Wednesday, March 9, 2016

নির্বোধ এক মানুষ আমি


নির্বোধ এক মানুষ আমি।।নিজের অবস্থানটা সব সময় ভূলে যাই বা গিয়েছিলাম।।কোথায় ছিলাম এবং কোথায় আছি দুটোই আমি ভূলে গিয়েছিলাম।।অনেকটা ""অল্প পানির মাছের মতো।।বেশি পানিতে পড়ে ছটফট করতে ছিলাম""হঠাৎ কয়েক জন পথ আগলে ধরলো।।বলে বসলো কি করছিস তুই।।তুই কি তোর অতীত ভূলে গিয়েছিস।।ছিলি একা।।ছন্ন ছাড়া।।আর এখন সংগী পেয়ে নিজের অতীত ভূলে গেলি।।যারা তোকে আশ্রয় দিয়ে বুকে টেনে নিয়েছে তাদেরই অপমান করছিস।।থমকে দাড়ালাম।।চিন্তা করলাম আমার দ্বারা পরিবার ধংস হচ্ছে নাতো।।বুঝতে পারলাম হচ্ছে।।তাই আজ নিজেকে সুধরে নিলাম।।আবার অতীত জীবনটাকে আকরে ধরলাম এবং সামনে চলতে শুরু করলাম।।

পেজের শুরু থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত যাদের যাদের মনে কষ্ট দিয়েছি বা কষ্টের কারন ছিলাম তাঁদের সকলের কাছে সজোড়ে ক্ষমা চাচ্ছি।।

একটা ভাল উদ্যোগ - তারপর ভাঙ্গনের সুর আর কিছু প্রশ্ন


ছোট বেলায় পরীক্ষায় ভাব সম্প্রসারণ আসতো "স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন" এইটা আধা মুখস্ত, কিছু ঠোটস্থ আর বাকীটা টেনেটুনে, সাজিয়ে গুছিয়ে বিশাল বড় করে ভাবের সম্প্রসারণ করে ফেলতাম ঠিক আমাদের বিশাল বড় গ্রান্ড আড্ডার মতো। আসলে কি তাই?

যেকারনেই হোক আর যেভাবেই হোক, আর যারাই এই পেজটা ক্রিয়েট করেছে আর শুরু থেকে আজ এই মুহুর্ত পর্যন্ত যত মেম্বার আছে এই পেজে, আর যারাই রেগুলার এক্টিভ আর ইনএক্টিভ সবার কাছেই আমরা সবাই কৃতজ্ঞ। কারন এই পেজের কারনেই কিছু ভাল কাজের পাশাপাশি ২৯ জানুয়ারীতে একটা বিশাল আড্ডার আয়োজন করতে পেরেছিলাম। এই পেজের কারনেই আমরা সবাই আজ একসূত্রে গাঁথা। আড্ডাটা যত বড় বিশাল ছিল-যত মানুষের সমাগম হয়েছিল, প্রত্যেকেই যে পরিমান আনন্দ, হৈ-হুল্লোর মজা করেছি সারা জীবনেও হয়তো এমন আরেকটা আমরা কেউ পাব না। আড্ডাটা ছিল আমাদের অহংকার, আমাদের গর্ব, আমাদের অর্জন, আমাদের প্রায় ২৩/২৪ বছর আগে ফিরে যাওয়া। সবাইকে দেখতে পাওয়ার অকৃত্তিম আনন্দ।

তোমরা যদি pain না খাও, আরেক্তা মজার কাহিনি লিখতে চাই, বাবাকে নিয়ে


সবেমাত্র ইশকুল শেষ করে কলেজে ভর্তি হইছি। প্রথম যেদিন কলেজ যাব, আগের দিন রাতে বাবা একটা ৫০০ টাকার নোট দিয়ে বলল, "এটা মানিব্যাগের এক কোনায় এমনভাবে রাখবি যাতে চোখে না পড়ে, চোখে পড়লে খরচ হয়ে যাবে। এই টাকাটা শুধু মাত্র বিপদের সঙ্গী, যখন কোন বিপদে পড়বি তখনি শুধু টাকাটা ব্যাবহার করবি" আবার বাবা আরেকটা কথাও সবসময় বলতো আর বিশ্বাস করত, "রু মানে পরান যখন যেটা চাইবে পরানকে সেটা দিয়ে দিবি, নতুবা পরানের আফসোস থেকে যাবে, কারন মানুশের মরা-বাচার কোন বিশ্বাস নাই, আত্মা যেন অতৃপ্তি নিয়ে না মরে।"

তো পরতাম, সিটি কলেজে, দুপর বেলা কলেজ বাস আসতো দেড়টায় ঠিক মার্কেটের মোড়ে। ওখানটায় একটা নার্সারি ছিল যেখানে বসে আমরা গাড়ির অপেক্ষা করতাম, সবারি হয়তো মনে পরবে পাশেই ছিল হোটেল জামান, ঠিক দুপুরে যখন খিদায় পেট কি খাব? কি খাব? করতো, ওই সময় পাশের ওই বিরিয়ানির ঘ্রান কেমন লাগতো এটা বোধয় কমবেশি সবাই জানি।

গাহি সাম্যের গান


অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম পেইজে কিছু লিখবো। অফিসের কাজের চাপে দিনরাত বেসামাল থাকায় পেইজে খুব একটা রেগুলার হতে পারছিলাম না বেশ কিছুদিন ধরেই। ছোটখাটো কিছু কমেন্টস আর লাইক দিয়ে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছিলাম। পরিসংখ্যানবিদ সুজনের মাসিক রিপোর্টের পর নিজেকে ফাঁকিবাজ ছাত্র মনে হচ্ছিলো।:p গতকাল থেকে কিছুটা অসুস্থ থাকায় আজ মেডিক্যাল লিভ নিয়ে রেস্ট করছি।তাই ভেবেছিলাম, আজ কিছু লিখবো।কিন্তু,পেইজে ঢুকেই দেখি সিরিয়ার যুদ্ধ(মইয়ু ভাইয়ের ভাষায়)চলছে CSM পেইজে। তাই তথাকথিত যুদ্ধ নিয়েই লিখছি।

পেইজে কিছু কিছু কমেন্টস পড়ে কয়েকটা প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন নির্বোধ আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রশ্নগুলো হলঃ

১। ব্লগ এবং ব্লগার কি?
২। CSM Colony গ্রুপটি কি একটি ফেসবুকভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্লগ; নাকি আত্মার মিলনস্থান?
৩। যারা CSM Colony গ্রুপে বিভিন্ন পোস্ট দেন, তারা কি ব্লগার?

আমার বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে খুব ইচ্ছে করছে আজ


আমার বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে খুব ইচ্ছে করছে আজ। যারা দেখেছেন সবাই জানেন কি পরিমান friendly ছিলেন উনি, কোনদিন শাসন করেন নাই, শুধু ভাল আর মন্দটা বোঝাতে চেয়েছেন। সাথে সাথে লিখিয়েছেন কোনটা গ্রহন আর কোনটা বর্জন করতে হবে আর কেন। কিশোর বয়সে যখন অন্য অভিবাবকরা ছেলেদের খারাপ সঙ্গ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিতো, সেখানে বাবা আমাকে বলতো, খারাপের সাথেও মিশতে নাহলে বুজব কিভাবে কোনটা খারাপ, কেন খারাপ ইত্যাদি। আমার আরও মনে আছে অন্য বাবারা যখন ছেলেদের লাঠিম, মার্বেল কিংবা ঘুড়ি না উড়ানোর জন্য শাসন করত, বাবা আমার জন্য বক্সশির হাট থেকে uncommon সব colorful লাঠিম, কয়েক পাঙ্খি ঘুড়ি নিয়ে আসতো, তারপর উনি নিজেই ওগুলো উড়ানোর যাবতীয় বন্দোবস্ত করে দিতো, শুধু তাই নয়, রোদে ঘুড়ি উরালে গায়ের রঙ কালো হয়ে যাবে বলে বাবা আমাকে system করে দিতো কিভাবে ঘরে বসে ঘুড়ি উড়ানো যায়। কারন বাশা ছিল মাথের পাশেই। এমন কন আবদার নাই যেটা আমার বাবা পূরণ করে নাই।

ভাই ও বোনেরা শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কাইকে আঘাত করার জন্য বলছি না


ভাই ও বোনেরা শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কাইকে আঘাত করার জন্য বলছি না।

আমরা সবাই প্রতিটি ক্ষেত্রে বলছি আমরা সি.এস.এম এর পরিবার্। এ কেমন পরিবার? আমরাতো সবাই মিলেমিশে থাকতে চাই। পরিবারের ভিতরে যে হিংসা বিদ্দেশ শুরু হয়ে গেছে তার সমাধান দিবে কে? এই সমাধান আমাদের নিজেদের মাঝেই।

অবশ্যই আমাদের নিজেদের মন-মানষিকতাকে আরো উন্নত করা উচিত । ছোট বেলায় দেখতাম আমরা কারো সাথে ছোট খাটো বিষয় নিয়ে হিংসা, অহংকারের কমতি ছিল না। এখন তো আমরা সবাই বড় হয়ে গেছি, একটু কি পারি না বড় মনের অধিকারী হতে। 

তাহলে বোঝা যাচ্ছে আমরা যতই নিজেদেরকে কাপড় চোপড়ে পরিপাটি করলেও মনকে পরিপাটি করতে পারি নাই।
এত সুন্দর একটা গ্রুপ তা আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে। আমরা তো ভালই ছিলাম।

বিনীত অনুরোধ


সর্বজন শ্রদ্ধেয়,
রেজা ভাই/নিরু মামা/ নাজমুল ভাই/মানিক ভাই/আতিক ভাই- গত দুদিন ধরে এই পেজে যা হচ্চে তাতে আমরা সাধারণ সদস্যরা(যারা আড্ডায় সক্রিয় ছিল না)যথেষ্ট বিব্রত।ঘটনার আদোপান্ত আমরা জানি না আর জানতে ও চাই না।আমরা csm এর সাধারণ সদস্যরা চাই,২৯ শে জানুয়ারী আমাদের মাঝে প্রতিবছর ফিরে আসুক।আপনারা এই পেজের কান্ডারী,আপনাদের সুচিন্তিত নির্দেশনায় আমাদের চলার পথের পাথেয়।আমরা csm কলেনীর বাসিন্দাদের একই ফ্যমেলীর মেম্বার হিসাবেই চিন্তা করতে চাই।এর জন্য প্রয়োজনীয় যা যা করার দরকার এই csm কলোনীর কান্ডারী হিসাবে,মোরব্বী হিসাবে আশা করি আপনারা করবেন।দু'একজনের জন্য এ মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যেতে পারে না।আশা করি শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ভাইয়েরা বিষয়টি ভেবে দেখবেন।

