Monday, February 22, 2016

আড্ডা চলছে যথারীতি। চলুক আড্ডা। জয় হোক আড্ডার।


এবার, আসলে এবারই না,মানে ডিসেম্বর থেকে শুরু। সিএসেমের মিটিং এ যাবার জন্য ডাকলেন নাজমুল ভাই। খুব ইচ্ছা। কিন্তু কিভাবে যাব। পরিক্ষার খাতা বাসায়,স্কুল খোলা,ছুটি পাওয়া ঝামেলা। কিন্তু মনের অসম্ভব ইচ্ছা সব কিছু সম্ভব করে দেয়। প্রমান পেলাম যখন শুনলাম কলেজের ডিবেট টিম নিয়ে চিটাগাং যেতে হবে। খেয়ে না খেয়ে খাতা শেষ করে গেলাম। দুইটা দিন থাকলাম,একমুহুর্তের জন্য ক্লান্তি অনুভব করিনি এতটাই আনন্দে ছিলাম। ফিরে আবার অপেক্ষা কবে যাব। মাঝে মেয়েদের নিয়ে সিলেট ঘুরে এলাম। জানুয়ারি আসার সাথে সাথেই দিন গোনা শুরু। আড্ডা দিতে যাব। সেই ঘোর আজো কাটেনি। থাকুক সেটা,না কাটুক। পরে ঘুরতে গেলাম বাবার বাড়ি। এ বছরের মত হয়ত উতসব ছাড়া বেড়ানো শেষ। আড্ডা চলছে যথারীতি। চলুক আড্ডা। জয় হোক আড্ডার।

Sunday, February 21, 2016

এই ত সেদিনের কথা


এই ত সেদিনের কথা। ফেসবুকে CSM colony নামে পেজ খুলল।কলোনি র কিছু বড় ভাইয়েরা পুরনো দিনের ছবি শেয়ার করতে লাগলেন।সাথে সাথে ফেলে আসা দিনগুলোর কথা। আস্তে আস্তে সদস্য সংখ্যা বাড়তে লাগল। যোগাযোগ বাড়তে লাগল। তারপর তারিক ভাইয়ের ব্যাপারটা নিয়ে সবার মধ্যে উদ্বেগ যেন সবাইকে আরো কাছাকাছি নিয়ে এল।

এরপর রেজা ভাইয়ের একটি পোস্ট যাতে GRAND ADDA র বীজ বোনা ছিল। তারপর যা হল এগুলো আর নতুন করে বলার কিছু নেই,সবার চোখের সামনেই ঘটেছে। ১৬/১৭ বছর আগে সবাইকে যখন কলোনি ছেড়ে এক এক করে চলে যেতে হয়েছিল তখন কি কেউ ভেবেছিল আবার তারা একসাথে হতে হবে।একসাথে বিজয় দিবসে,শহীদ দিবসে বা GRAND ADDA ড় মত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এক হবে? কিন্তু না,এখন সবাই যেকোন উৎসবে একত্রিত হয়।আনন্দ ভাগাভাগি করে, মনের কথা শেয়ার করে।

আমাদের জীবনে এমন কিছু মানুষ আসে, কোথা থেকে আসে,কেন আসে জানতে পারিনা।তেমনি আমাদের জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে, কেন ঘটে তা জানা হয়না,রহস্য হয়েই থাকে কিন্তু ঘটনাগুলো সত্যি। হয়ত ফেসবুকে CSM COLONY পেজের আগমনের ঘটনা তেমনি একটি ভীষণ সত্যি অথচ রহস্যময় ঘটনা

গত কয়েকঘন্টা কি চমৎকার কাটলো


গত কয়েকঘন্টা কি চমৎকার কাটলো । আত্মার আত্মীয়দের সাথে কাটানো মুহুর্তগুলো ছিল অসাধারন । স্কুল ছাড়ার পর গত ৫বছরে কোন জাতীয় দিবসেই কোথাও ফুল দিতে যাওয়া হয়নি । আজ র‍্যালি করে যেতে যেতে ভীষন ভাল লাগছিল ।

প্রথমে একা একা লাগলেও পরে সবার সাথে কথা বলে সব ঠিক হয়ে গেলো । 

আমি মোটামুটি গুছিয়ে লিখতে পারলেও বলার ক্ষেত্রে তার উলটো। আমাকে যখন আজ কিছু বলতে বলা হল আমি এতই নার্ভাস হয়ে গিয়ে কি যে অগোছালো কথা বার্তা বলেছি নিজেই জানিনা tongue emoticon

অপেক্ষায় রইলাম ২৬শে মার্চে আবারো এভাবে একত্রিত হওয়ার smile emoticon

আমি জানি আজ বারবার প্রয়াত হামিদ স্যারের নাম আসবে


আমি জানি আজ বারবার প্রয়াত হামিদ স্যারের নাম আসবে। ২০ ফেব্রুয়ারি স্যার ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে বলে আসতেন প্রভাত ফেরির কথা। ভোরে যেন সবাই উপস্থিত থাকে। আমরা খালি পায়ে স্কুল মাঠে গিয়ে হাজির হতাম। তখনো আমরা শোক দিবস বুঝিনা, ভাষা আন্দোলন বুঝিনা। আমরা বুঝি ২১ ফেব্রুয়ারি স্কুল বন্ধ থাকে তবে ভোর বেলা স্যারের নির্দেশে খালি পায়ে মাঠে হাজির হতে হয় এবং দুই সারিতে হেঁটে মিলের লৌহ নির্মিত শহীদ বেদিতে ফুল দিতে হয়। স্কুলের পর্ব শেষ করার পর এখন পর্যন্ত আমি আর কখনো শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবসে কোথাও ফুল দিতে যাইনি। কি অদ্ভুত সুন্দর ছিল সেই লোহার শহীদ মিনারটা। 

Saturday, February 20, 2016

তখন খুব সম্ভবত ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিবো, ১৯৯৩ সাল


তখন খুব সম্ভবত ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিবো, ১৯৯৩ সাল, আমরা কয়েকজন মরহুম ইউনুস স্যারের কাছে ইংলিশ প্রাইভেট পড়তাম, ওখানে যতটুকু না পড়তাম তার চেয়ে বেশী দুষ্টুমি করতাম, আর একাজে আমার আরেক সংগী ছিলো বন্ধু Riman Babu, আমাদের দুষ্টামি তে স্যার খুব অতিষ্ঠ ছিলেন। তো একদিক স্যার আমাদের পড়তে বসিয়ে ভিতরের রুমের দিকে গেলেন আর এ সুযোগে আমি আর রিমান আমাদের যত রকম বাঁদরামি আছে সব চালাতে লাগালাম, এমন করতে করতে স্যার যে বিছানায় বসে পড়াতেন তার তোষকের নীচে হাত চলে গেলো, তোষক আলগা করে দেখি তার নীচে একটি বিশ টাকার নোট আর দু প্যাকেট ইন্টেক সোর্ড ব্লেড, আমি আর রিমান দুজনেই ইংগিত পূর্ন হাসি দিয়ে ঐ বিশ টাকা আর ব্লেডের প্যাকেট দুটো সরিয়ে নিয়ে সুবোধ বালকের মত পড়া শেষ করে বাজারে চলে এলাম, সেখানে ব্লেড গুলো ভাই ভাই স্টোরে বিক্রয় করে ১০ টাকা সহ মোট ৩০ টাকা দিয়ে মুন বেকার্সে আমি আর রিমান পেট ভরে নাস্তা করে নিলাম। স্যার কোনদিন ব্যাপার‍টি জানতে পারেন নি। আজ BabuZahid এর হক স্যার কে নিয়ে লেখাটি পড়ে আমার এই কাহিনী টি মনে পড়ল। আজ যদি সুযোগ পেতাম তাহলে স্যারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতাম, আল্লাহ যেনো আমাদের সবার প্রিয় মরহুম ইউনুস স্যারকে বেহেশত নসীব করে। আমীন।

CSM colony সবাইকে দেখি অনেক মজার মজার ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা লিখে


CSM colony সবাইকে দেখি অনেক মজার মজার ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা লিখে ।তেমনি আমার একটা কথা এখন মনে পরছে তখন আম ক্লাস ১০ পরতাম। আমাদের হক স্যার এর কাছে আমি private পরতাম.সকাল ৭ টা থেকে ৮ টা পযন্ত।আমার সাথে আরো পরতো ঝংকার ক্লাবের স্বঘোষিত আজীবন সভাপতি মুসলিম উদ্দিন সিকদার।একদিন সকালে পরতে গেলে মুসলিম আমাকে বলে বাবু স্যারের পকেটে একটা ৫০ টাকা দেখছি চল আমরা নিয়ে ফেলাই।আমি বললাম ঠিক আছে আমরা ৫০ টাকা নেওয়ার পর দুজনে ২৫ করে ভাগ তরে নেই।মাসের শেষে যখন আমি স্যার কে বেতন দিতে গেলাম তখন স্যার আমাকে বলে বাবু তুই এ মাসে বেতন দেবার সময় ৫০ টাকা বেশি আনবি। আমি বললাম কেন স্যার বেতন তো ২০০ টাকা ২৫০ টাকা কেন দিবো। স্যার আমাকে বলে কথা বেশি বলিছ না । মুসলিম আমাকে বলে দিছে তুই ৫০ টাকা মারি দিছচ। তখন আমি স্যার কে বললাম স্যার তাহেল ২৫ টাকা মুসলিম কে আনতে বলেন। কারন ও ২৫ টাকা ভাগ পাইছে।।।আল্লাহ উনাকে জান্নাত নসিব করুক

