Friday, October 30, 2015

আগের দিনগুলোই বোধহয় ভাল ছিল, অনেক ভাল



আজ বিকেলে DMC তে যাওয়ার জন্য রেডী হচ্ছি অমনি আদৃতা আর আজানের (আমার পোলাপাইন) মা, তারিককে দেখতে যাওয়ার জন্য সাথে যেতে চাইলো। নিয়ে গেলাম সাথে করে। ওখানে আগে থেকেই রেজা ভাই, রফিক ভাই, মনির ভাই আর নমি ছিল, খালেদ ভাইতো সবসময়ই আছে। নমি ছেলেটাকে এই প্রথম দেখলাম। ভিশন স্মার্ট আর ভদ্র। চোখে চশমা পড়ে। কিছুক্ষন পর এলো স্টীভ জব এর আপেলের বোন শাহিদা। ওকে আগেই আপেল নাসেরদের ইফতারে দেখেছিলাম। এর মধ্যে তারেকের ব্যাপারে রেজা ভাইয়ের সাথে অনেক কথা হলো। তারেক কয়েকবার বমি করলো, খুব অসুস্থবোধ করছে। 

“ সিনেমা বিডম্বনা “



পকেটে কিছু টাকা জমা হয়েছে, সারাদিন ভাবছিলাম, কি করা যায় ? তার উপরে পকেট গরম থাকলে শান্তিতে থাকার পাবলিক আমি কখনো’ই ছিলাম না। নতুন কোন গানের ক্যাসেটও বের হয় নাই !!! মাথায় ভুত উঠলো সিনেমা দেখতে যাবো !!!!, কিন্তু কখনো একা যাই নাই আমি সিনেমা হলে। একা যাওয়া কি ঠিক হবে ? সাধারনত দল বেধে যেতাম আমরা সিনেমা দেখতে।
যাই হোক টাকা পয়সা হিসাব করে সিনেমা দেখার জন্য বাসে উঠে পড়লাম, উপহার সিনেমা হলে রুবেলের একটা সিনেমা চলছিলো, তখন ফাইটিং সিনেমার জন্য রুবেল মোটামুটি বিখ্যাত ছিলো বলা যায়। অনেক ভিড়, টিকেট কাটার জন্য লাইনে দাড়ালাম, হটাত দেখি মুকুল ভাই ( ভাই ভাই ষ্টোর ) টিকেটের লাইনে দাঁড়ানো !!!

একজন মানুষ মনে হয় শত জনম তপস্যা করলেও তার ভাগ্যে এমন ভাই/বোন/বন্ধু মিলবে কিনা সন্দেহ



ও রে ভাই তোরা আমাকে একটু দম নিতে দে। এ কয়দিন ঢাকা শহরের জামে আর জার্নিতে আমার অবস্থা এক্কেবারে ছেরা-ভেরা।বই নিয়া তোমরা আমার যে পোষ্ট-মর্টাম করলা। তাতে আমার এখন ছালা পিন্দা লুকায়ে থাকা দরকার। কনা (Shahnaz Kona)সহ বেশ কয়েকজন ইনবক্সে এমন হুমকী দেয়া শুরু করলো তাতে মনে হচ্ছিল—সামনে পেলে আমাকে আলু ভর্তা করে ফেলবে।কী করবো আমার কাছে বই ছিল তিনটা।তিন বই দিছি চারজনকে(আতিকের সাথে জাবেদের নামও ঢুকায়ে দিছি—-এ জন্য জাবেদ যে আমাকে কী করে কে জানে)যাক এ সব……..

শিরোনামহীন গল্প



ভার্সিটিতে আমার খুব ভালো ফ্রেন্ড নাম কাইয়ুম। আমরা সব ফ্রেন্ডরা সবার বাসায় গিয়ে কত ভাবে মজা করি লাঞ্চ করি গ্রুপ স্ট্যাডি করি কিন্তু কাইয়ুম কোন দিন তার বাসায় নেয়নি। একবার কথার ছলে বলে ফেললাম।কাইয়ুম কথা ঘুরিয়ে বলে চল তোরে চা খাওয়াই ক্যান্টিনে।কোন ভাবেই সে রাজি হয়না। কাইয়ুম বোন আছে কিন্তু সে তো বাড়িতে থাকে তাহলে কি প্রব্লেম আমাদের নিতে ?যাই হোক নিজ থেকে না যেতে বললে কি করে যাই? এইভাবে দিন শেষ হয় বছর যায়। রেজাল্ট এর সময় ঘনিয়ে এলো । এখন তো রেগুলার আর দেখা হবে না। ফাইনাল রেজাল্ট এর দিন ফ্রেন্ড রা কেন যে জড়ায় ধরে কান্না করছিল এইটা এখন বুঝি। ইচ্ছে করলেই এখন শামিমের কাছে যেতে পারি না কাইয়ুম তো থাকে আরো দূরে,বিপ্লব তো ভুলেই গিয়েছে, শাহিন ও ব্যস্ত। রেজাল্ট এর পর হঠাত করে কাইয়ুম আমাকে এক রকম টেনে তার বাসায় নিয়ে গেলো।কি ছিমছাম গোছানো ঘর। একটা বালিও নেই।সব কিছু কে যেনো পোর্টেট করা। হুট করে একটা ১৩/১৪ বছরের একটা ছেলে এলো? কেমন জানি লাগলো ?

