পিকনিকের সিজন এসে পড়েছে,আর কলোনিতে
পিকনিক মানেই ক্যাসেটে উচ্চ স্বরে গান আর সাথে নাচ, নাচ বলতে আন্দাজে হাত পা ছোড়া ছুড়ি, যাকে বলে উদ্দাম নৃত্য, যার আগা মাথা বলতে কিছুই নেই। আর বেশিরভাগ গানই ছিলো গুরু
আজম খানের। শুধু কলোনির ভিতর নয়, কলোনি থেকে দূরে
কোথাও গেলেও চলতি পথে বাসের মধ্যেও এই নৃত্য চলত। জুনিয়র সিনিয়র সম্মিলিত নৃত্য
চলত সি টাইপ মাঠের ৩১ ডিসেম্বর রাতের পিকনিকে, ওখানে বড়রা ছোটরা এমন ভাবে নাচত কার পা কার মাথায় বারি
খাচ্ছে সে হুশ থাক্তোনা কারো। এই নাচের আসরে আপাতদৃষ্টি তে গুরুগম্ভীর অপু ভাই,
Mainuddin Ahmed Siddique Titu ভাইকেও নাচিয়ে
ছেড়েছি, আর এই নাচের ময়দানে
মোর্শেদ ভাই ভিন্ন প্রকৃতির এক নাচের প্রচলন করেন, যেটা উনি ছাড়া আর কেউ পারতোনা।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Monday, December 21, 2015
অবশেষে বাসায় আসলাম
অবশেষে বাসায় আসলাম। চিটাগাং ঘুরে এলাম। ১৯৯৯ এর পর এই প্রথম যাওয়া। সবার
আতিথিয়তা দেখে মুগ্ধ। কিভাবে ঋন শোধ করবো জানিনা। বাবুর বাসার খাবারে স্বাদ ভুলতে
পারছিনা। সুজনের রান্না ছিল সেরকম।গরুর মাংস,মাছভাজা আর ডাল। ক্ষিদে পেটে হুমহাম করে
খেয়েছি। গেলাম বাবুর বাসায় সেখানে আমার জন্য চমক ছিল মধুভাত। জিবনের প্রথম খেলাম,
দুইবার নিয়ে। এইটার credit Iftee Nomi। ওর মুখেই শোনা।
খাবার টেবিল ভরা খাবার। বাবুর বউ ডলি, বোন তোমাকে কি বলে ধন্যবাদ দেব জানিনা। তোমার রান্না শুটকি
ছিল অসাধারন।আমি খুব দ্রুত ডলিকে নাজমুল ভাইয়ের মাকে ফোন করবো রান্নাটা শিখতে।আর
জসিম ভাই আজ খুব জোর করছিলেন দুপুরে খাওয়াবেন। খুব শ্রদ্ধা নিয়ে রিফিউজ করলাম।কারন
সমরস্বল্পতা। কাল খেলাম সেন্ট মারটিন হোটেলে। গেলাম স্টিল মিল। আমার ইচ্ছার কথা
মুখ দিয়ে বের করতে সময় লেগেছে,আমাকে নিয়ে
যাওয়াতে দেরি করেনি। চা পরটাও খেলাম। নাজমুল ভাইদের বাসায় ছিল বিশাল যজ্ঞ। টেবিল
ভরা খাবার।
জীবন খাতার প্রতিটা পাতায় এত হিসাব নিকাস করা যায়না
জীবন খাতার প্রতিটা পাতায় এত হিসাব নিকাস করা যায়না। এত হিসাব নিকাস বুঝিনা।
অনেক মানুষ এর কোলাহলে বেচে থাকতে ইচ্ছে করে। কি পেলাম আর কি পেলাম না, তা কখনো ভাবতে ইচ্ছে করেনা। অনেক বড় ধাক্কা খেয়েছি ব্যাবসা
নিয়ে। ৩টা বছর একদম শুন্য ছিলাম। এখন কিছুটা গুছিয়ে নিয়েছি। তবে কোন রকম। আমি
সহানুভুতির জন্য কথা গুলি বলছিনা। মাঝে মাঝে মনটা খারাপ হয়ে যায়। আমি কি কোন ভুল
করছি?
আমার পরিবার কিছুটা
বিরক্ত। আমার জগত আমার পরিবারের কাছে উন্মুক্ত। তারা সব কিছুই দেখে এবং জানে।
সারাফের মা মাঝে মাঝেই বলে, তুমি সমস্যায়
পরবে। আমি আমার confidence এর কথা বলি। এত
আপনজন কোথায় পাবো বলো? আজ ছোট বোনটা যখন
কেদে কেদে জিজ্ঞসা করে তার অপরাধটা কি? আমি উত্তর দিতে পারিনা।
Sunday, December 20, 2015
পরের দিন ছিল ফ্রি ডে
পরের দিন ছিল ফ্রি ডে। কোনো কাজ নেই ঘুরাঘুরি ছাড়া। সকালে নাশতা খেয়ে হোটেল
থেকে চেক আউট করলাম।এর মাঝেই নাজমুল ভাইয়ের ফোন। আমরা দুপুরে একসাথে খাব। কোথায়?
