আমার মামার সংখ্যা ৬ হলেও মিন্টু মামার প্রতি আমাদের একটু এক চোখা নীতি সব সময় ছিল। ছোট বেলায় আমার অন্য কাজিনরা যখন মিন্টু মামাকে মামা সম্বোধন করতো অনেকবার ঘাড় ঘুড়িয়ে তাকিয়েছি হয়তো বিরক্ত ও হয়েছি ,চোখ রাঙ্গাতাম কিনা তা ঠিক মনে করতে পারছিনা। উনি আমাদের শুধু মামাই ছিলেন না উনি আমাদের গাইড ফ্রেন্ড সব ছিলেন। অন্য মামারাও মামা কিন্তু মিন্টু মামা যেন শুধুই আমাদের মামা। কিছু দিন পর দেখলাম উনি কলোনীর সবার মামা হয়ে গিয়েছেন। অনেক চাচারাও আমার মামারে মামা ডাকে আবার চাচাদের ছেলেদের কাছেও উনি মামা !!! জাতীয় মামা বলতে যা বুঝায় উনি ঠিক তাই। সব সময় হাঁসি মুখ করে থাকতো। সম্ভবত কলোনীতে একজন মানুষ ও খুজে পাওয়া যাবে না যে বলবে মামা আমার পছন্দের কেউ ছিলেন না।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Saturday, November 14, 2015
জাতীয় মামা
আমার মামার সংখ্যা ৬ হলেও মিন্টু মামার প্রতি আমাদের একটু এক চোখা নীতি সব সময় ছিল। ছোট বেলায় আমার অন্য কাজিনরা যখন মিন্টু মামাকে মামা সম্বোধন করতো অনেকবার ঘাড় ঘুড়িয়ে তাকিয়েছি হয়তো বিরক্ত ও হয়েছি ,চোখ রাঙ্গাতাম কিনা তা ঠিক মনে করতে পারছিনা। উনি আমাদের শুধু মামাই ছিলেন না উনি আমাদের গাইড ফ্রেন্ড সব ছিলেন। অন্য মামারাও মামা কিন্তু মিন্টু মামা যেন শুধুই আমাদের মামা। কিছু দিন পর দেখলাম উনি কলোনীর সবার মামা হয়ে গিয়েছেন। অনেক চাচারাও আমার মামারে মামা ডাকে আবার চাচাদের ছেলেদের কাছেও উনি মামা !!! জাতীয় মামা বলতে যা বুঝায় উনি ঠিক তাই। সব সময় হাঁসি মুখ করে থাকতো। সম্ভবত কলোনীতে একজন মানুষ ও খুজে পাওয়া যাবে না যে বলবে মামা আমার পছন্দের কেউ ছিলেন না।
Friday, November 13, 2015
আজকেও যথারীতি DMC তে গিয়েছিলাম
- Abu Naser
আজকেও যথারীতি DMC তে গিয়েছিলাম| সামি ভাই আগেই আসছে এর পরে আমি আর আমার কাজিন গেলাম | তারপরে আসলো রিপন ভাই সাথে ইকরাম ভাই ও সওগাত ভাই |অনেক দিন পরে সওগাত ভাইয়ের সাথে দেখা হলো যদিও উনি আমাকে চিনেনা মনে হয় |তারপর আসলো বুবু এবং বুবুর তিন কন্যা |তারপর নেসার ভাই ভাবি কে নিয়ে আসল | নেসার ভাইয়ের সাথেও অনেক দিন পর দেখা হলো |রিপন ভাইতো আছে উনার মজার মজার কথা নিয়ে |কথা প্রসঙ্গে উনি উনার মেয়েদের কথা বলছিলেন উনার মেয়েরা নাকি ২৯ শে জানুয়ারির অপেক্ষায় আছে |ডিসেম্বরেইতো কেলেন্ডার শেষ তাই নাকি রিপন ভাইয়ের মেয়েরা এক্সট্রা কেলেন্ডার বানিয়ে নিয়েছেন |শুনে অবাক হলাম |এই দিনটির জন্যে আমরাও অপেক্ষায় আছি কিন্তু ওদের অপেক্ষার ধরন টা আমাদের চেয়েও ভিন্ন |এইটাই মনে হয় আমাদের CSM পরিবার |আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ADDA তে উপস্থিত হউয়ার তৌফিক দান করেন |এইখানে বলে রাখি রিপন ভাইয়ের মেয়ে দুইজনই কিন্তু আপন বোন |
Thursday, November 12, 2015
চিটগাং যাচ্ছি / চিটাগাং যাব / চিটাগং যেতে হবে
অনেকটা পথ পিছনে ফেলে এসেছি। আরও অনেকটা পথ যেতে হবে। চিটগাং যাচ্ছি / চিটাগাং যাব / চিটাগং যেতে হবে। মন ভালো হয়ে যায়। জীবনের সবচেয়ে মধুর সময় গুলি চিটাগাং জমা রেখে এসেছি। শুধু একটা উসিলা পেলেই ছুটে চলি হারানো আপন মানুষের কাছে। আমার এই চিটাগাং প্রিতি বউ এর কাছে অসহ্য। সারাফের বাবা, বারবার কেন চিটাগাং যাও? কে আছে চিটাগাং এ? ইংগিত টা ভালো না। বললাম আমি ডায়াবেটিসের রুগী। বয়স হয়ে গেছে। ইদানিং ছোট ভাই বোনেরা পীর সাহেব বলে ডাকে।
গেলাম ইন্ডিয়া আইলাম বাংলাদেশ
- Elahi Newyaz
আমার জীবনে অপ্রিয় রং লাল,তবে লাল সবুজের পতাকা টা আমার খুব প্রিয়।
লাল রং এর প্রতি এই অপ্রীতি টা কেন জানেন?
আমি যখন ৭ম শ্রেনীতে, আজাজিল এর নিয়োগকৃত শয়তান ছিল আমার প্রিয় বন্ধু।
বন্ধুর বদৌলতে পরিক্ষার রিপোর্ট কার্ডের ৩ বিষয়ে লাল কালির দাগ।
মানুষ কাপড় দিয়ে লজ্জা নিবারণ করে,কিন্তূ লাল কালির দাগের রিপোট কার্ডের লজ্জা কিভাবে নিবারণ করি?আজাজিলের নিয়োগকৃত শয়তানের বুদ্ধিতে রাবার দিয়ে ঘষামাঝা করে লাল দাগ কোন মতে উঠাইলাম।কিন্তূ বাসাই গিয়ে শেষ রক্ষাটা হল না,ধরা খেয়ে গেলাম।সেকি মাইর গো,নিজের শরীরের লাল দাগ দেখে রিপোট কার্ডের লাল দাগের কথা বেমালুম ভুলে গেলাম।শরীরে লাল দাগের কারণে ফুল শার্ট পড়ে স্কুলে গেলাম।
আমার জীবনে অপ্রিয় রং লাল,তবে লাল সবুজের পতাকা টা আমার খুব প্রিয়।
লাল রং এর প্রতি এই অপ্রীতি টা কেন জানেন?
