Sunday, July 3, 2016

গতকাল কলোনীর কিছু চুরির ঘটনা লিখতে


গতকাল কলোনীর কিছু চুরির ঘটনা লিখতে গিয়ে-বন্ধু মানিক ও অন্যান্য কিছু বন্ধুর কিছু গোপনিয় ঘটনা চলে আসায় আর ওপেন পেইজে লিখতে পারলাম না। ঘটনার মোড় ঘুড়িয়ে ভ্রমনের অভিজ্ঞতার দিকে নিয়ে গেলাম। আজকে আর একটা নিজের জীবন থেকে নেওয়া ঘনটার কিছু অংশ শেয়ার করলাম। প্যানাসনিক ব্যান্ডের কমিউনিকেশন সাইডে-পিএবিক্স ফ্যাক্স এর সফটওয়ার ও হার্ডয়ার ট্রেনিং এর জন্য জাপান ও সিঙ্গাপুর থেকে ট্রেনার আসল। তাদের সাথে হোটেল শেরাটন ও পূর্বানী হোটেলে অনেকগুলি গ্রুপিং ফটো তুললাম। ফটোগুলি দেখে বৌয়ের ধারনা আমি অনেক বড় ইঞ্জিনিয়ার হয়েগেছি-যেই বাসায় আসে তাকে ফটোগুলি দেখায়। একদিন বাসায় এসে দেখি বাসায় অনেক মানুষ। কি ব্যাপার? সবাই জানালো আমার মত ইলেকট্রনিক্স বিশেষজ্ঞ ইহজগতে আর নাই। সবাই চাচ্ছে আমি যেন দেখে শুনে তাদের টেলিফোন, ফ্যাক্স এমনকি কম্পিউটারও কিনে দেই। মোদ্ধা কথা বিনা দালালিতে দালাল। বিশেষজ্ঞ দালাল। সবাইকে হ্যান-তেন বলে খেদালাম কিন্ত বাড়ীওয়ালাকে ঠেকানো গেল না। একদিন সকলে অফিসে আসব এমন সময় বাড়ীওয়ালা এসে হাজির। 

বাড়ীওয়ালা আবার এখানে থাকে না। থাকেন উত্তরায় গাড়ী নিয়ে হাজির। বাড়ীওয়ালাকে সকল সকল দেখে ভাল লাগল না। ভাড়াতো কেয়ারটেকার ছ্যামরাটা নিয়ে যায় এই মড়া আবার এখন কেন? বাড়ীওয়ালা দর্জায় দাড়িয়ে বলল? আসতে হুকুম দিন। কথা শুনে গা জ্বলেগেল, ঢং, ঢংয়ে আর বাচেনা। আমি হাসি মুখ করে বললাম আসুন। বাড়ীওয়ালা এসে সোফায় বসল। তারপর ধিরে সুস্থে যা বলল তাতে আমার ট্যারা হওয়ার জোগার। বাড়ীওয়ালার ক্লাস 7 পড়ুয়া ছেলের জন্য কম্পিউটার ও নিজের জন্য একটি ফ্যাক্স মেশিন কিনবেন। ছেলেটা নাকি বখে গেছে। স্কুলে যায় না ঠিকমত, পুলিশেও দুই একবার ধরে নিয়ে গেছিল। ছেলে বলেছে বাবা কম্পিউটার কিনে দাও, কম্পিউটার না দিলে পড়বনা। আমি বুঝিয়ে বললাম ক্লাস 7 এর ছেলের জন্য তেমন দরকার নেই। আসলে ও পড়বে না। ফালতু বাহানায় ধরেছে। বাড়ীওয়ালা হাত তুলে বাধা দিলেন, সেতো জানে তবুও ঘরে একটা কম্পিউটার থাকা দরকার। একটা কম্পিউটার না থাকলে ঘরটা বেমানান লাগেনা? আমি বললাম জি লাগে। তাহলে আমাকে একটা কম্পিউটার ও ফ্যাক্স মেশিন কিনা দেন, আপনি ভাল চিনবেন। 

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ জুন_২০১৬_(১_জুন_২০১৬_থেকে_৩০_জুন_২০১৬_পর্যন্ত)

- Al Amin Billah Shujon

গত মাসের মত এই মাসেও লিখা এসেছে অনেক কম। জুন মাসে সি.এস.এম পেজ এ লিখালিখি আর লেখকের পদচারনা ছিল মে মাসের তুলনায় অনেক বেশি কিন্তু লিখা এসেছে তুলনামুলকভাবে অনেক কমযাইহোক এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।

# Facebook CSM Colony পেজ এ জুন ২০১৬ (১ জুন ২০১৬ থেকে ০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত) ছোট, বড়, মাঝারি, বাংলা, ইংলিশ, বাংলিশ মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত সকল ছোট, বড়, মাঝারি ভাই বোনদের মোট লিখার সংখ্যা (অনুছড়া/পরমাণু ছড়া/হঠাৎ ছড়া/কচুর ছড়া/বাথরুম খেলা/অন্যান্য খেলা বাদে) ১৪৭ টি (এভারেজ ৪.৯), যা মে তে ছিল ১৩৮ টি (এভারেজ ৪.৪৫)

# জুন মাসের ফলাফল সম্পর্কে  বিস্তারিত জানতে চাইলে http://csmcolony.blogspot.com এই সাইটের নিম্নলিখিত লিঙ্ক এ প্রবেশ করুন http://goo.gl/8ZkLCKএই লিঙ্কে জুন ২০১৬ এর সবগুলো লিখা (১৪৭ টি) আর্কাইভ করা আছে।

# জুন মাসে সবচেয়ে বেশি লিখা পোস্ট হয়েছে জুন ২০১৬ (১১ টি) আর সবচেয়ে কম লিখা পোস্ট হয়েছে ১ জুন এবং ২০ জুন ২০১৬ (মাত্র টি করে)

# জুন মাসে মোট লেখকের সংখ্যা ছিল ৪১ জন, যা মে তে ছিল ৩৬ জন, সুতরাং লেখকের সংখ্যা কিছুতা বেড়েছে, মাত্র ৫ জন (মে এর তুলনায় ১৩.৮৯%) বেড়েছে। আবার মে এর তুলনায় জুনে লিখার সংখ্যা বেড়েছে টি (মে এর তুলনায় ৬.৫২%)

# Facebook CSM Colony পেজ এ শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত (৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত) সর্বমোট লিখার সংখ্যা ১৬৩৭ টি। http://csmcolony.blogspot.com এই সাইট এ সবগুলো লিখা আর্কাইভ করা আছে এবং প্রতিনিয়িত আপডেট করা হয়।  

# যদি কারো লিখা ভুলবশত বাদ যায় তাহলে ক্ষমা করবেন এবং আমাকে ট্যাগ করবেন উল্লেখ্য মে তে লিখার সংখ্যা অনেক কম হবার জন্য এই মাসের পরিসংখ্যান করতে অনেকটা সহজ হয়েছে।

•    মে ২০১৬ তে আতিক ভাইয়ের এর লিখা সবচেয়ে বেশি, উনার সর্বমোট লিখার সংখ্যা ২৪,
•    দ্বিতীয় অবস্থান আছেন নিরু ভাই, স্কোরঃ ১১,
•    তৃতীয় অবস্থান আছেন মোসাদ্দেক আলী ভাই, স্কোরঃ ৯

সেদিন দুজনে


মোমিন চাচাকে আমি প্রথম দেখি নাজমুল ভাইদের তিনতলায় আসার পর। পুশন তখন অনেক ছোট।ওর নাম প্রথমে নাকি ছিল পূজা।পরে বদলে পুশন রাখা হয়।খুব স্মার্ট ছিলেন।আর চাচী ছিলেন খুব শান্ত। এর অনেকদিন পর উনারা আবার এলেন c1 এর তিন তলায়। ততদিনে প্রিন্স এর জন্ম হয়েছে। চাচা বাচ্চাদের খুব ভালবাসতেন। কলোনি র ছোট ছোট বাচ্চাগুলোকে নিয়ে ঘুরতেন। ওনারা যে বিল্ডিং এ থাকতেন, তার সামনে বসার জন্য কয়েকটা পাকা বেঞ্চ তৈরি করে দিয়েছিলেন যাতে গল্প করার জন্য বসা যায়। চাচা বলেছিলেন, দোলনা করে দিবেন কিন্তু পরে কতৃপক্ষ অনুমতি না দেয়ায় আর দোলনা আসেনি। বিকেল বেলায় চাচা অফিস থেকে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরে আসলেও প্রান খোলা হাসি লেগেই থাকত। একবার বেশ কয়েকটা বাচ্চা নিয়ে রিকশা করে ঘুরে বেড়াতে গিয়ে চাচা এক্সিডেন্ট করলেন। অফিসার্স ক্লাবে কোন অনুষ্ঠান হলে সেটা কত টা সুন্দর করে করা যায় তাতে চাচা অগ্রনী ভূমিকা পালন করতেন।এসব ব্যাপারে চাচীর মনে হয় নিরব মানসিক সাপোর্ট ছিল। তাই হাজারো ব্যস্ততার মাঝে চাচা এই কাজগুলো করতেন।আমি কখনো চাচী কে কথা বলতে শুনিনি। শুধু গান গাইতে শুনেছি। পয়লা বৈশাখ আসার আগে চাচী র রেওয়াজ করতেন।পুশন কে সামনে বসিয়ে। মোমিন চাচাকে আমার খুব রোমান্টিক মানুষ মনে হত।একবার কলোনি থেকে আসার পর টিভিতে চাচা চাচী কে দেখাচ্ছিল। উনারা রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছেন।

এর অনেক বছর পর চাচা কে দেখলাম কে ইপি জেড এর গেস্ট হাউজে। সময় গড়ালেও চাচার আন্তরিকতায় এতটুকু ভাটা পড়েনি।বরং তা আরো বেড়েছে। এরকম সুন্দর আর ভাল মনের মানুষ সুস্থ ভাবে বেচে থাকেন আরো অনেক বছর, যাতে করে আমরা ভাবতে পারি, যান্ত্রিকতা আমাদের সবকিছু তে প্রভাব ফেললেও আন্তরিকতাটুকু কেড়ে নিতে পারেনি।

প্রতিবেশিনী


আমাদের দোতলায় থাকতেন রুমা আপারা। উনারা ছিলেন ছয় বোন। কোন ভাই ছিল না। উনার আম্মা মাঝে মাঝে বেশ কিছু অদ্ভুত কথা বলতেন।এর মধ্যে কোন টা শুনে হাসি পেত আবার কিছু কিছু শুনে বিরক্ত লাগত।

একবার উনাদের একটা মোরগ খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না। উনি পরিচিত যাকেই দেখছেন তাকেই জিজ্ঞেস করছেন কোথাও মোরগ টাকে দেখেছে কিনা। চাটগাঁইয়া শুদ্ধ মিলিয়ে বলছেন। সামনের বিল্ডিং এ থাকতেন পলি আপা।উনি আবার রিনা আপার বান্ধবী ছিলেন।পলি আপাকে দেখতেই খালাম্মা বললেন, " পলি, আমাদের রাতা মোরক (মোরগ)টা দেখছ? পলি আপা বুঝতে না পেরে জিজ্ঞেস করলেন, জি খালাম্মা, বুঝিনি "
রিনা আপা পরে বুঝিয়ে বললেন।

আরেকদিন বিজয় দিবসে টিভি তে রুনা লায়লার গান দিচ্ছে। রুনা লায়লার পাশ দিয়ে সেনাবাহিনী কুচকাওয়াজ করছে আর রুনা লায়লা গান গাইছেন," লক্ষ প্রানের মুল্যে গড়েছি সোনার বাংলাদেশ"।

খালাম্মা সাথে সাথে জানতে চাইলেন, ওরা যে কুচকাওয়াজ করছে, ওগুলা ঠিক হচ্ছে কিনা"
আমি বললাম, কেন খালাম্মা, কি হয়ছে?

