Friday, March 4, 2016

এইসব লিখালিখি


স্কুলে আমি শিশু- শ্রেনীতে পড়ার সময় আমাদের শ্রেনীতে শিক্ষিকা ছিলেন মাকসুদা আপা( Rubayet Hasan এর মা)। তখন অ দিয়ে পড়তাম," অশথ গাছের তলে,খেলব দলে দলে", আ দিয়ে " আকাশ ভরা আলো, আমার লাগে ভাল"। ষ দিয়ে ছিল " ষাড়ে ষাড়ে লড়াই, দূরে সরে দাড়াই"। এখন মাকসুদা আপার ক্লাসে থাকলে হয়ত পড়াতেন, ষাড়ে,ষাড়ে লড়াই, দূরে থেকে তামাশা দেখে যাই"।কারন ইদানীং গ্রুপে সবাই যখন লিখা দেবার কাজে মন দিচ্ছেন, উতসাহ নিয়ে লিখতে চাইছেন, তখন কিছু বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখার আগ্রহ টাকে নষ্ট করে দিচ্ছে,মন খারাপ করে দিচ্ছে,আগ্রহ টা হারিয়ে ফেলি।

সি,এস,এম কলোনির পেইজে যে ভাবে লেখার পরিমান বাড়ছে,তাও আবার এত বড় লেখা


সি,এস,এম কলোনির পেইজে যে ভাবে লেখার পরিমান বাড়ছে,তাও আবার এত বড় লেখা।তাতে আমি এতই অভিভূত যে ভাষায় প্রকাশ করতে পারবনা। সে সাথে আমি চিন্তিত এই ভেবে যে, সবাই এত লেখা কি ভাবে লেখার সময় পায়,আমার মাথায় আসে না।আমার মনে এত কথা ঘুরপাক খাচ্ছে,কিন্তু আমি লেখার সময় করে নিতে পারছি না। না লিখতে পারাতে কেমন যে লাগছে বুঝাতে পারব না। নেশায় আক্রান্ত মানুষ নেশা করতে না পারলে যেমন করে আমারও তেমন হচ্ছে। মনটা কয়,,,,,,?। যাওগ গা,,,সামনের দিকে আওগ,,গা। নিজে না পারার কারনে অন্যরা কি ভাবে পারে তা ভাবতে গিয়ে আমি চমকে গেলাম, কি সহযোগীতা,কি ত্যাগ এই সি এস এম এর জন্য। তাই আজ আমি তাদের কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। সবাই লেখক কে উৎসাহীত করে,কিন্তু এ লেখার পেছনে যাদের অবদান তাদের কথা কি আমরা কখনো ভেবেছি?। হা তাই আমি আজ ধন্যবাদ দিতে চাই আমাদের দেশের সে সকল ভাইদের যারা নিয়ম না মেনে আমাদের রাস্তা গুলোর যামজট তৈরিতে ভুমিকা রাখে।সে সাথে ট্রাফিক ভাইদের। যাদের কারনে আমাদের ৩০ মিনিটের পথ ২ ঘন্টায় শেষ হয়। আর আমাদের csm ভাই বোনরা ওই সুযোগে.....। যা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। অবশেষে যাদের ধন্যবাদ না দিয়ে থাকতে পারলাম না। ধন্যবাদ সকল CSM কলোনির ভাবিদের। সারাদিন বড় ভাইদের বিভিন্ন কাজে বাহিরে থাকা,রাতে বাসায় ফিরে সব বাদ দিয়ে csm পেইজ এ লেখতে বসা।এ যন্ত্রনাগুলো যদি ভাবিরা সহ্য না করতো,এ মিলন মেলা মনে হয় সম্ভব হতনা। ধন্যবাদ আবারও ভাবিদের, আপনাদের অনেক.........? এর কারনে আমাদের csm পেইজ সার্থক হয়েছে।

আমি ফেসবুক ইউজ শুরু করি ২০১২ সাল থেকে


আমি ফেসবুক ইউজ শুরু করি ২০১২ সাল থেকে, প্রথম দু বছর খালি ছবি পোস্ট ছাড়া আর তেমন কিছু এক্টভিটি ছিলোনা। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল শুরুর পর থেকে আমি কিছু কিছু পোস্ট দেয়া শুরু করি, প্রথম দিকে ইংরেজিতে লিখলেও পরে বাংলা ইন্সটল করে নেই। ২০১৫ সালের জুলাই আগস্ট থেকে কলোনি নিয়ে স্মৃতি চারন মুলক লেখা পোস্ট করতে থাকি, তার মধ্যে মিঠু ভাইয়ের কোকের কাহিনীতে এত বেশি কমেনটস হয় যে সেখান থেকেই আমরা একটি আলাদা পেজের প্রয়োজন অন্ুভব করি, তারপরের ইতিহাস তো সবার জানা।

রিপন ভাইয়ের পোষ্ট টা পড়ে আমার খুব মনটা খারাপ হয়ে গেল


রিপন ভাইয়ের পোষ্ট টা পড়ে আমার খুব মনটা খারাপ হয়ে গেল। খেলার মাঠে সবাই খেলোয়ার থাকে না দর্শক ও থাকে, তেমনি FBর, CSM colony পেজ এ আমি ও এক জন। ২৯ জানুয়ারি গ্রান্ড আড্ডা টি এত কম সময়ের মধ্যে এরকম একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা অনেক কঠিন ব্যাপার। যারা এর পেছনে থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে অায়োজন টি সর্মপূন করেছেন, তারাই বলতে পারবেন তাদের উপর দিয়ে কি ধকল টা গিয়েছে।কাজ করতে গেলে ভুল ত্রুটি হবে, থাকবে। অাসুন সবাই মিলে এক সােথ ধন্যবাদ জানাই এমন একটি আয়োজনের জন্য।

কারন দর্শাও


কারন দর্শাও নোটিশের জবাবে যেন বেশী কারন দর্শাতে না হয় সে জন্য সকালে সবার আগে পটিয়া চলে আসলাম। আইসা দেখি কমিটির লোক দুই একজন ছাড়া কেউ নই। সবাই ঘুমাচ্ছে। চিটগাং শহর থেকেও আমার আগে কেউ আসে নাই। আমি সকালে তাড়াতাড়ি আসার কারন উপরের ক্ষেপে আছে রাতে আসি নাই বলে। তাছাড়া আরেকটি কারন হলো পটিয়া থেকে সন্ধ্যার আগেই চিটগাং চলে যেতে রাতে আরেকটা মেজবানের এটেন্ড করার জন্য। আগের মতো খেতে না পারলেও যেতে হয়। কেউ দাওয়াত দিলে আমি আবার না করতে পারি না।

Thursday, March 3, 2016

আমার এই লেখাটি কি পোষ্ট হিসাবে ধরা হবে?


আমাদের সিএসএম কলনির পরিসংখ্যানবিদ Al Amin Billah Shujon কতো কষ্ট করে আমাদের পোষ্টের পরিসংখ্যান দিচ্ছে। তাকে আমি ধন্যবাদ জানাই। ওর জন্য অনেকেই (আমার মতো) ইতি মধ্যে লেখা লেখি শুরু করে দিছে। রেজাল্ট শীটে যদি নাম না উঠে তাহলে মান থাকেনা। অনেক বলে তার জন্য লেখা। আবার অনেকে মনে করে এটা একটা প্রতিযোগিতা। আর আমার মতে প্রতিযোগিতা হলে ভাল। পেজ সচল থাকবে। তবে কারন যাই হোক আমি বলবো সুজনের পরিসংখ্যানে আমাদের পেইজে পোষ্টের পরিমান অনেক বেড়েছে। কিন্তু সমস্যা দেখা দিলো পরিসংখ্যান দেওয়ার পর। ধরা যাক সুজন পরিসংখ্যানে বললো অমুকের পোষ্ট ৩ টি। এখন সে যদি বলে আরো বেশি হতে পারে। তখন সুজন বলে পোষ্টটি ওকে ট্যাগ করার জন্য। এখানেই সমস্যা। আমার মতো যারা মোবাইলে বিশেষ ভাবে অজ্ঞ তারা পুরাতন পোষ্ট খুঁজে বের করতে পারে না। আবার পারলেও কি নামে পোষ্ট দিছে, কি বিষয়ে, কখন দিছে ইত্যাদি মনে না থাকার কারনে ওকে ট্যাগ করা হয়না। আর একটি বিষয়ে সুজনের কাছে জানতে চাই কি ধরনের পোষ্ট কাউন্ট করা হয় (অনুছড়া এবং ছবি বাদে)। যেমন : এক লাইনের পোষ্ট না দুই লাইনের নাকি দুইয়ের অধিক। এই বিষয়ে ক্লীয়ার করা হলে ভালো হয়। কারন অনেকেই আছে এই ধরনের পোষ্ট দেয়।
পুনশ্চ : আমার এই লেখাটি কি পোষ্ট হিসাবে ধরা হবে?

কারন আমি ষ্টীলার


আজ বৃহস্পতিবার ৩ মার্চ। উপরের মহল থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে আজকের রাতটা যেন বাবুর্চির সাথে খোলা আকাশে নীচে কাটাই। অর্থাৎ বাবুর্চি রান্না করবে আর আমাকে চেয়ার নিয়ে তাদের পাশে বসে থাকতে হবে। এটা কি গ্র্যান্ড আড্ডার রান্না? গ্র্যান্ড আড্ডার রান্নার আগের রাতে খোলা আকাশের থাকছি বলে কি আমাকে এখানেও থাকতে হবে? না সম্ভব না। তাই আমি উপরের নির্দেশ অমান্য করে বাসায় রাত্রি যাপন করতেছি। জানি এর জন্য আমাকে কারন দর্শাও নোটিশ দেওয়া হবে। আগামী কয়েকদিন ওএসডি করে রাখতে পারে। রাখুক সমস্যা নাই। আমি কি ভয় পাই? না আমি ভয় পাই না। কারন আমি ষ্টীলার।

সব ভুললে জীবনে দুসটামির জন্য খোরশেদ আলম (মানিক) ভাই এর মাইর যে পরিমান খাইছি, তা ভুলার না


সব ভুললে জীবনে দুসটামির জন্য খোরশেদ আলম (মানিক) ভাই এর মাইর যে পরিমান খাইছি, তা ভুলার না, যখন যখন ইরাক এ জব করছি, ১পাকিস্তানিরে মেরে, জেল এ গেছিলাম মাইর খাইনাই, দেশে আসার পর ১দিন মেডিকেল থেকে আসার সময় রাত আনুমানিক ০১:৩০ দিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়, মাইর খাই নাই, মনে হয় আমার ভাগ্য যে মাইর ছিল সব আমারে মানিক স্যার এ দিয়ে দিছে, তখন অনেক জীদ লাগলে ও এখন বুঝি, স্যার যা করতেন আমার ভালোর জন্যা করতেন, ১টা প্রশ্ন এখনো মনে মধ্যে ঘুরপাক খায়, মানিক স্যার আমারে ১দিন পানিতে অনেক চুবাইসে, কিনতু কেন চুবাইসে আজ ও বলতে পারিনা, নাকি অন্য কারো জীদ আমার উপর উরাইছে, সেটাই বুঝিনাই