কি হচেছ আজ কয়েকদিন এই পেইজে


কি হচেছ আজ কয়েকদিন এই পেইজে নতুন করে কেউ যদি জয়েন করে পেইজে তাহলে সে মনে করবে সিরিয়া বা ইরাকে ডুকছে, তাড়াতাড়ি পালাইতে চাইবে,কলোনীতে আবাহনী মোহামেডান খেলা হলে যে উত্তেজনা হতো,নবীন সংঘ এপ্রিল29 খেলা হলে যে উত্তজনা হতো সে উত্তেজনা বিরাজ করছে, টান টান উত্তেজনা সাময়িক কয়েক দিন থাকবে কলোনীতে,আবাহনী মোহামেডান খেলার সময় একদিন প্রাণের দোস্তের হাতে মাইরও খইছি,দুএকদিন দুই দোস্তের কোন মুখদেখা দেখি নেই, কলোনীতে বাস করে কারোমুখ কেহ না দেখে থাকা যায়না,তিনদিনের দিন দোস্ত নিজে এসে বাসা থেকে ডেকে নিল,এটা C S M কলোনী কলোনীতে বাস করে সবাই সব বিবেদ ভুলে একসাথে কাধে কাধ মিলিয়ে চলাফেরা করছি, এই পেজটা ও একটা কলোনী তাই আর কি বলবো আমরা আমরাই তো(((রাতে ঘুমানোর সময় মনে করছিলাম কাঁকড়া নিয়ে একটা গল্প বলবো কিন্তু সকালে পেজ খুলে আমার দোস্তের মেজাঝ দেইক্কা গল্পের প্লট ই গিলিয়া পেলছি)))

মেয়ের খুব শখ হইলো তার বান্ধবী কে আমাদের বিয়ের ভিডিও দেখাবে


মেয়ের খুব শখ হইলো তার বান্ধবী কে আমাদের বিয়ের ভিডিও দেখাবে।পাশের বাসা থেকে মেয়ের বান্ধবীকে ডেকে নিয়ে আসা হলো,বিয়ের ভিডিও চালু করে দিয়ে পাশের রুমে গেলাম।তারা দুইজন মিলে ভিডিও দেখতে থাকলো, হঠাৎ মেয়ের সেই কান্না ...তরিৎ গতিতে দৌড়ে মেয়ের কাছে গেলাম।গিয়ে যা শুনলাম......
...
...
...
মেয়ের বান্ধবীঃ আঙ্কেল আমি শুধু মানহা কে জিজ্ঞাসা করেছি "ভিডিও তে তুমি নাই কেনো!? বিয়েতে তোমাকে নিয়ে যায়নাই!!? অমনি সে কান্না করে দিলো।।
মেয়েঃ আমাকে তোমরা নিয়ে যাওনি কেনো!!?
আমিঃ উপায়ন্তুর না পেয়ে বলে বুঝালাম যে,সেইদিন সন্ধ্যার পরেই তুমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলে,তাই তোমাকে স্টেজের পিছনে একটা খাট ছিলো,ঐটাতে তুমি ঘুমাচ্ছিলে।
পরে মনে মনে চিন্তা করে বের করলাম এই যে, বান্ধবীর কাছে এই রকম প্রশ্ন শুনে মেয়ের নিশ্চই খুব অপমান লেগেছে তাই সাথে সাথে তার বিশাল কান্না,আজকাল বাচ্চাদেরও অনেক অপমানবোধ,খেয়াল রাখবেন সবাই।
(আপনাদের এমন অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করুন)

পেজ জমেনা এই কথাটি বললে, এখানে যারা নিয়মিত লিখে বা আমারা যারা লেখাগুলি পড়ি, লাইক বা কমেন্ট করি, তাদের অপমান করা হবে


রাসেলের লেখা post গুলি মজার ছিলো। post গুলি ছিলো ভিন্ন সাধের। সবাই মিলে ভালো আড্ডা চলতো। নমিও csm টিভি চ্যানেল খুলে, আমাদের প্রচুর আনন্দ দিয়েছে। মইন খান সুন্দর সুন্দর গল্প কবিতা লিখে এই পেজটি জমিয়ে রেখেছিলো। এখন এই তিনজনের একজনও এই পেজে নাই। 

আমাদের এডমিনরা কি তাদের বের করে দিয়েছে!!?? তাহলে কেন চলে গেলো?? তার কোনো ব্যাখ্যাও দিয়ে যায়নি!! মইন খানের টা আমি জানি। কিন্তু সে আমার কথা না সুনেই চলে গেছে। আমার বিরুদ্ধে মইন খানের অভিযোগ আছে, সে, তার অভিযোগ টি এই পেজে post করেছে। 

রাসেল আর নমির ব্যাপারটা আমি বলতে পারবোনা।

Tuesday, March 8, 2016

নোয়াখাইল্লা ভাষা আর সুইডিশ ভাষার অনেক মিল আছে


নোয়াখাইল্লা ভাষা আর সুইডিশ ভাষার অনেক মিল আছে। মিল দেখে মনে হয় যেন, আমার আগেই কোন এক নোয়াখাইল্লা সুইডেনে এসে এদের ভাষা শিখিয়ে গিয়েছে। কোন নোয়াখাইল্লা যদি সুইডিশদের কে ভাষা না শেখাতো তাহলে সুইডিশ জাতি, না জানি কত দিন বোবা থেকে যেত। আমি প্রমাণ দিচ্ছি, বিশ্বাস না হলে গুগল ট্রান্সলেটে উচ্চারণ দেখে নিতে পারেন।
যেমন
কোর্তা (skjorta)-শার্ট
খলিয়া (skölja)- তরল পদার্থ যেমন পানি বা রাসায়নিকে কিছু ধোয়া
নাম - (namn) - নাম
মোচ (mustasch) গোঁফ
যাই হোক কালের বিবর্তনে সুইডিশ জাতি তাদের অতীতের ভাষার ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে। তার পরও প্রাচীন ভাষার রেশ এখনো তাদের ভাষায় পাওয়া যায়।
আঁই কি বইলতে চাই আন্নেরা ব্যাকে বুইজ্জেননি(förstår ni)?

৮ মার্চ নারী দিবস তার মানে নারী দি boss


৮ মার্চ নারী দিবস তার মানে নারী দি boss. আর বছরের ৩৬৪ দিন কি নারীদের পাওয়ার থাকে না? আমারতো মনে হয় ৩৬৫ দিন অর্থাৎ ৮৭৬০ ঘন্টায় পাওয়ার থাকে। অফিস থেকে একটু দেরি করলে ফিরলে ফোন। কোথায় গেছি? দেরি হচ্ছে কেন? ফোন বিজি পেলে বা রিসিভ করতে দেরি হলে বা রিসিভ করেত না পারলে কত কৈফিয়ত। বিশেষ কোন দাওয়াতে গেলে ড্রেস পর্যন্ত ঠিক করে দেয়। মাঝেমাঝে খারাপ লাগে না। ভালোই লাগে।

একটা মাদ্রাসার প্রাতিষ্ঠানিক ভদ্রতা


গত মাসে আমার মেঝ ফুফা মারা যায়। আমি আর আমার বাবা হাজির হলাম ফুফুর শশুর বাড়ী জানাজায় শরীক হবো বলে। যাওয়ার পর জানলাম পাশের একটা মাদ্রাসায় ওনাকে নেয়া হয়েছে আর সেখানেই জানাজা হবে। আমরাও রওয়ানা দিলাম। মন খারাপের মাঝেও প্রাকৃতিক পরিবেশের ছোয়ায় মনটা হালকা হতে লাগলো। কিছু বড় বড় হুজুর আর কিছু পিচ্চি পিচ্চি হুজুরের দেখা পেতে লাগলাম, কি বলবো! ভাবলাম আমি আগে সলাম দিয়ে তাদের অবাক করে দিবো কিন্তু আমাকেই অবাক করে একের পর এক সালাম, আর পিচ্চিরা তো এক ধাপ উপরে। মাদ্রাসা গেইট দিয়ে ডুকলাম, যার সাথেই দেখা হচ্ছে তিনি সালাম দিচ্ছেন আর হাত মিলাচ্ছেন ও কোলাকুলি করছেন। এক হুজুরকে বললাম আমি একটু ওয়াশরুমে যাবো, প্রথমে আমর কথাটা মনে হয় বুঝতে পারেননি, কিন্তু যখনই বঝলেন সাথে সাথে একজন ছাত্রকে ডেকে বললেন হুজুরকে হাম্মাম দেখায় দাও। 

সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ


সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
কেমন আছিস তুই?
তোর কথা ভাইবা জাগি
তোরে ভাইবা শুই।

সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
তোর শরীরডা কি ভাল?
তোর এত সুন্দর চেহারাটা আমরা 
ঝগড়া করিয়া বানাইলম কালো।

সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
তোর অভিমানি ভাইদের কি হইল?
তোর পেইজে আসিয়া বলতে বল,
কেন তারা চলিয়া গেলো-------?