উনি বললেন, ওদের খেয়াল ত কুচকাওয়াজ এর দিকে নাই, ওরা ত সবাই রুনা লায়লার দিকে তাকিয়ে আছে" 
খালাম্মার কথা শুনে আর কথা বাড়ালাম না।

আরেকদিন উনার ছোট মেয়ে মুক্তা যার সবকিছুতেই বায়না করা অভ্যাস ছিল।আমি কলোনি র গেইট এর পাশে র ইসলাম এর দোকান থেকে হলুদ রং এর বেলুন কিনলাম। খেলছি।এটা দেখে মুক্তাও ওর আম্মাকে বলল,বেলুন কিনে দিতে।মুক্তা আবার বেলুন কে বলত, ফুতানা। ওর আম্মাকে যখন বেলুনের জন্য বার বার বিরক্ত করছে, সাথে সাথে খালাম্মা জানতে চাইলেন, বেলুন কোথায় দেখেছে। মুক্তা আমার দিকে হাত দেখাল। 

খালাম্মার উত্তর শুনলে যে কারো মাথা ধরে যাবে।বললেন, "জনিকে বল বেলুন কিনে দিতে।ও দেখায় ছে কেন? আমার কাছে ভাংতি টাকা নাই এখন। " উনি বড় বলে আমি কিছু না বলে চলে এলাম।

এমনই অদ্ভুত টাইপের কথা বলে উনি মাঝে মাঝে অবাক করে দিতেন

Saturday, July 2, 2016

আজও সেহেরি খাওয়ার পর ঘুম আসছিল না


আজও সেহেরি খাওয়ার পর ঘুম আসছিল না, ভোরের দিকে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো(প্রায় মাস খানেক এর মত হবে বৃষ্টির কোন দেখা ছিল না। হঠাৎ দুই দিন ধরে প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে)। তারপরও বৃষ্টি ভেজা ভোরে (অবশ্য একটু কাজও আছে) রওনা দিলাম সাগরের প্রান্তে।

কাজটাও সারালাম ওমনি শুনি আযানের ধ্বনি। বুজলাম এক(১) টা বাজছে (কখন যে ১ টা বেজে গেল বুঝতেই পারলাম না)। অতঃপর, নামাজ পড়েই আমার চোখ যাকে খুজছে! তাহার দিকে গেলাম। 

এসেই দেখলাম, আকাশের মন ভাল না থাকার কারনে মাতাল হাওয়াটা আর মাতাল হাওয়া নেই। তাই আর বসে না থেকে আমার চেনা জানা হোটেল মূখী হলাম। অনেকটা রাগের স্বরে বকা দিয়ে বলি....
হেই ই ই সমুদ্র!!!

সত্যিই তোমার দিকে তাকানোই ভুল ছিল আমার।

এখন আমার চোখ,মন সারাক্ষণ তোমার -
ওই মাতাল হাওয়া খুজে বেড়ায়....

অন্যরকম দিন


এখন ঘড়ির কাটাতে দুপুর ২: ৫১

এসময়টাতে বাসার সামনের ৭৪ নম্বর সড়কটা ট্রাফিকে জ্যাম হয়ে থকে। নরদা প্রগতি স্মরণ আর গুলশান-২ কানেকক্টিং এই সড়কটি খুব ব্যস্ত থাকে সচরাচর। কিন্তু আজকের চিত্রটা একেব্রেই ভিন্ন।

বাসার কম্পাউন্ডের গেটটা বন্ধ গতকাল রাত থেকে। চারদিকে শুনশান নীরবতা। দেশ বিদেশ থেকে ফোন আসছে,উতকন্ঠিত আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব খোজ খবর নিছছে। 

কেমন আছি? কি হছে? কি হবে?
কোন উত্তর নেই আমার কাছে। অনেক প্রশ্ন মাথায় নিয়ে শুধু অন্য রকম একটা দিন কাটছে। 
একেবারেই অন্যরকম।

অন্যরকম নয়, অতিদ্রুত চির চেনা প্রতিদিনের জীবনে ফিরে যেতে চাই আমি,আমরা -সবাই।
যত দ্রুততায় সেটা সম্ভব ততই মংগল।

সিএসএম কলোনীতে-কয়েকটা জিনিসে আমি হয়তো-‘‘বেষ্ট থ্রিরির মধ্যে থাকবো”


সিএসএম কলোনীতে-কয়েকটা জিনিসে আমি হয়তো-‘‘বেষ্ট থ্রিরির মধ্যে থাকবো”-তার মধ্যে ডাব চুরি, মুরগী চুরি, পুকুরের মাছ চুরি, স্কুলের খেলাধুলার পুরুস্কার-কলোনীতে খুব কমই নারিকেল গাছ আছে যেখানে আমার হাত পড়েনি এবং সর্বশেষে ভ্রমন। মোবাইল সেট সহজ লভ্য হাওয়ার আগ পর্যন্ত টেলিফোন মেশিন (পিএবিক্স) ও টেলিফোন সেট এর কাজের কারনে-বাংলাদেশের এমন কোন জেলা নেই যেখানে আমার বিচরণ নেই-অবশ্য আমার পয়সায় নয়। সরকারী অথবা জনগণের পয়সায়। সেই হিসাবে সিএসএম কলোনীর-বেষ্ট টেনকে ‘‘যদি ইবনে বতুতা পদক” দেওয়া হয়-তাহলে হয়তো আমার নামও থাকবে আশাকরি। এবার কিছু অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করি। ভ্রমন বলতে আমরা সাধারণ ভাবে দুরের যাত্রাটাকেই বুঝি। আমিও এটাই বুঝতাম। কিন্ত গত কয়েক বছরে ঢাকার বিভিন্ন রুটে ----- দয়া করে ভাড়ার অতিরিক্ত ভ্রমন করিবেন না---------- জাতীয় নোটিশ দেখে মনের ভেতরে ভ্রমনের সীমারেখা পালটালো। বুঝলাম স্বল্প দ্রুরত্বও শ্রমনের আওতায় পরে। প্রতিদিন সকাল 9.00 থেকে ঢাকা শহরে প্রায় কোটি খানিক মানুষ আমার মত-পেটের ধান্দায় মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমনে বাহির হয়। তবে এই স্বল্প দূরত্বে ভ্রমনের ফিলিংস থেকে-পয়সা কামানোর ফিলিংসটাই তাকে দৌড়ের উপর রাখে। তবে কিছু কিছু মানুষ যারা ভ্রমনের আনন্দ, আলোচনার মাধ্যমে নিয়ে অন্যের আনন্দের ‘‘খবর” করে ছেড়ে দেন। যারা নানা চরিত্রের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে সবচেয়ে কমন স্বভাবের ভ্রমনকারীরা বেশ দেশ সচেতন। তারা বেশিরভাগ সময়ে হাতে পত্রিকা নিয়ে উঠেন এবং কোন প্রকার সুযোগ পেলেই আলোচনায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেটা যেমন রাস্তার জ্যাম দেখেও হয়, সেটা হয় ট্রাফিক পুলিশের আচারণ দেখেও। এমনকি ড্রাইভারের গাড়ী চালানো দেখেও সেই আলোচনার সৃষ্টি হয়---------------। একটু কিছু হলেই হয়। শুরু হয় ভাষন। সেটা প্রথমে দেশ দিয়ে শুরু হয়, ---‘‘শালার কি দেশে বাস করি-----। ধীরে ধীরে সেটা নান বিষয়ের উপর সিডর গতিতে প্রদক্ষিণ করে শেষ পর্যন্ত নিজের উপর এসে শেষ হয়, ------- আসলে শালার আমরাই ভালোনা, আমরা যদি ঠিক থাকতাম-------। এর ভেতরে হাসিনা আপা, খালেদা ম্যাডাম, এরশাদ কাকু, তারেকসহ বহুজনের উপরদিয়ে এই ঝড়টা যায়। এ থেকে কখনো কখনো বারাক ওবামাও রেহাই পান না।

বর্ষাকালটা আমাদের জন্য ছিল অন্য রকম


বর্ষাকালটা আমাদের জন্য ছিল অন্য রকম। মজায় মজায় ভরপুর। বর্ষার কোন দিন পাইন্না খেলা ছাড়া চলতই না।স্কুল ছুটির পর প্রতিদিন আর বন্ধের দিন তো কথাই নাই।C টাইপের মাঠের মাঝখানে পানি জমা থাকতো। টিটু ভাই (টিংকুর ভাই) বলটা ইচ্ছা করে পানির মদ্ধে ফেলতো আর আমরা সবাই লাফিয়ে পরতাম এর উপর।দুষ্ট টিটু ভাই পেছন থেকে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে খালি ল্যাং মারতো।হা..হা..হা।আমিও স্লিপ আর ল্যাং মারার জন্য বিখ্যাত ছিলাম। গোল দেয়ার চেয়ে এই সবে সবার মনযোগ বেশি থাকতো।জাম্বু বাবু ভাই ঐ স্বাস্থ্য নিয়েও পাইন্না খেলাটা ভালই খেলত।পিচ্চি পাপ্পুও (B-টাইপ) কম যেতনা। বেচারা তুমানকে খেলতে দিতনা বলে করুন চোখে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকত।খেলার পর আবার পুকুরে গিয়ে দাপাদাপি। কই গেল সেই দিন.....

ছোটবেলার ঈদ


ছোটবেলায় আমাদের শপিং এ যাবার সময় ছিল সকাল সাড়ে ১০ টা। রাতের বেলায় আব্বা আম্মা শপিং যেতে চাইতেন না। দিনের বেলায় গিয়ে সন্ধ্যার আগে ফিরে আসতে হত। তখন এত জ্যাম ছিল না। কিন্তু দেখা যেত কোন একটা মার্কেট এ ঘুরে আম্মা আব্বা ক্লান্ত হয়ে যেতেন।বলতেন রোজা রেখে শপিং করা যে কি কষ্ট বলা যাবেনা।আমি তখন রোজা না রাখায় বুঝতে পারতাম না। আবার অনেক সময় জামা কাপড় কেনার সাথে সাথে খেলনাও কিনতাম। ঈদ সংখ্যাও থাকত। 

এরকম একবার খেলনা কিনলাম। প্লাস্টিক এর বিভিন্ন পশুর মূর্তি। ১০০ টাকা ছিল খেলনার দাম। আজ থেকে ২৭ বছর আগে। খেলনা কিনে আমরা বেবি ট্যাক্সি তে চড়লাম। খেলনা ছিল আমার ভাইয়ের হাতে। ও একপাশে বসছিল ট্যাক্সি র। একসময় ঘুমিয়ে পড়ে। বাসায় এসে যখন সব কিছু দেখছি,দেখি খেলনা টা নেই। ও ঘুমের মধ্যে হাত থেকে ফেলে দিছে। আম্মা অনেক বকলেন। মন খারাপ হল।

এরকিছুদিন পর Farzana Haque Rini দের বাসায় গিয়ে দেখি সেই খেলনা টা শো কেসে সাজানো। আমি জিজ্ঞেস করলাম কোথায় পেয়েছে।ও বলল ওর মামা না কে যেন কিনে দিয়েছে।কিন্তু আমার সন্দেহ হল আমাদের খেলনাটা মনে হয় ওরা কুড়িয়ে পেয়েছে।বাসায় এসে আম্মাকে বললাম সন্দেহের কথা। আম্মা হেসে পাত্তা দিলেন না। কিন্তু আমার মন থেকে সন্দেহ আর যায় না। যতবার ওদের বাসায় যায় রিনিকে জিজ্ঞেস করি কোথা থেকে কিনেছে।মনে হয় এই বুঝি বলবে রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছে। একইরকম খেলনা যে আরেকজন কিনতে পারে এই ব্যাপার টা বুঝতে আমার অনেকদিন সময় লেগে গিয়েছিল। বুঝতে পারার আগ পর্যন্ত আমি রিনিকে সন্দেহ করে গিয়েছিলাম।

অবসরে নিজেকে...........


