Monday, June 13, 2016

কথোপকথন


--ঘুমাবে না
--এই তো পাচ মিনিট
-- কটা বাজলো খেয়াল আছে?
--হু,সাড়ে বারটা
-- ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বল
-- আল্লা, একটা বেজে গেল এত তাড়াতড়ি?
-- হু,তুমি আছ স্টিল মিল আর ফেস বুকের ঘোরে, সময় টময় কি তোমার মাথায় আছে?
-- সরি,একটা ইন্টারেস্টিং পোস্টিং দিয়ে এলাম।
-- তোমার যে ডাইবেটিস, নিয়ম মেনে চলাটা কত জরুরি জান না?
-- জানি তো-
-- তা'হলে?
--মনেরও তো একটা ব্যাপার আছে তাই না?
--তাই বলে প্রতি দিন ফেস বুক? প্রতিদিন সিএসএম ?
-- আছছা, কাল থেকে আর হবে না।
--এই সব ছাড়া যায় না? ভোলা যায় না?
--বোধ আর স্নায়ুর মর্মে গেথে আছে বিদ্ধ নাছোড় প্রেম,
কেমন করে ভোলার কথা বল?
--- বাপরে ! থাক, ভোলার দরকার নেই, তাহলে তোমাদের গ্রুপে আমাকেও এড করে নাও -
--- সেটা বোধ হয় একটু কঠিন, তবু বলে দেখব এডমিনকে 
-- দেখ, চেষ্টা করে-
-- ঠিক আছে, ঘুমাও এখন, অনেক রাত হয়েছে, সেহরীতে আবার উঠতে হবে। 
*************
রাত ১:০৩
১৩:০৬:২০১৬

ইন্ডিয়ান এক গায়ক আছে নাম "অনুভব না অনুপম" কি জানি


ইন্ডিয়ান এক গায়ক আছে নাম "অনুভব না অনুপম" কি জানি, আর গানও গায় একটা ই "আমাকে আমার মত থাকতে দাও"। এই পোলার গলায় সারা জীবন খালি এই গান টাই শুইনা আসতাছি। এইডা গান না ছড়া এইটা নিয়াও আমি কনফিউজড। যাই হোক এই অনুপম যখন তার এই জাতীয় সংগীত লইয়া টিভির পর্দায় আসে তখন আমাগো দেশী য় কিছু ললনা ( এই দলে আমার বউও আছে) এমন ভাবে টিভির সামনে দৌড় দেয়, অলিম্পিকে এই দৌড় দিলে এই দেশে গোল্ড মেডেল না হইলেও সিলভার মেডেল আসতোই।

আচ্ছা এই অনুপম ব্যাডা এমন কি গান গায়? যারে দেখার লাইগা টিভির সামনে এমন অলিম্পিক দৌড় দেওন লাগে? এই পোলার থাইকা আমাগো মরা রাশেদও ভালো গান গাইতে পারে। আসলে ইন্ডিয়ার শক্তিশালী মিডিয়ার কারনে যারে তারে বিরাট গায়ক বানাইতে পারে। আমার এক মুরুব্বি কইছিল " পেটে.... থাকলে জিলাপি র মতোও হাগা যায়"।

আমাগোও এমন স্ট্রং মিডিয়া থাকলে মরা রাশেদও বিশাল শিল্পি হইয়া যাইতো। আর সেও টিভিতে গান গাইতো " আমাকে আমার মত ডাব পাড়তে দাও"।

Sunday, June 12, 2016

সন্ধায় খবর পেলাম আমাকে আগামি কাল ভোরে রাঙ্গামাটি যেতে হবে কাজে


সন্ধায় খবর পেলাম আমাকে আগামি কাল ভোরে রাঙ্গামাটি যেতে হবে কাজে, তাই ঠিক করলাম আমার সি এস এম ভাই ও বন্ধুদের জন্য কিছু ইফতার আনা যায় কিনা, তাই বলছিলাম বন্ধু বর,রেজা,রিপন,জসিম,জিয়া,শাহিন,মানিক,টিটু,অপু,মিঠু,ও ভুলে যার নাম লিখবো না মনে করেছিলাম ঃ সে নাজমুলঃ আমি তোদের জন্য রাঙ্গামাটি থেকে কি আনতে হবে না বলে।

যা লিখলাম তোমরা মনে করিবে ইহা ভুল , আশলে ইহা সঠিক।

take to take no take to p---------

আমার প্রবাসী এক বন্ধুর প্রশ্ন


আমার প্রবাসী এক বন্ধুর প্রশ্ন:
********************************
"মালয়েশিয়ায়,আমার বাসা থেকে প্রায় আঠাশ কিঃমিঃ দুর থেকে ইফতারীর সামগ্রী কিনে আনতে আমার বন্ধুর লাগলো পঁয়ত্রিশ মিনিট। 
এসেই বল্লো,জ্যাম দেরী হয়ে গেল।
বছর বিশেক আগে আমাদের যাযাবর কাল, ফার্মগেইট এলাকা থেকে পুরান ঢাকার বিখ্যাত ইফতার সামগ্রী আসবে। সেই কোন দুপুর বেলায় এক বন্ধু অপেক্ষায় রেখে ভরসা দেয়,নো চিন্তা অবশ্যই ইফতারির আগেই ফিরবো। বেলা যায়। রোজাদার’রা ইফতার সেরে,নামাজ শেষে, তারাবির জন্য ছুটলো। পুরান ঢাকা থেকে বিধ্বস্ত বন্ধু ফিরলো অবশেষে। 
বল্লো,জ্যাম দেরী হয়ে গেল।
সাত ঘন্টা লাগলো। কই বাত্ নেহি। রাতের
খাবার হবে। সবাই ফিরুক। 
জানি সবার আরো কতো হরিবল্ অভিজ্ঞতা। কতো গল্প,হাজারো সমস্যা।
অবস্থার কি খুব একটা পরিবর্তন হয়েছে?
******************
প্রবাসী বন্ধুর পপ্রশ্নের উত্তরে :
****************************** 
দু:খ করিস না দোস্ত।
ভালোই তো আছি আমরা।
আমাদের কছির উদ্দিন ইকবাল ওরফে কইছছার কথা মনে আছে নিশ্চয়।
হাজারীবাগে বেড়ে ওঠা ওর নাকি ট্যানারির গন্ধ ছাড়া ঘুম হত না ভালো।
জ্যাম ছাড়া আমদের জীবন যে অচল। আমাদের তো কোন অসুবিধা নেই। বেশতো আছি। 
জ্যাম,ধাক্কা-ধাক্কি,গালাগালি,হাকা-হাকি, ধূলা,ময়লা,আবর্জনা,টেনশন,আতংক ------------(বলা যাবে না)------------ এসব ছাড়া জীবনের সবাদ কোথায়?
নিরঝঞ্জাট,এডভেঞ্চারহীন, একঘেয়ে জীবনতো নিরামিষ জীবন।
ভালো আছি আমরা বেশ ভালো।
তোরাও ভালো থাকিস তোদের মত করে।
( আমার অন্য একটা ক্লোজড গ্রুপ থেকে উদ্ধৃত )

বাসায় বউয়ের সাথে পয়সা খেলা রিতীমত টাকার বিনিময়ে


বাসায় বউয়ের সাথে পয়সা খেলা রিতীমত টাকার বিনিময়ে। পোলা আমার জন্য আল্লাহ্ আল্লাহ্ করছে। জুয়াতে আল্লাহ্ আল্লাহ করলে আল্লহ্ সাপোর্ট দেয় কিনা জানিনা, আমি এখনো চারশত বিশ টাকা লসে আছি। হা হা হা এই খেলা নিয়ে আমার পোলার সে কি চরম উল্লাস। মাঝপথে বউ আব্বা-আম্মাকে চা দিতে গেলো আর এই সময়ঠুকুও সে দিতে রাজি না। তার মাকে ডাকার জন্য কতোবার যে লেফএ রাইট করলো... এখন বিরতী চলছে নামাজের... খেলা জমছে ভালো... বউকে আজকে ফুতুর করতে হবে এট এনি কস্ট্।

ইন্টারনেট ফিন্টারনেট কি জিনিস সেটা আমার বা অনেকেরই চৌদ্দপুরুষ


ইন্টারনেট ফিন্টারনেট কি জিনিস সেটা আমার বা অনেকেরই চৌদ্দপুরুষ জিন্দেগি তে শুনা তো দূরের কথা কল্পনায়ই আনেনি কোনদিন। টেলিভিশনই ছিল দুর্লভ বিনোদনের ব্যাপার। মধ্যবিত্ত প্রায় প্রতিটি পরিবারে রেডিও ছিলো বিনোদন আরোহনের প্রধান উপায়। এক ব্যান্ড, দুই ব্যান্ড বিভিন্ন ক্যাটাগরিরর রেডিও পাওয়া যেতো। 

দুপুর ২ টায় শুরু হতো বিজ্ঞাপন তরঙ্গ। ছায়াছবির গান বা অনুরোধের আসরের গান হতো আর ফাঁকে ফাঁকে দরাজ গলায় বা সুরে বিভিন্ন পন্যের বিজ্ঞাপন। মা চাচী রা সারা সকাল থেকে দুপুর পর্য্যন্ত সংসারের কাজ করে, দুপুরের খাওয়ার পর বিশ্রামের ফাঁকে এই বিজ্ঞাপন তরঙ্গ শুনতো। সাথে আমরা ছোটরাও থাকতাম। আর বিজ্ঞাপন তরঙ্গ শেষ হলে শুরু হতো বিভিন্ন সিনেমার বিজ্ঞাপন, আর সেখানে মাযাহারুল ইসলামের চির পরিচিত গলায় " আসিতে.....ছে, চলিতেছে আপনার প্রিয় প্রেক্ষাগৃহে অমুক ছবি বলে হাঁক," সাথে থাকতো আরো বিভিন্ন ধরনের বিশেষণ। 

প্রতি শুক্রবার বা বৃহস্পতিবার দুপুর তিন টায় প্রচারিত হতো ত্রিশ মিনিটের নাটিকা। তবে এসব নাটিকা আমাদের ছোটদের কাছে ভালো লাগতোনা। আমাদের কাছে নাটিকার চেয়ে সিনেমার গানই ভালো লাগতো বেশি। বড়রা আবার এই নাটক গুলো খুব মনোযোগ দিয়ে শুনতো। সন্ধ্যায় থাকতো সৈনিক ভাইদের জন্য অনুষ্ঠান "দুর্বার "। কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠান সহ পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান। সবাই মনোযোগ দিয়েই সে অনুষ্ঠান গুলো শুনতো।

