দেখতে দেখতে আরেকটা ঈদ চলে গেলো আমাদের জীবন থেকে। কলোনীর ঈদ নিয়ে সবাই নষ্টালজিয়ায় আক্রান্ত। বিশেষ করে নামাজ শেষে কোলাকুলি নিয়ে। এখন আর কেউ কোলাকুলি করার মানুষ খুজে পায় না। আর কলোনীতে কোলাকুলি করতে সবাই ক্লান্ত হয়ে পড়তো। সত্যিই অনেক আনন্দের ছিলো কলোনীর ঈদের দিন গুলি। কলোনির ঈদের নামাজ হতো অফিসারস ক্লাব টেনিস কোট এ। এমনই এক ঈদে নতুন পায়জামা পাঞ্জাবি পরে নামাজ পরতে গেছি। প্রথম রাকাত নামাজ এ যেই রুকুতে গেছি ওমনি আমার পায়জামার ফিতার সেলাই করা জোড়াটা পিছন থেকে গেলো ছিড়ে। কি বিব্রতকর পরিস্থিতি এক হাতে পায়জামার পতন ঠেকিয়ে কোনো রকম নামাজ শেষ করলাম। নামাজ শেষে আমার বন্ধু ডালিম আর মিলটন কে বললাম আমার করুন অবস্থার কথা। এখন কোলাকুলি শুরুর পালা ডালিম আর মিলটন আমাকে সাহাজ্য করছে কোলাকুলি এড়িয়ে বাসায় ফিরার জন্য, আমি এক হাতে পায়জামার পতন ঠেকিয়ে যতোই কোলাকুলি এড়াতে চাই ততই পরিচিত মুখ গুলা হাসি মুখে এগিয়ে আসে কোলাকুলি করতে। কি বিব্রতকর পরিস্থিতি। আমার কান্না পাইতে লাগলো ইজ্জত নিয়ে মনে হয় বাসায় ফিরতে পারবো না। যা হোক শেষে সম্মানের সহিত বাসায় ফিরে হাফ ছেড়ে বাচলাম। হায়রে পায়জামার ফিতা ছিড়ার আর টাইম পাইলি না ঈদের শুরুর আনন্দের কোলাকুলি টাই মাটি হলো। ওই ঈদেই সবচেয়ে কম কোলাকুলি করছিলাম
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Saturday, September 26, 2015
Friday, September 25, 2015
ফিরে দেখা ঈদ
তোমাদের সবার লেখা পড়তে পড়তে ঝাপসা হয়ে আসছিল চোখ। আর বারবার মন ছুটে যচ্ছিল সোনালী শৈশব-কৈশরের স্মৃতি মাখা আমাদের প্রিয় স্টীল মিল কলোনীতে। তোমাদের সাথে একটু যোগ করি।ওখানে আমাদের সব কিছুই এক রকমই ছিল। তখন প্রাইমরিতে পড়ি । ঈদের দিন যেন সবার বাসাই আমাদের বাসা।তাই না? দিনভর দল বেধে প্রত্যেক বাসায় নক করো- সালাম করো-সোজা ডাইনিং টেবিলে বসে পড় । চাচীরা যেন এ দস্যি বাহিনীর জন্য প্রস্তত হয়েই থাকতেন।তবে আমাদের বাবা চাচাদের কঠিন শাসনের ভিতর ঈদের রাত্রীটাই ছিল স্বাধীন। তখন সবে একটা সাদা-কালো টেলিভিশন অফিসার ক্লাবে আসছে । ওটাই তখন আমাদের প্রিয়তমা দর্শনের মত ব্যাকুলও দূরন্ত করে তুলতো। প্রয়োজনে গার্ডের সাথে দূর্ব্যবহার করে হলেও আমারা ঢুকে পড়তাম TV দর্শনে।
পেনসিলে আকা পরী (২)
- Javed
পেনসিলে আকা পরী (২)
------------------------
পরী, বহুদিন পর তোকে আবার দেখলাম
অনুভব করলাম।
আমি ভেবেছিলাম তোকে ভুলেই গেছি
ভেবেছিলাম বুকের ভিতর আটকে থাকা কাটা টা
বোধহয় ক্ষয়েই গেছে কিংবা খসে গেছে।
ভুল যে ভেবেছিলাম তা তো বুঝতেই পারছিস।
যন্ত্রনা ভুলতে তাই আবার
বেচারা কবিতার উপর নির্যাতন।
পেনসিলে আকা পরী (২)
------------------------
পরী, বহুদিন পর তোকে আবার দেখলাম
অনুভব করলাম।
আমি ভেবেছিলাম তোকে ভুলেই গেছি
ভেবেছিলাম বুকের ভিতর আটকে থাকা কাটা টা
বোধহয় ক্ষয়েই গেছে কিংবা খসে গেছে।
ভুল যে ভেবেছিলাম তা তো বুঝতেই পারছিস।
যন্ত্রনা ভুলতে তাই আবার
বেচারা কবিতার উপর নির্যাতন।
Thursday, September 24, 2015
মানপত্র
মানপত্র জিনিসটা কেন বইতে থাকতো, আর কেনই বা সিলেবাসের অংশ ছিল আমি কখনই বুঝে উঠতে পারিনি। কিন্তু কলোনি গ্রুপে যোগ দিয়ে আমি এর মর্ম উপলব্ধি করতে পারলাম। কারণ একদল মান্য গণ্য লোক আমাদের এই গ্রুপে আছেন। কোরবানি ঈদের উপলক্ষে আমি তাঁদের জানাই "লাখো সালাম"।
আমি মাঝে মাঝে ভাবতে ভাবতে হয়রান হয়ে যাই যে, তাঁরা আসলেই কত মহান। কত বিশাল তাঁদের অবদান। কি সুমহান তাঁদের আত্মত্যাগ। তাই তাঁদের সম্মানে জীবনে প্রথম বারের মত একটা মান পত্র লিখে ফেললাম। যেহেতু প্রথম মানপত্র লিখছি,তাই প্রশংসা বা স্তুতি যদি কিছু কম হয় , তাহলে আমি আশা করি আপনাদের বিশাল হৃদয় আমাকে ক্ষমা করে দেবে ।
পাল্টা ছ্যালেঞ্জসহ--------------- ঈদ মোবারক
"পাল্টা ছ্যালেঞ্জসহ--------------- ঈদ মোবারক".
অনেকেই (Mahabub Rashel) বলদ-বিরিশ-গাইগরু (মহিলা গরু) কিনে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে ফাইট(গুতা গুতি) লাগানোর জন্য। আমি একটা পাঠা কিনছি। সেই রকম পাঠা!! শাথায় শিং নাই।ফাইট করতে করতে ক্ষয়ে গেছে।(তবে গেরস্ত পাঠার মাথায় লোহার হেলমেটসহ বিক্রি করছে)। খু-উ-ব তেজী। সামনের দু’পা তুলে ফাইট করে। কোরবানির কোন পশুই(গরু-মহিষ-উট-ছাগল-ভেড়া) তার সামনে কি--চ্ছু না।সে ফাইট দেয়ার জন্য শুধু লা্ফাইতেছে।সাহস আছে ??
