Wednesday, June 15, 2016

ভাই এন্ড বইন এই রমজান মাসে একটু সাবধানে চলাফেরা করবেন।


গতকাল ও আজ দুইটা ঘটনা পড়লাম খুব খারাফ লাগলো তবে ফ্রট বাজির নতুন কোশল,।ঈদে মারকেট এ যাবেন সাবধান, বাসে চড়বেন সাবধান, ব্যাংক থেকে টাকা উঠাবেন খুবই সাবধান সব জাগায় সামনে, পেছনে, দানে,বামে সব জাগায় ফ্রট এ ভোরে গেছে। আমি আমার পরিচিয় সব ভাই ও বোনদের বলছি সাবধাবে চলা ফেরা করবেন।আল্লাহ সবাই কে সুস্ত ও সুন্দর জীবন যাপন করার তোফিক দান করুক।

কিভাবে শুরু করি?


কিভাবে শুরু করি? অনেক অনেক দিন আগের একটি "সকাল বেলা"! জানালায় মোল্লা[অপু], আমিও অপেক্ষায় ছিলাম। দুই বন্ধু এক সাথে শাহনুর ভাই এর দোকানে। দুইটা ৫৫৫! সকালের প্রথম সিগারেট খুব আয়েশ করে টানলাম! দিন শুরু! তাপস আর নিরু মনে হয় এতক্ষনে স্কুলের স্টেজে চলে এসেছে। "দুরি ফিস"[তাস] তখন আমাদের মাঝে খুব জনপ্রিয় খেলা! খেলা শুরু হওয়ার আগেই মোল্লা আমাকে জিজ্ঞাসা করলো, তোর কাছে টাকা আছে? লুংগির কোচ দেখিয়ে বললাম, আছে। খেলা শুরু হয়ে গেলো। কার্ড তুলে দেখি অবস্থা ভালো না। এই কার্ড গুলি লাইন মত মিলানো সম্ভব না। দুঃশ্চিন্তা ভর করে বসলো। সাথে একটিও টাকা নেই! আর দানটি যদি মোল্লা মারে-------- কপালে কি আছে, একমাত্র আল্লাহপাক জানে! মনে মনে প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম। আড় চোখে শুধু সেন্ডেল জোড়া দেখলাম। খুব দ্রুতই মোল্লা দান মেরে দিলো! এক সেকেন্ড দেরী না করে, আমিও দোড়! এই শালা দারা, আমার টাকা দে, মোল্লাও আমার পিছে পিছে! স্কুলের গেট পেরিয়ে এখন আমরা রাস্তার উপর। আগে আমি, পিছে মোল্লা! সবাই তাকিয়ে দেখতে লাগলো। এটা একটা "কমন সিন"! সোজা বাসায় ঢুকে পরলাম। দিনটায় মাটি।

অন্য একদিন সুন্দর "বিকাল বেলা"। সেই মোল্লা আর সেই আমি। মোল্লা প্রেমে পড়েছে! নায়িকার বাসার সামনে দিয়ে যাচ্ছি। মোল্লার কন্ঠে আজ গান! " কৃষ্ণ চুরার ছায়ে ছায়ে" নাকি সুরে গাইতে লাগলো, নায়িকা বাসার সামনে দাঁড়ানো সাথে কিছু সখিও আছে। বুক ভরা সাহস নিয়ে শুধু এইটুকু বলেছি, " কিরে ব্যাটা কান্দস ক্যা"? নায়িকা আর তার সখিরা হেসে উঠলো। মোল্লার নাক/কান লাল হয়ে উঠলো! এই শালা, আমি কই কান্দলাম? অবস্থা খারাপের দিকে, দিলাম দোড়। সেই পুরানো সিন, আগে আমি আর পিছে মোল্লা! এই শালা দারা, আমার সাথে ইতরামি? আজ তুই শেষ! দোড়াতে/দোড়াতে সোজা বাসায়। বিকালটায় মাটি!

সিএসএম পেজে অনেকের জন্মদিনের আপডেট আমার কাছে নাই


সিএসএম পেজে অনেকের জন্মদিনের আপডেট আমার কাছে নাই। তাই আমি সেগুলো পোস্ট দিতে পারি না।যদি কেউ এরকম বাদ পরে যায় যেমন আজ রেহানা আলম এর টা আমার কাছে আপডেট ছিল না।আতিক ভাই দিয়ে দিয়েছে।আরেকদিন জনি তার বোনের টা আমাকে মেজেছে ছবি সহ দিয়ে দিয়েছে, যা পরে আমি পোস্ট করি।এজন্য যদি কারোটা বাদ পরে কেউ কিছু মনে করবেন না,বা এরকম ভাববেননা যে আমারটা দিল না।সবাই কে ধন্যবাদ।সবাই ভাল থকবেন,সুস্থ থাকবেন সেই দোয়া সবাই সবার জন্য করি।

Tuesday, June 14, 2016

আমি আনন্দে আত্মহারা, বাক্যহারা, সাথে দিশোহারা, এবং সর্বহারা


আমি আনন্দে আত্মহারা, বাক্যহারা, সাথে দিশোহারা, এবং সর্বহারা !!! ধুর আবেগের চোটে কি এগুলা বলতেছি, আনন্দে আত্মহারা বাক্যহারা হওয়া যায়, কিন্তু দিশোহারা আর সর্বহারা কিভাবে হয়। আচ্ছা বাদ দিলাম, আজ একটা খুশির দিন, খুশির দিনে সব কিছু হওয়া যায়। তবে পরনের কাপড় চোপড় না হারালেই হয়। এটা আবার ইজ্জতের মামলা, আমি পাগল টাইপ মানুষ হইলেও ইজ্জৎ বইলা একটা কথা আছেনা।

খুশির কারন হইতাছে আজ থেকে বহু সাল আগে, এই ১৪ জুন, চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র, সিটি কলেজের পাশের এক হাসপাতালে (মেমন হসপিটাল)আমার জন্ম হয়েছিল। আর সেই দিন টিই পোলাপান, বড় ভাই, বোনেরা ও বন্ধু রা এই পেজের মাধ্যমে আওয়াজ দিয়া জানান দিয়া মনে করাই দিলো। 

জন্মদিন টাইপ জিনিস গুলা আমাদের মত আম পাবলিক দের লাইফের সাথে ব্যাটে বলে মিল খায়না। আগে কখন জন্মদিন গ্যাছে আর কখন আসছে বুঝতেও পারিনি। রোমান্টিক যুগেও জন্মদিনের এমন উত্তাপ কখনো টের পাইনি।

আমি আসলেই অভিভূত । সবাইকে সকৃতজ্ঞ ধন্যবাদ।

মনডা আজ এতো খুশি লাগতাছে কেন?


মনডা আজ এতো খুশি লাগতাছে কেন?কারণ আজ দুই দিন কলোনীর কয়েকজনের লগে ফোনে আলাপ করা হয়েছে,মনডা কয় হগলের লগে ফোনে আলাপ করি জানি না কে কি মনে করে আমি আমার নিজের মতো কথা কই, অপর প্রান্তে যার সাথে আলাপ করি তিনি মনে হয় আমার কথা বাতা বিরত্ত হয় তাও কথা কই সামনা সামনি তো আর কিছু কয়না,আমার আবার লজ্জা শরম কিছুডা কম কেউ কিছু কইলেও মনে কিছু করিনা,মনডা কয় এই রমজান মাসে হগলের লগে একবার দেখা করি, সংযমের মাস রোজা না রাখলেও দুপুরে খাওন যাইবো না ((তাই বলে আমি না আমি রোজাদার মানুষ))তাই চিন্তা ভাবনা করতাছি ইফতার এর উছিলায় হগলে একবার মিলিত হই কলোনীর ছাওয়াল পাওয়াল তো কম না হগলে কি কন সবাই কি আবার একসাথে হওয়া যায় না,আপনার উপর ছাইড়া দিলাম,আশা করি এই রমজানে আবার কলোনীবাসি এক হমু কে কিতা খাইবো কইয়া দিয়েন যারা রোজা রাখেনি তাদের জন্য আলাদা স্পেশাল শাহি নুরানী খাওন রেডি করতাসি

চে’ গুয়েভারা


“পৃথিবিতে যে কোন অন্যায় সংঘঠিত হলে তুমি যদি ক্রোধের আগুনে জ্বলে উঠো, তবে জানবে, আমরা কমরেড”। 
"সবাই প্রত্যেকদিন চুলে চিরুনি চালায় যাতে চুল সুন্দর পরিপাটি থাকে, কেউ কেনো হৃদয় সুন্দর পরিপাটি রাখে না?” - 
- ----- এই কথা গুলো যিনি বলে গিয়েছেন তিনি চে’ গুয়েভারা।

যিনি একজন মহান বিপ্লবী, একজন চিকিৎসক। সর্বোপরি একজন মানবতাবাদী মহা পুরুষ।
আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহন করা চে আর্নেস্তা গুয়েভারার।

পেশায় চে ছিলেন একজন ডাক্তার, মেডিকেলের ছাত্র হিসেবে চে সমগ্র লাতিন আমেরিকা ভ্রমণ করেছিলেন। এসময় ওইসব অঞ্চলের মানুষদের দারিদ্র্যতা ও দুঃখ-দুর্দশা তার মনে গভীর রেখাপাত করে। তারপরেই মানুষের মুক্তির কল্যাণে এই বিপ্লবী কাজ শুরু করেন। যা তিনি মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত চালিয়ে যান।

আর তাই যুগে যুগে মুক্তিকামী মানুষের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রতীক এখনো চে গুয়েভারা। ১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর সাম্রাজ্যবাদী দালাল দের হাতে তিনি নির্মম ভাবে নিহত হোন।

আজ ১৪ জুন এই মহান ব্যাক্তিত্বের ৮৮ তম জন্মদিন। আজকের এই দিনে তাঁর প্রতি রইল আমাদের লাল সালাম ও শুভেচ্ছা।

Monday, June 13, 2016

সবাই তারাবি পড়ে বিশ রাকাত


সবাই তারাবি পড়ে বিশ রাকাত। আজকে আমরা পড়ছি ২১ রাকাত। অর্থাৎ পনেরো তম রাকাত শেষ করে হুজুর না দাঁড়ায়ে ভুলে বসে পড়ছে। ভুল মানুষের হতেই পারে। কিন্তু পেছনে ইমাম, মোয়াজ্জেম, আরো দুইজন হাফেজ এবং সাথে প্রায় দু'শত মুসল্লি সবাই কি ঘোরের মধ্যে ছিল? একজনও কি আওয়াজ দিতে পারে নাই?? কিন্তু দেখা গেলো মুসল্লিরা সালাম ফিরানোর পর ঠিকই কানাঘুষা করতে লাগলো। এখন বলতে পারেন আমি কোথায় ছিলাম কিংবা আমি কেন বললাম না? আমার এখনো ষ্টীল মিলের স্বভাব রয়ে গেছে। অর্থাৎ আমি যেতে যেতে নীচ তলা ফিলাপ হয়ে যায়। তাই আমি বাধ্য হয়ে দোতলায় নামাজ পড়তে যায়।

