আমি আজ তারিকের কথা বলবনা, আমি শামীমের কথা বলবনা ,বলবনা সেই বড় ভাইয়ের কথা, আমি আজ বলব ওই নিরীহ ছোট্ট ভাইয়ের কথা, সে নিরীহ অথচ খুবই একটিভ। আমার অফিসে এসেছিলো, অফিস থেকে বের হয়ে একটি অনাকাংখিত ঝামেলায় পড়ে গেলো,ঘটনা আমার অফিসের কাছেই অথচ অক্ষমতার চুড়ান্ত প্রকাশ দেখালাম আমি, যেতে পারিনি ছোট ভাইটির সহায়তায়। ছুটে আসলো দুজন বড় ভাই নিজের সব কাজ ফেলে রাতদিন ছুটোছুটি করল,আমি খালি মোবাইলেই খবর নিয়ে দ্বায়িত্ব শেষ করেছি। আমি কিছুই করতে পারিনি।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Saturday, January 16, 2016
Friday, January 15, 2016
কলোনি তে থাকতে আমাদের বাসার এক অলিখিত নিয়ম ছিল
কলোনি তে থাকতে আমাদের বাসার এক অলিখিত নিয়ম ছিল।বাসায় কেউ বেড়াতে আসলে তাকে পতেংগা সিবিচে নিয়ে যাওয়া হত।আমার কখনোই যেতে ইচ্ছা করত না।কারন আমাদের বাসার ছাদে গেলে সমুদ্র টাকে দেখতে পেতাম।পানির উপর অনেক জাহাজ।পানির উচ্চতা টা এমন যে এক্ষুনি উপচে পড়বে। বোকা বোকা চোখে আমি অনেক বিস্ময় নিয়ে হা করে তাকিয়েই থাকতাম।আর এক অদ্ভুত ভাল লাগা অনুভব করতাম।
এখনো ছাদে উঠি।কিন্তু আগের মত সমুদ্র দেখতে পাইনা।দখিনা বাতাস যেন অধরা।চারপাশে কেবল ইট পাথরের দালান।দম বন্ধ হয়ে আসে।
তবুও ভাবি দখিনের জানালাটা খোলা থাক,
আলো আসুক, আলো যাক।
আমি খুব ভুলোমনা মানুষ
আমি খুব ভুলোমনা মানুষ। প্রায় কিছুই মনে রাখতে পারিনা। আম্মা আমাকে ডাকে "ভুলা মিয়া"। আম্মা আমাকে যদি চিনি, লবন আর ডাল আনতে বলে আমি চিনি আর লবন নিয়ে চলে আসি, ডাল আনতে ভুলে যাই। এজন্য আম্মা আমার উপর ক্ষেপে যায় মাঝে মাঝে। দুঃখ করে বলে "তুই জীবন কাটাবি কেমন করে যদি এতো ভুলোমন হোস"। আমি হেসে উড়িয়ে দেই অথবা রেগে গিয়ে বলি "তুমি শুধু চিনি আর লবন আনতে বলছো, ডালের কথা বলো নাই"। আম্মা প্রতিবাদ করে বলে "আমি তিনটাই আনতে বলছি, তুই ভুলা মিয়া ভুলে গেছস"।
আমি তখন খড়কুটো আকড়ে ধরার মতো শেষ ভরসা হিসেবে বলি "তাহলে তুমি ফিসফিস করে বলছো তাই শুনি নাই"। তাতেও লাভ হয়না খুব একটা, আম্মার পক্ষে কিছু সাক্ষী সাবুদ জুটে যায় আম্মা নাকি যথেষ্ঠ চিৎকার করেই তিনটা জিনিস আনতে বলেছে। এই ভুলে যাবার রোগ নিয়ে আমি কি যে যন্ত্রনায় আছি। অনেকদিন আগের কথা, একবার আম্মা কোথায় যেন যাবে আমাকে বলল ট্যাক্সি এনে দিতে। আমি বের হয়ে সঙ্গে সঙ্গে ট্যাক্সি ডাকার কথা ভুলে গেলাম এবং আধঘন্টা বাইরে ঘুরে এসে বাসার সবার টিটকারির মুখে পড়লাম। আমি মানুষের নাম ভুলে যাই, চেহারা ভুলে যাই, বাসার ঠিকানা ভুলে যাই, চেক কাটতে গেলে সিগনেচার ভুলে যাই, মুভি দেখতে গিয়ে কে নায়ক সেটা ভুলে যাই তাই বারবার মুভির শুরুর দিকে গিয়ে দেখে আসতে হয়।
প্যাটার্ন
কিছু দিন আগে জনি এর সাথে চ্যাট করতে গিয়ে গল্পের প্যাটার্ন নিয়ে কথা বলছিলাম। অনেকটা না বুঝেই গল্পের প্যাটার্ন কি রকম হয় এইটা নিয়ে কিছু লিখবো বলে ফেলেছি। মাঝে মাঝে বোকার মতো কথা বলে বসি এইটা তার একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।এখন এর দায় টানতে হচ্ছে।আমি গল্পের কোন নির্দিষ্ট প্যাটার্ন থাকে এইটা বিশ্বাস করিনা।যার যেমন ইচ্ছে শুরু করতে পারে।কোন সমস্যা নেই।তাহলে জইন্নারে আমি কি বলবো ? আমি যে প্যাটার্নে লিখি তা শেয়ার করা যেতে পারে।দেখি জইন্নার মন ভিজতেও পারে ?আমি প্রথমে কি নিয়ে লিখবো তা ঠিক করে নেই। তারপর চরিত্র গুলো কে সাজাই। আশে পাশের মানুষ গুলো কি স্ট্যাইলে কথা বলে,বিশেষ মুহুর্তে কেমন আচরন করে তা বুঝার চেষ্টা করি। সেই টাই লিখার চেষ্টা করি। একটু এক্সপ্লেইন করি।
ধরা যাক আমার গল্পের একটা চরিত্র X।এই X কে আমি Jashim ভাই ভেবে লিখবো। এখন পার্টিকুলার কোন সময়ে জসিম ভাই কেমন আচরন করবে তাই দেখানোর চেষ্টা করবো। কোন ভাবেই আমি আমার চিন্তা সেই MR X এর উপর চাপিয়ে দিবো না ।এইটা করতে গেলে গল্পের ফোকাস টা নষ্ট হয়ে যাবে।
Thursday, January 14, 2016
আলোচনা সমালোচনা আর শেষে সমাপ্তি....
আলোচনা সমালোচনা আর শেষে সমাপ্তি....
শেষ হইয়াও হইলোনা শেষ।
রাস্তা পার হলাম, সবাই যার বাড়ীর পথে রওয়ানা দিয়েছেন আর এবার আমার পালা। কিন্তু গিড় ষ্টার্ট দেয়ার পর দেখলাম সামনের দুই চাকাতেই হাওয়া নাই। ঘড়ী বাজে রাত ১০:৩০, কোন কিছু চিন্তা নাকরেই ফোন লাগালাম জসিম ভাইকে, কিনতু তিনি ততক্ষনে নেটওয়ার্কের বাহিরে নাকি কঠিন ষড়যন্ত্র!!!! পাওয়া গেলো না, ফোন দিলাম ছোট ভাই টিপুকে আর সে চলে আসলো আমাদের মামুনকে নিয়ে। পাশেই দেখলাম তিনজন ভদ্র লোক আলাপ চালাচ্ছেন....
তোমার ভালোবাসার চারাগাছটা বাড়েনা কেন?
- Javed
তোমার ভালোবাসার চারাগাছটা বাড়েনা কেন?
আমিতো নিয়ম করে জল দেই,
প্রেমের স্বল্পতা দেখতে পেলে
অকৃপনভাবে দেই প্রনয়ের সার।
মাঝে মাঝে দক্ষ মালির মতো
ছেঁটে দেই অপ্রেমের ডালপালা,
উপড়ে ফেলি সন্দেহের আগাছা
তবু তোমার ভালোবাসার চারাগাছ বাড়েনা কেন?
এদিকে আমার ভিতরের গাছটা তরতর করে কেবল বাড়ছে।
সেদিনের সেই ছোট্ট গাছটা
বাড়তে বাড়তে আজ মহীরুহ।
গভির থেকে গভিরে ছড়িয়ে দিচ্ছে শেকড়।
বেড়ে উঠো গাছ,
ঝড় বাতাসে, আগুনে, ভাঙ্গনে
একসাথে থাকি।
এক মাটিতে,
এক সূর্যতলে।
তোমার ভালোবাসার চারাগাছটা বাড়েনা কেন?
