Monday, March 14, 2016

মাথাটা পুরা জাম হয়ে আছে


কোথায় যাবো? কার কাছে যাবো? কেন যাবো? কি করবো? কেন করবো? কি করা উচিত? কিছুই বুঝতাছিনা। মাথাটা পুরা জাম হয়ে আছে। আমার মাথা এমনিতেই হট থাকে। তারপরও কেন জানি মনে হচ্ছে মাথাটা আজকে একটু ওভার হটেট হয়ে আছে। বছর আরেকটা গেল। আপনাদের কাছে মাথা ঠান্ডা করার জন্য উপায় জানা আছে? থাকলে দয়া করে বলুন। এ্যলোপেথিক, হোমিও পেথিক, আয়ুর্বেদীয়, মায়ুর্বেদীয়, শাস্ত্রীয়, মঘা শাস্ত্রীয় কিংবা অন্য যে কোন উপায়।

CSM colony ভাবলেই মনে আসে


CSM colony ভাবলেই মনে আসে csm school, মসজীদের পুকুর, কোহিনুরদের মুরগীর খোয়ার আর তার সাথে লাগানো বরই গাছ যেটা আমার আর লাবনীর(মোস্তফা কামাল স্যারের মেয়ে)খেলার অন্যতম জায়গা ছিল।মক্তবএর পাশে রাস্তায় কুদ কুত খেলা,বড় মাঠে বাষিক প্রতিযগিতা,শান্তি বাবু স্যারের ব্রুতচারি,পিটিস্যারের পিটি,জাফর স্যারের চোখ পাকানো,ইউনুসের দোকান আরো কত কি....ওওও আরো একটি বিষেশ জায়গা যেটা ছিল আমার ভাই ও তার বন্ধুদের (কমু,লিটন,মানিক,মনু,আরো কয়েকজন ভাই)প্রিয় জায়গা......কে বলতে পারবে সেই বিষেশ জায়গাটির নাম???

আমি, কল্লোল আর মানিক


স্টুডেন্ট লাইফ এ আমরা সবাই কমবেশি টিওশনি করতাম। ওটাই আমাদের একমাত্র আরনিং সোর্স ছিল। আমাদের কল্লোলও টিওশনি করত। যাইহোক টিওশনির প্রথম মাসের টাকা পেয়ে কল্লোল আমার আর মানিকের বাসায় আসলো, আমরা ২ জন একই বিল্ডিং এ থাকতাম এবং কল্লোল প্রস্তাব দিল আজ আমাদের খায়াবে, আমি আর মানিকও কোনকিছু না ভেবে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। বললাম তোর বাজেট কত? কল্লোল বলল ২০০ টাকা। শুনে আমরা অবাক, ২০০ টাকা... ওবাজি! ওই সময় ২০০ টাকা আমাদের কাছে অনেক টাকা ছিল।

যাইহোক বিকেলে ৩ বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম। নিজের এলাকায় কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করলাম কিন্তু হোটেল পছন্দ হল না। সবাই মিলে ভাবতেছি এখন কি করা যায়? ২০০ টাকা বলে কথা, কোন আলতু ফালতু রেস্টুরেন্ট এ তো আর খাওয়া যায় না । হটাত মানিকের মাথায় বুদ্ধি এলো, ও বলল চল আগ্রাবাদ যাই, ওইখানে অনেক ভালো ভালো রেস্টুরেন্ট আছে, অনেক ভালো ভালো খাবার পাওয়া যায়। আমি আর কল্লোল মানিকের প্রস্তাবে রাজি হলাম এবং বাসে উঠে ৩ জন আগ্রাবাদ চলে আসলাম। বাসে করে আগ্রাবাদ আসতে আসতে সন্ধা হয়ে গেল।


শুরু হল ৩ জনের রেস্টুরেন্ট পছন্দের পালা। প্রথমেই গেলাম হোটেল আগ্রাবাদ এ। এর আগে আমি কোনদিন হোটেল আগ্রাবাদ এ যাই নাই, শুধু নাম শুনছি। কিছুক্ষণ ৩ জন হোটেল আগ্রাবাদের সামনে ঘুরাঘুরি করলাম কিন্তু ভিতরে ঢুকার সাহস পেলাম না, এরপর গেলাম সম্ভবত সিলভার স্পুন এ, এই ভাবে মোটামুটি আগ্রাবাদ এর সব হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এ গেলাম। প্রায় ২ ঘণ্টা এই ভাবে ঘুরাঘুরি করে পার করলাম।

চাইলাম এরি আর কেউরে দলে ভিরন যায়নি!!!!!


বড় আশা করি ভিতরের সব গোপন কথা CSM এর ভাইবোন বন্ধু হগলের লাই উজার কইরা দিয়ালছি, মনে করছিলাম আর থুন অনুপ্রেরনা ফাই আর কিচ্ছু ভাইয়েরাও তাগ ভিত্রের কিছু বাইর কইরব, অন্ত দেই দেগে ছুপ মারি গেছে, আছেন্নি কেউ আর মতো বেকুব, জাগাত থাই আওয়াজ দেন, আর তাড়াতাড়ি শুরু করেন, আরে ডরন লাইগদন, আন্না বেকে বেকেরে চিনি, আনরা আনরা কদ্দুরা মজা করলু আরি...।।
চাইলাম এরি আর কেউরে দলে ভিরন যায়নি!!!!!

রাত ৮.০০ খবর শেষের দিকে


রাত ৮.০০খবর শেষের দিকে আমি দুলি, জিমি রাশেদ,আতিক,মরা রাশেদ,লিটন সোজা হাটতে হাটতে বড় মাঠের পাশে কলোনীর শেষ মাথা সম্ভবত F/11 তসলিম চাচা বাগানে হাজির, খবর শেষ একটু পর নাটক শুরু হবে, বাংলাদেশে তখন কাজি পেয়ারার চাষ শুরু হয়েছে,তসলিম চাচার বাগানে পেয়ারা ধরছে খাওয়ার উপযোগী হয়েছে,নাটক শুরু হয়েছে আস্তে আস্তে আমি দুলি মরা রাশেদ বাগানে পিছনে গিয়ে হাজির বেড়া তো আছে সাথে বিভিন্ন কাঁটা বেড়ার উপর দেয়া যেই কাঁটা টান দিলাম দোতালা থেকে টচ লাইট জলে উঠলো আর চিল্লাচিল্লী শুরু করে দিল,লাইট তো আর নিবে না, বুঝলাম আজকের মতো আর কাজী পেয়ারা খাওয়া হবে না, মন মেঝাজ ও খারাপ হয়ে গেলো সবাই একসাথে হয়ে মাঠে আবার বসলাম কি করা যায় মরা রাশেদ হঠাৎ বলে উঠলো পেয়ারা খেতে পারি নি কি হয়েছে বাসার সামনে তো চাচার পেঁপে গাছ আছে, যেই বলা সেই কাজ শুরু চাচাতো পিছনের জানালা দিয়ে পেয়ারা পাহারা দিচেছ আর আমরা সামনে দিয়া জন প্রতি দুইটা পেঁপে নিয়ে মাঠের মাঝ দিয়ে সোজা পুকুর পাড়ে তখন তো আর বুঝিনি পেঁপে কাঁচা এই পেঁপেতো খাওয়া যাবে না তখন প্রতি সিড়ির নিচে একটা একটা পেঁপে রেখে দিলাম জানি সকালে কেউ না কেউ পাবে তারপরদিন কি হয়েছে তা জানতে হলে স্কুলের সামনে ইউনুস এর দোকানে ইউনুস মুখ থেকে জেনে নিতে হবে

এভাবেই দিন বদলায়


এসএসসি ২০১৬ শেষ হয়ে এসেছে! কারও কোন খবর নাই!

কলোনীতে কারো এসএসসি পরীক্ষা মানেই অনেক বড় ঘটনা। কোন বিল্ডিং থেকে কারা পরীক্ষা দেবে?
পরের বছর কারা পরীক্ষা দেবে? কে অনেক পড়ে? কে কম পড়েও রেজাল্ট ভাল করে? এ নিয়ে চলত আলোচনা।
দিন গোনা শুরু হয়ে যেত টেস্ট পরীক্ষার পর থেকেই। এরপর স্কুলের বিদায়ের দিন ঘনিয়ে আসত। ক্লাস টেন এর উপর থাকত বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব। ফটোকপির এত ছিল না যাদের হাতের লেখা সুন্দর তাদের দিয়ে মানপত্র লেখানো,শুভেচ্ছা বক্তব্য, স্মৃতি চারণ, কোন বিদায়ী ব্যাচ স্কুল কে কত ভাল উপহার দিতে পারে এ নিয়ে প্রতিযোগিতা চলত।

আর আমাদের ছোট দের কাছে ছিল তাড়াতাড়ি ছুটি আর জিলিপি খাওয়ার দিন।

এক্সাম শুরু হলে কে কিভাবে যাবে? প্রশ্ন সহজ না কঠিন, পরীক্ষা কেমন হয়েছে, এ নিয়ে বড় আপু ভাইয়া, চাচা চাচী, স্যার ম্যডাম রা খোঁজ খবর রাখতেন। কে কি লিখেছে? কার কোন এক্সাম ভাল হয়নি, কত কথা।
প্র‍্যাকটিকাল খাতা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি। কার আঁকা ভাল?

হৃদয়ের একূল ওকূল


CSM কলোনি তে হৃদয়বান মানুষের অভাব ছিল না। না,আমি তাদেরকে প্রেমিক,প্রেমিকা বলে সস্তা করব না।আমি বলব হৃদয়বান মানুষ।কারন যার হৃদয় আছে সেই ত ভালবাসে,সবাই ত সেটা পারে না। এই হৃদয়ঘটিত ব্যাপার গুলো কলোনি তে ঘটেছে নানা ভাবে।কখনো দেখা গেল হৃদয়বান ছেলের বাসা সামনের বিল্ডিং এ, আর মেয়ের বাসা পেছনের বিল্ডিং এ।কেউ একই বিল্ডিং এর পাশাপাশি কিংবা উপরের তলা,নিচতলা।কিংবা হৃদয়বান ছেলেটি বন্ধুর বাসায় ঘনঘন আসা যাওয়া করাতে বন্ধুর পাশের বাসার সুন্দরী মেয়েটির প্রতি দুর্বল হয়ে যাওয়া।

আবার এক ধর্মের ছেলের অন্য ধর্মের মেয়ের প্রতি দুর্বল হয়ে যাওয়া যেখানে ধর্ম তাদের মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়ানো। আবার কলোনি র সুন্দরী মেয়েটি এমন এক ছেলের সাথে মন দেয়া নেয়া করছে যার পাশে মেয়েটি কে মানায় না অথচ মেয়েটি কে পছন্দ করে কলোনি র সুদর্শন কোন হৃদয়বান ছেলে।কিংবা ক্লাসের প্রথম স্থান অধিকারী ছেলের সাথে প্রথম স্থান অধিকারী মেয়েটি কে নিয়ে কানাঘুষা। অনেকগুলো ভাইয়ের আদরের ছোট বোনটি মন দেয়া নেয়া চলছে পড়ালেখায় অমনোযোগী বখাটে ছেলের।কেউবা কাউকে পড়াতে গিয়ে ছাত্রী র প্রতি কিংবা ছাত্রী টিচারের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ত।কলেজ বাসে আসা যাওয়ার পথে কথা বলতে বলতে হৃদয়ের একূল ওকূল ভাসিয়ে দেয়া।আবার দেখা গেল ছেলের বাবা মিলের বড় পদস্থ অফিসার,মেয়ের বাবা সাধারণ কর্মচারী,কিন্তু মন দেয়া নেয়ায় এগুলো কোন বাধা হিসেবে দাড়ায়নি। কেউ হত সাহস করে সামনে এগিয়েছেন,সফল হয়েছেন তবে এই পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না, কন্টকময় ছিল। তবুও তারা ছিলেন হৃদয়বান মানুষ, অনেকের অনুপ্রেরণা। তাদের প্রতি রইল অনেক অনেক শ্রদ্ধা।

