Wednesday, June 8, 2016

ঘটনা কি?


ঘটনা কি? সবাইরে কি রোজা কাহিল করে দিলো নাকি,আমাগো Atiq Csm কোনে,কলোনী এতো চুপচাপ ক্যা,নামাজের পর তো হগলের ইউনুস এর দোকানে পান সিগারেট এর জন্য লম্বা সিরিয়াল ধরা লাগতো আজ দুইদিন দেখি দোকান পুরাই ফাঁকা,রোজা রাইখা হগলে কি সারাদিন ঘুম পাড়তাছে নাকি,ডাব গাছ গুলি হাঁ কইরা তাকাইয়া রইছে আর মনে মনে কইতাছে ডাবের ভারে তো আমি নুইয়া পড়তাছি কেউ ডাব পাড়ে না কেন?সকাল বিকাল খাল পাঁড়ে ও ভিড় হয় না হগলে কি তাস খেলা ভুইল্লা গেলো নাকি,বিকালেও দেখি ছোড ছোড বোনেরা ইফতার নিয়া এই বাসা টু ওই বাসা দোড়াদৌড়ি ছাইড়া দিলো,একটু পর তো আবার মিলের সাইরেন শুরু হইয়া যাইবো, ঘটনা কি হগলে কনচেন দেহি।

রোজার সময় স্কুল বন্ধ থাকত


রোজার সময় স্কুল বন্ধ থাকত।আমরা সকাল ১০ টা থেকে প্রায় দুপুর এ যোহরের আযানের আগ পযর্ন্ত ৫ নাম্বার বিল্ডিং এর পাশে সুমনদের নারকেল গাছের নিচে দাবা খেলতাম।কে সবচেয়ে ভাল খেলে তা তখন দেখা যেত।আযানের আগে আগে বাসায় গিয়ে গোসল করে মসজিদে।তখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরতাম সব দল বেধেঁ মসজিদে।আসরের আযানের অনেক আগেই মসজিদে যেয়ে বসে থাকতাম।হাসানের( ৯৪ ব্যাচ)চাচা আযান দিত।তার আযান এর টান ছিল সেইরকম সুমধূর।এখন তিনি কোথায় আছেন তা এখন জানি না।

সবাই কে আল্লাহ সুস্থ ভাবে বাকী রোজা রাখার তৌফিক দান করুন আমিন।

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে (BMA) চলা সার্কাস নিয়ে লিখার ইচ্ছা ছিলো অনেকদিনের


হাঃহাঃহাঃ !!!! বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে (BMA) চলা সার্কাস নিয়ে লিখার ইচ্ছা ছিলো অনেকদিনের | দুই বছরের কাহিনী একহাজার পাতার উপন্যাসেও বোধহয় লিখে শেষ করা যাবে না | ২০০৪ সালের ২০ জানিয়ারি মঙ্গলবার বিকেল চারটায় BMA নামক চিড়িয়াখানায় জয়েন করি | গেইট দিয়ে ঢুকার সাথে সাথেই সার্কাস শুরু !! ডায়নিং হলে শুধু খাবারের চেহারা দেখতে যেতাম | পেট ভরাতাম টয়লেট চেপেছে বলে বাথরুমে এসে কলের পানি খেয়ে | চারদিন পর শুক্রবারে ওযুর নাম করে ঢকঢক করে পানি খাওয়ার কথা ভুলবো না কোনোদিন ও | এরপর মসজিদে ঢুকে..... আহ!!! শান্তি !!!!!! ঘুম !!!!!! 


জীবনে মাথা ব্যাথা হয়নি এমন মানুষ পাওয়া মনে হয় মুশকিল


জীবনে মাথা ব্যাথা হয়নি এমন মানুষ পাওয়া মনে হয় মুশকিল। মাথার ব্যাথা অনেকের জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাড়ায়। মাথা ব্যাথা সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে 90% এরও বেশী মানুষের মধ্যে দেখা যায়। মাথা ব্যাথা প্রায়ই একটি benign recurrent disorder (যা ক্ষতিকর না, কিন্তু বার বার হয়) হিসাবে দেখা যায়; তবে কিছু মাথা ব্যাথা হতে পারে সর্বনাশা অবস্থার প্রতিফলন। (যেমন ব্রেন টিউমার বা ব্রেন স্ট্রোক এর মাথা ব্যাথা).

দুটি খুব কমন মাথা ব্যাথার কারণ নিয়ে আলোচনা করার আগে মাথা ব্যাথার সাথে কি কি থাকলে বা মাথা ব্যাথার ধরন কি রকম হলে দেরী না করে অব্যশই মেডিকেল attention দরকার তা বলে নিব:
এগুলোকে বলা হয় মাথা ব্যাথার red flag sign --

১. মাথা ব্যাথার আকস্মিক সূত্রপাত বা অশনিপতন হামলা (thunderclap attack) [এইটার বাংলা টা হয়ত ঠিক হয়নি] . 
২. জীবনের সবচেয়ে খারাপ মাথা ব্যাথা।
3. মাথা ব্যাথার মৌলিকব প্যাটার্ন পরিবর্তন বা ক্রমেই মাথা ব্যথার অগ্রগতি হওয়া। 
৪. মাথা ব্যথার সাথে অস্বাভাবিক শারীরিক পরীক্ষার ফলাফল (Abnormal physical examination findings).
৫. মাথা ব্যথার সাথে Neurologic symptoms ১ ঘন্টার বেশী স্থায়ী হওয়া I 
৬. ৫ বছর এর কম বা ৫০ বছর এর বেশি বয়সী ব্যক্তিদের নতুন মাথা ব্যাথা। 
৭. ক্যান্সার, immunosuppression রোগী (যেমন HIV patient), অথবা গর্ভাবস্থায় নতুন মাথা ব্যাথা। 
৮. মাথা ব্যথার সাথে চেতনার পরিবর্তন বা হ্রাস। (Headache associated with alteration in or loss of consciousness)
৯. যে মাথাব্যথা আরম্ভ হয় যৌন কার্যকলাপ বা Valsalva maneuvers [মলমূত্র ত্যাগ করার সময় কোত দেয়ার condition] দ্বারা।

Tuesday, June 7, 2016

রোজার প্রথম ১০ দিন হল রহমত এর দিন


রোজার প্রথম ১০ দিন হল রহমত এর দিন, রহমত এর ১০ দিনের ১ দিন আজ পার করলাম খুব ভাল ভাবে কোন কস্ট ই অনুভব হয় নাই তেমন গরম ও লাগে নাই সবই আল্লার ইচ্ছা,আমি আমার কথা বললাম আমি সবার কথা জানি না, তবে আশা করছি সবাই খুব ভাল ভাবে রোজা ও নামাজ পড়ে রহমতের প্রথম দিন পার করেছেন,আল্লাহ আমাদের কে বাকি দিন গুলো নামাজ ও কোরান পড়ে ,রোজা রেখে পার করার তোফিক দান করুক।সবাই আমার সাতে এক মত হবেন আশা করছি।আমিন।

এক ছোট ভাইয়ের অনুরোধে ঢেকি গিলি....


"রোজা মোবারক"
কলোনীর প্রথম সময় কার কথা।১৯৮৮-৯০ সময় কাল টা এমন।
ক্লাস থ্রিতে পড়ার সময় প্রথম আসি কলোনীর সি/১০/এ তে।বাচ্চা কাল,এক দংগল বাচ্চাকাচ্চা খেলার সাথী মিলে গেল।সারা বিকেল হৈ হৈ রৈ রৈ, খেলা ধুলা।বাসার সামনে বড় একটা মাঠ।মেয়েদের খেলার দখলেই থাকত সারা বিকেল।কত ই বা বয়স এক এক জনের? ফ্রক পড়া আউলা ঝাউলা চুলে মাঠ ধাপিয়ে বেড়ানো বাচ্চা মেয়েগুলা তখন রংগীন শৈশবে দৌড় ঝাপে ব্যাস্ত।।
নিত্য খেলার পর মাগরেবের আজান দেয়ার সাথে সাথে মুরগী খোয়াড়ে ঢুকার মত তারাও বাসায় ঢুকে যেত।
ব্যাতিক্রম হাতে গোনা কয়েক দিন।
যেমন,শাওয়াল মাসের শুরু টা। বাচ্চা গুলা আরো অনেকের মত সন্ধ্যে হলেও বাসায় যেত না।গেলেও তিড়িং বিড়িং করে আজানের পর পর ই আবার মাঠে।
চোখ,সেই দূর আকাশের ওপারে।এ মাথা থেকে ও মাথা খোঁজাখুঁজি। আতিপাতি করে চলে চিরুনি অভিযান।কই কই কই????
হঠাৎ ই হয়ত কারো চোখের কোনে ধরা পড়ে এক ফালি চিকন রুপার বক্রপাত। উল্লাসের মাত্রা ছাড়িয়ে চিৎকার "ঐ তো রোজার চাঁদ "। সাথে সাথে চোখ জোড়া চলে যেত নিদৃষ্ট কোনে। নতুন চাঁদ দেখে নাকি সালাম দিতে হয়।তাই হাত ও উঠে যেত সালামের ভংগিতে। এক দিকে মিলের সেই সাইরেন বেজে উঠতো রোজার আগমন বার্তা জানিয়ে দিতে, অন্যদিকে মসজিদে আজান।

শুরু হয়ে গেলো সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস


শুরু হয়ে গেলো সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস। বারোটি মাসের মাঝে ব্যাতিক্রমী একটি মাস। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে জীবনের প্রতিটি রমজান মাসই সম মর্যাদার। কিন্তু আমি যখন আমার "ব্যাক্তি বা সামাজিক জীবনে রোজার মাস" নিয়ে চিন্তা করি তাহলে নির্দিধায় বলা যায় কলোনি জীবনের মত এতো মজার রমজান মাস আর কখনওই পাবোনা। 
কলোনিতে রমজান মাস আমাদের কাছে যত না ধর্মীয় ব্যাপার ছিল তার চেয়ে বেশি ছিল কলোনির সামাজিক উৎসব। এর ওর বাসায় ইফতার আদান প্রদান ছিল সেই সামাজিকতার অন্যতম অনুষঙ্গ। এমনকি অন্য ধর্মাবলম্বী রাও এ উৎসব থেকে কখনো বাদ পড়তোনা। 