যান্ত্রিক জীবনে ব্যস্ততার মাঝে সময় পারি দিতে দিতে ভুলেই গেছিলাম অবসর নামক একটা কিছু আমার জীবনে আছে।সত্যিই মাঝে মাঝে ভাবি আমি কোন 'বিলগ্রেডস্' যে আমার জীবনে কোন অবসর নাই? মনে মনে চিন্তা করি আমি কোন famous? যে, I will kepp my footprints and someone will follow it. না অতশত ভেবে লাভ নাই,তাতে ভাবনার নতুন নতুন জানালাই খোলা হবে।আর সে জানালায়, না পৌছাবে কোন পূ্র্ব দিগন্তের আলো, না বইবে কোন দক্ষিণা বাতাস।তাই ভাবনা চিন্তাগুলোকে ছুটি দিয়ে মন যা চায় তাই লিখলাম। একটাতো কারন অবশ্যই আছে, আর তা হলো আজ কেন জানি নিজেকে একটু বেশি মানুষ মানুষ মনে হচ্ছে। কেন জানি নিজেকে ব্যস্ত সময়ের সাথে তাল মেলানো digital clock র stop watch বলে মনে হচ্ছে না।আজ সকালটা ছিল সত্যিই খুব সুন্দর। সুন্দর সকাল দিয়ে শুরু হওয়া দিনটি নিয়েই কিছু লিখব।

বাবাই-র মা (আমার সহধর্মীনি): তেমার শরীর খারাপ করেনিতো?আজ এতবেলা পর্যন্ত ঘুমাচ্ছ যে।

আমি: না সব ঠিক আছে।অনেক দিন পর ছুটি পেলাম তাই।

বাবাই-র মা: তাহলে আজ তোমার shopping এ যাবার সময় নিশ্চই হবে।

আমি: না, বাহিরে এত রোদ আমি যেতে পারবনা।

Friday, July 1, 2016

বাবা মারা গেলেন আমি যখন অনেক ছোট


বাবা মারা গেলেন আমি যখন অনেক ছোট। সেই ১৯৯১ সালে আমি সে বার HSC পরীক্ষার্থী বাবা মারা গেলেন ২৬ মার্চ তার এক মাস পরই হোল প্রলংকারী সেই ঘুর্নিঝড়। আমি সংসারের বড় ছেলে সে কি অবস্তা। যাই হোক পরম করুনাময় তার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন তার কিছু সি এস এম এর ভাল বান্দাদের মাধ্যমে। তারা আমাদের যে ভাবে সাহায্য সহযোগীতা, উপদেশ, পরামর্শ দিয়াছেন তা প্রকাশ করার ভাষা আমার নেই। তাদের কখনো ধন্যবাদও জানাতে পারিনি তাদের জন্য কিছু করতেও পারিনি। তাদের কয়েকজনের নাম বলে এই গ্রুপের মাধ্যমে আমি আমার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এরা হলেন বজলু চাচা ও চাচি( সুমন, রাজন এর বাবা ও মা), হেমায়েত মামা ( শিউলি আপার হাসবেন্ড), আলমগীর চাচা ও চাচি; ( সাইদ এর বাবা) আজিজ চাচা ( পলাশের বাবা)ইঞ্জিনিয়ার রসিদ চাচা, হামিদ স্যার, মোকাম্মেল চাচা, ৮৯ ব্যাচের আমার সকল বন্ধু ও বান্ধবীরা, সি এস এম ইস্কুলের সে সময়ের সকল স্যার ও আপারা। মনে বড়ই কস্ট এদের জন্য আমি কিছুই করতে পারিনি। আল্লাহ এদের সবাই কে উত্তম প্রতিদান দান করুন।যারা বেচে নেই তাদের জান্নাতুল ফেরদৌস এ দাখিল করুন।

এত বড় পোস্ট এর জন্য আন্তরিক ভাবে দু:খিত।

CSM কিছুলোকের কারনে নিজেরা গর্ববোধ করি


CSM কিছুলোকের কারনে নিজেরা গর্ববোধ করি। CSM এর বাসিন্দা নন এমন এক ভদ্র লোক গতকাল আমাদের অফিসে ব্যবসায়িক কাজে এসেছিলেন। আলাপচারিতার মাঝে CSM এর কথা উঠতেই বন্যা (চাঁদ সুলতানা) আপুর বাবা আযিযুল হক চাচার কথা বললেন। অনেকই জানেন সম্ভবত মাস দুতিন আগে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। আল্লাহতালাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুক। যে কথা বলছিলাম, চাচার বিভিন্ন সততার কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে ভদ্রলোক বলেলন, চাচী উনার বাবার নিকট থেকে যে জমি পাওয়ার কথা তা চাচা নিজ টাকায় কিনে নিয়ে বাড়ী করেছেন। যাক হয়তবা কথা প্রসঙ্গে লিখে ফেললাম কিন্তু আসল কথা হল CSM কে নিয়ে কেহ যখন প্রশাংসা করে তখন গর্ব বোধ হয় বাবা চাচােদর নিয়ে।

Thursday, June 30, 2016

তখন আমি খুব ছোট


তখন আমি খুব ছোট। ক্লাস ওয়ানে কি টু তে পড়ি।আমাদের বাসায় মেহমান চকোলেট এর বক্স এনেছে।আমি সবাইকে কয়েক টা দিয়ে বাকিটা বক্স নিয়ে খাচ্ছি বিকালবেলা। একসময় নিচে নেমে গেলাম।হাটতে হাটতে জুনু আপাদের বাসার সামনে চলে গেলাম। সেখানে জুনু আপা( মিষ্টির বড় বোন) আর বাচ্চু আপা( টিটু ভাইয়ের ছোট বোন) গল্প করছিলেন। আমার হাতে চকোলেট দেখে মজা করে বললেন জুনু আপা, "জনি, আমাদেরকে একটা চকোলেট দাও।"

আমি বললাম, " আমার কাছে আর একটা চকোলেট আছে। আপনারা দুজনে ভাগ করে খান"
এই কথা শুনে বাচ্চু আপা বললেন, " আমরা ভাগ করে খেতে পারব না, দিলে একজনকে একটা করে দাও"
পরে জুনু আপা বললেন, " ঠিক আছে, তোমার চকোলেট তুমিই খাও, দিতে হবে না"
আমি হেসে চলে আসলাম।

আসলে শ্রদ্ধা, স্নেহ, ভালবাসা এগুলো তে কেউ ভাগাভাগি করতে চায় না। যার যার অংশ, তার অংশ তাকে পুরোপুরি বুঝিয়ে দিতে হয়, না হলে কারোই ভাল লাগে না।

জুনু আপাকে দেখি না অনেক বছর। পলাশ ভাইয়ের বিভিন্ন ছবির কল্যান এ উনাকে দেখতে ভাই একটু আধটু। আর বাচ্চু আপা ঘটনাক্রমে আমার প্রতিবেশী। দেখা হলে খুব মজা করে কথা বলেন। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে উনার সাথেও খুব একটা দেখা হয় না। ভাল থাকুক আমার এই দুই শ্রদ্ধেয় বড় আপা।

আমার পাশের সিটে...নিউজ24 live @সুবর্ন এক্সপ্রেস


আমার পাশের সিটে...নিউজ24 live @সুবর্ন এক্সপ্রেস
সাংবাদিক: আপু ঈদের ছুটিতে বারি যাচ্ছেন কেমন লাগছে?
জনৈক আপু: খুব ভালো লাগছে :-) 
সাংবাদিক: আচ্ছা, টিকেট পেত কোন সমস্যা হয়নি তো?
আপু: নাআআ, কোন সমস্যাই হয়নাই
আমি: অডি হনদিন টিকেট কাইন্টারত গেইয়ুস না? তুই হত্তুন জানিবি টিকেট লনর হস্ট৷
সাংবাদিক ও বসকে(আমাকে ) জিজ্ঞেস না করে আপুদেরকে জিজ্ঞেস করতেসে, তুই হয়ত বলদ নইলি চালাক কপি পোষ্ট

Wednesday, June 29, 2016

কি যে ভাল লাগলো


কি আনন্দ,কি হাসিমুখ,কি উৎফুল্ল,
কি যে প্রান চাঞ্চল্য,কি দারুন তারুন্য
কি যে খুশির ভাব সবার চোখে মুখে,
মুখে মুখে ভাব বিনিময়
হাতে পায়ে কি কর্মব্যাস্ততা!

শুধু এক মহান উছিলায়(ইফতার পার্টি) সবার সাথে সবার দেখা,CSM ছাড়া আর কোথাও এমন মিলন মেলা
রিয়া ভাবী,দেখলে তো তোমার ছেলেরা সত্যি অনেক বড় হয়ে গেল। তাইনা?

বহুদিন পর তুমি,মোমিন ভাই,মোসাদ্দেক,অচেনা বোন টি(মিসেস মোসাদ্দেক) কে আবার নতুন করে পেলাম।মেরাজ খান মজলিস ভাই কি হাসি মুখে পরিচয় দিলেন।ভেবেছেন ভুলে গেছি,ভুলিনি তো। আর রিয়া,তুমি তো বলেই ফেল্লে-- আপনি কিন্তু আমাকে "তুমি" বলতেন। 

আহ,কি মধুর স্মৃতি গুলো স্মরনে এনে দিলে।কত টুকু আপন হলে এ কথা বলা যায়? কর্ম জীবনের কচি কোমল হাত গুলো আজ শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে মহীরুহ হয়ে গেছে,কি যে ভাল লাগল দেখে কি করে বোঝাই।আমার শিক্ষকতা জীবনের ছাত্র ছাত্রীদের এখন ছেলে মেয়ে,বাবা মা ভাবতে ভালই তো লাগছে।আর জাকারবার্গের কল্যানে সব তো বন্ধু হয়ে গেল।

বাহ!কি চমৎকার মেলবন্ধন।এতজন শিক্ষক/শিক্ষিকাদের মধ্যে শুধু আমি ই উপস্থিত থেকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে তোমাদের অনেক অনেক শুভ কামনা।তারিক আমার ছাত্র।ওকে জড়িয়ে ধরে মনে হল সব কষ্ট যদি ওর মুছে দিতে পারতাম কোন ও আলৌকিক ক্ষমতায়। ওর চোখের জল-মনে হল বুকের রক্তধারা।কি করে বুঝাই এ কষ্ট?

আমি না পারলেও ওরা পারবে।এরা সবার ভালো চায়,উপকার করতে চায়।তাই ওদের জন্য সারা অন্তর দিয়ে দোয়া আল্লাহর কাছে।ওরা যেন একে অন্যের প্রতি বাড়িয়ে দেয় মমতার হাত,ভালবাসার হাত,গড়ে তুলুক আলোর ভূবন।মুছে ফেলুক কষ্ট।হাসুক সবাই একসাথে।

থাকুক সবাই একসাথে।
করুক কল্যানকর কাজ।

ধন্যবাদ আয়োজক রফিক,রেজা,রিপন,অপু আতিক,মনির,নাসের সহ বাকী সবাই কে।
ধন্যবাদ বিয়োজক যারা উপস্থিত থেকে বিয়োগ( খাবার দাবার সাবার) করলো সব।
ধন্যবাদ ইফতার পার্টি তে উপস্থিত সব স্টীলার দের।

সকালে বীচ থেকে ফিরে চিন্তা করলাম, একটু রেস্ট নিয়ে দুপুরের দিকে বাড়ীতে রওনা দিব


সকালে বীচ থেকে ফিরে চিন্তা করলাম, একটু রেস্ট নিয়ে দুপুরের দিকে বাড়ীতে রওনা দিব।তাই কলাতলি রোডে আমার এক ফ্রেন্ড(হোটেলের মালিক) কে ফোন দিয়ে জানতে চাইলাম, সে হোটেলে আছে কিনা! তখন সে বলল, না আমি মারম্যাড হোটেলে আছি এবং এখানে চলে আয়। তো আসলাম এবং বললাম একটু রেস্ট নিবো। সে সব কিছু ঠিক করে অন্য রুমে চলে গেল। 

(হোটেলে আছি বলে আমি বাথটাব এর ছবি দিব না।এই ডিজিটাল যুগে অনেকে দেয় তো তাই বললাম)।

অতঃপর আমি ঘুম যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম।কিন্তু মাননীয় ঘুম মহোদয় কিছুই তে আসছে না। তাই, শুয়ে শুয়ে লেখতে লাগলাম যদিও আমি তেমন লেখতে পারি না। লেখতে গেলেই সব কেমন যেন সেই -
"সিএসএম কলোনী"তে থাকা কালীন আমার প্রিয় 
"হুমায়ুন আহমেদ" স্যারের -
"আজ রবিবার" 
নাটকের জাহিদ হাসানের ডায়ালগ -
"হি জি বি জি"র মত হয়ে যায়। 
যাই হোক.....
আহ্ !!! 

