Monday, May 9, 2016

সবার নিকট কৃতজ্ঞ


সবার নিকট কৃতজ্ঞ। যারা এসেছেন ও যারা আমার জন্য দোয়া করেছে।বিশেষ করে ছোট ভাই মুরাদ এর কারনে মনে হয় আল্লাহ আমাকে এ যাএায় বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেছে।গতকাল মেডিকেল থেকে বাসায় এসেছি।মেডিকেল এ সাতটা ইনজেকশান দিছি,বাকী দুইটা বাসায় দিলে হবে।নাজমুল ভাই,জসিম ভাই,নিরু ভাই,নুর উদ্দিন।টিংকু,মাসুক ভা ই এসেছিল।মুরাদ কে নিয়ে।ছোট ভাইটি ব্যাস্ততার মাঝে এসে ইনজেকশন দিয়ে গিছে।ভাইটির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি।যেন আল্লাহ ভাইটিকে অনেক বড় করে।

আগামী বুধবার ঢাকা আসবো।রিমুর ওখানে এনজিওগ্রাম করতে হবে।সবাই দোয়া কইরেন যেন আল্লাহরর রহমতে অল্পতে সেরে উঠতে পারি।

আর পরিশেষে যদি আমি কখনো কোন কাজে কারো মনে দুঃখ দিয়ে থাকি আমাকে মাপ করে দিবেন।সবাই কে অনেক শুভেচ্ছা।


যখন স্টিল মিল কলোনীর বাসায় ছিলাম


যখন স্টিল মিল কলোনীর বাসায় ছিলাম,বাসার বারান্দা থেকে এয়ারপোর্টে নামতে থাকা বা উঠতে থাকা প্লেনগুলো খুব কাছাকাছি দেখা যেত । রাতের আকাশে লাল সবুজ বাতি জ্বালিয়ে বুম বুম করে চলে যাওয়া প্লেনগুলো এই ছোট্ট আমি মুগ্ধ চোখে দেখতাম,অবাক হতাম আর ভাবতাম প্লেনগুলোর ভেতরের মানুষগুলো কি আমাদের দেখতে পায়??
বাসার ভেতর থেকে মা ডেকে বলতেন,"তরু,এক্ষুনি পড়তে বোসো"
বিরস মনে পড়ার টেবিলে যেতে যেতে ভাবতাম একদিন অনেক বড় হবো,পড়ালেখা থাকবেনা, তখন সারারাত বারান্দায় বসে শুধু প্লেন দেখবো...

স্টীল মিল কলোনীর সেই বাসা ছেড়ে এসে আজ ৯বছর । 
এখন অনেক বড়ও হয়েছি,যতটুকু বড় হলে সবাই বড় বলে গন্য করে-ততটুকু...
অবসরও থাকে বেশ । কিন্তু প্লেন দেখা হয়না আর । বিশাল বিশাল দালানকোঠা,সশব্দে এগিয়ে চলা হরেক রকম যানবাহন আর রাতের আঁধারকে হার মানানো দানব ফ্ল্যাশলাইটগুলোর এই যান্ত্রিক শহরে ঠিকঠাক আকাশটাই দেখা হয়না আজকাল ।
আজ আকাশে ক'টা তারা উঠলো,তারাগুলোর কি নাম দেয়া যায়, প্লেনগুলোর মানুষগুলো কেমন- এসব কিচ্ছু ভাবা হয়না আর ।
অবসর কাটে মুভি দেখে বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে মানুষের শো অফ দেখে ।
ছেলেবেলা কেটে গেলো,সাথে সাথে সব ইনোসেন্ট সুখগুলো ও যেন নিয়ে গেলো ।
বিকেলে মাঠে একটু বেশিক্ষন খেলতে পারা বা রাতে বারান্দার গ্রীল ধরে দাঁড়িয়ে একটু বেশিক্ষন প্লেন দেখতে পারা- কি অল্পতেই না মন হেসে উঠতো ।

কিচ্ছু হয়না এখন আর । কিচ্ছুনা । আজ বহুদিন পর ছাদে উঠে হা করে প্লেন দেখতে দেখতে ভাবছি
বড় হয়ে কি খুব অপরাধ করে ফেললাম??
Now I know why some people say,
"Don't grow up,it's a trap"!!!!!

গত কয়েকদিন শরীরটা ভাল যাচ্ছিল না


গত কয়েকদিন শরীরটা ভাল যাচ্ছিল না। গত পরশু রাত বারটার সময় ডাক্তারের সিরিয়াল পেয়েছিলাম। ডাক্তার কিছু টেস্ট দিলেন। গতকাল টেস্টগুলা করতে পারি নাই। তাই আজকে সকালে গেলাম। কাউন্টারে টাকা জমা দিয়ে স্যাম্পল কালেকশান রুমের বাইরে অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিছু সময় পরে ডাক দিলেন। রুমের ঢুকার পরে একজন কম বয়স্ক মহিলা (সম্ভবত বিবাহিতা) জিজ্ঞাসা করলেন কি নাম? নাম বললাম। আবার উনি বললেন আপনি কি রুগি? আমি বললাম কোন সমস্যা? উনি বললেন সমস্যা নাই, বসেন। উনার সামনে বসলাম। ব্লাড নেওয়ার জন্য উনার প্রস্তুতি শেষ করে বললনে বাম হাত দেন। আমি বাম হাত দিয়ে বললাম এই পাশে চেষ্টা করেন। উনি আমার কথা না শুনে সচরাচর যেখান থেকে ব্লাড নেওয়া হয় সেখান থেকে যখন রক্ত নিতে যাবে, তখন আমি আবার বাঁধা দিলাম। আমাকে উল্টা বলতে লাগলেন আমি পাঁচ বছর ধরে এই কাজ করছি। একথা শুনে আমি আর কিছু বলি নাই। উনি আমার বাম হাতে সিরিঞ্জ ঢুকিয়ে এদিক ওদিক ঘুরিয়ে অনেক ট্রাই করলেন কিন্তু রক্ত বের হলো না। মাথা গরম হয়ে গেল। এবার আমি বলতে লাগলাম আপনি পাঁচ বছর ধরে রক্ত নেন আর আমি সন্ধানিকে ১৯৯০ সালে প্রথম Blood donate করেছি। এবার এই মেয়ের চেহেরা লজ্জায় লাল হয়ে গেছে। মুখে কোন কথা নাই। পরে তাদের সিনিয়র এক ভাইকে বললেন ভাইয়া ওনার স্যাম্পলটা কালেক্ট করেন। ভদ্রলোকটি বললেন আপনার ডান হাত দেন। তখন আমি হাত দিয়ে বললাম ভাই এই পাশে ট্রাই করেন। লোকটি আমার কথা মত ট্রাই করলো এবং সাথে সাথে পেয়ে গেলো।

Sunday, May 8, 2016

Who was the cricket captain of CSM young team and members?


Who was the cricket captain of CSM young team and members?
I could remember CSM once join CJKP Cricket league and did miserably poor performance. That was first and that was last of CSM cricket.
Ofcourse CSM football team was strong enough. Once Salauddin, TutuI, Chunnu, Amolesh played for CSM FT.
I also could remind Victor was your Cricket umpire and Sajedul, Iqbal, Halim,Titu, Apu, Mithu, Mitu and someother names as good players.
I used to enjoy your 'Colony Cricket' sitting on balcony of C-4/A
NOSTALGIC

আক্ষেপ


মানুষ সামাজিক জীব, মানুষ মিলেমিশে থাকতে ভালবাসে,এক মানুষ আরেক মানুষের সুখে দুঃখে বিপদে আপদে এগিয়ে আসবে এটাইতো মানুষের ধর্ম হওয়া উচিত আর স্টিলার হলে তো কথাই নাই। আবার রুটি রুজির জন্য বিভিম্ন পেশায় জরিয়ে যাবে এটাও ঠিক, কিন্তু এই পেশা অনেক মানুষ কে অসামাজিক করে দেয়, এই যেমন আমাকে করেছে,আদরের ছোট ভাই মামুন চার দিন মেডিকেলে আমি মাত্র একবার দেখতে গেলাম তাও মেহমানের মত, নাজমুলের শাশুড়ি মেডিকেলে আছে আমি একবারও দেখতে যাই নাই,লিটনের বউ সাভারে প্রতিদিন ফোন করে যাই নাই একবারও, তারিক ঢাকায় ছিল যেতে পারি নাই বাসার কাছে শামিম মারা গেল যেতে পারলাম না, মাঝে মাঝে ঘৃনা হয় নিজের উপর, অথচ ওরা আমার বিপদে এগিয়ে এসেছে বারবার, চিন্তা করি এই চাকরি কতই না আমাকে অসামাজিক করেছে, এই আক্ষেপ থাকবে চির কাল, ক্ষমা চাই সবার কাছে

কোন এক নির্দিষ্ট দিনে মা দিবস


কোন এক নির্দিষ্ট দিনে মা দিবস, বাবা দিবস পালন ব্যক্তি গত ভাবে আমি বিশ্বাস করিনা। মা দিবস বাবা দিবস, সন্তান দিবস, নানা নানি দিবস এই ধ্যান ধারনা টুকুই আমার কাছে ফালতু লাগে। এই সব ধারনা বের হয়েছে পশ্চিমা সংস্কৃতির বানিজ্যিক ঘিলু থেকে। একটা জিনিস খেয়াল করুন, এই মা দিবস বাবা দিবস কোন নির্দিষ্ট তারিখে হয়না, হয় নির্দিষ্ট একটি দিন বা বারে। যেমন মা দিবস মে মাসের দ্বিতীয় রোব বার আর বাবা দিবস সম্ভবত জুলাই মাসের দ্বিতীয় রোববার। রবিবার পশ্চিমা দের সাপ্তাহিক ছুটি। এদের অনেকের বাবা মা থাকে বৃদ্ধাশ্রমে বা ছেলে মেয়েরা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে যাবার পর যে যার মত আলাদা থাকে। তাই এক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তারা ঘটা করে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু উপহার সামগ্রী নিয়ে মা অথবা বাবার সাথে দেখা করে। সেখানে আন্তরিকতার লেশ কতটুকু আছে সেটাই মূখ্য বিষয়।

আর এই বিষয় গুলোতে আরো তাল দিয়েছে বিশ্বব্যাপী প্রসারিত কিছু উপহার সামগ্রী উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান। এবং এই সব দিবসের ধ্যান ধারনা তারা পুরো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়, এবং তাদের সহায়তা করে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় কিছু মিডিয়া। এক দিক থেকে বলা যায় ওই সব বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গুলো ব্যবসায়িক ভাবে পুরোপুরিভাবে সফল।

আমাদের সংস্কৃতিতে মা দিবস বাবা দিবস কোন বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, প্রতিটি দিনই আমাদের মা বাবা দিবস হৃদয়ের আন্তরিকতা থেকেই।

Matro Chandan chachi ph korlen


Matro Chandan chachi ph korlen. Ami just receive kore bollam chachi ami apnak ring back korchhi. Then ph korlam. Jedin giyechhilam oidinker golpo korlen. Bujhlam sharirik bhabe fully fit na holeo manoshik bhabe besh bhalo achhen ekhon. Etao chachi ke shustho hote onekta holeo help korbe Insha Allah. Aj Atiq Csm giyechhilo chachi ke dekhte. Chachir onek khoj khobor niyechhe atiq. Shaddho moto kichhu korte chesta korechhe. Chachi bhishon khushi hoyechhe atiq er upor. Thanks atiq. U did very well. Thanks a lot. Jotota helpless chachi hoye giyechhilen, ekhon tini kichhuta holeo vorosha pachhen. Shotti khub dorkar chhilo shobaike ei ekla manush tar. rajib er kothao bollo chachi. Rajib gotokal giyechhilo. Khub khushi hoyechhe chachi.

