আমি এই পেইজ এর সব ভাই ও বোন দের বলছি এইটা কোন ঝগড়া বা রাগ না তোমরা যারা পেইজ এ আছো তারা তোমাদের মত লিখ,কমেন্টস কর,মজা কর কোন সমস্যা নাই,আমি টিঙ্কুর এই পোস্ট দেখে আমি সরাসরি রাসেল এর কাছ থেকে জানতে চাই, কেন বা কি কারনে রাসেল পেইজ এ নাই তাকে কি কেউ এই পেইজ থেকে বের করে দিয়েছে ,যদি এই প্রশ্নের উত্তর হা হয় তা হলে সে কে এবং কেন ব্যাখ্যা লিখ বা বল, আর যদি তা না হয় তা হলে তুমি কেন এই পেইজ থেকে বের হয়ে গেলে কি এমন কারন তা ব্যাখ্যা কর।আমি বেক্তিগত ভাবে তোমার সাথে অনেক কথা বলেছি বা বলি তুমি কোন সময় আমাকে কিছু বলনি আমি তোমাকে প্রথম প্রথম বলেছি কিরে তুই পেইজ এ লিখিস না কেন? তুমি বলেছিলে ভাই নতুন ব্যাংক নিজেকে একটু এডজাস্ট করাইনি তারপর কিন্তু এখন তুমি পেইজ এ নাই কেন এই কারন টা তুমি সরা সরি ব্যাখ্যা কর আমি অন্য কারো কাছ থেকে শুনে কিছু বিশাস করবো না।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Sunday, May 15, 2016
বন্ধু জিয়াকে স্যালুট
আমার ধারনা মতে-পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থেই-‘‘মানবতাকে” উচ্চ স্থানে রাখা হয়েছে। মনুষ্যত্বের হুস যার ভিতরে আছে সেই মানুষ। ছোট বেলায় পড়েছিলাম-‘‘মানুষকে সেবিছে যে জন, সে জন সেবিছে ঈশ্বর”। সিএসএম পেইজের সবাই এত বেশী আন্তরিক যে, মামুনের দুর্ঘটনার কথা নতুন করে কিছু বলার নেই।
আমার মতে কোন কাজের ভাল-মন্দ সমালোচনা থাকবে, দোষ-গুন বিচার করা হবে তেমনি পশা-পাশি মূল্যায়নও থাকবে। নইলে ব্যক্তি ও সমাজ থেকে ভাল কাজের কোন ফল পাওয়া যাবে না-সমাজে ভাল মানুষ সৃষ্টি হবে না। তাই আমাদের গুণদর্শী হওয়া উচিৎ, দোষদর্শী নয়। ব্যক্তির কর্মগুন ও সৃষ্টিই ব্যক্তিকে বড় করে, মহৎ করে। দোষদর্শী হয়ে কখনও বড় হওয়া যায় না, মহৎ হওয়া যায় না।
ডাক্তার, হসপিটাল এসব ব্যাপারে আমি খুবই নার্ভাস প্রকৃতির মানুষ
ডাক্তার, হসপিটাল এসব ব্যাপারে আমি খুবই নার্ভাস প্রকৃতির মানুষ। এমন অবস্থা যে ফার্মেসী থেকে দু পাতা প্যারাসিটামল আনতে গেলেও আমার কাঁপুনি আসে। বিশেষ করে মামুনের ব্যাপার টির পর থেকে আমার এই নার্ভাসনেস আরো বেড়ে গেছে।
তারপরও অনেকে বলতে পারেন তারিক, মামুন এদের সময় হাসপাতালে আমি কিভাবে গিয়েছি এতো, তখন কি নার্ভাসনেস কাজ করে নাই? আসলে সেখানে গেলে আমার স্টিলার ভাই বোন দের পাওয়া যেত, একটা কলোনির আমেজ পেতাম, ছিল কলোনির ফ্লেভার। সেই আমেজ আর ফ্লেভারের কাছে নার্ভাসননেস আর আসতে পারতোনা।
আজ সকালে শরীর টা খারাপ ছিল, এতোটাই খারাপ যে অফিস যাওয়া বাদ দিয়ে বাসার কাছের এক ক্লিনিকের ইমার্জেন্সি তে চলে যাই। তবে ডাক্তার বলেছেন ভয়ের কিছ নেই। অফিসে আর যাইনি বাসায় বিশ্রামে আছি।
Saturday, May 14, 2016
পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ এপ্রিল ২০১৬ (১ এপ্রিল ২০১৬ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত)
অসুস্থতার (পরিবারের প্রায় সবাই অসুস্থ ছিল) কারণে এপ্রিল ২০১৬ এর পরিসংখ্যান রিপোর্টটা প্রকাশ করতে কিছুটা দেরি হয়ে গেল তাই সবার নিকট ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
রেকর্ড রেকর্ড রেকর্ড আবারো রেকর্ড। মার্চ মাসের রেকর্ডটা আবারও ভেঙ্গে গেল। এপ্রিল মাসেও লিখালিখি আর লেখকের পদচারনায় ভরপুর ছিল সি.এস.এম পেজটি। প্রতিদিনই অসংখ্য লিখা, পোস্ট, ছবি, ছড়া, কবিতা এসেছে পেজ টিতে। তাই এই মাসেও অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ হইছে।
যাইহোক এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।
# Facebook CSM Colony পেজ এ এপ্রিল ২০১৬ (১ এপ্রিল ২০১৬ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত) ছোট, বড়, মাঝারি, বাংলা, ইংলিশ, বাংলিশ মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত সকল ছোট, বড়, মাঝারি ভাই বোনদের মোট লিখার সংখ্যা (অনুছড়া/পরমাণু ছড়া/হঠাৎ ছড়া/কচুর ছড়া/বাথরুম খেলা/অন্যান্য খেলা বাদে) ৩৫০ টি (এভারেজ ১১.৬৭), যা মার্চে ছিল ২৯৩ টি (এভারেজ ৯.৪৫) এবং আমি আবারও বলেছি যা গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বাধিক।
# এপ্রিল মাসে সবচেয়ে বেশি লিখা পোস্ট হয়েছে ২ এপ্রিল ২০১৬ (২৭ টি) আর সবচেয়ে কম লিখা পোস্ট হয়েছে ১১ এপ্রিল ২০১৬ (মাত্র ৪ টি)।
# এপ্রিলে মোট লেখকের সংখ্যা ছিল ৬৫ জন, যা মার্চে ছিল ৫৩ জন, সুতরাং লেখকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১২ জন (২২.৬৪%) আবার মার্চের তুলনায় এপ্রিলে লিখার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৭ টি (১৯.৪৫%) ।
# যদি কারো লিখা ভুলবশত বাদ যায় তাহলে ক্ষমা করবেন এবং আমাকে ট্যাগ করবেন। উল্লেখ্য যে এপ্রিলে লিখার সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবার জন্য এই মাসের পরিসংখ্যান করতে গিয়ে আমাকে কিছুটা হিমসিম খেতে হইছে।
• এপ্রিল ২০১৬ তে আতিক ভাইয়ের এর লিখা সবচেয়ে বেশি, উনার সর্বমোট লিখার সংখ্যা ৬৩,
• দ্বিতীয় অবস্থান আছে নিয়াজ মোরশেদ জনি, স্কোরঃ ৩৯,
• তৃতীয় অবস্থান আছে আসলাম উদ্দিন মামুন ভাই, স্কোরঃ ২৫।
বাহ বেশ বেশঃ এখন এই সি এস এম পেইজ এ যখন ইন করি তখন মাঝে মাঝে মনে হয়
বাহ বেশ বেশঃ এখন এই সি এস এম পেইজ এ যখন ইন করি তখন মাঝে মাঝে মনে হয় এই তো আমাদের সি এস এম কলোনির গর্বিত ভাই ও বোনেরা। যেমন এখন ই দেখলাম সুজন এর এপ্রিল এর রেজাল্ট, মামুন এর ngo করাবে তার জন্য অনেক অনেক ভাই /বোন্দের পোস্ট,একটা মানুষের এর ছেয়ে বেশি কি কোন ভালবাসা দরকার হয়,আমার মনে হয় না,আমি যখন এমন ngo করাতে গেছিলাম তখন আমার ভিতরে যে কেমন লাগছিল বলে বুজাতে পারবো না ,কিন্তু খুব ই সাধারন একটি অপারেশন,তখন আমি ও বুজিনি যেমন এখন মামুন বুজতেছে না, শুধু ২ দিন পা টা কে সোজা করে একই অবস্থায় রাখতে হবে,দোয়া করি মামুন এর ব্লক থাকবে কিন্তু ৫০% বেশি না আল্লাহ যেন আমাদের এই দোয়া কবুল করেন,আমি যা জেনেছি ৩০ এর পর যে কোন মানুষের হার্ট এ ব্লক থাকে কিন্তু % এর উপর নির্ভরশীল ,আল্লাহ সবাই কে ভাল রাখুক।
সি এস এম এর ভাই ও বোনদের মধ্যে এখন অনেক প্রতিযোগিতা চলে যেমন কে কত বেশি পোস্ট করতে পারে
সি এস এম এর ভাই ও বোনদের মধ্যে এখন অনেক প্রতিযোগিতা চলে যেমন কে কত বেশি পোস্ট করতে পারে,কে প্রথম হবে,কে কাকে বেশিই তেল বা ঘী দিবে, যেমন আমাদের ছোট ভাই মামুন সবাই কে তেল দিতে দিতে নিজে হার্ট এর ধাকায় নিজেই এখন হার্ট ফাউন্ডেশন এ চিত হয়ে গেছে,কিন্তু এতো কিছুর পর ও খুব মজা ও ভাল লাগে এ পেইজ এ ডুকলে।
এখন এমন দিন কাল চলছে কোন কাজ নাই, মন ভাল নেই, পকেটে টাকা নেই, কি করবো, কোথায় যাবো,এমন সময় মন বলে চিন্তা কিসের সি এস এম পেইজ আছে না আর এই পেইজ এ এসে মন ,দিল,পকেট বউ, বাচ্চা সব ভুলে যাই,মাঝে মাঝে বন্ধুদের ফোন করলে পাই না আর যখন পাই তখনই শুনি কোথায় ছিলি বলে সি এস এম(ভারচুয়াল), আর যখন এক সাথে কোথাও থাকি তখন ও বন্ধুরা সবাই সি এস এম কলোনি ফেইজ বুক(মোবাইল দিয়ে) ,খুব ভাল ,খুব মজা,খুব আনন্দ,চালিয়ে যাও।
আজ মামুনকে যখন দেখতে গিয়েছিলাম হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে
