Tuesday, March 8, 2016

ইদানিং নিজের কিছু ব্যাক্তিগত সমস্যা আর ব্যাস্ততার কারনে পেজটাতে একদমই কম এন্ট্রি করা হয়


ইদানিং নিজের কিছু ব্যাক্তিগত সমস্যা আর ব্যাস্ততার কারনে পেজটাতে একদমই কম এন্ট্রি করা হয়। মাঝে মধ্যে একটু আধটু যাই ঢুকি কেবল লাইকের উপরেই থাকি। লাইক দিয়ে জানান দেই যে আছি সেই আগের মতই সবার সাথে। যদিও মানিক ভাই লাইক না দিয়ে এক লাইন হলেও কমেন্ট করতে বলেছেন।

আমি ডেইলী রাত ১:৩0টা/২টার দিকে এন্ট্রি করে সারাদিনের জমানো কমেন্ট পোস্টগুলোর জাবর কাটি। আজ রাত ১.৫৫টায় ঢুকেই পোস্টগুলি পড়ছি তখনি ছোট ভাই লিটনের পোস্ট-এ চোখ আটকে গেল। আমার চোখে দেখা খুব্বি ভদ্র একটা ছেলে, সেই ছোট বেলা থেকেই দেখছি লিটনকে।

যাই হোক, লিটন এবং অন্য সবার উদ্দেশ্যে কেবল আমি আমার কথাগুলি বলছি। তোমরা যারা ভাবছো এখন আর আগের মতো লাইক কিংবা কমেন্ট পড়ে না, কিংবা আগের মতো এই পেজ জমে না তাইলে সেটা হবে ভুল ধারনা।

Monday, March 7, 2016

আমাদের বাসার পাশের বাসা ছিল জাফর মামাদের বাসা


আমাদের বাসার পাশের বাসা ছিল জাফর মামাদের বাসা।মামার দুটো ছেলে ছিল-রুমি ও জনি।রুমি ওজনি পিটা-পিঠি ছিল।তারা খুব চন্চল ছিল।জনি ও রুমির তখন বয়স সম্ভবত ৪-৫ হবে।ওরা সবসময় চিটাগাং এ বাসায় কথা বলত।আমি জনি ও রুমি কে ক্ষ্যাপাইতাম আর ওরা আমাকে চিটাগাংএ ভাষায় গালি দিত।ওদের ছোট্ট মুখে চিটাগাং ভাষা শুনার জন্য সবসময় ওদের সাথে দুষ্টামি করতাম।

অনেক দিন পর পেজে লিখছি


অনেক দিন পর পেজে লিখছি।।কোন পুরস্কার বা হিট লিস্টে থাকার জন্য নয়।।মনটা খারাপ লাগছে তাই লিখছি।।একটা সময় এই পেজটাতে রাত-দিন পরে থাকতাম।।কর্মস্থলে সিনিয়ারের বকুনি শুনতাম আর বাসায় চলতো রীতিমতো যুদ্ধ।।তারপরও পেজটাকে ছাড়তাম না।।নিজের অস্তিত্বকে কি করে ছেড়ে যাই।।হাজার প্রতিকূলতার মাঝেও নিজের অস্তিত্বটাকে ধরে রেখেছিলাম।।কিন্তু এখন কেন যেন পারছি না।।যতই চাচ্ছি ধরে রাখতে ততটাই দূরে সরে যাচ্ছি।।একটা বাধা কাজ করছে।।

গতকাল "হীরা" নিয়ে একটা কমেন্টস করেছিলাম মনের দুঃখ থেকে।।বেশ ভাল লাগলো।।নিজেকে হীরা বলে দাবি করছিনা।।আমার মতো নির্বোধ লোক কিছু (হিরার মতো দামি) এবং (ভাল মনের ) কিছু মানুষের সন্ধান পেয়েছিলাম এই পেজের মাধ্যমে।।যাদের মাঝে থাকতে পেরে নিজেকে অনেক ধন্য এবং সৌভাগ্যবান মনে করেছি।এখনও করি।।হয়তো সময়ের পরিবর্তনে তা এখন প্রকাশ করতে পারিনা।।

বিকাল বেলায় আমি রাশেদ( মরা রাশেদ)দুলি কলোনীর বিভিন্ন রাস্তায় হাটতাছি


বিকাল বেলায় আমি রাশেদ( মরা রাশেদ)দুলি কলোনীর বিভিন্ন রাস্তায় হাটতাছি, হাটতে হাটতে C টাইপ মাঠের আমাদের বাসার সামনে রিমনদের বাসার পাশে এককোনায় বসলাম, রিমন দের বাসার নীচতলা টিন দিয়ে ঘেরা ছিল টিনের সাথে একটা পেঁপে গাছ ছিল,গাছে মোটামুটি ভালোই পেঁপে ধরছে সূযের আলো পড়ে একটি পেঁপে হলুদ বণ ধারণ করছে,বুঝলাম পেঁপেটা পাকছে তিনজনের মত আজই পেঁপে টা খেতে হবে , এই রাস্তাদিয়ে সব সময় লোকজন চলাফেরা করে,তাই মাগরীব এর নামাজ এর সময়টা বেচে নিলাম,সময়মতো পেঁপেটা নিয়ে পুকুরপাড়ে নারিকেল তলা মানিক ভাই সুমন দের বাসার সামনে তিনজনে বসে আসি এই সময় লিটন এর আগমন বুঝলাম আর কেউ আসবেনা,রাশেদ বাসাথেকে একটা ছুরি নিয়ে এসে পেঁপেটা কাটলো, পেঁপে কাটার পর তো সবার মাথায় হাত পুরা কাঁচা পেঁপে এখন কি করি, লিটন একটা সুন্দর পরামশ দিল আমরা সবাই তা মেনে নিলাম, রাশেদ আবার বাসায় গিয়ে একটা খালি মিসটির প্যাকেট নিয়া আসলো সাথে প্যাকেটের সাথে রশি পলিথিন নিয়া আসলো,এবার সুন্দর করে পেঁপেটা বসাইয়া সোজা বাজারে,বাজারের গেইট পার হইয়া লিটন প্যাকেট টা নিয়া মুন বেকারীর পিছন দিয়া গিয়া সামনে দিয়া হেলতে দুলতে আসতাছে,এদিকে আমি দুলি রাশেদ বেলাল ভাই ভাই দোকানের সামনে দাড়িয়ে আছি,দোকানে তখন আবদুল্লাহ ভাই লিটনকে দেখে তো আমরা সবাই হইচই শুরু করে দিলাম এবং প্যাকেটটা নিয়ার জন্য জোরাজুরি করতাছি লিটন এর এক কথা বাসায় মেহমান আমাকে ছেড়ে দে কে শুনে কার কথা জোর করে প্যাকেটটা নিয়া আবদুল্লাহ ভাই বললাম ভাই ১০টা ব্যনসন সিগারেট দেন আর প্যাকেটটা রাখেন, আবদুল্লাহ ভাই তো পারলে প্যাকেট তখন খুলে ফেলে কোনোমতে ১০টা সিগারের নিয়ে আমরা ফগার পার আর এদিকে আবদুল্লাহ প্যাকেট খুলেতো যা তা শুরু করে দিল আমার বাসায় এসে বাপের কাছে বিচার দিল দুলির বাসায় গিয়ে বিচার দিয়ে আসলো কয়েকদিন তো বাজারে গেলোও মাছ বাজার দিয়া ঘুরে যেতাম বহুদিন আবদুল্লাহ ভাইয়ের সামনে পড়ি নাই .....

প্রতিশোধ


১৯৭১ সালের আগস্ট মাসের মাঝামাঝি । আমরা তখন থাকি স্টীল মিলের ই- টাইপে। সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি ব্রিস্টি। ১১ টা নাগাদ তা মূষলধারে। বাসা থেকে পুকুরটা দূরে না খুব। তাই ব্রিস্টি মাথায় নিয়ে পুকুরে দাপাদাপির নেশাটা পেয়ে বসলো। গামছাটা সাটের নীচে লুকিয়ে সোজা পুকুরপাড়।

পুকুরে নেমে দেখি বুলু-বাদল দু'ভাই (আমার বন্ধু/ক্লাসমেট)। তিন জন মিলে বরষন মূখর দুপুরে পুকুরে সে কী মাতামাতি আর দাপাদাপি। এদিকে যোহরের নামাযের ওয়াক্ত ঘনিয়ে এসেছে।মসজিদে হাজিরা না দিলে বাপের কাছ কইফিয়ত দেবার ভয়। আনন্দে ছেদ টেনে তাই তাড়াতাড়ি পাড়ে উঠার আয়োজন
"আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি----" মনের আনন্দে গান গেয়ে পাড়ে উঠছি,-পিছন থেকে পিঠের উপর এক ঘুসি। পিছন ফিরে তাকাতেই মুখের উপর আরেকটা।

এক এক মানুষের জীবনের গল্প এক এক রকম


এক এক মানুষের জীবনের গল্প এক এক রকম ।তারপর ও মানুষের দিন চলে যায় জীবনের নিয়মে ।কেউ বা চলে ঝাকানাকা , কেউ বা চলে একা ,কেউ বা চলে. . . . . । কেউ ই থেমে থাকে না ।চলছে জীবন যাত্রা বাড়ী ।চলেই যাচ্ছে ।তেমনি আমরা ও চলে যাচ্ছিলাম যার যার মতো ।হঠাত্‍ এলো CSM COLONY GROUP .জীবনে এল নতুন পরিবর্তন ।একি হলো সবার জীবনে ।সকাল শুরু করি এর আপডেট দেখে ।ঘুমাতে গেলে CSM ,ঘুম ভাঙ্গলে CSM ,অফিসে কাজের ফাঁকে CSM ,খেতে বসে ও CSM ,আরিনকে পড়ানোর ফাঁকে CSM,এমন কি বাথরুমে গেলে ও CSM .রক্তের সাথে মিশে গেছে এই CSM COLONY .তোমায় বড্ড ভালবাসি ।তোমায় অনেক মিস্ করি CSM COLONY.