সময় টা ১৯৯১ এর বন্যার পর পর


সময় টা ১৯৯১ এর বন্যার পর পর।আমি ক্লাস থ্রি তে।আমাদের বাংলা ব্যাকরণ ও রচনা ক্লাস নিতেন টিপু ভাইয়ের মা, নাজমা আপা।আপার ক্লাস ছিল টিফিনের পর।

প্রতিদিন সাধাসিধা ভাবে আপা ক্লাস নিতে আসতেন।হল্লা, চিতকার, চেঁচামেচি এগুলা পছন্দ করতেন না।তাই বলে রেগে থাকতেন তাও নয়।বুঝিয়ে বলতেন।আমাদের ক্লাসে নাজিমও ছিল।ও ছিল খুব শান্ত।ক্লাসে হৈ হূল্লোড় করত না।এজন্য নাজমা ওর একটা নামও দিয়েছিলেন। ক্লাসে বেশি দুষ্টামি বা বাঁদরামি করলে আপা একটা কথা বলতেন প্রায়ই,সেটা হল- "শোন, শুধু লেখাপড়ায় ভাল হলেই হয় না,স্বভাব-চরিত্র এগুলো ভাল হতে হয়।যে ছেলে শুধু ছাত্র হিসেবে ভাল কিন্তু ব্যবহার জানেনা,বেয়াদবি করে তাকে আমি কখনোই ভাল বলিনা। কেউ হয়ত লেখাপড়ায় ভাল নাও হতে পারে কিন্তু যখন তার চরিত্র সন্তোষজনক হয় তখন সবাই তাকে ভাল বলে" তখন আপাকে খুশি করার জন্য পিরিটন সিরাপের মত মাথা ঝাঁকালেও মনে মনে ভাবতাম, পড়া শিখলে সাত খুন মাফ। আদব কায়দা এগুলা বই আর বড়দের ব্যাপার। 

কিন্তু এখন এ সময়ে এসে মনে হয়, নাজমা আপার কথা গুলো যেন পুরো টাই সত্য।পড়াশোনায় ভাল হবার কারণে কারো হয়ত ভাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর ডিগ্রী থাকতে পারে,কিন্তু ভাল ব্যবহার, চরিত্র এগুলোর কাছে ওই ডিগ্রী কে মাঝে মাঝে হার মানতে হয়।

আমি আমাকে নিয়ে চিন্তিত


আমি আমাকে নিয়ে চিন্তিত।কেন জানি মনে হয় আমার উপর আমার নিয়ন্ত্রন নাই।কোন সিদ্বান্ত বাস্তবায়নের আগে অনেক কিছুই ভাবতে থাকি।মাঝে মাঝে মনে হয় তৃতীয় শ্রেনীর এই মেধা নিয়ে আমি পথ চলার সত্যিই অযোগ্য।ছোট বেলায় কয়েক বন্ধু মিলে(বন্ধু হাফিজও ছিলো) একটা ফুটবল ক্লাব করছিলাম বেশ ভালই চলছিল। কিছুদিন পর শুরু হল সমস্যা - বিভিন্ন জনের পছন্দ অপছন্দ গুলো সামনে আসতে শুরু করল।

কারো কারো দাবি এমন উদ্ভট ছিলো যে মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড়।কখন সিদ্বান্ত সিদ্বান্ত নেই ওকে বের করে দিব।আবার মাঝে মাঝে মনে হয় নিজই বের হয়ে যাব।কিন্তু কোনটাই আমাকে দিয়ে হয়না। আমি ছিলাম আবার ঐ ক্লাবের সভাপতি।অথচ আমার বন্ধুদের সিদ্বান্ত কত সহজ ছিল।সহজেই জানিয়ে দিত ও থাকলে আমি থাকবো না বা ও খেললে আমি খেলবোনা।অথচ আমি ভাবতে থাকি কাউকে বাদ দিলে সে কতটুকু অপমান বোধ করবে।শেষমেষ চেষ্টা করি উভয় পক্ষকে বুঝাতে।ফলাফল উভয় পক্ষের কাছে ভিলেন হয়ে যাই আবার কখনও কখনও কেউ কেউ আমাকে ছেড়ে চলে যায়।হায়রে বিধি এমন মেধাই দিলা কারো আপনই হতে পারলাম না।

রাত ৩.৩০ বাজে এখন কোন মতে 2G লাইন পুরাপুরি পাইতাসি


রাত ৩.৩০ বাজে এখন কোন মতে 2G লাইন পুরাপুরি পাইতাসি,3G তো দুরের কথা মোবাইল কোমপানি গুলি ভালোই তামাশা করে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া নাকি তাদের 3Gকভারেজের আওতায়,মাঝে মাঝে কোন মতে লাইক দেয়া যায়,2G যেমন বিকালে চালু করলে ঘুরতে ঘুরতে অনেক সময় রাত হয়ে যায়,ঢাকা চিটাগাং এর মাঝখানে এই করুণ দশা আর পুরা বাংলাদেশে কেমন সেটা এক উপর ওয়ালাই জানে,এই তো শুরু ডিজিটাল যুগ,আবার শুনতাছি 4G চালু হবে তাহলে তো লাইক ও দেওন যাইবো না মনে হয়

Friday, February 19, 2016

"সাময়িক বিদায়"


১৮/০২/২০১৬ বিষ্যুদ বার সারাদিন গুলশান ১ এ অফিসিয়াল মিটিংএ ছিলাম। যেহেতু গুলশান ১ থেকে আতিকের অফিস কাছে তাই বিকালে কাজ শেষ করেই আতিককে ফোন দিলাম। ফোন দিয়ে জানতে পারলাম সে তারিকের ওখানে। আমি বললাম আসতেছি। গুলশান ১ থেকে একটা সিএনজিও পাচ্ছি না মগবাজার যাওয়ার জন্য। ৪০ মিনিট অপেক্ষার পর একটি সিএনজি ড্রাইভারকে রাজি করাতে পারলাম মগবাজার যাওয়ার জন্য। রাজি করিয়ে ছিলাম ও চাইবে তা দিব এই শর্তে। হাসপাতালে গিয়ে দেখি Anisur Rahman Reza ভাই, Ripon Akhtaruzzaman ভাই, Atiq Csm, Monowar Dalim Dalim, মিল্টন এবং লেনা পরিবার সহ সবাই আছে। তার মধ্যে রেজা ভাই আর রিপন ভাই তারিকের কেবিনের বিল, আর রিলিজ অর্ডার নিয়ে ব্যস্ত। 

কলোনি থেকে যেদিন আমরা চলে আসি,সেদিন আমার কাছে ছিল,"ওঠ ছেড়ি তোর বিয়া"র মত


কলোনি থেকে যেদিন আমরা চলে আসি,সেদিন আমার কাছে ছিল," ওঠ ছেড়ি তোর বিয়া"র মত।সবকিছু গোছগাছ করে নতুন জায়গার জন্য নিয়ে যাওয়া।কোন কিছু ফেলে যাওয়া যাবেনা।এগুলো করতে করতে নিজের স্কুলের শ্রদ্ধেয় স্যার,আপা আর সহপাঠী এবং বন্ধু কারো সাথে দেখা করার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তাড়াহুড়ো করে কিছু জিনিস ট্যাক্সি করে নিয়ে নতুন জায়গায় চলে এলাম।

ছোটবেলা থেকে যেসব মানুষকে দেখে আসছিলাম,তাদের অনেকে চলে গিয়েছিল।পুরনো বলতে শুধু রিপা আপারা।শুনেছি আম্মারা চলে আসার সময় রিপা আপার আম্মা এমনভাবে কেঁদেছিলেন যে অন্যদের চোখেও পানি চলে এসেছিল।ভাগ্য ভাল যে আমি আগেই চলে এসেছিলাম,নাহলে আমিও কেঁদে ফেলতাম খালাম্মার কান্না দেখে।আর কাঁদলে আমাকে আরো খারাপ দেখায়।নিজেকে খারাপ দেখতে কার ভাল লাগে।

আমি রেজা ভাই কে যতদিন ধরে চিনি তার চেয়ে বেশি দিন ধরে চিনি খানসুর চাচা কে


আমি রেজা ভাই কে যতদিন ধরে চিনি তার চেয়ে বেশি দিন ধরে চিনি খানসুর চাচা কে। সেই ৯৫/৯৬ সাল থেকে। নাহ! চাচার সাথে কখনও দেখা হয়নি, আলাপ হয়নি। চাচা কে চিনি "ইস্পাত শিখা" তে লেখা পড়ে। আমি তখন অনেক ছোট। 

এবার গ্র‍্যান্ড আড্ডার স্মরণিকা "ফেরা"য় চাচার স্মৃতিচারণ পড়ে দেখলাম রূপকথার মত চিটাগাং স্টিল মিলের সোনালী সময়ের প্রতিচ্ছবি।