Thursday, October 29, 2015

টলি ভাই



গতকাল সন্ধ্যায় তারিক কে দেখার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আশা ছিলো সেখানে টলি ভাইয়ের সাথে দেখা হবে এবং দেখা হলে সেটা হত উনার সাথে আমার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। কিন্তু ওখানে গিয়ে শুনলাম উনি দুপুরে এসেছিলেন এবং উনার লেখা একটি বই আমার জন্য রেখে গিয়েছেন। বই রেখে যাওয়ার ব্যাপারটি ছিলো আমার জন্য খুবই সারপ্রাইজের। কয়েকজন বড় লেখকের অটোগ্রাফ সহ কিছু বই আমার সংগ্রহে আছে, তা স্বত্তেও টলি ভাইয়ের দেয়া উনার এ বইটি আমার কাছে স্পেশাল।

আমার এত কিছু বলার কারন হচ্ছে ফেসবুকে আমার লেখালেখির শুরুর উতসাহ পেয়েছি টলি ভাইয়ের কাছ থেকে ও ফেসবুকে উনার বিভিন্ন লেখাগুলো পড়ে।

Thanks. Moin Khan টলি ভাই। I m grateful to u.

আমার ভাগ্য সব সময় আমার বিরুদ্ধে সুপ্রসন্ন



আমার ভাগ্য সব সময় আমার বিরুদ্ধে সুপ্রসন্ন। আমি উত্তরে গেলে সে যায় দক্ষিনে আর আমি দক্ষিনে গেলে সে যায় উত্তরে। যে কারনেই হোক ভাগ্য বেচারা (আসল “বেচারা” তো আমি) আমার সাথে চলতে মোটেই পছন্দ করে না। বিভিন্ন জায়গায় আমার সরাসরি “কট” খাওয়ার পিছনেও আনেকটাই এই ভাগ্যেরই অবদান (নিজের দোষ ঢাকার চেষ্টা না)। যেমন আমার সব বন্ধু আমাকে অত্যন্ত ভদ্র ও ভালো ছেলে বলেই জানে। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু করে ফেলি বা করে ফেলতে যাই যা অন্তত আমাকে মানায় না বলে তারা মনে করে।

Wednesday, October 28, 2015

বাহাত্তর চুম্বন



(২০১৩ সালের ১১ জুন বগুড়ার একটি পার্ক থেকে বাহাত্তর জোড়া প্রেমিক প্রেমিকাকে স্থানীয় থানার পুলিশ আটক করে এবং অন্যায়ভাবে বাহাত্তরটি মুচলেকায় স্বাক্ষর নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। পরদিন এর প্রতিবাদে একটি কবিতা লিখেছিলাম। যদিও কবিতা দিয়ে কিছু হয়না তবু স্বান্তনা পেয়েছিলাম যে আমি একটি অন্যায় আচরনের প্রতিবাদ করেছি। কবিতাটি একটু ঔদ্ধত্যপূর্ণ। কারো কাছে আপত্তিকর মনে হলে জানাবেন, আমি তুলে নিবো।)
----------------------------------------------------------

বাহাত্তর চুম্বন
------------

আমি বাহাত্তর বার চুম্বন করব
বিপুল জনারণ্যে।
পারলে তুমি ১৪৪ ধারা দাও
চুম্বন থামাতে।

সবার স্বার্থহীন ভালোবাসা অটুট থাকুক



csm এর ষ্টীলার ভাই ও বোনেরা,আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিন্দন সকলের জন্য।এক সময় আমরা যারা csm colony তে বসবাস করতাম আজ যেন বসার মনের রাজ্যে csm Colony বসবাস করছে।কি দারুণ csm colony সাথে ভালোবাসার আদান-প্রদান,ধন্য csm colony ধন্য csm colony বসবাসকারি।আমি বিশ্বাস করি সবকিছুর শেষ আছে,তবে আমাদের পরস্পর এর ভালোবাসায় যে csm colony সৃষ্টি হয়েছে তার শেষ নিয়ে আমার মন প্রশ্ন বিদ্ধ।কারণ,এখানে নিস্বার্থ ভাবে পরস্পরের আন্তরিকতা আমাকে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে।আজ মনের রাজ্যে নতুন csm colony সৃষ্টি স্বার্থপর এই দুনিয়ায় এটা বিরল।
এই স্বার্থহীন ভালোবাসায় csm group কোন দিন ধ্বংস হবার নয়।
সবার স্বার্থহীন ভালোবাসা অটুট থাকুক.....
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

আমার সুমনা হক



আজকে চান্দু আর টিংকু মিলে আমার মন উদাস করে দিলো। সুমনা হকের কথা মনে করিয়ে দিলো আমাকে। সুমনা হক যে আসলে কে সেটা হয়তো আমিও জানিনা। হয়তো সেই গান গাওয়া পাখি অথবা অন্য কেউ। এসব নিয়ে চলতিপত্র নামে একটা পত্রিকায় একটু লিখেছিলাম ১৯৯৭ সালে। ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৭। লেখাটা মানের দিক থেকে মূল্যহীন তবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব কিছুটা হলেও আছে। আর আমার আবেগের পুরো ষোলআনা তো আছেই। দিলাম লেখাটা।
-----------------------------------------------------------

আমার সুমনা হক
-----------------

পিঁপড়ের পাখা গজালে নাকি আগুনে পড়ে, তেমনি ছেলেদের গোঁফ গজালে প্রেমে পড়ে।

Tuesday, October 27, 2015

“ প্রেমে বান্দরের উৎপাত “



আমাদের প্রধান কাজ ছিলো বাঁদরামি করা তাই বাঁদরামির কোন সুযোগ সহজে হাত ছাড়া করতাম না। বাঁদরামি ছাড়া জীবনটা’ই পানসে মনে হত !!! কলোনির জনৈক প্রেমিক যুগলও আমাদের বাঁদরামির হাত থেকে রেহাই পায় নাই !!!