Sunday, March 13, 2016

লুকোচুরি র দিনগুলো


বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবার পর একটা রুটিন বাধা নিয়ম ছিল সন্ধ্যার পর লুকোচুরি খেলতে বের হওয়া।সারা কলোনি জুড়ে কিংবা কয়েক টা বিল্ডিং ঘিরে চলত এ খেলা।খেলার সময় এক ধরনের থ্রিল অনুভব করতাম, মনে হত নিজেই চোর বা পুলিশ। নিজেকে কিভাবে পুলিশের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখব তার জন্য চেষ্টা র সীমা ছিল না।কখনো কখনো এমন জায়গাগুলোতে গিয়ে লুকাতাম ভয় ডর বলে কিছু লাগত না।আবার নিজেকে বাঁচানো র জন্য মানুষের বাসায় গিয়ে হানা দিতাম।

তেমনি একদিন খেলতে গিয়ে ঈ টাইপে র তিনতলা বিল্ডিং এ গেলাম।আমাদের ক্লাসের বেলিরা তখন তিনতলায় থাকত। ওর আম্মা প্রায় আমাদের বাসায় বেড়াতে আসত,আমরাও যেতাম।সেদিন খেলার সময় ঈ টাইপের সেই তিনতলা থেকে দেখি পুলিশ হয়েছে যে সে বিল্ডিং এর নিচে ঘুরাঘুরি করছে।আমি আর আমার সাথের জন কি করব ভেবে পাইনা,এমন সময় মনে হল বেলিদের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নেই।তাহলে এ যাত্রা বাচা যাবে।যেই না বেলি দের বাসা মনে করে কলিং বেল টিপ দিলাম,ওমনি দরজা খুলে দেখি একজন বড় মেয়ে।উনাকে আমি স্কুলে দেখছি ছোটবেলায় কিন্তু কলেজে পড়েন তখন।

কলেজ বাসে একদিন


আতিক ভাই বলছিলেন কলেজ বাস নিয়ে কিছু লিখতে।কিন্তু আমি ত কোনদিন কলেজ বাসে যাওয়া আসা করিনি।লিখি কিভাবে? বড়দের মুখে অল্প বিস্তর কিছু শুনতাম।তাই ভরসা।কেউ যখন লিখল না আমি না হয় চেষ্টা করি।

আমি বিনিতা।ছোট করে ডাকে সবাই বিনু।বড় ভাই বুবুন।আমি সবার ছোট।চট্টগ্রামকলেজ এ কেমিস্ট্রি তে এডমিশন নিয়েছি।ক্লাস পুরো দমে শুরু হয়নি। আজ পহেলা ফাল্গুন।বান্ধবী রা ডিসি হিলে যাব,বেড়াব।তাই সকাল থেকে সাজুগুজু নিয়ে ব্যস্ত।তাড়াহুড়ো করছি।কলেজ বাসে যদি জায়গা না পাই।বাসন্তী রং এর জামা পড়ে রওনা হলাম কলেজ বাস ধরতে।

কলেজ বাসে উঠলাম।কোথাও সিট খালি নেই।আমার বান্ধবী তিথি আর মিলি পাশাপাশি বসে আছে।আমার জন্য সিট কই জানতে চাইলাম।বলল রেখেছিল কিন্তু স্নিগ্ধা আপা আসাতে উনাকে দিয়ে দিয়েছেন।একটি সিট খালি আছে কিন্তু ওইখানে বসে আছেন তুহিন ভাই।উনার সাথে আমার তেমন পরিচয় নেই।দাড়িয়ে গেলে সাজ নষ্ট হয়ে যাবে এটা ভেবে উনার পাশে বসে পড়লাম।দেখলাম তিথি আর মিলি মুখ টিপে হাসছে।উনার শরীর থেকে সিগারেট আর বডি স্প্রে মিলিয়ে অদ্ভুত গন্ধ আসছে। খারাপ না।

আমি আজকে একটা সেইরাম অ্যাকশান ধর্মী স্বপ্ন দেখছি


দেখলাম যে,
আমাদের স্কুল এ একটা গ্রুপ হেভি অস্ত্র শস্ত্র নিয়া হামলা করছে, আমাদের কে ক্লাস রুম আটকাইয়া রাখছে। আমি আর Al Amin Billah Shujon সুজন কোনমতে পলাইয়া স্কুল এর পিছনে গেলাম। ইচ্ছা ছিল বাউন্ডারি টপকাইয়া কবর স্থান দিয়া পালামু। কিন্তু দেখি ওরা কবরস্থানে দুই টা বাঙ্কার কইরা পাহারা দিচ্চে। আমি আর সুজন মাথা তুইলা দেখি ওই বুজ্জার বাগান দিয়া আর্মি আসতেছে । ওরা আর্মির দিকে গুলি চুরতে লাগলো। এইদিকে আর্মি ও গুলি ছুড়ছে। আমি আর সুজন স্টেজের পিছন দিয়ে বাউন্ডারি টপকে E-type এর দিকে দৌড় দিলাম। ওদিকে কলোনির গেইট দিয়ে আর্মি আসছে ট্যাঙ্ক নিয়ে। সেই একটা অবস্থা চারিদিকে। এমন সময় দেখি আর্মির তাড়া খেয়ে বিদ্রোহীরা গুলি করতে করতে E- type এর দিকে আসছে। এখন আমরা কই যাই?
...
...
...
...
...
এই সময় ঘুম টা ভাইঙ্গা গেলো।
...
যাক বাবা বাইচ্চা গেছি। আরেকটু হইলেই তো গেছিলাম।

সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে এই বিষয়ে সবার মতামত আশা করছি


আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশ।আমরা এই দেশ কে খুব ভালবাসি। আবার জন্মগত কারনে আমাদের মধ্যে আন্চলিকতার প্রভাবও যতেষ্ট। এমনই একটা অন্চল সন্ধীপ। যার চারপাশেই সমুদ্র। আর সেই দ্বীপের বাসিন্দা আমাদের প্রিয় মাসুক। ছোট বেলায় মাসুককে একবার পাগলা শিয়ালে কামড়াইছিল।সেই থেকে মাসুকের মনে প্রশ্ন সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে? শিয়ালতো পোষ্য প্রানী নয়। গবেষনা করতে গিয়ে মাসুক দর্শনশাস্ত্র নিয়ে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছে শুধু শিয়ালের দর্শন বুজার জন্য এবং বনে জঙ্গলে ঘুরে ঘুরে শিয়ালের চরিত্র নিয়ে অনেক লেখাপড়া করেছে। তারপরও আবিষ্কার করতে পারেন নাই সন্ধীপে শিয়াল গেল কেমনে।আজ যদি সবাই মতামত দিয়ে সাহায্য করেন তবে মাসুক ভাই খুবই উপকৃত হবেন।।সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে এই বিষয়ে সবার মতামত আশা করছি।

সুযোগের অভাবে সৎ-আদর্শবান: কাহিনি-০৩


ইন্টার পাশের পর বিশাল এক বাহিনী নিয়ে university তে ভর্তি হই, 1st year, খুব আমোদেই কাটল, শার্টল ট্রেনে গান করতে করতে যাওয়া, দুএকটা ক্লাস করে আবার ঝুপড়িতে গান, আড্ডা, এভাবেই কাটছিল, দলের একটা বড় অংশ ছিল chemistry ডিপার্টমেন্ট এর, শুধু আমাদের কলোনিরই ছিল ৫জন. সাথে কলেজের অনেক বন্ধু ছিল যার কারনে ওই ডিপার্টমেন্ট এর ছেলে মেয়েদের সাথেই আড্ডাটা বেশি জমত, ধীরে ধীরে পরিচয় হোল ওর........ সাথে, অসম্ভব সুন্দর....... আর আরও সুন্দর রবীন্দ্র সংগীত করতো, হৃদয় ছুয়ে যেত, ধীরে ধীরে সখ্যতা বাড়তে লাগলো, বাড়তে লাগলো ভাললাগা.........কিন্তু কেউ কাউকে কিছু বলতে পারতাম না, কিন্তু দুজনেই চাইতাম দুজনকে। একপর্যায়ে বন্ধুরাই এগিয়ে আসলো, দীর্ঘদিন চলতে লাগলো তাদের প্রয়াস, অবশেষে একদিন সরাসরি আক্রমন, কেন হবে না, কেন প্রতিষ্ঠা পাবে না, তোরা দুজন দুজনকে চাস কিন্তু কেন প্রকাশ করবি না ইত্যাদি, অবশেষে সে মুখ খুলল, বলল আমি চাই, তুই চাও, সবায় চাই সম্পর্কটা প্রতিষ্ঠা পাক কিন্তু বিধাতা চায় না, আর চায় না বলেই আমাকে ব্রাহ্মণ আর ওকে ক্ষত্রিয় বংশে পাঠিয়েছে, আর আমার পক্ষে এর violation সম্ভব না......।।

আমাদের C.S.M


স্মৃতি। মানুষের জীবনের এক আশ্চর্য বাস্তবতা। প্রত্যেক মানুষেরই স্মৃতির পাতায় জমে থাকে অনেক না বলা কথা। অনেক ভালো লাগা, অনেক কষ্ট-বেদনা, দুঃখ-যন্ত্রণা সবসময়ই স্থান করে নেয় প্রতিটি মানুষের স্মৃতির পাতা। সবারই রয়েছে জীবনভর নানারকম স্মৃতি। জীবনের যে কোনো বয়সে এসে স্মৃতির পাতা হাতড়ে বের করা যায় এমন অনেক মুহুর্ত যা এক মূহুর্তের জন্য মুখে এক চিলতে হাসির কারণ হয়ে যায়। আবার এমন অনেক মূহুর্ত স্মৃতির পাতায় বন্দী হয়ে রয় যেগুলো নিমিষেই হাসিখুশি মনটাকে করে দিতে পারে বর্ষার মেঘের মতোই মলিন।

স্মৃতির পাতা যেন প্রতিটি মানুষের পরম আপন। মানুষ নিজে চাইলেও যেন তার স্মৃতির পাতাকে হুবহু ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। প্রকৃতি তাকে সেই শক্তি দেয়নি। সে কেবল তার স্মৃতির পাতা সম্পর্কে অন্যকে কিছুটা ধারণা দিতে পারে মাত্র। স্মৃতি, সে যে শুধু তারই একান্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তি।

প্রত্যেকটি মানুষ নিজেকে কোন এক জায়গাতে আবিষ্কার করে থাকে, নিজের অস্তিত্ব টের পাওয়ার সর্বশেষ স্মৃতিময় স্থান মনে করতে পারে। এর আগে কোথায় ছিল তা মনে করতে পারে না। আমি এই পৃথিবী তে আমার অস্তিত্ব টের পেয়েছি.. C.S.M কলোনী তে |

