ঢাকা শহরের রাস্তায় সবচেয়ে প্রতাপশালী ও বেত্তমিজ প্রজাতি হচ্ছে সিএনজি অটো রিক্সা ড্রাইভার। এমন ভাবে থাকে মনে হয় সিএনজি না প্লেন চালায়। আর কোথাও যাওয়ার কথা বললে তো এদের পার্ট হয়ে যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্লেনের পাইলট এর মত। এদের কাছে গিয়ে কথা বলতে গেলে এমন ভাবে কথা বলে মনে হয় যেন ভিক্ষা চাইতে গেছি। বেশ কিছুদিন আগে মিটারে চলাচল শুরু হয়েছিল, এখন সেটা নিয়ে আবার পেখনা শুরু করছে ফাজিল গুলা। টাকা বাড়িয়ে দিব বলি তবুও যাবেনা। আর মিরপুরের কথা বললে এমন ভাবে না করে, মনে হয় মিরপুর ঢাকা শহরে না মংগল গ্রহে।ইচ্ছে করে কলোনির টাংকির তলায় নিয়ে একটা মুড়া দেই ইতর গুলারে। ধুরর!!! কি বলি এগুলা, আমাদের কলোনিটাই তো নেই।টাংকির তলা পাবো কই?
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Thursday, April 7, 2016
নেপথ্য কাহিনি
মাঝে মাঝে ভাবি এই যে কাউকে নিয়ে ভাল ভাল লিখা।এর পেছনে কি কারন। আমার এগুলো লিখার কি দরকার।এর শুরু কোথায়? প্রশ্ন গুলো র উত্তরে যা মাথায় এল তা হল এই,
আমি তখন নতুন ব্রাঞ্চ এ আসছি।তার কয়েক মাস পরে আমাদের অপারেশন ম্যানেজার বদলি হলেন।ভদ্রলোক আমাকে দেখতে পারতেন।আমি কিছু ভুল করলে আমাকে বকা না দিয়ে পাশের জনকে বকা দিতেন।এতই ভাল। উনার বিদায়বেলায় ম্যানেজার আমাকে প্রথমে বলতে দিলেন।আমি এত বেশি বলে ফেললাম উনার সম্পর্ক ভাল কথা, যে পরে আমার অন্য কলিগেরা বলতে লাগল," স্যার, আমি কি বলব,সব ত নিয়াজ বলে ফেলছে"। পরে অন্য কলিগ দের বিদায়ে র সময় আমার বক্তব্য শুনে স্যার বললেন, তোমাকে ত চুপচাপ দেখি,কিন্তু কারো বিদায়ের সময় মুখে ভাল কথা র খই ফুটে।
আমার সব "তৈল মর্দন" এর পিছনে ছোটখাট একটা কারণ থাকে
আমার সব "তৈল মর্দন" এর পিছনে ছোটখাট একটা কারণ থাকে।মাঝে মাঝে সফল আবার মাঝে মাঝে বিফল না বলে আংশিক সফল বলা ভাল। সব ত্যালানোতে যে সফলতা আসবে এমনটা ও ভাবি না।তবু কিছু কিছু সত্য ত্যালানোর মাধ্যমে প্রকাশের চেষ্টা করা।"পরাজয়ে ডরে না বীর"
Abdullah Al Mahbub ব্যাচ-৯৫।হাই পাওয়ার মোটা কাঁচের চশমা পরে।কলোনীতে "বি" টাইপে থাকত।আমাদের ক্লাস ক্যাপ্টেন ছিল,অনেকটা বন্যাপার(বুবু) মত।কোন ক্লাসে রোল কত,কেউ জিজ্ঞাস করলে চিন্তা না করে বলতে পারে ১।সব ক্লাসে ঐ ১ রোলটা তার দখলেই থাকত।চাকরীর সুবাদে বর্তমানে সপরিবারে মালয়েশিয়াতে অবস্থান করছে এয়ার এশিয়া এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা হিসাবে।হয়ত মোটামোটি লেখালেখির অভ্যাস ও আছে।তথাপি পেইজে কখনো লিখে না,তাকে লাইক/কমেন্টসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে দেখা গেছে।কলোনীতে থাকাকালীন প্রয়োজন ব্যতীত খুব একটা কথাবার্তা হতো না।এরপর ১৫/২০ বছর কোন দেখাসাক্ষাত নাই(অন্যদের সাথে ছিল হয়ত)।গত ডিসেম্বরে আমি ও পেশাগত কারণে মালয়েশিয়ায় যায়,ওর সেল নাম্বার জানা ছিল না,ওকে একটা মেসেজ করি।সাথে সাথে কল ব্যাক।আবিস্কার করলাম এ তো অন্য এক টিপু,আবেগাপ্লুত কন্ঠ।যার সাথে ১৫ বছর আগের টিপুর কোন মিল নেই।অসম্ভব আন্তরিক, এবং বন্ধুসুলভ মনে হল।
মাহাবুব ভাই কলোনীতে যার পরিচিতি ম্যারাডোনা নামে
- Tinku
মাহাবুব ভাই কলোনীতে যার পরিচিতি ম্যারাডোনা নামে । আজ সকালে অফিসে যাওয়ার পথে হঠাৎ মাহাবুব ভাইয়ের সাথে দেখা হয়ে গেল । সালাম দিয়ে বললাম- ভাইজান কেমন আছেন , চট্টগ্রাম কখন এলেন ? উত্তরে মাহাবুব ভাই বললো - চট্টগ্রাম এলাম এই ৩দিন হলো , আগামীকাল সকালে(শুক্রবার ) চলে যাবো। এবং বললো তোর কি খবর ? কৈ যাবি ?
আমি হাঁসতে হাঁসতে কই আর যাবো, মোল্লার দৌঁর মসজিদ অর্থাৎ অফিসে যাচ্ছি ।
এরপর বললাম মাহাবুব ভাই নাস্তা করছেন , চলেন নাস্তা খাই ।
মাহাবুব ভাই- আরে তুই অফিসে যা আমি নাস্তা করে এসেছি ।
বললাম- নাস্তা না হয় করবেন না ভাল কথা , অন্তত চা তো খাবেন ।
মাহাবুব ভাই - তোর অফিসের দেরি হয়ে যাবে ।
মাহাবুব ভাই কলোনীতে যার পরিচিতি ম্যারাডোনা নামে । আজ সকালে অফিসে যাওয়ার পথে হঠাৎ মাহাবুব ভাইয়ের সাথে দেখা হয়ে গেল । সালাম দিয়ে বললাম- ভাইজান কেমন আছেন , চট্টগ্রাম কখন এলেন ? উত্তরে মাহাবুব ভাই বললো - চট্টগ্রাম এলাম এই ৩দিন হলো , আগামীকাল সকালে(শুক্রবার ) চলে যাবো। এবং বললো তোর কি খবর ? কৈ যাবি ?
আমি হাঁসতে হাঁসতে কই আর যাবো, মোল্লার দৌঁর মসজিদ অর্থাৎ অফিসে যাচ্ছি ।
এরপর বললাম মাহাবুব ভাই নাস্তা করছেন , চলেন নাস্তা খাই ।
মাহাবুব ভাই- আরে তুই অফিসে যা আমি নাস্তা করে এসেছি ।
বললাম- নাস্তা না হয় করবেন না ভাল কথা , অন্তত চা তো খাবেন ।
মাহাবুব ভাই - তোর অফিসের দেরি হয়ে যাবে ।
দুপুর সারে বারোটা কি একটা
দুপুর সারে বারোটা কি একটা।।প্রচন্ড রোদ।।বাজার থেকে যে হেঁটে বাসায় ফিরবো সে শক্তি বা সাহস কোনটাই পাচ্ছিলাম না।।খুবই ক্লান্ত লাগছিল।।রিকশায় যে যাবো সে টাকাটাও পকেটে ছিল না।।মাথায় একটা বান্দরামি বুদ্ধি এলো।।রিকশা ওয়ালারে বললাম ভাই ভেতরে যাবো??যাবেন??রিকশা ওয়ালা বললো যাবো তবে ভাড়া কিন্তু তিন টাকা দিতে হবে।।বললাম দিবো,,সমস্যা নাই।।বলেই উঠলাম।।আমার বাসা ছিল এফ-1-এ।।আমি তাকে আমার বিল্ডিং-এর সামনে না নিয়ে দুই এবং তিন নম্বর বিল্ডিং-এর সামনে রাস্তার উপর দ্বাড় করালাম এবং বললাম ভাই আপনে একটূ দাঁড়ান আমার কাছে তো টাকা নেই,,আমার বাসা নিচ তলায়,,আমি বাসা থেকে টাকাটা নিয়ে আসি।।এই বলে দুই নাম্বার বিল্ডিং-এর ভেতর দিয়ে গিয়ে সোজা চলে গেলাম এক নাম্বার বিল্ডিং-এ মানে আমার বাসায়।।সেই যে গেলাম আজ অবদি আর ঐ রিকশা ওয়ালার সাথে দেখা করিনি।।
জানিনা আল্লাহ্ আমার এই গুনাটা মাফ করবেন কিনা!!যা ছিল আমার বয়সের নির্বোধতা।
ঝুমুর ঝুম ঝুম ৯৫ ব্যাচ
- Aslamuddin Mamun
কলোনীতে থাকতো এফ/ ৩ এ।আরশাদ ভাই ও আহসান ভাই এর বোন।
কলোনীতে দেখেছি কিন্তু কখনো কথা হয়নি।
পেজের মাধ্যমে কলোনী থেকে বের হওয়ার পর
আবার দেখা পাই বোনটিকে।
আড্ডা তে দেখা হয়েছে তবে কথা হয়নি।
বর্তমানে একটি স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে আছে।
বোনটি পেজে কমেন্ট লাইক দিয়ে থাকে সবার পোস্ট এ তবে, পেজে মাঝে ২/১ টি লিখা লিখেছে।সবাই আমাদের বোনটির জন্য দোয়া করবেন।
পরিশেষে - সব সময় এভাবে সিএসএম পেজের সাথে থাকিস বোন,আর মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট করিস এখানে আমরা আমরাইতো।
কলোনীতে থাকতো এফ/ ৩ এ।আরশাদ ভাই ও আহসান ভাই এর বোন।
কলোনীতে দেখেছি কিন্তু কখনো কথা হয়নি।
পেজের মাধ্যমে কলোনী থেকে বের হওয়ার পর
আবার দেখা পাই বোনটিকে।
আড্ডা তে দেখা হয়েছে তবে কথা হয়নি।
বর্তমানে একটি স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে আছে।
বোনটি পেজে কমেন্ট লাইক দিয়ে থাকে সবার পোস্ট এ তবে, পেজে মাঝে ২/১ টি লিখা লিখেছে।সবাই আমাদের বোনটির জন্য দোয়া করবেন।
পরিশেষে - সব সময় এভাবে সিএসএম পেজের সাথে থাকিস বোন,আর মাঝে মাঝে কিছু পোস্ট করিস এখানে আমরা আমরাইতো।
ইস্পাত একাদশ, চিটাগাং স্টিল মিলস লি: এর ফুটবল ক্লাব ছিলো