একদিন সন্ধার সময় কলোনির মেইন রাস্তায় হাটা-হাটি করছিলাম। দুই বড় ভাই আমার অপজিট দিক থেকে হেটে হেটে আসছেন, তাদেরকে অতিক্রম করে একটু সামনে গিয়েছি, এমন সময় কানে এলো, একজন এহেম...এহেম... করে ২/৩ বার কাশি দেবার মত সাউন্ড করলেন। কাশি রিয়েল হলে তো বুঝা যায়, এইটা কেমন কাশি !!! আমি পিছনে ফিরে তাদেরকে একনজর দেখে আবার হাটা শুরু করলাম, ব্যাপারটা তেমন আমলে নিলাম না।

আজিজ আর Robin Shafiul রবিনের কথোপকথন



আমাদের ব্যাচের আব্দুল আজিজের নতুন চাকরি হয়েছে, ২/৩ মাস কোন দেখা নেই, একদিন আমরা সবাই আড্ডা দিচ্ছিলাম, তখন আমাদেরকে সুখবরটা শুনানোর জন্য আজিজ হাজীর, তখন আজিজ আর Robin Shafiul রবিনের কথোপকথন,

রবিন...........: কিরে আজিজ কোথায় থাকস, দেখা যায় না কেন?

আজিজ.......: দোস্ত আমার চাকরি হইছে

চাকরিতে জয়েন করছি তাই আসতে পারি নাই।

শ্রদ্ধেয় মরহুম ইউনুস স্যার



শ্রদ্ধেয় মরহুম ইউনুস স্যারের প্রতি গভীর সম্মান জানিয়ে লিখছি,
আমি, বদরূল, রিমান সহ আরো কয়েকজন স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তাম। ওখানে পড়ার চেয়ে দুষ্টামী করতাম বেশী (সব বান্দর এক সাথে হলে যা হয় আরকি)। স্যার দু লাইনের একটা কবিতা লিখেছিলেন:

”তুমি ক্ষনে ক্ষনে, মৌ বাতায়নে
দোলা দিয়ে যাও মনে-----””

স্যার বদরুল কে অনেকবার বলেছিলেন লাইন দুটিতে সুর তুলে দেয়ার জন্য, বদরুল দিবো দিবো করে আর দেয়নি।
আল্লাহ স্যারকে বেহেশতবাসী করুন।

সব কটা একেকজন রত্ন



আল্লাহ চাইলে কাল তারিক শিফট করবে। খুব মিস করব প্রথমদিন দলবেধে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে চা,পান খাওয়া (আরিফ আমাকে পান কিনে দিয়েছিল),এরপর রফিক আসলে পরে সব মিলে স্টারে চা পরটা খেতে যাওয়া,নাজমুল ভাইদের স্টেশনে ড্রপ করা,অনেকের সাথে দেখা হওয়া, রুমে গলা ফাটিয়ে চিতকার করে কথা বলা আর মাঝেমাঝেই attendant দের ঝাড়ি খাওয়া যে আস্তে কথা বলেন। 

Monday, October 26, 2015

আড্ডা ২



পপুলার ডায়গনেষ্টিক সেন্টারে ৬৬০ নাম্বার কেবিনে ষ্টিল মিল কলোনি জন্মেছে , সকালেই রাসেল এস এম এস করে জানালো । ভার্চুয়ালি দেখতে গেলাম তারেক ভাইয়া কে। উনি আমাকে দেখেই হেসে দিলেন । আমি হাসির পাত্র হয়ে যাচ্ছি সবাই আমারে দেখলেই হাসে কেন বুঝতে পারছি না তারেক ভাইয়ার কাছে যেতেই জইন্না এসে বিকট চিৎকার করে উঠলো। নমি ভাইইইইইইইইইইইইইইইই। আরে ভাই রোগি তো আমি না , আমারে চিৎকার করে ডাকার কি হলো ?
আরে তারেক ভাই সুস্থ হয়ে উঠতে শুরু করেছে ষ্টিলাররা বেশি দিন অসুস্থ থাকতে পারে না। জসিম ভাই আসলো ? উনি এসেই শুরু করলো কিরে জইন্যা মরবি কবে ? 

Sunday, October 25, 2015

ভালোবাসা



এক সময় জসিম ভাই আমার টিচার ছিলেন (এখনো জসিম ভাই কে টিচার /গাইড /বড় ভাই মনে করি) অবশ্য সেই কথা আমার নিজেরই তেমন একটা মনে নাই

জসিম ভাই যখন বেচে ছিল ( বিয়ের পরের জীবন ছেলেদের জন্য অনেকটাই মৃত মানুষের মতোই ) তখন কোন এক সময় আমাকে একটা ছেড়া ডায়েরি দিয়ে যান। কাকতালীয় ভাবে সেই ডায়েরি তে লিখা কবিতা গুলোর সাথে আমার জাবেদ ভাই এর লিখা কবিতার অদ্ভুত মিল পেয়ে যাচ্ছি। আজ জাবেদ ভাই & জসিম ভাইয়ার ডায়েরি থেকে নেয়া কবিতা গুলো সবার সাথে শেয়ার করছি ।

“আমি সুস্থ / অসুস্থ / তার ছিড়া !!!!”