"ইউনুসের দাড়ি"


আমাদের প্রিয় ইউনুস,, দাড়ি রাখা শুরু করেছে। থুতনি র গোড়ায় অল্প কিছু দাড়ি দেখতে ভালোই লাগে। রাতে ভাত খাওয়ার পর যখন সিগারেট খাওয়ার জন্য তার দোকানে যেতাম আমার নিয়মিত প্রথম কাজই ছিলো আমার হাত দিয়ে খুব ভক্তি সহকারে ইউনুসের দাড়িতে হাতের স্পর্শ করে সেই হাতে আবার চুমু খাওয়া, অনেকটা কদুমবুসি স্টাইলে। আমার এভাবে ভক্তি সহকারে তার দাড়িতে চুমু খাওয়াটা ইউনুস খুব উপভোগ করত। আর আমার কাছে বিষয়টি ছিলো মজা করার জন্য। 

তবে একবার আমার উপর খুব ক্ষেপে গিয়েছিল ইউনুস। একদিন আমি খুব হন্তদন্ত হয়ে সিরিয়াস ভংগিতে ইউনুস কে বললাম "ইউনুস তোর দাড়িতে কখনও টান টান লাগে" ইউনুসও সিরিয়াস ভংগি তে উত্তর দিলো "নাতো এরকম কখনো হয় নাই"। এর পর আমি বললাম "যদি টান লাগে তাহলে মনে করবি তোর দাড়ি তে শয়তানে ঝুলে ঝুলে দোল খাাইতেছে। এ কথা শুনে তার সুপারি কাটার চাকু নিয়ে আমাকে দৌড়ানি দিলো ধরতে না পেরে যত গালাগালি ছিলো সবই আমার উপর সে ঢাললো এবং অনেক দিন আমাকে বাকী দেওয়া বনধ করে দেয়।

মানুষ স্বপ্ন দেখে


মানুষ স্বপ্ন দেখে। কিন্ত পনের বছরে-কলোনী থেকে সবাই চলে আসার পর-29শে জানুয়ারী আবেগপূণ স্বপ্ন বিভোর যে অনুষ্ঠানটি হলো-তা 15 বছরে কেউ রাতে ঘুমে স্বপ্নেও এত সুন্দর অনুষ্ঠান কপ্লনা করেছে কিনা সন্দেহ। বিজ্ঞান বলে-প্রকৃতিতে 100% খাটি বিশুদ্ধ কোন পদার্থের কোন অস্থিত্ব নেই। তাকে কোন সংমিশ্রনের সাথে মিলে-তার অস্থিত্বকে প্রমাণ করতে হয়। স্বর্ণের সাথে খাত মিলেয়েই কিন্ত স্বর্ণকে শক্ত হতে হয়। তদ্রব- যে কোন উৎসবের কিছু নেগিটিভ সাইড থাকবে। আমার মনে হয়, সব চেয়ে নেগিটিভ সাইড হলো-29 তারিখের সারা দিনের কর্মসূচী- কোন সময় কোন আইটেমটা হবে। আমার ধারনা এটা না হওয়ার পিছনে কারণ হলো-ঐ প্রবাদের মত-‘‘ভিক্ষা চাইনা মা কুত্তা সামলাও” কারণ এত বড় অনুষ্ঠানের আর্থিক যোগানের চিন্তায় ছোট বড় সকলেই এত বেশী চাপে ছিল যে, সবার চিন্ত ধারনা ছিল-আগে আমের ব্যবস্থা করি। পরে ছালার চিন্তা করব।

২৯/২/১৬ আড্ডার একমাস পূর্তি নিয়ে অনেকের লিখা পোস্ট করেছে


২৯/২/১৬ আড্ডার একমাস পূর্তি নিয়ে অনেকের লিখা পোস্ট করেছে।আরো অনেকে লিখবে মনে মনে ভাবছি আর লিখা আজ পোস্ট আসবে।কিন্তু দুপুর ২ টা বাজে নিরু ভাই ফোন করল মামুন শুনেছিস,আমি বললাম কি ভাই,বন্যার (বন্যা বুবু) বাবা ইন্তেকাল করেছে।

একটা পোস্ট দিয়ে দিস।আমি নিরু ভাইয়ের কথা শুনে হতবাক,কারন আমি জানি চাচা ঢাকাতে চিকিৎসা করতে এসেছে,বুবুর সাথে।তারপর আমি নাহিদ আপুকে ফোন দিলাম,ফোন কে যেন ধরে বলল আপুর বাবা ১.৩০ দিকে মারা গিয়েছে। তারপর আমি একটি পোস্ট দিলাম।তার আগে আতিক ভাই ও পোস্ট করেছে।

যার চলে যায় সে বুঝে বিচ্ছেদে কি যন্ত্রণা।কারণ আমার বাবা মারা যায় ১৯৯৯ এ ২৫ শে জানুয়ারি আমার হাতের উপর।

আমাদের যাদের মা- বাবা এ দুনিয়া থেকে চলে গেছে আল্লাহ তাদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।সবাই আমাদের সকলের মা- বাবা যারা কবর বাসী সকলের জন্য দোয়া করবেন।
আর বুবু তার বাবার জন্য আগামীকাল দোয়ার আয়োজন করেছে,যারা পারেন যাবেন,গেলে বুবুর ভাল লাগবে।আমি কাছে থাকলে অবশ্যাই যেতাম।

পরিসংখ্যানঃ জানুয়ারী ২০১৬ (০১ জানুয়ারী ২০১৬ টু ৩১ জানুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)


রেজা ভাই আমাকে বলেছিল ২০১৬ তে আলাদা করে পরিসংখ্যান করতে, কারণ অনেকেই অনেকপর থেকে লিখা শুরু করেছে তাই আমি এইবার জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী এবং গ্র্যান্ড টোটাল আলাদা আলাদা ভাবে পরিসংখ্যান করেছি যেন নতুন লেখকরা উৎসাহিত হয়।

যদি আমি ফেব্রুয়ারীর সাথে জানুয়ারীর তুলনা করি তাহলে আমার কাছে জানুয়ারীর ফলাফলটা তেমন আশানুরূপ হয়নাই। জানুয়ারী মাসে লেখকের সংখ্যা এবং লিখার সংখ্যা দুইটাই কিছুটা কম ছিল তাই লড়াইটা তেমন জমে উঠে নাই। সবাই মনে হয় গ্র্যান্ড আড্ডার প্রস্তুতি, কেনাকাটা এবং গ্র্যান্ড আড্ডা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত ছিল তাই লিখার সময় পায় নাই। আমি নিজেও জানুয়ারীতে ফেল মারছি। জানুয়ারীতে আমার বেশকিছু পোস্ট ছিল কিন্তু পরিসংখ্যান এ কাউন্ট করার মত একটা পোস্টও নাই, তাই জানুয়ারীতে আমিও স্টার মার্কসহ ফেল ।

অবশ্য ফেব্রুয়ারীতে আমরা এর সম্পূর্ণ একটা উল্টা চিত্র দেখতে পাব কারণ ফেব্রুয়ারীতে লিখার সংখ্যা এবং লেখকের সংখ্যা ছিল অকল্পনীয় যা আমাকে এবং আশা করি আমাদের সবাইকে খুব অবাক করবে। তাই লড়াইটা খুব জমে উঠেছিল। আর বেশি কিছু না বলি বাকিটা আমরা ফেব্রুয়ারীর পরিসংখ্যানে দেখব।

যাইহোক এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।

অভিনন্দন বাংলাদেশ, তোমাকে অভিনন্দন


অভিনন্দন বাংলাদেশ, তোমাকে অভিনন্দন। প্রতিদিন সকালে খবরের কাগজ টা খুললেই গা শিউরে উঠা খারাপ সংবাদ। তার মাঝে বাংলাদেশের ক্রিকেট বিজয় সংবাদ কিছুটা হলেও স্বস্তি দেয়।

মনে পড়ে যায় আইসিসি ক্রিকেট ১৯৯৭ এর কথা, তখন মিডিয়ার এতো ছড়াছড়ি ছিলোনা, মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত খেলার ধারা বিবরণী শোনার জন্য সবার কানে এক ব্যান্ডের রেডিও লাগিয়ে চলাফেরা। সে এক দেখার মত দৃশ্য। শ্বাষরুদ্ধকর ফাইনালে কেনিয়া কে হারানোর পর বাজারের বেলাল ভাইয়ের জাতীয় পতাকা হাতে পাগলের মত উল্লাস যেন পুরো বাংলাদেশের উল্লাস চিত্র কে তুলে ধরেছিলো।

এর পর বহুবার বাংলাদেশের বিজয় নিয়ে গর্বিত হয়েছি, আনন্দে আন্দোলিত হয়েছি কিন্তু বাঁধভাঙ্গা উল্লাসে ভেসে যেতে পারিনি। আসলে ভাসার আর জায়গা ছিলোনা। উল্লাসে ভাসার শ্রেষ্ঠ স্থান তো ছিলো আমার কলোনি, কিন্ত তত দিনে সেটা তো আর নেই।

আমার উল্লাসে ভাসার জায়গার দরকার নেই, এভাবে জিতে জিতে বাংলাদেশ আমাদের মনের আনন্দে ভাসিয়ে নিক।
তোমাকে আবারও অভিনন্দন বাংলাদেশ।

Wednesday, March 2, 2016

হাই রে মানুষ রঙিন ফানুস, দম পুরাইলে ঢুস তবু কেন হয়না মানুষের একটু খানি হুশ


হা সবাই কি ভাভবে আমি জানিনা কিন্তু আমার বলা উচিত বা সবাইকে জানানো উচিত, হা আমি ও স্বার্থপর কিন্তু তারো মাত্রা আছে, কিন্তু সব মানুষ স্বার্থপর হবে কিন্তু এতোটা স্বার্থপর হয়া ভাল না, আমি বুজতে পারি না কেন মানুষ এমন হয়,
হাই রে মানুষ রঙিন ফানুস, দম পুরাইলে ঢুস তবু কেন হয়না মানুষের একটু খানি হুশ

অতি স্বার্থপর কিছু মানুষ আছে । যাদের মুখে মধু, অন্তরে বিষ । যারা আপনার সামনে আপনার অন্ধ ভক্ত, পেছনে আপনার নামে কুৎসা রটাবে । আর যদি কোনো ভুলে আপনার কোনো দুর্বল জায়গা খুঁজে পায়, তাহলে সেখানে আঘাত করবে । তারপর বলবে- ভাই আমিতো কিছু করিনি । আবার যার কাছে একটু আগে কুৎসা রটিয়েছে- তাকে বলবে, তোমার ভালোর জন্যে বললাম, তুমি ওর কাছে বলে দিলে ? মূলত এরা অন্যের উপর ভর করে চলে । এরা ব্যক্তিত্বহীন, সুযোগ সন্ধানী ও সুবিধাবাদি । কিছু মানুষ এদের ফাঁদে পড়ে । এরা স্বার্থের জন্যে অনেক নীচে নামতে পারে । এদের আচরন সময়ে সময়ে বদলায় । এদের ভবিষ্যত মুলত অন্ধকার । কিন্তু সে যে নির্বোধ তা সে কি করে বুঝবে?