সেন্টমারটিন এ। আমি জানি চার পাচ জনের কথা,কিন্তু গিয়ে দেখি রবাহুত হয়ে আরো কয়েকজন এসেছেন। আমার সাথে
আসা ছেলেমেগুলা পতেংগা যাবে কাজেই ওখানে যাবার পথে স্টিল মিলে যাবার ইচ্ছা প্রকাশ
করলাম।
সবাই মিলে তিন গাড়ি ভরে গেলাম। কি যে পরিবরতন!!! আমার চোখে ভাসছিল সেই ৯০
এর চিত্র। আমরা কলেজ বাসে করে যে রাস্তা ধরে যেতাম সেই রাস্তায় গাড়ি যাচ্ছিল।একটুও
চিনতে পারছিলাম না। সব পাল্টে গেছে। ঢাকা ঢাকা ভাব এসে গেছে একটা। অনেক ফাস্টফুড
এর দোকান,অনেক শপিংমলের উপস্থিতি
ভাল লাগছিল না। গাড়ি একসময় কাস্টম হাউজের সামনে দিয়ে গিয়ে ব্রীজটায় উঠলো। আগে কলেজ
বাসে যেতে যেতে খুব মন চাইতো এই ব্রীজটার রেলিং ধরে দাড়িয়ে ছবি তুলব।আমার চোখ
খুজছিল সেই পুরানো সময়,পুরানো চেহারা।
লিটনকে গাড়ি থামাতে বলাতে ও থামালো কিন্তু নেমে ছবি তোলার আগ্রহ হারালাম। এত ভীড়।
Saturday, December 19, 2015
কিছুটা অভিমান নিয়েই বলতে চাই
"কিছুটা অভিমান নিয়েই বলতে চাই, ভাই কেন তুমি এতদিন দূরে ছিলে,আমি যে তোমার অপেক্ষাই ছিলাম। অবশেষে এসেছ এই ছোট ভাই টির
কাছে। বুকের মাঝে জড়িয়ে ধোরে করলে আমায় আদর।"
সবাই ভাবছেন এটা আবার কি কথা। আসলে এতটা খুশি আর আবেগী হয়ে গেছি আজ, তাই না লিখে থাকতে পারলাম না। যাকে নিয়ে আজ আমার এই লেখা
আশা করি তিনি বুঝতে পারবেন।অন্ন্যদের কথা বলতে পারি না। সে সাথে বলতে চাই ভাইয়া এই
কথা গুলো মিথ্যা মনে করবেন না। এ কথাগুলো আমার না, মারা যাবার আগে এই কথা গুলো আমার বাবা আমাকে বলে গিয়েছিল।
যা আজ সরথি হল। আপনার সামনে বলতে পারিনি বলে, এখানে লিখলাম।যদি ভুল করে থাকি, ছোট ভাই আশা করি ক্ষমা করবেন। বাবার ২য় স্ট্রক হবার কিছু
দিন পর একদিন আমার সাথে বাজারে যাবে বলে কলোনীর ভেতর ঘুরতে যায়। হাটতে হাটতে বলতে
থাকে কিছু কথা। বাবা বলতে শুরু করে,তোদের জীবন টা
এমন হবে আমি ভাবিনি। তোদের জম্মটা এমন জায়গাতে হয়েছিল,যেখানে কিছু বাবা মা ছাড়া তেমন কেও তাদের সন্তান নিয়ে
চিন্তা করতো না।
শীতকালে বৃষ্টির কাহিনী লিখতে যাচ্ছি
শীতকালে বৃষ্টির কাহিনী লিখতে যাচ্ছি, আসলে আর লেখা আসছেনা, বুঝতে পারছি যা
লিখছি তাও অখাদ্য হয়ে যাচ্ছে পাবলিক আর খাচ্ছেনা এ জন্য বোধ হয় সাড়াও কম পাচ্ছি।
এদিকে আবার চশমাটাও হারিয়ে ফেলেছি গতকাল রাতে, কাজ করছি এক কলিগের চশমা দিয়ে, ভাগ্য ভালো উনি ছুটিতে আছেন আর উনার চশমা টা অফিসে রেখে
গিয়েছেন।
বৃষ্টির দিন এলেই আমাদের মনটা কেমন জানি আনচান করে উঠত, সব কাজ কর্ম ,স্কুল কলেজ বাদ দিয়ে পাইন্যা ফুটবল খেলার জন্য বল নিয়ে সবাই মাঠে হাজির হতাম।
১৭ তারিখ রাত প্রায় সাড়ে বারটায় চিটাগাং নামলাম
১৭ তারিখ রাত প্রায় সাড়ে বারটায় চিটাগাং নামলাম। আমি আর আমার সাথে আসা সাত জন
প্রতিযোগী আর রেজা ভাই। বাসের শেষ স্টপেজ ছিল স্টেশন রোড। আমাদের নিতে আসলো সুজন