এখনকার এফএম রেডিও নামক বাংলা ইংরেজি র দূষিত মিশ্রনের ছ্যাবলামো মার্কা বকবকানির চেয়ে লক্ষ কোটি গুন ভালো ছিল সেই সমস্ত রেডিওর স্বর্নালি দিন গুলো।

রমজানের মাস সংযমের মাস


রমজানের মাস সংযমের মাস। সংযম কতটুকু পালন করি জানি না। তবে এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি অন্যান্য মাসের তুলনায় এ'মাসে খাবার দাবার আয়োজন থাকে সবচেয়ে বেশী। হ্যাঁ এমাসে সবকিচুতে একটা উৎসব উৎসব ভাব থাকে। এই উৎসব সবার মধ্যে একটা আবেগ তৈরী করে দে। আমরা যতই বলিনা কেন, এমাসে খাবারের অপচয় হয় সবচেয়ে বেশী। যাক এসব নিয়ে বেশী কিছু বলে আতেলের খাতায় নাম লেখাতে চাই না। আমি কোন জ্ঞানী নই, সবাই আমার উপদেশ মেনে চলবে কিংবা আমি কোন মাওলানা নই ফতোয়া জারি করে দিব বা এসব কথা আমার বলাও উচিত নয় কারন আমি নিজেই এসব মেনে চলি না। তবে এমাসের উৎসব রীতিকে আমি বেশ উপভোগ করি। সি এস এম কলোনীতে থাকা অবস্হায় ইফতার পার্টির মাধ্যমে এমাসটি বেশ উপভোগ্য ছিল। সারা মাসেই কোন না কোন ইফতার পার্টির মাধ্যমে সবার সাথে আড্ডা দেওয়া বা একসাথে ইফতার করার মাধ্যমে সম্পর্কের একধাপ উন্নতি ঘটত। সবচেয়ে ভালো লাগতো আমাদের সেসব ইফতার পার্টিতে হিন্দু, মুসলিম সবাই যোগদান করতো। আজ হয়ত সেসব স্মৃতি কিন্তু সেসব আনন্দদায়ক স্মৃতি আজীবন মনে থাকবে। যদিওবা অনেকের মতে এটাও একধরনের অপচয় কিন্তু আমি এ অপচয় দারুন পছন্দ করি।

COLONY LIEFR ROJAR EKTA MOJAR KOTHA MONE PORE GELO


COLONY LIEFR ROJAR EKTA MOJAR KOTHA MONE PORE GELO.TAI SHARE KORCHI.JANINA KARO VALO LAGBE KINA?TOBUO KORLAM.TOKHON AMRA C-8-E TE THAKI.AMADER PASHER BASAE ARUN CHACHA THAKTEN.UNAR MEYE CHAITI IFTERER SOMOY HOLAI SALWAR-KAMEEZ-ORNA PORE ASTO IFTER KORTE.SE BOLTO- "AMI UPOR DIA HINDU KINTU MONE MONE MUSALMAN."HA HA HA SEDINER SEI CHOTTO CHAITI,AKHON SE EKJON MAA.

আজ এখন থেকে ৯ ঘন্টা আগে আমার খুব কাছের মানুষ জনাব আনিসুর রহমান রেজা


আজ এখন থেকে ৯ ঘন্টা আগে আমার খুব কাছের মানুষ জনাব আনিসুর রহমান রেজা একটি পোস্ট করছিল, খুব ই মজার আমি রেজার মামাতো ভাই সজল কে ও ভাল ভাবে চিনি বা জানি।খুব মজা লাগলো পড়ে, কিন্তু বন্ধু সময় বসে থাকে না সবিনয়ে বলছি আর নয় হেলা ফেলায় অনেক দিন পার করেছি, সেই সব ঘটনা যদি লিখা শুধু করি তা হলে অন্য সব বাদ দিয়ে আমাদের করা দুস্টামি কলোনি সেরা, কেউ জানুক বা না জানুক আমার বন্ধুরা খুব ভাল ভাবে ই জানে।এখানে বলে রাখা ভাল যে আমাদের বন্ধু মহল এ যে কোন কাজে এক জন না হয় এক জন যে কোন কাজে অভিজ্ঞ হেড মাস্টার ছিল।

আমি ভাই খুব খুব বোকা,অপরাধি,ঘুনাগার আল্লাহ যদি ক্ষমা করেন তাই চেস্টা করে যাচ্ছি বাকি আল্লার ইচ্ছা, তাই বন্ধুদের সবিনয়ে অনুরোধ করছি সব কর কিন্তু নামাজ রোজা বাদ দিয়ে নয়।বাকি কথা রেজার পোস্ট এর কম্মেন্টস এ

হেপাটাইটিস B ভাইরাস


হেপাটাইটিস B ভাইরাস ইনফেকশন আমাদের দেশে একটা বড় সমস্যা। অনেক সময় দেখা যায় কারো কখনো জন্ডিস হয়নি কিন্তু অন্য কোনো সমস্যার জন্য টেস্ট করার পর দেখা গেল হেপাটাইটিস B ভাইরাস positive. এরকম অনেক সমস্যার উত্তর এর জন্য ATN bangla এর অনুরোধে ২০ মিনিট এর একটা অনুষ্ঠান করেছিলাম। সময় স্বল্পতার জন্য অনেক প্রশ্নের হয়ত উত্তর দিতে পারিনি। ভিডিওটা youtube এ আছে। আমি লিংক টা দিলাম, কেউ চাইলে দেখতে পারেন। দেখার পর যদি কারো কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে সেগুলো করতে পারেন ইনবক্স এ বা কমেন্ট হিসাবে।


বাসায় আমের মহোৎসব যাচ্ছে এবার


বাসায় আমের মহোৎসব যাচ্ছে এবার, প্রথম বার স্টিলার এক বড় ভাইয়ের সৌজন্যে কুড়ি কেজি আম সরাসরি রাজশাহী থেকে আমদানিকৃত, সেটা থাকতে থাকতেই আমার ক্লায়েন্ট এর মাধ্যমে আবারো কুড়ি কেজি আম বাসায়, সেগুলো যখন ভক্ষণ, বিতরন চলছে তখন শ্বশুর মহাশয় আরো ত্রিশ কেজি আম আর তিনশ লিচু নিয়ে বাসায় হাজির। পুরা বাসায় আমের ঘ্রানে মৌ মৌ অবস্থা। ইফতার, সেহেরী আর রাতের বেলায় আম হচ্ছে রুটিন খাবার আমাদের। 

ঠিক এই যখন অবস্থা রাত বারোটার দিকে বাসার কলিং বেলের আওয়াজ, এতো রাতে তো কেউ আসেনা! কৌতুহলী মনে দরজা খুলে দেখি সেজো মামার ( আবাহনীর সাবেক ফুটবলার খসরু, বর্তমানে নওগাঁ কাস্টমসে কর্মরত) গাড়ির ড্রাইভার বিশাল এক বক্স পায়ের কাছে রেখে দাঁত বের করে বিগলিত হাসি দিয়ে বলল " স্যার রাজশাহী থাইকা পাডাইছে", একবারে ফেরেস আম, আজকাই সকালে গাছতুন পারছে"। 

ড্রাইভার কে বিদায় করে প্যকেট খুলে দেখি আসলেই একেবারে ফ্রেশ আম, আমের সংগে লেগে থাকা পাতা তখনো সতেজ।ছেলে পাতা সহ আম দেখে তেো মহাখুশি। আর আমি বলে উঠলাম
" ওররে, মাগনা কত আম আসেরে"

Saturday, June 11, 2016

Today June 11


Today June 11, the British are celebrating 90th Official Birthday of their Queen ; Elizabeth. This is different from her biological DoB April 21

I had the opportunity to observe the celebration Standing near Bakingham Palace back in 1991.During my observation I noticed British are very loyal to their Monarchy. They have great respect and deep love for the Royal Family.

This year celebration is more colorful,enthausiastic and inclusive than that of 1991. The other difference is the absence of Princss Diana the most fabulous, glomorous beautiful lady of the world.

Here is some glimpses from old album and bbc:

অনেক বছর আগের কথা। রোজার মাস


অনেক বছর আগের কথা। রোজার মাস। সকাল বেলায় বিছানাতে। মামাত ভাই সজল এসে হাজির। আমার দাদা/নানার বাড়ি পাশা পাশি, ৫মিনিটের পথ। দুজনেই আমরা চুপচাপ এবং দুজনেই কিছু বলতে চাচ্ছি!দুজনের চোখেই হাসির ঝিলিক খেলে গেল! আস্তে ধিরে বিছানা থেকে উঠে পড়লাম। কোন কথা বার্তা ছারাই দুই ভাই বাড়ি থেকে বেড় হয়ে পড়লাম। বাজার পর্যন্ত গেলাম,তাও কোন কথা হলো না! মনে মনে ভাবছি,একটি বেবি টেক্সি নিয়ে টাঙ্গাইল শহরে গেলে কেমন হয়? গ্রামের বাজার, এখানে সবাই চিনে, কেউ দেখে ফেললে, সোজা দাদার কাছে বলে দিবে। আমাকে অবাক করে দিয়ে, সজাল একটি বেবি টেক্সি ভাড়া করে বসলো! টেক্সি নিয়ে টাঙ্গাইল শহর পর্যন্ত চলে গেলাম, এখনো আমাদের দুই ভাই এর মাঝে কোনো কথা হয়নি! এবার দুই ভাই রিক্সায় উঠে বসলাম। কই যাইতেছিরে সজলা, এই প্রথম কথা হলো! ম্যালাদিন হয়ে গেছে ভাই, পরোটা আর কবুতরের মাংস খাইনা! ঠিক কথা, ম্যালাদিন হয়ে গেছে, পরোটা আর কবুতরের মাংস খাইনা! কই পামু? মিস্টির দোকানেই পামু, বে-রোজদারদের জন্য স্পেশাল আয়োজন থাকে! তবে ভাই একটু টেনশনে আছি! কেন সজলা টেনশন কেন!? আমরাতো গ্রামের বাইরে আছি? ভাই, সকাল বেলায় ঘুমের থেকে ঊঠে আব্বুরে[মামা] বাড়িতে পাই নাই! তাতে সমস্যা কি? দুরু ভাই তোমারে কোনো কথা "ভাইংগা/চুইরা" না কইলে বুঝোনা! আমাগো বাশাইল গ্রামের মধ্য, আব্বুর চেয়ে বড় রোজদার আর নাই! ইফতার করে মসজিদে, হুজুর আর এতিম পুলাপানের সাথে! ঢুকলাম দুই ভাই, কালিবাড়ির মিস্টির দোকানে। ঘিয়ে ভাজা পরোটা আর কবুতরের মাংস! খেতে খেতে হটাত সুনি পিছন থেকে কে যেন বলছে, গোপাল, আমারে একটা ছানার সন্দেশ দিও, রোজা/রমজানের দিন, না খাইয়া-ই থাকি, ডায়াবেটিস আর কত বাড়বো? আরে সজলা তুইতো ঠিকি বলছোস! মামা "ঠাটায় মারতেছে"! হোটেলের ভিতর কিছুটা অন্ধকার থাকাতে, মামার চোখে আমরা পরিনাই। বুঝলা ভাইয়া, আব্বু একটা কঠি--ন জিনিষ! হুউউম মামু আমার,মসজিদের আবার সেক্রেটারি-ও! গোপাল, একটা গোল্ডলিফ সিগারেট আনাও! শেষ সিগারেটটা খাইয়্যা যাই! হা হা হা হা হা---------------------।