আমিতো নিয়ম করে জল দেই,
প্রেমের স্বল্পতা দেখতে পেলে
অকৃপনভাবে দেই প্রনয়ের সার।
মাঝে মাঝে দক্ষ মালির মতো
ছেঁটে দেই অপ্রেমের ডালপালা,
উপড়ে ফেলি সন্দেহের আগাছা
তবু তোমার ভালোবাসার চারাগাছ বাড়েনা কেন?
এদিকে আমার ভিতরের গাছটা তরতর করে কেবল বাড়ছে।
সেদিনের সেই ছোট্ট গাছটা
বাড়তে বাড়তে আজ মহীরুহ।
গভির থেকে গভিরে ছড়িয়ে দিচ্ছে শেকড়।
বেড়ে উঠো গাছ,
ঝড় বাতাসে, আগুনে, ভাঙ্গনে
একসাথে থাকি।
এক মাটিতে,
এক সূর্যতলে।
আমরা যারা এই পেজের সাথে আছি তারা সকলে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি
আগামী ২৯/১/১৬ আমরা সিএসএম কলোনীর সকল ভাই- বোন এক আড্ডায় মিলিত হতে যাচ্ছি।সেখানে আমাদের যাদের বাবা- মা, স্যার- আপা জীবিত আছে তারা ও আসবে ইনশাআল্লাহ।আমরা যারা এই পেজের সাথে আছি তারা সকলে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি সকলকে আমাদের এই আড্ডায় আনার,তারপর ও যদি কেউ বাদ পরে বা কারও কাছে যদি খবর না পৌঁছে, তাহলে আমরা ছোট- বড় ভাই - বোনরা তাহাদের নিকট ক্ষমাপ্রার্থী।আর আমদের কারণে কেউ যদি মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন তার জন্য আমরা ক্ষমাচাচ্ছি।
Wednesday, January 13, 2016
শিশু সমাজের নিজস্ব কিছু নিয়মনীতি আছে
- Javed
শিশু সমাজের নিজস্ব কিছু নিয়মনীতি আছে। শিশুরা সেসব নীতি কঠোরভাবে পালন করে। আমার ছেলেবেলায় আমিও সেসব নিয়ম অক্ষরে অক্ষরে পালন করে এসেছি। এসব নিয়ম মেনে না চললে কি বিশাল বিশাল বিপদের সম্মুখীন যে হতে হয় তা বড়রা কখনোই জানবে না। নিয়মগুলো মেনে চলেছি বলেই কোন বিপদে না পড়ে শিশুকালটা পার করে আসতে পেরেছি।
ছোটবেলার কারো সাথে কিছু মিলে গেলে চিমটি দেয়ার রেওয়াজ ছিলো। সময়মতো চিমটি না দিলে তার সাথে ভয়াবহ দাঙ্গা ফ্যাসাদ হবার সম্ভাবনা থাকে, এমনকি খুনোখুনিও হয়ে যেতে। মিলের তীব্রতা বেশি হলে ক্ষেত্র বিশেষে ঘুষি বা কিল দিয়ে মিলের অশুভ প্রভাব কাটানো হতো। বন্ধুর হত্যাকারী হবার চেয়ে আমরা হাসি মুখে দুচারটি চিমটি, ঘুষি, কিল হজম করে নিতাম।
শিশু সমাজের নিজস্ব কিছু নিয়মনীতি আছে। শিশুরা সেসব নীতি কঠোরভাবে পালন করে। আমার ছেলেবেলায় আমিও সেসব নিয়ম অক্ষরে অক্ষরে পালন করে এসেছি। এসব নিয়ম মেনে না চললে কি বিশাল বিশাল বিপদের সম্মুখীন যে হতে হয় তা বড়রা কখনোই জানবে না। নিয়মগুলো মেনে চলেছি বলেই কোন বিপদে না পড়ে শিশুকালটা পার করে আসতে পেরেছি।
ছোটবেলার কারো সাথে কিছু মিলে গেলে চিমটি দেয়ার রেওয়াজ ছিলো। সময়মতো চিমটি না দিলে তার সাথে ভয়াবহ দাঙ্গা ফ্যাসাদ হবার সম্ভাবনা থাকে, এমনকি খুনোখুনিও হয়ে যেতে। মিলের তীব্রতা বেশি হলে ক্ষেত্র বিশেষে ঘুষি বা কিল দিয়ে মিলের অশুভ প্রভাব কাটানো হতো। বন্ধুর হত্যাকারী হবার চেয়ে আমরা হাসি মুখে দুচারটি চিমটি, ঘুষি, কিল হজম করে নিতাম।
গল্প ২( সত্য কাহিনী অবলম্বনে)
সামনের গ্র্যান্ড আড্ডা কে ঘিরে এবার ও খাওয়া দাওয়ার গল্প। গল্প ২( সত্য কাহিনী অবলম্বনে)।
আমার মনে হয় সি-টিইপের পোলাপাইনদের মাথায় একটু ব্যাতিক্রম চিনতা ভাবনা ঘুরপাক খেত। তারই ধারাবাহিকতায় একবার আমরা প্ল্যান করলাম পিকনিক করবো কিন্তু একটু ব্যাতিক্রম ভাবে। আমরা গতানুগতিক মুরগী গরুর মাংস দিয়ে পিকনিক না করে শিকার করা পাখির মাংস দিয়ে পিকনিক করবো। প্ল্যান অনুসারে যারা সিনিয়র যেমন বিপুল ভাই, ডালিম ভাই, পাপ্পু ভাইরা কলোনির বাইরে থেকে পাখি শিকার করবে আর জুনিয়র রা কলোনির ভেতরে। কলোনির বাইরের টার্গেট হল বক, মাছরাংগা আর ভেতরে হল অসহায় জালালি কবুতর। বক ধরার জন্য সিনিয়র রা পুরাতন ছাতার শিক দিয়ে কয়েকটা ফাদ বানাল ফাদের নাম " টেট্টা"। তারা ভোর বেলা তেই বেরিয়ে পরল। আর আমাদের সহায় "গুলাল"। সবাই যে যার মত সাক্সেসফুলি কাজ শেষ করল। আর এইবার রান্নাবান্না হল বিপুল ভাইদের বাসায়। উফ সেই মজা বকের মাংস। Orange Bipul Jahid Hossen Monowar Dalim Dalim Sumon Islam
Tuesday, January 12, 2016
সবই শাবনাজ নাঈমের চাঁদনী ছবির কল্যাণে
১৯৯১ সালে আগ্রাবাদের বনানি বা উপহার সিনেমা হল থেকে চাঁদনী ছবিটি দেখে আমি, মনিরুল আর ভুতের আন্ডা বাবু বেবী টেক্সি করে কলোনি তে ফিরছিলাম, সিমেন্ট ক্রসিং এলাকা আসার পর দেখি রাস্তার মাঝখানে রেল লাইনে চার পাঁচটি খালি মালবাহি বগি দাঁড়িয়ে আছে, আর রাস্তার দু পাশে অনেকগুলো গাড়ি আটকা পড়েছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম ঐ বগি গুলোর ইঞ্জিন হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায় তাই এ বিপত্তি। পরে আটকে পরা গাড়ি গুলো থেকে সব ড্রাইভার আর যাত্রী রা নেমে ঐ ইঞ্জিন থেকে বগি বিচ্ছিন্ন করে বগিগুলো ধাক্কিয়ে রাস্তার উপর থেকে সরিয়ে দেয়। জীবনে নষ্ট অনেক গাড়ি হয়ত ধাক্কা দিয়ে সরিয়েছি, কিন্তু মালবাহী ট্রেন ধাক্কিয়ে নেওয়া এই প্রথম। সবই শাবনাজ নাঈমের চাঁদনী ছবির কল্যাণে।
প্রাইমারি স্কুলের সময়কার ঘটনা
পাপ্পু ভাই ডালিম ভাই দের বাসার কাছে একটা ড্রেনের এন্ডিং ছিল যা আমরা সি টাইপের পোলাপাইনরা মিলে মূল ড্রেন থেকে ইট সিমেন্ট দিয়ে আলাদা করে ফেলেছিলাম মাছ পালবো বলে। আমরা যে যেভাবে পারি কলোনির বিভিন্ন মাছের সোরস থেকে মাছ এনে ছারা শুরু করলাম। আমাদের মেইন সোরস ছিল বাইরের মসজিদের পুকুর আর হাউস। এই কাজে ব্যাপক পারদর্শী ছিল মোল্লা সুমন। মাক্সিমাম মাছ ছিল তেলাপিয়া। এভাবে আমাদের মিনি পুকুর টা অল্প দিনেই মাছে মাছে ভরে গেল।
একদিন মহিম আর ছোটন ভাইয়ের বাবা বাজার থেকে চিরিং (চাটগাঁইয়া ভাষায়) মাছ নিয়ে যাচ্ছিলেন কয়েকটা রাস্তায় পরে গেলে সেই মাছ গুলোও আমরা ধরে আমাদের মিনি পুকুরের বাসিন্দা বানিয়ে দিলাম। ইতিমদ্ধে তেলাপিয়া মাছ পোনা দেয়া শুরু করেছে। সে যে কি আনন্দ বোঝাতে পারবনা। কিন্ত কিছু দিন পর খেয়াল করলাম আমাদের মাছের পরিমান কমতে শুরু করেছে।
Monday, January 11, 2016
আবার হবে তো দেখা
পল্লি কবি Jashim Uddin (ভাই) & বিদ্রোহী কবি কাজী Nazrul ইসলাম (ভাই) এর ডাকে সাড়া দিয়ে আকাশে Chand (bubu) উঠেছে। তারমানে আড্ডার দিন ঘনিয়ে আসছে। আড্ডা মানেই তো খাওয়া আর খাওয়া , শুরুতেই খাসির Rezala । খাওয়া নিয়ে কিছু @কমু ( ভাই) । আপনি যে Manush এইটা মনে রাখবেন নয়তো ব্লাড প্রেসার হুহু করে বেড়ে যাবে । খেতে নিষেধ করছিনা কিন্তু রয়ে সয়ে Khan.