আজকাল কার দিনের মত রোজার সময় স্কুল কলেজ গুলো খোলা থাকতো না, ছিলনা পড়াশোনার যান্ত্রিক চাপ। অনেকটা রিলাক্স মুডেই মাস পার করে দিতাম। জোহর নামায শেষে ক্যারাম, দাবা অথবা দিন ব্যাপী কার্ড খেলা, আছর নামাজ শেষে একটু আড্ডা। ইফতার শেষে দলবেঁধে মাগরিবের নামাজ তারপর জেক্সে গিয়ে সিগারেট আর চা য়ের তুমুল আড্ডা। তারাবির সময় নামাজ ফাঁকি দিয়ে পড়ে থাকতাম আম গাছ আর ডাব গাছের কাছে। অথবা বিশেষ কারো সাথে এক টুকরো হাসি আদান প্রদান।আরো কত কিছু।

আসলে সেই দিন গুলির কথা কখনো লিখে বা বলে শেষ করা যাবেনা বা কাউকে বোঝানো যাবেনা।

Monday, June 6, 2016

রমজান ও রমজানের চাঁদ


সেই ছোট্ট বেলা, ক্লাস 5/6 এ পড়ি, স্টীল মিল কলোনীতে যখন ছিলাম তখন আজকের এই সন্ধ্যার মত কোন সন্ধ্যায় F-type এর 7 নম্বর বিল্ডিংয়ের পাশের রাস্তায় কিংবা বড় মাঠে আমরা পুচকুরা সবাই জড়ো হতাম চাঁদ দেখার জন্য। আকাশে এদিক সেদিক উকি মেরে চাঁদ খুজতাম। যেই না কেউ একজন চাঁদ দেখতে পেত সাথে সাথেই চিৎকার দিয়ে জানান দিতাম। চাঁদ দেখে মন খারাপ হতো কারন আব্বা আম্মার প্রেসার ক্রিয়েট আর বকাঝকা শুরু হবে সেহেরির সময় থেকেই, রোজা রাখতেই হবে। 

আব্বা আম্মার বকুনী খেয়ে সেহেরীর সময় কত কস্ট করে যে ঘুম ভেঙ্গে উঠতাম সেটা এক আল্লাহ মাবুদই জানে। অনেক সময় ঘুমের ভান করে শুয়ে থাকতাম। কিন্তু আব্বা টেনেটুনে ঘুমন্ত আমাদেরকেই বসিয়ে দিত। সেহেরীর সময় কেন যে এতো মজার ঘুম হতো আর স্বপ্ন দেখতাম সেটা ইবলিশ হারামজাদাই জানে। অনেক কস্ট করে দুপুর পর্যন্ত কাটানোর পর পেটে চোঁ চোঁ শুরু হতো। ব্যাস মাথায় ইবলিশের বাচ্চা এসে ঘাঁপটি মেরে বসতো। তারপর নূর ছাফা কাকার দোকান থেকে জমানো টাকা দিয়ে এটা সেটা কিনে লুকিয়ে খেতাম। রোজা রাখিনি কেন কাকা জিজ্ঞেস করলে বলতাম, আম্মা নিষেধ করেছে, সেহেরীর সময় উঠায়নি। আবার কখনও আম্মা যেই না গোসল করতে যেত চুরি করে রান্না ঘরে যেয়ে খেতাম। এদিকে ইফতারের সময় ঠিকি আব্বা আম্মার সাথে একসাথে ইফতার করতাম। এই ছিল সেই সময়ের হালহাকিকত।

সবাইকে পবিত্র রমজানের আলোকিত শুভেচ্ছা


সবাইকে পবিত্র রমজানের আলোকিত শুভেচ্ছা|সংযমের মোহনীয় স্পর্শে সকলেই ভালো থাকবেন এটাই প্রার্থনা করি|যাঁরা ডায়াবেটিস বা প্রেশারের সমস্যায় তাঁরা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন|হঠাৎ হয়ত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লো বা পানিশূন্যতা ,লবণস্বল্পতা দেখা দিতে পারে|এজন্যে পূর্ণ বিশ্রাম,ঘুম,ধীরে কথা বলা,অতিরিক্ত তেল,ভাজাপোড়া না খাওয়া,ইত্যাদি মেনে চলা ভালো|সুষম সেহেরী ও ইফতার এবং নির্মল প্রার্থণায় সকলের রোজার দিনগুলো কাটুক আনন্দের সাথে,সুস্থতার সাথে| পরম করুণাময়ের মঙ্গলময় ছোঁয়া থাকুক সবার উপরে||

সকালেও জ্যামে পড়ছিলাম অফিস যাওয়ার পথে


সকালেও জ্যামে পড়ছিলাম অফিস যাওয়ার পথে, অফিসের কাজে বিকেলের দিকে অন্য এক এলাকায় গেছিলাম সেখানেও গেছি জ্যাম ঠেইলা। বাসায় ফিরার পথেও আখেরি জ্যাম। এর মধ্যে পোলার ফোনে আবদার জুড়াই দিছে তার জন্য ফ্রাইড রাইস নিতে হবে, পুরো রোজার মাস নাকি এই জিনিস আর পাওয়া যাবেনা।কি করা আর, ফ্রাইড রাইস কিনার জন্য বাসার কাছের এক রেস্টুরেন্ট এ নেমে গেলাম। অর্ডার দিয়ে বসে আছি। ওরে বাপরে!! রোজার আগের সন্ধ্যায়ও পুরো রেস্টুরেন্ট জুড়ে হাস্যময়ী লাস্যময়ী অপূর্ব সব ললনাদের ভিড়। রোজার আগের সন্ধ্যায় এতো ললনা কইত্তে আইলো।

তবে সময়টা খারাপ কাটলোনা।।

সকাল ৮. ২০ এ পল্লবি (আমার বাসা) থেকে বের হয়ে


সকাল ৮. ২০ এ পল্লবি (আমার বাসা) থেকে বের হয়ে মিরপুর ১২ নং -এ ১৫ মিনিট লাগলো গাড়িতে গ্যাস নিতে। এখন বাজে সকাল ৯.৩৫। পাক্কা ৫৫ মিনিট লাগছে মিরপুর ১২ থেকে বনানি আর্মি স্টেডিয়াম পর্যন্ত আসতে। অথচ ফ্লাইওভার দিয়ে এটুকু আসতে বড় জোড় ৮/১০ মিনিট লাগে। এখন গিট্টু মারা জ্যামের মধ্যে দাঁতে দাঁত চিপা বসে আছি। সামনে যে পরিমান জ্যাম দেখছি আল্লাহ পাক জানে আগামী কয় ঘন্টায় অফিসে (গুলশান ১) পৌছাতে পারব।
আবারো গুষ্টি কিলাইলাম আর খেতা পুরলাম এই শহরের।

কি কাকতালীয় ব্যাপার!! গাড়ি গুলো যখন জ্যামের মধ্যে ভেস্কাই পইড়া আছে ঠিক তখনই এফএম রেডিও তে গান বাজছে সঞ্জীব আর দলছুটের "গাড়ি চলেনা চলেনা"।

মোটরসাইকেল তার দ্রুততা,ও সৌন্দর্যের জন্য সবার কাছে খুব আদরণীয়


মোটরসাইকেল তার দ্রুততা,ও সৌন্দর্যের জন্য সবার কাছে খুব আদরণীয় ও জনপ্রিয় ছিল|চিরসবুজ উত্তমের সাথে স্কার্ফ পরিহিতা সুচিত্রাসেনের স্বপ্নের বাইকযাত্রা এ বাহনটাকে আরো স্বপ্নময় করে তোলে|আমি নিজেও বাহনটাকে দারুন পছন্দ করি| কিন্তু এখন মোটরসাইকেল দেখলেই একটা ধাক্কা খাই|কষ্ট পাই | দেশ এখন প্রাণঘাতী মোটরে চলে...কোথায় থামবে এ যাত্রা কে জানে? শুধু প্রার্থণা দুরের কাছের স্বজনেরা যে যেখানে আছে ভাল থাকুক,নিরাপদে থাকুক||

What a pleasant surprise!!!!


What a pleasant surprise!!!! সাড়ে এগারোটায় MRI করানোর জন্য MRI ডিপার্টমেন্টে ঢু মারতে যাবো,এমন সময়ে @Nashid Shormi আপুর ফোন | স্বভাবসুলভ মাফিয়া ডন স্টাইলে জিজ্ঞাসা করলেন, "কি রে !! CMH এ ভর্তির নাম কইরা ঘুইরা বেড়াইতাছস, না??" আসমান থেকে পড়লাম, "মানে"!!! বললেন, "তোর কেবিনের সামনে দাঁড়াই আছি" | VIP patient থাকায় আমার মতো non VIP'র MRI করার সিরিয়াল পিছিয়ে দেওয়ায় খুশিই হলাম যে, সারপ্রাইজ দিতে গিয়ে শর্মি আপুরে সারপ্রাইজড হতে হলো না | তাড়াতাড়ি কেবিনে ফিরে গেলাম| আপু রেডিসনে যাচ্ছিলেন উনার অফিসের কাজে| CMH এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এই অধমের সাথে দেখা করতে এসেছেন | আজ ঢাকায় বৃষ্টি পড়ছে সকাল থেকেই | সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজটা দিয়ে বল্লেন, " দুই ভাইবোন মিলে বৃষ্টি সেলিব্রেট করবো বলে গরুর কালাভূনা আর চিকেন বিরিয়ানি নিয়া আসছি | ব্রেকফাস্ট করি নাই | ক্ষুধা লাগছে | প্লেট,গ্লাস আনা | খাইদাই চইলা যামু | দৌড়ের উপ্রে আছি !!"