সন্ধ্যার আগে আগে , মামু আমার মসজিদের দিকে যাচ্ছে, মাথায় টুপি! এতিম পুলাপান আর হুজুরদের সাথে ইফতার করবে! হা হা হা হা ------- মামু আমার কঠিন জিনিষ !।

আজ ১১ই জুন টিপুর শুভ জন্মদিন


Abdullah Al Mahbub টিপু,(ব্যাচ-৯৫) ছেলে হিসাবে অনেক ভদ্র ও ঠান্ডা প্রকৃতি । আমাদের ব্যাচের ছেলেদের মধ্যে টিপু ফাষ্ট বয় ছিল । রোল ১নম্বর টা টিপু সারা বছরের জন্যে বরাদ্দ ছিল । ১ম শ্রেণী থেকে শুরু করে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ঐ রোল ১নং টা টিপুর বরাদ্দই ছিল । আর আমি সবসময় পিছনের টুলের ছাত্র ছিলাম, কোন মতে টেনে টুনে পাশ করতাম । টিপুর কিছু কথা মাঝে মাঝে মনে পড়ে, সে আমাকে সমসময় বলতো পড়া শুনার দিকে একটু মনোযোগ দে ,কে শুনতো কার কথা আমি চলতাম আমার মতোই । কর্মদক্ষতায় টিপু এখন ফ্যামেলি সহ মালয়েশিয়া অবস্খান করতেছে । 
আজ ১১ই জুন টিপুর শুভ জন্মদিন । টিপুকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।

আজ ছুটির দিনটিতে ভেবেছিলাম ছেলের মায়ের সাথে সপিং এ বেরব


আজ ছুটির দিনটিতে ভেবেছিলাম ছেলের মায়ের সাথে সপিং এ বেরব। সকালবেলা প্রস্তাবটি তিনি বিনয়ের সাথে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন ছেলেদের নিয়ে যেতে। 

যথা আজ্ঞা ।

রোজার দিনে ড্রাইভারকে কষ্ট দিতে মন চাইলো না। বাপ-বেটা ভাগে যোগে গাড়ি চালিয়ে সারাদিন সসপিং সহ আরও কিছু জরুরি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে চারটা।

দিনমান মার্কেট মার্কেট ঘুরে তিন বাপ-বেটা ভীষন টায়ার্ড। কাজের মেয়েটা দরজা খোলা মাত্র তিন জনই যে যার শোবার ঘরে। এসি অন করে দে এক ঘুম। 

সোয়া ছটার দিকে রান্না ঘর থেকে গিন্নি এসে ঘুম না ভাঙালে আসর নামাজটা বুঝি কাযাই হয়ে যেত। তাড়াতাড়ি অজু করে নামাজ শেষ করে টিভিতে লাইভ ক্রিকেট।

বন্ধ রুমে খট খট আওয়াজ দিয়ে গিন্নি জানান দিল ইফতারের সময় হহয়েছে।

Friday, June 10, 2016

জীবনের কিছু সময় অন্তর অন্তর বেশ কয়েকটা দিন প্রতিটি মানুষের একেবারে একান্তে কিছু সময় পার করা উচিত


জীবনের কিছু সময় অন্তর অন্তর বেশ কয়েকটা দিন প্রতিটি মানুষের একেবারে একান্তে কিছু সময় পার করা উচিত, যেখানে নিজে একা ছাড়া আর কেউ থাকবেনা, থাকবেনা টেলিফোন, মোবাইল নামক যন্ত্রনা। বড় বড় তিন চারটি বড় বড় গাছের ছায়া ঢাকা নিরিবিলি একটি টিন শেডের চৌচালা লম্বা বারান্দাযুক্ত একতলা ঘর, বর্ষা কালে টিনের চালে বৃষ্টি র রিমঝিম শব্দ আর শুকনো মৌসুমে গাছ থেকে শুকনো পাতা পড়ার খুট খুট শব্দ। যে ঘরে থাকবে বড় বড় জানালা। ঘুম থেকে উঠেই বিছানা তে বসেই জানালা খুলে দেখা যাবে তিতাস নদী টাইপ শান্ত আর নিরীহ নদী। বিকাল বেলা ঘুরতে বের হয়ে সেই নদীর পাড়ে বসে সময় কাটানো। আর হ্যাঁ! সেই বাড়িতে আলমারি ভর্তি থাকবে অনেক ধরনের বই। আর বিনোদন হিসেবে শুধু মাত্র স্যাটেলাইট লাইন যুক্ত টেলিভিশন থাকবে।

চারদিনের জ্বরে সারাদিন বাসায় শুয়ে শুয়ে এই ভাবনা গুলোই মাথায় ঘুরপাক খেয়েছে।

Thursday, June 9, 2016

আগ্রাবাদে ভোগ বিলাস এবং শ্রী কৃষ্ণ নামে দুটি হিন্দু হোটেল আছে


আগ্রাবাদে ভোগ বিলাস এবং শ্রী কৃষ্ণ নামে দুটি হিন্দু হোটেল আছে। সেগুলো সারা বছরই খোলা থাকে। সেগুলোতে সারা বছর কট্টর হিন্দুরাও যায় কিনা সন্দেহ। অবশ্য না যাওয়ার কারনও আছে। কারন ওখানে খাওয়ার পরিবেশ সাধারন মানেরও না। কোন রকমে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলে। কিন্তু রমজানে দিনের বেলায় দেখা যায় হিন্দুদের চেয়ে মুসলিমরা যায় বেশি। নন মুসলিমরা জায়গা পায় না। অনেক বড় বড় কমর্কতাকে দেখেছি সেখানে লাঞ্চ করতে। আরও অবাক হবেন এই মুসলিমরা রমজানের পরে ওই হোটেল গুলির নাম শুনলেও নাক সিটকায়।

সেই জাহিদ ভাই


সেই জাহিদ ভাই, আর আজকের জাহিদ ভাই, মরু আরব তারে কি থেইক্কা কি বানাইছে দেহেন!!!!!!!!!!!!!

সেই জাহিদ ভাই যখন আমাদের কলোনীতে এলেন, ওয়ার্কার ক্লাবের ঠিক পেছনের বিল্ডিয়ে থাকতেন, সেরকম স্মাট ছিলেন। নরমাল লুঙ্গি পরলেও তাতে দারুন একটা ভাব ছিল। লম্বা চুল, শুধু না, উনার পরিধেয় সব পোষাকেই ছিল সেরম মারদাঙ্গা ভাব আর extreme আধুনিক, অসম্ভব রুচি ছিল তার dress selection এ, উনারে দেখতাম আর ভাবতাম একদিন আমিও বড় হলে........................।।

হায়রে বড় হওয়া, বড় হয়ে যে কত কি মিস করছি!!!!!!!!!!

Happy Friendversary লাড্ডি


কাল দুপুর থেকে ব্যাস্ততার কারনে ফেবু'তে আমার এন্ট্রি হয়নি। সকালে যেই না ফেবুতে লগ ইন করলাম প্রথমেই দেখলাম ফেবু সাহেব আমার আর আমার লাড্ডির ফেবুতে রিলেশন'র বয়স মনে করিয়ে দিচ্ছে। 

লাড্ডি আমার ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। সমস্ত টেস্ট, এক্স-রে শেষ করে ড: মনিরকে দেখাবে আর তখনি শুনলো ড: সাহেব কয়েকদিনের ট্যুরে আমেরিকা যাচ্ছেন। ফিরবেন 14ই জুন। তরিঘরি করে রিপোর্ট দেখাতে পপুলার হসপিটালে গেল কিন্তু তিনি সময়ই দিতে পারলেন না।

তিনি এক কার্ডিয়াক স্পেশালিস্টকে রিপোর্টগুলো দেখাতে বল্লেন, এখানেও বিধিবাম। মেডিকেলের লিফট দুইদিন ধরে অকেজো। লাড্ডি তিন তলায় আস্তানা গেরেছে। ওর যে অবস্থা, কোনভাবেই তিনতলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামা সম্ভব না। কাজেই লিফট ঠিক হওয়ার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। 

আর অন্য সবকিছুর জন্য ড: মনিরের 15 তারিখে মেডিকেলে আগমনের অপেক্ষায় দিন গুনতে হচ্ছে। Ahsanul Tarique

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থতা দান করুন। আমিন। 

Wednesday, June 8, 2016

ঘটনা কি?