সাহস থাকলে তোমাদের গুলোসহ এসে ঈদের দাওয়ৎ খেয়ে যেও।
“ওপেন চ্যালেঞ্জ”
কলোনিতে থাকা অবস্থায়, কোরবান দেওয়া ছিলো মুরুব্বীদের কাজ, আমাদের দরকার ছিলো একটা গরু,
বিরিশ গরু, সব
সময় মনে মনে
চাইতাম, এইবার
যদি একটা বিরিশ
গরু কিনতো তাহলে
সেইরকম মজা করা
যেত, কিন্তু কপাল খারাপ সব সময়ই
সাদা বা এ্যাশ
কালারের একটা বলদ
নিয়ে আসতো, প্রতি
বছর কিভাবে খুঁজে
খুঁজে আমার আব্বা
কার্বন কপি নিয়ে
আসতো এটাই মাথায়
ঢুকতোনা!!!
কিন্তু বলদ হলেও শিং গুলো
বড় থাকতো, এইটাই
শান্তনা, বলদ
গরু দেখতাম পা
দিয়ে মাটি খুড়তো,
মাঝে মধ্যে শিং
দিয়েও মাটি খুড়তো
!!! বাহ… দারুন ব্যাপার, আমাদের গরুর তেজ আছে !!! একবারতো গরুর
তেজ টেষ্ট করতে
গিয়ে, গরু
আমার উপরেই তেজ
ঝেড়েছিলো, একেবারে শিং এর উপরে
উঠিয়ে আছাড় !!!, গরুর আছাড়
খেয়ে আমিতো ভ্যাবা-চ্যাকা খেয়ে গিয়েছিলাম
!!!
ঈদের শুভেচ্ছা (একটু অন্যভাবে)
ঈদের শুভেচ্ছা ত সবাই জানায়।আমি না হয় একটু অন্যভাবে জানালাম। জাবেদ ভাইয়ের গতকালের লেখাটা পড়ে মাথায় কিছু ভাবনা আসল। সেটাই শেয়ার করলাম।
১. হঠাত করে চন্দনের একঘেয়ে জীবনে পরিবর্তন আসল।এখন আর অফিস থেকে ফিরে আর চা বসাতে হয়না, চা টা টেবিলের ওপর দেয়া থাকে। কিংবা ওয়াশরুমে যাবার পর তোয়ালে নিতে ভুলে গেলে সেটা এগিয়ে দেবার জন্য কেউ থাকে।মাঝরাতে ঘুম ভেংগে গেলে যখন বারান্দায় চাঁদের আলোয় একটা শীতল পাটি নিয়ে বসে থাকে তখন পাশে এসে একজন বসে।চন্দনের জীবনে এই নতুন মানুষ টি হল বহ্নি।
২. বহ্নি আসার পর চন্দনের অনেকদিনের না বলা কথাগুলো বেরিয়ে আসে।বহ্নি মুগ্ধ শ্রোতার মত শুনে যায়।বহ্নির মুগ্ধতা চন্দনকে অবাক করে।চন্দনের কোন কিছুতেই ওর বিরক্তি নেই।চন্দন মনে মনে ভাবে খুব কম মানুষ ভালবাসার মানুষকে বিয়ে করতে পারে।কিন্তু বিয়ের পরেও ত একে অপরকে ভালবাসতে পারে।একে অপরের প্রেমে পড়তে পারে।বহ্নি যেন তেমন একজন তার জীবনে। মাঝরাতে চন্দনের ঘুম ভেংগে গেলে সে বহ্নির দিকে তাকিয়ে থাকে।দেখে চন্দনের উপর ভরসা করে কি নিশ্চিন্তে সে ঘুমিয়ে থাকে।তখন আশ্চর্য ভাল লাগায় ভরে যায় তার মন।
৩. বহ্নির জন্য চন্দনের মনে অপেক্ষার সৃষ্টি হয়।অফিস থেকে কিভাবে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরবে সেই চিন্তায় থাকে।অফিসের ঘড়িটা যেন অনেক স্লো হয়ে গেছে ইদানীং। ছয়টা যেন বাজতেই চায় না।রাস্তায় জ্যাম পড়লে গাড়িতে বসে থাকেনা। নেমে হেটে চলে আসে।
৪. এভাবেই চলছিল সবকিছু। তারপর এক দিন বাড়ি ফিরে চন্দন বহ্নিকে খুজে পায়না। খোজ নেয় ওর যত পরিচিত ছিল তাদের কাছে।বহ্নির মা বাবা নেই। বড় হয়েছে ফুফুর কাছে।বিয়ের পর উনি ছেলের কাছে আমেরিকায় চলে গিয়েছেন। শহরের সব মানুষের মাঝে খুজে বেড়ায়।একদিন, দুইদিন এভাবে অনেকদিন চলে যায়।চন্দন অপেক্ষা করে বহ্নির জন্য।কিন্তু বহ্নি আর ফিরে আসেনা।
৫. একদিন টুং করে বাসার কলিংবেল টা বেজে ওঠে।চন্দন বহ্নি ফিরে এসেছে ভেবে দরজা খুলতে যায়।কিন্তু সেখানে বহ্নি নয় বহ্নির স্মৃতি অপেক্ষা করে চন্দনের জন্য।
tambourine মান ওরফে জাবেদ ভাইয়ের গল্প
tambourine মান ওরফে জাবেদ ভাইয়ের গল্প ( নাকি সত্য ঘটনা) লিখা দেখে আমারো লিখতে মন চায়।কিন্তু ভয় লাগে আমার ত উনার মত এত অভিজ্ঞতা নাই। সত্য মিথ্যা দিয়ে শেষে না জগা খিচুরি হয়ে যায়।তাছাড়া ইদানীং নিজের ইমেজ নিয়ে ভয়ে আছি।কেউ বলে আমি নাকি পাম পট্টী দিতেছি,কেউ বলে উকিলের প্যাচ দিতেছি।আরেক মেয়ে রিনি আছে সারাদিন আমার বিয়ে নিয়ে। ভাবখানা এমন যেন আমি বিয়ে না করলে ওর সংসার টিকবেনা।যা হোক, যে যাই বলুক,আমার কাছে কোন সম্পর্ক ভেংগে দিতে ভাল লাগেনা কারণ যেকোন সম্পর্ক এর মুল্য অনেক বেশি আমার কাছে সেটা এক দিনের হোক বা অনেক বছরের
Wednesday, September 23, 2015
কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল বেলা
(লেখালেখি বলেন আর পাকামি বলেন যা করছি সেটা ক্লাস নাইন থেকে শুরু হয়েছে। শেষ হয়েছে ২০১৪ এর শুরুর দিকে। বেশিরভাগ লেখাই হারিয়ে গেছে। অল্প কিছু সফট কপি ছিল সেগুলোই আপনাদের জোর করে গেলাচ্ছি। সবার কাব্য চর্চা দেখে আমি খুব উৎসাহিত হয়েছিলাম। এরপর দিলাম গল্প, আপনারা অকুন্ঠ প্রশংসা করলেন যার যোগ্য আসলে আমি নই। আশা করেছিলাম সবাই গল্প লেখা শুরু করবেন। যাই হোক, আরেকটা গল্প খুঁজে পেয়েছি। এটাই হয়ত শেষ। আর কোন কপি পাচ্ছি না। এই গল্পে হুমায়ুন আহমেদের ছায়া খুঁজে পেতে পারেন হয়ত। এতো বড় একজন লেখকের প্রভাব ছোট গল্পকারদের উপর পড়বেনা এটা ভাবা অবান্তর। আপনাদের লেখা গল্প পড়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় রইলাম। )
কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল বেলা
---------------------------------------------
পারুল আমার বুবুর নাম
কবিতা হলো। এবার গল্প হোক।
পারুল আমার বুবুর নাম
----------------------------
গুলিস্থানে বাসের জন্য লাইনে দাঁড়ালাম। বিশাল লাইন। বাসের নাম সময় নিয়ন্ত্রন। হকাররা ঘুরেঘুরে বুট বাদাম বিক্রি করছে। একটা বাচ্চা মেয়ে দেখলাম বাদামের পোটলা হাতে ঘুরছে। বাদাম বেচার প্রচেষ্টা। অপেক্ষার জন্য বাদাম কার্যকর জিনিস। মেয়েটাকে ডাকলাম। মানিব্যাগ খুলে পাঁচ টাকার নোট খুঁজে পেলাম না। এক পোটলা বাদাম পাঁচ টাকা। পঞ্চাশ টাকার ভাংতি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলো মেয়েটা। ওকে জিজ্ঞেস করলাম কি নাম রে তোর?