এটাই সত্যি এটাই রিয়েলিটি


এটাই সত্যি এটাই রিয়েলিটি। "এটা এলিট ক্লাসের পেজ"" জাবেদের এই লাইনটাই সবকিছুর সমাধান। একজন বা দুজন না থাকলে কখনও আমাদের এই পথচলা থামবেনা। যে যেখানে মজা পায় সেখানে চলে যাক আমরা থোরাই কেয়ার করি। বরং তারাই এক্টা সময় আফসোস করে মরবে।

গল্পটা সবাই হয়তো জানেন। তাও বলছি।

একবার সন্তান রাগ করে খাচ্ছে না । তো মা অনেক সাধাসাধি করছেন। মার মন বলে কথা। অনেক বারই সেধেছেন মা। কিন্তু সন্তান খাবে না বলে মায়ের এই সাধাসাধিটা খুবি এঞ্জয় করছে। তারপর মা-ও অনেক ডাকাডাকির পর হাল ছেড়ে ডাকাই বন্ধ করে দিল।

সন্তান যখন দেখছে মা আর ডাকছে না তখন একটা প্লাকার্ডে "আরেকবার সাধিলেই খাইবো" এই বাক্যটি লিখে পাশে রেখেছে। কি করবে বেচারা? লজ্জায় মাকে বলতেও পারছে না আর ক্ষিদেও সহ্য করতে পারছেনা।

আমাদের থেকে যারা সরে গিয়েছে তারাও কোন একদিন রিলাইজড করবে আর যখন দেখতে আমরা সবাই সেই আগের মতোই মজা করছি কিংবা আনন্দে মেতে আছি তখন ভীশন আফসোস করবে হয়তো।

তবে এটা ঠিক কারো ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু করা যায় না । যার যেখানে খুশী চলে যাক। তবে আমরা যারা আছি তারা থাকবো সবসময় একে অপরের সাথে ।

অনেকক্ষণ ধরে গুলশান ২ এ জ্যামে বসে আছি


অনেকক্ষণ ধরে গুলশান ২ এ জ্যামে বসে আছি। আমাদের পেজে ঢুকলাম একটু রিফ্রেশ হওয়ার জন্য, ওমা সেখানে দেখি আরো সব কঠিন কঠিন কথা চলছে, তাই গুগল ভাইজানের রম্য পেজে ঢুকলাম। কিছু লেখা পড়তে পড়তে নীচের লেখাটি খুব খুব মজা লেগেছে, তাই এটি আপনাদের জন্য তুলে ধরলাম। উল্লেখ্য লেখাটি সম্পূর্ণ সংগৃহীত ও কিঞ্চিৎ সম্পাদিত।

এমন কিছু মানুষ আছে যারা কথায় কথায় ‘ধুর শালা’ বলতে না পারলে কথা বলাই যেন হয় না। আবার এমন অনেকই আছেন যারা নাকের ময়লা পরিস্কার করাটাকে একবারে শৈল্পিক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। এই রকম কত বদঅভ্যাস বা মুদ্রাদোষ যে আমাদের আছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। সে দিন এক রেস্তুরায় বসে চা খাচ্ছিলামম হঠাৎ দেয়ালের দিকে চোখ পড়ল। দেখলাম সেখানে লিখাঃ- “আপনি যদি সিগারেটের ছাই চায়ের কাপে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে বেয়ারাকে বলুন আ্যাশট্রেতে করে আপনাকে চা দিতে। লেখাটা দেখে কিছুটা অবাক হলেও রেস্তুরার মালিকের বুদ্ধির তারিফ করলাম মনে মনে। এই বদভ্যাসের না হয় একটা সামাধান খুঁজে পাওয়া গেল, কিন্তু আজ কালকার যুগের অতি আধুনিক মেয়েদের উত্তরাধুনিক বদভ্যাসের কি হবে?

এই লেখা কিছু কিছু মানুষের জন্য প্রযোজ্য


এই লেখা কিছু কিছু মানুষের জন্য প্রযোজ্য। যাদের জন্য প্রযোজ্য তারা বুঝবে, যারা বুঝবে না তাদের জন্য এটা প্রযোজ্য না। এই লেখা পড়ে কারো মন খারাপ হলে, অপমানবোধ করলে, সম্মানহানী হয়েছে মনে করলে সেটা তার সমস্যা। আমার না। তাই কারো প্রতি দুঃখ প্রকাশেরও অবকাশ নেই আমার। একবার এক পোস্টে কে যেন আমার প্রতি বানী ছুড়েছিলো আমি নাকি সাহিত্যের ভাষায় লিখি এবং জীবন নাকি সাহিত্য না। আমাকে নাকি রিয়েলিটি বুঝতে হবে। যারা এখনো এই বানী বিশ্বাস করেন তাদের প্রতি আহবান আসেন রিয়েলিটিতে, দেখা যাক আমি কতটা রিয়েল।

      সম্প্রতি বই মেলায় আমি একটি বই পেয়েছি ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত আব্দুল মান্নান স্বপনের "বাংলার গালি অভিধান"। বইটিতে সপ্তদশ শতক থেকে এখন পর্যন্ত প্রচলিত সব গালি সংকলিত আছে। বইটি আমার মোটামুটি মুখস্থ আছে। কেউ আমাকে রিয়েলিটিতে আহবান জানালে ওই ডিকশনারিটা হজম করার মানসিকতা নিয়েই জানাবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কারো ধার ধারি না, কারো লেজুড়বৃত্তি করিনা। কিছু লেখার আগে দশবার ভাবি না। কে মনে কষ্ট পেলো, কে অপমানবোধ করলো এসব নিয়ে ভাবার সময় নেই আমার। লেখালেখি আমার শখ, আমি এখানে শখ মিটাই। পেজে জটিলতা সৃষ্টিকারী না থাকলে আমি খুশি হই এমনকি সেটা যদি আমিও হই। মেরুদন্ড সোজা রেখে কথা বলার হিম্মত আমার আছে। যারা মন জুগিয়ে, মন রেখে কথা বলে। সমর্থন ধরে রাখার জন্য অন্যায়কে অন্যায় বলতে পারেনা তাদেরকে আমি নোংরা নর্দমার কীট ছাড়া কিছু ভাবি না। এখানে কেউ অত্যাবশ্যকীয় নয়। কেউ একজন না থাকলে সব থেমে যাবে এমন ভাবার কোন কারন নেই। যে বুকে টেনে নেয়ার মত মহান প্রয়োজনে তাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়ার মত কঠোরও হতে হয়।

কাল রাত থেকে পেজ টা থমথম বিরাজ করছে


কাল রাত থেকে পেজ টা থমথম বিরাজ করছে, মনে হইতাছে ১৪৪ধারা জারি হইছে,সব দোষ আমাগো বড় ভাইগো,একটা স্কুলে কোন টিচার না থাকলে যেমন চিৎকার চেচামেচি চলে এখানে ঠিক তেমনি চলতাসে,মঈন ভাই, জিয়া ভাই, রেজা ভাই, রফিক ভাই, জসিম ভাই,শাহীন ভাই,মাসুক ভাই,রাকিব ভাই আরো কতো বড় ভাইগো পদচারণা এই পেজ টা গমগম করতো সব কই গেল বড় ভাইরা, আমাদের শাষণ করবে কে আদর করবে কে,নাজমুল ভাই নিরু ভাই যা একটু কথাবাতা কয়,শাহীন ভাই চুপচাপ দেখে কিছু কয়না,বন্যা আপার মজার মজার কমেনট গুলি আর দেখি না,জাভেদ এর সেই দুদান্ত লিখাগুলি আর পাইনা, ছোট ভাই নমির কালপনিক ঘটনাগুলি কোথায় হারিয়ে যাচেছ,রাসেল এর খোঁচা মারা কথা গুলিও আর পাইনা,গুটি কয়েক ছাএ ছাএী এখন ও এই পেজটা মধ্যে চলাফেরা করছে,আশা করি এক সময় সব ঠিক হয়ে যাবে কিন্তুু বড় ভাইদের এগিয়ে আসতে হবে তাদের হাতে হাত ধরেই না আমরা সামনে এগিয়ে যাবো,সব কলোনী বাসী এক হও

কেউ ভাবে নি অতীত হবে

- Mohammad Arif

কেউ ভাবে নি অতীত হবে
তোমার অামার প্রীতি
তৈরি হবে মস্তিষ্কে এক
অাবেগ ঘন স্মৃতি
কেউ ভাবে নি বিলীন হবে
লাল ফড়িং এর মেলা
অদ্ভুত ঐ দিনগুলি অার
ইচিং বিচিং খেলা
কেউ ভাবে নি দেখব না অার
রাতের জোনাক পাখি
লাফিয়ে চলা ঘাস ফড়িংটা
বোতল ভরে রাখি....!
কেউ ভাবে নি কাশফুলগুলো
পড়বে না অার চোখে
এক টানেতে ঢুকিয়ে দিব
সবগুলো তোর মুখে!!!
কেউ ভাবে নি স্মৃতিগুলো
অাবেগ হয়ে তোমায়
সারাটা জীবন বর্ননাতে
মনের মধ্যে ঘুমায়..... wink emoticon smile emoticon

কোন একটি টার্গেট বা লক্ষ্য সামনে না থাকলে সাধারনত কাজের গতি বা স্পৃহা কম থাকে এবং এটাই খুব স্বাভাবিক ব্যাপার


কোন একটি টার্গেট বা লক্ষ্য সামনে না থাকলে সাধারনত কাজের গতি বা স্পৃহা কম থাকে এবং এটাই খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। যখন ছাত্রজীবন ছিলো তখন দেখা যেত পরীক্ষা এলেই হুলস্থুল পড়াশোনা বাকী সময় টুকু চলছে গাড়ি যাত্রা বাড়ী অবস্থা।অবশ্য ভালো ছাত্রদের কি অবস্থা থাকে তা আমি জানিনা, আমি তো আর ভালো ছাত্র ছিলাম না , ছিলাম থার্ড বেঞ্চের ছাত্র। 

২৯ জানুয়ারী আমাদের গ্রান্ড আড্ডা এই পেজ বা গ্রুপ টির জন্য একটি টার্গেট ছিলো, সংগত কারনেই সবার মধ্যে একটা যোগাযোগ, দৌড়াদৌড়ি, কমেন্টস ইত্যাদি একটু বেশীই ছিলো। অপরদিকে তারিকের ঢাকায় তার চিকিৎসা কালীন সময়ে তকে ঘিরে েএকটা আড্ডা বা যোগাযোগ গড়ে উঠত। এসব কারনে সবসময় একটা জমজমাট ভাব বিরাজ করত। কিন্তু এখন পেজ যে ঝিমায়ে পড়ছে এটা মানতে আমি রাজী নই।প্রচুর লেখা আসছে এবং ভালো ভালো লেখা আসছে, এবং সবাই যার যার মনের আবেগ ঢেলে লিখছে। যে মনিরুল কলোনী তে জীবনে পিকনিকের বাজারের লিস্ট আর মেডিকেলের ঔষুধ বেচার লিষ্ট করা ছাড়া অন্য কিছু লেখছে কিনা সন্দেহ আছে ,সে মনিরুল এখানে দুর্দান্ত সব লেখা দিচ্ছে। এটা কি পেজের পজিটিভ উত্তরন নয় ? মিঠু ভাইয়ের কোক কাহিনী টা লিখেছিলাম এ পেজ তৈরী হওয়ার আগে আমার টাইম লাইনে, আমার সেদিনের সে লেখায় প্রচুর কমেন্টস পড়েছিলো অথচ এ পেজে আমি যে লেখা গুলো দিয়েছি সেখানেও এতো কমেন্টস পড়েনি, তাহলে কি আমি এটা বলব যে, এ পেজের চেয়ে আমার টাইমলাইনে লিখা ভালো ? মোটেই না। কমেন্টস লাইকের উপর নির্ভর করে ও বিচার করে অন্তত এ পেজের জনপ্রিয়তা বা কার্যকরিতা মূল্যায়ন করা যাবেনা, কারন এটি একটি নির্দিষ্ট এলাকার প্রায় সমমনা ও সমান মর্যাদার মানুষ নিয়ে তৈরী।