নানাভাই চলে গেলেন না ফেরার দেশে


নানাভাই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।হতবাক হয়ে বসে আছি।এটা কীভাবে সম্ভব??২৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় নানাভাইকে নাস্তা দিলাম।খুব পছন্দ করেছেন সেদিনের নাস্তাটা।পাউরুটি, মাখন,জেলী,নোসিলা আর সাথে চা।নাস্তা খেয়ে নানাভাই ঔষধ খেলেন।খেয়ে এরপর ১০:৩০ টার দিকে আমাকে ডেকে বললেন যেন দুপুরবেলা ১টায় ডেকে দেই।ঘুম থেকে উঠে গোসল করে নামাজ পড়বেন।জলজ্যান্ত মানুষ ঘুমাতে গেলেন।দুপুরবেলা ১টায় নানাভাইকে দুইবার ডাক দিলাম,উঠলেননা।আমি পড়ার টেবিলটা গুছাচ্ছিলাম।

তখন দুষ্টামি করে বললাম, "তুমি প্রতিদিন সকালে একবার ডাক দিলেই আমি উঠে যাই,তুমি তো উঠলানা" বলে মশারী তুলে নানাভাইয়ের গায়ে হাত রাখলাম।ঠান্ডা বরফের মত হাত।বাসায় লিমন মামা,চিৎকার করে মামাকে ডাকলাম। মামা এসেও নানাভাইকে উঠাতে পারলোনা।মানুষটা ঘুমের মাঝেই কাউকে না জানিয়ে চলে গেলেন।মৃত্যুভীতি ছিল নানাভাইয়ের মাঝে অনেক।সারাজীবন আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে দোয়া করেছেন যেন আল্লাহ্‌ তাকে ঘুমের মাঝে নেন।আল্লাহ্‌ উনার কথা রেখেছেন।যেই মানুষটার হাত ধরে হাটতে শেখা,লেখাপড়া শেখা,জীবনের পথে চলতে চলতে শেখা- সেই মানুষটা আজ আর নেই।

পেজ স্বাধীন তাই, কেউ যখন ইচ্ছা বের হয়ে যাচ্ছে, মান- অভিমান করে


পেজ স্বাধীন তাই, কেউ যখন ইচ্ছা বের হয়ে যাচ্ছে, মান- অভিমান করে।একটা কথা সবার জন্য বলছি,কলোনীতে থাকতে ছোট- খাট মান- অভিমান হয়েছে,রাগারাগি হয়েছে।আবার এক ভাই আর এক ভাইয়ের বিপদে এগিয়ে এসেছে।তাই সিএসএম এর সবার উদ্দেশ্য এই পেজ এ আমরা এমন কিছু করব না,যা আর এক ভাই- বোন কষ্ট পায়।পেজের মাধ্যমে আমাদের আবার সবার পূনরায় যে বন্ধনন সৃষ্টি হয়েছে,তা যেন আমরা ধূলিসাৎ করে না দেই। আমি যদি কোন ভূল করি আমার ভূল গুলো বলে শূধরানোর সুযোগ দিতহবেে।আর একটা কথা মনে রাখতে হবে আমরা - আমরাইতো

আমাদের মত ছা পোষা মানুষের জীবনে প্রতিদিন যুদ্ব করতে হয় বেঁচে থাকার জন্য


আমাদের মত ছা পোষা মানুষের জীবনে প্রতিদিন যুদ্ব করতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। চেষ্টা করি সি এস এম পেইজটাতে নিয়মিত লাইক কমেন্টের মাধ্যমে সচল থাকতে।লেখা সেটা হয়ে উঠে না।আমারই হীনমনতা হবে হয়তো? কিছু লিখতে গেলে ভাবী কে কি মনে করবে? কে কিভাবে নেবে? আগ পিছ ভাবতে ভাবতে লেখাই হয়ে উঠে না। তারপরও বন্ধুদের একটা গল্প আজ শেয়ার করতে মন চাইল তাই লিখতে শুরু করলাম।বন্ধুরা সবাই মিলে আড্ডা দিতাম বড় মাঠে।সন্ধ্যার পর থেকে একে একে জমা হয়ে এক সময় ভরপুর একটা আড্ডা শুরু হতো।এমনি এক সন্ধ্যায় বন্ধু নুরু (নুরুর রহমান বাবুল) এসে একান্তে ডেকে নিয়ে গেল।

খুব গুরুত্বপূর্ন বা একান্ত ব্যক্তিগত না হলে এভাবে আড্ডার মাঝ থেকে উঠার বিধান ছিল না। তারপর দুজন হাটতে হাটতে আনসার ব্যারাকের রোডে চলে গেলাম আর নুরুর ব্যক্তিগত কথাটা মনোযোগ দিয়ে শুনলাম।কথাটা শেষ করেই নুরু বারবার অনুরোধ করল এ ঘটনাটি যেন কারো সাথে শেয়ার না করি।যথারীতি আমিও কথা দিলাম এবং কথাও রেখেছিলাম।কিন্তু কিছুদিন পর নুরু সাথে কোন এক বন্ধুর কথাকাটাকাটির এক পর্যায়র বন্ধুটি নুরুকে হুমকি দিতে শুরু করলো,দেখ খুব বেশী বাড়াবাড়ি করলে ঘটনাটি ফাঁস করে দিব।আমরা সবাই উত্তেজিত নুরুর এমন কি ঘটনা যা আমরা জানি না? সবাই বন্ধুটিকে উৎসাহিত করতে লাগলাম ঘটনা ফাঁস করার জন্য আর নুরু বারবার নিষেধ করছিল।আমাদের ছাপাছাপিতে এক সময় বন্ধুটি ঘটনার বর্ননা দিল।শুনে তো আমি হতাশ বললাম এটা আমি আগে থেকেই জানি।অন্য বন্ধুরাদেরও একই কথা -" এটা আমি আগে থেকেই জানি"। 

Chand Sultana বন্যা আপুর জন্য


Chand Sultana বন্যা আপুর জন্য, আপা আপনাকে শানতনা দেয়ার ভাষা আমার যানা নাই, তারপর ও বলছি, আপা আললাহের অশেষ রহমতে আপনার বাবা তো ওনার নাতীনাতকুর সবার চেহরা, দেখে গেছে, আমার যখন SSC বছর তখন বাবা মারা যায়, বড় ভাইয়া ছিল বিদেশ, but কোনো যোগাযোগ ছিল না, বাসায় মা আমি, আমার বড় ও ছোট বোন, ২ বোন, আর বললাম না, ওই অবস্থা থেকে ও এখনো বেচে আছি, আললাহের কাছে নামাজ আদায় করে বাবার জন্য দোয়া করেন, আললাহ আপনার বাবাকে জাননাত নসিব করুক, আমিন

চুরি

- Anisur Rahman Reza

চুরি

সারাফ নাওয়ার

ওখানে কে?
আমি মসাই।
কী করেন?
চুরি করি।
কী চুরি?
সোনা চুরি।
কী সোনা?
খাটি সোনা।
আসছি আমি।
কেন ভাই?
ধরতে তোকে,
পালাই পালাই।

আজ আমার বেটির জন্মদিন। এই দিনটি আমাদের সব চেয়ে আনন্দের দিন। বিশাল আবদার করেছে আমার বেটি, বাবা একটা কবিতা লিখেছি, তোমার ফেইস বুকে দেওনা!! প্লিজ বাবা/প্লিজ বাবা।
দিয়ে দিলাম ফেইস বুকে।

শুভ জন্মদিন আমার সারাফ সোনা।

এই লেখাটা CSM তৃতীয় প্রজন্মের বাচ্চাদের জন্য, যাদের কলোনি দেখার সৌভাগ্য হয়নি


আকাশের রঙ কালো হয়ে আসছে। মেঘ গুরগুর করছে থেমে থেমে। কাকগুলো সব মেঘের সাড়া পেয়ে বিল্ডিঙের কার্নিশে কার্নিশে আশ্রয় নিয়েছে। আর ঝোপঝাড় থেকে বেরিয়ে এসেছে শত শত ময়ূর। এখনো পেখম মেলেনি। লম্বা লেজটা রাস্তায় গড়াচ্ছে। আবার মেঘ ডাকলো। একে একে পেখম মেলতে শুরু করলো ময়ূরের ঝাঁক। মুহুর্তেই রঙ্গিন হয়ে গেলো বাজার গেট, টাঙ্কির তলা, পুকুর পাড়, স্কুল মাঠ। মেঘের ফাক দিয়ে চুরি করে ঢুকে পড়া সূর্যের আলো ময়ূরের পেখমে পিছলে গিয়ে রঙ ছড়িয়ে দিলো সারা কলোনিতে। সেই রঙ মাতালের মতো দুলতে দুলতে আকাশে উঠে গিয়ে হয়ে গেলো রংধনু। বাসাবাড়ি থেকে একজন দুজন করে বের হয়ে আসতে লাগলো বাচ্চা ছেলের দল। ময়ূরের পেখম দুলানো নাচের সাথে নাচতে লাগলো তারাও। 

Tuesday, March 1, 2016

মহাপুরুষ


csm colony page এর যখন আবির্ভাব তখন থেকেই রিপন ভাইকে নিয়ে কিছু লিখব লিখব করেও আমার লিখা হয়ে উঠেনি। উঠেনি বললে ভুল হবে একটু সময়ের অপেক্ষায় ছিলাম এবং সেই সময়টা পেলাম আর অমনি লিখতে শুরু করলাম। তবে আমি রিপন ভাইয়ের মত রস কস দিয়ে বা গুছিয়ে লিখতে পারিনা।

যদি ভুল হয় দয়া করে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
আমার দেখা সিএসএম কলোনীর সেরা মানুষ(রিপন ভাই)।আমি উনাকে সবসময়ই মহাপুরুষই বলি। এমনকি গ্র্যান্ড আড্ডাতে ভাবীকে(রিপন ভাইয়ের বউ) ও বলেছিলাম যে, ভাবী জীবনে অনেক বড় একজন মানুষ পেয়েছেন। কিন্তু ভাবী বলেছিলেন তুমি তোমার ভাইকে কতটুকু চেন!