ইস্পাত একাদশ, চিটাগাং স্টিল মিলস লি: এর ফুটবল ক্লাব ছিলো। চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে জায়ান্ট ছিল এই ক্লাব টি। প্রতিবারই চ্যাম্পিয়ন গড়ার মত টিম করত এই ক্লাব। কিন্তু আবাহনী মোহামেডান এই দুই ক্লাবের ক্লাব রাজনীতির টেবিলের খেলায় হেরে যেত ইস্পাত একাদশ।দেশ বরেণ্য সব খেলোয়াড় রা এই ক্লাবে খেলে গেছেন আশি নব্বই দশকের তারকা খেলোয়াড়, গাফফার, মনু,সাব্বির মামুন বাবু,পান্না,গাউস রেহান,অরুন,বরুন জয় সহ বহু ফুটবলার ছিল এই দলের সদস্য। এরা সবাই বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্লেয়ার ছিল।বি এইচ ওয়ানের নীচ তলায় ছিলো এই টীমের টেন্ট । এইসব খেলোয়াড় দের দেখার জন্য বিএইচ ওয়ানে এতো ভিড় লেগে যেত যে, আজকাল ফুটবল ম্যচ দেখতেও এতো দর্শক হয় কিনা সন্দেহ আছে। কলোনি তে আমরা কেউ হয়তো আবাহনী বা মোহামেডান সাপোর্ট করতাম ঢাকা ফুটবল লীগের জন্য। কিন্তু চিটাগাং ফুটবল লীগের জন্য আমাদের অন্তপ্রান ছিলো এই লাল সাদা জার্সির দল টি। ৯১ এর পর থেকে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতে থাকে এই দল টি স্টিল মিলের অর্থনৈতিক দৈন্যদশা র কারনে, সম্ভবত ৯৬/৯৭ সালের দিকে এই ক্লাব টিকে কিনে নেয় সানোয়ারা গ্রুপ, নাম দেয় কোয়ালিটি স্পোর্টিং ক্লাব। ব্যাপার টা আমাদের কাছে ছিল এমন, অর্থের অভাবে মা যেন তার সন্তান কে অন্য কারো কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।
স্টিল মিল, স্টিল মিল কলোনীর মত এই ইস্পাত একাদশও আমাদের স্মৃতিপটে রয়ে যাবে অনন্ত কাল।
(ইস্পাত একাদশের পতাকা টি দিয়ে দিলাম)

পরাগ-৯৬ ব্যাচ।
সিএসএম এর আমাদে ছোট ভাই,
হক স্যারের মেজ ছেলে।
কলোনীতে থাকতো এফ/৩ তে।
খুব ভাল ছেলে।কলোনীতে থাকতে বড় মাঠে আমাদের সাথে খেলতো,ফুটবল ক্রিকেট খেলাধূলা ও পড়ালেখায় খুব ভাল ছিল।
খুব পরিশ্রমী আমাদের ছোট ভাই টি।
আড্ডাতে ভাই টি অনেক শ্রম দিয়েছে।আমরা যারা আড্ডারর সাথে জড়িত ছিলাম তারা দেখেছি ভাই আমাদের সব কিছুতে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে। কখনো কোন কাজ না করে নি।নিরবে কাজ করে গেছে।
শামিমের ব্যাপারে আমাদের ভাইটি সবচেয়ে বেশী অগ্রণী ভূমিকা ছিল।
পরিশেষে- ভাই তুই সব সময় এরকম থাকিস।
আর পেজে শুধূ লাইক কমেন্ট না তোর কাছে আমরা কলোনীর স্মৃতি নিয়ে সুন্দর সুন্দর পোস্ট আশা করি।ভাল থাকিস।
সকল সিএসএমের বড় আর ছোট ভাইবোনেরা আমাদের মনে আছে
সকল সিএসএমের বড় আর ছোট ভাইবোনেরা আমাদের মনে আছে নিশচয় প্রতি বছরের শেষে বাষিক পুরস্কার বিতরনি অনুষঠান হতো আমরা সবাই অনেক মজা করতাম।সকুল কত সুন্দর করে সাজানো হত। দিনটা অন্য রকম ভাল লাগতো।পুরস্কার বিতরনি অনুষঠান হতো রাতে।এখন সব ভাইবোনদের বলছি আমাদের সকুলে বিভিনন ইভেনট ছিল যেমন- খেলাধুলা,গান,নাচ,আব্ওি,নাটক বিতক আরও নানা রকম ইভেনট।এখানে অনেকে অংশগহন করে অনেক পুরস্কার পেয়েছেন।আপনারা সবাই সকুল লাইফের যে যত পুরস্কার পেয়ে তা আমাদের এ পেইজে সবাইকে জানান।তবে সত্যটা লিখতে হবে।কে কিসে তা উললেক করতে হবে।একদম শিশুক্লাস থেকে দশম ক্লাস পযন্ত। সবাইকে মনে করিয়েদিলাম আমাদের জীবনের সবচাইতে মধুর দিনগুলার কথা।
হৃদয় পুরের মানুষ-
হঠাত করে সামনের বিল্ডিং এর নিচতলায় নতুন মানুষ এলেন কিছু।এর আগে যারা ছিলেন, তাদের বাসায় অনেক মানুষ।সে তুলনায় নতুন পরিবার টিতে মেম্বার অনেক কম।দুই ভাই,এক বোন।বোন টি ছোট। বড় ছেলেটা একটু শুকনো কিন্তু পুরো কলোনি তে সে দাপিয়ে বেড়ায়।শেষ রুমের জানালার পাশে তার পড়ার টেবিল।পড়তে বসলে, বইয়ের চেয়ে এদিক ওদিক তাকানো তে তার খেয়াল বেশি। আস্তে আস্তে জানতে পারলাম এই ছেলেটা আবার ভাইয়ের বন্ধু। তিনভাই বোনের মধ্যে সেই একটু বেশ সপ্রতিভ, চঞ্চল।
১৯৯১ এর বন্যার সময় তার বই খাতা পানিতে ভেসে যায়। তারপরেও সে মনোবল হারায় না।পরীক্ষা দিয়ে মোটামুটি রেজাল্ট করে।ক্ষতি কি,এর চেয়ে খারাপ হতে পারত। কলেজে যায়,পেপার ম্যাগাজিন কিনে।তাতেও ছিল রুচিশীলতা র ছাপ।কলোনি র ছোট বোন গুলো র কাছে সে আস্থাশীল বড়ভাই, যাকে মন খুলে সব বলা যায়,মনে করার মত ছোট মন নেই তার।
বাসার পাশে নারকেল তলা টা তার বেশ প্রিয়।সাথে পুকুর আর পুকুরের পাড়।আমার সাথে তেমন কথা হত না।শ্রদ্ধা করতাম,সাথে ভয় মেশানো ছিল।
মু্ক্তা
কলোনীতে থাকতো ই টাইপে সুজন হাসনাত দের বিল্ডিং এ।আমাদের লিলি আপা,শেলী আপা,তারেক ভাইয়ের ছোট বোন।
স্কুলে থাকতে সাংস্কৃতিতে খুব ভাল ছিল।
সাউথ ইস্ট ব্যাংকে চাকুরী করতো।এখন মনে হয় করে না,
বোনটি আড্ডা তে আমার সাথে খেলাধূলায় দায়িত্ব এ ছিল।
পেজে এখন কম দেখা যায়।তাই আমরা চাইবো আগের মত পেজে সরব উপস্থিতি।আবার পোস্ট কমেন্ট কর,এখানে সব আমরা আমরাইতো।
লাইক/কমেন্টস সংক্রান্ত বন্যাবু'র পোস্ট প্রসংগে কিছু কথাঃ
বুবুর পোস্ট সময়োপযোগী। কিন্তু,unfortunately এই পোস্টেও শুধু তারাই কমেন্ট করছে,যারা active. এই লাইক/কমেন্টস নিয়ে হিসাব করাটা আমি personally লাইক করিনা। তবে, অস্বীকার করবো না,লাইক/কমেন্টস পেলে অবশ্যই ভালো লাগে। ভালো লাগাটা আমাকে "priority" দেওয়াকে ঘিরেই। তবে,কেন কম লাইক/কমেন্টস পড়লো, সেটা নিয়ে "গ্রুপিং হয়" টাইপের অভিযোগ শুনলে মেজাজ খারাপ হয়। ভালো বা মজার লিখা বা কমেন্টসে লাইক দিতে কেউ কার্পণ্য করেনা বলেই আমি বিশ্বাস করি। এই পেজে যারা "সক্রিয়" নন,তাদেরকে আমি সক্রিয় বলবো। সক্রিয় এই জন্যই বলবো যে,তারা এই পেইজ লাইক না করলে চলে যেতেন। আনেকেই আছে,যারা silent observer. আমি নিজেও প্রথম দিকে এমন ছিলাম। ২০১০ এ SSF এ পোস্টিং হওয়ার পর সংগত কারনেই ফেসবুক থেকে সরে আসি। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সাথে সিংগাপুর গেলে একজন কমেন্ট করেন,"কি রে,বুইড়া বেটারে কি protection দেস!!"। অযাচিত এমন মন্তব্য আমার পেশার জন্য ক্ষতিকারক।তাই ফেসবুক একাউন্ট deactivate করে দেই। এরপর বহুদিন পর নতুন একাউন্ট খুললেও মোটে ২০/২৫ জন আমার ফেবু ফ্রেন্ড ছিলো।(CSM এ join করার পর সংখ্যাটা ২০০+)।এই ২০/২৫ জন ফ্রেন্ডের mutual friend ছিলো আমার পরিচিত সবাই।তাই ছদ্মনামে কোনো প্রোফাইল পিক ব্যবহার না করেও আমি সবার খোঁজখবর পেতাম ফেসবুকের মাধ্যমেই। এই গ্রুপে শুরুতে silent observer থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি। হাত নিশপিশ করেছে। ১/২ টা কমেন্ট করতেই সবাই ছদ্মবেশী বাঙালীর পরিচয় জানতে চেয়েছে। গ্রুপের পরিবেশ ভালো ছিলো আর নিজের ভাই/বোনদের কাছে পরিচয় গোপন রাখা অযৌক্তিক বিধায় নিজেকে মেলে ধরেছি।
আমাদের এই পেইজের একটি মজার ও ভাল জিনিষ হচ্ছে হুমরি খেয়ে পড়া “লাইক এবং কমেন্টস” গুলো
আমাদের এই পেইজের একটি মজার ও ভাল জিনিষ হচ্ছে হুমরি খেয়ে পড়া “লাইক এবং কমেন্টস” গুলো। আমার অফিসিয়াল সব কাজ কম্পিউটারইজাড। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ফেইসবুকে ডু মেরে পোষ্ট, লাইক ও কমেন্টস করি। প্রায় দু-আড়াই ঘন্টা ধরে খেয়াল করছি যে পোষ্ট বা কমেন্টস এর মাত্রা খুব কম। যখনই নিরুর মেয়ে ও রিমনের বউ মেরীর জন্মদিনের দু’টি পোষ্ট আসলো দেরী নাই হুমরি খেয়ে পড়তে লাগলো সবাই। মনে হয় যেন সবাই বরশি নিয়ে বসে আছে যখন মাছে টোপ দিলো তখনই টান তাও আবার বৃষ্টির মত। মানে নতুন কোন পোষ্ট আসলে ভাল রেসপন্স পায় এটা অবশ্যই ভাল দিক। আমি সবার প্রতি অনুরোধ করবো তোমরা লাইক ও কমেন্টসের পাশাপাশি পোষ্টও কর, প্রয়োজনে গঠনমূলক, শিক্ষনীয়, বিনোদনমূলক পোষ্টগুলো শেয়ার কর যাতে আমাদের পেইজটি প্রাণবন্ত থাকে। আমিতো মনে করি এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্বের মতো। সবাই ভাল থাকুন।
Wednesday, April 6, 2016
মোহাম্মদ কমর উদ্দিন
কমু