Sunday, January 10, 2016
এ্যারে এইখানে কে রে, কার ডিউটি
সিকিউরিটি চীফ আতিক কাকা প্রায় দিনই রাতের বেলা কলোনির বিভিন্ন গার্ড পোস্টে পরিদর্শনে যেতেন, সেখানে কর্তব্যররত গার্ড কে যথা স্থানে না পেলে উনি উনার ভারী গলায় চিৎকার করে বলতেন " এ্যারে এইখানে কে রে, কার ডিউটি ", কাকার এই চিৎকারে সেখানকার দায়িত্বররত গার্ড দৌড়ে কাকার সামনে এসে যা বলার বলত, এই ব্যাপার টি খেয়াল করেছিলো বন্ধু বদরুল, সে আবার মানুষের গলা ভালো নকল করতে পারতো, বদরুল কয়েক দিন পর পরই এভাবে অন্ধকারের মধ্যে দাঁড়িয়ে কাকার গলা নকল করে বলত " এরে এইখানে কে, কার ডিউটি " এমন আওয়াজ শুনে সেখানকার গার্ড তো পড়িমরি করে ছুটে আসতো, কিন্তু এসে কাউকে দেখতোনা, আর বদরুল তো চিৎকার দিয়েই পগারপার। এভাবে কয়েক রাত ধরেই বিভিন্ন পোস্টের গার্ড দের বদরুল বিভ্রান্ত করতে লাগলো,। কিছুদিন পরই আতিক কাকা বিষয়টি জানতে পারলেন, পরে উনি আমাদের কয়েকজন কে ডেকে নিয়ে বললেন " এ্যারে তুগো মইদ্যে কনে জানি আঁর গলা নকল করি আঁর গার্ড বেজ্ঞুনেরে হেরেস কইত্যেসে তুরা বেয়াকে সাবধান হই যা"
এর পরও কিছুদিন বিরতি দিয়ে বদরুল আবার একই কাজ করতে লাগলো। কিন্তু আজ পর্য্যন্ত কাকা বুঝতে পারেন নি এই কাজ টা কে করেছে। এই লেখাটি চোখে পড়লে অাজ যদি উনি বুঝতে পারেন।
গ্রান্ড আড্ডার দিন আমার মনে হয় এ ধরনের একটি আওয়াজের আয়োজন করা যেতে পারে।
আমাদের স্মরনিকা নিয়ে কিছু বিতর্ক
গতকাল ০৯.০১.১৫ইং তারিখে রাঙ্গামটি পিকনিকে যাওয়ার কারনে সারাদিন FB তে ঢুকি নাই। রাত প্রায় 12টা হয়েছিল বাসায় ফিরতে FB তে দেখলাম আমাদের স্মরনিকা নিয়ে কিছু বিতর্ক। এই ব্যাপারে আমার স্পষ্ট অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য আমার এই লিখা। আমরা যারা চট্টগ্রামে বসবাস করি আমাদের গ্র্যান্ড আড্ডার আনুষাঙ্গিক কাজ নিয়ে ব্যাস্ততার কারণে স্মরনিকার মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ পড়ে গিয়েছিল। স্মরণিকা বের করার ব্যাপারে অনেকের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে আমি ঢাকায় যারা থাকে তাদের মধ্যে জাবেদকে জিজ্ঞাস করলাম ’26/27 দিন সময় আছে এর মধ্যে স্মরণিকা বের করা সম্ভব কিনা ‘ জাবেদ জানালো আপনাদের সহযোগিতা পেলে অবশ্যই সম্ভব।
ছেলেটা চ্যালেন্জ নিল। আমি রেজা ভাই, জসিম ভাই, আতিকের সাথে কথা বললাম তারাও একমত হলেন। রিপন, বন্যা, কমু, টিটু, পূলক, নোমি, আপেলসহ অন্যাদের সহযোগিতা নিয়ে জাবেদ কাজ শুরু করল। রাতদিন পরিশ্রম করছে এই গ্রুপটা। এতবড় একটা অনুষ্ঠান করছি আমরা অথচ একটা স্মরণিকা থাকবে না এইটা বেমানান। সুন্দর এর প্রতি আমার সমর্থন সবসময় ছিল তোমাদের সবার সহযোগিতায় 29 শে জানুয়ারী একটি সুন্দর স্মরণিকা প্রকাশিত হোক এটাই অমার কামনা। সবার মঙ্গল কামনা করছি। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।
ম্যাগাজিনের ব্যাপারে
ম্যাগাজিনের ব্যাপারে নাজমুল ভাই সকালে একটি চমৎকার পোস্ট দিয়েছেন, আমি নাজমুল ভাইয়ের অনুমতি নিয়ে আরেকটু বলতে চাই, যতটুকু জানি সময় স্বল্পতার কারনে এখানে নতুন কোন লেখা নেওয়া হয়নি,ফেসবুকের পুরানো লেখা গুলো থেকে বাছাই করে লেখা দেওয়া হচ্ছে, এমন কি আমি নিজেও জানিনা আমার কোন লেখাটা এখানে দেওয়া হচ্ছে বা আদৌ দিবে কিনা। প্রথম বার কাজ করতে গিয়ে হয়ত একটু কাজ অগোছালো হচ্ছে, ইনশাল্লাহ পরের বার সব ঠিক হয়ে যাবে, সবার কাছে আমি হাত জোড় করে অনুরোধ করছি আসুন আমরা একে অপর কে সহযোগিতা করি, সবই তো আমরাই। আমার এ পোস্ট টিতে প্লিজ কমেন্টস করবেন না, জাস্ট আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ নিয়ে এসেছি। আমি জানি আপনারা আমাকে নিরাশ করবেন না, আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ।
সারপ্রাইজ
গতকাল তারিক কে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম, ব্যস্ততার কারনে অনেক দিন পর সেখানে গিয়েছি, তাছাড়া ৮ জানুয়ারী তারিকের জন্মদিন ছিলো, এ সুযোগে তাকে দেরীতে হলেও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালাম, কিন্ত তারিক আমাকে বা আমাদের উপহার দিলো সারপ্রাইজ, দীর্ঘ ৬ বছর পর সে কোন সহায়তা ছাড়া বিছানা থেকে নিজে নিজে উঠে দাঁড়াতে বা বসতে পারে।
সবাই আমরা দোয়া করি সে যেনো এ রকম আরো সারপ্রাইজ আমাদের উপহার দেয়।
video Link: https://www.facebook.com/atique.atiq.7?fref=nf
স্মরনিকা নিয়ে কিছু বিতর্ক
বিষয়টি নিয়ে আমি কোন কথা বলবো না বলে সিদ্ধিন্ত নিছিলাম। কিন্তু দেখলাম সবায় মিলে একটা সাধারন প্রস্তাবকে বির্তক বলে চালিয়ে দিচ্ছে। আমাদের উচিত প্রত্যেকের মতামতকে নুন্যতম সম্মান দেখানো। কারো প্রস্তাব মানা সম্ভব না হলে তাকে সম্মানের সাথে না করা যায়। এমন কোন উপমা দেয়া ঠিক নয় যাতে কোন মানুষ কষ্ট পায়। আমরা এখানে নিজেদের বাহাদুরী দেখাতে এই পেজে আসি নাই। আমরা এখানে আসছি নিজেদের যার যার আবেগের তাগিদে। সকলের প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই আমরা কেহই এখানে ব্যক্তি র্স্বাথ চরির্তাথ্ করতে এখানে আসি নাই, আমরা আজ ১৫ বছর পর মিলিত হতে চাচ্ছি শুধু আমাদের মন চাইছে বলে। আমাদের কারোরই এমন কোন সময় নাই যে কোন একটা দাওয়াতে অংশগ্রহন করি, কিন্তু এই আড্ডা সফল করার জন্য নিজের মূল্যবান সময় ব্যয় করে এবং যার যার পকেট থেকে টাকা খরচ করে প্রতিটা দিন চেষ্টা করে যাচ্ছে আমাদের ছোট ও বড় ভাইয়েরা। এমন অনেক ভাইয়েরা আছেন যারা তাদের ব্যবসার খবর ঠিকমতো রাখেন না কিন্তু প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন আড্ডার জন্য, অথচ বাজার হয় নাই সময়ের অভাবে।
আর কত দূর বল মা
পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব মাগো বল কবে শীতল হব, কত দূর...... আর কত দূর বল মা............