আমিতো এই গ্রুপে বাপের বাড়ির ফ্লেভার পাই


আমিতো এই গ্রুপে বাপের বাড়ির ফ্লেভার পাই।হয়তো ব্যস্ততার কারনে যাওয়া আসা কম হচ্ছে কিন্তু বাপের বাড়ি কি ভুলে থাকা যায়? কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বাবার বাড়ি মানেই কি যা ইচ্ছা তা করা? আমার দুঃখ কষ্ট পছন্দ অপছন্দের কথা আমি বলতেই পারি।এটা আমার অধিকার।কিন্তু সেটা ব্যাক্তি গত আক্রমন করে না।ফান করতে গিয়ে যেমন কারো উইক পয়েন্ট নিয়ে আঘাত করা যায়না,তেমনি অপছন্দের কথা বলতে গিয়ে কারো নাম উল্লেখ করাও উচিত না তার উপর ব্যাক্তির ওই অপছন্দের মানুষটি যদি সে জায়গায় আবার নিয়মিত আসা যাওয়া করে।এটা একটা কমন সেন্স যেটা সবার থাকা বাধ্যতামূলক। আমাদের সবার মাথাতেই ফিল্টার বসানো আছে,কোন জায়গায় কোন কথা বলতে হয় বা হয়না ওইটা ওই ফিল্টরই ঠিক করে।এখন এই ফিল্টার যদি কারো নষ্ট থাকে অবিলম্বে মেরামত করো।সুইচ্ অফ থাকলে অন করো।গ্রুপে এ ভালোনা,তে খারাপ এগুলা শুনতে ভাল্লাগেনা। যাই হোক আমার মাথার ফিল্টার ঠিকাছে, আপনারটা? 

সাথী ফয়হাদ:::কানা ফয়হাদ


বনধু দুই ফয়হাদের কথা আজ কেন জানি বার বার মনে পড়ছে।সাথী ফয়হাদ যেখানে আছে যে ভাবে আছে তুমি ভালো থেক আললাহ দরবারে এই দোয়া করি।সাথী ফয়হাদ ডুব দিয়ে মাছ ধরার পারদূশী ছিল।এক ডুব দিয়ে দুই হাতে দুইটা মাছ ধরতে পারতে।আমরা যখন পুকুরে গোসল করতাম তখন আমি সাতার পারতাম না।তখন ফয়হাদ সাতার তে পারতে ডুব সাতার পারতে ডুব দিয়ে অনেক দূর চলে যেতে পারতে।সে অন্য দিক দিয়ে ডুব মেরে আমাদের পা দরে টান দিত।অনেক ভয় পেতাম ভাবতাম কিছু টেনে নিয়ে যাচেছ। অনেক অনেক ভয় পেতাম।এখন মনে মনে হাসি পাই।মনে হলে ফয়হাদকে মিস করে। ফয়হাদ গাছের নীচ থেকে পাথর দিয়ে নারকেল ফেলে দিতে পারতে। সাথী ফয়হাদ তো সাথী ফয়হাদ ভালো থাকা হয় যেন দোয়া করে।।। বাকি টুকু অন্য দিন।--------।

ইদানিং নিজের কিছু ব্যাক্তিগত সমস্যা আর ব্যাস্ততার কারনে পেজটাতে একদমই কম এন্ট্রি করা হয়


ইদানিং নিজের কিছু ব্যাক্তিগত সমস্যা আর ব্যাস্ততার কারনে পেজটাতে একদমই কম এন্ট্রি করা হয়। মাঝে মধ্যে একটু আধটু যাই ঢুকি কেবল লাইকের উপরেই থাকি। লাইক দিয়ে জানান দেই যে আছি সেই আগের মতই সবার সাথে। যদিও মানিক ভাই লাইক না দিয়ে এক লাইন হলেও কমেন্ট করতে বলেছেন।

আমি ডেইলী রাত ১:৩0টা/২টার দিকে এন্ট্রি করে সারাদিনের জমানো কমেন্ট পোস্টগুলোর জাবর কাটি। আজ রাত ১.৫৫টায় ঢুকেই পোস্টগুলি পড়ছি তখনি ছোট ভাই লিটনের পোস্ট-এ চোখ আটকে গেল। আমার চোখে দেখা খুব্বি ভদ্র একটা ছেলে, সেই ছোট বেলা থেকেই দেখছি লিটনকে।

যাই হোক, লিটন এবং অন্য সবার উদ্দেশ্যে কেবল আমি আমার কথাগুলি বলছি। তোমরা যারা ভাবছো এখন আর আগের মতো লাইক কিংবা কমেন্ট পড়ে না, কিংবা আগের মতো এই পেজ জমে না তাইলে সেটা হবে ভুল ধারনা।

Monday, March 7, 2016

আমাদের বাসার পাশের বাসা ছিল জাফর মামাদের বাসা


আমাদের বাসার পাশের বাসা ছিল জাফর মামাদের বাসা।মামার দুটো ছেলে ছিল-রুমি ও জনি।রুমি ওজনি পিটা-পিঠি ছিল।তারা খুব চন্চল ছিল।জনি ও রুমির তখন বয়স সম্ভবত ৪-৫ হবে।ওরা সবসময় চিটাগাং এ বাসায় কথা বলত।আমি জনি ও রুমি কে ক্ষ্যাপাইতাম আর ওরা আমাকে চিটাগাংএ ভাষায় গালি দিত।ওদের ছোট্ট মুখে চিটাগাং ভাষা শুনার জন্য সবসময় ওদের সাথে দুষ্টামি করতাম।

অনেক দিন পর পেজে লিখছি


অনেক দিন পর পেজে লিখছি।।কোন পুরস্কার বা হিট লিস্টে থাকার জন্য নয়।।মনটা খারাপ লাগছে তাই লিখছি।।একটা সময় এই পেজটাতে রাত-দিন পরে থাকতাম।।কর্মস্থলে সিনিয়ারের বকুনি শুনতাম আর বাসায় চলতো রীতিমতো যুদ্ধ।।তারপরও পেজটাকে ছাড়তাম না।।নিজের অস্তিত্বকে কি করে ছেড়ে যাই।।হাজার প্রতিকূলতার মাঝেও নিজের অস্তিত্বটাকে ধরে রেখেছিলাম।।কিন্তু এখন কেন যেন পারছি না।।যতই চাচ্ছি ধরে রাখতে ততটাই দূরে সরে যাচ্ছি।।একটা বাধা কাজ করছে।।

গতকাল "হীরা" নিয়ে একটা কমেন্টস করেছিলাম মনের দুঃখ থেকে।।বেশ ভাল লাগলো।।নিজেকে হীরা বলে দাবি করছিনা।।আমার মতো নির্বোধ লোক কিছু (হিরার মতো দামি) এবং (ভাল মনের ) কিছু মানুষের সন্ধান পেয়েছিলাম এই পেজের মাধ্যমে।।যাদের মাঝে থাকতে পেরে নিজেকে অনেক ধন্য এবং সৌভাগ্যবান মনে করেছি।এখনও করি।।হয়তো সময়ের পরিবর্তনে তা এখন প্রকাশ করতে পারিনা।।

বিকাল বেলায় আমি রাশেদ( মরা রাশেদ)দুলি কলোনীর বিভিন্ন রাস্তায় হাটতাছি


বিকাল বেলায় আমি রাশেদ( মরা রাশেদ)দুলি কলোনীর বিভিন্ন রাস্তায় হাটতাছি, হাটতে হাটতে C টাইপ মাঠের আমাদের বাসার সামনে রিমনদের বাসার পাশে এককোনায় বসলাম, রিমন দের বাসার নীচতলা টিন দিয়ে ঘেরা ছিল টিনের সাথে একটা পেঁপে গাছ ছিল,গাছে মোটামুটি ভালোই পেঁপে ধরছে সূযের আলো পড়ে একটি পেঁপে হলুদ বণ ধারণ করছে,বুঝলাম পেঁপেটা পাকছে তিনজনের মত আজই পেঁপে টা খেতে হবে , এই রাস্তাদিয়ে সব সময় লোকজন চলাফেরা করে,তাই মাগরীব এর নামাজ এর সময়টা বেচে নিলাম,সময়মতো পেঁপেটা নিয়ে পুকুরপাড়ে নারিকেল তলা মানিক ভাই সুমন দের বাসার সামনে তিনজনে বসে আসি এই সময় লিটন এর আগমন বুঝলাম আর কেউ আসবেনা,রাশেদ বাসাথেকে একটা ছুরি নিয়ে এসে পেঁপেটা কাটলো, পেঁপে কাটার পর তো সবার মাথায় হাত পুরা কাঁচা পেঁপে এখন কি করি, লিটন একটা সুন্দর পরামশ দিল আমরা সবাই তা মেনে নিলাম, রাশেদ আবার বাসায় গিয়ে একটা খালি মিসটির প্যাকেট নিয়া আসলো সাথে প্যাকেটের সাথে রশি পলিথিন নিয়া আসলো,এবার সুন্দর করে পেঁপেটা বসাইয়া সোজা বাজারে,বাজারের গেইট পার হইয়া লিটন প্যাকেট টা নিয়া মুন বেকারীর পিছন দিয়া গিয়া সামনে দিয়া হেলতে দুলতে আসতাছে,এদিকে আমি দুলি রাশেদ বেলাল ভাই ভাই দোকানের সামনে দাড়িয়ে আছি,দোকানে তখন আবদুল্লাহ ভাই লিটনকে দেখে তো আমরা সবাই হইচই শুরু করে দিলাম এবং প্যাকেটটা নিয়ার জন্য জোরাজুরি করতাছি লিটন এর এক কথা বাসায় মেহমান আমাকে ছেড়ে দে কে শুনে কার কথা জোর করে প্যাকেটটা নিয়া আবদুল্লাহ ভাই বললাম ভাই ১০টা ব্যনসন সিগারেট দেন আর প্যাকেটটা রাখেন, আবদুল্লাহ ভাই তো পারলে প্যাকেট তখন খুলে ফেলে কোনোমতে ১০টা সিগারের নিয়ে আমরা ফগার পার আর এদিকে আবদুল্লাহ প্যাকেট খুলেতো যা তা শুরু করে দিল আমার বাসায় এসে বাপের কাছে বিচার দিল দুলির বাসায় গিয়ে বিচার দিয়ে আসলো কয়েকদিন তো বাজারে গেলোও মাছ বাজার দিয়া ঘুরে যেতাম বহুদিন আবদুল্লাহ ভাইয়ের সামনে পড়ি নাই .....