এখন লোড শেডিং হলে বিরক্ত লাগে অথচ রাতে কলনিতে কারেন্ট গেলে খুবই ভাল লাগতো


এখন লোড শেডিং হলে বিরক্ত লাগে অথচ রাতে কলনিতে কারেন্ট গেলে খুবই ভাল লাগতো। আমার মনে হয় এমন কোন ছেলে মেয়ে নাই যার ভাল লাগতো না। পড়ালেখা করতে হইতো না। সবাই বাসা থেকে বের হয়ে যেত। যে যার মত আড্ডা দিত। সেরকম এক রাতে আমরা সবাই মিলে বড় মাঠে বসে সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছি। এমন সময় এক জনের বুদ্ধি এলো, সে বললো লুঙ্গি মাথায় তুলে পুরা মাঠ ঘুরতে পারবে কে? সবাইতো চুপ কারো মুখে কোন কথা নাই। মালু বললো সে পারবে কিন্তু তাকে টাকা দিতে হবে।ঠিক আছে সে মালুকে বললো তুই যদি লুঙ্গি মাথায় তুলে একবার পুরা মাঠ ঘুরে আসবি তোকে টাকা দেব। 

ষ্টার্টিং পয়েন্ট হচ্ছে ই টাইপ ১২ নং বিল্ডিং এর কর্ণার থেকে। এবং সেখানেই শেষ হবে। যথারীতি দৌঁড় শুরু হলো। মালু অর্ধেকের বেশি পার করে ফেলেছে এমন সময় কারেন্ট চলে আসলো। কারেন্ট চলে আসাতে আমরা তখন অন্যপাশে চলে যায় মানে ই টাইপ ১১ নং বিল্ডিংয়ের পাশে। আমরা চলে আসার পর ওখানে আসিফের আম্মা ( লাবনিদের পাশের বাসা / মামুনদের বিল্ডিংয়ের) কয়েকজন মহিলা নিয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। মালু এটা খেয়াল করে নাই সে মাথা থেকে লুঙ্গি নামানোর আগেই বলে টাকা দে। কিন্তু লুঙ্গি নামানোর পর দেখে আসিফের আম্মা। 

পড়ালেখায় কোনদিন মন বসতো না


পড়ালেখায় কোনদিন মন বসতো না,সারাদিন টো টো করে ঘুরতাম,সহজে তো স্কুলে যেতাম না যাও বা যেতাম সকালে গেলে হাফ টাইমে আর নাই,এভাবে দিন পার করতাসি,কোন মতে পাস করলাম, উঠলাম সেভেনে বয়স যতো বাড়তাছে বাহিরে বাহিরে ঘুরা ততো বাড়তাছে,স্যার রা আব্বাকে ডেকে নালিশ জানালো আপনার ছেলে স্কুলে ঠিক মতো আসে না,আম্মার হাতে মার তো চলতো প্রতিদিন,আব্বা চিন্তা ছেলেকে এখানে রাখলে পড়া লেখা হবে না,তাই টাইগার পাস ঝাউতলা জেঠার বাসায় পাঠিয়ে দিবে,যেই কথা সেই কাজ কলোনীর মায়া ছেড়ে আমি আর আব্বা ঝাউতলার পথে, আমার জেঠাতো বড় ভাই পরদিন আমাকে নিয়ে টাইগার পাস বহুমূখী উচ্চবিদ্যালয়ে ভত্তি করে দিলো সেভেনে,আমার সমবয়সী জেঠাতো ভাইও ঐ স্কুলে ক্লাস এইটে পড়ে,তো দুই ভাই প্রতিদিন একসাথে স্কুলে যেতাম,বাজেট ছিল দুজনের ১০ টাকা,আমার তো মন বসতো না একে তো নতুন আর কারো সাথে পরিচয় নেই কোনমতে দুই তিন দিন ঠিক মতো ক্লাস করলাম,১০ টাকা দুজনে ভাগ করে নিতাম,জেঠাতো ভাই একদিন বলে তুই আজ ৫টাকা নিস না পরের দিনের টাকা তুই নিয়ে নিস,আমি আর কিছু বলি নাই কি কারণে জানি স্কুল আগে আগে ছুটি দিয়ে দিল,আমি তো আমার ভাইকে খুজি ভাইকে পাইনা তখন একজন বললো বাদল ১২টার আগেই স্কুল থেকে বাহির হয়ে গেছে,আমি হাটতে হাটতে বাসায় হাজির,বাসায় তখন ছোট এক জেঠাতো ভাই ছাড়া কেউ নেই,বাদল আসলো ৩টার ও কিছু পরে আমি জানতে চাইলাম কিরে কই গেছিলি,তখন সে বলে বাসায় কিছু বলিছ না আমি সিনেমা দেখতে গিয়াছিলাম,পরদিন ১০ টাকা ভাগ করি নাই, তারপরের দিনের ১০টাকা নিয়ে মোট ২০টাকা নিয়ে সোজা টাইগার পাস নোভাহিনীর সিনেমাহলে শো শুরু হবে ১২টায় কি করবো দুই ভাই বসে আছি কখন ১২টা বাজবে এভাবে প্রতি সপ্তাহে একদিনের বাজেট ছিল ১৬টাকা ৪টাকা বাচতো তখন ৪টাকার কিছু খেয়ে বাসায় যেতাম,সহজে আর স্কুলে যাওয়া হতোনা কোনোদিন হাটতে হাটতে ফয়েজ লেখ, মাঝে মাঝে ট্রেনে চড়ে কদমতলী,ঝাউতলার পিছন দিক দিয়ে পাহাড় এর পাশ দিয়ে লালখান বাজার এভাবে চলতো দুই ভাইয়ের,স্কুলের হাজিরা খাতায় মাঝে মাঝে নাম উঠতো,স্কুল ছুটি তো ঠিক মতো বাসায় হাজির, একদিন সিনেমা দেখে বাসা গিয়ে দেখি আব্বা বসে আসে, আমরা দুইভাই তো এমন ভাব করলাম মাএ স্কুল থেকে আসলাম আব্বা পড়ালেখার কথাজানতে চাইলো ঠিক মতো ক্লাস করি কিনা জানতে চাইলো,আমরা ঠিক ঠিক জবাব দিলাম বিকাল সবাই যখন বাসায় আসলো আব্বা আসল কথা ফাঁস করলো মাসে একদিন দুইদিন ক্লাস করছি আর প্রতিদিন হাজিরা খাতায় নাম উঠে নাই, সেই দিন বড় ভাই ধরে দুজন কে যে মারটা দিলো তা এখন ও মনে পড়লে শরীর ব্যাথা করে, আব্বা বুঝলো পোলা এখানে রাখলে আরো খারাপ হবে মানুষ হবে না, তাই কলোনীর ছেলে কলোনীতে এনে স্কুলে ভত্তি করে দিল,এই পাচ ছয় মাসে কতো যে সিনেমা দেখছি কতো জায়গায় যে ঘুরলাম,মজা আর মজা

Saturday, March 12, 2016

সবাই যে যার মত ব্যস্ত


সবাই যে যার মত ব্যস্ত। আর আমার কোন কাজ নেই। বসে থাকা ছাড়া। আস ত সবাই আমার বাসায়। একসাথে বসে গল্প কর, আমার ভাল লাগবে। আর হ্যা আমি আছি তোমাদের সাথে। বিশেষ করে আব্বা চলে যাবার পর সিএসএম পেইজের ভাইরা সবাই যারা ঢাকা ছিল রেজাভাই সহ সবার জন্য অনেক দোয়া ওই সময়ে আমার পাশে দাড়ানোর জন্য। প্রথম ফোন দিলাম রেজাভাইকে,ভাইয়ের ফোন বন্ধ পেয়ে ফোন দিলাম আতিককে। এরপর ত সব ছুটে এলো। আমি খুব কৃতজ্ঞ যে নমি আমাকে প্রথম ফোন দিয়েছিল,এরপরের ফোন টাই ছিল জনির। ভাই তোদের আমি খুব ভাল বাসি। ভালবাসি সবাইকেই। বাকি সব ভুলে যেতে চাই। চিটাগাং, আমেরিকা,মালয়েশিয়া, সুইডেন সব জায়গা থেকে প্রচুর ফোন পেয়েছি। It really means a lot to me. May Allah bless u all. And I love u all.

কথায় বলে সস্তার তিন অবস্থা


কথায় বলে সস্তার তিন অবস্থা, আমি বলি সস্তার সাত অবস্থা তার পরে মানুষ সস্তা খোজে এবং তা কিনে নাস্তানাবোদ হয়। সাত অবস্থার উপলব্ধি আমার হয়েছিল স্কুলে পড়ার সময় তার পরেও আমি সস্তায় মাল কিনে নাস্তানাবোদ হয়েছি। দুই একটা ঘটনা বলি-মুশুরীর ডাল খাবার ম্যানুতে রেগুলার ছিল। তারপরে সকালের নাস্তার পর পরই চুলায় ডাল বসিয়ে দেওয়া হইত। মা জননীর ধারনা ছিল-কোন কিছু খাওয়ার পর ডাল খেলে মুখটা পরিস্কার হয়। অর্থাৎ খাবার পর পান খাবার বিকল্প হিসাবে পাতলা ডালের ব্যবহার। বাবার সকালে ডিউটি থাকাতে আমার উপর বাজারের ভার পরলো। বাজারে অনুপের সাথে দেখা- অনুপ বুদ্ধি দিল সবজি বাজারে-কবির সদাগারের দোকানে বিদেশী মুশুরীর ডাল কম দামে পাওয়া যায়। যাক-পয়সা বাচানোর একটা উপায় পাওয়া গেল। বাসায় আসার পর-মা জননী বললো, কিরে বাবা? এত বড় বড় ডাল কোথা থেকে আনলি? মা-এগুলো বিদেশী ডাল অনেক ভাল। মা তারা তাড়ি শিদ্ধ করার জন্য চুলায় বসিয়ে দিল। এমনিতে অনেক দেরি হয়ে গেছে। দুপুরে ভাত খেতে আজ একটু দেরী হবে। কিন্ত বোঝার তখনও বাকি ছিলো। ডাল চুলায় বসানো আছে তো আছেই, সিদ্ধ হওয়ার নাম নেই। শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো ডাল যখন গলবেই না তখন ও দিয়ে ভর্তা করা হউক। কিন্ত দেখাগেল সে ডাল ভর্তা হতেও নারাজ। এমনই তার ড্যাম কেয়ার ভাব যে শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়েই দিতে হল। তবে দান দান তিন দান বা সেই সস্তার তিন অবস্থা।

