Sunday, April 3, 2016

আজকে বিকাল থেকে মনটা খারাপ


আজকে বিকাল থেকে মনটা খারাপ।আমার মা বাবা আর ভাইবোনদের কথা খুব মনে পড়ছে।তাইতো ভাইদের নিয়ে কিছু লিখলাম।বেশি আমমার কথা মনে পড়ছে। কারন আমার মন খারাপ হলে আমমা বুঝতো।আসলে মা আমার অনেক আপন ছিল আমমা চলে যাওয়ার পর সবচাইতে বেশি আপন ছিল আববা। আর সেই আববাও নেই।যখন লিখছে তখন খুব কাননা করছিলাম।কেমন দূভাগ্য আমাদের আববা আমমাকে কত তাড়াতাড়ি হারিয়ে ফেললাম।খুব মনে পড়ে উনাদের আদর আর ভালবাসা গুলা।একটু জর হলে বা বলি জদি খারাপ লাগে তাহলে ভাল রাখার কত চেষটা করতো।আর এখন হাজার খারাপ লাগলেও কোনো শবদ করা যায় না।আসলে মেয়েদের জীবনটা অনেক কষটের।হাজার করলেও কোনো নামই নাই।তবুও বলা হয় এটা হয় নাই ওটা হয় নাই।কি করবো বুঝি না এ শশুরের গুসটি গোলারে কি করলে যে শান্তি হবে একমাএ আললাহ রাববুল আলামিন জান ন।

জলে তাহার ছায়া


বাসায় অনেকগুলো মানুষ কিন্তু উনি সবার চেয়ে আলাদা। বোঝা যায় তার প্রতিদিনের জীবন যাপনে,যারা তাকে কাছ থেকে চেনে। নিজেকে সবার চেয়ে আলাদা করে তৈরি করতে চায় সে। স্কুলের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কাজে তার সরব উপস্থিতি, বন্ধুরা তাকে ভালবাসে দারুন আর তার স্বভাব সুলভ সহজাত হাসি দিয়ে যে কাউকে আপন করে নিতে পারে খুব সহজেই। 

রাস্তা দিয়ে হাত দুটো স্থির করে হেটে যেতেন, তাকিয়ে থাকতাম কিভাবে হাত না নেড়ে হাটেন তিনি।কিশোর বয়সে একবার মোহাবিষ্ট হয়েছিলেন একবার, বুঝতে পারেন নি সেটা মোহ নাকি প্রেম।কারন ১৫ বছরের আগে যা হয় তা মোহ আর ১৫ এর পরে প্রেম। সেই ক্ষত তাকে আহত করে। একসময় কলোনি ছেড়ে চলে যান।কিন্তু চির আপন মানুষ গুলো র জন্য টান রয়ে যায় চিরদিনের জন্য। 

সবাই কাউকে না কাউকে নিয়ে লিখছে মজা করে


সবাই কাউকে না কাউকে নিয়ে লিখছে মজা করে।আমার এ দুই ভাইকে তো সবাই চিনে বলতে গেলে।আমারর পাঁচ ভাই।আললাহর অশেষ রহমতে আর আববা আমমার দোয়ায় আমার ভাইয়েরা হলেন একেক জন অসাধারন।বড় ভাই আর মেজ ভাই এদুজন ভাইয়ের কথা বলে শেষ করা জাবেনা।আমার ভাইয়েরা সেই ২০০০ সাল থেকে কত না কষট করছে আমাদের সংসারের জন্য।এখনও পযন্ত আমাদের জন্য ওনাদের ভালবাসা এতটুকুও কমেনি।আমাদের তো বাবা মা বলতে কেউ নেই।কিনতু আমার বড় দুইভাই তা কখনও বুজতে দেয়নি।আমার বড় ভাই কিনতু পড়ালখায় অনেক ভাল ছিল।উনি খুব সৎতার সাথে জীবন ধারন করেন।মেজভাইও তাই।আমাদের সব ভাইবোদের পড়ালেখার ব্যাপারে উনারা খুব সচেতন ছিলেন।জার কারনে আমরা সবাই টিক ভাবে মানুষ হতে পেরেছি।যেদিন আমার এম. এ পরীক্ষার পাসের খবর ভাইয়া জানলো ভাইয়া অনেক.... অনেক খুশি হয়েছিল।আমার সব পরীক্ষারর সময় আমি বাপের বাড়িতে চলে জেতাম।আর ভাই ভাবীর বোনেরা আমাকে অনেক Help করেছে জা কখনও ভুলার নয়।আমার এ ভাইদের মত ভাই এত ভাল ভাই কোথাও আছে কিনা আমি জানিনা।যখনই বাপের বাড়িতে জাব সব পছনদের খাওয়া আর অন্য সব আমার ভাইয়েরা পূরন করে।ঠিক একজন বাবা মা জা করে তাই।আমার ভাবী টাও হয়েছে একদম মনের মত।খুব ভাল অনেক আদর করে আমাদের। আমার জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় ভাইয়া আমাকে নিয়ে গেছে পরীক্ষাসেনটারে।পরীক্ষা শেষ না হওয়া পযন্ত থাকতো।কত রোদের গরমে তারপরও ভাইয়া শুদু চাইতো আমরা জেন ভালভাবে পড়ালেখা করি একজন বাবার দায়িত্ব আমার ভাইয়েরা পালন করেছে আর এখনও করছে।অনেক কম বয়সে আমারভাইয়েরা আমাদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে।আমি আমার ভাইবোনদের খুব ভালবাসি।আপনারা সবাই আমার ভাইদের জন্য দোয়া করবেন জেন আমাদের পরিবারের এ বন্দন জেন সারাজীবন থাকে।

ফ্যাসফেসে গলার সুজন মামা


সুজন মামার সাথে পরিচয় গ্রুপেই।তখন থেকেই ইচ্ছামত দুস্টামি করি।মামা পুরাই আমার মত।দুস্টের শিরোমণি লংকার রাজা টাইপ। সুজন মামার ফ্যাস্ফ্যাসে গলার বিকট হাসি আমার খুবই পছন্দ।খুবই স্টাইলিশ সুজন মামা।বিয়ে থা করেনাই এখনো।অধীর অপেক্ষায় আছি।আড্ডায় গভীর রাতে আমাদের হোটেলে ড্রপ করেছিল গাড়ী দিয়ে।মামা আমাদের ট্রিটও দিয়েছে ঢাকায় এসে।আশা করি এবার ঢাকায় এসে পাস্তা খাওয়াবে।

সুজন মামা,মিস করি।গ্রুপে লেইখো প্লিজ।আর তোমাকে আমরা খুব পছন্দ করি। grin emoticon
তোমার সিএসএমের গানটা মামা- মন ছুয়ে যাওয়া।আসলেই। smile emoticon

আহসানুল তারিক (তারিক)


তারিক ৯৪ ব্যাচ,কলোনীতে থাকতে ভাল গোলকিপার ছিল,এবং ক্রিকেট খেলতো।ফাস্ট বোলিং করতো।মিঠু ভাইয়ের শিষ্য ছিল।

বাসা ছিল সি টাইপে, মাঠের সাথে।সব- সময় স্টাইল করে চলতে পছন্দ করতো।স্কুলে গিটার বাজিয়ে ভাল সুনাম অজর্ন করে ছিল ভাইটি।প্রায় সময় দেখতাম ঘারটা খালি ঘুরায়,মনে করেছিলাম মুদ্রা দোষ।কিন্তু না ভাই টির এইটাই তার স্পাইনাল কর্ড এর সমস্যা।যার কারণে ভাইটি এখন বিছানাতে।

রাত জেগে জেগে কমেন্ট করে সবার সাথে।
তার কারণে আমরা অনেকাংশে আজ আবার এক মহতি কাজে একএিত হতে পেরেছি।
সবাই ভাই টির জন্য দোয়া করবেন, যেন সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।
কারন এই পেজে সকলে আমরা আমরাইতো।

সাজ্জাদ শাকিল


পরিচিতি:-
এখন বলছি এক সংগ্রামী বন্ধুর গল্প।।অনেকেই হয়তো চিনবেন না।।আমার বন্ধু।।শুধু বন্ধু বললে ভূল হবে।আমার ভালো বন্ধুদের মধ্যে একজন।।
নাম:-সাজ্জাদ শাকিল।।
পিতা:-নছরুল কবির।।
বোন:-একা(95-ব্যাচ)
ব্যাচ:-2000
বাসা:-এফ-3/21;
অত্যন্ত ভাল একটা ছেলে।।ভাল মনের একটা মানুষ।।যার ভেতরে কোন রাগ,,লোভ বা লালসা নেই।।অত্যন্ত মিসুক একটা ছেলে।।আছে কেবল চাপা কিছু কষ্ট আর অভিমান।।

ছোট বেলা থেকে ছিল অত্যন্ত লাজুক।।খেলাধুলার পাশাপাশি আড্ডাটা তার বেশি পছন্দের ছিল।।
অনেকটা বাবার মতোই হয়েছে।।আমি যতদূর দেখেছি এবং জানি,,ওর বাবাও ছিল একজন মাটির মানুষ।।আমাদের অত্যন্ত ভালবাসতেন।।

সবার প্রিয় নীরু মামা


রুনী মামা 
সবার প্রিয় নীরু মামা।

নীরু মামা হচ্ছেন এমন একজন মানুষ যিনি কথাই বলেন কবিতায়,ছন্দ মিলিয়ে।অবাক হই যে কেমনে সম্ভব।কারণ ছাড়াই আমাদের তিন বোনকে অনেক আদর করেন।আমার সাথে চলে তাঁর ছন্দ বিনিময়। আমার মন খারাপ হলে ইনবক্সে নক করে আমাকে হাসান নীরু মামা।দুষ্টামি করে ডাকেন মামাউ।মামার সাথে কথা বলেই নিংরেজী ভাষায় ডিগ্রী নিয়েছি। নীরু মামার শরীরের অবস্থা তেমন বেশী ভালো না।আল্লাহ্‌ যেন আমার এই অসম্ভব প্রিয় মামাকে দ্রুত সুস্থ করে তোলেন।

মামা,তুমি খুব ভালো।খুব খুব ভালো।

এই লেখাটি আমার টাইমলাইনে পোস্ট করেছিলাম, আগস্টের ১৪ /১৫ তারিখ ২০১৫ তে


এই লেখাটি আমার টাইমলাইনে পোস্ট করেছিলাম, আগস্টের ১৪ /১৫ তারিখ ২০১৫ তে। তখনো আমাদের পেজটি সৃষ্টি হয়নি। আজ Ziaul Hasan ভাইয়ের জন্য আবার পোস্ট করলাম

সকাল থেকে ঝুম বৃষ্টি, সি টাইপ মাঠে পাইন্যা ফুটবল খেলতে স্কুল কলেজ বাদ দিয়ে সিনিয়র জুনিয়র সব পোলাপাইন হাজির, এমন িক জীবনে কোনদিন ফুটবল টাচ করেনি সেই আনোয়ার ভাই ও কোথ্থেকে যেনো একটা একটা কালো হাফ প্যান্ট যোগাড় করে, তার উপর সাদা স্যান্ডো গেন্জি পড়ে মাঠে হাজির, উনাকে দেখে সবার উৎসাহ আরও বেড়ে গেল। কোন পক্ষ বিপক্ষ নেই সবাই উনাকেই ল্যাং মারতে লাগলো, এক একটি ল্যাং খায় আর উনি শূণ্যে ভাসতে থাকেন, তবে আনোয়ার ভাইকে দেখা যাচ্ছিলো না শুধু কালো হাফ প্যান্ট আর সাদা গেন্জি শূণ্যে ভাসতে দেখা যাচ্ছিলো। খেলা শেষে পুকুরে গোসল করে যে যার বাসায় চলে গেলাম, বাসায় ঢুকতেই বাপ মা আমারে হালকার উপর ঝাপসা প্যাদানী দিলো, খেলার আনন্দে আর একটু পর জানলায় বসব সে খুশীতে কিছু গায়ে মাখলাম না। ভাত খেয়ে পিছনের জানলার ধারে বসলাম বিশেষ উদ্দেশ্যে !!! 