আজ মামুনকে যখন দেখতে গিয়েছিলাম হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে সেখানে রেজা ভাই রিপন ভাইয়ের পাশাপাশি মামুনের স্ত্রী সহ, মামুনের দু বোন এবং আরো দুয়েকজন নিকটাত্মীয় ছিল। মামুনের স্ত্রী আর নিকটাত্মীয় দের কথা বাদ দিলাম, মামুনের দু বোন স্টিলার হয়েও আমার মত এই স্টিলার রত্ন কে চিনতে পারেনি, আমার জন্য ব্যাপারখানি বড়ই আফসোসের বিষয় ছিল। একটা মানুষ কে সবাই চিনতে পারে যদি সে বিখ্যাত বা কুখ্যাত টাইপ কেউ হয়ে থাকে। বুঝা গেল আমি কলোনিতে বিখ্যাত বা কুখ্যাত কোনটাই ছিলাম না। ছিলাম পুরোপুরি ভেজিটেবল ।
একজন ডাক্তার বলতে পারবে, রুগিকে কি চিকিৎসা দিতে হবে
একজন ডাক্তার বলতে পারবে, রুগিকে কি চিকিৎসা দিতে হবে। আমরা অসহায়। আমাদের কে বিশ্বাস রাখতে হবে, ডাক্তার এর উপর। আর আল্লাহর কাছে হাত তুলে বলতে হবে, তুমি আমাদের রোগ থেকে মুক্তি দাও। মামুনের জন্য মনটা খারাপ। অল্প বয়সে একটি ধাক্কা খেলো। আজ দুপুরে, এনজিও গ্রাম করার পর, মামুনের ধমনী তে ব্লক ধরা পরে। ডাক্তারের ভাষ্যমতে, ২টি ব্লক, তাও ১০০%। বাইপাস সার্জারি অথবা স্ট্যান্টিং(রিং) যে কোনো একটি করতে হবে। আমাদের ডাঃ রিমুর কথাটি ছিলো, কাটা ছেড়া করার চেয়ে, স্ট্যান্টিং করা টাই উত্তম। মামুনের বড় ভাই মিতু সহ, আমরা রিমুর কথাকেই গুরুত্ব দিলাম। আল্লাহ চাহেতো ভালোভাবেই মামুনের হার্টে রিং পড়ানো হলো। আল্লাহর রহমতে মামুন এখন নিরাপদ। ১টা মাস বা তারও অধিক মামুন কে পুর্ন বিশ্রাম নিতে হবে। খাদ্য অভ্যাস- এর পরিবর্তন করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। ইনশাল্লাহ আমাদের মামুন ভালো থাকবে। কাল সম্ভবত মামুন কে, তার কেবিনে দিবে। সবার প্রতি অনুরোধ রইলো, মামুনের কেবিনে খুব একটা লোক জনের, হইচই যেন না হয়। মহান আল্লাহ পাক আমাদের মামুন কে দ্রুত সুস্থ করে তুলুক। আমিন।
মামুনকে দেখতে গিয়েছিলাম আজ
মামুনকে দেখতে গিয়েছিলাম আজ। ও আছে পোস্ট অপারেটিভ রুমে। ওখানে entry restricted. মিতুভাইয়ের বদৌলতে গেলাম মামুনের কাছে। চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। মাথায় হাত রাখার সাথে সাথেই চোখ মেলে তাকালো।আমাকে দেখেই স্বভাবসুলভ কথা শুরু করে দিল। "বুবু,কাউরে ডাকো তো, আমার পায়ে এখন যে ব্যান্ডেজটা আছে ওটা খুলে দিতে বল,আমার খুব অস্বস্তি হচ্ছে"। ডাকলাম কর্তব্যরত সিস্টারকে। সে ফাইল এনে দেখে বললো ডাক্তার এসে খুলবে,আরেকটু সহ্য করেন। ওর বেডের ওপর আরেকটু উচু টেবিল এটাচ করা এমনভাবে যেন সে পা নাড়াতে না পারে। কিন্তু কথা থামছে না। আমার হাত ধরে বললো "বুবু,তুমি আসছ,খুব খুশি হইসি"। এরপর রিমু আর মিতু ভাই আসলো। রিমুর কাছে জানতে চাইলাম কেবিনে কবে দিবে। সে বললো কাল। দেখি কাল আবার যেতে চেস্টা করবো। আমার বাসা থেকে অনেক দূর। খারাপ লাগছিল, এই বয়সেই এমন একটা বিষয়। ও বার বার বলছিল আমার এমন অসুখ কেন হলো।এই কেনর তো কোন জবাব নেই। চলে এলাম। কারন ও অনবরত কথা বলেই যাচ্ছে যা তার বারন।
কথা হল পেইজের সকল জিহবা ওয়ালা ভাই ও বোনেরা(আমি সহ), চা পরটা,নলা,মেজবানী,জন্মদিনের কেক কম খাইলে দুনিয়ার কারো ক্ষতি তো হবেই না,বরং তোমাদেরই লাভ বেশি। জিহবা সামাল দাও সবাই। যাহোক,সবাই মিলে মামুনের জন্য দোয়া করি চল।ও সুস্থ হয়ে উঠুক।
বিশ্বাস!!!!!--'অতঃপর ঠকা''
বিশ্বাস!!!!!--'অতঃপর ঠকা''
প্রতিবারই ভাবি এই শেষ,,আর জীবনে কোন দিন কাউকে বিশ্বাস করবো না বা বিশ্বাস করে উপকার করবো না।।আর দশজন যেভাবে চলে বা করে সে ভাবেই চলবো বা করবো।।কিন্তু পারিনা!!!!বরাবরই আমাকে বিশ্বাস করতে হয় এবং ঠকতে হয়।।
যে চাকরি টা করি সেটাকে সবাই খারাপ বা ঘৃণার চোখে দেখে আর তাই বরাবরই আমি নিজের ব্যবহার দিয়ে বা নিজের পকেটের টাকা খরচ করে হলেও উপকার করার চেষ্টা করি।।এই ভেবে যে আমার দ্বারা হলেও যেন তার মনে আমার প্রতি বা আমার পেশার প্রতি একটু সম্মানের সৃষ্টি হয়।।কিন্তু না মানুষ আমাকে দূর্বল ভাবে।।আমার সম্মান টাকে তাঁরা দূর্বলতা ভাবে।।আমার সাথে প্রতারণা করে।।প্রতারণাটা যখন বুঝতে পারি তখন মনে হয় আসলে আমার পেশায় জড়িত অন্য সদস্যরা যা করে তা ঠিকই করে।।
Friday, May 13, 2016
ইস্পাত একাদশ ক্রিকেট ক্লাব
ইস্পাত একাদশ ক্রিকেট ক্লাব। এখানে শেলীর একটা বিশাল ভুমিকা আছে। সাথে যোগ হলো, মোরশেদ, টিটু, মিতু, অপু, মিঠু। এগিয়ে এলো বড় ভায়েরা। কচি ভাই, ইকবাল ভাই, আশীষ ভাই, বাবলা ভাই এবং সাজেদুল ভাই। কি ভাবে করা যায়, একটি ক্রিকেট ক্লাব? তখন আমরা টুকটাক অন্যান্য কলোনির সাথে ক্রিকেট ম্যাচ খেলি। সবাই একমত হলাম, চন্দন চাচাকে, ক্লাবের প্রধান করবো। চন্দন চাচার অত্যাচারে, আমরা মোটামুটি অতিস্ট। যেই ভাবা সেই কাজ। আমি, মোল্লা, শেলী, ইকবাল ভাই, কচিভাই, বাবলা ভাই ও আশীষ ভাই সহ, চাচাকে অনুরোধ করলাম। চাচা প্রথমে বুঝার চেস্টা করলো, আমাদের মতলবটা কি!? চাচা রাজি হয়ে গেলো। শুরু হলো ইস্পাত একাদশের যাত্রা, চন্দন চাচাকে ক্লাব প্রেসিডেন্ট করে। এখন কাজ চাদা তোলা। এগিয়ে এলো জাফর ভাই। বড় অংকের টাকা চাদা তুলে দিলেন। মনে আছে, তখন এরশাদ সাহেবের আমল।
এম পি, ইলেকশন ছিলো। লিয়াকত সাহেবের কাছে চাদার জন্য, উনার হালিশহর বাসায় গিয়েছিলাম। শর্ত একটায় উনার ইলেকশনের জন্য কাজ করতে হবে। জাফর ভাই কাজটি সহজ করে দিয়েছিলো। আমরা শধু উনার লেখালেখির কাজ গুলি করে দিয়েছিলাম, মোক্তার চাচার বাসায়। আমি, মোল্লা, শেলী, অপু,মিতু,মোরশেদ,টিটু, আশিস ভাই, ইকবাল ভাই, সাজেদুল ভাই। আশিস ভাই তখন সরাসরি আওয়ামি রাজনিতির সাথে জড়িত, এবং আমরা কেউ, লিয়াকত সাহেবের রাজনিতির সাথে জড়িত ছিলাম না। শুধু মাত্র ক্লাবের সার্থে, আমরা সবাই মিলে কাজটি করে দিয়েছিলাম। বিনিময়ে এক কাপ চাও আমরা খাইনি।
আজ সকাল থেকে অনেক বৃষটি হচছিল
আজ সকাল থেকে অনেক বৃষটি হচছিল। বন্যা আপুর প্রোগাম দেখবো বলে ফজরের নামাজের পর আর ঘুমাই নাই বসে ছিলাম কখন সাড়ে আট টা বাজবে আমাদের বন্যা আপাকে দেখবো।এর মাঝে আমার ছেলে আর তার বাবাকেও তুলে দিলাম।আর টিভি দেখতে বসে যখনশুরু হচছেনা দিলাম আপারে ফোন। আপা বলল আমিও বসে আছি দেখার জন্য ঠিক পোনে নয়টায় শুরু হইলো।এতো ভাল লাগছিল আমার জা বলে বুঝানো জাবেনা।আমারছেলে বলে এ খালামনিকে আমি চিনি তো তোমাদের আডডাতে অনেক মজার মজার কথা বলেছে।আমার আপার সব কিছুখুব ভাল লেগেছিল। কথাবলা,ওদের পড়ানোর ষটাইল আর ছাএীদেরও খুব ভাল লেগেছিল।আমি আমার ভাইবোনদর ফোন করে ঘুম থেকে তুলে দেখতে বলেছিলাম।আরও ছুটির দিন আরও বৃষটি।কিনতু আমরা যারা ষটীলার আমরা ঘুমাইতে পারিনি কারন আমাদেরই এক ষটীলার আপুকে সারা দেশ দেখছে,শুনছে। আমার ফিলিংস টা অন্যরকম ছিল তা বলে বুঝানো যাবেনা।আপা আপনাকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা সকাল উপহার দেওয়ায়।ভাল থাকবেন সবাই।

আমার বড় ফুফু
আমার বড় ফুফু।আমার বাবার অনেক আদরের ছোট বোন।আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ।আমার তিন ফুফুই আমার অনেক প্রিয়।তবে এ দুনিয়াতে ভাল মানুষের সংখ্যা খুব কম।কিনতু আমার এ ফুফুএতো ভাল আর সহজ সরল তা বলে বুঝানো জাবেনা। কখনও কোনো মানুষকে খারাপ বলতে আমি শুনিনি।সবাই ওনার কাছে একিরকম,সব মানুষ ভাল।কোনো কুটিলতা ওনার কাছে নেই একদম আমার বাবার মত।দুইভাইবোন একিরকম,চেয়ারাও অনেক মিল।কালকে গিয়েছিলাম ফুফুকে দেখতে।খুব ভাল লাগছিল আমাকে অনেক আদর করেন।ওনার অনেক মায়া আমার জন্য।আমাকে খুব ভালবাসেন তা আমি খুব ভালভাবে বুঝি।ওনার সাথে একরাত থাকতে বলেছিল কিনতু আমি পারিনি সংসারের নানা কারনে।ফুফুর বাসা থেকে আসার সময় মনটা অনেক খারাপ লাগছিল কিনতু কিছুই করার নাই।বাস্তবতাটা তো মেনে নিতে হবে।সবাই আমার ফুফুর জন্য দোয়া করবেন।।।।।।