এতো ইমোশনাল ইমোশনাল কথা ভালো লাগেনা


এতো ইমোশনাল ইমোশনাল কথা ভালো লাগেনা,কে কি বললো এইটা নিয়ে সবাই দোড়াদোড়ি করতাছে, এই পেজটা খোলা হয়েছেতো সবাই যেন ব্যস্ততার মাঝে ও পেজে ডুকে মনের সুখে একটু শান্তি পায়,পেজে ডুকলে মনে হতো কলোনীতে আছি,একজন না একজনের সাথে দেখা হচেছ,কথা হচেছ,সবার সুখ দুঃখ হাসি কান্না শেয়ার করছে,আর এখন কি হচেছ মনে হয় ১৯৭১সালে ফিরে গেলাম,পেজের এই অবস্তা দেখে এখন অনেক বড় ভাই বোন ছোট ভাইবোন লিখা লাইক কমেনট করে না,নিজের মান ইজ্জত নিয়ে দুরে সরে গেছে,কলোনীতে ও মনে হয়না এতো ঝামেলা ছিল, আমরা বড় হচিছ আর কি করছি,কলোনী নিয়ে সবার কাছে গব করতাম,এখন যেই অবস্তা কি নিয়ে গব করবো,এই পেজের বাহিরেও অনেক লিখা লিখি হয় কলোনী নিয়ে, আমার একটা অনুরোধ কারো কোন সমস্যা থাকলে তা এই পেজে বলা হউক,আমাদের সমস্যা আমরাই মিটমাট করবো,আরো একটা কথা পেজ টা কারো একার না পেজ টা কলোনীর সবার,কলোনীতে যদি একটা লোক ও থাকে তাহলে পেজ চলবে,কলোনীতে কেউ চিরদিনের জন্য আসে না আসা যাওয়ার মধ্যে থাকে তাই বলে কি কলোনী অফ হয়ে যায়,তাই আর কাদাছোড়া ছুড়ি না সবাই মিলে মিশে থাকি শান্তিতে থাকি

সুযোগের অভাবে সৎ-আদর্শবান: কাহিনি-০২


কলোনির অনেকের মতো আমিও প্রাইভেট পরাতাম, টিচার হিসেবে খুব কড়া ছিলাম, যে বিল্ডিং এ পড়াতে যেতাম, তার আশেপাশের দুই চার বিল্ডিং এর ছেলে মেয়ে আমাকে দেখলে ভুত দেকছে মতো ভয় পাইত, হুলুত্থুল মারদাঙ্গা টিচার ছিলাম, ইন্টার পড়ুয়া ছাত্রীকেও এক চড়ে চেয়ার থেকে ফেলে দিয়েছিলাম। আর ওইটাই ছিল আমার specialty, গার্ডিয়ানরা attitude দেখে নিশ্চিত থাকতো এর লগে মেয়ে আর যাই করুক প্রেম অন্তত করবে না, কিন্তু.........।। জনির কথায় ঠিক একসাথে একজন ছেলে আর মেয়ে দীর্ঘদিন থাকলে kuch kuch must be hota hai!.....

তেমনি একটা ছাত্রীকে মাঝে মাঝে একটু একটু ভাল লাগতো, তো স্টিল মিল বন্ধ, যে যার বাড়ি ঘরে চলে যাবে, এরি মধ্যে আমার ওই ছাত্রী ইন্টার পাশ করল। একদিন আমাকে বলে বসল...............।(এখন না আরেক্তু সবুর কর...।)
দাদা, খুব ইচ্ছে ছিল university তে পড়ার, কিন্তু বাড়িতে যেহেতু চলে যাচ্ছি, university তে পড়াত আর হবে না, একবার যদি বেরাতে নিয়ে জান......।।চিন্তা করলাম ক্ষতি কি, ছাত্রী হিসেবে আবদার করল যখন, ঠিক আছে নিয়ে যাব একদিন। যথারীতি নিয়ে গেলাম একদিন, শার্টল ট্রেন এ বন্ধুরা মোটামুটি হুলোর ফেলে দিল......।। সবাইকে বোন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে কোন রকম সামলালাম। কিন্তু বিকেল বেলা ফেরার পথে সেই ফিল্মি স্টাইল এ proposed করে বসলো, আমি ওকে অনেক বুঝিয়ে শান্ত করলাম, থিম ওই একটাই, পুরো কলোনির মানুষ আমাদের এই এতদিনের সুন্দর সম্পর্কটাকে কলুষিত করে ফেলবে, means ওই একটাই ভয়, সৎ-আদর্শবান ...........

সুযোগের অভাবে সৎ-আদর্শবান: কাহিনি-০১


আমার আজকের এই লিখা, আমার একটা চরম desperate সিদ্ধান্ত, জানি না কে কি মন্তব্য করবে কিন্তু আমি আমার বড় ভাইদের চরম রোমান্টিকতা আর ভালবাশার প্রতি সাহসী পদক্ষেপ দেখে এততাই মুগ্ধ যে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম, জানাইদিব সব, আর কতদিন ছুপা রুস্তম হয়ে থাকব.........।।

আর একটা কথা কিছু কিছু ছোট ভাই আমার এই লিখার গুন কীর্তন করে আমার অভ্যাস টাকে এতটা desperate করে ফেলছে তোদের কাছে করজোড়ে বলছি, believe me, তোদের ভাই, মানুষ খারাপ আছিল না।

কাহিনি-০১
ছোট বেলা থেকেই একটা উপদেশ বানি শুনতে শুনতে নিজেকে কেমন জানি, রোবট বানাই ফেলছিলাম, আর জাই কিছু করি, বাবা-মার সন্মান যেন নষ্ট না করি, সবাই যে ভাবে আদর করে ওইটা যেন ধরে রাখি, আমাকে নটু দা’র ছেলে না বলে বাবাকে যেন সবাই বলে উনি অপুর বাবা ইত্যাদি ইত্যাদি, এগুলতে psychologically এতটা motivated ছিলাম যে really কোন খারাপ কাজ করতে দুইবার চিন্তা করতাম, কিন্তু তাই বলে আমার মনটা???? DIL TO PAGOL HAI……… শুধু একজনের জন্য। খূব সম্ভবত 8/9 এ পড়ি, আমাদের সাথেই পড়তো সে, খূব ভালো লাগতো ওকে দেখলে, যখন সে স্কুলে যেতো আমি প্রাইভেট পড়ে বাসায় আসতাম, খূব ভালো লাগতো তার স্কুলে হেঁটে যাওয়াটা, একটা দারুণ PERSONALITY আর অদ্ভুত সুন্দর RHYTHAM ছিল তার হাঁটার মধ্যে, মুগ্ধ চোখে চেয়ে থাকতাম, কিন্তু............ খানিক পড়েই মেজাজ টা বিগড়ে যেতো যখন দেখতাম ওর সমস্ত কিছু অবলোকন করার জন্য সে আগে থেকেই একজনকে NOMINATION দিয়ে রাখছে, আর তার সে মূড আর কিছু নয়, শুধু ওকে PLEASED করার জন্য যে, যতই অমিতাভ আর দীলীপ কুমার মাঠে থাকুক না কেন তুমি রবিউল ই আমার সব.........।।

রেজা ভাই বলেছেন," সব ঠিক হয়ে যাবে"


রেজা ভাই বলেছেন," সব ঠিক হয়ে যাবে"।আমরা বিশ্বাস করেছি নির্দ্বিধায়। রেজা ভাই বলেছেন,নাজমুল ভাই,জসিম ভাই,নিরু ভাইদের জরুরী মিটিং করতে;আমরা বিশ্বাস করেছি,এইবার বোধহয় সব ঠিক হবে। সরকারের মতো আশার বানী শুনে এসেছি বারবার। বিশ্বাস ও করেছি। আমরা আর আশার বানী শুনতে যাই না।এই পেইজে মেজাজ খারাপ করতে সারাদিন পড়ে থাকিনা। দুইদিন পরপর নতুন নতুন খোঁচাখুঁচি দেখি।এতোগুলো সাধারণ csm বাসীর আত্মার খোরাকের এই পেইজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার বা পলিটিক্স করার অধিকার কারো নাই।রেজা ভাই,জসিম ভাই,কমু ভাই,নাজমুল ভাই,মাসুক ভাই,নিরু ভাই,লিটন ভাই, আতিক ভাই ও সব্বাই....এই পেইজের সফলতার জন্য আপনাদের সাধুবাদ দিতে যেমন কার্পণ্য করিনি, আপনাদের indecision এর জন্য এই পেইজের ক্ষতির জন্যও আপনাদের দোষারোপ করতে কার্পণ্য করবো না। অনেক অ-নে-ক বেশি বিশ্বাস করি আপনাদেরকে। চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করি যে,আপনারা অনেককিছু করতে পারেন।সেই অনেক বিশ্বাসের জন্যই আমরা আপনাদেরকে অনেক শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। আমাদের সেই শ্রদ্ধা আর সম্মানের প্রতি দয়া করে নিজেদের ব্যার্থ করিয়েন না। এই পেইজের ভালোর জন্য যা কিছু করা দরকার,দয়া করে তা করুন। তা না হলে,কখনোই ক্ষমা করতে পারবো না আপনাদেরকে। কেউ পেইজ ছেড়ে চলে যাক,তা চাইনা মোটেও।কিন্তু,কেউ নিজেকে তার নিজস্ব ক্রিয়েটিভিটি দ্বারা "ছোটলোক, চামার, পলিটেশিয়ান" প্রমান করলে তাকে ঘাড় ধরে বের করে দিতে কার্পণ্য করবেন না। আল্লাহর দোহাই লাগে। আর এই পেইজে ঝামেলা দেখতে চাই না। It's already enough!!!!

কেনো আমরা উদার হতে পারছিনা


কেনো আমরা উদার হতে পারছিনা, কেনো এতো ইগো, কেনো এতো অহংকার, ২০৪৮ সাল আসতে আসতে তো মারাই যাবো, তবে কেনো এত বাড়াবাড়ি, এক বার কি মন খুলে সত্যিকার আন্তরিক ভাবে বলতে পারিনা ভাই আপা আমার ভুল হয়েছে আমাকে ক্ষমা করুন, বিনয় মানুষ কে ছোট করেনা, বিনয় মানুষ কে মহৎ করে, এটা আমরা বারবার ভুলে যাই। কলোনি তে বাস্তবে সিনিয়র জুনিয়ার যে ভালো সম্পর্ক ছিলো এটা কেনো এখন আলগা হয়ে যাচ্ছে। লিটন টিংকু তোরা ঢাকা আয়, ঢাকায় তোদের সব দ্বায়িত্ব আমার, তারপরেও এই অচলাবস্থা ভাংগতে হবে।
আর ভালো লাগছেনা।

আপনাকে বড় বলে, বড় সেই হয়


আপনাকে বড় বলে, বড় সেই হয়
লোকে যারে বড় বলে বড় সেই নয়।
বড় হওয়া সংসারেতে সহজ ব্যাপার
সংসারে সে বড় হয় ছোট গুন যার।
গুনেতে হইলে ছোট বড় বলে সবে
ছোট যদি হতে চাও, বড় হও তবে।
.....................................................
পারিব এ কথাটি বলিও না আর,
এক বার পারিলে পারতে হবে বার বার।
দশ জনে পারে যাহা,
তুমি একা কিভাবে পারিবে তাহা?
পারিব বলে মুখে দিয়ো না হাসি,
সবার চাপে প্রান যাবে টাসি।
চালাক চতুর যারা
সব কিছু পারে না তারা,
তোমায় তো দেখি নাক তাদের আকার
তবে কেন পারিব বল বার বার?
................................................
করিতে পারি যে কোন কাজ
নাহি ভয় নাহি লাজ
সংশয়ে সংকল্প নাহি টলে,
পাছে লোকে আবার কি বলে?
আড়ালে আড়ালে থাকি না
নীরবে আপনা ঢাকি না।
পশ্চাদে চরণ নাহি চলে
পাছে লোকে আবার কি বলে?