ওহে পরবাসী


মাকসুদ চাচা চলে যাবার পর উনাদের বাসায় আসেন তারা।এক ভাই এক বোন।বাবা সিকিউরিটি অফিসার।সারাদিন বাইক নিয়ে কলোনি দাপিয়ে বেড়ান। কিছু অনিয়ম দেখলে বকাঝকা করেন। কলোনি র সিনিয়র ভাইয়েরা উনার উপর কিছুটা বিরক্ত, তটস্থ থাকতে হয়। কিন্তু ছেলেটা হয়েছে উল্টো। সবার সাথে মিলেমিশে থাকে, খেলাধুলা করে।কথাবার্তা য় তার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায়। প্রায় অফ হোয়াইট শার্ট আর খাকি কালারের প্যান্ট পড়ত। চোখে মোটা ফ্রেমের পাওয়ারফুল চশমা। 

অনেকেই হয়ত চিনতে পেরেছেন, কার কথা বলছি।তাসকিন ভাই। তাসকিন ভাইয়ের নাম যখন প্রথম শুনি তখন অবাক হয়,এরকম নাম আগে শুনিনি বলে। মাঝেমাঝে দুপুরে বের হলে উনাদের বাসায় যেতাম,উনি ডাকতেন।ওনাদের বারান্দা ছিল ছোট খাট বোটানিক্যাল গার্ডেন। তাসকিন ভাই আমাকে বলতেন,কোন টা কি ক্যাকটাস বা ফুলের গাছ।তখনই উনার কথা বলার ধরন দেখে মুগ্ধ হতাম। 

ফ্যামিলিতে খেলাধুলার আবহ ছিলো সবসময়


ফ্যামিলিতে খেলাধুলার আবহ ছিলো সবসময়, ফূটবল বা ক্রিকেট যে কোন আন্তুর্জাতিক মানের খেলা হলে আমাদের বাসা মোটামুটি মিনি স্টেডিয়াম, আব্বার কলিগ রা সহ আশেপাশে র লোকজন সবাই আমাদের বাসায়, রাত জেগে খেলা দেখা হৈ হুল্লোর, ভুনাখিচুড়ি, ঝালমুড়ি ননস্টপ চলত।

আমার মামা ছিল ৮৫ থেকে ৯০ সাল পর্য্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্লেয়ার, উনি দীর্ঘ দিন ঢাকা আবাহনী ও ব্রাদার্স ক্লাবেও খেলেছেন। মামারা থাকতেন আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনিতে, আমার শৈশব, কৈশোর জীবনের অনেক টা সময় কেটেছে এই মামাদের সংস্পর্শে। তাই খেলার প্রতি ছিল আমার দুর্নিবার আকর্ষন। তার উপর মামার ব্যাক্তিত্ব চালচলনও আমাকে টানতো, মামা ছিলেন রোমান্টিক পুরুষ, আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনি র সবচেয়ে সুন্দরি মেয়েটিকে বিয়ে করেছিলেন সিনেমাটিক সস্টাইলে।তারপর থেকেই ভবিষ্যত জীবনে আমার ফুটবলার হওয়ার ইচ্ছে জাগে, সেটা একসময় ভেস্তে গেল কল্পনা কল্পনায়ই থেকে গেল, পরবর্তিতে জোড়েসোড়ে ক্রিকেট খেলার পরিকল্পনা ও খেলা শুরু করলাম, ভাবছি এই বুঝি বড় ক্রিকেট প্লেয়ার হয়ে যাচ্ছি, এখানে তথৈবচ। পরিকল্পনার পরি উড়ে গিয়ে কল্পনাই থেকে গেল। অবশেষে টিপিক্যাল মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তানের মত কোনমতে লেখাপড়া শেষ করে চাকুরী শুরু করলাম।
আমি এখন কাগজের ফেরিওয়ালা।

সজীব ৯৬ ব্যাচ


আমাদের রানা ভাইয়ের ভাই।আরো দুই ভাই আছে,সবুজ ও রাজীব।
থাকতো সি টাইপে,আতিক ভাই - পলাশ ভাইদের বিল্ডিং এ।
ছোট কালে বেশী একটা মিশা না হলে, দেখেছি শান্তশিষ্ট ভাই টি আমাদের। খুবই পরিশ্রমী। কোন কাজে না নেই।সাধ্যমত সব কাজ করার চেষ্টা করে।
আড্ডা তে ভাইটির দায়িত্ব ছিল কমু ভাই এর সাথে,আপ্যায়ন এ।তার এবং তার ভাই রাজীব এর যে পরিশ্রম করেছে,সে ব্যাপারে সব থেকে বেশী বলতে পারবে কমু ভাই।
আড্ডা আগের দিন রাতে সবাই কে খাওয়ার পর ভাই টি খেয়েছে,ওর গুনর্কীতন করে ওকে বিব্রত কর অবস্থায় ফেলতে চাই না।
পরিশেষ এ ভাই তুই সব সময় এরকম থাকিস।এখানে আমরা আমরাইতো।
সবাই ভাইটির জন্য দোয়া করবেন।যেন ও খুব তারাতারি জীবনসঙ্গী খুজেঁ পায়।

ছবির ভদ্রলোক একজন ষ্টীলার।।


পরিচিতি:-
ছবির ভদ্রলোক একজন ষ্টীলার।।
হয়তো চেনেন,,হয়তো চেনেননা।।তবুও পরিচয় জানাচ্ছি।।
নাম:-উদয়ন বড়ূয়া প্র:আবু।।
ব্যাচ:-95।।
বাসা:-F-7&C2।।

আমার বড় ভাইয়ার আর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু।।খুবই পছন্দ করতেন ভাইয়াকে।।সেই মাধ্যমেই পরিচয়।।খুবই চঞ্চল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন।।খেলাধূলার প্রতি ছিল ওনার ধারুন নেশা।।ফুটবল বেশি পছন্দ করতেন।।দারুণ গোল কিপার ছিলেন।।হাসি-আনন্দ আর বন্ধু বান্ধব নিয়ে থাকতেন সারাক্ষণ।।কলোনিতে থাকাকালীন ওনার মা মারা গিয়েছিলেন।।বাবা ছিলেন খুব শান্ত স্বভাবের মানুষ।।কিন্তু আমার চিন্তা ছিল ওনি কেন এতো অশান্ত ছিলেন।।😜😜

জীবনে অনেক কষ্ট করেছেন।।লেখাপড়া শেষ করে পুলিশে যোগদান করেন।।বর্তমানে RAB-এ আছেন।।ওপরে যে ছবিটি ওটা ওনার পরিবার।।স্ত্রীও কিন্তু একই পথের পথিক।।মানে পুলিশে চাকুরি করেন।।মজার ঘটনা হল ওনার চাকরি নিয়ে কিন্তু দারুন এক কাহিনী আছে।।সেটা হলো ওনার যেদিন ইন্টারভিউ ছিল সেদিন ওনি ছিলেন কুমিল্লায়।।ফুটবল খেলায় ওনাকে হায়ার করে নেয়া হয়েছিল।।পরে কি করে চাকরি হলো সেটা আমার জানা নেই!!আমাদের বাসায় ওনি প্রায়ই আসতেন।।আমার বিছানাতেই ওনি ঘুমাতেন।।ওনেক ভালোবাসেন আমায়।।আমার দৃষ্টিতে ওনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন।।এখন আছেন কিনা জানি না😜😜(কারন!!জবটা পুলিশের))

সর্বোপরি উনার সাফল্য কামনা করি।।
ভাল থাকবেন আবু ভাই।।সকাল,,দুপুর,, সন্ধ্যায়।।

সত্যি ঘটনা


কিছু কথা বা জিনিষ আছে অনেক বুদ্দি মান মানুষ ও প্রয়োজনের সময় ভুলে যায় বা জানেন না,যাক আজ থেকে দু দিন আগে যে কোন এক দরকারে দুই বন্ধু রওয়ানা দিলাম কাটগর,অনেক অনেক দিন পর দুই বন্ধুর এক সাতে যাওয়া মোটর সাইকেল নিয়ে যাচ্ছি,কিন্তু বন্ধু আমাকে আগে ই বলেছে যে বাইক ঠিক মত সার্ভিস দিচ্ছে না, আমি বললাম চল দেখা যাক,আমি মনে করেছি এমনিতে অসুবিদা মনে করছে তাই আমার আটটি ফরট্টি বাইক নিলাম না, কিন্তু এই বাইক চালাতে আমার বন্ধুর খুব কস্ট হচ্ছিল, তারপর ও যাবে কারন ও কথা দিয়েছে আরো অন্নরা যাবার কথা ছিল কিন্তু তাদের অসুবিদার কারনে যেতে পারেনি,তা আমি জানলাম অনেক পরে আগে জানলে আমি কোন দিন আমার বন্ধু কে যেতে দিতাম না আমি ও যেতাম না, কিন্তু বন্ধু আমার দেখা সি এস এম এর ১০০ তে ১০০ পাওয়া ১টি ই ছেলে আমার দেখা মতে বাকিদের কথা বলতে পারবো না, তাই আমি বন্ধুর কথা রাখলাম ,বাইক চালাতে সামান্য গুটি নাটী বেপার গুলা জানা থাকতে হয় কিন্তু দুর্ভাগ্য আমার এই বন্ধুর এই জাগায় কমতি আছে তাই বন্ধু কে বল লাম কিছু জেনে রাখিস আশা করি আমার বন্ধুর আর এমন করে বাইক চালাতে হবে না।ঘটনা টা ঠিক মত গুচিয়ে লিখতে পারিনি আমার মনে হচ্ছে তারপর ও যা লিখলাম তা বুজি নিস, নিবি, নিয়েন।আমার অনেক কস্ট হল লিখতে।
আমার আর এক বন্ধু বলছিল কোন পোস্ট লিখে যদি বেক্তি বিশেষ কে মানে কম সংখক মানুষ কে টেগ করে তা হলে সে ওই পোস্ট লাইক বা অন্য কিছু করে না তাই বন্ধু কে তোকে কী দিল না দিল না ওইটার দরকার নাই, তোর নাম,দাম তুই জানোস, আর কী চাস যেমন আমি দেক বন্ধু...............এক টু কম না বেশি কোন টা হল।
++++++++++++++++++++++পড়লে ভাল না পড়লে আরো ভালোর ভাল

