের নিরু ভাই। কি দুদ্রান্ত প্রতাপ ছিলো ওনার। পলিটিকস করতেন, আমারা মারবেল খেলার সময় ওনাকে দেখলে নিমিষে ওধাও হয়ে যেতাম। যথেষ্ট হেন্ডসাম ছিলেন, আর আজকে তার শরীরে পাচটি ব্লক।

আড্ডা



সেই দুপুর দুইটাতে বাসা থেকে বেড় হলাম। বুবুর সাথে দেখা হবে একটু বেশি এক্সাইটেড ছিলাম। আতিক ভাই ফোন করল।
কিরে হারামজাদা আজ কে যদি অফিসের দোহাই দেস তোরে কইলাম ঢাকা শহর থেকে বাহির কইরা দিমু। তোরে ঢাকা থেকে বাহির করে দিলে চিটাগাং এর সবাই কাইট্টালাইবো ?
জ্বি ভাইয়া , আমি অলরেডি বাসা থেকে বেড় হয়ে গেছি?
এত তাড়াতাড়ি বাহির হইছোস কেন ? নাকি ঘর থেকে বেড় করে দিছে ?আরে হারামজাদা এত তাড়াতাড়ি বেড় হইছিস তোরে লাঞ্চ করাইবো কে ? মাগনা পাইলে তোরা আবার আলকাতরাও চাবাইয়া খাস ?
ভাই আমি ভেজিটেরিয়ান
বাচাইলি, তোর ভাবিরে কমু কিছু ঘাস কাইটা আনতে ?
ঘাস দিয়ে স্যান্ডউইচ বানায় আনতে বইলেন

Friday, October 23, 2015

আমি,আপেল আর নাসের



আজ গিয়েছিলাম তারিকের ওখানে। আজো কিছু নতুনমুখ দেখলাম। সামির আব্বা আম্মা এসেছিলেন আজ। খুব ভাল লাগলো বাবা মা পর্যায়ের মানুষ জন দেখে। দেখা হল শুভ আর তার বউয়ের সাথে,এসেছিল ম্যাথিউ,কাজি(বিয়ে পড়ায় না),মনির আর যথারীতি রফিক,জাবেদ,আপেল আর নাসের। প্রায় নয়টা অব্দি ছিলাম। খুব ভাল লাগলো। আজ গাড়ি ছিল না সাথে,একবার ভেবেছিলাম যাবোনা। কিন্তু আমার একটা মেডিসিন শেষ হয়ে গেছে যা পাওয়া যায় শুধুমাত্র আনোয়ার খানে। যেতেই হবে ওদিকে তাই ভাবলাম তারিকের কাছে বসবো পরে মেডিসিন কিনে ফিরবো।তারিকের ওখান থেকে সবশেষে বের হলাম আমি,আপেল আর নাসের। 

Grand Get Together (ছোট ভাই হিসেবে কিছু কথা বলি, যদি কিছু মনে না করেন)



আমি ছোট ভাই হিসেবে কিছু কথা বলি, যদি কিছু মনে না করেন,

১) আমাদের বহু আকাঙ্খিত Grand Get Together কলোনির মধ্যে কি করা সম্ভব কিনা তা স্ব-শরীরে গিয়ে বড় ভাইরা যদি খবর নেন, তাহলে সবার মধ্য থেকে কনফিউশনটা দূর হবে, কারন অনেকে কলোনিতে হলে ভালো হয় বলে মতামত দিচ্ছে। আসল সিটিউশন সবার জানা থাকলে কারো মধ্যে আর দোমনা থাকবে না। ( যদিও আমারও সন্দেহ আছে, কলোনিতে সুন্দর করে আয়োজন করা যাবে কিনা? কারন কলোনির কোন কিছুই এখন আমাদের কারো হাতে নেই, সেই পরিবেশও নেই)

২) কলোনিতে যদি করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে আমরা বিকল্প ভালো জায়গায় আমাদের Grand Get Together এর আয়োজন করবো, সে ক্ষেত্রে আমরা Grand Get Together এর এক ফাকে, সবাই মিলে দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে, বর্তমান KEPZ কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কলোনি সফরে যাব। ৩/৪ ঘন্টা সময় কাটাবো একসাথে, আড্ডা দিব। এ ছাড়াও যেখানেই যাই না কেন, সে জন্য অবশ্য গাড়ীর ব্যাবস্থা থাকবে।