আমি যখন ৭ম শ্রেনীতে, আজাজিল এর নিয়োগকৃত শয়তান ছিল আমার প্রিয় বন্ধু।
বন্ধুর বদৌলতে পরিক্ষার রিপোর্ট কার্ডের ৩ বিষয়ে লাল কালির দাগ।
মানুষ কাপড় দিয়ে লজ্জা নিবারণ করে,কিন্তূ লাল কালির দাগের রিপোট কার্ডের লজ্জা কিভাবে নিবারণ করি?আজাজিলের নিয়োগকৃত শয়তানের বুদ্ধিতে রাবার দিয়ে ঘষামাঝা করে লাল দাগ কোন মতে উঠাইলাম।কিন্তূ বাসাই গিয়ে শেষ রক্ষাটা হল না,ধরা খেয়ে গেলাম।সেকি মাইর গো,নিজের শরীরের লাল দাগ দেখে রিপোট কার্ডের লাল দাগের কথা বেমালুম ভুলে গেলাম।শরীরে লাল দাগের কারণে ফুল শার্ট পড়ে স্কুলে গেলাম।
Wednesday, November 11, 2015
দ্বিতীয় জীবন
Versity তে স্ট্যাডি ট্যুর নিয়ে আমরা মহা ব্যস্ত । সাত দিনের ট্যুরে ৬ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। পাবলিক ভার্সিটির ছেলেদের খুব কমোন প্রবলেম হচ্ছে টাকা নাই। দোস্ত খাওয়া টাকা নাই , মেস এর বিল দিতে পারছিনা , টিউশনি করছি মাস শেষ হয়ে আজ ৭ তারিখ এখনো টাকা দেয় নাই কি করে যে চলি ? দোস্ত জিএফ কে নিয়ে ডেট করতে যাবো টাকা দে ,তোর হাতে পায়ে ধরি টাকা দে
মোবাইলের ব্যালেন্স নেই , এই রকম কথা শুনতেই আমরা অভ্যস্ত। এরা এত টাকা কি করে দিবে ? ব্যাপারটা স্যার রাও বুঝতে পেরেছে । তাই মিটিং করে সাত দিনের ট্যুর চার দিনে কনভার্ট করে দিয়েছে । টাকাও কমে গিয়েছে । কিন্তু আমাদের দাবির মুখে ডিন স্যার বলতে বাধ্য হয়েছে সাত দিনের সব মজা তোমরা চার দিনে পাবে, জোর করে হলেও মজা দিবো
মোবাইলের ব্যালেন্স নেই , এই রকম কথা শুনতেই আমরা অভ্যস্ত। এরা এত টাকা কি করে দিবে ? ব্যাপারটা স্যার রাও বুঝতে পেরেছে । তাই মিটিং করে সাত দিনের ট্যুর চার দিনে কনভার্ট করে দিয়েছে । টাকাও কমে গিয়েছে । কিন্তু আমাদের দাবির মুখে ডিন স্যার বলতে বাধ্য হয়েছে সাত দিনের সব মজা তোমরা চার দিনে পাবে, জোর করে হলেও মজা দিবো
Tuesday, November 10, 2015
বিশেষ কিছু উপলক্ষ.....
উপলক্ষ ১)
দুইজন করে আমাদের সেই চিরচেনা খুব্বি পরিচিত স্টীল মিলের খুব প্রিয় মানুষগুলোর সাথে অনেক অনেক বছর পর প্রায় ১৭/১৮ বছর আগে ছেড়ে আসা, হারিয়ে যাওয়া কিংবা অনেককে না চেনা সেই মানুষগুলোর সাথে দেখা হচ্ছে। সেটা মেডিকেলে হোক কিংবা কারো অফিসে অথবা রাস্তার কোন টি স্টলে। এর জন্য আমাদের এই CSM Colony গ্রুপের সব বড়-ছোট ভাই বোনদেরকে ধন্যবাদের সাথে সাথে আমার লাড্ডি তারেককেও ধন্যবাদ। আল্লাহর ইচ্ছায় আর কিছুটা হলেও লাড্ডির উসিলাতেই আমরা একসাথে হয়েছিলাম।
বান্দরের শলা
আমি মো:এলাহী নেওয়াজ (মাছুম)।
csm colony তে জীবনের দীর্ঘ ২২ টি বছর যেন স্বর্গ রাজ্য ছিল আমার কাছে।
সে স্বর্গ রাজ্যের কিছু মজার কাহিনী লিখতে চাইলেও কেন জানি লিখতে পারি না।আজ সাহস করে লিখতে বসলাম....
#বান্দরের শলা#
স্কুলে পড়া না পারা আর মাফুজ স্যারের বেত যেন আমার জম্মগত বাজেট ছিল।
আমার সর্বময় মেধা খরচ করে এর থেকে পরিত্রাণের উপায় খুজতে লাগলাম।
শুনেছি,নিউটন আপেল গাছের নিচে মধ্যাকর্ষন শক্তির থিওরি আবিস্কার করে ছিল।
এক দিন আমিও স্কুল পালিয়ে খাল পাড়ের নারকেল গাছের নিচে বসে চুলকানি শক্তি(বান্দরের শলা)ও তা প্রয়োগের থিওরি আবিস্কার করে ছিলাম।
Monday, November 9, 2015
খেলাধুলায় তেমন ভালো না হলেও এর প্রতি প্রচন্ড টান ছিলো
খেলাধুলায় তেমন ভালো না হলেও এর প্রতি প্রচন্ড টান ছিলো। চিটাগাং ষ্টেডিয়ামে গিয়ে নিয়মিত লীগের ফুটবল খেলা গুলো দেখতাম ( আমি অবশ্য মাগনা খেলা দেখতাম, মামার কল্যানে প্রতি বছর ভিআই পি পাশ পেতাম) আর টিভিতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেলা থাকলে আমাকে হাতি দিয়েও টেনে সরানো যেতোনা।
আমার খেলা প্রীতি কিছুটা বংশগত হলেও বাকী পুরোটা ছিলো আমাদের সি টাই প মাঠের কারনে, এখানে হাত পা ছুড়াছুড়ি করতে করতেই খেলার প্রতি প্রবল প্রেম শুরূ। বিকালে স্কুল থেকে এসে কোনমতে বই খাতা টেবিলে ছুড়ে মেরে সোজা মাঠে ফুটবল খেলতে চলে যেতাম, খেলতাম মাগরিব পর্য্যন্ত।
চার বা সাড়ে চার বছর বয়সে
চার বা সাড়ে চার বছর বয়সে সি-টাইপের তিনতলার বাসার বারান্দায় ন্যাংটু হয়ে নেচে নেচে গান গাচ্ছিলাম আমি।দোতলায় আশিক ভাই(৯৫-ব্যাচ)এর আম্মা রান্না ঘরে যাবার পথে আমাকে ঐ অবস্থায় দেখে মুচকি হাসতে হাসতে চলে যান। আর আমি লজ্জায়(!?) নিজের ইজ্জতের বাকিটুকু নিয়ে দৌড়ে রুমের ভিতর চলে যাই!! পরবর্তীতে চাচী আমার আম্মাজানকে বলেন," ভাবী, রাজীবকে গান শিখান "।চাচীর এই কথা শুনে আম্মা আমাকে চন্দন চাচীর কাছে গান শিখাতে নিয়ে যান এবং সেই থেকে আমার গান গাওয়ার শুরু।
দিনগুলি কাটছে দারুন
দিনগুলি কাটছে দারুন।সেই আগস্ট মাসের মাঝামাঝি যোগ দিয়েছিলাম এই আড্ডায়। প্রথম একটু ইতঃস্তত ভাব থাকলেও খুব দ্রুতই তা কাটিয়ে উঠেছি। প্রথম দিকে সময়টা যেত সারাদিনব্যাপি আড্ডায়। তারিক আসার পর সেই ধরন পাল্টে গেছে। এখন আড্ডা মূর্ত রুপ পেয়েছে। ও যখন পপুলার এ ছিল তখন প্রায় প্রতিদিন গেছি। ওকে দেখার পাশাপাশি নতুন ভাই বোনদের সাথে পরিচয়, আড্ডার তাগিদ ছিল বেশি। এখন স্কুলে,মেয়ের পরিক্ষা নিয়ে ব্যস্ততা বাড়ায় তারিকের ওখানে যাই সপ্তাহে একবার।
এলোমেলো গল্প
রেজা ভাই কে দেখলাম টং এর দোকানে চা খাচ্ছে ? একলা চা খাওয়া যায় নাকি সাথে সাথে ঢু মারলাম। টং এর দোকানের চা এর মজাই আলাদা।ফুরররররর ফুরররর করে আওয়াজ করে চা খেয়ে চলল আমাদের কাইজ্জা। কাইজ্জা আওয়াজ না করে চা খেতে পারে না। কাইজ্জার সাথে আতিক ভাই ও তাল মেলালো ফুররররররররররর
এই তোদের সোহেল কই , ওকে দরকার বলে কি জানি বিড়বিড় করলেন রেজা ভাই ?