পারুল। অস্থির হয়ে জবাব দিলো মেয়েটা। ভাংতি থাকলে দেন নাইলে বাদাম ফেরত দেন।
প্যান্টের পকেটে দশ টাকা পাওয়া গেলো। কি ভেবে আমি দুই ঠোঙ্গা বাদাম কিনে ফেললাম।
পারুল। পারুল বু। গুলিস্থানের ব্যস্ত রাজপথে দাঁড়িয়ে আমার কাঁকনপুরের পারুল বুর কথা মনে পড়ে গেলো। আমাদের এক বাড়ি পরেই পারুল বু দের বাড়ি। পারুল বু তখন কলেজে পড়ে। লম্বা সুন্দর একটা মেয়ে। মাথা ভরা চুল। পারুল বু সবসময় বলত আমি নাকি পারুল বুর পিছে পিছে ঘুরি।
স্পর্শ
হলিক্রিসেন্ট হসপিটালে বাবা কে নিয়ে মাত্র আসলাম । শুরু দিকের কঠিন সময় টুকু বাদ দিলে হসপিটালের দিন গুলো খারাপ ছিল না। ডাক্তার পেসেন্ট মেডিসিন এই নিয়েই আমার লাইফ । এইভাবেই চলবে মেনে নিয়েছি । আমি মাস্টার্সের পরীক্ষায় এত সিরিয়াস ছিলাম বলে মনে হয় না যত টা সিরিয়াস ছিলার বাবার প্রতি, একটু গাফিলতি করলে কি কঠিন সময় ফেস করতে হবে আমি জানতাম। আমাকে বাবার প্রেসক্রিপ্সন যেভাবে মুখস্ত করতে হয়েছে সেভাবে যদি ম্যানেজারিয়াল একাউন্টস পড়তাম তাহলে আজ পচে মরতে হতো না। যাই হোক হলিক্রিসেন্ট এর সব ডাক্তার দের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। প্রফেসর মুলকুতুর রহমান স্যার এক সময় বাবার রেগুলার ডাক্তার ছিল। উনি চাকরির কারনে সৌদি চলে যান প্রায় এক যুগ পর ফিরে এসে ইউনুস সাহেবের খবর নেন। ইউনুস সাহেব হচ্ছে জটিল এক পেসেন্ট । সারা জীবন অনেক মিরাকল হয়েছে তার উপর দিয়ে । বাবার হার্ট ছিদ্র ছিল এই রকম পেসেন্ট অপারেশন ছাড়া বেশী দিন টিকে থাকতে পারে না, বাবা ছিল , খুব ভালো ভাবেই ফিরে এসেছিল । কেন ফিরে এসেছিল কি করে ৬০ বছর টিকে ছিল আল্লাহ জানে । মুলকুতুর স্যার এসেই আমার সামনে পরলো , ডাক্তার দের বোর্ড বসিয়ে ছিল। মিটিং এর পর আমার প্রশ্নের সম্মুখিন হয়ে সে কিছুটা বিরক্ত ছিল। রাতে বাবার শরীর খারাপ হলে আবার কল করি। উনি ছুটে আসেন , এসে আমাকে দেখেই কিছুটা বিরক্ত ভাব নিয়ে বাবাকে দেখেন । ইডিনিল কেন দেয়া হয় নাই জানতে চেয়েছে ইন্টার্নির ডাক্তার এর কাছে? উনি আমাকে দেখিয়ে দিয়ে বলেছে ও খাওয়াতে দেয় নাই। একটু বেশী পন্ডিতি করে ছেলেটা । এমনি তেই আমারে দেখতে পারে না তার উপর কমপ্লেইন আমারে যে কি করে আল্লাহ জানে ?
আমি আর সুমন
১৯৮৯ সালের দিকের ঘটনা, আমি আর সুমন (মানিক ভাইএর ছোট ভাই D5) দুপুরের দিকে পুকুর পাড়ে বসে আড্ডা দিচ্ছি, এমন সময় সুমন তার বাবা (মরহুম ইউনুস সাহেব) কে বাসা থেকে নামতে দেখেই পুকুরে লাফ দিয়ে লুকিয়ে পড়ল (তখন পুকুর পুরোপুরি শুকনো ছিলো) আমি জিগ্গাসা করাতে সুমন বলল আব্বা এখন বাজারে পাঠাবে তাই লুকিয়ে পড়লাম ওদিকে ইউনুস কাকা আমার কাছে এসে খুব মোলায়েম ভাবে বললেন “ বাবা তুমি আমাদের সুমর কে দেখছো? আর আমিও খুব বিনয়ের সংগে বললাম , না কাকা দেখি নাইতো, সংগে সংগে কাকা বললেন- আতিক আমি তোমার কান টা ছিড়ে দিবো, এই মাত্র দেখলাম সুমন পুকুরে লাফ দিয়ে লুকালো আর তুমি বলছ দেখোনি, এরপর মেঘগর্জন স্বরে বললেন- সুমন উঠে আয়। সুমনের চেহারা টা হইছিলো পুরা তখন চোরের মতো আর আমার চেহারার কথা কি আর বলব।
আল্লাহ ইউনুস কাকাকে বেহেশত নসীব করুন।
Tuesday, September 22, 2015
সালাউদ্দিন চাচা VS সালাউদ্দিন
লিখার শুরুতেই সম্মানিত সালাউদ্দিন চাচার (রিমন ভাই এর আব্বা) নিকট মাফ চেয়ে নিলাম।
প্রতিদিনের মত আমরা সবাই (আমি, রাফি, আসিফ, সালাউদ্দিন, সুজি, রনি, মিঠু, মানিক, ফুয়াদ সহ আরও অনেকজন) সি-টাইপ এর মাঠে ফুটবল খেলতেছিলাম। খেলা শেষে সবাই আড্ডা দিচ্ছিলাম। হটাৎ সালাউদ্দিন চাচা কে রাস্তায় দেখে আমাদের সালাউদ্দিন (৯৯ ব্যাচ) এবং সুজির মাথায় একটা দুষ্ট বুদ্ধি এলো। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।