অসম্ভব ভালোলাগায় মনটা ভরে গেলো | তাড়াহুড়ো করে ভাইয়ের সাথে লাঞ্চ করেই দৌড় দিলেন অফিসের কাজে | প্রচন্ড ব্যস্ত একজন মানুষের অফিস টাইমের প্রচন্ড ব্যস্ততার মাঝে সামান্য সময় বের করাটা কতোটা difficult, তা বুঝার জন্য এক ছটাক মগজই যথেষ্ট | আপুর আন্তরিকতার অসম্ভব মুগ্ধ হয়েছি | চাকুরীর সুবাদে কলোনি টাইপের environment এ থাকলেও স্টীলমিল কলোনির সবার যে পারস্পরিক আন্তরিকতা, তার ছিটেফোঁটাও কোথাও পাইনি | Thanks a lot Shormi Apu for the pleasant surprise. Blessed getting sisters like you. 🙂🙂🙂
*** শর্মি আপুর সাথে হেলফি তুললাম | Btw, হাসপাতালে যে সেলফি তোলা হয়,তাকে হেলফি বলে !! (শর্মি আপুর আবিষ্কার) 

Heat stroke এ প্রাথমিক ভাবে কি করা যায় তাই নিয়ে একটু আলোচনা করব আজ


আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল শেষ হয়ে বর্ষা আসি আসি কিন্তু গরমের মাত্রা কমার কোনই লক্ষণ নাই। এই অতিরিক্ত গরমের জন্য হতে পারে কিছু অসুবিধা হতে পারে। যেমন heat rash (বা ঘামাচি), heat exhaustion, heat cramp এবং heat stroke. Heat rash, Heat exhaustion, heat cramp তেমন লাইফ threatening কোনো condition না। কিন্তু heat স্ট্রোক একটি লাইফ threatening condition যা থেকে মানুষ মারা যেতে পারে। Heat stroke এ প্রাথমিক ভাবে কি করা যায় তাই নিয়ে একটু আলোচনা করব আজ।

Heat rash (তাপ ফুসকুড়ি), [ঘামাচি নামে পরিচিত], ঘামের ফলে ত্বক এ যে ত্বক সৃষ্ট জ্বালা হয়, তাই তাপ ফুসকুড়ি (heat rash) .গরম পরিবেশের মধ্যে কাজের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা এটা।

Heat exhaustion কাকে বলে: অনেক ঘাম বের হবার ফলে পানি ও লবণ শরীর থেকে বের হয়ে যায়, ফলে শরীরের প্রতিক্রিয়া হয়. এখানে কোর তাপমাত্রা হয় 37 ° সেলসিয়াস (98.6 ডিগ্রী ফারেনহাইট) থেকে 40 ° সে এর মধ্যে। এর সাথে আরো থাকে মাথা ঘোরা, তৃষ্ণা, দুর্বলতা, মাথা ব্যাথা, এবং অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ। heat exhaustion এ আমাদের central nervous system (কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র) এর বিকৃতি ঘটে না যেমনটি হয় heat stroke এ। সাধারণত সঠিক hydration ও cooling এর মাধ্যমে এর সমাধান হয়।

Heat cramps হয় heat exhaustion এর মত শরীর থেকে ঘামের মাধমে লবন ও পানি বের হয়ে গিয়ে হয়। এখানে লবন কম হবার জন্য মাংসপেশিতে ব্যথা হয়। ক্লান্ত পেশী, যা ঐ কর্ম সম্পাদন করার জন্য ব্যবহৃত হয়, সাধারণত সেই পেশী গুলো বেশি ব্যথা করে। heat cramp কাজ করার সময় বা কাজের পর হতে পারে। প্রচুর পানি বা ওরাল rehydration saline (ORS) খেলে heat cramp প্রতিরোধ করা সম্ভব।

Sunday, June 5, 2016

আমার আখড়ায় বিশিষ্ট কবি Ripon Akhtaruzzaman ভাই তশরিফ রেখেছেন


আমার আখড়ায় বিশিষ্ট কবি Ripon Akhtaruzzaman ভাই তশরিফ রেখেছেন | রিপন ভাইকে ধন্যবাদ আমাকে সময় দেওয়ার জন্য | এছাড়াও ,কুলাংগার আমি Ahsanul Tarique ভাইরে ফোন দিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার ভদ্রতাটুকু না করলেও উনি ঠিকই আমাকে ফোন দিয়ে খবরাখবর নিয়েছেন | এছাড়াও , সবাই কমবেশি খবরাখবর নিচ্ছেন | CSM পেইজ সৃষ্টির আগে আমার মায়ের পেটের তিন ভাই ছিলো | পেইজ সৃষ্টির পর মায়েদের পেটের অগুনিত ভাইবোন পেয়েছি , যাদের আন্তরিকতায় নিজের মায়ের পেটের ভাইদের আন্তরিকতার ছোঁয়া পাই | I'm blessed being a member of CSM family. 

By the way, সেলফি তুললে গাল এত্তো বড় আসে ক্যারে !!! 

সকাল থেকেই তারিকের কেবিনে আছি


সকাল থেকেই তারিকের কেবিনে আছি। গতকাল ও আজকে MRI, ECO, ECG, বুক ও ঘাঁড়ের X-Ray করানো হয়েছে। আজো খুব সকালে ব্লাড, ইউরিন নিয়েছে বিভিন্ন টেস্টের জন্য। ইনশাহ আল্লাহ কালকের মধ্যেই সমস্ত রিপোর্ট পেয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার নেক্সট পদক্ষেপ নিবেন।

আমরা আশা করছি সমস্ত রিপোর্টের রেজাল্ট ইনশাহ আল্লাহ ভালই হবে।

তারিক, পাপ্পু ভাই, লিটন ভাইয়ের ওয়াইফ (ভাবী), চন্দন চাচী, নিরু ভাই, ছোট ভাই মেজর রাজিব সহ অন্যান্য আরো যারা অসুস্থ আছেন, রোগে শোকে কস্ট পাচ্ছেন আমরা তাদের সবার জন্য দোয়া করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন। আমিন

'পিংকির ফট করে সেন্ডেল ছিঁড়ে যাওয়া' এরমত আমারও হয়েিছল


'পিংকির ফট করে সেন্ডেল ছিঁড়ে যাওয়া' এরমত আমারও হয়েিছল। একবার ছেলেদের স্কুল থেকে গল্প করতে করতে আসছিলাম এক ভদ্রলোকের (গার্ডিয়ান, যিনি আমাদের বিয়ের ভিডিও করেছিলেন) সাথে। হাঁটতে হাঁটতে দেখি সেন্ডেল উল্টে যাচছে কিছুটা।পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখি সামনের দিকে ফিতা ছিঁড়ে গেছে।ভদ্রলোককে তখন বললাম, সরি আপনার আর যেতে পারছি না। আমার সেন্ডেল ছিঁড়ে গেছে।আমাকে রিস্কায় যেতে হবে।'উনি তখন একটা রিস্কা ঠিক করে দিলেন।

Saturday, June 4, 2016

একটু আগে ডাক্তারের কাছ থেকে এসেছি


একটু আগে ডাক্তারের কাছ থেকে এসেছি, সব রিপোর্ট দেখে টেখে উনি বললেন, আমার " Triglycerides" অনেক বেশি বেড়ে গেছে, লিভারেও একটু প্রব্লেম আছে। ঔষধ দিলো।তার চেয়েও দিলো বেশি নিয়ম কানুন। প্রতিদিন ১ ঘন্টা হাঁটতে হবে। কোন রিচ ফুড খাওয়া যাবেনা। নো ফাষ্ট ফুড। খাওয়া দাওয়ার মধ্যে কোল্ড ড্রিংকস টা খুব পছন্দ করতাম, সেটা পুরোপুরিভাবে আমার জন্য হারাম করে দিল ডাক্তার সাহেব।

ছয় মাস আগে যখন এই সমস্যা গুলো ধরা পড়ছিলো, তখন এ নিয়মগুলো আমি মেনে চলিনি, তাই বোধ হয় সমস্যাগুলো বেড়েছে।

নাহ! এবার যে ভাবে হোক নিয়ম গুলো মেনে চলতে হবে। অন্তত প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি আর কোল্ড ড্রিংকসস বর্জন।

ঢাকা থেকে এসেছি আজ আট দিন হল


ঢাকা থেকে এসেছি আজ আট দিন হল।এর মধ্যে ছোট ভাই ডাঃ মুরাদ এর সাথে কথা হয়েছে,ও বলেছে ভাই আমি সময় করে আসবো।আজ সন্ধ্যায় ছোট ভাই মুরাদ এসেছিল।ঢাকায় হার্ট ফাউন্ডেশন এর সকল রিপোর্ট ও রিং পরানো সব কিছু দেখলো, এবং ঔষুধ চালিয়ে যেতে বলল।ছোট ভাই মুরাদকে ধন্যবাদ জানাই, আমাকে সুন্দর করে সব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য।

আজকে পোস্ট লেখার কারন হচ্ছে, আমরা প্রায় সময় শরীর নিয়ে অবহেলা করি,ডাঃ এর কাছে না গিয়ে ফার্মেসী থেকে ঔষুধ নিয়ে খাই। যা ঠিক নয়।

এবার আমার ব্যাপারটা আসি,আমার বুকের মাঝ খানে কয়েকদিন ধরে ব্যাথা করত ও একটু মনে হত চাপ লাগে।তো আগেই বলেছিলাম, মুরাদ এর কাছে ফোন করার পর মুরাদ আমাকে মেডিকেল এ চলে আসতে বলেছি,ও ইসিজি দেখে ভর্তি হতে বলেছিল,আমি প্রথমদিন ভর্তি না হয়ে পরেরদিন ব্লাড টেস্ট দেখে মুরাদ ভর্তি হতে বলল।তখন আমি না জানলে ও মুরাদ নাজমুল ভাইকে বলেছিল।যা হউক সেটা সবার জানা।তবে মুরাদ এর কাছে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞ ও প্রথম দিন আমাকে চারটা হার্টের ঔষুধ খাইয়ে দিয়েছিল।আর আমি যখন মেডিকেল সেন্টার এ ছিলাম তখন সিএসএম এর অনেক ভাই আমায় দেখতে গিয়েছিল সবাই কে ধন্যবাদ,তবে এখানে একটা কথা বলা উচিত,মেডিকেল সেন্টার এর ডাঃ ও ছোট ভাই মুরাদ ও বলল সিসিউ তে বেশী ভিড় না করা ও রোগীর সাথে কথা কম বলা আমাদের সকলের এই বিষয়টাতে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে।হয়তো আমরা আসি কারন আমরাতো আর ডাঃ এর ব্যাপার বুঝি না।
আমার দুটো রিং পরা হয়েছে,সেটা মোটামুটি সবার জানা,তাই আমি সবাই কে একটা অনুরুধ করবো, সবাই বছরে একবার হলেও ইসিজি ও ব্লাড টেস্ট করা।কারন আমার ও নিরু ভাইয়ের মত যাইতে কারো না হয়।জিয়া ভাইয়ের নিকট কৃতজ্ঞ।