বন্ধু রানা, তুই তো শুধু ঈদের বাড়তি গাড়ি বাড়া দেখলি


বন্ধু রানা, তুই তো শুধু ঈদের বাড়তি গাড়ি বাড়া দেখলি। এবার দেখ জামানার আঞ্চলিক ভাষায় বলি - বরি/হানপুল(এই সব পোলাদের আমি এই নামেই ডাকি, শুদ্ধ ভাষায় পাংকু) লাগানো ছেলেদের ফ্যাশন যদি এমন হয়, তাহলে নেংটো হতে অার কত বাকী ? 

অাসলে দেশটা ডিজিটাল হচ্ছে কিনা জানিনা, তবে কিন্তু দেশের এই শ্রেনীর মানুষগুলো ডিজিটালের 'ডিজি' বাদ দিয়ে সত্যি সত্যি টাল হয়ে যাচ্ছে নাতো !!!

এটাকে তুই কি বলবি?

নোট:- দয়া করে, কেউ বিষয়টা অন্য ভাবে নিবেন না। আসলেই তো দেশ টা এখন এই ভাবেই চলছে।

রাতে আমার এমনিতেই ঘুম হয় না


রাতে আমার এমনিতেই ঘুম হয় না। রাতে প্রজেক্টকেই সময় দিই এবং আজ অনেকটা বোরিং লাগছে প্রজেক্ট এর হাওয়া টা। কেন যানি বিরক্ত লাগছে তাই পাগলা টাইপের এই মন চাইল, সমুদ্রের হাওয়া খাবে(অনেকদিন আসা হয় না এবং আমরা স্হানীয় যারা আছি তারা আসলে রাতের সমুদ্র উপভোগ করি এবং প্রায় রাতে আসা হয় )। রাতের সাগরের হাওয়া অবলোকন করার জন্যে তাই প্রজেক্ট এর একজনকে সাথে নিয়ে বাইকে উঠে গাড়ি স্টার্ট দিলাম এবং চলে আসলাম।

সাগর পাড়ে নেমেই গেন্জি খুলে ফেললাম। খালি শরীরে সমুদ্রের হাওয়া লাগানো উফফফ! কি যে একটা ভাল ফিলিংস হচ্ছে বলে বুঝানো যাবে না এবং ফেরারী স্মৃতি গুলো আমাকে বার বার আঘাত (৯১' "হারিকেন" ঘুর্নি ঝড়ের মত) হানছে আমার হ্নদয়ের অ অ অ অন্তরে........ 

এবং ইন্দ্রনীল ছেত্রী'র মত মনে মনে বলি ---
প্রিয় ফুলন দেবী(কাল্পনিক),
একদিন এখানে রাতের পারে,
আঁধারের মত,
চাপা প'ড়ে গেছে যে হৃদয়, 
সেখানে দেখেছি
কোনো মানুষী ছিল না,
ছিল না আশা, 
নিরাশার ভয় য় য় য়....।

Tuesday, June 28, 2016

আজব একটা দেশ আমাদের


আজব একটা দেশ আমাদের। ঈদ করতে বাড়ি যাবেন দেন দ্বিগুণ ভাড়া। সুযোগ পাইছে আপনারে কোবাই দিছে। কোথায় আমাদের রাষ্ট্রের ব্যবস্থা,সমাজ ব্যবস্থা, প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
শুধু বড় বড় বুলি। সবকিছু সয্য করতে পারলে 
জনগণ ভালো।কোথায় আমাদের রাজনৈতিক বড় ভাইরা, সাংবাদিক,কবি ভাই বোনেরা।তোমরা এখন গাইবে। 
মা আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে 
অন্যায় দেখে ধৈয্য ধরে থাকতে পারি
তোমার ভয় নেই মা আমরা নিরবাক 
থাকতে পারি ।
আমরা নাকি সাহসী জাতি । কি সাহস এ জাতির টিভি চেনেল গুলোতে শুধু আলোচনা সমস্যা নিয়ে । সমাধানের কনো উপায় নেই । আরও আছে টিভিতে দেখায় তালাশ, অনুসন্ধান,ক্রাইম সহ ইত্যাদি এরা আবার শেষ করার সময় বলে যায় এ প্রশ্ন জনগণ আপনাদের কাছে রেখে গেলাম । ঠিক তেমনি আমি আপনাদের কাছে প্রশ্ন রেখে যাচ্ছি ঈদের সময় কেন যাত্রীদের কাছে থেকে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হয়?????

বউ/ বেটির ঈদের জামা/কাপড় আমি নিজে পছন্দ করে কিনি


বউ/ বেটির ঈদের জামা/কাপড় আমি নিজে পছন্দ করে কিনি। এই ব্যাপারে আমাকে ফ্রি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। আমার রুচির উপড় সারাফের মা'র অগাধ বিশ্বাস।[ থাকাটায় স্বাভাবিক, এই রুচি নিয়ে রাজশাহী গিয়ে,সারাফের মাকে বিয়ে করেছি]। একটু সময় বের করে শো রুমে গেলাম, জামা কেনার জন্য। পছন্দও করকাম কিন্তু সারাফের মা'র জামার মাপটি কিছুতেই মনে করতে পারছিনা!!! কত যেন মাপটি?? দিলাম কল, আচ্ছা তোমার মাপটি যেন কত? খুব শান্ত ভাষায় উত্তর এলো, তুমি কোথায়? বললাম, জামার দোকানে। সারাফের বাবা, তোমাকে জামা কিনতে হবেনা, তুমি মানুষ জনের সামনে জিজ্ঞাসা করছো, জামার ------ মাপ কত!!!!???? তুমি বাসায় এসে আমার মাপ নিয়ে , তারপর জামা কিনতে যাবে, তোমার মত অসভ্য------------!!!। শো-রুমের ইয়াং ছেমরি, আমার মুখের অবস্থা দেখে বুঝতে পারলো, "সামথিং রঙ"। স্যার, জামাটি কি নিবেন? বললাম, কাল এসে নিয়ে যাবো। শো- রুম থেকে বের হয়ে যাবার পথে দেখি, একদম সারাফের মা!! ঠিক সে রকম গোলগাল, ছোট/খাটো!! মাপটাও ঠিক একই হবে!! ৪--/৩--- এই মাপের জামা এই মহিলার হবেই হবে!! আরে, মাপটাও দেখি মনে পড়ে গেলো!!! অবশেষে জামাটি নিয়ে নিলাম। 
শো-রুম থেকে বাইরে এসে, খুশিতে সারাফের মাকে ফোন দিলাম। সারাফের মা, তোমার জামার মাপটি মনে পড়ে গেছে, জামাও কিনে ফেলেছি। এবার আরও শান্ত গলায় জিজ্ঞাসা করলো, তুমি এখন কোথায়?? বললাম, রাস্তা পার হচ্ছি। রাস্তায় দাঁড়িয়ে তুমি আমার জামার মাপ বলছো!!!! সারাফের বাবা, তুমি এটা ইচ্ছা করেই করছো!!! তুমি একটা চরম বদ!!!! আজ বাসায় আসো-------------।

Monday, June 27, 2016

মগের মুল্লুক


ক্লাস ফাইভে উঠার পর আমরা টিফিন ছুটিতে দুপুরের খাবার খেতে বাসায় আসতাম। এভাবে একদিন ক্লাস এইটে পড়ার সময় বাসায় এসে খাবার খেয়ে ঘুমিয়েছি, হঠাত ঘুম থেকে উঠে দেখি স্কুলে যাবার সময় পেরিয়ে গেছে।মানে ১ টা ক্লাস শেষ। আস্তে করে পরের ক্লাসের বই শার্ট এর ভেতর নিয়ে স্কুলে গেলাম।দেখি বিউটি আপা ক্লাস নিচ্ছেন।আমাকে দেখে ভেতরে আসতে বললেন।উনি বুঝতে পারেন নি আমি আগের ক্লাস মিস করছি। ভাবছেন আমি পানি খেতে বাইরে গেছি। এভাবে পরের দুটা ক্লাস করে বাসায় ফিরে এলাম।

পরের দিন আমাদের ক্লাস টিচার না আসায় বিউটি আপাই এলেন ক্লাস নিতে। উনি রোল কল করছেন, এমন সময় আমার নামের পাশে দেখেন এবসেন্ট লিখা। উনি জিজ্ঞেস করলেন আসল ঘটনা টা কি? 

খুলে বললাম, ঘুমিয়ে যাবার কারণে টিফিনের পরের ঘন্টা মিস করি যেটা মাহফুজ স্যার নিয়েছিলেন এবং উনি রোল কল করে আমার নামের পাশে absent লিখেছেন।

বিউটি আপা বললেন, স্কুল টা কি একটা মগের মুল্লুক হয়ে গেল নাকি! যার যখন খুশি আসবে, যাবে।যে ক্লাস ইচ্ছা করবে, করবে না হলে বাসায় ঘুমাবে।আমরা কি মগের মুল্লুক এর টিচার ইত্যাদি ইত্যাদি। 

সেদিন হয়ত আপা কে বলতে পারিনি যে স্যার আপাদের শাসনের মাঝেও একধরণ এর অদৃশ্য প্রশ্রয় ছিল যা আমাদের স্কুল টাকে বন্দীশালা নয়, মগের মুল্লুক ভাবতে মন চাইত

সময় বদলায়, বদলায় মানুষ


সুবর্ণা মুস্তাফার যখন বয়স যখন ২০ তখন নাটকে তার চাহিদা ব্যাপক, বলতে লাগলেন, ভাল নাটক গুলো সব তার কাছেই আসে।তিনি যেগুলো ফিরিয়ে দেন, সেগুলো অন্যরা অভিনয় করেন।

সুবর্ণার বয়স যখন ৩২, তখন নতুন কিছু মুখ এসেছে, শমী, বিপাশা,মিমি এরা। তিনি বললেন, এরা ত বই পড়েনা,অভিনয় করবে কি।

সুবর্ণার বয়স যখন ৪০, তখন তিনি বললেন, এখন ত কেউ নাটক দেখেনা।এদের অভিনয় দেখলে যা শিখেছি, তাও ভুলে যাব।তাই টিভি দেখি না। 

উনার বয়স যখন ৫০, তখন বলতে লাগলেন, ইয়ং ব্লাড অলওয়েজ পজিটিভ। আগে আমি খুব দ্রুত রিএক্ট করতাম।এখন আমার ধৈর্য বেড়েছে।তাই চুপ থাকি।

উপরে র ব্যাপার টাতে একটা বিষয় খেয়াল করা যায়, সময়ের সাথে সাথে মানুষের চিন্তা ভাবনা বদলায়।যখন কোন মানুষ কোন পক্ষে অবস্থান নেয়, তখন তার পেছনে যুক্তি থাকে। তাই প্রত্যেক মানুষের উচিত অন্যের ভাবনা বা মতামত কে সম্মান করা, যেরকম সে নিজের টাকে সম্মান করে। মন্তব্য না করে কিছু বিষয় সময়ের হাতে ছেড়ে দেয়া উচিত