প্রতিশোধ


১৯৭১ সালের আগস্ট মাসের মাঝামাঝি । আমরা তখন থাকি স্টীল মিলের ই- টাইপে। সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি ব্রিস্টি। ১১ টা নাগাদ তা মূষলধারে। বাসা থেকে পুকুরটা দূরে না খুব। তাই ব্রিস্টি মাথায় নিয়ে পুকুরে দাপাদাপির নেশাটা পেয়ে বসলো। গামছাটা সাটের নীচে লুকিয়ে সোজা পুকুরপাড়।

পুকুরে নেমে দেখি বুলু-বাদল দু'ভাই (আমার বন্ধু/ক্লাসমেট)। তিন জন মিলে বরষন মূখর দুপুরে পুকুরে সে কী মাতামাতি আর দাপাদাপি। এদিকে যোহরের নামাযের ওয়াক্ত ঘনিয়ে এসেছে।মসজিদে হাজিরা না দিলে বাপের কাছ কইফিয়ত দেবার ভয়। আনন্দে ছেদ টেনে তাই তাড়াতাড়ি পাড়ে উঠার আয়োজন
"আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি----" মনের আনন্দে গান গেয়ে পাড়ে উঠছি,-পিছন থেকে পিঠের উপর এক ঘুসি। পিছন ফিরে তাকাতেই মুখের উপর আরেকটা।

এক এক মানুষের জীবনের গল্প এক এক রকম


এক এক মানুষের জীবনের গল্প এক এক রকম ।তারপর ও মানুষের দিন চলে যায় জীবনের নিয়মে ।কেউ বা চলে ঝাকানাকা , কেউ বা চলে একা ,কেউ বা চলে. . . . . । কেউ ই থেমে থাকে না ।চলছে জীবন যাত্রা বাড়ী ।চলেই যাচ্ছে ।তেমনি আমরা ও চলে যাচ্ছিলাম যার যার মতো ।হঠাত্‍ এলো CSM COLONY GROUP .জীবনে এল নতুন পরিবর্তন ।একি হলো সবার জীবনে ।সকাল শুরু করি এর আপডেট দেখে ।ঘুমাতে গেলে CSM ,ঘুম ভাঙ্গলে CSM ,অফিসে কাজের ফাঁকে CSM ,খেতে বসে ও CSM ,আরিনকে পড়ানোর ফাঁকে CSM,এমন কি বাথরুমে গেলে ও CSM .রক্তের সাথে মিশে গেছে এই CSM COLONY .তোমায় বড্ড ভালবাসি ।তোমায় অনেক মিস্ করি CSM COLONY.

মাশুক ভাইয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আমার পুরনো কথা মনে পড়ে গেল


মাশুক ভাইয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আমার পুরনো কথা মনে পড়ে গেল।ভাইয়ার কাছে পড়ার সময় আমরা যখন পরীক্ষা ভীতির কারনে প্রাইভেটে যেতাম না।ভাই বুঝে যেত আমরা ফাঁকি দিয়েছি।যথারীতি বাসায়(মাঝে মাঝে) হাঝির,নয়তো বা ফাঁকিবাজির খবর রাত ১০ টার মধ্যে বাসায় পৌঁছে গেছে। তারপর বাসায় ১০ নাম্বার বিপদ সংকেত। অশেষ শ্রদ্ধা ও কৃতঞ্জতা মাসুক ভাইয়ের প্রতি।ভাইয়ার সুস্থতা কামনা করি।

পাঁচ বছর পর মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে ঢুকলাম


পাঁচ বছর পর মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে ঢুকলাম, সেই ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর গতকাল গেলাম, এর মাঝে অনেক গুলো ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হলেও কোনবার যাইনি, অথচ বাসা ষ্টেডিযামের কাছেই এবং প্রতিবারই অফিস থেকে টিকেটের ব্যাবস্থা থাকে (পুরা মাগনা ।)। এ বার গেলাম, বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে, সংগে আরো দুজন কলিগ। গেটের কাছাকাছি আসতেই নিজেরে সেলিব্রেটি মনে হলো , প্রথমে ষ্টার স্পোটর্স চ্যানেল তাদের বুম ও ক্যামেরা ধরল , জানতে চাইল বাংলাদেশ ফাইনালে খেলছে এর প্রতিক্রিয়া, গতানুতিক উত্তর দিলাম, এরপর আসল ইন্ডিপেনডেন্ট ও এসএ টিভি তারা জানতে চাইল টিকেট পেতে কোন সমস্যা হয়েছে কিনা। এই কথার কোন উত্তর দিলাম না (মানুষ যেখানে কষ্ট করে দিন রাত লাইনে দাড়িয়ে ২৫০ টাকার টিকেট ২৫০০ টাকা দিয়ে কিনে খেলা দেখতে যায়, সেখানে আমি অফিসের কল্যানে ফ্রি তে ভিআইপি গ্যালারিতে খেলা দেখি, স্বাভাভিক ভাবেই তখন তো নিজেরে অপরাধী লাগে, আর এ জন্য জবান বন্ধ থাকে।)। এর পরতো ঝড় তুফান, বাংলাদেশের হার আর আশেপাশে সুন্দরী ললনা। রাত সাড়ে বারোটার দিকে হেটে হেটে বাসায় ফিরলাম।

পরিসংখ্যান এর এদিক সেদিক


Al Amin Billah Shujon এর প্রকাশিত ডাটা অনুযায়ী লিখার সং্খ্যা যেমন বেড়েছে,তেমনি বেড়েছে লেখকের সং্খ্যা। এটা অবশ্যই আনন্দের বিষয়। তবে জসিম ভাই,নজরুল ভাই চিন্তিত যে আগের মত আড্ডা জমছেনা যেটা শুরুতে জমত।খেয়াল করার মত,তবে দুশ্চিন্তা করার মত না।ভাল সময়, মন্দ সময় সব সময় থাকবে।বসন্ত, শীত সবসময় থাকবে।কোন বসন্তে গাছে ফুল নাও থাকতে পারে,তবুও বসন্ত।আড্ডা জমছেনা তার মানে মেম্বারদের পেজের প্রতি ভালবাসা কমে গেছে এমন মনে করার কোন কারণ নাই। তাহলে লিখার সং্খ্যা এত বেড়ে যেত না।কারন কিছু স্বপ্নবাজ মানুষ পেজটাকে সবসময় নিজের অস্তিত্ব এর অংশ মনে করে।তারা কখনোই পেজকে ঝিমিয়ে পড়তে দিবেনা।সবার আলাদা আলাদা জীবন আছে,ব্যস্ততা আছে।তবুও দিন শেষে সবাই পেজে ঢুকে পোস্ট দেখতে পছন্দ করি।কেউ লাইক দেই,কেউ কমেন্ট করি।এটা করি পেজের প্রতি ভালবাসা থেকে, আন্তরিকতা থেকে।দায়বদ্ধতা থেকে। পেজের জন্য ভালবাসা না থাকলে এটা কখনোই হত না।

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ গ্র্যান্ড টোটাল (২০ অগাস্ট ২০১৫ টু ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)

- Al Amin Billah Shujon

কিছু কথাঃ

গ্র্যান্ড টোটাল নিয়ে কি আর বলব। এক কথায় আমি মুগ্ধ এবং অভিভূত । জানুয়ারীতে লিখার সংখ্যা ছিল ৮৯ এবং লেখকের সংখ্যা ছিল ৩৩ জন, যা ফেব্রুয়ারীতে গিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৩ টি এবং ৫৯ জনে। অর্থাৎ জানুয়ারীর তুলনায় ফেব্রুয়ারীতে  লিখার সংখ্যা বেড়েছে ১২৮.০৯% এবং লেখকের সংখ্যা বেড়েছে ৭৮.৭৯%। পার্থক্যটা অবশ্যই চোখে পড়ার মত।

কি যে মাসাকার অবস্থা হত যদি মইন ভাই, রাসেল ভাই আর নমি ভাই থাকতো। ভাবতেই ভাল লাগে এখন সবাই অনেক গুছিয়ে লিখে, অনেক সতর্ক সবাই লিখার ব্যাপারে, লিখাগুলো পরে মনে হয় যেন কোন প্রফেসনাল লেখক এর লিখা পড়ছি।

আশা করছি মার্চ মাসে লিখা এবং লেখকের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে, এখনো পর্যন্ত প্রতিদিন ৮ টিরও বেশি লিখা আসছে যা খুবই ইতিবাচক। এইভাবে চলতে থাকলে মার্চ মাসের প্রতিযোগিতা অনেক বেশি/আরো বেশি জমজমাট হবে বলে মনে হচ্ছে।

এইবার সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমাদের জাভেদ ভাইয়ের প্রপোসালটা নিয়ে একটু ভাবতে। খুব সুন্দর প্রস্তাব। আমি জাভেদ ভাইয়ের কথাটা কোড করলামঃ

“আমি কলোনির একটি বর্ননামুলক মানচিত্র তৈরির চেষ্টা করছি। শুরুটা আমি করলাম। আমি চাই সবাই যার যার মত অংশগ্রহন করুক। লেখাগুলো বর্ননামুলক হওয়া জরুরী। কলোনির আইডেন্টিক্যাল, আইকনিক অথবা দীর্ঘদিন চোখে পড়েছে এমন জিনিসগুলো বর্ননায় এলে মানচিত্রটা অনেক সমৃদ্ধ হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় খালপাড়ের সেই বড় পাথরটা, ই-টাইপের ভাঙ্গা স্লিপার কিংবা টাংকির নিচের সেই ঠাণ্ডা চকচকে মসৃণ পানির পাইপটা। যারা এই গ্রুপের লেখার আর্কাইভ করছেন তাদের কাছে অনুরোধ এই আহবানে সাড়া পাওয়া গেলে এই লেখাগুলো যেন আলাদা মার্ক করে একসাথে মজুদ করা হয়। লেখাগুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম”