আর খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে আমাদের ডাঃ পলাশ ভাই লিখেছেন।সবাই তা মানার চেষ্টা করি।

মুরাদ এর কাছে জানতে পারলাম আমার অসুস্থ হওয়ার পর অনেকে মুরাদকে দেখিয়েছে।

আল্লাহ আমাদের সবাই কে সুস্থ রাখে আমরা সবাই সবার জন্য আল্লাহর নিকট এই দোয়া করি।

আর আমাদের ছোট ভাই ডাঃ মুরাদ,ডাঃরিমুর জন্য দোয়া করি তারা যেন আরো বড় ডাক্তার হতে পারে।

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ মে ২০১৬ (১ মে ২০১৬ থেকে ৩১ মে ২০১৬ পর্যন্ত)


অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে এই মাসে কোন রেকর্ড হয় নাই। বরং মার্চ ও এপ্রিল মাসের তুলনায় এই মাসে লিখা এসেছে অনেক কম। মে মাসে সি.এস.এম পেজ এ লিখালিখি আর লেখকের পদচারনা ছিল অনেক কম। যাইহোক এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।

# Facebook CSM Colony পেজ এ মে ২০১৬ (১ মে ২০১৬ থেকে ৩১ মে ২০১৬ পর্যন্ত) ছোট, বড়, মাঝারি, বাংলা, ইংলিশ, বাংলিশ মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত সকল ছোট, বড়, মাঝারি ভাই বোনদের মোট লিখার সংখ্যা (অনুছড়া/পরমাণু ছড়া/হঠাৎ ছড়া/কচুর ছড়া/বাথরুম খেলা/অন্যান্য খেলা বাদে) ১৩৮ টি (এভারেজ ৪.৪৫)। যা এপ্রিলে ছিল ৩৫০ টি (এভারেজ ১১.৬৭) ।

# মে মাসে সবচেয়ে বেশি লিখা পোস্ট হয়েছে ২ মে, ১৬ মে এবং ৩০ মে ২০১৬ (৮ টি করে) আর সবচেয়ে কম লিখা পোস্ট হয়েছে ১২ মে এবং ২৪ মে ২০১৬ (মাত্র ১ টি করে)।

# মে মাসে মোট লেখকের সংখ্যা ছিল ৩৬ জন, যা এপ্রিলে ছিল ৬৫ জন, সুতরাং লেখকের সংখ্যা কমেছে ২৯ জন (৪৪.৬১%) আবার এপ্রিলের তুলনায় মে তে লিখার সংখ্যা কমেছে ২১২ টি (৬০.৫৭%) ।

# Facebook CSM Colony পেজ এ এখনো পর্যন্ত সর্বমোট লিখা ১৫০০+ ছাড়িয়েছে।

# যদি কারো লিখা ভুলবশত বাদ যায় তাহলে ক্ষমা করবেন এবং আমাকে ট্যাগ করবেন। উল্লেখ্য মে তে লিখার সংখ্যা অনেক কম হবার জন্য এই মাসের পরিসংখ্যান করতে অনেকটা সহজ হইছে।

• মে ২০১৬ তে আতিক ভাইয়ের এর লিখা সবচেয়ে বেশি, উনার সর্বমোট লিখার সংখ্যা ৩৭, 
• দ্বিতীয় অবস্থান আছেন কমু ভাই, স্কোরঃ ১২, 
• তৃতীয় অবস্থান আছেন যৌথভাবে মোসাদ্দেক আলী ভাই, নিরু ভাই এবং ফারহানা সাম্মি। স্কোরঃ ৮।

আমার পরিবার খুব খুশী এবং আমার খালাও খুব খুশী


আমার পরিবার খুব খুশী এবং আমার খালাও খুব খুশী। মোবাইল হারিয়ে ফেলছি বললে ভুল হবে, বরং খুব যত্ন করে নিয়ে গেছে। এক বিন্দুও টের পাইনি। হাতের কাজ ভালো, জয়নাল আবেদিনও এদের কাছে শিশু! বোনের মেয়ে সাহায্যর হাত বারিয়ে দিয়েছে। মামা তুমি এখনও ছোট্ট বাচ্চা, তোমার জন্য ছোট/খাটো মোবাইল-ই ভালো, এখন আমি, রুশমা'র ছোট একটি নকিয়া সেট ব্যাবহার করছি। সারাফের মাকে বললাম কিছু টাকা ধার দেও, একটা মোবাইল কিনবো। উত্তরটা সুনে মজা পাইনি, নিজেকে খুব অপমানিত মনে হয়েছে। কিছু একটা বলতে যেয়েও বললাম না। কত আপনজন কত কিছুই না আমাকে বলে, আর এই ভদ্রমহিলাতো আমার সারাজিবনের সঙ্গী, সুতরাং বলার হকটা তার একটু বেশী-ই হবে, বলুক যা মন চায়! তবে সন্ধ্যার পর মনটা খুব খারাপ হয়ে যায়। নিজেকে খুব একা একা লাগে! আমি আমার ব্যাক্তিগত জিবনে, কারও সাথে খুব বেশি কিছু শেয়ার করিনা, ২ বছর আমি কিছুই করিনি, খুব কম কথা হতো সবার সাথে, কিন্তু এই পেজটাতে অবলিলায় সব কিছুই আমি শেয়ার করি। বড় আপন মনে হয় এই জায়গাটিকে। আমার অবস্থা দেখে, আমার বউ/বেটি হাসে। অবশেষে সারাফের মা গতকাল রাত্রে একটা সুখবর দিলো। এই প্রথম সারাফের মাকে খুব আপন মনে হলো! যমুনা ব্রীজ পার হয়ে খুব একটা ভুল করি নাই তা'হলে! ইনশাল্লাহ আগামি কাল থেকে-----------------------।

বড়দের উপস্হিতি আর সহযোগীতা ছোটদের কতটুকৃ অনুপ্রানিত


বড়দের উপস্হিতি আর সহযোগীতা ছোটদের কতটুকৃ অনুপ্রানিত, উৎসাহিত আর উদ্যোগী করতে পারে, তা গতকাল আর একবার অনুভব করলাম। গতকাল মোসাদ্দেক আলী ভাইয়ের আহবানে ছুটে আসা জাফর ভাই,শাহিন ভাই, আমার ছোট বেলার বন্ধুদের উপস্হিতি আমাকে আবার অনুপ্রানিত করেছে। বিশেষ করে ছোট ভাইবোনদের উপস্হিতি আমাদের আগামী দিনের পথ চলার এক নুতন মাইলফলক বলে আমি মনে করি। গতকালের আলোচনাও ছিল বেশ খোলামেলা এবং গঠনমুলক। সবার প্রত্যাশা একই রকম, অতীতের সকল ক্লান্তি,ভুলভ্রান্তিকে পিছনে ফেলে আমরা এগিয়ে যাবো- সামনের দিকে। আমরা শত প্রতিকুলতার মাঝেও ঐক্যবদ্ব থাকবো। আমাদের ঐক্যবদ্ব থাকতে হবে। আমরা ঐক্যবদ্বভাবে থেকেই আমাদের আগামী প্রজন্মকে একটা ঐক্যবদ্ব সিএসএম পরিবার উপহার দিয়ে যাবো। আমাদের রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও আমাদের রয়েছে সুদৃঢ এক আত্মার সম্পর্ক। যা দিয়ে সকল বাঁধা অতিক্রম করে শক্ত মজবুত বন্ধন নিয়ে এগিয়ে যাবো। ভালবাসার এ বন্ধন নিয়ে দাড়াবো সকল স্টীলারদের পাশে,সুখ -দুঃখ, কিংবা যে কোন প্রয়োজনীয়তায়। আমাদের বন্ধন হবে স্টীলের মত মজবুত। ধন্যবাদ মোসাদ্দেক ভাই, জাফরভাই,শাহিনভাই।বন্ধুদের ধন্যবাদ দিলাম না কারন ওরা চাকর বাকরের সমতুল্য। তবে ছোট ভাইবোনদের প্রচুর প্রচুর ধন্যবাদ।

এখন এসব সংলাপ উপন্যাসের বইতেও পাওয়া যায়না, আফসোস


কি দেখছো এভাবে? এভাবে চেহারা কুঁচকে তাকিয়ে আছো কেনো। 
-- আচ্ছা তোমার মাথায় কিছু নাই, এটা কি সাজ দিলা, সবাই কেমনে তাকিয়ে আছে, যে রিক্সা করে আসছো সে রিক্সাওয়ালাও তাকিয়ে আছে। 
কি সাজ দিলাম আবার কি? সবই ঠিক আছে,যেটা বুঝোনা ওইটা নিয়ে কথা বলবে না। ভালো না লাগলে আইসোনা
-- ----চেহারার এই অবস্থা কেনো, কি হয়েছে তোমার? রাতে ঘুমাও নি??
হইছে আর ঢং দেখাতে হবেনা।
------ ঢং না সিরিয়াস বলছি।
---------------------------++---------++++
একটু ফিটফাট চলতে পারোনা, শেভ করোনি কেন? এক্ষুনি চলো সেলুনে।
---- আরে আমি সেলুনে গেলে তুমি কই থাকবে?
আমিও সেলুনে যাবো, দাঁড়িয়ে থাকব, তুমি শেভ করবে।
------ পাগল নাকি, তুমি সেলুনে দাঁড়ালে মানুষ জমে যাবে, প্লিজ আজকের মত ছাড় দাও।
অসম্ভব তুমি শেভ না করলে কোথাও যাচ্ছিনা আমি তোমার সাথে।
--- আচ্ছা ঠিক আছে, তোমার সেলুনে যেতে হবেনা। আমিই শেভ করে আসছি সেলুন থেকে। তুমি থাকো এখানে।
( এখন এসব সংলাপ উপন্যাসের বইতেও পাওয়া যায়না, আফসোস )