পুড়া দুইটা দিন, একটা পোস্ট আর এর related কমেন্ট গুলা খুব মনোযোগ দিয়ে পরছিলাম। অনেকের সাথে আমিও একমত স্মরনিকার বিকল্প নাই এবং অন্তর থেকে এর প্রকাশনার সফলতা কামনা করি। কিন্তু দুঃখ জনক হোল এই বিতর্কের সৃষ্টিটা নিয়ে। মামুন,... দীর্ঘ আড়াই মাসেরও বেশী সময় যে ছেলেটা অদম্য পরিশ্রম করে গেছে, শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত যে খুজে বেরিয়েছে কোথায় আছে CSM এর পলাপাইন, যে কিনা একটা মিটিং কখনো মিচ করে নাই, নিজের পকেটের পয়সা দিয়ে MFC এর মত restaurant এ CSM এর ভাই বোন দের মিলিত করার চেষ্টা করেছে শুধু মাত্র একটা সফল get together এর জন্য, তার একটা ছোট প্রস্তাব কে নিয়ে এতরকম কম্মেন্তস?????????
টিংকু পোলার সাজা চাই, বিচার চাই
E-টাইপে একটি স্লীপার ছিল ।যা ছিল সব ছেলে মেয়ের পছন্দ ।মক্তবে পড়াকালীন আমি ,একা আর মেরীর প্রথম কাজ ছিল হুজুরের কাছে পড়া শেষ করে স্লীপারে গিয়ে স্লীপ খাওয়া ।সময় অসময় আমাদের টিংকু ও সাথে যোগ দিত ।কারণ স্লীপার ছিল তাদের বাসার নিকট ।একদিন আমরা টিংকু সহ মক্তব পালালাম ।But আমার কপালে ছিল শনি ।টিংকু হঠাত্ করে আমারে স্লীপারের একেবারে উপর থাইকা ডাক্কা মারলো ।আমি কিছু বুঝার আগেই দেখলাম পড়ে আছি এক্কেবারে স্লীপারের নিচে ।হাতে কিছুটা চোট পাইছিলাম কিন্তু তা সাময়িক ।পায়ে যে চোট পাইছি তা আজও মাঝে মাঝে ভোগায় ।আমি CSM colony'r বড় ভাই আপাদের কাছে এর বিচার চাই । বিচার চাই ।টিংকু পোলার সাজা চাই ।বিচার চাই ।
Saturday, January 9, 2016
ভিতরে ভিতরে সবসময় আমার একটা গর্ব কাজ করে
ভিতরে ভিতরে সবসময় আমার একটা গর্ব কাজ করে যে, এই পেজ বা গ্রুপ টা তৈরি র পিছনে আমার একটু হলেও অবদান আছে, দিনের পর দিন ব্যক্তিগত এবং অফিসের কাজ তুলে রেখে এই পেজে সময় দিয়েছি, একটা সময় হতাশ হয়ে Anisur Rahman Reza ভাইকে বলেছিলাম, রেজা ভাই আমি আপনি আর দু একজন ছাড়া কাউকে তো পাচ্ছিনা, তখন রেজা ভাই বলেছিলো অপেক্ষা কর, অনেকেই আসবে, ঠিক তাইই, আজ এই পেজ জমজমাট এক পেজ এ পরিণত হয়েছে, যার মাধ্যমে কিছু কল্যাণকর কাজের পাশাপাশি, আমরা কলোনি বাসীর এক মহা মিলন মেলা বসাতে যাচ্ছি, যা আজ থেকে ৬ মাস আগেও কল্পনা করা যেতনা, সবাই অধীর আগ্রহভরে এ গ্রান্ড আড্ডার জন্য প্রতীক্ষায় আছে। প্রথম বারের মত এ আয়োজন করতে গিয়ে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি থাকাটা স্বাভাবিক, বরং না থাকাটাই ছিলো অস্বাভাবিক।
ইশ আর একটি বার
ইশ আর একটি বার-----। ছোট এই জিবনের একটি ভালোলাগা। বন্ধুরা কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জি. কেউ আরো বড় অনেক কিছু। আমি কিছুই না, এই আফসোসটা আমার নাই। আমি আমাকে নিয়ে সুখি।
একটি যায়গাতে এসে মাঝে মাঝে থেমে যায়।
ইশ আর একটি বার ---- দিনগুলি ফিরে পেতাম, হারিয়ে যেতে দিতাম না।
চাঁদের বুড়ি
CSM colony'r আমরা সবাই কম বেশি হুজুরের কাছে মক্তবে পড়তে যেতাম ।হুজুর ছিলেন যেমন রাগি তেমনই রসিক ।তিনি তাঁর প্রিয় ছাত্র ছাত্রীদের বিভিন্ন নামে ডাকতেন ।কার কার মনে আছে সেই কথা ? হুজুর আমার ও একটি নাম দিয়েছিলেন এবং সব সময় সেই নামে ডাকতেন ।but সে নাম ছিল আমার বড়ই অপছন্দ ।কিন্তু এখন যখন সে নাম মনে পড়ে তখন মনটা কেঁদে উঠে ।সে কলোনি মরে গেছে , but আমরা বেচেঁ আছি ।কখনও কি ফিরে পাব সেই জীবনটা ।হুজুরের সাথে যখন একবার অনেক বছর পর দেখা হলো হুজুর আমাকে ঝুমুর বলে না ডেকে - বললেন চাঁদের বুড়ি তুই ভাল আছিস ?কোথায় রাখি এই ভালবাসা ???