২০৩৫সাল


২০৩৫সাল।ছোট একটা গ্রাম, ছোট একটি নদী বয়ে চলছে, পাশেই টালির ছাদের কয়েকটি ঘর, আর আশে পাশে সরিষা ক্ষেত। একটু সামনেই টিনের লম্বা একটি ঘর, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন আর পরিপাটি। সেখানে সকালে চলে গরিব ছিন্নমুল শিশু দের শিক্ষা কার্য্যক্রম আর সন্ধ্যায় বয়স্ক শিক্ষা। দু জন অবসরপ্রাপ্ত পৌঢ় এই কার্য্যক্রমের সাথে জড়িত। তারা থাকেন সেই টালি দেওয়া বাড়িতে, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে নামাজ আর কোরআন তেলাওয়াত করে সোজা চলে যান শিশু দের শিক্ষা দানে সেখান থেকে মাঠে, চাষাবাদ কাজ তদারকি করে বাড়িতে ফিরে গোসল করে জোহর নামাজ,দুপুরে খাওয়া দাওয়া তারপর বিশ্রাম, বিকেলে আসর নামাজ শেষে গ্রামের বাচ্চাদের সাথে ফুটবল ক্রিকেট নিয়ে মেতে উঠা, মাগরিবের নামাজ শেষে বয়স্ক শিক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকা, এশার নামাজ শেষ করে একটু হাটাহাটি আর মানুষের কল্যান নিয়ে আলাপ আলোচনা এই দুই পৌঢ়ের। এভাবেই খুব সুন্দর ভাবে চলছিল এই দুই ব্যাক্তির জীবন। সব কিছুরই শেষ আছে, ২০৪৮ সালে এক সোনা রাংগা দিনে সাত দিনের মধ্যে এই দুই শিক্ষানুরাগী বৃদ্ধের মৃত্যু।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়, এই দুই বৃদ্ধের আজীবন লালিত স্বপ্ন টেনে নিতে লাগলো তাদের পরবর্তী প্রজন্ম।

Babu Csm Club ঠিক আছে???

আমার সম্মানিত বড়/ছোট ভাই ও বোনেরা


আমার সম্মানিত বড়/ছোট ভাই ও বোনেরাঃ এইসব আর ভাল লাগছে না। অনেক হইছে আর না, আমরা এই পেজ এ আসি একটু শান্তির জন্য, একটু সৃতিচারন এর জন্য। এটা আমাদের ভালবাসার পেজ, এটা আমাদের আবেগের পেজ, সবার কাছে আকুল আবেদন আমাদের একটু শান্তিতে থাকতে দেন। নাজমুল ভাই বলেছে ছোটরা চুপ থাকবে, ছোটরা কোন কথা বলবে না তাই চুপ আছি কিন্তু শান্তি পাচ্ছি না, শুধু দেখছি আর

আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করছি " হে আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে হেদায়াত দাও, আমাদেরকে শান্তি দাও, আমাদের সবাইকে আবার এক করে দাও,আমাদের এই পরীক্ষায় পাস করিয়ে দাও"

এই পোস্ট টি আমার ব্যাক্তিগত মতামত, এডমিন হিসেবে নয়


এই পেজ টির কোন বাণিজ্যিক ভিত্তি নেই, নেই কোন সাংগঠনিক কাঠামো,নেই নেতৃত্ব, কিন্তু তারপরেও সুশৃঙ্খল ভাবে চলছিলো এবং সুন্দর একটি গ্রান্ড আড্ডা ও হয়েছে। এর পরে জানিনা কি হলো, একটা এলোমেলো অবস্থা। তাহলে কি গ্রান্ড আয়োজন করাটাই ভুল ছিলো?

এই পেজ টি সম্পুর্ন আবেগের তৈরি, সবার আবেগ আর মানবতা প্রেমী কিছু মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম আর ভালোবাসায় এই পেজ।

এখানে ব্যবসায়িক কোন চিন্তা ভাবনা নেই বরং নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে এখানে চলতে হয়। আর এ পেজে টিকে থাকতে হলে লাগে কিছু ক্রিয়েটিভিটি। এখানে ডিপ্লোম্যাসি করে উঠা যায়না। কেউ যদি উদার ভাবে মানুষ কে আপন করে অনেকের প্রিয় হয়ে যায় সেটা তার কৃতিত্ব, কিন্তু আমার কোন ডিসক্রেডিট নয়, আমার জন্য হতাশারও নয়,অতএব কে কত প্রিয় এটা নিয়ে আমার মাথা না ঘামালেও চলবে। আমি কোন ইলেকশনেও দাড়াবো না। সুতরাং কেউ কি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কিনা এটা নিয়ে ফালতু চিন্তা করাটাও বোকামি। যার যার সৃষ্টিশীলতা দিয়েই চলতে হবে। কোথাও আমার নাম উল্লেখ করা হয়েছে কিনা এটাও আমি কখনো কেয়ার করিনা, আমি কি করছি তা আমি জানি, আমার নাম দরকার নেই। এই পেজ তৈরির ইতিহাস সবাই জানে। তাই ঐ ইতিহাসে যাবোনা। তবে যারা মনে করেন এ ধরনের একটি পেজ আপনা আপনি হয়ে গেছে , তাদের বলব আসুন আমরা আপাতত কিছু দিনের জন্য এই পেজটির কার্য্যক্রম স্থগিত করে, নতুন একটি পেজ খুলি, দেখি চালাতে পারি কিনা।

প্রাইভেসি এবং সেই সময়


কলোনি তে যখন ছিলাম আমাদের টিভি টা প্রায় নষ্ট হয়ে যেত।ভরসা ছিল পাশের বাসার Rehana Alam রুবি আপা কিংবা Jerin Ripa রিপা আপা দের বাসা।তখন ত এত চ্যানেল বা প্যাকেজ নাটক ছিল না।হয়ত মঙ্গল বারে ধারাবাহিক বহুব্রীহি বা কোথাও কেউ নেই, বুধবার এ ম্যাকগাইভার এবং বৃহস্পতিবার এ এ সপ্তাহের নাটক দেখতে যাওয়া।সাড়ে আট টা বাজে চলে যেতাম উনাদের বাসায়।উনারা কিছু বলতেন না,যেন আমাদেরই টিভি আমরা দেখতে আসছি।দরজা খোলা থাকত সবসময়। বিরক্ত হতে দেখিনি কোনদিন। রুবি আপাদের বাসায় শুক্রবারে সকালে, "Fairy Tale" নামে একটা রুপকথার গল্প দেখতাম।

Friday, March 11, 2016

আমার যেদিন অনেক টাকা হবে সেইদিন গ্রামে গিয়ে নদীর ধারে একটা টিনের ঘর করে জীবনটা কাটিয়ে দিবো


আমার যেদিন অনেক টাকা হবে সেইদিন গ্রামে গিয়ে নদীর ধারে একটা টিনের ঘর করে জীবনটা কাটিয়ে দিবো। জনি বলেছিলো কারেন্ট থাকবে না। সত্যি বলতে এই জীবনটা বিতৃষ্না হয়ে গেছে। কারেন্ট কেনো লাগবে!!!! আমার জীবনধারা হবে এইভাবে:

প্রতিদিন সকালের আজানের সময় ঘুম থেকে উঠে প্রার্থনা শেষে প্রাতভ্রমন, নাশ্তা শেষ করে আবার একটু ঘুম। তারপর ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে একটা স্কুল চালাবো, ফ্রী সার্ভীস। বিকাল চারটার পর একটা বুড়াদের স্কুল চালাবো যাতে তারা পত্রিকাটা পড়তে পারে। সন্ধ্যার পর কুপির আলোতে গল্পর বই পড়তে পড়তে কখন যে ঘুমিয়ে যাবো বলতেই পারবো না। জোৎসা যেদিন থাকবে সেইদিন সবাইকে নিয়ে মাঠে রান্না করে খাবো। সম্পূর্ণ নিরিবিলি। জেনারেটরের আওয়াজের ও প্রয়োজন নাই। সঙে আতিক ভাই থাকলেতো সোনায় সোহাগা। আর আমার বিশ্বাস অল্প কিছুদিন যেতে না যেত ওটা একটা CSM গ্রাম্য পল্লি হয়ে যাবে..... smile emoticon 

আমরা সবায় রাজা.....

খেলা অফ এখন লিখা যাইবো


খেলা অফ এখন লিখা যাইবো।তখন ক্লাস নাইনে পড়ি এই বয়সে মনটা একটু উড়াঁ উড়াঁ ভাব থাকে,এর আগে আমার কিছু দোস্ত প্রেমের পাঠশালা পড়ালিখা করতাছে,আমার মনে এই সব চিন্তা ভুলেও আসতো না,আরো তাদের বকাঝকা করতাম,সারাদিন বাহিরে বাহিরে ঘুরতাম, আমি তারিক,বিপুল,ডালিম,শিপন রতন, টিটু ভাই টিংকু ভাই সারাদিন খেলাধুলা নিয়া পড়ে থাকতাম,বাসায় তখন ও টিভি আসে নাই টিভি দেখার উছিলায় বিভিন্ন বাসায় ডু মারতাম,এই জন্য মায়ের হাতে বহুত মার খেয়েছি,তো এই বাসা ঐ বাসা ঘুরতে একটা মেয়ে কে খুবই ভালো লেগে গেল.(মেয়ে তো বলা যায় না একটা ছদ্ম নাম না হয় দিই শত হলেও ভালোলাগার মানুষ মিমি না হয় নাম দিলাম)ঐ বাসায় সকাল বিকাল রাত সব সময় অবাধ যাতাযাত ছিল,মিমিকে অল্প অল্প ভালো লাগা শুরু তখন থেকে,মিমি ও আমার সাথে একই ক্লাসে পড়তো,ছোট ছোট অনেক ভাই বোন ছিল তার,চাচীও আমাকে খুব পছন্দ করতো,চাচী ছিল সহজ সরল মহিলা,চাচী আমাকে বলে তুমি তো সারাদিন বাহিরে বাহিরে থাক সময় পেলে আমার ছেলেমেয়েকে একবেলা পড়াইয়ো,তোমাকে কিছু হাত খরচ দিবো,আমি তো মহা খুশি এই তো শুরু মেঘ না চাইতে জল,সকাল, বিকাল,দুপুর বিকাল,রাত সারাদিন পারলে পড়াই, রাতে বেশি সময় নিয়া পড়াইতাম কারণ সবাই এক সাথে ডাইনিং টেবিলে বসে পড়তাম আমি একপাশে বসলে মিমি আপর পাশে বসতো আর নিচেতো পা ছোঁয়াছুয়ি চলতো, এভাবে বহুদিন গেলো এতো ঘন ঘন আসা যাওয়াতে মিমির বাবা একটু সন্দেহের চোখে দেখতো,আস্তে আস্তে ভালোলাগার দৈঘ্য বড় হতে শুরু করলো,তখন বাসায় যেতে না পারলে জানালায় দিয়ে কথাবাতা চলতো এভাবে চলাতে আশেপাশের অনেকের নজর পরে গেলো বাসায়ও জেনে গেলো ১৪৪ধারা জারী হলো ঐবাসায় আর যাবি না, এখন হাতের লিখা ছাড়া আর কোন উপায় নেই,এটা ও শেষ পষন্ত ধরা পড়লো,হঠাৎ একদিন শুনি মিমিকে মিমির বাবা ঢাকায় নিয়ে গেছে,আমার তো এদিকে খবর হয়ে যাচেছ কি করে খবর নিই, ৪/৫দিন পর মিমির বাবা আসলো একা, লোক মারফত খবর নিলাম মিমি কয়েকদিন পর আসবে ১৫/২০দিন হয়ে গেলো শেষ পষন্ত চাচীর কাছে গেলাম সালাম দিলাম তারপর জানতে চাইলাম মিমির কি খবর শুনলাম চাচা ঢাকায় নিয়ে মিমিকে বিয়ে দিয়ে দিছে,কোনমতে বাসা থেকে বের হয়ে সোজা ওয়াসার পিছনে, এই শোক ভুলতে পারি নাই সহজে মনে হলো কি যেন হারিয়ে ফেলছি,মনে আছে একটা ক্যসেটে একটা গান পুরা রেকডিং করছিলাম,((গানটা হলো বেদনা মধুর হয়ে যায় তুমি যদি দাও))