ইচ্ছা পূরণ


এত দিন শুধু দেখতাম সবাই বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে আড্ডা দেয়। আমি দূর থেকে শুধু দেখতাম আর মাঝে মাঝে কমেন্ট করতাম। কিন্তু আমার মনে মনে প্রশ্ন থাকত এসব আড্ডায় সবাই কেমন মজা করে আর কি নিয়ে আলোচনা করে? আর আমার মনে হয় এই ধরনের আড্ডায় আসা হবে না যেহেতু দূরে থাকি। কিন্ত আমি ctg আসলাম আর এই সময়ে মোসাদ্দেক আলি ভাইয়াও ctg এসেছে আর একটা আড্ডার আহবান করেছেন। তাই আমি এই আড্ডায় অংশ গ্রহণ করতে পেরেছি। আর আমার প্রশ্ন পেয়েছি। এখানে অনেক মজার মজার স্মৃতি চারণ হয় আবার উন্নয়নমূলক কথাও হয়।যা খুব ভালো লেগেছে। Mosaddeq Ali ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর বিকাল উপহার দেওয়ার জন্য। আজ বড় ছোট ভাইদের দেখা হলো।

টিংকুর সাথে গেলাম ।আসার সময় বাবু ভাই তার গাড়িতে করে এগিয়ে দিলেন। আর তানিয়া আমাদের গাড়িতে উঠিয়ে দিল ।গাড়িটা ছেড়ে দেওয়ায় তানিয়াকে ধন্যবাদ জানাতে পারলাম না।

Csm বাসীর এই আন্তরিকতা আসলেই কোথাও পাব কিনা সন্দেহ।

যাই হোক মোসাদ্দেক আলী ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ। এরকম একটা আড্ডায় ওনার জন্য অংশ নেওয়ায় আমার ইচ্ছা পূরণ হলো।

রোজা ও ডায়াবেটিস


রোজা আসন্ন।

প্রথমেই বলে রাখি ডায়াবেটিস এর রোগী দের রোজা রাখা বা না রাখার ধর্মীয় আলোচনায় যাব না। যদি ডায়াবেটিস নিয়ে কেও রোজা রাখতে চায়, তাহলে কি করা দরকার সেই আলোচনা করব।

রোজা ও ডায়াবেটিস এর ম্যানেজমেন্ট এক রোগী থেকে অন্য রোগী ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে।সাধারণত ডায়াবেটিস রোগী দের জন্য দরকার ঘন ঘন blood গ্লুকোজ চেক করা, specially যারা ইনসুলিন নেন। [রোজা রেখে blood গ্লুকোজ চেক করা যায়, এতে রোজা ভাঙ্গে না -- এটা সহী হাদীস]I

Diabetic রোগী খাওয়া হতে হবে balanced ও healthy ডায়েট। [শুধু diabetic রুগীর না, সবার এ তাই দরকার] . সেহেরীতে দরকার complex carbohydrate (শর্করা) কারণ এটা আস্তে আস্তে digestion ও absorption হবে বডিতে। অন্যদিকে ইফতার এর সময় simple carbodydrate খেতে পারেন।প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া দরকার সবারই, specially এবার রোজা হবে গরমের সময়।

রোজার সময় exercise নিয়ে বাড়াবাড়ি না করাই ভালো।যদি কেও হাটতে চায় তবে তা যেন ইফতার এর আগে না হয়। পুরা তারাবির নামাজকে ডেইলি exercise হিসাবে consider করা হয়।

Friday, June 3, 2016

CSM এর সবার সা‌থে সব কিছু শেয়ার কর‌তে ইচেছ ক‌রে কিনতু সময় বের কর‌তে পা‌রি না


CSM এর সবার সা‌থে সব কিছু শেয়ার কর‌তে ইচেছ ক‌রে কিনতু সময় বের কর‌তে পা‌রি না/ কেন তা অামার friend circle অ‌নে‌কেই জা‌নে/ অাজ‌কে খুবই লিখ‌তে ইচেছ কর‌ছে/ গত বেশ কিছু দিন ধ‌রে অামা‌দের শওগাতুল অানয়ার ভাই আমা‌কে ফোন দি‌চেছন পাপপুর ‌চি‌কিৎসার ব্যাপা‌রে/ উনি কোন একটা পথ খুজ‌ছেন পাপপুর একটু better life এর জন্য / অ‌নে‌কেই জা‌নে অামার ছোট ভাই পাপপু Apr.2009 এ এক সি‌ভিয়ার রোড accident এ ঘা‌ড়ের Spinal cord Injury র কার‌নে full body paralysis হ‌য়ে bed e প‌রে অা‌ছে/ তার প্রশাব পায়খানার ও sense নেই/ যাই হোক শওগাত ভাই নি‌জেই doctor এর appointment নি‌য়ে অামা‌কে গতকাল সনধ্যা ৭টায় যে‌তে বল‌লেন/ য‌দিও আমি late ,উ‌নি ১৫মি: আগেই পৌ‌ছে wait কর‌ছেন/ মা‌ঝে মাঝে অামার নি‌জে‌কে ছোট ম‌নে হয়, অামি অ‌নেক সময় timely feedback দি‌তে পা‌রি না কিনতু শওগাত ভাই নি‌জেই নি‌জের শত ব্যাসততার মা‌ঝে আমাকে ফোন দি‌য়ে জে‌নে নেন/ হয়তবা অনেক অাপন ভাইও যা ক‌রে না , তি‌নি তা কর‌ছেন/ শওগাত ভাই‌কে স্যালুট/

‌সেইসা‌থে csm সকলকে, যারা পাপপু‌কে দেখ‌তে অা‌সে, খোজখবর নেয় , সবার প্র‌তি রইল gratitude.

একটা কথা কয়েক দিন ধরেই শেয়ার করব করব করে ভাবছি


একটা কথা কয়েক দিন ধরেই শেয়ার করব করব করে ভাবছি। বেপার টা আমার আর সহ্য হচ্ছে না। কিন্তু কোনো সমাধান ও খোঁজে পাচ্ছি না। যাই হোক মূল কোথায় আসি। মসজিদে নামাজ পরতে গেলে দেখি কিছু জায়নামাজ এ পবিত্র কাবা ঘর এর ছবি আর সেই জায়নামাজ এর উপর দিয়েই অন্য মানুষ রা পা হেটে যায়। এই কাজটা আমরা ভুল করেই করে ফেলছি। কিন্তু এটা উচিৎ না। যারা এই ধরনের জায়নামাজ ব্যবহার করে, আমার মনে হয় তাদের ইহা থেকে বিরত থাকা দরকার। আর আমরা যারা মসজিদ এ নামাজ পড়ি আমরা সবাই যাতে একটু খেয়াল করে হাঁটি যাতে ভুলে এই ধরনের জায়নামাজ এ পা না দিয়ে দেয়।

Thursday, June 2, 2016

পাখির কান্ড - আমার বাড়ান্দায় পাখি বাসা বাঁধার জন্য হাঁড়ি রেখেছি


পাখির কান্ড - আমার বাড়ান্দায় পাখি বাসা বাঁধার জন্য হাঁড়ি রেখেছি।প্রথমে দোয়েল বাসা করে তিনটি ছানা ফুটালো। বড় হয়ে চলে গেল।এরপর আবার এসেছিল বাসা করতে। কিন্তু শালিক পাখি দিল না।পরে শালিকের ৫টি ফুটালো।মা পাখি

সবসময় পাহারা দিয়ে রাখতো।একদিন ছেলে বললো একটি পাখি মারা গেছে।এখন কিভাবে এটাকে ফেলে দেই,চিন্তা
করছিলাম।পরদিন সকালবেলা বাড়ান্দায় যেয়ে দেখি মরা ছানাটি ফ্লোরে পরে আছে।মা পাখিটা এটাকে ফেলে দিল।
পাখিটিও বুজলো মরা ছানাটি থাকলে অন্য গুলির ক্ষতি।

গতকাল তপন চৌধুরীকে নিয়ে Atiq Csm এর পোষ্ট দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়লো


গতকাল তপন চৌধুরীকে নিয়ে Atiq Csm এর পোষ্ট দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়লো। সম্ভবত ৯০ সালের ঘটনা। চার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মধ্যে আমি আর শীতল ছিলাম তপন ভক্ত আর সওগাত এবং সেলিম ছিলো মান্না দের ভক্ত। বিভিন্ন সময় আমাদের মধ্যে তর্ক লেগে যেতো কে সেরা। চিটাগাং কলেজের কমন রুমে চ্যালেঞ্জ এ ক্যারাম খেলায় মান্না দেকে তপন চৌধুরী প্রায়ই হারিয়ে দিতো। যাই হোক একদিন চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম এ আবাহনীর খেলা দেখতে গেলাম, খেলা শেষে প্যাভিলিয়ন এর সামনে দাঁড়িয়ে আছি। কিছুক্ষণ পর দেখলাম প্যাভিলিয়ন গেইট দিয়ে তপন চৌধুরী বেরিয়ে আসছেন। আবাহনীর খেলোয়াড়রা গেইট দিয়ে বের হবে সেইদিকেই সবার নজর। আমি আর শীতল তপন চৌধুরীকে দেখে উনার কাছে গিয়ে সালাম দিলাম এবং আমরাযে উনার ভক্ত সেটা জানালাম। উনিও ভদ্রভাবে আমাদের ধন্যবাদ দিলেন। এরপরই শীতল বলে উঠলো আমাদের মধ্যে দুই বন্ধু আপনাকে পছন্দ করেনা, তাদের পছন্দ নাকি মান্না দে। আপনিই বলুন মান্না দে কি আপনার চাইতে ভালো গায়? তপনদা সাথে সাথে জিহ্বা কামড় দিয়ে বললেন, ছি ছি তোমরা এগুলু কি বলছো। মান্না দে কত বড় শিল্পী উনার সাথে আমার তুলনা করছো। এর পর জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের ওই দুই বন্ধু কারা। আমরা একযোগে বলে উঠলাম, সওগাত্যা আর সেলিম্যা।