চন্দন চাচী আমার বাসার এতো কাছে থাকে অথচ আমি জানতাম না


চন্দন চাচী আমার বাসার এতো কাছে থাকে অথচ আমি জানতাম না। চাচীরা ২০০৯ সাল থেকেই মিরপুর ১০ এলাকায় থাকতো আর আমিও প্রায় কাছাকাছি একই এলাকায় থাকি ৯৯ সাল থেকে তারপরও কখনো যোগাযোগ হয়নি। এখন এমন সময় চাচির সাথে দেখা হলো যখন সবকূল হারা এক অসহায় মা।চাচী এখন অবশ্য ইষ্টার্ন হাউজিং পল্লবি থাকেন।

আজ চাচিকে দেখতে গিয়েছিলাম,এটাই চাচির সাথে আমার প্রথম পরিচয়, কলোনিতে উনার সাথে কখনো আমার পরিচয় বা কথা হয়নি। আজ প্র্থম দেখাতে চাচির যে আন্তরিকতা ও স্নেহ দেখেছি মনে হলো যেন কলোনির সেই চন্দন চাচি কে দেখছি। আমাদের কলোনির অনেক কথা বলেছেন। কথা বার্তার বেশির ভাগ সময়ই চাচি ছিলেন আবেগপ্রবণ।

সাব্বিরের বউ এখনো দেশের বাইরে


সাব্বিরের বউ এখনো দেশের বাইরে, বেচারা বেশ কয়েক দিন ধরে একা একা দিন রাত পার করছে। দিনের বেলা অফিস ব্যবসায় নিয়ে সময় কেটে গেলেও সন্ধ্যার পর বাসায় এসে আর ভালো লাগেনা, কতক্ষণ আর টিভি, নেট ভালো লাগে ? বেচারা আবার পার্টি ক্লাব এইসবে মিশতে পারেনা। 

আজ ৮ মে, সাব্বিরের অনেক কষ্টের দিন আজ, বেচারা সকাল থেকে মনমরা হয়ে আছে, অথচ আজ তার হওয়ার কথা ছিল সবচেয়ে আনন্দের দিন। কিন্ত মানুষ প্ল্যান বানায় এক, আর বিধাতা উপর থেকে মুচকি হেসে করে দেয় আরেক রকম।

সাব্বির দেশের বাইরে তার বউ নিলা কে ফোন দিল। বউ য়ের সাথে কথা বলে বেচারার আরো মন খারাপ হয়ে গেছে বউয়ের আগামী সপ্তাহে দেশে ফেরার কথা ছিল,ট্রেনিং এর সময় কাল আরো পনেরো দিন বাড়ানো হয়েছে, আগামী মাসের আগে আর সাব্বিরের বউয়ের দেশে ফিরা হচ্ছেনা। মুখ ভোতা করে সাব্বির অফিসে বসে তার টিভি টি ছাড়লো, সব জায়গায় আজ রবি বাবু, নেটে ঢুকলেও আজ একই জিনিস। সাব্বিরের মনে হচ্ছে সবাই যেন আজ সাব্বির কে এই ৮ মে তারিখ টি মনে করিয়ে দিয়ে ব্যাংগ করছে। সেদিন শপিং মলে মিরার সাথে দেখা হলেও কারো ফোন নাম্বার বিনিময় হয়নি। না হলে আজ সাব্বির মিরা কে ফোন দিয়ে আজ কের এই দিন টি নিয়ে আলাপ করত। সাব্বিরের মন খারাপ হয়ে আছে, তার মন খারাপ হলে সে চোখ বন্ধ করে সমুদ্র কল্পনা করে, আজো সে তাই করছে। না! আর কল্পনা নয়, আগামী সপ্তাহে সরকারি কিছু ছুটি আছে, তখন সাব্বির সমুদ্রের কাছ থেকে ঘুরে আসবে।

Saturday, May 7, 2016

মেডিকেল সেন্টার, সিসিইউ তে মামুন, দ্রুত বাহির হয়ে আসার অপেক্ষায়


মেডিকেল সেন্টার, সিসিইউ তে মামুন, দ্রুত বাহির হয়ে আসার অপেক্ষায়। পাচঁটা ইনজেকশন পুশ করা হয়ে গেছে, আরো চারটা পুশ করতে হবে। মামুন এখন ভালোই আছে তবে ব্লাডে একটা টেষ্ট রিপোর্ট এ রিডিং আসার কথা -০.২ যা মামুনের ছিলো +৫.৪ (ভর্তির সময়) এখন আছে -০.৭। আগামী সোমবার দুপুরে মামুকে আশা করছি বাসায় নিয়ে আসা যাবে।

গরুর ঝোল/চর্বি/ছাগলের মাংস/তৈলাক্ত যেকোন খাবার/ফাষ্ট ফুড খাওয়া মামুনের জন্য CSM Colony এর পক্ষ থেকে মোটামুটি হারাম ঘোষনা করা হলো।

এবার বলি বাকি সদস্যদের, এখনো সময় আছে সাবধান হয়ে যান, মামুন নিজের পকেটের টাকা খরচ করে সবায়কে এলার্ম দিয়ে গেলো।

আগের মতো চললে খবর আছে।

দুপুর ১২ টায় ঢাকা এসে চন্দন চাচী আর আতিক ভাইয়ের আব্বা আম্মার সাথে দেখা করে যশোর পৌছলাম এখন


দুপুর ১২ টায় ঢাকা এসে চন্দন চাচী আর আতিক ভাইয়ের আব্বা আম্মার সাথে দেখা করে যশোর পৌছলাম এখন| কাছের মানুষদের কাছ থেকে বেশিদিন দূরে থাকা যায় না| এক ঘন্টা ছিলাম চন্দন চাচীর সাথে| বহু বছর পর চাচী আমাকে দেখলেন| চাচীর সাথে শেষ দেখা হয় ৯৩/৯৪ সালে| আমার বয়স তখন ৯/১০| এতো বছর পর দেখা !! খুব ভালো লেগেছে| চাচীর আন্তরিকতা কমেনি একটুও| গান শুনতে চাইলেন চাচী | হেঁড়ে গলায় তিনটা গান শুনালাম চাচীকে| tongue emoticon আসার সময় চাচী হালুয়া আর পিঠা প্যাক করে দিলেন তাড়াহুড়োয় খেতে পারিনি বলে | এই আন্তরিকতা csm ছাড়া অন্য কোথাও সম্ভব না| আসার পথে আতিক ভাইয়ের বাসায় গিয়ে চাচা চাচীর সাথে দেখা করে আসলাম| দরজা থেকে বিদায় নিয়ে এসেছি সময় ছিলনা বলে| খারাপ লেগেছে দু'মিনিটের মাথায় চলে আসতে |আবার আসবো ইনশাআল্লাহ্‌ | সময় নিয়ে আসতে পারলে ভালো লাগতো |

কাল চন্দন চাচির বাসায় গেলাম আমি আর শর্মি


কাল চন্দন চাচির বাসায় গেলাম আমি আর শর্মি। চাচির বাসাটা মেলা ভিতরে।চাচি নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন,আমরা বাসা চিনবনা বলে।এসে সালাম করলাম।জড়িয়ে ধরলেন।পরে বাসায় ঢুকে আব্বা আম্মার ছবি দেখালাম,দেখে পরে ভাল করে চিনলেন। ছুটোছুটি শুরু করে দিলেন কি খাওয়াবেন। কিসের যেন বড়া বানিয়েছিলেন, সন্দেশ আর কোক খেতে দিলেন। আরো কি খাওয়াবেন শুধু তাই বলছিলেন। মেয়েটাকে নিয়ে একা থাকেন। পরিপাটী ঘর। ভাবছিলাম বয়স আর সময় মানুষ কে কি বানায়। শুনেছি খুব স্টাইলিশ ছিলেন। তার ছিটেফোঁটা নেই। বাইরে যাবেন,যা পরা ছিলেন তা পরেই আমাদের সাথে বের হলেন। কাল গাড়িটা হঠাত ডিস্টার্ব দিচ্ছিল বলে গাড়ি নিয়ে যেতে পারিনি। সিএসজিতে করে শায়লার বাসা অব্দি আসলাম। খুব জোর করছিলেন আমাদের ভাড়াটা দিয়ে দিবেন। জোর করেই থামালাম। কিন্তু বললেন একদিন সময় করে যেতে, উনি রেঁধে খাওয়াবেন। এটাই ভালবাসা যা শুধু মায়েদের কাছেই পাওয়া যায়। উনি খুব খুশি সবাই খোজ নিচ্ছে,যাচ্ছে। উনি বললেন আমি ত অর্ধেক সুস্থ হয়ে গেছি। আল্লাহ উনাকে সুস্থ করুন মনেপ্রাণে তাই চাচ্ছি।