আমি যখন হার্ট ফাউন্ডেশন এ মামুনের কাছে ছিলাম ঠিক তখনই ডিউটি ডাক্তার
আমি যখন হার্ট ফাউন্ডেশন এ মামুনের কাছে ছিলাম ঠিক তখনই ডিউটি ডাক্তার মামুন কে দেখে তার ব্লাড প্রেশার, হার্টবিট সবই নরমাল পেয়েছে। তবে ডাক্তার মামুন কে কমপ্লিট রেস্টে থাকতে বলেছে। কথা বার্তা একেবারে কম বলতে বলেছে, বিশেষ করে মোবাইলে কথা বলতে নিষেধ করেছেন। ডাক্তার আরো বলেছেন, ফেসবুক থেকে দূরে থাকতে হবে, এবং অন্তত আগামী এক মাস এই নিয়ম মেনে চলতে বলেছেন। এ প্রেক্ষিতে আমার মনে হয় মামুইন্যারে আগামী এক মাস ফেসবুক থেকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া যাইতে পারে, ওরে ফেসবুকে দেখা গেলেই শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
ক’দিনের ব্যবধানে আমার বেশ ক’জন অগ্রজ - অনুজ বন্ধুর বিয়ের পঁচিশ বছর পূর্ণ হয়েছে
ক’দিনের ব্যবধানে আমার বেশ ক’জন অগ্রজ - অনুজ বন্ধুর বিয়ের পঁচিশ বছর পূর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে একজন বন্ধু ফেসবুকে একটি কার্টুন ছবির ক্যাপশন দিয়েছেন এভাবে –
স্ত্রী : ওগো; আজ আমাদের বিবাহ বার্ষিকী। এই বিশেষ দিনে আমরা কী কী করবো বলো তো;
স্বামী : প্রথমে এসো দুই মিনিট নীরবতা পালন করি।
কার্টুনটির মধ্যে রসিকতার আধিক্য থাকলেও একটা সত্যও হয়তো লুকানো আছে। বেশ ক’বছর আগে একটি টিভি শোতে দেখলাম স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ ও ‘আলোকিত মানুষ চাই’ আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ আব্দুল্লা আবু সাইদ স্যার বলছিলেন “বিয়ে কথাটার অর্থ- ”পরস্পরকে সহ্য করে যাওয়া”।
আসলে সবগুলোই হাসি তামাশার জন্য, তবে অবশ্যই সত্যকে একেবারে আড়াল করে নয়।
আমার কথাটা সেখানে ফোকাস করতে চাই সেটা হল বিয়ের রজত জয়ন্তী পেরিয়ে আসা দাম্পত্য ভালবাসা, বিশ্বাস, আস্থা, শ্রদ্ধা, নির্ভরতা এ সবকিছুর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া ‘যুগল বন্দনায়’।
দাম্পত্যের রসায়ন না জেনেও অনায়াসে বলে দেয়া যায় যারা রজত জয়ন্তীর মালা গলায় জড়িয়ে এখনো পথ চলছে হাতে হাত রেখে – মৃত্যু ছাড়া তাদের জীবনে ছেদ – বিচ্ছেদের কোন শংকাই বিচলিত করে না আর। মৃত্যুর মতো নাছোড় সত্যও হয়তো পারবে না তাদের প্রেমের “মৃত্যু” ঘটাতে।
জীবনের ওপারেও হয়তো জড়িয়ে থাকবে তাদের বন্ধন, ছড়িয়ে থাকবে ভালোবাসা – নানা বর্ণে, ছন্দে আর সৌরভে। পঁচিশ পেরোন সব বন্ধু যুগলের জন্য রইলো তাই অভিনন্দন আর শুভকামনা।
Thursday, May 12, 2016
এটা ছিলো জামশেদের চিকন কারসাজী
এটা ছিলো জামশেদের চিকন কারসাজী । আমি মোটেও রাজি না। কমপক্ষে ৫টা গোল হজম করতে হবে। হারামজাদা আবাহনি/মোহামেডান ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করতে চায়। রেজুয়ান পাগলাকে আমার পিছে লাগিয়ে দিছে, ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজি করানোর জন্য। হারামজাদা পাগল কোমরে খুর নিয়ে আমাকে খুজে বেড়ায়, এক মহাযন্ত্রনার মধ্য পড়লাম। আবাহনী, কলোনিতে অনেক শক্তিশালী টিম। রেজুয়ান, জামশেদ, জাফর, ইকবাল,এরা সবাই চিটাগাং ২য় বিভাগে খেলে। আর মোহামেডানে ,এক বুড়া আনোয়ার ভাই ছাড়া , বাকি সবাই পাড়ার খেলোয়ার। রাত্রে আনোয়ার ভাই ডেকে পাঠালো, গিয়ে দেখি শামিমও আছে। আনোয়ার ভাই এর এক ধমকে রাজি হয়ে গেলাম। আনোয়ার ভাই, শামিম, হানিফ, বাবু[রাজিব কুমার দে], লিটন[শামছু কাকার ছেলে], আমি নিজে, আর গোলকিপার আমিনুল[ইঞ্জিঃ আনোয়ারুল হকের ভাই], রাজুও[ডি-টাইপ]।
ঠিক এই রকম ছিলো আমাদের টিম। সম্ভবত বাবলা ভাইও ছিলো। জামশেদ, রেজুয়ান, জাফর, ইকবাল, মোল্লা, আর কে কে ছিলো আবাহনীর প্লেয়ার ঠিক মনে নাই। সাজ সাজ রব পড়ে গেলো, কলোনিতে। খেলার দিন সকাল থেকে মোল্লা আমার সাথে কথা বলেনা। শানুর ভাই এর দোকান থেকে সিগারেট কিনে , একা একা খায়! বন্ধু আজ শত্রু! বিকালে মাঠে আরো ভয়াবহ অবস্থা। খেলা শুরু হওয়ার আগেই , রেজুয়ান আমার পায়ে একটা পারা দিয়ে দিলো! মোল্লা মাথায় লাল ফিতা বেধে নেমেছে। প্রচুর দর্শক মাঠে। মনে মনে ভরসা পেলাম, মোল্লার মাথায় লাল ফিতা, শালা আবার ডিফেন্সের প্লেয়ার! মাথা গরম , অতএব সুযোগ মোল্লা দিবেই।
Wednesday, May 11, 2016
আমি তখন ক্লাস থ্রি বা ফোরে পড়ি
আমি তখন ক্লাস থ্রি বা ফোরে পড়ি, বাসায় বাসায় টেলিভিশন মানে বিরাট বিশাল বিলাসিতা, হাতে গোনা দুয়েকটি বাসায় হয়ত টিভি ছিলো। তখনো আমাদের বাসায় ওই বোকার বাক্স টিভি টা আসেনি। টিভি দেখা পড়ত আগ্রাবাদে আমার মামাদের বাসায় গেলে, টিভি চ্যানেল বলতে সেই সবেধন নীলমনি আদি অকৃ্ত্রিম বিটিভি। স্যাটেলাইট চ্যানেল কি জিনিস সেটা বুঝছি িআরো দশ বারো বছর পরে।।বুঝি আর না বুঝি আটটার সংবাদ (অনেকে রসিকতা করে বলত ঠাট্টার সংবাদ), অথবা নাটক, লোক সংগীত অথবা মাঝে মাঝে জীবন বীমার সে বুড়োবুড়ির এ্যাড, এমনকি রোজিনার ি"আহা মিষ্টি কিযে মিষ্টি" খ্যাত মায়া বড়ির এ্যাড দেখার জন্যও বসে থাকতাম (ইচড়ে পাকা ছিলাম নাকি নিতান্ত সাধারন কৌতুহলে দেখতাম সেটা নিয়ে এখনো কনফিউশনে আছি) । সেই আমলে একদিন টিভি ছাড়তেই দেখি এক টিঙটিঙে লোক হা্ত পা ছুড়ে গভীর আবেগে গান গাইছে- “আলাল ও দুলাল”।
আরেকদিন রাতে দেখছি গান গাচ্ছে “অভিমানী”। পাশে বসে মামাও দেখছিলো। গায়কের গানের প্রতিভা নিয়ে আমি কিঞ্চিত সন্দেহ প্রকাশ করতেই মামুজানের হুংকার, আমারে বলল চিনোস এই গায়করে, পপ সম্রাট উনি, দেখলাম মামা কিছুটা নষ্টালজিক হয়ে পড়েছেন পপ সম্রাট সাহেব কে নিয়ে। সেদিনই জানলাম উনার নাম নাম আজম খান। যার গান স্বাধীনতার পর লাখ লাখ যুবককে বিরাট নাড়াচাড়া দিয়ে গিয়েছিল। সেদিন প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম গুরু আজম খান তার গান দিয়ে সব যুগেই সবাইকে নষ্টালজিক করে দিতে পারে।
গুরু তোমায় সালাম।
গুরু যেখানেই থাকো ভালো থেকো।
দুঃখ খুব কঠিন জিনিস
দুঃখ খুব কঠিন জিনিস। যে দুঃখে পড়ে একমাত্র সেই জানে, এটা সামলানো কত কঠিন। আবার মানুষভেদে দুঃখেরও প্রকারভেদ হয়। যেমন কেউ দুঃখে পড়ে প্রতিষ্টা পেয়ে আবার কেউ দুঃখে পড়ে খেতে না পেয়ে। কেউ দুঃখে পড়ে ভালবাসা পেয়ে আবার কেউ দুঃখে পড়ে ভালবাসা না পেয়ে। কারো দুঃখ সবার সাথে সদ্ভাব রেখে আবার কারো দুঃখ কারো সাথে সদ্ভাব না থাকার কারনে। দুঃখের এমন হাজারো মিষ্টি মধুর সমস্যা নিয়ে আমাদের জীবন। সাহস করে বলুনতো আপনার এমন দুঃখের কথা।
Tuesday, May 10, 2016
আমাদের ঝুমুর গতকাল একটা পোস্ট দিছে
আমাদের ঝুমুর গতকাল একটা পোস্ট দিছে, কে কয়টা প্রেম করছে এইটা জানার জন্য। অনেকেই বিভিন্ন ইশারা ইংগিতে উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছে বা অনেক কিছু বুঝানোর চেষ্টা করছে। একজন বিশিষ্টা জন তো দুপুরের খাওয়ার সময় তো পুরা পেজই গরম কইরা দিছিলেন। আচমকা গরম করে দিয়া আবার আচমকা উনি কোন দিকে চলে যান বড়ই রহস্যময়।
যা হোক প্রেম ভালোবাসা সংক্রান্ত ব্যাপারে সবাই যে খুবই উৎসাহী এ ব্যাপারে সিএসএম জাতির কোন সন্দেহ নাই। এখানে এ বিষয়ে এক এক জন এরশাদ কাকুর যোগ্য শিষ্য।
আচ্ছা অনেকে তো অনেক লেকচার দি ফেলছেন ঝুমুরের পোস্ট লই। এইবার বলেন তো প্রেম করতে যাই কে কিভাবে গার্জিয়ান এর হাতে কট খাইছেন?