রেজাভাই জড়িমানা হিসেবে ৩৮৭ টাকা
রেজাভাই জড়িমানা হিসেবে ৩৮৭ টাকা ও টেনসনের জন্য বাড়তি দিতে প্রস্তুত থাকুন, নইলে দূূবার আন্দলন শুরু হবে! ঘটনার নেপথ্য হচ্ছে এই সিএসএম কলোনি নামক পেজ যার গুরু আবার রেজা ভাই। আজ আমি একটি কাজে ভারতে যাওয়ার জন্য সোহাগ বাসের টিকিট নেই ও যথাসময়ের পূর্বেই কাউন্টারে আসি। এসেই মশগুল হয়ে যাই সিএসএম পেইজে, ফলাফল যা হবার তাই হলো। এ্যানান্স হলো যথাসময়ে কিন্তু আমি ব্যাস্ত রেজাভাই, আতিক্কা ও জাভেদের কয়েকটি পোস্টে, গাড়ি তার সময়মত মালিবাগ ত্যাগ করার ১৫ মিনিট পর আমাদের সম্ভিত ফিরে পাই। দৌড় ঝাপ শুরু হলো সিএনজির খোঁজে গন্তব্য আবদুল্লাহপুর, ভাড়া ৩৫০ টাকা ও ফোন খরচ ৩৭ টাকা গচ্চা, সাথে টেনসন নামক মহা রোগ। আল্লার অশেষ কৃপায় ও সিএনজি চালকের চতুরতায় ১২.৪৫ কাঙিত বাস পাই। এবার বুঝুন সিএসএম পেইজের কেরামতি! আপনারা কেউ আমার সাথে আন্দলনে থাকবেন, যদি না থাকেন তবে একাই লরব জড়িমানা আদায়ে,
যদি তোর ডাক শুনে
কেউ না আসে
তবে একলা চলো রে।
Friday, January 8, 2016
শুভ জন্মদিন যাদুকর, শুভ জন্মদিন
অক্টোবরে পপুলার হসপিটালে গিয়ে বসেছিলাম আমি, নাজমুল ভাই, রেজা ভাই, পুলক, টিপু আরো কয়েকজন। অপেক্ষায় ছিলাম। নাটোর থেকে তারিক ভাই আসছেন। এক সময় তিনি এলেন। শারীরিক অসুস্থতা আর ভ্রমন ক্লান্তিতে বিধ্বস্ত। ইমারজেন্সিতে প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ভর্তি করে নেয়া হলো কিন্তু ভর্তির দাপ্তরিক কাজ কর্মের কারনে হসপিটালের লবিতে কিছুক্ষন নিজের হুইল চেয়ারে বসে থাকতে হয়েছিলো তারিক ভাইকে। তখন উনার সাথে আমার টুকটাক কথা হচ্ছিলো। এক পর্যায়ে তারিক ভাই উঠে দাঁড়াতে চাইলে উনাকে ওয়াকার দিয়ে দুজনে ধরে দাঁড় করালো তবে বেশিক্ষন দাঁড়িয়ে থাকতেও পারলেন না। আমি খুব ব্যথিত হয়েছিলাম সেদিন।
আমার মেয়েদের জন্য ভালো ছেলে খুঁজে বের কর
নাজমুল, সালাম
কেমন আছ?
তোমার ছেলেরা কে কোন ক্লাস এ আছে?
তোমাদের সবার সাথে কাটানো আমার দিনের ঐ সময়টুকু স্বর্গীয়৷
অনেক fun হোলো সেদিন, মনে কিছু রেখো না....কিন্তু ছেলে আমার চাই.....
নাজমুল, আমার মেয়েরা আমার জানের টুকরা ৷ প্রাত্যহিক জীবনে, অফিস, ঘরকন্যার কাজ শেষে যে টুকু সময় পাই পুরোটা আমার মেয়েদের নিয়ে কাটে ৷ ওদের পড়াশোনা, খেলাধুলায় অংশগ্রহন, আরবী পড়া, cooking, gardening, শেখানো, friday night এ, একসাথে movie দেখা, গান শোনা, আরো যত fun করা যায়...কোনটা বাদ রাখি না৷ ...তখন বোঝা দায় যে আমরা কে মা আর কে মেয়ে...
০৭/০৪/২০১৩ চইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সব শেষ গিয়েছিলাম
০৭/০৪/২০১৩ চইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সব শেষ গিয়েছিলাম। অবশ্য অন্য কাজে। আমার একটা ছোট কন্সট্রাকশান কাজ চলছিল KEPZএ। এক নজর কাজ দেখে মনের ভিতর আকুপাকু চলছিল কখন স্কুল কম্পাউন্ডে ঢুকব। সাথের লোকজন বুঝতে পেরে বলল, চলেন ভিতরে যাই। আমাদের কয়েক জনকে দেখে স্যাররা দেলয়ার ভাইকে পাঠালেন। দেলয়ার ভাই চ্যালেঞ্জ করলেন যদি এ স্কুলের হন আমাকে চিনেন কিনা বলেন। আমি বললাম, আপনি দেলয়ার ভাই? আমাকে না চিনলেও আব্বাকে চিনতে পারছিলেন। দোতলায় উঠার সময় চোখে কি যেন হল। সাথের লোকজন আমাকে স্পেস দেয়ার জন্য অন্যদিকে চলে গেল।
কংকাল হোলা না মাইয়া !!!
একবার আমাদের ক্লাসের পোলাপাইনের প্রেকটিক্যাল ক্লাস হচ্ছে, ক্লাস নিচ্ছেন আমাদের আনোয়ার স্যার। আমরা সবাই প্রেকটিক্যাল ক্লাসের এইটা সেইটা ঘাটা ঘাটা করছি, অবার অনেক জিনিস দেখে অবাক হচ্ছি, হাসা হাসি করছি।
কিন্তু আমাদের Iftakhar Iftakhar ইফতেখার একটা টেবিলের সামনে বসে টেবিলের উপরে রাখা একটা ছোট প্লাস্টিকের ডামি কংকালের দিকে একনজরে তাকিয়া আছে !!! এত মনযোগ সহকারে দেখছিলো, মনে হচ্ছিলো কংকালের এই দশা দেখে ইফতেখার খুব অবাক !!!!
Thursday, January 7, 2016
স্মৃতিচারণ
বার্ষিক পরীক্ষা শেষ। কখনও হাফ প্যান্টের পকেটে কিংবা কখনও লুঙ্গির কোছায় প্রায় ৮০/১০০ মার্বেল নিয়ে বুইজ্জার বাগানে খেলায় নেমেছি।খেলা শেষে প্যান্ট বা লুঙ্গি মার্বেলের ভারে খুলে যায় যায় অবস্থা কারন এখনতো সাথে ৩০০/৩৫০ মার্বেল। পানির পাম্পে উঠে সেগুলোকে নীচের দিকে ছুঁড়ে মারতাম আর নীচে থাকা ছোটরা সেগুলো কুড়ানোয় ব্যাস্ত। যারা কুড়িয়ে একদম পেতোই না তাদেরকে আবার দয়াবশত ১০/১২ টা এমনিতেই ধরিয়ে দিতাম।
একটা রড বাঁকা করে গোলাকৃতি করে আরেকটা রড বিশেষভাবে বাঁকিয়ে কত যে চালিয়েছি। সেগুলো নিয়ে চালাতে চালাতে আবার ড্রেন লাফও দিতাম। বুইজ্জার বাগান ছিল নারিকেল গাছে ভরা। আর গাছের শিকড়্গুলো ছিল সাতচাড়া কিংবা নই খেলার উপকরন। সিগারেটের প্যাকেট ছিঁড়ে টাকা হিসেবে ব্যাবহার করতাম।
আমরা কিছু "দম ফাটানো হাসির বানী" আশা করছি সবার কাছে
অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন "যে কখনও ভুল করেনা। সে নতুন কিছু করার চেষ্টা করে না।"।
প্লেটো একবার বললেন, ‘মানুষ হলো একটি পালকবিহীন দুই পাবিশিষ্ট প্রাণী।’
এর কিছুদিন পর এক গবেষক একটি পালকবিহীন মুরগি নিয়ে প্লেটোর ক্লাসে হাজির হলেন। বললেন, ‘দেখো দেখো! এই হলো প্লেটোর মানুষ!’