দুই এক্কে দুই


এক অফিসে ছিল নিয়াজ নামে এক বস। তার অধীনে কাজ করত মাসুদ নামের এক অফিসার।এই অফিসারকে নিয়াজ সাহেব দুই চোখে দেখতে পারতেন না। সব কাজে ভুল ধরতেন। কোন কাজ না জিজ্ঞেস করে করলে বলতেন, আমাকে জিজ্ঞেস না করে কেন করছেন।আবার নিজ থেকে কোন কাজ করলে বলতেন, সব কাজ যদি আমাকে বলে দিতে হয়, তাহলে আপনাকে এত টাকা বেতন দিচ্ছি কেন।

এভাবে নানাভাবে মাসুদ সাহেবের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলছিলেন। মাসুদ সাহেব তক্কে তক্কে থাকতেন কিভাবে নিয়াজ সাহেব কে শায়েস্তা করা যায়। উনার খুব ইচ্ছা করত নিয়াজ সাহেব কে নিয়াইজ্জা নিয়াইজ্জা বলে ডাকতে, কিন্তু পারতেন না।

একদিন মাসুদ সাহেবের বাসায় নতুন ছেলে এল বাচ্চা দেখতে। তার নাম জনি।মাসুদ সাহেব জানতেন তার বসের ডাক নাম জনি।

অফিসে ত বসের সাথে কিছু করতে পারতেন না, বাসায় এসে জনি ছেলেটাকে কিছু হলেই ডাকতেন, জইন্না, ওই জইন্না। এই পানি নিয়ে আয়। ছেলেটা পানি নিয়ে এলে বলতেন, কিরে এত পানি আনছিস কেন, আমি কি গোসল করব। আবার কম আনলে বলত, কিরে পানির বিল কি তুই দিস না আমি দিব। 

এটা করে মনে মনে শান্তি পেতেন।কিন্তু তার স্ত্রী বুঝত না কেন তিনি জনি নামের ছেলেটার সাথে এমন করেন। একদিন জানতে চাইলে বললেন, তুমি জান না জনি নামের ছেলেগুলা রে কিভাবে ঠিক করতে হয়।

এদিকে মাসুদ সাহেব জনি ছেলেটা কে যতই বকা দিক, সে কিন্তু কিছু মনে করত না। মুচকি মুচকি হাসত আর বকা শুনে ওয়াশরুমে ঢুকে যেত। তারপর মাসুদ সাহেবের টুথব্রাশ দিয়ে কমোড টা পরিস্কার করতে শুরু করত।

আমি মনে হয় ক্লাস টু কিংবা থ্রি তে পড়ি


আমি মনে হয় ক্লাস টু কিংবা থ্রি তে পড়ি তখন থেকে আমাদর ঝুমুর আপু যেমন সুন্দরী ছিলেন এখনও একই রকম আছেন।মাশাআললাহ উনিও আমাকে একদম ছোট বেলা থেকেই খুব আদর করতেন।সেদিন সিএসএম এর মিলাদ মাহফিলে প্রায় পনের বছর পর দেখা হয়েছে।আপু আমাকে জড়িয়ে ধরতে চাছচে কিনতু আপুর ছেলে তো কোনো ভাবেই দিবে না।তারপরও উনি আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন।পাশে উনি রানু আপু ছোট বেলায় সকুলে দেখেছিলাম একটু একটু মনে আছে।তবে ঝুমুর আপুদের বাসার সামনে যে পার্ক ছিল আমরা সেখানে গিয়ে খেলতাম।তখন থেকে ঝুমুর আপু একা আপুরা গলপ করতেন।আমার দুজনকেই খুব সুন্দর লাগতো।

বেশ কয়দিন থেকে এই গ্রুপটির ক্রিয়েটর সহ সকল সদ্যসদের ধন্যবাদ জানাতে খুব ইচ্ছা করছে


বেশ কয়দিন থেকে এই গ্রুপটির ক্রিয়েটর সহ সকল সদ্যসদের ধন্যবাদ জানাতে খুব ইচ্ছা করছে বিশেষ করে বড় ভাই Mosaddeque Ali কে। উনার মাধ্যমে আমি কাদের চাচাকে খুজে পেয়েছি প্রায় বিশ বছর পর।অনেক বছর ধরে আমি উনাকে খুজছিলাম হয়ত ভুল ওয়েতে। উনি অনেকের পরিচিত। তবুও আমি যে ভাবে উনাকে দেখেছি তার সামান্য বনর্না করব আমাদের ছোট ভাই বোনদের inspired করার জন্য। আমার কর্ম জীবন উনার হাত ধরেই শুরু। ১৯৯৩/৯৪ তে স-ইচ্ছায় স্টিল মিলের আরামের চাকুরি ছেড়ে গাজীপুরে ছোট্ট একটি ষ্টিল মিলে(এলিট স্টিল মিল) প্রজেক্ট ম্যনেজার হিসেবে যোগদেন। বেশ কয় মাস পর উনারর মাধ্যমে আমিও উনার সাথে যোগ দিই। আমি দেশে এবং বাহিরে অনেকের সাথে কাজ করেছি কিন্তু উনার মত এমন পরিশ্রমিক আর কর্ম পাগল মানুষ দেখিনি। মিলটি আমাদের মত বিশাল বড় না হলেও কাজ কিন্তু একই। পুরানো লোহা লক্কর গ্রেডিং স্কেলিং থেকে শুরু করে লোহার বার তৈরি, ল্যবরেটরি টেস্ট সর্ব শেষে ডেলিভারি পর্যন্ত সব কিছু এত দক্ষতার সাথে পরিচালন করতেন। জিবনে একটানা ৪৮ ঘন্টা কজ করার অভিজ্ঞতাও উনার সাথে হয়েছে। অতীতে মিলটির বড় কোন যান্ত্রিক ত্রুটি হলে ভারত থেকে ইঞ্জিনিয়ার এসে সলভ করত কিন্তু প্রথমবারের মত উনি উর্ধতন কতৃপক্ষ কে না জানিয়ে নিজ প্রচেষ্টায় মিলটি সচল করেন। কাজে যে কি আনন্দ সেদিন প্রথম অনুভব করেছি। প্রচন্ড গরমে যখন সবাই অস্হির তখন সবাইকে গুরের শরবত খাওয়াতেন আবার যে দিন প্রোডাকশন টার্গেট পূর্ন হতো পকেট থেকে টাকা বের করে দিতেন শ্রমিকদের বাজি ফুটানোর জন্য। এত কথা বলার একটাই কারন যে যেমন কাজই করি না কেন আনন্দ এবং আগ্রহ নিয়ে করার চেষ্টা করা উচিত।

রোজা শেষ হয়ে এলো


রোজা শেষ হয়ে এলো। সামনে খুশির ঈদ। কিন্তু এই খুশিটা সবার জন্য এক রকম না। কারো কারো জন্য দু:খটা চেপে রেখে পিছনের আনন্দ দিনের জাবর কাটা।
ছিল একদিন এমন আনন্দ মূখর, বন্ধু বিভোর;
এখন কেন যে জীবন নিথর।
সবামী-সন্তানে কেটেছে দিবস সবপ্ন রঙিন,
সেই মুখখানিও আজি হয়েছে মলিন।।
বলছিলাম আমাদের পাপ্পু আর চন্দন চাচীর কথা।
আমরা সবাই মিলে কিছু কি করতে পারি তাদের জন্য। অন্তত তারা যেন ভাবতে পারে-

"সব হারিয়েও আমরা একা না "।
ছোট ভাইদের প্রতি অনুরোধ - কিছু কি করা যায়?

ঈদ চলে এসেছে


ঈদ চলে এসেছে। শাটল বাসে গিয়ে হর্কাস মার্কেট থেকে ১৮০ টাকার অর্ডারী প্যান্ট টি আনতে হবে। হর্কাস মার্কেট থেকে প্যান্ট ও শার্ট বা গেন্জী কিনে এমন ভাব ধরে নিউ মার্কেটে ঘুরাঘুরি করতাম যেন প্যান্ট,শার্ট নিউমার্কেট থেকে কিনেছি।

Sunday, June 26, 2016

24/06/2016 ইং তারিখে ইফতার পার্টি নিয়ে


24/06/2016 ইং তারিখে ইফতার পার্টি নিয়ে-শ্রদ্ধেয় মোছাদ্দেক ভাই, আতিক, নাজমুল, জসিম, শিরিন ভাবী, টিটু শিকদার ও আরও অনেকে অনেক সুন্দর করে লিখেছেন। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম, চাঁদপুরে-ধনী, গরীব ছোট-বড় সবাই এক কাতারে মিলে যে বিনা সুতার মালা তৈরী হয়েছিল-তা কি? নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করলে-শুধু একটাই উত্তর আসে আর তা ‘‘হলো-মায়া”/‘‘মায়ার-বন্ধন”।

পৃথিবীকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়-ধরনী তুমি কিসের টানে বেঁচে আছ? সে হয়তো বলবে, কেন, তোমরা জাননা বুঝি- আমি মহা শূন্যের মায়ার টানে বেঁচে আছি। আমরা মায়ের গর্ভে যে ভাবে 10 মাস 10 দিনে তিলে তিলে বেড়ে উঠি-ঠিক তেমনি আমাদেরও িএকটি সবুজ বেষ্টনি ঘেরা গর্ভধানীছিল-তার নাম সিএসএম কলোনী। যার রূপ রস গন্ধ আলো বাতাস খেয়ে আমি-আমরা বড় হয়েছি প্রায় দীর্ঘ 35 বছরেরও বেশী। যা আমাদের কাছে-মহামান্নিত অতীত আর গৌরব উজ্জ্বল ঐতিহ্যের ভাস্কর-এখানকার কৃতি সন্তানেরা প্রমিথিউসের মতো আলো জ্বেলেছেন ঘরে ঘরে এবং নন্দীত হয়েছেন বিশ্বের অনেক জায়গায়। এই সিএসম এম কলোনী টা-আমার ছিল-আমাদের ছিল, তাই এর কোন ষ্টিলারের সমস্যা মানে আমার সমস্যা-আমাদের সমস্যা। তদ্রুপ কোন ষ্টিলারের সুখ মানে আমার সুখ-আমাদের সুখ। কাল ইফতার পার্টিতে কয়েক জনের সাথে আলাপ করে আমার মনে হলো-পৃথিবীতে একেকজনের ইচ্ছা একেক রকম। আমার ইচ্ছার সাথে আরেকজনের ইচ্ছার মিল নাও থাকতে পারে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও চাঁদপুরে যারা এসে ছিল-তারা প্রায় সবাই স্ব স্ব জায়গজায় সু প্রতিষ্ঠিত। তাই যে কোন কাজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে-দশ জনের দশ মতামত কে সবাই মিলে পর্যালোচনা করে-যে কোন সুন্দর সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ। হঠাৎ করে দুই একজন মিলে তাদের মতামতকে সবার উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিৎ নয়। কারণ সিএসএম পেইজ কে আমারা যন্ত্রণার জায়গা বানাইতে চাই না। তাই সকল ষ্টিলারকে তিল তিল করে অন্য ষ্টিলারদের কল্যাণ সাধনে দ্রুত মনকে প্রস্তত করতে হবে, তা হলে একদিন দেখা যাবে আমরা যে কোন ষ্টিলারের সংকট ময় মুহুর্তে হয়তো সবচেয়ে বেশী কল্যাণ সাধনে সফল হবো।