২০০৪ সালের ২৯ এপ্রিল সকালে আমার দাদী মারা যায়


২০০৪ সালের ২৯ এপ্রিল সকালে আমার দাদী মারা যায়, তখন আমাদের সবাই সবুজবাগ, চিটাগাং থাকি। আর আমি চাকরীর কারনে ঢাকায় থাকলেও সাধারন ছুটিতে চিটাগাং আসি তার আগের দিন।সকালে এই দু: সংবাদ টি আমার মোবাইলে প্রথম আসে, তখন আব্বা সকালের নাস্তা করছিলো, খবরটি সরাসরি আব্বাকে ওই মূহুর্তেই দেয়ার সাহস আমার হচ্ছিল না, কোন মতে আম্মাকে জানিয়ে আমি আমাদের পাশের বিল্ডিং এর রফিকুল মওলা চাচাকে আগে খবরটি দেই, সাথে সাথে চাচা চাচী বাসায় এসে কৌশলে আব্বাকে জানায়, যদিও আব্বা খবরটি শুনে স্বাভাবিক ছিলো,তাাঁদের খবর জানানোর ধরনটিই আব্বাকে স্বাভাবিক রেখেছিলো।হয়ত আব্বা তাঁর কষ্ট নিজের মনেই চেপে রেখেছিলো, আর আমরাও যথাসম্ভব স্বাভাবিক ছিলাম। সেদিন ছিলো আবার হরতাল, গ্রামের বাড়িতে যাওয়াযও সম্ভব হচ্ছেনা, পরের দিন আমরা বাড়ি গেলাম। কিন্তু সেদিন সারাটা দিন মওলা চাচা চাচী সহ বিল্ডিং এর অন্যান্যরা যেভাবে আমাদের মানসিক সাপোর্ট িযুগিয়েছিল তার তুলনা হয়না। এমন কি সেদিন সকালের পর থেকে পরদিন সকালে বাড়িতে রওনা দেয়ার আগ পর্য্যন্ত আমাদের বাসায় রান্না করতে দেয়নি মওলা চাচা চাচী, দুপুর ,রাতের খাবার এবং সকালের নাস্তা উনাদের বাসায় করেছি। 

Friday, May 6, 2016

আজ মামুনকে দেখতে গেলাম তবে একটু দেরীতে


আজ মামুনকে দেখতে গেলাম তবে একটু দেরীতে। সাতটা বাজার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে নিজে কখন ঘুমিয়ে পড়লাম বলতেই পারলাম না। সুজনের ফোনে ঘুম ভাংলো। জানলাম সবায় আসছে আজকে আবার আসলো তিনজন বড় ভাই যারা সময় দিতে পারেন না ব্যস্ততার কারনে। যত দ্রুত চালিয়ে যাওয়া চালিয়ে হাজির হলাম। কবির ভাইকে মনে হয় দেখলাম ২০ বছর পর আর বাবুদাকে দেখলাম মনে হয় ছয় সাত বছর পর। মাসুক ভাই আসলো যে কিনা নিজেই অসুস্থ। সবায়কে দেখে খুবই ভালো লাগলো। এভাবেই আমরা একত্রিত হতে থাকবো। তবে এর একটা প্রতিষ্ঠানিক রূপ থাকলে আরো ভালো লাগতো এবং নিজেদের অনেক সিকিউরিড মনে হতো। 

আবেগ দিয়ে শুধু কাজ হবে না আল্লাহ কে স্মরণ করুন


সবার অবগতির জন্য আজ জুম্মার নামাজের পর আমার জন্য, তারিক,মামুন, পাপ্পু, লিটনের বউ এবং,চন্দন চাচির জন্য দোয়া করা হয়েছে আমার এরিয়ার মসজিদ এ।

আমি সবার কাছে বিনিত অনুরোদ করছি যে, যে যেখানে ই আছেন বা থাকেন সবাই এখন থেকে দুরেদে সাফা(লা ই লাহা ইল্লা আন্তা সোবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালেমিন) এই দোয়াটি পড়বো এবং পড়া শেষ হলে আমি সবার জন্য একটি মিলাত পড়াব।এই দোয়াটি ১,০১,১১১ পড়তে হবে।সবাইকে অনুরোদ করছি সবাই নুনতম ৫০০০বার পড়ে লিখে দেন পড়া হয়েছে অবশই আগামি শুক্র বার এর আগে।

আর যারা অসুস্ত আছেন দয়া করে জানাবেন সকলের জন্য দোয়া,
চাওয়া ও করা হবে আল্লাহ তালার কাছে।

বাড়িয়ে দাও তোমার হাত


" বাড়িয়ে দাও তোমার হাত-
আমি আবার তোমার আঙুল ধরতে চাই ; "
আজ সকালে গুলশান পার্ক এ হাটতে হাটতে মাইক্রোফোনে গানটি শুনছিলাম। নতুন প্রজন্মের প্রেমের গান। কিন্ত শুধুই কি প্রেম? বড় করে চিন্তা করলে কি নেই এখানে? ভালোবাসা, বিশ্বাস, আস্থা,সর্বোপরি নির্ভরতা।
গত সপ্তায় চন্দন চাচীকে দেখতে গিয়ে দুদিন পরে যে পোস্ট দিয়েছিলাম তাতে স্টিলারদের যে আবেগ, অনুভূতি,সহমর্মিতা দেখেছিলাম তাতে অভিভূত হয়েছিলাম। তোমরা সবাই যেভাবে রেসপন্স করেছ তাতে মনে হয়েছে 'আমরাতো অনেক কিছু করতে পারি।'

এখন সেই করে দেখাবার সময় । শুধু চাচী নয়, আমাদের মধ্যে আরো যারা অসহায় তাদের সবার জন্য আমাদের সাধ্যমত যা করার তা আমরা করতে চেস্টা করবো-এই আহবান থাকবে সব স্টিলার ভাই-বোনদের কাছে।
ঢাকা,চট্টগ্রাম ছাড়াও আমাদের মধ্যে যারা বিদেশে থাকে সবার প্রতি এই আহবান।
জড়িয়ে ছিলাম, ছড়িয়ে আছি কিন্তু "জড়িয়েই" থাকতে চাই আমরা সুখে-দুখে, আনন্দ-বেদনায়।

SORRY মা


দশ মাস দশ দিন আমার দেয়া শত কষ্ট সহ্য করেও আমাকে আকরে ধরেছিলে বলে SORRY মা,,,,,
গর্ভে থাকাবস্হায় ক্ষুধার যন্ত্রণায় তোমাকে লাথি দিয়েছি বলে SORRY মা,,,
ভূমিষ্ঠের সময় তোমাকে কষ্ট দিয়েছি বলে SORRY মা,,,,,
বিনা স্বার্থে আমার প্রান বাঁচাতে এক ফোঁটা দুধ দিয়েছো কিন্তু তোমাকে খেতে দেইনি বলে SORRY মা,,,,,
রাত জেগে নিজে না ঘুমিয়ে আমাকে ঘুম পাড়িয়ে ছো কিন্তু তোমাকে ঘুমাতে দেইনি বলে SORRY মা,,,
শুকনো কাঁথায় আমাকে শুইয়েছো কিন্তু তোমাকে প্রশাবে ভেজানো কাঁথায় শুইয়েছি বলে SORRY মা,,,,,,
গরমে আমাকে ঠান্ডা বাতেসে রেখেছো কিন্তু তোমাকে গরমে রেখেছি বলে SORRY মা,,,,
লোকমা তুলে খাওয়ানোর সময় তোমার হাতে কামড় দিয়েছি বলে SORRY মা,,,
ভালো খাবারটা কেড়ে নিয়ে খেয়ে ফেলেছি বলে SORRY মা,,,,,
কারনে অকারনে তোমাকে অনেক জালিয়েছি বলে SORRY মা,,,,,,

এই জুমার দিনে আমরা আমাদের সিএসএম এর যত ভাইবোনেরা শারিরিক অসুসথ তাদের সবার জন্য দোয়া করি


এই জুমার দিনে আমরা আমাদের সিএসএম এর যত ভাইবোনেরা শারিরিক অসুসথ তাদের সবার জন্য দোয়া করি উনারা যেন তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।আমি বিশেষ করে মামুন ভাইয়ের কথা বলছি।উনাকে ছাড়া আমাদর এই পেইজটা কেমন জানি খালি খালি লাগছে।গতকাল উনার অসুখের কথা শুনে মনটা খুব খারাপ লাগছিল।ঠিক যেমন খুব আপন আর কাছের কেউ অসুসথ হলে যেমন লাগে।আজ বুঝতে পারলাম আসলে আমাদের এ পেইজটা আমাদের একটি পরিবার।আমি ভাইকে দেখার জন্য যেতে চেয়েছিলাম কিনতু ঐ জে ওখানে গিয়ে ভির করা জাবে না। যখন নাজমুল ভাইয়ের পোসট টা দেখলাম মামুন ভাই একটু সুসথ তখন আললাহর কাছে শুকুরানার দুইরাকাত নামায আদায় করলাম।আললাহকে বললাম মামুন ভাই জেন উনার বাচচার,ভাবীর আর আমাদের সবার জন্য জেন ভাল হয়ে জান।ভাল থাকেন ভাই আর তাড়াতাড়ি আমাদের পেইজে আগমন করেন আমরা আপনার অপেক্ষায় আছি।

Thursday, May 5, 2016

মনটা আসলেই দুঃখ/কষ্টে ভরে গেছে


মনটা আসলেই দুঃখ/কষ্টে ভরে গেছে। তারিক কে দিয়ে, কষ্ট টা শুরু হয়ে ছিলো। পাপ্পু সিরিয়াস অসুস্থ হয়ে বিসানায়। এর কোনো চিকিতসা আছে কিনা, তাও সঠিক জানিনা। সামছু কাকার ছেলে, লিটন। লিটন এর বউও অসুস্থ। টাকার দরকার। ৮০০০০ হাজার টাকার মত দেওয়া হয়েছে। আরো কিছু দরকার। নজরুল, এক সময় কলি ভিডিও তে বসতো। বেচারার কিডনিতে সমস্যা। খুব সিরিয়াস না। তবে চিকিতসাটা না হলে, সামনে সমস্যায় পড়ে যাবে। নজরুল এখন চাকুরি করেনা। তারো কিছু টাকার দরকার। চন্দন চাচিও অসুস্থ। যার এই কুলে ধরতে গেলে কেউই নেই। খুব কস্ট করে উনি, নিজের চিকিতসা চালিয়ে যাচ্ছেন। আজ অসুস্থ হয়ে পড়লো, আমাদের মামুন। এই পেজটির একটিভ কর্মি। এই পেজের সকলের খবর যার নখদর্পণে। জন্মদিন/বিবাহ বার্ষিকী তে ঘটা করে শুভেচ্ছা জানানোর প্রচলনটা আমাদের মামুনের সৃস্টি। ঝগড়া বিবাদে, মামুন সবার আগে এগিয়ে আসে সেটা থামানোর জন্য। খুব বিশ্বাস নিয়ে বলে, আমরা আমরাইতো। আসলেই আজ কে খুব চিন্তায় পড়ে গেছি।

আমরা কি প্রস্তুত? আমাদের ভাই/বোন/বাবা/মা'দের পাশে দাড়াতে? যাদের সামর্থ্য নাই, বড় আশা করে যারা স্টিলারদের পানে তাকিয়ে থাকে। কঠিন এই জগত, টাকা পয়সার কাছে, মানুস বড় অসহায়।

