Saturday, March 12, 2016

এতো ইমোশনাল ইমোশনাল কথা ভালো লাগেনা


এতো ইমোশনাল ইমোশনাল কথা ভালো লাগেনা,কে কি বললো এইটা নিয়ে সবাই দোড়াদোড়ি করতাছে, এই পেজটা খোলা হয়েছেতো সবাই যেন ব্যস্ততার মাঝে ও পেজে ডুকে মনের সুখে একটু শান্তি পায়,পেজে ডুকলে মনে হতো কলোনীতে আছি,একজন না একজনের সাথে দেখা হচেছ,কথা হচেছ,সবার সুখ দুঃখ হাসি কান্না শেয়ার করছে,আর এখন কি হচেছ মনে হয় ১৯৭১সালে ফিরে গেলাম,পেজের এই অবস্তা দেখে এখন অনেক বড় ভাই বোন ছোট ভাইবোন লিখা লাইক কমেনট করে না,নিজের মান ইজ্জত নিয়ে দুরে সরে গেছে,কলোনীতে ও মনে হয়না এতো ঝামেলা ছিল, আমরা বড় হচিছ আর কি করছি,কলোনী নিয়ে সবার কাছে গব করতাম,এখন যেই অবস্তা কি নিয়ে গব করবো,এই পেজের বাহিরেও অনেক লিখা লিখি হয় কলোনী নিয়ে, আমার একটা অনুরোধ কারো কোন সমস্যা থাকলে তা এই পেজে বলা হউক,আমাদের সমস্যা আমরাই মিটমাট করবো,আরো একটা কথা পেজ টা কারো একার না পেজ টা কলোনীর সবার,কলোনীতে যদি একটা লোক ও থাকে তাহলে পেজ চলবে,কলোনীতে কেউ চিরদিনের জন্য আসে না আসা যাওয়ার মধ্যে থাকে তাই বলে কি কলোনী অফ হয়ে যায়,তাই আর কাদাছোড়া ছুড়ি না সবাই মিলে মিশে থাকি শান্তিতে থাকি

সুযোগের অভাবে সৎ-আদর্শবান: কাহিনি-০২


কলোনির অনেকের মতো আমিও প্রাইভেট পরাতাম, টিচার হিসেবে খুব কড়া ছিলাম, যে বিল্ডিং এ পড়াতে যেতাম, তার আশেপাশের দুই চার বিল্ডিং এর ছেলে মেয়ে আমাকে দেখলে ভুত দেকছে মতো ভয় পাইত, হুলুত্থুল মারদাঙ্গা টিচার ছিলাম, ইন্টার পড়ুয়া ছাত্রীকেও এক চড়ে চেয়ার থেকে ফেলে দিয়েছিলাম। আর ওইটাই ছিল আমার specialty, গার্ডিয়ানরা attitude দেখে নিশ্চিত থাকতো এর লগে মেয়ে আর যাই করুক প্রেম অন্তত করবে না, কিন্তু.........।। জনির কথায় ঠিক একসাথে একজন ছেলে আর মেয়ে দীর্ঘদিন থাকলে kuch kuch must be hota hai!.....

তেমনি একটা ছাত্রীকে মাঝে মাঝে একটু একটু ভাল লাগতো, তো স্টিল মিল বন্ধ, যে যার বাড়ি ঘরে চলে যাবে, এরি মধ্যে আমার ওই ছাত্রী ইন্টার পাশ করল। একদিন আমাকে বলে বসল...............।(এখন না আরেক্তু সবুর কর...।)
দাদা, খুব ইচ্ছে ছিল university তে পড়ার, কিন্তু বাড়িতে যেহেতু চলে যাচ্ছি, university তে পড়াত আর হবে না, একবার যদি বেরাতে নিয়ে জান......।।চিন্তা করলাম ক্ষতি কি, ছাত্রী হিসেবে আবদার করল যখন, ঠিক আছে নিয়ে যাব একদিন। যথারীতি নিয়ে গেলাম একদিন, শার্টল ট্রেন এ বন্ধুরা মোটামুটি হুলোর ফেলে দিল......।। সবাইকে বোন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে কোন রকম সামলালাম। কিন্তু বিকেল বেলা ফেরার পথে সেই ফিল্মি স্টাইল এ proposed করে বসলো, আমি ওকে অনেক বুঝিয়ে শান্ত করলাম, থিম ওই একটাই, পুরো কলোনির মানুষ আমাদের এই এতদিনের সুন্দর সম্পর্কটাকে কলুষিত করে ফেলবে, means ওই একটাই ভয়, সৎ-আদর্শবান ...........

সুযোগের অভাবে সৎ-আদর্শবান: কাহিনি-০১


আমার আজকের এই লিখা, আমার একটা চরম desperate সিদ্ধান্ত, জানি না কে কি মন্তব্য করবে কিন্তু আমি আমার বড় ভাইদের চরম রোমান্টিকতা আর ভালবাশার প্রতি সাহসী পদক্ষেপ দেখে এততাই মুগ্ধ যে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম, জানাইদিব সব, আর কতদিন ছুপা রুস্তম হয়ে থাকব.........।।

আর একটা কথা কিছু কিছু ছোট ভাই আমার এই লিখার গুন কীর্তন করে আমার অভ্যাস টাকে এতটা desperate করে ফেলছে তোদের কাছে করজোড়ে বলছি, believe me, তোদের ভাই, মানুষ খারাপ আছিল না।

কাহিনি-০১
ছোট বেলা থেকেই একটা উপদেশ বানি শুনতে শুনতে নিজেকে কেমন জানি, রোবট বানাই ফেলছিলাম, আর জাই কিছু করি, বাবা-মার সন্মান যেন নষ্ট না করি, সবাই যে ভাবে আদর করে ওইটা যেন ধরে রাখি, আমাকে নটু দা’র ছেলে না বলে বাবাকে যেন সবাই বলে উনি অপুর বাবা ইত্যাদি ইত্যাদি, এগুলতে psychologically এতটা motivated ছিলাম যে really কোন খারাপ কাজ করতে দুইবার চিন্তা করতাম, কিন্তু তাই বলে আমার মনটা???? DIL TO PAGOL HAI……… শুধু একজনের জন্য। খূব সম্ভবত 8/9 এ পড়ি, আমাদের সাথেই পড়তো সে, খূব ভালো লাগতো ওকে দেখলে, যখন সে স্কুলে যেতো আমি প্রাইভেট পড়ে বাসায় আসতাম, খূব ভালো লাগতো তার স্কুলে হেঁটে যাওয়াটা, একটা দারুণ PERSONALITY আর অদ্ভুত সুন্দর RHYTHAM ছিল তার হাঁটার মধ্যে, মুগ্ধ চোখে চেয়ে থাকতাম, কিন্তু............ খানিক পড়েই মেজাজ টা বিগড়ে যেতো যখন দেখতাম ওর সমস্ত কিছু অবলোকন করার জন্য সে আগে থেকেই একজনকে NOMINATION দিয়ে রাখছে, আর তার সে মূড আর কিছু নয়, শুধু ওকে PLEASED করার জন্য যে, যতই অমিতাভ আর দীলীপ কুমার মাঠে থাকুক না কেন তুমি রবিউল ই আমার সব.........।।

রেজা ভাই বলেছেন," সব ঠিক হয়ে যাবে"


রেজা ভাই বলেছেন," সব ঠিক হয়ে যাবে"।আমরা বিশ্বাস করেছি নির্দ্বিধায়। রেজা ভাই বলেছেন,নাজমুল ভাই,জসিম ভাই,নিরু ভাইদের জরুরী মিটিং করতে;আমরা বিশ্বাস করেছি,এইবার বোধহয় সব ঠিক হবে। সরকারের মতো আশার বানী শুনে এসেছি বারবার। বিশ্বাস ও করেছি। আমরা আর আশার বানী শুনতে যাই না।এই পেইজে মেজাজ খারাপ করতে সারাদিন পড়ে থাকিনা। দুইদিন পরপর নতুন নতুন খোঁচাখুঁচি দেখি।এতোগুলো সাধারণ csm বাসীর আত্মার খোরাকের এই পেইজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার বা পলিটিক্স করার অধিকার কারো নাই।রেজা ভাই,জসিম ভাই,কমু ভাই,নাজমুল ভাই,মাসুক ভাই,নিরু ভাই,লিটন ভাই, আতিক ভাই ও সব্বাই....এই পেইজের সফলতার জন্য আপনাদের সাধুবাদ দিতে যেমন কার্পণ্য করিনি, আপনাদের indecision এর জন্য এই পেইজের ক্ষতির জন্যও আপনাদের দোষারোপ করতে কার্পণ্য করবো না। অনেক অ-নে-ক বেশি বিশ্বাস করি আপনাদেরকে। চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করি যে,আপনারা অনেককিছু করতে পারেন।সেই অনেক বিশ্বাসের জন্যই আমরা আপনাদেরকে অনেক শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। আমাদের সেই শ্রদ্ধা আর সম্মানের প্রতি দয়া করে নিজেদের ব্যার্থ করিয়েন না। এই পেইজের ভালোর জন্য যা কিছু করা দরকার,দয়া করে তা করুন। তা না হলে,কখনোই ক্ষমা করতে পারবো না আপনাদেরকে। কেউ পেইজ ছেড়ে চলে যাক,তা চাইনা মোটেও।কিন্তু,কেউ নিজেকে তার নিজস্ব ক্রিয়েটিভিটি দ্বারা "ছোটলোক, চামার, পলিটেশিয়ান" প্রমান করলে তাকে ঘাড় ধরে বের করে দিতে কার্পণ্য করবেন না। আল্লাহর দোহাই লাগে। আর এই পেইজে ঝামেলা দেখতে চাই না। It's already enough!!!!