ঘটনা কি? সবাইরে কি রোজা কাহিল করে দিলো নাকি,আমাগো Atiq Csm কোনে,কলোনী এতো চুপচাপ ক্যা,নামাজের পর তো হগলের ইউনুস এর দোকানে পান সিগারেট এর জন্য লম্বা সিরিয়াল ধরা লাগতো আজ দুইদিন দেখি দোকান পুরাই ফাঁকা,রোজা রাইখা হগলে কি সারাদিন ঘুম পাড়তাছে নাকি,ডাব গাছ গুলি হাঁ কইরা তাকাইয়া রইছে আর মনে মনে কইতাছে ডাবের ভারে তো আমি নুইয়া পড়তাছি কেউ ডাব পাড়ে না কেন?সকাল বিকাল খাল পাঁড়ে ও ভিড় হয় না হগলে কি তাস খেলা ভুইল্লা গেলো নাকি,বিকালেও দেখি ছোড ছোড বোনেরা ইফতার নিয়া এই বাসা টু ওই বাসা দোড়াদৌড়ি ছাইড়া দিলো,একটু পর তো আবার মিলের সাইরেন শুরু হইয়া যাইবো, ঘটনা কি হগলে কনচেন দেহি।

রোজার সময় স্কুল বন্ধ থাকত


রোজার সময় স্কুল বন্ধ থাকত।আমরা সকাল ১০ টা থেকে প্রায় দুপুর এ যোহরের আযানের আগ পযর্ন্ত ৫ নাম্বার বিল্ডিং এর পাশে সুমনদের নারকেল গাছের নিচে দাবা খেলতাম।কে সবচেয়ে ভাল খেলে তা তখন দেখা যেত।আযানের আগে আগে বাসায় গিয়ে গোসল করে মসজিদে।তখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরতাম সব দল বেধেঁ মসজিদে।আসরের আযানের অনেক আগেই মসজিদে যেয়ে বসে থাকতাম।হাসানের( ৯৪ ব্যাচ)চাচা আযান দিত।তার আযান এর টান ছিল সেইরকম সুমধূর।এখন তিনি কোথায় আছেন তা এখন জানি না।

সবাই কে আল্লাহ সুস্থ ভাবে বাকী রোজা রাখার তৌফিক দান করুন আমিন।

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে (BMA) চলা সার্কাস নিয়ে লিখার ইচ্ছা ছিলো অনেকদিনের


হাঃহাঃহাঃ !!!! বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে (BMA) চলা সার্কাস নিয়ে লিখার ইচ্ছা ছিলো অনেকদিনের | দুই বছরের কাহিনী একহাজার পাতার উপন্যাসেও বোধহয় লিখে শেষ করা যাবে না | ২০০৪ সালের ২০ জানিয়ারি মঙ্গলবার বিকেল চারটায় BMA নামক চিড়িয়াখানায় জয়েন করি | গেইট দিয়ে ঢুকার সাথে সাথেই সার্কাস শুরু !! ডায়নিং হলে শুধু খাবারের চেহারা দেখতে যেতাম | পেট ভরাতাম টয়লেট চেপেছে বলে বাথরুমে এসে কলের পানি খেয়ে | চারদিন পর শুক্রবারে ওযুর নাম করে ঢকঢক করে পানি খাওয়ার কথা ভুলবো না কোনোদিন ও | এরপর মসজিদে ঢুকে..... আহ!!! শান্তি !!!!!! ঘুম !!!!!! 


জীবনে মাথা ব্যাথা হয়নি এমন মানুষ পাওয়া মনে হয় মুশকিল


জীবনে মাথা ব্যাথা হয়নি এমন মানুষ পাওয়া মনে হয় মুশকিল। মাথার ব্যাথা অনেকের জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাড়ায়। মাথা ব্যাথা সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে 90% এরও বেশী মানুষের মধ্যে দেখা যায়। মাথা ব্যাথা প্রায়ই একটি benign recurrent disorder (যা ক্ষতিকর না, কিন্তু বার বার হয়) হিসাবে দেখা যায়; তবে কিছু মাথা ব্যাথা হতে পারে সর্বনাশা অবস্থার প্রতিফলন। (যেমন ব্রেন টিউমার বা ব্রেন স্ট্রোক এর মাথা ব্যাথা).

দুটি খুব কমন মাথা ব্যাথার কারণ নিয়ে আলোচনা করার আগে মাথা ব্যাথার সাথে কি কি থাকলে বা মাথা ব্যাথার ধরন কি রকম হলে দেরী না করে অব্যশই মেডিকেল attention দরকার তা বলে নিব:
এগুলোকে বলা হয় মাথা ব্যাথার red flag sign --

১. মাথা ব্যাথার আকস্মিক সূত্রপাত বা অশনিপতন হামলা (thunderclap attack) [এইটার বাংলা টা হয়ত ঠিক হয়নি] . 
২. জীবনের সবচেয়ে খারাপ মাথা ব্যাথা।
3. মাথা ব্যাথার মৌলিকব প্যাটার্ন পরিবর্তন বা ক্রমেই মাথা ব্যথার অগ্রগতি হওয়া। 
৪. মাথা ব্যথার সাথে অস্বাভাবিক শারীরিক পরীক্ষার ফলাফল (Abnormal physical examination findings).
৫. মাথা ব্যথার সাথে Neurologic symptoms ১ ঘন্টার বেশী স্থায়ী হওয়া I 
৬. ৫ বছর এর কম বা ৫০ বছর এর বেশি বয়সী ব্যক্তিদের নতুন মাথা ব্যাথা। 
৭. ক্যান্সার, immunosuppression রোগী (যেমন HIV patient), অথবা গর্ভাবস্থায় নতুন মাথা ব্যাথা। 
৮. মাথা ব্যথার সাথে চেতনার পরিবর্তন বা হ্রাস। (Headache associated with alteration in or loss of consciousness)
৯. যে মাথাব্যথা আরম্ভ হয় যৌন কার্যকলাপ বা Valsalva maneuvers [মলমূত্র ত্যাগ করার সময় কোত দেয়ার condition] দ্বারা।

Tuesday, June 7, 2016

রোজার প্রথম ১০ দিন হল রহমত এর দিন


রোজার প্রথম ১০ দিন হল রহমত এর দিন, রহমত এর ১০ দিনের ১ দিন আজ পার করলাম খুব ভাল ভাবে কোন কস্ট ই অনুভব হয় নাই তেমন গরম ও লাগে নাই সবই আল্লার ইচ্ছা,আমি আমার কথা বললাম আমি সবার কথা জানি না, তবে আশা করছি সবাই খুব ভাল ভাবে রোজা ও নামাজ পড়ে রহমতের প্রথম দিন পার করেছেন,আল্লাহ আমাদের কে বাকি দিন গুলো নামাজ ও কোরান পড়ে ,রোজা রেখে পার করার তোফিক দান করুক।সবাই আমার সাতে এক মত হবেন আশা করছি।আমিন।

এক ছোট ভাইয়ের অনুরোধে ঢেকি গিলি....


"রোজা মোবারক"
কলোনীর প্রথম সময় কার কথা।১৯৮৮-৯০ সময় কাল টা এমন।
ক্লাস থ্রিতে পড়ার সময় প্রথম আসি কলোনীর সি/১০/এ তে।বাচ্চা কাল,এক দংগল বাচ্চাকাচ্চা খেলার সাথী মিলে গেল।সারা বিকেল হৈ হৈ রৈ রৈ, খেলা ধুলা।বাসার সামনে বড় একটা মাঠ।মেয়েদের খেলার দখলেই থাকত সারা বিকেল।কত ই বা বয়স এক এক জনের? ফ্রক পড়া আউলা ঝাউলা চুলে মাঠ ধাপিয়ে বেড়ানো বাচ্চা মেয়েগুলা তখন রংগীন শৈশবে দৌড় ঝাপে ব্যাস্ত।।
নিত্য খেলার পর মাগরেবের আজান দেয়ার সাথে সাথে মুরগী খোয়াড়ে ঢুকার মত তারাও বাসায় ঢুকে যেত।
ব্যাতিক্রম হাতে গোনা কয়েক দিন।
যেমন,শাওয়াল মাসের শুরু টা। বাচ্চা গুলা আরো অনেকের মত সন্ধ্যে হলেও বাসায় যেত না।গেলেও তিড়িং বিড়িং করে আজানের পর পর ই আবার মাঠে।
চোখ,সেই দূর আকাশের ওপারে।এ মাথা থেকে ও মাথা খোঁজাখুঁজি। আতিপাতি করে চলে চিরুনি অভিযান।কই কই কই????
হঠাৎ ই হয়ত কারো চোখের কোনে ধরা পড়ে এক ফালি চিকন রুপার বক্রপাত। উল্লাসের মাত্রা ছাড়িয়ে চিৎকার "ঐ তো রোজার চাঁদ "। সাথে সাথে চোখ জোড়া চলে যেত নিদৃষ্ট কোনে। নতুন চাঁদ দেখে নাকি সালাম দিতে হয়।তাই হাত ও উঠে যেত সালামের ভংগিতে। এক দিকে মিলের সেই সাইরেন বেজে উঠতো রোজার আগমন বার্তা জানিয়ে দিতে, অন্যদিকে মসজিদে আজান।

শুরু হয়ে গেলো সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস


শুরু হয়ে গেলো সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস। বারোটি মাসের মাঝে ব্যাতিক্রমী একটি মাস। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে জীবনের প্রতিটি রমজান মাসই সম মর্যাদার। কিন্তু আমি যখন আমার "ব্যাক্তি বা সামাজিক জীবনে রোজার মাস" নিয়ে চিন্তা করি তাহলে নির্দিধায় বলা যায় কলোনি জীবনের মত এতো মজার রমজান মাস আর কখনওই পাবোনা। 
কলোনিতে রমজান মাস আমাদের কাছে যত না ধর্মীয় ব্যাপার ছিল তার চেয়ে বেশি ছিল কলোনির সামাজিক উৎসব। এর ওর বাসায় ইফতার আদান প্রদান ছিল সেই সামাজিকতার অন্যতম অনুষঙ্গ। এমনকি অন্য ধর্মাবলম্বী রাও এ উৎসব থেকে কখনো বাদ পড়তোনা। 

আজকাল কার দিনের মত রোজার সময় স্কুল কলেজ গুলো খোলা থাকতো না, ছিলনা পড়াশোনার যান্ত্রিক চাপ। অনেকটা রিলাক্স মুডেই মাস পার করে দিতাম। জোহর নামায শেষে ক্যারাম, দাবা অথবা দিন ব্যাপী কার্ড খেলা, আছর নামাজ শেষে একটু আড্ডা। ইফতার শেষে দলবেঁধে মাগরিবের নামাজ তারপর জেক্সে গিয়ে সিগারেট আর চা য়ের তুমুল আড্ডা। তারাবির সময় নামাজ ফাঁকি দিয়ে পড়ে থাকতাম আম গাছ আর ডাব গাছের কাছে। অথবা বিশেষ কারো সাথে এক টুকরো হাসি আদান প্রদান।আরো কত কিছু।