এরপর "ইস্পাত শিখা"য় দেওয়া লেখাটা খুঁজে বের করলাম। কম্পিউটার নিয়ে শিশু কিশোরদের জন্যে সেই ৯৫/৯৬ এ লেখা। যা কম্পিউটার জগতের এত পরিবর্তনের পর ও এ সময়ের উপযোগী। 

২৯ জানুয়ারি রেজা ভাইয়ের সাথে প্রথম কথা হয়। চিটাগাং স্টিল মিল আর কলোনি নিয়ে ভাইয়ার আবেগ আমাকে স্পর্শ করেছে। 

খানসুর চাচার লেখায় বুঝলাম আবেগের উৎস টা কোথায় গেঁথে আছে। চাচা সোনালী সময় দেখেছেন আমি এর প্রায় শেষ হয়ে বিবর্ণ হয়ে যাওয়া টা দেখেছি, এটা একটা ঐতিহ্যের পরম্পরা, একটা বিন্দুর চারদিকে বৃত্তের পরিধির মত, আমরা সবাই একটা নক্ষত্র কে কেন্দ্র করে ঘুরছি। এখানে আমাদের সবার ই একটা অবস্থান আছে।

কেউ নিজের জায়গা ছেড়ে দিলে প্যাটার্ন টা খারাপ হয়ে যায়, ওই শূন্যস্থান অন্য কিছু দিয়ে পূরণ করা যায় না।

"মায়া" অদ্ভুদ এক জিনিস


"মায়া" অদ্ভুদ এক জিনিস। ঠিক কোন জায়গায়টায় যে এর বসবাস!!!!! গত ৭/৮ মাসে কত কিছুই না হয়ে গেলো!! পুরানো বন্ধন গুলি, যা এখানে/সেখানে, এমন কি বহুদুর পর্যন্ত ছড়িয়ে/ছিটিয়ে ছিলো, কি এক মায়াবি টানে এক যায়গায় জড়ো হলো। মাঝে/মাঝে ভাবি এর শেষ কোথায়?

কিন্তু মন বলে এর শেষ নাই। এখানে কোন সার্থ নাই। নাই টাকা পয়সার লোভ/লালসা। ব্যাবসা/বানিজ্য নাই। নাই কোন, "মানি ম্যান" দের বাহাদুরি। আছে নিখাধ ভালোবাসা। ঝগড়া/রাগ/অভিমান এই মানবীয় গুনগুলিও আছে। আছে বলেই আমরা মানুষ।

আমাকে এই পেজের একজন সিনিয়র হিসাবে অনেকেই জিজ্ঞাসা করে, এর পর কি??? যে যায়গাটি তে এত "কোয়ালিটির" পদচারণা, সেখানে তারপর নিয়ে ভাবনার কিছু নাই। চলুক না এভাবেই, সব কিছু মিলিয়ে, যে ভাবে চলছে এখন। সময় সব কিছু ঠিক করে দিবে।

ঐ যে, প্রথমেই বললাম "মায়া"। "পুরাতন বন্ধন"। "তুমি মায়া ফেলে চলে যাবে, কিন্তু মায়া যে তোমার পিছু ছাড়বেনা"।
এই মায়াটা বড় অদ্ভুদ জিনিষ। কোথায় যে এর বসবাস!!!!!!!।

বন্ধুত্বতা সমাচার


ভোরে মোবাইলে কল করে রেজা ভাইকে জানিয়ে দিতে চাইছিলাম জয়দেবপুর স্টেশনে যেন যেয়ে ক্ষনিকের জন্য হলেও তারিকের সাথে দেখা করে। মোবাইল যখন বন্ধ পেলাম তখন আমরা ভাবলাম ছোট্ট মা সারাফ'কে বুকে জড়িয়ে ধরে ঘুমের মাধ্যমে ছুটিটা বেশ উপভোগ করছেন। কিন্তু গতকাল রাতে রেজা ভাই জয়দেবপুর চলে যাওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ কারনে তিনি রাতে ঢাকায় রয়ে গেলেন, তারিকের সাথে অন্তত জয়দেবপুর যাবে বলে।। স্টেশনে রেজা ভাইকে ভবঘুরের মত আমাদেরকে খুজতে দেখে আমরাতো রীতিমত সারপ্রাইজড।

আরেকটা মজার কান্ড:
ট্রেন ছাড়লো ৮:২৫ মি:। রেজা ভাই ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে যেই না রিপন ভাইকে বললেন "তুই চল আমাদের সাথে। তোকে জয়দেবপুরের চা পরাটা খাইয়ে ফিরতি ট্রেনে ঢাকা পাঠিয়ে দিব।" যেই না বলা হলো আর রিপন ভাই সাথে সাথে কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই স্লোলি চলতে থাকা ট্রেনে লাফিয়ে উঠলেন।বন্ধুত্বের এমন গভীরতায় আমরা সবাই মুগ্ধ, যেমনটা মুগ্ধ হয়েছি গত পরশু ডালিম আর মিল্টনকে দেখে। ওরা বাচপান (ন্যাংটু কালের বন্ধু) কালের বন্ধু তারিককে বিদায় দিতে এসে মেডিকেলেই কাটিয়েছি রাত।।

মিষ্টি হতে সাবধান !!


মাননীয়,
এডমিন স্যার,
( বড় মিয়া )
সি.এস.এম কলোনী ,
সারা বিশ্ব !!

বিষয়:- মিষ্টি হতে সাবধান !!

জনাব, নিবেদন এই যে আমি সি.এস.এম কলোনীর এক অতি ক্ষুদ্র একজন সদস্য । আপনার কাজ থেকে ছুটি নিয়া বাড়ী যাইতেছি । আপনি আমাকে ছুটি দিয়েছেন ,এই কথা শুনিয়া কেউ একজন ফাল মারিয়া উঠে এবং আপনার কাছে মিষ্টি নিয়া দৌড়াইতেছে । আমি জানি আপনার শরীরটা এতো ভাল না , ডাক্তার আপনাকে মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছে । মিষ্টি নিয়ে নিরব ষড়যন্ত্র হতে পারে ।
অতএব, মহাদয় আপনার স্বাস্হ্য ও শরীরের দিকে তাকাইয়া উত্ত্ বিষয় নিয়ে বালিশের উপর মাথা পালাইয়া চিন্তা করার জন্যে অনুরোধ করতেছি ।

নিবেদন,
সেই আমি 
সি.এস.এম কলোণীর অতি ক্ষুদ্র সদস্য !!
সারা বিশ্ব !!!

Thursday, February 18, 2016

গাড়ি ভরা বেলী আর কাঁঠালচাঁপা

- Javed

সকালে অফিস যাবার তাড়া থাকে
তড়িঘড়ি বড় রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াই।
আমার অফিস পথে যায়
এমন কোন গাড়িতে উঠে পড়ি সটান।
সারাদিনের কর্মক্লান্তি শেষে
আবারো সেই বড় রাস্তা।
এবার আমাকে একটু সতর্ক হতে হয়,
কৌসুলি হতে হয় খুব।
চাতকের মত তাকিয়ে থাকতে হয়
সঠিক গাড়ির খোঁজে।

কালো মানিক-পেলে সম


কলোনীর-‘‘কালো মানিক-পেলে সম”-কলোনীর কিংবদ্বন্তী ফুটবলার-আনোয়ার ভাই আর নেই উনি গতকাল না ফেরার দেশে চলে গেছেন। 

জন্মিলে মরিতে হেইবে-ইহাই প্রকৃতির স্বভাবিক নিয়ম। কিন্ত অসমায়ে অস্বভাবিক মৃত্যুগুলিকে মেনে নিতে কষ্ট হয়।

ভাবতে অবাক লাগে কেমন করে কলোনী ছাড়ার-পনের বছর কেটেগেল। এখনও মনে হয় এইতো সেই দিন-আনোয়ার ভাই বড় মাঠে বল নিয়ে মাঠের এপাশ থেকে ওপাশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অনেক সৌখিন ফুটবলার ছিলেন তিনি। সংসারের কয়েক বোনের একমাত্র ভাই হিসাবে এত আদরে বেড়ে উঠার সৌভাগ্য আমাদের কলোনীর হয়ত হাতে গোনা কয়েকজনের ভাগ্যে জুটেছিল। কলোনীতে থাকাকালীন কোন দিন কোন দুঃখ তাকে স্পর্শ করেছে কি না আমার জানা নাই। 

Wednesday, February 17, 2016

বুকের বাম পাশে হাল্কা চিনচিনে ব্যাথা


বুকের বাম পাশে হাল্কা চিনচিনে ব্যাথা। অনেক পুরাতন বন্ধু, অনেক কথা। কিন্তু আজকে তার সাফল্যে আমার কেন এমন লাগছে? এটাই মানব চরিত্র, হুমায়ুন আহমেদ এর মতে “বায়বীয়” আর অনেকের মতে “জলীয়” চরিত্র। আমরা কেউই এর উর্ধে নই। অকপটে স্বীকার হয়ত করা কঠিন কিন্তু বাস্তবে আমরা সবাই বায়বীয় কিংবা জলীয় চরিত্র ধারন করি।

খুব ছোট বেলা থেকে আমরা কিছু চুরি হলে চোর খুঁজি, যখন আমি পুলিশ তখন তীর সবার দিকেই আমি ছুঁড়তে পারি! তাতে আমার হারানো জিনিস ফেরত না আসলেও আমার সম্পর্ক গুলো হারাতে থাকে। কোন অদ্ভুত কারনে বুকের সেই ব্যাথা তখন আর কাজ করে না। আমরা পারি না রুপের এই বদলকে নিয়ন্ত্রণ করতে।

Tuesday, February 16, 2016

কিছু কথা .....