কেনো আমরা উদার হতে পারছিনা


কেনো আমরা উদার হতে পারছিনা, কেনো এতো ইগো, কেনো এতো অহংকার, ২০৪৮ সাল আসতে আসতে তো মারাই যাবো, তবে কেনো এত বাড়াবাড়ি, এক বার কি মন খুলে সত্যিকার আন্তরিক ভাবে বলতে পারিনা ভাই আপা আমার ভুল হয়েছে আমাকে ক্ষমা করুন, বিনয় মানুষ কে ছোট করেনা, বিনয় মানুষ কে মহৎ করে, এটা আমরা বারবার ভুলে যাই। কলোনি তে বাস্তবে সিনিয়র জুনিয়ার যে ভালো সম্পর্ক ছিলো এটা কেনো এখন আলগা হয়ে যাচ্ছে। লিটন টিংকু তোরা ঢাকা আয়, ঢাকায় তোদের সব দ্বায়িত্ব আমার, তারপরেও এই অচলাবস্থা ভাংগতে হবে।
আর ভালো লাগছেনা।

আপনাকে বড় বলে, বড় সেই হয়


আপনাকে বড় বলে, বড় সেই হয়
লোকে যারে বড় বলে বড় সেই নয়।
বড় হওয়া সংসারেতে সহজ ব্যাপার
সংসারে সে বড় হয় ছোট গুন যার।
গুনেতে হইলে ছোট বড় বলে সবে
ছোট যদি হতে চাও, বড় হও তবে।
.....................................................
পারিব এ কথাটি বলিও না আর,
এক বার পারিলে পারতে হবে বার বার।
দশ জনে পারে যাহা,
তুমি একা কিভাবে পারিবে তাহা?
পারিব বলে মুখে দিয়ো না হাসি,
সবার চাপে প্রান যাবে টাসি।
চালাক চতুর যারা
সব কিছু পারে না তারা,
তোমায় তো দেখি নাক তাদের আকার
তবে কেন পারিব বল বার বার?
................................................
করিতে পারি যে কোন কাজ
নাহি ভয় নাহি লাজ
সংশয়ে সংকল্প নাহি টলে,
পাছে লোকে আবার কি বলে?
আড়ালে আড়ালে থাকি না
নীরবে আপনা ঢাকি না।
পশ্চাদে চরণ নাহি চলে
পাছে লোকে আবার কি বলে?

২০৩৫সাল


২০৩৫সাল।ছোট একটা গ্রাম, ছোট একটি নদী বয়ে চলছে, পাশেই টালির ছাদের কয়েকটি ঘর, আর আশে পাশে সরিষা ক্ষেত। একটু সামনেই টিনের লম্বা একটি ঘর, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন আর পরিপাটি। সেখানে সকালে চলে গরিব ছিন্নমুল শিশু দের শিক্ষা কার্য্যক্রম আর সন্ধ্যায় বয়স্ক শিক্ষা। দু জন অবসরপ্রাপ্ত পৌঢ় এই কার্য্যক্রমের সাথে জড়িত। তারা থাকেন সেই টালি দেওয়া বাড়িতে, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে নামাজ আর কোরআন তেলাওয়াত করে সোজা চলে যান শিশু দের শিক্ষা দানে সেখান থেকে মাঠে, চাষাবাদ কাজ তদারকি করে বাড়িতে ফিরে গোসল করে জোহর নামাজ,দুপুরে খাওয়া দাওয়া তারপর বিশ্রাম, বিকেলে আসর নামাজ শেষে গ্রামের বাচ্চাদের সাথে ফুটবল ক্রিকেট নিয়ে মেতে উঠা, মাগরিবের নামাজ শেষে বয়স্ক শিক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকা, এশার নামাজ শেষ করে একটু হাটাহাটি আর মানুষের কল্যান নিয়ে আলাপ আলোচনা এই দুই পৌঢ়ের। এভাবেই খুব সুন্দর ভাবে চলছিল এই দুই ব্যাক্তির জীবন। সব কিছুরই শেষ আছে, ২০৪৮ সালে এক সোনা রাংগা দিনে সাত দিনের মধ্যে এই দুই শিক্ষানুরাগী বৃদ্ধের মৃত্যু।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়, এই দুই বৃদ্ধের আজীবন লালিত স্বপ্ন টেনে নিতে লাগলো তাদের পরবর্তী প্রজন্ম।

Babu Csm Club ঠিক আছে???

আমার সম্মানিত বড়/ছোট ভাই ও বোনেরা


আমার সম্মানিত বড়/ছোট ভাই ও বোনেরাঃ এইসব আর ভাল লাগছে না। অনেক হইছে আর না, আমরা এই পেজ এ আসি একটু শান্তির জন্য, একটু সৃতিচারন এর জন্য। এটা আমাদের ভালবাসার পেজ, এটা আমাদের আবেগের পেজ, সবার কাছে আকুল আবেদন আমাদের একটু শান্তিতে থাকতে দেন। নাজমুল ভাই বলেছে ছোটরা চুপ থাকবে, ছোটরা কোন কথা বলবে না তাই চুপ আছি কিন্তু শান্তি পাচ্ছি না, শুধু দেখছি আর

আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করছি " হে আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে হেদায়াত দাও, আমাদেরকে শান্তি দাও, আমাদের সবাইকে আবার এক করে দাও,আমাদের এই পরীক্ষায় পাস করিয়ে দাও"

এই পোস্ট টি আমার ব্যাক্তিগত মতামত, এডমিন হিসেবে নয়


এই পেজ টির কোন বাণিজ্যিক ভিত্তি নেই, নেই কোন সাংগঠনিক কাঠামো,নেই নেতৃত্ব, কিন্তু তারপরেও সুশৃঙ্খল ভাবে চলছিলো এবং সুন্দর একটি গ্রান্ড আড্ডা ও হয়েছে। এর পরে জানিনা কি হলো, একটা এলোমেলো অবস্থা। তাহলে কি গ্রান্ড আয়োজন করাটাই ভুল ছিলো?

এই পেজ টি সম্পুর্ন আবেগের তৈরি, সবার আবেগ আর মানবতা প্রেমী কিছু মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম আর ভালোবাসায় এই পেজ।

এখানে ব্যবসায়িক কোন চিন্তা ভাবনা নেই বরং নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে এখানে চলতে হয়। আর এ পেজে টিকে থাকতে হলে লাগে কিছু ক্রিয়েটিভিটি। এখানে ডিপ্লোম্যাসি করে উঠা যায়না। কেউ যদি উদার ভাবে মানুষ কে আপন করে অনেকের প্রিয় হয়ে যায় সেটা তার কৃতিত্ব, কিন্তু আমার কোন ডিসক্রেডিট নয়, আমার জন্য হতাশারও নয়,অতএব কে কত প্রিয় এটা নিয়ে আমার মাথা না ঘামালেও চলবে। আমি কোন ইলেকশনেও দাড়াবো না। সুতরাং কেউ কি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কিনা এটা নিয়ে ফালতু চিন্তা করাটাও বোকামি। যার যার সৃষ্টিশীলতা দিয়েই চলতে হবে। কোথাও আমার নাম উল্লেখ করা হয়েছে কিনা এটাও আমি কখনো কেয়ার করিনা, আমি কি করছি তা আমি জানি, আমার নাম দরকার নেই। এই পেজ তৈরির ইতিহাস সবাই জানে। তাই ঐ ইতিহাসে যাবোনা। তবে যারা মনে করেন এ ধরনের একটি পেজ আপনা আপনি হয়ে গেছে , তাদের বলব আসুন আমরা আপাতত কিছু দিনের জন্য এই পেজটির কার্য্যক্রম স্থগিত করে, নতুন একটি পেজ খুলি, দেখি চালাতে পারি কিনা।

প্রাইভেসি এবং সেই সময়


কলোনি তে যখন ছিলাম আমাদের টিভি টা প্রায় নষ্ট হয়ে যেত।ভরসা ছিল পাশের বাসার Rehana Alam রুবি আপা কিংবা Jerin Ripa রিপা আপা দের বাসা।তখন ত এত চ্যানেল বা প্যাকেজ নাটক ছিল না।হয়ত মঙ্গল বারে ধারাবাহিক বহুব্রীহি বা কোথাও কেউ নেই, বুধবার এ ম্যাকগাইভার এবং বৃহস্পতিবার এ এ সপ্তাহের নাটক দেখতে যাওয়া।সাড়ে আট টা বাজে চলে যেতাম উনাদের বাসায়।উনারা কিছু বলতেন না,যেন আমাদেরই টিভি আমরা দেখতে আসছি।দরজা খোলা থাকত সবসময়। বিরক্ত হতে দেখিনি কোনদিন। রুবি আপাদের বাসায় শুক্রবারে সকালে, "Fairy Tale" নামে একটা রুপকথার গল্প দেখতাম।

Friday, March 11, 2016

আমার যেদিন অনেক টাকা হবে সেইদিন গ্রামে গিয়ে নদীর ধারে একটা টিনের ঘর করে জীবনটা কাটিয়ে দিবো


আমার যেদিন অনেক টাকা হবে সেইদিন গ্রামে গিয়ে নদীর ধারে একটা টিনের ঘর করে জীবনটা কাটিয়ে দিবো। জনি বলেছিলো কারেন্ট থাকবে না। সত্যি বলতে এই জীবনটা বিতৃষ্না হয়ে গেছে। কারেন্ট কেনো লাগবে!!!! আমার জীবনধারা হবে এইভাবে:

প্রতিদিন সকালের আজানের সময় ঘুম থেকে উঠে প্রার্থনা শেষে প্রাতভ্রমন, নাশ্তা শেষ করে আবার একটু ঘুম। তারপর ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে একটা স্কুল চালাবো, ফ্রী সার্ভীস। বিকাল চারটার পর একটা বুড়াদের স্কুল চালাবো যাতে তারা পত্রিকাটা পড়তে পারে। সন্ধ্যার পর কুপির আলোতে গল্পর বই পড়তে পড়তে কখন যে ঘুমিয়ে যাবো বলতেই পারবো না। জোৎসা যেদিন থাকবে সেইদিন সবাইকে নিয়ে মাঠে রান্না করে খাবো। সম্পূর্ণ নিরিবিলি। জেনারেটরের আওয়াজের ও প্রয়োজন নাই। সঙে আতিক ভাই থাকলেতো সোনায় সোহাগা। আর আমার বিশ্বাস অল্প কিছুদিন যেতে না যেত ওটা একটা CSM গ্রাম্য পল্লি হয়ে যাবে..... smile emoticon 

আমরা সবায় রাজা.....