সোহেল কে ভাইয়া?
আরে সামি ?
কার স্বামী ভাইয়া ?
আতিক ভাই বুঝিয়ে দিলেন আরে সোহেল খালি প্রেমে পরে, ডানে গেলেও প্রেমে পরে বাম দিকে গেলেও রোমান্সে জর্জরিত হয়। এই জন্য সোহেলের বৌ সোহেল রে নামের আগে স্বামী লাগাতে বলছে । সোহেল বানান টা চেঞ্জ করে সামি লিখছে, মেয়েরা তো বুদ্ধির ঢেকি এই জন্য বুঝে নাই।
Sunday, November 8, 2015
মহাদেব সাহার কবিতা
আমাদের সেই কথোপকথন,
সেই বাক্যালাপগুলি টেপ করে রাখলে পৃথিবীর যে-কোনো গীতি কবিতার শ্রেষ্ঠ সঙ্কলন হতে পারতো;
হয়তো আজ তার কিছুই মনে নেই
আমার মনে সেই বাক্যালাপগুলি নিরন্তর শিশির হয়ে ঝরে পড়ে, মৌমাছি হয়ে গুনগুন করে
স্বর্ণচাঁপা আর গোলাপ হয়ে ঝরতে থাকে; সেই ফুলের গন্ধে,
সেই মৌমাছির গুঞ্জনে আর কোকিলের গানে
আমি সারারাত ঘুমাতে পারি না, নিঃশ্বাস ফেলতে পারি না, আমাদের সেই কথোপকথন, সেই বাক্যালাপগুলি আমার বুকের মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকার সমস্ত সোনার খনির চেয়েও বড়ো স্বর্ণখনি হয়ে আছে-
আমি জানি এই বাক্যালাপগুলি গ্রথিত করলে পৃথিবীর একটি শ্রেষ্ঠ প্রেমের কবিতা হতে পারতো;
সেইসব বাক্যালাপ একেকটি হীরকখণ্ড হয়ে আছে, জলপ্রপাতের সঙ্গীত মূর্ছনা হয়ে আছে,
সেইসব মানুষেরা
আমাদের কলোনিতে এমন কিছু পরিচিত মানুষ ছিল যারা কোনভাবেই স্টিলমিলের সাথে জড়িত না অথচ ছিল আমাদের বড় আপনজন। আমরা নিজেরাও জানিনা কবে কিভাবে তারা আমাদের কাছের মানুষ হয়ে গিয়েছিলো। সেইসব দুচারজন মানুষ নিয়ে এই ফিচার। এরকম আরো কয়েকজন হয়তো আছে যা আমার জানা নেই।
সুজাউদ্দিন (প্রকাশ সুজি): সেই কবে নোয়াখালীর কোন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এসে সাগর পাড়ের স্টিলমিল কলোনিতে জীবিকার সন্ধান পেয়েছিলেন সুজাউদ্দিন। কলোনিতে সবাই তাকে চিনতো সুজি নামে। একটা কাজই জানতেন- নারকেল গাছের রক্ষণাবেক্ষণ। সেই থেকে কলোনিতে। শেষের দিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে খলিল নামের একজনের আগমন ঘটেছিলো তবে অত্যধিক চতুর প্রকৃতির হওয়ায় কলোনিতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি খলিল। সহজ সরল সুজাউদ্দিন কথা একটু বেশি বলতেন আর কথার পুনরাবৃত্তি করতেন খুব।
" ছোট্ট বেলার দুঃখ "
দুঃখটা হলো, ছোট বেলায় কখনো নিজের সাইজের জামা, প্যান্ট, জুতা পরতে পারি নাই
আর যতদিনে এইগুলো আমার সাইজের হতো, ততদিনে জামা, প্যান্ট, জুতা স্ক্রাফ হয়ে যেত এবং বাতিলের খাতায় চলে যেত ।
করন যখনি জামা, প্যান্ট, জুতা কিনতো, এক বা দুই ইঞ্চি বড় কিনতো !!!!
কারনটা সবার'ই ভালো করে জানা আছে ..................
একবার মনে আছে, তখন বুট স্টাইলের জুতার ফ্যাশন চলছে, আমি ঈদের সময় প্রায় এক সপ্তাহ চিল্লাচিল্লি করে, ৩/৪ বার নিউ মার্কেটে গিয়ে চকলেট কালারের CAT এর ওই জুতাই কিনেছিলাম, যত জুতাই দেখাক না কেন, ওইটাই লাগবে আমার দাম ছিলো ১৯৯১/৯২ সালে প্রায় ১৭০০ টাকা।
Saturday, November 7, 2015
”দি লাইফ অব ইমোশনাল ১“ ( তারল্য জীবন)
যাক অবশেষে সেনসর বোর্ডের সদয় অনুমতি পাওয়া গিয়াছে। তাহলে শুরু করি।
”দি লাইফ অব ইমোশনাল ১“ ( তারল্য জীবন)
কলোনীর পোলাপান যখন দু টাকার সিগারেটের জন্য ফাষ্ট বুক, সেকেন্ড বুক করছে , তখন তাদেরই একজন ঢাকায় সেটেল হয়ে পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী , য়খন পোলাপান তিন টাকারভাড়াকেও হাফ করে ২ টাতা দিয়ে ২ নং বাসে করে নিউ মার্কেট আসে যায়, তখন ঐ ব্যবসায়ী বন্ধু বিলাসবহুল এসি বাসে করে মাসে দু তিনবার আড্ডা মারতে চট্টগ্রাম আসে। আসার সময় অনেকের জন্য দামী বিভিন্ন চকলেট বা অন্যান্য কিছু নিয়ে আসতো।
ছিঃ ছিঃ তোমরা এতো খরাপ
কিছুদিন পর আমরা এক সন্ধ্যায় চারজন গেলাম তাহের ব্রাদার্স এর অফিসের সামনে।ঠিক করলাম যা পাবো তার থেকে কিছু আমরা খাবো।তারপর আমি এবং বাবার ফেসভ্যালু ভালো চিনে এইরকম আরেকজন কে নিয়ে ঢুকলাম তাহের ব্রাদার্সের অফিসের ভিতরে,তাহের আঙ্কেলের কাছেই।উনি আমার এবং আমার সাথের আরেকজন কে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলেন আমরা কার ছেলে,আমরাও বলে দিলাম এবং তিনি চিনতে পারলেন।টাকার অংক আমরা অফার লেটারে বসাই নাই।
আবিয়াত্যাদের বিয়ে নিয়ে ভাবনা
আবিয়াত্যাদের বিয়ে নিয়ে ভাবনা
জাবেদ কালকে মেডিকেলে দুষ্টুমীর ছলে বলেছে, বিয়ের আগেই যেন প্রোগ্রাম হয়ে যায় তাইলে ১০০০ টাকা দিয়ে বাঁচা যাবে।। কিন্তু আমরা চাই জাবেদের মত আরো যারা আবিয়াত্যা আছে ছেলে অথবা মেয়ে সে যেই হোক তাদের এই স্বপ্ন যেন কিছুতেই পুরণ না হয়। বন্ধু কাজীতো বলেছে প্রোয়োজনবোধে ইতিহাস সৃষ্টির জন্যই প্রোগ্রামেই ওদের সবার সাদি মোবারক সম্পন্ন হবে। তাই আমাদেরকে এই স্বল্প সময়েই আগে লিষ্ট করতে হবে আমাদের আবিয়াত্যা ভাই বোন দের নাম তারপর এদের জন্য মেয়ে (ছেলেদের জন্য), ছেলে (মেয়েদের জন্য) দেখতে নেমে পরতে হবে। অবশ্যই সবই হবে ওদের বাবা মার অনুমতিতে। বাবা মা এই পোলা মাইয়া নিয়া অনেক সমস্যায় আছে। তাই আমাদেরকেই নেমে পরতে হবে পবিত্র এই কাজে।
অবিনাশ স্যার
ক্লাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি, ক্লাস নিচ্ছেন অবিনাশ স্যার, হঠাৎ আমার কাছে এসে খুব মধুর স্বরে বললেন বাপজান বাইরে কি দেখো, স্যার আমার এক পরিচিত জন যাচ্ছে তো এটা দেখছিলাম- আমার উত্তর। স্যারের মধুর স্বর এবার রন হুংকারে পরিনত কান ধরে টানতে টানতে বললেন, তোর পরিচিত জন যে একটা মাইয়া এইটা তো আমি বুঝি।
স্কুলে পৌছাতে অনেক দেরী হয়ে গেছে, আজ অবিনাশ স্যার আমার খবর করে দিবেন। তাই স্যারকে ম্যানেজ করার জন্য ইউনুসের দোকান থেকে স্যারের জন্য স্পেশাল পানের খিলি নিলাম। ক্লাসে ঢুকতেই স্যার পানটা মুখে দিয়ে আমার ঘাড় ধরে মাথাটা টেবিলে নামিয়ে পিঠের মধ্যে স্যারের হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে (স্যারের আংগুলে সবসময় তিন চার টি পাথরের আংটি থাকতো) রাম থাপ্পড়।
দেখা হবে বন্ধু
গতকাল সবার মতামত এর উপর আমরা একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে যা পোস্ট করা হয়েছে, আগামী ২৯/০১/২০১৬ ইং গানার ক্লাব এ আমরা সিএসএম কলোনী বাসী এক গ্রেন্ড আড্ডায় মিলিত হতে যাচ্ছি। সে জন্য সিএসএম এর সকল ভাই বোনদের অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমরা কলোনী থেকে ১৯৯৩ এ বের হয়ে যাই।দুবছর চিটাগাং ছিলাম তারপর ঢাকা চলে যাই। আজ আমার, ও আমাদের অনেকের বাবা বেচেঁ নেই,অনেকের বাবা অসুস্থ।
ভোর ৫.৩০ এখন
- Nahidul Alam Razon
ভোর ৫.৩০ এখন।
ভেবেছিলাম ঘুমাতে যাবো।
হঠাৎ টেবিলের উপর রাখা আপেলের উপর চোখ পরল
আপেল গুলো কেমনে জানি আমার দিকে তাকাইয়া আছে!!!!