এই মসজিদটির নাম পাগলা মসজিদ


এই মসজিদটির নাম পাগলা মসজিদ।কিশোরগন্জ জেলার নরসুন্দা নদীর তীরে মসজিদটির অবস্হান।শুনা যায় কোন এক পাগল নরসুন্দা নদীর চড়ে দিনরাত সবসময় বসে থাকত।উনি মানুষের কোন ক্ষতি করত না।পাগল মারা যাওয়ার পর ঐইখানে মসজিদটি ণির্মান করা হয়।মসজিদটি নাম করা হয় পাগলা মসজিদ।প্রতিদিন অনেক নারী পুরুষ আসে নাময পড়তে ।অনেকে টাকা ,ছাগল,মুরগী দানকরে।এই মসজিদের সভাপতি ডিসি।এক মাস পরে পরে মসজিদের দান বাক্স গুলো খোলা হয় নির্বাহী কর্মকর্তা র তর্ওাবধানে।প্রতিমাসে প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা উঠে।আর হাস মুরগী ,ছাগলগুলো নিলামে বেচা হয়। এই মসজিদের আয় দিয়েে কিশোগন্জের অনেক অনেক মসজিদের উন্নয়ান ও ইমাম মুয়াজজিনে বেতন দেয়া হয়।অনেকে অনেক কিছু মানত করে।

রোজা শুরু মানে কলোনীর ছোটদের ফুতি


রোজা শুরু মানে কলোনীর ছোটদের ফুতি, রোজার মাসে শাসন টা কিছু কম ছিল,তাই সবাই মন খুলে খেলাধুলা আডডা মারতে পারতো,রোজার মাসে খাওয়া দাওয়া ও কিছুটা লাগাম ছাড়াছিল তাই বলে এখানকার মতো না,আব্বার সীমিত আয়ে সংসার চলতো যেটুকু সাধ্যের মধ্যে ছিল তাই নিয়ে মা সংসার টা টেনেটুনে চালাতো,রাজনীতি করতাম বলে বেশির ভাগ ইফতার বড় ভাইগো লগে বাহিরে করা লাগতো,বিশেষ করে Nazmul Huda ভাই কোথাও দাওয়াত পড়লে আমাকে Mamunur Rashid Rashed (মরা রাশেদ)দুলিকে তলব করতো, আর Monowar Dalim Dalim দের বাসায় মাঝে মাঝে সবাই মিলে ইফতার করতাম,রোজার মাঝামাঝি কলোনীর ছেলেপুলের কেনাকাটার তোড়জোড় শুরু হয়ে যেতো, আর কিছু না হউক হকাস মাকেট এ ছেলেদের প্যানট এর অডার দেয়ার জন্য সবারই তোড়জোড় শুরু হয়ে যেতো, কারো না কারো সাথে আমাকে যেতে হতো,বেশিরভাগ অডার দিয়ে আসতো, চাঁদ রাতে বা তার একদিন দুইদিন আগে ডেলিভারির দেওয়া হতো,আসল মাকেট শুরু হতো ঈদের কয়েকদিন আগে কলোনী থেকে বাস দেওয়া হতো শপিং করার জন্য, দুপুর থেকে টাংকীর তলায় ছোট বড় সবাই ভিড় করতো কেউ শপিং করতে যাবে আর বেশির ভাগ পোলারা ঘুরতে যাইতো,এখন ও মাঝে মাঝে মন চায় কলোনীর সেই দিনগুলি কথা, কলোনীর সেই দিন গুলি কি আবার ফেরত আনা যাবে,তাহলে আমি কথা দিলাম কলোনীতে আমি যে ভাবে চলাফেরা করছি তার চেয়ে অনেক ভালো হয়ে চলাফেরা করবো,ফিরিয়ে দাও আমার সেই দিন গুলি,,,

উচ্চ শিক্ষার দুঃস্বপ্ন আর আঁধারে ঢাকা জীবন


ক' দিন আগে শিউলি আপা বলছিলেন আমার চোখে দেখা সমাজ আর চারপাশ নিয়ে লিখতে। সেই কথা মনে করেই পুরনো একটা লেখা :

উচ্চ শিক্ষার দুঃস্বপ্ন আর আঁধারে ঢাকা জীবন
★★★★★★★★★★★★★★★★★★

সম্প্রতি পত্রিকায় প্রকাশিত যে কটি আত্নহননের ঘটনা আমাদের সমাজ জীবনে বেশ নাড়া দিয়েছে এর মধ্যে সবচেয়ে মর্মস্পর্শী ঘটনাটি উত্তরার এক সাংবাদিক সম্পতির দু’সন্তানের আত্নহনন। ৭ বছর ও ১১ বছর বয়সের নিস্পাপ দু’ভাই বোনের আত্নহত্যার কারণ- তাদের মা-বাবার দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপোড়েন। পিতার নিষ্ঠুরতা আর জীবন সংগ্রামে মায়ের কষ্টকর ধেয়ে চলা তাদেরকে পৃথিবীর প্রতি বীতশ্রদ্ধ করে তুলেছিল।

পিতা-মাতার স্নেহ সান্নিধ্যে যে সুন্দর পৃথিবী তাদের প্রাপ্য ছিল, বন্ধু-স্বজন পরিবেষ্টিত একটি নিটোল উচ্ছল কৈশর যখন তাদের হাতছানি দিয়ে ডাকার কথা ছিল ঠিক সেই সময়টাতে তারা পৃথিবীকে ধিক্কার জানিয়ে সমাজকে ভ্রুকুটি দেখিয়ে চলে গেল অজানার দেশে।

এ দুটি মৃত্যু ছাড়া আরো দু’টি মৃত্যুও খবরের কাগজে প্রকাশিত হয়েছে কিন্তু তারপর পত্রিকার পাতায় কিংবা টক শোতে এ নিয়ে তেমন কোন লেখা লেখি বা কথোপকথন হয়েছে বলে মনে হয় না। তবে সমাজ বিজ্ঞানীরা হয়তো এ মৃত্যু নিয়ে গবেষণা করতে পারেন, এর কারণ ও প্রতিকারের উপায় বাতলাতে পারেন। এর ফলে সমাজ উপকৃত হবে।
সামাজিক মূল্যবোধ, পারিবারিক বন্ধন, ব্যক্তিগত শান্তি আর নিরাপত্তা আমাদের দেশ থেকে ক্রমশ অপসৃত হতে চলেছে বলেই মনে হয়। কিছু দিনের ব্যবধানে দু’জন ইউনিভারসিটি পড়ুয়া যুবক/যুবতীর আত্নহননের ঘটনা আমাকে আলোড়িত করেছে। মনে মনে দু’টো মৃত্যুর একটাই সমীকরণ আমি খুঁজে পেয়েছি। কোন সমাজ বিজ্ঞানী বা মনোবিজ্ঞানীর দৃষ্টিকোন থেকে নয়, একজন সাধারণ অভিভাবকের দৃষ্টি কোন থেকে আমি বিষয়টা অনুধাবনের চেষ্টা করেছি।

কি গভীর মর্মবেদনা, ক্ষোভ, লজ্জা সর্বোপরি স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনায় তারা নীল হয়েছেন- সেটাই আমাকে ভাবিত করেছে। মাস ছয়েকের বেশি হবে হয়তো সিকদার মেডিকেলের ৪র্থ বর্ষের ছাত্রী মিলা (আসল নাম মনে নেই) মফস্বল শহরের একজন স্বচ্ছল পরিবারের মেয়ে। ডাক্তার হবার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিল ধানমন্ডির সিকদার মেডিকেলে। বাবা প্রতিমাসে প্রয়োজনের চেয়ে বেশিই টাকা পাঠাতো মেয়ের পড়ালেখার সকল সুবিধা নির্বিঘ্ন করতে। কিন্তু মাঝপথে মেয়ের পদস্খলন- বখাটে, টাউট একটা ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ানো, অতপর লিভ টুগেদার, অনৈতিক সম্পর্কের পরিনতিতে পেটে অবৈধ সন্তান, বখাটে প্রেমিকের বিশ্বাস ঘাতকতা, অতঃপর সব দায় কাঁধে নিয়ে মেয়েটার আত্নহননের মাধ্যমে মুক্তির প্রচেষ্টা।

অন্য ঘটনাটিও প্রায় একই রকম। তবে পার্থক্য শুধু এটুকু যে, এ দৃশ্যপট নায়িকা নয়, নায়ক প্রধান। আর সে নায়ক কোন ধনীর দুলাল নয়, মফস্বল শহরের হতদরিদ্র এক ভ্যান চালকের পুত্র। ভ্যান চালক বাবা ছেলেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার বানাবে বলে পাঠিয়েছিল ঢাকা শহরে।

নিজের জীবনটাকে বাজী রেখে ছেলে মিলনকে ভর্তি করিয়েছিল বনানীর অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটিতে। তৃতীয় বর্ষে উঠতেই মিলন বিমালুম ভুলে যায় তার নাড়ীর সম্পর্কেকে। জড়িয়ে পড়ে ধনীর দুলালী এক সহপাঠীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের জালে। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে লিভ টুগেদার-অতপর নানা জটিলতায় আত্নহননের মাধ্যমেই জীবনের পরিসমাপ্তি।
এ কয়েকটি আত্নহনননের ঘটনাকে সামনে রেখে আমার মাথায় অহর্নিশ ঘুরপাক খাচ্ছে কিছু প্রশ্ন।

এস.এস.সি/এইচ.এস.সি পর্যায়ে অতিশয় ভাল রেজাল্ট/অত্যধিক মাত্রায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তি আমাদের অভিভাবককে তাদের সন্তানদের উচ্চশিাক্ষার বিষয়ে স্বপ্ন বিলাসী করে ফেলেছে কি?
এই তথা কথিত ভাল রেজাল্টকে পুঁজি করে আমাদের ফন্দিবাজ রাজনীতিকরা কিছু দুষ্ট চক্রের সহযোগিতায় যেন তেন মানের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি খুলে ব্যবসা ফাদিয়ে বসেছে, শিক্ষার মানকে অধপতিত করে দেশকে শিক্ষিত বেকারের একটি ‘স্টেক ইয়ার্ড’ বানিয়ে ফেলেছে না কি?
বেশির ভাগ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে বিদ্যা চর্চার চেয়ে ‘সার্টিফিকেট বাণিজ্যের’ অবাধ সুযোগ থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় মনোযোগী না হয়ে মাদক, যৌনতাসহ নানাবিধ অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে না কি?
উন্নত বিশ্বে যেখানে শুধুমাত্র মেধাবী আর সামর্থবানরাই উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহী, সেখানে আমাদের দেশে পয়সার বিনিময়ে তথা কথিত উচ্চশিক্ষাসমাজে নানাবিধ আনব্যালান্স আর অসংগতির কারণ হয়ে জাতি হিসেবে আমাদের পিছিয়ে দিচ্ছে না কি?
মানহীন এমন অসার উচ্চ শিক্ষার কি আদৌ কোন প্রয়োজন আছে? 
কে দেবে আমাদের এসব সহজ প্রশ্নের উত্তর? 
তারিখঃ ২৯.০৯.২০১৪