খেলা অফ এখন লিখা যাইবো


খেলা অফ এখন লিখা যাইবো।তখন ক্লাস নাইনে পড়ি এই বয়সে মনটা একটু উড়াঁ উড়াঁ ভাব থাকে,এর আগে আমার কিছু দোস্ত প্রেমের পাঠশালা পড়ালিখা করতাছে,আমার মনে এই সব চিন্তা ভুলেও আসতো না,আরো তাদের বকাঝকা করতাম,সারাদিন বাহিরে বাহিরে ঘুরতাম, আমি তারিক,বিপুল,ডালিম,শিপন রতন, টিটু ভাই টিংকু ভাই সারাদিন খেলাধুলা নিয়া পড়ে থাকতাম,বাসায় তখন ও টিভি আসে নাই টিভি দেখার উছিলায় বিভিন্ন বাসায় ডু মারতাম,এই জন্য মায়ের হাতে বহুত মার খেয়েছি,তো এই বাসা ঐ বাসা ঘুরতে একটা মেয়ে কে খুবই ভালো লেগে গেল.(মেয়ে তো বলা যায় না একটা ছদ্ম নাম না হয় দিই শত হলেও ভালোলাগার মানুষ মিমি না হয় নাম দিলাম)ঐ বাসায় সকাল বিকাল রাত সব সময় অবাধ যাতাযাত ছিল,মিমিকে অল্প অল্প ভালো লাগা শুরু তখন থেকে,মিমি ও আমার সাথে একই ক্লাসে পড়তো,ছোট ছোট অনেক ভাই বোন ছিল তার,চাচীও আমাকে খুব পছন্দ করতো,চাচী ছিল সহজ সরল মহিলা,চাচী আমাকে বলে তুমি তো সারাদিন বাহিরে বাহিরে থাক সময় পেলে আমার ছেলেমেয়েকে একবেলা পড়াইয়ো,তোমাকে কিছু হাত খরচ দিবো,আমি তো মহা খুশি এই তো শুরু মেঘ না চাইতে জল,সকাল, বিকাল,দুপুর বিকাল,রাত সারাদিন পারলে পড়াই, রাতে বেশি সময় নিয়া পড়াইতাম কারণ সবাই এক সাথে ডাইনিং টেবিলে বসে পড়তাম আমি একপাশে বসলে মিমি আপর পাশে বসতো আর নিচেতো পা ছোঁয়াছুয়ি চলতো, এভাবে বহুদিন গেলো এতো ঘন ঘন আসা যাওয়াতে মিমির বাবা একটু সন্দেহের চোখে দেখতো,আস্তে আস্তে ভালোলাগার দৈঘ্য বড় হতে শুরু করলো,তখন বাসায় যেতে না পারলে জানালায় দিয়ে কথাবাতা চলতো এভাবে চলাতে আশেপাশের অনেকের নজর পরে গেলো বাসায়ও জেনে গেলো ১৪৪ধারা জারী হলো ঐবাসায় আর যাবি না, এখন হাতের লিখা ছাড়া আর কোন উপায় নেই,এটা ও শেষ পষন্ত ধরা পড়লো,হঠাৎ একদিন শুনি মিমিকে মিমির বাবা ঢাকায় নিয়ে গেছে,আমার তো এদিকে খবর হয়ে যাচেছ কি করে খবর নিই, ৪/৫দিন পর মিমির বাবা আসলো একা, লোক মারফত খবর নিলাম মিমি কয়েকদিন পর আসবে ১৫/২০দিন হয়ে গেলো শেষ পষন্ত চাচীর কাছে গেলাম সালাম দিলাম তারপর জানতে চাইলাম মিমির কি খবর শুনলাম চাচা ঢাকায় নিয়ে মিমিকে বিয়ে দিয়ে দিছে,কোনমতে বাসা থেকে বের হয়ে সোজা ওয়াসার পিছনে, এই শোক ভুলতে পারি নাই সহজে মনে হলো কি যেন হারিয়ে ফেলছি,মনে আছে একটা ক্যসেটে একটা গান পুরা রেকডিং করছিলাম,((গানটা হলো বেদনা মধুর হয়ে যায় তুমি যদি দাও))

আকাশ কুসুম


ছোটবেলায় আমরা কমবেশি সবাই ছবি মানে সিনেমা দেখতে ভাকবাসতাম। মাঝে মাঝে ভাবতাম নিজের চেহারার সাথে অমুক নায়কের চেহারা মিল আছে।এবং ওই নায়কের সিনেমা দেখার সময় নায়িকার পাশে ওই নায়কের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতাম।কলোনি তে অনেক হিরো র মত ভাইয়া ছিলেন,বলেন ত নিজেকে কোন নায়কের মত ভাবতেন আর আপুরা নিজেকে কোন নায়িকার মত।কোন রকম সংকোচ না রেখে বলে ফেলুন ত দেখি

যে আমারে বাঁধিবার চায়......


রেজা ভাইয়ের এই পোস্টে ভাবীর (সারাফের মা) ফেসবুক বিরোধী আচরনের কারনে একটা গল্প মনে পড়ে গেল।

একবার এক বয়স্কা মহিলা পরিচিত আরেক বয়স্কা মহিলাকে বলছেন "জানেন আমার মেয়ের জামাই কি ভাল? সবসময় বৌকে সব কাজে সাহায্য করে। বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যায়, মাঝে মধ্যে ঘরের ছোট খাট কামকাজ করে আমার মেয়েটাকে সাহায্য করে। অনেক সময় রান্নাবান্নার কাজটাও মেয়ের জামাই করে দেয়। আমার মেয়ে অনেক সময় জোড় খাটিয়ে ওর জামাইকে দিয়ে কাপড় কাঁচিয়েও নেই ইত্যাদি ইত্যাদি।" বলে ইয়া বড় একটা ভেটকি দিলেন।
কিন্তু "আমার ছেলের বৌটা দুনিয়ার বদ। আমার ছেলের কথাতো শুনেই না। সবসময় পায়ের উপর পা তুলে বৌ মা থাকতে চায়। ছেলেটাকে দিয়ে হেন কোন কাজ নেই করায়না। সবকিছু আমার ছেলেটাকেই করতে হয়। কিযে বলবো - বৌটা কাজ করিয়ে আমার ছেলেটার লাইফটাই বারোটা বাজিয়ে দিল ইত্যাদি বলে ইয়া বড় এক দীর্ঘশ্বাষ ছাড়লেন""।
সবাই বুঝতেই পারছেন তিনি কি রাইট ওয়েতে আছেন নাকি wrong ওয়েতে আছেন? তিনি কোন নীতি অবলম্বন করেছেন বোঝা একদম কঠিন নয়

সময় কথা বলে


আল্লাহ মানুষকে সেরা জীব হিসেবে বানিয়েছেন।তেমনি দিয়েছেন অসীম ক্ষমতা,প্রতিভা।এটা দিয়ে মানুষ অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে।নিজের মনের সুপ্ত ইচ্ছগুলোকে পুরণ করতে পারে,মানুষের কল্যাণ এ কাজ করতে পারে।যুগে যুগে মানুষ তার সেই ক্ষমতার চমক দেখিয়েছে।

তবে সবসময় মানুষ যা চায় তা নাও হতে পারে। সময়ের উপরে কিছু জিনিস ছেড়ে দেয়া ভাল।কিছু কিছু কাজের ফল সাথে সাথে নাও পেতে পারে।অপেক্ষা করতে হয়।সময়ের কাছে হার মানতে হয়,পরাজয় স্বীকার করে নিতে হয়,সে যত বড় ক্ষমতাশালী বা প্রতিভাবান হোক না কেন,যে কোন কিছুরর জন্য ধৈর্য ধরতে হয়।সময় একসময় সঠিক জবাব নিয়ে আসে,উত্তর দেয়।যারা সময়ের কাছে হার মানতে চায় না,তারা হেরে যায়।এজন্যই বলে, " রেগে গেলেন ত হেরে গেলেন"।তাই সবসময় নিজের ক্ষমতার কারিগরি না দেখিয়ে সময়ের উপরে কিছু জিনিস ছেড়ে দেয়া ভাল।কারন কোন একসময় ঠিকই " সময় কথা বলে"

আজ থেকে ১২ বছর আগে, বিয়ের ঠিক আগে আগে, এই কবিতাটি সারাফের মা আমাকে সুনিয়েছিলো


যে আমারে বাঁধিবার চায়
অনিত্য সংসার মেলায়
ভালোবাসা দিয়ে
সেই তোমাকে ভালোবাসি
আজ থেকে ১২ বছর আগে, কে যেন কবিতাটি সুনিয়েছিলো!!!

মহা যন্ত্রনায় কয়টা দিন পার করলাম। ঘরে/বাহিরে/অফিসে। মাঝে মাঝে আমরা বড় অবুঝ হয়ে পড়ি। একটি দেশের সকল কার্যক্রমও আমাদের কাছে হার মানবে!!!! 

Thursday, March 10, 2016

আমি যখন ভার্সিটিতে পড়তাম


আমি যখন ভার্সিটিতে পড়তাম তখন আমাদের বন্ধুদের মাঝে একটি বিষয় খুব ভাল ছিল ।আমরা সবাই এক কাপে চা খেতাম ।কারণ আমরা চাইতাম না আমাদের বন্ধুদের মাঝখানে কোন দূরত্ব থাকুক ।যা আজ ও অটুট আছে ।আমাদের ভার্সিটি বন্ধুদের একটি পেজ ও আছে ।আমরা সেখানে আড্ডা দেই ,মান অভিমান চলে ,ক্ষেত্র বিশেষে ঝগড়া ও হয় ।কিন্তু একটি বিষয়ে দারুন মিল ।আমরা কেউ পেজ ছেড়ে যায় না ।পেজ ও আমাদের ছাড়ে না ।এক কাপে চা খাওয়ার অসাধারণ গুন এটি ।চল না ভাইয়ারা (CSM COLONY) আমরা সবাই মিলে একটি চা চক্রের আয়োজন করি , আর এক কাপে চা খাই ।সব মান অপমান ভুলে এক সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে চলি ।যেমনটি আমরা ছিলাম ।আমরা আমরাই তো ।