ভাবীকে বলেছিলাম, উনাকে আমি আমার জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার আগে থেকেই চিনি আর জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেতো আরও ভাল করে চিনি।

বন্যা আপুকে সান্তনা দেওয়ার কোনো ভাষা আমার কাছে নেই


বন্যা আপুকে সান্তনা দেওয়ার কোনো ভাষা আমার কাছে নেই।তবে আমরা সবাই দোয়া করি চাচা জেন জাননাতবাসী হন আমিন।আমার আমমা মারা যান ৬ই February 2005,সে থেকে আমার বাবাই ছিল আমাদের সব।মায়ের মত সব খোজ খবর আমার বাবা আমাদের করতেন।আমাদের কোন ভাই বোনদের বিয়ে আমার মা দেখেজেতে পারেনী।আমার বিয়ের জন্য ছেলে আর তার মা দেখবে সেখানে আববাই আমাকে সাজাই গোছাই নিয়ে গেছে,কি করবে আমিই তো সবার বড়।সেখানে আমার বিয়েও হয়।সাথে আমার বড় ভাইয়েরা একদম আমার মায়ের আদর আর ভালবাসা দিয়ে আমাদের সব ভাইবোনদের রেখেছিল।

আমার বাবাই বাকী দুইবোন আর ভাইয়া বিয়ে দেন।কিনতু সবচাইতে দঃখজনক হল আমি কখনও কলপনাও করিনি আমার বাবা এতোতাড়ী আমাদের ছেড়ে চলেজাবে গত বছর ২৩শে ফেবরুয়ারী হঠাৎ করে আববা চলে জায়।মারা জাওয়ার একদিন আগে আমি বাসা থেকে আসছি।আমার এখনও মনে পড়ে যেদিন আমি চলে আসবো আমার দিকে খুব মায়া মায়া করে তাকিয়ে থেকে বলল তুমি চলে জাবে ঠিক আছে জাও।আমাকে আসতে হয়েছিল কারন আমার শশুর হাসপাতালে ছিল।এসব কথা বলছি কারন আমি আববার অনেক আদরের ছিলাম।আমি কলপুনাও করতে পারিনা আমার বাবা নেই।যা চাইতাম তাই এনে দিত।

ইন্টার স্কুলের সেমিফাইনাল খেলা


ইন্টার স্কুলের সেমিফাইনাল খেলা বেগমজান স্কুলের মাঠে।সিএসএম স্কুল বনাম নেভী স্কুল। সিএসএম-পক্ষে আমি.রানা .হানিফ,বিশ্বজিৎ..নজরুল.মিজান.পান্না.জাকির.আব্দু রউফ,শিপন.শামীম. সবার নাম মনে নেই।আমরা ১-০ গোলে জিতে ফাইনালে উঠি।পরে ফাইনালে বন্দর স্কুলকে ১-০গোলে হারিয়ে আমরা চ্যাম্পিয়ান হই।সিএসএম স্কুল বন্দর থানায় চ্যাম্পিয়ান হয়।খেলার পরে কলোনীতে টান্কী নিচে নাচানাচি রেজাভাই,জসিম ভাই.নিরু মামা,বড় শামীম ভাই.খোরশেদ াই.নাজমুল ভাই.শাহিন ভাই আরো অনেকে।নিরু মামা আমাকে কাধে তুলে নাচছিল।এইসব মুহুর্ত কখনো কি ভুলা যায়

৯৩ সাল আমি ইন্টারমিডিয়েট পরিক্ষা দিবো


৯৩ সাল আমি ইন্টারমিডিয়েট পরিক্ষা দিবো, কিন্তু উড়ু উড়ু ভাবের কারনে পরীক্ষায় ফেল করার সম্ভাবনাই বেশি। তাই পড়াশুনার খাতিরে আমাকে হালিশহরে মামার বাসায় নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ নেই, মন খারাপ হয়ে থাকে। মন প্রান সব কলোনি তে পড়ে থাকে, তাই নির্বাসন ভেংগে দু মাসের মাথায় এক রোজার দিনে কলোনিতে এসে পড়লাম। রাতে ঘুরতে বের হয়ে দেখি রাশেদ, দুলি, মনিরুল,লিটন, রতন এরা রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন শিরোনামে পোস্টার লাগাচ্ছে, সৌজন্যে 29 গ্রুপ(সারা দিন 29 খেলে রাতে রমজানের পবিত্রতার পোস্টার)। এভাবেই এই গ্রুপের যাত্রা শুরু। আসলে আমাদের বেশির ভাগ পোলাপানই 29 তাস খেলতো, তাই গ্রুপের নাম 29 গ্রুপ।

আমার আজকের আলোচনার বিষয় আমার সমসাময়িক বন্ধুদের নিয়ে


আল আমিন বিল্লাহ সুজন কি যুদ্ধ লাগিয়ে দিল আমাদের মধ্যে! আমি অবাক হই আমার ভাই বোনদের লেখার আশ্চর্য ক্ষমতা দেখে। আমার আজকের আলোচনার বিষয় আমার সমসাময়িক বন্ধুদের নিয়ে। আতিক এবং বন্যার কথা আমি বলবোনা, তারা হিসেবের বাইরে। মিনিটে মিনিটে পোষ্ট দেওয়ার ক্ষমতা ওরা রাখে। আর ছোটরাতো আরো প্রতিভাধর। আমাদের মধ্যে কিছুটা লেখনি ক্ষমতা আছে জসীম ভাই এবং মানিকের, কিন্তু তাদের নিয়ে আমি হতাশ। প্রথমদিকে শাহীনের লেখা থাকলেও ইদানীং দেখা যাচ্ছেনা। অবাক হই রেজা ভাইয়ের লেখনি দেখে, এই ভদ্রলোক যদি ছাত্রজীবনে এই মেধার কিছু ব্যয় করতো তাহলে আমি নিশ্চিত তার বর্তমান ক্যারিয়ার আরো উঁচুতে থাকতো। বলবো নিরুর কথা,একসাথে লেখাপড়া করেছি তার লেখাগুলুও অসাধারণ হচ্ছে। সবচেয়ে বেশী অবাক হচ্ছি রিপনের লেখায়, ভালোছেলে মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষ হিসেবেই ওকে জানি কিন্তু তার অসাধারণ লিখা এবং ছন্দ মিলানো কবিতা আমাদের ভীষণভাবে আনন্দিত করছে। যাই হোক আমি চাই আমার এই অবাক হওয়া অব্যাহত থাকুক,তোমরা সবাই লিখতে থাকো। সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন।

গ্র্যান্ড আড্ডা, পর্ব- ০২


তখন আনুমানিক ৪টা, মাঠে গিয়ে দেখি শাহিন ভাই আর নিরু ভাই ছাড়া কেউ নেই। মনে মনে খুব রাগ হোল, সাথে মনটাও ভেঙ্গে গেল, কিরে এমন তো হওয়ার কথা না, অন্তত কিছু পোলা পাইন তো এখানে পাওয়ার কথা, পড়ে নিরু ভাইয়ের কাজ থেকে জানতে পারলাম সুজন, টিপু সহ অনেকে সারাদিন থেকে এইমাত্র বাসায় গেছে ফ্রেশ হয়ে আবার আস্তে, যেতে নাকি চাচ্ছিল না, শাহিন ভাই আর নিরু ভাই জোর করে পাঠাইছে। যাই হোক, আস্তে আস্তে জমতে শুরু করলো উথসব প্রাঙ্গন, ধীরে ধীরে কলোনির অনেক বড় ভাই, বোন, বন্ধু আস্তে লাগলো মাঠে, রাত ১০টার মধ্যে পুরো মাঠের সমাগম দেখে মনে হচ্ছিলো আমাদের প্রোগ্রাম বোধয় ইতিমধ্যে শুরুই হয়ে গেছে, এতটা সমাগম হবে আগে জানলে কিছু সাউন্ড রাতেই নিয়ে আসতাম, তখন হয়তো মজাটা নতুন মাত্রা পেত। 

"গালি"


"গালি" ১৯৯৩ সাল আমি তখন ঢাকায় বসবাস শুরু করতাছি,কিন্তু মন বসে না প্রতি মাসে একবার দুইবার চিটাগাং না গেলে পেটের ভাত হজম হতোনা,তো একবার ১মাসের উপর হয়ে গেলো চিটাগাং যেতে পারছিনা,মামার কাছে বিভিন্ন রকম টাল বাহানা করে ৩/৪দিনের জন্য চিটাগাং যাওয়ার পারমিশন নিলাম,যাওয়ার আগে যতারীতি ব্যাগ ভত্তি জিনিসে, এবার একটা বাহারী রঙের শট প্যানট ও নিলাম, আবশেষে চিটাগাং পৌছলাম রাত ৯টা কি, বাবা মার বকাও শুনলাম এতো ঘনো ঘনো কেন বাসায় আসি,খাওয়া দাওয়া পর একটু ধোয়া না টানলে তখন ভাত হজম হতোনা আর আমি যে আসছি সেটা জানান দিতে হবে না,শট প্যানট পড়ে কেডস ও পড়লাম চোখে একটা বাহারি চশমা আর গায়ে থেকে ভুর ভুর করে পারফিউম মাথায় একটা ক্যাপ পড়ে সোজা দুলির বাসায় জানালার পাশে গিয়ে দুলিকে তলব শুনি দুলি বাসায় নাই তখন সোজা ইউনুস এর দোকানে যাইয়া মরা রাশেদ কে পাইলাম কিছুটা সময় বকবক কইরা বেলাল ভাই এর সাথে দেখা হবে চাও পান করা হবে এই উদ্দেশে বাজারে গেলাম, বেলাল ভাই এর সাথে কথা বলে বেলাল ভাইয়ের দোকানে সামনে একটা হোটেল ছিল নাম মনে পড়ছে না সেখানে গিয়ে বসলাম, তিন জন চা পান করছি আর বকবক করছি,হোটেলের একটা পিচচী বয় আমার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকাইয়া আমার কথা বুঝার চেসটা করতাছে,আমার ডো একটা প্লবলেম আছে সেটা সবাই জানে,তে দুলি হঠাৎ পিচচীটারে ডেকে বলে এইডা বিদেশী বাংলা বুঝেনা তুই তারে গালি দিলে সে কিছু বুঝবোনা,আমার বেশবুষা তো আগেই বণনা দিয়াছি একটু পাংখা পাংখা ভাব তো আছে, তখন পিচচী করলোকি একটু দুরে গিয়া মন খুইল্লা আমারে গালি শুরু করলো আর সবাই তো হাসাহাসি আরম্ভ করে দিলো আমি আর বাদ যাবোকি আমি ও বোকার মতো হাসতাসি,,,

গত কাল মনিরুল তার এক পোস্টে লিখেছে যে, তার গ্রান্ড আড্ডার অংশ নেওয়ার সব খরচ আমি দিবো


গত কাল মনিরুল তার এক পোস্টে লিখেছে যে, তার গ্রান্ড আড্ডার অংশ নেওয়ার সব খরচ আমি দিবো। যদিও তেমন কোন খরচ আমার করতে হয়নি। শুধু তার কূপন টি আমি সংগ্রহ করেছিলাম। এ রকম আরো দশটি গ্রান্ড আড্ডার অংশ নেওয়ার খরচও যদি আমি মনিরুল কে দেই তাও তার ঋন শোধ হবেনা। গত ১লা জানুয়ারি পোস্ট করা আমার এই লেখাটি পড়লেই বুঝা যাবে।