মাশুক ভাইয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আমার পুরনো কথা মনে পড়ে গেল


মাশুক ভাইয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আমার পুরনো কথা মনে পড়ে গেল।ভাইয়ার কাছে পড়ার সময় আমরা যখন পরীক্ষা ভীতির কারনে প্রাইভেটে যেতাম না।ভাই বুঝে যেত আমরা ফাঁকি দিয়েছি।যথারীতি বাসায়(মাঝে মাঝে) হাঝির,নয়তো বা ফাঁকিবাজির খবর রাত ১০ টার মধ্যে বাসায় পৌঁছে গেছে। তারপর বাসায় ১০ নাম্বার বিপদ সংকেত। অশেষ শ্রদ্ধা ও কৃতঞ্জতা মাসুক ভাইয়ের প্রতি।ভাইয়ার সুস্থতা কামনা করি।

পাঁচ বছর পর মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে ঢুকলাম


পাঁচ বছর পর মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে ঢুকলাম, সেই ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর গতকাল গেলাম, এর মাঝে অনেক গুলো ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হলেও কোনবার যাইনি, অথচ বাসা ষ্টেডিযামের কাছেই এবং প্রতিবারই অফিস থেকে টিকেটের ব্যাবস্থা থাকে (পুরা মাগনা ।)। এ বার গেলাম, বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে, সংগে আরো দুজন কলিগ। গেটের কাছাকাছি আসতেই নিজেরে সেলিব্রেটি মনে হলো , প্রথমে ষ্টার স্পোটর্স চ্যানেল তাদের বুম ও ক্যামেরা ধরল , জানতে চাইল বাংলাদেশ ফাইনালে খেলছে এর প্রতিক্রিয়া, গতানুতিক উত্তর দিলাম, এরপর আসল ইন্ডিপেনডেন্ট ও এসএ টিভি তারা জানতে চাইল টিকেট পেতে কোন সমস্যা হয়েছে কিনা। এই কথার কোন উত্তর দিলাম না (মানুষ যেখানে কষ্ট করে দিন রাত লাইনে দাড়িয়ে ২৫০ টাকার টিকেট ২৫০০ টাকা দিয়ে কিনে খেলা দেখতে যায়, সেখানে আমি অফিসের কল্যানে ফ্রি তে ভিআইপি গ্যালারিতে খেলা দেখি, স্বাভাভিক ভাবেই তখন তো নিজেরে অপরাধী লাগে, আর এ জন্য জবান বন্ধ থাকে।)। এর পরতো ঝড় তুফান, বাংলাদেশের হার আর আশেপাশে সুন্দরী ললনা। রাত সাড়ে বারোটার দিকে হেটে হেটে বাসায় ফিরলাম।

পরিসংখ্যান এর এদিক সেদিক


Al Amin Billah Shujon এর প্রকাশিত ডাটা অনুযায়ী লিখার সং্খ্যা যেমন বেড়েছে,তেমনি বেড়েছে লেখকের সং্খ্যা। এটা অবশ্যই আনন্দের বিষয়। তবে জসিম ভাই,নজরুল ভাই চিন্তিত যে আগের মত আড্ডা জমছেনা যেটা শুরুতে জমত।খেয়াল করার মত,তবে দুশ্চিন্তা করার মত না।ভাল সময়, মন্দ সময় সব সময় থাকবে।বসন্ত, শীত সবসময় থাকবে।কোন বসন্তে গাছে ফুল নাও থাকতে পারে,তবুও বসন্ত।আড্ডা জমছেনা তার মানে মেম্বারদের পেজের প্রতি ভালবাসা কমে গেছে এমন মনে করার কোন কারণ নাই। তাহলে লিখার সং্খ্যা এত বেড়ে যেত না।কারন কিছু স্বপ্নবাজ মানুষ পেজটাকে সবসময় নিজের অস্তিত্ব এর অংশ মনে করে।তারা কখনোই পেজকে ঝিমিয়ে পড়তে দিবেনা।সবার আলাদা আলাদা জীবন আছে,ব্যস্ততা আছে।তবুও দিন শেষে সবাই পেজে ঢুকে পোস্ট দেখতে পছন্দ করি।কেউ লাইক দেই,কেউ কমেন্ট করি।এটা করি পেজের প্রতি ভালবাসা থেকে, আন্তরিকতা থেকে।দায়বদ্ধতা থেকে। পেজের জন্য ভালবাসা না থাকলে এটা কখনোই হত না।

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ গ্র্যান্ড টোটাল (২০ অগাস্ট ২০১৫ টু ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)

- Al Amin Billah Shujon

কিছু কথাঃ

গ্র্যান্ড টোটাল নিয়ে কি আর বলব। এক কথায় আমি মুগ্ধ এবং অভিভূত । জানুয়ারীতে লিখার সংখ্যা ছিল ৮৯ এবং লেখকের সংখ্যা ছিল ৩৩ জন, যা ফেব্রুয়ারীতে গিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৩ টি এবং ৫৯ জনে। অর্থাৎ জানুয়ারীর তুলনায় ফেব্রুয়ারীতে  লিখার সংখ্যা বেড়েছে ১২৮.০৯% এবং লেখকের সংখ্যা বেড়েছে ৭৮.৭৯%। পার্থক্যটা অবশ্যই চোখে পড়ার মত।

কি যে মাসাকার অবস্থা হত যদি মইন ভাই, রাসেল ভাই আর নমি ভাই থাকতো। ভাবতেই ভাল লাগে এখন সবাই অনেক গুছিয়ে লিখে, অনেক সতর্ক সবাই লিখার ব্যাপারে, লিখাগুলো পরে মনে হয় যেন কোন প্রফেসনাল লেখক এর লিখা পড়ছি।

আশা করছি মার্চ মাসে লিখা এবং লেখকের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে, এখনো পর্যন্ত প্রতিদিন ৮ টিরও বেশি লিখা আসছে যা খুবই ইতিবাচক। এইভাবে চলতে থাকলে মার্চ মাসের প্রতিযোগিতা অনেক বেশি/আরো বেশি জমজমাট হবে বলে মনে হচ্ছে।

এইবার সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমাদের জাভেদ ভাইয়ের প্রপোসালটা নিয়ে একটু ভাবতে। খুব সুন্দর প্রস্তাব। আমি জাভেদ ভাইয়ের কথাটা কোড করলামঃ

“আমি কলোনির একটি বর্ননামুলক মানচিত্র তৈরির চেষ্টা করছি। শুরুটা আমি করলাম। আমি চাই সবাই যার যার মত অংশগ্রহন করুক। লেখাগুলো বর্ননামুলক হওয়া জরুরী। কলোনির আইডেন্টিক্যাল, আইকনিক অথবা দীর্ঘদিন চোখে পড়েছে এমন জিনিসগুলো বর্ননায় এলে মানচিত্রটা অনেক সমৃদ্ধ হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় খালপাড়ের সেই বড় পাথরটা, ই-টাইপের ভাঙ্গা স্লিপার কিংবা টাংকির নিচের সেই ঠাণ্ডা চকচকে মসৃণ পানির পাইপটা। যারা এই গ্রুপের লেখার আর্কাইভ করছেন তাদের কাছে অনুরোধ এই আহবানে সাড়া পাওয়া গেলে এই লেখাগুলো যেন আলাদা মার্ক করে একসাথে মজুদ করা হয়। লেখাগুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম”

আমরা সবাই চাইলে খুব সুন্দর একটা মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব। ২/৩ জন ইতিমধ্যে লিখা শুরু করছে এই বিষয়ে। আমাদের সবার উচিত এই বিষয়ে অন্তত একটা করে লিখা পোস্ট করা। মার্চ মাসে সবাইকে “কলোনির একটি বর্ননামুলক মানচিত্র” এই বিষয়ের উপর অন্তত ১ টি করে লিখা, লেখার জন্য অথবা বিষয়টি নিয়ে ভাবার জন্য অনুরোধ এবং আহবান করা হল।

যাই হোক অনেক কথা বলে ফেললাম। আর বেশি কথা বলব না, আর আপনাদের বিরক্ত করব না। এইবার গ্র্যান্ড টোটাল এর ফলাফল প্রকাশ করছি।

এখন আমি কোন দিকে যাবো বুঝতে পারছিনা


মসজিদের ডান পাশে পুকুর বাম পাশে আমাদের বাসা, আমি ডালিম, শিপন,দুপুর হলেই পুকুরে দাপাদাপি করতাম,এই দাপাদাপি করতে করতে একদিন ডুব দেয়া শিখলাম, আস্তে আস্তে কিছুটা সাঁতারও শিখলাম তাও পুরাপুরিনা এটা আবার বড়াই করে সবাইকে বলতাম,আমাদের এই কথা শুনে বিপুল ও গো ধরছে সে ও সাঁতার শিখবে কিন্তুু আমি চাইনি বিপুল আমার আগে সাঁতার শিখুক আর এমনেও বিপুল এর সাথে আমার বনিবনা হতো কম,তো সবাই মিলে একদিন পুকুরে গেলাম বিপুলও সাথে, পুকুরে নেমে ডালিম শিপন সাঁতার কাটতাসে আমি আর বিপুল নিজেরা নিজেরা পানিতে দাপাদাপি করতেছি আর বিপুল কে দেখাচিছ কি ভাবে ডুব দিয়া পানির নিচে থাকতে হয় এভাবে কিছু সময় দুজনের কথা বলা চলছে,কথা বলতে বলতে কি নিয়ে জানি দুজনেরই ঝগড়া শিপন ডালিম তো একবার আসে আবার সাঁতার কাটতে কাটতে দুরে চলে যায়,হঠাৎ আমি আর বিপুল পানির মধ্যে মারামারি শুরু করে দিলাম,বিপুল মারামারি করতে করতে উপরের দিকে চলে যেতে চায় আমি বিপুলকে পানি থেকে উঠতে দিতে চাচিছ না,হঠাৎ আমি বিপুলকে ধইরা পানির মধ্যে চুবাইতেছি আর বিপুল উপরে উঠতে চাচেছ এভাবে কয়েকবার করাতে বিপুল এর মুখের ভিতর পানি ডুকে গেল আর কাশতে শুরু করে দিল শিপন আর ডালিম এসে তাড়াতাড়ি বিপুল কে বাসায় পৌঁছে দিল, বিপুল এর মা তো সাথে সাথে যতারীতি বাসায় বিচার দিল আর নিচে বিপুল এর মা আর উপরে আমার মা বসে রইলো এখন আমি কোন দিকে যাবো বুঝতে পারছিনা .........