রেজা, মানিক,নাজমুল,জসিম,শাহিন,জিয়া,রিপন,টিটু,অপু,মিঠু


আমি আনতরিক ভাবে দুংখিত যে, আমি আজ রাঙ্গামাটি যেতে পারিনি, বহু কস্টে সকালে অক্সিজেন পর্যন্ত গেছিলাম প্রচুর বৃস্টি তারপর ও কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছায় এই বৃস্টি বাদলায় আর রাঙ্গামাটি যেতে পারিনি,কারন আরো আছে রাঙ্গামাটি রোড এর ৪ শ্রমিককে, কে বা কারা মেরে ফেলেছে তাই আগামি ৩ দিন হরতাল।

তবে হা আমি যাবো ইন্সশাআল্লাহ, তাই বলছিলাম তোদের জন্য কি কি আনতে হবে না আমাকে বল।

তোরা এই টা মাথায় রাখিস যেঃ তোরা মনে করবি ইহা ভুল, আসলে কিন্তু ইহা সঠিক- এই ডায়ালক এর কথা অবশই মনে আছে তোদের সবার যদি থাকে তাহলে এই পোস্ট পরে তার নাম টা সবাই লিখবি তাতে তাকে( বন্ধু)কে আমাদের স্মরণ করা ও হবে আশা করি।

আমার মনে হয় না আজকাল কার হোলাহাইন এগুন দেখছে


আমার মনে হয় না আজকাল কার হোলাহাইন এগুন দেখছে,আমাগো জমানায় এগুন দেখতে দেখতে হগলে বড় হইছে,কলোনীর কিছু কিছু হোলা মাইয়া ছাড়া হগলে এগুন হাতে নিয়া নড়াচড়া কইচেছ,এহন ও কিছু কিছু জিনিস চোখে হরে,আর জানামতে এহানে কারো কাছে কোন জিনিস নাই, যদি কারো কাছে কোন দ্রব্য (আইটেম) থাকে তাহলে তাগোরে ঢাকা মিউজিয়ামে যোগাযোগ করার জন্য বলা হচেছ

কথোপকথন


--ঘুমাবে না
--এই তো পাচ মিনিট
-- কটা বাজলো খেয়াল আছে?
--হু,সাড়ে বারটা
-- ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বল
-- আল্লা, একটা বেজে গেল এত তাড়াতড়ি?
-- হু,তুমি আছ স্টিল মিল আর ফেস বুকের ঘোরে, সময় টময় কি তোমার মাথায় আছে?
-- সরি,একটা ইন্টারেস্টিং পোস্টিং দিয়ে এলাম।
-- তোমার যে ডাইবেটিস, নিয়ম মেনে চলাটা কত জরুরি জান না?
-- জানি তো-
-- তা'হলে?
--মনেরও তো একটা ব্যাপার আছে তাই না?
--তাই বলে প্রতি দিন ফেস বুক? প্রতিদিন সিএসএম ?
-- আছছা, কাল থেকে আর হবে না।
--এই সব ছাড়া যায় না? ভোলা যায় না?
--বোধ আর স্নায়ুর মর্মে গেথে আছে বিদ্ধ নাছোড় প্রেম,
কেমন করে ভোলার কথা বল?
--- বাপরে ! থাক, ভোলার দরকার নেই, তাহলে তোমাদের গ্রুপে আমাকেও এড করে নাও -
--- সেটা বোধ হয় একটু কঠিন, তবু বলে দেখব এডমিনকে 
-- দেখ, চেষ্টা করে-
-- ঠিক আছে, ঘুমাও এখন, অনেক রাত হয়েছে, সেহরীতে আবার উঠতে হবে। 
*************
রাত ১:০৩
১৩:০৬:২০১৬

ইন্ডিয়ান এক গায়ক আছে নাম "অনুভব না অনুপম" কি জানি


ইন্ডিয়ান এক গায়ক আছে নাম "অনুভব না অনুপম" কি জানি, আর গানও গায় একটা ই "আমাকে আমার মত থাকতে দাও"। এই পোলার গলায় সারা জীবন খালি এই গান টাই শুইনা আসতাছি। এইডা গান না ছড়া এইটা নিয়াও আমি কনফিউজড। যাই হোক এই অনুপম যখন তার এই জাতীয় সংগীত লইয়া টিভির পর্দায় আসে তখন আমাগো দেশী য় কিছু ললনা ( এই দলে আমার বউও আছে) এমন ভাবে টিভির সামনে দৌড় দেয়, অলিম্পিকে এই দৌড় দিলে এই দেশে গোল্ড মেডেল না হইলেও সিলভার মেডেল আসতোই।

আচ্ছা এই অনুপম ব্যাডা এমন কি গান গায়? যারে দেখার লাইগা টিভির সামনে এমন অলিম্পিক দৌড় দেওন লাগে? এই পোলার থাইকা আমাগো মরা রাশেদও ভালো গান গাইতে পারে। আসলে ইন্ডিয়ার শক্তিশালী মিডিয়ার কারনে যারে তারে বিরাট গায়ক বানাইতে পারে। আমার এক মুরুব্বি কইছিল " পেটে.... থাকলে জিলাপি র মতোও হাগা যায়"।

আমাগোও এমন স্ট্রং মিডিয়া থাকলে মরা রাশেদও বিশাল শিল্পি হইয়া যাইতো। আর সেও টিভিতে গান গাইতো " আমাকে আমার মত ডাব পাড়তে দাও"।

Sunday, June 12, 2016

সন্ধায় খবর পেলাম আমাকে আগামি কাল ভোরে রাঙ্গামাটি যেতে হবে কাজে


সন্ধায় খবর পেলাম আমাকে আগামি কাল ভোরে রাঙ্গামাটি যেতে হবে কাজে, তাই ঠিক করলাম আমার সি এস এম ভাই ও বন্ধুদের জন্য কিছু ইফতার আনা যায় কিনা, তাই বলছিলাম বন্ধু বর,রেজা,রিপন,জসিম,জিয়া,শাহিন,মানিক,টিটু,অপু,মিঠু,ও ভুলে যার নাম লিখবো না মনে করেছিলাম ঃ সে নাজমুলঃ আমি তোদের জন্য রাঙ্গামাটি থেকে কি আনতে হবে না বলে।

যা লিখলাম তোমরা মনে করিবে ইহা ভুল , আশলে ইহা সঠিক।

take to take no take to p---------

আমার প্রবাসী এক বন্ধুর প্রশ্ন


আমার প্রবাসী এক বন্ধুর প্রশ্ন:
********************************
"মালয়েশিয়ায়,আমার বাসা থেকে প্রায় আঠাশ কিঃমিঃ দুর থেকে ইফতারীর সামগ্রী কিনে আনতে আমার বন্ধুর লাগলো পঁয়ত্রিশ মিনিট। 
এসেই বল্লো,জ্যাম দেরী হয়ে গেল।
বছর বিশেক আগে আমাদের যাযাবর কাল, ফার্মগেইট এলাকা থেকে পুরান ঢাকার বিখ্যাত ইফতার সামগ্রী আসবে। সেই কোন দুপুর বেলায় এক বন্ধু অপেক্ষায় রেখে ভরসা দেয়,নো চিন্তা অবশ্যই ইফতারির আগেই ফিরবো। বেলা যায়। রোজাদার’রা ইফতার সেরে,নামাজ শেষে, তারাবির জন্য ছুটলো। পুরান ঢাকা থেকে বিধ্বস্ত বন্ধু ফিরলো অবশেষে। 
বল্লো,জ্যাম দেরী হয়ে গেল।
সাত ঘন্টা লাগলো। কই বাত্ নেহি। রাতের
খাবার হবে। সবাই ফিরুক। 
জানি সবার আরো কতো হরিবল্ অভিজ্ঞতা। কতো গল্প,হাজারো সমস্যা।
অবস্থার কি খুব একটা পরিবর্তন হয়েছে?
******************
প্রবাসী বন্ধুর পপ্রশ্নের উত্তরে :
****************************** 
দু:খ করিস না দোস্ত।
ভালোই তো আছি আমরা।
আমাদের কছির উদ্দিন ইকবাল ওরফে কইছছার কথা মনে আছে নিশ্চয়।
হাজারীবাগে বেড়ে ওঠা ওর নাকি ট্যানারির গন্ধ ছাড়া ঘুম হত না ভালো।
জ্যাম ছাড়া আমদের জীবন যে অচল। আমাদের তো কোন অসুবিধা নেই। বেশতো আছি। 
জ্যাম,ধাক্কা-ধাক্কি,গালাগালি,হাকা-হাকি, ধূলা,ময়লা,আবর্জনা,টেনশন,আতংক ------------(বলা যাবে না)------------ এসব ছাড়া জীবনের সবাদ কোথায়?
নিরঝঞ্জাট,এডভেঞ্চারহীন, একঘেয়ে জীবনতো নিরামিষ জীবন।
ভালো আছি আমরা বেশ ভালো।
তোরাও ভালো থাকিস তোদের মত করে।
( আমার অন্য একটা ক্লোজড গ্রুপ থেকে উদ্ধৃত )

বাসায় বউয়ের সাথে পয়সা খেলা রিতীমত টাকার বিনিময়ে


বাসায় বউয়ের সাথে পয়সা খেলা রিতীমত টাকার বিনিময়ে। পোলা আমার জন্য আল্লাহ্ আল্লাহ্ করছে। জুয়াতে আল্লাহ্ আল্লাহ করলে আল্লহ্ সাপোর্ট দেয় কিনা জানিনা, আমি এখনো চারশত বিশ টাকা লসে আছি। হা হা হা এই খেলা নিয়ে আমার পোলার সে কি চরম উল্লাস। মাঝপথে বউ আব্বা-আম্মাকে চা দিতে গেলো আর এই সময়ঠুকুও সে দিতে রাজি না। তার মাকে ডাকার জন্য কতোবার যে লেফএ রাইট করলো... এখন বিরতী চলছে নামাজের... খেলা জমছে ভালো... বউকে আজকে ফুতুর করতে হবে এট এনি কস্ট্।