৬৫০ জনের এক বিশাল বহর আমাদের। সরাসরি একটিভ, মনে হয় ৫০/৬০ জন হবে। কতক্ষন টিকে থাকা সম্ভব এই কয়টি ভাই/বোনের? যখন অর্থনৈতিক ব্যাপার গুলির মুখোমুখি হতে হয়? 
ধীরে ধীরে আমরা এই অল্প কয়জন, এক কঠিন দিনের সামনে পড়তে যাচ্ছি।

আমাদের মামুন সুস্থ হয়ে ফিরে আসবে, ইনশাল্লাহ। আল্লাহ পাক মামুন কে রহম করুন। আমাদের এই ভাইটি যেন, সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।

আল্লাহ পাক যেন, আমাদের সবাইকে মাফ করে দেন।

আজ দুপুরে বাইরে যাব


আজ দুপুরে বাইরে যাব। গাড়িটা আনতে পার্কিং এ গেলাম। গাড়িটার ঝাড়পোছও করতে হবে। ফোনে চার্জ কম থাকায় ওটাকে চার্জে রেখেই গেলাম। গাড়ি এনে বাসায় ঢুকার সাথে সাথেই উমাম ইনানের চিৎকার। আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না ওরা যা বললো তা শুনতে। মামুনের হার্ট এটাক হয়েছে। ও অসুস্থ দুদিন ধরে,টেস্টও করিয়েছে,রিপোর্ট আজই পাবার কথা। এর মাঝেই এই খবর!!! মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। বাইরে যেতে আর ইচ্ছা করছিলনা।কিন্তু যেতেই হল। নাজমুল ভাইকে ফোন দিলাম। ওটা করে আরো ঘাবড়ে গেলাম। উনি বললেন পরে ফোন করতে। বিকাল অব্দি অপেক্ষা করে নাজমুল ভাইকে আবার ফোন দিয়ে খবর নিলাম। এই ছেলেটার প্রতি আমার বিশেষ দুর্বলতা আছে। আব্বা চলে যাবার পর আমার হয়ে খবরটা সবাইকে জানানো, আবার মিলাদের খবর দিয়ে সবাইকে নেত্রকোনা যাবার জন্য বলা এই কাজগুলা সে করেছে। আজ সারাটাদিন খুব কস্ট লেগেছে। ওর ছবি দেখার পর ভাল লাগলো। ভাই মামুন,আল্লাহ রোগ দিয়েছেন,সুস্থতাও তিনিই দেবেন। ঘাবড়াস না,আল্লাহ আছেন। আর আমরা সবাই আছি তোর সাথে। Aslamuddin Mamun

বেশ কটা দিন ধরে মানসিক এবং শারীরিক চাপের মধ্যে আছি


বেশ কটা দিন ধরে মানসিক এবং শারীরিক চাপের মধ্যে আছি।।তাই আর আগের মতো পেজে খুব একটা সময় দিতে পারছি না।।আজ সারা দিনে একবারের জন্যেও পেজে ইন করতে পারিনি।।কেমন যেন একটা দায় থেকেই লিখাটা লিখছি।।লিখাটা লিখার পনেরো থেকে বিশ মিনিট আগে একটু করে পেজে ইন করেছিলাম।।ঢুকতেই একটা নিউজ দেখে মনটা অত্যন্ত খারাপ হয়ে গেল।।মামুন ভাই অসুস্থ।।নামটা পড়তেই বুকের ভেতরটা একটা মোচড় দিয়ে উঠল।।পুরো খবরটা পড়লাম এবং সাথে সাথে জসীম ভাইকে ফোন করলাম এবং বিস্তারিত জানলাম।।মামুন ভাইয়ের একটু উদাসীনতার কারনেই নাকি আজকের এই অবস্থা।।মুরাদ ভাই নাকি উনাকে কয়েক বার বলেছিলেন ভর্তি হতে কিন্তু উনি হননি।।আমার প্রশ্ন ভাই আপনি এতো উদাসীন কেন??!!!??আমাদের জন্য আপনি এতো চিন্তা করেন কিন্তু নিজের জন্য কেন নয়!!??প্লিজ ভাই পরবর্তীতে এমনটা যেন আর না হয়।।নিজের জন্য,,নিজের পরিবারের জন্য,,আমাদের জন্য,,আমাদের পেজের জন্য একটু সচেতন থাকবেন।।আর সবার মতো আমিও দোয়া করি আল্লাহ্ যেন আপনাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন।।আবার যেন আপনি আমাদের মাঝে আনন্দ বার্তা নিয়ে হাজির হতে পারেন।।আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন মামুন ভাই।।কারন আমাদের সকলের দোয়া আপনার সাথে আছে।।আর একটা কথা,,এ মাসে কিন্তু আমার জন্মদিন।।আমি চাই আর সবার মতো আপনিও আমাকে সবার মাঝে উপস্থাপন করবেন।।পরিচিত করবেন।।শুভেচ্ছা জানাবেন।।

আল্লাহ্ তুমি মামুন ভাইকে দ্রুত বিপদ মুক্ত করো।।সাহায্য করো।।সুস্থতা দান করো।।

খারাপ লাগে কখন জানেন


খারাপ লাগে কখন জানেন! যখন দেখি কলোনীর কিছু ভাই বোনেরা কলোনী ছেড়ে দিয়ে কলোনীর গেইট এ দাড়িয়ে উকি ঝুকি মারে কলোনীতে কি ঘটছে তা দেখার জন্য!!! যারা চলে গেছে (তাদের প্রতি সম্পুর্ণ শ্রদ্ধা রেখে বলছি)তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা কি পারি না আমাদের সবোর্চ্চ চেষ্টা করতে যার যার position থেকে?

এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং অভিমত।

ধন্যবাদ।

Aslamuddin Mamun এর অসুস্থতা র খবর শুনেই আর সবার মত আমিও খুব আপসেট


Aslamuddin Mamun এর অসুস্থতা র খবর শুনেই আর সবার মত আমিও খুব আপসেট। সিএসএম পেজ নিয়ে সবসময় খুব সিরিয়াস এই ছেলেটি। হয়ত মনের এক কোনে এই সিএসএম কে নিয়ে কোন স্বপ্ন বুনে রাখে এই ছেলেটি, পেজে একটি নতুন ধারা সৃষ্ট করেছে এই মামুন, সদস্যদের পরিচিতি, সদস্যদের জন্মদিন বা বিবাহবার্ষিকী র মত নোটিফিকেশন গুলো আমাদের প্রচার মন্ত্রী খ্যাত মামুনই দিয়ে থাকে। আমার জানামতে ফেসবুকের আর কোন পেজেই এই ধরনের চর্চা নেই। সে হিসেবে এটি একটি ব্যাতিক্রমি ধারা।

মামুন হার্টের সমস্যা নিয়ে আজ চিটাগাং এর মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। কায়মনোবাক্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি এই ছেলেটি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।

মামুন তোকে তাড়াতাড়ি সুস্থ হতে হবেই, তুই আমাকে এখনো তেল দেস নাই, আগামী মাসে আমার জন্মদিন। তুই সুস্থ না হলে এগুলা কে জানাবে ভাই এই পেজে। তুইই আমাকে তেল দিবি,আমার জন্মদিনের নোটিফিকেশন তোর কাছ থেকেই আমি চাইরে ভাই।

ভাই তুই সুস্থ হয়ে যা দ্রুত। 
এতগুলো মানুষের প্রার্থনা, পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয় আমাদের নিরাশ করবেন না।

Wednesday, May 4, 2016

আবারও ডাব অপারেশন আবার ও রাশেদ


(এটা গত ১৩/৮/১৫ তারিখে আমার টাইমলাইনে পোস্ট করেছিলাম, পরে এ পেজ তৈরীর পর এখানে পোস্ট করেছিলাম কিনা এটা বের করতে পারছিনা, তাই কপি পেস্ট করলাম)

আবারও ডাব অপারেশন আবার ও রাশেদ, তবে নেতৃত্বে এবার মিঠু ভাই ( বি টাইপ)। আর আমি তো ফাঁকে তালে চান্স পাই আর কি। 

রাত প্রায় নয়টা,পুকুরের ধারে নারকেল গাছের নীচে (বিখ্যাত জায়গা !!!!) বসে আড্ডা মারছি আমি আর রাশেদ , হঠাৎ দেখি মিঠু ভাই হাজির , সাধারনত মিঠু ভাই এ জায়গায় কম আসে,এসে বলল ডাব খা্ইতে হবে ব্যবস্থা কর। রাশেদ ছাড়া কোন উপায় নেই , সেই আমাদের মাঝে একমাত্র ডাব গাছে উঠতে পারে।ঠিক পুকুরের কিনারে দুটি গাছ টার্গেট করলাম , ঐ গাছের ডাব গুলো লাল রঙয়ের (লাল ডাবের পানি খুব মিষ্টি হয়) যথারীতি রাশেদ গাছে উঠল,,, না এখনও সে গাছ থেকে পড়েনি, দুটি গাছ থেকে প্রায় ১৪/১৫ টি ডাব পারা হয়েছে, এমন সময় সেখানে দ্বায়িত্ব রত গার্ডের পু পু করে বাঁশি, মিঠু ভাই দুটি ডাব নিয়ে ঐ গার্ডের কাছে দৌড়ে গেল, পিছনে পিছনে আমি, রাশেদ তখনও গাছের উপর, মিঠু ভাই গিয়ে বললন ঐ মিয়া এমনে বাঁশি বাজান কেন, আমরা কি ডাকাতি করতেছি নাকি, সামান্য ডাব পাড়তেছি, নেন ডাব খান বলে হাতের দুটি ডাব গার্ডের কাছে দিলো, বলতে না বলতেই পুকুরে ঝুম করে শব্দ, বুঝলাম রাশেদ আবার গাছ থেকে পড়ছে, দৌড়ে গেলাম , দেখলাম রাশেদ মনের আনন্দে সাঁতার কাটছে, বললাম রাশেদ তুই আবার গাছ থেকে পড়ছস ও বলল না, পরপর দুটো গাছে উঠে গরম লাগতেছিলো, তাই সরাসরি গাছ থেকে পুকুরে লাফ দিলাম। এবং পানিতে থাকা অবস্থায় সে তিনটি ডাব খেলো। 
এমন পাগলামি ছিলো রাশেদের, তোর পাগলামি গুলো খুব মিস করিরে রাশেদ ,খুব মিস করি। ভালো থাকিস সবসময়।

কবি কাব্যর চাঁদে ভ্রমন


লিখাঃ কবি কাব্য
ইহা একটি শিশুতোষ গল্প।।।।
সেদিন ছিলো না কোন গাড়ি,
তাই ছিলো না চাঁদে যাওয়ার কোন তাড়াতাড়ি।
সেদিন ছিলো না কোন রকেট।
সেদিন শুধু পলিথিন ছিলো ছিলো না কোন পকেট।