আমি কাল রাত থেকে মানে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ার পর থেকে


আমি কাল রাত থেকে মানে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ার পর থেকে আমার মাথায় একটাই চিনতা কাজ করছে আর খুব বেশি মনে হচছে সাকিব ইচছা করেই আমাদের সাথে এমন করল।আমার মনে আছে আরও একবার আমরা সাকিবে জন্য হেরেছি।এই পেইজে অনেক ভাইয়ারা আছেন জারা খেলা খুব বুঝেন, একটা জিনিস খেয়াল করবেন যে বাংলাদেশ আট ভারতের খেলা হলে কোন মা কোন ভাবে আটা হেরে জায়। আমার মনে হয় কোন এতে কোন ষড়যন্রআছে।ইস এখন ইচছা করতাছে কেন জে সাংবাদিকতা নিয়ে পড়লাম না।কিছু একটা হলেও করতে পারতাম।যখন দেখতাছি আমরা হেরে জাব,তখন মনটা খুব খারাপ হওয়াতে জুবায়ের উপর সব রাগ গিয়ে পড়ল।খেলা দেখার সময় দুইবার ওকে মারচি।কি করব কি বুঝতাছিনা। আসলে কালকে আমাদের মুজতাবিজকে বেশি দরকার ছিল।মনটা খারাপ তো তাই উলটা পালটা কিছু লিখলাম। কিনতু কথা সত্য।

Sunday, March 6, 2016

বড় পুকুর


আমি যখন ছোট ছিলাম তখন বড় পুকুরে আমরা সবাই মিলে গোসল করতাম।ছোট ছিলাম তাই পুকুরে গোসল করা নিষেধ ছিল।যে দিন পুকুরে গোসল করতাম সে দিন মাইর (পিটা) খেতাম। তার পরেও কেমন জানি পুকুরে গোসল করতে ভালো লাগতে। এত পিটা এত বকা পরও গোসল করতাম দলবেধে। আমি,জুয়েল,আরিফ,নুরউদিদন, ইমু,জাবেদ,রিয়াদ,ফয়হাদ, কানা ফয়হাদ পুকুরে ডোবাডুবে করতাম।অনেক মজা করতাম এত মজা করতাম ২-৩ ঘনটা গোসল করতাম।বাসায় থেকে বাহির হতাম লমবা প্যান্টের নিচে হাফ প্যান্ট পড়ে। হাফ প্যান্ট পড়ে গোসল করতাম। গোসল করা পর হাফ প্যান্ট টা লুকিয়ে রাখতাম।

গোসল করা পর যে ভাবে বাসায় থেকে বের হতাম সে ভাবে শাট প্যান্ট পড়ে বাসা যেতাম। আজ আর ধরা খাবে না।মনের খুশিতে বাসা আসতাম। বাসা আসার পর বাবা বলতে পুকুরে গোসল করচেছ। না,-বাবা। তার পর চলতে পিটা বকা সব!! মনে মনে ভাবতাম শুকনা কাপড়ে বের হতাম শুকনা কাপড়ে বাসা আসতাম বাবা কিভাবে বুঝতে পারতে আমি যে পুকুরে গোসল করে আসছি। এখন বুঝি ২।৩ ঘনটা গোসল করলে চোখ লাল হতে। চোখ লাল দেখে বুঝে নিত। বড় পুকুর থেকে বড়পোলের পুকুরে এসে ওসে মজা পাইনা। miss u বড় পুকুর।।। 

সাথী ফয়হাদ আর কানা ফয়হাদ কথা অন্য দিন লিখবে।

বিকাল বেলায়


বিকাল বেলায় আমি রতন, শিপন,সাথে ডালিম ও আছে আমাগো বাসার নিচে C/3 ড্রেনের মধ্যে মারবেল খেলতেছি,মারবেল খেলায় এতো ভালো ছিলাম না, শিপন, ডালিম খুবই ভালো খেলতো ঐ দিন আমরা ৩জনই হারতাছি, রতন এর কাছে আস্তে আস্তে সব মারবেল জমতাছে এতো মারবেল জিতার পর ও রতন কোন ছাড় দিচেছনা আমার কাছে আর কোন মাবেল নেই কি করুম কিছুই বুঝতাছিনা,শেষ দান ও রতন জিতলো, হঠাৎ রতনরে পিছন থেকে ঝাপটাইয়া ধইরা একটা ঝাকি দিলাম রতন এটার জন্য প্রস্তত ছিল না তার হাত থেকে শাটের পকেট থেকে সব মারবেল এদিক ঐদিক ছড়াইয়া ছিটিয়া পড়লো এই সুযোগে আমরা তিন জন কিছু মারবেল নিয়া এদিক ঔদিক দোড়,মনে কিছুটা শান্তি পেলাম, কিন্তু বিপদে পড়লাম আমি আমার বাসা তিনতলায় রতনদের বাসা পার হইয়া আমাদের বাসায় যেতে হবে,রতন তো বাসার দরজা খুলে বসে আসে আমাকে ধরবে বলে, আমি ও পড়ছি মহা ঝামেলায় বিকাল শেষ সূয অস্ত যাচেছ বাসায় না ডুকলে মার হাতে মার খেতে হবে,শিপন দের বাসায় বসে আছি কিভাবে বাসায় যাবো এই চিন্তা হঠাৎ দেখি বুড়ি ওরফে রুনা বতমানে টিটু ভাইয়ের সহধমীনির বাবা বাসায় উঠতাসে তারা আমাদের পাশের বাসা ছিল তার সাথে সোজা বাসায় গিয়ে রতন এর হাত থেকে বাচলাম।

আসুন না আজ এ খেলার বদৌলতে কলোনী থেকে একটু ঘুরে আসি


আমাদের কলোনী টা আজ খুব দরকার ছিলো, এত বড় একটা ফাইনাল আর আমরা সবাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি, ভাবা যায় এ কষ্ট। 

আসুন না আজ এ খেলার বদৌলতে কলোনী থেকে একটু ঘুরে আসি........................

আজ একটু সকালেই ঘুম থেকে উঠলাম, তাড়াতাড়ি নাস্তা সেরে মরাইয়া রাশেদ, মনিরুল আর দুলিরে ডাকতে গেলাম, প্রথম দুজন কে ঠিকমত পাওয়া গেলেও দুলি হারামজাদা দেখি এই গরমেও নাকে মুখে কাঁথা দিয়ে ঘুমাচ্ছে। জোর করে উঠিয়ে দিলাম। এরপরে সবাই মিলে আমাদের পানির ট্যাংকীর একবারে শীর্ষে জাতীয় পতাকা টা উড়িয়ে দিলাম।
এখন সবাই আমরা ইউনুসের দোকানে, খেলা নিয়ে তুমুল আড্ডা চলছে, সাথে চলছে ধুয়া তৈরী, আমাদের আলাপ শুনে যে কেউ ভাবতে পারে এখানে এক একজন ওয়াসিম আকরাম,গ্যারি সোবার্স, মাইকেল হোল্ডিং এর চেয়েও বড় ক্রিকেটার।

বন্ধু তুমি সায়াহ্নে


ছেলেটার বাসা তিনতলা আর মেয়েটির বাসা দোতলায়।ছেলেটা আগে এক তলায় থাকত,বাবার প্রমোশন এর জন্য তিনতলায় গিয়েছে।আলাদা আলাদা বিল্ডিং। মেয়েটির রান্নাঘর এর জানালা দিয়ে ছেলেটার বারান্দা দেখা যায়।দুজনে প্রায় চোখাচোখি হত।ইশারায় কথা চলত।ছেলেটা হাই ভলিউম এ গান বাজাতে পছন্দ করত,আর মেয়েটি সে গান শুনাতে। তপন আর শাকিলার " তুমি আমার প্রথম সকাল " গানটা মেয়েটির খুব প্রিয়। তাই ছেলেটা এই গানটা বেশি করে বাজাত।

একসময় মেয়েটি র বিয়ে হয়ে যায়।ছেলেটা বিদেশে পাড়ি জমায়।দুজনের অনেকদিন দেখা নেই।এখন আর কেউ গান বাজায় না আর কেউ শুনতে পায় না।তারপর বহুদিন পর মেয়েটির স্বামী মারা যায়।মেয়েটি ফিরে আসে বাবার বাড়িতে।ছেলেটা বিদেশ ফেরত হয়।

একদিন বসন্তের ফাগুন হাওয়ায়, না এবার ছেলেটা নয়,মেয়েটি র বাসা থেকে ভেসে আসে সেই গান যা দুজনকে একদিন কাছে এনেছিল।শুনতে পেয়ে ছেলেটা বারান্দায় এসে দাড়ায়।দুঃখ দাহের দুজন মানুষ যেন আবার সেই পুরনো দিনগুলোকে খুজে পেতে চেষ্টা করে

Saturday, March 5, 2016

ফেব্রুয়ারী মাসের রেসাল্ট এক্সপোজ করেছে Al Amin Billah Shujon


ফেব্রুয়ারী মাসের রেসাল্ট এক্সপোজ করেছে সুজন। যারা সচরাচর এক্টিভ না এই পেজে তারা হয়তো ভাবছেন এটা আবার কিসের রেসাল্ট? সে যাই হোক প্রয়োজনে নিজ দায়িত্বে জেনে নিবেন।

Al Amin Billah Shujon এর স্টাটিস্টিক অনুযায়ী ৭ মাসের মধ্যে এবারেই আমরা সর্বোচ্চ লিখা এবং লেখক লেখিকা এবং এক্টিভ মেম্বার পেয়েছি। এটা আসলেই ভীষন আশাব্যাঞ্জক। অনেকেই নিজের জড়তা কাটিয়ে লেখালেখিতে, লাইক কিংবা কমেন্টে আসছে এটা আসলেই দারুন। তবে কেন হঠাৎ করে ফেব্রুয়ারীতে সবাই আড়মোড়া ভেঙ্গে জেগে উঠলাম?