(ফায়ার) ওভেন=(হ্যান্ড) ফ্রেস এর আড্ডার কিছু অংশ—



(ফায়ার) ওভেন=(হ্যান্ড) ফ্রেস এর আড্ডার কিছু অংশ—

জাম্বুরা ম্যানঃ এরে কফিক,আরে তো দুপুরে কেউ মুখে তুলি খাবার দেয় নো, খিদায় নাড়িভুরি হজম হই যাইয়ের। হেতারা তো এখোনো কিছু খাইতে দেয়নো,আইতো হুদা মুখে বইসা আছি। এরই বুজান টিনের চালে জামবুরা জিগা ঢেল মাইরছিলাম,হিগা লগে করি আইনছেননি,থাকইলে দেন হিগা চিবাই।
কফিকঃ ক্যাম সারইছে্,‌ম্যানি ব্যাগ তো ভুলে ফেলি আইছি।আপা, থালা বাসন ম্যাইজবার অভ্যাস আছেনি,টিয়া পুইসা দিতে না পাইরলে হেতারা আঙ্গো দি থালা বাসন মাজাইবো...
ক্যাইল্যাঃ ভাগ্য ভাল,আর জামাই এর– বাসায় থালা বাসন মাইজবার প্রাক্টিস আছে,আর কোনো চিন্তা নাই।ফুটু তুইলবার সময় আই ভাবিরর হাতের দিকে রেণী রইছি- অম্মা- থালা বাসন মাজি হেতের পেইছ এর থেকে হাতকে পকপকা দিয়া যায়।

ভাবছিলাম এগুলো কখনও লিখবোনা



ভাবছিলাম এগুলো কখনও লিখবোনা, কিন্তু মনের দু:খে, কষ্টে, হতাশায়,রাগে লিখছি। আমাদের এ গ্রুপে প্রায় সাড়ে পাচশ মেম্বার। তার মধ্যে প্রায় ৪০/৫০ জন নূন্যতম লাইকের মাধ্যমে হলেও এক্টিভ থাকে। বেশিরভাগ ই চুপচাপ। তাতেও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু সমস্যা হয়, যখন দেখি আমাদের কলোনির অনেকে এখন বিত্তশালী হয়ে উঠেছে, তাদের টাইম লাইনে নতুন গাড়ির ছবি পোষ্ট করে, বিত্তশালী বন্ধু বান্ধবিদের নিয়ে উদ্ভট ভংগীমায় সেল্ফি দেয়, ঢাকায় দু তিনটি ফ্লাটের মালিক। তারা আবার এ গ্রুপের মেম্বার, কিন্তু ভারচুয়াল বা প্রাক্টিকাল কোন এক্টিভিটি নেই। কলোনি তে কে কিভাবে চলেছে কিছুই ভুলি নাই। আমি তাদের কাছে কোন আর্থিক বা মানসিক সাহায্য চাইনা। শুধু তারা যেন শিকড় না ভুলে।

আল্লাহর রহমতে আমাদের এক্টিভ ভাই বোনদের সহায়তায় ই আমরা এখন অনেক স্বয়ংসম্পূর্ণ। জাস্ট এই সব বড় বড় লোক দের মন মানসিকতা উল্লেখ করলাম। কাউকে কোন ব্যাক্তিগত আঘাত দেওয়ার জন্য নয়।