সবাই মিলে প্লান করলাম চাচা কে একটু ক্ষেপাই। যেই কথা সেই কাজ। ক্ষেপানোর দায়িত্ব পড়ল সালাউদ্দিন এবং সুজির উপর। প্লানটা ছিল এই যে, যখন সালাউদ্দিন চাচা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাবে তখন আমাদের সালাউদ্দিন উনার সামনে দিয়ে হাঁটবে আর আমরা পিছন থেকে সবাই সালাউদ্দিন সালাউদ্দিন বলে চিল্লাব।প্লান মত পরেরদিন আমরা সবাই সালাউদ্দিন চাচার এর জন্য সি-টাইপ এর মাঠে বসে অপেক্ষা করতেছিলাম। একটু পরেই দেখি উনি আস্তিছে (অফিস থেকে)। আমাদের সালাউদ্দিন উনার সামনে গিয়ে দাঁড়াল, চাচাকে সালাম দিল এবং উনার সামনে দিয়ে হাঁটতে শুরু করল। আর আমরা একটু দূরে উনার পিছন পিছন হাঁটতে শুরু করলাম কিন্তু কেউ ভয়ে সালাউদ্দিন কে ডাকতে সাহস পাসছি না। হটাৎ সাহস করে সুজি সালাউদ্দিন বলে ডাক দিল (এই সালাউদ্দিন ... এই সালাউদ্দিন ......)। চাচা পিছন ফিরে তাকাল। আমরা সবাই চুপ। আবার সুজি জোরে জোরে এই সালাউদ্দিন ... এই সালাউদ্দিন ...... বলে ডাকতে লাগল। এইবার চাচা একটু রাগী চোখে তাকাল। এই ভাবে ২-৩ দিন চলতে থাকল।
বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
- Pulak
কারো পারসোনাল ইস্যু নিয়ে খোঁচানো বোধ হয় কারো ই উচিত না, যদি কেহ এই রকম কাজ করেছে বলে আপনার মনে হয় অথবা কারো কমেন্ট শালীনতার বাহিরে চলে গেছে বলে আপনার মনে হয় তাহলে তৎক্ষণাৎ নিচের দেওয়া অনুসারে কমেন্ট সহ পেজ এর SCREENSHOTS বা ছবি নিয়ে রাখিবেন এবং এডমিন কে রিপোর্ট আকারে মেসেজ এ পাঠাবেন--
কারো পারসোনাল ইস্যু নিয়ে খোঁচানো বোধ হয় কারো ই উচিত না, যদি কেহ এই রকম কাজ করেছে বলে আপনার মনে হয় অথবা কারো কমেন্ট শালীনতার বাহিরে চলে গেছে বলে আপনার মনে হয় তাহলে তৎক্ষণাৎ নিচের দেওয়া অনুসারে কমেন্ট সহ পেজ এর SCREENSHOTS বা ছবি নিয়ে রাখিবেন এবং এডমিন কে রিপোর্ট আকারে মেসেজ এ পাঠাবেন--
হে "সি.এস.এম কলোনী"
- Raju RB Siddique
হে "সি.এস.এম কলোনী" ®
তোমাকে লক্ষ করে
এখনি রচিত হোক শত কবিতা
এখনি করবো পাঠ মোরা ভাইয়েরা
উপলক্ষ যাই হোক
মোদের কবিতা শুধু
তোমাকে লক্ষ করে
হে ........কলোনীবাসীরা ®
হে "সি.এস.এম কলোনী" ®
তোমাকে লক্ষ করে
এখনি রচিত হোক শত কবিতা
এখনি করবো পাঠ মোরা ভাইয়েরা
উপলক্ষ যাই হোক
মোদের কবিতা শুধু
তোমাকে লক্ষ করে
হে ........কলোনীবাসীরা ®
সকাল সকাল ঘুমায় যারা
- Mahmudur Rashid Paluk
সকাল সকাল ঘুমায় যারা
সকাল বেলায় উঠে
সব কিছুতে বড় হবে
মিথ্যে যে নয় মোটে
রাত বিরাতে আড্ডা দেওয়া
শইরের জন্য খারাপ
চা খাওয়াও হইছে দেখি
স্পট সেই আনসার ব্যারাক
নোয়াখালী আর শুদ্ধ ভাষা
মিলাইয়া করছেন গুরুচন্দালী
১০০% নোয়াখাইল্লা টিনকু ভাইচা
মাইন্ড খাইছে এবনরমালী
সকাল সকাল ঘুমায় যারা
সকাল বেলায় উঠে
সব কিছুতে বড় হবে
মিথ্যে যে নয় মোটে
রাত বিরাতে আড্ডা দেওয়া
শইরের জন্য খারাপ
চা খাওয়াও হইছে দেখি
স্পট সেই আনসার ব্যারাক
নোয়াখালী আর শুদ্ধ ভাষা
মিলাইয়া করছেন গুরুচন্দালী
১০০% নোয়াখাইল্লা টিনকু ভাইচা
মাইন্ড খাইছে এবনরমালী
“ যদি থাকে নসিবে............ “
এই
ছবির রাস্তার দিকের
দেয়ালের সাথে লাগালো একটা পেপে গাছ ছিলো,
গাছটা ছিলো লম্বা
আর দেয়ালের ভিতরে
কিন্তু মাথাটা ছিলো
দেয়ালের বাহিরে বাঁকানো। ২/৩ টা
পেপে পেকে টস-টসে হয়ে আছে,
যার গাছ তারও
কোন খোজ খাবর
নাই !! এভাবে
কেউ এতদিন ধরে
পাকা পেঁপে গাছে
রাখে !!! অনেকদিন থেকে
চোখে পড়ছিলো কিন্তু সিস্টেম করা যাচ্ছিলো না
কোনভাবেই !!! গাছটা এমন
একটা পজিশনে ছিলো
বাহির থেকেও পাড়া
যাচ্ছিলো না ( কারন
রাস্তার সঙ্গে ), আর
ভিতর থেকে পাড়ারতো প্রশ্নই আসে না।
সিএনজি পাম্পে
- Atiq CSM
সিএনজি পাম্পে
ইয়া বড় লাইনে
চিন্তায় গেছি পড়ে
কাটবে কি মাইনে।
রাস্তায় এসে দেখি
জ্যামে জ্যামে সয়লাব
এভাবে বসে থেকে
হচ্ছেনা কোন লাভ।
লাভ লস পরে হবে
অফিসে যাওয়া চাই
সবখানের অবস্থা
ঠাই নাই ঠাই নাই।।
সিএনজি পাম্পে
ইয়া বড় লাইনে
চিন্তায় গেছি পড়ে
কাটবে কি মাইনে।
রাস্তায় এসে দেখি
জ্যামে জ্যামে সয়লাব
এভাবে বসে থেকে
হচ্ছেনা কোন লাভ।
লাভ লস পরে হবে
অফিসে যাওয়া চাই
সবখানের অবস্থা
ঠাই নাই ঠাই নাই।।
“ CSM পরিবার ”
নিজগুনে ক্ষমাপ্রার্থী যদি কেউ ভুলে যান,
আমাদের ছোট একটা কাজ ছিলো মনে কি আছে ভাইজান?
সবাই মিলে করবো বলে এক হয়েছি অনেকবার,
তবুও, কেন মনে করিয়ে দিতে হয় বুঝি না বারবার !!!
কাজটা যদিও বড় নয়, কিন্তু দায়িত্ব আছে অনেক,
আপনার যদি দায়িত্ববোধ না থাকে, তাহলে জোর করে কি হবে ?