- Mahabub Rasel


তারেক ভাইয়ের ম্যাডিকেলের ছবি দেখতে দেখতে এখন এমন অবস্থা হয়ে গেছে, মনে হচ্ছে এইটা আসলে কোন ম্যাডিকেলের ক্যাবিন না, এইটা একটা আড্ডা কক্ষ, সবাই একজন বিশিষ্ট ব্যাক্তির সাথে দেখা করে করে ধন্য হচ্ছেন, তার সাথে দেখা না করলে মান সন্মান আর থাকছে না !!! হা হা হা
আমি সিওর, তারেক ভাই নিজেও ব্যাপারটা দারুন উপভোগ করছেন।

এই বিষয়ের উপরে আমাদের এক ফ্রেন্ডের কথা মনে পড়ে গেলো। গায়ের রঙ বাদামী, বেটে করে, সামগ্রিক ভাবে দেখতে অনেকটা গোলাকার, কলোনিতে হাতে গোনা কয়েকজন বান্দরের মধ্যে সে উল্লেখযোগ্য। তার আচরন, চলাফেরা, ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি কর্মকান্ডে তার বাবা অস্থির। কোন ভাবেই তাকে বাগে আনা যাচ্ছে না!!! তার সাথে থাকলে তার বাবা মনে করেন আমাদের সাথে থেকে হয়তোবা সে এমন হয়ে যাচ্ছে, আসলে সত্যি কথা বলতে কি তার কর্মকান্ডের কোন কিছু’ই আমাদের সাথে হত না, কারন আমাদের দুষ্টামীর একটা গন্ডী ছিলো, সীমা কখনো’ই অতিক্রম করতাম না। আসলে সে যে আমাদের চেয়েও কয়েক ডিগ্রি উপরের বান্দর ছিলো এইটা তার বাবা সম্ভবত অনুধাবন করতে পারেন নাই। অবশেষে আমরা সবাই তাকে আমাদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিতে চেষ্টা করলাম, কোন কাজেই তাকে আর ডাকি না, এমনকি খেলাধুলাতেও না । কি দরকার শুধু শুধু কিছু না করেও তার বাবার চোখে খারাপ হবার। কিন্তু তার চোখতো আর ফাকি দেওয়া যায় না, কিভাবে যেন খুঁজে ঠিক’ই আমাদেরকে বের করে ফেলতো !!!

তোমরা সবাই কেমন আছ?

- Farzana Akhter


আজ একসাথে অনেক গুলো post পড়ে, এটাই বুঝেছি, আমি অনেক পিছিয়ে আছি....
I was feeling restless...কোনটা রেখে কোনটা পড়বো....
এই ভেবে অনেক ভালোলাগায় মন ভরে গেলো যে এই আসর এবার জমে উঠেছে.....

আমাকে তোমাদের সাথে রেখো কিন্তু... সময় বের করে কিছু লিখে post করবো এই page এ..তা আর হয়ে ওঠে না...

কিন্তু কাজের ফাঁকে আর মেয়েকে স্কুল থেকে pick করার আগে , যখন ই সুযোগ পাই, CSM এর page এ ছবি আর staus এ চোখ বুলিয়ে 'like' দিতে ভুলে যাই না...

ক্ষমা করো আমায় সিএসএম



নিজেকে খুব অসহায় আর ছোট মনে হচ্ছে, দু দুটি ভাই অসুস্থ হয়ে ঢাকা শহরের দুটি হাসপাতালে, আমি যেতে পারছিনা প্রতিদিন। বড় ভাইদের কথা বাদ দিলাম, ছোট ছোট ভাইয়েরা প্রতিদিন সকাল বিকাল এ হাসপাতাল খেকে ওই হাসপাতাল ছুটাছুটি করছে। নিরু ভাই আমার বাসার কাছের হাসপাতালে ভর্তি অথচ এখনো সেখানে যেতে পারিনি। তারিকের ওখানে যাই দু এক দিন পরপর মেহমানের মত করে , সময় নিয়ে থাকতেও পারিনা। আসলে জীবন, জীবিকা আর সংসারের কাছে একেবারে আষ্ঠেপৃষ্ঠে বাঁধা পরে গেছি।
ক্ষমা করো আমায় সিএসএম।

Saturday, October 24, 2015

প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই



প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই আকুপাকু করে মন কখন তারিকের কাছে যাব,ওর সাথে কথা বলব। কিছু নতুনমুখ দেখি প্রতিদিন,ওটাও একটা আগ্রহ। আমি চলে গেলে ত মেয়েরা স্বাধিন দেশের মহা স্বাধিন হয়ে যায় পড়া বাদ দিয়ে।হাসপাতাল থেকে ফোন আসতে থাকে যাব কিনা। তাই মোটামুটি গুছিয়ে চলে যাই। সব একসাথে থাকলে তারেকের যেন ঈদ লেগে যায়। মুখে যেন খই ফোটে। হাসাহাসি তে মুখটা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। তারেকটার জন্য একটা মায়া জন্মে গেছে। আগে দেখিনি কোনোদিন এই ছেলেটাকে তা মনেই হয় না। ভাই বোন মনে হয় এমনি। সবারি এমন লাগে জানি। আল্লাহ আমাদের সবার তারেকের প্রতি ভালবাসার প্রতিদান দিন এই দোয়া চাই। ফি আমানিল্লাহ।