ফেব্রুয়ারীতে সর্বাদিক লিখা হওয়ার কারন একটাই আমাদের ২৯ জানুয়ারী। মেজোরিটি পারসেন্ট লিখা ছিল প্রোগ্রামকে ঘিরেই। তার মানে কি ইভেন্ট না থাকলে আমরা হাত পা গুটিয়ে থাকবো?? না, তাইলে চলবেনা, একদম চলবেনা। পেজটাকে এক্টিভ করতে এবং এই পেজের পুরোপুরি আনন্দ উপভোগ অন্যের সাথে ভাগাভাগি করতে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে স্বত:স্ফূর্ত ভাবে। লাইক, কমেন্ট করে এক্টিভ থাকতে হবে। তবে এই নয় যে কাউকে প্রেসারাইজড করা হচ্ছে। সময় পেলে সুযোগ পেলে অবশ্যই আমাদের সাথে থাকবেন। যখন এই পেজে আমি ছিলাম না তখন ভাবতাম সারা বাংলাদেশে বুঝি স্টীল মিল কিংবা আমাদের কলোনীর কেউই বুঝি নাই। কারন একটাই কারো সাথে কমিউনিকেট ছিল না। 

আমাদের রেজা ভাইয়ের মোবাইল এবং পকেটস্থ টাকাপয়সা


আমাদের রেজা ভাইয়ের মোবাইল এবং পকেটস্থ টাকাপয়সা রেল ভ্রমন কালে কোন এক অবিবেচক তস্কর কতৃক চুরি হইয়াছে। সেই থেকে রেজা ভাই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রহিয়াছেন। তবে এখানে সন্দেহের অবকাশ রহিয়াছে যে কোন বিশেষ মহলের ইন্ধনে এই চৌর্যবৃত্তির ঘটনাটি ঘটিয়া থাকিতে পারে। স্বভাবতই সন্দেহের অংগুলি "সারাফের মা" অর্থাৎ আমাদের মলি ভাবীর দিকে নির্দেশ করিতেছে। আমরা প্রায়শঃই রেজা ভাইয়ের পোস্টে তাহার ফেসবুক ব্যবহার নিয়া মলি ভাবীর অসন্তুষ্টির কথা জানিয়াছি। আমরা এরুপ কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। রেজা ভাই দ্রুত ফিরে আসুক আমাদের মাঝে।

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ (১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ টু ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)

- Al Amin Billah Shujon

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ (১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ টু ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)

ফেব্রুয়ারী মাসটা ছিল রেকর্ড এর মাস। অন্যরকম একটা মাস পার করেছে সি.এস.এম পেজ। লিখালিখি আর লেখকের পদচারনায় ভরপুর ছিল সি.এস.এম পেজটি। প্রতিদিনই অসংখ্য লিখা, পোস্ট, ছবি, ছড়া, কবিতা এসেছে পেজ টিতে। সবার লাইক, কমেন্টস, রিপ্লেতে ছিল ভরপুর। মোটকথা সবার অংশগ্রহন ছিল চোখে পড়ার মত। তাই এই মাসে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ হইছে।

হয়তো ফেব্রুয়ারীর শেষ দিনের শেষ মুহূর্তে আরও অনেক লিখা আসত কিন্তু আমাদের সকলের প্রিয় বন্যা আপুর বাবা এবং আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় চাচা/কাকা হটাত আমাদের ছেড়ে চলে যাবার কারণে অনেকেই গ্র্যান্ড আড্ডা সংক্রান্ত লিখা পোস্ট করা থেকে বিরত থেকেছে (যেমন রাজিব এবং উমামার পোস্ট করার কথা ছিল কিন্তু সংগত কারনে করতে পারে নাই, হয়তো এইরকম আরো অনেকেই ছিল, আমিও ছিলাম)  

যাইহোক আজাইরা প্যাঁচাল না বাড়িয়ে এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।

যদি ভালবাস


আমি রিয়া।মা বাবার একমাত্র সন্তান।বাবা সরকারি চাকরি করেন।মধ্যবিত্ত পরিবার।অনার্স পড়ি।সেকেন্ড ইয়ারে উঠতে না উঠতে মা বাবা আমার বিয়ের জন্য উঠে পড়ে লাগলেন। কারন বাবা আগামী বছর অবসরে যাবেন।আমাদের দেশে মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো তে দেখা যায় মেয়েরা অনার্স এ সেকেন্ড বা থার্ড ইয়ারে যেতে না যেতে বিয়ের জন্য পাত্র খোজা শুরু হয়।আর বাবা যদি অবসরে যাবার সম্ভাবনা থাকে তাহলে ত আর কথাঈ নেই।উঠ ছুড়ি তোর বিয়ে র মত অবস্থা।আর এ ব্যাপার টাতে উতসাহ দেবার জন্য থাকেন কিছু আত্নীয় সজন।

মা বাবার এমন আচরনে আমি কিছুটা বিরক্ত হলাম।কারন আমি একজনকে পছন্দ করি।ওর নাম রিফাত।কিন্তু সে এখনো নিজের পায়ে দাড়ায়নি।কিন্তু আমরা পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলাম।নির্ধারিত দিনে আমি বিয়ে করতে ওর বাসায় গেলাম।বন্ধুরা গেল কাজি ডেকে আনতে।রিফাত রেডি হচ্ছে। এমন সময়ে আমার মোবাইলে কল আসল।বাবা স্ট্রোক করেছেন।আমার ভেতর অপরাধবোধ কাজ করল।আমি রিফাত কে ওর ড্রেসিংরুম এ দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে চলে আসলাম।

ভয় দেখানো ও ভর্ৎসনা


ছোটবেলায় আমার একটা অভ্যাস ছিল,সেটা বদ অভ্যাস বলা যায়।সিড়ির পাশের দেয়ালে লুকিয়ে থাকা এবং কেউ সিড়ি দিয়ে আসা যাওয়া করলে তাকে শব্দ করে ভয় দেখানো। এজন্য কেউ বিরক্ত হত আবার কেউ মজা পেত।তেমন একদিন সন্ধ্যাবেলা বেবি আপা (Taslima Khan) সিড়ি দিয়ে কলসি নিয়ে পানি নিয়ে উপরে উঠছিলেন।আমিও যথারীতি ভয় দেখানোর জন্য সিড়ি র পাশের দেয়ালে লুকিয়ে আছি।উনি শেষ সিড়ির কাছে আসতেই আমি জোরে শব্দ করে উঠলাম। উনি খুব বিরক্ত হলেন আর আমাকে ধমক দিলেন।আমি মন খারাপ করে বাসায় চলে আসলাম।ভাবলাম,এতে রাগ করার কি আছে।তারপরে আর কাউকে এভাবে ভয় দেখাইনি।

কিন্তু এখন বুঝি উনি সেদিন যদি ভয় পেয়ে কলসি সহ পড়ে যেতেন তাহলে অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।সেদিন সেটা বুঝিনি।

আমাদের জসিম ভাই।


আহমেদ কবির আমাদের প্রধান শিক্ষক থাকার সময়, ১৫ ই আগষ্ট জসিম ভাই ও নাজমুল ভাই আলি,নাসির,শিপন সহ আমরা অনেকে স্কুল ব্ন্ধ রাখারর জন্য হেড স্যারকে বলা হত।।কিন্তু স্যার কোন ভাবেই বন্ধ দিবে না।আমরা সবাই জসিম ভাইয়ের সাথে থাকতাম চাইতাম বন্ধ করতে।স্যার সকালের শিফটে যখন ক্লাস শুরু হত আমরা জসিম ভাইয়ের নেতৃত্বে স্কুলে গিয়ে তাহের থেকে ঘন্টা নিয়ে,ছুটির ঘন্টা বাজিয়ে দিতাম।আর সবাই কে বলা হত ক্লাস ছুটি,হেড স্যার রেগে যেত।কিন্তু আর বেশী কিছু করতে পারত না।স্যার আজ আপনার কাছে সে জন্য মাপ চাচ্ছি। আপনি বেচেঁ থাকলে দেখতেন আমাদের সিএসএম কলোনীর সেই জসিম ভাই এখন আর আগের মত নাই। রাজনীতি ছেরে দিয়েছে।সবাই আমরা আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থী।

সুন্দর করে গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলা মানুষ গুলো সবার প্রিয় হয়।


সুন্দর করে গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলা মানুষ গুলো সবার প্রিয় হয়। 
আর অপ্রিয় হয় মুখের উপর সত্যি কথা বলা মানুষ গুলো।
এই কথা গুলো আমরা কম বেশি সবাই জানি। তারপরও পালন করতে পারি না। কেন? সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে? নাকি অন্য কিছু? এই সবের উত্তরও আমি এখানে পাবো না। কেউ কেউ হয়তো এই পোষ্টটি দেখেও না দেখার ভান করে চলে যাবে বা শুধু লাইক দিয়ে যাবে। সহজে কমেন্টস করতে চাইবে না। কারন কমেন্টস করলে যদি আবার কোন ঝামেলায় জড়ায়ে যায়।

১৯৯১ ইং ২৯ শে এপ্রিল


মাসুক ভাইয়ের কথাতে লিখা।

১৯৯১ ইং ২৯ শে এপ্রিল :

সেদিন সন্ধ্যা থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল।
তখন টিভি চ্যানেল ছিল বিটিভি।টিভি বার বার ঘষোণা দেওয়া হচ্ছিল ১০ নাম্বার বিপদ সংকেত।এরকম আগেও সংকেত দেওয়া হয়েছিল,কিছু হয়নি,তাই এই সংকেত কে কেউ সেরকম সিরিয়াস ভাবে নেয়নি।

আমরা ছিলাম ই/১২/সি তে।আমাদের বাসার দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে কলোনীর দেয়াল দিয়ে ঘেরা ছিল।পশ্চিম পাশের দেয়ালের বাইরে টিএসপির ক্লিনার এর কিছু স্টাফ থাকতো।আর পূর্ব পাশে খাল পাড় রোড জুরে ছিল বস্তি। রাত ১২.৩০ পর থেকে বাতাসের গতি বাড়তে লাগলো,আমি ও আমার ভাই(মিতু ভাই) সামনের রুমে ঘুমাতাম।বাতাসের গতি এত বাড়ছিল যে জানালার পাশে শো শো শব্দ হতে লাগল,এবং আমাদের জানালার ১ টা গ্লাস ভাঙা ছিল,তা দিয়ে বৃষ্টিরর পানি ঢুকছিল,আমরা কোন রকম আটকিয়ে ছিলাম কিন্তু বাতাসের গতি এত ছিল যে আমি আর ঘুমাতে পারছিলাম না।আমি উঠে জানালার পাশে যেয়ে খেয়াল করি পূর্বপাশের বস্তি গুলা কিছুই নাই। তারপর ভাইকে ডাকলাম তার কিছুক্ষণ পর পূর্বপাশের কলোনীর দেয়ালটা ভেঙে পরে।