আর জাভেদ। হোটেলে চেকইন করে ফ্রেশ হয়ে ঘুমালাম।বুঝিনি যে পরের দিনটায় আমার
সিএসেমের ভাইয়েরা বিশাল আয়োজন করে রেখেছেন। সকালে প্রথম গেলাম ফিরোজ শাহ কলোনি এক
আপার সাথে দেখা করতে। সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। এর মাঝেই বের হলাম। জাভেদ
থাকায় আমার খুব ভাল হল। ওকে আটকে রেখে দিলাম।
ওখান থেকে ফিরে গেলাম আমাদের ডিবেট
যেখানে হচ্ছে সেখানে। এরপর জাভেদ চলে গেল। আমি কিছুক্ষন ভেনুতে থেকে গেলাম সুজনের
বাড়ি। চাচি বাসায় নেই,সুজন আমাদের জন্য বিশাল
আয়োজন করে রেখেছিল। মাছ ভাজা,গরুর মাংস আর
ডাল। মজা করে খেয়ে গেলাম বড়পুল এমএফসিতে,আমাদের মিটিং।
Friday, December 18, 2015
সাথে সাথে ফিরে গেলাম সেই ৮৮/৮৯ সালে
ইউটিউব এ অনেক পুরানো কিছু হিন্দি, ভারতীয় বাংলা ছবির অংশ বিশেষ দেখছিলাম, বিশেষ করে কেয়ামত সে কেয়ামত তাক, শাহেন শাহ, দিল, ম্যায়নে পিয়ার কিয়া, আফসানা পিয়ার কা অথবা অমর সংগী, গুরু দক্ষিণা। সাথে সাথে ফিরে গেলাম সেই ৮৮/৮৯ সালে, তখনও ঘরে ঘরে রঙিন টিভি আসেনি, লাক্সারিয়াস বিনোদন বলতে ভিসি আর এ ছবি দেখা, ভিসিয়ার ভাড়া করে আনা হতো, আর ২৪ ঘন্টার জন্য ক্যাসেট ভাড়া ছিলো সে আমলেই ২০ টাকা। মনে পড়ে মামার বাসা থেকে এক দেড় মাসের জন্য ভিসি আর আমাদের বাসায় এনে রাখতাম। রাত নয়টার পরে সিনেমা দেখা শুরু হতো, প্রতিবেশী দের আগমনে সরগরম থাকতো বাসা। খুব ফাইটিং সিনেমা পছন্দ করতাম, তবে কেয়ামত সে কেয়ামত তাক সে পছন্দ ঘুরিয়ে রোমান্টিক সিনেমার দিকে নিয়ে যায় তার সাথে সাথে জুহি চাওলাকে মনে ধরে যায় সারা জীবনের জন্য।
লিখার শুরুতে আতিক ভাই এবং মানিক ভাইয়ের কাছে মাফ চেয়ে নিচ্ছি
লিখার শুরুতে আতিক ভাই এবং মানিক ভাইয়ের কাছে মাফ চেয়ে নিচ্ছি।।কারন আমি নাকি
তেল-গ্যাস মিশ্রিত লেখা লিখি।।আজকে লিখবো নিরু ভাইকে নিয়ে।।আমি তখন স্কুলে
পড়ি।।কিন্তু কোন ক্লাসে পড়ি ঠিক মনে নেয়।।তবে বুঝি।।আমার বড় ভাই।।নাম ফারুক।।95ব্যাচ।।
বড় ভাইয়াও তখন স্কুলে পড়ে।।তো কলোনী একবার হঠাত করে
ছেলে ধরার মানে অপহরণের উপদ্রব দেখা দিয়েছিল।।দু এক জন অপহরণের স্বীকারও বোধ হয়
হয়েছিল।।সেই উপদ্রবে আমার বড় ভাইও পড়েছিল।।দু তিন জন লোক বড় ভাইকে ভাল ব্যবহার,,খাবার এবং কিছু টাকা দিয়ে বশ্ করলো এবং সময় দিল সন্ধ্যায়
বড় ভাইকে নিয়ে ঘুরতে যাবে।।বড় ভাইতো মহা টেনশন।।কি করবে ভেবে পাচ্ছিল না।।
Thursday, December 17, 2015
"মুদ্রা-গুন"
আমাদের সবারই কিছু না কিছু "মুদ্রা-দোষ" আছে, একেক জনের একেক রকম মুদ্রা-দোষ। আসলে মুদ্রা-দোষ ছাড়া মানুষ
হয় কিনা, এটাও একটা চিন্তার বিষয়
!!!!
একটা ব্যাপার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে কয়েকদিন ধরে, এইটাকে আমার একপ্রকার মুদ্রা-দোষ বলা যেতে পারে !!!