"ছোটবেলার খেলার সাথী "


Shazi Khan যুথী, Ahmed Nazim, Bgm Khadiza ফেন্সি আমরা একি বিল্ডিংয়ে থাকতাম। যুথী হচ্ছে আমাদের শাহিন ভাই ও বিথী আপুর ছোট বোন। আর নাজিম হচ্ছে আমাদের জসিম ভাই ও কমু ভাইয়ের ছোট ভাই। ফেন্সি হচ্ছে আমাদের পারভীন ও মানিক ভাইয়ের ছোট বোন। আমরা ছোট থেকেই একসাথে ছিলাম। আমাদের বিকেলের সময় গুলো ছিল খুব মজার। একসাথে গোল্লাছুট, সাতচারা, কুতকুত কতো রকমের খেলায়না খেলেছি। আমাদের বিল্ডিংয়ের পাশে ছোট একটা মাঠ ছিল। ই টাইপের মাঠ। সেই মাঠে আশে পাশের বিল্ডিংয়ে ছেলেমেয়েরা ও একসাথে খেলতাম। Suzan Hasnat, Rehana Munni মানিক ভাইয়ের বউ, মনু,Tafsi Fariha মুন্নি আপা, Shamima Bithi আপু, Munne Khodeza আপু, সুমি আপু (সুজনের বোন ) আরও অনেকেই সবাই একসাথে খেলতাম।শীতকাল এলেই বেডমিনটন খেলা। বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলে পিকনিকের আয়োজন। অনেক মজার ছিল দিন গুলো। নাজিমকে সবাই ক্ষেপাতো আমাদের সাথে খেলতো বলে। কিন্তু খেলায় ওর দম ছিল ভালো। খুব সহজ সরল মনের ছেলে। সবার সাথে খুব মিশতে পারতো। যুথী, ফেন্সি, নাজিম তোদের অনেক মিস করি। অনেক ঝগড়া ও আনন্দের মধ্যে দিয়ে কখনযে ছোটবেলাটা কেটে গেছে টেরই পেলামনা। যে যেখানে আছিস সবাই ভালো থাকিস। সবার জন্য শুভ কামনা রইল!!!

এই পেজে সব কিছুই মজার জন্য ফান করার জন্য, তেলানো,পঁচানো সবই এর অংশ


এই পেজে সব কিছুই মজার জন্য ফান করার জন্য, তেলানো,পঁচানো সবই এর অংশ। যার সাথে আমার কলোনিতে নূন্যতম পরিচয় ছিলনা তারে যেমন তেলাই বা পঁচাই, আবার যার সাথে খুবই ভালো পরিচয় ছিল তারেও তেলাই বা পঁচাই। বাস্তবতার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই, এগুলো সেন্স অফ হিউমারেরই একটা অংশ।

এ পেজের বাইরে সবারই একটা জগত আছে সেখানে সবার পরিবার,সমাজ,বিবেক, ধর্ম আছে, আমরা প্রত্যেকেই যার যার পরিবার, সমাজ,বিবেক ধর্মের প্রতি দায়বদ্ধ। আমরা এখানে মজা করতে গিয়ে তেলাতে গিয়ে,পঁচাতে গিয়ে বা একজন অপরজন এর সাথে আড্ডা দিতে গিয়ে এমন কিছু এখনো করিনাই বা করার পরিকল্পনাও মাথায়ও আনি নাই যে আমাদের উপরোক্ত দায়বদ্ধতা নষ্ট হয়। যা মজা করছি এটা পেজেই সীমাবদ্ধ রেখেছি, এখানে সবকিছুই প্রাকাশ্যে হচ্ছে,লুকোচুরি র বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই। 

সুতরাং ভাই বোন বন্ধু গন আসুন, ঝাঁপাইয়া পড়ে, মজা করি, তেলাই, পঁচাই, আড্ডা দেই একেবারে বিরতিহীন সিটিং গেটলক।

আহম্মেদ নাজিম( নাজিম)


আমার মনে হয় নাজিমকে ওর ব্যাচ এবং বিল্ডিং এর সহ কয়েকটি বিল্ডিং এর মানুষ চিনত। ও আমাদের জসিম ভাই, কমু ভাই এর ছোট ভাই কিন্ত উচ্চতায় মনে হয় সিএসএম পেজের সব থেকে লম্বা হবে ভাই টি।
কলোনীতে ওকে দেকতাম সব সময় মেয়েদের সাথে খেলতে,বড় মাঠে আমার জানামতে খুব কমই আমি ওকে দেখেছি।খুব সহজ সরল।
ওর সাথে কারও মতের পাথর্ক্য হলে সাথে সাথে তাকে fb unfriend করে দেয়।
ভাই- বোনদের প্রতি ওর যথেষ্ট মায়া।
কিছুদিন হল বিয়ে করেছে।আমাকে ইনবক্সে বার বার বলেছে ভাইয়া আপনি আসবেন তো।
আড্ডা তে গিয়েছিল, কিন্তু আমার সাথে তেমন করে দেখা হয়নি।
সবাই আমার এই ভাই টির জন্য সবাই দোয়া করবেন।ওর নতুন জীবন সুখের হয়।আর
পরিশেষ এ আমি সেদিন একটি পোস্ট এ লিখেছিলাম কাকে তেল এখনো দেয়া হয়নি তখন ভাইটি তার নাম বলেছিল।আমি মনে করেছিলাম কেউ হয়ত দিবে,তা দেখি কেউ দেয়নি,তাই আমাকে লিখতে হল।ভাই রেগে গেলে তো হেরে গেলে।সব সময় সাথে থাকার চেষ্টা করবে।কাটন এখানে আমরা আমরাইতো।

নুরউদ্দীন ( নুরু)


সিএসএম এর পেজের ছোট ভাই।থাকতো কলোনীর এফ/৪ নাম্বার বিল্ডিং এ।ছোট কালে কলোনীতে বড় মাঠে আসত খেলতে,তবে আমাদের সাথে খেলার সুযোগ পেত না।বেশী ছোট ছিল তাই।আমাদের রহিম বক্স চাচার ছেলে,যে চাচা কলোনীতে কেউ মারা গেলে কবর খোড়ার কাজ করতেন,সবার আস্হাভাজন মানুষ ছিলেন।

এই পেজে নুরুর ওর বাবাকে নিয়ে একটা পোস্ট করে পেজে আগমন,এবং সবার দৃষ্টি গোচর এ পরে ভাইটি।
মমতা নামে একটি এনজিওতে আছে।স্টেজে নাটক করে থাকে,নাটকে মহিলার পার্ট খুব সুন্দর করে করতে পারে।তার প্রমাণ কিছুদিন পূর্বে এ পেজে ওর একটা মহিলা সাজে ছবি পোস্ট করেছিল।

গত ১৬ ই ডিসেম্বর সিএসএম কলোনীর শহীদ মিনারে ফুলের তোরা ওর হাতে করা,এবং ওর প্রস্তাবে আমরা একএিত হয়েছি।ভাইটি সাদাসিধে এবং যেকোন কাজে- আড্ডা তে ডাকলে সময় করতে পারলে কখনো না করে না।
আড্ডা তে ভাইটির দায়িত্ব ছিল সুজন হাসনাতদের সাথে,প্রচন্ড রকমের পরিশ্রমী।
খুব ভাল ছবি তোলে।২১ ফেধ্রয়ারীর সব ছবি ভাই টি তুলেছে।

পরিশেষে- ভাই সব সময় এভাবে পাশে থাকবি।
সবাই ভাই টির জন্য দোয়া করবেন।কারন পরিবারের সব দায়িত্ব এখন ওর উপর।

ট্রলি মামা


আমাদের সবার প্রিয় একজন মানুষকে নিয়ে লিখবো।আমাদের প্রিয় ট্রলি মামা।নাম টলি,,আমি।মজা করে আমি ডাকি ট্রলি মামা।এই পেইজের সবচেয়ে বেশী হাস্যরসাত্মক মানুষ।সবাইকে মামার মজার মজার কথা আনন্দ দেয়।আমার অবস্থা হাসতে হাসতে খারাপ হয়ে যায় মামার সাথে কথা বলার সময়।আড্ডায় যাওয়ার জন্য ট্রেনে উঠেও মামা আমাদের সাথে খুব মজা করেছিলেন।মামার মজার মজার কথা আশেপাশের যাত্রীদেরও আনন্দ দিয়েছিল।আমার প্রোফাইল পিকচারে মামা সুন্দর সুন্দর কবিতাও লিখেন মাঝে মাঝে।লেখার হাত মামার অসাধারণ। অক্ষরগুলোসহই মনে হয় কথা বলে।সাম্প্রতিককালে মামা আমাকে শাশুড়ী হিসেবে মেনে নিয়েছেন (মামাই অফার দিয়েছেন ইনান আর আমাকে- আমাদের মেয়ের জন্য উনাকে বুকিং দিতে।বেবী খালামণি,আমার দোষ নাই)। আলহামদুলিল্লাহ্‌ স্বপরিবারে মামা অনেক ভালো আছেন।আমরা সবাই মামাকে খুব পছন্দ করি।পেইজে মামা নাই।উনাকে দ্রুত নিজেদের মাঝে দেখতে চাই।

ইহা ত্যাল নহে।

সি টাইপ মাঠে আমরা ফুটবল খেলছি, আমি গোল কিপার, দু তিনটি শট ডাইভ দিয়ে গোল সেভ করলাম


সি টাইপ মাঠে আমরা ফুটবল খেলছি, আমি গোল কিপার, দু তিনটি শট ডাইভ দিয়ে গোল সেভ করলাম। গোলবারের পিছন থেকে কেউ একজন বলে উঠল, সাবাশ, আতিক তুমি তো দারুন খেলো, তবে হাটুতে নিকাপ পড়ে নিও, না হলে যে ভাবে ডাইভ দিচ্ছ হাটু ছিড়ে যাবে, যিনি কথা গুলো বলছিলেন তিনি আমাদের Ziaul Hasan জিয়া ভাই। মাঠের পিছনে দাঁড়িয়ে আমাদের খেলা দেখছিলেন। তখন আমাদের কোন ক্লাব বা সংগঠন ছিলনা।কিশোর সংঘ নামে একটি ক্লাব ছিল সেটাও টিকে নাই। জিয়া ভাই সেদিনই খেলা শেষ হওয়ার পর এগিয়ে আসলেন, কথা ববললেন আমাদের সাথে, সপ্তাহের মধ্যেই শাপলা কুড়ি নামে একটি ক্লাব বানিয়ে দিলেন, কলোনি র বিভিন্ন বাসায় নিজে আমাদের সাথে ঘুরে ঘুরে চাঁদা তুললেন, ক্লাবটিকে টাকা পয়সার দিক দিয়ে একটি মজবুত ভিত্তি দিলেন। মনে আছে আমার, একসাথে তিনটি ফুটবল কিনেছিলাম স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে, দুটি ডিয়ার বল আরেকটি তখনকার সবচেয়ে দামী ব্রান্ডের বল মিকাশা। এত দামী বল দিয়ে তখন কেউ খেলতোনা। পুরা কলোনি তে আলোড়িত ঘটনা ছিল শাপলা কুড়ির ছেলেরা মিকাশা বল দিয়ে খেলে।