বড় আকারের একটা আপেল মুখে নিয়া
মুখ আর কি-বোর্ডে এ আঙ্গুল একসাথে চালানো শুরু করলাম।
ভেবেছিলাম ঘুমাতে যাবো।
হঠাৎ টেবিলের উপর রাখা আপেলের উপর চোখ পরল
আপেল গুলো কেমনে জানি আমার দিকে তাকাইয়া আছে!!!!
বড় আকারের একটা আপেল মুখে নিয়া
মুখ আর কি-বোর্ডে এ আঙ্গুল একসাথে চালানো শুরু করলাম।
"BABA DOLE DOLE JABO"
yes, little confusing, this is the desire of my little angel after getting her father for about a week. She expressed her desire for rocking in the park & to walk with her father. When I was taking my breakfast she came with tearful eyes and told "BABA tara tare khaw na, ame dole dole jabo." Though I had some other commitments, even though nothing could stop me with out enjoying the time with my little angel in the park.
I was enjoying her rocking & Unremitting questions. At some time I was turning the pages of memories of myself. It is so rusty and was quite difficult for me to recollect the names of my childhood friends who all were rocking with the tree in "Buijjar Bagan". mother help me out to recollect the names & act as a bridge of my thoughts.
বিষয় টার দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি
- Chand Sultana
কাল রাতে আড্ডা দিতে গিয়ে খুব জরুরি বিষয় যা উঠে এসেছে তা হল জাবেদ,রাসেল,ইফতি, নমি,সুজন সহ কয়েকজনের বিয়ের কথা। জাবেদ ছিল চুপ,মানে সম্মতি দিয়েছে যে হলে ভাল। জনি,ইফতি ও চুপ। সুজন পানিতে ডুবে ছিল,বিয়ের কথা শুনে ভেসে উঠেছিল। তার মানে সেও রেডি। রাসেল হল চরম বেয়াদ্দপ। কথারে নানাদিকে ঘুরাইসে,প্যাচাইসে। এইগুলার কি ব্যবস্থা করা যায় তা ২৯ শে জানুয়ারির আগেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আজ টাকা কত দিতে হবে তা শুনে ইচা মাছ লাফ মারসে,যে তাদের ফ্রি দিতে হবে। আব্দার শুনে তাজ্জব হয়ে গেলাম। এদের এই প্রোগ্রামের আগে বিয়ে না করলে ডাবল টাকা দিতে হবে। এই বিষয় টার দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
কাল রাতে আড্ডা দিতে গিয়ে খুব জরুরি বিষয় যা উঠে এসেছে তা হল জাবেদ,রাসেল,ইফতি, নমি,সুজন সহ কয়েকজনের বিয়ের কথা। জাবেদ ছিল চুপ,মানে সম্মতি দিয়েছে যে হলে ভাল। জনি,ইফতি ও চুপ। সুজন পানিতে ডুবে ছিল,বিয়ের কথা শুনে ভেসে উঠেছিল। তার মানে সেও রেডি। রাসেল হল চরম বেয়াদ্দপ। কথারে নানাদিকে ঘুরাইসে,প্যাচাইসে। এইগুলার কি ব্যবস্থা করা যায় তা ২৯ শে জানুয়ারির আগেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আজ টাকা কত দিতে হবে তা শুনে ইচা মাছ লাফ মারসে,যে তাদের ফ্রি দিতে হবে। আব্দার শুনে তাজ্জব হয়ে গেলাম। এদের এই প্রোগ্রামের আগে বিয়ে না করলে ডাবল টাকা দিতে হবে। এই বিষয় টার দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
বহু বছর পরে
- Nahidul Razon
বহু বছর পরে
মানুষ ফেরে ঘরে
প্রস্ন আসে কোথায় ছিলে????
জানায় সে উত্তরে
ঘুমের ঘরে ছিলাম
রাতের ঘরে ছিলাম
প্রানের কালো ছবির মতো
একলা নিঝুম ঘরে
বহু বছর পরে
মানুষ ফেরে ঘরে
প্রস্ন আসে কোথায় ছিলে????
জানায় সে উত্তরে
ঘুমের ঘরে ছিলাম
রাতের ঘরে ছিলাম
প্রানের কালো ছবির মতো
একলা নিঝুম ঘরে
Friday, November 6, 2015
সি এস এম আড্ডা
আড্ডা হচ্ছে আতিক ভাই রেজা ভাই আর বুবুর মধ্যে
আতিক খবর শুনছিস ?
কোন খবর রেজা ভাই ?
পাগল দুইটা চিটাগং এ গিয়ে কো কো শুরু করছে ?
রাসেইল্লার পেট রকেটের মতো ছুটছে কিন্তু নইম্মার কি হলো ?
কাল জসিম ফোন করে বলল নইম্মার চোখে পেইন হচ্ছে ?
এই দুইটারে ঢাকা থেকে দৌড়ায় একদম ঠিক করছেন রেজা ভাই , আমারে জ্বালায় মারলো নইম্মা ।
মুহাহাহাহাহাহাহাহহাহাহা ...... ( হেসে উঠলো দারোগা বুবু)
এই জন্য বুবু একটা পার্টি দেন ।
গ্র্যান্ড আড্ডা ২০১৬ সি এস এম কলোনী
--------------------------------------------
আমাদের আড্ডাবাজ সি এস এম কলোনীর মেম্বারদের জন্য সুখবর এই যে, গ্র্যান্ড আড্ডার জন্য আমরা মিলিত হতে যাচ্ছি আগামী ২৯.০১.২০১৬ রোজ শুক্রবার।
আমরা সেদিন সকাল ৮:০০ ঘটিকা থেকে রাত ১০:০০ ঘটিকা পর্যন্ত দীর্ঘ আড্ডায় মিলিত হতে যাচ্ছি।আড্ডার স্থান হিসেবে চট্রগ্রাম হালিশহরস্থ আর্টিলারীর গানার অফিসার্স ক্লাব নির্ধারন করা হয়েছে।
আমাদের এই আড্ডায় মাতা পিতা এবং সকল শিক্ষকদের উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য।
আড্ডায় অংশগ্রহন ফি : ১৫০০ টাকা (দম্পতি)
১০০০ টাকা (ব্যাচেলর)
"ইমোশনাল স্টোরি - ৩ "
আমাদের ইমোশনাল আইকন একরাতে অতি মাত্রায় ইমোশনাল, কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না !!! কি আর করা একা এলোমেলো ভাবে হাটতে হাটতে খাল পাড়ের দিকে চললেন, এমন সময় তার সাথে দেখা একজন আনসার ভাইয়ের। আনসার ভাই হাতে রাইফেল নিয়ে হেটে হেটে আসছেন, সম্ভবত তার ডিউটিতে যাচ্ছিলেন। দুইজন মুখোমুখি হতেই ইমোশনাল আইকন আনসার ভাইকে বলে উঠলেন,
ইমোশনাল আইকন.........: ওডা তোর বন্দুকর মইধ্যে গুল্লি আছে নারে ? গুল্লি গরিত ফারচ না তুই ?