ইন্টারনেট ফিন্টারনেট কি জিনিস সেটা আমার বা অনেকেরই চৌদ্দপুরুষ


ইন্টারনেট ফিন্টারনেট কি জিনিস সেটা আমার বা অনেকেরই চৌদ্দপুরুষ জিন্দেগি তে শুনা তো দূরের কথা কল্পনায়ই আনেনি কোনদিন। টেলিভিশনই ছিল দুর্লভ বিনোদনের ব্যাপার। মধ্যবিত্ত প্রায় প্রতিটি পরিবারে রেডিও ছিলো বিনোদন আরোহনের প্রধান উপায়। এক ব্যান্ড, দুই ব্যান্ড বিভিন্ন ক্যাটাগরিরর রেডিও পাওয়া যেতো। 

দুপুর ২ টায় শুরু হতো বিজ্ঞাপন তরঙ্গ। ছায়াছবির গান বা অনুরোধের আসরের গান হতো আর ফাঁকে ফাঁকে দরাজ গলায় বা সুরে বিভিন্ন পন্যের বিজ্ঞাপন। মা চাচী রা সারা সকাল থেকে দুপুর পর্য্যন্ত সংসারের কাজ করে, দুপুরের খাওয়ার পর বিশ্রামের ফাঁকে এই বিজ্ঞাপন তরঙ্গ শুনতো। সাথে আমরা ছোটরাও থাকতাম। আর বিজ্ঞাপন তরঙ্গ শেষ হলে শুরু হতো বিভিন্ন সিনেমার বিজ্ঞাপন, আর সেখানে মাযাহারুল ইসলামের চির পরিচিত গলায় " আসিতে.....ছে, চলিতেছে আপনার প্রিয় প্রেক্ষাগৃহে অমুক ছবি বলে হাঁক," সাথে থাকতো আরো বিভিন্ন ধরনের বিশেষণ। 

প্রতি শুক্রবার বা বৃহস্পতিবার দুপুর তিন টায় প্রচারিত হতো ত্রিশ মিনিটের নাটিকা। তবে এসব নাটিকা আমাদের ছোটদের কাছে ভালো লাগতোনা। আমাদের কাছে নাটিকার চেয়ে সিনেমার গানই ভালো লাগতো বেশি। বড়রা আবার এই নাটক গুলো খুব মনোযোগ দিয়ে শুনতো। সন্ধ্যায় থাকতো সৈনিক ভাইদের জন্য অনুষ্ঠান "দুর্বার "। কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠান সহ পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান। সবাই মনোযোগ দিয়েই সে অনুষ্ঠান গুলো শুনতো।

এখনকার এফএম রেডিও নামক বাংলা ইংরেজি র দূষিত মিশ্রনের ছ্যাবলামো মার্কা বকবকানির চেয়ে লক্ষ কোটি গুন ভালো ছিল সেই সমস্ত রেডিওর স্বর্নালি দিন গুলো।

রমজানের মাস সংযমের মাস


রমজানের মাস সংযমের মাস। সংযম কতটুকু পালন করি জানি না। তবে এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি অন্যান্য মাসের তুলনায় এ'মাসে খাবার দাবার আয়োজন থাকে সবচেয়ে বেশী। হ্যাঁ এমাসে সবকিচুতে একটা উৎসব উৎসব ভাব থাকে। এই উৎসব সবার মধ্যে একটা আবেগ তৈরী করে দে। আমরা যতই বলিনা কেন, এমাসে খাবারের অপচয় হয় সবচেয়ে বেশী। যাক এসব নিয়ে বেশী কিছু বলে আতেলের খাতায় নাম লেখাতে চাই না। আমি কোন জ্ঞানী নই, সবাই আমার উপদেশ মেনে চলবে কিংবা আমি কোন মাওলানা নই ফতোয়া জারি করে দিব বা এসব কথা আমার বলাও উচিত নয় কারন আমি নিজেই এসব মেনে চলি না। তবে এমাসের উৎসব রীতিকে আমি বেশ উপভোগ করি। সি এস এম কলোনীতে থাকা অবস্হায় ইফতার পার্টির মাধ্যমে এমাসটি বেশ উপভোগ্য ছিল। সারা মাসেই কোন না কোন ইফতার পার্টির মাধ্যমে সবার সাথে আড্ডা দেওয়া বা একসাথে ইফতার করার মাধ্যমে সম্পর্কের একধাপ উন্নতি ঘটত। সবচেয়ে ভালো লাগতো আমাদের সেসব ইফতার পার্টিতে হিন্দু, মুসলিম সবাই যোগদান করতো। আজ হয়ত সেসব স্মৃতি কিন্তু সেসব আনন্দদায়ক স্মৃতি আজীবন মনে থাকবে। যদিওবা অনেকের মতে এটাও একধরনের অপচয় কিন্তু আমি এ অপচয় দারুন পছন্দ করি।

COLONY LIEFR ROJAR EKTA MOJAR KOTHA MONE PORE GELO


COLONY LIEFR ROJAR EKTA MOJAR KOTHA MONE PORE GELO.TAI SHARE KORCHI.JANINA KARO VALO LAGBE KINA?TOBUO KORLAM.TOKHON AMRA C-8-E TE THAKI.AMADER PASHER BASAE ARUN CHACHA THAKTEN.UNAR MEYE CHAITI IFTERER SOMOY HOLAI SALWAR-KAMEEZ-ORNA PORE ASTO IFTER KORTE.SE BOLTO- "AMI UPOR DIA HINDU KINTU MONE MONE MUSALMAN."HA HA HA SEDINER SEI CHOTTO CHAITI,AKHON SE EKJON MAA.

আজ এখন থেকে ৯ ঘন্টা আগে আমার খুব কাছের মানুষ জনাব আনিসুর রহমান রেজা


আজ এখন থেকে ৯ ঘন্টা আগে আমার খুব কাছের মানুষ জনাব আনিসুর রহমান রেজা একটি পোস্ট করছিল, খুব ই মজার আমি রেজার মামাতো ভাই সজল কে ও ভাল ভাবে চিনি বা জানি।খুব মজা লাগলো পড়ে, কিন্তু বন্ধু সময় বসে থাকে না সবিনয়ে বলছি আর নয় হেলা ফেলায় অনেক দিন পার করেছি, সেই সব ঘটনা যদি লিখা শুধু করি তা হলে অন্য সব বাদ দিয়ে আমাদের করা দুস্টামি কলোনি সেরা, কেউ জানুক বা না জানুক আমার বন্ধুরা খুব ভাল ভাবে ই জানে।এখানে বলে রাখা ভাল যে আমাদের বন্ধু মহল এ যে কোন কাজে এক জন না হয় এক জন যে কোন কাজে অভিজ্ঞ হেড মাস্টার ছিল।

আমি ভাই খুব খুব বোকা,অপরাধি,ঘুনাগার আল্লাহ যদি ক্ষমা করেন তাই চেস্টা করে যাচ্ছি বাকি আল্লার ইচ্ছা, তাই বন্ধুদের সবিনয়ে অনুরোধ করছি সব কর কিন্তু নামাজ রোজা বাদ দিয়ে নয়।বাকি কথা রেজার পোস্ট এর কম্মেন্টস এ

হেপাটাইটিস B ভাইরাস


হেপাটাইটিস B ভাইরাস ইনফেকশন আমাদের দেশে একটা বড় সমস্যা। অনেক সময় দেখা যায় কারো কখনো জন্ডিস হয়নি কিন্তু অন্য কোনো সমস্যার জন্য টেস্ট করার পর দেখা গেল হেপাটাইটিস B ভাইরাস positive. এরকম অনেক সমস্যার উত্তর এর জন্য ATN bangla এর অনুরোধে ২০ মিনিট এর একটা অনুষ্ঠান করেছিলাম। সময় স্বল্পতার জন্য অনেক প্রশ্নের হয়ত উত্তর দিতে পারিনি। ভিডিওটা youtube এ আছে। আমি লিংক টা দিলাম, কেউ চাইলে দেখতে পারেন। দেখার পর যদি কারো কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে সেগুলো করতে পারেন ইনবক্স এ বা কমেন্ট হিসাবে।


বাসায় আমের মহোৎসব যাচ্ছে এবার


বাসায় আমের মহোৎসব যাচ্ছে এবার, প্রথম বার স্টিলার এক বড় ভাইয়ের সৌজন্যে কুড়ি কেজি আম সরাসরি রাজশাহী থেকে আমদানিকৃত, সেটা থাকতে থাকতেই আমার ক্লায়েন্ট এর মাধ্যমে আবারো কুড়ি কেজি আম বাসায়, সেগুলো যখন ভক্ষণ, বিতরন চলছে তখন শ্বশুর মহাশয় আরো ত্রিশ কেজি আম আর তিনশ লিচু নিয়ে বাসায় হাজির। পুরা বাসায় আমের ঘ্রানে মৌ মৌ অবস্থা। ইফতার, সেহেরী আর রাতের বেলায় আম হচ্ছে রুটিন খাবার আমাদের। 

ঠিক এই যখন অবস্থা রাত বারোটার দিকে বাসার কলিং বেলের আওয়াজ, এতো রাতে তো কেউ আসেনা! কৌতুহলী মনে দরজা খুলে দেখি সেজো মামার ( আবাহনীর সাবেক ফুটবলার খসরু, বর্তমানে নওগাঁ কাস্টমসে কর্মরত) গাড়ির ড্রাইভার বিশাল এক বক্স পায়ের কাছে রেখে দাঁত বের করে বিগলিত হাসি দিয়ে বলল " স্যার রাজশাহী থাইকা পাডাইছে", একবারে ফেরেস আম, আজকাই সকালে গাছতুন পারছে"। 

ড্রাইভার কে বিদায় করে প্যকেট খুলে দেখি আসলেই একেবারে ফ্রেশ আম, আমের সংগে লেগে থাকা পাতা তখনো সতেজ।ছেলে পাতা সহ আম দেখে তেো মহাখুশি। আর আমি বলে উঠলাম
" ওররে, মাগনা কত আম আসেরে"

Saturday, June 11, 2016

Today June 11


Today June 11, the British are celebrating 90th Official Birthday of their Queen ; Elizabeth. This is different from her biological DoB April 21

I had the opportunity to observe the celebration Standing near Bakingham Palace back in 1991.During my observation I noticed British are very loyal to their Monarchy. They have great respect and deep love for the Royal Family.

This year celebration is more colorful,enthausiastic and inclusive than that of 1991. The other difference is the absence of Princss Diana the most fabulous, glomorous beautiful lady of the world.