ইফতার পার্টির আয়োজনের প্রথম পোস্টটি দেখার পর ভাবলাম যাওয়া হবে না


ইফতার পার্টির আয়োজনের প্রথম পোস্টটি দেখার পর ভাবলাম যাওয়া হবে না।তাই ততটা গুরুত্ব দিয়ে পড়তাম না।এই ধরনের সম্মিলিত অনুষ্ঠান থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখার প্রবনতা আমার মাঝে আছে তবে এখন কিছুটা বেরিয়ে এসেছি সেই মানসিকতা থেকে।পরে একটি পোস্টে দেখি তানিয়া আমাকে খুঁজছে।এখনতো সারা দিতে হয়! কি করা! পেইজ থেকে নিজেকে দূরে রাখলাম।কিন্তু কতক্ষন! একবার যখন জরিয়ে গেছি উপায় নেই।পেইজে যেয়ে দেখি তানিয়া আবার message দিয়েছে, আসছি কিনা?এখনতো আর এড়িয়ে যাওয়া যায় না! ছেলের বাবাকে বললাম, যাবে ইফতার পার্টিতে?বলল,বোর্ডের খাতা অনেক দেখা বাকী,যাওয়া হবে না বলে দাও।এই বলে সে তো চলে গেল কলেজে।ভাবলাম একবার না বললে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই তানিয়াকে message দিলাম,এখনো বলতে পারি না,পরে জানাবো।দুপুরের আগে আবার তানিয়ার message যেভাবে হোক রাজি করিয়ে আসেন।এবার মন টানলো। কি করা যায়?ভাবতে ভাবতেই দুপরে ছেলের বাবার ফোন এল,আজ কলেজে ইফতার আছে, দেরি হবে।ভাবলাম, এই সুযোগ, এখন বললে ঝামেলা থাকলেও রাজি হবে।কারন আমরা কলেজ পার্টিতে নাই।অবশেষে তাই হলো। পরে message পাঠিয়ে দিলাম, যাব।কিন্তু ইফতার পার্টির দিন নিজস্ব কাজের জন্য যেতে দেরি হল।যখন পৌছলাম, দেখি, হল ভর্তি,সে এক অপরূপ দৃশ্য! আমাদের আসনও নির্দিষ্ট ছিল। যেন ট্রেনের সিটের মত। আগে উপস্হিত না হওয়ায় আফসোস কিছুটা আছে। তারপরও যেটুকু ছিলাম খুবই ভালো লাগলো। ইফতারের পর কিছুক্ষণ গল্প করলাম অনেকের সাথে,কফি খেলাম। সেই ছোট বেলায় দেখেছি কয়েক জনকে।এখন দেখি অনেক বড় হয়ে গেছে। সিনেমায় যেমন দৌড়াতে দৌড়াতে বড় হয়।অদ্ভূত রকমের ভাললাগা অনুভূতি! না গেলে মিস করতাল।এরকম মুগ্ধকর আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ও অন্যদের অসখ্য ধন্যবাদ।

সি,এস,এম কলোনির যে কোন আয়োজন অনেক ভাল লাগে


সি,এস,এম কলোনির যে কোন আয়োজন অনেক ভাল লাগে।যে কোন ছোট আয়োজন বড় হয়ে যায় সকলের আন্তরিকতায় আর ভাল বাসায়। এ যেন নাড়ির টানে ছুটে যায় মন,যখনি শুনি সি,এস,এম আমাদের সপ্নের সি,এস এম। যাক ইফতার পার্টি তো ভাল করে হল।এবার আমরা কি পারি না সে আগের মত আমাদের ইদুল ফিতরের নামায টা সি,এস,এম কলোনির মাঠে এক সাথে আদায় করতে। বড় ভাইদের দৃস্টি আকর্ষণ করছি।

একটি পোষ্ট এবং পাপ্পু ভাই


গত কয়েকদিন আগে আমাদের আমেরিকা প্রবাসী স্টীলার একরাম ভাই একটা পোষ্ট দিয়েছিল।পোষ্টের বিষয়বস্তু ছিল দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা আমাদের পাপ্পু ভাইয়ের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসার আহবান।

৬৫০+ সদস্যবিশিষ্ট পেইজে উক্ত পোষ্টে লাইক কমেন্টস ছিল খুবই নগণ্য।এ রকম একটা মানবিক আবদনে উনি আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় উনার মর্মাহত হওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ ছিল।কিন্তুু নিরু মামা উক্ত পোষ্টের কমেন্টসে অত্যান্ত সুচারুভাবে ব্যাপারটি তুলে ধরেন।আমি কিংবা আমরা যতটুকু জানি পাপ্পু ভাই আর্থিক কোন সহায়োগিতা চাননি।

সি এস এম ইতিমধ্যে অনেক স্টীলারের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছে।তারেক ভাই,শামীম,শামশু নানার পুত্রবধু এবং সম্ভবত আরো কয়েকজন।ইতিমধ্যে চন্দন চাচীর জন্য ফান্ড সংগ্রহের কথাবার্তা হচ্ছে।তাহলে পাপ্পু ভাইয়ের জন্য সি এস এম কিছু করতে পারবে না বা করবে না,এটা নিতান্তই ভূল ধারণা বলে আমার মনে হয়।আমাদের পেইজে ৬৫০+ সদস্য।আমরা অনেক কিছুই করতে পারি।বিগত একবছরের কর্মকান্ডই তার প্রমাণ।আমাদের মধ্যে অার্থিকভাবে স্বচ্ছল অনেক স্টীলার ভাইবোনেরা আছেন।আমরা সবাই মিলে পাপ্পু ভাইয়ের জন্য কি কিছু একটা করতে পারি না???
এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন উনার ব্যাচ ম্যাটরা।যেমনটা আমরা দেখেছি তারেক ভাইয়ের ব্যাপারে ৯৪ ব্যাচের ভূমিকা।কিংবা প্রবাসে ও (আমেরিকা) আমাদের অনেক স্টীলার আছেন,একরাম ভাই ও চাইলে একটা ফান্ড পাপ্পু ভাই সহ অন্যদের জন্য করতে পারেন।আসলে আমাদের সকলের সম্মিলিত চেষ্টাই সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারেন আমাদের প্রিয় তারেক ভাই,পাপ্পু ভাই কিংবা চন্দন চাচী। আশা করি আমাদের শ্রদ্ধেয় বড় ভাইয়েরা (যারা অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন) বিষয়টি ভেবে দেখবেন।

(বিঃদ্রঃআশা করি এই পোষ্টটি পেইজে কোন বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।এবং যদি এডমিন মনে করেন পোষ্টটি অপ্রসাংগিক/অপ্রয়োজনীয়, তবে এডমিন উনার ক্ষমতাবলে পোষ্টটি ডিলেট করার ক্ষমতা রাখেন।এবং এ ব্যাপারে আমার কোন আপত্তি থাকবে না)

Saturday, June 25, 2016

গ্রান্ড আড্ডার পর থেকে আবার একটা মিলন মেলার সুযোগ খুজছিলাম


গ্রান্ড আড্ডার পর থেকে আবার একটা মিলন মেলার সুযোগ খুজছিলাম।ছোট ছোট আড্ডা দিয়ে প্রান ভরছিল না। কোথায় যেন বারবার অতৃপ্তি থেকেই যাচ্ছিল। ইফতার পার্টি বা ইফতার মাহফিল সেই অতৃপ্তিকে অনেকখানি পুরন করে দিল। ঢাকা, চট্টগ্রাম,চাদপুর একই সাথে ইফতার আয়োজন, স্টীলারদের প্রাণবন্ত উপস্হিতি আবার বিশ্বাস তৈরী করে দিল আমরা যত দূরেই থাকিনা কেন, আমাদের আছে আত্মার এক সুদৃঢ় বন্ধন। আমরা চাইলেও আলাদা হতে বা থাকতে পারবো না। ফিরে আসতেই হবে সি এস এম নীড়ে। ইফতার আয়োজন নিয়ে যখন কাজ করছিলাম তখন প্রতিদিন সবার কাছ থেকে তথ্য পাচ্ছিলাম, অনুমান করতে পারছিলাম আবার মিলন মেলা হবে।হলোও তাই। ধন্যবাদ সি এস এম কলোনীর সকল মেম্বারদের। আজ আরেকবার ধন্যবাদ জানাতে চাই সেই সকল বড়ভাই, বন্ধু,ছোটভাইদের যাদের সকল প্রকার সহযোগীতার মাধ্যমে আমাদের ইফতার আয়োজনের সফলতা। আরও একবার ধন্যবাদ জানাই সেই স্টীলারদের কারন যেকোন সহযোগীতায় তারা কখনো না বলেনী। আমার মনে হয় সি এস এম ব্যাপারে তারা না বলতে শিখেনি। আজ সবার কাছে নুতন করে বলতে ইচ্ছে করছেঃ এভাবেই একসাথে থাকবো, যতদিন বাচবো।সারা বাংলাদেশের সকল স্টীলারদের এই বন্ধন অটুট থাক, এই মোর কামনা।

ছোট ভাই Jahed Tipu র টিপুর পোষ্ট এর পর থেকেই চিন্তা ভাবনা শুরু


ছোট ভাই Jahed Tipu র টিপুর পোষ্ট এর পর থেকেই চিন্তা ভাবনা শুরু। ভেবেছিলাম ছোট্ট পরিসরে একটি ইফতার আড্ডার আয়োজন করবো। কিন্তু Mahmudur Rashid Pulak এর পোষ্ট এর পরে সবার রেসপন্স দেখে আরো বড় করা যায় কিনা এটা নিয়ে বড় ভাই Jashim Uddin ভাইয়ের সাথে কথা বললাম, আরো বড় করার বিষয়ে উনিও মত দিলেন। বড় আয়োজনের ক্ষেত্রে টাকা একটা বড় ব্যাপার। আমাদের সবসময়ের শুভাকাঙ্ক্ষী বড়ভাই Drmozammel Hoque ভাই,Ziaul Hasan ভাই, Masuk Elahi ভাই, বন্ধু Mainuddin Ahmed Siddique Titu এবংছোট ভাই Shahabuddin Liton এর সাথে কথা বললাম। তারা আশ্বস্ত করলেন। হোটেল বুকিং দিয়েছিলাম ৫০ জন দিয়ে, এরপর বাড়তে বাড়তে সেই সংখ্যা ১৩০ এ নিয়ে গেলাম। ইফতারের আগে আমাকে অবাক করে দিয়ে উপস্থিতি সংখ্যা ১৬৫ ছাড়িয়েছে। হোটেল কতৃপক্ষের আন্তরিকতা এবং আমাদের স্টিলারদের ভালোবাসায় ইফতারি সময়ে কোন সমস্যাই মনে হয় নাই। এই ধরনের অনুষ্ঠানে ভালোবাসার এত ছড়াছড়ি থাকেযে ছোটখাটো সমস্যাকে সমস্যাই মনে হয়না। ২৯ জানুয়ারি সারাদিন অনুষ্ঠানে থাকা সত্ত্বেও অনেকের সাথে দেখা না হওয়ায় আক্ষেপ ছিল। কিন্তু গতকাল ইফতার অনুষ্ঠানে প্রায় প্রত্যেকের সাথেই কথা হয়েছে। ভীষন ভালোলাগার অনুষ্ঠানে এত স্টিলারের উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। সবার নিকট অশেষ কৃতজ্ঞতা।

ইচ্ছা শক্তিটাই বড় কথা


ইচ্ছা শক্তিটাই বড় কথা। আমরা তাদের পাশে দাড়াবো কিনা? আমাদের সাধ্যমত। ইচ্ছা করলেই আমরা পারি। আমরা এর আগেও করে দেখিয়েছি। পাপ্পু অনেক দিন যাবত অসুস্থ। পাপ্পু এখন পঙ্গু। দীর্ঘদিন ধরে সে বিছানায়। প্রচুর টাকার দরকার তার চিকিতসার জন্য। এত টাকা হয়তো আমরা যোগার করতে পারবো না। এমনও হতে পারে, পাপ্পু হয়তো কোনোদিন সুস্থ হবেনা। কিন্তু আমরাতো তার পাশে দাড়াতে পারি। কিছুটা হলেও, আমরা তার দিকে সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিতে পারি। আমাদের এই সহযোগিতার বাড়িয়ে দেয়া হাত, পাপ্পু হয়তো একটু হলেও ভালো থাকবে।