আনসার ভাই.....................: আপনার সমস্যা কি ? এদিক সেদিক না ঘুরে বাসায় যান।
তিন টাকা দামের ইকোনো কলম
যদি ভুল না হই তাহলে আমার ধারণা আমাদের জেনারেশনের সবার লেখার শুরু হয়েছে তিন টাকা দামের ইকোনো কলম দিয়ে । কয়েক কালারের কলম, উপরে কালো একটা ক্যাপ, ক্যাপের সাইডে একটা চিকন ডান্ডা । ঐটা কামড়াইয়া ফার্ষ্টের দিন ই বাকা কইরা ফেলতাম ।
এই ইকোনো কলম উলটা করে কিছুক্ষণ রাখলেই কালি পড়ত । এই কালিতে স্কুলের শার্ট প্যান্টের পকেট ভরায় নাই এমন পোলাপাইন মনে হয় না খুব একটা পাওয়া যাবে । তবে কিছু কিছু কলমের কালিতে আবার সেন্ট মারা থাকত । ঐগুলা নরমালি পাওয়া যাইত না । মেলা টেলা হইলে পাওয়া যাইত ।
অথচ আমি ভেবেছিলাম
অথচ আমি ভেবেছিলাম-
ছোটবেলায় গাড়ি , প্লেন দিয়ে খেলার জায়গায় হঠাত পেন্সিল, খাতা, বইয়ের আগমন,
অথচ আমি ভাবতাম সবকিছু একইরকম থাকবে আজীবন।
তারপর একসময় সকালে উঠে স্কুলে যাওয়া,বাড়ি ফেরা,
অথচ আমি ভেবেছিলাম সব আগের মতই থাকবে সারাজীবন।
বিল্ডিং এর পুরনো মানুষগুলোর অন্যকোথাও চলে যাওয়া,কিংবা সে জায়গায় নতুন মানুষ আসা,
অথচ আমি ভাবতাম সবাই একই জায়গায় থাকতে পারব আজীবন।
স্কুলে বড় ভাই- বোনদের বিদায় অনুষ্ঠানের দিন চোখ আদ্র হয়ে ওঠা,
অথচ আমি ভাবতাম সবকিছু আগের মতই থাকবে সারাজীবন।
Thursday, November 5, 2015
“ কলোনি টু মাসুক ভাই “
ঘটনা কি ? মারে কে ? তাকিয়ে দেখি মাসুক ভাই !!! লাঠি দিয়ে মারার চেস্টা করছেন আর বলছেন,
“ ওই বান্দর বাহির হ, ২ দিন পরে পরীক্ষা আর তোরা কক্সসবাজার পিকনিকে যাস !!, পিকনিক বন্ধ, যে যাবি আসার পরে তার খবর আছে “
অনেক Request করলাম, ভাই চাঁদা দিয়ে দিছি, এইবার যাই, টাকা মাইর যাবে।
না, কে শুনে কার কথা, Manage করার সব চেস্টা বিফল, মাসুক ভাইতো পারলে আমাদের কারনে বোম মেরে বাস উড়িয়ে দেয় !! কিন্তু এতো সস্তায় কক্সসবাজার ট্যুরতো আর মিস করা যায় না !!
Wednesday, November 4, 2015
একাকী পথ
- Masudul Hasan
একাকী পথ
.............
তুমি যদি আমার পথে
হেটে চল একাকী
সঙ্গী হব তোমার সাথে
কথা হবে চুপি চুপি।
তোমার হাতে হাত রেখে
চলে যাব বহুদূর
গাইতে গাইতে গায়েন হব
শুনবে তখন আমারই সুর।
একাকী পথ
.............
তুমি যদি আমার পথে
হেটে চল একাকী
সঙ্গী হব তোমার সাথে
কথা হবে চুপি চুপি।
তোমার হাতে হাত রেখে
চলে যাব বহুদূর
গাইতে গাইতে গায়েন হব
শুনবে তখন আমারই সুর।
Tuesday, November 3, 2015
“(বালির হোটেলে- বিবাহের ফিটিং-)”
জসিম: আমি হইলাম পালের গোদা। নইম্মাটা না চিটাগাং আসিয়াছিলো..? থাকলে সি,এস,এম টিভিতে আমারে একটু দেখাইতো। অবশ্য সেদিন এক কমেন্টসে বলিলাম-“কলেনীর তোর বোনটা যে আমার বোন”- তাহলে রুবা আমার বৌ হইলো কেমনে..? আমি কি শীতকালের ওয়াজ গরম কার বলিলাম..? চিন্তার বিষয়।
শাহীনঃ মন গোমরা হইয়াছে- লাভ ক্ষতির অংক লইয়া। আসা ও যাওয়ার সিএনজি ভাড়া 450 টাকা। বেল্ট খুলিয়া খাইয়াও 350 টাকার বেশি উশুল হইলো না। 100 টাকা লছ। বরিশালের ছেলেদের অভিধানে লছ থাকতে নাই। ও পাইয়াছি, আসল বিবাহের সময় এক হালি লইয়া আসিয়া খাইয়া বাকি টাকা উশুল করিবো।
Monday, November 2, 2015
তখন ১৯৯১ সালের পরবর্তী সময়
- Niaz Morshed
তখন ১৯৯১ সালের পরবর্তী সময়। কলোনি র বিধ্বস্ত অবস্থা। এ সময় কলোনি র কিছু বড় ভাই নিজেরা মিলে এপ্রিল ২৯ নামে একটা সেচ্ছাসেবী দল গঠন করে।উনারা একটা লরি করে বিভিন্ন টিউবওয়েল, ওয়াসার ট্যাংকি থেকে পানি নিয়ে বাসার সামনে গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসতেন।আবার পানি নেয়ার সময় যাতে কোন ঝামেলা না হয় তাও দেখতেন।অনেক টা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মত।
একদিন আমাদের বাসার পাশের ওয়াসার ট্যাংকি থেকে লাইন ধরে সবাই পানি নিচ্ছিল। আতিক ভাই ওইখানে দাড়িয়ে লাইন নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। এমন সময় সুফিয়ার মা নামে আমাদের বুয়া আসল কেটলি করে পানি নিতে।যেহেতু কেটলির আকার ছোট তাই তাই সে বলল তাকে আগে দিয়ে দিতে।তখন আতিক ভাই জানতে চাইলেন কাদের বাসা থেকে এসেছে। বুয়া বলল, মোরশদগো বাসাত থন। আতিক ভাই বুঝলেন, মাকসুদ চাচার বাসা থেকে এসেছেন।তিনি পানি দেয়া হবেনা বলে দিলেন।