জিয়া ভাই ছিলেন ক্লাবের সভাপতি, সম্ভবত দুলি সেক্রেটারি আর আমি ছিলাম কোষাধ্যক্ষ। ক্লাব টি র নামের সাথে হালকা রাজণৈতিক টাচ থাকায় অনেকেই জিয়া ভাইকে ভুল বুঝে, তাই জিয়া ভাই শত চেষ্টা করেও বছর খানেকের বেশি ক্লাব টি টেনে নিতে পারেন নি। এর কিছু দিন পরেই জিয়া ভাইরা স্বপরিবারে ঢাকা চলে যান।

আজকে আমি লিখবো তাস্কুমামাকে নিয়ে


আজকে আমি লিখবো তাস্কুমামাকে নিয়ে।পেইজে তাস্কিন আশিক নামে পরিচিত। তাস্কু মামার সাথে আমার কোনো ছবি নাই কারণ মামার সাথে দেখা হয়নি।তাস্কু মামার সাথে পেইজেই পরিচয়। বিভিন্ন পোস্টে টুকটাক কমেন্ট বিনিময় চলতো।মামা কমেন্ট তেমন একটা করতো না আগে কোনো পোস্টে।কিন্তু আমি কোনো পোস্ট দিলেই মামা কমেন্ট করতো।সবসময়ই।মজাও পেতাম কমেন্ট বিনিময় করে।আম্মুর বার্থডেতে ভিডিও বানিয়েছিলাম।মামাকে বললাম হ্যাপি বার্থডে বলে ভিডিও দাও।মামা সাথে সাথে মার্কেটে দাড়িয়ে ভিডিও করে পাঠিয়ে দিয়েছিল।আমার যেকোনো পোস্টেই তাস্কুমামা মজার কমেন্ট করে আমাদের হাসায়।আতিক নানার সাথে আড্ডায় কথা বলেছিলাম।নানাকে বলেছিলাম "তাস্কিন মামা আমাকে চিনে।" মামারা আতিক নানার ঘটনা নিয়ে পোস্ট দেন।তাস্কুমামা নীরব থাকে।বেচারা কার পক্ষে যাবে বুঝে উঠতে পারেনা।

তাস্কু মামা,দেশে আসো।এয়ারপোর্ট থেকে সোজা আমাদের বাসায় আসবা।আর আমাকে এই পোস্টের জন্য পাস্তা খাওয়াবা। আর তোমাকে আমরা সবাই অনেক পছন্দ করি।

এই পেজে ৬০০ উপরে সদস্য


এই পেজে ৬০০ উপরে সদস্য।আমার মনে হয় প্রায় সবাই সময় হলে একটু পেজে চোঁখ বুলিয়ে যায়।হয়তো লাইক কমেন্ট করে না।নিরব দর্শকমাত্র। কিন্তু কোন কাজে তাদের প্রয়োজন হলে স্মরণ করলে সারা পাই।

তাদের একজন আমাদে আনোয়ার হোসেন রতন ভাই।থাকতো কলোনীর সি টাইপে।মামুন ভাইয়ের ছোট ভাই। খুবই শান্ত শিষ্ট ধরনের ভাই টি
কলোনীতে খেলাধূলায় খুব ভাল ছিল।পড়ালেখাতে খুব ভাল।

বর্তমানে ভাইটি সেনাবাহিনীর একজন উচু পর্যায় এর পদে কর্মরত আছেন।

আড্ডা তে ভাই টি আসেনি।হয়তো সময় সুযোগ করতে পারে নি,তবে আড্ডারর জন্য নির্বাচিত প্রথম ভেন্যু গানার্স ক্লাব নেওয়ার ব্যাপারে রাজিব ও রতন ভাই যথা সাধ্য চেষ্টা করেছে হয়তো সরকারী নিষেধাক্কার কারনে হয়তো হয়ে উঠেনি।ভাই টি সেলুট জানাই। সবসময় এভাবে পাশে থাকবেন।আর পেজে সময় করে কিছু পোস্ট করিয়েন,কলোনী নিয়ে।কারণ এখানে আমরা আমরাইতো।

আতিক ভাই


কলোনীতে যখন ছিলাম তখন উনাকে দেখেছি।কিন্তু কখনো কথা হয়নি।উনাদের গ্রুপ টা কে দেখতাম খুব আড্ডা দিতো।তখন মনে হতো আমরা কখন বড় হবো আর উনাদের মতো আড্ডা দিবো।এখন বড় ঠিকই হয়েছি কিন্তু কলোনীতে আড্ডা দেয়া আর হলোনা।দুঃখটা রয়েই গেলো কলোনীতে আড্ডা দিতে না পারার।আতিক ভাইয়ের সাথে ঢাকাই প্রথম দেখা হয় আমাদের ই দেয়া এক ইফতার পার্টি তে।সেদিন ও তেমন কথা হয়নি।উনার CSM নিয়ে লিখা প্রতি টা লিখা পরতাম।খুব ভালো লাগতো।চোখে ভাসতো তখন পুরু কলোনী টা।তারপরে CSM পেইজ টা হলো।উনার সাথে পরিচয় হলো।কথা হয় মাঝে মধ্যে।CSM বাসীর জন্যে অন্যরকম একটা টান আছে উনার।অনেক বড় মনের একজন মানুষ।অনেক হেল্পফুল একজন মানুষ এই আতিক ভাই।আমি আমার স্থান থেকে তা বলতে পারি।এক গর্ববোধ করি CSMএর বাসিন্দা ছিলাম সেই হিসেবে আরেক গর্ববোধ করি আপনাদের মতো কিছু বড় ভাই পেয়েছি।আল্লাহ যেনো সব সময় আপনাকে পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো রাখেন এই দোয়াই করি। ভালো থাকবেন ভাই।

ভাই আপনার অনুমতি ছাড়াই আপনাকে নিয়ে লিখার দুঃসাহস করে ফেললাম।ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেইখেন ভাই।

একটি পোষ্ট। লাইক এবং কমেন্টস


একটি পোষ্ট। লাইক এবং কমেন্টস। আজকের সারাদিনের আহাজারি। একটা পোস্ট করলাম, লাইক এবং কমেন্টস ৫টি, বিপরিতে আরেকটি লেখা, লাইক এবং কমেন্টস ৫০টি। পেজে সদস্য সংখ্যা ৬০০ এর উপরে, আরো বেশি হতে পারে। তাহলে কি দাড়ালো? বাকি সদস্যরা কি লেখা পড়েনা! আমি, আমাদের বলবো না, কিছু সদস্যর আহাজারি! একটা লেখা একজন লেখকের সৃস্টি। আমাদের এই পেজ সেই যায়গাটি করে দিয়েছে। এখন কথা হলো লেখে কয়জন! জিয়ার কথাই ধরে নিলাম, ৫০ জন একটিভ। এখন কথা হলো, লাইক কমেন্টস নিয়ে, কাদের আফসোস? তারা লিখছে কিনা? এই পেজেই আমাদের একজন বোন, খুব সাংসারিক, সে তার মনের মত করে, নানা রকম রেসেপি, আমাদের সামনে উপাস্থাপন করে। 

সে নিজে আনন্দ পায়। এই পেজ তার অধিকার, সে তার অধিকার টুকু আনন্দের সাথে ভোগ করে। আমাদের এই বোনটির নাম, ফারহানা সাম্মি। তাকে আমি কখনো লাইক নিয়ে মন খারাপ করতে দেখিনাই। কারন লাইক কমেন্টস, যার যার ভালো লাগার ব্যাপার। আমার নিজের একটা ছবি, পোষ্ট হলে, হতো ৪০টা লাইক পাবো, বয়সে অনেক বড়, সম্মান করে, হয়তো অনেকেই দিবে। কিন্তু সুজনের/টিপুর একটা ছবিতে দেখা যায়, ১০০-এর উপর লাইক এবং কমেন্টস। তারমানে খুব পরিস্কার, তাদের ছবির একটা আলাদা আকর্ষণ আছে। এটাই স্বাভাবিক। এখানেই আনন্দ। আজ ব্যাক্তি, জসিম বা নাজমুল / নিরু, একটা লেখা লিখলে, লাইক কমেন্টস কম পরতে পারে , কিন্তু এই মানুষ গুলি, যখন সামনে দাঁড়িয়ে, কোন একটি ব্যাপারে আহ্বান করবে, তখন কিন্তু সবাই ছুটে আসবে। মাসুক এলাহি একজন প্রিয় ব্যাক্তিত্ব। সে তো লেখা লেখিতেই নাই বললেই চলে। 

Saturday, April 2, 2016

ফারজানা রিতা



রিতা 98 ব্যাচ।
আমার ছোট বোন ঝুমুর এর ক্লাসমেট।
আমাদের জাহিদ,সুমন,ও রিপা আপার ছোট বোন।থাকতো ডি টাইপে।জনি দের বিল্ডিং এ।
কলোনীতে থাকতে কখনো কথা হয়নি বোনটির সাথে,জাহিদের সাথে মাঝে মাঝে যেতাম ওদের বাসায়।তখন দেখেছি বোনটিকে।পড়ালেখা নিয়ে বেশী মনোযোগী ছিল।

কলোনী ছাড়ার পর এই পেজের মাধ্যমে বোনটিকে একদিন দেখলাম,ছবি পোস্ট করেছিল রিনি মনে হয় খুলনাতে থাকতে।

পেজে কখনো কমেন্ট করতে দেখি নি।কিন্ত প্রায় সময় সবার পোস্টে লাইক দেয়।
আজ বোনটিকে নিয়ে লিখার কারন বোনটি আমাদের সিএসএম এর একজন ছোট বোন,রনি,রিনি,তানিয়া,তরু,শায়লার মত।

তাই বোনটি কে অনুরুধ করবো সময় করে কিছু কিছু লিখ।সবাই কে চিন।কারন এ পেজের একজনের সুখে দুঃখ এ আরএকজন এগিয়ে আসতে পারি।কারন এখানে সকলে আমরা আমরাইতো।