CSM শুধু CSM নয়, বিশাল একটা পরিবার,
বেশী কিছু বলার নেই, ব্যাপারটা সম্পুর্ন’ই ব্যাক্তিগত বুঝার।
ইমোশনের মুল্য নেই, যদি না থাকে দায়িত্ব,
এভাবেই টিকে থাকে আজীবন বন্ধুত্ব।
Monday, September 21, 2015
" কোন এক রাজা মিয়া"
আনেক দিন আগে এ লেখাটা আমার টাইম লাইনে দিয়ে ছিলাম। যেহেতু বিষয়টা ষ্কুলের সাথে জড়িত তাই আবার সবাইকে বিরক্ত করার জন্য পোষ্ট কররাম-
------------------------------------------------------------------------------------------------
" কোন এক রাজা মিয়া"
এমন একটা জায়গায় খুক খুক করে গাড়ি থেমে গেল যেখানে বেশ কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থেকেও রিক্সার/সিএনজি-র কোন দেখা পেলাম না। অগত্যা ড্রাইভারের চৌদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার করে মোড়ের দিকে হাঁটা দিলাম। হাতে সময় কম একটা সেমিনারে যোগ দিতে হবে। অভিজাত নিরিবিলি এলাকা।আগের দিনের নাপিতের বাক্সে মত হাতে একটা ছোট ব্রিফ কেস নিয়ে কেতাদুরস্ত পোষাক পরে হাঁটছি।মোড়ের কাছে আসতে আসতে ঘেমে নেয়ে উঠলাম। ভাদ্র মাসের তালপাকা গরমের ভরদুপুর। মোড় ঘুরতেই দেখি এক রিক্সাওয়ালা সিটে বসে পায়ে উপর পা তুলে ভুর ভুর করে বিড়ি ফুঁকছে। ভাড়া যাওয়ার ঠিকানা শোনে একই ভঙ্গিতে বলল---ঐ দিকে vip রোড। যাওয়া যাইবো না।
ছোট ভাই হিসেবে বিনিত অনুরোধ
- Aslamuddin Mamun
রেজা ভাই এর কাছে ছোট ভাই হিসেবে বিনিত অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আপনি এমন একটা পোস্ট করেন যাতে আমাদের এই সিএসএম কলোনীর সকলে একএে থাকতে পারি।কিছু কিচু কমেন্ট সবার সাথে শেয়ার করা যায়না।এইপ্যাজে ছোট- বড় সবাই পড়ে,তাই আমি আতিক ভাই এর সাথে এক মত।আমরা দুষ্টামি করব তা লিমিটের মধ্যে,যাতে আরএকজনকে আঘাত না করে।রেজা ভাই প্লিজ আপনাকে আমরা এই প্যাজের অভিবাবক মেনেছি।আপনি এমন কিছু লিখেন যাতে আমাদের এই মিলন - মেলা সব সময় অটুট থাকে।
রেজা ভাই এর কাছে ছোট ভাই হিসেবে বিনিত অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আপনি এমন একটা পোস্ট করেন যাতে আমাদের এই সিএসএম কলোনীর সকলে একএে থাকতে পারি।কিছু কিচু কমেন্ট সবার সাথে শেয়ার করা যায়না।এইপ্যাজে ছোট- বড় সবাই পড়ে,তাই আমি আতিক ভাই এর সাথে এক মত।আমরা দুষ্টামি করব তা লিমিটের মধ্যে,যাতে আরএকজনকে আঘাত না করে।রেজা ভাই প্লিজ আপনাকে আমরা এই প্যাজের অভিবাবক মেনেছি।আপনি এমন কিছু লিখেন যাতে আমাদের এই মিলন - মেলা সব সময় অটুট থাকে।
“ কাশেম কাকার ডাবের বাগান !! “
কলোনিতে সবচেয়ে বেশি ডাব গাছ
ছিলো কাশেম আঙ্কেলের
(যাকে আমরা সুদি
কাশেম হিসেবে চিনি),
বেশিরভাগ গাছ তিনি
নিজেই লাগিয়েছিলেন এবং তার
হাতের উপরেই বড়
হয়েছিলো, তবে
আমার মনে হয়
তিনি তার লাগানো গাছের ২০ % এর
বেশি ভোগ করতে
পারতেন কিনা সন্দেহ আছে। আঙ্কেলের স্ত্রী আমরা
নানি বলতাম, নাকি
আন্টি বলতাম মনে
করতে পারছি না,
উনি সম্ভবত অসুস্থ ছিলেন, তাই ওনাকে দেখলে
অনেক বয়স্ক মনে
হত, কানে
ভালো শুনতেন না,
তার সাথে জোরে
জোরে কথা বলতে
হত, চোখেও
ভালো দেখতে পেতেন
না, দিনের
বেলাতেও পাশে দাঁড়িয়ে থাকলে বা দুষ্টামি করলেও চিনতে পারতেন না
কে করছে !!! জিজ্ঞেস করতেন,
“ ওডা তুই কার
ফোয়া “
রিমন ভাই (93 Batch)
কলোনি তে শীতকালে সবার যখন পরীক্ষা শেষ হয়ে যেত,তখন অনেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেত। তেমনি আমাদের দোতলার রিপা আপারা সবাই বাড়িতে চলে গেল আর বাসায় রেখে গেল ওনার ভাই রিমন আর ওনার এক মামাকে।একদিন রাতের বেলা। দশটা হবে। রিমন ভাই লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে গেছেন।দরজা জানালা সব বন্ধ করে।ওনার মামা তখন ফিরেন নাই বাইরে থেকে।যখন ফিরলেন তখন হাজার ডেকেও দরজা খুলাতে পারছেন না। কলিং বেল নষ্ট। ধাক্কা দেয়ার পর এক সময় দরজা খুলে গেল।কিন্তু প্রথম রুমে রিমন ভাই শুয়ে আছেন এবং ওই রুমের দরজায় ছিটকিনি লাগানো।ওনার মামা তখন আমাদেরকে ডাকলেন।আমরাও রিমন ভাইকে চেঁচিয়ে ডাকতে লাগলাম।এ যেন কুম্ভকর্ণ এর ঘুম।কিংবা ঘুমন্ত রাজকন্যা র ঘুম।মাথায় কিছু আসছেনা কিভাবে ওনাকে ঘুম থেকে তুলব।ওই সময় দুলি ভাই কি কারণে যেন আমাদের বিল্ডিং এ আসছেন। উনি তখন জানালার কাচ একটু করে ভেংগে ছোট ছিদ্র করলেন। তারপর সেই ছিদ্র দিয়ে রাজপুত্রের মত লাঠি (সোনার কাঠি) ঢুকিয়ে গুতা দিয়ে রিমন ভাইকে ঘুম থেকে তুললেন।পুরো ব্যাপার টা বুঝতে রিমন ভাইয়ের সময় লাগল। যখন বুঝলেন তখন উনি ডালিমের দানার মত লজ্জায় লাল হয়ে গেছেন।
Sunday, September 20, 2015
জরুরী বিজ্ঞপ্তি
জরুরী বিজ্ঞপ্তি
আসন্ন কোরবানিরকে সামনে রেখে আমাদের দু’জন সদস্য মহা ধরা খাইয়াছে। যাহারা নিজেরা গরু খাইতে পারিবে না বলিয়া গরুর গোস্ত সম্পর্কে নানা রকম কুৎসা রটাইতেছে এবং গোস্ত না খাওয়ার জন্য নানা রকম উপদেশ দিয়া বেড়াইতেছে। ইহাদের একজন হইতেছে নীরু এবং অপরজন হইতেছে শিমু। এইরূপ মানুষদের থেকে সকলেই সতর্ক থাকুন। তাহাদের এহেন ষড়যন্ত যেহেতু ধরা খাইয়া গিয়াছে তাই এর পুরস্কার স্বরূপ নিম্নে উল্লেখিত প্রাণীটি তাহাদের দু’জনকে দেওয়া হইল যাহাতে তাহারা ভবিষতে এরূপ কাজ হইতে বিরত থাকে।
পুন: তাহাদের উভয়কে কার্গো বিমানে করিয়া প্রণীটি নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হইলো। অন্যথায়.......এই প্রানী তাহাদেরকে গুতাইলে আমি দায়ী নই...............আমিন..