আজ ভালো লাগার দিন। আজ উৎসবের দিন


আজ ভালো লাগার দিন। আজ উৎসবের দিন। কে কি ভাবছে আমি জানিনা তবে আমি ভাবছি প্রচন্ড বিস্ফোরনের পর আমরা এখন শান্ত। নিশ্চয় আমাদের মধ্যে আর কোন দু:খ আমাদের জমা নেই। জমা থাকলেও সেটা আমরা ভুলে যাবো। আজ থেকে অতীত নিয়ে আর কোন কথা হবে না। আজ থেকে নুতন করে আমাদের নুতন যাত্রা। গত দুইদিনে কার কি লাভ হয়েছে জানিনা তবে সি এস এম পেইজটা রিফ্রেস হয়ে নুতন যাত্রা শুরু করেছে। আমি আগেও বলেছি ঝগড়া বিবাদ করার জন্য আমাদের অনেক জায়গা আছে এখানে যখন আসব তখন সবাই যেন মনে রাখি এখানে আমি একজন স্টীলার, এখানে সবাই আনন্দ করবো তবে কাউকে কষ্ট না দিয়ে।এখানে আমরা বড়দের সম্মান করবো ছোটদের স্নেহ করবো। কোথাও কোন সমস্যা দেখলে শেয়ার করবো। পাশাপাশি এটাও খেয়াল রাখব গ্রুপ নয় ব্যাচ নয়, পছন্দ অপছন্দ নয় সবাই আমরা আপন।। আমি বিশ্বাস রাখি আমাদের সকল মেম্বার আবেগের কারনে,ভালবাসার তাগিদে সি এস এম মেম্বার হয়েছে।কেউ যদি আমাদের আবেগ আর ভালবাসা নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেস্টা করলে আমরা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করবো।আমার বিশ্বাস আমারা সি এস এম মেম্বাররা আজীবন ঐক্যবদ্ব থাকবো। ইনশাল্লাহ।

CSM এর পেইজে থাকাটা একটা নেশা হয়ে গিয়েছে। খুবই মুসিবতের কথা


ছোটবেলায় কমিকস আর তিন গোয়েন্দা পড়ার প্রচণ্ড নেশা ছিলো।পড়ালেখা না করে সারাদিন গল্পের বই পড়তাম। পড়ার টাইমে বইয়ের ফাঁকে গল্পের বই লুকিয়ে রেখে পড়তাম। এমনকি আম্মা আর রানা ভাইয়ার কাছে ধরা খাওয়ার ভয়ে কমিক্স বা গল্পের বই কোমড়ে গুঁজে ওয়াশ রুমে নিয়ে গিয়ে পড়তাম।আমার ভিলেন বড় ভাই রানাইয়্যা ওয়াশ রুমের কাছে ঘাপটি মেরে বসে থাকতো।আমি বের হওয়ার সাথে সাথেই আমাকে সার্চ করে গল্পের বই উদ্ধার(!?)করতো আর আম্মার কাছে complain করতো। কি যে মেজাজ খারাপ হইতো রানাইয়্যার উপর!!!!!

আজ সকালে ফায়ারিং রেঞ্জে সৈনিকদের ফায়ারিং করাচ্ছিলাম আর CSM এর পেইজের পোস্ট আর কমেন্টস পড়ছিলাম। টুকটাক কমেন্টসও করছিলাম।এর মাঝে ওয়াশ রুমে গিয়েছি মোবাইল সাথে নিয়ে। কমিটি গঠন সংক্রান্ত একটা কমেন্টের ব্যাপারে মতামত টাইপ করতে করতে এতোটাই বেহুশ হয়ে গিয়েছিলাম যে অনেকক্ষণ যে হয়ে গিয়েছে,সেদিকে আমার আর খেয়াল নেই।কমেন্ট পোস্ট করে বের হয়ে দেখি ওয়াশ রুমের সামনে আমার ফৌজ ভীড় করে আছে। আমি তো অবাক!! গতকাল অসুস্থ থাকায় অফিস যাইনি,এটা সবাই জানতো। ওয়াশ রুম থেকে বাহির হতে দেরী হওয়ায় সবাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলো এই ভেবে যে,"স্যারে আবার মইরা গেলো নাকি!!"আর একটু দেরী হলেই নাকি দরজা ভাঙতো!! কি যে এক বিব্রতকর অবস্থা!!! বারবার জিজ্ঞাসা করছিলো সবাই, আমি ঠিক আছি কি না?? কেমনে কই যে, ওয়াশ রুমে বসে CSM এর গ্রুপে বেহুশ হয়ে পড়েছিলাম??

CSM এর পেইজে থাকাটা একটা নেশা হয়ে গিয়েছে। খুবই মুসিবতের কথা।

আজকে কয়দিন যাবত সিএসএম পরিবারের উপর একটা বড় ঝড় বয়ে গিয়েছিল


আজকে কয়দিন যাবত সিএসএম পরিবারের উপর একটা বড় ঝড় বয়ে গিয়েছিল।আললাহর অশেষ মেহেবানীতে পরিবারের বড় ভাইয়েরা তা ঠিক করতে পেরেছেন।আসলে এ কথা ঠিক পরিবারে বড়রা হচছে ছোটদের সকল বিপদ আপদের ছায়া আর সকল সমস্যার সমাধানের গুরু।হাজার হাজার সালাম আর অগনিত দোয়া সকল বড় ভাইদের।এ না হলে কি আমাদের সিএস এম।একটা কথা অনেক বড় একটা লিখা লিখেছিলাম কত সময় ধরে কিনতু সেভ করতে জায় ডিলেট করি দিসি।কে জানি বেল দিচিল আর আমি মনে করছিলাম আমার শাশুড়ি, বাচ উলটা টিপ দিচি গেছে ডিলেট।আসলে এ কয়দিন সিএসএম এসবে মনটা অনেক খারাপ ছিল,আজ আবার ভাল।একটা কথা রাসেল ভাই আপনি আবার লেখা শুরু করেন।ছোট বোনের একটা অনুরুদ রাখবেন কিনতু।।শেষ কথা আমরা সবাই সিএসএম বাসী থাকবো মিলেমিশে,সব কিছু ভুলে গিয়ে।কয়দিনই বা থাকবো এ দুনিয়ায়। যতদিন বেচেঁ থাকবো সবাই মজা আর আনন্দ নিয়ে থাকবো।সবাইয়ের কাছ থেকে আরও সুন্দর সুন্দর লেখা চাই।।আললাহ্ যেন সবাইকে ভাল রাখেন।।

আমি সি এস এম এর নিরু বলছি


মজা ই মজাঃশুখের, দুখের, হাশির,যে যা পারো লিখ লাইক দাও, কম্মেন্টস কর।
এই ছাড়া অন্য কিছু মানে রাগ, অভিমান, কাইজ্জা (আবার আমাদের সি এস এম এর কাজি না কইলাম) কর।
আয় সি এস এম এর ভাই ও বোন রা আয়
রাগ করোনা "রাগ করলে শাখ" খাবে। 
"গোস্বা করোনা গোস্বা করলে ফোস্কা খাবে" আর এই খাওয়ার ছেয়ে সি এস এম পেইজ এর পোস্ট পড়া ,লিখা, লাইক দেয়া,কম্মেন্টস করা ১০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০ মজা, তাই আর কোন রাগ নয় হাঁসতে হাঁসতে আশো, মজা কর, গল্প লিখ, কতুক লিখ,মজার ও দুখের ঘটনা লিখ।
তবে শুরু হোক এখন থেকে এই আহবান করছি,আমি সি এস এম এর নিরু বলছি

আমার মা আমাকে বাইরের খাবার খাইতে নিষেধ করছে

- Pulak

আমি আর আমার এক বন্ধু গেলাম হোটেলে সিঙ্গারা খাইতে।
গরম গরম চারটা করে সিঙ্গারা আসলো দুই বন্ধু খাওয়া শুরু করলাম
হঠাত্ লক্ষ্য করলাম বন্ধুটা শুধু ভিতরের আলু গুলো খাচ্ছে।আমি জানতে
চাইলাম এরকম করতিছিস ক্যান।ও
আমাকে বলল তুই বুঝবি না।
.
.
আমার মা আমাকে বাইরের খাবার
খাইতে নিষেধ করছে।
-----------------------------------------------------------
মরাল অফ দা স্টোরিঃঃ আপনারাই বলুন ??????

গতকাল আমি এই পেজের এডমিন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেই


গতকাল আমি এই পেজের এডমিন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেই। এবং সম্পূর্ন সুস্থ মস্তিস্কে ও কারো দ্বারা প্ররোচিত না হয়েই এই সিদ্ধান্ত নেই। আপাত দৃষ্টিতে সিদ্ধান্ত টি সঠিক ছিলো বলে মনে করি। 

তা স্বত্তেও আবারো এডমিনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ছোট ভাই বোন দের অনুরোধ, বড় ভাইদের আদেশ অনুরোধ, দুটি ছোট ভাইয়ের গতকাল আমার অফিসে এসে অনুরোধের পর অনুরোধ, এমন কি দেশের বাইরে থেকেও এক বাল্য বন্ধুর অনুরোধ আর ফোনের পর ফোন আমাকে রীতিমত দ্বিধায় ফেলে দিয়েছিল, তাহলে আমি কি ভুল করছি? এত গুলো মানুষের ভালোবাসা স্নেহ নেওয়ার আমি যোগ্য নই, তারপরেও আমার পরম সৌভাগ্য আমি এত গুলো মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছি, এত ভালোবাসা স্নেহ দূরে ঠেলে দেওয়ার ক্ষমতা আমাকে দেওয়া হয়নি, এই ভালোবাসার স্নেহের লোভ উপেক্ষা করার মত মহা পুরুষও আমি নই।

আমাদের গ্রাণ্ড আড্ডায় খরচের পর যে টাকা টা রয়ে গিয়েছিলো, তা সিএসএম এর দুজন দুস্থ মানুষের সহায়তায় প্রদান করা হয়েছে