তেল আর তেল চারিদিকে তেলের ছড়াছড়ি


তেল আর তেল চারিদিকে তেলের ছড়াছড়ি,এতো তেলের ছড়াছড়ি দেখেই মনে হয় সরকার তেলের দাম কমাইলো,ভালো ভালো এটা জাতির জন্য অনেক ভালো সামনে রমজানে তাহলে ভাজাপোড়া ভালোই গিলবে জনগন,সব ডাঃ কয় তেলের জিনিস কম খাও শরীর ভালো রাখো তাইনা,বাংগালী জাতি ফ্রি পাইলে আলকাতরা ও খায় আর এখানে তো তেল পাইতাছে ফ্রি,আমি এই লেখা টা লিখতাম না খালি দেখতাছি পেজের মধ্যে এতো তেল পরে লিখলে কলম ধরতে পারবো না,এখনই যে লিখতে গেলে হাত খালি পিছলায় এই পিছলা হাতে কোন মতে লিখতাছি,সকলে তো অবগতি আছে আমাগো পেজে ৬৪৪ জন সদস্য আছে,সামনে আশা করি ইনশআল্লাহ আরো বাড়বে, নতুন নতুন লেখক আসবে আমরা এই পেইজে অনেক কে অনেকে চিনতাম না এই পেজের কারণে একে অপরের সাথে পরিচয় হচেছ কথা হচেছ আডডা হচেছ,নতুন যারা আসতাছে তারা ও টুকটাক লিখতাছে আমাদের উচিত তাদেরকে উৎসাহ দেওয়া দরকার অভিন্দন জানানো তাহলেই আমাদের পেজে সাথক,আমি জানি এই পেজে যারা আছে তারা সকলেই একবার দুবার পেজে ডুকে ডু মেরে দেখে চলে যায়, এখন তেলের ব্যাপারটায় আবার ফিরে আসি, অতিরত্ত তেল কারো জন্য ভালো না,তেল একটি দাহ জাতীয় পদাথ, তেল এমন এক জিনিস তা ভালোর থেকে খারাপের দিকটাই বেশি,মাঝে মাঝে দেখা যায় কেউ কেউ মাথায় তেল দিয়া চুপচুপা করে ফেলে তখন তাকে কেমন লাগে হেইডা আপনাগো উপর ছেড়ে দিলাম,ইদানিং পেজে যে ভাবে তেল বিতরণ চলছে তা সবার জন্য ভালোএকে অপরের ব্যপারে জানতে পারছে এটা খুবই ভালো,সবাই আরো কাছিকাছি হচেছ,সবার শরীরে তেলতেলা হচেছ,একজনের শরীরে তেল বেশি পড়লে দেখতে কিন্তুু ভালো দেখায় না চুপচুপা থাকে শরীর,,,,,,,, এর বডির মতো দেখায় তখন সবাই তার দিকে চাইয়া থাকে এই আজিব চিড়িয়া টা কেডা,সবার কাছে আমার বিনীত অবেদন তেল টা সঠিক ভাবে বিতরণ করা হউক, আর যারা নতুন তাদের ও তেলের মধ্যে ভাজা হউক,এখানে সবারই তেল পাওয়ার অধিকার আছে,জয় তেল বাবাজী,জয়তুন তেলতেলা হউক হগলের শরীর((ভাই ও বোনেরা আমি তো মোটা তাই আমার শরীরে তেল একটু বেশি লাগে আমার ভাগে তেল একচিমটি বেশি দিয়েন))

দ্বৈরথ


একসময় আমার লিখার বিষয় ছিল কলোনি নিয়ে,কলোনি র বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যা দাগ কেটেছিল, কিংবা কোন ঘটনা নিয়ে।ছিল কবিতা, তাও কলোনি র প্রতি অনূভুতি নিয়ে। আস্তে আস্তে গল্প লিখলাম, কিন্তু 

তাও মোটামুটি। মাঝখানে ত কিছুদিন লিখাই ছেড়ে দিলাম। এর মধ্যে দেখলাম কারো গুনকীরতন করে কিছু লিখা,যেগুলাতে আবেগের বহিঃপ্রকাশ। ভাবলাম আমারো ত এমন মানুষ আছে যারা বিভিন্ন সময়ে ছায়া ফেলেছেন আমার জীবনে। এক জীবনে হয়ত তাদেরকে এসব বলা হবে না,তাই সুযোগ হাতে নিলাম।মনের সব টুকু আবেগ ঢেলে লিখলাম।বিষয় টা অনেকে হয়ত অন্যভাবে নিতে পারেন,কিন্তু আমার কাছে বাড়াবাড়ি মনে হয়নি।তবে একই বিষয় এর পুনরাবৃত্তি একঘেয়ে হয়ে উঠে। তাই মাঝে মাঝে অন্যকিছু নিয়ে লিখা ভাল। মেয়েদের নিয়ে লিখা কম,তাই আমি কিছু লিখলাম।আবার এমন একটা লিখা দিলাম যাতে সব বোনেরা তাদের খুজে পায়।তাই বলে এমন ভাবার কারন নেই যে আমি পক্ষপাত দুষ্ট কিংবা মেয়েদের ছাড়া আমার আর লিখার কিছুই নেই। আমার আরো কিছু শ্রদ্ধাভাজন মানুষ আছেন, যাদের কাছ থেকে দেখেছি।সময় করে লিখা হয় না,কিন্তু লিখতে ইচ্ছা হয়। ব্যক্তিকেন্দ্রিক লিখা থাকবে,সেই সাথে বিষয় কেন্দ্রিক।তবে সব কথার শেষ কথা,

ব্যক্তির চেয়ে পেজের ভাবমূর্তি সবচেয়ে বড়। তাই পেজটা যাতে তার স্বরূপে বিরাজমান থাকে।

মোয়াজ্জেম হোসেন বাবু


আমার বন্ধু, ৯৩ ব্যাচ।
ছোট ভাই টিপু।
আমরা একসাথে কলোনীতে আড্ডা -খেলাধূলা করেছি।খুব পরিশ্রমী। কি ভাবে আমরা একবার নৌ স্কাউট থেকে খুলনা গিয়েছিলাম টাবু ক্যাম্পিং এ।তো ক্যাম্পিং এ আমাদের সব কিছু রাখার জন্য বাশঁ দিয়ে তৈরি করতে হত।আমাদের গ্রুপে বাবুই একা প্রায় জিনিস বানিয়েছিল।
বতর্মানে কসকো শিপিং এ আছে বড়পদে।
প্রচুর কাজ করতে হয়।তারপর ও সময় পেলে আমাদের সংঙ দিতে পিছ পা হয় না।
যখনই ডাকা হয় আসার চেষ্টা করে বন্ধু আমার।আর কারও বিপদে সব সময় এগিয়ে আসবে। এই জন্য বন্ধুটি কে নিয়ে আমি গর্বিত।
আড্ডা তে- আড্ডা তে বন্ধুটি কি পরিমান কাজে সহায়তা করেছে যারা দায়িত্ব এ ছিল তারা জানে।তার গাড়ি নিয়ে যখন যেখানে বলেছে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।
পরিশেষ এ বন্ধু তুই সব সময় এরকম থাকিস। এই দোয়া করি তোর জন্য।আর সাধ্য মত পেজে সময় দেওয়ার চেষ্টা করিস,কারন এখানে- আমরা আমরাইতো

সুন্দরের কাছে চলে আসা


ঠিক কখন থেকে আমি তাকে চিনি।যেদিন প্রথম প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা দিতে গেলাম।আমাদের কেন্দ্র ছিল বেগমজান স্কুল। সেখানে উনি নিয়ে গেলেন ছোট বোন যুথি কে।আমি আমার বড় ভাইয়ের সাথে। আমার ভাই বিরতির সময় আমার জন্য টিফিন রেখে চলে গেলেন উনার হাতে। আমাকে উনি সেই টিফিন খাওয়ালেন।সাথে উনার বোনের জন্য আনা খিচুড়ি দিলেন। সেই থেকে উনার ছোটদের প্রতি স্নেহপ্রবন মনের পরিচয় পেলাম। তিনি শাহিন ভাই।দায়িত্ব কে যিনি অজুহাতে এড়িয়ে যান না। আমার হয়ত বৃত্তি পাওয়া হয়নি কিন্তু শাহিন ভাইয়ের মত একজন সুন্দর মনের মানুষের সাথে দেখা হয়েছে। 

শাহিন ভাইয়ের ছোট চার বোন। কিন্তু উনি তাদের পাশে আছেন বট গাছের ছায়ার মত।এমন বড় ভাই পাশে থাকলে অনেক দূরের পথ পাড়ি দেয়া যায়,নিশ্চিন্তে থাকা যায়,যেটা যুথি আর বিথি আপা পারেন।

অামার অাব্বা খুব ভালো অংক করাতেন


অামার অাব্বা খুব ভালো অংক করাতেন অার অংক না পারলে খুব মারতেন..... অাজ ঐ খান থেকে একটা অংক অাপনাদের সমীপে..... grin emoticon
"তেলের দাম ২৫% বেড়ে গেল। তেলের ব্যাবহার শতকরা কি পরিমান কমালে সি.এস.এম কলোনীর তেলের জন্য খরচের কোন পরিবর্তন হবে না " (অংকটি ঈষৎ এডিটেড)
সবাই তেল দিচ্ছে আর আমি তেলের অংক দিলাম..... আপনারা ২৫%তেলের দাম বাড়ছে এটা মাথায় রেখে অংক করেন অার ততক্ষন আমি নাকে.........! ঘুমাই wink emoticon

জিয়াউল হাসান ( জিয়া ভাই)


দুই ভাই এক বোন
ভাই-সাজেদুল হাসান ভাই। 
বোন- শিরিন আপু।
থাকতো সি টাইপে,কলোনীতে থাকতে জিয়া ভাইয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে বলে মনে পড়ে না।সংগঠন করতে বেশী পারদর্শী। শাপলা করি নামে সি টাইপে একটা ক্লাব করেছিল।
রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল,খুব রাগী স্বাভের, যেটা বলে করবে, তা করবেই।খুব সাহসী,ধামা হাসেম কে একবার দৌড়ানি দিয়েছিল।প্রায় সময় কলোনীতে ঝামেলা হলে সেখানে জিয়া ভাই যেত।ছোট ভাই দের খুব আদর করত।এবং যথা সাধ্য ছোট ভাই দের আবদার পূরণের চেষ্টা করত।
তারিকের ব্যাপারে বলাতে সাধ্যমত অবদান রেখেছে। 
বতর্মানে import & cnf এর ব্যাবসা।ব প্রচুর পরিশ্রমী।বলা যায় এখন একজন সফল ব্যাবসায়ী।
আড্ডাতে-আড্ডা তে আড্ডা সফল করার পিছনে ভাইয়ের অবদান প্রচুর।
মুখের উপর উচিৎ কথা বলে ফেলে।পরে বুঝতে পারে এভাবে না বললে ও হত।তবে সব সময় যে কোন কাজে ক্লিয়ার কাট থাকতে পছন্দ করে।
তার একটা স্বপ্ন সিএসএমকে নিয়ে যাতে সবার জন্য একসাথে কিছু করা যায়।
পরিশেষ এ একটা কথা বলবো সব সময় আমাদের পাশে থাকবেন।সবাই ভাইটির জন্য দোয়া করবেন যেন আমরা থাকে যে কোন বিপদে আপদে পাশে পাই। কারন এখানে আমরা আমরাইতো।

বিশ্বাস এ মিলায় বস্তু


সুজন মানে কি? ভাল মানুষ, আল আমিন মানে বিশ্বাসী। ডাক নাম আর ভাল নামের মানে ভাল কিছু অর্থ থাকা সবার ক্ষেত্রে হয়না। যেটা ঘটেছে সুজনের ক্ষেত্রে। 