ব্যাপারটা হলো, "মুদ্রা-দোষ" কি ছোট
দোষ, নাকি বড় দোষগুলোকে বলা হয়? বিস্তারিত আমার পক্ষেও বলা সম্ভব না, তবে মুদ্রা-দোষ বলতে আমি যা বুঝি, মানুষ সবসময় যে কাজগুলো ইচ্ছাকৃত, অনিচ্ছাকৃত বা নিজের অজান্তেই করে থাকে, এবং যে কাজটা নিজের অজান্তেই অভ্যাসে পরিনত হয়।
Wednesday, December 16, 2015
CMS colony.. এর প্রায় সব সৃতি চিহ্ন নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে
"CMS colony.. এর প্রায় সব সৃতি চিহ্ন নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। মনে করাও খুব
কঠিন হবে কার বাসা কোথায় ছিল,কোথায় কেটেছে কার
শৈশব, ঠিক কোন জায়গাটায় দাড়িয়ে
কেটেছে জীবনের অনেক গুলো সুবর্ন দিন।থাকার মধ্য যদি কিছু থেকে থাকে তা হল স্কুল,শহীদ মিনার, আর প্রায় ভঙ্গুর
এতিমখানাটি।
অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে।অবকাঠামোগত পরিবর্তন,রাস্তাঘাট,দালানকোঠা এককথায়
তথাকথিত উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে সব যায়গায়। একটা সয়ংসম্পূর্ন শীল্পএলাকা কে ধূলিসাৎ
করে দিয়ে দাড়িয়েছে কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান।
শুধু পরে রয়েছে এই অবহেলিত এতিমখানা টি।
আসলেই আমরা অতুলনীয়
দুজনেই কলোনিতে আমাদের অনেকের বড় ভাই আবার অনেকের জুনিয়র ভাই হয়, তবে আমার সিনিয়র হয় দু জনেই, একজনের নামের আদ্যাক্ষর ম। আরেকজনের জ। দু জনকেই প্রায় সময় দেখতাম বিভিন্ন বিষয়ে বাজি বা বেট ধরতে। তো একদিন ম ভাই জ ভাই কে বললেন, জ ভাই যদি ইউনুসের দোকানের সামনের ড্রেনের পানি থেকে এক চামচ পানি নিয়ে খেতে পারে তাহলে ম ভাই জ ভাইকে ইউনুসের দোকান থেকে অনেক কিছু খাওয়াবে। ম ভাই সহ সেখানে উপস্থিত সকলেই ভেবে নিয়েছে এটা অসম্ভব ব্যাপার কারন ওই ড্রেনের পানিতে মনুষ্য বজ্য' ভাসছিল। কিনতু এবার অনন্ত জলিলও ফেল, সবাইকে অবাক করে দিয়ে ওয়ারকার ক্লাব থেকে চামচ যোগাড় করে জ ভাই ঠিকই ওই পানি এক চামচ নিরবিকার ভাবে খেয়ে ফেলল।
আসলেই আমরা অতুলনীয়।
Tuesday, December 15, 2015
নাংগা দৌড়...............................
লেখাটি পোস্ট করার জন্য সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম
নাংগা দৌড়...............................
আগেও একবার বলেছিলাম কলোনীতে রাতে কারেন্ট না থাকা মানে আমাদের মত বদ
পোলাপানের জন্য চাঁন রাত, এমন এক চাঁন রাতে
কয়েকজন বসে আছে সি টাইপ মাঠের পাশে। শুধুই গল্প গুজব হচ্ছে। আগের রাতে ডাব পাড়তে
গিয়েে এদের মধ্যে একজন নিজেই গাছ থেকে পড়ে যাওয়ায় ওই রিস্কে আর কেউ যাচ্ছেনা।
চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার, এমন সময় দেখা গেল
সি ১১ এর এক বাসা থেকে থেকে প্রাইভেট কারে করে মেহমান বের হচ্ছে যারা ঘন্টা দুয়েক
আগে ওই বাসায় এসছিলেন।
নভেম্বর মাসের শেষের দিকের দিন
নভেম্বর মাসের শেষের দিকের দিন।যেদিন বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হত।সেদিন ক্লাসে
প্রয়াত হামিদ স্যার এসে বলতেন, তোমরা সবাই ১৬ ঈ
ডিসেম্বর সকাল ছয়টা বাজে স্কুল মাঠে হাজির থাকবে।যারা থাকবেনা,তাদের রিপোর্ট কারড পাবেনা।দেখা যেত এই ভয়ে ১৬ঈ ডিসেম্বর
আমার মত অনেকেই স্কুল মাঠে শীতের আরামের ঘুম কে হারাম করে ঠান্ডা কে বুড়ো আংগুল
দেখিয়ে শীতের কাপড় গায়ে চাপিয়ে হাজির হত।হামিদ স্যার সবাইকে লাইন করে সারিবদ্ধ করে
দাড় করাতেন।তারপর মেইন অফিসের দিকে নিয়ে যেতেন।আমরাও ধাক্কাধাক্কি করে স্যারের
পিছু পিছু যেতাম।সবাই রংগন ফুল দিয়ে ঘেরা গোলাকার বাগানের চারপাশে দাড়াতাম।