মেডিকেল থেকে মেডিকেলে ৪ মাস...
কালকে মেডিকেলে বসবাসের হিসেবে তারিকের পুরোপুরি ৪ মাস হবে। সামান্য কিছুদিনের জন্য ১৯ তারিখ শুক্রবার তারিককে নাটোরে ওর বাড়ীতে পাঠানো হচ্ছে, কেন সেটা রেজা ভাই আগেই পোস্ট করে ডিটেইলস জানিয়েছে। তারিককে কয়েকমাস পর আবার টিটমেন্টের জন্য নিয়ে আসা হবে।।

এখন আল্লাহর কাছে আমাদের সবার কেবল একটাই চাওয়া আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে বিশেষ করে সিএসএম এর পাপ্পু ভাই আর তারিককে সুস্থ করে দেন। পাপ্পু ভাইও বেশ কিছু বছর অসহায়ত্ব বরণ করে জীবনের সাথে লড়াই করছেন। আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে সুস্থ রেখো। আমিন।।।

CSM কলোনি তে অনেকের বাসার সামনে মুরগির ঘর ছিল


CSM কলোনি তে অনেকের বাসার সামনে মুরগির ঘর ছিল। যেমন ছিল জুহি আর আমিরদের বাসার সামনে।জুহিরা থাকত দোতলায় আর আমির রা তিনতলায়। জুহিরা তিন বোন- মাহি,সুহি আর জুহি।আমির রা তিন ভাই- পামির, নামির আর আমির। ছোটবেলা থেকে একসাথে খেলত আমির জুহি।

আমিরদের মুরগি গুলা দেখাশোনা করত আমিরের মেজ ভাই নামির আর জুহিদের গুলো জুহির মেজ বোন সুহি।একদিন সন্ধ্যাবেলা জুহিদের লাল মুরগি টা পাওয়া যাচ্ছে না। সুহি বলল, নামির ভাই, দেখেন ত আমাদের লাল মুরগী টা আপনাদের খোয়াড়ে গেছে কিনা।নামির বলল, আমি একটা একটা করে মুরগি দেখছি।তোমাদের মুরগি নাই।এই টেনশনে সুহির সারারাত ঘুম হল না, মুরগি কই গেল।এত বড় কলোনি তে সে কোথায় খুজবে।

গ্র্যান্ড আড্ডা হিসাব বিবরণী


গ্র্যান্ড আড্ডা হিসাব বিবরণীঃ
----------------------------
সি এস এম গ্র্যান্ড আড্ডা ২৯শে জানুয়ারী ২০১৬ এর খরচের হিসাব বিবরণীঃ-
সি.এস.এম জরুরী আবাসিক কলোনীর ভাই বোনেরা আসসালামু-আলাইকুম,সবাইকে শুভেচ্ছা।আমরা সি এস এম জরুরী আবাসিক কলোনীর ভাই বোনেরা সকলে ২৯শে জানুয়ারী ২০১৬ সনে শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে একত্রিত হয়ে সকাল ৮:০০ ঘটিকা থেকে রাত ১০ঘটিকা পর্যন্ত প্রানের মেলায় একত্রিত হয়েছিলাম।সেখানে আমাদের বাবা-মা ভাইবোনেরা সবাই একত্রিত হয়েছিলাম।বহুদিনপর একে অপরের সাথে দেখা হওয়ায় এক অন্য রকমের পরিবেশ এর সৃষ্টি হয়েছে যা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা।এই ধরনের অনুষ্ঠানে অনেককিছু ভুল ভ্রান্তি হতে পারে।কিন্তু আমরা যখন দেখি ২০বছর পর আমার পরিবারের সাথে আমার পাশের বাসার খালাম্মা কাকার দেখা হয়েছে তখন আর এই সমস্ত ভুল ভ্রান্তি একেবারে নগন্য মনে হয়।তারপরও যদি কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।বহুক্ষনধরে ঘ্যান ঘ্যান করলাম,এবার হিসেবটি দেওয়া যেতে পারে।
নিন্মে বিস্তারিত হিসেব দেওয়া হইলোঃ-
আয়ঃ
----
১)কুপন বাবদ------- ৩,৮১,৫০০/-
২)ডোনেশান বাবদ---৫,১৭,০০০/-
মোট আয়ঃ---------- ৮,৯৮,৫০০/-
--------------------------------------
ব্যায়ঃ
-----
১)আপ্যায়ন------------- ৩,৮০,০০০/-
২)সাংস্কৃতিক------------- ৬০,০০০/-
৩)অভ্যর্থনা------------ ৭০,০০০/-
৪)ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট----২,২৫,০০০/-
৫)খেলাধুলা-------------- ১০,০০০/-
৬)ভেন্যু------------------ ৪০,০০০/-
৭)ব্লাড গ্রুপিং------------ ৪,০০০/-
৮)মিলাদ---------------- ৮,৭০০/-
৯)বিবিধ--------------- ১৪,৩০০/-
মোট ব্যায়ঃ ------------৮,১২,০০০/-
---------------------------------------
মোট আয়-----৮,৯৮,৫০০ টাকা
মোট ব্যায়----৮,১২,০০০ টাকা 
---------------------------------
জমা আছে----৮৬,৫০০ টাকা

'পরিচিতি'


আড্ডার রেশ এখনও কাটেনি তাই আবারো লিখতে বসলাম।কলোনিতে আমরা সবাই একসাথে বেড়ে উঠেছি। কিন্তু সবাই সবাইকে চিনিনা আবার মুখ চেনা চিনি কিন্তু নাম জানিনা। এমন ও আছে একজন আরেক জনকে চিনতাম কিন্তু কখনও কথা হয়নি। এই CSM গ্রুপে এসে সবাই সবার এতটাই আপন হয়ে গেছে যে আগে যাদের সাথে ভয়ে বা লজ্জায় কখনও কথা হয়নি সবাই একটা মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গেছে। ছোট বড় সবার মধ্যে সম্পর্কটা আরো গভীর হয়েছে।

এবার আসল কথায় আসি আমি ভাবতাম গ্রুপের যখন আছি আমার প্রোফাইল পিকও যখন দেয়া আছে সবাই আমাকে চিনে। কিন্তু আড্ডায় গিয়ে আমার ধারণা ভুল প্রমানিত হলো। সবাইকে যতক্ষননা আমার পুরো নাম বলেছি কেউ চিনতে পারছিলনা। তবে সবাই বললে ভুল হবে এমন কয়েকজন আছে যাদের সাথে জীবনে কখনও কথা হয়নি হয়তো শুধু আত্মার টানে চিনতে পেরেছিল। গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথেই দেখা হলো Nazmul Huda আংকেলের সাথে। অনেক বছর পর দেখা। আমি সালাম দিলাম। আংকেল সুন্দর একটা হাসি দিয়ে বললো রনি কেমন আছ? যাও ভিতরে সবাই আছে। মনটাতো সবাইকে দেখার জন্য আগে থেকেই অস্থির হয়ে আছে। যত সামনে যাচ্ছি কলোনির সেই পরিচিত মুখ গুলো। ভীষণ ভালো লাগছিল। Anisur Rahman Reza আংকেলের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে সালাম দিয়ে বললাম আংকেল কেমন আছেন? আমাকে চিনতে পেরেছেন? আংকেল মাথায় হাত রেখে বললো আংকেল যখন ডাকছোছ তাহলে তুই আমাদের রনি। মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। Chand Sultana বুবুতো দেখা মাত্র রনি তোরে হিডা দেওন লাগবো এতো দেরি করি কিল্লাই আইসত বলে জরিয়ে ধরলো। এইনা হলে আমাদের বুবু। একেই বলে CSM এর টান আত্মার টান। Atiq Csm আংকেল কলোনিতে দেখেছি কিন্তু কখনও কথা হয়নি। সাহস করে ওনার কাছে গেলাম। সালাম দিলাম। 

পেনসিলে আঁকা পরী (একটি নির্লজ্জ ব্যক্তিগত কথাকাব্য)



যদিও ভ্যালেন্টাইন চলে গেছে। তবু কিছুটা রেশ তো থেকেই যায়। আজ মনে হচ্ছে এতো বছর পর পরীর কথা একটু বলাই যায়। পরীকে নিয়ে দুটি কবিতা লিখেছিলাম "পেনসিলে আঁকা পরী" নামেই। । সেই ২০০৮ সালের কথা। আমি পাড় বেকার। পুরো পরিবার ঢাকায় চলে এসেছি। আমার জন্য বীভৎস সময় সেটা। বন্ধুবান্ধব সব চট্টগ্রামে ফেলে এসেছি। ঢাকায় আমার অস্থির সময় কাটছে। কিছুই ভালো লাগেনা। ইন্টারনেটের কল্যানে কিছু বন্ধু ছিলো ঢাকায়, তাদের সাথে যোগাযোগ করলাম। ধীরে ধীরে অল্পস্বল্প আড্ডাবাজি শুরু হলো। চপল, শার্লি, রনি এই তিনজনের সাথে দিনের পর আড্ডা দিয়েছি টিএসসিতে। কারো পকেটেই টাকা থাকতো না। সবাই বেকার। বাস ভাড়া থাকলেই আমি আর চিন্তা করতাম না, আড্ডায় ছুটতাম। চপল তখন এমবিএ শেষ করেছে, চাকরি খুঁজছে। শার্লি শরিয়তপুরের মেয়ে, ঢাকায় একা থাকে। রনি পড়ে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে কেমিস্ট্রি নিয়ে। 

কথোপকথন

Monday, February 15, 2016

চিটাগাংয়ের স্টীলাররা এতই বেশী প্রোগ্রামমুখী আর খাওয়াখাওয়ী মুখী


চিটাগাংয়ের স্টীলাররা এতই বেশী প্রোগ্রামমুখী আর খাওয়াখাওয়ী মুখী মাঝে মধ্যে ভাবি অফিস থেকে ট্রান্সফার লেটার নিয়ে বৌ-পোলাপাইনসহ চিটাগাংয়ে ঘাঁটি গারবো কিনা!!!