সালটা তখন ২০৫০।তখন পৃথিবী ছিলো black & white।তখন দিনে সূর্য উঠত কিন্তু রাতে চাঁদ উঠিত না।কারণ সূর্য মামা চাঁদ মামাকে আলো দিতো না।এমন একটা সময়ে কবি কাব্য চাঁদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।কিন্তু কিভাবে যাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা টা যেন প্রকট হতে লাগল।তাই উপায়ান্তর না পেয়ে কবি কাব্য ডিজনি ওয়ার্ল্ড থেকে ডোরেমন কে নিয়ে আসল তার এনিওয়ে ডোর দিয়ে চাঁদে যাওয়ার জন্য।কথামতো ডোরেমন তার পকেট থেকে এনিওয়ে ডোর বের করল কিন্তু সমস্যা হলো ডোর টা খোলা যাচ্ছলো না।তাই ডোর ঠিক করার জন্য নিক চ্যানেল থেকে নিঞ্জা হাতুরী কে নিয়ে আসা হলো।নিঞ্জা হাতুরী তার নিঞ্জা টেকনিক ব্যবহার করতে পারছিলোনা,কারণ সে নাকি জন্ডিস এ আক্রান্ত।আবার দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলো কবি কাব্য।তাই এবার ফুরফুরি নগর থেকে মটু ও পাতলু জুটি কে নিয়ে আসা হলো।তারা দুইজনই হাজার চেষ্টা করে এনিওয়ে ডোর টি খুলতে পারছিলো না।

বেচে থাকতে কার না ইচ্ছে করে


বেচে থাকতে কার না ইচ্ছে করে। চরম হতাশায় নিমজ্জিত যে মানুষটি, তারও ইচ্ছে করে বেচে থাকতে। এই দুনিয়ার মায়া ছেড়ে কেউ যেতে যায়না। তবে সত্যটা হলো এই যেতে হবেই। মা'কে চলে যেতে দেখেছি খুব কাছ থেকে। বেচে থাকার বড় আকুতি নিয়ে, মা আমার হাতটি ধরে ছিলো, আমি কিছুই করতে পারিনি।ডাক্তারও পারেনি। আল্লাহ পাক যা ভালো মনে করেছেন, আল্লাহ পাক তাই করেছেন। মা দীর্ঘদীন অসুস্থ ছিলো। একজন অসুস্থ মানুষ তার আপনজনদের কাছে চায়। শারিরিক এত জালা যন্ত্রনার মাঝেও , আমি, রনি ও বাবুকে মা যখন একসাথে পেত , মা'র মুখে তখন শান্তির হাসি ফুটে উঠতো। কিন্তু এই দুনিয়াতে যার স্বামী,ছেলে, মেয়ে কেউই নায়? কার কাছে বলবে , তার সুঃখ\দুঃখ এর কথা? কাকে বলবে , আমি আজ বড় অসহায়? একজন অসুস্থ মা'এর চাওয়াটা যদি এমন হয়? আমাদের ছোটো বেলাতে, যিনি আমাদের বুকে টেনে নিয়েছিলেন, মায়ের পরম মমতায় আমাদের ভালোবেসেছিলেন।যত্ন করে গান শিখিয়েছিলেন। বড় কঠিন এই জগত টা! আজ প্রথম আমি আর মাকে নিয়ে কিছু বললাম। আমি আমার এই কষ্ট টা সাধারনত কারো সাথে শেয়ার করিনা। বড় ভয় হয়, যদি কেউ করুনা করে? মা'কে নিয়ে কোনো করুনা সহ্য করা যায়না।

একটি ক্ল্প কাহিনি আমার মনটা ভেংগে দিয়েছে। মানুষ কতটা নিচু হতে পারে, এবং কতটা রুচিহীন হলে এভাবে লিখতে পারে! পন করেছিলাম সরে যাবো, এই আনন্দ বাড়ি থেকে, হয়তো যাবো।

বড় ভাই(মোসাদ্দেক ভাই) আমি আছি আপনার সাথে। আপনার দেখানো পথের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত। আমি যা বলি ,আমার বিশ্বাস থেকে বলি। মা'কে নিয়ে কোনো করুনা চলেনা। মা' এর গর্ভেই যে আমরা জন্ম নিয়েছি।

আজ শরীরটা বেশী ভাল লাগছে না গতকাল রাতে বুকের মাঝে ব্যাথা


আজ শরীরটা বেশী ভাল লাগছে না গতকাল রাতে বুকের মাঝে ব্যাথা ও বুক জ্বালা করছিল।সকালে অফিসে এসে ১১টার দিকে মুরাদ কে ফোন দিলাম,মুরাদ বলল চিটাগাং মেডিকেল এ চলে আসতে।এদিকে নিরু ভাই ফোন দিয়ে বলল, লিপি আপার জানাযা নাকি যোহর এর নামাজের পর।আমি যেতে পারি নি,তবে নিরু ভাইয়ের কথাতে পোস্ট করে সবাই কে অবগত করি।মুরাদ ইসিজি করতে দেয়,সেই মেডিকাল এ ইসিজি করিয়ে আনে।রিপোর্ট এ তেমন কিছু না পেলে ও ভাই টি মেডিকেল এ ভর্তির জন্য বলে ও ঔষুধ দেয়।এবং অনেকক্ষণ সেখানে ছিলাম,তারপর একটা ব্লাড টেস্ট দেয়।সেভরনে করেছি আগামীকাল রিপোর্ট নিব।যদি কোন খারাপ কিছু হয় তবে মেডিকেল এ ভর্তি হতে হবে।ছোট ভাইয়ের নির্দেশ। বাকীটা আল্লাহ উপর।সবাই দোয়া করবেন।আর আমাদের ছোট ভাই মুরাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন ভাইটি অনেক বড় ডাক্তার হয়।

What is the length of our life?


What is the length of our life? If you bring statistics you can say- the average life of a human. Is that the correct answer? No. To me the age of our mind is the actual age you have in this world. It is your thoughts, your intellectual, and your personality that personifies.
We know we are mortal. Then why the word immortal is so popular among us? Why we want to live even after we are no longer in existence. There are thoughts on this, but most frequent answer is, it gives mental peace. We all love to think that we are immortal or becoming immortal. For an average human being like me where I can live even after my demise. I can live in my children, in my family or friends. That’s the most common one, if I can try to live within people I met, met anywhere, if they can remember me. I think that’s the life I wanted. We should not think todays deeds whether it is right or wrong, will not come back. Not considering the religion, even the modern science is saying your future works are influenced by your past.

আজকে মামুনের পোষ্ট দেখার পর থেকে মামুনের জন্য খারাপ লাগতেছে


আজকে মামুনের পোষ্ট দেখার পর থেকে মামুনের জন্য খারাপ লাগতেছে। ওর মনে হয় মন খারাপ। তা না হলে আজকে রিপন ভাইয়ের বিবাহ বার্ষিকীতে মামুনের কোন পোষ্ট নাই কেন? আমি শুক্রবারের নলার পোষ্ট দেওয়ার পর মামুনের মন খারাপ। অবশ্য মামুন ভাল করে জানে নলার পোষ্ট দেওয়ার জন্য আমি দায়ী নই। আমাকে বড় ভাইরা বাধ্য করছে পোষ্ট দিতে। মামুন খুবই সহজ সরল ভাল ছেলে। ওর মনের মধ্যে কোন প্যাঁচ গোছ নাই। তারপরেও কেমনে যেন প্যাঁচ লেগে যায়। ও পেইজের কার কখন জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী, মৃত্যু বার্ষিকী ইত্যাদি নিয়ে যে হারে পোষ্ট দেয়, তা আমার মনে হয় আর কারো দ্বারা সম্ভব নয়। মামুনের মনটা যেমন বড় আবার তেমনি নরমও। ও কাউকে সহজে না করতে পারে না। ওর সহজ সরল মনটার কারনে অনেক সময় সবাই ওকে বোকা মনে করে। আর একটি কথা পেইজে অনেক জনকে নিয়া মামুন অনেক পোষ্ট দিছে। অথচ ওরে নিয়া আমরা কয়জনে পোষ্ট দিছি? মামুন মন খারাপ করিস না। 

নলা খেলে একটু আধটু খারাপ লাগতেই পারে। এতে ভয়ের কিছুই নাই। তোর টেস্ট পরীক্ষার রিপোর্ট আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভাল হবে। গ্যাসের ওষুধ নিয়মিত খাইছ। আর তুই পোষ্ট দিতে থাক দেখবি, সবাই দোয়ায় তোর কিছুই হবে না। Aslamuddin Mamun

প্যাপু করে এক নাগাড়ে মোবাইল বেজেই যাচ্ছে


প্যাপু করে এক নাগাড়ে মোবাইল বেজেই যাচ্ছে,সকাল প্রায় ১১ টা, অনেকটা বিরক্ত নিয়েই ফোন রিসিভ করল ফাহিম,ওপাশে ‍শিলা- ফাহিম কে কোন কথার সুযোগ না দিয়েই গটগট করে বলল আজ বিকেল তিন টার সময় ফাহিম যাতে শিলার সাথে দেখা করে, তার অনেক জরুরী কথা আছে।যদিও ফাহিম বলল তিন টার সময় তার কাজ আছে, শিলা শুধূ ঠিক আছে রাখি বলে ফোন টা ঠাস করে রেখে দিল, ফাহিম তারপরেও কিছুক্ষন ফোন টা ধরে বসে রইল।এ কাজগুলো কিছুদিন ধরে করছে ফাহিম , যে জিনিস গুলো তার কাছে ন্যাকামী বলে মনে হতো সেগুলো সে করছে এইতো সেদিন শিলার সাথে ইচ্ছে করে বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর বাধিয়েছিলো। ফাহিম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, সে এসব প্রেম ভালোবাসা নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে দূরে থাকবে। তাই সে কোন কাজ না থাকা স্বত্তেও শিলা কে বলেছে তার তিনটার সময় কাজ আছে।ফাহিম এখন অনেক কাজেই মনোযোগ দিতে পারেনা, যে প্রেম ভালোবাসা কে সে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মনে করে মনে হচ্ছে যেন সে প্রেম পিরিতিই তাকে গিলে ফেলছে, তাই সে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে িএ ব্যাকটেরিয়াকে যেভাবেই হোক এন্টিবায়োটিক দিয়ে বিদায় করবে।