দার্শনিক সক্রেটিসের বউ ছিলেন বদমেজাজি প্রকৃতির। প্রায়ই সক্রেটিসকে ঘর থেকে বের করে দিতেন। ত্যাক্তবিরক্ত হয়ে সক্রেটিস বানী দিয়েছিলেন "বিয়ে করবে। তোমার বউ ভালো হলে সুখী হবে আর খারাপ হলে হবে দার্শনিক।"
আর আমাদের এক মহান স্টীলার একদা প্রেমিকার বদমেজাজি বাপের প্রতি বানী ছুড়ে দিয়েছিলেন "আমি কাটা টুকরোগুলো কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষন করবো তবু............" বাকিটা সবাই জানে।
আমরা আড্ডার জন্য একটি বই করছি। বইয়ের একটি পৃষ্ঠায় আমরা আমাদের মহান স্টীলারদের মজার কিছু মহান বানী সংরক্ষন করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আপনাদের কাছ থেকে নিজেদের নিজস্ব কিছু বানী আশা করছি। গম্ভীর জ্ঞানগর্ভ বানী নয়। আমরা কিছু "দম ফাটানো হাসির বানী" আশা করছি সবার কাছে।
Wednesday, January 6, 2016
গ্রেন্ড আড্ডাতে খেলাধূলা আইটেম এ 7 থেকে 10 বছর প'যন্ত বাচ্চাদের জন্য
গ্রেন্ড আড্ডাতে খেলাধূলা আইটেম এ 7 থেকে 10 বছর প'যন্ত বাচ্চাদের জন্য একটা ক্রীকেট প্রীতি ম্যাচ থাকলে ভালো হয়। কারণ এখন সব ছেলেরা ক্রীকেট নিয়ে অতি exited। ম্যাচ না করতে পারলেও এমন ভাবে করা যেতে পারে প্রত্যেকে 2 ওভার করে খেলবে। তাহলে ওদের enjoy টা মনে হয় পরিপূ'ণ হবে।
মনে পড়ে সি এস এম তোমায়
মনে পড়ে সি এস এম তোমায়
কত স্মৃতি আর স্বপ্নের বাসনায়
ট্যাঙ্কির তলায় সে তুমুল আড্ডায়
গ্রীষ্মকালে রাতে ছাদে শুয়ে আকাশের পানে চেয়ে থাকায়
বাসায় বাসায় আম কাঠালের পসরা বসায়
বর্ষাকালে বল খেলে কর্দমাক্ত হয়ে পুকুরে ঝাপ দেওয়ায়
ওরে খেলা ফুলের টব দর্শকের চিৎকারে মন ভাসায়
শরৎকালে আনসার ব্যারাক এর কাশফুলের দোলায়
শাপলা আর পদ্ম ফুলের পুকুর ছেয়ে যাওয়ায়
হেমন্তকালে বিকেলে সোনালী রোদের খেলায়
বাসার কার্নিশে জবা ফুলের লাল আভায়
শীতের বিকালে ব্যাটমিন্টন আর লাটিম খেলায়
খেজুরের রস আর ভাপা পিঠার ধূয়ায়
বসন্তকালে বাগানের নতুন শাক সবজির মুখরতায়
শিমুল পলাশ আর গাঁদা ফুলের স্নিগ্ধ আভায় ।
হ্যাঁ, আমি পারবই
ক্লাসের শেষ রোলের ছেলেটি — যে কি না প্রায়ই বিরক্ত হয়ে বই ছিঁড়ে পুড়িয়ে ফেলতো, তাকেই আজ দেখা যায় পাজারোতে চেপে অফিস যেতে । হ্যাঁ, সে আজ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার । . রাগের কারণে যে ছেলেটি ছিল সবচেয়ে বিখ্যাত, পাড়ার যেকোন গন্ডগোলে যেই ছেলেটিকে ছুঁড়ি হাতে দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে দেখা যেত, সেই আজ মাথা ঠান্ডা রেখে পরিচালনা করে পুরো একটি ব্রিগেড ফোর্স । কাঁধভর্তি চকচকে স্টার আর জাতীয় প্রতীক শাপলা ।
সে আজ সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা । . যে ছেলেটি এক ফোঁটা রক্ত দেখলেই মাথা ঘুরে পড়ে যেত, সেই আজ অপারেশন থিয়েটারে রক্ত নিয়ে হাত মাখামাখি করে ফেলে । হ্যাঁ, সে আজ দেশের নামকরা একজন ডাক্তার । . ..........সবকিছই বদলে যায় । বদলে যায় সমাজ, বদলায় মানুষ আর মানুষের জীবন । . শুধু দরকার একটু ধৈর্যের ।
Tuesday, January 5, 2016
স্বর্গভ্রষ্ট
আমরা কলোনিতে ঢুকেছিলাম ১৯৮৭ সালে। জুন মাসে। আমার বয়স তখন আট কি নয়। তখন স্টিলমিলের রমরমা অবস্থা। নতুন কেউ বাসা পেলে তখন বাসার দরজা, জানালা ঠিক করে দেয়া হতো। আমরা ঢুকে দেখি তখনো কাঠের কাজ শেষ হয়নি। আমার পা ভাঙ্গা থাকায় উরু পর্যন্ত প্লাস্টার দেয়া ছিলো। আমি সারাদিন বসে সেই প্লাস্টারে ছবি আঁকতাম বা একা একা বসে ক্যারম খেলতাম। সেবছরই আমি মাত্র ক্লাস থ্রি তে ভর্তি হয়েছিলাম স্টিলমিল স্কুলে। কিছুদিন ক্লাস করতে না করতেই পা ভাঙ্গার বিপত্তি। তাই প্রথম অনেকদিন আমার কলোনির সাথে পরিচয় হয়নি। আমাদের বাসার সামনে ছিলো জঙ্গলে ভরা। জঙ্গলে ছেয়ে গিয়ে জায়গাটা এতই সবুজ হয়ে ছিলো যে সকালে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে সারা ঘর সবুজ হয়ে যেতো। তখন আমার বারান্দা থেকে বা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর তেমন কিছুই করার ছিল না তাই সবকিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতাম।
একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু.............................
শরীফা আপার কথা বলছি। অত্যান্ত মেধাবিনী ছিলেন। খেলাধুলায়ও খুব ভাল ছিলেন। চইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১ম শ্রেনী থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত কখনও ২য় হন নাই। সিনিয়র শিক্ষকরা হয়ত এখনও স্বরন করতে পারবেন। সম্ভবত উনি যখন ৯ম/১০ম শ্রেনীতে তখন আমার স্কুলে যাব যাব ভাব। একদিন আমাকে স্কুলে নিয়ে গেলেন। একদম পেছনের সিটে বসিয়ে রাখছিলেন। মনে পরে কোন এক আপা আমাকে বললেন, বাবু অ আ লিখ তো। আমি গাল ফুলিয়ে বসে ছিলাম। লিখব না তো লিখবনা। হা হা হা.......
স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হবেন। ইন্টারে থাকা অবস্থায় একজন ভাল সুন্দর ছেলে পেয়ে আম্মা বিয়ে দিয়ে দিলেন। (এখন হলে বাল্য বিয়ের কেস হয়ে যেত)। পড়ালেখা আর আগায়নি। আমরা চইকা কলনী থেকে চলে আসার পরও উনার কথা স্যার আপারা অনেক দিন ক্লাসে বলতেন বলে শুনেছি.......