চলবে .........।

বড়াপার বাড়ীতে আমরা


ঢাকা টু নেত্রকোনার পুরো সময়টাই জাবেদ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছে । তাই আমি আর সে পথে গেলাম না।

বড়াপার বাড়িতে পৌছে প্রত্যেককেই ভারাক্রান্ত মনেই দেখলাম। আজকে চাচার জন্য দোয়া হবে তাই অনেক আত্মীয় স্বজন আশেপাশের লোকজন আসবেন। কি বলবো কি দিয়ে শ্বান্তনা দেব বুঝে উঠতে পারছি না। নিরব শ্রোতার মত সব হজম করতেই থাকতাম। এর মধ্যে চাচী এসে বসলেন। বেশ কিছুক্ষন চুপচাপ বসে থেকে নিরবে দুহাত দিয়ে মুখ ঢেকে কাদতে লাগলেন । যার সাথে এই মানুষটি জীবনের দীর্ঘ সময় একই ছাদের নীচে একই বেডে কাটিয়েছে তাকেই একাকী জীবনের বাকী সময়টা একাই টেনে নিয়ে যেতে হবে। চাচী একের পর এক স্মৃতি গাঁথা সেই সব দিনের কথা আমাদেরকে বলতে লাগলেন। আরো বল্লেন চাচা হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন তিনি আর ফিরবেন না। তাই যাওয়ার আগেই চাচী কে সবকিছুই নাকি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। এবং বলেছিলেন সবকিছুই ওইখানেই ফাইলে রাখা আছে। তিনি ফিরেছেন তবে নিথর দেহটাকে নিয়ে।

আমার আমি

- Khurshed Alam Manik

--------------- ১৯৮৮ ইং
গতকাল সন্দ্ব্যায় কত সহজে ও বললো, ওর বিয়ে ঠিক হয়ে গিেয়ছে। কাল থেকে আমার সাথে আর দেখা হবে না। এমন কি কোথাও দেখা হলে পরিচয় ও স্বীকার করবে না। আমি চুপ করে ওর শান্ত স্নিগ্ধ মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমি যা চেয়েছিলাম তা হচ্ছে না। এত দিন নির্বিকার নিঃস্পৃহ ভাবে আমাকে ভালো বেশেছিলো। কিন্তু আমাকে একটুও যে হ্রৃদয়ে স্থান দেয়নি তা বুজিনি। আর আমি ..........
ইউনুসের দোকানে গিয়ে সিজার সিগারেট চাইলাম।



চলবে .............

২য় পর্ব ( March 03, 2016)
আমার আমি
-----------------
অনভিঙ হাতে বার বার চেস্টা করে সিজার সিগারেট টা ধরালাম। এক টান দিতেই কাশি শুরু। বি,এইচ কোয়ার্টারের পাশে দিয়ে মসজিদ এর সামনে এসে একটা পথ - যেটা খালের ওপাশ অব্দি যাওয়া যায়। ও দিকেই পা বাড়ালাম।
আজ আমি পরাজিত। সে মুহুর্তে বাজতে পারলাম ও কে ছাড়া আমার বাঁচা হবে না। ওকে ভালবাসি। গভীর ভাবে ভালবাসি। আর সে মুহুর্তে মন স্থির করে ফেললাম,, তিলে তিলে কস্ট পাবার চেয়ে নিজকে শেষ করে দেব আমি। আজ,এখনই,,এই উষ্ন, ,
চলবে,,,,,,,,

টিকা


এখন সরকারী, বেসরকারি হাসপাতালে জন্মের পর পরে নবজাতকের টিকা দেয়। আবার কার্ড করে দেয় পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত কখন কি টিকা দেওয়া হবে। আবার সিটি কর্পোরেশন ও পাড়ায় পাড়ায় কর্পোরেশন ঘোষিত দিনে ক্যাম্প বসিয়ে বাচ্চাদের টিকা দেয়। ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ায়। কিন্তু আগে নিয়ম ছিলো না। এত বেসরকারি ক্লিনিক না থাকায় শুধু সরকারী হাসপাতালে দিত। আর মাঝে মাঝে বিভিন্ন এনজিও সরকারি সহায়তায় স্কুলে কিংবা একেক দিন এক জায়গায় টিকা দিত। আর তখন টিকা মানে মারাত্মক ভয়াবহ ব্যাপার।

একবার আমাদের স্কুলে টিকা দিতে একটা গ্রুফ আসলো। সকাল থেকে তেমন খবর পাই নাই। দুপুরের পরে তাহের খবর দিলো একটু পরে আমাদের ক্লাসে টিকা দিতে আসবে। আমরা তখন সবাই ভয়ে অস্থির। ক্লাসে স্যার পড়াচ্ছিল। কিন্তু সেদিকে কারো মন নাই। সবাই টেনশনে আছে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায় এই চিন্তায়। কারন টিকা দিলে হয় জ্বর আসবে নয়তো ব্যাথাটা সহজে যাবে না। তাই টিকা দেওয়ার স্টাইলটাও ছিল অন্য রকম। অনেকটা পিস্তলের মত ছিল টিকা মেশিনটা। তাই কেউ কেউ এই চিন্তা করে ফেললো যে, ক্লাস শেষ হলে সিঁড়ির নীচ দিয়ে স্কুলে পিছনের দিক বের হয়ে যাবে। কিন্তু ক্লাস শেষ হওয়ার আগে টিকা বাহিনি সরঞ্জাম নিয়ে হাজির। 

সাতটা বিশে বাস


সাতটা বিশে বাস। এলার্ম দিয়েছি পাঁচটা ত্রিশে। পাঁচটা চল্লিশে রিপন ভাইয়ের ফোন পেলাম। উঠে প্রথমে কিছুক্ষন বাজে ফোন সেটটাকে গালাগালি করলাম টাইম মত এলার্ম না দেয়ার জন্য। এরপর ফ্রেশ হয়ে ছয়টা দশের দিকে মহাখালীর দিকে ছুটলাম। ছুটন্ত অবস্থায় আবিষ্কার করলাম আমি পাঁচটা ত্রিশের বদলে ছয়টা ত্রিশে এলার্ম দিয়ে রেখেছি, আমি যখন পথে তখন আমার মোবাইল প্রানপনে আমার ঘুম ভাঙ্গাবার চেষ্টা করছে। গলা চেপে ধরে মোবাইলের চিল্লাচিল্লি থামানো হলো। গিয়ে দেখি রিপন ভাই আগেই হাজির। রিপন ভাইকে খুঁজতে খুঁজতেই আপেল আর নাসেরের সাথে দেখা। রিপন ভাই ততক্ষনে নেত্রকোনা যাবার টিকেট কেটে ফেলেছে। এরপরই আমরা চারজন নাস্তা খেতে বসলাম। মেনু হলো হাতে বেলা রুটি আর আলু দেয়া মিষ্টি কুমড়ার পেস্ট। সবাই সাথে ডিম নিলো। আমার সাত সকালে মুরগি বেচারির এমন সর্বনাশ করতে ইচ্ছা করল না। আমি ডিম নিলাম না। 

Friday, March 4, 2016

সাজন এবং হিমু


১৯৯১ সালে সাজন ছবিটা মুক্তি পায়।ছবির গানগুলো ছিল শ্রুতিমধুর। বিশেষ করে ছবির " দেখা হ্যায় পেহেলি বার,সাজান কি আখো মে পেয়ার" গানটা দারুন হিট হয়।এই গানটা আবার আমাদের ক্লাসের হিমুর খুব প্রিয় ছিল।আমরা তখন ক্লাস ফোর কি ফাইভে পড়ি।ক্লাসে স্যার বা আপা না থাকলে হিমু বেঞ্চের উপর তাল বাজিয়ে গানটা গাইত।আমাকেও উতসাহিত করত গাইতে।আমি যদিও গানটা পছন্দ করতাম না তেমন কিন্তু হিমুকে খুশি করার জন্য তাল মেলাতাম।

একদিন ক্লাসে তেমনি করে গানটা গাইছে হিমু,ক্লাসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন শ্রদ্ধেয় নাজিমুদ্দিন স্যার। উনি হিমুর গান শুনতে পেলেন এবং আমাকে তাল মেলাতে দেখলেন।তারপর দুজনকে এসে জিজ্ঞেস করলেন," কিরে, ক্লাস টাকে কি চায়ের দোকান নাকি বাজারের মত লাগে? গান গাইছিস কেন? " স্যার হিমুকে গান গাইবার জন্য দুই কান আর আমি তাল মেলাবার জন্য এক কান ধরালেন।এরপর স্যার আর গান গাইব না এই শর্তে দুজনকে ছেড়ে দিয়ে চলে গেলেন।

মানুষের তৈরী বেশির ভাগ পন্যে manufacturing date, shipment date এবং expiry date থাকে


মানুষের তৈরী বেশির ভাগ পন্যে manufacturing date, shipment date এবং expiry date থাকে। কিন্তু আল্লাহর তৈরী মানুষ, প্রানী, গাছপালার date of birth & date of death কিছুই থাকে না। জন্মের পরে পাই date of birth আর মৃত্যুর পরে পাই date of death. তার মধ্যে জন্মটা আমরা পুরোপুরি শিওর হতে না পারলেও মোটামুটি একটা প্রাথমিক ধারনা পাই, যার কারনে আমরা আগে থেকে কিছুটা হলেও প্রিপারেশন নিতে পারি। আর মৃত্যুটার ব্যাপারে আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। নেহায়েত দুরারোগ্য ব্যাধি হলে আমরা হয়তো বলি লোকটি মনে হয় বেশিদিন বাঁচবে না। তাও সঠিক দিনক্ষণ আগে থেকে কেউ বলতে পারে না।
Chand Sultana,