তখন ১৯৯১ সালের পরবর্তী সময়। কলোনি র বিধ্বস্ত অবস্থা। এ সময় কলোনি র কিছু বড় ভাই নিজেরা মিলে এপ্রিল ২৯ নামে একটা সেচ্ছাসেবী দল গঠন করে।উনারা একটা লরি করে বিভিন্ন টিউবওয়েল, ওয়াসার ট্যাংকি থেকে পানি নিয়ে বাসার সামনে গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসতেন।আবার পানি নেয়ার সময় যাতে কোন ঝামেলা না হয় তাও দেখতেন।অনেক টা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মত।
একদিন আমাদের বাসার পাশের ওয়াসার ট্যাংকি থেকে লাইন ধরে সবাই পানি নিচ্ছিল। আতিক ভাই ওইখানে দাড়িয়ে লাইন নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। এমন সময় সুফিয়ার মা নামে আমাদের বুয়া আসল কেটলি করে পানি নিতে।যেহেতু কেটলির আকার ছোট তাই তাই সে বলল তাকে আগে দিয়ে দিতে।তখন আতিক ভাই জানতে চাইলেন কাদের বাসা থেকে এসেছে। বুয়া বলল, মোরশদগো বাসাত থন। আতিক ভাই বুঝলেন, মাকসুদ চাচার বাসা থেকে এসেছেন।তিনি পানি দেয়া হবেনা বলে দিলেন।
”পানির ট্যাংকী”
”পানির ট্যাংকী” শব্দ টা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে কলোনীর পানির ট্যাংকীটি। ওটা ছিলো কলোনীর জিরো পয়েন্ট। সব কিছুর মূল কেন্দ্র এই ট্যাংকীর তলা। ট্যাংকীর নীচে টাংকি মারা থেকে শুরু করে অনেক সিরিয়াস বিষয়ের নিষ্পত্তি এই ট্যাংকীর তলায়, কত রোমানস, কত থ্রিল,কত বিনোদন এই ট্যাংকীর তলায়, কলোনীর সর্বশ্রেষ্ঠ সফল প্রেমের সফল পরিনতি হয়েছিলো এই ট্যাংকীর তলায়।
ট্যাংকীর নীচে বসে ট্যাংকীর খয়ে যাওয়া পলেস্তরা পরে মাথা ফেটেছে, ট্যাংকীকে বিপজ্জনক ঘোষনা করা হয়েছে, আতিক কাক্কুর দাবড়ানি, কোন কিছুই দমাতে পারেনি ট্যাংকীর তলারে আড্ডাকে। ট্যাংকীর পাশে ব্যাংকে আসা গ্রাহক রা দু দন্ড জিড়িয়ে নিতো এ ট্যাংকীর নীচে।সব রাজনৈতিক, সামাজিক, অসামাজিক, আলোচনার মিলন কেন্দ্র ছিলো এ ট্যাংকীর তলা।
Sunday, November 1, 2015
আমার নিরু ভাই
নিরু ভাই কে প্রথম দেখি নাজমুল ভাইদের বাসায়। নিরু ভাইয়ার কথা বলার স্ট্যাইল, ড্রেস হাটা চলা ফেরা সব কিছুই আলাদা । দূর থেকেই নিরু ভাই কে চেনা যায়। নিরু ভাই ব্যাডমিন্টন খেলতো । জসিম ভাই এর সাথে জুটি বেধে অনেক ট্যুরনামেন্ট খেলেছে ।ওনার রেকেট ধরার স্ট্যাইল টা ছিল অসাধারন। আমি অনেকবার ট্রাই করে ব্যার্থ হয়েছি সত্যি বলতে আমি অনেক বড় ভাই কে অনেকবার ফলো করার চেষ্টা করেছি কিন্তু সাক্সেস হইনি । রেকেট ধরার স্ট্যাইল টা ফলো করতে গিয়ে "উশটা" খেয়েছি । তৌফিক প্রায় এইটা নিয়ে ক্ষেপাতো । সবাই নিরু ভাই হতে পারে না, নিরু ভাই একজনি হয়।
লুঙী ও ডাব....
ডাব অপারেশনে লুঙীর অবদান অনস্বীকার্য। কি কারনে এ বক্তব্য তা এক্ষুনি বলছি।
আমরা মোটামুটি ছোট ছোট ডাব গাছ বেছে বেছে অপারেশন চালাতাম। ছোট গাছ থেকে ডাব ফেললে ডাব মাটিতে পড়ে ফেটে নষ্ট হতোনা বা ফাটলেও খুব কম পরিমান। আমাদের স্কুলের ডাব গাছ গুলা ছিলো অনেক লম্বা, তাই সহজে ওখানে অপারেশন চালাতামনা।
Saturday, October 31, 2015
" কপালের বল !!! "
নতুন নতুন কাঠের বলের খেলা শুরু হয়েছে, মোটামুটি সব জায়গায় হচ্ছে। প্রায় সময় বভিন্ন দল বা কলোনির সাথে ম্যাচ নেয়া হত, কেবলস কলোনির সাথ একবার খেলা নেয়া হল ( হাউজিং কলোনীর পিছনে, সম্ভবত ক্যাবলস কলোনী'ই ছিলো) , খেলা হবে ক্যাবলস এর মাঠে, চরম উৎসাহের সাথে আমরা সবাই গেলাম খেলাতে, আমরা রবিন, ছামির, রিপু, সোহেল, আক্কাস, ছাড়াও আমাদের সাথে আছে , মাসুম ভাই, পল্লব ভাই, আর আবু ভাই ।
খেলা শুরু হতে এখনো কিছু দেরি আছে, দুই দলেরই প্লেয়াররা আসছে, আমরা সবাই বসে আছি, অপেক্ষা করছি, কিন্তু আমাদের ব্যাচের শয়তানের লাঠি আলী আক্কাস স্বপন আমাদের সাথে দর্শক হিসেবে গিয়েছিলো, সে ব্যাট আর বল নিয়ে টুকটুক করছে, এমন সময় আক্কাস আবু ভাইকে ডাক দিয়ে বললো, “ আবু আয় তোকে ক্যাচ প্র্যাকটিস করাই “ বলে আবুর হাতে বল দিলো, আবুও খুশি খুশিতে ক্যাচ প্র্যাকটিস করতে লাগলো, কিন্তু আবুতো আর বুঝে নাই কার হাতে ব্যাট !!!!! হা হা হা, আবু ভাই হালকা করে বল ছুড়ে দিচ্ছে আর আক্কাস হালকা করে এদিক সেদিক মেরে ক্যাচ প্র্যাকটিস করাচ্ছে, হটাত আক্কাসের মাথায় কি ভুত উঠলো কে জানে, আবু হালকা করে আক্কাসের ব্যাটে কাঠের বলটা দিলো, আর আক্কাস ধুম করে মারলো ছক্কা !!!!!
আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, তোমাদের নিকট দুয়াও চাই, মাপও চাই
আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, তোমাদের ঢাকায় গিয়া তোমাদের কিছুই দিতে পারি নাই তিনটি বই ছাড়া। ইহার জন্য তোমাদে অনেক দৌড়ানি খাইয়াছি, এমন কি এক ছোট ভাই আমার শরীরের মাংস খুলাইয়া ২৫০ গ্রাম ওজন করিয়া পাইয়াছে এবং আমার কঙ্কালটি কাপড়বিহীন অবস্হায় এক মহিলা ডাক্তারের নিকট বিক্রি করিয়াছে। লজ্জায় আমার কঙ্কাল লুঙ্গি খুঁজিতেছে।যাক ঢাকা হইতে তোমাদের কাছ থেকে কিছুই আনিতে পারি নাই,তবে ডেঙ্গু জ্বর নিয়া আসিয়াছি।বর্তমানে আমি ডেঙ্গু জ্বরে ঢেং ঢেঙ্গাইয়া নাচিতেছি। সারা শরীরে বেদনা। তোমাদের নিকট দুয়াও চাই, মাপও চাই।
সবার জন্য মশার দোয়া
- Masuk Elahi
সবার জন্য মশার দোয়া
ইয়া আইউহাল মশা
তরজমাঃ হে মশা।
লা তা ভ্যান ভ্যান।
তরজমাঃ আমার কানে ভ্যান ভ্যান করিসনা।
এন্দাল করনাইন।
তরজমাঃআমার কানে ক্যান ক্যান করিসনা।
আনা সকচুন গরিবুন।
তরজমাঃআমি গরিব মানুষ,
লায়ে চায়ে মশিরউন।
তরজমাঃআমার কোন মশারি নেই
সবার জন্য মশার দোয়া
ইয়া আইউহাল মশা
তরজমাঃ হে মশা।
লা তা ভ্যান ভ্যান।
তরজমাঃ আমার কানে ভ্যান ভ্যান করিসনা।
এন্দাল করনাইন।
তরজমাঃআমার কানে ক্যান ক্যান করিসনা।
আনা সকচুন গরিবুন।
তরজমাঃআমি গরিব মানুষ,
লায়ে চায়ে মশিরউন।
তরজমাঃআমার কোন মশারি নেই
সব চরিত্র কাল্পনিক (১)
বি: দ্র: এই গল্পের সব চরিত্র এর নাম গ্রুপের মেম্বারদের নামানুসারে যাতে লিখতে সুবিধা হয়।কাউকে বিরক্ত বা অসস্তিতে ফেলার জন্য নয়।
আজ শনিবার।খুব সকালে উঠে শায়লা বাসার সবার জন্য নাস্তা বানাতে উঠল।যদিও তার খুব অসুখ।বুয়াও আসেনি।এমন সময় শায়লার দেবর জিসান আসল ঘুম থেকে উঠে।শায়লাকে একা নাস্তা বানাতে দেখে সেও সাহায্য করতে এগিয়ে এল শায়লা নিষেধ করার পরেও।এমন সময় দরজা খুলে আসলেন জিসানের বড় বোন বন্যা আপা।ভাবিকে সাহায্য করছে দেখে চোখ কপালে তুললেন।
" কি ব্যাপার,শায়লা, সপ্তাহে ছুটির দিনগুলোতে আমার ছোট ভাইটাকে কাজে লাগাই দিছ।"জিসান আগ বাড়িয়ে বলল, "আপা, আমি নিজ থেকেই করছি।" হয়ছে,তোরে আর ওকালতি করতে হবেনা।বন্যা আপা বললেন। মায়ের ঘরে আয়।
সি এস এম টিভি চ্যানেল (২)
ভাবছি চট্রগ্রামে আমাদের সি এস এম টিভি চ্যানেল এর জন্য ব্রাঞ্চ খুলবো , তাই গতকাল রাতে ট্রাকের উপর উঠে চট্রগ্রাম পৌছালাম। চট্রগ্রাম পৌছানোর পরেই রাসেল এর পেট রকেটের মতো ছুটলো । আহ বেচারা ওয়াস রুমের সাথে বন্ধুত্ব করে নিলো
কি আর করা আমাকেই ক্লাস নিতে হবে। জনিরে বুঝাতে হবে কি করে জসিম ভাই কে গুতা দিতে হবে কি করে পুলক ভাই রে পালিস দেয়া লাগবে
কি আর করা আমাকেই ক্লাস নিতে হবে। জনিরে বুঝাতে হবে কি করে জসিম ভাই কে গুতা দিতে হবে কি করে পুলক ভাই রে পালিস দেয়া লাগবে
হীরা
আলমের মন আজ বেজায় খুশী। আজ সে হাসু ভাইদের সাথে কাজে যাবে। আলমের বয়স তেরো। স্থানীয় ভোলাপুর প্রাইমারী স্কুলে সে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়েছে এরপর অভাবের কারনে স্কুল ছেড়ে দিয়ে বাজারের চা দোকানে চাকরি নিয়েছে। এই চা দোকানে হাসুদের দল আড্ডা দিতে আসে। হাসু, রেজাউল, ইদ্রিস একসাথেই থাকে সবসময়। হাসুই আলম কে জিজ্ঞেস করেছে কাজে যাবে কিনা। আলম এক বাক্যে সায় জানিয়েছে। হাসুদের কাজটা সব অর্থেই নিচু। ওরা সীমান্তের ওপার থেকে ফেন্সিডিল এনে ঢাকায় পাঠায়। এদিকের অনেক বাড়ির আয় উপার্জনের উৎস এই কাজ। সীমান্ত আর ঢাকার রেললাইন কাছাকাছি হওয়ায় এই অঞ্চলে ডাইল ব্যবসা রমরমা। বর্ডার থেকে বস্তা ভরা ফেন্সিডিল ট্রেনে তুলে দিতে পারলেই হলো। ট্রেনে তোলাও খুব সহজ। আগের স্টেশন থেকে আলম ট্রেনে উঠে বসে থাকবে। মাল তোলার জায়গা আসার আগেই সে ট্রেনের হাইড্রোলিক প্রেসারের ভালভ খুলে ব্রেক ফেলে দিবে, জায়গা মতো ট্রেন থেমে যাবে। ট্রেনের গার্ড, ড্রাইভার, পুলিশের সাথেও বন্দোবস্ত করা আছে। ওরা অযথা কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করে সিগন্যাল পেলে ট্রেন টেনে চলে যাবে।
Friday, October 30, 2015
খাল পাড়
CSM COLONY তে কি কি আছে , চলো আজ আমরা সবাই মিলে স্বপ্নে দেখি ?স্বপ্ন দেখতে দেখতে যদি খাল পাড়ের পানিতে ভেসে যাই তবে তা হবে সবচেয়ে আনন্দের ।কারণ ষ্টিল মিল কলোনির খাল পাড় ছিল আমার সেরা পছন্দের স্হান ।কত সময় যে কাটিয়েছি এই খাল পাড়ে ।খালি ষ্টিল কলোনিতে একটা প্রেম কপালে জুটলো না ।নয়ত গদগদ করে আরো কত লেখা বাইর হইতো ।বাকী টা বাকীর খাতায় থাক ।
আমি খুব দুঃখিত যে এমন একটি পোস্ট দিচ্ছি
(আমি খুব দুঃখিত যে এমন একটি পোস্ট দিচ্ছি। এটি পুরোপুরি ব্যক্তিগত নয় আর কিছুটা পেজ সম্পর্কিত তাই এখানে দেয়া। ব্যাপারটা কয়েকজনের সাথে আমি ফোনে শেয়ার করেছি। আমি চাই এটা আমার কাছের কিছু মানুষ জানুক। ভাঙ্গা মন নিয়ে এটা লিখলাম।)
আজ এই পেজ কেন্দ্রিক সম্মিলনকে কেন্দ্র করে একটা স্টান্টবাজির শিকার হলাম আমি। ব্যাপারটাতে এতোটাই ছোটলোকামি ছিলো যে এখানে লেখা, এখানে আড্ডা দেয়া বা কোনকিছুতে অংশগ্রহন করার ইচ্ছেও চলে গেছে আমার। যে কারনে কয়েকজনকে কথা দিয়েও তারিক ভাইকে দেখতে যেতে পারিনি আজ।
আজ এই পেজ কেন্দ্রিক সম্মিলনকে কেন্দ্র করে একটা স্টান্টবাজির শিকার হলাম আমি। ব্যাপারটাতে এতোটাই ছোটলোকামি ছিলো যে এখানে লেখা, এখানে আড্ডা দেয়া বা কোনকিছুতে অংশগ্রহন করার ইচ্ছেও চলে গেছে আমার। যে কারনে কয়েকজনকে কথা দিয়েও তারিক ভাইকে দেখতে যেতে পারিনি আজ।
আজকে CSM প্রশংসা দিবস পালন করলে খারাপ হয় না
- Mahabub Rasel
আজকে CSM প্রশংসা দিবস পালন করলে খারাপ হয় না
কারন অনেকেই অবজেকশন দিচ্ছে, আমরা নাকি একজন আরেকজনকে শুধু পচাই, বাঁশ দেই, ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি।
আজকে দেখি কে কার কত প্রশংসা করতে পারে !!!!
আজকে CSM প্রশংসা দিবস পালন করলে খারাপ হয় না
কারন অনেকেই অবজেকশন দিচ্ছে, আমরা নাকি একজন আরেকজনকে শুধু পচাই, বাঁশ দেই, ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি।
আজকে দেখি কে কার কত প্রশংসা করতে পারে !!!!