আসলে সেই দিন গুলির কথা কখনো লিখে বা বলে শেষ করা যাবেনা বা কাউকে বোঝানো যাবেনা।

Monday, June 6, 2016

রমজান ও রমজানের চাঁদ


সেই ছোট্ট বেলা, ক্লাস 5/6 এ পড়ি, স্টীল মিল কলোনীতে যখন ছিলাম তখন আজকের এই সন্ধ্যার মত কোন সন্ধ্যায় F-type এর 7 নম্বর বিল্ডিংয়ের পাশের রাস্তায় কিংবা বড় মাঠে আমরা পুচকুরা সবাই জড়ো হতাম চাঁদ দেখার জন্য। আকাশে এদিক সেদিক উকি মেরে চাঁদ খুজতাম। যেই না কেউ একজন চাঁদ দেখতে পেত সাথে সাথেই চিৎকার দিয়ে জানান দিতাম। চাঁদ দেখে মন খারাপ হতো কারন আব্বা আম্মার প্রেসার ক্রিয়েট আর বকাঝকা শুরু হবে সেহেরির সময় থেকেই, রোজা রাখতেই হবে। 

আব্বা আম্মার বকুনী খেয়ে সেহেরীর সময় কত কস্ট করে যে ঘুম ভেঙ্গে উঠতাম সেটা এক আল্লাহ মাবুদই জানে। অনেক সময় ঘুমের ভান করে শুয়ে থাকতাম। কিন্তু আব্বা টেনেটুনে ঘুমন্ত আমাদেরকেই বসিয়ে দিত। সেহেরীর সময় কেন যে এতো মজার ঘুম হতো আর স্বপ্ন দেখতাম সেটা ইবলিশ হারামজাদাই জানে। অনেক কস্ট করে দুপুর পর্যন্ত কাটানোর পর পেটে চোঁ চোঁ শুরু হতো। ব্যাস মাথায় ইবলিশের বাচ্চা এসে ঘাঁপটি মেরে বসতো। তারপর নূর ছাফা কাকার দোকান থেকে জমানো টাকা দিয়ে এটা সেটা কিনে লুকিয়ে খেতাম। রোজা রাখিনি কেন কাকা জিজ্ঞেস করলে বলতাম, আম্মা নিষেধ করেছে, সেহেরীর সময় উঠায়নি। আবার কখনও আম্মা যেই না গোসল করতে যেত চুরি করে রান্না ঘরে যেয়ে খেতাম। এদিকে ইফতারের সময় ঠিকি আব্বা আম্মার সাথে একসাথে ইফতার করতাম। এই ছিল সেই সময়ের হালহাকিকত।

সবাইকে পবিত্র রমজানের আলোকিত শুভেচ্ছা


সবাইকে পবিত্র রমজানের আলোকিত শুভেচ্ছা|সংযমের মোহনীয় স্পর্শে সকলেই ভালো থাকবেন এটাই প্রার্থনা করি|যাঁরা ডায়াবেটিস বা প্রেশারের সমস্যায় তাঁরা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন|হঠাৎ হয়ত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লো বা পানিশূন্যতা ,লবণস্বল্পতা দেখা দিতে পারে|এজন্যে পূর্ণ বিশ্রাম,ঘুম,ধীরে কথা বলা,অতিরিক্ত তেল,ভাজাপোড়া না খাওয়া,ইত্যাদি মেনে চলা ভালো|সুষম সেহেরী ও ইফতার এবং নির্মল প্রার্থণায় সকলের রোজার দিনগুলো কাটুক আনন্দের সাথে,সুস্থতার সাথে| পরম করুণাময়ের মঙ্গলময় ছোঁয়া থাকুক সবার উপরে||

সকালেও জ্যামে পড়ছিলাম অফিস যাওয়ার পথে


সকালেও জ্যামে পড়ছিলাম অফিস যাওয়ার পথে, অফিসের কাজে বিকেলের দিকে অন্য এক এলাকায় গেছিলাম সেখানেও গেছি জ্যাম ঠেইলা। বাসায় ফিরার পথেও আখেরি জ্যাম। এর মধ্যে পোলার ফোনে আবদার জুড়াই দিছে তার জন্য ফ্রাইড রাইস নিতে হবে, পুরো রোজার মাস নাকি এই জিনিস আর পাওয়া যাবেনা।কি করা আর, ফ্রাইড রাইস কিনার জন্য বাসার কাছের এক রেস্টুরেন্ট এ নেমে গেলাম। অর্ডার দিয়ে বসে আছি। ওরে বাপরে!! রোজার আগের সন্ধ্যায়ও পুরো রেস্টুরেন্ট জুড়ে হাস্যময়ী লাস্যময়ী অপূর্ব সব ললনাদের ভিড়। রোজার আগের সন্ধ্যায় এতো ললনা কইত্তে আইলো।

তবে সময়টা খারাপ কাটলোনা।।

সকাল ৮. ২০ এ পল্লবি (আমার বাসা) থেকে বের হয়ে


সকাল ৮. ২০ এ পল্লবি (আমার বাসা) থেকে বের হয়ে মিরপুর ১২ নং -এ ১৫ মিনিট লাগলো গাড়িতে গ্যাস নিতে। এখন বাজে সকাল ৯.৩৫। পাক্কা ৫৫ মিনিট লাগছে মিরপুর ১২ থেকে বনানি আর্মি স্টেডিয়াম পর্যন্ত আসতে। অথচ ফ্লাইওভার দিয়ে এটুকু আসতে বড় জোড় ৮/১০ মিনিট লাগে। এখন গিট্টু মারা জ্যামের মধ্যে দাঁতে দাঁত চিপা বসে আছি। সামনে যে পরিমান জ্যাম দেখছি আল্লাহ পাক জানে আগামী কয় ঘন্টায় অফিসে (গুলশান ১) পৌছাতে পারব।
আবারো গুষ্টি কিলাইলাম আর খেতা পুরলাম এই শহরের।

কি কাকতালীয় ব্যাপার!! গাড়ি গুলো যখন জ্যামের মধ্যে ভেস্কাই পইড়া আছে ঠিক তখনই এফএম রেডিও তে গান বাজছে সঞ্জীব আর দলছুটের "গাড়ি চলেনা চলেনা"।

মোটরসাইকেল তার দ্রুততা,ও সৌন্দর্যের জন্য সবার কাছে খুব আদরণীয়


মোটরসাইকেল তার দ্রুততা,ও সৌন্দর্যের জন্য সবার কাছে খুব আদরণীয় ও জনপ্রিয় ছিল|চিরসবুজ উত্তমের সাথে স্কার্ফ পরিহিতা সুচিত্রাসেনের স্বপ্নের বাইকযাত্রা এ বাহনটাকে আরো স্বপ্নময় করে তোলে|আমি নিজেও বাহনটাকে দারুন পছন্দ করি| কিন্তু এখন মোটরসাইকেল দেখলেই একটা ধাক্কা খাই|কষ্ট পাই | দেশ এখন প্রাণঘাতী মোটরে চলে...কোথায় থামবে এ যাত্রা কে জানে? শুধু প্রার্থণা দুরের কাছের স্বজনেরা যে যেখানে আছে ভাল থাকুক,নিরাপদে থাকুক||

What a pleasant surprise!!!!


What a pleasant surprise!!!! সাড়ে এগারোটায় MRI করানোর জন্য MRI ডিপার্টমেন্টে ঢু মারতে যাবো,এমন সময়ে @Nashid Shormi আপুর ফোন | স্বভাবসুলভ মাফিয়া ডন স্টাইলে জিজ্ঞাসা করলেন, "কি রে !! CMH এ ভর্তির নাম কইরা ঘুইরা বেড়াইতাছস, না??" আসমান থেকে পড়লাম, "মানে"!!! বললেন, "তোর কেবিনের সামনে দাঁড়াই আছি" | VIP patient থাকায় আমার মতো non VIP'র MRI করার সিরিয়াল পিছিয়ে দেওয়ায় খুশিই হলাম যে, সারপ্রাইজ দিতে গিয়ে শর্মি আপুরে সারপ্রাইজড হতে হলো না | তাড়াতাড়ি কেবিনে ফিরে গেলাম| আপু রেডিসনে যাচ্ছিলেন উনার অফিসের কাজে| CMH এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এই অধমের সাথে দেখা করতে এসেছেন | আজ ঢাকায় বৃষ্টি পড়ছে সকাল থেকেই | সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজটা দিয়ে বল্লেন, " দুই ভাইবোন মিলে বৃষ্টি সেলিব্রেট করবো বলে গরুর কালাভূনা আর চিকেন বিরিয়ানি নিয়া আসছি | ব্রেকফাস্ট করি নাই | ক্ষুধা লাগছে | প্লেট,গ্লাস আনা | খাইদাই চইলা যামু | দৌড়ের উপ্রে আছি !!"

অসম্ভব ভালোলাগায় মনটা ভরে গেলো | তাড়াহুড়ো করে ভাইয়ের সাথে লাঞ্চ করেই দৌড় দিলেন অফিসের কাজে | প্রচন্ড ব্যস্ত একজন মানুষের অফিস টাইমের প্রচন্ড ব্যস্ততার মাঝে সামান্য সময় বের করাটা কতোটা difficult, তা বুঝার জন্য এক ছটাক মগজই যথেষ্ট | আপুর আন্তরিকতার অসম্ভব মুগ্ধ হয়েছি | চাকুরীর সুবাদে কলোনি টাইপের environment এ থাকলেও স্টীলমিল কলোনির সবার যে পারস্পরিক আন্তরিকতা, তার ছিটেফোঁটাও কোথাও পাইনি | Thanks a lot Shormi Apu for the pleasant surprise. Blessed getting sisters like you. 🙂🙂🙂
*** শর্মি আপুর সাথে হেলফি তুললাম | Btw, হাসপাতালে যে সেলফি তোলা হয়,তাকে হেলফি বলে !! (শর্মি আপুর আবিষ্কার) 

Heat stroke এ প্রাথমিক ভাবে কি করা যায় তাই নিয়ে একটু আলোচনা করব আজ


আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল শেষ হয়ে বর্ষা আসি আসি কিন্তু গরমের মাত্রা কমার কোনই লক্ষণ নাই। এই অতিরিক্ত গরমের জন্য হতে পারে কিছু অসুবিধা হতে পারে। যেমন heat rash (বা ঘামাচি), heat exhaustion, heat cramp এবং heat stroke. Heat rash, Heat exhaustion, heat cramp তেমন লাইফ threatening কোনো condition না। কিন্তু heat স্ট্রোক একটি লাইফ threatening condition যা থেকে মানুষ মারা যেতে পারে। Heat stroke এ প্রাথমিক ভাবে কি করা যায় তাই নিয়ে একটু আলোচনা করব আজ।