আমাদের গ্রাণ্ড আড্ডায় খরচের পর যে টাকা টা রয়ে গিয়েছিলো, তা সিএসএম এর দুজন দুস্থ মানুষের সহায়তায় প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি অংশ চিটাগাং এ লিটন ভাই (শামসু নানার ছেলে) এর স্ত্রী এর চিকিৎসা সহায়তায় দেয়া হয়েছে। বাদ বাকী ৩৩০০০ টাকা স্টিল মিলের প্রাক্তন কর্মী জনাব হারুন সাহেবের চিকিৎসা সহায়তার জন্য রাখা হয়েছিলো। এবং নাজমুল ভাই বিষয় টি অনেক আগেই পোস্টের মাধ্যমে সকল কে অবহিত করেছেন। আমার বলার বিষয় হচ্ছে , যেহেতু উনি ( জনাব হারুন) ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, সেহেতু সেই টাকা উনার নিকট পৌঁছানোর দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়েছিলো, কিন্তু উনি বর্তমানে ডেমরা সারুলিয়ায় বসবাস করছেন বিধায় আমার পক্ষে গুলশান বা মিরপুর থেকে গিয়ে সেখানে ঐ টাকাটা পৌঁছানো একটু সময় সাপেক্ষ ছিলো, তাই জনাব হারুন সাহেবের সাথে কথা বলার পর গতকাল বিকাশের মাধ্যমে উনার নিকট এ ৩৩০০০ টাকা পৌছনো হয়েছে।
সবাইকে শুভেচ্ছা।

আমরা পারবো, আমাদের পারতেই হবে


এডমিন বাড়ানো কিংবা কমিটি গঠন নিয়ে আমার দ্বিমত আছে। এডমিন কিংবা কমিটি গঠন করলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তা কিন্তু না। ছোট এডমিন দিয়ে গ্র্যান্ড আড্ডার মত বড় আয়োজন করতে পেরেছি।গ্র্যান্ড আড্ডার পর সবাই যেন কেমন হয়ে গেছে। আমাদের সবাইকে আরো সহনশীল হতে হবে। ব্যক্তিগত আক্রমন বন্ধ করতে হবে। ছোট বড় কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমন করা যাবে না। কারো সাথে আমার হয়তো মতের মিল নাও হতে পারে তাই বলে আমি কাউকে অপমান করতে পারবো না। এটা সবাইকে মানতে হবে। আমি মনে করি আমরা সবাই একই পরিবারের সন্তান। একই পরিবারের সন্তান হলেও মতাদর্শ ভিন্ন হতে পারে। আমার কারো সাথে মতবিরোধ দেখা দিলে আমি সিনিয়রদের সাথে কথা বলে আমি বিরোধ মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করবো। আমি চেষ্টা করবো তৃতীয় পক্ষ যেন এ থেকে কোন ফায়দা লুটতে না পারে। একটা বিষয় প্রায়শঃ লক্ষ করি আপনজনেরা মারামারি করে আর আশে পাশের লোকেরা হাততালি দেয়। আমরা কেন এই সুযোগ দিব? সমস্যা বড় হওয়ার আগেই সবাই মিলে দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো। আমরা কি তা পারি না? আমার মনে হয় পারবো। শুধু দরকার সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ।

যথেষ্ট হয়েছে। আর একটা কথা সুনতে চাইনা


যথেষ্ট হয়েছে। আর একটা কথা সুনতে চাইনা। আমাকে আমার ভাই বোনেরা যা কিছু বলেছে, আমি ভুলে গেছি। তোমরা ভুলে যাও। আমি আতিক কে বলছি, এই মুহুর্তে তুমি তোমার এডমিনে ফিরে যাও।আমি বড় ভাই, আমি তোমাকে আদেশ করতেছি।

আর, আজ সকালে আমার একটি পোষ্ট আছে, জসিম/নাজমুল/শাহিন/নিরু, তোমরা একটি মনিটরিং টিম করো। অবশ্যয় আমাদের দুইজন সম্মানিত এডমিন সহ। যাতে আমাদের এডমিনরা, মতামতের ভিত্তিতে সহজেই পেজের সার্থে, ভালো একটা সির্ধান্ত নিতে পারবে। আমি কোন ঝগড়া দেখতে চাইনা। ভালো থাকো সবাই এবং তোমরা তোমাদের গল্প/কবিতা লেখা সুরু করো।

এই পেজটি ভালোবাসার পেজ। এটি কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান না। ভালোবাসার জয় হোক।

দুপুর ৩টা কি ৩.৩০ বাজে বৈশাখ মাসের শেষের দিক আম পাঁকার সীজন


দুপুর ৩টা কি ৩.৩০ বাজে বৈশাখ মাসের শেষের দিক আম পাঁকার সীজন,এই ভর দুপুরে কলোনীর সবাই একটু বিছানায় গা এলিয়ে দেয়,আর চাচারা তো আফিসে দরকার না হলে এই দুপুর বেলায় ঘর থেকে কেউ বাহির হয় না, আমাদের বাসা তখন C/3 তে, মনের ভুলেও দুপুরে ঘুমানো হতোনা,কোন মতে সুযোগ পেলে মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাসা থেকে বাহিরে চলে যেতাম,এই জন্য কতো যে মায়ের হাতে মার খেয়েছি, গরমের জালায় প্যানট পড়তাম না,বাবাকে বলে একটা লুঙি কিনলাম,তো একদিন সুযোগ মতো নতুন লুঙি পড়ে সোজা নিচে ডালিমদের বাসায়,ডালিমদের বাসায় আমার অবাধ যাতাযাত ছিল, বাসায় গিয়ে দেকি ডালিম বাসায়, দুজনে বসে আর কতো আডডা দেয়া যায়, তাই দুজনে বাসা থেকে বাহির হলাম,বাসা থেকে বাহির হওয়ার পর দেখি রাস্তা সুনসান নিরবতা,হটাৎ ডালিম বললো চল আম চুরি করি আশে পাশে আম গাছ ছিল জুনাইদ ভাইদের আমার দোস্ত বদরুলদের, দুপুর বেলায় জানি কেউ দেখবেনা তাই দুজনে গাছতলায়, তখন শুকনা হালকা পাতলা ছিলাম, আমি সোজা গাছে উপরে আর ডালিম নিচে দাড়িয়ে আছে কেউ আসলে আওয়াজ দিবে,গাছে উঠে মনের সুখে আম পাড়তাছি আর লুঙি ভাজ করে লুঙি মধ্যে নিতাছি,হঠাৎ নিচে থেকে জোরে ডাক আসলো মনিরুল নিচে নেমে আয় নিচে তাকিয়ে দেখি কোথায় ডালিম নিচ থেকে জোনাইদ ভাই ডাকতাছে, জানি হাতের মধ্যে পাইলে খবর আছে তাই আম সহ সোজা নিচে লাফ দিয়া ভোঁ দোড়, নামার সময় হালকা ফড়াৎ আওয়াজ পেয়েছিলাম,এক দোড়ে Cটাইপ মাঠের পাশে দেখি ডালিম বসে আছে,ডালিম কে গিয়ে তো বকাঝকা কিরে জোনাইদ ভাই বাসাথেকে বাহির হইলো আওয়াজ দিলি না,ডালিম কইলো জোনাইদ ভাই বাস থেকে আসে নাই বাহির থেকে আসছে দেখি নাই, ডালিম আমাকে বলে কিরে তোর লুঙি ছিড়া কেন,ডালিম বলার পর হুশ হলো তাকিয়ে দেখি আমার নতুন লুঙি অনেক খানি পাড়া এই লুঙি নিয়ে বাসায় ডুকলে খবর আছে, ছিড়া লুঙি নিয়ে সোজা বাজারে বেশির ভাগ দোকান বনধ,কি করি সামনে এগিয়ে দেখি মালেক স্যারের দোকানের পাশে একটা টেইলাস এর দোকান খোলা আছে,দজি ছিড়া লুঙি দেখে যা বুঝার নিলো বললো ১০টাকা লাগবে কারো কাছে টাকা নাই দজির হাত পায়ে ধরে বললাম পরে দিয়ে যাবো এই মমে আমার লুঙিটা ছিলাই করে দিলো,বহুদিন পর দজির ১০টাকা পরিশোধ করছি,ঐ ১০ টাকা জোগাড় করতে খবর হয়ে গিয়াছিলো,আম ও গেলো লুঙিও গেলো ১০টা টাকা ও গেলো পেলাম কি একটা দুই ছিলাই করা লুঙি

গত রাতে দুটো প্রশ্নের উত্তর খুব বিনয়ের সাথে জানতে চেয়েছিলাম, আমি জানি ওই প্রশ্নের উত্তর আমি পাবোনা।


এক দিক থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার পরও আমরা চুপ থাকি, অবস্থা পর্য্যবেক্ষন করতে থাকি, কেউ মজা নিতে থাকি, কেউ বা দ্বিধাজনক অবস্থায় থাকি, কেউ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি তে থাকি। এর মধ্যে যা সর্বনাশ হওয়ার তা হয়ে যায়, বিশৃঙ্খলা চারিদিক থেকে শুরু হয়ে যায়, তখন অনেকের টনক নড়ে। এই করতে হবে, সেই করতে হবে কত কিছু। অনেক টা গ্যাস দুর্ঘটনার পর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের নড়েচড়ে বসা, এদিকে আগুন লেগে তো পুরো পরিবার আগেই শেষ। প্রাথমিক অবস্থায়ই সিদ্ধান্ত নিলে হয়ত বিশৃঙ্খলা টা হতোনা।কিছুদিন আগে আমার দুয়েক টি পোস্ট আপত্তিকর মনে হওয়ায় এবং বিতর্কিত মনে হওয়ায় সিনিয়র ভাইদের অনুরোধে বা আদেশে পোস্ট দেওয়ার দশ মিনিটের মধ্যে পোস্ট টি সরিয়ে নেই। আমার বেলায় এতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া গেলে অন্য জায়গায় কেনো নেওয়া যাচ্ছেনা। কোথায় সমস্যা?