এইসব লিখালিখি


স্কুলে আমি শিশু- শ্রেনীতে পড়ার সময় আমাদের শ্রেনীতে শিক্ষিকা ছিলেন মাকসুদা আপা( Rubayet Hasan এর মা)। তখন অ দিয়ে পড়তাম," অশথ গাছের তলে,খেলব দলে দলে", আ দিয়ে " আকাশ ভরা আলো, আমার লাগে ভাল"। ষ দিয়ে ছিল " ষাড়ে ষাড়ে লড়াই, দূরে সরে দাড়াই"। এখন মাকসুদা আপার ক্লাসে থাকলে হয়ত পড়াতেন, ষাড়ে,ষাড়ে লড়াই, দূরে থেকে তামাশা দেখে যাই"।কারন ইদানীং গ্রুপে সবাই যখন লিখা দেবার কাজে মন দিচ্ছেন, উতসাহ নিয়ে লিখতে চাইছেন, তখন কিছু বিষয় নিয়ে পোস্ট লিখার আগ্রহ টাকে নষ্ট করে দিচ্ছে,মন খারাপ করে দিচ্ছে,আগ্রহ টা হারিয়ে ফেলি।

সি,এস,এম কলোনির পেইজে যে ভাবে লেখার পরিমান বাড়ছে,তাও আবার এত বড় লেখা


সি,এস,এম কলোনির পেইজে যে ভাবে লেখার পরিমান বাড়ছে,তাও আবার এত বড় লেখা।তাতে আমি এতই অভিভূত যে ভাষায় প্রকাশ করতে পারবনা। সে সাথে আমি চিন্তিত এই ভেবে যে, সবাই এত লেখা কি ভাবে লেখার সময় পায়,আমার মাথায় আসে না।আমার মনে এত কথা ঘুরপাক খাচ্ছে,কিন্তু আমি লেখার সময় করে নিতে পারছি না। না লিখতে পারাতে কেমন যে লাগছে বুঝাতে পারব না। নেশায় আক্রান্ত মানুষ নেশা করতে না পারলে যেমন করে আমারও তেমন হচ্ছে। মনটা কয়,,,,,,?। যাওগ গা,,,সামনের দিকে আওগ,,গা। নিজে না পারার কারনে অন্যরা কি ভাবে পারে তা ভাবতে গিয়ে আমি চমকে গেলাম, কি সহযোগীতা,কি ত্যাগ এই সি এস এম এর জন্য। তাই আজ আমি তাদের কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। সবাই লেখক কে উৎসাহীত করে,কিন্তু এ লেখার পেছনে যাদের অবদান তাদের কথা কি আমরা কখনো ভেবেছি?। হা তাই আমি আজ ধন্যবাদ দিতে চাই আমাদের দেশের সে সকল ভাইদের যারা নিয়ম না মেনে আমাদের রাস্তা গুলোর যামজট তৈরিতে ভুমিকা রাখে।সে সাথে ট্রাফিক ভাইদের। যাদের কারনে আমাদের ৩০ মিনিটের পথ ২ ঘন্টায় শেষ হয়। আর আমাদের csm ভাই বোনরা ওই সুযোগে.....। যা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। অবশেষে যাদের ধন্যবাদ না দিয়ে থাকতে পারলাম না। ধন্যবাদ সকল CSM কলোনির ভাবিদের। সারাদিন বড় ভাইদের বিভিন্ন কাজে বাহিরে থাকা,রাতে বাসায় ফিরে সব বাদ দিয়ে csm পেইজ এ লেখতে বসা।এ যন্ত্রনাগুলো যদি ভাবিরা সহ্য না করতো,এ মিলন মেলা মনে হয় সম্ভব হতনা। ধন্যবাদ আবারও ভাবিদের, আপনাদের অনেক.........? এর কারনে আমাদের csm পেইজ সার্থক হয়েছে।

আমি ফেসবুক ইউজ শুরু করি ২০১২ সাল থেকে


আমি ফেসবুক ইউজ শুরু করি ২০১২ সাল থেকে, প্রথম দু বছর খালি ছবি পোস্ট ছাড়া আর তেমন কিছু এক্টভিটি ছিলোনা। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল শুরুর পর থেকে আমি কিছু কিছু পোস্ট দেয়া শুরু করি, প্রথম দিকে ইংরেজিতে লিখলেও পরে বাংলা ইন্সটল করে নেই। ২০১৫ সালের জুলাই আগস্ট থেকে কলোনি নিয়ে স্মৃতি চারন মুলক লেখা পোস্ট করতে থাকি, তার মধ্যে মিঠু ভাইয়ের কোকের কাহিনীতে এত বেশি কমেনটস হয় যে সেখান থেকেই আমরা একটি আলাদা পেজের প্রয়োজন অন্ুভব করি, তারপরের ইতিহাস তো সবার জানা।

রিপন ভাইয়ের পোষ্ট টা পড়ে আমার খুব মনটা খারাপ হয়ে গেল


রিপন ভাইয়ের পোষ্ট টা পড়ে আমার খুব মনটা খারাপ হয়ে গেল। খেলার মাঠে সবাই খেলোয়ার থাকে না দর্শক ও থাকে, তেমনি FBর, CSM colony পেজ এ আমি ও এক জন। ২৯ জানুয়ারি গ্রান্ড আড্ডা টি এত কম সময়ের মধ্যে এরকম একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা অনেক কঠিন ব্যাপার। যারা এর পেছনে থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করে অায়োজন টি সর্মপূন করেছেন, তারাই বলতে পারবেন তাদের উপর দিয়ে কি ধকল টা গিয়েছে।কাজ করতে গেলে ভুল ত্রুটি হবে, থাকবে। অাসুন সবাই মিলে এক সােথ ধন্যবাদ জানাই এমন একটি আয়োজনের জন্য।

কারন দর্শাও


কারন দর্শাও নোটিশের জবাবে যেন বেশী কারন দর্শাতে না হয় সে জন্য সকালে সবার আগে পটিয়া চলে আসলাম। আইসা দেখি কমিটির লোক দুই একজন ছাড়া কেউ নই। সবাই ঘুমাচ্ছে। চিটগাং শহর থেকেও আমার আগে কেউ আসে নাই। আমি সকালে তাড়াতাড়ি আসার কারন উপরের ক্ষেপে আছে রাতে আসি নাই বলে। তাছাড়া আরেকটি কারন হলো পটিয়া থেকে সন্ধ্যার আগেই চিটগাং চলে যেতে রাতে আরেকটা মেজবানের এটেন্ড করার জন্য। আগের মতো খেতে না পারলেও যেতে হয়। কেউ দাওয়াত দিলে আমি আবার না করতে পারি না।

Thursday, March 3, 2016

আমার এই লেখাটি কি পোষ্ট হিসাবে ধরা হবে?


আমাদের সিএসএম কলনির পরিসংখ্যানবিদ Al Amin Billah Shujon কতো কষ্ট করে আমাদের পোষ্টের পরিসংখ্যান দিচ্ছে। তাকে আমি ধন্যবাদ জানাই। ওর জন্য অনেকেই (আমার মতো) ইতি মধ্যে লেখা লেখি শুরু করে দিছে। রেজাল্ট শীটে যদি নাম না উঠে তাহলে মান থাকেনা। অনেক বলে তার জন্য লেখা। আবার অনেকে মনে করে এটা একটা প্রতিযোগিতা। আর আমার মতে প্রতিযোগিতা হলে ভাল। পেজ সচল থাকবে। তবে কারন যাই হোক আমি বলবো সুজনের পরিসংখ্যানে আমাদের পেইজে পোষ্টের পরিমান অনেক বেড়েছে। কিন্তু সমস্যা দেখা দিলো পরিসংখ্যান দেওয়ার পর। ধরা যাক সুজন পরিসংখ্যানে বললো অমুকের পোষ্ট ৩ টি। এখন সে যদি বলে আরো বেশি হতে পারে। তখন সুজন বলে পোষ্টটি ওকে ট্যাগ করার জন্য। এখানেই সমস্যা। আমার মতো যারা মোবাইলে বিশেষ ভাবে অজ্ঞ তারা পুরাতন পোষ্ট খুঁজে বের করতে পারে না। আবার পারলেও কি নামে পোষ্ট দিছে, কি বিষয়ে, কখন দিছে ইত্যাদি মনে না থাকার কারনে ওকে ট্যাগ করা হয়না। আর একটি বিষয়ে সুজনের কাছে জানতে চাই কি ধরনের পোষ্ট কাউন্ট করা হয় (অনুছড়া এবং ছবি বাদে)। যেমন : এক লাইনের পোষ্ট না দুই লাইনের নাকি দুইয়ের অধিক। এই বিষয়ে ক্লীয়ার করা হলে ভালো হয়। কারন অনেকেই আছে এই ধরনের পোষ্ট দেয়।
পুনশ্চ : আমার এই লেখাটি কি পোষ্ট হিসাবে ধরা হবে?

কারন আমি ষ্টীলার


আজ বৃহস্পতিবার ৩ মার্চ। উপরের মহল থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে আজকের রাতটা যেন বাবুর্চির সাথে খোলা আকাশে নীচে কাটাই। অর্থাৎ বাবুর্চি রান্না করবে আর আমাকে চেয়ার নিয়ে তাদের পাশে বসে থাকতে হবে। এটা কি গ্র্যান্ড আড্ডার রান্না? গ্র্যান্ড আড্ডার রান্নার আগের রাতে খোলা আকাশের থাকছি বলে কি আমাকে এখানেও থাকতে হবে? না সম্ভব না। তাই আমি উপরের নির্দেশ অমান্য করে বাসায় রাত্রি যাপন করতেছি। জানি এর জন্য আমাকে কারন দর্শাও নোটিশ দেওয়া হবে। আগামী কয়েকদিন ওএসডি করে রাখতে পারে। রাখুক সমস্যা নাই। আমি কি ভয় পাই? না আমি ভয় পাই না। কারন আমি ষ্টীলার।

সব ভুললে জীবনে দুসটামির জন্য খোরশেদ আলম (মানিক) ভাই এর মাইর যে পরিমান খাইছি, তা ভুলার না


সব ভুললে জীবনে দুসটামির জন্য খোরশেদ আলম (মানিক) ভাই এর মাইর যে পরিমান খাইছি, তা ভুলার না, যখন যখন ইরাক এ জব করছি, ১পাকিস্তানিরে মেরে, জেল এ গেছিলাম মাইর খাইনাই, দেশে আসার পর ১দিন মেডিকেল থেকে আসার সময় রাত আনুমানিক ০১:৩০ দিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়, মাইর খাই নাই, মনে হয় আমার ভাগ্য যে মাইর ছিল সব আমারে মানিক স্যার এ দিয়ে দিছে, তখন অনেক জীদ লাগলে ও এখন বুঝি, স্যার যা করতেন আমার ভালোর জন্যা করতেন, ১টা প্রশ্ন এখনো মনে মধ্যে ঘুরপাক খায়, মানিক স্যার আমারে ১দিন পানিতে অনেক চুবাইসে, কিনতু কেন চুবাইসে আজ ও বলতে পারিনা, নাকি অন্য কারো জীদ আমার উপর উরাইছে, সেটাই বুঝিনাই