এ ব্যাপারে আমাদের এরশাদ কাক্কুর একটি অমর বানী আছে,
"যারা প্রেম করতে গিয়ে সিঁড়ির নীচে ধরা পড়ে নাই,তারা কোন দিন সত্যিকার প্রেমের মর্ম বুঝবেনা"।
সিএসএম নিয়ে অনেক কিছু করার চিন্তা ছিল
সিএসএম নিয়ে অনেক কিছু করার চিন্তা ছিল।সবাই মিলে ছোট একটা জায়গায় একসাথে থাকার,হয়তো হবে,হয়তো হবে না,সেটা আল্লাহ জানেন।আমি কি আগের মত হতে পারবো কিনা বুঝতে ছি না।
তারপর ও একটা কথা বলি সবাই এক থাকিয়েন।হয়তো আমি বোকা,বেশী কথা বলি,আপনাদের মাঝে মাঝে বেশী বিরক্ত করি।তারপর বলবো সবই যে বন্ধন তৈরী করছেন, তা যেন ছোট- খাট মান অভিমানে নষ্ট না হয়।
আমি সিএসএম এর সকলের আমার প্রতি ভালবাসায় মুগ্ধ।আমি চাইবো এটা যেন সব সময় থাকে।
Monday, May 9, 2016
সবার নিকট কৃতজ্ঞ
সবার নিকট কৃতজ্ঞ। যারা এসেছেন ও যারা আমার জন্য দোয়া করেছে।বিশেষ করে ছোট ভাই মুরাদ এর কারনে মনে হয় আল্লাহ আমাকে এ যাএায় বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেছে।গতকাল মেডিকেল থেকে বাসায় এসেছি।মেডিকেল এ সাতটা ইনজেকশান দিছি,বাকী দুইটা বাসায় দিলে হবে।নাজমুল ভাই,জসিম ভাই,নিরু ভাই,নুর উদ্দিন।টিংকু,মাসুক ভা ই এসেছিল।মুরাদ কে নিয়ে।ছোট ভাইটি ব্যাস্ততার মাঝে এসে ইনজেকশন দিয়ে গিছে।ভাইটির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি।যেন আল্লাহ ভাইটিকে অনেক বড় করে।
আগামী বুধবার ঢাকা আসবো।রিমুর ওখানে এনজিওগ্রাম করতে হবে।সবাই দোয়া কইরেন যেন আল্লাহরর রহমতে অল্পতে সেরে উঠতে পারি।
আর পরিশেষে যদি আমি কখনো কোন কাজে কারো মনে দুঃখ দিয়ে থাকি আমাকে মাপ করে দিবেন।সবাই কে অনেক শুভেচ্ছা।
যখন স্টিল মিল কলোনীর বাসায় ছিলাম
যখন স্টিল মিল কলোনীর বাসায় ছিলাম,বাসার বারান্দা থেকে এয়ারপোর্টে নামতে থাকা বা উঠতে থাকা প্লেনগুলো খুব কাছাকাছি দেখা যেত । রাতের আকাশে লাল সবুজ বাতি জ্বালিয়ে বুম বুম করে চলে যাওয়া প্লেনগুলো এই ছোট্ট আমি মুগ্ধ চোখে দেখতাম,অবাক হতাম আর ভাবতাম প্লেনগুলোর ভেতরের মানুষগুলো কি আমাদের দেখতে পায়??
বাসার ভেতর থেকে মা ডেকে বলতেন,"তরু,এক্ষুনি পড়তে বোসো"
বিরস মনে পড়ার টেবিলে যেতে যেতে ভাবতাম একদিন অনেক বড় হবো,পড়ালেখা থাকবেনা, তখন সারারাত বারান্দায় বসে শুধু প্লেন দেখবো...
স্টীল মিল কলোনীর সেই বাসা ছেড়ে এসে আজ ৯বছর ।
এখন অনেক বড়ও হয়েছি,যতটুকু বড় হলে সবাই বড় বলে গন্য করে-ততটুকু...
অবসরও থাকে বেশ । কিন্তু প্লেন দেখা হয়না আর । বিশাল বিশাল দালানকোঠা,সশব্দে এগিয়ে চলা হরেক রকম যানবাহন আর রাতের আঁধারকে হার মানানো দানব ফ্ল্যাশলাইটগুলোর এই যান্ত্রিক শহরে ঠিকঠাক আকাশটাই দেখা হয়না আজকাল ।
আজ আকাশে ক'টা তারা উঠলো,তারাগুলোর কি নাম দেয়া যায়, প্লেনগুলোর মানুষগুলো কেমন- এসব কিচ্ছু ভাবা হয়না আর ।
অবসর কাটে মুভি দেখে বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে মানুষের শো অফ দেখে ।
ছেলেবেলা কেটে গেলো,সাথে সাথে সব ইনোসেন্ট সুখগুলো ও যেন নিয়ে গেলো ।
বিকেলে মাঠে একটু বেশিক্ষন খেলতে পারা বা রাতে বারান্দার গ্রীল ধরে দাঁড়িয়ে একটু বেশিক্ষন প্লেন দেখতে পারা- কি অল্পতেই না মন হেসে উঠতো ।
কিচ্ছু হয়না এখন আর । কিচ্ছুনা । আজ বহুদিন পর ছাদে উঠে হা করে প্লেন দেখতে দেখতে ভাবছি
বড় হয়ে কি খুব অপরাধ করে ফেললাম??
Now I know why some people say,
"Don't grow up,it's a trap"!!!!!
গত কয়েকদিন শরীরটা ভাল যাচ্ছিল না
গত কয়েকদিন শরীরটা ভাল যাচ্ছিল না। গত পরশু রাত বারটার সময় ডাক্তারের সিরিয়াল পেয়েছিলাম। ডাক্তার কিছু টেস্ট দিলেন। গতকাল টেস্টগুলা করতে পারি নাই। তাই আজকে সকালে গেলাম। কাউন্টারে টাকা জমা দিয়ে স্যাম্পল কালেকশান রুমের বাইরে অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিছু সময় পরে ডাক দিলেন। রুমের ঢুকার পরে একজন কম বয়স্ক মহিলা (সম্ভবত বিবাহিতা) জিজ্ঞাসা করলেন কি নাম? নাম বললাম। আবার উনি বললেন আপনি কি রুগি? আমি বললাম কোন সমস্যা? উনি বললেন সমস্যা নাই, বসেন। উনার সামনে বসলাম। ব্লাড নেওয়ার জন্য উনার প্রস্তুতি শেষ করে বললনে বাম হাত দেন। আমি বাম হাত দিয়ে বললাম এই পাশে চেষ্টা করেন। উনি আমার কথা না শুনে সচরাচর যেখান থেকে ব্লাড নেওয়া হয় সেখান থেকে যখন রক্ত নিতে যাবে, তখন আমি আবার বাঁধা দিলাম। আমাকে উল্টা বলতে লাগলেন আমি পাঁচ বছর ধরে এই কাজ করছি। একথা শুনে আমি আর কিছু বলি নাই। উনি আমার বাম হাতে সিরিঞ্জ ঢুকিয়ে এদিক ওদিক ঘুরিয়ে অনেক ট্রাই করলেন কিন্তু রক্ত বের হলো না। মাথা গরম হয়ে গেল। এবার আমি বলতে লাগলাম আপনি পাঁচ বছর ধরে রক্ত নেন আর আমি সন্ধানিকে ১৯৯০ সালে প্রথম Blood donate করেছি। এবার এই মেয়ের চেহেরা লজ্জায় লাল হয়ে গেছে। মুখে কোন কথা নাই। পরে তাদের সিনিয়র এক ভাইকে বললেন ভাইয়া ওনার স্যাম্পলটা কালেক্ট করেন। ভদ্রলোকটি বললেন আপনার ডান হাত দেন। তখন আমি হাত দিয়ে বললাম ভাই এই পাশে ট্রাই করেন। লোকটি আমার কথা মত ট্রাই করলো এবং সাথে সাথে পেয়ে গেলো।
Sunday, May 8, 2016
Who was the cricket captain of CSM young team and members?
Who was the cricket captain of CSM young team and members?
I could remember CSM once join CJKP Cricket league and did miserably poor performance. That was first and that was last of CSM cricket.
Ofcourse CSM football team was strong enough. Once Salauddin, TutuI, Chunnu, Amolesh played for CSM FT.
I also could remind Victor was your Cricket umpire and Sajedul, Iqbal, Halim,Titu, Apu, Mithu, Mitu and someother names as good players.