এই ঘটনা মনে পড়লে এখনো হাসি পায়।

সকালে অফিসে আসার পথে রাজীবের ফোন


সকালে অফিসে আসার পথে রাজীবের ফোন, "আতিক ভাই আমি ঢাকা আসছি, আপনার সাথে আজ লাঞ্চ করব", - আমি সানন্দে বললাম ঠিক আছে আজ পূর্নিমায় দুই ভাই দুপুরে এক সাথে খাবো। এটা আমার জন্য খুবই আনন্দের ব্যাপার যে, সিএসসএম এর কারো সাথে এক সাথে খাওয়া দাওয়া করা। আমি এই ব্যপার টি খুবই উপভোগ করি।
কিন্ত দুপুর একটা র সময় আমাদের চেয়ারম্যান আমাকে হঠাৎ করে একটি জরুরী মিশনে পুরানো ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। তাই শত ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও রাজিবের সাথে লাঞ্চ করতে পারিনি।

রাজিব, আমি খুবই দু:খিত ও লজ্জিত যে, তোকে কথা দিয়েও কথা রাখতে পারিনি বলে। এই লজ্জা থেকে তুই আমাকে উদ্ধার করতে পারবি যদি আরেক দিন আমার সাথে খাওয়াদাওয়া র সুযোগ ও সময় দিস।

আজকে (০২ জুন) আমার জন্মদিন


আজকে (০২ জুন) আমার জন্মদিন। ভাবছেন কয়দিন আগে না(১৫মার্চ) জন্মদিন গেল। আবার আজকে কেমনে জন্মদিন হয়। আসলেই আমার জন্মদিন তবে সার্টিফিকেট অনুসারে। ক্লাস নাইনে রেজিষ্ট্রেশন সময় স্কুলের কেরানি স্যার মানে শফি স্যার এই তারিখ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে ছিলেন। আমি আগে থেকে যদি টের পেতাম তাহলে ১৫ মার্চ দিয়ে করতাম। একদিন বিকালে স্কুলের মাঠে যখন খেলতে গেলাম। দেখলাম কেরানি স্যারের রুমের সামনে সবাই ভীড় করছে। কাছে গিয়ে কারন জেনে আমারটা ঠিক করতে গেলাম। স্যার বললো " তোঁয়ার গান অই গেইয়ে"। তারমানে আমার জন্ম তারিখ, সাল সবই স্যার নিজ দায়িত্বে আগে থেকে সেরে ফেলেছেন।

Wednesday, June 1, 2016

বন্ধু তোমায়


কি দিয়ে কি করবো বুজতে পারছি না,আমার পরিচিত ওনেক মানুষ আছে, আছে অনেক বন্ধু,কিন্তু আমার বন্ধু গুলা এতো ভাল যে তাদের কোন দিক দিয়ে ফেলে দিবার মত কিছু ই খুঁজে পাইনা,আমি নিজে কে অনেক অনেক সাধুবাদ জানাই যে আমি এই অধম কে আমার এই বন্ধু গুলা বন্ধু বলে মানে ও আমাকে ওরা সময় দেয়,ভালবাসে। এক কথা আমি ওদের বন্ধু হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

সাতে সাতে এখন বলছি আমার ছোট ভাই ও বোন গুলার কথা, আমি মাঝে মাঝে খুব অবাক হই যে, আমার এই ভাই বোন গুলা এতো ভাল যে ওদের কাজকর্ম কথাবার্তা অনেক অনেক ভাল , আমি ওদের সাতে তাল মিলিয়ে চলতে পারবো তো।তোবে হা অবশই পারবো এতো গুলা ভাল ভাই বোন্দের সাতে চলতে চলতে মনে হয় কোন না কোন দিন তাদের সমান হতে পারবো ই ইন্সশাআল্লাহ।এই যে লিখা এটা ছোট ভাই বোন গুলা থেকে শিক্ষা ।

জ্যামে বসে আছি অনেকক্ষন গুলশান ২ এ


জ্যামে বসে আছি অনেকক্ষন গুলশান ২ এর একটি সুন্দর ফুলের দোকানের সামনে। দোকানের কাস্টমারও সুন্দরী সব হাস্যময়ী লাস্যময়ী তরুণী ললনা। আমি এক দৃষ্টিতে চেয়ে আছি, না আজ আমি সুন্দরি দের দিকে তাকাচ্ছিনা। তাকিয়ে আছি সেই দোকানের এক গুচ্ছ গোলাপি রঙ এর গোলাপের দিকে, অনেক দিন পর এই গোলাপি গোলাপ দেখছি। 

আজ থেকে দু যুগেরও আগে এক বিশেষ প্রয়োজনে বিএইচ ওয়ানের তিন তলার পিচ্ছিল কার্নিশ থেকে এই গোলাপি রঙ এর গোলাপ সংগ্রহ করে দিয়েছিল আমাদের পাগলা রাশেদ (মরাইয়া)।

আজো আমি চলার পথে খুজে ফিরি সেই গোলাপি গোলাপ।

ছেলে আমার খুব্বি স্টাইলিশ


ছেলে আমার খুব্বি স্টাইলিশ। বোকাটা ঘরেও জিন্সের প্যান্ট, টি-শার্ট, আর বোতাম খোলা শার্ট, হাতে ঘড়ি ইত্যাদি পড়ে থাকে। রাতে ওসব পড়েই ঘুমাই। ওর দাদুভাই, দিদাসহ আমরা হাজারো চেস্টা করেও ওকে ওর স্টাইল থেকে নড়াতে পারিনি। যদি কেউ বলে "তুমি ঘরে এসব পড়ে আছো কেন? কোথাও বেরাতে গেলে ওসব পড়তে হয়।" তখন আমার 4 বছরের আজানের সাফ সাফ উত্তর "স্টাইল করতে হয়"

ভোরে প্রতিদিন 4:30 টায় আমার মোবাইলে এলার্ম দেয়া থাকে ফজরের নামাজের জন্য। এমনিতেই আমরা যখনি নামাজ পড়ি আজান ওর ছোট্ট জায়নামাজ আর টুপি ওয়ারড্রোব থেকে বের করে পাশে দাড়িয়ে যায়।

আজ ফজরের সময় উঠে আজানকে দেখে আমি আর ওর মাতো অবাক। ওর শোয়ার স্টাইলটাই অবাক করে দিয়েছে।

কুমার বিশ্বজিৎ একজন গুনী সঙ্গীত শিল্পী


কুমার বিশ্বজিৎ একজন গুনী সঙ্গীত শিল্পী। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সম্মানিত ব্যক্তিত্বদের একজন। একাধারে তিনি গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত শিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক। পেয়েছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। 

জন্ম ও প্রাথমিক শিক্ষা চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। যদিও তিনি চট্টগ্রামে বেড়ে উঠেছেন, তবে কর্মজীবনের জন্য তিনি বিভিন্ন সময় ঢাকা আসা যাওয়া করতেন।বর্তমানে চট্টগ্রামের হোটেল সেন্ট মার্টিনের কর্ণধার দের মতো একজন।

গানের প্রতি তার আলাদা টান ছিল। তার গানের একটি আলাদা অভিনবত্ব ছিলো। ৮০ দশকের শুরুতেই "তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে" - এই গানটি দিয়ে সঙ্গীত ভুবনে আলোড়ন ফেলে দেন। তখন থেকেই তিনি বিখ্যাত হয়ে উঠেন।সঙ্গীত জীবনে তিনি অনেক জনপ্রিয় গান গেয়েছেন। বাংলাদেশের নামকরা প্রায় সব সঙ্গীত পরিচালকের সাথে তিনি কাজ করেছেন।

এই গুনি শিল্পী আজকের এই দিনে জন্মগ্রহন করেন। আজকের এই দিনে কুমার বিস্বজিতের প্রতি জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।

(আংশিক সম্পাদিত)

ডায়াবেটিস সম্পর্কে সামান্য ধারণা


Heart attack সম্পর্কে লিখাটা দেবার পর শিউলী আপা বলেছিলো খাবার দাবার নিয়ে কিছু লিখতে। তাই এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।খাবার দাবার এর সাথে ডায়াবেটিস জুড়ে দিলাম কারণ আমরা ডায়াবেটিস না হওয়া পর্যন্ত সচেতন হই না। আমাদের কমন ডায়ালগ এখন খেয়ে নাও, ডায়াবেটিস হলে তো আর খেতে পারবে না!!

ডায়াবেটিস সম্পর্কে সামান্য ধারণা:
ডায়াবেটিস হয় - ইনসুলিন এর অভাবে বা ইনসুলিন যদি আপনার দেহে ঠিক মতো কাজ না করে (এটাকে ইনসুলিন রেসিস্তান্স [resistance] বলে)I

ইনসুলিন এর কাজ:
ইনসুলিন pancreas থেকে নিসৃত একটি হরমোন। রক্তে সবসময় ইনসুলিন আসতে থাকে pancreas থেকে। কিন্তু যখন আমরা খাই, তখন যেহেতু অনেক পরিমান শর্করা এক সাথে রক্তে চলে আসে, তাই তখন অনেক পরিমান ইনসুলিন এক সাথে বের হয় pancreas থেকে । এই ইনসুলিন আমাদের গ্রহণকৃত শর্করাকে প্রসেস করে বিভিন্ন জায়গায় জমা রাখে (যেমন লিভার ও মাংসপেশী), পরে প্রয়োজন মত শর্করI ওই সব জায়গা থেকে বের হয়ে আমাদের শক্তি যোগায়।

আমি যদি তপন চৌধুরী রে পাই তাহলে তোমারে ছেড়ে তপন রেই বিয়া করব


”আমি যদি তপন চৌধুরী রে পাই তাহলে তোমারে ছেড়ে তপন রেই বিয়া করব আমি, প্রেমিকা তার প্রেমিকের উদ্দেশ্যে বলল। উত্তরে প্রেমিক বলল, তপন আমারও অসম্ভব প্রিয় গায়ক, তার কাছে স্বেচ্ছায় তোমারে তুলে দিতে পারলে আমারও কোন আপত্তি নাই”।