তাইলে অমুকের জন্মদিন, তমুকের বিবাহ বার্ষিকী, অমুকের মেজবানী, তমুকের সাদি মোবারক ইত্যাদি প্রোগ্রামে এটেন্ড করতে পারতাম।

এই মুহুর্তে পুলকের বার্থডে সেলেব্রেশনটা মিস করছি। এর আগে মিস করেছি সুজনেরটা। তার আগে কমু ভাইসহ সবার সাথে মেজবানী খাওয়া। আহারে কেবল খাওয়া আর খাওয়া।

আরো আছে ১৬ ডিসেম্বরে কিংবা ২১ ফেব্রুয়ারীতে শহীদ মিনারে ফুল দেয়া। সবইতো মিসিং এর খাতায় যুক্ত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশী মিস করছি চিটাগাংয়ে থাকা (চিটাগাংয়ের বাহিরে যারা আছে তাদেরকেও) আমাদের সব স্টীলার ভাই-বোনদের যাদেরকে মন ভরে দেখেছি, কোলাকুলি করেছি প্রানের সাথে প্রান মিলিয়ে আর হৃদ্ধতা বাড়িয়েছি ২৯ জানুয়ারীতে প্রায় দেড় যুগ পরে।

স্টীলাররা যে যেখানে যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন সবাই সবসময় ভাল থাকুক, সুস্থ থাকুক।।।।

তারিকের ফান্ড & বর্তমান অবস্থা


তারিকের ফান্ডঃ- চিটাগাং-- 3,21000Taka.
                       ঢাকা-- 1,67,400Taka.
---------------------------------
                      Total --- 4,88,400Tak.
খরচ--
১. তারিকের আসার খরচ - ১০০০০টা।
২.পপুলার হাস্পাতাল--৭২০০০টা।
৩. টেস্ট -৪০০০টা।
৪. জুতা-৬০০০টা।
৫.ডিভাইস সু----------- ৪০০০টা
৬. ই,এস,টি--------৫০০০টা
৭. Ambulance ----১৫০০টা
৮. ঢাকা মেডিকেল --১০৩০০০টা।(কবিন, ঔষধ, টেস্ট, থেরাপ,খাবার)।
৯. মগবাজার কমিউনিটি এখন পর্যন্ত- ৬২,৫০০টা।
১০. তারিক --৩০,০০০টাকা (তারিকের খরচ)। 
------------------------------------------------------------ মোট খরচ---২,৯৮,০০০টাকা।
মোট ফান্ড---৪,৮৮,৪০০টাকা।
বর্তমান জমা আছে--- ১,৯০,৪০০টাকা। 
ঢাকায় আছে- ১,৬৯,৪০০টাকা।
চিটাগাং আছে-- ২১০০০টাকা।

কলোনীতে আমি আসি ৮৭ সালে


কলোনীতে আমি আসি ৮৭ সালে, আর বের হয়ে যাই (বের হয়ে যাই না বলে বলা উচিৎ আমাদের বের করে দেওয়া হয়) ২০০০ সালে, অর্থাৎ মোট তেরো বছর ছিলাম। এই তেরোটি বছর ছিলো আমার জীবনের সুবর্ন সময়।

সাধারনত একটি নতুন স্থানে এলে সংগী সাথী যোগাড়ে সমস্যা হয়,কিন্তু ৮১ সাল থেকেই কলোনীর ভিতরের স্কুলে পড়ার কারনে কলোনীতে নতুন এসে বন্ধুত্ব করতে সমস্যা হয়নি আস্তে আস্তে বন্ধু বাড়তে লাগলো (বান্ধবীও বোধ হয় জুটেছিলো)। ক্লাস মেট বন্ধু তো ছিলোই সাথে আরও বাড়তে লাগলো জুনিয়র সিনিয়র বন্ধু, এদের আমরা বড় ভাই বা ছোট ভাই পরিচয় দিতাম।

১৯৯৯ সালের ৯ ই সেপ্টেম্বর


বলেছিলাম এই পেজে সক্রিয় থাকব তাই মাঝে মাঝে লিখা...কিন্তু তারপরও পারি না... দুঃখিত!! কারন আমি আসলে সময়ের সাথে পেরে উঠি না...। আর ও কিছু কারন আছে, বলব তবে এখন না......সময় হোক তখন বলব পরিবেশ পরিস্তিতি বুঝে।

১৯৯৯ সালের ৯ ই সেপ্টেম্বর এই তারিখটা আমার পরিবারে অন্য কারও মনে আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে কিন্তু আমার খুব মনে আছে যেদিন একটা বড় ট্রাক এসেছিল আমাদের কফিনে করে বেধে কলোনি থেকে ছুড়ে ফেলার জন্য, অন্য আর দশটা পরিবারের মত...। আমার সব বন্ধুই এসেছিল সেইদিন কিন্তু তারপর ও একা একা লাগছিল... কিন্তু এমনটি তার আগের দিন ও লাগে নাই... আসলে মোটেও প্রস্তুতি ছিলাম না...এমন একটা দিন মেনে নিতে হবে...আর সেই দিনটাই এখন জীবনে পরিনত হয়ে গেছে...... অর্থাৎ সারা জীবনের জন্য সব হারিয়ে ফেলেছিলাম...।

আজ পুলক ভাইয়ের জন্মদিন


আজ পুলক ভাইয়ের জন্মদিন।অনেকদিন আগে এই দিন টাতে উনার পৃথিবীতে আগমন নিশ্চয় চাচা চাচীকে অনেক পুলকিত মানে আনন্দিত করেছিল।

এই সেই পুলক ভাই যাকে ছোটবেলায় অফিসারস ক্লাবে বা বি এইচ ওয়ানের মাঠে খেলতে দেখতাম।উনার সমবয়সী রাজন, লিটন ভাইদের মুখে যেখানে কথার খই ফুটত সেখানে পুলক ভাই হাজারে একটা কথা বলত, বেশিরভাগ সময় চুপচাপ। 

অথচ উনার আব্বা হারুন চাচাকে অনেক স্মার্ট লাগত।চোখে সানগ্লাস, গোফ ওয়ালা, হোন্ডায় চড়তেন। আজকালকার দাবাং এ সালমান খান, সিংহাম এ অজয় দেবগন,কিংবা রৌডি রাথোড় এ অক্ষয় কুমার দের লুকের সাথে মিলে যায়।সেই মানুষ টার ছেলে এত ভোলাভালা কেন, মনে প্রশ্ন জাগত।

সেই পুলক ভাইয়ের সাথে দেখা বহুদিন পর নিরু ভাইয়ের অফিসে।সময় বদলালেও পুলক ভাই কিন্তু আগের মতই শান্ত তবে কথা বলেন গুছিয়ে।আমার ঘাড়ে হাত রেখে যখন কথা বলছিলেন তখন মনে হচ্ছিল অনেক আপনা লোক।
হুম।পুলক ভাই আসলেই একজন ভাল মানুষ, সোজা সরল মানুষ।এই মানুষ টা আরো অনেকদিন বেচে থাকুক সুস্থ হয়ে, মাথার উপর ছায়া হয়ে। শুভ জন্মদিন পুলক ভাই, বেঁচে থাকুন আরো অনেক বছর

আজ আমার জন্মদিন


আজ আমার জন্মদিন।আজকে আমার জন্য সব মাফ।আজকে আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু শক্ত কথা বলিঃ