Here is some glimpses from old album and bbc:

অনেক বছর আগের কথা। রোজার মাস


অনেক বছর আগের কথা। রোজার মাস। সকাল বেলায় বিছানাতে। মামাত ভাই সজল এসে হাজির। আমার দাদা/নানার বাড়ি পাশা পাশি, ৫মিনিটের পথ। দুজনেই আমরা চুপচাপ এবং দুজনেই কিছু বলতে চাচ্ছি!দুজনের চোখেই হাসির ঝিলিক খেলে গেল! আস্তে ধিরে বিছানা থেকে উঠে পড়লাম। কোন কথা বার্তা ছারাই দুই ভাই বাড়ি থেকে বেড় হয়ে পড়লাম। বাজার পর্যন্ত গেলাম,তাও কোন কথা হলো না! মনে মনে ভাবছি,একটি বেবি টেক্সি নিয়ে টাঙ্গাইল শহরে গেলে কেমন হয়? গ্রামের বাজার, এখানে সবাই চিনে, কেউ দেখে ফেললে, সোজা দাদার কাছে বলে দিবে। আমাকে অবাক করে দিয়ে, সজাল একটি বেবি টেক্সি ভাড়া করে বসলো! টেক্সি নিয়ে টাঙ্গাইল শহর পর্যন্ত চলে গেলাম, এখনো আমাদের দুই ভাই এর মাঝে কোনো কথা হয়নি! এবার দুই ভাই রিক্সায় উঠে বসলাম। কই যাইতেছিরে সজলা, এই প্রথম কথা হলো! ম্যালাদিন হয়ে গেছে ভাই, পরোটা আর কবুতরের মাংস খাইনা! ঠিক কথা, ম্যালাদিন হয়ে গেছে, পরোটা আর কবুতরের মাংস খাইনা! কই পামু? মিস্টির দোকানেই পামু, বে-রোজদারদের জন্য স্পেশাল আয়োজন থাকে! তবে ভাই একটু টেনশনে আছি! কেন সজলা টেনশন কেন!? আমরাতো গ্রামের বাইরে আছি? ভাই, সকাল বেলায় ঘুমের থেকে ঊঠে আব্বুরে[মামা] বাড়িতে পাই নাই! তাতে সমস্যা কি? দুরু ভাই তোমারে কোনো কথা "ভাইংগা/চুইরা" না কইলে বুঝোনা! আমাগো বাশাইল গ্রামের মধ্য, আব্বুর চেয়ে বড় রোজদার আর নাই! ইফতার করে মসজিদে, হুজুর আর এতিম পুলাপানের সাথে! ঢুকলাম দুই ভাই, কালিবাড়ির মিস্টির দোকানে। ঘিয়ে ভাজা পরোটা আর কবুতরের মাংস! খেতে খেতে হটাত সুনি পিছন থেকে কে যেন বলছে, গোপাল, আমারে একটা ছানার সন্দেশ দিও, রোজা/রমজানের দিন, না খাইয়া-ই থাকি, ডায়াবেটিস আর কত বাড়বো? আরে সজলা তুইতো ঠিকি বলছোস! মামা "ঠাটায় মারতেছে"! হোটেলের ভিতর কিছুটা অন্ধকার থাকাতে, মামার চোখে আমরা পরিনাই। বুঝলা ভাইয়া, আব্বু একটা কঠি--ন জিনিষ! হুউউম মামু আমার,মসজিদের আবার সেক্রেটারি-ও! গোপাল, একটা গোল্ডলিফ সিগারেট আনাও! শেষ সিগারেটটা খাইয়্যা যাই! হা হা হা হা হা---------------------।

সন্ধ্যার আগে আগে , মামু আমার মসজিদের দিকে যাচ্ছে, মাথায় টুপি! এতিম পুলাপান আর হুজুরদের সাথে ইফতার করবে! হা হা হা হা ------- মামু আমার কঠিন জিনিষ !।

আজ ১১ই জুন টিপুর শুভ জন্মদিন


Abdullah Al Mahbub টিপু,(ব্যাচ-৯৫) ছেলে হিসাবে অনেক ভদ্র ও ঠান্ডা প্রকৃতি । আমাদের ব্যাচের ছেলেদের মধ্যে টিপু ফাষ্ট বয় ছিল । রোল ১নম্বর টা টিপু সারা বছরের জন্যে বরাদ্দ ছিল । ১ম শ্রেণী থেকে শুরু করে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ঐ রোল ১নং টা টিপুর বরাদ্দই ছিল । আর আমি সবসময় পিছনের টুলের ছাত্র ছিলাম, কোন মতে টেনে টুনে পাশ করতাম । টিপুর কিছু কথা মাঝে মাঝে মনে পড়ে, সে আমাকে সমসময় বলতো পড়া শুনার দিকে একটু মনোযোগ দে ,কে শুনতো কার কথা আমি চলতাম আমার মতোই । কর্মদক্ষতায় টিপু এখন ফ্যামেলি সহ মালয়েশিয়া অবস্খান করতেছে । 
আজ ১১ই জুন টিপুর শুভ জন্মদিন । টিপুকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।

আজ ছুটির দিনটিতে ভেবেছিলাম ছেলের মায়ের সাথে সপিং এ বেরব


আজ ছুটির দিনটিতে ভেবেছিলাম ছেলের মায়ের সাথে সপিং এ বেরব। সকালবেলা প্রস্তাবটি তিনি বিনয়ের সাথে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন ছেলেদের নিয়ে যেতে। 

যথা আজ্ঞা ।

রোজার দিনে ড্রাইভারকে কষ্ট দিতে মন চাইলো না। বাপ-বেটা ভাগে যোগে গাড়ি চালিয়ে সারাদিন সসপিং সহ আরও কিছু জরুরি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে চারটা।

দিনমান মার্কেট মার্কেট ঘুরে তিন বাপ-বেটা ভীষন টায়ার্ড। কাজের মেয়েটা দরজা খোলা মাত্র তিন জনই যে যার শোবার ঘরে। এসি অন করে দে এক ঘুম। 

সোয়া ছটার দিকে রান্না ঘর থেকে গিন্নি এসে ঘুম না ভাঙালে আসর নামাজটা বুঝি কাযাই হয়ে যেত। তাড়াতাড়ি অজু করে নামাজ শেষ করে টিভিতে লাইভ ক্রিকেট।

বন্ধ রুমে খট খট আওয়াজ দিয়ে গিন্নি জানান দিল ইফতারের সময় হহয়েছে।

Friday, June 10, 2016

জীবনের কিছু সময় অন্তর অন্তর বেশ কয়েকটা দিন প্রতিটি মানুষের একেবারে একান্তে কিছু সময় পার করা উচিত


জীবনের কিছু সময় অন্তর অন্তর বেশ কয়েকটা দিন প্রতিটি মানুষের একেবারে একান্তে কিছু সময় পার করা উচিত, যেখানে নিজে একা ছাড়া আর কেউ থাকবেনা, থাকবেনা টেলিফোন, মোবাইল নামক যন্ত্রনা। বড় বড় তিন চারটি বড় বড় গাছের ছায়া ঢাকা নিরিবিলি একটি টিন শেডের চৌচালা লম্বা বারান্দাযুক্ত একতলা ঘর, বর্ষা কালে টিনের চালে বৃষ্টি র রিমঝিম শব্দ আর শুকনো মৌসুমে গাছ থেকে শুকনো পাতা পড়ার খুট খুট শব্দ। যে ঘরে থাকবে বড় বড় জানালা। ঘুম থেকে উঠেই বিছানা তে বসেই জানালা খুলে দেখা যাবে তিতাস নদী টাইপ শান্ত আর নিরীহ নদী। বিকাল বেলা ঘুরতে বের হয়ে সেই নদীর পাড়ে বসে সময় কাটানো। আর হ্যাঁ! সেই বাড়িতে আলমারি ভর্তি থাকবে অনেক ধরনের বই। আর বিনোদন হিসেবে শুধু মাত্র স্যাটেলাইট লাইন যুক্ত টেলিভিশন থাকবে।

চারদিনের জ্বরে সারাদিন বাসায় শুয়ে শুয়ে এই ভাবনা গুলোই মাথায় ঘুরপাক খেয়েছে।

Thursday, June 9, 2016

আগ্রাবাদে ভোগ বিলাস এবং শ্রী কৃষ্ণ নামে দুটি হিন্দু হোটেল আছে


আগ্রাবাদে ভোগ বিলাস এবং শ্রী কৃষ্ণ নামে দুটি হিন্দু হোটেল আছে। সেগুলো সারা বছরই খোলা থাকে। সেগুলোতে সারা বছর কট্টর হিন্দুরাও যায় কিনা সন্দেহ। অবশ্য না যাওয়ার কারনও আছে। কারন ওখানে খাওয়ার পরিবেশ সাধারন মানেরও না। কোন রকমে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলে। কিন্তু রমজানে দিনের বেলায় দেখা যায় হিন্দুদের চেয়ে মুসলিমরা যায় বেশি। নন মুসলিমরা জায়গা পায় না। অনেক বড় বড় কমর্কতাকে দেখেছি সেখানে লাঞ্চ করতে। আরও অবাক হবেন এই মুসলিমরা রমজানের পরে ওই হোটেল গুলির নাম শুনলেও নাক সিটকায়।

সেই জাহিদ ভাই


সেই জাহিদ ভাই, আর আজকের জাহিদ ভাই, মরু আরব তারে কি থেইক্কা কি বানাইছে দেহেন!!!!!!!!!!!!!

সেই জাহিদ ভাই যখন আমাদের কলোনীতে এলেন, ওয়ার্কার ক্লাবের ঠিক পেছনের বিল্ডিয়ে থাকতেন, সেরকম স্মাট ছিলেন। নরমাল লুঙ্গি পরলেও তাতে দারুন একটা ভাব ছিল। লম্বা চুল, শুধু না, উনার পরিধেয় সব পোষাকেই ছিল সেরম মারদাঙ্গা ভাব আর extreme আধুনিক, অসম্ভব রুচি ছিল তার dress selection এ, উনারে দেখতাম আর ভাবতাম একদিন আমিও বড় হলে........................।।

হায়রে বড় হওয়া, বড় হয়ে যে কত কি মিস করছি!!!!!!!!!!

Happy Friendversary লাড্ডি


কাল দুপুর থেকে ব্যাস্ততার কারনে ফেবু'তে আমার এন্ট্রি হয়নি। সকালে যেই না ফেবুতে লগ ইন করলাম প্রথমেই দেখলাম ফেবু সাহেব আমার আর আমার লাড্ডির ফেবুতে রিলেশন'র বয়স মনে করিয়ে দিচ্ছে। 

লাড্ডি আমার ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। সমস্ত টেস্ট, এক্স-রে শেষ করে ড: মনিরকে দেখাবে আর তখনি শুনলো ড: সাহেব কয়েকদিনের ট্যুরে আমেরিকা যাচ্ছেন। ফিরবেন 14ই জুন। তরিঘরি করে রিপোর্ট দেখাতে পপুলার হসপিটালে গেল কিন্তু তিনি সময়ই দিতে পারলেন না।

তিনি এক কার্ডিয়াক স্পেশালিস্টকে রিপোর্টগুলো দেখাতে বল্লেন, এখানেও বিধিবাম। মেডিকেলের লিফট দুইদিন ধরে অকেজো। লাড্ডি তিন তলায় আস্তানা গেরেছে। ওর যে অবস্থা, কোনভাবেই তিনতলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে নীচে নামা সম্ভব না। কাজেই লিফট ঠিক হওয়ার আগ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। 

আর অন্য সবকিছুর জন্য ড: মনিরের 15 তারিখে মেডিকেলে আগমনের অপেক্ষায় দিন গুনতে হচ্ছে। Ahsanul Tarique

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থতা দান করুন। আমিন। 

Wednesday, June 8, 2016

ঘটনা কি?