হ্যাটস অফ টু সিএসএম কলোনি



আমার ছোটবেলা কিশোরবেলা টা এত রঙ্গিন এত আনন্দদায়ক ছিল যে পরবর্তীতে কলোনি থেকে চলে যাওয়ার পর বাস্তবতার সাথে তাল মেলাতে গিয়ে বার বার হোঁচট খেয়েছি।এই কারনেই কলেজের শেষ সময়টাতে গিয়ে মাত্র দুইজনের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে।আর সেই বন্ধুত্ব আজো অটুট।। একা একা কি দুর্বিষহ দিন যে আমি কাটিয়েছি কলেজে।কলোনির সব বন্ধুরা সিটি কলেজ,চট্টগ্রাম কলেজ বা মহসিন কলেজে।আমি একা কমার্স কলেজে।আজো চলতে ফিরতে অনেকের সাথেই আমার ঘনিষ্ঠতা হয় কিন্তু বন্ধুত্ব সহজে হয়না।আমার ইচ্ছাও করেনা খুব একটা।

আহা সেই দিনগুলি.....


শিপনের আম্মা আমাকে অনেক পছন্দ করতেন। C-3 তে থাকতে ওদের বাসার পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকে সামনের দরজা দিয়ে বের হতাম। তিন জেনারেশনের তিন ভাইয়ের সাথেই আমার গলাগলি ছিল। আমরা হালিশহর আসার পরও চাচী সবাইকে নিয়ে আমাদের বাসায় আসছিলেন। ডালিমের একটা কথা খুব মনে পরে। ডালিম বাথরুমের জানালার উপর যে সানশেড ছিল তাতে দাড়িয়ে " বাঁচকে রেহনা রে বাবা বাঁচকে রেহনা রে...." গানটা নাচতে নাচতে গাইত। আর আমি পাশের সানশেডের উপর নাচতাম। 

ছাত্র হিসেবে কখনোই ভাল ছিলামনা



ছাত্র হিসেবে কখনোই ভাল ছিলামনা। এস.এস.সি পাস করার পর ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সিটি কলেজে ভর্তি হতে পারলামনা। বাবার ইচ্ছায়, মনের বিরদ্ধে শাহীন কলেজে ভর্তি হতে হবে। শাহীন কলেজের বাঁধাধরা নিয়ম আমার পছন্দ ছিলনা। বন্ধু হিসেবে স্টীল মিল থেকে পেলাম স্কুলে পড়াকালীন সময়ে যাকে অপছন্দ করতাম সেই নিরুকে। দুজনে সাইকেল চালিয়ে কলেজে যেতাম। আমার সব বন্ধুরা উত্তর দিকে যেতো, আমরা দু’জন দক্ষিণে। আস্তে আস্তে নিরুর সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করল। আমাদের ক্লাসের ৩০ জন স্টুডেন্ট-দের মধ্যে নিরু কিছুটা ব্যতিক্রমী গুনের অধিকারী ছিল। ও আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শাহীন কলেজের অধিনায়ক ছিল। 

কোরবান ভাই



আজ Shajib Kumer Dey দা'র পোস্টে কোরবান ভাই এর ছবি দেখে কিছুটা নস্টালজিক হয়ে পড়লাম। কিছু একটা লিখতে ইচ্ছা হল কিন্তু লিখতে পারলাম না তাই ২০১৪ এর বিশ্বকাপ ফুটবলের সময়ের একটি লেখা দিয়ে দিলাম। লেখাটিতে অল্প হলেও কোরবান ভাই এর প্রসঙ্গ আছে।
-----------------------------------------------------------------

চারদিকে ফুটবলের ঝড় শুরু হয়ে গেছে। পতাকাওয়ালার কাঁধে, বাড়ির ছাদে, গাড়ির বনেটে এরই মধ্যে পতাকা লেগে গেছে। বুঝাই যাচ্ছে আগামী কিছুদিন ক্রিকেট নির্বাসিত হবে। অথচ মনে পড়ে আমার ছোটবেলায় ফুটবলই ছিল খেলার রাজা। সেকি উন্মাদনা ছিল ফুটবল নিয়ে। তখন স্পেনিশ লীগ, ইতালিয়ান লীগ নিয়ে খোঁজ নেয়ার উপায় ছিলনা। মানুষ দেশের প্রিমিয়ার লীগের আবাহনী মোহামেডানের খেলা দেখেই মহাখুশি। আসলাম কতদূর থেকে হেড দিয়ে গোল করেছে এটা নিয়ে আলোচনার অন্ত ছিলনা ছেলে বুড়োর। আবাহনী মোহামেডানের খেলাতে মারামারি ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। 

ইদানিং সবার হইছে কি



ইদানিং সবার হইছে কি !! এক এক জনে এমন এমন ষ্টাটাস দিচ্ছে---পড়ার পর বুক ফাইট্ট্যা—চোউখ ভাইঙ্গা কান্দা আসে।আইজ দেখলাম রেজাও এ দলে যোগ দিয়ে ইংরেজিতে দু:খের প্যরাগ্রাফ লিখে দিছে।আবেগে সবার অবস্থা ছেরাভেরা।
ঐ এখন কী ইমোশনাল হওয়ার সময় ??আমাদের প্রথম টারগেট তারিকের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। সেটা আল্লাহর রহমতে প্রথম ধাপেরটুকু হয়েছে। এতো বড় একটা সাফল্য সিএসএম কলোনীর ভাই/বোনেরা মিলেমিশে করে ফললো কোথায় সবাই একটু হাসবে তা না করে এক একজন কান্দাকাটি-রান্দাবাড়ি করে নতুন /পুরানা কী সব নিয়া ইমোশন খাই বসি রইছে !!!! এখন থেকে যে ইমোশনাল পোষ্ট দিবে তার পিছনে আফ্রিকান তিমি লাগায়া দিমু………………….