আকাশ কুসুম


ছোটবেলায় আমরা কমবেশি সবাই ছবি মানে সিনেমা দেখতে ভাকবাসতাম। মাঝে মাঝে ভাবতাম নিজের চেহারার সাথে অমুক নায়কের চেহারা মিল আছে।এবং ওই নায়কের সিনেমা দেখার সময় নায়িকার পাশে ওই নায়কের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতাম।কলোনি তে অনেক হিরো র মত ভাইয়া ছিলেন,বলেন ত নিজেকে কোন নায়কের মত ভাবতেন আর আপুরা নিজেকে কোন নায়িকার মত।কোন রকম সংকোচ না রেখে বলে ফেলুন ত দেখি

যে আমারে বাঁধিবার চায়......


রেজা ভাইয়ের এই পোস্টে ভাবীর (সারাফের মা) ফেসবুক বিরোধী আচরনের কারনে একটা গল্প মনে পড়ে গেল।

একবার এক বয়স্কা মহিলা পরিচিত আরেক বয়স্কা মহিলাকে বলছেন "জানেন আমার মেয়ের জামাই কি ভাল? সবসময় বৌকে সব কাজে সাহায্য করে। বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যায়, মাঝে মধ্যে ঘরের ছোট খাট কামকাজ করে আমার মেয়েটাকে সাহায্য করে। অনেক সময় রান্নাবান্নার কাজটাও মেয়ের জামাই করে দেয়। আমার মেয়ে অনেক সময় জোড় খাটিয়ে ওর জামাইকে দিয়ে কাপড় কাঁচিয়েও নেই ইত্যাদি ইত্যাদি।" বলে ইয়া বড় একটা ভেটকি দিলেন।
কিন্তু "আমার ছেলের বৌটা দুনিয়ার বদ। আমার ছেলের কথাতো শুনেই না। সবসময় পায়ের উপর পা তুলে বৌ মা থাকতে চায়। ছেলেটাকে দিয়ে হেন কোন কাজ নেই করায়না। সবকিছু আমার ছেলেটাকেই করতে হয়। কিযে বলবো - বৌটা কাজ করিয়ে আমার ছেলেটার লাইফটাই বারোটা বাজিয়ে দিল ইত্যাদি বলে ইয়া বড় এক দীর্ঘশ্বাষ ছাড়লেন""।
সবাই বুঝতেই পারছেন তিনি কি রাইট ওয়েতে আছেন নাকি wrong ওয়েতে আছেন? তিনি কোন নীতি অবলম্বন করেছেন বোঝা একদম কঠিন নয়

সময় কথা বলে


আল্লাহ মানুষকে সেরা জীব হিসেবে বানিয়েছেন।তেমনি দিয়েছেন অসীম ক্ষমতা,প্রতিভা।এটা দিয়ে মানুষ অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে।নিজের মনের সুপ্ত ইচ্ছগুলোকে পুরণ করতে পারে,মানুষের কল্যাণ এ কাজ করতে পারে।যুগে যুগে মানুষ তার সেই ক্ষমতার চমক দেখিয়েছে।

তবে সবসময় মানুষ যা চায় তা নাও হতে পারে। সময়ের উপরে কিছু জিনিস ছেড়ে দেয়া ভাল।কিছু কিছু কাজের ফল সাথে সাথে নাও পেতে পারে।অপেক্ষা করতে হয়।সময়ের কাছে হার মানতে হয়,পরাজয় স্বীকার করে নিতে হয়,সে যত বড় ক্ষমতাশালী বা প্রতিভাবান হোক না কেন,যে কোন কিছুরর জন্য ধৈর্য ধরতে হয়।সময় একসময় সঠিক জবাব নিয়ে আসে,উত্তর দেয়।যারা সময়ের কাছে হার মানতে চায় না,তারা হেরে যায়।এজন্যই বলে, " রেগে গেলেন ত হেরে গেলেন"।তাই সবসময় নিজের ক্ষমতার কারিগরি না দেখিয়ে সময়ের উপরে কিছু জিনিস ছেড়ে দেয়া ভাল।কারন কোন একসময় ঠিকই " সময় কথা বলে"

আজ থেকে ১২ বছর আগে, বিয়ের ঠিক আগে আগে, এই কবিতাটি সারাফের মা আমাকে সুনিয়েছিলো


যে আমারে বাঁধিবার চায়
অনিত্য সংসার মেলায়
ভালোবাসা দিয়ে
সেই তোমাকে ভালোবাসি
আজ থেকে ১২ বছর আগে, কে যেন কবিতাটি সুনিয়েছিলো!!!

মহা যন্ত্রনায় কয়টা দিন পার করলাম। ঘরে/বাহিরে/অফিসে। মাঝে মাঝে আমরা বড় অবুঝ হয়ে পড়ি। একটি দেশের সকল কার্যক্রমও আমাদের কাছে হার মানবে!!!! 

Thursday, March 10, 2016

আমি যখন ভার্সিটিতে পড়তাম


আমি যখন ভার্সিটিতে পড়তাম তখন আমাদের বন্ধুদের মাঝে একটি বিষয় খুব ভাল ছিল ।আমরা সবাই এক কাপে চা খেতাম ।কারণ আমরা চাইতাম না আমাদের বন্ধুদের মাঝখানে কোন দূরত্ব থাকুক ।যা আজ ও অটুট আছে ।আমাদের ভার্সিটি বন্ধুদের একটি পেজ ও আছে ।আমরা সেখানে আড্ডা দেই ,মান অভিমান চলে ,ক্ষেত্র বিশেষে ঝগড়া ও হয় ।কিন্তু একটি বিষয়ে দারুন মিল ।আমরা কেউ পেজ ছেড়ে যায় না ।পেজ ও আমাদের ছাড়ে না ।এক কাপে চা খাওয়ার অসাধারণ গুন এটি ।চল না ভাইয়ারা (CSM COLONY) আমরা সবাই মিলে একটি চা চক্রের আয়োজন করি , আর এক কাপে চা খাই ।সব মান অপমান ভুলে এক সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে চলি ।যেমনটি আমরা ছিলাম ।আমরা আমরাই তো ।

আজ ভালো লাগার দিন। আজ উৎসবের দিন


আজ ভালো লাগার দিন। আজ উৎসবের দিন। কে কি ভাবছে আমি জানিনা তবে আমি ভাবছি প্রচন্ড বিস্ফোরনের পর আমরা এখন শান্ত। নিশ্চয় আমাদের মধ্যে আর কোন দু:খ আমাদের জমা নেই। জমা থাকলেও সেটা আমরা ভুলে যাবো। আজ থেকে অতীত নিয়ে আর কোন কথা হবে না। আজ থেকে নুতন করে আমাদের নুতন যাত্রা। গত দুইদিনে কার কি লাভ হয়েছে জানিনা তবে সি এস এম পেইজটা রিফ্রেস হয়ে নুতন যাত্রা শুরু করেছে। আমি আগেও বলেছি ঝগড়া বিবাদ করার জন্য আমাদের অনেক জায়গা আছে এখানে যখন আসব তখন সবাই যেন মনে রাখি এখানে আমি একজন স্টীলার, এখানে সবাই আনন্দ করবো তবে কাউকে কষ্ট না দিয়ে।এখানে আমরা বড়দের সম্মান করবো ছোটদের স্নেহ করবো। কোথাও কোন সমস্যা দেখলে শেয়ার করবো। পাশাপাশি এটাও খেয়াল রাখব গ্রুপ নয় ব্যাচ নয়, পছন্দ অপছন্দ নয় সবাই আমরা আপন।। আমি বিশ্বাস রাখি আমাদের সকল মেম্বার আবেগের কারনে,ভালবাসার তাগিদে সি এস এম মেম্বার হয়েছে।কেউ যদি আমাদের আবেগ আর ভালবাসা নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেস্টা করলে আমরা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করবো।আমার বিশ্বাস আমারা সি এস এম মেম্বাররা আজীবন ঐক্যবদ্ব থাকবো। ইনশাল্লাহ।

CSM এর পেইজে থাকাটা একটা নেশা হয়ে গিয়েছে। খুবই মুসিবতের কথা


ছোটবেলায় কমিকস আর তিন গোয়েন্দা পড়ার প্রচণ্ড নেশা ছিলো।পড়ালেখা না করে সারাদিন গল্পের বই পড়তাম। পড়ার টাইমে বইয়ের ফাঁকে গল্পের বই লুকিয়ে রেখে পড়তাম। এমনকি আম্মা আর রানা ভাইয়ার কাছে ধরা খাওয়ার ভয়ে কমিক্স বা গল্পের বই কোমড়ে গুঁজে ওয়াশ রুমে নিয়ে গিয়ে পড়তাম।আমার ভিলেন বড় ভাই রানাইয়্যা ওয়াশ রুমের কাছে ঘাপটি মেরে বসে থাকতো।আমি বের হওয়ার সাথে সাথেই আমাকে সার্চ করে গল্পের বই উদ্ধার(!?)করতো আর আম্মার কাছে complain করতো। কি যে মেজাজ খারাপ হইতো রানাইয়্যার উপর!!!!!

আজ সকালে ফায়ারিং রেঞ্জে সৈনিকদের ফায়ারিং করাচ্ছিলাম আর CSM এর পেইজের পোস্ট আর কমেন্টস পড়ছিলাম। টুকটাক কমেন্টসও করছিলাম।এর মাঝে ওয়াশ রুমে গিয়েছি মোবাইল সাথে নিয়ে। কমিটি গঠন সংক্রান্ত একটা কমেন্টের ব্যাপারে মতামত টাইপ করতে করতে এতোটাই বেহুশ হয়ে গিয়েছিলাম যে অনেকক্ষণ যে হয়ে গিয়েছে,সেদিকে আমার আর খেয়াল নেই।কমেন্ট পোস্ট করে বের হয়ে দেখি ওয়াশ রুমের সামনে আমার ফৌজ ভীড় করে আছে। আমি তো অবাক!! গতকাল অসুস্থ থাকায় অফিস যাইনি,এটা সবাই জানতো। ওয়াশ রুম থেকে বাহির হতে দেরী হওয়ায় সবাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলো এই ভেবে যে,"স্যারে আবার মইরা গেলো নাকি!!"আর একটু দেরী হলেই নাকি দরজা ভাঙতো!! কি যে এক বিব্রতকর অবস্থা!!! বারবার জিজ্ঞাসা করছিলো সবাই, আমি ঠিক আছি কি না?? কেমনে কই যে, ওয়াশ রুমে বসে CSM এর গ্রুপে বেহুশ হয়ে পড়েছিলাম??