গত রাতে দুটো প্রশ্নের উত্তর খুব বিনয়ের সাথে জানতে চেয়েছিলাম, আমি জানি ওই প্রশ্নের উত্তর আমি পাবোনা।

মজা করব,আড্ডা দিব,পচবো,পচাবো


মোজাম্মেল ভাই, টলি ভাই, রেজা ভাই, জিয়া ভাই, জসিম ভাই, মাসুক ভাই, নাজমুল ভাই, নিরু ভাই,আতিক ভাই, অপু ভাই, কমু ভাই, বন্যা বুবু, নাহিদ আপু,বাবু,অপু,সামি,তারেক,মইনু,টিটু,মাবু,পুলক,টিপু, জাবেদ,টিংকু,নমি,রাসেল,হিমেল,সুজন,মক্তা,রনি,হাসনাত,শায়লা,আপেল,নাসের,সজীব,বীথি,তানজিনা,তানিয়া,টিপু,রাজিব।সবার নিকট আবেদন আমরা সবাই যেন আমরা আমরা যে পেজ সৃষ্টি করিয়াছি তার বন্ধন যেন সহজে ভেঙে না ফেলি।বড় ভাইদের নিকট আবেদ যেমনে পেজ সুন্দর চলছিল আড্ডা আগ থেকে তা যেন আপনারা ছোটদের মাধ্যমে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।কারণ মাবু আজ খুব সুন্দর করে একটা ব্যাখ্যা দিয়েছে।

আমরা আমরাই।মজা করব,আড্ডা দিব,পচবো,পচাবো।

আমি এ ধরনের কোন লেখা লিখে অভ্যস্ত নই


আমি এ ধরনের কোন লেখা লিখে অভ্যস্ত নই, তা ছাড়া এতো দিন এডমিন নামক একটি দ্বায়িত্বের মধ্যে ছিলাম (যদিও আমি নিজে এখনো জানিনা, আমি কি দায়িত্ব পালন করেছি) তাই যা তা আমি লিখতে পারিনা। আজ যেহেতু দায়িত্ব মুক্ত তাই এখানের সবার প্রতি বিনয়ের সাথে দুটো প্রশ্ন।

  1. আমি বা কেউ যদি কাউকে কটু কথা বলে এখান থেকে বহিষ্কৃত হই , পরবর্তী তে ছয় ঘন্টার মধ্যে পুনরায় ফিরিয়ে আনার স্ট্রং লবিং পাবো কিনা?
  2. যদি কোন মতে ফিরে এসে আবারো কটু কথা বলে পরে ক্ষমা চেয়ে পার পাওয়া যাবে কিনা? কাউকে উদ্দেশ্য করে নয়, নিতান্ত সাধারণ কৌতুহল থেকে জানতে চেয়েছি।

সি এস এম কলোনি র অামাদের এই বোনটিকে অামরা কি চিনি?


দিনভর ক্লাসে ডুবে থাকা। এরপর বিকেল থেকে রাত ১০টা অব্দি টিউশনির তাগাদায় এ বাড়ি ও বাড়ি। তারপর গভীর রাত পর্যন্ত নিজের পড়াশোনায় মনোযোগ। সঙ্গে পরিবার টেনে নেওয়া-সেখানেও তিনি।

এসব কিছুর একটাই প্যাকেজ-‘ফারহানা ইয়াসমিন’। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
সারাদিন ক্লাস করার পর অন্য বন্ধুরা যখন একটু জিরিয়ে নেওয়ার আয়েশে থাকতেন- তখন তিনি দেদারসে টিউশনি করছেন। ‍বন্ধুরা যখন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন তিনি মাঠে, একটি ব্যাংকের সেলস এক্সিকিউটিভ।


এতকিছুর পরও ছন্দপতন হয়নি ফলাফলে। নিছক মনের জোরেই স্নাতকে ৩ দশমিক ৭৯ পেয়ে হয়েছিলেন প্রথম।
ফারহানার সে কৃতীত্ব হয়েছে পুরস্কৃত। চলতি বছর প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেয়েছেন তিনি। ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে নিয়েছেন পদক আর সনদ। প্রতিবন্ধকতার সব শেকল ভেঙে যুদ্ধজয়ী সোনার মেয়ে।

ভাবছিলাম মান-অভিমান নিয়ে কোন কথা বলব না


ভাবছিলাম মান-অভিমান নিয়ে কোন কথা বলব না।এখন দেখি আমার দোস্ত আতিক ও অভিমান করেছে।আতিক তোরা সিএসএম -এর বড়াভাই ও ছোটভাইরা মিলে এই পেইজের মাধ্যম আমাদের সকলকে একসাথে করেছিস। এই পেইজ সৃস্টি না হলে আমরা এমন সফল আড্ডা দিতে পারতাম না। তারেক .লিটন ভাই এর wife.নিরু মামার অসুখের খবর আমরা কি জানতে পারতাম।বড়াভাই ও ছোট ভাই সবাই মিলে সহযোগীতা করছ।আর তোরাই যদি রাগ করিস তাহলে চিটাগাং ঢাকার বাহিরে আমরা যারা আছি তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলব।এক মায়ের ঘর থেকে পাচ ছেলে পাঁচ রকম হয়।আর আমরা দশ মায়ের ঘরের, দশ রকমের।তাই সবার কথা মনে ধরতে নেই। সব ভুলে আমরা আবার আগের মত হয়ে যাই ।অন্যরা যাতে আমাদের নিয়ে মজা করতে না পারে।

Wednesday, March 9, 2016

স্বপ্ন ভঙ্গ এবং স্বার্থপর দৈত্য


সুজনের পরিসংখ্যান দেখে যখন আস্তে আস্তে গ্রুপে লিখার সং্খ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছিলাম তখন এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে ভাবিনি।ছোটবেলায় একটা গল্প পড়ছিলাম যে ছোট কিছু ছেলেমেয়ে একটা বাগানে খেলতে আসত।সেখানে তারা অনেক আনন্দে সময় কাটাত।কিন্তু বাগান ছিল এক দৈত্যএর।তাই সে দেয়াল তুলে দিয়ে বাগানের চারপাশে শিশুদের খেলাতে বাধা দেয়।

আমরা যারা কলোনি ছেড়ে অনেকদিন আগে চলে এসেছি,তারা এই পেজে মনের কথা লিখে,আড্ডা দিয়ে সেই সব শিশুদের মতই আনন্দ পেতাম।কখনো ভাবিনি তাদের মত আমাদের এই আনন্দ বাড়ি তে বাধা আসবে।দৈত্যএর মত কেউ দেয়াল তুলে দিয়ে শোকের বাড়ি বানিয়ে দিবে।তারপরেও রুপকথার গল্প মনে হয় সবসময় সত্য হয় না।আমিও চাইনা সত্য হোক।খসে পড়ুক সেই দৈত্যএর দেয়াল।মেতে উঠুক আনন্দ বাড়ি

CSM গ্রুপের কেউ এই পোস্টটি গ্রুপে রি-পোস্ট করলে কৃতজ্ঞ থাকবো


২৯ জানুয়ারির গ্রান্ড আড্ডা উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরনিকা "ফেরা" এর খরচের হিসাব সময়ের অভাবে ও বিজ্ঞাপনের টাকা তখন পর্যন্ত অনাদায়ী থাকায় এর আগে দেয়া সম্ভব হয়নি। যেহেতু আমি পেজ ত্যাগ করেছি তাই হিসাবটা এখন দিয়ে ফেলাটা উচিত বলে আমি মনে করছি।

বিজ্ঞাপন বাবদ প্রাপ্তঃ ১০২৫০০ টাকা
ম্যগাজিন বাবদ সর্বসাকুল্যে খরচঃ ১১৫০০০ টাকা।
ঘাটতিঃ (১২৫০০) টাকা

যেহেতু বিজ্ঞাপনের টাকা সম্পুর্ন অগ্রিম পাওয়া যায়না তাই গত ১৯/০১/২০১৬ তারিখে রেজা ভাই এর কাছ থেকে ৩০০০০ টাকা ও ব্যক্তিগত উৎস থেকে থেকে ২০০০০ টাকা নেয়া হয়েছিলো। গত ১ মার্চ বিজ্ঞাপনের টাকা পাওয়ার পর ব্যক্তিগত সমুদয় ২০০০০ টাকা ও রেজা ভাইকে ১৭৫০০ টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। যেহেতু ম্যাগাজিন টিম আর্থিক ব্যাপারে অবহিত নয় তাই ঘাটতি ১২৫০০ টাকার উৎস সম্পর্কে কোন ব্যখ্যা দিতে পারছি না।

"প্লিজ এড়িয়ে যাবেন না"


আমার ধারনা আমার লেখা সবাই পড়ে না। আমার লেখা সবাই পড়বে তেমন আশাও করিনা। কিছু দিন আগে একজন লিখেছিল কেউ কেউ নাকি লেখক বুঝে কমেন্টস আর লাইক দেয়। সেটা আমি বিশ্বাস করিনা। আমি আমার কথাই বলি আমি কমেন্টস / লাইকের আশায় পোষ্ট দিই না। আমার লেখায় কমেন্টস / লাইক বেশি পড়ছে কিনা তা কখনো চিন্তাও করি নাই। আমার কাছে যেটা হাসির মজার তা আরেক জনের কাছে হাসির না হতে পারে। সেই রকম আমার কাছে যেটা দুঃখের সেটা আরেক জনের কাছে তা নাও হতে পারে। তাই এই সব চিন্তা না করে আমার যা মনে আসে তা আমি লিখি।

এই পেইজের ৬৩৫ জন মেম্বার। সবাইকি আমাকে চেনে? হয়তো চেনে আবার হয়তো না। আবার আমাকে চিনতে হবে তার কোন বাধ্যবাধকতা নাই। আর আমি কি সবাইরে চিনি? তাও হয়তো না। কারন যখন কলনিতে ছিলাম তখন ওরা ছোট ছিল এখন বড় হয়ে গেছে। নামও হয়তো ভুলে গেছি। তাই অর্ধেকের বেশি আমার friend list এ add করা নাই। তা নিয়ে আমার মাথাব্যথাও নাই। কিন্তু আমার লেখায় তারাই বেশী কমেন্টস করে / লাইক দেয়। 

নির্বোধ এক মানুষ আমি


নির্বোধ এক মানুষ আমি।।নিজের অবস্থানটা সব সময় ভূলে যাই বা গিয়েছিলাম।।কোথায় ছিলাম এবং কোথায় আছি দুটোই আমি ভূলে গিয়েছিলাম।।অনেকটা ""অল্প পানির মাছের মতো।।বেশি পানিতে পড়ে ছটফট করতে ছিলাম""হঠাৎ কয়েক জন পথ আগলে ধরলো।।বলে বসলো কি করছিস তুই।।তুই কি তোর অতীত ভূলে গিয়েছিস।।ছিলি একা।।ছন্ন ছাড়া।।আর এখন সংগী পেয়ে নিজের অতীত ভূলে গেলি।।যারা তোকে আশ্রয় দিয়ে বুকে টেনে নিয়েছে তাদেরই অপমান করছিস।।থমকে দাড়ালাম।।চিন্তা করলাম আমার দ্বারা পরিবার ধংস হচ্ছে নাতো।।বুঝতে পারলাম হচ্ছে।।তাই আজ নিজেকে সুধরে নিলাম।।আবার অতীত জীবনটাকে আকরে ধরলাম এবং সামনে চলতে শুরু করলাম।।

পেজের শুরু থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত যাদের যাদের মনে কষ্ট দিয়েছি বা কষ্টের কারন ছিলাম তাঁদের সকলের কাছে সজোড়ে ক্ষমা চাচ্ছি।।

একটা ভাল উদ্যোগ - তারপর ভাঙ্গনের সুর আর কিছু প্রশ্ন


ছোট বেলায় পরীক্ষায় ভাব সম্প্রসারণ আসতো "স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন" এইটা আধা মুখস্ত, কিছু ঠোটস্থ আর বাকীটা টেনেটুনে, সাজিয়ে গুছিয়ে বিশাল বড় করে ভাবের সম্প্রসারণ করে ফেলতাম ঠিক আমাদের বিশাল বড় গ্রান্ড আড্ডার মতো। আসলে কি তাই?