সুজন আমার ব্যাচমেট। আমাদের পরিচয়ের শুরুটা খুব ভাল ছিল না। কিন্তু আমি ছিলাম সুজনের হাতের লিখার ভক্ত।মালা আপা ওকে নোট করে পড়তে বলতেন।সুজন কোর আন তেলাওয়াত করত সুন্দর করে।শাহাদাত হুজুর ওর তেলাওয়াত এর প্রশংসা করতেন। খুব বন্ধু বৎসল ছিল।সহপাঠী দের জন্য মায়া ছিল।নিজে পড়া শিখে বলবে, শিখেনি।সবাইকে শিক্ষক এর শাস্তির হাত থেকে বাঁচানো র জন্য ও অনেক পন্থা অবলম্বন করত। স্কুলে থাকতে আমার সাথে ওর কিছুটা দূরত্ব ছিল যা আমি কখনোই ঘুচাতে চাইতাম না।

সুজন অনেক সম্ভাবনাময় একটা ছেলে।কিন্তু আমার ধারনা সে সেটা জানত না।জানলেও কেয়ার করেনি।ও যদি ওর সম্ভবনাকে কাজে লাগাত, তাহলে অনেক দূর যেত। হয়ত সুজনের কাছে একজন সফল মানুষ হবার চেয়ে ভাল মানুষ হয়ে নামের সার্থকতা প্রমান করা গুরুত্ব পেয়েছে। ওর বাবাও।ছিলেন ভাল মানুষ।পরীক্ষা দিতে গেলে এমন ভাবে আমাদের খোজ খবর নিতেন যেন আমরা উনার নিজের ছেলে।

প্রতিমাসে সুজন আমাদের লিখার পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। কাজটা সে অনেক যত্ন নিয়ে করে।আমার সবগুলো লিখা সে আমাকে পাঠিয়েছে।আমি ত ভেবেছিলাম লিখাগুলো হারিয়ে যাবে,কিন্তু সুজন সেটা হতে দেয়নি।আসল বন্ধুর দায়িত্ব পালন করেছে।

কিছুদিন আগে সে বাবা হয়েছে।তাই সুজনের প্রতি আমার রিকোয়েস্ট থাকবে সে যেমন তার জীবনের পুরো সম্ভাবনা কে কাজে লাগায়নি, তার সন্তানের মধ্য দিয়ে যাতে বাকি স্বপ্ন টা পুরণ করে।

কথায় আছে,
সুজনে সুযশ গায়, কুযশ ঢাকিয়া।
সুজন তেমন একজন মানুষ।ভাল থেকো বন্ধু।

না আজও পারলামনা


না আজও পারলামনা, চেয়েছিলাম অফিসের পেন্ডিং কাজ গুলো আজই শেষ করে ফেলব, হলোনা, অর্ধেকের চেয়েও কম কাজ করে রেখে দিয়েছি আগামীকালের জন্য। জানিনা কবে শেষ করতে পারব। একটু পরপর ফেসবুকে ঢু না মারলে মনে হয় যেন কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে ভুগছি, ফেসবুক প্রেম আমারে বুজা গেছে ফাটা চেংগির কেচকিতে ফালাবে। ঘরে কয়েক দিন পড়ছিলাম এই কেচকিতে, তবে মিনিস্টার ম্যাডাম আপাতত ঠান্ডা আছে। চিন্তায় আছি অফিস লইয়া। নাহ! যে করে হোক আগামীকাল কাজ শেষ করতেই হবে।"মর্দ কা বাত হাতিকা দাঁত"।

শুধু যারাই ফেইসবুকে লেখালেখি করে


শুধু যারাই ফেইসবুকে লেখালেখি করে (লাইক দেওয়া পার্টিও লেখকের অর্ন্তভুক্ত)তাদেরকে নিয়ে একটা মিনি আড্ডার আয়োজন করলে কেমন হয়? সেটা যেকোন যায়গায় হতে পারে।লেখকের সংখ্যা আমার হিসাবে বেশীরপক্ষে ৫০ জন হতে পারে। মান অভিমান যা কিছু হচ্ছে এদের মধ্যেই হচ্ছে। এখন আমরা যদি একটা মিনি আড্ডায় বসে গল্পগুজব করার পর একসাথে একবেলা ভাত খেতে পারি তবে মনে হয় সবাই সব দু:খ কষ্ট ভূলে যাবে , দুরত্ব কমে আসবে ও আন্তরিকতাও বাড়বে। অন্যদিকে লেখার কারণে লাইক দিচ্ছি, কমেন্টস করছি কিন্তু কেউ কাউকে চিনছে না (সংখ্যায় নগন্য হতে পারে) সেক্ষেত্রে পরিচয় টা হবে তখন দেখবেন লাইকের (হয়ত) যথাযথ ব্যবহার হবে। সবার সুবিধাজনক সময়ে এরকম একটা মিনি আড্ডার আয়োজন করা হলে ভালই লাগবে। মনটাও ফ্রেশ হবে। আর এটা খুব ভালো টনিক হিসাবে কাজ করবে। যারা পক্ষে আছেন তারা শুধু “হাঁ” যারা বিপক্ষে আছেন তারা শুধু “না” লিখে পোষ্ট করুন।

বন্দ করা উচিত এখনই


আমরা এই পেজ শুরু করেছিলাম হাসি কান্না ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য, আমরা হাসব আবার কারো দুঃখে পাশে দাড়াবার জন্য, আজ তেল মারামারি নামে যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তাতে আমি এই পেজের জন্য খুবই ক্ষতিকর বলে মনে করি, গ্রান্ড আড্ডার সময় স্টেজে তোলা নিয়া যে মৃদু সমালোচনা হয়েছিল আমার মনে হয় তার পুর্নাবৃতি হবে, কারন অনেকে অনেকের মনের অজান্তে বাদ পরে যেতে পারে, সুতারং এখনই বন্দ করা উচিত, মজা করব আন্দদ করব তবে এমন নয়, আমাদের এক স্টিলারের বৌ আজ টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে পারতেছে না আমাদের সেই দিকে খেয়াল করা উচিত,ভূল হলে ক্ষমা প্রার্থী

Niaz Morshed জনি, সবাই কে নিয়ে ফাটায়ে লিখছে


Niaz Morshed জনি, সবাই কে নিয়ে ফাটায়ে লিখছে। এবার আমি একটু চেষ্টা করি ওকে নিয়ে কিছু লিখতে।

জনি, লম্বা, মেধাবী, অমায়িক ও সুদর্শন ছেলে। আমরা এক বিল্ডিং এ থাকতাম। খুব ছোট কাল থেকেই ওর সাথে খেলতাম। লেখাপড়ায় খুব মনোযোগী ছিল বলে আব্বু ওকে পরাতে পছন্দ করত, খুব স্নেহ ও করত।

শিশু দের খুব ভালোবাসে, ওদের সাথে সময় দিতো খুব। ওর নিজের ক্লার এর ছেলেদের সাথে আড্ডা কম দিত।
এফবি তে ওকে পাওয়ার পর থেকে নিয়মিত কথা হয়, ফোন এও।

কলনি তে ওর লেখা পরে বিহবল হয়ে যাই। বোকা বলে যেমন ছোটকালেও ওর এত মেধা বুজতে পারিনাই। এখনো এই মেধার গভীরতা বুজতে পারছিনা। শুধুই অবাক হচ্ছি।

Anisur Rahman Reza ভাই সঠিক নাম দিয়েছন - সব্যসাচী।
জনি, তোমার জীবন অনেক সুন্দর হোক, নির্ভেজাল তোমার মতই। 
আরো অনেক কিছু লেখার থাকলেও সময় নাই।

আমি জানি, তুমি এই পেইজ এর স্নেহধন্য ছোট ভাই। সবার স্নেহ এভাবেই অটুট থাকুক।

Syeda Tajrina Simka আমাদের শ্রদ্ধেয়া শিক্ষিকা জনাবা খোদেজা আপার বড় মেয়ে


Syeda Tajrina Simka আমাদের শ্রদ্ধেয়া শিক্ষিকা জনাবা খোদেজা আপার বড় মেয়ে।একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে কর্মরত।তুঁখোড় মেধাবী,বুদ্ধিমতি এবং সর্বোপরি একজন ভাল লেখক।আমাদের csm school নিয়ে একটা পেইজ আছে,যার এডমিন এই শিমু।পুরো নামের কোথাও শিমু নামটি না থাকলে ও শিমু নামেই অধিক পরিচিত।কলোনীতে থাকাকালীন চেনাজানা থাকলে সেভাবে কখনো আলাপ হয়নি,csm school পেইজে তার সাথে আলাপচারিতা।একটা সময় খুব জমজমাট ছিল পেইজটি,হয়ত csm colony পেইজটি ওপেন হওয়ার পর কিছুটা আড়ালে পড়ে গেছে।তার যে জিনিসটা আমাকে মুগ্ধ করেছে,তা হলো কলোনী নিয়ে তার স্মৃতিচারণ,অসম্ভব সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলে কলোনীর স্মৃতিগুলো।

কোন এক অদৃশ্য কারণে এই মেয়েটি এই পেইজে অনুপস্থিত। অনেক বছর পর কিছু স্টীলারের প্রাণান্তকর চেষ্টায় আমরা(সি এস এম বাসীরা) একত্রিত হয়েছে।সি এস এম এখন একটা প্লাটফর্ম। এখানে কিছু উদ্যমী ছেলেমেয়ে আছে যারা সি এস এমকে একত্রিত রাখার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্চে।আমাদের উচিত তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা।শিমুর মত অনেকেই আছে যারা ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক পেইজের বাহিরে।তাই সবাইকে অনুরোধ,আসুন আমরা সবাই সি এস এম প্লাটফর্মে একত্রিত হয়ে একে অপরের প্রতি ভালবাসার হাত বাড়িয়ে দিই।

Fauzul Amin মিঠু ভাই


Fauzul Amin মিঠু ভাই, মরহুম সাইফুল আমিন চাচার বড় ছেলে, পেজে খুব একটা আসেন না, কিন্তু এই পেজ তৈরীর নেপথ্য চরিত্র। ৯১ সালে আমার সাথে বাজিতে হেরে যদি কোক টা খাওয়াই ফেলতেন তাহলে আমি হয়তো আমার টাইম লাইনে সে কাহিনী লিখতাম না, আর সেদিনের সেই কাল্পনিক ট্যাংকীর তলার ভার্চুয়াল আড্ডা টা জমতোনা, আর তাতে হয়তো আমরা এই পেজের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতাম না। সেদিন সেই কোক না খাওয়ানোর জন্য জাতি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ।

মিঠু ভাই ভালো ক্রিকেট খেলতেন, দুর্ধর্ষ ফাস্ট বোলার ছিলেন, ( তবে নো বল আর ওয়াইড দিতেন একটু বেশি)।আমাদের ইস্পাত যুব ক্রিকেট টীমের ক্যাপ্টেন ছিলেন মিঠু ভাই। পুরাপুরি সামরিক কায়দায় টীম চালাতেন মিঠু ভাই। তাই আড়ালে আমরা ওনারে পাগলা ক্যাপ্টেন ডাকতাম।

বর্তমানে উনার মাথার মধ্যি খানে স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে। তাই এই লেখাটিকে আমরা তেল না বলে হেয়ার জেল বলতে পারি।

এই গ্রুপে এসে আমার খুব আফসোস হয়

- Muntaha Toru

এই গ্রুপে এসে আমার খুব আফসোস হয়। খুবই আফসোস হয় এই ভেবে যে কেন আমি কলোনীতে থাকা অবস্থায় অনেক ছোট ছিলাম,কেন আমার জন্ম আরো কয়েক বছর আগে হয়নি!