CSM এর পেইজে থাকাটা একটা নেশা হয়ে গিয়েছে। খুবই মুসিবতের কথা।

আজকে কয়দিন যাবত সিএসএম পরিবারের উপর একটা বড় ঝড় বয়ে গিয়েছিল


আজকে কয়দিন যাবত সিএসএম পরিবারের উপর একটা বড় ঝড় বয়ে গিয়েছিল।আললাহর অশেষ মেহেবানীতে পরিবারের বড় ভাইয়েরা তা ঠিক করতে পেরেছেন।আসলে এ কথা ঠিক পরিবারে বড়রা হচছে ছোটদের সকল বিপদ আপদের ছায়া আর সকল সমস্যার সমাধানের গুরু।হাজার হাজার সালাম আর অগনিত দোয়া সকল বড় ভাইদের।এ না হলে কি আমাদের সিএস এম।একটা কথা অনেক বড় একটা লিখা লিখেছিলাম কত সময় ধরে কিনতু সেভ করতে জায় ডিলেট করি দিসি।কে জানি বেল দিচিল আর আমি মনে করছিলাম আমার শাশুড়ি, বাচ উলটা টিপ দিচি গেছে ডিলেট।আসলে এ কয়দিন সিএসএম এসবে মনটা অনেক খারাপ ছিল,আজ আবার ভাল।একটা কথা রাসেল ভাই আপনি আবার লেখা শুরু করেন।ছোট বোনের একটা অনুরুদ রাখবেন কিনতু।।শেষ কথা আমরা সবাই সিএসএম বাসী থাকবো মিলেমিশে,সব কিছু ভুলে গিয়ে।কয়দিনই বা থাকবো এ দুনিয়ায়। যতদিন বেচেঁ থাকবো সবাই মজা আর আনন্দ নিয়ে থাকবো।সবাইয়ের কাছ থেকে আরও সুন্দর সুন্দর লেখা চাই।।আললাহ্ যেন সবাইকে ভাল রাখেন।।

আমি সি এস এম এর নিরু বলছি


মজা ই মজাঃশুখের, দুখের, হাশির,যে যা পারো লিখ লাইক দাও, কম্মেন্টস কর।
এই ছাড়া অন্য কিছু মানে রাগ, অভিমান, কাইজ্জা (আবার আমাদের সি এস এম এর কাজি না কইলাম) কর।
আয় সি এস এম এর ভাই ও বোন রা আয়
রাগ করোনা "রাগ করলে শাখ" খাবে। 
"গোস্বা করোনা গোস্বা করলে ফোস্কা খাবে" আর এই খাওয়ার ছেয়ে সি এস এম পেইজ এর পোস্ট পড়া ,লিখা, লাইক দেয়া,কম্মেন্টস করা ১০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০ মজা, তাই আর কোন রাগ নয় হাঁসতে হাঁসতে আশো, মজা কর, গল্প লিখ, কতুক লিখ,মজার ও দুখের ঘটনা লিখ।
তবে শুরু হোক এখন থেকে এই আহবান করছি,আমি সি এস এম এর নিরু বলছি

আমার মা আমাকে বাইরের খাবার খাইতে নিষেধ করছে

- Pulak

আমি আর আমার এক বন্ধু গেলাম হোটেলে সিঙ্গারা খাইতে।
গরম গরম চারটা করে সিঙ্গারা আসলো দুই বন্ধু খাওয়া শুরু করলাম
হঠাত্ লক্ষ্য করলাম বন্ধুটা শুধু ভিতরের আলু গুলো খাচ্ছে।আমি জানতে
চাইলাম এরকম করতিছিস ক্যান।ও
আমাকে বলল তুই বুঝবি না।
.
.
আমার মা আমাকে বাইরের খাবার
খাইতে নিষেধ করছে।
-----------------------------------------------------------
মরাল অফ দা স্টোরিঃঃ আপনারাই বলুন ??????

গতকাল আমি এই পেজের এডমিন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেই


গতকাল আমি এই পেজের এডমিন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেই। এবং সম্পূর্ন সুস্থ মস্তিস্কে ও কারো দ্বারা প্ররোচিত না হয়েই এই সিদ্ধান্ত নেই। আপাত দৃষ্টিতে সিদ্ধান্ত টি সঠিক ছিলো বলে মনে করি। 

তা স্বত্তেও আবারো এডমিনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ছোট ভাই বোন দের অনুরোধ, বড় ভাইদের আদেশ অনুরোধ, দুটি ছোট ভাইয়ের গতকাল আমার অফিসে এসে অনুরোধের পর অনুরোধ, এমন কি দেশের বাইরে থেকেও এক বাল্য বন্ধুর অনুরোধ আর ফোনের পর ফোন আমাকে রীতিমত দ্বিধায় ফেলে দিয়েছিল, তাহলে আমি কি ভুল করছি? এত গুলো মানুষের ভালোবাসা স্নেহ নেওয়ার আমি যোগ্য নই, তারপরেও আমার পরম সৌভাগ্য আমি এত গুলো মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছি, এত ভালোবাসা স্নেহ দূরে ঠেলে দেওয়ার ক্ষমতা আমাকে দেওয়া হয়নি, এই ভালোবাসার স্নেহের লোভ উপেক্ষা করার মত মহা পুরুষও আমি নই।

আমাদের গ্রাণ্ড আড্ডায় খরচের পর যে টাকা টা রয়ে গিয়েছিলো, তা সিএসএম এর দুজন দুস্থ মানুষের সহায়তায় প্রদান করা হয়েছে


আমাদের গ্রাণ্ড আড্ডায় খরচের পর যে টাকা টা রয়ে গিয়েছিলো, তা সিএসএম এর দুজন দুস্থ মানুষের সহায়তায় প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি অংশ চিটাগাং এ লিটন ভাই (শামসু নানার ছেলে) এর স্ত্রী এর চিকিৎসা সহায়তায় দেয়া হয়েছে। বাদ বাকী ৩৩০০০ টাকা স্টিল মিলের প্রাক্তন কর্মী জনাব হারুন সাহেবের চিকিৎসা সহায়তার জন্য রাখা হয়েছিলো। এবং নাজমুল ভাই বিষয় টি অনেক আগেই পোস্টের মাধ্যমে সকল কে অবহিত করেছেন। আমার বলার বিষয় হচ্ছে , যেহেতু উনি ( জনাব হারুন) ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, সেহেতু সেই টাকা উনার নিকট পৌঁছানোর দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়েছিলো, কিন্তু উনি বর্তমানে ডেমরা সারুলিয়ায় বসবাস করছেন বিধায় আমার পক্ষে গুলশান বা মিরপুর থেকে গিয়ে সেখানে ঐ টাকাটা পৌঁছানো একটু সময় সাপেক্ষ ছিলো, তাই জনাব হারুন সাহেবের সাথে কথা বলার পর গতকাল বিকাশের মাধ্যমে উনার নিকট এ ৩৩০০০ টাকা পৌছনো হয়েছে।
সবাইকে শুভেচ্ছা।

আমরা পারবো, আমাদের পারতেই হবে


এডমিন বাড়ানো কিংবা কমিটি গঠন নিয়ে আমার দ্বিমত আছে। এডমিন কিংবা কমিটি গঠন করলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তা কিন্তু না। ছোট এডমিন দিয়ে গ্র্যান্ড আড্ডার মত বড় আয়োজন করতে পেরেছি।গ্র্যান্ড আড্ডার পর সবাই যেন কেমন হয়ে গেছে। আমাদের সবাইকে আরো সহনশীল হতে হবে। ব্যক্তিগত আক্রমন বন্ধ করতে হবে। ছোট বড় কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমন করা যাবে না। কারো সাথে আমার হয়তো মতের মিল নাও হতে পারে তাই বলে আমি কাউকে অপমান করতে পারবো না। এটা সবাইকে মানতে হবে। আমি মনে করি আমরা সবাই একই পরিবারের সন্তান। একই পরিবারের সন্তান হলেও মতাদর্শ ভিন্ন হতে পারে। আমার কারো সাথে মতবিরোধ দেখা দিলে আমি সিনিয়রদের সাথে কথা বলে আমি বিরোধ মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করবো। আমি চেষ্টা করবো তৃতীয় পক্ষ যেন এ থেকে কোন ফায়দা লুটতে না পারে। একটা বিষয় প্রায়শঃ লক্ষ করি আপনজনেরা মারামারি করে আর আশে পাশের লোকেরা হাততালি দেয়। আমরা কেন এই সুযোগ দিব? সমস্যা বড় হওয়ার আগেই সবাই মিলে দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো। আমরা কি তা পারি না? আমার মনে হয় পারবো। শুধু দরকার সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ।

যথেষ্ট হয়েছে। আর একটা কথা সুনতে চাইনা


যথেষ্ট হয়েছে। আর একটা কথা সুনতে চাইনা। আমাকে আমার ভাই বোনেরা যা কিছু বলেছে, আমি ভুলে গেছি। তোমরা ভুলে যাও। আমি আতিক কে বলছি, এই মুহুর্তে তুমি তোমার এডমিনে ফিরে যাও।আমি বড় ভাই, আমি তোমাকে আদেশ করতেছি।

আর, আজ সকালে আমার একটি পোষ্ট আছে, জসিম/নাজমুল/শাহিন/নিরু, তোমরা একটি মনিটরিং টিম করো। অবশ্যয় আমাদের দুইজন সম্মানিত এডমিন সহ। যাতে আমাদের এডমিনরা, মতামতের ভিত্তিতে সহজেই পেজের সার্থে, ভালো একটা সির্ধান্ত নিতে পারবে। আমি কোন ঝগড়া দেখতে চাইনা। ভালো থাকো সবাই এবং তোমরা তোমাদের গল্প/কবিতা লেখা সুরু করো।

এই পেজটি ভালোবাসার পেজ। এটি কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান না। ভালোবাসার জয় হোক।