Tuesday, May 3, 2016

আমাদের সকুলের গেইটাও চেঞ্জ হয়ে গেছে


আমাদের সকুলের গেইটাও চেঞ্জ হয়ে গেছে।আমার আগের গেইটাই ভাল লাগতো।খুব মনে পড়ে সেই দিনের কথা।যখন এসেন্মলি হতো পিটি স্যার বলে দিত সবাইকে আট টার আগে সকুলে ঢুকতে হবে আর না হলে গেইটের বাহিরে দাড়ায় থাকতে হবে।আমি অনেকবার গেইটের বাহিরে দাড়ায় থাকতাম।পারতাম না আগে আসতে।আবার আসলে অনেক লাইন ধরতাম না আমরা কয়জন ক্লাসে বা বাথরুমে লুকায় থাকতাম।অনেক রোদ হলে তাই-ই করতাম।কিনতু বাদলবাবু স্যার এসে চেক করতো।ধরাও কাইচি বহুবার।পরে যখন নাইন/টেনে তখন আমরাইতো জাতীয় সংগীত গাইতাম।ও অনেক মজার দিনগুলা সব হারায় গেল।আবার ছেলেদের এসেম্লির সময় ছিল আমাদের টিফিন টাইমে।তখন কত বদমাইশি করতাম।পিটি স্যার বলতো ছেলে লাইন চলাকালীন সময় মেয়েরা বের হবে না।কিনতু তারপরও আমরা বের হতাম।আমি তো অনেক সময় টিফিন পিরিয়ডে বাসায় জেতাম যে আর আসতাম না।এ রকম অনেকবার করেছি।আর আমরা পিছনে জানালা দিয়ে দেখতাম বড় ভাইয়েরা কবরস্থানের ওদিকে টিন টপকিয়ে সকুল পালাচছে।আর খালের পাড়ে,বইজ্জার বাগানে বসে টাস খেলছে।

ভেবেছিলাম চাচীকে দেখে এসেই তার অবস্থাটা সবাইকে জানাব


ভেবেছিলাম চাচীকে দেখে এসেই তার অবস্থাটা সবাইকে জানাব। আমি দুখিত সেটা করতে পারিনি. 
সময় ও মনের অবস্থার কারনে।

তবে এর মধ্যে কথা বলেছি পলাশের সাথে। খুব শিঘ্রী বসব তোমাদের কয়েকজনের সাথে।। ভালো কিছু করার জন্যই একটু সময় নিছছি।

চাচীর বরতমান শারিরীক অবস্থা, মনের অবস্থা,আর্থিক অবস্থা সবই ভংগুর। এ অবস্থায় আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

সব হারিয়ে এই 'একা' হয়ে যাওয়া মানুষটির উদ্দেশ্যে আমরা সবাই বলি :

"কেদো নাকো মা, 
তোমার সন্তানেরা ঘুমিয়ে পড়েনি ---"
বলবতো?

সকলের অনুমতি প্রার্থনাপূর্বক লেখাটি আবার পোস্ট করছি


এই লেখাটি গত বছর জুলাই বা আগস্টের দিকে লিখেছিলাম আমার টাইমলাইনে, উল্লেখ্য এই লেখাটিই ছিল আমার কলোনি নিয়ে উল্লেখ করার মত স্মৃতি চারন মূলক প্রথম পোস্ট।পরবর্তিতে এই সিএসএম পেজে লেখাটি আবার দেই, দুর্ভাগ্যবশত লেখাটি কিছুদিন পর ডিলিট হয়ে যায়। সকলের অনুমতি প্রার্থনাপূর্বক লেখাটি আবার পোস্ট করছি।

কলোনিতে কারেন্ট চলে যাওয়া মানে আমাদের কাছে ছিল চাঁন রাতের মত, এমনই এক অন্ধকার চাঁন রাতে আমি, মনিরুল,দুলি আর মরা রাশেদ ( মোর্শেদ ভাইয়ের ছোট ভাই) তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা কে বি এম শাহজাহান (C9)ভাইদের ডাব গাছ থেকে ডাব চুরি করতে গেছি, তুলনামূলক ওই গাছটি একটু নীচু ছিল।আমাদের মাঝে শুধু রাশেদই গাছে উঠতে পারে। তাই রাশেদ কে গাছে তুলে দিয়ে বাকী আমরা তিনজন একটু দূরেই সোনালি ব্যাংকের পিছনে চুপচাপ বসে আছি, একটু পরেই ধূপ করে শব্দ, তার মানে আমরা ধরে নিয়েছি রাশেদ উপর থেকে ডাব ফেলেছে। আমরা তিনজনই গাছের কাছাকাছি গিয়ে অন্ধকারে কোন ডাব দেখতে না পেয়ে উপরে গাছের দিকে তাকিয়ে রাশেদ কে উদ্দেশ্য করে বললাম রাশেদ ডাব কই ফেলছস, কয়েক সেকেন্ড পর নীচের অন্ধকার ঝোপ থেকে রাশেদের কাতর কন্ঠ স্বর "অডা ডাব ন ফরে, আঁই ফরি গি" ( ডাব পড়ে নাই, আমি পড়ে গেছি)। এর মধ্যেই শাহজাহান ভাইদের বাসা থেকে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে গেছে, কোন মতে মৃদু আহত রাশেদ কে টেনে হিচড়ে আবারো সোনালী ব্যাংকের পিছনে লুকিয়ে থাকলাম।

চুলার উপর ভাত বসাইয়া সিএসএম পেজে ঢুকলাম


চুলার উপর ভাত বসাইয়া সিএসএম পেজে ঢুকলাম, দেখি তৈলের ছড়াছড়ি এই জন্যেই তো গতকাল মুরগী রান্না করতে গিয়ে দেখি তৈল সর্ট তা এখন বুঝতে পারলাম । বৌয়ের সাথে ফোনে কথা হলো , বললাম- কবে আসবা । উত্তরে বলে- কেন ? তোমার সিএসএম আছে না ! 

এখন কি আর অফিস থেকে এসে রান্না করতে মন চায় ? বৌয়েরা কেন জানি সিএসএম-কে তাদের প্রতিধন্ধি মনে করে ? 

অবশ্য Nazmul Huda নাজমুল ভাই গত দুইদিন আগে ওনার বাসায় যেতে বলেছিল । অনেক দিন আগে Jafar Alam Alam জাফর ভাই বলেছিল- আরে কোন সমস্যা হলে আমার এখানে চলে আসবি ! পতেঙ্গায় যাওয়া আর বড়পোল থেকে নোয়াখালী যাওয়া একই কথা । 

এভাবে আরো কয়েকটা দিন থাকতে হবে , অফিস থেকে এসে রান্না করা তারপর খাওয়া । ও আমার চট্টগ্রামের বড় ভাইরা এই কয়েকটা দিনের মধ্যে কি সিএসএমের কোন খাওয়ার প্রোগ্রাম/আয়োজন হবে না । হলে তো ভালই হয় অন্তত একটা দিন রান্না করা থেকে মুক্তি পেতাম । কোন বিয়ে শাদিও কি নাই ? 

যাক অবশেষে পেজে লিখতে লিখতে ভাতটা হয়ে গেছে , মুরগীটা তো গতকালের রান্না করা আছে, ফ্রিজ থেকে বের করে একটু গরম করে নিলেই হবে, আজ এতেই চলে যাবে । আগামীকাল যদি কোন প্রোগ্রাম থাকে , বড় ভাই সহ সবাইকে বিনীত অনুরোধ একটা হেলো করলেই হবে - তাতে এই বান্দা হাজীর হবেই আর রান্না করা থেকে একটা দিন রেহাই পেতাম !!!!!

কষ্ট থেকে মুক্তি পাবার একটা চরম সত্য হল, কস্টটা পেতেই হবে


কষ্ট থেকে মুক্তি পাবার একটা চরম সত্য হল, কস্টটা পেতেই হবে। কস্টকে পাশ কাটিয়ে আমি কিংবা আমরা ভাল থাকতে পারবো না। কেউ একজন কোন এক সময় আমাকে ছেড়ে চলে গেছে ? আমি যাই ভাবি না কেন রাতের একটা সময়ে কষ্টটা (নিরব ঘাতক) আমাকে পেতেই হবে। কস্ট থেকে মুক্তি পাবার এর আসলে কোন উত্তর আমার জানা নেই।

আমি কিংবা আমরা নিজের কস্টকে ভূলে থাকার জন্য হয়ত কিছুক্ষণ জোর করে অন্যকে হাসাতে পারব, কিছুটা সময় বন্ধুদের আড্ডা সাথে নিজেকে মানিয়ে নিবো, কিংবা মুভি দেখে ঘন্টা তিনেক সময় পাড় করতে পারবো সর্বপরি, বাসায় ফিরে ক্লান্ত শরীরে পরিবারের সাথে কিছুটা সময় নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবো। কিন্তু কাজ হবে না, রাতের গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে সেই কস্ট আমাকে সহ্য করতে হবে।

চোখের জল আটকে রাখা যায়না। তাই যতদুর কান্না করা যায় কান্না করতেই থাকো নিরবে, একাকীত্বে। একটা সময়ে দেখবো চোখেরা আর কান্না করতে পারে না। সহ্য হয়ে যায় একটা সময়ে। কস্টকে সহ্য করতে জানতে হয়। সবাই সহ্য করতে পারে না। জীবন চলার পথে সৃস্টিকর্তা যেন আমাদের সকলকে সেই সহ্য করার শক্তিটুকু দেন।

একটা কাজ করতে হবে,টাকা দরকার,অনেক টাকা


একটা কাজ করতে হবে,টাকা দরকার,অনেক টাকা। হাতে এক কানাকড়িও নেই। এদিক সেদিক উদভ্রান্তের মত টাকার জন্য ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। অবশেষে টাকা যোগাড় হলো। তার মাঝে একজন থেকে চারশত টাকা নিয়েছিলাম। এরপর এই জীবনে কত চারশ টাকা হাতের উপর দিয়ে এলো আর গেলো, কিন্ত ঐ চারশ টাকা আর ফেরত দেওয়া হয়নি শুধুমাত্র আমার নিজের অবহেলা আর গাফলতির কারনে। টাকা প্রদানকারী কলোনির ঐ মুরুব্বি স্থানীয় ব্যক্তির সামনে পড়লে লজ্জায় পড়তে হয় আবার টাকা টি ফেরত দিতেও সংকোচ লাগে এই কারনে যে, এতদিন পরে টাকা ফেরত দিতে গেলে উনি কিছু মনে করেন কিনা।এদিকে আজ থেকে বাইশ তেইশ বছর আগের চারশ টাকা তৎকালীন বাজার মূল্য অনুযায়ী অনেক টাকা। সব মিলিয়ে এই ব্যাপারটি নিয়ে আমি সবসময় এক ধরনের লজ্জায় ও হীনমন্যতায় থাকি।

পরিশিষ্ট, এত কষ্ট করে টাকা যোগাড় করে সেদিন যে কাজ টি করতে চেয়েছিলাম তার রেজাল্ট পাইনি কোনদিন আর পাবোওনা কোনদিন।