ঘটনা কি? সবাইরে কি রোজা কাহিল করে দিলো নাকি,আমাগো Atiq Csm কোনে,কলোনী এতো চুপচাপ ক্যা,নামাজের পর তো হগলের ইউনুস এর দোকানে পান সিগারেট এর জন্য লম্বা সিরিয়াল ধরা লাগতো আজ দুইদিন দেখি দোকান পুরাই ফাঁকা,রোজা রাইখা হগলে কি সারাদিন ঘুম পাড়তাছে নাকি,ডাব গাছ গুলি হাঁ কইরা তাকাইয়া রইছে আর মনে মনে কইতাছে ডাবের ভারে তো আমি নুইয়া পড়তাছি কেউ ডাব পাড়ে না কেন?সকাল বিকাল খাল পাঁড়ে ও ভিড় হয় না হগলে কি তাস খেলা ভুইল্লা গেলো নাকি,বিকালেও দেখি ছোড ছোড বোনেরা ইফতার নিয়া এই বাসা টু ওই বাসা দোড়াদৌড়ি ছাইড়া দিলো,একটু পর তো আবার মিলের সাইরেন শুরু হইয়া যাইবো, ঘটনা কি হগলে কনচেন দেহি।

রোজার সময় স্কুল বন্ধ থাকত


রোজার সময় স্কুল বন্ধ থাকত।আমরা সকাল ১০ টা থেকে প্রায় দুপুর এ যোহরের আযানের আগ পযর্ন্ত ৫ নাম্বার বিল্ডিং এর পাশে সুমনদের নারকেল গাছের নিচে দাবা খেলতাম।কে সবচেয়ে ভাল খেলে তা তখন দেখা যেত।আযানের আগে আগে বাসায় গিয়ে গোসল করে মসজিদে।তখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরতাম সব দল বেধেঁ মসজিদে।আসরের আযানের অনেক আগেই মসজিদে যেয়ে বসে থাকতাম।হাসানের( ৯৪ ব্যাচ)চাচা আযান দিত।তার আযান এর টান ছিল সেইরকম সুমধূর।এখন তিনি কোথায় আছেন তা এখন জানি না।

সবাই কে আল্লাহ সুস্থ ভাবে বাকী রোজা রাখার তৌফিক দান করুন আমিন।

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে (BMA) চলা সার্কাস নিয়ে লিখার ইচ্ছা ছিলো অনেকদিনের


হাঃহাঃহাঃ !!!! বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীতে (BMA) চলা সার্কাস নিয়ে লিখার ইচ্ছা ছিলো অনেকদিনের | দুই বছরের কাহিনী একহাজার পাতার উপন্যাসেও বোধহয় লিখে শেষ করা যাবে না | ২০০৪ সালের ২০ জানিয়ারি মঙ্গলবার বিকেল চারটায় BMA নামক চিড়িয়াখানায় জয়েন করি | গেইট দিয়ে ঢুকার সাথে সাথেই সার্কাস শুরু !! ডায়নিং হলে শুধু খাবারের চেহারা দেখতে যেতাম | পেট ভরাতাম টয়লেট চেপেছে বলে বাথরুমে এসে কলের পানি খেয়ে | চারদিন পর শুক্রবারে ওযুর নাম করে ঢকঢক করে পানি খাওয়ার কথা ভুলবো না কোনোদিন ও | এরপর মসজিদে ঢুকে..... আহ!!! শান্তি !!!!!! ঘুম !!!!!! 


জীবনে মাথা ব্যাথা হয়নি এমন মানুষ পাওয়া মনে হয় মুশকিল


জীবনে মাথা ব্যাথা হয়নি এমন মানুষ পাওয়া মনে হয় মুশকিল। মাথার ব্যাথা অনেকের জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাড়ায়। মাথা ব্যাথা সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে 90% এরও বেশী মানুষের মধ্যে দেখা যায়। মাথা ব্যাথা প্রায়ই একটি benign recurrent disorder (যা ক্ষতিকর না, কিন্তু বার বার হয়) হিসাবে দেখা যায়; তবে কিছু মাথা ব্যাথা হতে পারে সর্বনাশা অবস্থার প্রতিফলন। (যেমন ব্রেন টিউমার বা ব্রেন স্ট্রোক এর মাথা ব্যাথা).

দুটি খুব কমন মাথা ব্যাথার কারণ নিয়ে আলোচনা করার আগে মাথা ব্যাথার সাথে কি কি থাকলে বা মাথা ব্যাথার ধরন কি রকম হলে দেরী না করে অব্যশই মেডিকেল attention দরকার তা বলে নিব:
এগুলোকে বলা হয় মাথা ব্যাথার red flag sign --

১. মাথা ব্যাথার আকস্মিক সূত্রপাত বা অশনিপতন হামলা (thunderclap attack) [এইটার বাংলা টা হয়ত ঠিক হয়নি] . 
২. জীবনের সবচেয়ে খারাপ মাথা ব্যাথা।
3. মাথা ব্যাথার মৌলিকব প্যাটার্ন পরিবর্তন বা ক্রমেই মাথা ব্যথার অগ্রগতি হওয়া। 
৪. মাথা ব্যথার সাথে অস্বাভাবিক শারীরিক পরীক্ষার ফলাফল (Abnormal physical examination findings).
৫. মাথা ব্যথার সাথে Neurologic symptoms ১ ঘন্টার বেশী স্থায়ী হওয়া I 
৬. ৫ বছর এর কম বা ৫০ বছর এর বেশি বয়সী ব্যক্তিদের নতুন মাথা ব্যাথা। 
৭. ক্যান্সার, immunosuppression রোগী (যেমন HIV patient), অথবা গর্ভাবস্থায় নতুন মাথা ব্যাথা। 
৮. মাথা ব্যথার সাথে চেতনার পরিবর্তন বা হ্রাস। (Headache associated with alteration in or loss of consciousness)
৯. যে মাথাব্যথা আরম্ভ হয় যৌন কার্যকলাপ বা Valsalva maneuvers [মলমূত্র ত্যাগ করার সময় কোত দেয়ার condition] দ্বারা।

Tuesday, June 7, 2016

রোজার প্রথম ১০ দিন হল রহমত এর দিন


রোজার প্রথম ১০ দিন হল রহমত এর দিন, রহমত এর ১০ দিনের ১ দিন আজ পার করলাম খুব ভাল ভাবে কোন কস্ট ই অনুভব হয় নাই তেমন গরম ও লাগে নাই সবই আল্লার ইচ্ছা,আমি আমার কথা বললাম আমি সবার কথা জানি না, তবে আশা করছি সবাই খুব ভাল ভাবে রোজা ও নামাজ পড়ে রহমতের প্রথম দিন পার করেছেন,আল্লাহ আমাদের কে বাকি দিন গুলো নামাজ ও কোরান পড়ে ,রোজা রেখে পার করার তোফিক দান করুক।সবাই আমার সাতে এক মত হবেন আশা করছি।আমিন।

এক ছোট ভাইয়ের অনুরোধে ঢেকি গিলি....


"রোজা মোবারক"
কলোনীর প্রথম সময় কার কথা।১৯৮৮-৯০ সময় কাল টা এমন।
ক্লাস থ্রিতে পড়ার সময় প্রথম আসি কলোনীর সি/১০/এ তে।বাচ্চা কাল,এক দংগল বাচ্চাকাচ্চা খেলার সাথী মিলে গেল।সারা বিকেল হৈ হৈ রৈ রৈ, খেলা ধুলা।বাসার সামনে বড় একটা মাঠ।মেয়েদের খেলার দখলেই থাকত সারা বিকেল।কত ই বা বয়স এক এক জনের? ফ্রক পড়া আউলা ঝাউলা চুলে মাঠ ধাপিয়ে বেড়ানো বাচ্চা মেয়েগুলা তখন রংগীন শৈশবে দৌড় ঝাপে ব্যাস্ত।।
নিত্য খেলার পর মাগরেবের আজান দেয়ার সাথে সাথে মুরগী খোয়াড়ে ঢুকার মত তারাও বাসায় ঢুকে যেত।
ব্যাতিক্রম হাতে গোনা কয়েক দিন।
যেমন,শাওয়াল মাসের শুরু টা। বাচ্চা গুলা আরো অনেকের মত সন্ধ্যে হলেও বাসায় যেত না।গেলেও তিড়িং বিড়িং করে আজানের পর পর ই আবার মাঠে।
চোখ,সেই দূর আকাশের ওপারে।এ মাথা থেকে ও মাথা খোঁজাখুঁজি। আতিপাতি করে চলে চিরুনি অভিযান।কই কই কই????
হঠাৎ ই হয়ত কারো চোখের কোনে ধরা পড়ে এক ফালি চিকন রুপার বক্রপাত। উল্লাসের মাত্রা ছাড়িয়ে চিৎকার "ঐ তো রোজার চাঁদ "। সাথে সাথে চোখ জোড়া চলে যেত নিদৃষ্ট কোনে। নতুন চাঁদ দেখে নাকি সালাম দিতে হয়।তাই হাত ও উঠে যেত সালামের ভংগিতে। এক দিকে মিলের সেই সাইরেন বেজে উঠতো রোজার আগমন বার্তা জানিয়ে দিতে, অন্যদিকে মসজিদে আজান।

শুরু হয়ে গেলো সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস


শুরু হয়ে গেলো সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস। বারোটি মাসের মাঝে ব্যাতিক্রমী একটি মাস। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে জীবনের প্রতিটি রমজান মাসই সম মর্যাদার। কিন্তু আমি যখন আমার "ব্যাক্তি বা সামাজিক জীবনে রোজার মাস" নিয়ে চিন্তা করি তাহলে নির্দিধায় বলা যায় কলোনি জীবনের মত এতো মজার রমজান মাস আর কখনওই পাবোনা। 
কলোনিতে রমজান মাস আমাদের কাছে যত না ধর্মীয় ব্যাপার ছিল তার চেয়ে বেশি ছিল কলোনির সামাজিক উৎসব। এর ওর বাসায় ইফতার আদান প্রদান ছিল সেই সামাজিকতার অন্যতম অনুষঙ্গ। এমনকি অন্য ধর্মাবলম্বী রাও এ উৎসব থেকে কখনো বাদ পড়তোনা। 