I used to enjoy your 'Colony Cricket' sitting on balcony of C-4/A
NOSTALGIC
আক্ষেপ
মানুষ সামাজিক জীব, মানুষ মিলেমিশে থাকতে ভালবাসে,এক মানুষ আরেক মানুষের সুখে দুঃখে বিপদে আপদে এগিয়ে আসবে এটাইতো মানুষের ধর্ম হওয়া উচিত আর স্টিলার হলে তো কথাই নাই। আবার রুটি রুজির জন্য বিভিম্ন পেশায় জরিয়ে যাবে এটাও ঠিক, কিন্তু এই পেশা অনেক মানুষ কে অসামাজিক করে দেয়, এই যেমন আমাকে করেছে,আদরের ছোট ভাই মামুন চার দিন মেডিকেলে আমি মাত্র একবার দেখতে গেলাম তাও মেহমানের মত, নাজমুলের শাশুড়ি মেডিকেলে আছে আমি একবারও দেখতে যাই নাই,লিটনের বউ সাভারে প্রতিদিন ফোন করে যাই নাই একবারও, তারিক ঢাকায় ছিল যেতে পারি নাই বাসার কাছে শামিম মারা গেল যেতে পারলাম না, মাঝে মাঝে ঘৃনা হয় নিজের উপর, অথচ ওরা আমার বিপদে এগিয়ে এসেছে বারবার, চিন্তা করি এই চাকরি কতই না আমাকে অসামাজিক করেছে, এই আক্ষেপ থাকবে চির কাল, ক্ষমা চাই সবার কাছে
কোন এক নির্দিষ্ট দিনে মা দিবস
কোন এক নির্দিষ্ট দিনে মা দিবস, বাবা দিবস পালন ব্যক্তি গত ভাবে আমি বিশ্বাস করিনা। মা দিবস বাবা দিবস, সন্তান দিবস, নানা নানি দিবস এই ধ্যান ধারনা টুকুই আমার কাছে ফালতু লাগে। এই সব ধারনা বের হয়েছে পশ্চিমা সংস্কৃতির বানিজ্যিক ঘিলু থেকে। একটা জিনিস খেয়াল করুন, এই মা দিবস বাবা দিবস কোন নির্দিষ্ট তারিখে হয়না, হয় নির্দিষ্ট একটি দিন বা বারে। যেমন মা দিবস মে মাসের দ্বিতীয় রোব বার আর বাবা দিবস সম্ভবত জুলাই মাসের দ্বিতীয় রোববার। রবিবার পশ্চিমা দের সাপ্তাহিক ছুটি। এদের অনেকের বাবা মা থাকে বৃদ্ধাশ্রমে বা ছেলে মেয়েরা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে যাবার পর যে যার মত আলাদা থাকে। তাই এক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তারা ঘটা করে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু উপহার সামগ্রী নিয়ে মা অথবা বাবার সাথে দেখা করে। সেখানে আন্তরিকতার লেশ কতটুকু আছে সেটাই মূখ্য বিষয়।
আর এই বিষয় গুলোতে আরো তাল দিয়েছে বিশ্বব্যাপী প্রসারিত কিছু উপহার সামগ্রী উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান। এবং এই সব দিবসের ধ্যান ধারনা তারা পুরো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়, এবং তাদের সহায়তা করে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় কিছু মিডিয়া। এক দিক থেকে বলা যায় ওই সব বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গুলো ব্যবসায়িক ভাবে পুরোপুরিভাবে সফল।
আমাদের সংস্কৃতিতে মা দিবস বাবা দিবস কোন বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, প্রতিটি দিনই আমাদের মা বাবা দিবস হৃদয়ের আন্তরিকতা থেকেই।
Matro Chandan chachi ph korlen
Matro Chandan chachi ph korlen. Ami just receive kore bollam chachi ami apnak ring back korchhi. Then ph korlam. Jedin giyechhilam oidinker golpo korlen. Bujhlam sharirik bhabe fully fit na holeo manoshik bhabe besh bhalo achhen ekhon. Etao chachi ke shustho hote onekta holeo help korbe Insha Allah. Aj Atiq Csm giyechhilo chachi ke dekhte. Chachir onek khoj khobor niyechhe atiq. Shaddho moto kichhu korte chesta korechhe. Chachi bhishon khushi hoyechhe atiq er upor. Thanks atiq. U did very well. Thanks a lot. Jotota helpless chachi hoye giyechhilen, ekhon tini kichhuta holeo vorosha pachhen. Shotti khub dorkar chhilo shobaike ei ekla manush tar. rajib er kothao bollo chachi. Rajib gotokal giyechhilo. Khub khushi hoyechhe chachi.
চন্দন চাচী আমার বাসার এতো কাছে থাকে অথচ আমি জানতাম না
চন্দন চাচী আমার বাসার এতো কাছে থাকে অথচ আমি জানতাম না। চাচীরা ২০০৯ সাল থেকেই মিরপুর ১০ এলাকায় থাকতো আর আমিও প্রায় কাছাকাছি একই এলাকায় থাকি ৯৯ সাল থেকে তারপরও কখনো যোগাযোগ হয়নি। এখন এমন সময় চাচির সাথে দেখা হলো যখন সবকূল হারা এক অসহায় মা।চাচী এখন অবশ্য ইষ্টার্ন হাউজিং পল্লবি থাকেন।
আজ চাচিকে দেখতে গিয়েছিলাম,এটাই চাচির সাথে আমার প্রথম পরিচয়, কলোনিতে উনার সাথে কখনো আমার পরিচয় বা কথা হয়নি। আজ প্র্থম দেখাতে চাচির যে আন্তরিকতা ও স্নেহ দেখেছি মনে হলো যেন কলোনির সেই চন্দন চাচি কে দেখছি। আমাদের কলোনির অনেক কথা বলেছেন। কথা বার্তার বেশির ভাগ সময়ই চাচি ছিলেন আবেগপ্রবণ।

সাব্বিরের বউ এখনো দেশের বাইরে
সাব্বিরের বউ এখনো দেশের বাইরে, বেচারা বেশ কয়েক দিন ধরে একা একা দিন রাত পার করছে। দিনের বেলা অফিস ব্যবসায় নিয়ে সময় কেটে গেলেও সন্ধ্যার পর বাসায় এসে আর ভালো লাগেনা, কতক্ষণ আর টিভি, নেট ভালো লাগে ? বেচারা আবার পার্টি ক্লাব এইসবে মিশতে পারেনা।
আজ ৮ মে, সাব্বিরের অনেক কষ্টের দিন আজ, বেচারা সকাল থেকে মনমরা হয়ে আছে, অথচ আজ তার হওয়ার কথা ছিল সবচেয়ে আনন্দের দিন। কিন্ত মানুষ প্ল্যান বানায় এক, আর বিধাতা উপর থেকে মুচকি হেসে করে দেয় আরেক রকম।
সাব্বির দেশের বাইরে তার বউ নিলা কে ফোন দিল। বউ য়ের সাথে কথা বলে বেচারার আরো মন খারাপ হয়ে গেছে বউয়ের আগামী সপ্তাহে দেশে ফেরার কথা ছিল,ট্রেনিং এর সময় কাল আরো পনেরো দিন বাড়ানো হয়েছে, আগামী মাসের আগে আর সাব্বিরের বউয়ের দেশে ফিরা হচ্ছেনা। মুখ ভোতা করে সাব্বির অফিসে বসে তার টিভি টি ছাড়লো, সব জায়গায় আজ রবি বাবু, নেটে ঢুকলেও আজ একই জিনিস। সাব্বিরের মনে হচ্ছে সবাই যেন আজ সাব্বির কে এই ৮ মে তারিখ টি মনে করিয়ে দিয়ে ব্যাংগ করছে। সেদিন শপিং মলে মিরার সাথে দেখা হলেও কারো ফোন নাম্বার বিনিময় হয়নি। না হলে আজ সাব্বির মিরা কে ফোন দিয়ে আজ কের এই দিন টি নিয়ে আলাপ করত। সাব্বিরের মন খারাপ হয়ে আছে, তার মন খারাপ হলে সে চোখ বন্ধ করে সমুদ্র কল্পনা করে, আজো সে তাই করছে। না! আর কল্পনা নয়, আগামী সপ্তাহে সরকারি কিছু ছুটি আছে, তখন সাব্বির সমুদ্রের কাছ থেকে ঘুরে আসবে।
Saturday, May 7, 2016
মেডিকেল সেন্টার, সিসিইউ তে মামুন, দ্রুত বাহির হয়ে আসার অপেক্ষায়
মেডিকেল সেন্টার, সিসিইউ তে মামুন, দ্রুত বাহির হয়ে আসার অপেক্ষায়। পাচঁটা ইনজেকশন পুশ করা হয়ে গেছে, আরো চারটা পুশ করতে হবে। মামুন এখন ভালোই আছে তবে ব্লাডে একটা টেষ্ট রিপোর্ট এ রিডিং আসার কথা -০.২ যা মামুনের ছিলো +৫.৪ (ভর্তির সময়) এখন আছে -০.৭। আগামী সোমবার দুপুরে মামুকে আশা করছি বাসায় নিয়ে আসা যাবে।
গরুর ঝোল/চর্বি/ছাগলের মাংস/তৈলাক্ত যেকোন খাবার/ফাষ্ট ফুড খাওয়া মামুনের জন্য CSM Colony এর পক্ষ থেকে মোটামুটি হারাম ঘোষনা করা হলো।
এবার বলি বাকি সদস্যদের, এখনো সময় আছে সাবধান হয়ে যান, মামুন নিজের পকেটের টাকা খরচ করে সবায়কে এলার্ম দিয়ে গেলো।
আগের মতো চললে খবর আছে।
দুপুর ১২ টায় ঢাকা এসে চন্দন চাচী আর আতিক ভাইয়ের আব্বা আম্মার সাথে দেখা করে যশোর পৌছলাম এখন
দুপুর ১২ টায় ঢাকা এসে চন্দন চাচী আর আতিক ভাইয়ের আব্বা আম্মার সাথে দেখা করে যশোর পৌছলাম এখন| কাছের মানুষদের কাছ থেকে বেশিদিন দূরে থাকা যায় না| এক ঘন্টা ছিলাম চন্দন চাচীর সাথে| বহু বছর পর চাচী আমাকে দেখলেন| চাচীর সাথে শেষ দেখা হয় ৯৩/৯৪ সালে| আমার বয়স তখন ৯/১০| এতো বছর পর দেখা !! খুব ভালো লেগেছে| চাচীর আন্তরিকতা কমেনি একটুও| গান শুনতে চাইলেন চাচী | হেঁড়ে গলায় তিনটা গান শুনালাম চাচীকে| tongue emoticon আসার সময় চাচী হালুয়া আর পিঠা প্যাক করে দিলেন তাড়াহুড়োয় খেতে পারিনি বলে | এই আন্তরিকতা csm ছাড়া অন্য কোথাও সম্ভব না| আসার পথে আতিক ভাইয়ের বাসায় গিয়ে চাচা চাচীর সাথে দেখা করে আসলাম| দরজা থেকে বিদায় নিয়ে এসেছি সময় ছিলনা বলে| খারাপ লেগেছে দু'মিনিটের মাথায় চলে আসতে |আবার আসবো ইনশাআল্লাহ্ | সময় নিয়ে আসতে পারলে ভালো লাগতো |

কাল চন্দন চাচির বাসায় গেলাম আমি আর শর্মি