Monday, May 2, 2016

ভালই বৃষ্টি হচ্ছে


ভালই বৃষ্টি হচ্ছে ।আমরা মা ছেলে বৃষ্টি উপভোগ করছি ।হাজারো স্মৃতি মনে ভীর করছে ।কখন ও কি ফিরে পাবো সেই প্রিয় স্টীল মিল ? খাল পাড়ে বসে কি কখন ও বৃষ্টি উপভোগ করতে পারবো ?সেই বৃষ্টি ভেজা শরীরে জ্বর আসলে মা বলবে - তো যাবি আর খাল পাড়ে ?খাল পাড়ে না গিয়ে দুইটা বসে পড়ালেখা করলে অনেক ভাল করতি ?খাল পাড়ে গিয়ে কি মজা পাস বুঝি না ।সারা কলোনি ঘুরে বেড়ালে তিনটা মেয়ে পাওয়া যাবে না যারা খাল পাড়ে যায় ।তুই আর মেরী যে কি মজা পাস আল্লাহ ভাল জানে ।মা তুমি তো জান না খাল পাড়ে গেলে প্রাণ ফিরে পাই ।গুপ্ত ধন ও আছে ।

হি হি হি

আসুন আমরা সবাই মজা করি


আসুন আমরা সবাই মজা করি। সকল ভেদাভেদ ভুলে আমরা সকল ভাই বোনেরা মিলে আনন্দ করতে চাই, মজা করতে চাই। আর যারা লিখতে পারেন তারা লিখতে থাকেন। আমরা যারা লাইক / কমেন্টস দেই তারা সবাই আপনাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়বো। আপনার যা মন চায় তা আপনি লিখতে পারবেন। গল্প, উপন্যাস, ভ্রমন কাহিনি যা মন চায়। তবে লেখা হতে আপনার কিংবা আপনার সম্পর্কিত। লিখার সময় একটি বিষয়ে লক্ষ্য রাখবেন আপনার লেখা থেকে যেন কেউ কষ্ট না পায় কিংবা কারো মনে যেন আঘাত না করে। আজকে যদি একজনকে আপনি আঘাত করেন, আরেকদিন সে সুযোগের অপেক্ষায় আপনাকে আঘাত করার জন্য। কি দরকার কাউকে আঘাত করার? আমার যদি কাউকে পছন্দ না হয় তাহলে চুপ করে থাকবো। প্রয়োজনে তার পোষ্টে লাইক / কমেন্টস করবো না। তারপরেও কেউ যদি আমাকে বা আপনাকে আঘাত করে তাহলে আমরা সিনিয়র ভাইদেরকে (যার সাথে আমার/আপনার ভাল সম্পর্ক) যে কোন উপায়ে বিষয়টি অবগত করবো। আমি বিশ্বাস করি আমাদের ভাই বোনদের সাময়িক ভুল বুঝাবুঝি তা অচিরেই ঠিক হয়ে যাবে। কারন আমরা আমরাইতো। তাই আমি সকল ভাই বোন/ ভাগিনা / ভাগিনিকে আবারো আহ্বান জানাই আসুন আমরা প্রান খুলে মজা করি। আমরা সকল ভাই বোন সিএসএম বন্ধনে আবদ্ধ হই।

1985/86/87

মুন্নি আর লিন্দা

সিএসএম এর সকল ছোটভাই আর বড় ভাইদের কাছে আমার আকুল আবেদন


সিএসএম এর সকল ছোটভাই আর বড় ভাইদের কাছে আমার আকুল আবেদন আপনারা দয়া করে এটা যারা সেবন করেন তারা আজকে থেকে শপথ করেন চর কখনও সেবন করবেন না।এটা খুবই ক্ষতিকর একটা বস্তুু যার কারনে আপনি মৃত্যুপথ বেচেঁ নিচছেন।আমার দেখা একজন মানুষ(নাম বলা যাবে না)খুব অলপ বয়সে সিগারেট খাওয়াতে মারা যায়।আমি অনেক কষট পেয়েছিলাম।আমি জানি এখনও অনেকে আছেন যারা টেনশন হলেই এটা খান।না আর না এবার আর কেউ তা করবেন না।যারা খান তারা আজকে থেকে তাদের সবচাইতে প্রিয় মানুষটার কথা ভেবে ছেড়ে দওয়া যায় না।আমার এ Request টা রাখবেন।বলতে পারেন ভাইদের কাছে একটা আবদার।দয়া করে রাখবেন আশা করি।সবাই একসাথে বলি না আর খাবো না, কেউ খেলে তাকে বুঝাবো।।।।

সবাই বৃষ্টি বৃষ্টি করে কতো স্ট্যাটাস দিলো


সবাই বৃষ্টি বৃষ্টি করে কতো স্ট্যাটাস দিলো। আমি একটা স্ট্যাটাস দেওয়ার আধ ঘন্টার মধ্যে বজ্রপাত সহ ভালই বৃষ্টি হলো। সেই বৃষ্টির কারনে আমার কিঞ্চিৎ সমস্যাও হয়েছিল। আজকেও সারাদিন প্রচন্ড গরম। বিকাল থেকে আকাশ মেঘলা। অফিস থেকে বের হওয়ার সময় যথারীতি ব্রজপাত সহ বৃষ্টি। অনিচ্ছা সত্ত্বেও অফিসে অনেকক্ষণ বসে থাকতে হলো। আমি প্রায়শঃ লক্ষ্য করি অফিসে যাওয়ার সময় কিংবা অফিস থেকে বের হওয়ার সময় বৃষ্টি আসে। হয়তো অফিসে ঢুকতে বাঁধা দেয়। নয়তো অফিস থেকে বের হতে বাঁধা দেয়। কেন এমন হয়??

একেবারে বাঘ মার্কা গরমের পর গতকাল সন্ধ্যায় এক পশলা বৃষ্টি


একেবারে বাঘ মার্কা গরমের পর গতকাল সন্ধ্যায় এক পশলা বৃষ্টি, মোটামুটি গরমের প্রভাব কিছুটা কমিয়েছে। চলাফেরায় শান্তি শান্তি ভাব।

বৃষ্টি দরকার, তবে পরিমান বেশী হলে যে কি হয়, যারা মিরপুর ১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, শান্তিনগরে আর ওদিকে আগ্রাবাদ থাকে তারা বুঝে। রাস্তায় শিপিং সার্ভিস চালু করা যাবে।

বৃষ্টি নিয়ে সবচেয়ে বেশী গান, কবিতা লিখেছেন মনে হয় আমাদের রবি বাবু। ওনি জমিদার পুত্র। বারান্দায় বসে বসে বৃষ্টি দেখতেন আর গান কবিতা লিখতেন। আর আমরা যারা ম্যাংগো পাবলিক তাদের যে কি অবস্থা তিনি কি আর বুঝতেন। এই বর্ষায় কাাঁচা বাজার বা মাছ বাজারে যাওয়া আর সিটি কর্পোরেশনের পরিছ্ছন্নতা কর্মী হওয়া একই ব্যাপার।আর অফিস টাইমে বা শেষে গাড়ী ধরার জন্য বৃষ্টি মাথায় নিয়ে যে কি পরিমান ছুটাছুটি করতে হয়, সে বিড়ম্বনা কোন দিন রবি বাবু দেখেন নি।দেখার কথাও না। 

অনেকে আবার বৃষ্টির সাথে প্রেম রোমান্স কে মিলিয়ে ফেলেন, আরে বাবা ! কেউ কি চিন্তা করে দেখছেন একবার এই বৃষ্টির জন্য কত জনের কত আউটডোর ডেটিং বাতিল হইছে। অবশ্য এখন ডিজিটাল যুগের পোলাপান আউটডোর ডেটিং এর চেয়ে ইনডোর ডেটিংই পছন্দ করে বেশী (ওই ব্যাচেলর ছবির ”লিটনের ফ্ল্যাট ”টাইপ আর কি)। আর বর্ষা বাদলে ইনডোর ডেটিং ই ভালো জমে।

Shondhay Chandan chachir shathe ph e kotha holo


Shondhay Chandan chachir shathe ph e kotha holo. Opash theke ph receive kortei shunlam harmonium r bachha der golar awaz. Mone hochhilo jeno pakhi der kichir michir. Mone pore gelo steel mill e chachir bashar chhobi. Jokhoni jetam thik emon e kolotan. Hello bolar sathe sathe jiggesh korlen ke bolchhen. Bollam chachi ami ruba. Sathe sathei jei uchhash r anondo jhore porlo tar gola theke kichhukhoner jonno bhulei giyechhilam chachi khub oshustho. Sei golar awaz sei porichito hashi. Bollen ami hello shunei bujhechhilam eta ruba. Ki korchhi jggesh korlen nize ki korchhen ekhon tai bollen. Ekta school e achhen chachi. Then bhishon onondo niye bollen jano ami ekhon tomar oi gaan ta bachha der shikhechhi....then geye geye bollen.....phoole phoole projapoti urchhe urchhe...Tarpor jiggesh korlen etar gitikar ki tomar mone achhe? Bollam chachi ami khuje ber kore apnak janabo. Then arekta deshattobodhok gaan er line gailen bollen etar gitikar o dorkar. Bollam ami janabo. Steel mills er jara jara ph korechhilo shobar name ek ek kore bollen. Showkat bhai giyechhilen chachi ke dekhte tao bollen. 