আজকাল কার দিনের মত রোজার সময় স্কুল কলেজ গুলো খোলা থাকতো না, ছিলনা পড়াশোনার যান্ত্রিক চাপ। অনেকটা রিলাক্স মুডেই মাস পার করে দিতাম। জোহর নামায শেষে ক্যারাম, দাবা অথবা দিন ব্যাপী কার্ড খেলা, আছর নামাজ শেষে একটু আড্ডা। ইফতার শেষে দলবেঁধে মাগরিবের নামাজ তারপর জেক্সে গিয়ে সিগারেট আর চা য়ের তুমুল আড্ডা। তারাবির সময় নামাজ ফাঁকি দিয়ে পড়ে থাকতাম আম গাছ আর ডাব গাছের কাছে। অথবা বিশেষ কারো সাথে এক টুকরো হাসি আদান প্রদান।আরো কত কিছু।

আসলে সেই দিন গুলির কথা কখনো লিখে বা বলে শেষ করা যাবেনা বা কাউকে বোঝানো যাবেনা।

Monday, June 6, 2016

রমজান ও রমজানের চাঁদ


সেই ছোট্ট বেলা, ক্লাস 5/6 এ পড়ি, স্টীল মিল কলোনীতে যখন ছিলাম তখন আজকের এই সন্ধ্যার মত কোন সন্ধ্যায় F-type এর 7 নম্বর বিল্ডিংয়ের পাশের রাস্তায় কিংবা বড় মাঠে আমরা পুচকুরা সবাই জড়ো হতাম চাঁদ দেখার জন্য। আকাশে এদিক সেদিক উকি মেরে চাঁদ খুজতাম। যেই না কেউ একজন চাঁদ দেখতে পেত সাথে সাথেই চিৎকার দিয়ে জানান দিতাম। চাঁদ দেখে মন খারাপ হতো কারন আব্বা আম্মার প্রেসার ক্রিয়েট আর বকাঝকা শুরু হবে সেহেরির সময় থেকেই, রোজা রাখতেই হবে। 

আব্বা আম্মার বকুনী খেয়ে সেহেরীর সময় কত কস্ট করে যে ঘুম ভেঙ্গে উঠতাম সেটা এক আল্লাহ মাবুদই জানে। অনেক সময় ঘুমের ভান করে শুয়ে থাকতাম। কিন্তু আব্বা টেনেটুনে ঘুমন্ত আমাদেরকেই বসিয়ে দিত। সেহেরীর সময় কেন যে এতো মজার ঘুম হতো আর স্বপ্ন দেখতাম সেটা ইবলিশ হারামজাদাই জানে। অনেক কস্ট করে দুপুর পর্যন্ত কাটানোর পর পেটে চোঁ চোঁ শুরু হতো। ব্যাস মাথায় ইবলিশের বাচ্চা এসে ঘাঁপটি মেরে বসতো। তারপর নূর ছাফা কাকার দোকান থেকে জমানো টাকা দিয়ে এটা সেটা কিনে লুকিয়ে খেতাম। রোজা রাখিনি কেন কাকা জিজ্ঞেস করলে বলতাম, আম্মা নিষেধ করেছে, সেহেরীর সময় উঠায়নি। আবার কখনও আম্মা যেই না গোসল করতে যেত চুরি করে রান্না ঘরে যেয়ে খেতাম। এদিকে ইফতারের সময় ঠিকি আব্বা আম্মার সাথে একসাথে ইফতার করতাম। এই ছিল সেই সময়ের হালহাকিকত।

সবাইকে পবিত্র রমজানের আলোকিত শুভেচ্ছা


সবাইকে পবিত্র রমজানের আলোকিত শুভেচ্ছা|সংযমের মোহনীয় স্পর্শে সকলেই ভালো থাকবেন এটাই প্রার্থনা করি|যাঁরা ডায়াবেটিস বা প্রেশারের সমস্যায় তাঁরা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন|হঠাৎ হয়ত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লো বা পানিশূন্যতা ,লবণস্বল্পতা দেখা দিতে পারে|এজন্যে পূর্ণ বিশ্রাম,ঘুম,ধীরে কথা বলা,অতিরিক্ত তেল,ভাজাপোড়া না খাওয়া,ইত্যাদি মেনে চলা ভালো|সুষম সেহেরী ও ইফতার এবং নির্মল প্রার্থণায় সকলের রোজার দিনগুলো কাটুক আনন্দের সাথে,সুস্থতার সাথে| পরম করুণাময়ের মঙ্গলময় ছোঁয়া থাকুক সবার উপরে||

সকালেও জ্যামে পড়ছিলাম অফিস যাওয়ার পথে


সকালেও জ্যামে পড়ছিলাম অফিস যাওয়ার পথে, অফিসের কাজে বিকেলের দিকে অন্য এক এলাকায় গেছিলাম সেখানেও গেছি জ্যাম ঠেইলা। বাসায় ফিরার পথেও আখেরি জ্যাম। এর মধ্যে পোলার ফোনে আবদার জুড়াই দিছে তার জন্য ফ্রাইড রাইস নিতে হবে, পুরো রোজার মাস নাকি এই জিনিস আর পাওয়া যাবেনা।কি করা আর, ফ্রাইড রাইস কিনার জন্য বাসার কাছের এক রেস্টুরেন্ট এ নেমে গেলাম। অর্ডার দিয়ে বসে আছি। ওরে বাপরে!! রোজার আগের সন্ধ্যায়ও পুরো রেস্টুরেন্ট জুড়ে হাস্যময়ী লাস্যময়ী অপূর্ব সব ললনাদের ভিড়। রোজার আগের সন্ধ্যায় এতো ললনা কইত্তে আইলো।

তবে সময়টা খারাপ কাটলোনা।।

সকাল ৮. ২০ এ পল্লবি (আমার বাসা) থেকে বের হয়ে


সকাল ৮. ২০ এ পল্লবি (আমার বাসা) থেকে বের হয়ে মিরপুর ১২ নং -এ ১৫ মিনিট লাগলো গাড়িতে গ্যাস নিতে। এখন বাজে সকাল ৯.৩৫। পাক্কা ৫৫ মিনিট লাগছে মিরপুর ১২ থেকে বনানি আর্মি স্টেডিয়াম পর্যন্ত আসতে। অথচ ফ্লাইওভার দিয়ে এটুকু আসতে বড় জোড় ৮/১০ মিনিট লাগে। এখন গিট্টু মারা জ্যামের মধ্যে দাঁতে দাঁত চিপা বসে আছি। সামনে যে পরিমান জ্যাম দেখছি আল্লাহ পাক জানে আগামী কয় ঘন্টায় অফিসে (গুলশান ১) পৌছাতে পারব।
আবারো গুষ্টি কিলাইলাম আর খেতা পুরলাম এই শহরের।

কি কাকতালীয় ব্যাপার!! গাড়ি গুলো যখন জ্যামের মধ্যে ভেস্কাই পইড়া আছে ঠিক তখনই এফএম রেডিও তে গান বাজছে সঞ্জীব আর দলছুটের "গাড়ি চলেনা চলেনা"।

মোটরসাইকেল তার দ্রুততা,ও সৌন্দর্যের জন্য সবার কাছে খুব আদরণীয়


মোটরসাইকেল তার দ্রুততা,ও সৌন্দর্যের জন্য সবার কাছে খুব আদরণীয় ও জনপ্রিয় ছিল|চিরসবুজ উত্তমের সাথে স্কার্ফ পরিহিতা সুচিত্রাসেনের স্বপ্নের বাইকযাত্রা এ বাহনটাকে আরো স্বপ্নময় করে তোলে|আমি নিজেও বাহনটাকে দারুন পছন্দ করি| কিন্তু এখন মোটরসাইকেল দেখলেই একটা ধাক্কা খাই|কষ্ট পাই | দেশ এখন প্রাণঘাতী মোটরে চলে...কোথায় থামবে এ যাত্রা কে জানে? শুধু প্রার্থণা দুরের কাছের স্বজনেরা যে যেখানে আছে ভাল থাকুক,নিরাপদে থাকুক||

What a pleasant surprise!!!!


What a pleasant surprise!!!! সাড়ে এগারোটায় MRI করানোর জন্য MRI ডিপার্টমেন্টে ঢু মারতে যাবো,এমন সময়ে @Nashid Shormi আপুর ফোন | স্বভাবসুলভ মাফিয়া ডন স্টাইলে জিজ্ঞাসা করলেন, "কি রে !! CMH এ ভর্তির নাম কইরা ঘুইরা বেড়াইতাছস, না??" আসমান থেকে পড়লাম, "মানে"!!! বললেন, "তোর কেবিনের সামনে দাঁড়াই আছি" | VIP patient থাকায় আমার মতো non VIP'র MRI করার সিরিয়াল পিছিয়ে দেওয়ায় খুশিই হলাম যে, সারপ্রাইজ দিতে গিয়ে শর্মি আপুরে সারপ্রাইজড হতে হলো না | তাড়াতাড়ি কেবিনে ফিরে গেলাম| আপু রেডিসনে যাচ্ছিলেন উনার অফিসের কাজে| CMH এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এই অধমের সাথে দেখা করতে এসেছেন | আজ ঢাকায় বৃষ্টি পড়ছে সকাল থেকেই | সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজটা দিয়ে বল্লেন, " দুই ভাইবোন মিলে বৃষ্টি সেলিব্রেট করবো বলে গরুর কালাভূনা আর চিকেন বিরিয়ানি নিয়া আসছি | ব্রেকফাস্ট করি নাই | ক্ষুধা লাগছে | প্লেট,গ্লাস আনা | খাইদাই চইলা যামু | দৌড়ের উপ্রে আছি !!"