আমরা সবাই চাইলে খুব সুন্দর একটা মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব। ২/৩ জন ইতিমধ্যে লিখা শুরু করছে এই বিষয়ে। আমাদের সবার উচিত এই বিষয়ে অন্তত একটা করে লিখা পোস্ট করা। মার্চ মাসে সবাইকে “কলোনির একটি বর্ননামুলক মানচিত্র” এই বিষয়ের উপর অন্তত ১ টি করে লিখা, লেখার জন্য অথবা বিষয়টি নিয়ে ভাবার জন্য অনুরোধ এবং আহবান করা হল।

যাই হোক অনেক কথা বলে ফেললাম। আর বেশি কথা বলব না, আর আপনাদের বিরক্ত করব না। এইবার গ্র্যান্ড টোটাল এর ফলাফল প্রকাশ করছি।

এখন আমি কোন দিকে যাবো বুঝতে পারছিনা


মসজিদের ডান পাশে পুকুর বাম পাশে আমাদের বাসা, আমি ডালিম, শিপন,দুপুর হলেই পুকুরে দাপাদাপি করতাম,এই দাপাদাপি করতে করতে একদিন ডুব দেয়া শিখলাম, আস্তে আস্তে কিছুটা সাঁতারও শিখলাম তাও পুরাপুরিনা এটা আবার বড়াই করে সবাইকে বলতাম,আমাদের এই কথা শুনে বিপুল ও গো ধরছে সে ও সাঁতার শিখবে কিন্তুু আমি চাইনি বিপুল আমার আগে সাঁতার শিখুক আর এমনেও বিপুল এর সাথে আমার বনিবনা হতো কম,তো সবাই মিলে একদিন পুকুরে গেলাম বিপুলও সাথে, পুকুরে নেমে ডালিম শিপন সাঁতার কাটতাসে আমি আর বিপুল নিজেরা নিজেরা পানিতে দাপাদাপি করতেছি আর বিপুল কে দেখাচিছ কি ভাবে ডুব দিয়া পানির নিচে থাকতে হয় এভাবে কিছু সময় দুজনের কথা বলা চলছে,কথা বলতে বলতে কি নিয়ে জানি দুজনেরই ঝগড়া শিপন ডালিম তো একবার আসে আবার সাঁতার কাটতে কাটতে দুরে চলে যায়,হঠাৎ আমি আর বিপুল পানির মধ্যে মারামারি শুরু করে দিলাম,বিপুল মারামারি করতে করতে উপরের দিকে চলে যেতে চায় আমি বিপুলকে পানি থেকে উঠতে দিতে চাচিছ না,হঠাৎ আমি বিপুলকে ধইরা পানির মধ্যে চুবাইতেছি আর বিপুল উপরে উঠতে চাচেছ এভাবে কয়েকবার করাতে বিপুল এর মুখের ভিতর পানি ডুকে গেল আর কাশতে শুরু করে দিল শিপন আর ডালিম এসে তাড়াতাড়ি বিপুল কে বাসায় পৌঁছে দিল, বিপুল এর মা তো সাথে সাথে যতারীতি বাসায় বিচার দিল আর নিচে বিপুল এর মা আর উপরে আমার মা বসে রইলো এখন আমি কোন দিকে যাবো বুঝতে পারছিনা .........

আমি কাল রাত থেকে মানে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ার পর থেকে


আমি কাল রাত থেকে মানে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ার পর থেকে আমার মাথায় একটাই চিনতা কাজ করছে আর খুব বেশি মনে হচছে সাকিব ইচছা করেই আমাদের সাথে এমন করল।আমার মনে আছে আরও একবার আমরা সাকিবে জন্য হেরেছি।এই পেইজে অনেক ভাইয়ারা আছেন জারা খেলা খুব বুঝেন, একটা জিনিস খেয়াল করবেন যে বাংলাদেশ আট ভারতের খেলা হলে কোন মা কোন ভাবে আটা হেরে জায়। আমার মনে হয় কোন এতে কোন ষড়যন্রআছে।ইস এখন ইচছা করতাছে কেন জে সাংবাদিকতা নিয়ে পড়লাম না।কিছু একটা হলেও করতে পারতাম।যখন দেখতাছি আমরা হেরে জাব,তখন মনটা খুব খারাপ হওয়াতে জুবায়ের উপর সব রাগ গিয়ে পড়ল।খেলা দেখার সময় দুইবার ওকে মারচি।কি করব কি বুঝতাছিনা। আসলে কালকে আমাদের মুজতাবিজকে বেশি দরকার ছিল।মনটা খারাপ তো তাই উলটা পালটা কিছু লিখলাম। কিনতু কথা সত্য।

Sunday, March 6, 2016

বড় পুকুর


আমি যখন ছোট ছিলাম তখন বড় পুকুরে আমরা সবাই মিলে গোসল করতাম।ছোট ছিলাম তাই পুকুরে গোসল করা নিষেধ ছিল।যে দিন পুকুরে গোসল করতাম সে দিন মাইর (পিটা) খেতাম। তার পরেও কেমন জানি পুকুরে গোসল করতে ভালো লাগতে। এত পিটা এত বকা পরও গোসল করতাম দলবেধে। আমি,জুয়েল,আরিফ,নুরউদিদন, ইমু,জাবেদ,রিয়াদ,ফয়হাদ, কানা ফয়হাদ পুকুরে ডোবাডুবে করতাম।অনেক মজা করতাম এত মজা করতাম ২-৩ ঘনটা গোসল করতাম।বাসায় থেকে বাহির হতাম লমবা প্যান্টের নিচে হাফ প্যান্ট পড়ে। হাফ প্যান্ট পড়ে গোসল করতাম। গোসল করা পর হাফ প্যান্ট টা লুকিয়ে রাখতাম।

গোসল করা পর যে ভাবে বাসায় থেকে বের হতাম সে ভাবে শাট প্যান্ট পড়ে বাসা যেতাম। আজ আর ধরা খাবে না।মনের খুশিতে বাসা আসতাম। বাসা আসার পর বাবা বলতে পুকুরে গোসল করচেছ। না,-বাবা। তার পর চলতে পিটা বকা সব!! মনে মনে ভাবতাম শুকনা কাপড়ে বের হতাম শুকনা কাপড়ে বাসা আসতাম বাবা কিভাবে বুঝতে পারতে আমি যে পুকুরে গোসল করে আসছি। এখন বুঝি ২।৩ ঘনটা গোসল করলে চোখ লাল হতে। চোখ লাল দেখে বুঝে নিত। বড় পুকুর থেকে বড়পোলের পুকুরে এসে ওসে মজা পাইনা। miss u বড় পুকুর।।। 

সাথী ফয়হাদ আর কানা ফয়হাদ কথা অন্য দিন লিখবে।

বিকাল বেলায়


বিকাল বেলায় আমি রতন, শিপন,সাথে ডালিম ও আছে আমাগো বাসার নিচে C/3 ড্রেনের মধ্যে মারবেল খেলতেছি,মারবেল খেলায় এতো ভালো ছিলাম না, শিপন, ডালিম খুবই ভালো খেলতো ঐ দিন আমরা ৩জনই হারতাছি, রতন এর কাছে আস্তে আস্তে সব মারবেল জমতাছে এতো মারবেল জিতার পর ও রতন কোন ছাড় দিচেছনা আমার কাছে আর কোন মাবেল নেই কি করুম কিছুই বুঝতাছিনা,শেষ দান ও রতন জিতলো, হঠাৎ রতনরে পিছন থেকে ঝাপটাইয়া ধইরা একটা ঝাকি দিলাম রতন এটার জন্য প্রস্তত ছিল না তার হাত থেকে শাটের পকেট থেকে সব মারবেল এদিক ঐদিক ছড়াইয়া ছিটিয়া পড়লো এই সুযোগে আমরা তিন জন কিছু মারবেল নিয়া এদিক ঔদিক দোড়,মনে কিছুটা শান্তি পেলাম, কিন্তু বিপদে পড়লাম আমি আমার বাসা তিনতলায় রতনদের বাসা পার হইয়া আমাদের বাসায় যেতে হবে,রতন তো বাসার দরজা খুলে বসে আসে আমাকে ধরবে বলে, আমি ও পড়ছি মহা ঝামেলায় বিকাল শেষ সূয অস্ত যাচেছ বাসায় না ডুকলে মার হাতে মার খেতে হবে,শিপন দের বাসায় বসে আছি কিভাবে বাসায় যাবো এই চিন্তা হঠাৎ দেখি বুড়ি ওরফে রুনা বতমানে টিটু ভাইয়ের সহধমীনির বাবা বাসায় উঠতাসে তারা আমাদের পাশের বাসা ছিল তার সাথে সোজা বাসায় গিয়ে রতন এর হাত থেকে বাচলাম।

আসুন না আজ এ খেলার বদৌলতে কলোনী থেকে একটু ঘুরে আসি


আমাদের কলোনী টা আজ খুব দরকার ছিলো, এত বড় একটা ফাইনাল আর আমরা সবাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি, ভাবা যায় এ কষ্ট। 

আসুন না আজ এ খেলার বদৌলতে কলোনী থেকে একটু ঘুরে আসি........................