Sunday, May 1, 2016

জীবন ধন্য


ষ্টীল মিলস কলোনির বাসিন্দা হয়ে জীবন ধন্য। এখানে যখন ছিলাম তখন তো সবার প্রতি সবার আন্তরিকতা ছিলই। এরপরতো অনেকের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলাম। csm colony এই পেজ খোলার পর আবার সবার সাথে যোগাযোগ শুরু হলো। যাদের সাথে আগে কখনও কলোনিতে থাকতে কথা হয়নি বা চিনতাম না এই পেজের মাধ্যমে পরিচয় হয়েছে। ষ্টীল মিল এর হওয়াতে সবাই সবার প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক। আমাদের আড্ডার দিন রাতের খাবার নেয়ার কুপন হারিয়ে ফেলেছিলাম এই কথা শুনে Aslamuddin Mamun ভাই সাথে সাথে ওনার থেকে কুপন আমাকে দিলেন খাবার নেয়ার জন্য। আমি বল্লাম আপনার লাগবে না? উনি বললেন সমস্যা নাই তুমি নিয়ে নাও। তারপর আরেক ভাই এর কাছে আমি আবদার করেছিলাম (বলতে নিষেধ করায় আমি নাম বললাম না) সে অনেক দূর থেকে আমার আবদার রেখেছে। যা আমি ভাবতেও পারি নাই। আসলে ষ্টীল মিলের দেখে সম্ভব হয়েছে। Khurshed Alam Manik ভাই চাঁদপুর থেকে রাত ৯টায় কুমিল্লাতে এসেছে। আম্মা আমার বাসায় আছে শুনে রাত ১০টায় আমার বাসায় এসেছে আম্মার সাথে দেখা করতে। এই আন্তরিকতা আমার মনে হয় জগতে আর কোথাও দেখা যাবে না। এ যেন নতুন করে পুরাতন জিনিস ফিরে পাওয়া। তাই এখানের বাসিন্দা হয়ে আমি ধন্য।

মানুষ গড়ার কারিগর


আমার সব বন্ধুরা স্যারের ক্লাস আমার আগে পেলেও আমি একটু দেরিতে পেয়েছিলাম। কারন আমি যে সেকশন এ থাকতাম,স্যার সে সেকশন এ ক্লাস পেতেন না। অবশেষে ক্লাস এইটে স্যার আমাদের বিজ্ঞান ক্লাসে এলেন। কিন্তু তার আগে ক্লাস সেভেনে স্যারের বাসায় আমি অংক করতে যেতাম।আমি,নাসিম আর জিকু। সকাল ৭ টার দিকে।

আমার গলার ভয়েস ছিল লাউড। তাই মাঝে মাঝে কথা বললে মুনতাহা র ঘুম ভেংগে যেত।তখন স্যারের বেতের বাড়ি খেয়ে গলা নামিয়ে নিতাম। স্যারের কাছে উৎপাদকে বিশ্লেষণ সহ অন্য অংক করা শিখেছিলাম।

স্যার যখন বিজ্ঞান ক্লাস নিতেন, তখনো স্যারের মার খেয়েছি তবে দুষ্টুমির জন্য। পড়া শিখলে স্যার খুব খুশি হতেন। আবার পড়া দিতেন মেপে মেপে যাতে ছাত্রের জন্য প্রেশার না হয়।

পরীক্ষার হলে স্যার কিভাবে যেন নকল করছে কে তাকে ধরে ফেলতেন। স্যারের চোখ ফাঁকি দিয়ে কেউ এ কাজ করতে পারত না।তাই স্যার যেদিন পরীক্ষার হলে ডিউটি দিতে আসতেন,সেদিন মোটামুটি তটস্থ থাকতে হত।

স্যার কথা বলার সময় হাসতেন, সেই হাসিতে থাকত একরকম শুদ্ধতা। কাউকে অসম্মান করা পছন্দ করতেন না, প্রতিবাদ করতেন।ছাত্রদের মানসিক গঠনে স্যারের খুব দারুন ভূমিকা রাখতেন।এজন্য ছাত্র রা স্যার কে অনেক পছন্দ করত।

আজ স্যারের জন্মদিন। অনেক দিন হয়েছে স্যারের সাথে দেখা হয়নি।সারাজীবন স্যার আমাদের মানুষ করার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। আজ স্যারের সন্তানেরা মানুষ হবার পথে। ইচ্ছা করে স্যার কে কখনো অসম্মান করিনি, অলক্ষ্য এ হয়ত আমাদের কোন আচরনে কষ্ট পেয়ে থাকতে পারেন, যা হয়ত মন থেকে চাইনি কোনদিন। কারন আপনার আশীর্বাদ আমাদের পথ চলার পাথেয়।

ভাল থাকবেন স্যার।জন্মদিন এর অনেক অনেক শুভেচ্ছা থাকল আপনার জন্য

যে যেখানে দাঁড়িয়ে


চন্দন চাচার ছেলে আসিফ ভাই ছিলেন আমার সিনিয়র। উনার সাথে আমার পরিচয়ে র শুরুটা ভাল ছিল না।আমাদের শুরু হয়েছিল পাথর ছোড়াছুঁড়ি দিয়ে।আমাদের দলে ছিলেন সুমন ভাই,আরিফ ভাই, নুরু ভাই, মাসুদ আর আমি।আর উনার গ্রুপে উনি,সুজি,শিলু, রকিবুল ভাই এরা। আমাদের মারামারি দেখে রিনির বাবা(প্রয়াত শামসুল হক কাকা) থামাতে এলেন।বকা দিলেন।

তারপর কিছুদিন পর উনি আমাদের বিল্ডিং এর সামনে খেলতে এলেন।গলার ভয়েস ছিল স্পশট,জোরালো। স্মার্ট ছিলেন ওই বয়সে।স্কুলে একবার ব্রেক ড্যান্স দিয়েছিলেন। সবার নজরে এসেছিলেন। রিনি তখন গান শিখত চাচী র কাছে। এসে আমাকে, মুক্তাকে শেখাত গানগুলো। 

আর বলত ওরা গান শিখতে গেলে আসিফ ভাই উনাদের বাসার কামাল নামের ছেলে টা কে নিয়ে কি কি দুষ্টআমি করেন।আমরা অবাক হয়ে শুনতাম। ওকে মানা করতাম গান শিখতে যেতে।তার কিছুদিন পর ও গান শেখা ছেড়ে দেয়। আসিফ ভাই রা চলে যান।

আজ রিনির আব্বাও নেই,নেই আসিফ ভাই। সেদিন উনার মারা যাবার কথা শুনে মনে হল মানুষের জীবন এত ছোট হয় কি করে।আমার ত প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। তারপরেও মেনে নিতে হয় কিছু সত্য। এক জীবনে সবার হয়ত দীর্ঘায়ু পাওয়া সম্ভব হয় না, পূরন হয় না সব আশা,স্বপ্ন।হয়ত এটাই জীবন।আমাদের জীবনে ভাল সময় আসে খুব কম।কিন্তু তাড়াতাড়ি চলেও যায়।আসিফ ভাইয়ের মৃত্যু যেন সেই কথা বলে গেল

চন্দন চাচী প্রসঙ্গ এবং অপ্রাসঙ্গিক কিছু কথা


(চন্দন চাচীর কাছে গান শিখতে যাওয়ার নেপথ্য কাহিনী এর আগেও আমি এই পেইজে লিখেছি।তবুও আবার লিখলাম)

খুব সম্ভবত ১৯৮৮ সাল। আমার বয়স তখন চার বছর। সি টাইপের আমাদের বাসার রান্নাঘরের সামনে নেংটু হয়ে রকস্টারের মতো চিৎকার করে গান গাচ্ছিলাম। দোতলার আশিক ভাইয়ের আম্মা উনাদের রান্নাঘরে যাবার পথে আমাকে দেখে মুচকি হেসে চলে যান। আর আমি উসাইন বোল্টের মতো ঝড়ের গতিতে ফালুদা হওয়া ইজ্জতের(!?) বাকিটুকু নিয়ে এক দৌড়ে ঘরের ভিতরে। গানের প্রতি আমার অকৃত্রিম ভালোবাসা (!?) দেখে আশিক ভাইয়ের আম্মা আমাকে গান শেখানো জন্য আমার আম্মাজানকে পরামর্শ দেন।এর কিছুদিন পরই আম্মা আমাকে গান শেখাতে চন্দন চাচীর কাছে নিয়ে যান।

সাড়ে চার বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগেই আমি গান শেখা শুরু করি চাচীর কাছে। টুকরোটুকরো কিছু স্মৃতি ছাড়া বাকি সময়টুকু ঝাপসা হয়ে আছে।কি গান শিখেছিলাম চাচীর কাছে, কতটুকুই বা শিখেছিলাম,তার কিছুই মনে নেই। শুধু মনে আছে, আমি সব আপুদের মাঝে একমাত্র ছেলে ছিলাম বলে চাচী বলেছিলেন, "তুই হলি সূর্য। বাকি সব গ্রহ। সূর্যের চারিদিকে যেমন গ্রহ থাকে,তেমনি তোর আশেপাশে এরা গ্রহ "। গ্রহ নক্ষত্রের এতো জটিল হিসাব বুঝার মতো বয়স না থাকলেও অন্তরীক্ষের মতো চাচীর মমতার বিশালত্ব বুঝতে আমাকে বেগ পেতে হয়নি।

আহ্ কি শান্তি


আহ্ কি শান্তি। চারিদিকে ঠান্ডা ঠান্ডা cool cool ভাব। আজকে রাতে dermy cool ও লাগবে না। লাগবে না নবরত্ন তেলও। এই কয়দিনের প্রচন্ড গরম গরম তাপ মাত্র আধ ঘন্টার হাল্কা বৃষ্টিতে একেবারে cool হইয়া গেল। মামু এতদিন তোমার আগমনের প্রতীক্ষায় থাকতে থাকতে ভাবছিলাম কই গিয়া পালামু। মামু তুমি এতদিন না আসাতে তোমার সৎ ভাই সূর্যি মামার তেজ বাইড়া গিয়াছিলো। তোমার ভাইয়ের যতই তেজ থাকুক তুমি আসলে সে তোমার ভয়ে লুকায়ে যায়। তাই এখন থেকে তুমি প্রতিদিন আসিও অন্তত আগামি ৪/৫ মাস। দিনে একবার হইলেও তোমার দেখা পাইলে পরানডা জুড়ায়ে যাবে।

"নিজেই নিজের"


লিখাঃ কাব্য।
আজকে দিনটা কেমন জানি,মন টা ভালো নেই,নিচে রফিকের দোকানে গেলাম।রফিক ভাই, এক কাপ চা দেন,সাথে চনামুড়িও দিয়েন।আশ্চর্য রফিক ভাই সাড়া দিচ্ছে না কেন? ভাই কি মশকরা করছেন!।প্রচুর চিল্লাচিল্লি করেও সাড়া পেলাম না।বিষন্ন মনে তাই রাস্তার বাম পাশ ধরে হাটতে লাগলাম।সবাই সবার মতো,আর আমি আমার মতো করে চলতে থাকলাম। (কিছুক্ষন পর)

ঘড়িটা এমন করছে কেনো?ঘর থেকে বের হলাম ১১.১ এ অথচ আমি প্রায় ৩ ঘন্টা ধরে হাটালাম কিন্তু এখন বাজে ১১.৩।অবাক হলাম,আরও অবাক হলাম যে এতোদুর হাটার পরও আমি মোটেও ক্লান্তি বোধ করছি না।কি সব ভুতুড়ে কান্ড ঘটছে আমার সাথে??হটাত রাস্তায় হোচট খেয়ে একজনের গায়ের উপড় পড়লাম,কোন রি একশন নাই,অবাক আর অবাক এমন মনে হতে লাগল যেন আমি তার গায়ের উপড় পড়িনি।কিন্তু আমি পড়েছি,ব্যাক্তিটি সরে যাওয়ার পরে আমি রাস্তায় ও পড়ে গিয়েছি,কিন্তু কোন ব্যাথা পাইনি,আমার শরীরের কোথাও ছিলকেও যায়নি।কি সব আজব ব্যাপার সেপার।আমি কি আদৌ এই দুনিয়াতেই আছি?নাকি অন্য জগত এ!!!