চন্দন চাচি। স্বামী সন্তান হারা একজন অসহায় মহিলা। চাচি নিজেও একজন অসুস্থ মানুষ। বহু কস্টে যিনি দিন যাপন করেন। csm কলোনিতে, চাচি অনেককেই গান শিখিয়েছেন। প্রানবন্ত একজন মানুষ ছিলেন। কিন্তু আজ তিনি বড় অসহায়। এই দুনিয়াতে তার অতি আপনজন বলতে কেও নেই। আমরা একটু ইচ্ছা করলেই চাচির পাশে দাড়াতে পারি। আমাদের এই পাশে দাড়ানোতে, চাচি একটু হলেও ভালো থাকবেন।

একজন ভাই ও একজন মা সমতুল্য চাচির কথা বললাম। তারা দুজনেই অসুস্থ। এই দুইজন স্টিলারের পাশে আমরা আমাদের সাধ্যমত দাড়াবো কিনা, সেটা নির্ভর করছে আমাদের ইচ্ছা আর আন্তরিকতার উপর।

অজস্র ধন্যবাদ


গতকাল ১৮ রমজান ঢাকা, চট্টগ্রামে হয়ে গেল সিএসএম কলনী ইফতার পার্টি। নিখাদ আন্তরিকতা, উদ্যোগ-আয়োজন আর বিপুল অংশ গ্রহনের মাধ্যমে উদযাপিত এ ইফতার পার্টিতে সকলের সম্পৃক্ততাই প্রমান করে আমাদের বন্ধনের দৃঢ়তা।

অফিসের ব্যস্ততা সত্তেও অনুষ্ঠানে সপ্রিবারে অংশ গ্রহন করতে পেরে ভালো লাগছে। নাহলে 'কি যেন হারিয়েছি, কি যেন মিস করেছি- এমনতর অতৃপ্তি বয়ে বেড়াতে হোত।

যাহোক এমন সুন্দর অনুষঠান উপহার দেবার জন্য আতিক,রফিক,রেজা,অপু,রিপন সহ সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা সকল অংশ গ্রহনকারী ভাই- বোন,তাদের স্পাউজ,ছেলেমেয়েদের প্রতি।

শেষ করি একটা কবিতার লাইন দিয়ে--
" তুমি নেই, তোমার বন্ধন পড়ে আছে --"
কবি হয়তো তার প্রেয়সী কে নিয়েই লিখেছেন;
আমি এখানে স্টিল মিল কলোনীকেই মিন করছি !!
সবার জন্য শুভকামনা !!!

রোজার আগেই একটি ইফতার পার্টি নিয়ে মাথায় প্ল্যান ঘুরছিল


রোজার আগেই একটি ইফতার পার্টি নিয়ে মাথায় প্ল্যান ঘুরছিল, কয়েকজনের সাথে এটা নিয়ে আলাপও করেছিলাম বোধ হয়। রোজার শুরু থেকেই অফিসের কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় এদিকে আর মন দিতে পারছিলাম না, এর মধ্যে Anisur Rahman Reza Reza] ভাই আর বন্ধু Monirul Islam Monir এর ফোন, দু জনেরই ইফতার পার্টি আয়োজনের ব্যাপারে কথা বলল, আমি তখন পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান হাশেম সাহেবের দৌড়ের উপর আছি। রেজা ভাই আর মনিরুল দু জনকেই সেই "সরকারী " টাইপ উত্তর দিলাম "দেখছি"। এদিকে Abdullah Al Mamun অপু ভাই আছেন বারাক ওবামার দেশে আর Rafiqul Islam ভাই সৌদি সফর শেষ করে চায়না মালয়েশিয়া করছেন। ইফতার পার্টি আয়োজন করতে গেলে এই দুজনের সাথেও বসা দরকার।

অবশেষে গত ১৮ জুন সকালেই আধা ঘন্টার নোটিশে ঢাকার ইফতার পার্টির ভেন্যু, মেন্যু আর তারিখ নির্ধারণ করে পোস্ট দেওয়া হলো। এর আগে ২০০০ ব্যাচ আয়োজিত ইফতার পার্টির উদ্যোক্তা হিসেবে Abu Naser এর অভিজ্ঞতার জন্য রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ এর সাথে যোগাযোগ সহ যাবতীয় কাজের দায়িত্ব দেওয়া হলো এই নাসের কে।

প্রথম দিকে একটু সংশয়ে ছিলাম অংশগ্রহণকারী হয়তো বেশি হবেনা, এটা নিয়ে ভিতরে ভিতরে একটু টেনশন কাজ করছিল। যাহোক আমরা অভিভূত যে প্রায় ১৪০ জন আমাদের এই ইফতার পার্টিতে অংশ নেয়।অংশ গ্রহনকারীদের প্রতি সেজন্য আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বিশেষ করে সুদূর ময়মনসিংহ থেকে বন্ধু Anisur Rahman ওরফে জুয়েল " কাকা" আর নারায়ণগঞ্জ থেকে "জ্যাডা" Rezaul Karim লিটনের উপস্থিতি ছিল সবার জন্য আনন্দদায়ক। জুয়েলের সাথে দীর্ঘ ২২ বছর পর দেখা হলো এই ইফতার পার্টির সৌজন্যে।

গতকাল একসাথে ঢাকা, চিটাগাং ও চাদঁপুরে ইফতার পার্টি হল


গতকাল একসাথে ঢাকা, চিটাগাং ও চাদঁপুরে ইফতার পার্টি হল।সবাই ইফতার নিয়ে দু - তিন লাইন করে লিখলে ভাল হয়। যেমন মামুন ভাই আমেরিকা থেকে এসে ইফতার পার্টিতে যোগদান করেছে।তারপর টিটু কক্সবাজার থেকে এসেছে।বান্দরবান থেকে বর সহ এসেছে রনি, জুয়েল ভাই ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় ইফতারে এসেছে,তাদের এতদিন পর কেমন লেগেছে? অনেকে আড্ডা তে আসতে পারেনি কিন্তু ইফতারে এসেছে তাদের অনুভূতি কেমন, অনেকদিন পর অনেকের সাথে দেখা। কি বলি সবাই কারন এখানে সব আমরা আমরাইতো। 

Friday, June 24, 2016

চিটাগাং, ঢাকা ও চাদঁপুরে ইফতারে এক সাথে সম্পূর্ণ হয়েছে


চিটাগাং, ঢাকা ও চাদঁপুরে ইফতারে এক সাথে সম্পূর্ণ হয়েছে।বিপুল সারা পাওয়া গেছে।যারা ইফতারে এসেছে সবাই কে সিএসএম এর পক্ষ থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।আমাদের এই বন্ধনন সব সময় থাকবে সেই প্রত্যাশা করি।আর যে সব বড় ভাইয়েরা এই ইফতারের আয়োজন করেছে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর অনেক ভাই- বোন অনেক দূরের থেকে ইফতারে যোগদান করেছে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, তারা সিএসএম এর প্রানের টানে এই ইফতারে যোগদান করেছে।

বড় ভাইদের মধ্যে চিটাগাং এ মোজাম্মেল ভাই,জিয়া ভাই, শাহজাহান ভাই,বক্কর ভাই,স্বপন ভাই,জাফর ভাই,শিরিন আপা,মামুন ভাই,তারেক ভাই সহ আরো অনেক বড় ভাইয়েরা আমাদের এই ইফতারে এসেছে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

মামুন ভাই ৮৯ ব্যাচ আমেরিকা থেকে দেশে এসে আমাদের ইফতারে যোগ দিয়েছে,মামুন ভাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সকলের সু- স্বাস্থ্য কামনা করছি ও অগ্রিম ঈদুল ফিতরের অভিনন্দন জানাচ্ছি।

সি এস এম এর ইফতার পারটি তে আগত বড় ভাই,ছোট ভাই ও বোন রা সবাই কে


সি এস এম এর ইফতার পারটি তে আগত বড় ভাই,ছোট ভাই ও বোন রা সবাই কে অন্তরের অন্তর থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ অনেক কস্ট করে দূর দুরানত থেকে এসে সবাই এক সাতে ইফতার করার জন্ন,জানি বা বুউজতে পারিনি আমাদের এই আয়োজন কেমন লেগেছে সবার, কে কি খেল তা কিন্তু কারো কাছে ই বড় কোন বেপার না এইটা ধারনা, কিন্তু সবাই এক সাতে বসে ইফতার খাওয়া কথা বলা,এক জনের সাতে আর এক জনের দেখা হওয়া কেমন অনুভুতি আমার জানার খুব ইচ্ছা, আশা করি যারা আজ ইফতার পাটি তে এসেছিলেন সবাই এখেনে দু কলম লিখে তাদের মনের অজানা কথা টা আমাদের কে জানাবেন তাতে আমরা ধন্য হব। সবিনয়ে অনুরোধ করে বলছি সবাই লাইক দিয়ে চলে গেলে হবে না , অনুভুতি প্রকাশ করবেন, অবশ্যই কম্মেন্টস করবেন।



মোনাজাত এর ভিডিও লিঙ্ক

দুচোখে আজ ঘুম নেই মনের মধ্যে খালি আফসোস লাগতাছে কেমনে সময় চলে গেলো


, আজ ঢাকায়, চিটাগাং, চাদপুর, নোয়াখালি ইফতার পাটি হয়েছে,ইফতারে আগে কয়েক দিন সবার সাথে যোগাযোগ করার পর চিন্তা করতাম সবাই আসবে তো তাই বারবার সবাইকে ফোনে তাগিদ দিতাম,বিকাল ৩.৩০মিনিটে আমি ভেনুতে হাজির তখন কেউ আসে নি ৪টার দিকে ধামরাই থেকে রমজান তার বাবা ছোট বোন আসলো তাদের সাথে আলাপ করতে করতে নাসের কে ফোন দিলাম,নাসের সাথে চলে আসলো এর মাঝে বন্যা আপা তিন কন্য নিয়ে হাজির আছর এর আযান দিলো আমি আর নাসের মসজিদের উদ্যেশ এরই মাঝে আমাগো জুয়েল ওরফে জুয়েল কাক্কু ও রেজা ভাই হাজির জুয়েল সৈই ময়মনসিংহ থেকে হাজির সি এস এম এর টানে,নামাজ পড়ে এসে দেখি অনেকে হাজির আস্তে আস্তে সি এস এম কলোনীবাসি বাড়তাছে,একসময় পুরা হাউজফুল আমাদের সকলের প্রাণের আনন্দে জোয়ার আনার যার সবচেয়ে বেশি অবদান সেই তারিক ও এসে হাজির, সবার সাথে সবার দেখাদেখি কোলাকোলি,সবার মনে মুখে অন্য রকম ভাব, এই করতে করতে ইফতারের সময় ঘনিয়ে আসলো গোছালো ভাবে সবাই ইফতার শেষ করলো, এরই ফাঁকে নামাজ পড়ে নিলাম,আবার আডডা এরই ফাঁকে কখন ৮টা বেজে গেলো টের ও পেলাম না ভেনু থেকে বাসায় আসতে ৩০মিনিট লাগে কোনমতে কয়েক জনকে বলে, বড় ভাই বোন ছোট ভাই বোন দেরকে না বলে চলে আসলাম কিছুটা হেটে কিছুটা রিকসা টারপর লেগুনা করে সোজা বাসায় ওজু করে ঠিক সময়মতো নামাজ পেলাম,এই অল্প সময়ের মধ্যে কলোনীবাসি একসাথে কিছুটা সময় কাটানো আমার কাছে বিরাট কিছু পাওয়ার সমান,দোস্ত জুয়েল রতন বড় আপা টিটু ভাইয়ের বোন উমি আপা, রনি আপা,আরো অনেক কে অনেক অনেক বছর পর দেখে মনটা কেমন উতালা হয়ে উঠলো এর রেশ সহজে কাটবেনা,এই যেমন এখন চোখে ঘুম নেই,এই ইফতার পাটি যারাই আয়োজন করে থাকুক আমার এবং সকল কলোনীর বাসি অন্তর থেকে দোয়া ও ভালোবাসা রইলো,(সরি সকলের কাছে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আস্তে পারি নাই বলে)

I post something day before yesterday


I post something day before yesterday but till now only 7 members like and one member comments on it, but my expectation was 300 like 200 comments on it, even you help or not, it's not acceptable form Great CSM colony members, I am not doing fun here I am crying help for Pappu not for me. 