সম্পর্কে আমার মেঝমামা হন।বর্তমানে উনার fb id সাময়িকের জন্য প্যারালাইজড।উনি সবাইকে দেখতে ও অনুভব করতে পারতেসেন কিন্তু কাওকে সাড়া দিতে পারতেসেন না।ইদানিংকালে উনার মাথা দিয়ে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত ঘটিতেছে।উনার মাথার উত্তপ্ত লাভা যাতে csm পেজে ছরিয়ে না পড়তে পারে তাই উনি উনার fb id কে সাময়িক প্যারালাইজড করে দিয়েছেন।উনার উদ্দেশ্যে বলি "মামা csm এন্টার্কটিকা মহাদেশে অবস্থিত। so লাভা নিয়ে tension করতে হবে না"
উনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাই উনাকে ধরিয়ে দিন।।।।।
উনাকে ধরিয়ে দিতে পারলে 1mb ও ফ্রি তে বিনোদন দেওয়া হবে।
আনোয়ারুল হক (আনালক ভাই)
আমাদের সিএসএম ইন্জিনিয়ার ভাই।
কলোনীতে ছোট কালে ছিল খুবই দূরর্ন্ত।
তবে কলোনী থেকে অনেক আগেই চলে যায়।হালিশহর এখন নিজ বাড়ী।মাঝে মাঝে কলোনীর স্মৃতি নিয়ে সুন্দর সুন্দর পোস্ট করে।
আড্ডা তে -আড্ডার আগে আমার ও জসিম ভাই এর সাথে ভেন্যুতে যায়।যেদিন আমরা প্রিন্সিপ্যাল স্যারের সাথে কথা বলে সব ফাইনাল করি।
সেখান থেকে এসে একটি ম্যাপ পোস্ট করে পেজে সকলের চিনতে সুবিধার্থে।
সে আমাদের জাফর ভাই এর ছোট ভাই।
ভাই কে ডাকলে কাজ না থাকলে আসার চেষ্টা করে।সবাই ভাইটির জন্য দোয়া করবেন যেন আরো সফলতা অজর্ন করতে পারে।
পরিশেষ এ ভাই সব সময় বিপদেআপদে পাশেপাশে থাকবেন কারন সিএসএম কলোনীর এখানে সব আমরা আমরাইতো।
আকাশ ছোয়া স্বপ্ন
ভাইদের মধ্যে সে সবার ছোট।বাসার সবার আদরের।মা দেখলেন,গানের প্রতি ছেলের আগ্রহ। কলোনি র আর দশ টা ছেলের মত শুধু খেলা আর পড়ালেখা নিয়ে পড়ে থাকতে চায় না সে। তাই তাকে গান শিখতে দিলেন।স্কুলের, কলোনি র যেকোন অনুষ্ঠানে গান গাইত সে।গানে মুগ্ধ হত শ্রোতারা। বয়স কম, কন্ঠ তার যথেষ্ট ম্যাচিউরড, ম্যানলি। গান, নাচ এগুলো মেয়েদের বিষয়, মেয়েরা শিখে এগুলো আর ছেলেরা করবে খেলাধুলা,দস্যিপনা।কিন্তু ছেলেটা সে সব প্রথাগত ধারনা ভেঙে দিয়েছিল।
একবার এক অনুষ্ঠানে একটা গান গেয়েছিল," বাংলাদেশের মানচিত্র, রবীন্দ্র নজরুল"।মুগ্ধ হয়ে শুনেছিলাম। এতটুকু জড়তা নেই।গান গাইতে যথেষ্ট স্বতঃস্ফূর্ত। কলোনি তে মোটামুটি স্টার হয়ে গিয়েছিল। তবুও তার ছিটেফোঁটা তার স্বভাবে দেখা যায়নি। ওর সাথে আমার কথা হয়েছিল দুই কি তিন বার।কথাতেই বুঝেছিলাম দারুন অমায়িক।মানুষকে সম্মান করতে জানত,হোক সে ছোট বা বড়। তারপর অনেকদিন দেখা নেই তার।
আমার বাবা
আমার বাবা আামাদের পরিবারে প্রধান এাণ কর্তা। আমার বাবা ছিলেন একজন কমঠ ।তিনি তার শক্ত দুইটি হাত দিয়ে আমাদের বিশাল পরিবার টা কে সামলেছেন। তিনি কখনও আমাদের কে কোন কিছুর অভাব বুঝতে দেয়নি।তিনি তার সাধ্য মত আমাদের সব ভাই ও বোনদের আবদার মিটিয়েছেন।তিনি সবার সাথে মজা করেন। তিনি সহজে সবাই কে আপন করে নেন। খুব ভাল মনের মানুষ আমার বাবা। কখনও বাবার সামনে বলতে পারিনি বাবা আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। বাবা তুমি ভাল থেকো,সুস্থ থেকো। আমাদের জন্য দোয়া কর। আমরা যেন মানুষের মত মানুষ হতে পারি ও তোমার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।
আপুর বন্ধুরা
সেলিনা আকতার ( সেলি) আমার বড় বোন। আমাদের পরিবারে অন্যতম প্রান। তিনি ছিলেন খুবই মেধাবী ও সাহসী। তিনি নিজেকে গুছিয়ে রাখতেন। তিনি কখনও কারও সাথে রাগ বা অভিমান করতেন না।আপা খুব প্রাণবুন্ত ছিলেন। আপা তার বনধু মহলে খুব জনপ্রিয় ছিল। তার প্রিয় বনধুদের তালিকা ছিলেন Atiq Csm, বদরুল ভাই, Md Maksudur Rahman Rana ভাই, রুবা ভাবি, ফারহানা আলি,লাবনি আপা, মিলি আপা।এরা আপার প্রিয় বনধু ছিল।আপার বনধুদের মাঝে একজন আবার আমার বড় ভাইয়ের বউ। তিনি হলেন আমাদের প্রিয় রুবা ভাবী। আজ আপার সব বনধু রা আছেন কিনতু আপা নাই। আপা তুমি যেখানে থাক ভাল থেকো। তোমার বনধু রা সবাই ভাল আছে।
কলোনি নিয়ে এ লেখাটি
কলোনি নিয়ে এ লেখাটি, ২০১৪ সালের আগস্টে আমার টাইম লাইনে পোস্ট করেছিলাম, বন্যাপার আজকের পোস্ট টি দেখে এটির কথা মনে পড়ল।
আমার প্রায় সময় মনে হয়, কলোনী ছেড়ে আসার পরবর্তী এ জীবন টা একটা স্বপ্ন চলছে। ঠিক যেন আমি আমাদের সি টাইপের তিন তলার বাসায় ড্রয়িং রুমে দুপুরে ঘুমিয়ে আছি, স্বপ্নে আমার বর্তমান জীবনটাকেই দেখছি, হঠাৎ ডোরবেলের শব্দে ঘুম ভাংল,স্বপ্নও ভেংগে গেল, দরজা খুলে দেখি কলোনীর বন্ধুরা আমাকে মাঠে খেলতে যাওয়ার জন্য ডাকতে এসেছে আর সব আগের মতই আছে।
ইশশশশ!!!!যদি সত্যিই এমনটা হতো।
উফফ,কি রোদ আজকে
উফফ,কি রোদ আজকে!!! এত গরম। আর আমাদের বাসাতায় পুরা রোদটা পড়ে। নাহ,এই ঘরে শোয়া যাবেনা,আম্মার ঘরে গিয়ে শুই। একটু পর আব্বা চলে আসবেন অফিস থেকে।
উমামের চোখে ঘুম নাই। আম্মা তুমি ওরে আনটাইমলি ঘুম পাড়াও, আর আমি দুপুরে ঘুমাতে পারিনা।
হাসিনা গেইটে কে দেখতো? ও খানসুর চাচি? চাচি কেমন আছেন? ভাল, তুমার আম্মা কই? আম্মা শুয়ে আছে ডাকতেসি। আম্মা,চাচি আসছে। রান্নাঘরে ঢুকলাম চা বানাতে। এমন সময় সিদ্দিক চাচি,সাইফুল আমিন চাচিও হাজির। শুরু হল দ্বিপ্রাহরিক আড্ডা। আম্মা বললো, বন্যা আরো লাগবে। চা বানায়ে এসে দেখি রেজা ভাই আম্মাদের সাথে বসে নাশতা খায়। এলোমেলো গল্পের এই অংশটুকু সত্যি। রেজাভাই একটু খেয়েই প্লেট থেকে কয়েক কোয়া কমলা আর কয়েকটা বিস্কুট নিয়ে উঠে দাঁড়ালে আম্মা বললো রেজা চা খেয়ে যাও। রেজা ভাই বলে না চাচি রোগি দেখে আসি। আম্মা বলে রোগি কে? রেজাভাই বলেন তিনতালার অপু(মোল্লা অপুভাই)। কয়দিন ধরে জ্বর,দেখে আসি। খালি হাতে ত যাওয়া যায় না, তাই বিস্কুট, কমলা নিয়ে নিলাম। চাচিরা হাসতে লাগলো।
‘কেউ কাউকে ত্যালায়না’ উমামার এই পোস্টটার সাথে আমিও ৯৯% একমত
‘কেউ কাউকে ত্যালায়না’
উমামার এই পোস্টটার সাথে আমিও ৯৯% একমত। গত কয়েকদিন ইতিবাচক চর্চা (তৈল জাতীয়) বিষয়ক পোস্ট অনেক কম। এইজন্য আমি
প্রথমত গভীর উদ্বেক প্রকাশ করছি। মনে হয় মামুন ভাইয়ের শরীর খারাপ অথবা মন খারাপ
অথবা উনি উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন অথবা মামুন ভাই তৈল সংকটে পড়ছে। রেজা ভাই এবং জসীম
ভাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি মামুন ভাইসহ অন্যরা যদি তৈল সংকটে পড়ে তাহলে আপনারা
উনাদের কিছু তেল ধার অথবা ফ্রী দিবেন। আশা করছি আগামীকাল থেকে আমরা আবার মামুনভাইসহ
অন্যদের কাছ থেকে তৈল বিষয়ক পোস্ট পাব নতুবা আমি তীব্র নিন্দা জানাতে বাধ্য হবো। যাই
হোক আমি আমার এই পোস্টে “কি তেল মাখবেন” এবং “কিভাবে মালিশ
করবেন” সেইদিকে কিছুটা আলোকপাত করলাম। আশা করছি এই
পোস্টটা মামুন ভাই এবং অন্যদের কিছুটা হলেও কাজে আসবে।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
বলেন— বাস্তবিক তৈল সর্বশক্তিমান, যাহা বলের অসাধ্য, যাহা বিদ্যায় অসাধ্য, যাহা ধনের অসাধ্য, যাহা কৌশলের অসাধ্য— তাহা কেবল তৈল দ্বারা সিদ্ধ হইতে পারে।’ তিনি আরও বলেন— ‘যে তৈল দিতে পারিবে তাহার বিদ্যা না থাকিলেও প্রফেসর
হইতে পারে। আহাম্মক হইলেও ম্যাজিস্ট্রেট হইতে পারে, সাহস না থাকলেও
সেনাপতি হইতে পারে এবং দুর্লভ রাম হইয়াও উড়িষ্যার গভর্নর হইতে পারে।
চারদিকে যে তেলের
বন্যা দেখা যাচ্ছে তাতে যদি সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা না হয় তাহলে যে কোনো
মুহূর্তে তেলসংক্রান্ত মহাবিপর্যয় বা সুনামি দেখা যেতে পারে। তেলের অনিয়ন্ত্রিত
ব্যবহার, তেল মর্দনের সনাতনী পদ্ধতি এবং মর্দনে ব্যবহার্য তেলের
গুণগতমানের কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা গাইড লাইন না থাকার কারণে তৈলজাত