এই পেজটার শুরু বিশাল আবেগ দিয়ে।সকলের আবেগের মিশ্রিত আবেগে ঠিক হলো গ্র্যান্ড আড্ডা হবে।তবে আমাদের এত শীগ্রই করার ইচ্ছে ছিলোনা,শীগ্রই হতে হলো ঐযে বললাম আবেগ সেই আবেগের কারনে।এই আবেগের কারনেই আমাদের অনেক ভাই বোন পরিশ্রম করে গ্র্যান্ড আড্ডা সফল করলো।যে আমি, অফিস বাসা এই দুইয়ের মাঝে অন্য কোথাও সময় দিতামনা, সেই আমি গত কয়েক মাস বাসায় ফিরতে লাগলাম রাত ১০/১১টায়,আমার মা বাবা অবাক এই ছেলে আবার আড্ডা দেয়!!?।এখানে শুধু আমার গানই গাচ্ছি অন্যদের কথা বললামনা,তবে আমরা সবাই জানি কারা কারা কাজ করেছে নিঃশ্বার্থভাবে, তাদের সবাইকে স্যালুট।অনুষ্ঠানের তিনদিন আগে হঠাৎ শুনতে পেলাম,যাদের থেকে টাকা পাওয়ার আশ্বাস পাওয়া গিয়েছিলো(যেহেতু মাত্র ১৫০০টাকা দিয়ে এক ফ্যামিলির চার বেলা ইত্যাদি সম্ভব না,সেহেতু কিছু ব্যাক্তির কাছ থেকে এক্সট্রা টাকা চাওয়া)আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছিলো না।আমি নিজেও বড় ভাইদের সাথে রাগ করেছিলাম এই বলে যে” আমাকে ইভেন্ট গ্রুপে রাখবেন অথচ আমার মত(বাজেট) করে যদি ইভেন্ট করতে না পারি তাহলে আমি নাই”।শেষে মাসুক ভাই সবাইকে অভয় দিয়ে বলল তোরা তোদের কাজ তোরা করে যা টাকার ব্যাপারটা আমরা দেখছি।আমরা পুরুদমে সতস্ফুর্তভাবে কাজ করতে থাকলাম।গ্র্যান্ড আড্ডা সফল হলো।

আমি জীবনের প্রথম ইংজেরি গান শুনি পুলক ভাইএর কাছে


আমি জীবনের প্রথম ইংজেরি গান শুনি পুলক ভাইএর কাছে। সেই আমলের একটা বড় ক্যাসেট প্লেয়ার ছিল উনার কাছে। সেখান থেকে ভেসে আসত মাইকেল জেকসন এবং আরও অনেকে। উনি বেশ জোরেই গান শুনতেন। বেশ ভালো লাগতো। আস্তে আস্তে ইংজেরি গান ভালো লাগতে শুরু করল। থাঙ্কু পুলক ভাই। শুভ জন্ম দিন।

মানিক- BH-1

কাল খুব ব্যাস্ত ছিলাম ও মনটা ভাল ছিল না তাই আজ সকালে লিখলাম


কাল খুব ব্যাস্ত ছিলাম ও মনটা ভাল ছিল না তাই আজ সকালে লিখলাম।
১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস। ভালবাসার মানুষ যে কেও হতে পারে। আপনি আপনার মাকে ভালবাসেন তার জন্যে দিবস লাগেনা।
সন্তানকে ভালবাসেন তার জন্যে দিবস লাগেনা। প্রতিদিনইতো তার জন্যে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন। নাহয় একদিন ঘটা করে জানালেন আই লাভ ইউ। দোষের কি?
ভাইবোনকে ভালবাসেন তার জন্যে দিবস লাগেনা। আত্বীয় স্বজনকে ভালবাসেন তাতেও দিবস লাগেনা। ভালবাসা প্রতিদিনের। না হলে এই পৃথিবী সুন্দর হতনা।
শিক্ষক এতো কষ্ট করে পড়ে শিক্ষক হন যাতে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ উপকৃত হন। দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করবে বলে।

Sunday, February 14, 2016

কোন প্লান না করে


কোন প্লান না করে বাড়িতে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভোর ৫ টার গাড়িতে উঠে ৮.৩০ মিনিটে বাড়ি এসে পৌছে সবাইকে অন্য রকম একটা সারপ্রাইজ দিলাম, আমার ৩ টা ছেলে যে কি খুশি হইছে তা বলার মতো না,বিশেষ করে আমার ৮ মাসের ছেলেটা বাবাকে পেয়ে সারাদিন বাবার কোলেই ছিল,এটাই তো এক অন্য রকম ভালোবাসা দিবস তাই না

ভরা ডুবি-ডুবি জীবন আমার

- Ripon Akhtaruzzaman

ভরা ডুবি-ডুবি জীবন আমার
চরম শূন্যতায়
বেঁচে থেকে কি লাভ বল?
কি আছে দুনিয়ায়!
ছড়া আর জোকস বলি সারা দিনই
কাঁচা হাসি ভরা ভরা মুখ
বিস্ময় ভরা, বিষ-ময় পথ
নাইরে কোথাও সুখ!
মেজাজ মর্জি কন্ট্রোলে নাই
পকেটেও নাই ক্যাশ
ক্ষুধা পিাপাসা নিদ্রাও নাই
আসলেই আমি শ্যাষ!
জানিনা আমি চলব কিভাবে
কিভাবে আজও চলছি
পাগলেও আমার ধার ঘেঁষে না
অনেক দুঃখ নিয়া বলছি।

গত কয়েক দিন ধরে ভাবছি লিখব, কিন্তু কি লিখব?


গত কয়েক দিন ধরে ভাবছি লিখব, কিন্তু কি লিখব? লিখার জন্য স্থির হতে হয়। তাতো হতে পারছিনা, গাড়িতে বসে লিখা যায়, কিন্তু ঝাঁকুনি তে ভাবনাগুলো ঝাকাঝাকি করে।তবুও লিখা, ফাল্গুন, ভালবাসা দিবস এগুলো ঈ ত লিখার মৌসুম।

ঘটনা টা নব্বই দশকের।তখন আমরা ডি টাইপে থাকি।সবে ভার্সিটি তে এডমিশন নিয়েছি কিন্তু ক্লাস শুরু হয়নি।গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়াচ্ছি।সন্ধ্যাবেলায় বাসায় ফিরছি।দেখি আমাদের পাশের বাসার তুশি নিচতলার লিমার সাথে কথা বলছে কোন রচনা পড়বে তা নিয়ে।কালকে ওর ইংরেজি ২ য় পরীক্ষা। ওর টেনশন দেখে আমি বলে বসলাম A journey by bus রচনা দেখে যেতে পারিস, আসতে পারে।এটা বলেই আমি বাসায় ঢুকে গেলাম।

"একটি অমানবিক আবেদন"


সিএসএম পেইজের স্বল্প পরিচিত এবজন সদস্য আগামি ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি অফিসের কাজে ঢাকায় অবস্থান করবে। ঢাকার রাস্তাঘাট, হোটেল, খাওয়া দাওয়া সম্পর্কে সে বিশেষ ভাবে অজ্ঞ। কোন সহ্রদয় ব্যক্তি তাকে এই ব্যাপারে সাহায্য সহযোগীতা করেন তাহলে সে চির কৃতজ্ঞ থাকিবে। উল্লেখ্য যে হোটেল ও খাওয়া দাওয়া উপর যে পরিমান টাকা সাশ্রয় হবে সে টাকা দিয়ে ঢাকায় সিএসএম বাসীদের নিয়ে পার্টির আয়োজন করা হবে।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ সিএসএম পেইজ।

বিদ্রঃ হোটেল ও খাওয়া দাওয়া উপর যে পরিমান টাকা সাশ্রয় হবে সে টাকা দিয়ে ঢাকায় সিএসএম বাসীদের নিয়ে পার্টির আয়োজন করা হবে।

মরা রাশেদের বাসা খালি আজ দু তিন ধরে


মরা রাশেদের বাসা খালি আজ দু তিন ধরে, ইতিমধ্যে তার বাসায় অপারেশনের মুরগী পর্ব, ইমোশনাল পানীয় পর্ব শেষ । আর কি করা যায় সে ভাবনায় আছি, সবাই মিলে ভেবে বের করলাম সবজী খিচুড়ি করলে কেমন হয় আমাদের মনিরূল আবার ভালো খিচুড়ি রান্না করতে পারে। এখন সবজী পাওয়া যায় কোথায়, সবজী কিনার পাবলিক তো আমরা নই, মনে পড়ল বি এইচ ১ এর মাঠের এক কোনায় এক চাচার সবজী বাগান আছে, (সংগত কারনে চাচার নাম প্রকাশ করলাম না) উনি সেখানে নানান পদের সবজী চাষ করেছেন। রাত ৯ /১০ টার দিকে আমরা কয়েকজন অপারেশনে নেমে গেলাম, কিছুক্ষন পর দেখি বাগানের মালিক ঐ চাচা বাজার থেকে আসার সময় আমাদের দেখে ফেলেছেন আমারাও ধরা খাওয়া মুরগীর মত উনার সামনে কাচুমাচু হয়ে আছি, খেয়াল করলাম আমদের মধ্যে রাশেদ নেই, দু তিন মিনিট পর রাশেদ বাগানের ভিতর থেকে একটি স্যান্ডেল হাতে আরেকটি স্যান্ডেল পায়ে নিয়ে ঐ চাচার কাছে এসে বলল “ কাকা আমার এই স্যান্ডেল টা আপনার বাগানে পড়ে গেছিলো তাই এটা নিতে আপনার বাগানে ঢুকেছিলাম চুরি করতে ঢুকি নাই, আমরা সবজী চুরি করিনা” এই চাচা কে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে সে আমাদের সবাইকে নিয়ে সেখান খেকে চলে গেলো আর ঐ চাচা তো রাশেদের কথা শুনে পুরা হতভম্ব।

খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঘুমিয়ে থাকা আদৃতা


খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ঘুমিয়ে থাকা আদৃতা - আজানের মার কপালে আলতো করে চুমু খেলাম। বৌ আমার এতো অল্প স্পর্শেই সাড়া দিবে ভাবিনি। ঘুমের ঘোরে আড়মোরা দিয়ে তাকানোর সাথে সাথেই বললাম "Happy Samee's Day. বৌ বোধহয় ইলেক্ট্রিক সকড খেল আর বসে বললো কি বললে? একই কথা আবার রিপিড করলাম। বৌ আমার পুরো সময়টাই মাটিতো না এক্কেবারে কাঁদাযুক্ত এটেল মাটি করে দিয়ে বললো কি ব্যাপার এই বুড়া বয়সে মনে হয় ভালবাসা মন ডিঙ্গিয়ে উপছে পড়ছে! ব্যাপারটা কি? আর ভ্যালেন্টাইন সাহেব কে কই পাঠায়া দিয়া ওই আসনটা নিজে দখল করলা? বুঝলাম আমরা সবাই valentine শুনতে শুনতে অভ্যস্ত। কাজেই উলটা সিধা করলে খবর আছে। সকালটা শুরু হলো এই ভাবেই।

রাত পেরোলেই পরীক্ষা


রাত পেরোলেই পরীক্ষা । অসম্ভব প্যারা খাচ্ছি । ঘুম আসছেনা । একটা কারনে মন ও বেশ খারাপ । চোখ বন্ধ করে যতই ঘুমানোর চেষ্টা করলাম ততই কিছু স্মৃতি মনে পড়ছে ।

আমার জীবনের প্রথম বাসা F-9 এর ১৬ নং বাসা । আচ্ছা একটা মানুষের ছোটবেলার স্মৃতি কতটুক মনে থাকে? জীবনের প্রথম ৫বছর ৪মাস কাটানো ওই বাসার অনেক স্মৃতি আমার এখনো মনে আছে বললে আমার ভাই হাসে । ওর ধারনা আমি বানিয়ে বলি কথাগুলো । অথচ আমি বানিয়ে কখনোই বলিনা । আমার সব কিছু মনে না থাকলেও কিছু জিনিস খুব স্পষ্ট মনে আছে ।

গোটা একটা দিন চলে যাচ্ছে


গোটা একটা দিন চলে যাচ্ছে। তাও আবার ভালোবাসা দিবস। কি করি? কার কাছে যাই? মনে মনে চাচ্ছিলাম, আতিকের কাছে যাই, দুই ভাই মিলে ডাল/ভাত খাবো, আর ভালোবাসা দিবসটা নিয়ে, বিশাল একখান আলোচনা করবো। হারামি আবার দিবস/টিবস বিশ্বাস করেনা। মনে হয়, বউ এর প্যাদানি খাইয়া, এখন সাধু হইছে। রিপনের কাছে যাবো!! না, লাভ হবেনা, শালা, সকালে উঠেই, টেলিফোনের লাইন নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরে। অপুর কাছে গেলে, বলে বসবে, ভাই সুনেন, এটা যদি গার্মেন্টস এর কোনো আইটেম হয়ে থাকে, তাহলে আলোচনা করা যায়, তা না হলে ভাগেন। আপনে মানুষ সুবিধার না, সুযোগ দিলেই CSM Colony, এর নামে, আগামি আড্ডার চাদা চেয়ে বসবেন। বন্যার কাছেতো যাওয়াই যাবেনা। আমার চেয়ে বড় চাদা বাজ। দেখা হওয়া মাত্র বলবে, ভালোবাসা/টালোবাসা পরে, কি আনছেন আগে কন?? তারিকের কাছেতো আজকে যাবোই না। এই বুইড়া বয়সে আমার সর্বনাশের মুল, তারিক হারামি। 

Saturday, February 13, 2016

আজ ১২/০২ আমার প্রিয় ভাই/বন্দু/শিক্ষক রিপন ওরফে মদন ওরফে সারেগামা র ৪৮তম জন্ম দিন


আজ ১২/০২ আমার প্রিয় ভাই/বন্দু/শিক্ষক রিপন ওরফে মদন ওরফে সারেগামা র ৪৮তম জন্ম দিন। সে আমার ও ছোটবোনের বিজ্ঞান ও গনিতের শিক্ষক ছিল।তার বুঝানোর অভিনব উপায় সব সময় আমায় মুগ্ধ করত।তিনি বন্ধুদের মন্ জয় করতে সক্ষম হলেও জীবনযুদ্ধের এক পরাজিত সৈনিক।তার জীবনের শত দুঃখ কষ্ট ও অভাবের কথা কাউকে বুঝতে দিত না।ফলে সবাই ভাবতো রিপনের কোন দুঃখ নাই। সে হাসি মুখে শত দুঃখকে জয় করে নিতে পারে। সে বলত পুরুষের প্রেম নারীকে কাদায় আর নারীর ছলনা পুরুষকে করে খাটি। সেই খাটি মানুষটি ১৯৯১র জলোচ্ছাসে আমাকে ও আমার পরিবারকে যে সাহায্য করেছ তা ভুলার নয়। আজ তার জন্মদিন অনেক অনেক শুভকামনা।

পল্লী কবির-ব্যাপি ভ্যালেনটাইন ডে

- Ripon Akhtaruzzaman

পল্লী কবির-ব্যাপি ভ্যালেনটাইন ডে
ফেব্রুয়ারীর 14 তারিখ হঠাৎ সকাল বেলা
ভালবাসার সমস্ত ভুত পল্লী কবিকে মারে ঠেলা
ভুতের ঠেলায় ভালবাসার গান উঠে যেই গেয়ে
সিড়িঁর উপর কবি দেখেন----- সাহেবের বড় মেয়ে।
দেখেই কবি চমকে গেলেন, থমকে বলেন হায়
কিছু বলার এমন সুযোগ এই বুঝি যায় যায়!
ঠোঁট নরেনা পেটর ভিতর উঠে কথার ঝড়
কেমন আছো? বললেন কবি অনেক ঘামের পর।

পাপপু



পাপপু ভাই সি এস এমের এক। মেধাবী সিংহ, দীর্ঘ সাত বছর শারীিরক অক্ষ মতার যনত্রনার সাথে লড়াই করা এক সি এস এম ভাই, যার সাথে আজ আমার সাকখৃাত ১৭ বছর পর, কমু ভাইয়ের কথা (ওর সব কিছু মনে আছে) আজ আমাকে মুগ্ধ করে দিল , পপপু ভাই আমাকে দেখেই বললেন, আরে তোমাকে চিনব না?তুমি ঔ কাকার ছেলে। এক এক করে আমার বাবার সাথে উনা সমপর্ক, বাবার দৈনদিন ধর্মীয় কার্যকলাপ গুছিয়ে বললেন, উনার সাথে দেখা হওয়ার পর থেকেই আজ বাবার কথা বারবার মনে পরছে।

পাপপু ভাই কলোনির সব ভাই বোন দের কথা জানতে চাইলেন, সবাইকে জানাতে বলেছেন উনি আগের থেকে একটু ভাল আছেন। নাজমুল ভাই এর মাধ্যমে সবাই উনার খোঁজ খবর রাখেন, জামশেদ ভাই ও ভাবী উনার খোঁজ খবর করেন, আজও জামশেদ ভাই ভাবী দেখতে গিয়ে ছিলেন। পাপপু ভাই উনার সাথে তোলা ছবি পোসট করতে বলেছিলেন , কিনতু কারিগরি সমস্যার কারনে ছবি দিতে পারলাম না, এই জন্য দু:খিত, আজ আমার সাথে ছিল রেমন, জামশেদ ভাই ও ভাবী।

গ্রান্ড আড্ডা এবং আমার পোষ্টমটাম


আমার এ লেখাটা গ্রান্ড আড্ডা দুদিন পর লিখে ছিলাম। তখন কলোনীর পরিবেশ অন্য রকম হয়ে যাওয়ায় পোষ্ট করা থেকে বিরত ছিলাম। আবার স্বাভাবিক অবস্থ ফিরে এসেছে---তাই পোষ্ট করা:
______________________________________________________

গ্রান্ড আড্ডা এবং আমার পোষ্টমটাম
---------------------------------মঈন খান

ঈদ ঈদ আনন্দ নিয়ে রওয়ানা হলাম।আমার ছোট কন্যার আবার বাস জার্নিতে ভীষণ রকম এ্যলারর্জি। বাসে উঠাতো দূরের কথা বাসের কথা শুনলেই বমি বমি বলে চিৎকার শুরু করে।তাই বহু ঝক্কি ঝামেলা করে ট্রেনের ২টিকেট যোগার করেছিলাম। ট্রেনে উঠেই দেখি বন্যা তার পুরো টিম নিয়ে আমার দুসিট দখল করে বসে আছে।ওর মেয়েদের মামা মামা চিৎকারে তখন আমি সব যাত্রীদের চোখে পাক্কা মামু। আমার সাথে তারাও আমার ভাগনিদের দেখছে। কবে ট্রেন ভ্রমন করে ছিলাম মনে নেই। এবার জার্নিতে ট্রেনের স্থায়ী বাসিন্দা পেশাদার ভিক্ষক-ফেরিয়ালাদের সাথে নতুন উৎপাত ২ হিজরাকেও দেখলাম। ফেরিয়ালা ভিক্ষক তো ঠেকানো যায় কিন্তু হিজরা ঠেকাবেন কী দিয়ে!! সারাক্ষণ হা হা হি হি করে ২৮/০১/১৬ তারিখ চট্টগ্রাম নামলাম।সংক্ষেপে এই ছিল গ্রান্ড আড্ডার জার্নি।