আগের দিনগুলোই বোধহয় ভাল ছিল, অনেক ভাল
আজ বিকেলে DMC তে যাওয়ার জন্য রেডী হচ্ছি অমনি আদৃতা আর আজানের (আমার পোলাপাইন) মা, তারিককে দেখতে যাওয়ার জন্য সাথে যেতে চাইলো। নিয়ে গেলাম সাথে করে। ওখানে আগে থেকেই রেজা ভাই, রফিক ভাই, মনির ভাই আর নমি ছিল, খালেদ ভাইতো সবসময়ই আছে। নমি ছেলেটাকে এই প্রথম দেখলাম। ভিশন স্মার্ট আর ভদ্র। চোখে চশমা পড়ে। কিছুক্ষন পর এলো স্টীভ জব এর আপেলের বোন শাহিদা। ওকে আগেই আপেল নাসেরদের ইফতারে দেখেছিলাম। এর মধ্যে তারেকের ব্যাপারে রেজা ভাইয়ের সাথে অনেক কথা হলো। তারেক কয়েকবার বমি করলো, খুব অসুস্থবোধ করছে।
“ সিনেমা বিডম্বনা “
পকেটে কিছু টাকা জমা হয়েছে, সারাদিন ভাবছিলাম, কি করা যায় ? তার উপরে পকেট গরম থাকলে শান্তিতে থাকার পাবলিক আমি কখনো’ই ছিলাম না। নতুন কোন গানের ক্যাসেটও বের হয় নাই !!! মাথায় ভুত উঠলো সিনেমা দেখতে যাবো !!!!, কিন্তু কখনো একা যাই নাই আমি সিনেমা হলে। একা যাওয়া কি ঠিক হবে ? সাধারনত দল বেধে যেতাম আমরা সিনেমা দেখতে।
যাই হোক টাকা পয়সা হিসাব করে সিনেমা দেখার জন্য বাসে উঠে পড়লাম, উপহার সিনেমা হলে রুবেলের একটা সিনেমা চলছিলো, তখন ফাইটিং সিনেমার জন্য রুবেল মোটামুটি বিখ্যাত ছিলো বলা যায়। অনেক ভিড়, টিকেট কাটার জন্য লাইনে দাড়ালাম, হটাত দেখি মুকুল ভাই ( ভাই ভাই ষ্টোর ) টিকেটের লাইনে দাঁড়ানো !!!
যাই হোক টাকা পয়সা হিসাব করে সিনেমা দেখার জন্য বাসে উঠে পড়লাম, উপহার সিনেমা হলে রুবেলের একটা সিনেমা চলছিলো, তখন ফাইটিং সিনেমার জন্য রুবেল মোটামুটি বিখ্যাত ছিলো বলা যায়। অনেক ভিড়, টিকেট কাটার জন্য লাইনে দাড়ালাম, হটাত দেখি মুকুল ভাই ( ভাই ভাই ষ্টোর ) টিকেটের লাইনে দাঁড়ানো !!!
একজন মানুষ মনে হয় শত জনম তপস্যা করলেও তার ভাগ্যে এমন ভাই/বোন/বন্ধু মিলবে কিনা সন্দেহ
ও রে ভাই তোরা আমাকে একটু দম নিতে দে। এ কয়দিন ঢাকা শহরের জামে আর জার্নিতে আমার অবস্থা এক্কেবারে ছেরা-ভেরা।বই নিয়া তোমরা আমার যে পোষ্ট-মর্টাম করলা। তাতে আমার এখন ছালা পিন্দা লুকায়ে থাকা দরকার। কনা (Shahnaz Kona)সহ বেশ কয়েকজন ইনবক্সে এমন হুমকী দেয়া শুরু করলো তাতে মনে হচ্ছিল—সামনে পেলে আমাকে আলু ভর্তা করে ফেলবে।কী করবো আমার কাছে বই ছিল তিনটা।তিন বই দিছি চারজনকে(আতিকের সাথে জাবেদের নামও ঢুকায়ে দিছি—-এ জন্য জাবেদ যে আমাকে কী করে কে জানে)যাক এ সব……..
শিরোনামহীন গল্প
ভার্সিটিতে আমার খুব ভালো ফ্রেন্ড নাম কাইয়ুম। আমরা সব ফ্রেন্ডরা সবার বাসায় গিয়ে কত ভাবে মজা করি লাঞ্চ করি গ্রুপ স্ট্যাডি করি কিন্তু কাইয়ুম কোন দিন তার বাসায় নেয়নি। একবার কথার ছলে বলে ফেললাম।কাইয়ুম কথা ঘুরিয়ে বলে চল তোরে চা খাওয়াই ক্যান্টিনে।কোন ভাবেই সে রাজি হয়না। কাইয়ুম বোন আছে কিন্তু সে তো বাড়িতে থাকে তাহলে কি প্রব্লেম আমাদের নিতে ?যাই হোক নিজ থেকে না যেতে বললে কি করে যাই? এইভাবে দিন শেষ হয় বছর যায়। রেজাল্ট এর সময় ঘনিয়ে এলো । এখন তো রেগুলার আর দেখা হবে না। ফাইনাল রেজাল্ট এর দিন ফ্রেন্ড রা কেন যে জড়ায় ধরে কান্না করছিল এইটা এখন বুঝি। ইচ্ছে করলেই এখন শামিমের কাছে যেতে পারি না কাইয়ুম তো থাকে আরো দূরে,বিপ্লব তো ভুলেই গিয়েছে, শাহিন ও ব্যস্ত। রেজাল্ট এর পর হঠাত করে কাইয়ুম আমাকে এক রকম টেনে তার বাসায় নিয়ে গেলো।কি ছিমছাম গোছানো ঘর। একটা বালিও নেই।সব কিছু কে যেনো পোর্টেট করা। হুট করে একটা ১৩/১৪ বছরের একটা ছেলে এলো? কেমন জানি লাগলো ?
Thursday, October 29, 2015
টলি ভাই
গতকাল সন্ধ্যায় তারিক কে দেখার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আশা ছিলো সেখানে টলি ভাইয়ের সাথে দেখা হবে এবং দেখা হলে সেটা হত উনার সাথে আমার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। কিন্তু ওখানে গিয়ে শুনলাম উনি দুপুরে এসেছিলেন এবং উনার লেখা একটি বই আমার জন্য রেখে গিয়েছেন। বই রেখে যাওয়ার ব্যাপারটি ছিলো আমার জন্য খুবই সারপ্রাইজের। কয়েকজন বড় লেখকের অটোগ্রাফ সহ কিছু বই আমার সংগ্রহে আছে, তা স্বত্তেও টলি ভাইয়ের দেয়া উনার এ বইটি আমার কাছে স্পেশাল।
আমার এত কিছু বলার কারন হচ্ছে ফেসবুকে আমার লেখালেখির শুরুর উতসাহ পেয়েছি টলি ভাইয়ের কাছ থেকে ও ফেসবুকে উনার বিভিন্ন লেখাগুলো পড়ে।
Thanks. Moin Khan টলি ভাই। I m grateful to u.
আমার ভাগ্য সব সময় আমার বিরুদ্ধে সুপ্রসন্ন
আমার ভাগ্য সব সময় আমার বিরুদ্ধে সুপ্রসন্ন। আমি উত্তরে গেলে সে যায় দক্ষিনে আর আমি দক্ষিনে গেলে সে যায় উত্তরে। যে কারনেই হোক ভাগ্য বেচারা (আসল “বেচারা” তো আমি) আমার সাথে চলতে মোটেই পছন্দ করে না। বিভিন্ন জায়গায় আমার সরাসরি “কট” খাওয়ার পিছনেও আনেকটাই এই ভাগ্যেরই অবদান (নিজের দোষ ঢাকার চেষ্টা না)। যেমন আমার সব বন্ধু আমাকে অত্যন্ত ভদ্র ও ভালো ছেলে বলেই জানে। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু করে ফেলি বা করে ফেলতে যাই যা অন্তত আমাকে মানায় না বলে তারা মনে করে।
Subscribe to:
Posts (Atom)