কাশফুল মেয়ে
- Moin Khan
কাশফুল মেয়ে
(২৯শে এপ্রিল জলচ্ছোসে নিহতদের স্বরনে)
---------------মঈন খান।
সময়ের হিসাব ভুলে
শরতের আজ সকালে ঝড়!
কাশফুল, কাশবন সব তছনছ।
চুপচাপ চারদিক ঝুর ঝুরে বৃষ্টি।
অসময়ের বৃষ্টি
মুখোমুখি বসিয়ে দেয় তার--
আরব মেয়েদের মতো
পিঙ্গল বর্ণের চোখ ছিল যার।
মাথায় (!)
বড় দু’টো খোপা ছিল বাঁধা।
হাতে ছিল কাশফুল একগাছি।
নোনা মাটির সমুদ্রের গাঁয়ে
কোথা থেকে পেয়ে ছিল কাশফুল, কে জানে ?
যেতে যেতে কাশফুলে মুখ ঢেকে
আড়চোখে—চোখাচোখি
হেসে দিয়ে তার পালিয়ে বাঁচা।
কথা(?) শুধু ঐ টুকু তার সাথে।
আমরা ছিলাম সমুদ্র পাড়ের
কোন এক ভারী ইস্পাত মিলের
শ্রমজীবি মানুষের ছেলে মেয়ে।
কাশফুল মেয়ে
(২৯শে এপ্রিল জলচ্ছোসে নিহতদের স্বরনে)
---------------মঈন খান।
সময়ের হিসাব ভুলে
শরতের আজ সকালে ঝড়!
কাশফুল, কাশবন সব তছনছ।
চুপচাপ চারদিক ঝুর ঝুরে বৃষ্টি।
অসময়ের বৃষ্টি
মুখোমুখি বসিয়ে দেয় তার--
আরব মেয়েদের মতো
পিঙ্গল বর্ণের চোখ ছিল যার।
মাথায় (!)
বড় দু’টো খোপা ছিল বাঁধা।
হাতে ছিল কাশফুল একগাছি।
নোনা মাটির সমুদ্রের গাঁয়ে
কোথা থেকে পেয়ে ছিল কাশফুল, কে জানে ?
যেতে যেতে কাশফুলে মুখ ঢেকে
আড়চোখে—চোখাচোখি
হেসে দিয়ে তার পালিয়ে বাঁচা।
কথা(?) শুধু ঐ টুকু তার সাথে।
আমরা ছিলাম সমুদ্র পাড়ের
কোন এক ভারী ইস্পাত মিলের
শ্রমজীবি মানুষের ছেলে মেয়ে।
ফেচবুক নিরাপত্তা
- Pulak
আজকাল প্রায়ই ই-মেইল ঠিকানা, ফেসবুক পরিচিতি (আইডি) হ্যাকড (বেদখল) হওয়ার কথা শোনা যায়। আপনি হয়তো অনেক দিন ধরে ফেসবুক ব্যবহার করেন। ফেসবুকে আপনার অনেক ছবি, তথ্য ও বন্ধুরা আছে। কিন্তু আপনার ফেসবুক আইডি যদি হ্যাকড হয়ে যায়, তখন সবকিছুই হারিয়ে যাবে। যাঁরা হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছেন, তাঁদের ভালোই জানা আছে, তখন কী সমস্যায় পড়তে হয়। তবে কিছু পন্থা অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই ফেসবুকে আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়াতে পারেন। এতে হ্যাকিংয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে এবং হ্যাকড হলেও আপনি আপনার ফেসবুক আইডি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।
আজকাল প্রায়ই ই-মেইল ঠিকানা, ফেসবুক পরিচিতি (আইডি) হ্যাকড (বেদখল) হওয়ার কথা শোনা যায়। আপনি হয়তো অনেক দিন ধরে ফেসবুক ব্যবহার করেন। ফেসবুকে আপনার অনেক ছবি, তথ্য ও বন্ধুরা আছে। কিন্তু আপনার ফেসবুক আইডি যদি হ্যাকড হয়ে যায়, তখন সবকিছুই হারিয়ে যাবে। যাঁরা হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছেন, তাঁদের ভালোই জানা আছে, তখন কী সমস্যায় পড়তে হয়। তবে কিছু পন্থা অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই ফেসবুকে আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়াতে পারেন। এতে হ্যাকিংয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে এবং হ্যাকড হলেও আপনি আপনার ফেসবুক আইডি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।
রিপোর্ট কার্ড
- Simka
অবশেষে রিপোর্ট কার্ড খানা আপ লোড করিলাম । ক্লাস ১-৯ পর্যন্ত খুঁজিয়া পাইয়াছি । কিন্তু দিলাম ক্লাস এইটের টা । কারন টা কি ??
অবশেষে রিপোর্ট কার্ড খানা আপ লোড করিলাম । ক্লাস ১-৯ পর্যন্ত খুঁজিয়া পাইয়াছি । কিন্তু দিলাম ক্লাস এইটের টা । কারন টা কি ??

একদিন পৃথিবীর সব কবি ধর্মঘট করবে
রেজা ভাই ঘোষণা দিয়েছেন আজ কবিতা দিবস। কবিতার স্রষ্টা কবি। কবির অধিকার পুরন না হলে কবিতা আসবেনা। তাই কবির অধিকার নিয়ে একটি কবিতা। এটা অনেক আগে লেখা। আমার খুব প্রিয় কবিতা।।
--------------------------------------------------------------------------------------
একদিন পৃথিবীর সব কবি ধর্মঘট করবে
---------------------------------------
একদিন পৃথিবীর সব কবি ধর্মঘট করবে
সেদিন কবিতার খাতা হবে পঙক্তিশুন্য
যত কাব্যগ্রন্থ সব হয়ে যাবে সাদা কাগজ।
কবিরা সেদিন তাদের দাবী জানাবে।
কবিকে দিতে হবে অবাধ বিচরণের স্বাধীনতা।
হোটেল,রেস্তোরা,খেলার মাঠ,পতিতা পল্লী
কবির আগমনে অভ্যর্থনা জানাতে বাধ্য থাকবে।
দিতে হবে সর্বোৎকৃষ্ট সেবা।
টিউশনির অভিজ্ঞতা
টিউশনির অভিজ্ঞতাঃ আমার জীবনের প্রথম টিউশনি করি কলোনির একটি বাসায় সকাল সাতটায়।প্রথম দিন সকালে সকালে পড়াতে গেলে যথারিথী নাস্তা হিসাবে দেওয়া হয় দুটি বেলা বিস্কুট আর চা।আমিও তা খেয়ে নিলাম।তারপর দিন তিনটি বেলা এবং চা।তাও তিনটি বেলা চা খেয়ে ফেললাম।এর পর দিন চারটি বেলা ।তাও খেয়ে ফেললাম।এর পরদিন দেখি চাও নেই, বিস্কিট ও নেই।
ষ্টিলার.....
ষ্টিলার.....