কাল চন্দন চাচির বাসায় গেলাম আমি আর শর্মি। চাচির বাসাটা মেলা ভিতরে।চাচি নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন,আমরা বাসা চিনবনা বলে।এসে সালাম করলাম।জড়িয়ে ধরলেন।পরে বাসায় ঢুকে আব্বা আম্মার ছবি দেখালাম,দেখে পরে ভাল করে চিনলেন। ছুটোছুটি শুরু করে দিলেন কি খাওয়াবেন। কিসের যেন বড়া বানিয়েছিলেন, সন্দেশ আর কোক খেতে দিলেন। আরো কি খাওয়াবেন শুধু তাই বলছিলেন। মেয়েটাকে নিয়ে একা থাকেন। পরিপাটী ঘর। ভাবছিলাম বয়স আর সময় মানুষ কে কি বানায়। শুনেছি খুব স্টাইলিশ ছিলেন। তার ছিটেফোঁটা নেই। বাইরে যাবেন,যা পরা ছিলেন তা পরেই আমাদের সাথে বের হলেন। কাল গাড়িটা হঠাত ডিস্টার্ব দিচ্ছিল বলে গাড়ি নিয়ে যেতে পারিনি। সিএসজিতে করে শায়লার বাসা অব্দি আসলাম। খুব জোর করছিলেন আমাদের ভাড়াটা দিয়ে দিবেন। জোর করেই থামালাম। কিন্তু বললেন একদিন সময় করে যেতে, উনি রেঁধে খাওয়াবেন। এটাই ভালবাসা যা শুধু মায়েদের কাছেই পাওয়া যায়। উনি খুব খুশি সবাই খোজ নিচ্ছে,যাচ্ছে। উনি বললেন আমি ত অর্ধেক সুস্থ হয়ে গেছি। আল্লাহ উনাকে সুস্থ করুন মনেপ্রাণে তাই চাচ্ছি।
২০০৪ সালের ২৯ এপ্রিল সকালে আমার দাদী মারা যায়
২০০৪ সালের ২৯ এপ্রিল সকালে আমার দাদী মারা যায়, তখন আমাদের সবাই সবুজবাগ, চিটাগাং থাকি। আর আমি চাকরীর কারনে ঢাকায় থাকলেও সাধারন ছুটিতে চিটাগাং আসি তার আগের দিন।সকালে এই দু: সংবাদ টি আমার মোবাইলে প্রথম আসে, তখন আব্বা সকালের নাস্তা করছিলো, খবরটি সরাসরি আব্বাকে ওই মূহুর্তেই দেয়ার সাহস আমার হচ্ছিল না, কোন মতে আম্মাকে জানিয়ে আমি আমাদের পাশের বিল্ডিং এর রফিকুল মওলা চাচাকে আগে খবরটি দেই, সাথে সাথে চাচা চাচী বাসায় এসে কৌশলে আব্বাকে জানায়, যদিও আব্বা খবরটি শুনে স্বাভাবিক ছিলো,তাাঁদের খবর জানানোর ধরনটিই আব্বাকে স্বাভাবিক রেখেছিলো।হয়ত আব্বা তাঁর কষ্ট নিজের মনেই চেপে রেখেছিলো, আর আমরাও যথাসম্ভব স্বাভাবিক ছিলাম। সেদিন ছিলো আবার হরতাল, গ্রামের বাড়িতে যাওয়াযও সম্ভব হচ্ছেনা, পরের দিন আমরা বাড়ি গেলাম। কিন্তু সেদিন সারাটা দিন মওলা চাচা চাচী সহ বিল্ডিং এর অন্যান্যরা যেভাবে আমাদের মানসিক সাপোর্ট িযুগিয়েছিল তার তুলনা হয়না। এমন কি সেদিন সকালের পর থেকে পরদিন সকালে বাড়িতে রওনা দেয়ার আগ পর্য্যন্ত আমাদের বাসায় রান্না করতে দেয়নি মওলা চাচা চাচী, দুপুর ,রাতের খাবার এবং সকালের নাস্তা উনাদের বাসায় করেছি।
Friday, May 6, 2016
আজ মামুনকে দেখতে গেলাম তবে একটু দেরীতে
আজ মামুনকে দেখতে গেলাম তবে একটু দেরীতে। সাতটা বাজার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে নিজে কখন ঘুমিয়ে পড়লাম বলতেই পারলাম না। সুজনের ফোনে ঘুম ভাংলো। জানলাম সবায় আসছে আজকে আবার আসলো তিনজন বড় ভাই যারা সময় দিতে পারেন না ব্যস্ততার কারনে। যত দ্রুত চালিয়ে যাওয়া চালিয়ে হাজির হলাম। কবির ভাইকে মনে হয় দেখলাম ২০ বছর পর আর বাবুদাকে দেখলাম মনে হয় ছয় সাত বছর পর। মাসুক ভাই আসলো যে কিনা নিজেই অসুস্থ। সবায়কে দেখে খুবই ভালো লাগলো। এভাবেই আমরা একত্রিত হতে থাকবো। তবে এর একটা প্রতিষ্ঠানিক রূপ থাকলে আরো ভালো লাগতো এবং নিজেদের অনেক সিকিউরিড মনে হতো।
আবেগ দিয়ে শুধু কাজ হবে না আল্লাহ কে স্মরণ করুন
সবার অবগতির জন্য আজ জুম্মার নামাজের পর আমার জন্য, তারিক,মামুন, পাপ্পু, লিটনের বউ এবং,চন্দন চাচির জন্য দোয়া করা হয়েছে আমার এরিয়ার মসজিদ এ।
আমি সবার কাছে বিনিত অনুরোদ করছি যে, যে যেখানে ই আছেন বা থাকেন সবাই এখন থেকে দুরেদে সাফা(লা ই লাহা ইল্লা আন্তা সোবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালেমিন) এই দোয়াটি পড়বো এবং পড়া শেষ হলে আমি সবার জন্য একটি মিলাত পড়াব।এই দোয়াটি ১,০১,১১১ পড়তে হবে।সবাইকে অনুরোদ করছি সবাই নুনতম ৫০০০বার পড়ে লিখে দেন পড়া হয়েছে অবশই আগামি শুক্র বার এর আগে।
আর যারা অসুস্ত আছেন দয়া করে জানাবেন সকলের জন্য দোয়া,
চাওয়া ও করা হবে আল্লাহ তালার কাছে।
বাড়িয়ে দাও তোমার হাত
" বাড়িয়ে দাও তোমার হাত-
আমি আবার তোমার আঙুল ধরতে চাই ; "
আজ সকালে গুলশান পার্ক এ হাটতে হাটতে মাইক্রোফোনে গানটি শুনছিলাম। নতুন প্রজন্মের প্রেমের গান। কিন্ত শুধুই কি প্রেম? বড় করে চিন্তা করলে কি নেই এখানে? ভালোবাসা, বিশ্বাস, আস্থা,সর্বোপরি নির্ভরতা।
গত সপ্তায় চন্দন চাচীকে দেখতে গিয়ে দুদিন পরে যে পোস্ট দিয়েছিলাম তাতে স্টিলারদের যে আবেগ, অনুভূতি,সহমর্মিতা দেখেছিলাম তাতে অভিভূত হয়েছিলাম। তোমরা সবাই যেভাবে রেসপন্স করেছ তাতে মনে হয়েছে 'আমরাতো অনেক কিছু করতে পারি।'
এখন সেই করে দেখাবার সময় । শুধু চাচী নয়, আমাদের মধ্যে আরো যারা অসহায় তাদের সবার জন্য আমাদের সাধ্যমত যা করার তা আমরা করতে চেস্টা করবো-এই আহবান থাকবে সব স্টিলার ভাই-বোনদের কাছে।
ঢাকা,চট্টগ্রাম ছাড়াও আমাদের মধ্যে যারা বিদেশে থাকে সবার প্রতি এই আহবান।
জড়িয়ে ছিলাম, ছড়িয়ে আছি কিন্তু "জড়িয়েই" থাকতে চাই আমরা সুখে-দুখে, আনন্দ-বেদনায়।
SORRY মা
দশ মাস দশ দিন আমার দেয়া শত কষ্ট সহ্য করেও আমাকে আকরে ধরেছিলে বলে SORRY মা,,,,,
গর্ভে থাকাবস্হায় ক্ষুধার যন্ত্রণায় তোমাকে লাথি দিয়েছি বলে SORRY মা,,,
ভূমিষ্ঠের সময় তোমাকে কষ্ট দিয়েছি বলে SORRY মা,,,,,
বিনা স্বার্থে আমার প্রান বাঁচাতে এক ফোঁটা দুধ দিয়েছো কিন্তু তোমাকে খেতে দেইনি বলে SORRY মা,,,,,
রাত জেগে নিজে না ঘুমিয়ে আমাকে ঘুম পাড়িয়ে ছো কিন্তু তোমাকে ঘুমাতে দেইনি বলে SORRY মা,,,
শুকনো কাঁথায় আমাকে শুইয়েছো কিন্তু তোমাকে প্রশাবে ভেজানো কাঁথায় শুইয়েছি বলে SORRY মা,,,,,,
গরমে আমাকে ঠান্ডা বাতেসে রেখেছো কিন্তু তোমাকে গরমে রেখেছি বলে SORRY মা,,,,
লোকমা তুলে খাওয়ানোর সময় তোমার হাতে কামড় দিয়েছি বলে SORRY মা,,,
ভালো খাবারটা কেড়ে নিয়ে খেয়ে ফেলেছি বলে SORRY মা,,,,,
কারনে অকারনে তোমাকে অনেক জালিয়েছি বলে SORRY মা,,,,,,
এই জুমার দিনে আমরা আমাদের সিএসএম এর যত ভাইবোনেরা শারিরিক অসুসথ তাদের সবার জন্য দোয়া করি
এই জুমার দিনে আমরা আমাদের সিএসএম এর যত ভাইবোনেরা শারিরিক অসুসথ তাদের সবার জন্য দোয়া করি উনারা যেন তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।আমি বিশেষ করে মামুন ভাইয়ের কথা বলছি।উনাকে ছাড়া আমাদর এই পেইজটা কেমন জানি খালি খালি লাগছে।গতকাল উনার অসুখের কথা শুনে মনটা খুব খারাপ লাগছিল।ঠিক যেমন খুব আপন আর কাছের কেউ অসুসথ হলে যেমন লাগে।আজ বুঝতে পারলাম আসলে আমাদের এ পেইজটা আমাদের একটি পরিবার।আমি ভাইকে দেখার জন্য যেতে চেয়েছিলাম কিনতু ঐ জে ওখানে গিয়ে ভির করা জাবে না। যখন নাজমুল ভাইয়ের পোসট টা দেখলাম মামুন ভাই একটু সুসথ তখন আললাহর কাছে শুকুরানার দুইরাকাত নামায আদায় করলাম।আললাহকে বললাম মামুন ভাই জেন উনার বাচচার,ভাবীর আর আমাদের সবার জন্য জেন ভাল হয়ে জান।ভাল থাকেন ভাই আর তাড়াতাড়ি আমাদের পেইজে আগমন করেন আমরা আপনার অপেক্ষায় আছি।
Thursday, May 5, 2016
মনটা আসলেই দুঃখ/কষ্টে ভরে গেছে
মনটা আসলেই দুঃখ/কষ্টে ভরে গেছে। তারিক কে দিয়ে, কষ্ট টা শুরু হয়ে ছিলো। পাপ্পু সিরিয়াস অসুস্থ হয়ে বিসানায়। এর কোনো চিকিতসা আছে কিনা, তাও সঠিক জানিনা। সামছু কাকার ছেলে, লিটন। লিটন এর বউও অসুস্থ। টাকার দরকার। ৮০০০০ হাজার টাকার মত দেওয়া হয়েছে। আরো কিছু দরকার। নজরুল, এক সময় কলি ভিডিও তে বসতো। বেচারার কিডনিতে সমস্যা। খুব সিরিয়াস না। তবে চিকিতসাটা না হলে, সামনে সমস্যায় পড়ে যাবে। নজরুল এখন চাকুরি করেনা। তারো কিছু টাকার দরকার। চন্দন চাচিও অসুস্থ। যার এই কুলে ধরতে গেলে কেউই নেই। খুব কস্ট করে উনি, নিজের চিকিতসা চালিয়ে যাচ্ছেন। আজ অসুস্থ হয়ে পড়লো, আমাদের মামুন। এই পেজটির একটিভ কর্মি। এই পেজের সকলের খবর যার নখদর্পণে। জন্মদিন/বিবাহ বার্ষিকী তে ঘটা করে শুভেচ্ছা জানানোর প্রচলনটা আমাদের মামুনের সৃস্টি। ঝগড়া বিবাদে, মামুন সবার আগে এগিয়ে আসে সেটা থামানোর জন্য। খুব বিশ্বাস নিয়ে বলে, আমরা আমরাইতো। আসলেই আজ কে খুব চিন্তায় পড়ে গেছি।
আমরা কি প্রস্তুত? আমাদের ভাই/বোন/বাবা/মা'দের পাশে দাড়াতে? যাদের সামর্থ্য নাই, বড় আশা করে যারা স্টিলারদের পানে তাকিয়ে থাকে। কঠিন এই জগত, টাকা পয়সার কাছে, মানুস বড় অসহায়।
৬৫০ জনের এক বিশাল বহর আমাদের। সরাসরি একটিভ, মনে হয় ৫০/৬০ জন হবে। কতক্ষন টিকে থাকা সম্ভব এই কয়টি ভাই/বোনের? যখন অর্থনৈতিক ব্যাপার গুলির মুখোমুখি হতে হয়?