Heat rash (তাপ ফুসকুড়ি), [ঘামাচি নামে পরিচিত], ঘামের ফলে ত্বক এ যে ত্বক সৃষ্ট জ্বালা হয়, তাই তাপ ফুসকুড়ি (heat rash) .গরম পরিবেশের মধ্যে কাজের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা এটা।

Heat exhaustion কাকে বলে: অনেক ঘাম বের হবার ফলে পানি ও লবণ শরীর থেকে বের হয়ে যায়, ফলে শরীরের প্রতিক্রিয়া হয়. এখানে কোর তাপমাত্রা হয় 37 ° সেলসিয়াস (98.6 ডিগ্রী ফারেনহাইট) থেকে 40 ° সে এর মধ্যে। এর সাথে আরো থাকে মাথা ঘোরা, তৃষ্ণা, দুর্বলতা, মাথা ব্যাথা, এবং অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ। heat exhaustion এ আমাদের central nervous system (কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র) এর বিকৃতি ঘটে না যেমনটি হয় heat stroke এ। সাধারণত সঠিক hydration ও cooling এর মাধ্যমে এর সমাধান হয়।

Heat cramps হয় heat exhaustion এর মত শরীর থেকে ঘামের মাধমে লবন ও পানি বের হয়ে গিয়ে হয়। এখানে লবন কম হবার জন্য মাংসপেশিতে ব্যথা হয়। ক্লান্ত পেশী, যা ঐ কর্ম সম্পাদন করার জন্য ব্যবহৃত হয়, সাধারণত সেই পেশী গুলো বেশি ব্যথা করে। heat cramp কাজ করার সময় বা কাজের পর হতে পারে। প্রচুর পানি বা ওরাল rehydration saline (ORS) খেলে heat cramp প্রতিরোধ করা সম্ভব।

Sunday, June 5, 2016

আমার আখড়ায় বিশিষ্ট কবি Ripon Akhtaruzzaman ভাই তশরিফ রেখেছেন


আমার আখড়ায় বিশিষ্ট কবি Ripon Akhtaruzzaman ভাই তশরিফ রেখেছেন | রিপন ভাইকে ধন্যবাদ আমাকে সময় দেওয়ার জন্য | এছাড়াও ,কুলাংগার আমি Ahsanul Tarique ভাইরে ফোন দিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার ভদ্রতাটুকু না করলেও উনি ঠিকই আমাকে ফোন দিয়ে খবরাখবর নিয়েছেন | এছাড়াও , সবাই কমবেশি খবরাখবর নিচ্ছেন | CSM পেইজ সৃষ্টির আগে আমার মায়ের পেটের তিন ভাই ছিলো | পেইজ সৃষ্টির পর মায়েদের পেটের অগুনিত ভাইবোন পেয়েছি , যাদের আন্তরিকতায় নিজের মায়ের পেটের ভাইদের আন্তরিকতার ছোঁয়া পাই | I'm blessed being a member of CSM family. 

By the way, সেলফি তুললে গাল এত্তো বড় আসে ক্যারে !!! 

সকাল থেকেই তারিকের কেবিনে আছি


সকাল থেকেই তারিকের কেবিনে আছি। গতকাল ও আজকে MRI, ECO, ECG, বুক ও ঘাঁড়ের X-Ray করানো হয়েছে। আজো খুব সকালে ব্লাড, ইউরিন নিয়েছে বিভিন্ন টেস্টের জন্য। ইনশাহ আল্লাহ কালকের মধ্যেই সমস্ত রিপোর্ট পেয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার নেক্সট পদক্ষেপ নিবেন।

আমরা আশা করছি সমস্ত রিপোর্টের রেজাল্ট ইনশাহ আল্লাহ ভালই হবে।

তারিক, পাপ্পু ভাই, লিটন ভাইয়ের ওয়াইফ (ভাবী), চন্দন চাচী, নিরু ভাই, ছোট ভাই মেজর রাজিব সহ অন্যান্য আরো যারা অসুস্থ আছেন, রোগে শোকে কস্ট পাচ্ছেন আমরা তাদের সবার জন্য দোয়া করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন। আমিন

'পিংকির ফট করে সেন্ডেল ছিঁড়ে যাওয়া' এরমত আমারও হয়েিছল


'পিংকির ফট করে সেন্ডেল ছিঁড়ে যাওয়া' এরমত আমারও হয়েিছল। একবার ছেলেদের স্কুল থেকে গল্প করতে করতে আসছিলাম এক ভদ্রলোকের (গার্ডিয়ান, যিনি আমাদের বিয়ের ভিডিও করেছিলেন) সাথে। হাঁটতে হাঁটতে দেখি সেন্ডেল উল্টে যাচছে কিছুটা।পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখি সামনের দিকে ফিতা ছিঁড়ে গেছে।ভদ্রলোককে তখন বললাম, সরি আপনার আর যেতে পারছি না। আমার সেন্ডেল ছিঁড়ে গেছে।আমাকে রিস্কায় যেতে হবে।'উনি তখন একটা রিস্কা ঠিক করে দিলেন।

Saturday, June 4, 2016

একটু আগে ডাক্তারের কাছ থেকে এসেছি


একটু আগে ডাক্তারের কাছ থেকে এসেছি, সব রিপোর্ট দেখে টেখে উনি বললেন, আমার " Triglycerides" অনেক বেশি বেড়ে গেছে, লিভারেও একটু প্রব্লেম আছে। ঔষধ দিলো।তার চেয়েও দিলো বেশি নিয়ম কানুন। প্রতিদিন ১ ঘন্টা হাঁটতে হবে। কোন রিচ ফুড খাওয়া যাবেনা। নো ফাষ্ট ফুড। খাওয়া দাওয়ার মধ্যে কোল্ড ড্রিংকস টা খুব পছন্দ করতাম, সেটা পুরোপুরিভাবে আমার জন্য হারাম করে দিল ডাক্তার সাহেব।

ছয় মাস আগে যখন এই সমস্যা গুলো ধরা পড়ছিলো, তখন এ নিয়মগুলো আমি মেনে চলিনি, তাই বোধ হয় সমস্যাগুলো বেড়েছে।

নাহ! এবার যে ভাবে হোক নিয়ম গুলো মেনে চলতে হবে। অন্তত প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি আর কোল্ড ড্রিংকসস বর্জন।

ঢাকা থেকে এসেছি আজ আট দিন হল


ঢাকা থেকে এসেছি আজ আট দিন হল।এর মধ্যে ছোট ভাই ডাঃ মুরাদ এর সাথে কথা হয়েছে,ও বলেছে ভাই আমি সময় করে আসবো।আজ সন্ধ্যায় ছোট ভাই মুরাদ এসেছিল।ঢাকায় হার্ট ফাউন্ডেশন এর সকল রিপোর্ট ও রিং পরানো সব কিছু দেখলো, এবং ঔষুধ চালিয়ে যেতে বলল।ছোট ভাই মুরাদকে ধন্যবাদ জানাই, আমাকে সুন্দর করে সব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য।

আজকে পোস্ট লেখার কারন হচ্ছে, আমরা প্রায় সময় শরীর নিয়ে অবহেলা করি,ডাঃ এর কাছে না গিয়ে ফার্মেসী থেকে ঔষুধ নিয়ে খাই। যা ঠিক নয়।

এবার আমার ব্যাপারটা আসি,আমার বুকের মাঝ খানে কয়েকদিন ধরে ব্যাথা করত ও একটু মনে হত চাপ লাগে।তো আগেই বলেছিলাম, মুরাদ এর কাছে ফোন করার পর মুরাদ আমাকে মেডিকেল এ চলে আসতে বলেছি,ও ইসিজি দেখে ভর্তি হতে বলেছিল,আমি প্রথমদিন ভর্তি না হয়ে পরেরদিন ব্লাড টেস্ট দেখে মুরাদ ভর্তি হতে বলল।তখন আমি না জানলে ও মুরাদ নাজমুল ভাইকে বলেছিল।যা হউক সেটা সবার জানা।তবে মুরাদ এর কাছে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞ ও প্রথম দিন আমাকে চারটা হার্টের ঔষুধ খাইয়ে দিয়েছিল।আর আমি যখন মেডিকেল সেন্টার এ ছিলাম তখন সিএসএম এর অনেক ভাই আমায় দেখতে গিয়েছিল সবাই কে ধন্যবাদ,তবে এখানে একটা কথা বলা উচিত,মেডিকেল সেন্টার এর ডাঃ ও ছোট ভাই মুরাদ ও বলল সিসিউ তে বেশী ভিড় না করা ও রোগীর সাথে কথা কম বলা আমাদের সকলের এই বিষয়টাতে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে।হয়তো আমরা আসি কারন আমরাতো আর ডাঃ এর ব্যাপার বুঝি না।
আমার দুটো রিং পরা হয়েছে,সেটা মোটামুটি সবার জানা,তাই আমি সবাই কে একটা অনুরুধ করবো, সবাই বছরে একবার হলেও ইসিজি ও ব্লাড টেস্ট করা।কারন আমার ও নিরু ভাইয়ের মত যাইতে কারো না হয়।জিয়া ভাইয়ের নিকট কৃতজ্ঞ।

আর খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে আমাদের ডাঃ পলাশ ভাই লিখেছেন।সবাই তা মানার চেষ্টা করি।

মুরাদ এর কাছে জানতে পারলাম আমার অসুস্থ হওয়ার পর অনেকে মুরাদকে দেখিয়েছে।

আল্লাহ আমাদের সবাই কে সুস্থ রাখে আমরা সবাই সবার জন্য আল্লাহর নিকট এই দোয়া করি।

আর আমাদের ছোট ভাই ডাঃ মুরাদ,ডাঃরিমুর জন্য দোয়া করি তারা যেন আরো বড় ডাক্তার হতে পারে।

পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ মে ২০১৬ (১ মে ২০১৬ থেকে ৩১ মে ২০১৬ পর্যন্ত)


অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে এই মাসে কোন রেকর্ড হয় নাই। বরং মার্চ ও এপ্রিল মাসের তুলনায় এই মাসে লিখা এসেছে অনেক কম। মে মাসে সি.এস.এম পেজ এ লিখালিখি আর লেখকের পদচারনা ছিল অনেক কম। যাইহোক এইবার ফলাফল প্রকাশ করি।