রোগবালাই মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে।
তৈল মর্দনের অর্থ বোঝে
না এমন লোক বর্তমান সমাজে নেই বললেই চলে। তেলের বাহারি ব্যবহারের হাজারো উপকার
নিয়ে লিখতে গেলে বিরাট এক মহাকাব্য তৈরি হয়ে যাবে। তেল কত প্রকার এবং কী কী অথবা
তেল কোন কোন অঙ্গে কিরূপে মর্দন করলে কতটুকু সুফল পাওয়া যাবে তাও ইদানীংকালের
তেলবাজরা মোটামুটি জেনে ফেলেছেন। আসুন আমরাও জেনে নেই কি তেল মাখবেন এবং কিভাবে
মালিশ করা উচিত? কারণ সবাই তৈল মর্দন করতে এবং তৈল মর্দন পেতে সীমাহীন আবেগ-উল্লাস
হৃদয়ে ধারণ করেন বটে কিন্তু প্রকাশ্যে বলে বেড়ান— আমি কোনো তেল মারামারিতে নেই অথবা আমাকে তেল মারার সাধ্য কোনো বাপের বেটা
বা বেটির নেই।
সাদিকুল হক ( পলাশ ভাই)
- Aslamuddin Mamun
সাদিকুল হক ( পলাশ ভাই)
কলোনীতে থাকতো সিটাইপে।দুই ভাই, এক বোন।
ভাই - পল্লব
বোন- পপি আপু।
ছোট কাল থেকে পড়ালেখায় খুবই ভাল।
বতর্মানে আমেরিকার প্রবাসী।একজন ভাল ডাক্তার। আমার আম্মা অসুস্থের সময় মেডিকেল এ থাকার সময় ভাইটি দেশে ছিল,এবং আমার মাকে দেখতে গিয়েছিল,আমার ভাই কে সাহস যোগিয়েছে এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছে।
তারিককে ও পাপ্পুকে ভাই টি দেখতে গিয়েছিল।খুবই বড় মনের মানুষ।ভাই টি আমাদের সিএসএম এর গর্ব।সেলুট জানাই ভাই কে।
আড্ডা তে এসেছিল।২৮/১/১৬ তাং রাত ১২টার দিকে আড্ডার ভেন্যু তে এসে সবার সাথে দেখা করেছে যারা তখন ছিল।
ভাই এর উওরাওর সাফল্য কামনা করছি।আর সব সময় এভাবে আমাদের পাশে থাকার অনুরুদ করছি।
সাদিকুল হক ( পলাশ ভাই)
কলোনীতে থাকতো সিটাইপে।দুই ভাই, এক বোন।
ভাই - পল্লব
বোন- পপি আপু।
ছোট কাল থেকে পড়ালেখায় খুবই ভাল।
বতর্মানে আমেরিকার প্রবাসী।একজন ভাল ডাক্তার। আমার আম্মা অসুস্থের সময় মেডিকেল এ থাকার সময় ভাইটি দেশে ছিল,এবং আমার মাকে দেখতে গিয়েছিল,আমার ভাই কে সাহস যোগিয়েছে এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছে।
তারিককে ও পাপ্পুকে ভাই টি দেখতে গিয়েছিল।খুবই বড় মনের মানুষ।ভাই টি আমাদের সিএসএম এর গর্ব।সেলুট জানাই ভাই কে।
আড্ডা তে এসেছিল।২৮/১/১৬ তাং রাত ১২টার দিকে আড্ডার ভেন্যু তে এসে সবার সাথে দেখা করেছে যারা তখন ছিল।
ভাই এর উওরাওর সাফল্য কামনা করছি।আর সব সময় এভাবে আমাদের পাশে থাকার অনুরুদ করছি।
গত ৫ই মাচ Al Amin Billah Shujon স্যারের পরিসংখান রিপোট প্রকাশ হলো
গত ৫ই মাচ Al Amin Billah Shujon স্যারের পরিসংখান রিপোট প্রকাশ হলো, সুজন স্যারের এই উদ্যোগ খুবই ভালো,রিপোটে পড়ে জানতে পারলাম লেখকের সংখ্যা কমে গিয়েছে,কেন কমেছে তা কি আমরা জানতে পারি?আমি আমাকে দিয়ে বিচার করছি আমি আমার স্কুুল জীবন কলেজ জীবনে কোন দিন ঠিক মতো পাশ করতে পারি নি,কোনমতে টেনে টুনে পাশ করতাম,তা এই পেইজে এসে কিছু লিখা লিখে তৃতীয় হয়ে গেলাম এটা কেমনে হয়,পরিসংখান রিপোটে দেখলাম লেখক কমে গেছে বুঝলাম ফাঁকা মাঠে গোল দিয়াছি,ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়া মধ্যে কোন মজা নেই,পেইজে সদস্য সংখা আমার জানামতে ৬৪৪জন তার মধ্যে ১০০ জন ও লিখে না কারণটা কি আমি নিজেও বুঝি না,আমি গতমাসে ১০/১৫ টা না আরো বেশি লিখছি নিজেও জানি না,একসময় নিজের কাছে নিজেকে প্রশন করলাম আরে লিখে যাচিছ কেউ পড়ে না পড়ে সেটা তো জানি না,লেবু বেশি চিপলে তিতা হয়ে যায় এটা হঠাৎ মনে পড়ে গেলো,আমার মতে পেইজের সবারই লিখা উচিত প্রথম, সেকেনড, তৃতীয় হওয়ার জন্য না,সবাই সবার সাথে কলোনীর সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করা জন্য হলেও, আমি জানি এই পেইজে সকল সদস্য রা একবার হলেও পেইজে উঁকিঝুঁকি মারে,সবাই যদি লিখতো তাহলে পেইজটা আরো কতো প্রাণবন্ত হতো,আমার জানা মতে এই পেইজ থেকে অনেক সদস্য মান অভিমান করে চলে গিয়াছে,এটা আমাদের ব্যথতা তাদের সবারই কথা শুনা উচিত ছিল,সুজন স্যারের পরিসংখান রিপোট করতে কয়েক দিন লেগে যেতো দরকার হলে সুজন স্যার একজন সহকারী নিয়ে নিতো,নিচের সবাই আগে মোটামুটি লিখতো তাহলে আমি ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারতাম না তৃতীয় দুরের কথা কোন মতে টেনেটুনে পাশ করতাম,Babu Csm Club,Rezaul Karim,Khurshed Alam Manik,Mohammad Nazrul,MD Younus,Kazi Hasan,Tanjina Bashar,Shamima Bithi,Udayan Barua,Razina Akther Rina,Suzan Hasnat,Ziaul Hasan,Hamytur Rahman, Mahmudul Hasan,Abu Naser,ইঞ্জিঃ আনোয়ারুল হক,Rony Barua, Fauzul Amin,Jahid Hossen,Abu Hena,Rume Chowdhury,Arif E Elahi,Masuk Elahi,Mamunur Rashid Rashed, Zahed Siddique,Mahabur Rahman Manick,Md Abdul Aziz,মোঃ এলাহী নেওয়াজ মাছুম,Mokammel Elahi,Saiful Islam Rakib,Ava Abid,Iftee Nomi,Tambourine Man,ঝুমুর ঝুম ঝুম,Mahbul Rasel,Rafiqul Islam,Azizur Azizul Karim Rashed,সবাই মোটামুটি লিখতো এখন লিখে না,এরা সবাই যদি লিখতো তাহলে আমি ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারতাম না,আর ফাঁকা মাঠে গোল দিয়া কোন মজাই নাই, মনে হয় আমার ডোল আমি নিজেই পিঠাই,আশা করি সবাই এক সময় এই পেইজে লিখা শুরু করবে
আমাদের লাড্ডি মামা
পিকচার আভি বাকী হ্যায়।
একজন মানুষ অসুস্থ থেকেও কতটুকু লাইভলি থাকতে পারে তার উদাহরণ তারিক মামা।ঢাকায় মামাকে নিয়ে আসার পর থেকে মামার সাথে আমরা খুব ফ্রেন্ডলি হয়ে গিয়েছিলাম। মামা এমন সব হাসির কথা বলতে পারে,তা যদি কেউ জানতো। খালি আমরাই জানি।মামা আমাদের মতই,ফুচকা, আইস্ক্রীম, চকলেট মামার খুব পছন্দ।মামা যখন ঢাকায় ছিল প্রতিদিন দেখতে যাওয়া না হলেও সপ্তাহে দুইদিন দেখা হত।মামা আমাদেরকে হসপিটালের ক্যান্টিনের পোলাও-মাংস পর্যন্ত ট্রিট দিয়েছে।আমাদের বাসায় মামাকে আনা হয়েছে রিফ্রেশমেন্ট এর জন্য।মামা পুরা ভিকারুন্নিসা স্কুল কলেজ ঘুরে দেখে বলেছে "গত ছয় বছরে এটা আমার বেস্ট দিন।"
মামা যেদিন চলে গেলো,মনে হলো কেউ কলিজা ছিঁড়ে নিচ্ছে।খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।
তারিক মামাকে পচাইনা অনেকদিন,দেখিনা প্রায় দুইমাস।ইদানীং খুব মিস লংকা গান গায়।শিওর লাইফে কোনো লংকা এন্ট্রি মারসে।আমরা একটা বড়-সড় ট্রিটের অপেক্ষায় রইলাম।
তারিক মামা,তোমাকে ভাগ্নী হিসেবে অধিকার নিয়ে আদেশ দিচ্ছি- জলদি আসো।আর ডাক্তার যা যা বলেছে তা করো।একমাত্র তুমি পারো তোমাকে সুস্থ করে তুলতে। জলদি সুস্থ হয়ে উঠো।অনেক ভালো থাকো।
সময়টা ঠিক মনে নেই
সময়টা ঠিক মনে নেই।তখন প্রথম প্রথম মেক্সী সার্ভিস চালু হলো,যার দরজা ছিলো একদম পিছনে।মেক্সীর ভিতরে চারপাশে সীট বসানো থাকতো,সীট গুলো অনেক নিচু ছিলো,পারিপার্শিকতা কিছুটা মুরগীর খামারের মত ছিলো।কিছু কিছু মেক্সীতে কন্ডাক্টরের কাছেই সুইস লাগানো থাকতো,প্রয়োজনে সুইস দিয়ে গাড়ী থামাতো।
একদিন স্টীল মিল বাজার থেকে উঠলাম,সীট গুলো মোটামুটি ফিল আপ,শুধুমাত্র একটা সীট আছে বলা যায়।কন্ডাক্টর সিমেন্ট ক্রসিং এ মেক্সী থামালো।মেক্সীতে উঠলো এক মেয়ে/আপু।কেউ যায়গা দিতে নারাজ,আপু আরেকটু উঠে বসতে যাবে এমন সময় বেরসিক ড্রাইভার দিলো হেছকা টান,অমনি আপু বসে গেলো কর্নারে বসা এক ভাইয়ার কোলে।কিংকর্তব্যবিমূঢ় কন্ডাক্টর বুঝতে পারছিলোনা সুইস টিপে গাড়ী থামাবে নাকি আপু কে টেনে তুলে ধরবে।যে ভাইয়ার উপরে আপু বসে আছে বেচারার অবস্থা আরো কঠিন।আমরা মানুষ এতই সার্থপর যে কেউ আপুকে টেনে তো তুলছিই না বরং সবাই মুখ টেপে হাসছি।।পরবর্তিতে আপু নিজ শক্তিতে উঠে উপরের হ্যান্ডেল ধরল।