আমাদের নিরু ভাই



আবার সকলের জন্য পোষ্ট করলাম:

মিটিং এ আমার আসার কথা ছিলো সবার শেষে, কিনতু আমি এসে দেখি কেহ নাই। কি আর করা চিন্তা করলাম টাকা খরচ না করে সময় যখন পেলাম গাড়ীটা ঝাড়মুচ করি। ঝাড়মুছের জন্য যখন সকল হাতিয়ার নিয়ে রেডি তখনি দেখলাম এককালের আমাদের নায়ক, আমাদের আইডল বড় ভাই সময়ের কাছে অসহায় নিষপ্রান দেহটাকে ঠেলতে ঠেলতে আমার দিকে এগিয়ে নিয়ে আসছে। আমাদের নিরু ভাই। কি দুদ্রান্ত প্রতাপ ছিলো ওনার। পলিটিকস করতেন, আমারা মারবেল খেলার সময় ওনাকে দেখলে নিমিষে ওধাও হয়ে যেতাম। যথেষ্ট হেন্ডসাম ছিলেন, আর আজকে তার শরীরে পাচটি ব্লক।

আড্ডা



সেই দুপুর দুইটাতে বাসা থেকে বেড় হলাম। বুবুর সাথে দেখা হবে একটু বেশি এক্সাইটেড ছিলাম। আতিক ভাই ফোন করল।
কিরে হারামজাদা আজ কে যদি অফিসের দোহাই দেস তোরে কইলাম ঢাকা শহর থেকে বাহির কইরা দিমু। তোরে ঢাকা থেকে বাহির করে দিলে চিটাগাং এর সবাই কাইট্টালাইবো ?
জ্বি ভাইয়া , আমি অলরেডি বাসা থেকে বেড় হয়ে গেছি?
এত তাড়াতাড়ি বাহির হইছোস কেন ? নাকি ঘর থেকে বেড় করে দিছে ?আরে হারামজাদা এত তাড়াতাড়ি বেড় হইছিস তোরে লাঞ্চ করাইবো কে ? মাগনা পাইলে তোরা আবার আলকাতরাও চাবাইয়া খাস ?
ভাই আমি ভেজিটেরিয়ান
বাচাইলি, তোর ভাবিরে কমু কিছু ঘাস কাইটা আনতে ?
ঘাস দিয়ে স্যান্ডউইচ বানায় আনতে বইলেন

Friday, October 23, 2015

আমি,আপেল আর নাসের



আজ গিয়েছিলাম তারিকের ওখানে। আজো কিছু নতুনমুখ দেখলাম। সামির আব্বা আম্মা এসেছিলেন আজ। খুব ভাল লাগলো বাবা মা পর্যায়ের মানুষ জন দেখে। দেখা হল শুভ আর তার বউয়ের সাথে,এসেছিল ম্যাথিউ,কাজি(বিয়ে পড়ায় না),মনির আর যথারীতি রফিক,জাবেদ,আপেল আর নাসের। প্রায় নয়টা অব্দি ছিলাম। খুব ভাল লাগলো। আজ গাড়ি ছিল না সাথে,একবার ভেবেছিলাম যাবোনা। কিন্তু আমার একটা মেডিসিন শেষ হয়ে গেছে যা পাওয়া যায় শুধুমাত্র আনোয়ার খানে। যেতেই হবে ওদিকে তাই ভাবলাম তারিকের কাছে বসবো পরে মেডিসিন কিনে ফিরবো।তারিকের ওখান থেকে সবশেষে বের হলাম আমি,আপেল আর নাসের। 

Grand Get Together (ছোট ভাই হিসেবে কিছু কথা বলি, যদি কিছু মনে না করেন)



আমি ছোট ভাই হিসেবে কিছু কথা বলি, যদি কিছু মনে না করেন,

১) আমাদের বহু আকাঙ্খিত Grand Get Together কলোনির মধ্যে কি করা সম্ভব কিনা তা স্ব-শরীরে গিয়ে বড় ভাইরা যদি খবর নেন, তাহলে সবার মধ্য থেকে কনফিউশনটা দূর হবে, কারন অনেকে কলোনিতে হলে ভালো হয় বলে মতামত দিচ্ছে। আসল সিটিউশন সবার জানা থাকলে কারো মধ্যে আর দোমনা থাকবে না। ( যদিও আমারও সন্দেহ আছে, কলোনিতে সুন্দর করে আয়োজন করা যাবে কিনা? কারন কলোনির কোন কিছুই এখন আমাদের কারো হাতে নেই, সেই পরিবেশও নেই)