আমি কিছু কথা শেয়ার করলাম সকলের মতামতকে অত্যন্ত শ্রদ্দার সহিত সামনে রেখে



আসসালামুআলাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি কিছু কথা শেয়ার করলাম সকলের মতামতকে অত্যন্ত শ্রদ্দার সহিত সামনে রেখে। আশা করি আমার কথা গুলুর মিনিং পজিটিভলি নিবেন। আমরা এখানে যারা আছি আমরা সবাই স্বয়ং সম্পূর্ণ। তাই আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এই পেজ টাও স্বয়ং সম্পূর্ণ আনন্দে, আহ্লাদে। আমি মনে করি একটা দেশ চালাতে যেমন সকলের সরাসরি অংশ গ্রহন করা লাগে না তেমনি আমাদের পেজ টাও। বর্তমান সময়টাতে আমাদের পেজ এ খুবই সুবাতাস বহিতেছে সো যেভাবে যাচ্ছে যাইতে দেন। আমরা সবাই এখন সব limition পিছনে ফেলে Grand get together এর চিন্তায় খোস মেজাজে আছি...। ইভেন আমি নিজেও চিন্তায় আছি কিভাবে আমার অংশগ্রহন নিশ্চিত করা যায়, যদিও অনেক অনিচ্ছিত ব্যাপারটা। তাই আমার আকুল আবেদন থাকবে ছোট বড় সকলের কাছে কোন পোস্ট দেয়ার আগে একটু চিন্তা করা দরকার, অন্যদের motive যেন বিঘ্নিত না হয়। আশা করি সকলে বুজবেন ব্যাপারটা। ধন্যবাদ। Anisur Rahman

তারিকের latest update বলা



প্রতিদিন মেডিকেল থেকে ফিরে আমার প্রাত্যহিক রুটিন হচ্ছে বাবা-মা'র সামনে বসে ১০/১৫ মিনিট সময় নিয়ে তারিকের latest update বলা। অনেকদিন ধরেই মেডিকেলে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে থাকা বাবা মাকে আজ বাধ্য হয়েই মেডিকেলে নিয়ে গেলাম।

তারিককে এই অবস্থায় দেখে দুজনেই ভিশন অবাক হলো (যদিও আগে কখনও ওকে দেখেনি)। আর এতোজন ছেলে মেয়ে তুল্য ষ্টীলারদের এক সাথে দেখে অবাক এবং খুশীর পরিমানটা যেন আরো বেড়ে গেল। ফিরে আসার সময় বাধ্য হয়েই সবাইকে (রফিক ভাই, মনির ভাই, বাবু ভাই, বড়াপা, ম্যাথিউ, কাজী, শুভ ও শুভ'র বৌ, জাবেদ, আপেল, নাছের) বাবার উপদেশাবলী গিলতে হলো, ধন্যবাদ জানাল পুরো CSM টিমকে তারিকের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য আর মা তার স্মৃতির ভান্ডার থেকে সবার উদ্দেশ্যে ফেলে আসা স্টীল মিলের সেইসব দিনগুলোর মোড়ক উন্মোচন করলো।

একই এলাকার দুই ভাই



উৎসর্গ:-আতিকcsm//একই এলাকার দুই ভাই।।একই স্কুলে লেখা-পড়া করেছিল।।সিনিয়র ভাই/93ব্যাচ,,জুনিয়র ভাই/96ব্যাচ।।ভাগ্য ক্রমে দুই ভাইয়েরই সেনাবাহিনীতে চাকরি হয়।।যোগ্যতার বলে সিনিয়রের চাকরি হয় সাধারণ সৈনিকে আর জুনিয়রের চাকরি হয় কমিশনার হিসেবে।।তো দীর্ঘ অনেক বছর পর হঠাৎ দুই ভাইয়ের মাঝে দেখা।।সিনিয়র ভাই জুনিয়র ভাইকে দেখে এতটাই আবেগে আপ্লুত হয়ে ছিল যে,,ডিপার্টমেন্টের রুল রেগুলেশন ভূলে গিয়ে জুনিয়র ভাইকে বললো,,তুই কেমন আছোছ।।তখন জুনিয়র ভাইয়ের পাশে থাকা বডিগার্ড এবং ড্রাইভার তাজ্জব হয়ে তাকে বেয়াদব বলে আখ্যায়িত করে এবং তাকে সরাতে এগিয়ে আসে।।ঠিক তখন জুনিয়র ভাই,,তাঁর দেহরক্ষী দের পথে বাধা দেয়।।জুনিয়র ভাই তখন সিনিয়রের প্রতি সম্মান জানিয়ে,সিনিয়রের আবেগের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে বুকে টেনে নিল এবং দেহরক্ষীদের অতীতের পুরো ঘটনা খুলে বললো।।

" কলোনি ও ড্রেন"



"কিগো আন্নেরা বেকে মিলি একলগে কোনাই গেছেন ?"