আমি & বউ
আমি : সমুদ্র আমার খুব প্রিয়, ইচ্ছে করে সবসময় সমুদ্রের ধারে বসে থাকি,সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকি,সমুদ্রের পানিতে পা দুখানি ভিজিয়ে রাখি।
বউ: এতো সমুদ্র সমুদ্র করো কেনো, সারা জীবন তো সাগর পাড়েই কাটিয়ে দিলা। তাও শখ মিটে না।
আমি: এটা শখ না, এটা আবেগ,এটা জীবনেও শেষ হবেনা। সমুদ্র একটি বিশাল ব্যাপার, এর কাছে গেলে মন টাও বিশাল হয়, এজন্য আমাদের মন টা বিশাল।
বউ: আকাশ তো আরো বিশাল, তাহলে তো আকাশে গেলে মন আরো বিশাল হবে।
আমি: ভুল বললে তুমি,আকাশ বিশাল কিন্ত আকাশ স্পর্শ করা যায়না,সমুদ্র স্পর্শ করা যায়।
সুমি আপু আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ
সুমি আপু আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ।কলোনিতে F-7 থাকতো।ফয়েল ভাই আর ফয়সাল ভাইদের একমাএ বোন।আমি অনেক ছোটবেলা আপু চিনি।কেন জানি আপুকে আমার খুব ভাল লাগতো।আসলে কলোনি থেকে বের হওয়ার পর উনার সাথে কোন যোগাযোগ ছিল কিনতু উনার কথা খুব মনে পড়তো।২০০৭ এ আমার বিয়ের পর একবার আমাদের বাসায় এসেছিলেন কিনতু আমি ছিলাম শশুরবাড়ি আমার সাথে দেখা হয়নি।পরে উনি আমার একটা বিয়ের ছবি নিয়ে গেছেন।আমার অনেক খারাপ লেগেছিল।কারন আপু দেশের বাহিরে থাকেন আর কখন দেখা হয় না হয়।আমাদের পেইজের কারনে আমি আপুকে পেলাম।উনি আমাকে ছোটবেলায় ানে
লিখাকাটা শেষ করতে পারিনি বাটনে চাপ পরে পোসট হয়ে গেছে।অনেক কথা ছিল লিখার।আপুটার মনটা অনেক ভাল।খুব সুন্দর মনের মানুষ ছিলেন। যখনি বলতাম আপু আমি সাজবো আমাকে উনার সাজানোর জিনিস দিয়ে সাজাই দিত।কোনো বিয়েতে গেলে বা পিকনিক হলে উনার কাছ থেকে সব কিছু নিয়ে জেতাম।কখনও রাগ করেনি। কত গলপ করতাম উনার সাথে,মাঝে মাঝে বিকালে হাটতাম।সবসময় আমাদেরকে ভাল ভাল কথা বলতেন।এক কথায় বলতে গেলে আপু খুব.......খুব। সবাই আমার এআপুটার জন্য দোয়া করবেন।
আমাদের শৈশব ছিল মুক্ত বিহঙ্গের মত
আমাদের শৈশব ছিল মুক্ত বিহঙ্গের মত। স্কুল থেকে এসে বই খাতা বাসায় রেখে নাস্তা করেছি কি করি নাই সোজা মাঠে। C-type এর বড় মাঠে তখন চান্স না পেলেও স্লিপারটা আমাদের দখলেই ছিল। মারবেল খেলার ভেনু ছিল C-3 বিল্ডিং এর সামনে।গোল্লাছুট,লুকোচুরি,সাতচারা,দারিয়াবান্ধা,বোম বাস্টাং,কিংকং খেলতাম।তখন C আর D type এর মাঝের পুকুরটায় গোসল করা যেত। আমি সাতার শিখেছি ওখানেই।আর গোসল করে চোখ লাল করে বাসায় বকা খাওয়া।আম চুরি করতাম স্রেফ মজা করার জন্য।Adventure। চুরি করা আম কখনো খেয়েছি বলে মনে পরেনা।Officer's club এর টেনিস কোর্টে বড়রা ফুটবল খেলতো।আমরা বসে থাকতাম জাম গাছটার আগায়.................................
নতুন কিছু লিখার সময় পাচ্ছিনা তাই পুরান লেখা.....
সম্ভবত ক্লাস টুতে পড়ি। আমরা তখন C-11-Cতে। আম্মা টাকাগুনার সময় ২টা পাঁচ টাকার নোট নিচে পরে গেল। আর আমি কৌশলে পকেটে ঢুকিয়ে ফললাম। পরদিন স্কুল থেকে আসার সময় আমি, রিমন, ভূতের ডিম বাবু, বুড়া মিয়া মিল্ক ভিটার গাড়ীথেকে চকলেট মিল্ক কিনে C-টাইপ মাঠের স্লিপারের নিচে বসে বড় আয়েস করে, খেলেধুলে, মজা করে সাবার করলাম। ঐ দিন তুমান কেন জানি স্কুলে যায়নি। পর দিন তুমানকে ক্লাসে বলাম। তুমান তো রেগে মেগে, শালা আমাকে ছাড়া...দাড়া এখনই আম্মু কে বলছি, আম্মু...।আমি তাড়াতাড়ি তুমানের মুনের মুখ চেপে ধরে বললাম, আরে না না তোকে রাগানোর জন্য বানাই বলছি। জান বাচানো ফরয। আহা সেই বন্ধুরা? সেই সময়?
রিপন ভাই
সিএসএম এর বড় ভাই। সবার কাছে খুব প্রিয় ভাই টি।
কলোনীতে থাকতো এফ/১০ এ।
৫ ভাই এক বোন।তার মধ্যে সবার বড়,
ভাই - রুবেল ভাই,রয়েল,রিমন,লিটন।
বোন- ময়না আপা।
তাদের বাসার সব ভাই - বোন স্কুলের খেলায় খুব ভাল ছিল।
রিপন ভাই দৌড়,দীর্ঘ লাফ এ প্রায় সময় প্রথম হতো।আড্ডাতে ১০০ মিটার দৌড়ে ২য় হয়েছে।
খোকন ভাই তার একটা পোস্ট এ ২৯ এপ্রিল এ রিপন ভাইকে নিয়ে লিখেছিল,যারা পেজে সরব সবাই মনে হয় সেই পোস্ট টা দেখেছে।
তারিকের ব্যাপারে হাসপাতালে গিয়ে ছোট ভাই এর মত সব কিছু করেছে।মাঝে মাঝে ভাবী ও বাচ্চাদে নিয়ে গিয়েছে,
আমার মা হাসপতালে থাকার সময় রিপন,রেজা ভাই, আপেল গিয়েছিল।সেখানে আমাদের সাহস দিয়েছে।
আজ পেইজে একটা open question করতে চাই
আজ পেইজে একটা open question করতে চাই। দুপুরে মনিরের লেখা দেখে এই প্রশ্নটা মাথায় ঢুকেছে। যদি সম্ভব হয় এই পেইজের বর্তমান সদস্য সবাই উত্তর দেবেন। এই পেইজটা ত আমাদের সবার,কলোনিটার মত। এইখানে আমরা কয়েকজন খালি লিখি বাকিরা কেন লিখোনা? অনেকে লাইক, কমেন্টও কর না। কারন কি? আচ্ছা লাইক আর কমেন্ট এর বিষয়টা যার যার ব্যক্তিগত। তার ইচ্ছা সে কাকে লাইক বা কমেন্ট দিবে। কিন্তু কোন পোস্ট কেন দাওনা? আমরা যারা রেগুলার লিখি এটা আমাদের জন্য বিব্রতকর বিষয় হয়ে যাচ্ছে যে অন্যরা লিখছে না। আমরা কি লিখা দিয়ে কারো গতিরোধ করছি? এখানে লিখার জন্য লেখায় পারদর্শি হতে হবে তার দরকার নেই। আমরা ঘরে সবার সাথে কি চলিত ভাষায় কথা বলি না বাসায় যা প্রচলিত তা বলি? তোমরা লিখবানা আর আমরা লিখলে আবার বলা হবে বাকিরা কেন লিখেনা আর তার জন্য একটা আংগুল আমাদের দিকে তোলা হবে এটা ত ঠিক না। Abu Hena তোর একটা কথা আমি মানতে রাজিনা,যারা লাইক কমেন্ট দেয় তাদের জোর করছিস কেন? আমি লিখি আমার খুশিতে, কে লাইক দিল বা কমেন্ট করলো তা নিয়ে ত মাথা ঘামাই না।
যাহোক প্রশ্ন হল কেন লিখো না বা কেন লাইক কমেন্ট কর না তা কি কেউ খোলাখুলি বলবা আজ?
ছবির এই ছেলেটিকে অনেকেই চিনবেন না
ছবির এই ছেলেটিকে অনেকেই চিনবেন না।।আমাদের ব্যাচের এবং আমাদের কলোনিরই সন্তান।।আজ তাঁকে নিয়ে লিখছি।।
নাম:-মিজান।।
পিতা:-আ:আলম।।
ব্যাচ:-2000
বাসা:-এফ-2/10
ভাই:-ক্রিকেট মিনহাজ
তো বন্ধুটা খুবই ভাল এবং শান্ত শিষ্ঠ ছিল।।তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিল মেজ।।কলোনিতে থাকাকালীন বন্ধু টার সাথে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে।।এক সাথে স্কুলে যেতাম,,স্কুল পালাতাম,,মার্বেল খেলতাম,,ঘুড়ি উড়াতাম।।
কলোনি থেকে চলে যাবার পর তার সাথে তেমন যোগাযোগ ছিল না।।দীর্ঘ অনেক বছর পর এই ফেইজবুকের মাধ্যমে বন্ধুটাকে আবারও খুঁজে পাই।।মাঝে মাঝে কথা হতো।।তখন জানতে পারি বন্ধু আমগ দুবাই আছে।।ভালই আছে।।শীঘ্রই দেশে ফিরবে এবং বিয়ে করবে।।শুনে খুব ভাল লেগেছিল।।
বাবা, তুমি কেন এত মহান?
প্রবাসী ছেলে জীবনে প্রথম মাসের বেতন তুলে তার বাবা কে ফোন করেছে- হ্যালো আব্বু?
বাবা: হ্যা বাবু কেমন আছিস?
বাবু: বাবা আমি ভাল আছি। তুমি ভাল আছো তো?
বাবা: শরীর ভাল, তবে তোকে খুব মনে পড়ে। বাদ দে তোর কি খবর বল?
বাবু: আমিও ভাল আছি। একটা নাম্বার দিচ্ছি লেখ। (মানিগ্রাম)
বাবা: কিসের নাম্বার খোকা?
বাবু: আমি সেলারী পেয়েছি বাবা। পুরা এক লাখ
বাবা: আলহামদুলিল্লাহ। বাবা একটা কথা বলি? ( কিছুটা দুষ্টামির ছলে ) - এতদিন পর ফোন করেছিস মাত্র একটা কথাই বলবি?
বাবু: বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোন দিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছ তুমি কি জানো আমি আগামী পাঁচ বছরে সে টাকা তোমায় ফিরিয়ে দিতে পারবো। আমার এখানে এক টাকা তোমার ওখানে একশ টাকা বাবা
বাবা : ( কিছুটা মুচকি হেসে) বাবা একটা গল্প শুনবি?