এক বার আমাদের থার্টি ফার্স্ট নাইটের পিকনিকে অংশ নেওয়ার মত টাকা ( সম্ভবত ৬০ টাকা) আমি যোগাড় করতে পারছিলাম না, বিশেষ ঝামেলার কারনে বাসা থেকে এই টাকা খোজার সাহসও পাচ্ছিলাম না, অথচ এই পিকনিকের অন্যতম অর্গানাইজার আমি, তাই কাউকে আমি বলতেও পারছিলাম না, এদিকে ডিসেম্বর এর ৩০ তারিখ চলছে, পরদিনই পিকনিক। আমাদের Monirul Islam Monir তখন ঢাকায় ব্যবসা করে, সেও পিকনিকে অংশ নিতে চট্টগ্রাম এসেছে, আমার করুন দশা সে বুঝতে পারলো, এবং চুপিচুপি আমার পিকনিকের চাঁদা টা সে দিয়ে দিয়েছিলো। আমি সে টাকা টা এখনো ফেরত দেইনি, দিলেও মনিরুল কখনো নিতোনা। আমি এখন যতই দামী দামী প্রোগ্রামে অংশ নেইনা কেনো সেদিনের সে ৬০ টাকার পিকনিকের সাথে কোন কিছুর তুলনা হয়না।

২৯ ফেব্রুয়ারি। আড্ডার একমাস পূর্তি হলো।


২৯ ফেব্রুয়ারি। আড্ডার একমাস পূর্তি হলো।এ উপলক্ষে কমবেশি সবাই কিছু না কিছু পোস্ট করায় ক'দিন ধরেই ভাবছিলাম, আড্ডা নিয়ে কিছু লিখবো। কাজের ব্যস্ততা আর কিছুটা আলসেমীর জন্য আর লিখা হয়ে উঠেনি। আজ ভেবেছিলাম,আড্ডা নিয়ে কিছু একটা লিখবোই। Unfortunately, আড্ডা নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক বা মজার কিছু লিখার মতো অবস্থা এখন না।

আমার ঢাকায় আসার খবর শুনে গত বৃহস্পতিবার আমার মেঝ আম্মু ইনান (@Chand Sultana বুবুর মেঝ মেয়ে) পেইজে একটা পোস্টে লিখে যে,আমার ঢাকায় আসার কথা শুনে নাকি ওর "ঈদ ঈদ" লাগছে। Priceless এই feelings এর প্রতিদান দেওয়ার যোগ্যতা আমার নেই। এত্তোগুলো ভালোলাগা নিয়ে ঢাকায় গেলাম। ভোরে পৌছানোর পর সকালে পাগলীটা ফোন দিয়ে ওর নানাভাইকে দেখতে ওদের বাসায় যেতে বল্লো। রেজা ভাইও নাকি যাবেন।তাই রেজা ভাইয়ের সাথে যাবো ভেবে রেজা ভাইকে ফোন দিয়ে জানতে পারলাম,উনার জ্বর। তাই শুক্রবার আর যাওয়া হলো না এরমাঝে অন্য এক কাজে ফেঁসে যাওয়ায়।পরে শুনি,আপেল নাসেররা নাকি গিয়েছিলো আর চাচা অনেক্ষন ওদের সাথে কথা বলেছেন।

জন্মিলে মরিতে হইবে এই সত্য সবাই জানে


জন্মিলে মরিতে হইবে এই সত্য সবাই জানে।তারপরও মৃত্যুকে স্বাভাবিকভাবে কেউ মেনে নিতে পারে না।তারপরও মেনে নিতে হয়।এই মেনে নিতে কত ঝড়ের মুখোমুখি হতে হয় এক মাত্র ভুক্তভোগী পরিবারই জানে। কত ছাড় দিয়ে যে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরত আসতে হয়, যার যায় সে ছাড়া কে বেশী জানে? বিপদে সাহস হারাতে নেই বিজ্ঞজনেরা বলে কিন্তু প্রিয়জন হারানোর বিপদে কি মানুষ সাহস ধরে রাখতে পারে? শেকড় উপড়ে যাওয়ার বিপদে কি মানুষ সাহস ধরে রাখতে পারে? সত্যি আমি জানিনা, তবে এইটুকু জানি সৃষ্টি করেছেন যিনি,জীবন দিয়েছেন যিনি, তিনিই আবার সব ঠিক করে দিবেন, তিনিই বাঁচিয়ে রাখবেন,তিনি আগামীদিনের পথ প্রদর্শন করবেন।চলুন আমরা সবাই প্রার্থনা করি আল্লাহ তাদের সবাইকে সহি সালামতে রাখুক।পাশাপাশি বলি চাচাকে আল্লাহ জান্নাতবাসী করুন।আমিন।

ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন ।।


ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন ।।
গত ২২শে ফেব্রুয়ারি শরমি এসেছিল আমার অফিসে। ব্যস্ততার জন্য খুব বেশী সময় দিতে পারিনি। শরমি বলছিল ওরও তাড়া আছে। বাবা অসুস্থ, তাকে ( প্রয়াত আজিজুল হক চাচা) নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
তখনো বুঝিনি সেই অসুস্থতার মাত্রা। চাচার সাথে আমার কখনো সরাসরি পরিচয় ছিল না,যতটুকু জেনেছি,শরমির কাছ থেকে গল্প আকারে।
সেই গল্পটা বুকে ধারন করার মত।
তার বিদেহী আত্মার প্রতি রইলো আমাদের অনেক অনেক শ্রদ্ধা । পরিবারে প্রতি সহমর্মিতা ।

আমি আসলে জানিনা কেউ চলে গেলে তার আপনজনদের কি বলতে হয়


আমি আসলে জানিনা কেউ চলে গেলে তার আপনজনদের কি বলতে হয় । এসব ব্যাপারে আমি নিজেকেই নিজে কখনো সান্তনা দিতে পারিনাই তাই অন্য কারো সাথেও তা করতে যাইনা ।

চলে যাওয়া ব্যাপারটা আমি ডিল করা এখনো শিখে উঠতে পারিনাই । ব্যাপারটা আমার জীবনে একটা ট্র্যাজেডি হয়ে গেছে ।

আব্বুর কাছে শুনেছি উমামার নানু কতটা ভাল মানুষ ছিলেন । আশা করবো উমামার নানু এই পৃথিবীর চেয়েও বেটার প্লেসে থাকবেন ।

May his soul rest in peace

Monday, February 29, 2016

আজ সাড়ে বারটার দিকে আমি, শওকত, হেলালী মাসুক ভাইয়ের ব্যাংকে গেলাম


আজ সাড়ে বারটার দিকে আমি, শওকত, হেলালী মাসুক ভাইয়ের ব্যাংকে গেলাম আমাদের এসোসিয়েশনের একাউন্ট করার জন্য। শওকত আর হেলালী ওদের জরুরী কাজ থাকায় ওরা কমপ্লিট না করে চলে গেলো। মাসুক ভাই আমাকে বসিয়ে রাখলো বাকি কাজ কমপ্লিট করার জন্য। আর বললো ওনার সাথে অবশ্যই লাঞ্চ করতে হবে। আমারও কাজ কম তাই বসে রইলাম। মাসুক ভাই আমাদের ফরম ফিলাপ করে আর আমি ফেইসবুক থেকে ঘুরে আসি। এরই মধ্যে উমামার আড্ডা সংক্রান্ত পোষ্ট দেখি। সেখানে কমেন্টসও করি। দেড়টার দিকে আমিও একটা পোষ্ট দিই। মাঝে মাঝে সেখানে ঢুকে দেখি কে কি কমেন্টস করলো। হঠাৎ মামুনের একটা পোষ্ট দেখে "থ" হয়ে গেলাম। 

বন্যার আব্বা অর্থাৎ আজিজুল হক চাচা মারা গেছেন। বার বার পড়লাম পোষ্টটা। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এবার নীচের দিকে যেতে লাগলাম। দেখলাম একই পোষ্ট আতিক আরো আগে দিয়েছে। পুরো অবাক হয়ে সেই পোষ্টটাও দুই তিন পড়লাম। মাসুক ভাইকেও বললাম। বিস্তারিত ঘটনা জানার জন্য চিন্তা করছি কাকে ফোন দেওয়া যায়। কারন তখন বন্যাকে ফোন দেওযার মতো সাহস পেলাম না। দেওয়া ঠিকও হবে না। প্রথমে দিলাম আতিককে ফোন। বিস্তারিত জানতে চাইলাম। কিন্তু সেও বেশি কিছু বলতে পারলো না। তবে বললো কিছুক্ষণ পরে রেজা ভাই যাবে। তাই ঘন্টাখানেক পরে রেজা ভাইরে ফোন দিলাম। রেজা ভাই ও ব্যস্ত। তবে বললো ঘুমের মধ্যে মারা গেছে। রেজা ভাইয়ের মাধ্যমে জানতে পারলাম চাচার সাথে রিপন ভাই নেত্রকোনা যাবে। 

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় অফিস থেকে বের হয়ে ধানমন্ডির ল্যাবএইডে গেলাম এক রোগীর ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে


গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় অফিস থেকে বের হয়ে ধানমন্ডির ল্যাবএইডে গেলাম এক রোগীর ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে। ল্যাবএইড থেকে বের হয়ে আসার সময় বন্যা আপার সাথে দেখা। উনি এসেছেন বাবাকে নিয়ে চেকআপ করাতে, সাথে বন্যা আপার এক কাজিনও আছে। বহুবছর পর চাচাকে দেখলাম। কলোনিতে আজিজুল হক চাচাকে দেখেছিলাম সিংহদেহী সুপুরুষ। C-8 এর সামনের ছোট জায়গাটাতে আমি, আশিক, সবুজ, সামি, বাপেন আরো কে কে যেন ক্রিকেট খেলতাম। মাঝে মাঝে চাচা বিকেলে একটা টুল নিয়ে মাঠের ঠিক মাঝখানে বসে পেপার পড়া শুরু করতেন। আমরা ব্যাট-বল নিয়ে কিছুক্ষন ঘুরাঘুরি করে বিরক্ত হয়ে মুখ ভেংচে চলে আসতাম। বন্যা আপাকে তখন আমি চিনতাম না। শুধু জানতাম এই চাচার এক মেয়ে আছে নাম চাঁদ সুলতানা। আমরা নিজেরা নিজেরা কথা বলার সময় চাচার প্রসঙ্গ এলে উনাকে "চান্দুর বাপ" বলে সম্বোধন করতাম। ল্যাবএইডে কলোনির সেই চাচার ভগ্নাংশও খুঁজে পেলাম না। স্বাস্থ্য ভেঙ্গে গেছে, কিছুদিন আগে পায়ে আঘাত পাবার দরুন লাঠি হাতে হাঁটছেন। বন্যা আপা আমাকে চাচার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। স্টিলমিলের ছেলে শুনে তিনি আমার ডান গালে আদর করে চড় দিয়ে বললেন "কেমন আছস রে বাবা?"। এরপর বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য চাচার রক্ত নেয়া হলো, একটা এক্স-রে করানো হলো। এসময় আমি সাথেই ছিলাম। বিদায় নিয়ে আসার সময় তিনি দোয়া চাইলেন, আমিও আমার জন্য উনার কাছে দোয়া চাইলাম।