দুপুর ৩টা কি ৩.৩০ বাজে বৈশাখ মাসের শেষের দিক আম পাঁকার সীজন


দুপুর ৩টা কি ৩.৩০ বাজে বৈশাখ মাসের শেষের দিক আম পাঁকার সীজন,এই ভর দুপুরে কলোনীর সবাই একটু বিছানায় গা এলিয়ে দেয়,আর চাচারা তো আফিসে দরকার না হলে এই দুপুর বেলায় ঘর থেকে কেউ বাহির হয় না, আমাদের বাসা তখন C/3 তে, মনের ভুলেও দুপুরে ঘুমানো হতোনা,কোন মতে সুযোগ পেলে মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাসা থেকে বাহিরে চলে যেতাম,এই জন্য কতো যে মায়ের হাতে মার খেয়েছি, গরমের জালায় প্যানট পড়তাম না,বাবাকে বলে একটা লুঙি কিনলাম,তো একদিন সুযোগ মতো নতুন লুঙি পড়ে সোজা নিচে ডালিমদের বাসায়,ডালিমদের বাসায় আমার অবাধ যাতাযাত ছিল, বাসায় গিয়ে দেকি ডালিম বাসায়, দুজনে বসে আর কতো আডডা দেয়া যায়, তাই দুজনে বাসা থেকে বাহির হলাম,বাসা থেকে বাহির হওয়ার পর দেখি রাস্তা সুনসান নিরবতা,হটাৎ ডালিম বললো চল আম চুরি করি আশে পাশে আম গাছ ছিল জুনাইদ ভাইদের আমার দোস্ত বদরুলদের, দুপুর বেলায় জানি কেউ দেখবেনা তাই দুজনে গাছতলায়, তখন শুকনা হালকা পাতলা ছিলাম, আমি সোজা গাছে উপরে আর ডালিম নিচে দাড়িয়ে আছে কেউ আসলে আওয়াজ দিবে,গাছে উঠে মনের সুখে আম পাড়তাছি আর লুঙি ভাজ করে লুঙি মধ্যে নিতাছি,হঠাৎ নিচে থেকে জোরে ডাক আসলো মনিরুল নিচে নেমে আয় নিচে তাকিয়ে দেখি কোথায় ডালিম নিচ থেকে জোনাইদ ভাই ডাকতাছে, জানি হাতের মধ্যে পাইলে খবর আছে তাই আম সহ সোজা নিচে লাফ দিয়া ভোঁ দোড়, নামার সময় হালকা ফড়াৎ আওয়াজ পেয়েছিলাম,এক দোড়ে Cটাইপ মাঠের পাশে দেখি ডালিম বসে আছে,ডালিম কে গিয়ে তো বকাঝকা কিরে জোনাইদ ভাই বাসাথেকে বাহির হইলো আওয়াজ দিলি না,ডালিম কইলো জোনাইদ ভাই বাস থেকে আসে নাই বাহির থেকে আসছে দেখি নাই, ডালিম আমাকে বলে কিরে তোর লুঙি ছিড়া কেন,ডালিম বলার পর হুশ হলো তাকিয়ে দেখি আমার নতুন লুঙি অনেক খানি পাড়া এই লুঙি নিয়ে বাসায় ডুকলে খবর আছে, ছিড়া লুঙি নিয়ে সোজা বাজারে বেশির ভাগ দোকান বনধ,কি করি সামনে এগিয়ে দেখি মালেক স্যারের দোকানের পাশে একটা টেইলাস এর দোকান খোলা আছে,দজি ছিড়া লুঙি দেখে যা বুঝার নিলো বললো ১০টাকা লাগবে কারো কাছে টাকা নাই দজির হাত পায়ে ধরে বললাম পরে দিয়ে যাবো এই মমে আমার লুঙিটা ছিলাই করে দিলো,বহুদিন পর দজির ১০টাকা পরিশোধ করছি,ঐ ১০ টাকা জোগাড় করতে খবর হয়ে গিয়াছিলো,আম ও গেলো লুঙিও গেলো ১০টা টাকা ও গেলো পেলাম কি একটা দুই ছিলাই করা লুঙি

গত রাতে দুটো প্রশ্নের উত্তর খুব বিনয়ের সাথে জানতে চেয়েছিলাম, আমি জানি ওই প্রশ্নের উত্তর আমি পাবোনা।


এক দিক থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার পরও আমরা চুপ থাকি, অবস্থা পর্য্যবেক্ষন করতে থাকি, কেউ মজা নিতে থাকি, কেউ বা দ্বিধাজনক অবস্থায় থাকি, কেউ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি তে থাকি। এর মধ্যে যা সর্বনাশ হওয়ার তা হয়ে যায়, বিশৃঙ্খলা চারিদিক থেকে শুরু হয়ে যায়, তখন অনেকের টনক নড়ে। এই করতে হবে, সেই করতে হবে কত কিছু। অনেক টা গ্যাস দুর্ঘটনার পর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের নড়েচড়ে বসা, এদিকে আগুন লেগে তো পুরো পরিবার আগেই শেষ। প্রাথমিক অবস্থায়ই সিদ্ধান্ত নিলে হয়ত বিশৃঙ্খলা টা হতোনা।কিছুদিন আগে আমার দুয়েক টি পোস্ট আপত্তিকর মনে হওয়ায় এবং বিতর্কিত মনে হওয়ায় সিনিয়র ভাইদের অনুরোধে বা আদেশে পোস্ট দেওয়ার দশ মিনিটের মধ্যে পোস্ট টি সরিয়ে নেই। আমার বেলায় এতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া গেলে অন্য জায়গায় কেনো নেওয়া যাচ্ছেনা। কোথায় সমস্যা?

গত রাতে দুটো প্রশ্নের উত্তর খুব বিনয়ের সাথে জানতে চেয়েছিলাম, আমি জানি ওই প্রশ্নের উত্তর আমি পাবোনা।

মজা করব,আড্ডা দিব,পচবো,পচাবো


মোজাম্মেল ভাই, টলি ভাই, রেজা ভাই, জিয়া ভাই, জসিম ভাই, মাসুক ভাই, নাজমুল ভাই, নিরু ভাই,আতিক ভাই, অপু ভাই, কমু ভাই, বন্যা বুবু, নাহিদ আপু,বাবু,অপু,সামি,তারেক,মইনু,টিটু,মাবু,পুলক,টিপু, জাবেদ,টিংকু,নমি,রাসেল,হিমেল,সুজন,মক্তা,রনি,হাসনাত,শায়লা,আপেল,নাসের,সজীব,বীথি,তানজিনা,তানিয়া,টিপু,রাজিব।সবার নিকট আবেদন আমরা সবাই যেন আমরা আমরা যে পেজ সৃষ্টি করিয়াছি তার বন্ধন যেন সহজে ভেঙে না ফেলি।বড় ভাইদের নিকট আবেদ যেমনে পেজ সুন্দর চলছিল আড্ডা আগ থেকে তা যেন আপনারা ছোটদের মাধ্যমে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।কারণ মাবু আজ খুব সুন্দর করে একটা ব্যাখ্যা দিয়েছে।

আমরা আমরাই।মজা করব,আড্ডা দিব,পচবো,পচাবো।

আমি এ ধরনের কোন লেখা লিখে অভ্যস্ত নই


আমি এ ধরনের কোন লেখা লিখে অভ্যস্ত নই, তা ছাড়া এতো দিন এডমিন নামক একটি দ্বায়িত্বের মধ্যে ছিলাম (যদিও আমি নিজে এখনো জানিনা, আমি কি দায়িত্ব পালন করেছি) তাই যা তা আমি লিখতে পারিনা। আজ যেহেতু দায়িত্ব মুক্ত তাই এখানের সবার প্রতি বিনয়ের সাথে দুটো প্রশ্ন।

  1. আমি বা কেউ যদি কাউকে কটু কথা বলে এখান থেকে বহিষ্কৃত হই , পরবর্তী তে ছয় ঘন্টার মধ্যে পুনরায় ফিরিয়ে আনার স্ট্রং লবিং পাবো কিনা?
  2. যদি কোন মতে ফিরে এসে আবারো কটু কথা বলে পরে ক্ষমা চেয়ে পার পাওয়া যাবে কিনা? কাউকে উদ্দেশ্য করে নয়, নিতান্ত সাধারণ কৌতুহল থেকে জানতে চেয়েছি।

সি এস এম কলোনি র অামাদের এই বোনটিকে অামরা কি চিনি?


দিনভর ক্লাসে ডুবে থাকা। এরপর বিকেল থেকে রাত ১০টা অব্দি টিউশনির তাগাদায় এ বাড়ি ও বাড়ি। তারপর গভীর রাত পর্যন্ত নিজের পড়াশোনায় মনোযোগ। সঙ্গে পরিবার টেনে নেওয়া-সেখানেও তিনি।

এসব কিছুর একটাই প্যাকেজ-‘ফারহানা ইয়াসমিন’। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
সারাদিন ক্লাস করার পর অন্য বন্ধুরা যখন একটু জিরিয়ে নেওয়ার আয়েশে থাকতেন- তখন তিনি দেদারসে টিউশনি করছেন। ‍বন্ধুরা যখন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন তিনি মাঠে, একটি ব্যাংকের সেলস এক্সিকিউটিভ।


এতকিছুর পরও ছন্দপতন হয়নি ফলাফলে। নিছক মনের জোরেই স্নাতকে ৩ দশমিক ৭৯ পেয়ে হয়েছিলেন প্রথম।
ফারহানার সে কৃতীত্ব হয়েছে পুরস্কৃত। চলতি বছর প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেয়েছেন তিনি। ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে নিয়েছেন পদক আর সনদ। প্রতিবন্ধকতার সব শেকল ভেঙে যুদ্ধজয়ী সোনার মেয়ে।

ভাবছিলাম মান-অভিমান নিয়ে কোন কথা বলব না


ভাবছিলাম মান-অভিমান নিয়ে কোন কথা বলব না।এখন দেখি আমার দোস্ত আতিক ও অভিমান করেছে।আতিক তোরা সিএসএম -এর বড়াভাই ও ছোটভাইরা মিলে এই পেইজের মাধ্যম আমাদের সকলকে একসাথে করেছিস। এই পেইজ সৃস্টি না হলে আমরা এমন সফল আড্ডা দিতে পারতাম না। তারেক .লিটন ভাই এর wife.নিরু মামার অসুখের খবর আমরা কি জানতে পারতাম।বড়াভাই ও ছোট ভাই সবাই মিলে সহযোগীতা করছ।আর তোরাই যদি রাগ করিস তাহলে চিটাগাং ঢাকার বাহিরে আমরা যারা আছি তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলব।এক মায়ের ঘর থেকে পাচ ছেলে পাঁচ রকম হয়।আর আমরা দশ মায়ের ঘরের, দশ রকমের।তাই সবার কথা মনে ধরতে নেই। সব ভুলে আমরা আবার আগের মত হয়ে যাই ।অন্যরা যাতে আমাদের নিয়ে মজা করতে না পারে।

Wednesday, March 9, 2016

স্বপ্ন ভঙ্গ এবং স্বার্থপর দৈত্য


সুজনের পরিসংখ্যান দেখে যখন আস্তে আস্তে গ্রুপে লিখার সং্খ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছিলাম তখন এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে ভাবিনি।ছোটবেলায় একটা গল্প পড়ছিলাম যে ছোট কিছু ছেলেমেয়ে একটা বাগানে খেলতে আসত।সেখানে তারা অনেক আনন্দে সময় কাটাত।কিন্তু বাগান ছিল এক দৈত্যএর।তাই সে দেয়াল তুলে দিয়ে বাগানের চারপাশে শিশুদের খেলাতে বাধা দেয়।

আমরা যারা কলোনি ছেড়ে অনেকদিন আগে চলে এসেছি,তারা এই পেজে মনের কথা লিখে,আড্ডা দিয়ে সেই সব শিশুদের মতই আনন্দ পেতাম।কখনো ভাবিনি তাদের মত আমাদের এই আনন্দ বাড়ি তে বাধা আসবে।দৈত্যএর মত কেউ দেয়াল তুলে দিয়ে শোকের বাড়ি বানিয়ে দিবে।তারপরেও রুপকথার গল্প মনে হয় সবসময় সত্য হয় না।আমিও চাইনা সত্য হোক।খসে পড়ুক সেই দৈত্যএর দেয়াল।মেতে উঠুক আনন্দ বাড়ি