সেলিনা আক্তার সেলি
সেলিনা আক্তার সেলি।
ব্যাচ =৯১.
উনি CSM এ একাধারে শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকা ছিলেন। তিনি সম্পর্কে আমার মা হন।বর্তমানে তিনি রিটায়ার্ড।সন্তানের লালন পালন করা থেকেও তিনি অবসর নিয়েছেন।বাস্তব জীবনে আমি উনার ডাই হার্ড ফ্যান।উনি খুবই বাস্তবিক ছিলেন।উনার চিন্তাশক্তি ছিল প্রখর। আমাকে খুবই ভালোবাসত।বর্তমানে তিনি প্রকৃতি প্রদত্ত চিরস্থায়ী কার্যালয়ে অবস্থান করছেন।উনার কার্যালয়ে আগে সপ্তাহে ২বার করে যাওয়া হলেও এখন তা মাসে ১বারে দাঁড়িয়েছে।উনার কিছু লুকানো গুণ ছিল। যেমন: লিখালিখি করতেন,অবসর পেলেই উনি খাতা কলম নিয়ে লিখতে বসতেন।আবার তা লুকিয়ে রাখতেন।উনি যেই ডায়রিতে লিখতেন তা আমার সংগ্রহে কিছুদিন থাকলেও পরে ডায়রিটি হারিয়ে যায়।মূলত আমার লিখালিখির অভ্যাস টা উনা হতেই আগত।উনি ভালো গানও করতেন এবং তা মোবাইলে রেকর্ড করতেন।পরে আবার ডিলিট করে দিতেন।মানুষদের ভালো বোঝাতে পাড়তেন হোক সেটা পড়া বা অন্য কিছু।ক্যারাম খেলায় ও ভালো দক্ষ ছিলেন যদিও এটা কেওই জানতো না।পরোপকারী ছিলেন। আর বাকি গুলো সবারই জানা।
Tuesday, April 5, 2016
আজ মনে পড়ে ছোটবেলার কিছু সাথীদের
আজ মনে পড়ে ছোটবেলার কিছু সাথীদের। বড় ছোট বড় কথা নয় একসাথে বড় হওয়াটাই গল্পটাই আসল।একসাথে মার্বেল খেলা,লাটিম খেলা পুকুরে ঝাপ দেওয়া। তারা অনেক আগেই কলোনী ছেড়েছিল। কারো কারো সাথে ফোনে যোগাযোগ থাকলেও অনেকের সাথেই নাই। তাদের কোনভাবে এই পেইজেও খুজে পাওয়া গেল না। কারো কি তাদের কথা মনে আছে। মোস্তাক- ই টাইপের বাসিন্দা ছিল।বাপ্পী ভাইয়ের ছোট ভাই। মাহবুবুল আলম ভুইয়া(শিবলী)। সে বর্তমানে ঢাকা আছে মাঝে মাঝে যোগাযোগ হয়। মিজান নামের এক ছেলে ছিল ই - ৩ থাকতো।ঢাকা বাড়ী। তাকে আর কখনও খুজে পাইনি। একই বিল্ডিং এ রফিক নামের বন্ধু ছিল।চট্টগ্রাম বাড়ী।তাকেও আর খুজে পাইনি।বকুল নামের এক বন্ধু ছিল শাহিন জাফরদের ব্যাচের। কিন্তু ছোটবেলার অনেক স্মৃতির সাথে সেও জড়িত।তাদের প্রতি আমার বিশেষ অনুকম্পার কারন এইযে কৈশোরটা কাটিয়েছি তাদের সাথে আর বর্তমানে তাদের কারো কারো সন্ধান জানলেও। অধিকাংশের সাথে কোন যোগাযোগ নাই।খুব ইচ্ছে করে তাদের দেখতে তাদের সাথে আড্ডা দিতে।অন্তরথেকেই বলছি আমি তাদের মিস করি।সরি আমি আমারটা শেয়ার করলাম।আপনাদের অনুভুতিটাও জানতে চাই।
একটি টেলিভিশন
আমাদের সতেরো ইঞ্চি একটি সাদা-কালো টিভি ছিল।।তখন রঙিন টিভি খুব কমই ছিল।।ছোট ছিলাম তাই টিভির প্রোগরাম গুলো খুব একটা মিস করতাম না।।বেশ কিছু উল্লেখ যোগ্য অনুষ্ঠান ছিল।।যেমন:-সিন্দাবাদ,,টিপু সুলতান,,মেকগাইভার,,নাইট রাইডার,,দি এ টিম,,এক্স ফাইল,,দি সাইমন,,দি ফল গাই,,হারকিউলিস ইত্যাদি ইত্যাদি।।
তো একানব্বইর ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে বাবা যখন মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেল তারপর বাবা পূরোপরি ইসলামিক মাইন্ডের হয়ে গেল।।বিভিন্ন হাদিস কালামের ভাল ভাল বই আমাদের বাসায় আসতে লাগলো।।একটা সময় মানে বছর খানেক পরই বাবা আমাদের বাসার টিভি টা বিক্রি করে দিলেন।।কলি ভিডিওর মালিক আমাদের টিভিটা নাম মাত্র মূল্যে কিনে নিয়ে গেল।।তখন খুব খারাপ লেগেছিল।।এতোটা খারাপ লেগেছিল যে বলে বোঝাতে পারবো না।।অনেক বলেছিলাম মাকে কিন্তু মা বাবাকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়।।কারন বাবার একটাই কথা।।এটা জাহান্নামের বাক্স।।একে বাসায় রাখা যাবেনা।।তখন আমি টিভি দেখতাম অন্যের বাসায়।।অনেক সময় দেখার সুযোগ দিতো অনেক সময় দিতো না।।অনেক সময় এমনই হয়েছে যে,,অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ওরাও দেখছে কিন্তু যেই আমি ঢুকলাম ওমনি টিভি টা বন্ধ করে দিয়ে আমাকে বের করে দরজাটা বন্ধ করে দেয় এবং পরে তাঁরা আবারও টিভি চালু করে অনুষ্ঠান উপভোগ করতো।।তখন আমার খুব কষ্ট লাগতো।।একা একা কাদতাম।।তারপর মন খারাপ করে বাসায় চলে যেতাম।।এটা সব সময় হতো না।মাঝে মাঝে হতো।।আমি বুঝতাম।।আমার যাওয়া টা তারা পছন্দ করতো না।।তাই আমিও আর যেতাম না।।মাঝে মাঝে ওয়ার্কার্স ক্লাবে যেতাম কিন্তু ওখানে বেশির ভাগই দশটার পর টিভি অফ থাকতো আর ইংরেজি অনেক গুলো ছবিই রাত দশ টার ইংরেজি সংবাদের পর শুরু হতো।।
আজকে সুজনের রিপোর্টা দেইখা হালকা পাতলা মন খারাফ
আজকে সুজনের রিপোর্টা দেইখা হালকা পাতলা মন খারাফ।মন খারাফের কারণ- সারা মাস বউয়ের ঘ্যানঘ্যানানি শুইনা সি এস এম পেইজে লিখলাম,মাস শেষে সুজন আমারে নাম্বার দিল ২,পরে চিন্তা করে দেখলাম আমার বেশীর ভাগই ছিল কমেন্টস।যাক আপাতত আমাদের নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এখনো কেউ প্রশ্ন তোলেনি,আমি ও তুলবনা,সুতরাং উনি এখনো নিরপেক্ষ।
বেশ কয়েকদিন "তৈল মর্দন"নিয়া পেইজ ছিল সরগরম।হঠাৎ করে "তৈল মর্দনে"ছেদ পড়ার কারণ উৎঘাটন করিতে গিয়া বুঝিতে পারিলাম-এই সাবজেক্ট মার্কেটে আর চলিতেছেনা।কিন্তু আমার তৈল মর্দনের লিষ্টে এখনো কয়েকজন বাকি।
এই পেইজ যে কয়েকজনের পদচারণায় মুখরিত থাকত(এখন ও মুখরিত) আহসান উল্লাহ জাবেদ,ব্যাচ ৯৫ (দোস্ত আসল নাম ভূল হলে ক্ষমাপ্রার্থী) তাদের মত অন্যতম। শ্রদ্ধেয় বড়ভাই রিপন ভাইয়ের মতে,এই পেইজের সবচেয়ে ভাল লেখক। আমার ও প্রিয় লেখকদের একজন,এবং ভাল বন্ধু।ইদানীং কবিতা টবিতা ও লিখে। এবং একজন ভালো ফটোগ্রাফার।ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে।সময় পেলেই ছুটে চলে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত (ব্যাচেলর থাকলে সবাই পারে)।খুবই বন্ধুসুলভ,এবং ভদ্র ও নম্র(তবে লেজ বিহীন)।তার সবচেয়ে বড় দোষ (আমার মতে) সে একটু ঘাড়ত্যাড়া(পারিবারিক ভাবে সে মেজ,এবং মেজরা সবসময় একটু ঘাড়ত্যাড়াই হয়)।অন্যায় সহ্য করতে পারে না,অন্যায় দেখলেই আগপিছ চিন্তা না করে দু'চার কথা শুনিয়ে দেয়।কিছু ভূলবুঝাবুঝিতে জাবেদ আজ পেইজে নেই।আমাদের সবারই বুঝা উচিত ভাল কাজে বাধা আসবেই,সমালোচনা হবেই।তাই বলে আমি কি ভাল কাজ করা থেকে বিরত থাকব?যদি হ্যাঁ হয়,তাহলে দোস্ত আমার বলার কিছুই নেই,আর যদি না হয় তাহলে বলব-ফিরে আস দোস্ত,এই সি এস এম আমার, তোর, আমাদের সকলের।কোন ব্যক্তি বিশেষের উপর রাগ করে এই পেইজ থেকে চলে যাওয়ার কোন মানে হয় না।
কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবিটি এরই মধ্যে সানাই হলে গিয়ে দুবার গিয়ে দেখেছি
কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবিটি এরই মধ্যে সানাই হলে গিয়ে দুবার গিয়ে দেখেছি, দু মাস পরে আবার সাগরিকা হলে ছবিটি চলছে, আমাদের ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা শেষ বদরুল,আমি,রাশেদ সহ আরো কয়েকজন দেখতে গিয়েছি, সব টাকা দিয়ে টিকেট কেটে ফেলেছি, অল্প কিছু টাকা আছে আমার কাছে ওগুলা বাসায় ফিরার গাড়ি ভাড়া। সিনেমা শুরু হয়ে গেছে,হলে তেমন লোকজন নেই, এর আগে যেহেতু দুবার সিনেমাটি দেখেছি তাই তেমন মনোযোগ দিয়েও সিনেমা টি দেখছিলাম না। ভিতরে গরম লাগছে তাই সবাই শার্ট খুলে ফেললাম, সিনেমার একটি গানের সাথে আমারা চার পাঁচজন মাথার উপর শার্ট ঘুরিয়ে নাচতে লাগলাম , শার্টের পকেটে থাকা টাকা গুলোও এ ঘুরানোর কারনে কোথায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ল,আর খুজে পেলাম না, আর কারো কাছে কোন টাকা ছিলনা, টাকার অভাবে কিছু রাস্তা হেঁটে,কিছু বাসের বাম্পারে চড়ে রাত সাড়ে দশটার দিকে বাসায় ফিরি।
চিরদিনের
কলোনি থেকে চলে আসার পর নতুন স্কুলে ভর্তি হলাম। নতুন সহপাঠী, নতুন পরিবেশ,নতুন শিক্ষক। সব কিছু মিলিয়ে নতুন আর মিশ্র অভিজ্ঞতা। পারব ত সবার সাথে মানিয়ে চলতে। নিজেকে নতুন করে প্রমানের একটা চাপ ছিল। পুরনো দের মিস করছি কিন্তু তা নিয়ে ভাবার সময় কই।
আস্তে আস্তে সবার সাথে মিশতে লাগলাম। সবাইকে জানার চেষ্টা করছি,বুঝার চেষ্টা করছি।কিন্তু কোথায় যেন সুর কেটে যাচ্ছে,তা বেশ বুঝতে পারছিলাম।এখন আর টুং করলে টাং হয় না। এটা ও টা জানার পর যেটা খেয়াল করলাম এখানে সবার মায়েরা কর্মজীবী। কারো মা স্কুল শিক্ষিকা, কারো মা কলেজের প্রফেসর, কারো মা ডাক্তার,কারো ব্যাংকার।কারো মা আবার পি এইচ ডি ডিগ্রী নিতে দেশের বাইরে যাচ্ছেন।
এখন সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করে আমার মা কি করেন।আমি ত এসব ব্যাপারে ক্রেজি। সবাইকে সোজা উত্তর দেই।বাসায় এসে মাকে বলি, তুমি কি স্কুলে একটা চাকরি নিতে পারো না,আমার সহপাঠী দের মায়েরা কিছু না কিছু করেন।শুধু তুমিই ছাড়া।
জ্বি,আয়নার ছোট মেয়েটা আমিই
জ্বি,আয়নার ছোট মেয়েটা আমিই।আম্মু ছবিটা পোস্ট করতে চেয়েছিল।আমিই দিলাম।ছোট থেকেই আমাকে খালারা সাজিয়ে গুজিয়ে রাখতো আমাকে।ঊর্মি খালা আর শর্মি খালা। আমাকে লাল লিপ্সটিক দিয়ে দিত খালারা।জামার সাথে ম্যাচিং করে। অভ্যাস রয়ে গেছে এখনো। আর আম্মুর লিপ্সটিক বের করে ঠোটে লাগাতাম।এই ছবিতে লিপ্সটিক দিয়ে পুরা ভাসায়ে দিসি। প্রায় ১৬ বছর আগের ছবি। শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারিনি।

"মা" এক অতুলনীয় নাম
"মা" এক অতুলনীয় নাম।।কখনও আবেগী, কখনও মমতাময়ী।।মায়ের বিভিন্ন রুপ।।যা আমরা সন্তানরা অনেক সময় বুঝি আবার বুঝি না।।ছোট বেলায় মা আমাদের অনেক বিষয়ে নিষেধ করতেন আবার অনেক বিষয়ে নিষেধ করতেন না।।কিন্তু যে বিষয় গুলো নিষেধ করতেন সেগুলোই আমরা বেশি করতাম।।তখন আমাদের কাছে নিষেধাজ্ঞা বিষয় গুলো করতে বা যেতে বেশি ভাল লাগতো।।কখনও কখনও তার ফল গুলো আমরা সাথে সাথে পেয়ে যেতাম এবং তখনই আমরা আমাদের ভূলটা বুঝার পাশাপাশি মাকেও বুঝতে পারতাম এবং সাথে সাথেই হয়তো সরি বলতাম।।
কিন্তু কিছু কিছু ভূল ছিল যা আমরা হয়তো আজ এই পর্যায়ে এসে বুঝতে পারছি যে আমাদের মা সঠিক ছিল কিন্তু আমরা ছিলাম ভূল।।যার মাশুল আজ আমরা প্রতিটা পদে পদে দিচ্ছি।।মাকে বলতেও পারছি না যে,,মা আমি সরি।।
কারন আজ এই পর্যায়ে এসে যদি মাকে সরি বলি তবে মা আমাদের কেবলই কেঁদেই যাবে।আর বলবে বাপরে তখন কত নিষেধ করেছিলাম করিসনা।।কিন্তু শুনলি না।।
তাই নিজের জীবন থেকে বলছি,,মা-বাবার কথা শুনুন এবং তাঁদের পছন্দ-অপছন্দকে মূল্য দিন।।
কারন পৃথিবীতে একমাত্র এ দুটো মানুষই আছেন যারা কিনা কখনও আপনার অমঙ্গল চাইবেন না এবং বিনা স্বার্থে আপনার জন্য সব কিছু করে যাবেন।।
আমরা কাজিনরা মিলে এক সন্ধ্যায় খাটে বসে সবাই গল্প করছিলাম কাজিনদের বাসায়
আমরা কাজিনরা মিলে এক সন্ধ্যায় খাটে বসে সবাই গল্প করছিলাম কাজিনদের বাসায়।এমন সময় মামা ডাইনিং রুম থেকে চেঁচিয়ে বলে উঠলো ভুমিকম্প ভুমিকম্প।আমরা সবাই খাট থেকে নেমে যে যার মত দিলাম দৌড়।আমি কিছুদূর গিয়ে হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার মামাতো বোন রুমেই আছে।আমি ব্যাক করে গেলাম দেখি সেই বোন খাটের নিচে কি যেনো খুজছে।আমি তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম কিরে কি খুজোস!!??
আমারে যাহা বলিল তাহা শুনিয়া আমিতো হতভম্ব।।আমার প্রশ্নের উত্তরে সে যা বলল.........
" ভাইয়া আমার সেন্ডেল টা খুঁজে পাচ্ছিনা, একটু খুঁজে দিবে "
এটি একটি শিশুতোষ পোস্ট
এটি একটি শিশুতোষ পোস্ট। বড়রা পড়বেন না আর শিশুরা যেদিন পড়তে শিখবে সেদিন পড়বে।
আমার ভাগিনা, সংক্ষিপ্ত নাম ওয়াফি। বিস্তারিত নাম ওয়াফি তাজওয়ার। রিকশা এবং রিকশাওয়ালা তার পছন্দের তালিকার এক নাম্বারে আছে। সে তার ট্রাইসাইকেল চালায় রিকশাওয়ালার মতো কোমর দুলিয়ে। আরো ছোটবেলায় তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো "ওয়াফি তুই বড় হয়ে কি হবি?" সে বিন্দুমাত্র চিন্তা না করে জবাব দিয়েছে "আমি রিকশাওয়ালা হব। হবু রিকশাওয়ালার মা বেশ মনক্ষুন্ন হয়েছিলো সেদিন পুত্রের ভবিষ্যৎ পেশা শুনে। তাকে করা এই প্রশ্ন তার হয়ত মনের কোনে কোথাও থেকে গিয়েছিল। সে কিছুদিন আগে তার মাকে প্রশ্ন করলো "আম্মু তুমি বড় হয়ে কি হবা? তার মা উত্তর দিলো "আরো বড় হলে আমি বুড়ো হয়ে যাবো।" ভাগিনা ব্যাপারটার গুরুত্ব উপলব্ধি করলো। কাঁদো কাঁদো হয়ে মায়ের কাছে ফরিয়াদ জানালো "আম্মু আমি বড় হতে চাই না, তুমিও বুড়ো হয়ো না"।
আমার ভাতিজা আইমান জাওয়াদ রুহিন। সারাক্ষন কথা বলে। তার প্রিয় পশু ডাইনোসর। ডাইনোসরের যত বিদঘুটে নাম আছে সে মুখস্ত করে ফেলেছে। মুখস্ত করেই সে ক্ষান্ত হয়নি, এই জ্ঞান সে সকলের মাঝে বিতরন শুরু করেছে। তার দাদুমনিকে ডাইনোসরের নাম শিখিয়েছে। তাচ্চিবাবাকে শিখিয়েছে (রুহিন আমাকে তাচ্চিবাবা ডাকে। চাচ্চু উচ্চারন করতে পারতো না বলে তাচ্চি ডাকতো, সেটাই বহাল থেকে সাথে বাবা যুক্ত হয়েছে)। এরপর আমাদের বাসার কাজে সহায়তাকারী রাবেয়াকে ধরেছে। রাবেয়ার বাড়ি রংপুর। সে স্বাভাবিক বাংলা শব্দ উচ্চারনেই গলদঘর্ম এখন তাকে শিখতে হচ্ছে টাইরানোসরাস, ওয়ানানোসরাস, প্লাটিওসরাস ইত্যাদি ইত্যাদি। রাবেয়াকে দেখলে আমার মাঝে মাঝে বড় মায়া লাগে।
বহুদিন ট্রেনে উঠিনা
বহুদিন ট্রেনে উঠিনা,সর্বশেষ ২০১১ সালে সিলেট থেকে ট্রেনে ঢাকা আসছিলাম। ট্রেনের চড়ার মজাই অন্যরকম। পুরা এ মাথা থেকে ও মাথা হাটাহাটি। আর কয়েকজন বন্ধু মিলে ঊঠলেতো কোন কথাই নেই। ৯১ সালে এসএসসি পরিক্ষা দিয়ে, আমি,রিমান,দুলি জুয়েল একসাথে চিটাগাং থেকে ঢাকা আসছিলাম একসাথে। ওইবারই আসার পথে টিকেট কাটার সময় শাহিন ভাইয়ের সাথে কমলাপুরে দেখা, পরে দুজনে একসাথে চিটাগাং আসি (বিস্তারিত আমার এক পোস্টে উল্লেখ আছে)। ট্রেনে এ এক আরেক মজা পরিচিত কারো না কারো সাথে দেখা হতোই। আর পুরা বগি ঘুরলে যে কত সুন্দর সুন্দর কেশী /এলোকেশী ললনা দেখতাম, আহ!