যেকারনেই হোক আর যেভাবেই হোক, আর যারাই এই পেজটা ক্রিয়েট করেছে আর শুরু থেকে আজ এই মুহুর্ত পর্যন্ত যত মেম্বার আছে এই পেজে, আর যারাই রেগুলার এক্টিভ আর ইনএক্টিভ সবার কাছেই আমরা সবাই কৃতজ্ঞ। কারন এই পেজের কারনেই কিছু ভাল কাজের পাশাপাশি ২৯ জানুয়ারীতে একটা বিশাল আড্ডার আয়োজন করতে পেরেছিলাম। এই পেজের কারনেই আমরা সবাই আজ একসূত্রে গাঁথা। আড্ডাটা যত বড় বিশাল ছিল-যত মানুষের সমাগম হয়েছিল, প্রত্যেকেই যে পরিমান আনন্দ, হৈ-হুল্লোর মজা করেছি সারা জীবনেও হয়তো এমন আরেকটা আমরা কেউ পাব না। আড্ডাটা ছিল আমাদের অহংকার, আমাদের গর্ব, আমাদের অর্জন, আমাদের প্রায় ২৩/২৪ বছর আগে ফিরে যাওয়া। সবাইকে দেখতে পাওয়ার অকৃত্তিম আনন্দ।

তোমরা যদি pain না খাও, আরেক্তা মজার কাহিনি লিখতে চাই, বাবাকে নিয়ে


সবেমাত্র ইশকুল শেষ করে কলেজে ভর্তি হইছি। প্রথম যেদিন কলেজ যাব, আগের দিন রাতে বাবা একটা ৫০০ টাকার নোট দিয়ে বলল, "এটা মানিব্যাগের এক কোনায় এমনভাবে রাখবি যাতে চোখে না পড়ে, চোখে পড়লে খরচ হয়ে যাবে। এই টাকাটা শুধু মাত্র বিপদের সঙ্গী, যখন কোন বিপদে পড়বি তখনি শুধু টাকাটা ব্যাবহার করবি" আবার বাবা আরেকটা কথাও সবসময় বলতো আর বিশ্বাস করত, "রু মানে পরান যখন যেটা চাইবে পরানকে সেটা দিয়ে দিবি, নতুবা পরানের আফসোস থেকে যাবে, কারন মানুশের মরা-বাচার কোন বিশ্বাস নাই, আত্মা যেন অতৃপ্তি নিয়ে না মরে।"

তো পরতাম, সিটি কলেজে, দুপর বেলা কলেজ বাস আসতো দেড়টায় ঠিক মার্কেটের মোড়ে। ওখানটায় একটা নার্সারি ছিল যেখানে বসে আমরা গাড়ির অপেক্ষা করতাম, সবারি হয়তো মনে পরবে পাশেই ছিল হোটেল জামান, ঠিক দুপুরে যখন খিদায় পেট কি খাব? কি খাব? করতো, ওই সময় পাশের ওই বিরিয়ানির ঘ্রান কেমন লাগতো এটা বোধয় কমবেশি সবাই জানি।

গাহি সাম্যের গান


অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম পেইজে কিছু লিখবো। অফিসের কাজের চাপে দিনরাত বেসামাল থাকায় পেইজে খুব একটা রেগুলার হতে পারছিলাম না বেশ কিছুদিন ধরেই। ছোটখাটো কিছু কমেন্টস আর লাইক দিয়ে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছিলাম। পরিসংখ্যানবিদ সুজনের মাসিক রিপোর্টের পর নিজেকে ফাঁকিবাজ ছাত্র মনে হচ্ছিলো।:p গতকাল থেকে কিছুটা অসুস্থ থাকায় আজ মেডিক্যাল লিভ নিয়ে রেস্ট করছি।তাই ভেবেছিলাম, আজ কিছু লিখবো।কিন্তু,পেইজে ঢুকেই দেখি সিরিয়ার যুদ্ধ(মইয়ু ভাইয়ের ভাষায়)চলছে CSM পেইজে। তাই তথাকথিত যুদ্ধ নিয়েই লিখছি।

পেইজে কিছু কিছু কমেন্টস পড়ে কয়েকটা প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন নির্বোধ আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রশ্নগুলো হলঃ

১। ব্লগ এবং ব্লগার কি?
২। CSM Colony গ্রুপটি কি একটি ফেসবুকভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্লগ; নাকি আত্মার মিলনস্থান?
৩। যারা CSM Colony গ্রুপে বিভিন্ন পোস্ট দেন, তারা কি ব্লগার?

আমার বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে খুব ইচ্ছে করছে আজ


আমার বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে খুব ইচ্ছে করছে আজ। যারা দেখেছেন সবাই জানেন কি পরিমান friendly ছিলেন উনি, কোনদিন শাসন করেন নাই, শুধু ভাল আর মন্দটা বোঝাতে চেয়েছেন। সাথে সাথে লিখিয়েছেন কোনটা গ্রহন আর কোনটা বর্জন করতে হবে আর কেন। কিশোর বয়সে যখন অন্য অভিবাবকরা ছেলেদের খারাপ সঙ্গ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিতো, সেখানে বাবা আমাকে বলতো, খারাপের সাথেও মিশতে নাহলে বুজব কিভাবে কোনটা খারাপ, কেন খারাপ ইত্যাদি। আমার আরও মনে আছে অন্য বাবারা যখন ছেলেদের লাঠিম, মার্বেল কিংবা ঘুড়ি না উড়ানোর জন্য শাসন করত, বাবা আমার জন্য বক্সশির হাট থেকে uncommon সব colorful লাঠিম, কয়েক পাঙ্খি ঘুড়ি নিয়ে আসতো, তারপর উনি নিজেই ওগুলো উড়ানোর যাবতীয় বন্দোবস্ত করে দিতো, শুধু তাই নয়, রোদে ঘুড়ি উরালে গায়ের রঙ কালো হয়ে যাবে বলে বাবা আমাকে system করে দিতো কিভাবে ঘরে বসে ঘুড়ি উড়ানো যায়। কারন বাশা ছিল মাথের পাশেই। এমন কন আবদার নাই যেটা আমার বাবা পূরণ করে নাই।

ভাই ও বোনেরা শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কাইকে আঘাত করার জন্য বলছি না


ভাই ও বোনেরা শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কাইকে আঘাত করার জন্য বলছি না।

আমরা সবাই প্রতিটি ক্ষেত্রে বলছি আমরা সি.এস.এম এর পরিবার্। এ কেমন পরিবার? আমরাতো সবাই মিলেমিশে থাকতে চাই। পরিবারের ভিতরে যে হিংসা বিদ্দেশ শুরু হয়ে গেছে তার সমাধান দিবে কে? এই সমাধান আমাদের নিজেদের মাঝেই।

অবশ্যই আমাদের নিজেদের মন-মানষিকতাকে আরো উন্নত করা উচিত । ছোট বেলায় দেখতাম আমরা কারো সাথে ছোট খাটো বিষয় নিয়ে হিংসা, অহংকারের কমতি ছিল না। এখন তো আমরা সবাই বড় হয়ে গেছি, একটু কি পারি না বড় মনের অধিকারী হতে। 

তাহলে বোঝা যাচ্ছে আমরা যতই নিজেদেরকে কাপড় চোপড়ে পরিপাটি করলেও মনকে পরিপাটি করতে পারি নাই।
এত সুন্দর একটা গ্রুপ তা আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে। আমরা তো ভালই ছিলাম।

বিনীত অনুরোধ


সর্বজন শ্রদ্ধেয়,
রেজা ভাই/নিরু মামা/ নাজমুল ভাই/মানিক ভাই/আতিক ভাই- গত দুদিন ধরে এই পেজে যা হচ্চে তাতে আমরা সাধারণ সদস্যরা(যারা আড্ডায় সক্রিয় ছিল না)যথেষ্ট বিব্রত।ঘটনার আদোপান্ত আমরা জানি না আর জানতে ও চাই না।আমরা csm এর সাধারণ সদস্যরা চাই,২৯ শে জানুয়ারী আমাদের মাঝে প্রতিবছর ফিরে আসুক।আপনারা এই পেজের কান্ডারী,আপনাদের সুচিন্তিত নির্দেশনায় আমাদের চলার পথের পাথেয়।আমরা csm কলেনীর বাসিন্দাদের একই ফ্যমেলীর মেম্বার হিসাবেই চিন্তা করতে চাই।এর জন্য প্রয়োজনীয় যা যা করার দরকার এই csm কলোনীর কান্ডারী হিসাবে,মোরব্বী হিসাবে আশা করি আপনারা করবেন।দু'একজনের জন্য এ মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যেতে পারে না।আশা করি শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ভাইয়েরা বিষয়টি ভেবে দেখবেন।