Monday, December 14, 2015
আজ আমার মন-দিল যা আছে সব খুবই খারাপ
আজ আমার মন-দিল যা আছে সব খুবই খারাপ। আমার মেয়েটা ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে পড়ে
আর আমার ছোট্ট ছেলেটা ছোট্টবেলা থেকেই ইন্নির স্কুলে যাবে ইন্নির স্কুলে যাবে এই
বলে বড় হচ্ছে। কিন্তু আজ সে ভর্তি যুদ্ধে পরাজিত, লটারীতে তার নাম আসলো না। আমি কোনভাবেই অডিটোরিয়াম থেকে বের
হতে পারছিলাম না, বারংবার মনে হতে লাগলো এই
মনে হয় ০৪ ক্রমিক নাম্বারটি কল করে বলবে আপনার ছেলে সিলেক্টেড।
সাদা মনের মানুষ
সাদা মনের মানুষ আমি খুবই পছন্দ করি,,সম্মান করি এবং ভালবাসি।।কারণ এই রং-এর মানুষ বর্তমান দুনিয়ায় পাওয়া খুবই
দুষ্কর।।মানুষটার সাথে আমার কখনও বা এখনও দেখা হয়নি।।ওনার সম্পর্কে এই পেজের
মাধ্যমে অন্যের মুখে কেবল শুনেছি এবং ওখান থেকেই ওনার ভক্ত হয়ে গেলাম।।আজ প্রথম
ওনার সাথে ফোনে কথা হয়।।অসম্ভব একটা ভাল লাগা অনুভব করলাম।।সেই সাথে একটা যাদুও
অনুভব করলাম।।
Sunday, December 13, 2015
" খানা বাতিক "
আমাদের "এমদাদ-৯৭" ( ভাই ভাই ষ্টোর ), কলোনীর কয়েকজন বুদ্ধিজীবী মার্কা বান্দরের মধ্যে একজন ছিলো।
মাঝে মধ্যে ভাই ভাই ষ্টোরে বসার কারনে কলোনীর ছোট বড় সবাই তাকে চিনতো। তবে তার
অনেকগুলো বদভ্যাসের মধ্যে একটি অন্যতম বদঅভ্যাসের নাম ছিলো "বিবাহের খানা
বাতিক"। অফিসার্স ক্লাবের এমন কোন বিয়ে নাই এমদাদ খায় নাই। সুন্দর মত শার্ট-প্যান্ট,
জুতা পরে ঢুকে যেত বিয়ের অনুষ্ঠানে, এর পর খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমাদের সাথে এসে আড্ডা দিত।
আমরা যদি বলতাম, " কিরে কেউ তোকে
সন্দেহ করে না ?"
এমদাদের উত্তরঃ "আরে শুধু খেতে বসে গেলে সন্দেহ করতে পারে, তাই আগে কিছুক্ষন এদিক সেদিক ঘুরি, খাবার পর বোউ-জামাই দেখে দাত খিলাল করতে করতে বের হয়ে আসি,
ন্যাচারাল থাকলে কেউ সন্দেহ করে না।"
Saturday, December 12, 2015
আল্লাহর নাম নিয়ে ট্রেনে উঠে বসলাম
আল্লাহর নাম নিয়ে ট্রেনে উঠে বসলাম। সাথে হাফিজ মামা। গন্তব্য রাজশাহি। হাফিজ
মামা হলো আমার ছোট খালার চামচা। খালা যদি সকালে উঠে বলে এখন রাত ১২টা, হাফিজ মামা বলবে, জি ভাবি রাত যাগা ঠিক না, আপনে আরাম করে
ঘুমান। খালা হাফিজ মামা কে দায়িত্ত বুঝিয়ে দিয়েছে। কোন ভাবেই খালি হাতে আসা
যাবেনা। উপরে আল্লাহ আর নিচে আপনে এবার ভাবি খালি হাতে ফিরবো না।
বেশ কিছু টাকা পয়সা হাফিজ মামার হাতে দেওয়া হলো। আমার হাতে specially কিছু দেওয়া হলো যায়গা মত দেওয়ার জন্য।
এটা আমার নানুর বাড়ী
ছোট বেলায় বার্ষিক পরীক্ষার শেষে যখন নানুর বাড়ী ঢাকায় বেড়াতে যেতাম- তখন
অন্যান্য খালাতো ও মামাতো ভাই ও বোনেরা আসতো। নানুর বাড়ীতে হতো আমাদের বাৎসরিক
মিলন মেলা। আমার ব্যবহারে তারা অসন্তুষ্ট হলে- নানীকে যেয়ে না বুঝে তারা বলতো- “এটা আমার নানুর বাড়ী”।
মিয়া ভাইকে চলে
যেতে বলো। আমার নানী তখন হাসির ছলে বলতো-নানু ভাই, আমার পাঁচ আঙ্গুলের যেটাকেই কাটি, সেটার থেকেই রক্ত বের হবে সুতরাং আমি কোন আঙ্গুলই কাটতে
পারবো না। তাহলে আমি ব্যাথা পাবো। সুতরাং আমাদের যে কোন কিছু ধরে রাখতে পাঁচটা
আঙ্গুলের দরকার আছে। হয়তো আঙ্গুল গুলো ছোট-বড় কিন্তু কাজের দিক থেকে কোন টারই
অবদান কম নয়।
Friday, December 11, 2015
বিব্রত কর মুহুর্ত
ভার্সিটিতে আমাদের ৮ জনের একটা গ্রুপ ছিল । তার মধ্যে আমার আর কাইয়ুমের জিএফ
ছিল না । এই নিয়ে আমাদের প্রায় ক্ষেপাতো চৈতি আর সুবর্না । কাইয়ুম হঠাত করে আমারে
টেনে নিয়ে যায় ডিপার্টমেন্টের ছাদে।
মামা আগুন তো লাইগা গেছে ?