২) কলোনিতে যদি করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে আমরা বিকল্প ভালো জায়গায় আমাদের Grand Get Together এর আয়োজন করবো, সে ক্ষেত্রে আমরা Grand Get Together এর এক ফাকে, সবাই মিলে দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে, বর্তমান KEPZ কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কলোনি সফরে যাব। ৩/৪ ঘন্টা সময় কাটাবো একসাথে, আড্ডা দিব। এ ছাড়াও যেখানেই যাই না কেন, সে জন্য অবশ্য গাড়ীর ব্যাবস্থা থাকবে।

(ফায়ার) ওভেন=(হ্যান্ড) ফ্রেস এর আড্ডার কিছু অংশ—



(ফায়ার) ওভেন=(হ্যান্ড) ফ্রেস এর আড্ডার কিছু অংশ—

জাম্বুরা ম্যানঃ এরে কফিক,আরে তো দুপুরে কেউ মুখে তুলি খাবার দেয় নো, খিদায় নাড়িভুরি হজম হই যাইয়ের। হেতারা তো এখোনো কিছু খাইতে দেয়নো,আইতো হুদা মুখে বইসা আছি। এরই বুজান টিনের চালে জামবুরা জিগা ঢেল মাইরছিলাম,হিগা লগে করি আইনছেননি,থাকইলে দেন হিগা চিবাই।
কফিকঃ ক্যাম সারইছে্,‌ম্যানি ব্যাগ তো ভুলে ফেলি আইছি।আপা, থালা বাসন ম্যাইজবার অভ্যাস আছেনি,টিয়া পুইসা দিতে না পাইরলে হেতারা আঙ্গো দি থালা বাসন মাজাইবো...
ক্যাইল্যাঃ ভাগ্য ভাল,আর জামাই এর– বাসায় থালা বাসন মাইজবার প্রাক্টিস আছে,আর কোনো চিন্তা নাই।ফুটু তুইলবার সময় আই ভাবিরর হাতের দিকে রেণী রইছি- অম্মা- থালা বাসন মাজি হেতের পেইছ এর থেকে হাতকে পকপকা দিয়া যায়।

ভাবছিলাম এগুলো কখনও লিখবোনা



ভাবছিলাম এগুলো কখনও লিখবোনা, কিন্তু মনের দু:খে, কষ্টে, হতাশায়,রাগে লিখছি। আমাদের এ গ্রুপে প্রায় সাড়ে পাচশ মেম্বার। তার মধ্যে প্রায় ৪০/৫০ জন নূন্যতম লাইকের মাধ্যমে হলেও এক্টিভ থাকে। বেশিরভাগ ই চুপচাপ। তাতেও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু সমস্যা হয়, যখন দেখি আমাদের কলোনির অনেকে এখন বিত্তশালী হয়ে উঠেছে, তাদের টাইম লাইনে নতুন গাড়ির ছবি পোষ্ট করে, বিত্তশালী বন্ধু বান্ধবিদের নিয়ে উদ্ভট ভংগীমায় সেল্ফি দেয়, ঢাকায় দু তিনটি ফ্লাটের মালিক। তারা আবার এ গ্রুপের মেম্বার, কিন্তু ভারচুয়াল বা প্রাক্টিকাল কোন এক্টিভিটি নেই। কলোনি তে কে কিভাবে চলেছে কিছুই ভুলি নাই। আমি তাদের কাছে কোন আর্থিক বা মানসিক সাহায্য চাইনা। শুধু তারা যেন শিকড় না ভুলে।

আল্লাহর রহমতে আমাদের এক্টিভ ভাই বোনদের সহায়তায় ই আমরা এখন অনেক স্বয়ংসম্পূর্ণ। জাস্ট এই সব বড় বড় লোক দের মন মানসিকতা উল্লেখ করলাম। কাউকে কোন ব্যাক্তিগত আঘাত দেওয়ার জন্য নয়।

আমি কিছু কথা শেয়ার করলাম সকলের মতামতকে অত্যন্ত শ্রদ্দার সহিত সামনে রেখে



আসসালামুআলাইকুম, আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি কিছু কথা শেয়ার করলাম সকলের মতামতকে অত্যন্ত শ্রদ্দার সহিত সামনে রেখে। আশা করি আমার কথা গুলুর মিনিং পজিটিভলি নিবেন। আমরা এখানে যারা আছি আমরা সবাই স্বয়ং সম্পূর্ণ। তাই আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এই পেজ টাও স্বয়ং সম্পূর্ণ আনন্দে, আহ্লাদে। আমি মনে করি একটা দেশ চালাতে যেমন সকলের সরাসরি অংশ গ্রহন করা লাগে না তেমনি আমাদের পেজ টাও। বর্তমান সময়টাতে আমাদের পেজ এ খুবই সুবাতাস বহিতেছে সো যেভাবে যাচ্ছে যাইতে দেন। আমরা সবাই এখন সব limition পিছনে ফেলে Grand get together এর চিন্তায় খোস মেজাজে আছি...। ইভেন আমি নিজেও চিন্তায় আছি কিভাবে আমার অংশগ্রহন নিশ্চিত করা যায়, যদিও অনেক অনিচ্ছিত ব্যাপারটা। তাই আমার আকুল আবেদন থাকবে ছোট বড় সকলের কাছে কোন পোস্ট দেয়ার আগে একটু চিন্তা করা দরকার, অন্যদের motive যেন বিঘ্নিত না হয়। আশা করি সকলে বুজবেন ব্যাপারটা। ধন্যবাদ। Anisur Rahman