"ইউনুসের দাড়ি"


আমাদের প্রিয় ইউনুস,, দাড়ি রাখা শুরু করেছে। থুতনি র গোড়ায় অল্প কিছু দাড়ি দেখতে ভালোই লাগে। রাতে ভাত খাওয়ার পর যখন সিগারেট খাওয়ার জন্য তার দোকানে যেতাম আমার নিয়মিত প্রথম কাজই ছিলো আমার হাত দিয়ে খুব ভক্তি সহকারে ইউনুসের দাড়িতে হাতের স্পর্শ করে সেই হাতে আবার চুমু খাওয়া, অনেকটা কদুমবুসি স্টাইলে। আমার এভাবে ভক্তি সহকারে তার দাড়িতে চুমু খাওয়াটা ইউনুস খুব উপভোগ করত। আর আমার কাছে বিষয়টি ছিলো মজা করার জন্য। 

তবে একবার আমার উপর খুব ক্ষেপে গিয়েছিল ইউনুস। একদিন আমি খুব হন্তদন্ত হয়ে সিরিয়াস ভংগিতে ইউনুস কে বললাম "ইউনুস তোর দাড়িতে কখনও টান টান লাগে" ইউনুসও সিরিয়াস ভংগি তে উত্তর দিলো "নাতো এরকম কখনো হয় নাই"। এর পর আমি বললাম "যদি টান লাগে তাহলে মনে করবি তোর দাড়ি তে শয়তানে ঝুলে ঝুলে দোল খাাইতেছে। এ কথা শুনে তার সুপারি কাটার চাকু নিয়ে আমাকে দৌড়ানি দিলো ধরতে না পেরে যত গালাগালি ছিলো সবই আমার উপর সে ঢাললো এবং অনেক দিন আমাকে বাকী দেওয়া বনধ করে দেয়।

মানুষ স্বপ্ন দেখে


মানুষ স্বপ্ন দেখে। কিন্ত পনের বছরে-কলোনী থেকে সবাই চলে আসার পর-29শে জানুয়ারী আবেগপূণ স্বপ্ন বিভোর যে অনুষ্ঠানটি হলো-তা 15 বছরে কেউ রাতে ঘুমে স্বপ্নেও এত সুন্দর অনুষ্ঠান কপ্লনা করেছে কিনা সন্দেহ। বিজ্ঞান বলে-প্রকৃতিতে 100% খাটি বিশুদ্ধ কোন পদার্থের কোন অস্থিত্ব নেই। তাকে কোন সংমিশ্রনের সাথে মিলে-তার অস্থিত্বকে প্রমাণ করতে হয়। স্বর্ণের সাথে খাত মিলেয়েই কিন্ত স্বর্ণকে শক্ত হতে হয়। তদ্রব- যে কোন উৎসবের কিছু নেগিটিভ সাইড থাকবে। আমার মনে হয়, সব চেয়ে নেগিটিভ সাইড হলো-29 তারিখের সারা দিনের কর্মসূচী- কোন সময় কোন আইটেমটা হবে। আমার ধারনা এটা না হওয়ার পিছনে কারণ হলো-ঐ প্রবাদের মত-‘‘ভিক্ষা চাইনা মা কুত্তা সামলাও” কারণ এত বড় অনুষ্ঠানের আর্থিক যোগানের চিন্তায় ছোট বড় সকলেই এত বেশী চাপে ছিল যে, সবার চিন্ত ধারনা ছিল-আগে আমের ব্যবস্থা করি। পরে ছালার চিন্তা করব।

২৯/২/১৬ আড্ডার একমাস পূর্তি নিয়ে অনেকের লিখা পোস্ট করেছে


২৯/২/১৬ আড্ডার একমাস পূর্তি নিয়ে অনেকের লিখা পোস্ট করেছে।আরো অনেকে লিখবে মনে মনে ভাবছি আর লিখা আজ পোস্ট আসবে।কিন্তু দুপুর ২ টা বাজে নিরু ভাই ফোন করল মামুন শুনেছিস,আমি বললাম কি ভাই,বন্যার (বন্যা বুবু) বাবা ইন্তেকাল করেছে।

একটা পোস্ট দিয়ে দিস।আমি নিরু ভাইয়ের কথা শুনে হতবাক,কারন আমি জানি চাচা ঢাকাতে চিকিৎসা করতে এসেছে,বুবুর সাথে।তারপর আমি নাহিদ আপুকে ফোন দিলাম,ফোন কে যেন ধরে বলল আপুর বাবা ১.৩০ দিকে মারা গিয়েছে। তারপর আমি একটি পোস্ট দিলাম।তার আগে আতিক ভাই ও পোস্ট করেছে।

যার চলে যায় সে বুঝে বিচ্ছেদে কি যন্ত্রণা।কারণ আমার বাবা মারা যায় ১৯৯৯ এ ২৫ শে জানুয়ারি আমার হাতের উপর।

আমাদের যাদের মা- বাবা এ দুনিয়া থেকে চলে গেছে আল্লাহ তাদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।সবাই আমাদের সকলের মা- বাবা যারা কবর বাসী সকলের জন্য দোয়া করবেন।
আর বুবু তার বাবার জন্য আগামীকাল দোয়ার আয়োজন করেছে,যারা পারেন যাবেন,গেলে বুবুর ভাল লাগবে।আমি কাছে থাকলে অবশ্যাই যেতাম।

পরিসংখ্যানঃ জানুয়ারী ২০১৬ (০১ জানুয়ারী ২০১৬ টু ৩১ জানুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)


রেজা ভাই আমাকে বলেছিল ২০১৬ তে আলাদা করে পরিসংখ্যান করতে, কারণ অনেকেই অনেকপর থেকে লিখা শুরু করেছে তাই আমি এইবার জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী এবং গ্র্যান্ড টোটাল আলাদা আলাদা ভাবে পরিসংখ্যান করেছি যেন নতুন লেখকরা উৎসাহিত হয়।

যদি আমি ফেব্রুয়ারীর সাথে জানুয়ারীর তুলনা করি তাহলে আমার কাছে জানুয়ারীর ফলাফলটা তেমন আশানুরূপ হয়নাই। জানুয়ারী মাসে লেখকের সংখ্যা এবং লিখার সংখ্যা দুইটাই কিছুটা কম ছিল তাই লড়াইটা তেমন জমে উঠে নাই। সবাই মনে হয় গ্র্যান্ড আড্ডার প্রস্তুতি, কেনাকাটা এবং গ্র্যান্ড আড্ডা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত ছিল তাই লিখার সময় পায় নাই। আমি নিজেও জানুয়ারীতে ফেল মারছি। জানুয়ারীতে আমার বেশকিছু পোস্ট ছিল কিন্তু পরিসংখ্যান এ কাউন্ট করার মত একটা পোস্টও নাই, তাই জানুয়ারীতে আমিও স্টার মার্কসহ ফেল ।

অবশ্য ফেব্রুয়ারীতে আমরা এর সম্পূর্ণ একটা উল্টা চিত্র দেখতে পাব কারণ ফেব্রুয়ারীতে লিখার সংখ্যা এবং লেখকের সংখ্যা ছিল অকল্পনীয় যা আমাকে এবং আশা করি আমাদের সবাইকে খুব অবাক করবে। তাই লড়াইটা খুব জমে উঠেছিল। আর বেশি কিছু না বলি বাকিটা আমরা ফেব্রুয়ারীর পরিসংখ্যানে দেখব।

যাইহোক এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।

অভিনন্দন বাংলাদেশ, তোমাকে অভিনন্দন


অভিনন্দন বাংলাদেশ, তোমাকে অভিনন্দন। প্রতিদিন সকালে খবরের কাগজ টা খুললেই গা শিউরে উঠা খারাপ সংবাদ। তার মাঝে বাংলাদেশের ক্রিকেট বিজয় সংবাদ কিছুটা হলেও স্বস্তি দেয়।

মনে পড়ে যায় আইসিসি ক্রিকেট ১৯৯৭ এর কথা, তখন মিডিয়ার এতো ছড়াছড়ি ছিলোনা, মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত খেলার ধারা বিবরণী শোনার জন্য সবার কানে এক ব্যান্ডের রেডিও লাগিয়ে চলাফেরা। সে এক দেখার মত দৃশ্য। শ্বাষরুদ্ধকর ফাইনালে কেনিয়া কে হারানোর পর বাজারের বেলাল ভাইয়ের জাতীয় পতাকা হাতে পাগলের মত উল্লাস যেন পুরো বাংলাদেশের উল্লাস চিত্র কে তুলে ধরেছিলো।

এর পর বহুবার বাংলাদেশের বিজয় নিয়ে গর্বিত হয়েছি, আনন্দে আন্দোলিত হয়েছি কিন্তু বাঁধভাঙ্গা উল্লাসে ভেসে যেতে পারিনি। আসলে ভাসার আর জায়গা ছিলোনা। উল্লাসে ভাসার শ্রেষ্ঠ স্থান তো ছিলো আমার কলোনি, কিন্ত তত দিনে সেটা তো আর নেই।

আমার উল্লাসে ভাসার জায়গার দরকার নেই, এভাবে জিতে জিতে বাংলাদেশ আমাদের মনের আনন্দে ভাসিয়ে নিক।
তোমাকে আবারও অভিনন্দন বাংলাদেশ।

Wednesday, March 2, 2016

হাই রে মানুষ রঙিন ফানুস, দম পুরাইলে ঢুস তবু কেন হয়না মানুষের একটু খানি হুশ


হা সবাই কি ভাভবে আমি জানিনা কিন্তু আমার বলা উচিত বা সবাইকে জানানো উচিত, হা আমি ও স্বার্থপর কিন্তু তারো মাত্রা আছে, কিন্তু সব মানুষ স্বার্থপর হবে কিন্তু এতোটা স্বার্থপর হয়া ভাল না, আমি বুজতে পারি না কেন মানুষ এমন হয়,
হাই রে মানুষ রঙিন ফানুস, দম পুরাইলে ঢুস তবু কেন হয়না মানুষের একটু খানি হুশ

অতি স্বার্থপর কিছু মানুষ আছে । যাদের মুখে মধু, অন্তরে বিষ । যারা আপনার সামনে আপনার অন্ধ ভক্ত, পেছনে আপনার নামে কুৎসা রটাবে । আর যদি কোনো ভুলে আপনার কোনো দুর্বল জায়গা খুঁজে পায়, তাহলে সেখানে আঘাত করবে । তারপর বলবে- ভাই আমিতো কিছু করিনি । আবার যার কাছে একটু আগে কুৎসা রটিয়েছে- তাকে বলবে, তোমার ভালোর জন্যে বললাম, তুমি ওর কাছে বলে দিলে ? মূলত এরা অন্যের উপর ভর করে চলে । এরা ব্যক্তিত্বহীন, সুযোগ সন্ধানী ও সুবিধাবাদি । কিছু মানুষ এদের ফাঁদে পড়ে । এরা স্বার্থের জন্যে অনেক নীচে নামতে পারে । এদের আচরন সময়ে সময়ে বদলায় । এদের ভবিষ্যত মুলত অন্ধকার । কিন্তু সে যে নির্বোধ তা সে কি করে বুঝবে?