কই?
আমার বুকে রে মাম্মা । পরীর মতো একজন রে দেখলাম উড়ে উড়ে আসছে । আমি অনেক্ষন
ফলো করে বোটানি ডিপার্ট মেন্টের কাছে গিয়ে হারিয়ে ফেললাম । হা হুতাশ করেই চলেছে
কাইয়ুম
আমি কি করবো তাহলে ?
তুই আমার সাথে বোটানি ডিপার্টমেন্টে যাবি ।
পারেও শালারা
পারেও শালারা। এই নাক বুচা জাতিরা জুয়া আর ওয়াইন নিয়ে যেখানে/সেখানে আসর বসাতে
পারে। কোরিয়া থেকে ব্যাংকক যাচ্ছি। ব্যাংকক ৪দিন থেকে বাংলাদেশে চলে আসবো।বহু বছর
আগের কথা। আমার সাথে বাসাবোর ইসলাম। থাই এয়ারলাইন্স। ফ্লাইট আকাশে উঠার ৩০ মিনিট
পর ব্যাংককের কিছু যাত্রি playing cards নিয়ে খেলতে বসে গেলো। আমার অস্থিরতা সুরু হলো। কি করা যায়? ইসলামের দিকে তাকালাম। ইসলাম বুজে গেলো আমার মতি/গতি খারাপ।
ভাই আপনের পায়ে ধরি। আমি সিট বেল্ট খুলে আস্তে আস্তে উঠতে লাগলাম। ভাই যদি হারেন
তাইলে আপনেরে আমি ব্যাংকক ফালাই থুইয়া যামুগা।
Thursday, December 10, 2015
আড্ডা (3)
তখন ক্লাস টেন পড়তাম। ক্লাস টেন আমাদের টেনে নিয়ে যাচ্ছে পরার টেবিলে । টেবিল
থেকে উঠে গেলেই ধমক শুনতে হয়। বিনোদনের এক মাত্র মাধ্যম বিটিভি ও আমার জন্য বন্ধ
হয়ে যায়। আমার বিনোদন বলতে বিকাল বেলা জাহাঙ্গির এর কাছে কোন নাটকে কে কি করলো তাই
হজম করা। জাহাঙ্গির নাটকের গল্প বলতে মজা পেতো , জাহাঙ্গির এর মজা দেখতে ভালো লাগতো বলেই উৎসাহের পরিমান টা
একটু ফুলিয়ে ফাপিয়ে দেখাতাম । প্রতি মাসে মান্থলি টেষ্ট ছিল আমার জন্য চরম
বিরক্তকর সময়।
সারাক্ষন চাপে চ্যাপ্টা হয়ে যেতে কার ভালো লাগে ? আমার ভালো না লাগলেও টেষ্টের আগে তিন তলায় বেঞ্চ নিয়ে
যাওয়ার সময় টা ফ্রেন্ডদের অনেক পছন্দের সময় ছিল। তিন তলায় নাকি পরীমনি আছে ?এদের দেখার জন্য রবিন মুসলিম থেকে শুরু করে হেভিওয়েট সবাই
মিলে মিশে একাকার হয়ে যেতো আমি অবশ্য এখনো জানি না মেয়েরাও কি এই রকম ভাবে আমাদের
দেখতে চাইতো ? আমি মেয়েদের সাইকোলজি
বুঝি না তাই জানি না মেয়েদের কি মনে হতো? যাই হোক বেঞ্চ তিন তলায় উঠানোর জন্য হেংলা পাতলা রাসেল রেও দেখলাম বিপুল উৎসাহ
নিয়ে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে । এক একটা বেঞ্চের যেই ওজন আমি একটা তিন তলায় নিয়ে গেলে
তিন তলা থেকে নির্ঘাত আমারে হসপিটালে নিতে হতো ।
Wednesday, December 9, 2015
৯১ এর পরে স্টিল মিলের ক্রান্তিকাল শুরু হয়