ধীরে ধীরে আমরা এই অল্প কয়জন, এক কঠিন দিনের সামনে পড়তে যাচ্ছি।
আমাদের মামুন সুস্থ হয়ে ফিরে আসবে, ইনশাল্লাহ। আল্লাহ পাক মামুন কে রহম করুন। আমাদের এই ভাইটি যেন, সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।
আল্লাহ পাক যেন, আমাদের সবাইকে মাফ করে দেন।
আজ দুপুরে বাইরে যাব
আজ দুপুরে বাইরে যাব। গাড়িটা আনতে পার্কিং এ গেলাম। গাড়িটার ঝাড়পোছও করতে হবে। ফোনে চার্জ কম থাকায় ওটাকে চার্জে রেখেই গেলাম। গাড়ি এনে বাসায় ঢুকার সাথে সাথেই উমাম ইনানের চিৎকার। আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না ওরা যা বললো তা শুনতে। মামুনের হার্ট এটাক হয়েছে। ও অসুস্থ দুদিন ধরে,টেস্টও করিয়েছে,রিপোর্ট আজই পাবার কথা। এর মাঝেই এই খবর!!! মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। বাইরে যেতে আর ইচ্ছা করছিলনা।কিন্তু যেতেই হল। নাজমুল ভাইকে ফোন দিলাম। ওটা করে আরো ঘাবড়ে গেলাম। উনি বললেন পরে ফোন করতে। বিকাল অব্দি অপেক্ষা করে নাজমুল ভাইকে আবার ফোন দিয়ে খবর নিলাম। এই ছেলেটার প্রতি আমার বিশেষ দুর্বলতা আছে। আব্বা চলে যাবার পর আমার হয়ে খবরটা সবাইকে জানানো, আবার মিলাদের খবর দিয়ে সবাইকে নেত্রকোনা যাবার জন্য বলা এই কাজগুলা সে করেছে। আজ সারাটাদিন খুব কস্ট লেগেছে। ওর ছবি দেখার পর ভাল লাগলো। ভাই মামুন,আল্লাহ রোগ দিয়েছেন,সুস্থতাও তিনিই দেবেন। ঘাবড়াস না,আল্লাহ আছেন। আর আমরা সবাই আছি তোর সাথে। Aslamuddin Mamun
বেশ কটা দিন ধরে মানসিক এবং শারীরিক চাপের মধ্যে আছি
বেশ কটা দিন ধরে মানসিক এবং শারীরিক চাপের মধ্যে আছি।।তাই আর আগের মতো পেজে খুব একটা সময় দিতে পারছি না।।আজ সারা দিনে একবারের জন্যেও পেজে ইন করতে পারিনি।।কেমন যেন একটা দায় থেকেই লিখাটা লিখছি।।লিখাটা লিখার পনেরো থেকে বিশ মিনিট আগে একটু করে পেজে ইন করেছিলাম।।ঢুকতেই একটা নিউজ দেখে মনটা অত্যন্ত খারাপ হয়ে গেল।।মামুন ভাই অসুস্থ।।নামটা পড়তেই বুকের ভেতরটা একটা মোচড় দিয়ে উঠল।।পুরো খবরটা পড়লাম এবং সাথে সাথে জসীম ভাইকে ফোন করলাম এবং বিস্তারিত জানলাম।।মামুন ভাইয়ের একটু উদাসীনতার কারনেই নাকি আজকের এই অবস্থা।।মুরাদ ভাই নাকি উনাকে কয়েক বার বলেছিলেন ভর্তি হতে কিন্তু উনি হননি।।আমার প্রশ্ন ভাই আপনি এতো উদাসীন কেন??!!!??আমাদের জন্য আপনি এতো চিন্তা করেন কিন্তু নিজের জন্য কেন নয়!!??প্লিজ ভাই পরবর্তীতে এমনটা যেন আর না হয়।।নিজের জন্য,,নিজের পরিবারের জন্য,,আমাদের জন্য,,আমাদের পেজের জন্য একটু সচেতন থাকবেন।।আর সবার মতো আমিও দোয়া করি আল্লাহ্ যেন আপনাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন।।আবার যেন আপনি আমাদের মাঝে আনন্দ বার্তা নিয়ে হাজির হতে পারেন।।আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন মামুন ভাই।।কারন আমাদের সকলের দোয়া আপনার সাথে আছে।।আর একটা কথা,,এ মাসে কিন্তু আমার জন্মদিন।।আমি চাই আর সবার মতো আপনিও আমাকে সবার মাঝে উপস্থাপন করবেন।।পরিচিত করবেন।।শুভেচ্ছা জানাবেন।।
আল্লাহ্ তুমি মামুন ভাইকে দ্রুত বিপদ মুক্ত করো।।সাহায্য করো।।সুস্থতা দান করো।।
খারাপ লাগে কখন জানেন
খারাপ লাগে কখন জানেন! যখন দেখি কলোনীর কিছু ভাই বোনেরা কলোনী ছেড়ে দিয়ে কলোনীর গেইট এ দাড়িয়ে উকি ঝুকি মারে কলোনীতে কি ঘটছে তা দেখার জন্য!!! যারা চলে গেছে (তাদের প্রতি সম্পুর্ণ শ্রদ্ধা রেখে বলছি)তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা কি পারি না আমাদের সবোর্চ্চ চেষ্টা করতে যার যার position থেকে?
এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং অভিমত।
ধন্যবাদ।
Aslamuddin Mamun এর অসুস্থতা র খবর শুনেই আর সবার মত আমিও খুব আপসেট
Aslamuddin Mamun এর অসুস্থতা র খবর শুনেই আর সবার মত আমিও খুব আপসেট। সিএসএম পেজ নিয়ে সবসময় খুব সিরিয়াস এই ছেলেটি। হয়ত মনের এক কোনে এই সিএসএম কে নিয়ে কোন স্বপ্ন বুনে রাখে এই ছেলেটি, পেজে একটি নতুন ধারা সৃষ্ট করেছে এই মামুন, সদস্যদের পরিচিতি, সদস্যদের জন্মদিন বা বিবাহবার্ষিকী র মত নোটিফিকেশন গুলো আমাদের প্রচার মন্ত্রী খ্যাত মামুনই দিয়ে থাকে। আমার জানামতে ফেসবুকের আর কোন পেজেই এই ধরনের চর্চা নেই। সে হিসেবে এটি একটি ব্যাতিক্রমি ধারা।
মামুন হার্টের সমস্যা নিয়ে আজ চিটাগাং এর মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। কায়মনোবাক্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি এই ছেলেটি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।
মামুন তোকে তাড়াতাড়ি সুস্থ হতে হবেই, তুই আমাকে এখনো তেল দেস নাই, আগামী মাসে আমার জন্মদিন। তুই সুস্থ না হলে এগুলা কে জানাবে ভাই এই পেজে। তুইই আমাকে তেল দিবি,আমার জন্মদিনের নোটিফিকেশন তোর কাছ থেকেই আমি চাইরে ভাই।
ভাই তুই সুস্থ হয়ে যা দ্রুত।
এতগুলো মানুষের প্রার্থনা, পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয় আমাদের নিরাশ করবেন না।
Wednesday, May 4, 2016
আবারও ডাব অপারেশন আবার ও রাশেদ
(এটা গত ১৩/৮/১৫ তারিখে আমার টাইমলাইনে পোস্ট করেছিলাম, পরে এ পেজ তৈরীর পর এখানে পোস্ট করেছিলাম কিনা এটা বের করতে পারছিনা, তাই কপি পেস্ট করলাম)
আবারও ডাব অপারেশন আবার ও রাশেদ, তবে নেতৃত্বে এবার মিঠু ভাই ( বি টাইপ)। আর আমি তো ফাঁকে তালে চান্স পাই আর কি।
রাত প্রায় নয়টা,পুকুরের ধারে নারকেল গাছের নীচে (বিখ্যাত জায়গা !!!!) বসে আড্ডা মারছি আমি আর রাশেদ , হঠাৎ দেখি মিঠু ভাই হাজির , সাধারনত মিঠু ভাই এ জায়গায় কম আসে,এসে বলল ডাব খা্ইতে হবে ব্যবস্থা কর। রাশেদ ছাড়া কোন উপায় নেই , সেই আমাদের মাঝে একমাত্র ডাব গাছে উঠতে পারে।ঠিক পুকুরের কিনারে দুটি গাছ টার্গেট করলাম , ঐ গাছের ডাব গুলো লাল রঙয়ের (লাল ডাবের পানি খুব মিষ্টি হয়) যথারীতি রাশেদ গাছে উঠল,,, না এখনও সে গাছ থেকে পড়েনি, দুটি গাছ থেকে প্রায় ১৪/১৫ টি ডাব পারা হয়েছে, এমন সময় সেখানে দ্বায়িত্ব রত গার্ডের পু পু করে বাঁশি, মিঠু ভাই দুটি ডাব নিয়ে ঐ গার্ডের কাছে দৌড়ে গেল, পিছনে পিছনে আমি, রাশেদ তখনও গাছের উপর, মিঠু ভাই গিয়ে বললন ঐ মিয়া এমনে বাঁশি বাজান কেন, আমরা কি ডাকাতি করতেছি নাকি, সামান্য ডাব পাড়তেছি, নেন ডাব খান বলে হাতের দুটি ডাব গার্ডের কাছে দিলো, বলতে না বলতেই পুকুরে ঝুম করে শব্দ, বুঝলাম রাশেদ আবার গাছ থেকে পড়ছে, দৌড়ে গেলাম , দেখলাম রাশেদ মনের আনন্দে সাঁতার কাটছে, বললাম রাশেদ তুই আবার গাছ থেকে পড়ছস ও বলল না, পরপর দুটো গাছে উঠে গরম লাগতেছিলো, তাই সরাসরি গাছ থেকে পুকুরে লাফ দিলাম। এবং পানিতে থাকা অবস্থায় সে তিনটি ডাব খেলো।
এমন পাগলামি ছিলো রাশেদের, তোর পাগলামি গুলো খুব মিস করিরে রাশেদ ,খুব মিস করি। ভালো থাকিস সবসময়।
কবি কাব্যর চাঁদে ভ্রমন
লিখাঃ কবি কাব্য
ইহা একটি শিশুতোষ গল্প।।।।
সেদিন ছিলো না কোন গাড়ি,
তাই ছিলো না চাঁদে যাওয়ার কোন তাড়াতাড়ি।
সেদিন ছিলো না কোন রকেট।
সেদিন শুধু পলিথিন ছিলো ছিলো না কোন পকেট।