তাহলে আমিও হয়তো বাকিদের মত কলোনীতে অনেক বেশি সময় কাটাতে পারতাম,হয়তো বাকিদের সাথে কলোনীতেই পরিচয় থাকতো আর অনেক মজা করতাম

এই গ্রুপের প্রায় ৯০% মানুষকে আমি চিনেছি গ্রুপে এসে,আড্ডার মাধ্যমে ।
কেন সবার সাথে আগে থেকে পরিচয় ছিলনা আমার!!! 

লিরা আর দিনার, একই মহল্লায় কাছাকাছি থাকে


লিরা আর দিনার, একই মহল্লায় কাছাকাছি থাকে, দুজনের মধ্যে সেই স্কুল লাইফ থেকে সম্পর্ক। লিরা সুন্দরি মহল্লার অনেক পোলাপানই তার জন্য পাগল হলেও, দিনারের ভাগ্যেই শিকে জুটে, এ জন্য মহল্লার অনেকেই দিনার কে মনে মনে হিংসা করত।তাদের প্রেমের বিষয়টি মহল্লায় ওপেন সিক্রেট, ছেলে বুড়ো সবাই তাদের ব্যাপারটি জানে। তবে দু জনের ফ্যামিলি কোন দিন বিষয়টি মানবেনা কিনা সন্দেহ। দারুন আবেগী ছেলে চিন্তা করত নিশ্চয় এক সময় সব ঠিক হয়ে যাবে। এই ভালবাসার সম্পর্কে দিনারই খুব সিরিয়াস ছিল, ভালবাসার জন্য এমন কোন পাগলামি নেই যে সে করেনি। অপরদিকে লিরাও সিরিয়াস হলেও মাঝেমধ্যে কেমন জানি গা ছাড়া ভাব । এইভাবেই চলছিল দিনার লিরার প্রেম ভালবাসা। ঢেউয়ে ঢেউয়ে অনেক সময় পার হয়ে গেছে, 

মহল্লায় এর মধ্যে লিরার ব্যাপারে কানাঘুষা শুনা যাচ্ছে যে, লিরা নাকি একজন বিশাল ব্যবসায়ীর প্রেমে পড়ে গেছে। দিনারের কানেও কথা গুলো আসলেও দিনার বিশ্বাস করেনি। তবে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে লিরা ঐ বড় লোক ব্যাটারে বিয়ে করে ফেলেছে। দিনারের জন্য ব্যাপার টি বিনা সংকেতে ঘূর্ণিঝড় এর মত। এর ধাক্কায় প্রথম কিছু দিন দিনার মানুষ থেকে জম্বি হয়ে গিয়েছিল। তারপর নিজেকে সামলে নিল, নিজের যোগ্যতায় একটি বহুজাতিক কোম্পানি তে চাকুরী করে নিজেকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে এসেছে, শহরে নিজের বাড়ী, গাড়ি, দুটো ফুটফুটে বাচ্চা আর স্ত্রী নিয়ে সুখী সংসার। তারপরেও কোন কোন গভীর রাতে হয়ত তার বুকের মাঝে বিষাদের গান বেজে উঠে, আর নিজেই মনে মনে বলে উঠে " টাকা তুমি সময়মত আইলানা"। আবার এটাও ভাবে জীবনে ঐ ধাক্ক টা না খেলে জীবন কি এটা বুঝতে পারতো না, আর জীবনে এতটুকু আসতে পারতোনা মনে হয়।

পরিচিতি


ভদ্রলোকটির নাম:-মনিরুল ইসলাম খান লিটন ওরুফে চশমা লিটন।।ব্যাচ:-94।।বাসা:-এফ-6/12।।পরিবারের বড় সন্তান।।তিন ভাই,তিন বোনের মধ্যে বড়।।ডাব চুরি সেই সাথে খাওয়ার ওস্তাদ ছিলেন।।কাশেম কাকার গাছ গুলো ছিল ওনার বেশি পছেন্দর।।খুব চঞ্চল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন।।খেলাধুলাও অনেক বেশি পছন্দ করতেন।।ছোট বেলায় আমাদের সাথে ঘুড়ি উড়াতেন,বুইজ্জার বাগানে মার্বেল খেলতেন।।আমার কাছে ওনার সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় ছিল ওনার খানদানি চশমাটা।।এতো পাওয়ার ফুল গ্লাস পড়ে ওনি কি করে চলাফেরা করতেন সেটাই সব সময় চিন্তা করতাম।।আশা করি ওটা এখন আরও ভাড়ি হয়েছে।।একবার বাগানে আগুন ধরানোর পরিকল্পনা চলছিল।।সাথে আমরা ক'জন।।কিন্তু সাথে দিয়াশলাই না থাকায় সবাই খুব চিন্তিত।।তখন হুট করে একজন বলে বসলো লিটন ভাই আপনার চশমাটা কাজে লাগান।।লিটন ভাই বললো কিভাবে।।বললো সূর্যের দিকে ধরেন।।যেই কথা সেই কাজ।।আগুন ধরিয়েই সাথে সাথে দৌড়।।বিষয়টা যতদূর সম্ভব লিটন ভাইয়ের মনে থাকার কথা না।।যাই হোক এই হলো আমাদের লিটন ভাই।।

আমি বিভিন্ন ঝামেলার কারনে পেইজে প্রতিনিয়ত থাকতে পারি নাই


আমি বিভিন্ন ঝামেলার কারনে পেইজে প্রতিনিয়ত থাকতে পারি নাই। সবার তৈল সমাচার দেথে বাজারে তৈলের খুবই ঘাটতিতে তৈল না পেয়েই লিখতে বসলাম।

সবার মাঝে আমি ও আজ একজনকে নিয়ে লিখবো যাকে সবাই আমরা পেইজে প্রতিনিয়ত দেখতে পাই। উনাকে আমি চিটাগাং থেকে আসার পর, প্রথম ঢাকাতে দেখতে পাই আমাদের ইফতার পার্টিতে এবং শত ব্যস্ততার মাঝেও উনি আমাদের পার্টিতে এসেছিল। আর বলেছিল যে আমরা যেন এটা প্রতি বছরই করি। এর পর উনার সাথে বহুবার আমার দেখা হয়। খুবই ভালো মনের একজন মানুষ আমার কাছে । এই ভাইটি সিএসএম এর যে কোন কিছুতেই যেমন, কারো সমস্যা বা কোন প্রোগাম বা সি এস এম রিলেটেড যাই হোক উনার উদার মনের ভালোবাসা আমি দেখেছি এবং প্রতি নিয়ত এই পেইজটিকে উনি চেষ্টা করেছে মাতিয়ে রাখতে এবং তাই করছে। এই ভাইটি আবার আমাদের প্রেমিক রাজনৈতিক কাক্কুর খুবই ভক্ত। যা আমরা আগে পরেও দেখেছি। যাই হোক আমরা এই ভাইটিকে যেন সবসময় আমাদের পাশে রাখতে পারি সেই চেষ্টাই করবো।

মিঠু ভাই।


চার ভাই এর মধ্যে সবার বড়,তারপর তপু ভাই,দিপু ও প্রতীক।

কলোনীতে থাকতো বি- টাইপে।পড়ালেখাতে স্কুলে থাকতে খুব ভাল ছাএ ছিল।ক্রিকেট খুব ভাল খেলতো,লেগে থাকলে মনে হয় আজ অনেক বড় খেলোয়াড় হতে পারতো।

প্রতীবাদি- কোন সামনে অন্যায় হলে প্রতিবাদ করে,আবার পরে মিলে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে।
ভাইটি জীবনসঙ্গী আমাদের সিএসএম এর এক বোন পান্না আপা।

কলোনীতে থাকতে দিপুর সাথে তাদের বাসায় যেতাম।খুব স্নেহ করত আমাদের। ঈদে সব সময় নামাজ পরে তারা চার - পাচঁ জন আমাদের বাসায় চলে আসত,আমার মায়ের হাতের চটপটি খাওয়ার জন্য।
সবসময় দেখা হলে মায়ের খবরা খবর নেয়।
যেকোন কাজে ডাকলে আসতে চেষ্টা করে।
তারিক ও শামিম এর ব্যাপারে সাধ্যমত সাহায্য করতে চেষ্টা করেছে।
আড্ডা তে সব মিটিং এ থাকতে পারে নাই। কিন্তু আড্ডা সফল করার পিছনে পিছন থেকে যতা সাধ্য চেষ্টা করেছে।
পরিশেষ এ ভাই সব সময় আপনার সরব উপস্হিতি কামনা করি পেজে। এখানে সবাই
আমরা আমরাইতো।

এই কয়দিনে সবাই মেলা তেলাতেলি করেছো, করেছি


এই কয়দিনে সবাই মেলা তেলাতেলি করেছো, করেছি। আজ আমি আমার প্রাণপ্রিয় বা বলা যায় প্রানের চেয়ে প্রিয় ছোটো ভাই আতিককে নিয়ে লিখবো। আতিক কে আসলে চিনতাম না। আমার বোনেরা, আম্মা খুব ভাল করে চিনে। যাহোক। একে প্রথম দেখলাম পপুলারে। ছবিতে দেখতে বুইজ্জা দেখা যায় কিন্তু সামনা সামনি দেখলে বোঝা যায় ও এখনো বাচ্চা। ছেলেটা শুকনা শাকনা হলেও আত্মাডা হেভি বড়। পকেট এর দিক দিয়ে খুব উদার। পকেটে টাকা থাকলে ওর কাছে দুনিয়া পায়ের নীচে। জুহি চাওলার খুব ভক্ত ছেলেটা। আমি স্বপ্ন দেখছি ও একদিন জুহি চাওলার সাথে ব্রেকফাস্ট করবে। পেইজের শুরুতে ওর লেখাগুলার জন্য তীর্থের কাকের মত অপেক্ষা করতাম,এখনো করি। কিন্তু ও সেই বিশাল লেখা অনুছড়ায় নামিয়ে এনেছে।