অবিনাশ স্যার
গতকাল অবিনাশ স্যারের বাসায় গিয়েছিলাম স্যারের হাতে আমাদের গ্রান্ড আড্ডার কুপন তুলে দেওয়ার জন্য, আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ আমাকে এই দ্বায়িত্ব দেওয়ার জন্য। স্যারের সাথে পুরানো দিনের অনেক কথা হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে খালাম্মা ( স্যারের স্ত্রী) আমাকে এখনো মনে রেখেছেন। অথচ উনার সাথে আমার খুব সামান্য পরিচয় ছিলো।
অবিনাশ স্যার খুব ছাত্র বান্ধব শিক্ষক ছিলেন, ছাত্রদের প্রতি প্রচন্ড শাসনের পাশাপাশি যথেষ্ট স্নেহ করতেন। স্কুল লাইফে দলগত বা ব্যাক্তিগত অন্যায় করে যতবারই ঝামেলায় পড়েছি ততবারই স্যারের কাছে আশ্রয় চেয়েছি ও পেয়েছি।তাই বলে উনি শুধু শুধু ছেড়ে দেন নি, অন্যায়ের বিচার ঠিকই উনি করতেন।। স্কুল লাইফ শেষ হওয়ার পর ও একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা থেকে স্যার আমাদের উদ্ধার করেছিলেন।এর আগেও স্যার কে নিয়ে লিখেছি, আসলে উনাকে নিয়ে লেখা কখনও শেষ হওয়ার নয়।
Monday, January 4, 2016
জাফর স্যার, আমাদের স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন
জাফর স্যার, আমাদের স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি ছিলেন অসম্ভব কড়া মেজাজের আর প্রচুর ধূমপান করতেন অথচ তাঁর ক্লাসে কেউ কাশি দিলে বলতেন “কিরে ব্যাটা গাঁজা খেয়েছিস নাকি, এগুলো খাসনে, দেখছিস না আমি ধূমপান করে শেষ” স্যারের ক্লাস খাকতো পিনপতন নিরবতা, কেউ কথা বললেই তার উপর চলত “ধামাধাম মাসকালান্দার” এবংপ্রায়ই দিনই এ জিনিস টা আমার উপর প্রযোগ করা হতো। স্যারের ক্লাসে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। যেহেতু Mahabub Rashel আজ স্যারকে নিয়ে লেখা শুরু করেছে তাই রাসেলকে জানিয়েই আমরা কাহিনী গুলোর ছোট্ট কিছু অংশ লিখছি।
আমাদের জাফর স্যার
জাফর স্যারের ক্লাস মানেই ক্লাসে শুনশান নীরবতা, সবার বুকে ধুপ-ধুপ আর চোখ পিট-পিট করতে থাকা !!! চোখতো কোন
ভাবেই খোলা রাখা যায় না !!! আবার ঘুমানোও যেতো না, কারন ঘুমাতে দেখলেই স্যার দাড়া করিয়ে জিজ্ঞেস করবেন
............ Spelling কর । যাদের ঘুমের
সমস্যা আছে তাদের জাফর স্যারের ক্লাসে বসিয়ে দিলে ৫ মিনিটের মধ্যে ঘুম এসে যাবে
এটা সিউর।
জাফর স্যারের ক্লাস টাইমিং ছিলো একেবারে নিখুত, ঘন্টা শুরু সঙ্গে সঙ্গে জাফর স্যার বিদ্যুতের গতিতে ক্লাসে
হাজির, আবার ঘন্টা শেষ হলে,
পড়া যে অবস্থায় ছিলো সেই অবস্থায় রেখে,বই বন্ধ করে বিদ্যুতের গতিতে ক্লাস থেকে বাহির।
আর স্কুলে পড়ার সময় আমাদের চিরাচরিত বদঅভ্যাস ছিলো, ক্লাস থেকে ছোট টয়লেটের নাম করে বাহিরে একটা চক্কর দিয়ে
আসা।
Sunday, January 3, 2016
রাত ১১টা
রাত ১১টা। সিগারেটের নেশা চেপেছে। কি করি? হাতের কাছে সিগারেট নেই। হঠাত মনে পরলো, সন্ধায় বাসায় ফেরার সময়, সিড়ির নিচে আধা খাওয়া একটি সিগারেট পরে থাকতে দেখেছি। চুপচাপ দরজা খুলে বের হলাম। সিগারেটটি ধরিয়ে দিলাম দুই টান। যথেষ্ট, সিগারেটটি ছিলো, রমনা " Brand"।
কয় দিন ধরেই রনি বলছিলো, ভাইয়া চলো, সাইফুল আমিন চাচাকে দেখে আসি। চাচা খুব অসুস্থ। সাথে বন্যাও যাবে। আজ যাবো,কাল যাবো করে আর সময় হয়ে উঠেনি।
কিন্তু চাচা সময় মত চলে গেছেন। আমরা এত ব্যাস্ত যে, চাচা আমাদের সময় নষ্ট করতে চাননি।
আমাদের গ্রান্ড আড্ডারর আনন্দ টেনশন
আগে যখন ঢাকা থেকে চিটাগাং গিয়ে ঈদ করতাম, তখন কি যে একটা টেনশন কাজ করত, ঠিক মত যাওয়া আসার টিকেট পাওয়া যাবে কিনা, সবার সব কিছু কেনা হয়েছে কিনা, অফিস থেকে টাইম মত বের হয়ে গাড়ি ধরতে পারব কিনা ইত্যাদি
ইত্যাদি।সে টেনশন ছিলো আনন্দের টেনশন, আপনজন দের সাথে দেখা হওয়ার আনন্দ।
এখন যতই গাম্ভীর্য বজায় রেখে চলিনা কেনো ভিতরে ভিতরে সে ঈদ টাইপ উত্তেজনা
চলছে। আর সেটা হচ্ছে আমাদের গ্রান্ড আড্ডারর আনন্দ টেনশন। গ্রান্ড আড্ডা উপলক্ষ্যে
এখনো পোশাক কেনাকাটা চলছে, যাওয়া আসা কিভাবে
হবে এটা নিয়ে চলছে গবেষনা, চিটাগাং গিয়ে কোন
হোটেলে উঠব এটা নিয়ে চলছে রীতিমত বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
Saturday, January 2, 2016
আজ সন্ধায় বন্যার বাসায় গিয়েছিলাম
আজ সন্ধায় বন্যার বাসায় গিয়েছিলাম। বন্যা, জাবেদ, টিপু, আপেল, শেষে দেখলাম
নাসিরও হাজির। খুব বিজি। আড্ডা উপলক্ষে বই আকারে কি যেন প্রকাশ করবে। বসে বসে গল্প,
কবিতা আর কি কি যেন বাছাই করছে।
আজ খুব একটা পাত্তা দিলোনা আমাকে। যদিও চা/নাস্তা খাওয়াইছে। তবে কাজটা ভালো
করিনাই। একটা সন্দেশ খেয়ে ফেলেছি, টিপু হারামজাদার
পাম্পে, সাহস করে খেয়ে ফেললাম।
সন্দেশে চিনি কম থাকে, খান একটা কিছু
হবেনা। কিন্তু দই টা যে খাইলাম, এই দোষ কাকে দেই??
মনে করতে পারছিনা, মনে হয় বন্যা জোর করে প্লেটে তুলে দিয়েছিলো।
আমার না হয় ডায়াবেটিস আজ একটু বেশিই হলো, যে কাজটি ওরা হাতে নিয়েছে, তা যেন সফল হয়। হবে ইনশাল্লাহ। আমি দেখেছি, ওরা খুব আন্তরিকতার সাথে কাজটি সুরু করেছে।
প্রিয় আকাশী
প্রিয় আকাশী,
গতকাল ঠিক দুপুরে তোমার চিঠি পেয়েছি
খামের উপর নাম ঠিকানা পড়েই চিনতে পেরেছি তোমার হাতের লেখা;
ঠিকানা পেলে কিভাবে লেখনি;
কতদিন পর ঢাকার চিঠি ; তাও তোমার লেখা ,
ভাবতে পারো আমার অবস্থা !
গতকাল প্যারিসে ঝরেছিলো এ বছরের রেকর্ড ভাঙ্গা তুষাড়পাত
তামাক ফুরিয়ে গেছে আনতে পারিনি; এই প্রথম আমি
অনেকটা সময় নিয়ে ভুলেছিলাম তামাকের গন্ধ।
বিয়ে .......