Pappu is one of our CSM family member and we are neglecting him, shame on us. 

ইফতার মাহফিল


সময় মত সেহেরী খেয়ে ফজরের নামাজটা পড়ে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসছিল না(প্রচন্দ চোখে ঘুম থাকা সত্ত্বেও কারন গতকালও খুবই কম ঘুমিয়েছি)। চোখে শুধুই সিএসএম এর স্মৃতি গুলো ভাসছিল এবং আজ আবার সিএসএম কলোনীর ইফতার মাহফিল বলে কথা তো ঘুমতো আসবেই না যতক্ষণ পর্যন্ত উপস্হিত হতে না পারি(আমার আমিকে চিনিতো)। চিন্তা করছিলাম তিন/চারেক ঘন্টা ঘুমিয়ে দশ বা এগারটার(মাননীয়া সরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলা ছিল দশটার দিকে যেন ডেকে দেয় কিন্তু কি জন্যে! সেটা বলিনি কারন আমি জানি যে, বললে আমাকে ডেকে দিবে না) দিকে রওনা দিব কিন্তু বিধিবাম একবার এপাশ হয় তো আবার অন্য পাশ ঘুম কিছুইতে আসছে না যদিও চোখে ঘুম আছে। পড়লাম মহা যন্ত্রণায়, ঠিক যেন গেলবার গ্রান্ড আড্ডার মত, তখন তো রাতের বারটা বাজেই রওনা দিয়েছিলাম এবং না ঘুমিয়ে সারাদিন আড্ডায় খোশ মেজাজে ছিলাম। তাই বুজলাম, এবারও না ঘুমিয়ে সারাটা দিন কাটাতে হবে।

পুরনো সব স্মৃতি(শৈশব এবং কৈশর) মনে পড়তে পড়তে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সাড়ে পাঁচটা(৫.৩০)। উঠে বসলাম এবং চিন্তা করলাম ঘুম আর আসবে না, এখন রওনা দিলে ঘন্টা সাড়ে তিন ঘন্টার মধ্যে পৌছাব এবং মনে মনে ভাবলাম, পৌছে সেই প্রানের সিএসএম কলোনীর বাজার এবং এর আশপাশ ঘুরব কারন সত্যি কথা বলতে কি সেই ৯৮' সালে যে চলে আসলাম, তারপর প্রায় ১৯ টা বছরে আর কোনদিন ওদিকটাই যাওয়া হয়নি আসলে যাওয়া হয়নি বললে ভুল হবে ইচ্ছে করে যাইনি(বন্দর টিলা পর্যন্ত গেছিলাম) কারন আমার কিছুতেই ভাল লাগবে না এবং খুবই আবেগ আপ্লুত হয়ে যাব(আমার আবার আবেগটা একটু বেশী যা এই মুহুর্তেও মনের ক্যাভাসে কাজ করছে মনে হচ্ছে কেউ আমার ভেতর ঢুকে Shajib Kumer Dey দার মত ড্রামস বাজাচ্ছে)।

আজ একটি সংগঠনের আমন্ত্রণে টানা ১৫ মিনিট আবৃত্তি করতে হবে


আজ একটি সংগঠনের আমন্ত্রণে টানা ১৫ মিনিট আবৃত্তি করতে হবে তিনটি কবিতা।নির্বাচিত তিনটি কবিতার মধ্যে একটি ছিল রবীন্দ্রনাথের মেঘলা দিনে।অনুষ্ঠানের শুরুতে খররৌদ্র।বাদ দিতে হলো মেঘলা দিনে।কিন্তু পড়তে হবে তিনটি কবিতা। টেনশন করি কেন আছে তো স্টীলার কবি ভাই আতিক ভাই।পড়লাম গ্রীষ্মের খরতাপে কবিতাটি।সবাই বললো আপা বই টা একটু দিবেন? তারপর বললাম, উনি মনের আনন্দে লিখেন ।

গত দুদিন ধরে মনের মধ্যে একটা অন্য রকম অনুভূতি অনুভব করছি


গত দুদিন ধরে মনের মধ্যে একটা অন্য রকম অনুভূতি অনুভব করছি যে আর দুদিন পর তো আমাদের সেই সিএসএম এর সব ভাইবোনেরা একসাথে হবো।ঠিক গ্রানড আডডাতে যাওয়ার আগের মত।খুব খুশি লাগছে যা বলে বুঝানো যাবেনা।ছেলের বাবাকে বহু কষটে রাজী করিয়েছি,তার কথা তারাবি পড়তে হবে।এতো দুর থেকে এসে তারাবি কি পাওয়া যাবে।আমি বলেছি বেশি খন বসতে হবেনা।তারপর রাজি হল।একাও আসতে দিবে না।জীবনে ১ম কোনো ইফতার মাহফিলে যাচছি তাও আবার আমার কলোনির ভাইবোনদের সাথে।দোয়া করি সব কিছুযেন সুন্দর ভাবে হয়।সবাই ভাল থাকবেন।।।

Thursday, June 23, 2016

ভাল লাগে স্টিলমিল কলোনী কে


ভাল লাগে স্টিলমিল কলোনী কে, ভাল লাগে কলোনীর সবাই কে, ভাল লাগে তাদের বিভিন্ন আবেদনময়ী আয়োজন কে, মাঝে মাঝে বিভিন্ন কারনে রাগ হয় তারপরও কি অবজ্ঞা যায় কলোনীর আদলে করা এসব আয়োজনকে। 

আশা করি সবাই অংশগ্রহন করবে স্টিল মিল কলোনীর ২৪ তারিখের ইফতার মাহফিলে, অাবারও প্রমান করতে হবে আমাদের দেহ ভিন্ন কিন্তু মন এক।

আগামিকাল আসছো তো সবাই সি এস এম ইফতার পাটি তে


আগামিকাল আসছো তো সবাই সি এস এম ইফতার পাটি তে।আগ্রাবাদ বাদামতলি জামান্স এ, ভুল করে ৭ টায় কেউ আসবে না , ভুল করে হলে ও ৫টার আগে এসে নিজ নিজ আসন গ্রহন করবে, এই প্রত্যাশা রইলো।

২০১৬ সালের এই রমজান আর ইফতার পাটি আর পাবে না, না এলে কি করবেন বুজে দেখেন ।এখন মর্জি বা ইচ্ছা একান্ত আপনার।তোমার, তোর।যে যেভাবে নিবেন।

আমরা ঢাকায় বসবাসরত প্রাক্তন CSM Colony বাসীরা ইফতার পার্টির উসিলায় আগামীকাল একত্রিত হতে যাচ্ছি


আমরা ঢাকায় বসবাসরত প্রাক্তন CSM Colony বাসীরা ইফতার পার্টির উসিলায় আগামীকাল একত্রিত হতে যাচ্ছি। খুব্বি ভালই লাগছে অনেকদিন পর সবাইকে আবার দেখতে পারবো!!!

আমাদের এই মিলনমেলা যেন সুস্ট ও সফল হয় এবং রমজান মাসের ভাব গাম্ভীর্য যেন বজায় থাকে সেই লক্ষে সবাইকে আন্তরিকতার সাথে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ করছি। মনের মধ্যে শুধু একটাই শ্লোগান পুষে রাখবো "আমরা আমরাইতো"।

ক্লাস নাইনে উঠেছি


ক্লাস নাইনে উঠেছি, ইচড়ে পাকা বলতে যা বুঝায় তার সবই হয়ে গেছি, বিড়ি সিগারেট, প্রেম ভালোবাসা, স্কুল পালিয়ে খালপাড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা তাস খেলা কোনটিই বাদ নেই। তাস খেলতে গেলে সিগারেট খাওয়ার ধুম ছিল দেখার মত, দুই হাতে তাস ধরা আর ঠোটের ফাঁকে সিগারেট। 

সেই সময় কালে "হেরোইন" নামক এক নতুন ড্রাগের কথা শুনলাম, উঠতি বয়স তাই নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি আকর্ষণ ছিল।
চিন্তা করলাম একবার টেস্ট করে দেখতে হবে। সেই সুযোগ টা কাজে লাগালো আমাদের এক ক্লাস সিনিয়র এক ছেলে, সেও আমাদের সাথে তাস খেলতো, তার নামটা ঠিক মনে আসছেনা তবে তাকে আমার "দোস" বলে ডাকতাম। সে তাসের আড্ডায় হেরোইন বলে যে সিগারেট টা দিতো সেটা খেতে কেমন যেন ঝাঁঝালো লাগতো। নিজেদের খুব স্মার্ট আর আপডেটেড মনে হলো এটা ভেবে যে আমরা হেরোইনও খাই। এভাবেই দিন যাচ্ছিল। গোমর ফাঁস হলো কিছুদিন পর, ওই দোস নামক ছেলেটি সিগারেটের ফিল্টারে হাল্কা করে টাইগার বাম লাগিয়ে আমাদের কাছে হেরোইন বলে চালাতো। এ জন্য অবশ্য দোসের উপর হাল্কা উত্তম মাধ্যম দিলাম।

তবে সৃষ্টিকর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা যে, অন্তত এই মরননেশা শেষ পর্য্যন্ত আর গ্রাস করতে পারে নাই।

Wednesday, June 22, 2016

সি এস এম এর সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি


সি এস এম এর সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছিঃ বেশ কিছু দিন আগে থেকে জসিম ও পুলকের পোস্ট এর মাধামে জানিয়েছে যে আগামি ২৪ তারিখ আমাদের সি এস এম এর ইফতার পার্টি হবে যারা যারা এতে অংশ গ্রহন করবেন সবাইকে জানানোর জন্য বলা হয়েছে তাতে সবার জন্য ইফতার ও অন্যোন্য কাজ ও আয়োজন করা সুবিদা হবে, তাই অনুরোধ করে বলছি যারা এখনো সুজনের পোস্ট এ জয়েন্ট এ ক্লিক করেন নাই বা লিখেন নাই আসবেন কিনা , তাদের সবিনয়ে বলছি আগামি কাল এর মধ্যে জানান দিবেন।আশা করি সবার সাতে দেখা হবে, আমি বড় ভাইদের কে ওভার ফোনেও বলেছি,ওনারা সবাই আসবেন বলে সমত্তি দিয়েছেন।

রোজার সময় ঘুমের প্রচন্ড ব্যাঘাত ঘটে


রোজার সময় ঘুমের প্রচন্ড ব্যাঘাত ঘটে। প্রতিদিন রাত একটার আগে ঘুমাতে যেতে পারি না। একটা বাজে ঘুমাতে গেলেও সহজে ঘুম আসে না। আবার রাত তিনটায় উঠতে হয় সাহরি খাওয়ার জন্য। সাহরি খাওয়ার পর ঘুমাতে গেলে ঘুম আসেনা। ঘুম আসে ভোর পাঁচটার দিকে। সকালে উঠার জন্য এলার্ম দিয়ে রাখি। তাতেও কোন কাজ হয় না। এলার্ম বাজার পর তা বন্ধ করে দিলে ঘুম আরো বেশি করে চেপে বসে। সকালে অফিসে গিয়ে কমপক্ষে ৩০ মিনিট কারো সাথে কোন কথা বলতে পারি না ঘুমের জন্য। তখন চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করি। বিকালে ২টা/ ৩টা/ ৪টা যখনই সুযোগ পায় বাসায় চলে আসি। বাসায় এসে ঘুমানোর চেষ্টা করি। মাঝে মাঝে ঘুম আসে। তারপরেও সকাল বেলার মত ঘুম আসে না। 

অফিসটা যদি ১১ টা থেকে তিনটা পর্যন্ত করতো!!