যার কিংবা যাদের যায়, একমাত্র সে কিংবা তারাই বুঝে হারানোর ব্যাথা


যার কিংবা যাদের যায়, একমাত্র সে কিংবা তারাই বুঝে হারানোর ব্যাথা।। আসলেই পৃথিবী থেকে প্রিয় কোন আপনজনকে কিংবা আপনজন নাই বা হোক, সেই মানুষটিকে চিরতরে বিদায় দেওয়ার প্রস্তুতি কারো পুর্ব থেকেই থাকে না। সেইজন্যই হয়তো নির্মম এই সত্যটা আরো বেশী কস্ট দেয়।

রেজা ভাইয়ের কাছ থেকে ফোন পেয়ে বিশ্বাষই হচ্ছিল না। কারন গত পরশুইতো বড়াপা এবং আমাদের মেয়েগুলোর কাছ থেকে শুনলাম ওদের নানাভাই মোটামুটি অনেকটাই ভাল আছে।

তারপরেও তড়িঘড়ি করে ছুটে গেলাম। বড়াপা'র বাসায় যেয়ে পরিস্থিতি দেখে আমার মুখ থেকে ওদের কাউকে শ্বান্তনা দেওয়ার মত একটা শব্দও বেরোলো না। ইনান আর নুজাইমা যখন জড়িয়ে ধরে কাঁদছিল তখন ফেল ফেল করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর বোকার মত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া ছাড়া কোন উপায়ই ছিল না। এই সব অবস্থায় শ্বান্তনা দেওয়ার ভাষা আমি হারিয়ে ফেলি। কেন যেন বোবা হয়ে যাই।

আজ দুপুর ২ টার দিকে আপেল আমাকে ফোন দিলো


আজ দুপুর ২ টার দিকে আপেল আমাকে ফোন দিলো।আমি বাইকেই ছিলাম।পকেট থেকে ফোন বের করে দেখি আপেলের ফোন।ভাবলাম পরে কথা বলবো কিন্তু কি যেনো মনে করে ফোন রিসিভ করলাম।আপেল যখনি আমাকে ফোন দেয় আমাকে দুষ্টুমি করে স্যার বলে ডাকে কিন্তু আজকে কোনো দুষ্টুমি না করেই বলে তোকে কি কেউ ফোন দিয়েছিলো? বললাম কেন?পরে যা শুনলাম তা শুনার জন্নে মোটেও প্রস্তুত ছিলামনা।

গতশুক্রবার আমি আর আপেল বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একসাথেই ছিলাম।আপেল কে বল্লাম চল বন্যা আপার বাসায় যাবো চাচাকে দেখে আসি।আপাকে ফোন না দিয়েই চলে গেলাম বাসায়। চাচার রুমে নিয়ে গেলো বন্যা আপা।তিনি শুয়ে ছিলেন এবং শুয়া অবস্থাতেই আমাদের সাথে কথা বললেন।আপা যখন বল্লো আব্বা এই দুইজন ষ্টীলমিলের। এখন ঢাকায় থাকে।চাচা খুব খুশি হলেন এবং আমাদের দুইজনেরি বাবার নাম জিজ্ঞেস করলেন।আমাদের সাথে খুব হাসিমুখে কিছুক্ষণ কথা বললেন।উনি বললেন আজকে একটু পা টা বেশি ফুলে গেছে তাই শুয়া থেকে উঠছেন্না।আরো বল্লো তোমাদের আড্ডায় যাওয়ার খুব শখ ছিলো শরীর খারাপের জন্য যেতে পারিনি। আমরা চাচাকে বলেছিলাম ইনশা আল্লাহ সামনের আড্ডায় অবশ্যয় যাবেন।চাচা তারোত্তরে আমাদেরকে বলেছিলেন ততোদিন বেঁচে থাকবতো?আমরা বলেছিলাম অবশ্যয় বেঁচে থাকবেন চাচা।কিন্তু না,চাচার কথায় সত্যি হয়ে গেলো।আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন।

আল্লাহ চাচাকে বেহেস্ত দান করুক এবং তার পরিবার যেনো এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারে এই দোয়ায় করছি।

এপ্রিল 29 নিয়ে বিভিন্ন জনে বিভিন্ন মতামত পোষণ করে মুলত এটা কি ক্লাব না সংগঠন


এপ্রিল 29 নিয়ে বিভিন্ন জনে বিভিন্ন মতামত পোষণ করে মুলত এটা কি ক্লাব না সংগঠন, এপ্রিল 29 ছিল একটা তাস খেলার গ্রুপ, কোনমতে ৪জন জড়ো হলে খেলতে বসে যেতাম,সকালে স্কুলের পিছনে খাল পাড়ে,বিকালে স্কুলের ভিতরে, কারো বাসা খালি হলে 29খেলা চলতো,আমি, দুলি, মরা রাশেদ,জিমি রাশেদ,জুয়েল,বুড়া মিয়া,লিটন,এমন ও দিন গেছে সকালে বসে বিকালের সূয নিবু নিবু সেই সময় খেলা শেষ করছি,আতিক,রাজু, ভুতের ডিম,কইলজা পঁচা, রিমন,রানা,তখন তাস কম খেলতো, বিকাল হলেতো তারা কয়েকটা বাসার সামনে ঘুরাঘুরি করতো বিশেষ কারণে,তপু, লতিফ,সোহাগ, আরো কয়েক জন আলাদা আলাদা চলাফেরা করতো,সারাদিন 29 খেলতাম বলে যারা যারা জানতো তারা আমাদের কে 29গ্রুপ বলতো,তপুরা আমাদের থেকাবার জন্য তারা একটা গ্রুপের নাম দিল ঈমাম গ্রুপ,আতিক রা তো তখন নায়ক নায়ক ভাবে আনাচে কানাচে ডুমারতাসে,চারিদিকে আমাদের বদনাম আমরা সারাদিন বাপের হোটেলে খাই আর তাস খেলি,এভাবে কয়েক বছর চলতে ছিল,কলোনীতে বিভিন্ন টুনামেনটে আমাদের C টাইপ D টাইপের এর অনেকেই খেলতো,সবাই মিলে তখন একটা দল গঠন করে খেলায় যোগ দিতাম,নাম দিতাম 29 গ্রুপ,খেলায় মারামারি তো হতো,বদনাম আরও বাড়তো,কেউ কোন খারাপ কাজ করলেই পড়তো 29এর নাম,এটা ঠিক আম,নারিকেল,পেয়ারা, মুরগী, বালব,আচার,বই, সবই চুরি করতাম বদনাম আরো বাড়তো,ইউনুস, ভাই ভাই দোকানের বেলাল ভাই কে কতো জালাতোন করতাম, তারাও মাঝে মাঝে আমাদের পিছনে লাগতো,এভাবে দিন গুলি পার করতাম,লটারী নাম করে অনেকের পকেট খালি করতাম,অবশেষে আসলো আমাদের কলোনীর কাল প্রলয়ণকরি ১৯৯১ সালের ঘুণিঝড় এই ঝড় আমাদের সব কিছু উলট পালট করে দিল,২৯শে এপ্রিল এর সেই ঝড়ে আমরা কলোনীবাসি একে অপরের সাহায্য এগিয়ে আসলাম, সবাই তখন একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সব কিছুর মোকাবিলা করলাম,তখন আমরা যারা 29 খেলতাম তারা সবাই ভাবলাম এবার কিছুটা ভালো কাজ করি, তাই আগে তাস খেলার বদনাম ঘুচাতে হবে,এই সুযোগ ঘুণিঝড়টা আমাদের সেই সুযোগটা করে দিল ঘুণিঝড়টা হয়েছিল এপ্রিল মাসের 29 তারিখে এটাতো সবারই জানা আছে,সবাই মোটামুটি ঘুণিঝড়ের ধকল কাটিয়ে উঠতাছে,আমাদের গ্রুপের নাম ছিল 29 গ্রুপ আমরা সকলে মিলে তা এপ্রিল 29 নাম দিলাম,আগে এপ্রিল নাম দিয়ে পিছনে গ্রুপ টা বাদ দিলাম,এই হলো আমাদের এপ্রিল 29 ,, তারপরের ইতিহাস তো সবারই জানা যা কেউ কোনদিন করে দেখাতে পারে নাই তা আমরা করে দেখিয়েছি এই এপ্রিল 29,,সালাম এপ্রিল 29 এর সকলকে আমার তরফ থেকে,,,,,

গতকাল বিকালে চাচাকে দেখতে যাবো


গতকাল বিকালে চাচাকে দেখতে যাবো। বন্যা কে কথা দিয়েছিলাম। রিপনের সাথেও কথা হয়েছিলো, একসাথে দুইজন যাবো। বনানি থেকে মগবাজার রাস্তাটা এতটাই জ্যাম ছিলো, যেতে ইচ্ছা করছিলো না। যা হোক গেলাম। ছোট্ট একটা কেক নিলাম, নুজাইমার জন্য। 

অনেক বছর পর চাচার সাথে দেখা হলো। এখন বয়স হয়েছে, চাচার সেই শরীরটাও নেই। হাতে, চলা ফেরার জন্য লাঠি।

অনেক কথা হলো চাচার সাথে। বাবার কথা জিজ্ঞাসা করলো। এক পর্যায়ে বাবার সাথে, মোবাইলে কথা বলিয়ে দিলাম। খুব খুশি হলো দুজনেই।

চা এর টেবিলে, বন্যা বললো, আব্বা, রেজা ভাই আপনের জন্য কেক আনছে। ছোট বাচ্চার মত চাচা, নুজাইমাকে সাথে নিয়ে কেকটি কাটলো। এবং নিজে খেলো। আমি বসে বসে ভাবছিলাম, মানুষ একটি সময় সত্যি শিশু হয়ে যায়!!!!