‘‘বিয়ে” নামক কার্যক্রমের মাধ্যমে
দুইজন নারী পুরুষের মধ্যে একত্রে থাকার যে সামাজিক চুক্তি হয় তাতেই একজন অন্যজনের
স্বামী বা স্ত্রী হয়েে উঠেন।
বছর 50 এক আগে তো চোখে দেখাও হত
না অথচ মৌলভী, পাদ্রি বা পুরহিত-দুইজনের
জন্য দোয়া, বাইবেল বা মন্ত্র পাঠ
করলেন চারজনের স্বাক্ষী থাকল আর আত্মীয় পরিজন পেট ঠেসে খাওয়া দাওয়া করল-ব্যস হয়ে
গেলা বিয়ে।
পর দিন থেকে ভাল লাগুক না লাগুক এক ঘরে এক ছাদের নিচে কাটিয়ে দাও জীবন ভর।
ব্যাপারটা গোলমেলে বলেই স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক নিয়ে এ যাবৎকাল সবচাইতে বেশী জোকর্স
সৃষ্টি হয়েছে।
Friday, January 1, 2016
সেদিনের সে ৬০ টাকার পিকনিকের সাথে কোন কিছুর তুলনা হয়না
- Atiq CSM
এক বার আমাদের থার্টি ফার্স্ট নাইটের পিকনিকে অংশ নেওয়ার মত টাকা ( সম্ভবত ৬০
টাকা) আমি যোগাড় করতে পারছিলাম না, বিশেষ ঝামেলার
কারনে বাসা থেকে এই টাকা খোজার সাহসও পাচ্ছিলাম না, অথচ এই পিকনিকের অন্যতম অর্গানাইজার আমি, তাই কাউকে আমি বলতেও পারছিলাম না, এদিকে ডিসেম্বর এর ৩০ তারিখ চলছে, পরদিনই পিকনিক। আমাদের Monirul Islam Monir তখন ঢাকায় ব্যবসা করে, সেও পিকনিকে অংশ নিতে চট্টগ্রাম এসেছে, আমার করুন দশা সে বুঝতে পারলো, এবং চুপিচুপি আমার পিকনিকের চাঁদা টা সে দিয়ে দিয়েছিলো। আমি
সে টাকা টা এখনো দেইনি, দিলেও মনিরুল
কখনো নিতোনা। আমি এখন যতই দামী দামী প্রোগ্রামে অংশ নেইনা কেনো সেদিনের সে ৬০
টাকার পিকনিকের সাথে কোন কিছুর তুলনা হয়না।
এইতো আমার শৈশব প্রেম
পুকুরপাড়ের নারিকেল তলা
আড্ডা আজো দেয় যে দোলা।
সি টাইপের মাঠের পাইন্যা খেলা
ভাবতে ভাবতে যায় যে বেলা।
ট্যাংকীর তলার হই চই
এখন আর পাবো কই।
বড় মাঠের সব টুর্নামেন্ট গুলো
যেন বিশ্বকাপের চেয়ে বড় ছিলো।
অকৃতজ্ঞ
শিরোনাম টা কি ঠিক হলো কিনা আমি কনফিউজড , শিরোনামহীন হলে হয়তো ভালো হতো।যাই হোক অকৃতজ্ঞতার জন্য
মাহমুদ কখনো আমার দিকে আঙ্গুল তুলে দিলে আমি নির্দ্বিধায় মেনে নিবো । আমি তার
বন্ধু হিসেবে যোগ্যনা। মাহমুদ হাসান কে সব সময় আমি মাহমুদ বলে সম্বোধন করলেও
অন্যদের কাছে মাহছান /মাছান নামেই বেশি পরিচিত ছিল। আমাদের ফাষ্ট বয়ের চেয়ার টা
খুব ঘুরাঘুরি করতো । এই হট স্পট টায় কখনো সৌরভ কখনো জাহাঙ্গির কখনো মাহমুদ লাবুনি
নুরজাহান দের মধ্যেই ঘুরে ফিরে আসতো।
সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি মাহমুদ এর
পারসোনালিটি /কমোন সেন্স সবার চেয়ে আলাদা ছিল । মাহমুদ নাম টা আমাদের কাছে আইকন
এরমতো ছিল। ব্যাচে রবিন গ্রুপ/মুসলিম গ্রুপ / সাধারন দের আলাদা গ্রুপ থাকলেও
মাহমুদই শুধু সবাই কে এক করে দিতে পারতো। কারো ম্যাথ এ প্রব্লেম মাহমুদ তো আছেই,
গ্রামার বুঝতে পারছিনা সেখানেই মাহমুদ। হক
স্যার এর মাইর খেলাম মন ভালো নেই সেখানেও মাহমুদ এসে মন ভালো করে দিতো। সকাল থেকে
শুরু করে রাত পেরিয়ে যায় মাহমুদ ক্লান্ত হয় না। কখনো বিরক্ত হতেও দেখি নাই ,
যার যখন যেভাবে প্রয়োজন সবাই মাহমুদ কে ইউজ
করেছে। এই ছিল আমাদের মাহমুদ। শুধু বিলিয়েই গেলো ......
মনের টাইম মেশিনে চড়ে একটু পিছনে ঘুরে আসলাম
আজ পয়লা জানুয়ারি, গত রাতের সি টাইপ মাঠের আমাদের নববর্ষ উৎসব শেষ, মাঝরাতেই অধিকাংশরা যার যার বাসায় চলে গিয়েছে, আমি, দুলি,রানা রাশেদ, রিমান লিটন, বুড়া মিয়া, রাজু, মনিরুল সহ আরো কয়েক জন সারা রাত জেগে ছিলাম, খুব ভোরে প্যান্ডেল খুলছি, হোটেল খাজা আজমিরে ( বাজার গেটের সাথেই) সকালের নাস্তা করছি আর পিকনিকের যাবতীয় হিসাব, খরচ গুলো আপডেট করছি। তারপর যার যার বাসায় চলে গেলাম, গিয়ে লম্বা ঘুম। বিকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লান্ত ও ঢুলো ঢুলো চোখে আবারো বন্ধুরা মিলে আড্ডা আর বিষয় বস্তু হচ্ছে গতরাতের পিকনিকের চর্বিত চর্বন।
মনের টাইম মেশিনে চড়ে একটু পিছনে ঘুরে আসলাম।
Thursday, December 31, 2015
HAPPY NEW YEAR
এই বছরের সর্বশেষ দিনটির বিদায় আর আগামীকাল আসা নতুন একটি বছরে পা রাখার
শুভেচ্ছা জানাচ্ছি CSM এর সবাইকে।।
HAPPY NEW YEAR.
ভালই কাটুক নতুন বছরের ৩৬৬ দিনের (লিপ ইয়ার) প্রতিটি সেকেন্ড আর প্রতিটি
মুহুর্ত। নতুন নতুন আশা, ইচ্ছা আর কামনা
নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানালেও নতুন বছরটা হয়তো কারো জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে আবার
কারো জন্য হয় তিক্ততায় ভরা। আশীর্বাদ আর তিক্ততা যাই হোক একটা দিন অতিরিক্ত আমরা
এবছরে পাচ্ছিই।
আহা সেই দিনগুলা.......
আমরা যখন C-11-C তে সাইদ, চুমকি,রুমকি রা তখন C-11-D
তে। সাইদ আমাদের সিনিয়র। আমার সাথে ছিল অন্য
রকম সম্পর্ক।
ওরা D টাইপে থাকতে ( আমরা তখন C-2-B)
ওদের বাসায় টিভি দেখতে যাইতাম। সাইদ গোসল করার
সময় আমাকে দরজার সামনে দাড়িয়ে থাকতে হত, না হলে ও গোসল করবে না বলে গো ধরত। চাচা আমাকে কোলে করে নিয়ে বাথরুমের সামনে
বসিয়ে দিতেন।
C-11-C আসার পর একসাথে কত গোসল করছি। একবার বাথরুমে দুই জনে
সিগারেট খাইতে গিয়ে বাবুল ভাইয়ের কাছে হাতে নাতে ধরা।
জসিম ভাইয়ার জন্মদিন
আমাদের সবার প্রিয় জসিম ভাইয়ার আজ জন্মদিন । জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
দিনের শুরু তেই আমাদের ভাবি ( আপু বললেও ভুল হবে না ) জসিম ভাই ( দুলা ভাই ডাকতে
পারবো না , মাইরা ফালাইবো) কে নিয়ে
কবিতা লিখলোঃ
আজো তুমি সুর্য্য হয়ে দূর করে দাও অন্ধকার
আজো তুমি আছো বলেই
কবিতা গল্পে আমি আমাকে খুজে পাই
আজো তুমি আমাকে সি এন জি করে ঘুরে বেড়াও
এখনো বুঝতে পারি তুমি কি ছিলে আমার ?
এভাবেই চলুক
কখনো পায়ে হেটে কখনোবা রিক্সায় কিংবা মার্সিডিজে
যেভাবেই কাটুক আমাদের সময়
তুমি পাশে থাকলেই আমি সুখি
একদিন ইতিহাস হবে আমাদের ভালোবাসা
তুমি জন্মেছিলে বলে পুর্নতা পেয়েছে আমার জীবন
হ্যালো CSM
হ্যালো CSM। প্রথম প্রথম এই ভাবে লিখাটা সুরু করতে ভালো
লাগতো। হ্যালো CSM হ্যাপী নিউ ইয়ার। ২০১৫ সালটা আমাদের জন্য ছিলো
লাকি বছর। আমরা csm এর একটি বিশাল অংশ, এখন একটি
জায়গায় অবস্থান করছি। কারো খুশীতে যেমন আমরা আনন্দিত হয়, ঠিক তেমনি কারো
সমস্যায়,আমারা পাশে দারানোর চেষ্টা করি। এটা একটা বিশাল ব্যাপার।
এই শক্তিটাকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিতে হবে। এবং সেটা করতে
হবে, সবাইকে সবার প্রতি সন্মান ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে। সবার
মতামতকে মুল্যদিয়ে, ভালো ব্যাপার গুলিকে সামনে নিয়ে আসতে হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)