# Facebook CSM Colony পেজ এ মে ২০১৬ (১ মে ২০১৬ থেকে ৩১ মে ২০১৬ পর্যন্ত) ছোট, বড়, মাঝারি, বাংলা, ইংলিশ, বাংলিশ মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত সকল ছোট, বড়, মাঝারি ভাই বোনদের মোট লিখার সংখ্যা (অনুছড়া/পরমাণু ছড়া/হঠাৎ ছড়া/কচুর ছড়া/বাথরুম খেলা/অন্যান্য খেলা বাদে) ১৩৮ টি (এভারেজ ৪.৪৫)। যা এপ্রিলে ছিল ৩৫০ টি (এভারেজ ১১.৬৭) ।

# মে মাসে সবচেয়ে বেশি লিখা পোস্ট হয়েছে ২ মে, ১৬ মে এবং ৩০ মে ২০১৬ (৮ টি করে) আর সবচেয়ে কম লিখা পোস্ট হয়েছে ১২ মে এবং ২৪ মে ২০১৬ (মাত্র ১ টি করে)।

# মে মাসে মোট লেখকের সংখ্যা ছিল ৩৬ জন, যা এপ্রিলে ছিল ৬৫ জন, সুতরাং লেখকের সংখ্যা কমেছে ২৯ জন (৪৪.৬১%) আবার এপ্রিলের তুলনায় মে তে লিখার সংখ্যা কমেছে ২১২ টি (৬০.৫৭%) ।

# Facebook CSM Colony পেজ এ এখনো পর্যন্ত সর্বমোট লিখা ১৫০০+ ছাড়িয়েছে।

# যদি কারো লিখা ভুলবশত বাদ যায় তাহলে ক্ষমা করবেন এবং আমাকে ট্যাগ করবেন। উল্লেখ্য মে তে লিখার সংখ্যা অনেক কম হবার জন্য এই মাসের পরিসংখ্যান করতে অনেকটা সহজ হইছে।

• মে ২০১৬ তে আতিক ভাইয়ের এর লিখা সবচেয়ে বেশি, উনার সর্বমোট লিখার সংখ্যা ৩৭, 
• দ্বিতীয় অবস্থান আছেন কমু ভাই, স্কোরঃ ১২, 
• তৃতীয় অবস্থান আছেন যৌথভাবে মোসাদ্দেক আলী ভাই, নিরু ভাই এবং ফারহানা সাম্মি। স্কোরঃ ৮।

আমার পরিবার খুব খুশী এবং আমার খালাও খুব খুশী


আমার পরিবার খুব খুশী এবং আমার খালাও খুব খুশী। মোবাইল হারিয়ে ফেলছি বললে ভুল হবে, বরং খুব যত্ন করে নিয়ে গেছে। এক বিন্দুও টের পাইনি। হাতের কাজ ভালো, জয়নাল আবেদিনও এদের কাছে শিশু! বোনের মেয়ে সাহায্যর হাত বারিয়ে দিয়েছে। মামা তুমি এখনও ছোট্ট বাচ্চা, তোমার জন্য ছোট/খাটো মোবাইল-ই ভালো, এখন আমি, রুশমা'র ছোট একটি নকিয়া সেট ব্যাবহার করছি। সারাফের মাকে বললাম কিছু টাকা ধার দেও, একটা মোবাইল কিনবো। উত্তরটা সুনে মজা পাইনি, নিজেকে খুব অপমানিত মনে হয়েছে। কিছু একটা বলতে যেয়েও বললাম না। কত আপনজন কত কিছুই না আমাকে বলে, আর এই ভদ্রমহিলাতো আমার সারাজিবনের সঙ্গী, সুতরাং বলার হকটা তার একটু বেশী-ই হবে, বলুক যা মন চায়! তবে সন্ধ্যার পর মনটা খুব খারাপ হয়ে যায়। নিজেকে খুব একা একা লাগে! আমি আমার ব্যাক্তিগত জিবনে, কারও সাথে খুব বেশি কিছু শেয়ার করিনা, ২ বছর আমি কিছুই করিনি, খুব কম কথা হতো সবার সাথে, কিন্তু এই পেজটাতে অবলিলায় সব কিছুই আমি শেয়ার করি। বড় আপন মনে হয় এই জায়গাটিকে। আমার অবস্থা দেখে, আমার বউ/বেটি হাসে। অবশেষে সারাফের মা গতকাল রাত্রে একটা সুখবর দিলো। এই প্রথম সারাফের মাকে খুব আপন মনে হলো! যমুনা ব্রীজ পার হয়ে খুব একটা ভুল করি নাই তা'হলে! ইনশাল্লাহ আগামি কাল থেকে-----------------------।

বড়দের উপস্হিতি আর সহযোগীতা ছোটদের কতটুকৃ অনুপ্রানিত


বড়দের উপস্হিতি আর সহযোগীতা ছোটদের কতটুকৃ অনুপ্রানিত, উৎসাহিত আর উদ্যোগী করতে পারে, তা গতকাল আর একবার অনুভব করলাম। গতকাল মোসাদ্দেক আলী ভাইয়ের আহবানে ছুটে আসা জাফর ভাই,শাহিন ভাই, আমার ছোট বেলার বন্ধুদের উপস্হিতি আমাকে আবার অনুপ্রানিত করেছে। বিশেষ করে ছোট ভাইবোনদের উপস্হিতি আমাদের আগামী দিনের পথ চলার এক নুতন মাইলফলক বলে আমি মনে করি। গতকালের আলোচনাও ছিল বেশ খোলামেলা এবং গঠনমুলক। সবার প্রত্যাশা একই রকম, অতীতের সকল ক্লান্তি,ভুলভ্রান্তিকে পিছনে ফেলে আমরা এগিয়ে যাবো- সামনের দিকে। আমরা শত প্রতিকুলতার মাঝেও ঐক্যবদ্ব থাকবো। আমাদের ঐক্যবদ্ব থাকতে হবে। আমরা ঐক্যবদ্বভাবে থেকেই আমাদের আগামী প্রজন্মকে একটা ঐক্যবদ্ব সিএসএম পরিবার উপহার দিয়ে যাবো। আমাদের রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও আমাদের রয়েছে সুদৃঢ এক আত্মার সম্পর্ক। যা দিয়ে সকল বাঁধা অতিক্রম করে শক্ত মজবুত বন্ধন নিয়ে এগিয়ে যাবো। ভালবাসার এ বন্ধন নিয়ে দাড়াবো সকল স্টীলারদের পাশে,সুখ -দুঃখ, কিংবা যে কোন প্রয়োজনীয়তায়। আমাদের বন্ধন হবে স্টীলের মত মজবুত। ধন্যবাদ মোসাদ্দেক ভাই, জাফরভাই,শাহিনভাই।বন্ধুদের ধন্যবাদ দিলাম না কারন ওরা চাকর বাকরের সমতুল্য। তবে ছোট ভাইবোনদের প্রচুর প্রচুর ধন্যবাদ।

এখন এসব সংলাপ উপন্যাসের বইতেও পাওয়া যায়না, আফসোস


কি দেখছো এভাবে? এভাবে চেহারা কুঁচকে তাকিয়ে আছো কেনো। 
-- আচ্ছা তোমার মাথায় কিছু নাই, এটা কি সাজ দিলা, সবাই কেমনে তাকিয়ে আছে, যে রিক্সা করে আসছো সে রিক্সাওয়ালাও তাকিয়ে আছে। 
কি সাজ দিলাম আবার কি? সবই ঠিক আছে,যেটা বুঝোনা ওইটা নিয়ে কথা বলবে না। ভালো না লাগলে আইসোনা
-- ----চেহারার এই অবস্থা কেনো, কি হয়েছে তোমার? রাতে ঘুমাও নি??
হইছে আর ঢং দেখাতে হবেনা।
------ ঢং না সিরিয়াস বলছি।
---------------------------++---------++++
একটু ফিটফাট চলতে পারোনা, শেভ করোনি কেন? এক্ষুনি চলো সেলুনে।
---- আরে আমি সেলুনে গেলে তুমি কই থাকবে?
আমিও সেলুনে যাবো, দাঁড়িয়ে থাকব, তুমি শেভ করবে।
------ পাগল নাকি, তুমি সেলুনে দাঁড়ালে মানুষ জমে যাবে, প্লিজ আজকের মত ছাড় দাও।
অসম্ভব তুমি শেভ না করলে কোথাও যাচ্ছিনা আমি তোমার সাথে।
--- আচ্ছা ঠিক আছে, তোমার সেলুনে যেতে হবেনা। আমিই শেভ করে আসছি সেলুন থেকে। তুমি থাকো এখানে।
( এখন এসব সংলাপ উপন্যাসের বইতেও পাওয়া যায়না, আফসোস )

ইচ্ছা পূরণ


এত দিন শুধু দেখতাম সবাই বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে আড্ডা দেয়। আমি দূর থেকে শুধু দেখতাম আর মাঝে মাঝে কমেন্ট করতাম। কিন্তু আমার মনে মনে প্রশ্ন থাকত এসব আড্ডায় সবাই কেমন মজা করে আর কি নিয়ে আলোচনা করে? আর আমার মনে হয় এই ধরনের আড্ডায় আসা হবে না যেহেতু দূরে থাকি। কিন্ত আমি ctg আসলাম আর এই সময়ে মোসাদ্দেক আলি ভাইয়াও ctg এসেছে আর একটা আড্ডার আহবান করেছেন। তাই আমি এই আড্ডায় অংশ গ্রহণ করতে পেরেছি। আর আমার প্রশ্ন পেয়েছি। এখানে অনেক মজার মজার স্মৃতি চারণ হয় আবার উন্নয়নমূলক কথাও হয়।যা খুব ভালো লেগেছে। Mosaddeq Ali ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর বিকাল উপহার দেওয়ার জন্য। আজ বড় ছোট ভাইদের দেখা হলো।

টিংকুর সাথে গেলাম ।আসার সময় বাবু ভাই তার গাড়িতে করে এগিয়ে দিলেন। আর তানিয়া আমাদের গাড়িতে উঠিয়ে দিল ।গাড়িটা ছেড়ে দেওয়ায় তানিয়াকে ধন্যবাদ জানাতে পারলাম না।

Csm বাসীর এই আন্তরিকতা আসলেই কোথাও পাব কিনা সন্দেহ।

যাই হোক মোসাদ্দেক আলী ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ। এরকম একটা আড্ডায় ওনার জন্য অংশ নেওয়ায় আমার ইচ্ছা পূরণ হলো।