হাত বদল


কলোনি তে একটা বিষয় লক্ষ্য করার মত ছিল।সেটা হল কারো বাসায় একটা ম্যাগাজিন কিনল,সেটা হাত ঘুরে ঘুরে অনেকের বাসায় চলে যেত।একই ঘটনা ঘটত অডিও ক্যাসেট এবং গল্পের বইয়ের বেলায়।একবার অন্যের কাছে গেলে সেটা ফেরত পাওয়া সোজা ছিল না।তেমন একটা ঘটনা,১৯৯৮ সাল।ঈদের পর পর।আমি ঈদের বেশ কিছুদিন পর বাসায় আসলাম। আমার বোনদের কাছে খবর পেলাম মৌ এর একটা ম্যাগাজিন আনা হয়েছে বাসায়।সেটা যখন দেখতে চাইলাম শুনলাম অপু ভাই নাকি দেখতে নিয়ে গেছেন। 

অপু ভাইদের বাসা থেকে সেটা চলে গেল সেকান্দার ভাইদের বাসায়,মানে মিনু আপাদের বাসায়।মিনু আপাদের বাসা থেকে ম্যাগাজিন নিয়ে ফিরছি, সিড়িতে রিনা আপার আম্মার সাথে দেখা।উনি আমার হাতে ম্যাগাজিন টা দেখে বললেন, "জনি, শুনছ, মৌ এর ত বিয়ে হয়ে গেছে।ঢাকায় আমাদের যারা পরিচিত তারা নাকি বিয়েও খায়ছে" আমি খালাম্মার কথা শুনে বললাম,"না ত খালাম্মা, জানিনা" এর কিছুদিন পর কলোনি থেকে চলে এলাম।

আমাদের কলোনিতে প্রায় বড় বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন হতো সেখানে আনেক বড় বড় প্লেয়ার খেলত


আমাদের কলোনিতে প্রায় বড় বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন হতো সেখানে আনেক বড় বড় প্লেয়ার খেলত।সি এস এম মাঠে খেলা অনেক প্লেয়ার পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয় দলেও খেলছে যেমন:জাফর ভাই । সি এস এম কলোনিতে অনেক গুলো ক্লাব ও ছিল যেমন: উদয়ন ক্লাব, মুন ষ্টার ক্লাব, বিজলি ক্লাব,এপ্রিল 29 ক্লাব (আচ্ছা এপ্রিল 29 কি ক্লাব ছিল না কি সংগঠন ছিল? যেহেতু এটি 91সালের 29 এপ্রিল এর ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় কে স্মরণে সৃষ্টি ।যাক উক্ত ক্লাবের সদস্যরা এটি ঠিক করে দিবেন।)এছাড়া আর কি কি ক্লাব ছিল?

বি টাইপের বাবু ভাই


বি টাইপের বাবু ভাই ।উনি খেলাধুলার প্রতি খুব আগ্রহ ছিল।বাবু ভাই ২৯ গ্রুপ পহ্মে ফুটবল খেলত।উনার শরীর একটুুুু ভারী থাকায় বাবুু ভাই সবসময় হাফটাইমের পরে মাঠে নামত।বাবু ভাই আমার বিপক্ষে খেললে,খেলার মাঝে বাবু ভাই বল নিয়ে দৌড়ানোর সময় আমি বাবু ভাই কে ধাককা দিতাম।বাবুভাই রেগে গিয়ে আমাকে ফাউল করত ।রেফারি বাবু ভাইকে কাড দেখাত। এইসব স্থৃতি প্রায়ই আমার মনে হয়।

Abdullah Al Mamun অপু ভাই, কলোনি তে অপু নামের আধিক্যের কারনে, যাকে আমরা চশমা অপু ভাই নামেই ডাকতাম


Abdullah Al Mamun অপু ভাই, কলোনি তে অপু নামের আধিক্যের কারনে, যাকে আমরা চশমা অপু ভাই নামেই ডাকতাম। কলোনি তে আসার পর উনার সাথে আমার প্রথম পরিচয় সিটাইপ মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে। চশমা পরে কাউকে ফুটবল খেলতে আমার জীবনে প্রথম আমি উনাকেই দেখেছিলাম। সেদিন আমি ছিলাম উনার দলের গোলকিপার, পরপর তিন চার টা গোল খাওয়ার পর আমার প্রতি উনার প্রথম সংলাপ ছিলো "চিন্তা করিস না তোরে আমি প্লাষ্টিক ম্যান বানামু" উল্লেখ্য তখন বিটিভি তে প্লাস্টিক ম্যান নামে জনপ্রিয় একটি টিভি সিরিয়াল দেখাতো। সেই থেকে উনার সাথে সম্পর্ক। উনার আব্বা সিদ্দিক চাচা অনেক দিন আমার আব্বার সরাসরি বস ছিলেন। আব্বার কাছে শুনেছি আমাদের কলোনি তে বাসা পাওয়ার ব্যাপারে চাচার অবদান ছিলো।

অপু ভাই আমার সিনিয়র হওয়া স্বত্তেও উনার সাথে কিছু কিছু ব্যাপারে আমার খুব মজার সম্পর্ক ছিলো, উনার কাছ থেকে টাকা নিয়ে সিনেমা দেখা, উনার কাছে পড়া যেগুলো আমি আগে কিছু পোস্টে উল্লেখ করেছি। এছাড়াও আমার অনেক ব্যাক্তিগত ব্যাপারেও উনার সাথে শেয়ার করতাম। খুব বিনয়ের সাথে বলছি, কিছু দিন আগে উনি গ্রান্ড আড্ডার প্রসংগক্রমে আমাকে বলেছিলেন কলোনি তে যে কয়েকজন মানুষ উনার পছন্দের, তার মধ্যে নাকি আমিও আছি। যে কোন জটিল পরিস্থিতি উনি উনার স্বভাব সুলভ কথার দ্বারা সহজ করে ফেলতেন।

বাজারের গেইট ধরে কলোনি তে ঢুকলেই দুপাশে বিল্ডিং


বাজারের গেইট ধরে কলোনি তে ঢুকলেই দুপাশে বিল্ডিং। আরেকটু সামনে গেলে দেয়াল ঘেরা একটা বিল্ডিং। তার বিপরীতে সোনালী, অগ্রণী, জনতা ব্যাংক।দেয়াল ঘেরা বিল্ডিং টির সাথে জেক্স নামের একটি দোকান।এখানে মানুষ আড্ডা দেয়,চা, সিগারেট খায়।পপুলার একটা জায়গা। রাস্তা বরাবর বিরাট জায়গা জুড়ে একটা পানির ট্যাংকি। নিচে লোহার বিশাল বিশাল পাইপ।পাইপের উপর বসে ছেলেরা আড্ডা দেয়,এদিক ওদিক তাকায়।

ট্যাংকি র দক্ষিণ দিকে চলে গেলে রাস্তা বরাবর ডানপাশে C type এর বিল্ডিং এবং এর সামনে মাঠ।মাঠে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলে।শুকনো ড্রেনের উপর বসে সিনিয়র ভাইয়েরা আড্ডা দেন।কোন কোন বিল্ডিং এর সামনে মেয়েরা হাটতে বের হয়।এমন সময় বাইক নিয়ে আসেন সানগ্লাস পড়া এক ভদ্রলোক। তিনি এসে ড্রেনের উপর বসা ছেলেগুলাকে ধমক দেন।ছেলেগুলো উঠে যায় সেখান থেকে,ভদ্রতার খাতিরে কিছু বলেনা কিন্তু পেছনে গিয়ে ঠিকই ওই ভদ্রলোক এর চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করেন

সবাই লিখতাছে আমি জানি আমার লিখা লাইন বেলাই নাই তাও মনে ঝোঁকে লিখতে বসে গেলাম


সবাই লিখতাছে আমি জানি আমার লিখা লাইন বেলাই নাই তাও মনে ঝোঁকে লিখতে বসে গেলাম, কারণ আমরা তো আমরাই,চিটাগাং যাবো না যাবো এই টেনশন ছিল অনেক দিন আমাদের 29গ্রুপ এর বিভিন্ন সদস্য কেউ ঢাকা কেউ চিটাগাং কেউ কেউ বিভিন্ন জোলায়, ফোনে সবার সাথে যোগাযোগ হয় মাঝে মাঝে কারো সাথে কচিৎ দেখাও হয়,আডডা ঘোষনা হওয়ার পর থেকে আমি মোটামুটি সবার সাথে ফোনে যোগাযোগ রাখতাম এই ব্যাপারে,মাছুম, জুয়েল,লিটন,বুড়া মিয়া,রিমন,মরা রাশেদ,জিমি রাশেদ,দুলি,ইউনুস,তপু,ভুতের ডিম,আর আতিক তো আছে,কে যাবে কে যাবে না এই সব আলাপ হত সবচেয়ে বেশি,লিটন পা ভেঙে বিছানা অনেক দিন, সবচেয়ে বেশি কথা হতো লিটন এর সাথে তার পা এর খবর নিতে পা ভালো তো লিটন যাবো, মোটামুটি সবাই যাবে,আডডা সময় ঘনিয়ে আসার কিছুূদিন আগে লিটন কে বলি তুই না গেলে আমিও যাবোনা,লিটন আবার এটা আতিককে বলে দেয়,আতিক আমাকে ফোন করে বলে তোকে যেতে হবে তোর সব খরচ আমার তখন আমি আতিক কে বলি এটা খরচ এর ব্যাপার না, আতিক কোন কথা শুনতে রাজি না,আতিক আমার কুপন নিয়ে আমাকে ফোন করে বলে তোর কুপন নেয়া হয়েছে তুই কি ভাবে যাবি জানা একসাথে যাবি না একলা যাবি আমাকে জানা, আমি আতিককে বলি আমি একলা যাবো রাতে যাবো সকালে পোছবো,লিটন এর পা ভালো হয় নি সে এই পা নিয়ে যেতে পারবে না, জুয়েলও যাবে না, আগের দিন রাতে মাছুম কে ফোন দিলাম মাছুম ব্যাবসার কাজে ঢাকার বাহিরে মনটা খারাপ হয়ে গেলো,২৮তারিখ রাতে কল্যাণপুর থেকে গাড়িতে উঠলাম আর সারারাত চিন্তা করতে করতে গেলাম কার সাথে দেখা হবে কেমন অনূভুতি হবে গাড়িতে রাতে এক ফোটাও ঘুম হয়নি,রাতে জিমি রাশেদ কয়েক বার ফোন দিয়ে বলছে সকালে যেন সোজা তার বাসায় হাজির হই তারপর দুজনে একসাথে ভ্যেনু তে যাবে,যাক অবশেষে সকাল ৬টায় আমার জন্মভুমিতে নেমে একটা সি এন জি নিয়ে সোজা গেইটে হাজির গেইটে ডুকার মুখে দেখি রাজিব ফ্রেস হতে বাসায় যাচেছ,জানতে চাইলাম ভিতরে কে কে আছে রাজিব বলে মাসুক ভাই আছে,ভিতরে ঢুকতাছি আর মনটা পুলকিত অনুভব করতাসি আরে এটা তো পুরা আমাদের কলোনী, হাটতে হাটতে সোজা চুলার কাছে দেখি মাসুক ভাই রান্নার তদকারি করছে, আমাকে দেখে সোজা বুকে নিয়ে যতারীতি কোলাকুলি তারপর সব খবরাখবর জানলো,নিজে এসে ওয়াশ রুম দেখিয়ে দিল,ওয়াশ রুম থেকে বাহির হয়ে একলা একলা ঘুরাঘুরি করতে দেখি আস্তে আস্তে একজন একজন করে পরিচিত মুখ ঢুকতাসে আমি তো সোজা গেইটের সামনে ১১টা পযন্ত, কিন্তু আমাদের 29গ্রপ এর কেউ এসে পৌয়াছনি,একমাএ ছোটকালে খেলার সাথী আানু সবসময় আমর পাশেই ছিল,১১পর থেকে পুরা কলোনী জমজমাট হয়ে গেলো এতো মানুষ, সবচেয়ে মজার লাগলো ডালিম কে দেখে দেখি হুজুর ডালিম বাশিঁ নিয়ে পুরা কলোনী ঘুরতাছে, সময় কি ভাবে কেটে যাচেছ রোর পেলাম বিকালে আবার রাতে ঢাকায় ফিরবো তাই মরা রাশেদ কে নিয়ে টিকেট নিয়া আসলাম তারপর আর,,,,, ,,,,,