আজ একটু সকালেই ঘুম থেকে উঠলাম, তাড়াতাড়ি নাস্তা সেরে মরাইয়া রাশেদ, মনিরুল আর দুলিরে ডাকতে গেলাম, প্রথম দুজন কে ঠিকমত পাওয়া গেলেও দুলি হারামজাদা দেখি এই গরমেও নাকে মুখে কাঁথা দিয়ে ঘুমাচ্ছে। জোর করে উঠিয়ে দিলাম। এরপরে সবাই মিলে আমাদের পানির ট্যাংকীর একবারে শীর্ষে জাতীয় পতাকা টা উড়িয়ে দিলাম।
এখন সবাই আমরা ইউনুসের দোকানে, খেলা নিয়ে তুমুল আড্ডা চলছে, সাথে চলছে ধুয়া তৈরী, আমাদের আলাপ শুনে যে কেউ ভাবতে পারে এখানে এক একজন ওয়াসিম আকরাম,গ্যারি সোবার্স, মাইকেল হোল্ডিং এর চেয়েও বড় ক্রিকেটার।

বন্ধু তুমি সায়াহ্নে


ছেলেটার বাসা তিনতলা আর মেয়েটির বাসা দোতলায়।ছেলেটা আগে এক তলায় থাকত,বাবার প্রমোশন এর জন্য তিনতলায় গিয়েছে।আলাদা আলাদা বিল্ডিং। মেয়েটির রান্নাঘর এর জানালা দিয়ে ছেলেটার বারান্দা দেখা যায়।দুজনে প্রায় চোখাচোখি হত।ইশারায় কথা চলত।ছেলেটা হাই ভলিউম এ গান বাজাতে পছন্দ করত,আর মেয়েটি সে গান শুনাতে। তপন আর শাকিলার " তুমি আমার প্রথম সকাল " গানটা মেয়েটির খুব প্রিয়। তাই ছেলেটা এই গানটা বেশি করে বাজাত।

একসময় মেয়েটি র বিয়ে হয়ে যায়।ছেলেটা বিদেশে পাড়ি জমায়।দুজনের অনেকদিন দেখা নেই।এখন আর কেউ গান বাজায় না আর কেউ শুনতে পায় না।তারপর বহুদিন পর মেয়েটির স্বামী মারা যায়।মেয়েটি ফিরে আসে বাবার বাড়িতে।ছেলেটা বিদেশ ফেরত হয়।

একদিন বসন্তের ফাগুন হাওয়ায়, না এবার ছেলেটা নয়,মেয়েটি র বাসা থেকে ভেসে আসে সেই গান যা দুজনকে একদিন কাছে এনেছিল।শুনতে পেয়ে ছেলেটা বারান্দায় এসে দাড়ায়।দুঃখ দাহের দুজন মানুষ যেন আবার সেই পুরনো দিনগুলোকে খুজে পেতে চেষ্টা করে

Saturday, March 5, 2016

ফেব্রুয়ারী মাসের রেসাল্ট এক্সপোজ করেছে Al Amin Billah Shujon


ফেব্রুয়ারী মাসের রেসাল্ট এক্সপোজ করেছে সুজন। যারা সচরাচর এক্টিভ না এই পেজে তারা হয়তো ভাবছেন এটা আবার কিসের রেসাল্ট? সে যাই হোক প্রয়োজনে নিজ দায়িত্বে জেনে নিবেন।

Al Amin Billah Shujon এর স্টাটিস্টিক অনুযায়ী ৭ মাসের মধ্যে এবারেই আমরা সর্বোচ্চ লিখা এবং লেখক লেখিকা এবং এক্টিভ মেম্বার পেয়েছি। এটা আসলেই ভীষন আশাব্যাঞ্জক। অনেকেই নিজের জড়তা কাটিয়ে লেখালেখিতে, লাইক কিংবা কমেন্টে আসছে এটা আসলেই দারুন। তবে কেন হঠাৎ করে ফেব্রুয়ারীতে সবাই আড়মোড়া ভেঙ্গে জেগে উঠলাম?

ফেব্রুয়ারীতে সর্বাদিক লিখা হওয়ার কারন একটাই আমাদের ২৯ জানুয়ারী। মেজোরিটি পারসেন্ট লিখা ছিল প্রোগ্রামকে ঘিরেই। তার মানে কি ইভেন্ট না থাকলে আমরা হাত পা গুটিয়ে থাকবো?? না, তাইলে চলবেনা, একদম চলবেনা। পেজটাকে এক্টিভ করতে এবং এই পেজের পুরোপুরি আনন্দ উপভোগ অন্যের সাথে ভাগাভাগি করতে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে স্বত:স্ফূর্ত ভাবে। লাইক, কমেন্ট করে এক্টিভ থাকতে হবে। তবে এই নয় যে কাউকে প্রেসারাইজড করা হচ্ছে। সময় পেলে সুযোগ পেলে অবশ্যই আমাদের সাথে থাকবেন। যখন এই পেজে আমি ছিলাম না তখন ভাবতাম সারা বাংলাদেশে বুঝি স্টীল মিল কিংবা আমাদের কলোনীর কেউই বুঝি নাই। কারন একটাই কারো সাথে কমিউনিকেট ছিল না। 

আমাদের রেজা ভাইয়ের মোবাইল এবং পকেটস্থ টাকাপয়সা


আমাদের রেজা ভাইয়ের মোবাইল এবং পকেটস্থ টাকাপয়সা রেল ভ্রমন কালে কোন এক অবিবেচক তস্কর কতৃক চুরি হইয়াছে। সেই থেকে রেজা ভাই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রহিয়াছেন। তবে এখানে সন্দেহের অবকাশ রহিয়াছে যে কোন বিশেষ মহলের ইন্ধনে এই চৌর্যবৃত্তির ঘটনাটি ঘটিয়া থাকিতে পারে। স্বভাবতই সন্দেহের অংগুলি "সারাফের মা" অর্থাৎ আমাদের মলি ভাবীর দিকে নির্দেশ করিতেছে। আমরা প্রায়শঃই রেজা ভাইয়ের পোস্টে তাহার ফেসবুক ব্যবহার নিয়া মলি ভাবীর অসন্তুষ্টির কথা জানিয়াছি। আমরা এরুপ কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। রেজা ভাই দ্রুত ফিরে আসুক আমাদের মাঝে।

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ (১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ টু ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)

- Al Amin Billah Shujon

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ (১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ টু ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)

ফেব্রুয়ারী মাসটা ছিল রেকর্ড এর মাস। অন্যরকম একটা মাস পার করেছে সি.এস.এম পেজ। লিখালিখি আর লেখকের পদচারনায় ভরপুর ছিল সি.এস.এম পেজটি। প্রতিদিনই অসংখ্য লিখা, পোস্ট, ছবি, ছড়া, কবিতা এসেছে পেজ টিতে। সবার লাইক, কমেন্টস, রিপ্লেতে ছিল ভরপুর। মোটকথা সবার অংশগ্রহন ছিল চোখে পড়ার মত। তাই এই মাসে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ হইছে।

হয়তো ফেব্রুয়ারীর শেষ দিনের শেষ মুহূর্তে আরও অনেক লিখা আসত কিন্তু আমাদের সকলের প্রিয় বন্যা আপুর বাবা এবং আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় চাচা/কাকা হটাত আমাদের ছেড়ে চলে যাবার কারণে অনেকেই গ্র্যান্ড আড্ডা সংক্রান্ত লিখা পোস্ট করা থেকে বিরত থেকেছে (যেমন রাজিব এবং উমামার পোস্ট করার কথা ছিল কিন্তু সংগত কারনে করতে পারে নাই, হয়তো এইরকম আরো অনেকেই ছিল, আমিও ছিলাম)  

যাইহোক আজাইরা প্যাঁচাল না বাড়িয়ে এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।

যদি ভালবাস


আমি রিয়া।মা বাবার একমাত্র সন্তান।বাবা সরকারি চাকরি করেন।মধ্যবিত্ত পরিবার।অনার্স পড়ি।সেকেন্ড ইয়ারে উঠতে না উঠতে মা বাবা আমার বিয়ের জন্য উঠে পড়ে লাগলেন। কারন বাবা আগামী বছর অবসরে যাবেন।আমাদের দেশে মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো তে দেখা যায় মেয়েরা অনার্স এ সেকেন্ড বা থার্ড ইয়ারে যেতে না যেতে বিয়ের জন্য পাত্র খোজা শুরু হয়।আর বাবা যদি অবসরে যাবার সম্ভাবনা থাকে তাহলে ত আর কথাঈ নেই।উঠ ছুড়ি তোর বিয়ে র মত অবস্থা।আর এ ব্যাপার টাতে উতসাহ দেবার জন্য থাকেন কিছু আত্নীয় সজন।

মা বাবার এমন আচরনে আমি কিছুটা বিরক্ত হলাম।কারন আমি একজনকে পছন্দ করি।ওর নাম রিফাত।কিন্তু সে এখনো নিজের পায়ে দাড়ায়নি।কিন্তু আমরা পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলাম।নির্ধারিত দিনে আমি বিয়ে করতে ওর বাসায় গেলাম।বন্ধুরা গেল কাজি ডেকে আনতে।রিফাত রেডি হচ্ছে। এমন সময়ে আমার মোবাইলে কল আসল।বাবা স্ট্রোক করেছেন।আমার ভেতর অপরাধবোধ কাজ করল।আমি রিফাত কে ওর ড্রেসিংরুম এ দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে চলে আসলাম।

ভয় দেখানো ও ভর্ৎসনা


ছোটবেলায় আমার একটা অভ্যাস ছিল,সেটা বদ অভ্যাস বলা যায়।সিড়ির পাশের দেয়ালে লুকিয়ে থাকা এবং কেউ সিড়ি দিয়ে আসা যাওয়া করলে তাকে শব্দ করে ভয় দেখানো। এজন্য কেউ বিরক্ত হত আবার কেউ মজা পেত।তেমন একদিন সন্ধ্যাবেলা বেবি আপা (Taslima Khan) সিড়ি দিয়ে কলসি নিয়ে পানি নিয়ে উপরে উঠছিলেন।আমিও যথারীতি ভয় দেখানোর জন্য সিড়ি র পাশের দেয়ালে লুকিয়ে আছি।উনি শেষ সিড়ির কাছে আসতেই আমি জোরে শব্দ করে উঠলাম। উনি খুব বিরক্ত হলেন আর আমাকে ধমক দিলেন।আমি মন খারাপ করে বাসায় চলে আসলাম।ভাবলাম,এতে রাগ করার কি আছে।তারপরে আর কাউকে এভাবে ভয় দেখাইনি।

কিন্তু এখন বুঝি উনি সেদিন যদি ভয় পেয়ে কলসি সহ পড়ে যেতেন তাহলে অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।সেদিন সেটা বুঝিনি।