বিভিন্ন ভাই-বোনদের মান-অভিমান নিয়ে আমার এই লেখা


বিভিন্ন ভাই-বোনদের মান-অভিমান নিয়ে আমার এই লেখা। আমরা যদি পেইজকে সময় দেই এবং লেখার মান ভাল হয় সবাই না হউক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অবশ্যই লা্ইক/কমেন্টস দিবে। তারপরও আরো কিছু ব্যাপার আছে যে গুলো অগোচরে কাজ করে যেমন এখানে গ্রুপিং আছে কেউ বিশ্বাস না করলেও আমি তা বিশ্বাস করি। কেহ যদি খুব নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে তাহলে ভাল করে বুঝবে, কে কাকে দিচ্ছে? সব পোষ্টে দিচ্ছে কিনা? ,না শুধু লাইক দিচ্ছে? না গড় হারে দিচ্ছে ?ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার, মানুষ হিসাবে পছন্দের ব্যাপার আছে, আত্বীয়তার(রিলেশান) ব্যাপার আছে, ব্যাক্তিত্বের ব্যাপার আছে, গ্রহন যোগ্যতার ব্যাপার আছে, তার সামাজিক পজিশনের ব্যাপার আছে ইত্যাদি। কোন সমস্যা হলে সবাই বলে বড় ভাইদের কথা বলে!আবার সেই বড় ভাইরা ভাল কোন পোষ্ট দিলে আশানুরুপ লাইক/কমেন্টস আসে না। অন্যপ্রসঙ্গে- যেমন আমাকে খুব কম জনই চিনে। মোটামোটি সরব খাকার চেষ্টো করি।কিন্তু আমি সেভাবে আশানুরুপ লাইক পাই না।না চিনার কারণে হয়তা দেয় না বা লেখার মান ভাল না। তবে এটা আমি শতভাগ বিশ্বাস করি যে,যখন আমাদের সিএসএম কলোনী পেইজটি পুরোপুরি পরিপক্কতা লাভ করবে তখন এ ধরনের কোন সমস্যা থাকবে না বলে আমার ধারনা। এটার জন্য আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে । সবুরে মেওয়া ফলে। পরিশেষে বলবো- কোন ভাল, সুন্দর ও গঠনমূলক লেখাকে আমরা যদি উৎসাহিত না করি তাহলে ঐ ব্যাক্তি লিখার উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে এবং এটাই স্বাভাবিক। পরিনামে এ লেখা পড়া এবং কিছু জানা বা শিখা খেকে আমরা বঞ্চিত হবো।পুরা ব্যাপারটাকে নিগেটিভভাবে না নেওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ রইল।

স্কুল লাইফের মত অবস্থা শুরু হইছে আমার


স্কুল লাইফের মত অবস্থা শুরু হইছে আমার, এই পড়াটা আজকে না আগামীকাল পড়ব, আগামীকাল থেকে সিরিয়াসলি পড়াশুনা শুরু করব, কিন্তু সেই সিরিয়ারনেস কোন দিন আসেনি, এগুলা ছিলো আমার স্কুল লাইফের কাজের অবস্থা,শুধু আমার নয় আমার মত গাধা মার্কা সকল স্টুডেন্টরই একই অবস্থা ছিল।

এখন অফিসের কাজেও আমার একই অবস্থা বিরাজ করছে, আজকের কাজ আগামীকাল করব এই করতে করতে দুনিয়ার কাজ জমছে, আজকের মধ্যে শেষ করতে না পারলে পুরা ফাটা চেংগীর কেচকিতে পড়তে হবে আমারে।
"গুরু উপায় বলোনা" ছাড়া আর কোন ভাষা পাচ্ছিনা।

যেখানে সারা বিশ্বের মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমাদের মেয়েরা কেন পিছিয়ে আছে বুঝা যাচ্ছেনা


জনি বেচারা ছোট বেলায় মেয়েদের সাথে ঘুরে দারুন বিপদে পড়েছে,পুরা মেয়েদের দায়িত্ব একাই পালন করতেছে। রনি কিছু দায়িত্ব পালন করলেও বাকীরা প্রায় হাতগুটিয়ে বসে আছে।যেখানে সারা বিশ্বের মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমাদের মেয়েরা কেন পিছিয়ে আছে বুঝা যাচ্ছেনা।তব আমার মনে হয় কোমর বেধে আমার বোনরা যুদ্বে নেমে পড়বে।তেলে তেলে পেইজ তৈলাক্ত হয়ে উঠবে।আশা করি আমাদের বোনরা আর পিছিয়ে থাকবে না।

কলোনিতে এ সময় অফিসের ভিতরে আর সকলের বাসার বাগানে প্রায় সব জায়গায় আম গাছ দেখা যেত


কলোনিতে এ সময় অফিসের ভিতরে আর সকলের বাসার বাগানে প্রায় সব জায়গায় আম গাছ দেখা যেত।গাছ ভরা আম দেখে কি জে লোভ লাগতো।সকাল থেকে ১ টা পযন্ত সকুলে থাকতাম। সকুল থেকে আসার পর আমি মুননি,পাননা হাসি আর ফেরদৌসি আমরা দুপুরে সবাই জখন ভাত খেয়ে রেষট নিত তখনি আমাদের মিশন শুরু হতো।আমি আমমা না দেখার মত করে একটা কাগজে অনেক গুলা মরিচ আর লবণ নিয়ে সোজা বৈইজজার বাগান মানে খাল পাড়ে চলে জেতাম।

তারপর E টাইপ,B, C থেকে আম পেরে সবার শেষে বৈইজজার বাগান থেকে পেরে নারকেল গাছের নিচে বসে কাগজ থেকে লবন মরিচ নিয়ে ইচচা মত খাইতাম।আর নানা গলপ করতাম।কলোনির গাড গুলা আমাদেরকে অনেক বার দৌড়াইছিল কে শুনে কার কথা।আমরা আমাদের মত করে জেতাম।শৈশব কালের ঐ কথা গুলা মনে পড়লে অনেক কষট লাগে।ষোল বছর কাটাইলাম কত মজা আর আনন্দ নিয়ে।মেইন অফিসের ভিতর থেকে আববা বসতা ভরে কাচাঁ আম আনতো।সেগুলা ভাল লাগতো না ঐ জে চুরি করা আমগুলা খেতে অনেক মজা ছিল।অনেক মাইর খাইচিলাম বড়ভাই মেজ ভাইয়ের কাছে।আমি আমার ঐ বানধবিদের খুব মিস করি।

চুপচাপ শান্ত এবং এই পেজটির সব চেয়ে পরিপুর্ন একটি ছেলে


চুপচাপ শান্ত এবং এই পেজটির সব চেয়ে পরিপুর্ন একটি ছেলে। আক্ষরিক অর্থেই "Smart"। কমেন্টস গুলিও বুদ্ধিদীপ্ত। সহ্যক্ষমতা অনেক বেশি। আমাদের দুইজন সম্মানিত এডমিনের একজন হলো পুলক।

এই পেজটির মাধ্যেমেই পুলকের সাথে পরিচয়। Colony তে কখনো দেখি নাই। কারন একটাই, আমার আর পুলকের বয়সের ব্যাবধান অনেক বেশী।

আমাদের আড্ডার সফল আয়োজনের, পর্দার পিছনে যে কয়জন কারিগর ছিলো, পুলক অন্যতম।

দারুন একটা ছেলে। সে চমতকার বক্তব্য রাখতে জানে। MFC তে, আমার অনুরোধে সে ৫ মিনিট বক্তব্য রেখেছিলো। এক কথায়, দারুন ছিলো, তার কথা গুলি। ভালো নাচতেও জানে। আড্ডাই তার প্রমান। যে কোনো কাজ, এই পেজের সার্থে, সে হাসি মুখে করে। আর এই পেজটি সৃস্টির, সে হলো আমাদের কারিগর। ছোট এই ভাইটির প্রতি রইলো, আমার অনেক ভালোবাসা। দোয়া রইলো ভাই।

(আমার ভাই/বোনদের নিয়ে, আমার এই লেখাগুলির ইচ্ছা, বেশ কিছু দিন ধরে, ইনশাল্লাহ আমি পর্যায় ক্রমে লিখবো, এখানে তেলের কিছুই নাই, আছে ভালোবাসা।)।

কলোনির সকল মুরুব্বিই আমাদের গুরুজন


কলোনির সকল মুরুব্বিই আমাদের গুরুজন, তাদের প্রতি আমদের সবসময় থাকবে শ্রদ্ধা আর সালাম।

আমার বন্ধু রাশেদের (মরাইয়া) আব্বা আম্মা খুবই আন্তরিক ও স্নেহপ্রবন মানুষ। কাকা ( জনাব আব্দুস সালাম, কমার্শিয়াল ডিভিশন) কে যখনই সালাম দিতাম তখনই তিনি সহাস্যমুখে সালামের উত্তর দিয়ে কুশলাদি জিজ্ঞেস করতেন। আর খালাম্মার কথা কি বলব, এতো আন্তরিক মহিলা সহজে দেখা যায়না, যে কারো বিপদে বা প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়তেন, আমাদের ক্রিকেট ক্লাবের সকল ইন্সট্রুমেন্ট রাশেদ দের বাসায় রাখতাম, বিশাল এক কাঠের ট্রাংকে এগুলো রাখা হতো, প্রতিদিন এগুলো আনতে আর রাখতে যেতাম তাদের বাসায়, বিরাট ঝামেলায় ফেলতাম তাদের, অথচ খালাম্মা কোনদিন নূন্যতম বিরক্ত হননি, বরং উনি আমাদের উৎসাহ দিতেন, আমি জানিনা খালাম্মা খেলাধুলা কতটুকু বুঝতেন, তবে তিনি নিয়মিতভাবে আমাদের খেলার ব্যাপারে খোঁজখবর রাখতেন। আমার সৌভাগ্য, আমি এই দুটি ভালো মানুষের স্নেহধন্য ছিলাম, আমার যে কোন ভাল খবরে উনারা উচ্ছসিত হতেন।

কিছু কথা --------


কয়েকদিন যাবত কিছু বড় ভাই ,ছোট ভাই ও বন্দুরা অনুরোধ করিতেছে আমি যেন পেজে একটা পোষ্ট দি এবং পেজে যেন আগের মতো সময় দি । এদের সবার প্রশ্ন একটাই -কেন পেজে আমার কোন পোষ্ট বা কমেন্টে নাই , কারন একটা তো ছিলই বটে এবং তার উপর সময়ও একটা ব্যাপার ছিল । তাদের অনুরোধে আমার এই পোষ্ট বিশেষ করে মনা ভাই গত ১০/১২ দিন থেকে ফোনে ও ম্যাসেজে বলছে, আজকেও কয়েকবার ফোন করেছে, শাহিন ভাইও সকালে ফোন করেছিল । ছোট ভাই লিটন গত ৫/৬দিন আগে ফোন করে বলেছিল পেজে একটা সুন্দর পোষ্ট দিতে , বরং তাকে আমি ধমক দি । তাকে বললাম - তোর কমেন্ট গুলোর মধ্যে পুলিশের গন্ধ থাকে কেন । বড়দের সাথে ভাল ব্যাবহার করিস , তাতে সবাই তোকে আদর করবে । লিটন আমাকে উত্তর দিন - ভাই আপনি পেজে নিয়নিত থাকেন , এরপর আপনি আমার কোন কমেন্ট বা পোষ্টে যদি কোন আপন্তিকর কিছু পান এরপর আমারে আপনি যেখানে ডাকেন আপনার সাথে এসে দেখা করবো । এবং যে শাস্তি দেন মাথা পেতে নিবো । লিটন আমার বন্দু ফারুকের ছোট ভাই । আমি তারে ছোট কাল থেকে দেখে এসেছি , তখন সে অনেক শান্ত ও ভদ্র ছিল । এখনো পর্যন্ত তাকে আমি আমার সামনে কোন বেয়াদবি করতে দেখি নাই ।