কি হচেছ আজ কয়েকদিন এই পেইজে


কি হচেছ আজ কয়েকদিন এই পেইজে নতুন করে কেউ যদি জয়েন করে পেইজে তাহলে সে মনে করবে সিরিয়া বা ইরাকে ডুকছে, তাড়াতাড়ি পালাইতে চাইবে,কলোনীতে আবাহনী মোহামেডান খেলা হলে যে উত্তেজনা হতো,নবীন সংঘ এপ্রিল29 খেলা হলে যে উত্তজনা হতো সে উত্তেজনা বিরাজ করছে, টান টান উত্তেজনা সাময়িক কয়েক দিন থাকবে কলোনীতে,আবাহনী মোহামেডান খেলার সময় একদিন প্রাণের দোস্তের হাতে মাইরও খইছি,দুএকদিন দুই দোস্তের কোন মুখদেখা দেখি নেই, কলোনীতে বাস করে কারোমুখ কেহ না দেখে থাকা যায়না,তিনদিনের দিন দোস্ত নিজে এসে বাসা থেকে ডেকে নিল,এটা C S M কলোনী কলোনীতে বাস করে সবাই সব বিবেদ ভুলে একসাথে কাধে কাধ মিলিয়ে চলাফেরা করছি, এই পেজটা ও একটা কলোনী তাই আর কি বলবো আমরা আমরাই তো(((রাতে ঘুমানোর সময় মনে করছিলাম কাঁকড়া নিয়ে একটা গল্প বলবো কিন্তু সকালে পেজ খুলে আমার দোস্তের মেজাঝ দেইক্কা গল্পের প্লট ই গিলিয়া পেলছি)))

মেয়ের খুব শখ হইলো তার বান্ধবী কে আমাদের বিয়ের ভিডিও দেখাবে


মেয়ের খুব শখ হইলো তার বান্ধবী কে আমাদের বিয়ের ভিডিও দেখাবে।পাশের বাসা থেকে মেয়ের বান্ধবীকে ডেকে নিয়ে আসা হলো,বিয়ের ভিডিও চালু করে দিয়ে পাশের রুমে গেলাম।তারা দুইজন মিলে ভিডিও দেখতে থাকলো, হঠাৎ মেয়ের সেই কান্না ...তরিৎ গতিতে দৌড়ে মেয়ের কাছে গেলাম।গিয়ে যা শুনলাম......
...
...
...
মেয়ের বান্ধবীঃ আঙ্কেল আমি শুধু মানহা কে জিজ্ঞাসা করেছি "ভিডিও তে তুমি নাই কেনো!? বিয়েতে তোমাকে নিয়ে যায়নাই!!? অমনি সে কান্না করে দিলো।।
মেয়েঃ আমাকে তোমরা নিয়ে যাওনি কেনো!!?
আমিঃ উপায়ন্তুর না পেয়ে বলে বুঝালাম যে,সেইদিন সন্ধ্যার পরেই তুমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলে,তাই তোমাকে স্টেজের পিছনে একটা খাট ছিলো,ঐটাতে তুমি ঘুমাচ্ছিলে।
পরে মনে মনে চিন্তা করে বের করলাম এই যে, বান্ধবীর কাছে এই রকম প্রশ্ন শুনে মেয়ের নিশ্চই খুব অপমান লেগেছে তাই সাথে সাথে তার বিশাল কান্না,আজকাল বাচ্চাদেরও অনেক অপমানবোধ,খেয়াল রাখবেন সবাই।
(আপনাদের এমন অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করুন)

পেজ জমেনা এই কথাটি বললে, এখানে যারা নিয়মিত লিখে বা আমারা যারা লেখাগুলি পড়ি, লাইক বা কমেন্ট করি, তাদের অপমান করা হবে


রাসেলের লেখা post গুলি মজার ছিলো। post গুলি ছিলো ভিন্ন সাধের। সবাই মিলে ভালো আড্ডা চলতো। নমিও csm টিভি চ্যানেল খুলে, আমাদের প্রচুর আনন্দ দিয়েছে। মইন খান সুন্দর সুন্দর গল্প কবিতা লিখে এই পেজটি জমিয়ে রেখেছিলো। এখন এই তিনজনের একজনও এই পেজে নাই। 

আমাদের এডমিনরা কি তাদের বের করে দিয়েছে!!?? তাহলে কেন চলে গেলো?? তার কোনো ব্যাখ্যাও দিয়ে যায়নি!! মইন খানের টা আমি জানি। কিন্তু সে আমার কথা না সুনেই চলে গেছে। আমার বিরুদ্ধে মইন খানের অভিযোগ আছে, সে, তার অভিযোগ টি এই পেজে post করেছে। 

রাসেল আর নমির ব্যাপারটা আমি বলতে পারবোনা।

Tuesday, March 8, 2016

নোয়াখাইল্লা ভাষা আর সুইডিশ ভাষার অনেক মিল আছে


নোয়াখাইল্লা ভাষা আর সুইডিশ ভাষার অনেক মিল আছে। মিল দেখে মনে হয় যেন, আমার আগেই কোন এক নোয়াখাইল্লা সুইডেনে এসে এদের ভাষা শিখিয়ে গিয়েছে। কোন নোয়াখাইল্লা যদি সুইডিশদের কে ভাষা না শেখাতো তাহলে সুইডিশ জাতি, না জানি কত দিন বোবা থেকে যেত। আমি প্রমাণ দিচ্ছি, বিশ্বাস না হলে গুগল ট্রান্সলেটে উচ্চারণ দেখে নিতে পারেন।
যেমন
কোর্তা (skjorta)-শার্ট
খলিয়া (skölja)- তরল পদার্থ যেমন পানি বা রাসায়নিকে কিছু ধোয়া
নাম - (namn) - নাম
মোচ (mustasch) গোঁফ
যাই হোক কালের বিবর্তনে সুইডিশ জাতি তাদের অতীতের ভাষার ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে। তার পরও প্রাচীন ভাষার রেশ এখনো তাদের ভাষায় পাওয়া যায়।
আঁই কি বইলতে চাই আন্নেরা ব্যাকে বুইজ্জেননি(förstår ni)?

৮ মার্চ নারী দিবস তার মানে নারী দি boss


৮ মার্চ নারী দিবস তার মানে নারী দি boss. আর বছরের ৩৬৪ দিন কি নারীদের পাওয়ার থাকে না? আমারতো মনে হয় ৩৬৫ দিন অর্থাৎ ৮৭৬০ ঘন্টায় পাওয়ার থাকে। অফিস থেকে একটু দেরি করলে ফিরলে ফোন। কোথায় গেছি? দেরি হচ্ছে কেন? ফোন বিজি পেলে বা রিসিভ করতে দেরি হলে বা রিসিভ করেত না পারলে কত কৈফিয়ত। বিশেষ কোন দাওয়াতে গেলে ড্রেস পর্যন্ত ঠিক করে দেয়। মাঝেমাঝে খারাপ লাগে না। ভালোই লাগে।

একটা মাদ্রাসার প্রাতিষ্ঠানিক ভদ্রতা


গত মাসে আমার মেঝ ফুফা মারা যায়। আমি আর আমার বাবা হাজির হলাম ফুফুর শশুর বাড়ী জানাজায় শরীক হবো বলে। যাওয়ার পর জানলাম পাশের একটা মাদ্রাসায় ওনাকে নেয়া হয়েছে আর সেখানেই জানাজা হবে। আমরাও রওয়ানা দিলাম। মন খারাপের মাঝেও প্রাকৃতিক পরিবেশের ছোয়ায় মনটা হালকা হতে লাগলো। কিছু বড় বড় হুজুর আর কিছু পিচ্চি পিচ্চি হুজুরের দেখা পেতে লাগলাম, কি বলবো! ভাবলাম আমি আগে সলাম দিয়ে তাদের অবাক করে দিবো কিন্তু আমাকেই অবাক করে একের পর এক সালাম, আর পিচ্চিরা তো এক ধাপ উপরে। মাদ্রাসা গেইট দিয়ে ডুকলাম, যার সাথেই দেখা হচ্ছে তিনি সালাম দিচ্ছেন আর হাত মিলাচ্ছেন ও কোলাকুলি করছেন। এক হুজুরকে বললাম আমি একটু ওয়াশরুমে যাবো, প্রথমে আমর কথাটা মনে হয় বুঝতে পারেননি, কিন্তু যখনই বঝলেন সাথে সাথে একজন ছাত্রকে ডেকে বললেন হুজুরকে হাম্মাম দেখায় দাও। 

সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ


সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
কেমন আছিস তুই?
তোর কথা ভাইবা জাগি
তোরে ভাইবা শুই।

সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
তোর শরীরডা কি ভাল?
তোর এত সুন্দর চেহারাটা আমরা 
ঝগড়া করিয়া বানাইলম কালো।

সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
তোর অভিমানি ভাইদের কি হইল?
তোর পেইজে আসিয়া বলতে বল,
কেন তারা চলিয়া গেলো-------?

এটাই সত্যি এটাই রিয়েলিটি


এটাই সত্যি এটাই রিয়েলিটি। "এটা এলিট ক্লাসের পেজ"" জাবেদের এই লাইনটাই সবকিছুর সমাধান। একজন বা দুজন না থাকলে কখনও আমাদের এই পথচলা থামবেনা। যে যেখানে মজা পায় সেখানে চলে যাক আমরা থোরাই কেয়ার করি। বরং তারাই এক্টা সময় আফসোস করে মরবে।

গল্পটা সবাই হয়তো জানেন। তাও বলছি।

একবার সন্তান রাগ করে খাচ্ছে না । তো মা অনেক সাধাসাধি করছেন। মার মন বলে কথা। অনেক বারই সেধেছেন মা। কিন্তু সন্তান খাবে না বলে মায়ের এই সাধাসাধিটা খুবি এঞ্জয় করছে। তারপর মা-ও অনেক ডাকাডাকির পর হাল ছেড়ে ডাকাই বন্ধ করে দিল।

সন্তান যখন দেখছে মা আর ডাকছে না তখন একটা প্লাকার্ডে "আরেকবার সাধিলেই খাইবো" এই বাক্যটি লিখে পাশে রেখেছে। কি করবে বেচারা? লজ্জায় মাকে বলতেও পারছে না আর ক্ষিদেও সহ্য করতে পারছেনা।

আমাদের থেকে যারা সরে গিয়েছে তারাও কোন একদিন রিলাইজড করবে আর যখন দেখতে আমরা সবাই সেই আগের মতোই মজা করছি কিংবা আনন্দে মেতে আছি তখন ভীশন আফসোস করবে হয়তো।

তবে এটা ঠিক কারো ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু করা যায় না । যার যেখানে খুশী চলে যাক। তবে আমরা যারা আছি তারা থাকবো সবসময় একে অপরের সাথে ।