আমি ভুলে যাই তুমি আমার নও (গল্প-১)


রিকশা তে তোমার হাতে হাতটা রাখতেই এক ঝাঁকি দিয়ে হাতটা সরিয়ে নিলে।কেনো হঠাৎ তোমার এই আচরণ, জানতে চাইনি।ঠিক দুই বছর আগে সেই দিনটি যেদিন আমার কাছে “না” শব্দটি শুনে পাগলের মত রিকশা করে চলে যাচ্ছিলে, তোমার উড়না জড়িয়ে যাচ্ছিলো রিকশার চাকায় , সেদিনও জানতে চাইনি তোমার কেনো এই আচরন।সবকিছু মন দিয়ে বুঝে নিয়েছিলাম।আজো বুঝে নিলাম তোমার হয়ত অন্য কেউকে ভালো লেগেছে কিংবা হঠাৎ তোমার উপলব্ধি আমাকে তুমি জেদ করে ভালোবেসেছিলে।

আজ ভালোবাসার দিন সবাইকে দেখে আমার কি তোমার কথা মনে করা উচিত!? না মনে পড়েনা, আরেহ আমরাতো এই দিনে একসাথে বেরই হতামনা,আমি থাকতাম অফিসের কাজে, আজো তাই।তোমাকে কি এই দিনে কখনো একটি গোলাপ দিয়েছিলাম,মনে তো পড়েনা!!আমি তোমাকে মিস করছিনা কেন!? তবে কি আমিও তোমায় ভালোবাসিনি!! হবে হয়ত।

শনিবার আমার অফিস খোলা থাকলেও আমি একটু রিল্যাক্স থাকি


শনিবার আমার অফিস খোলা থাকলেও আমি একটু রিল্যাক্স থাকি। কারন ব্যাংক, শিপিং লাইন, আমাদের কোরিয়া অফিস বন্ধ থাকে। কিন্তু আজকে সব কিছু বন্ধ থাকার পরও এত প্রেসারে ছিলাম তা বলার মত না। মনে হয় আমার চাকুরী জীবনে কোন শনিবারে এত টেনসনে বা প্রেসারে ছিলাম না। টেনসনে দুপরে লাঞ্চ পর্যন্ত ঠিক মত করতে পারি নাই। এখন রাত বাজে ৯.০০ টা তারপরও টেনসনে ক্ষিধাও লাগছে না। আজকের কাজ শেষ। টেনসন কিছুটা কমেছে। তবে আগামীকাল সন্ধ্যা আগ পর্যন্ত পুরোপুরি টেনসনে ফ্রি হতে পারবো না। তারপরেও কাজের ফাঁকে ফাঁকে সিএসএম পেইজে ঢুকেছি। কে কি পোষ্ট দিছে তা ভাল করে দেখি নাই। তবু লাইক দিয়ে গেছি। সারাফের মাকে নিয়ে একটা কমেন্টস লিখতে চেয়েছিলাম পরে কাজের চাপে তা ভুলে গেছি। সিএসএম পেইজে ঢুকা নেশার মতো হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর পর না ঢুকলে মনে হয় কি যেন মিস করে ফেলছি। আড্ডার থিম সং মিউজিকটা রিংটোন হিসেবে রেখেছি যেন ফোন আসলে সিএসএম এর কথা মনে পড়ে। মনে হয় সহজে এই রিংটোন পরিবর্তন হবে না।

সংবিধিবদ্ধ করন সতক করন বিজ্ঞপ্তি::


অনেক দিন থেকে একটা বিষয়য় লজ্ঞনিয় যে আমাদের রেজার লিখায় প্রায় ওঠে আসে সরাফের মায়ের কথা। সরাফের মা এটা করছে ওটা করছে বাদরামি ইতরামি করছে। কিন্তু আমার মুটে ও সেরকম মনে হয় না। সকলেই কি ভাবছ? 
রেজা কি কিছুই করছে না সরাফের মার সাথে? সরাফের মার কি কন নাম নেই? জানা মতে আমাদের ভাবিজানের এই ধরনিতে আগমনের সময় উনার মা বাবা গরু ছাগল অথবা মুরগি জবাই করে সুন্দর একটা নাম দিয়েছেন। সেই নাম টা আমাদের রেজা কি কখনও কি সুন্দর করে সবার মাজে উপ্সতাপন করেছে? না তা কখনও করেনি।
এর সমাধান সরাফের মার সরব উপস্তিতিতে প্রমানিত হবে। কাজেই এই সুন্দর কাজ টি রেজা না করা পরজন্ত সমন জারি করা হল।
উকিল সাব
আমেরিকান হাই কমিটি।
কপি টু """জসিম রিপন নাজমুল নিরু জিয়া চাঁদ সুলতানা"

১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৬


১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৬, জরুরী কাজে হঠাৎ করে ঢাকা আসা লাগবে এবং রাতের মধ্যেই, তখন তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগের আন্দোলন চলছিলো, তড়িঘড়ি করে বিকেলেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম কিন্ত অনেক রাতেও ঢাকা এসেও কাজ হলোনা, পরদিন ১৩ তারিখ সকালে কাজ শেষ করলাম, এবং এ িদনই আবার চিটাগাং ব্যাক করবো পরদিন অর্থাৎ ১৪ তারিখ থেকে আবার হরতাল। ঢাকার আত্মিয় স্বজন রা আমাকে এই আন্দোলনের মধ্যে চিট্াগাং যেতে দিতে চাইছেনা। বলছেন আরো দু এক দিন পর যেতে,কিন্ত আমাকে যে করেই হোক ১৩ তারিখের মধ্যে চট্টগ্রাম ফিরতেই হবে। অবশেষে তাদের সাত পাঁচ চৌদ্দ বুঝিয়ে অনেক ঝক্কি ঝামেলার মধ্যে দিয়ে অনেক রাতে ১৩ তারিখই চট্টগ্রাম পৌছেছি। 

Friday, February 12, 2016

৮৭./৮৮ সালে ঢাকায় আবহনী /মোহামেডান এর খেলা প্রভাব পড়ত আমাদের কলোনীতে


৮৭./৮৮ সালে ঢাকায় আবহনী /মোহামেডান এর খেলা প্রভাব পড়ত আমাদের কলোনীতে ।ঢাকায় মাঠ কাপাত মহসিন,চুন্নু ,মুন্না,আসলাম,কানন,সাব্বির,কায়ছার হামিদ।আমাদের কলোনীতেও মাঠ কাপাইত আবহনীর হয়ে ইকবাল ভাই,জামশেদ ভাই.,জাফর ভাই,নিরু মামা,রেজুওয়ান ভাই ,জসিম ভাই, তাপস দা আর মোহামেডানে বাবলা ভাই,রেজা ভাই,আনোয়ার ভাই,টিটু ভাই,বাবু দা,শেলি ভাই . রিপন ভাই,শাহিন ভাই আরো অনেকে।সবার নাম মনে নেই।তখন কলোনীতে থমথমে ভাব থাকত।খেলা হত চরম উওেজনা ।হাফটাইমে দেখতাম রেজা ভাই,বাবু দা,তাপস দা কি যেন টানত এফ টাইপ ৫নং এর সিড়ির নীচে।সিগারেট।এটা খাইলে নাকি দম বাড়ে।খেলায় স্পিরিট পাওয়া যেত।

আমাদের রিপন ভাই


আমাদের রিপন ভাই | কলোনীতে থাকতেই উনার সাথে পরিচয় ছিলো কিন্তু তেমন একটা কথা হতোনা | ঢাকায় আসার পর উনার সাথে আবার দেখা হলো | অসাধারণ একজন মানুষ |জীবনে খুব কম মানুষ দেখেছি এই রকম | উনার ব্যাক্তিগতো যতোই জরুরী কাজ থাকুক না কেনো CSM এর কাজ থাকলে সব ছেড়ে চলে আসে শুধো CSM না CSM এর কোনো সদস্যর যদি কোনো সমস্যা হয় তা যদি উনি জানতে পারে তাকেও সাহায্য করার জন্য ঝাপিয়ে পড়ে | আজকে রিপন ভাইয়ের জন্মদিন | শুভজন্মদিন রিপন ভাই |ভালো থাকবেন |অনেক অনেক ভালো থাকবেন | দোয়া করি আল্লাহ যেনো আপনাকে পরিবার পরিজন নিয়ে সবসময় সুখী রাখেন |

(রিপন ভাই আপনার অনুমিত ছাড়া আপনাকে নিয়ে লিখলাম | ভূল হলে ছোট ভাই টাকে ক্ষমা করবেন)