গ্রান্ড আড্ডা পর্ব-১


ছাত্রী পড়াতে পড়াতে এক ফাকে ভাবলাম যে গ্রান্ড আড্ডা নিয়ে পোস্ট দেই।মোটামুটি সবাই আড্ডা নিয়ে পোস্ট দিয়ে ফেলেছেন।কিন্তু আমি আগেই ভেবে রেখেছিলাম যে আমি ২৯ ফ্রেব্রুয়ারি পোস্টটি দিব।আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করি।আশা করি কেউ বিরক্ত হবেন না।

যে কোনো অনুষ্ঠান হওয়ার পাচদিন আগে থেকেই আমার মাথায় ঘুরতে থাকে যে অনুষ্ঠানে কি পড়বো না পড়বো।গ্রান্ড আড্ডার একমাস আগে থেকেই বোনের সাথে জামাকাপড় কি পড়বো তা ঠিক করলাম।মহা উৎসাহে নতুন কাপড় চোপড় বানালাম।এরপর একদিন শুনি ট্রেনের টিকেটও হয়ে গেছে।নেত্রকোনা থেকে ঊর্মি খালামণি চলে আসলো, ছোট খালাও যাওয়ার আগে রাতে বাসায় এসে পড়লো।হাসাহাসি-হৈ হুল্লোড় চলছেই।সবাই খুব উত্তেজিত চিটাগাং যাব, আড্ডায় যাব। পরের দিন সকালে মানে ২৮ জানুয়ারি সকালে ঘুম থেকে উঠেই রওনা দিলাম।প্রতি সেকেন্ডে উত্তেজনা বাড়ছিল।শেষ পর‍্যন্ত গিয়ে উঠলাম ট্রেনে।কিছুক্ষণের মধ্যে ট্রেন ছেড়ে দিল।

কলোনির একটি বর্ননামূলক মানচিত্র (BH-1)



তিন তলা L-Shape বিল্ডিং নাম তার BH-1 মানে হলো Bachelor Hostel-1.একটি মাত্র রুম সাথে বিশাল করিডোর(ব্যাচেলরদের জন্য রুমের তুলনায় করিডোর এত বিশাল কেনো তা আজো আমার নিজের প্রতি প্রশ্নই রয়ে গেলো)।এক পাশে ৬/৭টি মোট ১২/১৩ করে রুম একটি ফ্লোরে,মাঝখানে বড় একটি ডাইনিং হল,যা পরবর্তিতে পার্টিশন দিয়ে দুভাগ করে দুই ফ্যামিলিকে দেওয়া হয়। ও হ্যাঁ আমি যতদুর জানি ব্যাচলর হোস্টেলে একজন দুজন ফ্যামিলি নিয়ে আসতে আসতে ফ্যামিলি হোস্টেল হয়ে গেলো,আমি অবশ্য ছোটকাল থেকে বেশীরভাগ ফ্যামিলিই দেখেছি নিচের তলায় গুটিকয়েক ব্যাচেলর ছাড়া।শুধুমাত্র নিচের ডাইনিং হলটা রেখে দিয়েছিলো,অনেক অফিসিয়াল(যাদের বাসা কলোনির বাহিরে) দুপুর বেলায় আসত খেতে আর বাবুর্চী ছিলো বিখ্যাত মোখলেস ভাই।মাঝে মাঝে আমাদের মা খালাদের অনুরোধে পিকনিক এ মোখলেস ভাই রান্না করে দিত।বিশেষ করে উনার রান্না করা সবজী ছিলো অসাধারণ।

সিড়িগুলো ছিলো দুই পাশে ফাঁকা।নিচে সিড়ির পাশেই ছিলো একটি পরিত্যক্ত পানির ট্যাঙ্কি।বোধ হওয়ার পর থেকে ট্যাঙ্কি টি সেই পরিত্যক্ত অবস্থায়ই ছিলো,শুধুমাত্র ৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ে সামান্য পরিমান সরে গিয়েছিলো।এই ট্যাঙ্কি নিয়ে আমাদের মাঝে নানারকম ভয়াল ধারণা কাজ করত।এই ট্যাঙ্কির আশে পাশে প্রায়ই গুইশাপের বিচরণ ছিলো, আমরা সিড়ি থেকে পাথর মেরে গুইশাপের মনযোগ আকর্শন করতাম।

সিএসএম এর সকল ভাই আর বোনদের বলছি, মানুষ বছরে একবার কোন একটা দিবস পালন করে আর আমরা মাসে আমাদের সটীলারদের মাসিক আডডা দিবস হিসেবে ২৯ তারিখ আডডার দিন রাখলাম


সিএসএম এর সকল ভাই আর বোনদের বলছি, মানুষ বছরে একবার কোন একটা দিবস পালন করে আর আমরা মাসে আমাদের সটীলারদের মাসিক আডডা দিবস হিসেবে ২৯ তারিখ আডডার দিন রাখলাম। বড়ভাইরা,বোনরা কি বলেন আপনারা।আবার ইচছা করে প্রতিদিন আডডার দিন রাখি।আমার যদি অলৌকিক কোন Power থাকতো আমি আবার কলোনীতে আমাদের সিএসএম বাসীদের নিয়ে আসতে পারতাম।আবার চালু করতাম সটীলমিলস্ সব চাচারা আসতো আবার চাকরীতে জোগ দিত।এগুলা আসলে বলে শানতনা পাওয়া।গতমাসের আডডা কে খুব মিস করছি।আমার আজ কতদিন জাবত কিছু বনধুবানধব আর একটা আপুকে খুব মনে পড়ছে।

সুমি আপু এখন আমেরিকায় থাকে।আমার মনে আছে কোথাও বেড়াতে গেলে বা আমরা পিকনিক করতাম জে সুমি আপা আমাকে সাজাই দিত।উনার অনেক রকমের কসমেটিক্ থাকতো জা দিয়ে খুব সুন্দর করে সাজাতো।সারিতার আমমা তো আমাদের চুল কেটে দিত খুব সুন্দর করে।এগুলা কিছুই ভুলার নয়।

কলোনি র কাল্পনিক চিত্র ৩


কোন এক দুপুর বেলা।D type এর কোন এক বিল্ডিং এর দোতলার এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিসি আর এনেছেন।হিন্দি সিনেমা দেখবেন বলে।অবশ্যই তার প্রিয় নায়িকা শ্রীদেবীর। হয়ত ক্লাসিক চাঁদনী অথবা নাগিনা।এজন্য তিনি বিল্ডিং এর সব ছেলেমেয়েকে ডেকে পাঠালেন।সবাই ছুটে এল।তখন স্যাটেলাইট এর যুগ আসেনি। তাই কারো বাসায় ভিসি আর আনলে মোটামুটি ছোটখাটো হলের মত অবস্থা।

সেদিন বিকেলে ওই বিল্ডিং এর ছেলেমেয়েগুলো খেলতে নামেনা।বিল্ডিং এর সামনের মাঠটা অলস পড়ে থাকে।ভদ্রলোক এর বড় মেয়ের মন খারাপ।সে সিনেমা দেখতে আসেনা।জানালা দিয়ে উদাস হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে।সিনেমা শেষ হতে হতে সন্ধ্যাবেলা হয়ে যায়।আযান দেয়।সবাই যার যার বাসায় ফিরে যায়।হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খেয়ে পড়তে বসে।

আমাদের গ্রান্ড আড্ডার "শুভ মাস পূর্তি দিবস" এ সবাইকে শুভেচ্ছা


আমাদের গ্রান্ড আড্ডার "শুভ মাস পূর্তি দিবস" এ সবাইকে শুভেচ্ছা। আজ এই দিবসে কিছু সময় পেলেও একান্ত নিজের মতো করে হারিয়ে যান সেই দিনটিতে। ভাবতে থাকুন এই সময়ে (যে সময়ে আপনি ভাবছেন) আপনি কি করছিলেন। ক্ষনিকের জন্য হলেও মনকে আন্দোলিত করে যাবে স্মৃতিগুলো।। সেই পরিচিত মানুষগুলোর মধ্যে ডুবে যান কিছুক্ষনের জন্য (বাট ইফ ইউ হেভ টাইম)।।।।
শুভেচ্ছা রইলো সেদিন অংশগ্রহন করা প্রতিজনকে।।।।।

"গ্র্যান্ড আড্ডার" আজ এক মাস পূর্ণ হল


"গ্র্যান্ড আড্ডার" আজ এক মাস পূর্ণ হল।সবাই স্মৃতিচারন নিয়ে ব্যস্থ।এ কথা সত্য যে সুজনের পরিসংখ্যানটা প্রকাশিত হওয়ার পর CSM এর লেখকদের লেখার মাত্রা পূর্বের চেয়ে বেড়ে গেছে।এটা অবশ্যই শুভ লক্ষণ।এজন্য সুজন ধন্যবাদ পাওয়ার দাবী রাখে।

পারিবারিক একটা ঝামেলায় ছিলাম বলে আড্ডায় এটেন্ট করতে পারব বলে ভাবিনি।এজন্য আড্ডা নিয়ে আগ্রহ থাকলে ও ছিলাম নিরুত্তাপ।এদিকে বাচ্চারা শোনার পর থেকে যাওয়ার জন্য অস্থির,বিশেষ করে সে কারণেই আমার বউ (ফরিদা ৯৬ ব্যাচ) আমাকে না জানিয়ে আড্ডার কুপন সংগ্রহ করে।তাদের মধ্যে আড্ডা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্লেুন প্রোগ্রাম ও চলছে।আড্ডায় যাচ্চি না কিন্তুু কোনদিন কোথায় কি হচ্চে সবই খবর রাখছি ফেবুর সুবাদে।এর মধ্য বউ দু একবার নক করেছে আড্ডায় যাওয়া নিয়ে।অবশেষে তাকে আশ্বস্থ করলাম-দেখা যাক,সময় আসুক, এই বলে।