আমাদের জসিম ভাই।


আহমেদ কবির আমাদের প্রধান শিক্ষক থাকার সময়, ১৫ ই আগষ্ট জসিম ভাই ও নাজমুল ভাই আলি,নাসির,শিপন সহ আমরা অনেকে স্কুল ব্ন্ধ রাখারর জন্য হেড স্যারকে বলা হত।।কিন্তু স্যার কোন ভাবেই বন্ধ দিবে না।আমরা সবাই জসিম ভাইয়ের সাথে থাকতাম চাইতাম বন্ধ করতে।স্যার সকালের শিফটে যখন ক্লাস শুরু হত আমরা জসিম ভাইয়ের নেতৃত্বে স্কুলে গিয়ে তাহের থেকে ঘন্টা নিয়ে,ছুটির ঘন্টা বাজিয়ে দিতাম।আর সবাই কে বলা হত ক্লাস ছুটি,হেড স্যার রেগে যেত।কিন্তু আর বেশী কিছু করতে পারত না।স্যার আজ আপনার কাছে সে জন্য মাপ চাচ্ছি। আপনি বেচেঁ থাকলে দেখতেন আমাদের সিএসএম কলোনীর সেই জসিম ভাই এখন আর আগের মত নাই। রাজনীতি ছেরে দিয়েছে।সবাই আমরা আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থী।

সুন্দর করে গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলা মানুষ গুলো সবার প্রিয় হয়।


সুন্দর করে গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলা মানুষ গুলো সবার প্রিয় হয়। 
আর অপ্রিয় হয় মুখের উপর সত্যি কথা বলা মানুষ গুলো।
এই কথা গুলো আমরা কম বেশি সবাই জানি। তারপরও পালন করতে পারি না। কেন? সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে? নাকি অন্য কিছু? এই সবের উত্তরও আমি এখানে পাবো না। কেউ কেউ হয়তো এই পোষ্টটি দেখেও না দেখার ভান করে চলে যাবে বা শুধু লাইক দিয়ে যাবে। সহজে কমেন্টস করতে চাইবে না। কারন কমেন্টস করলে যদি আবার কোন ঝামেলায় জড়ায়ে যায়।

১৯৯১ ইং ২৯ শে এপ্রিল


মাসুক ভাইয়ের কথাতে লিখা।

১৯৯১ ইং ২৯ শে এপ্রিল :

সেদিন সন্ধ্যা থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল।
তখন টিভি চ্যানেল ছিল বিটিভি।টিভি বার বার ঘষোণা দেওয়া হচ্ছিল ১০ নাম্বার বিপদ সংকেত।এরকম আগেও সংকেত দেওয়া হয়েছিল,কিছু হয়নি,তাই এই সংকেত কে কেউ সেরকম সিরিয়াস ভাবে নেয়নি।

আমরা ছিলাম ই/১২/সি তে।আমাদের বাসার দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে কলোনীর দেয়াল দিয়ে ঘেরা ছিল।পশ্চিম পাশের দেয়ালের বাইরে টিএসপির ক্লিনার এর কিছু স্টাফ থাকতো।আর পূর্ব পাশে খাল পাড় রোড জুরে ছিল বস্তি। রাত ১২.৩০ পর থেকে বাতাসের গতি বাড়তে লাগলো,আমি ও আমার ভাই(মিতু ভাই) সামনের রুমে ঘুমাতাম।বাতাসের গতি এত বাড়ছিল যে জানালার পাশে শো শো শব্দ হতে লাগল,এবং আমাদের জানালার ১ টা গ্লাস ভাঙা ছিল,তা দিয়ে বৃষ্টিরর পানি ঢুকছিল,আমরা কোন রকম আটকিয়ে ছিলাম কিন্তু বাতাসের গতি এত ছিল যে আমি আর ঘুমাতে পারছিলাম না।আমি উঠে জানালার পাশে যেয়ে খেয়াল করি পূর্বপাশের বস্তি গুলা কিছুই নাই। তারপর ভাইকে ডাকলাম তার কিছুক্ষণ পর পূর্বপাশের কলোনীর দেয়ালটা ভেঙে পরে।

চলবে .........।

বড়াপার বাড়ীতে আমরা


ঢাকা টু নেত্রকোনার পুরো সময়টাই জাবেদ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছে । তাই আমি আর সে পথে গেলাম না।

বড়াপার বাড়িতে পৌছে প্রত্যেককেই ভারাক্রান্ত মনেই দেখলাম। আজকে চাচার জন্য দোয়া হবে তাই অনেক আত্মীয় স্বজন আশেপাশের লোকজন আসবেন। কি বলবো কি দিয়ে শ্বান্তনা দেব বুঝে উঠতে পারছি না। নিরব শ্রোতার মত সব হজম করতেই থাকতাম। এর মধ্যে চাচী এসে বসলেন। বেশ কিছুক্ষন চুপচাপ বসে থেকে নিরবে দুহাত দিয়ে মুখ ঢেকে কাদতে লাগলেন । যার সাথে এই মানুষটি জীবনের দীর্ঘ সময় একই ছাদের নীচে একই বেডে কাটিয়েছে তাকেই একাকী জীবনের বাকী সময়টা একাই টেনে নিয়ে যেতে হবে। চাচী একের পর এক স্মৃতি গাঁথা সেই সব দিনের কথা আমাদেরকে বলতে লাগলেন। আরো বল্লেন চাচা হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন তিনি আর ফিরবেন না। তাই যাওয়ার আগেই চাচী কে সবকিছুই নাকি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। এবং বলেছিলেন সবকিছুই ওইখানেই ফাইলে রাখা আছে। তিনি ফিরেছেন তবে নিথর দেহটাকে নিয়ে।

আমার আমি

- Khurshed Alam Manik

--------------- ১৯৮৮ ইং
গতকাল সন্দ্ব্যায় কত সহজে ও বললো, ওর বিয়ে ঠিক হয়ে গিেয়ছে। কাল থেকে আমার সাথে আর দেখা হবে না। এমন কি কোথাও দেখা হলে পরিচয় ও স্বীকার করবে না। আমি চুপ করে ওর শান্ত স্নিগ্ধ মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমি যা চেয়েছিলাম তা হচ্ছে না। এত দিন নির্বিকার নিঃস্পৃহ ভাবে আমাকে ভালো বেশেছিলো। কিন্তু আমাকে একটুও যে হ্রৃদয়ে স্থান দেয়নি তা বুজিনি। আর আমি ..........
ইউনুসের দোকানে গিয়ে সিজার সিগারেট চাইলাম।



চলবে .............

২য় পর্ব ( March 03, 2016)
আমার আমি
-----------------
অনভিঙ হাতে বার বার চেস্টা করে সিজার সিগারেট টা ধরালাম। এক টান দিতেই কাশি শুরু। বি,এইচ কোয়ার্টারের পাশে দিয়ে মসজিদ এর সামনে এসে একটা পথ - যেটা খালের ওপাশ অব্দি যাওয়া যায়। ও দিকেই পা বাড়ালাম।
আজ আমি পরাজিত। সে মুহুর্তে বাজতে পারলাম ও কে ছাড়া আমার বাঁচা হবে না। ওকে ভালবাসি। গভীর ভাবে ভালবাসি। আর সে মুহুর্তে মন স্থির করে ফেললাম,, তিলে তিলে কস্ট পাবার চেয়ে নিজকে শেষ করে দেব আমি। আজ,এখনই,,এই উষ্ন, ,
চলবে,,,,,,,,

টিকা


এখন সরকারী, বেসরকারি হাসপাতালে জন্মের পর পরে নবজাতকের টিকা দেয়। আবার কার্ড করে দেয় পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত কখন কি টিকা দেওয়া হবে। আবার সিটি কর্পোরেশন ও পাড়ায় পাড়ায় কর্পোরেশন ঘোষিত দিনে ক্যাম্প বসিয়ে বাচ্চাদের টিকা দেয়। ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ায়। কিন্তু আগে নিয়ম ছিলো না। এত বেসরকারি ক্লিনিক না থাকায় শুধু সরকারী হাসপাতালে দিত। আর মাঝে মাঝে বিভিন্ন এনজিও সরকারি সহায়তায় স্কুলে কিংবা একেক দিন এক জায়গায় টিকা দিত। আর তখন টিকা মানে মারাত্মক ভয়াবহ ব্যাপার।

একবার আমাদের স্কুলে টিকা দিতে একটা গ্রুফ আসলো। সকাল থেকে তেমন খবর পাই নাই। দুপুরের পরে তাহের খবর দিলো একটু পরে আমাদের ক্লাসে টিকা দিতে আসবে। আমরা তখন সবাই ভয়ে অস্থির। ক্লাসে স্যার পড়াচ্ছিল। কিন্তু সেদিকে কারো মন নাই। সবাই টেনশনে আছে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায় এই চিন্তায়। কারন টিকা দিলে হয় জ্বর আসবে নয়তো ব্যাথাটা সহজে যাবে না। তাই টিকা দেওয়ার স্টাইলটাও ছিল অন্য রকম। অনেকটা পিস্তলের মত ছিল টিকা মেশিনটা। তাই কেউ কেউ এই চিন্তা করে ফেললো যে, ক্লাস শেষ হলে সিঁড়ির নীচ দিয়ে স্কুলে পিছনের দিক বের হয়ে যাবে। কিন্তু ক্লাস শেষ হওয়ার আগে টিকা বাহিনি সরঞ্জাম নিয়ে হাজির। 

সাতটা বিশে বাস


সাতটা বিশে বাস। এলার্ম দিয়েছি পাঁচটা ত্রিশে। পাঁচটা চল্লিশে রিপন ভাইয়ের ফোন পেলাম। উঠে প্রথমে কিছুক্ষন বাজে ফোন সেটটাকে গালাগালি করলাম টাইম মত এলার্ম না দেয়ার জন্য। এরপর ফ্রেশ হয়ে ছয়টা দশের দিকে মহাখালীর দিকে ছুটলাম। ছুটন্ত অবস্থায় আবিষ্কার করলাম আমি পাঁচটা ত্রিশের বদলে ছয়টা ত্রিশে এলার্ম দিয়ে রেখেছি, আমি যখন পথে তখন আমার মোবাইল প্রানপনে আমার ঘুম ভাঙ্গাবার চেষ্টা করছে। গলা চেপে ধরে মোবাইলের চিল্লাচিল্লি থামানো হলো। গিয়ে দেখি রিপন ভাই আগেই হাজির। রিপন ভাইকে খুঁজতে খুঁজতেই আপেল আর নাসেরের সাথে দেখা। রিপন ভাই ততক্ষনে নেত্রকোনা যাবার টিকেট কেটে ফেলেছে। এরপরই আমরা চারজন নাস্তা খেতে বসলাম। মেনু হলো হাতে বেলা রুটি আর আলু দেয়া মিষ্টি কুমড়ার পেস্ট। সবাই সাথে ডিম নিলো। আমার সাত সকালে মুরগি বেচারির এমন সর্বনাশ করতে ইচ্ছা করল না। আমি ডিম নিলাম না।