- Atiq CSM
৯১ এর পরে স্টিল মিলের ক্রান্তিকাল শুরু হয়, কর্মী দের বেতন অনিয়মিত হতে থাকে। কৃচ্ছতা সাধনের জন্য ৯৪ এ
মুস্তাফিজ কমিশন নামে এক প্রজেক্ট এর মাধ্যমে অনেক লোক ছাটাই করা হয়। অনেকেই কলোনি
থেকে অকালে বিদায় নেন। তারপর ও মিলের দুর্দিন শেষ হয়না। খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতে থাকে,
এমন ও হয়েছে শেষ দিকে ৫/৬ মাসের বেতন বকেয়া হয়ে
যায় কর্মী দের। একেক টি পরিবারের সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যায়। যাদের গ্রামের অবস্থা
ভালো ছিলো তারা গ্রাম থেকে টাকা পয়সা এনে চলতে থাকলেন, কারো পাশে এসো দাড়ালো তাদের মামা চাচারা কেউ কেউ ধার কজ'
করে চলতে থাকলেন।
কিন্তু কারো জীবন থেমে থাকেনি,আমার জানামতে কারো লেখাপড়া বন্ধ হয়নি, বন্ধ হয়নি বিয়ে শাদির মত সামাজিক অনুষ্ঠান, সমান তালে চালিয়ে গিয়েছি আমাদের বাঁদরামি, খেলাধুলা এমনকি প্রেম ভালোবাসাও বাদ যায়নি। এক সময় সব শেষ
হয়ে যায়। জীবনের তাগিদে আমরা একেকজন একেক দিকে ছড়িয়ে পড়ি। এতটুকু জানি ছোট বড় যাই
হোক সংগ্রাম করে আমরা সম্মানের সাথেই জীবন ধারন করছি।
ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন
ক্লাস সেভেনে পড়ি তখন, এক বর্ষাকালের
ঠিক সন্ধ্যার আগে আগে অফিসার্স ক্লাব থেকে আমি ,দুলি, রাশেদ সহ আরো
কয়েকজন বের হচ্ছিলাম, ক্লাবের গেটের বাইরে
আসতেই চোখ পড়ল আনোয়ার ভাইদের (ডি 1) কাঁঠাল গাছের দিকে, যেটার অবস্থান
উনাদের বিল্ডিংএর পিছনে আর রাস্তার ঠিক পাশে। দেখি তিন চারটি কাঁঠাল আমাদের দিকে
তাকিয়ে আছে আর মনে হচ্ছে যেনো বলছে আমাদের গাছ থেকে পেড়ে নাও।
দুলি আর আমি পরস্পর
একে অপরের দিকে তাকালাম, যা বোঝার দুজনেই
বুঝে নিলাম। কিন্তু তখন ও হালকা আলো ছিলো আর রাস্তা দিয়ে মুসুল্লিরা মাগরিবের
নামাজ পড়তে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলো।আর বৃষ্টির জন্য গাছ ও পিছলা হয়ে আছে, সে জন্য কোন ঝুঁকি নিলাম না।কি করা যায় চিন্তা করছি।
কিছুক্ষন অপেক্ষা করলাম, দেখি রাস্তায়
লোকজন কমছেনা। দুলি আর সহ্য করতে পারলোনা একটা পাথর নিয়ে সোজা গাছের কাঁঠাল বরাবর
মারলো এবং দুটো কাঁঠাল নীচে পড়ল। পাথর ছুড়ে আম, বরই পেরেছি কিন্তু কাঁঠাল পারা !!!
Monday, December 7, 2015
প্রসংগ Grand Adda 29 January, 2016.