মনে পড়লে এখন বুকটা ফাইট্টা যায় অবস্থা হয়। তবে ট্রেনে একবার সবচেয়ে মজার একটা জিনিস দেখেছিলাম, সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা থেকে চিটাগাং যাচ্ছি, প্রায় ১৩/১৪ বছর আগে, ট্রেনের টয়লেটে ঢুকেই নাক বরাবর তাকিয়ে দেখি সেখানে লেখা রয়েছে, ডানে তাকান,কৌতুহল বশত ডানে তাকালাম, ডানে আবার লিখে রেখেছে বামে তাকান, বামে তাকিয়ে দেখি লেখা রয়েছে পিছনে তাকান কৌতুহল আরো চেপে বসল, তাকালাম পিছনে, লেখা উপরে তাকান, শ্বাসরুদ্ধ কর কৌতুহল নিয়ে উপরে তাকিয়ে দেখি লেখা রয়েছে "" টয়লেটে এসে এতো তাকাতাকি কিসের?" আর আমার অবস্থা তখন ট্রেনের দরজা খুলুক, আমি লাফ দেই", নিজেরে গাধা শ্রেষ্ঠ মনে হলো (আমি অবশ্য গাধা টাইপেরই)।
পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ মার্চ ২০১৬ (১ মার্চ ২০১৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত)
- Al Amin Billah Shujon
রেকর্ড রেকর্ড রেকর্ড আবারো রেকর্ড। ভেবেছিলাম
ফেব্রুয়ারী মাসের রেকর্ডটা হয়তো এতো সহজে ভাঙবে না কিন্তু ভেঙ্গে গেল। আমার ধারণা
ভুল প্রমাণিত করলো আমার প্রাণপ্রিয় ভাই এবং বোনেরা। মার্চ মাসেও লিখালিখি আর
লেখকের পদচারনায় ভরপুর ছিল সি.এস.এম পেজটি। প্রতিদিনই অসংখ্য লিখা, পোস্ট, ছবি,
ছড়া, কবিতা এসেছে পেজ টিতে।
মাসের শুরুতে আড্ডা সংক্রান্ত পোস্ট তারপর প্রেম ভালবাসা
সংক্রান্ত পোস্ট তারপর শুরু হল কিছুটা খুনসুটি, ভুল বুঝাবুঝি এবং আল্লাহ্র অশেষ
রহমতে সেটাও মিটে গেল তারপর শুরু হল ইতিবাচক চর্চা (তৈল চর্চা) এবং এখনো সেটা
চলছেই এবং চলবে। ইতিবাচক চর্চার কারনে আমরা কিছু নতুন লেখক পেয়েছি এবং যার কারনে
পেজ এ লিখার সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, এটাও খুব ইতিবাচক দিক বলে আমি মনে করি
(এটা আমার ব্যক্তিগত মত)। আবার পূর্বের অনেক লেখক এই মাসে কিছুটা নীরব ছিল যার
কারনে নতুন লেখকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও মোট লিখকের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। পূর্বের
মত এই মাসেও সবার লাইক, কমেন্টস, রিপ্লেতে ছিল ভরপুর। মোটকথা সবার অংশগ্রহন ছিল
চোখে পড়ার মত। তাই এই মাসেও অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ হইছে।
এইবার সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ
সামনে ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ২৯ শে এপ্রিল আমরা এই পেজ এর বেশিরভাগ
সদস্য CSM Colony তে ছিলাম। ভয়াবহ ২৯ এপ্রিল ১৯৯১ নিয়ে সবার ই কিছু না কিছু স্মৃতি আছে। তাই সবার
প্রতি অনুরোধ রইল ২৯ শে এপ্রিল নিয়ে অন্তত একটা করে লিখা পোস্ট করার জন্য।
ইলিশ মাছ
ইলিশ মাছ : পোষ্টটা ভাল কইরা পড়েন আর মনে প্রাণে বুইঝবার চেষ্টা করেন। সামনে ১লা বৈশাখ। দৌড় দিয়া বউয়ের কথায় বাজারে যাইবেন না। ইলিশ মাছের বংশ বৃদ্ভিতে সাহায্য করেন । জানি বউয়েরা সমস্যা কইরবো। পুতুল দিয়া যেমনি ছোট মেয়েদের বুঝ দিয়া রাখা যায় তেমনি আমনার বউরে ও অন্য ”কিছু” একটি দিয়া বুঝ দিয়া রাখেন।দেশকে ভালবাসেন। বি:দ্র : আমি সস্তা পা্ইয়া দেশের কথা ভূইল্লা ৪টা বড় ইলিশ কিইন্না ফালাইছি, আমনাগো হগলরে খাওয়ামু মনে কইরা !!! আবার ভূলে ১লা বৈশাখের আগেই একটা খাইয়াও ফালাইছে।তবে বউয়ের চাহিদা আরও কয়েকটা কিইন্না আনি। তবে আমি আমনাগো লগে ওয়াদা কইরতাছি আর কিনুম না।দেশকে একটু ভালবাসতে হবে তো !! আমগো লগে ১লা বৈশাখে দেখা করার ইচ্ছা থাকলে ডিসি হিল এ আইসেন।ছবিডা আমার এক সিএসএম ইঞ্জি: ভাই আনোয়ারুল হকের পোষ্ট থেকে চুরি কইয়া আনছি। হে আবার আমার বেশী কাছের আত্বীয় তো তাই সমস্যা হয় নাই।
আম্মু বলেছে আমি পারব
আজ রেজাল্ট দিবে আমার। সারামাস ধরে কত টুকু পড়ালেখা করেছি তার প্রমান দিবে।রেজাল্ট দিবেন Al Amin Billah Shujon। ভয় করছে।রেজাল্ট কেমন হয়।এবার আমি প্রথম হতে পারব ত? আব্বু বলেছে এবার রেজাল্ট এ প্রথম না হলে বাসা থেকে বের করে দিবেন।কিন্তু আম্মু বলেছে আমি পারব।তিনি আরো বলেছেন, তুই যেভাবে সারাদিন csm পেজে পড়ে থাকিস, মনে হয় তোর ঘর।ঘুমানোর আগে,ঘুম থেকে উঠে,খাবার আগে,পরে,রাস্তায় সবখানে।তোকে প্রথম হতেই হবে।ইশ যদি আরেক টু বেশি পড়তাম তাহলে টেনশনে পড়তাম না।
আসলে পেজে যখন লিখি তখন ভাল লাগা থেকে লিখি।কোন কিছু ভেবে না। তাসকিন ভাই বা রাসেল ভাইয়ের মত আমার ছবির কালেকশন নেই।তাছাড়া কলোনি র মানুষ গুলো র সাথে আড্ডা দেই না।লেখা ছাড়া গতি কি! তবে সুজনের পরিসংখ্যান দেখে মনে হল গত মাসে পেজে লিখা ছাড়া আমার কোন কাজ ছিল না। প্রতিদিন গড়ে একটি লিখা। যারা কষ্ট করে আমার লিখা পড়েন,কমেন্ট করে লাইক দিয়ে উতসাহিত করেন,পারলে সবার বাড়ি গিয়ে ধন্যবাদ দিয়ে আসতাম।জানি সেটা সম্ভব না।তবুও সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভ কামনা থাকল সবার জন্য।
এক অপারাজয়ে বাঙালী ( রাজীব)!
এক অপারাজয়ে বাঙালী ( রাজীব)!
আমাদের সিএসএম এর ছোট ভাই।রানা ভাই, সবুজ,সজীব এর সবার ছোট ভাই টি।খুব আদরের।
আমাদের সিএসএমএর গর্ব।কারন সে বর্তমানে সেননাবাহিনীর মেজর।এক সময় বর্তমান প্রধানমণএীর এসএসএফ এর দায়িত্বে থাকায় তার সাথে ছিল।
খুব ভাল গান গায়।ছোট কালে আমি কলোনীতে ভাইটিকে দেখিনি।তবে শুনেছি চলাফেরা কিছুটা মেয়েদের মত ছিল।
এই পেজের মাধ্যমে ভাই টিকে চিনেছি।
আড্ডাতে ভাই টি খুব সুন্দর গান গেয়েছে।২৮ তারিখ রাতে তারা দুই ভাই কমু ভাই কে আপ্যায়ন এ কি রকম সাহা্যা করছে তা আমরা যারা ওখানে ছিলাম তারা দেখেছি।কয়েকদিন ধরে ভাই টির কোন খবর নাই।
পরিশেষ এ বলব ভাই তুমি সব সময় এভাবে পাশে পাশে থেকো।আর আগের মত সুন্দর সুন্দর পোস্ট কর।
সোলস, বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত জগতে শীর্ষস্থানীয় নাম
সোলস, বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীত জগতে শীর্ষস্থানীয় নাম। যখন থেকে ব্যান্ড সংগীত বুঝি, তখন ব্যান্ড বলতে চট্টগ্রামের এই সোলস কেই বুঝতাম। সেই ৮৪/৮৫ সাল থেকে এখন পর্য্যন্ত এদের মেলোডিয়াস টাইপের গান গুলো শুনতে খুবই ভালো লাগে। এখনো আমি প্রতিদিন অফিস যাওয়া আসার পথে সোলসের গান গুলো শুনি। আমাদের কলোনিতে প্রথম ব্যান্ড শো করে এই সোলস। এর পরে অবশ্য April 29 সফট টাচ আর স্পার্ক নামে দুটো ব্যান্ড দল কে শো করার জন্য কলোনিতে নিয়ে আসে।তবে বিভিন্ন প্রোগ্রামে ব্যান্ড শো করার জন্যই যাদেরই আনা হোক না কেন সেখানে ব্যান্ড জগতের গুরু আযম খানের গান ছিলো মাস্ট। গুরুর গান ব্যাতীত ব্যান্ড প্রোগ্রাম ছিল পানসে। গুরুর সাধাসিধে চালচলন আর গানের ভঙ্গিমা আমাদের খুবই টানতো। অবশ্য ফিডব্যাক, রেনেসাঁ, এল আর বি, চাইম এদের গানও আমাদের খুব পছন্দের ছিল, এত মিডিয়া বা প্রযুক্তি ছিলনা তখন, যেদিন বিটিভি তে ব্যান্ড শো থাকতো সেদিন আমরা হাঁ করে অপেক্ষায় বসে থাকতাম। পরদিন জনপ্রিয় গান গুলো সবার মুখে মুখে বিশেষ করে আমাদের মরাইয়া রাশেদের মুখেতো থাকতোই। এখন অনেক মিডিয়া, অনেক প্রযুক্তি, আংগুলের এক ক্লিকে পুরো সংগীত দুনিয়া কে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা যায়, কিন্ত সে আবেগ নিয়ে গান শুনার আগ্রহ থাকেনা। এখন গান শুনার জিনিস নাকি দেখার জিনিস মাঝেমাঝে কনফিউজড হয়ে যাই। এমন কি গান কোন ভাষায় গাচ্ছে সেটা নিয়েও দ্বিধায় থাকি।
শুভ সকাল
শুভ সকাল । আমরা সবাই সন্তানকে নিয়ে কত না স্বপ্ন দেখি, জন্মদিন পালন করি, কত না ভাবে সবার কাছে প্রেজেন্ট করি বিভিন্ন ফটোসেশনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। এক সময় আমাদের বাবা-মারাও তা করত। এখন আমরা কি সবাই আমাদের বৃদ্ব বাবা-মার খোজ রাখি, তাকে সময় দেই, তার সব দায়-দায়িত্ব কাধে নেই যদি না হয় তাহলে এখনো আমাদের সময় আছে তাদের পাশে গিয়ে দাড়াই নতুবা ঠিক একই সাজা আপনিও পাবেন আপনার সন্তান থেকে। ভাল থাকেন সবাই।
নুর হোসেন (হোসেন ভাই)
আমাদের নিরু ভাইয়ের ছোট ভাই। কলোনীতে থাকতো ই/১১ এ।ব্যাচ স্কুল -৯০।তারা অনেক গুলো ভাই বোন ছিল।তার মধ্যে সবার ছোট হোসেন ভাই। বাসার খুব আদরের ছিল।এখন আছে কিনা নিরু ভাই ভাল বলতে পারবে।
খেলাধূলা ও পড়ালেখায় ভাল ছিল।ফুটবল খুব ভাল খেলত।
দীর্ঘ দিন দেশের বাইরে ছিল।এখন চিটাগাং থাকে।খুব পরিশ্রমী।
এখন মনে হয় ছোট খাট ব্যাবসা করে।
আড্ডার আগে একদিন কূপন দিতে যাচ্ছিলাম আমি জসিম ভাই, দুলাল বাবু স্যারকে,তো সেখানে সে আমাদের দেখে জড়িয়ে ধরে এবং আমাদের সাথে দুলাল বাবু স্যারকে কূপন দিতে যায়।ব্যাস্হতার মাঝে ও আমাদের সাথে সেদিন অনেক সময় দেয়,এবং স্যার সহ আমাদের নাস্তা করায়।সবাই ভাইটির জন্য দোয়া করবেন।
পরিশেষ এ ভাই সব সময় সিএসএম সাথে বিপদে- আপদে,সুখে- দুখে একসাথে থাকারর চেষ্টা করবেন,করাণ এখানে আমরা আমরাইতো।।
Subscribe to:
Posts (Atom)