অসম্ভব ভালোলাগায় মনটা ভরে গেলো | তাড়াহুড়ো করে ভাইয়ের সাথে লাঞ্চ করেই দৌড় দিলেন অফিসের কাজে | প্রচন্ড ব্যস্ত একজন মানুষের অফিস টাইমের প্রচন্ড ব্যস্ততার মাঝে সামান্য সময় বের করাটা কতোটা difficult, তা বুঝার জন্য এক ছটাক মগজই যথেষ্ট | আপুর আন্তরিকতার অসম্ভব মুগ্ধ হয়েছি | চাকুরীর সুবাদে কলোনি টাইপের environment এ থাকলেও স্টীলমিল কলোনির সবার যে পারস্পরিক আন্তরিকতা, তার ছিটেফোঁটাও কোথাও পাইনি | Thanks a lot Shormi Apu for the pleasant surprise. Blessed getting sisters like you. 🙂🙂🙂
*** শর্মি আপুর সাথে হেলফি তুললাম | Btw, হাসপাতালে যে সেলফি তোলা হয়,তাকে হেলফি বলে !! (শর্মি আপুর আবিষ্কার) 

Heat stroke এ প্রাথমিক ভাবে কি করা যায় তাই নিয়ে একটু আলোচনা করব আজ


আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল শেষ হয়ে বর্ষা আসি আসি কিন্তু গরমের মাত্রা কমার কোনই লক্ষণ নাই। এই অতিরিক্ত গরমের জন্য হতে পারে কিছু অসুবিধা হতে পারে। যেমন heat rash (বা ঘামাচি), heat exhaustion, heat cramp এবং heat stroke. Heat rash, Heat exhaustion, heat cramp তেমন লাইফ threatening কোনো condition না। কিন্তু heat স্ট্রোক একটি লাইফ threatening condition যা থেকে মানুষ মারা যেতে পারে। Heat stroke এ প্রাথমিক ভাবে কি করা যায় তাই নিয়ে একটু আলোচনা করব আজ।

Heat rash (তাপ ফুসকুড়ি), [ঘামাচি নামে পরিচিত], ঘামের ফলে ত্বক এ যে ত্বক সৃষ্ট জ্বালা হয়, তাই তাপ ফুসকুড়ি (heat rash) .গরম পরিবেশের মধ্যে কাজের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা এটা।

Heat exhaustion কাকে বলে: অনেক ঘাম বের হবার ফলে পানি ও লবণ শরীর থেকে বের হয়ে যায়, ফলে শরীরের প্রতিক্রিয়া হয়. এখানে কোর তাপমাত্রা হয় 37 ° সেলসিয়াস (98.6 ডিগ্রী ফারেনহাইট) থেকে 40 ° সে এর মধ্যে। এর সাথে আরো থাকে মাথা ঘোরা, তৃষ্ণা, দুর্বলতা, মাথা ব্যাথা, এবং অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ। heat exhaustion এ আমাদের central nervous system (কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র) এর বিকৃতি ঘটে না যেমনটি হয় heat stroke এ। সাধারণত সঠিক hydration ও cooling এর মাধ্যমে এর সমাধান হয়।

Heat cramps হয় heat exhaustion এর মত শরীর থেকে ঘামের মাধমে লবন ও পানি বের হয়ে গিয়ে হয়। এখানে লবন কম হবার জন্য মাংসপেশিতে ব্যথা হয়। ক্লান্ত পেশী, যা ঐ কর্ম সম্পাদন করার জন্য ব্যবহৃত হয়, সাধারণত সেই পেশী গুলো বেশি ব্যথা করে। heat cramp কাজ করার সময় বা কাজের পর হতে পারে। প্রচুর পানি বা ওরাল rehydration saline (ORS) খেলে heat cramp প্রতিরোধ করা সম্ভব।

Sunday, June 5, 2016

আমার আখড়ায় বিশিষ্ট কবি Ripon Akhtaruzzaman ভাই তশরিফ রেখেছেন


আমার আখড়ায় বিশিষ্ট কবি Ripon Akhtaruzzaman ভাই তশরিফ রেখেছেন | রিপন ভাইকে ধন্যবাদ আমাকে সময় দেওয়ার জন্য | এছাড়াও ,কুলাংগার আমি Ahsanul Tarique ভাইরে ফোন দিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার ভদ্রতাটুকু না করলেও উনি ঠিকই আমাকে ফোন দিয়ে খবরাখবর নিয়েছেন | এছাড়াও , সবাই কমবেশি খবরাখবর নিচ্ছেন | CSM পেইজ সৃষ্টির আগে আমার মায়ের পেটের তিন ভাই ছিলো | পেইজ সৃষ্টির পর মায়েদের পেটের অগুনিত ভাইবোন পেয়েছি , যাদের আন্তরিকতায় নিজের মায়ের পেটের ভাইদের আন্তরিকতার ছোঁয়া পাই | I'm blessed being a member of CSM family. 

By the way, সেলফি তুললে গাল এত্তো বড় আসে ক্যারে !!! 

সকাল থেকেই তারিকের কেবিনে আছি


সকাল থেকেই তারিকের কেবিনে আছি। গতকাল ও আজকে MRI, ECO, ECG, বুক ও ঘাঁড়ের X-Ray করানো হয়েছে। আজো খুব সকালে ব্লাড, ইউরিন নিয়েছে বিভিন্ন টেস্টের জন্য। ইনশাহ আল্লাহ কালকের মধ্যেই সমস্ত রিপোর্ট পেয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার নেক্সট পদক্ষেপ নিবেন।

আমরা আশা করছি সমস্ত রিপোর্টের রেজাল্ট ইনশাহ আল্লাহ ভালই হবে।

তারিক, পাপ্পু ভাই, লিটন ভাইয়ের ওয়াইফ (ভাবী), চন্দন চাচী, নিরু ভাই, ছোট ভাই মেজর রাজিব সহ অন্যান্য আরো যারা অসুস্থ আছেন, রোগে শোকে কস্ট পাচ্ছেন আমরা তাদের সবার জন্য দোয়া করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন। আমিন

'পিংকির ফট করে সেন্ডেল ছিঁড়ে যাওয়া' এরমত আমারও হয়েিছল


'পিংকির ফট করে সেন্ডেল ছিঁড়ে যাওয়া' এরমত আমারও হয়েিছল। একবার ছেলেদের স্কুল থেকে গল্প করতে করতে আসছিলাম এক ভদ্রলোকের (গার্ডিয়ান, যিনি আমাদের বিয়ের ভিডিও করেছিলেন) সাথে। হাঁটতে হাঁটতে দেখি সেন্ডেল উল্টে যাচছে কিছুটা।পায়ের দিকে তাকিয়ে দেখি সামনের দিকে ফিতা ছিঁড়ে গেছে।ভদ্রলোককে তখন বললাম, সরি আপনার আর যেতে পারছি না। আমার সেন্ডেল ছিঁড়ে গেছে।আমাকে রিস্কায় যেতে হবে।'উনি তখন একটা রিস্কা ঠিক করে দিলেন।

Saturday, June 4, 2016

একটু আগে ডাক্তারের কাছ থেকে এসেছি


একটু আগে ডাক্তারের কাছ থেকে এসেছি, সব রিপোর্ট দেখে টেখে উনি বললেন, আমার " Triglycerides" অনেক বেশি বেড়ে গেছে, লিভারেও একটু প্রব্লেম আছে। ঔষধ দিলো।তার চেয়েও দিলো বেশি নিয়ম কানুন। প্রতিদিন ১ ঘন্টা হাঁটতে হবে। কোন রিচ ফুড খাওয়া যাবেনা। নো ফাষ্ট ফুড। খাওয়া দাওয়ার মধ্যে কোল্ড ড্রিংকস টা খুব পছন্দ করতাম, সেটা পুরোপুরিভাবে আমার জন্য হারাম করে দিল ডাক্তার সাহেব।

ছয় মাস আগে যখন এই সমস্যা গুলো ধরা পড়ছিলো, তখন এ নিয়মগুলো আমি মেনে চলিনি, তাই বোধ হয় সমস্যাগুলো বেড়েছে।

নাহ! এবার যে ভাবে হোক নিয়ম গুলো মেনে চলতে হবে। অন্তত প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি আর কোল্ড ড্রিংকসস বর্জন।

ঢাকা থেকে এসেছি আজ আট দিন হল


ঢাকা থেকে এসেছি আজ আট দিন হল।এর মধ্যে ছোট ভাই ডাঃ মুরাদ এর সাথে কথা হয়েছে,ও বলেছে ভাই আমি সময় করে আসবো।আজ সন্ধ্যায় ছোট ভাই মুরাদ এসেছিল।ঢাকায় হার্ট ফাউন্ডেশন এর সকল রিপোর্ট ও রিং পরানো সব কিছু দেখলো, এবং ঔষুধ চালিয়ে যেতে বলল।ছোট ভাই মুরাদকে ধন্যবাদ জানাই, আমাকে সুন্দর করে সব বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য।

আজকে পোস্ট লেখার কারন হচ্ছে, আমরা প্রায় সময় শরীর নিয়ে অবহেলা করি,ডাঃ এর কাছে না গিয়ে ফার্মেসী থেকে ঔষুধ নিয়ে খাই। যা ঠিক নয়।

এবার আমার ব্যাপারটা আসি,আমার বুকের মাঝ খানে কয়েকদিন ধরে ব্যাথা করত ও একটু মনে হত চাপ লাগে।তো আগেই বলেছিলাম, মুরাদ এর কাছে ফোন করার পর মুরাদ আমাকে মেডিকেল এ চলে আসতে বলেছি,ও ইসিজি দেখে ভর্তি হতে বলেছিল,আমি প্রথমদিন ভর্তি না হয়ে পরেরদিন ব্লাড টেস্ট দেখে মুরাদ ভর্তি হতে বলল।তখন আমি না জানলে ও মুরাদ নাজমুল ভাইকে বলেছিল।যা হউক সেটা সবার জানা।তবে মুরাদ এর কাছে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞ ও প্রথম দিন আমাকে চারটা হার্টের ঔষুধ খাইয়ে দিয়েছিল।আর আমি যখন মেডিকেল সেন্টার এ ছিলাম তখন সিএসএম এর অনেক ভাই আমায় দেখতে গিয়েছিল সবাই কে ধন্যবাদ,তবে এখানে একটা কথা বলা উচিত,মেডিকেল সেন্টার এর ডাঃ ও ছোট ভাই মুরাদ ও বলল সিসিউ তে বেশী ভিড় না করা ও রোগীর সাথে কথা কম বলা আমাদের সকলের এই বিষয়টাতে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে।হয়তো আমরা আসি কারন আমরাতো আর ডাঃ এর ব্যাপার বুঝি না।
আমার দুটো রিং পরা হয়েছে,সেটা মোটামুটি সবার জানা,তাই আমি সবাই কে একটা অনুরুধ করবো, সবাই বছরে একবার হলেও ইসিজি ও ব্লাড টেস্ট করা।কারন আমার ও নিরু ভাইয়ের মত যাইতে কারো না হয়।জিয়া ভাইয়ের নিকট কৃতজ্ঞ।

আর খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে আমাদের ডাঃ পলাশ ভাই লিখেছেন।সবাই তা মানার চেষ্টা করি।

মুরাদ এর কাছে জানতে পারলাম আমার অসুস্থ হওয়ার পর অনেকে মুরাদকে দেখিয়েছে।

আল্লাহ আমাদের সবাই কে সুস্থ রাখে আমরা সবাই সবার জন্য আল্লাহর নিকট এই দোয়া করি।

আর আমাদের ছোট ভাই ডাঃ মুরাদ,ডাঃরিমুর জন্য দোয়া করি তারা যেন আরো বড় ডাক্তার হতে পারে।