আমরা
নবীন আমরা প্রবীণ
আমরা
ষ্টিলারের দল,
দুর
প্রভাসে বাস করে
ভাংছে
মনোবল ।
হরেক
রকম মানুষ ছিলাম
অনেক
রকমের আশা,
সব
কিছু ভাংছে ঐ
সি.ভি.এ
শালা।
(বিঃ দ্রঃ প্রবাসীদের জন্য)
CSM এগিয়ে যাচ্ছে
CSM
এগিয়ে যাচ্ছে !!! ভাবতে ভালোই
লাগে, লুকিয়া থাকা প্রতিভা দেখে আমি
বিস্ময়ের সাথে মুগ্ধ
!! সবাই কবিতা লিখছে,
তাহলে আমি কেন
লিখবো না? দিনের
শুরুতেই মনে মনে
সিদ্ধান্ত নিলাম, আমিও
কবিতা লিখবো !!!
আমি
খুবই লজ্জিত এবং
খুশি, সারাদিনের চেষ্টার ফল হিসাবে আমি অবশেষে একটা কবিতা
লিখতে সমর্থ হয়েছি
!! অতএব এখন আমি
একটি কবিতা বলব,
কবিতার নাম, দুই
ফোটা জল,
"
টুপ...টুপ
!!!"
কবিতাটি যদি আপনাদের মন ছুয়ে
যায় তাহলে লাইক
বাটনে ক্লিক করুন
!!
আর
যদি কবিতাটি আপনাদের মন ছুয়ে না যায়
তাহলে লাইক বাটনে
বাড়ি মারুন !!
Saturday, September 19, 2015
শুভ সকাল CSM
শুভ সকাল csm.
টলি ভাই,রেজা ভাই,আতিক ভাই,রাসেল,জাবেদ এই সিএসএম এ লিখে সবাই কেএকএিত করে ফেলেছে।আমার মনে হয় এই গ্রুপে যারা আছে সবাই লেখা গুলো পড়ে,কেউ কমানট করে কেউ লাইক দেয়।বাকি সবার ইচছা আমি ও মনের কথা লিখি।আবার মনে করে লেখা পড়ে যদি সবাই কিছু মনে করে।গত শুঞবার নাজমুল ভাই বলল আমি ঠিক মত লেখতে পারি না আমি শুধু লাইক আর মাঝে মাঝে কমানট করব।অতচ সেই দিন নাজমুল ভাই এর একটা লেখা সবার আবেগ সৃষ্টি করে,বেশীর ভাগের চোখে জল চলে আসে।
টলি ভাই,রেজা ভাই,আতিক ভাই,রাসেল,জাবেদ এই সিএসএম এ লিখে সবাই কেএকএিত করে ফেলেছে।আমার মনে হয় এই গ্রুপে যারা আছে সবাই লেখা গুলো পড়ে,কেউ কমানট করে কেউ লাইক দেয়।বাকি সবার ইচছা আমি ও মনের কথা লিখি।আবার মনে করে লেখা পড়ে যদি সবাই কিছু মনে করে।গত শুঞবার নাজমুল ভাই বলল আমি ঠিক মত লেখতে পারি না আমি শুধু লাইক আর মাঝে মাঝে কমানট করব।অতচ সেই দিন নাজমুল ভাই এর একটা লেখা সবার আবেগ সৃষ্টি করে,বেশীর ভাগের চোখে জল চলে আসে।
আমাদের এমরান ভাই
Mahabub Rashel বলাতে আমাদের এমরান ভাইয়ের কথা মনে পড়লো। এমরান ভাই ছেলেছোকরাদের নিয়ে মাঠে বসে নিজের বীরত্বের কাহিনি শুনাচ্ছে। এমরান ভাইয়ের মুখেই শুনি বাকিটা......
একদিন আমি আমার হোন্ডাটা নিয়ে লাঙ্গামাটি যাইতেছিলাম। লাঙ্গামাটির রাস্তা খুব ডেয়ারিং। কাবিল না হলে ওখানে কেউ হোন্ডা চালাতে পারেনা। রাস্তাগুলা এমন উঁচুলে উঠে যে প্লেন উড়ি যাওয়ার সময় হরন দিতে দিতে যায়। সেইদিন আমি এরকম একটা রাস্তা দি উঠতেছিলাম। আমার সামনে একটা বেবি ট্যাক্সি। বেবি ট্যাক্সিটা আমাকে সাইড দেয়না। আমি পিত পিত করি হরণ দিতেছি তবু সাইড দেয়না।
ভয়ংকর স্মৃতি
কোরবানি ঈদ, ঈদের অনেক আগে থেকেই ঈদ আনন্দ শুরু হয়ে গেছে কারন ঈদের গরু কেনা হয়ে গেছে। সেই গরু কে ঘিরেই ঈদ আনন্দ শুরু। আমার আব্বা, আজিজুল হক চাচা(পলাশ ভাইয়ের আব্বা), মহসিন চাচা(লিনা আপার আব্বা) রা মিলে ভাগে কোরবানি দিতেন। আমাদের আবদার থাকতো ষাঁড় গরু কিনার যাতে করে গরু ফাইট লাগাতে পারি।আব্বা,চাচারা আমাদের হতাশ করতেন না কলোনীর সেরা ফাইটার গরু টাই কিনতেন কোরবানীর জন্য। সেই বার ও কিনেছিলেন খুব রাগী আর তেজী একটা গরু সেটাকে নিয়ে আমদের আনন্দের সীমা নাই গরু কে মালা জরি দিয়ে সাজানো মারামারি লাগানো এই করতে করতে ঈদের দিন এসে গেলো। সবাই নামাজ পরে এসেছে এখন গরু কোরবানি হবে সবাই মিলে গরুটাকে বেধে শুইয়ে ফেলেছে ইমাম সাহেব তৈরী জবাই করার জন্য, গরুর গলায় ছুরি চালানো হলো কিন্তু অর্ধেক জবাই হতেই গরুটা প্রচন্ড শক্তি দিয়ে ঝাকি মেরে সবাইকে ফেলে দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলো সে এক ভয়ংকর দৃশ্য, অর্ধেক জবাই হওয়া গরু দাঁড়িয়ে আছে তার গলা দিয়ে গলগল করে রক্ত পরছে আর সে সব মানুষের দিকে ভয়ার্ত চোখে তাকাচ্ছে, সবাই ধরধর বলছে কিন্তু কেউ আর ধরতে সাহস করছে না, কিছুক্ষণ পর একাই গরুটা পরে গেলো তারপর তাকে ভাল ভাবে জবাই করা হল। আমি এই দৃশ্য দেখে এতোটাই আতংকিত হয়ে পরেছিলাম যে মাঝে মাঝে ঘুমের ঘোরে ওই ভয়ংকর দৃশ্য স্বপ্ন দেখতাম।
মাসুক ভাই
মাসুক ভাই, তখন আমাদের দোতলায় থাকতেন।সারাদিন ওনার কাছে ছেলে মেয়েরা পড়তে আসত। ওদের জুতায় ভরে যেত মাসুক ভাইদের দরজার সামনের জায়গাটা। মাসুক ভাই উনার ছাত্র ছাত্রী দেরকে তুই করে বলতেন।উনি সবাইকে মনে হয় নিজের ছোট ভাই বোনের মত দেখতেন।তবে এটা নিয়ে ছেলেরা কিছু না বললেও কিছু কিছু আপুদের খুব আপত্তি ছিল।একদিন উনারা বলতেছেন এভাবে, "আচ্ছা মাসুক ভাই আমাদেরকে তুই তুই করে বলেন কেন? আমরা এখন কলেজে পড়ি। বড় হয়ছি না! তখন আরেক আপু উত্তর দিলেন,আসলে উনি তুই তুই করে বলে বোঝাতে চান যে কোন আমাদের প্রতি ওনার কোন দুর্বলতা নাই।" আরো খারাপ ভাবে বলছিল।আমি সেন্সর বোর্ড এ কেটে দিছি।সরি মাসুক ভাই। কলোনি র অনেক গুলা আলোচিত বিষয়ের মধ্যে আপনার তুই করে বলাটাও একটা বিষয় ছিল