বিয়ে শাদীর কথায় আমাদের দেশে একটা প্রবাদ আছে যে লাখ কথা না হলে বিয়ে হয় না'। আমাদের এইটা বিয়ের আয়োজন না হলেও এত বিশাল একটা আয়োজন যে এতে লাখ কথা হবেই।
সবাই সব কিছু বিনা কথায় মেনে নেবে তা হয় না। সবারি এই আড্ডা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি
চলছে। আমরা মেয়েরা ভাবছি কি শাড়ি পড়বো,কিভাবে ছবি তুলবো,কেমন লাগবে ওখানে এতদিন
পর পুরানো মানুষ গুলাকে দেখতে। একটু জটিলতা হয়েছে সেটা আমি মনে করি আর কিছুনা
শুধুমাত্র co_ordination এর অভাব। আর এটার
মুল কারন দুরত্ব। দুই জায়গায় বসে একটা প্রোগ্রাম fix করা চাট্টিখানি কথা না। ওখানে যারা আছেন তারাও আমাদের
শ্রদ্ধাভাজন।
আমার মতে এই সংকট নিরসনের একমাত্র পথ হল প্রতিনিয়ত আপডেট দেয়া। এটা
দুই জায়গা থেকেই হতে হবে। মুল দায়িত্বে যারা আছি বা আছেন আমাদের নিজেদের মধ্যে
প্রতিনিয়ত যোগাযোগ থাকা জরুরি। কতদুর কি হল সেটা নিজেরা জেনে পেইজে জানাতে হবে
তাহলে সবাই যখন জানবে যে কাজ আগাচ্ছে তখন সবাই আরো আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে আসবে। এখানে
আমাদের first priority হল যারা অংশগ্রহণ
করবে তারা। আমাদের আয়োজন, কস্ট তখনি
স্বার্থক হবে যখন সবার গোচরে বিষয়টা বিস্তারিত আনা হবে। এই যোগাযোগটা না হবার
কারনেই ভুল বুঝাবুঝি। আমরা বুঝতে পারছিনা আমাদের কি করা উচিত বা কেউ জানতে চাইলে
কি বলবো।
Sunday, December 6, 2015
টেলিফোনে যখন ফিসফিস কথা হয় ......................।
এককালে ল্যান্ড টেলিফোনে প্রেম হত।কলোনীর ল্যান্ডন ফোনকেই বুঝানো হতো। সকাল ১০/১১
বাজলেই শুরু হত গুনগুন। নিজের বাসা থেকে কথা বলার সুযোগ পাওয়া যেত বোধ হয় কম,
বন্ধুর বাসা থেকেই চলত আর ওই পাশেও একই অবস্থা একক দিন কন্যার একেক সখির বাসা,
টেলিফোনে কথা টেলিফোনেই প্রেম। সামনা সামনি দেখা হওয়ার চান্স কদাচিৎ। দেখা কর
- দেখা কর বলে বলে মুখে ফেনা উঠে গেলেও অনেক সময়ই দেখা হত না।
যত সব আজাইরা প্যাচাল ছিলো,
এই করছিি এই করব,
এই হইছে,
এই হবে ইত্যাদি ইত্যাদি যারে বলে টোনাটুনির বাক বাকুম।
ঐ ছেলে যদি ব্লগে লিখত তাহলে পোস্টের সংখ্যা যে কত হত। অফিস যাচ্ছি,
অফিস আসলাম এই জাতীয় পোস্টে ভরে যেত। আবার তার সাথে কথা হল সে সুস্থ আছে সে চট্টগ্রাম যাচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি পোস্টও অনেক দেখা যেত।
বলাবাহুল্য এখন এই ফোন অন্য কেউ করে বা অন্য কারো কাছে করা হয়।
" Proudly C.S.M "
- Mahabub Rasel
সবার মাঝে এখন একটাই স্লোগান,
গ্রান্ড আড্ডায় গাইবো একসাথে গান।
আমি C.S.M, আমি DONE grin emoticon
গ্রান্ড আড্ডার ব্যাপারে সবার সহমত আছে,
সবার সহমতের ভিত্তিতেই আমাদের বড়ভাইরা অনেক কষ্ট করছেন এই আয়োজনকে সামনে রেখে,
তাহলে এখানে আমাদের কি করনীয় আছে?
সব কিছু কি এমনি এমনি হয়ে যাবে
?
এই আয়োজনকে সুন্দর করে সফল করার জন্য সবারই অংশগ্রহন প্রয়োজন। এখানে কি এমন কেউ আছেন,
গ্রান্ড আড্ডায় অংশগ্রহন করতে চান না
!!!! নানাবিধ জটিলতায় হয়তোবা ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও অনেকেই আসতে পারবেন না,
কিন্তু আমি এই ব্যাপারে সিউর সবারই এই আড্ডায় অংশগ্রহন করার ইচ্ছা আছে।
Friday, December 4, 2015
টি শার্ট
- - Iftee Nomi
বছর পাঁচ কি
ছয় আগের কথা। আমার স্কুলের কম্বাইন্ড রিইউনিয়ন এর কথা শুনতে পেলাম। আমারে ষ্টিল মিল স্কুল/
কলোনি একবার ডাকলেই হলো কোথায় কি আছে দেখার সময় নেই
, একদম উসাইন বোল্টের মতো করে দৌড় শুরু করি । তারুপর আবার জাহাঙ্গির/রায়হান/ কাইজ্জা ও যাবে । আমারে আর পায় কে
? প্রতিদিন আমরা প্ল্যান করি
, সময় যেন কাটছেই না । চিটাগং এর আলো বাতাস এর স্পর্শ পাবো । সব বড় ভাই বোন দের সাথে দেখা হবে উফ ভাবতেই কেমন জানো লাগছে । ভাবতে ভাবতে এক
সময় আমাদের রিইউনিয়নের সময় হয়ে গেলো
, রিপক আমাদের ৪ ফ্রেন্ডের জন্য ট্রেনের টিকেট কেটে আনলো। কিন্তু প্রোগ্রাম হচ্ছে শীতের সময়,
এক দম হাড় কাপুনে শীত। জাহাঙ্গির বগুড়া থেকে আমার বাসায় এসে বলে দোস্ত টঙ্গিতে শীত কম থাকলেও একেবাড়ে কম না তুই ফ্লিসের কম্বল টা নিয়ে নে ।
Subscribe to:
Posts (Atom)