সালটা তখন ২০৫০।তখন পৃথিবী ছিলো black & white।তখন দিনে সূর্য উঠত কিন্তু রাতে চাঁদ উঠিত না।কারণ সূর্য মামা চাঁদ মামাকে আলো দিতো না।এমন একটা সময়ে কবি কাব্য চাঁদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।কিন্তু কিভাবে যাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা টা যেন প্রকট হতে লাগল।তাই উপায়ান্তর না পেয়ে কবি কাব্য ডিজনি ওয়ার্ল্ড থেকে ডোরেমন কে নিয়ে আসল তার এনিওয়ে ডোর দিয়ে চাঁদে যাওয়ার জন্য।কথামতো ডোরেমন তার পকেট থেকে এনিওয়ে ডোর বের করল কিন্তু সমস্যা হলো ডোর টা খোলা যাচ্ছলো না।তাই ডোর ঠিক করার জন্য নিক চ্যানেল থেকে নিঞ্জা হাতুরী কে নিয়ে আসা হলো।নিঞ্জা হাতুরী তার নিঞ্জা টেকনিক ব্যবহার করতে পারছিলোনা,কারণ সে নাকি জন্ডিস এ আক্রান্ত।আবার দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলো কবি কাব্য।তাই এবার ফুরফুরি নগর থেকে মটু ও পাতলু জুটি কে নিয়ে আসা হলো।তারা দুইজনই হাজার চেষ্টা করে এনিওয়ে ডোর টি খুলতে পারছিলো না।
বেচে থাকতে কার না ইচ্ছে করে
বেচে থাকতে কার না ইচ্ছে করে। চরম হতাশায় নিমজ্জিত যে মানুষটি, তারও ইচ্ছে করে বেচে থাকতে। এই দুনিয়ার মায়া ছেড়ে কেউ যেতে যায়না। তবে সত্যটা হলো এই যেতে হবেই। মা'কে চলে যেতে দেখেছি খুব কাছ থেকে। বেচে থাকার বড় আকুতি নিয়ে, মা আমার হাতটি ধরে ছিলো, আমি কিছুই করতে পারিনি।ডাক্তারও পারেনি। আল্লাহ পাক যা ভালো মনে করেছেন, আল্লাহ পাক তাই করেছেন। মা দীর্ঘদীন অসুস্থ ছিলো। একজন অসুস্থ মানুষ তার আপনজনদের কাছে চায়। শারিরিক এত জালা যন্ত্রনার মাঝেও , আমি, রনি ও বাবুকে মা যখন একসাথে পেত , মা'র মুখে তখন শান্তির হাসি ফুটে উঠতো। কিন্তু এই দুনিয়াতে যার স্বামী,ছেলে, মেয়ে কেউই নায়? কার কাছে বলবে , তার সুঃখ\দুঃখ এর কথা? কাকে বলবে , আমি আজ বড় অসহায়? একজন অসুস্থ মা'এর চাওয়াটা যদি এমন হয়? আমাদের ছোটো বেলাতে, যিনি আমাদের বুকে টেনে নিয়েছিলেন, মায়ের পরম মমতায় আমাদের ভালোবেসেছিলেন।যত্ন করে গান শিখিয়েছিলেন। বড় কঠিন এই জগত টা! আজ প্রথম আমি আর মাকে নিয়ে কিছু বললাম। আমি আমার এই কষ্ট টা সাধারনত কারো সাথে শেয়ার করিনা। বড় ভয় হয়, যদি কেউ করুনা করে? মা'কে নিয়ে কোনো করুনা সহ্য করা যায়না।
একটি ক্ল্প কাহিনি আমার মনটা ভেংগে দিয়েছে। মানুষ কতটা নিচু হতে পারে, এবং কতটা রুচিহীন হলে এভাবে লিখতে পারে! পন করেছিলাম সরে যাবো, এই আনন্দ বাড়ি থেকে, হয়তো যাবো।
বড় ভাই(মোসাদ্দেক ভাই) আমি আছি আপনার সাথে। আপনার দেখানো পথের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত। আমি যা বলি ,আমার বিশ্বাস থেকে বলি। মা'কে নিয়ে কোনো করুনা চলেনা। মা' এর গর্ভেই যে আমরা জন্ম নিয়েছি।
আজ শরীরটা বেশী ভাল লাগছে না গতকাল রাতে বুকের মাঝে ব্যাথা
আজ শরীরটা বেশী ভাল লাগছে না গতকাল রাতে বুকের মাঝে ব্যাথা ও বুক জ্বালা করছিল।সকালে অফিসে এসে ১১টার দিকে মুরাদ কে ফোন দিলাম,মুরাদ বলল চিটাগাং মেডিকেল এ চলে আসতে।এদিকে নিরু ভাই ফোন দিয়ে বলল, লিপি আপার জানাযা নাকি যোহর এর নামাজের পর।আমি যেতে পারি নি,তবে নিরু ভাইয়ের কথাতে পোস্ট করে সবাই কে অবগত করি।মুরাদ ইসিজি করতে দেয়,সেই মেডিকাল এ ইসিজি করিয়ে আনে।রিপোর্ট এ তেমন কিছু না পেলে ও ভাই টি মেডিকেল এ ভর্তির জন্য বলে ও ঔষুধ দেয়।এবং অনেকক্ষণ সেখানে ছিলাম,তারপর একটা ব্লাড টেস্ট দেয়।সেভরনে করেছি আগামীকাল রিপোর্ট নিব।যদি কোন খারাপ কিছু হয় তবে মেডিকেল এ ভর্তি হতে হবে।ছোট ভাইয়ের নির্দেশ। বাকীটা আল্লাহ উপর।সবাই দোয়া করবেন।আর আমাদের ছোট ভাই মুরাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন ভাইটি অনেক বড় ডাক্তার হয়।
What is the length of our life?
What is the length of our life? If you bring statistics you can say- the average life of a human. Is that the correct answer? No. To me the age of our mind is the actual age you have in this world. It is your thoughts, your intellectual, and your personality that personifies.
We know we are mortal. Then why the word immortal is so popular among us? Why we want to live even after we are no longer in existence. There are thoughts on this, but most frequent answer is, it gives mental peace. We all love to think that we are immortal or becoming immortal. For an average human being like me where I can live even after my demise. I can live in my children, in my family or friends. That’s the most common one, if I can try to live within people I met, met anywhere, if they can remember me. I think that’s the life I wanted. We should not think todays deeds whether it is right or wrong, will not come back. Not considering the religion, even the modern science is saying your future works are influenced by your past.
আজকে মামুনের পোষ্ট দেখার পর থেকে মামুনের জন্য খারাপ লাগতেছে
আজকে মামুনের পোষ্ট দেখার পর থেকে মামুনের জন্য খারাপ লাগতেছে। ওর মনে হয় মন খারাপ। তা না হলে আজকে রিপন ভাইয়ের বিবাহ বার্ষিকীতে মামুনের কোন পোষ্ট নাই কেন? আমি শুক্রবারের নলার পোষ্ট দেওয়ার পর মামুনের মন খারাপ। অবশ্য মামুন ভাল করে জানে নলার পোষ্ট দেওয়ার জন্য আমি দায়ী নই। আমাকে বড় ভাইরা বাধ্য করছে পোষ্ট দিতে। মামুন খুবই সহজ সরল ভাল ছেলে। ওর মনের মধ্যে কোন প্যাঁচ গোছ নাই। তারপরেও কেমনে যেন প্যাঁচ লেগে যায়। ও পেইজের কার কখন জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী, মৃত্যু বার্ষিকী ইত্যাদি নিয়ে যে হারে পোষ্ট দেয়, তা আমার মনে হয় আর কারো দ্বারা সম্ভব নয়। মামুনের মনটা যেমন বড় আবার তেমনি নরমও। ও কাউকে সহজে না করতে পারে না। ওর সহজ সরল মনটার কারনে অনেক সময় সবাই ওকে বোকা মনে করে। আর একটি কথা পেইজে অনেক জনকে নিয়া মামুন অনেক পোষ্ট দিছে। অথচ ওরে নিয়া আমরা কয়জনে পোষ্ট দিছি? মামুন মন খারাপ করিস না।
নলা খেলে একটু আধটু খারাপ লাগতেই পারে। এতে ভয়ের কিছুই নাই। তোর টেস্ট পরীক্ষার রিপোর্ট আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভাল হবে। গ্যাসের ওষুধ নিয়মিত খাইছ। আর তুই পোষ্ট দিতে থাক দেখবি, সবাই দোয়ায় তোর কিছুই হবে না। Aslamuddin Mamun
প্যাপু করে এক নাগাড়ে মোবাইল বেজেই যাচ্ছে
প্যাপু করে এক নাগাড়ে মোবাইল বেজেই যাচ্ছে,সকাল প্রায় ১১ টা, অনেকটা বিরক্ত নিয়েই ফোন রিসিভ করল ফাহিম,ওপাশে শিলা- ফাহিম কে কোন কথার সুযোগ না দিয়েই গটগট করে বলল আজ বিকেল তিন টার সময় ফাহিম যাতে শিলার সাথে দেখা করে, তার অনেক জরুরী কথা আছে।যদিও ফাহিম বলল তিন টার সময় তার কাজ আছে, শিলা শুধূ ঠিক আছে রাখি বলে ফোন টা ঠাস করে রেখে দিল, ফাহিম তারপরেও কিছুক্ষন ফোন টা ধরে বসে রইল।এ কাজগুলো কিছুদিন ধরে করছে ফাহিম , যে জিনিস গুলো তার কাছে ন্যাকামী বলে মনে হতো সেগুলো সে করছে এইতো সেদিন শিলার সাথে ইচ্ছে করে বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর বাধিয়েছিলো। ফাহিম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, সে এসব প্রেম ভালোবাসা নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে দূরে থাকবে। তাই সে কোন কাজ না থাকা স্বত্তেও শিলা কে বলেছে তার তিনটার সময় কাজ আছে।ফাহিম এখন অনেক কাজেই মনোযোগ দিতে পারেনা, যে প্রেম ভালোবাসা কে সে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মনে করে মনে হচ্ছে যেন সে প্রেম পিরিতিই তাকে গিলে ফেলছে, তাই সে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে িএ ব্যাকটেরিয়াকে যেভাবেই হোক এন্টিবায়োটিক দিয়ে বিদায় করবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)