নানাভাই চলে গেলেন না ফেরার দেশে


নানাভাই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।হতবাক হয়ে বসে আছি।এটা কীভাবে সম্ভব??২৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় নানাভাইকে নাস্তা দিলাম।খুব পছন্দ করেছেন সেদিনের নাস্তাটা।পাউরুটি, মাখন,জেলী,নোসিলা আর সাথে চা।নাস্তা খেয়ে নানাভাই ঔষধ খেলেন।খেয়ে এরপর ১০:৩০ টার দিকে আমাকে ডেকে বললেন যেন দুপুরবেলা ১টায় ডেকে দেই।ঘুম থেকে উঠে গোসল করে নামাজ পড়বেন।জলজ্যান্ত মানুষ ঘুমাতে গেলেন।দুপুরবেলা ১টায় নানাভাইকে দুইবার ডাক দিলাম,উঠলেননা।আমি পড়ার টেবিলটা গুছাচ্ছিলাম।

তখন দুষ্টামি করে বললাম, "তুমি প্রতিদিন সকালে একবার ডাক দিলেই আমি উঠে যাই,তুমি তো উঠলানা" বলে মশারী তুলে নানাভাইয়ের গায়ে হাত রাখলাম।ঠান্ডা বরফের মত হাত।বাসায় লিমন মামা,চিৎকার করে মামাকে ডাকলাম। মামা এসেও নানাভাইকে উঠাতে পারলোনা।মানুষটা ঘুমের মাঝেই কাউকে না জানিয়ে চলে গেলেন।মৃত্যুভীতি ছিল নানাভাইয়ের মাঝে অনেক।সারাজীবন আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে দোয়া করেছেন যেন আল্লাহ্‌ তাকে ঘুমের মাঝে নেন।আল্লাহ্‌ উনার কথা রেখেছেন।যেই মানুষটার হাত ধরে হাটতে শেখা,লেখাপড়া শেখা,জীবনের পথে চলতে চলতে শেখা- সেই মানুষটা আজ আর নেই।

পেজ স্বাধীন তাই, কেউ যখন ইচ্ছা বের হয়ে যাচ্ছে, মান- অভিমান করে


পেজ স্বাধীন তাই, কেউ যখন ইচ্ছা বের হয়ে যাচ্ছে, মান- অভিমান করে।একটা কথা সবার জন্য বলছি,কলোনীতে থাকতে ছোট- খাট মান- অভিমান হয়েছে,রাগারাগি হয়েছে।আবার এক ভাই আর এক ভাইয়ের বিপদে এগিয়ে এসেছে।তাই সিএসএম এর সবার উদ্দেশ্য এই পেজ এ আমরা এমন কিছু করব না,যা আর এক ভাই- বোন কষ্ট পায়।পেজের মাধ্যমে আমাদের আবার সবার পূনরায় যে বন্ধনন সৃষ্টি হয়েছে,তা যেন আমরা ধূলিসাৎ করে না দেই। আমি যদি কোন ভূল করি আমার ভূল গুলো বলে শূধরানোর সুযোগ দিতহবেে।আর একটা কথা মনে রাখতে হবে আমরা - আমরাইতো

আমাদের মত ছা পোষা মানুষের জীবনে প্রতিদিন যুদ্ব করতে হয় বেঁচে থাকার জন্য


আমাদের মত ছা পোষা মানুষের জীবনে প্রতিদিন যুদ্ব করতে হয় বেঁচে থাকার জন্য। চেষ্টা করি সি এস এম পেইজটাতে নিয়মিত লাইক কমেন্টের মাধ্যমে সচল থাকতে।লেখা সেটা হয়ে উঠে না।আমারই হীনমনতা হবে হয়তো? কিছু লিখতে গেলে ভাবী কে কি মনে করবে? কে কিভাবে নেবে? আগ পিছ ভাবতে ভাবতে লেখাই হয়ে উঠে না। তারপরও বন্ধুদের একটা গল্প আজ শেয়ার করতে মন চাইল তাই লিখতে শুরু করলাম।বন্ধুরা সবাই মিলে আড্ডা দিতাম বড় মাঠে।সন্ধ্যার পর থেকে একে একে জমা হয়ে এক সময় ভরপুর একটা আড্ডা শুরু হতো।এমনি এক সন্ধ্যায় বন্ধু নুরু (নুরুর রহমান বাবুল) এসে একান্তে ডেকে নিয়ে গেল।

খুব গুরুত্বপূর্ন বা একান্ত ব্যক্তিগত না হলে এভাবে আড্ডার মাঝ থেকে উঠার বিধান ছিল না। তারপর দুজন হাটতে হাটতে আনসার ব্যারাকের রোডে চলে গেলাম আর নুরুর ব্যক্তিগত কথাটা মনোযোগ দিয়ে শুনলাম।কথাটা শেষ করেই নুরু বারবার অনুরোধ করল এ ঘটনাটি যেন কারো সাথে শেয়ার না করি।যথারীতি আমিও কথা দিলাম এবং কথাও রেখেছিলাম।কিন্তু কিছুদিন পর নুরু সাথে কোন এক বন্ধুর কথাকাটাকাটির এক পর্যায়র বন্ধুটি নুরুকে হুমকি দিতে শুরু করলো,দেখ খুব বেশী বাড়াবাড়ি করলে ঘটনাটি ফাঁস করে দিব।আমরা সবাই উত্তেজিত নুরুর এমন কি ঘটনা যা আমরা জানি না? সবাই বন্ধুটিকে উৎসাহিত করতে লাগলাম ঘটনা ফাঁস করার জন্য আর নুরু বারবার নিষেধ করছিল।আমাদের ছাপাছাপিতে এক সময় বন্ধুটি ঘটনার বর্ননা দিল।শুনে তো আমি হতাশ বললাম এটা আমি আগে থেকেই জানি।অন্য বন্ধুরাদেরও একই কথা -" এটা আমি আগে থেকেই জানি"। 

Chand Sultana বন্যা আপুর জন্য


Chand Sultana বন্যা আপুর জন্য, আপা আপনাকে শানতনা দেয়ার ভাষা আমার যানা নাই, তারপর ও বলছি, আপা আললাহের অশেষ রহমতে আপনার বাবা তো ওনার নাতীনাতকুর সবার চেহরা, দেখে গেছে, আমার যখন SSC বছর তখন বাবা মারা যায়, বড় ভাইয়া ছিল বিদেশ, but কোনো যোগাযোগ ছিল না, বাসায় মা আমি, আমার বড় ও ছোট বোন, ২ বোন, আর বললাম না, ওই অবস্থা থেকে ও এখনো বেচে আছি, আললাহের কাছে নামাজ আদায় করে বাবার জন্য দোয়া করেন, আললাহ আপনার বাবাকে জাননাত নসিব করুক, আমিন

চুরি

- Anisur Rahman Reza

চুরি

সারাফ নাওয়ার

ওখানে কে?
আমি মসাই।
কী করেন?
চুরি করি।
কী চুরি?
সোনা চুরি।
কী সোনা?
খাটি সোনা।
আসছি আমি।
কেন ভাই?
ধরতে তোকে,
পালাই পালাই।

আজ আমার বেটির জন্মদিন। এই দিনটি আমাদের সব চেয়ে আনন্দের দিন। বিশাল আবদার করেছে আমার বেটি, বাবা একটা কবিতা লিখেছি, তোমার ফেইস বুকে দেওনা!! প্লিজ বাবা/প্লিজ বাবা।
দিয়ে দিলাম ফেইস বুকে।

শুভ জন্মদিন আমার সারাফ সোনা।

এই লেখাটা CSM তৃতীয় প্রজন্মের বাচ্চাদের জন্য, যাদের কলোনি দেখার সৌভাগ্য হয়নি


আকাশের রঙ কালো হয়ে আসছে। মেঘ গুরগুর করছে থেমে থেমে। কাকগুলো সব মেঘের সাড়া পেয়ে বিল্ডিঙের কার্নিশে কার্নিশে আশ্রয় নিয়েছে। আর ঝোপঝাড় থেকে বেরিয়ে এসেছে শত শত ময়ূর। এখনো পেখম মেলেনি। লম্বা লেজটা রাস্তায় গড়াচ্ছে। আবার মেঘ ডাকলো। একে একে পেখম মেলতে শুরু করলো ময়ূরের ঝাঁক। মুহুর্তেই রঙ্গিন হয়ে গেলো বাজার গেট, টাঙ্কির তলা, পুকুর পাড়, স্কুল মাঠ। মেঘের ফাক দিয়ে চুরি করে ঢুকে পড়া সূর্যের আলো ময়ূরের পেখমে পিছলে গিয়ে রঙ ছড়িয়ে দিলো সারা কলোনিতে। সেই রঙ মাতালের মতো দুলতে দুলতে আকাশে উঠে গিয়ে হয়ে গেলো রংধনু। বাসাবাড়ি থেকে একজন দুজন করে বের হয়ে আসতে লাগলো বাচ্চা ছেলের দল। ময়ূরের পেখম দুলানো নাচের সাথে নাচতে লাগলো তারাও।