রোজা ও ডায়াবেটিস


রোজা আসন্ন।

প্রথমেই বলে রাখি ডায়াবেটিস এর রোগী দের রোজা রাখা বা না রাখার ধর্মীয় আলোচনায় যাব না। যদি ডায়াবেটিস নিয়ে কেও রোজা রাখতে চায়, তাহলে কি করা দরকার সেই আলোচনা করব।

রোজা ও ডায়াবেটিস এর ম্যানেজমেন্ট এক রোগী থেকে অন্য রোগী ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে।সাধারণত ডায়াবেটিস রোগী দের জন্য দরকার ঘন ঘন blood গ্লুকোজ চেক করা, specially যারা ইনসুলিন নেন। [রোজা রেখে blood গ্লুকোজ চেক করা যায়, এতে রোজা ভাঙ্গে না -- এটা সহী হাদীস]I

Diabetic রোগী খাওয়া হতে হবে balanced ও healthy ডায়েট। [শুধু diabetic রুগীর না, সবার এ তাই দরকার] . সেহেরীতে দরকার complex carbohydrate (শর্করা) কারণ এটা আস্তে আস্তে digestion ও absorption হবে বডিতে। অন্যদিকে ইফতার এর সময় simple carbodydrate খেতে পারেন।প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া দরকার সবারই, specially এবার রোজা হবে গরমের সময়।

রোজার সময় exercise নিয়ে বাড়াবাড়ি না করাই ভালো।যদি কেও হাটতে চায় তবে তা যেন ইফতার এর আগে না হয়। পুরা তারাবির নামাজকে ডেইলি exercise হিসাবে consider করা হয়।

Friday, June 3, 2016

CSM এর সবার সা‌থে সব কিছু শেয়ার কর‌তে ইচেছ ক‌রে কিনতু সময় বের কর‌তে পা‌রি না


CSM এর সবার সা‌থে সব কিছু শেয়ার কর‌তে ইচেছ ক‌রে কিনতু সময় বের কর‌তে পা‌রি না/ কেন তা অামার friend circle অ‌নে‌কেই জা‌নে/ অাজ‌কে খুবই লিখ‌তে ইচেছ কর‌ছে/ গত বেশ কিছু দিন ধ‌রে অামা‌দের শওগাতুল অানয়ার ভাই আমা‌কে ফোন দি‌চেছন পাপপুর ‌চি‌কিৎসার ব্যাপা‌রে/ উনি কোন একটা পথ খুজ‌ছেন পাপপুর একটু better life এর জন্য / অ‌নে‌কেই জা‌নে অামার ছোট ভাই পাপপু Apr.2009 এ এক সি‌ভিয়ার রোড accident এ ঘা‌ড়ের Spinal cord Injury র কার‌নে full body paralysis হ‌য়ে bed e প‌রে অা‌ছে/ তার প্রশাব পায়খানার ও sense নেই/ যাই হোক শওগাত ভাই নি‌জেই doctor এর appointment নি‌য়ে অামা‌কে গতকাল সনধ্যা ৭টায় যে‌তে বল‌লেন/ য‌দিও আমি late ,উ‌নি ১৫মি: আগেই পৌ‌ছে wait কর‌ছেন/ মা‌ঝে মাঝে অামার নি‌জে‌কে ছোট ম‌নে হয়, অামি অ‌নেক সময় timely feedback দি‌তে পা‌রি না কিনতু শওগাত ভাই নি‌জেই নি‌জের শত ব্যাসততার মা‌ঝে আমাকে ফোন দি‌য়ে জে‌নে নেন/ হয়তবা অনেক অাপন ভাইও যা ক‌রে না , তি‌নি তা কর‌ছেন/ শওগাত ভাই‌কে স্যালুট/

‌সেইসা‌থে csm সকলকে, যারা পাপপু‌কে দেখ‌তে অা‌সে, খোজখবর নেয় , সবার প্র‌তি রইল gratitude.

একটা কথা কয়েক দিন ধরেই শেয়ার করব করব করে ভাবছি


একটা কথা কয়েক দিন ধরেই শেয়ার করব করব করে ভাবছি। বেপার টা আমার আর সহ্য হচ্ছে না। কিন্তু কোনো সমাধান ও খোঁজে পাচ্ছি না। যাই হোক মূল কোথায় আসি। মসজিদে নামাজ পরতে গেলে দেখি কিছু জায়নামাজ এ পবিত্র কাবা ঘর এর ছবি আর সেই জায়নামাজ এর উপর দিয়েই অন্য মানুষ রা পা হেটে যায়। এই কাজটা আমরা ভুল করেই করে ফেলছি। কিন্তু এটা উচিৎ না। যারা এই ধরনের জায়নামাজ ব্যবহার করে, আমার মনে হয় তাদের ইহা থেকে বিরত থাকা দরকার। আর আমরা যারা মসজিদ এ নামাজ পড়ি আমরা সবাই যাতে একটু খেয়াল করে হাঁটি যাতে ভুলে এই ধরনের জায়নামাজ এ পা না দিয়ে দেয়।

Thursday, June 2, 2016

পাখির কান্ড - আমার বাড়ান্দায় পাখি বাসা বাঁধার জন্য হাঁড়ি রেখেছি


পাখির কান্ড - আমার বাড়ান্দায় পাখি বাসা বাঁধার জন্য হাঁড়ি রেখেছি।প্রথমে দোয়েল বাসা করে তিনটি ছানা ফুটালো। বড় হয়ে চলে গেল।এরপর আবার এসেছিল বাসা করতে। কিন্তু শালিক পাখি দিল না।পরে শালিকের ৫টি ফুটালো।মা পাখি

সবসময় পাহারা দিয়ে রাখতো।একদিন ছেলে বললো একটি পাখি মারা গেছে।এখন কিভাবে এটাকে ফেলে দেই,চিন্তা
করছিলাম।পরদিন সকালবেলা বাড়ান্দায় যেয়ে দেখি মরা ছানাটি ফ্লোরে পরে আছে।মা পাখিটা এটাকে ফেলে দিল।
পাখিটিও বুজলো মরা ছানাটি থাকলে অন্য গুলির ক্ষতি।

গতকাল তপন চৌধুরীকে নিয়ে Atiq Csm এর পোষ্ট দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়লো


গতকাল তপন চৌধুরীকে নিয়ে Atiq Csm এর পোষ্ট দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়লো। সম্ভবত ৯০ সালের ঘটনা। চার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মধ্যে আমি আর শীতল ছিলাম তপন ভক্ত আর সওগাত এবং সেলিম ছিলো মান্না দের ভক্ত। বিভিন্ন সময় আমাদের মধ্যে তর্ক লেগে যেতো কে সেরা। চিটাগাং কলেজের কমন রুমে চ্যালেঞ্জ এ ক্যারাম খেলায় মান্না দেকে তপন চৌধুরী প্রায়ই হারিয়ে দিতো। যাই হোক একদিন চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম এ আবাহনীর খেলা দেখতে গেলাম, খেলা শেষে প্যাভিলিয়ন এর সামনে দাঁড়িয়ে আছি। কিছুক্ষণ পর দেখলাম প্যাভিলিয়ন গেইট দিয়ে তপন চৌধুরী বেরিয়ে আসছেন। আবাহনীর খেলোয়াড়রা গেইট দিয়ে বের হবে সেইদিকেই সবার নজর। আমি আর শীতল তপন চৌধুরীকে দেখে উনার কাছে গিয়ে সালাম দিলাম এবং আমরাযে উনার ভক্ত সেটা জানালাম। উনিও ভদ্রভাবে আমাদের ধন্যবাদ দিলেন। এরপরই শীতল বলে উঠলো আমাদের মধ্যে দুই বন্ধু আপনাকে পছন্দ করেনা, তাদের পছন্দ নাকি মান্না দে। আপনিই বলুন মান্না দে কি আপনার চাইতে ভালো গায়? তপনদা সাথে সাথে জিহ্বা কামড় দিয়ে বললেন, ছি ছি তোমরা এগুলু কি বলছো। মান্না দে কত বড় শিল্পী উনার সাথে আমার তুলনা করছো। এর পর জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের ওই দুই বন্ধু কারা। আমরা একযোগে বলে উঠলাম, সওগাত্যা আর সেলিম্যা।

এই ঘটনা মনে পড়লে এখনো হাসি পায়।

সকালে অফিসে আসার পথে রাজীবের ফোন


সকালে অফিসে আসার পথে রাজীবের ফোন, "আতিক ভাই আমি ঢাকা আসছি, আপনার সাথে আজ লাঞ্চ করব", - আমি সানন্দে বললাম ঠিক আছে আজ পূর্নিমায় দুই ভাই দুপুরে এক সাথে খাবো। এটা আমার জন্য খুবই আনন্দের ব্যাপার যে, সিএসসএম এর কারো সাথে এক সাথে খাওয়া দাওয়া করা। আমি এই ব্যপার টি খুবই উপভোগ করি।
কিন্ত দুপুর একটা র সময় আমাদের চেয়ারম্যান আমাকে হঠাৎ করে একটি জরুরী মিশনে পুরানো ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। তাই শত ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও রাজিবের সাথে লাঞ্চ করতে পারিনি।

রাজিব, আমি খুবই দু:খিত ও লজ্জিত যে, তোকে কথা দিয়েও কথা রাখতে পারিনি বলে। এই লজ্জা থেকে তুই আমাকে উদ্ধার করতে পারবি যদি আরেক দিন আমার সাথে খাওয়াদাওয়া র সুযোগ ও সময় দিস।

আজকে (০২ জুন) আমার জন্মদিন


আজকে (০২ জুন) আমার জন্মদিন। ভাবছেন কয়দিন আগে না(১৫মার্চ) জন্মদিন গেল। আবার আজকে কেমনে জন্মদিন হয়। আসলেই আমার জন্মদিন তবে সার্টিফিকেট অনুসারে। ক্লাস নাইনে রেজিষ্ট্রেশন সময় স্কুলের কেরানি স্যার মানে শফি স্যার এই তারিখ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে ছিলেন। আমি আগে থেকে যদি টের পেতাম তাহলে ১৫ মার্চ দিয়ে করতাম। একদিন বিকালে স্কুলের মাঠে যখন খেলতে গেলাম। দেখলাম কেরানি স্যারের রুমের সামনে সবাই ভীড় করছে। কাছে গিয়ে কারন জেনে আমারটা ঠিক করতে গেলাম। স্যার বললো " তোঁয়ার গান অই গেইয়ে"। তারমানে আমার জন্ম তারিখ, সাল সবই স্যার নিজ দায়িত্বে আগে থেকে সেরে ফেলেছেন।