আজকে একটা ঐতিহাসিক ছবির পোষ্ট-মটেম করবো আমরা, ছবিটির বিষয় বস্তু হল , " কলোনি ও ড্রেন"

এই ঐতিহাসিক ছবিটির মধ্যে সবাই আমাদের কলোনির কয়েকজন সুদর্শন বালককে দেখতে পাচ্ছি, তারা ছবি তোলার জন্য অনেক প্রিপারেশন নিয়ে এসেছিলেন, তা তাদের পায়ে জাম্প কেডস/ পেগাসাস/ পাওয়ার কেডস দেখে, আর পরনে সবচেয়ে প্রিয় পোষাকটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে। তার উপরে তখনতো আর মোবাইলে ছবি তোলা হত না, রিল (নেগেটিভ) সিস্টেম ক্যামেরা ছিলো, ছবি তুলতে হলে অনেক আয়োজন করতে হত, কারন এক রিলে সর্বোচ্চ ৩৬ টা ছবি তোলা যেত, তাই প্রতিটা ক্লিক'ই ছিলো মুল্যবান।

চাইব একটু আদর ভালোবাসা আন্তরিকতা



সকালে যখন আজকের দিনের প্রথম পোষ্টটি দিচ্ছিলাম তখন বউ বলল, েকেনো আমি মানুষকে খোটা দিয়ে লিখছি, কেনো মানুষের সাথে শত্রুতা সৃষ্টি করছি। তারে আমি কি করে বুঝাই এটা কাউকে আঘাত বা শত্রুতার জন্য নয়, এটা পুরো সিএসএম এর আবেগ। তবে আমি শুধু েনেতিবাচক দিক টিই দেখিয়েছি, এখানে আমাদের ইতিবাচক দিকটিই বেশী।

যে বন্ধু টি খুব অল্প বেতনে চাকরী করে নিজের সংসার চালাতে হিমশিম খায়, সে যখন আমাদের মহৎ উদ্যোগে শরীক হওয়ার জন্য আরেক জনের কাছ থেকে একটি হাজার টাকা ধার নেয় ,তখন দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ধনী মনে হয় সেই বন্ধুকে।

কলোনি র আড্ডা র ভেন্যু কি হবে



আজকে গেলাম নিরু ভাইয়ের অফিসে।csm কলোনি র আড্ডা র ভেন্যু কি হবে।আমি এর আগে কোনদিন যাইনি।পুলক ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করলাম।উনি সবকিছু বলে দিলেন।ওখানে যাওয়ার সাথে সাথে পুলক ভাই,টিনকু ভাইয়ের আন্তরিক অভ্য রথনা।মন ভরে গেল।সাথে সাজু ভাই।মনে হল অনেকদিনের চেনা।আত্মার আত্নীয়।সবাই যাবার পর আমাকে কি সাইজে দেখছিলেন সে কথা।বিব্রতকর পরিস্থিতি। শওগাত ভাই কথা বলেন কম,শুনেন বেশি কিন্তু যা বলেন কনক্রিট। নাজমুল ভাই অনেক গুছিয়ে কথা বলেন।যুক্তি দিয়ে তবে চাপিয়ে দেন না কোন কিছু।

Thursday, October 22, 2015

“ কলোনী ও কান্না - ২“


.
আমি বড় হবার পর কখন কেঁদেছি মনে করতে পারি না, কখনো কারো জানাযায় গেলে চোখের কোনায় পানি অটোমেটিক চলে আসে তা ভিন্ন কথা, কিন্তু এ ছাড়া বড় হবার পর কষ্ট করলেও, কখনো কান্না করার দরকার হয়েছে বলে মনে পড়ে না। বরং কলোনিতে যখন ছিলাম বিভিন্ন এবাদতের রাতে মসজিদে মোনাজাতের সময় অনেক চেষ্টা করতাম, চোখে একটু পানি আনার জন্য কিন্তু পানি তো আসতো’ই না, বরং অন্য মুরুব্বীদের বিভিন্ন ভঙ্গীতে কান্না দেখে আমরা বান্দরগুলা হাসা-হাসি করতাম আর গবেষণা করতাম !!!! হা হা হা