ওই মেয়ে তপনরে অবশ্য বিয়া করতে পারে নাই, আবার ওই পোলার সাথেও বিয়া হয় নাই। তবে উপরোক্ত সংলাপ গুলো কিন্ত পুরোপুরি সত্য। সংগীত জগতে তপন চৌধুরী কতটুকু জনপ্রিয় হলে যার কাছে নিজের প্রেমিকারেও বিয়া দিয়ে দেয়া যায়, তা বুঝাতেই এই কথা গুলো তুলে ধরা হলো।

মেলোডিয়াস সংগীতে তপন চৌধুরী তুলনাহীন এক নাম। অথচ তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে সংগীত লাইনে তার কোন শাস্ত্রীয় বা ব্যাকরন গত জ্ঞান নেই।প্রচন্ড পরিমান বিনয়ী হলেই এক জন এত বড় তারকা নিজের `সীমাবদ্ধতা এভাবে স্বীকার করে নেয়। পরে অবশ্য তিনি শাস্ত্রিয় লাইনে অনুশীলন শুরু করেন। এবং রবীন্দ্র সংগীতের এলবামও বের করেন।

৯০-৯২তে জন্ম নেয়া ছেলেমেয়েগুলো হয়তো আমার মতো একটা দোটানায় ভোগে


"৯০-৯২তে জন্ম নেয়া ছেলেমেয়েগুলো হয়তো আমার মতো একটা দোটানায় ভোগে।আমরা খুব সুন্দর একটা ছেলেবেলা পার করে যখন জীবনের মধ্যভাগে ঠিক তখনি আমাদের চারপাশটা এমন ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে যে যারা এর সাথে মানিয়ে নিতে পেরেছে তারা আজ "কুল ডুড" আর যারা ছিটকে পড়েছে তাদের সোজা বাংলায় "ক্ষ্যাত" ।

আমাদের টাইম পাসের জন্য ফেইসবুক ছিলো না। আমরা সারা দিন স্কুলে বাদরামি করে বিকেলে খেলেতে যেতাম।

মাঝে মাঝে এলাকার আপুরা যখন মাঠ ক্রস করতো,বড় ভাইয়ারা এসে ব্যাট নিয়ে বিশাল বিশাল ছক্কা মেরে বল হারিয়ে ফেলতো।কষ্ট করে স্কুলে হেঁটে গিয়ে টাকা জমিয়ে কেনা বল হারানোর দুঃখ যে কি মারাত্মক তা আমরা ছাড়া কেউ বুঝবে না। বাসায় টিভি দেখতে দিতো না।প্রতি শুক্রবার দুপুরে বাংলা ছবি চলতো।এই ছবি দেখার জন্য হয়তো নিজের জীবনও দিতে পারতাম। কোন এক ফাকে টিভি ছেড়ে দেখে নিতাম নায়ক নায়িকা কে। যদি রিয়াজ,সালমান শাহ,বাপ্পা রাজ,শাবনূর,পূর্নিমা হতো তবে বুঝতাম ছবিটা অসম্ভব ভালো হবে।ওই দিন বিকেলে আর খেলতে যেতাম না। তবে অন্য নায়ক নায়িকার ছবি হলে ওতো পাত্তা দিতাম না। সন্ধ্যা ৭.৩০ এর অপেক্ষায় থাকা। অপেক্ষার প্রহর শুরু হতো ঠিক মাগরিবের পর থেকেই। মাগরিবের পর মানেই লক্ষী ছেলের মত পড়ার টেবিলে বসে যাওয়া। বসতাম ঠিকই কিন্তু মাথায় ঘুরতো আলিফ লায়লার সেই শুরুর গানটা। "দেখ সব নতুন কাহিনী,
মন ভরে যায় তার বাণী.........
আলিলললললফ
লায়লালালালালা............"

অন্য'দিন,অন্যরকম


কখনোসখনো একটি দিন অন্যরকম হয়ে যায়। 
অন্য নানান দিনগুলোর মতো নয়। 
চেনা মানুষের পুর্বের আলগা মুখোশ খুলে পড়ে,
এক অপরাহ্নের আলোয় নুতন করে দেখি,
হালকা মেকি প্রসাধন সরে যাবার প্রক্রিয়া বুঝতে পারা যায়,
কিন্তু হঠাৎ অন্যরকম দিনটির আলোয় খসে পড়ে নির্মম বেদনায়।
হঠাৎ সকালটি অন্যসকালের মত নয়। 
চেনা সকাল যেমন দেখি,
ঝলমলে,
মেঘলা,
বরিষনে ঝরো ঝরে,
পাগল হাওয়ায় কি গান গাওয়া,
সুনীল গগন,
না অন্যরকম,অন্যরকম।

Tuesday, May 31, 2016

প্রসংগ : জিপিএ ৫, মেধা,শিহ্মা ব্যবস্থা ও আমাদের সন্তানেরা


গত কাল একটা টিভি চ্যানেলে এ বছর SSC তে জিপিএ ৫ পাওয়া কিছু কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীর মেধা যাচাই করতে গিয়ে তাদেরকে যেভাবে অপমান করেছে সেটা কোনক্রমেই গ্রহনযোগ্য নয়, রীতিমত নিন্দনীয়।

জেনারেল নলেজকে বুধধিমত্তা বা মেধার মাপকাঠি বানিয়ে আমরা জাতিকে Jack of all trades. master of none করে ফেলেছি। এটা আমাদের শিহ্মা ব্যবস্থার বা নিয়োগ পরীহ্মার বড় দূরবলতা। PSC''র পর থেকেই কৃত্ত ভিত্তিক সিলেবাস/শিহ্মা ব্যবস্থা জাতিকে আরো বেশী দহ্ম মানব সম্পদ সৃস্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে । বিশেষজ্ঞ দের বিষয় টা ভেবে দেখা উচিত ।

সন্ধ্যা ৬ টা বাজে, অফিস শেষ


সন্ধ্যা ৬ টা বাজে, অফিস শেষ। বসরে বললাম আমি আজ আপনার গাড়িতে করে বাসায় যাবো। বস কইল ১৫ মিনিট বসেন, হাতের কাজ শেষ করে নেই। সেই ১৫ মিনিট উনার শেষ হইল ১২০ মিনিটে। এরপর আগারগাঁও এসে মিরপুর ১০ এর জ্যাম এড়ানোর জন্য বিকল্প রাস্তা ধরলাম, শালার এমনই কপাল ওই বিকল্প রাস্তায় আখেরি জ্যাম।তার উপর এই বিকল্প রাস্তার শেষ মাথায় এসে দেখি বের হওয়ার পথ বন্ধ। আবার আরেক বিকল্প রাস্তা ধরলাম। এভাবে এখনো চলছি।

এরেই বলে, " প্রেম করবা মনা, ঝাটার বারি খাইবানা তা হবেনা তা হবেনা"।

Anisur Rahman Reza ভাই গত তিন মাসে দুইটা মোবাইল হারিয়েছে


Anisur Rahman Reza ভাই গত তিন মাসে দুইটা মোবাইল হারিয়েছে। অবশ্য এর আগে কয়টা হারিয়েছে আল্লাহ মালুম। তাই রেজা ভাই এবং উনার মত কম বয়স্কদের জন্য পাঁচটি আদেশ/উপদেশ/নির্দেশ/ পরামর্শ দিচ্ছি। এগুলো মেনে চললে আশাকরি মোবাইল হারানোর প্রবনতা রোধ করা সহজ হবে।

১. জিপার যুক্ত পকেট ব্যবহার করা
২. মোবাইল গলায় ঝুলিয়ে রাখা।
৩. সারাক্ষন পকেটে হাত ঢুকিয়ে রাখা।
৪. হেঁটে চলাফেরা করা।
৫. জবলে নুর, সুপ্রভাত, সালসাবিল, অনাবিল, সিটিং সার্ভিস ইত্যাদি পরিহার করা।
তারপরও যদি মোবাইল হারায় তাহলে উচিত হবে মোবাইল নিয়ে রাস্তায় বের না হওয়া।

সামনে রমজান মাস আসতাছে


সামনে রমজান মাস আসতাছে মনে হয় সকলের খুশির বান ডাকতাছে,আর কিছু না হউক এই রমজানের কারণে হগলে পাঁচ ওয়াত্ত নামাজ পড়তে চায়,রমজানে আমরা সকল ঢাকা বাসী কলোনীর পোলাপান বুড়া গুড়া আনডা বাচ্চা এক সাথে হইলে কেমন হয়? অন্তত একদিন হগলে মিলে ইফতার করতে পারি,ইফতার টা মূখ উদ্দেশ্য নহে অনেক দিন পর আবার সবাই এক সাথে হবে এই আশায়, (এমনেই তারিখ মেডিকেলে আসতাছে তখন সবার সাথে সবার কিছুটা সময় হলেও দেখা হবে কিন্তুু সবারতো একসাথে দেখা হবে না মেডিকেলে)

৮০/৯০-এর দশকের কথা


৮০/৯০-এর দশকের কথা। তখন এ সময়কার দিনের মত স্যাটেলাইট চ্যানেল বা ডিশ এন্টেনা ছিলোনা, চ্যানেল ছিলো একটাই “বাংলাদেশ টেলিভিশন”। টিভির উপর ইংরেজী “V” আকৃতির একটা এন্টেনা থাকতো অনেকে আমরা এটাকে আবার এরিয়েল বলতাম। অনেক সময় এ এরিয়লেও কাজ হতোনা, তখন উঁচু বাঁশের মাথায় এন্টেনা বেধে দাড় করে রাখতাম। েএটাকে বলা হতো আউটডোর এন্টেনা। একটু বাতাসে বা অন্য কোন কারনে এ আ্উট ডোর এন্টেনা নড়েচড়ে গেলে টিভির ছবি ঝিরঝির করত। তখন ছাদের উপর বা বাইরে গিয়ে বাঁশ টি ধরে এন্টেনা ঘুরানো লাগতো আর টিভির সামনে থেকে একজন বলত ‘ হয় নাই, আরেকটু ডানে ঘুরাও, আবার বাইরে থেকে তখন বলত ‘ এখন হইছে, ভিতর থেকে জবাব আসতো না হয় নাই, এভাবে অনেকক্ষন চেষ্টার পর ঘরের ভিতর থেকে ক্লিয়ারেনস আসতো “ হু, এখন ঠিক আছে।এভাবে এন্টেনা ঘুরিয়ে ঠিকমত টিভি দেখার ব্যবস্থা করতে পারলে নিজেকে বিরাট ইঞ্জিনিয়ার মনে হতো। আর এ এন্টেনায় এলুমুনিয়ামের হাড়ি পাতিল লাগিয়ে শুধু বিটিভি না, তার পাশাপাশি ভারতের ডিডি ন্যাশনাল (সেই সময়ের ডিডি ওয়ান) চ্যানেল দেখা যেতো। সন্ধ্যার পরে দেখতাম ডিডি বাংলা (সেই সময়ের ডিডি সেভেন)েএ চ্যানেল দুটোতে ইন্ডিয়ান আন্যান্য অনুষ্ঠান দেখার পাশাপাশি সময় ভারতে অনূষ্ঠিত টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচও দেখা েহতো এ এন্টেনার সাহায্যে। 