যুগযুগ বেঁচে থাকুক জেকস আমাদের সবার মাঝে
জেকস সিএসএম কলোনীর এক ঐতিহাসিক স্থান। কম বয়সে সেখানে যেতাম শুধু কিছু কেনার প্রয়োজনে আর ঈদের দিনে দলবেধে কোক খাওয়ার জন্য ( তখন কোক আমাদের কাছে খুব বিলাসী সামগ্রী ছিলো)। একটু বড় হওয়ার পর সেখানে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেওয়া শুরু, প্রখম দিকে জেকসের সামনের বেঞ্চ পর্য্যন্ত ছিলো আমাদের আড্ডার সীমানা, ধীরে ধীরে আমরা বড় হচ্ছি আমাদের আড্ডা ও জেকসের ভিতরে সেই লাল রংয়ের রেক্সিনের সোফায় বসে দেওয়ার অধিকার ও পাচ্ছে। জেকসের পিছনে একটি খুপরি ঘরের মত ছিলো ওখানে হিটারে কাষ্টমার দের জন্য চা বানানো হতো আর এক পাশে একটু সিনিয়ররা চা উইথ সিগারেট আড্ডা চলত, আমাদের খুব ইচ্ছে ছিলো ওখানে আড্ডা দেওয়ার। ঠিকই একদিন আমরা ওখানে আড্ডার অধিকার পেলাম চা উইথ সিগারেট, তার মানে আমরা বড় হয়ে গেছি। এক পর্যায়ে এমনও হয়েছে যে দুপুরে ভাত খেয়ে এসে আড্ডা দেওয়া শুরু হতো চলত সন্ধ্যা পর্য্যন্ত আর বৃষ্টির দিনে তো কোন কথাই নেই।
Friday, September 18, 2015
জয়তু csm colony
কত কথা কত ঘটনা কত স্মৃতি আমাদের সবার। লেখাগুলো পড়লে মনেহয় যেন চোখের সামনেই সব কিছু দেখছি।অদ্ভুত একটা ভাল লাগার অনুভূতি।নিজের বাসায় বসে থেকেও যেন কলোনির আমেজ।এই গ্রুপ এখন আমার দৈনন্দিন কাজের একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু আমার কি?আমার তো মনেহয় সবার।"csm colony " এখন একটা ব্র্যান্ড।
জয়তু csm colony।
ভাষা শিক্ষা
১- স্যার আমাদের আদর করে গরুর দল বলতেন। খুব ইচ্ছা করতো স্যারকে জিগ্যেস করি স্যার আমরা গরুর দল মানলাম গরুর দল কে যে চড়ায় তাকে কি বলে? মাইর এর ডরে জিগ্যেস করা হয় নাই কোনো দিন। আমদের ক্লাসের বিকাশ, চট্রগ্রামের স্থানীয় ছেলে শুদ্ধ ভাষা বলা ওর জন্য দুরুহ এক কাজ। বিকাশ কয়েক দিন পর স্কুলে আসছে, স্যার রোল কল করছেন বিকাশের রোল কল করতেই বিকাশ বললো প্রেজেন্ট স্যার, স্যার বললেন হেরে বিকাশ কয় দিন ক্লাশে আসত নাই কেরে? বিকাশ বললো স্যার আমার গদ্দানা(ঘাড়) কাটি গেছিলো তাই আসি নাই। ঘাড়ের এই আঞ্চলিক শব্দ গদ্দানা শুনে স্যার সেইরম খেপে গিয়ে বললেন অব বেডা গদ্দানা কিরে গেট্টি ধইরা ক্লাশ থেইক্কা বাইর কইরা দিমু, স্কুলে আইসা ঠিক মতো কথা কইতে না পারলে স্কুলে আসনের দরকার কি, সাথে সেইরম মাইর।আমরা আর কি কমু বিকাশে কি ভুলডা কইলো আর স্যারে কি ভাষাডা শিখাইলো????????????
পৈশাচিক উল্লাস
কলোনীর আনাচে কানাচে অনেক ঝোপ জংগল ছিলো সেই ঝোপ জংগল এ রক্তচোষা নামক একটা প্রানী দেখা যেতো। খুবই নিরীহ একটা প্রানী।আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ধারনা করতাম এই প্রানীটা মানুষের শরীরের রক্ত চুষে খায় তাই এর নাম রক্তচোষা। এই রক্তচোষা শিকার করে হত্যা করাট ছিলো আমাদের একটা খেলা যেহেতু তারা আমাদের রক্ত চুষে খায় তাই তাদের শিকার করে হত্যা আমরা খুব উল্লাস প্রকাশ করতাম। রক্তচোষা শিকার করতাম নারিকেল এর শলা বা কাঠি দিয়ে ফাদ তৈরি করে সংগী ছিলো দুলি ভাই,আনু ভাই সমু ভাই, মনিরুল,ডালিম,বিপুল,মিলটন।
আহমেদ কবির স্যার (প্রধান শিক্ষক)
আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক আহমেদ কবির স্যার যিনি সদ্য প্রয়াত হয়েছেন।স্যারের একটা অভ্যাস ছিল এসেম্বলি শেষ হবার পর সব ক্লাসে টিচার রা ঠিকমতো গিয়েছেন কিনা তা নিজে গিয়ে দেখতেন।টিচার না থাকলে কার ক্লাস তা জেনে ব্যবস্থা নিতেন।তখন ক্লাস টু তে পড়ি।আমাদের ক্লাসে এলেন আরেক ক্লাসের আপা তার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলতে।এমন সময় আহমেদ কবির স্যার তার রুটিন অনুযায়ি ঘুরতে এলেন।আমাদের ক্লাসের আপা তখন পাশের ক্লাসের আপাকে বাচাতে এক ছাত্রের সামনে থেকে খাতা নিয়ে ওই আপার সাথে এমন ভাবে কথা বলতে লাগলেন যেন উনি পড়া নিয়ে কথা বলতে আসছিলেন। স্যার এটা দেখে আর কিছু না বলে চলে গেলেন। এ ঘটনাটা প্রায় পঁচিশ ছাব্বিশ বছর আগের।তবুও মনে পড়ল কারন কিছুদিন আগে আমার এক কলিগ আমার সাথে গল্প করতে আসছিলেন। তখন ছিল ব্যস্ততার সময়।এমন সময় অফিসের বস কে কি করছি তা দেখতে এলে আমি আমার ওই কলিগ কে বসের শান্টিং থেকে রক্ষা করতে একটা ফাইল নিয়ে খুলে বসলাম যেন উনি এটা নিয়ে কথা বলতে আসছিলেন।এত বছর পরে আমার জীবনে যে একই ঘটনা ঘটবে তা ভাবিনি
Subscribe to:
Posts (Atom)