এখনো হয়তো অনেকের মনে পড়তে পারে, দেয়ালে লেখা সেই বিজ্ঞাপন টির কথা----

"দূরদর্শনের ছবি ঝকঝকে ও পরিষ্কার দেখতে আসল ব্রিটানিয়া টিভি অ্যান্টেনা ব্যবহার করুন"। 

আজ কেনো জানি মনে হয় এখন কার স্যাটেলাইট যুগের চেয়ে সেই এলুমুনিয়ামের হাড়িপাতিল লাগানো এন্টেনার সহজ সরল যুগ টাই ভালো ছিলো।

ছেলেদের সাথে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে


ছেলেদের সাথে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে অনেক ক্রিকেটতারকাকে মোটামুটি চিনি|তবে স্বদেশের ক্রিকেটারদের আরো ভাল করে চিনি|একবার আমরা ৩জনেই সব ক্রিকেটারদের ছবি,ষ্টিকার দিয়ে পুরো ঘর খেলাঘর বানিয়ে ফেলেছিলাম|ক্রিকেট সম্পর্কীয় ১টা মোটা ফাইল আমার ছেলেরা তাদের ফাইলের সাথে সযতনে আলমারিতে রেখে দিয়েছে| সন্তানসম মুস্তাফিজকে টিভিতে দেখে ভাবছি বাংলার এই সম্পদকে যথাযথ ভাবে রাখতে পারবোতো!সদা জয়ী হোক আমাদের গর্ব,আমাদের অহংকার,আমাদের ছেলে মুস্তাফিজ|পুষ্পবৃষ্টি হোক সর্বদা!

Monday, May 30, 2016

৫ দিনের মধ্যে টানা ৩ ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মত আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হলো হায়দ্রাবাদ


৫ দিনের মধ্যে টানা ৩ ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মত আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হলো হায়দ্রাবাদ। ব্যাংগালোর ১০ ওভারে বিনা উইকেটে রান ১১৪ করলেও মুহুর্তেই পাল্টাল দৃশ্যপট,হারল ৮ রানের ব্যবধানে । টুর্নামেন্ট জেতাতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।

ব্যাংগালোরের ফাইনালে খেলার ক্ষেত্রে ভাগ্যও তাদের সহায়তা করেছে। এলিমিনেটর ও ফাইনাল উভয় ম্যাচই তারা খেলেছে নিজেদের মাঠে যা টুর্নামেন্টের পূর্বসূচী অনুযায়ী হবার কথা ছিল মুম্বাইয়ে। তবে কোহলির ফর্ম আসলেই অবিশ্বাস্য, কিভাবে এত ধারাবাহিক খেলতে পারে একজন মানুষ ??? ১৭ ম্যাচে হাজারের কাছাকাছি রান করেছেন কোহলি।

যাই হোক পুরো টুর্নামেন্টে উজ্জ্বল ছিলেন মুস্তাফিজ। ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন, টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ছিলেন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তালিকার সেরা ৫ এ। দেশের বাইরে প্রথম আইপিএল খেলতে গিয়ে দেশের পাশাপাশি বয়ে এনেছেন দেশের সম্মানও, এতেই আমরা গর্বিত !! :-)

গতকাল (২৯/৫/১৬) সারাটি দিন জুহি ময় গিয়েছে


গতকাল (২৯/৫/১৬) সারাটি দিন জুহি ময় গিয়েছে, বরাবরের মত সকালে অফিস যাওয়ার পথে গাড়িতে জুহি অভিনীত ছবি গুলার গান শুনতে শুনতে অফিসে যাওয়া, অফিসে গিয়েই ফেসবুকে দেখি আমার ছবির সাথে জুহি চাওলার ছবি জুড়ে দিয়ে Rubina Akter Shireen আপার পোস্ট। আমার জন্য সত্যিই বিশাল ব্যাপার। জুহি চাওলা কে নিয়ে এভাবে কখনো কিছু পাইনি। সেই ৮৯ সাল, যখন ক্লাস নাইনে পড়ি তখন থেকেই জুহি চাওলার প্রতি আমার ব্যাপক দুর্বলতা যা আজো অবধি সমান ভাবে অটুট। কলোনীর বাসায় আমার রুমে সবসময় জুহি চাওলার পোস্টার বা ম্যাগাজিন কাটিং লাগানো থাকতো। সম্ভব হলেও এখন কার বাসায়ও লাগিয়ে রাখতাম। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী র জন্য সম্ভব নয়। যাক সে কথা, এরপর দুপুরে খাওদাওয়ার পর অফিসে জুহি র সাথে দু দফায় ঘন্টা দেড়েক সময় কাটানো। এরপর অফিস ছুটি শেষে আবারো জুহি অভিনীত সিনেমা গুলোর গান শুনে শুনে বাসায় গমন। একটু ফ্রেশ হওয়ার পর ফেসবুকে মেসেজ জি টিভিতে নাকি জুহির সিনেমা দেখাচ্ছে, টিভি ছেড়ে দেখি ডিশ লাইন নাই। কি আর করা, আবারো ইউ টিউব আবারো জুহি।

গতকালের পোস্টের জন্য শিরিন আপাকে আবারো শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।

কি যেন কি ফেলে এসেছি


কি যেন কি ফেলে এসেছি। বুকের মাঝে তীব্র মোচড়, চোখের কোণায় পানি এসে পড়া। কিছুক্ষন বোধ হীন। আকাশের দিকে তাকিয়ে ধুয়া উদগীরন। গাড়ির তীব্র হর্নে চেতন ফিরে আসা।সেই হেমন্তের ঘ্রাণ শুকতে থাকা।

অথবা,
কিছু স্বপ্নিল সময়, বুকের মাঝে খালি খালি লাগা, একটু কষ্ট কিংবা কোথায় যেন অপরাধ বোধ। স্পর্শের ব্যাকুলতা। নিভৃতে স্বপ্নিল সময় নিয়ে ভাবা। তন্দ্রাবিহীন রাত, মন অস্থির।

অত:পর, এমন তো হওয়ার কথা ছিলনা।

সদ্য আই,পি,এল, ভাবনারে যে হাওয়ায় মাতালো


আই,পি,এল এর দুন্দুমার আতশবাজি নিভে গেছে। ফাইন্যাল ও স্নায়ুচাপি উত্তাপ শান্ত হবে ধীরে।
কারো কারো ভ্র-কুঞ্চিত সন্দেহ ,ক্রিকেটের টি-২০ ফরম্যেট এই আসরটির প্রতি। 

হাজার হাজার কোট টাকার খেলা,শত শত জুয়ারীর হরেক পশরা। আরেক ডব্লিউ ডব্লিউ এফ এর নিঁখুত মঞ্চায়ন। খেলাটির পুরো আমেজটাই বদলে গেছে শুরুর সেদিন থেকেই। তাবৎ বিশ্ব ক্রিকেটে এর প্রভাব পড়েছে। কত ক্রিক-পিএল। হোই হোই কান্ড। আমার মনে হয় ক্রিকেটিয় সংস্কৃতিতে বিরাট ঝাঁকুনি। এর পক্ষে-বিপক্ষ মন্ত্যব্য করছি না। ভবিষ্যত দেখবে। তবে মনে হয় সেই দিনের চ্যানেল নাইনের মিঃ ক্যারি প্যকার্সের জারিজুরিকে ও ম্লান করেছে একালের ক্রি-পিএল। 

ক্যারি প্যকার্স ইতিহাস হয়ে গেল। 

দ্রুপদী টেষ্ট ক্রিকেটে কালে ভদ্রে ছক্কার দেখা মিলতো। উদাহরণ ভেঙ্গসরকারের পুরো কেরিয়ারে ছয়টি ছক্কা আছে কিনা খুঁজে বের করতে হবে,আর এক আসরেই হাজার ছক্কা ছুঁই ছুঁই,এক্কেবারে মুড়ি-মুরকী,পপকর্ণ কুচুর মুচুর।

একজনের হাজারের কাছাকাছি রান,বিশ-বাইশটা উইকেট,অবিশ্বাস্য সব কেচ,ষ্টাম্পিং,রানআউট আহা চোখ সরানো যায় না মাঠ বা টিভি পর্দা থেকে। 

মন ভাল নেই


মন ভাল নেই,কিছু ই ভাল লাগছে না,কি কারন কি করবো তাও জানিনা,কেন যে এই ভাল লাগা আল্লাহ দিছিল তাও বুজিনা,আমার সব কিছুওতেই অনিহা ভাল লাগে না,শুধু শুধু হাহাকার, কি হবে এই হাহাকার করে তাও জানি না।চারি দিকে শুধুই হাহাকার আর না,নেই,পারবো না।

এই না,নেই,পারবো না শুনতে শুনতে আমার সব এতো ভাল লাগছে তা বলে বুজাতে পারবো না।যার উপসঙ্ঘার হলঃ মন ভাল নাই,কিছুই আমার বলার বা করার নেই।এ খা নে-------------কিছুই বুজার নেই।

না-- না -------------------------------না-----------------------------------অভিধানে এই শব্দ আর রাখবো না।