তারিকের latest update বলা



প্রতিদিন মেডিকেল থেকে ফিরে আমার প্রাত্যহিক রুটিন হচ্ছে বাবা-মা'র সামনে বসে ১০/১৫ মিনিট সময় নিয়ে তারিকের latest update বলা। অনেকদিন ধরেই মেডিকেলে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে থাকা বাবা মাকে আজ বাধ্য হয়েই মেডিকেলে নিয়ে গেলাম।

তারিককে এই অবস্থায় দেখে দুজনেই ভিশন অবাক হলো (যদিও আগে কখনও ওকে দেখেনি)। আর এতোজন ছেলে মেয়ে তুল্য ষ্টীলারদের এক সাথে দেখে অবাক এবং খুশীর পরিমানটা যেন আরো বেড়ে গেল। ফিরে আসার সময় বাধ্য হয়েই সবাইকে (রফিক ভাই, মনির ভাই, বাবু ভাই, বড়াপা, ম্যাথিউ, কাজী, শুভ ও শুভ'র বৌ, জাবেদ, আপেল, নাছের) বাবার উপদেশাবলী গিলতে হলো, ধন্যবাদ জানাল পুরো CSM টিমকে তারিকের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য আর মা তার স্মৃতির ভান্ডার থেকে সবার উদ্দেশ্যে ফেলে আসা স্টীল মিলের সেইসব দিনগুলোর মোড়ক উন্মোচন করলো।

একই এলাকার দুই ভাই



উৎসর্গ:-আতিকcsm//একই এলাকার দুই ভাই।।একই স্কুলে লেখা-পড়া করেছিল।।সিনিয়র ভাই/93ব্যাচ,,জুনিয়র ভাই/96ব্যাচ।।ভাগ্য ক্রমে দুই ভাইয়েরই সেনাবাহিনীতে চাকরি হয়।।যোগ্যতার বলে সিনিয়রের চাকরি হয় সাধারণ সৈনিকে আর জুনিয়রের চাকরি হয় কমিশনার হিসেবে।।তো দীর্ঘ অনেক বছর পর হঠাৎ দুই ভাইয়ের মাঝে দেখা।।সিনিয়র ভাই জুনিয়র ভাইকে দেখে এতটাই আবেগে আপ্লুত হয়ে ছিল যে,,ডিপার্টমেন্টের রুল রেগুলেশন ভূলে গিয়ে জুনিয়র ভাইকে বললো,,তুই কেমন আছোছ।।তখন জুনিয়র ভাইয়ের পাশে থাকা বডিগার্ড এবং ড্রাইভার তাজ্জব হয়ে তাকে বেয়াদব বলে আখ্যায়িত করে এবং তাকে সরাতে এগিয়ে আসে।।ঠিক তখন জুনিয়র ভাই,,তাঁর দেহরক্ষী দের পথে বাধা দেয়।।জুনিয়র ভাই তখন সিনিয়রের প্রতি সম্মান জানিয়ে,সিনিয়রের আবেগের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে বুকে টেনে নিল এবং দেহরক্ষীদের অতীতের পুরো ঘটনা খুলে বললো।।

" কলোনি ও ড্রেন"



"কিগো আন্নেরা বেকে মিলি একলগে কোনাই গেছেন ?"

আজকে একটা ঐতিহাসিক ছবির পোষ্ট-মটেম করবো আমরা, ছবিটির বিষয় বস্তু হল , " কলোনি ও ড্রেন"

এই ঐতিহাসিক ছবিটির মধ্যে সবাই আমাদের কলোনির কয়েকজন সুদর্শন বালককে দেখতে পাচ্ছি, তারা ছবি তোলার জন্য অনেক প্রিপারেশন নিয়ে এসেছিলেন, তা তাদের পায়ে জাম্প কেডস/ পেগাসাস/ পাওয়ার কেডস দেখে, আর পরনে সবচেয়ে প্রিয় পোষাকটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে। তার উপরে তখনতো আর মোবাইলে ছবি তোলা হত না, রিল (নেগেটিভ) সিস্টেম ক্যামেরা ছিলো, ছবি তুলতে হলে অনেক আয়োজন করতে হত, কারন এক রিলে সর্বোচ্চ ৩৬ টা ছবি তোলা যেত, তাই প্রতিটা ক্লিক'ই ছিলো মুল্যবান।

চাইব একটু আদর ভালোবাসা আন্তরিকতা



সকালে যখন আজকের দিনের প্রথম পোষ্টটি দিচ্ছিলাম তখন বউ বলল, েকেনো আমি মানুষকে খোটা দিয়ে লিখছি, কেনো মানুষের সাথে শত্রুতা সৃষ্টি করছি। তারে আমি কি করে বুঝাই এটা কাউকে আঘাত বা শত্রুতার জন্য নয়, এটা পুরো সিএসএম এর আবেগ। তবে আমি শুধু েনেতিবাচক দিক টিই দেখিয়েছি, এখানে আমাদের ইতিবাচক দিকটিই বেশী।

যে বন্ধু টি খুব অল্প বেতনে চাকরী করে নিজের সংসার চালাতে হিমশিম খায়, সে যখন আমাদের মহৎ উদ্যোগে শরীক হওয়ার জন্য আরেক জনের কাছ থেকে একটি হাজার টাকা ধার নেয় ,তখন দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ধনী মনে হয় সেই বন্ধুকে।

কলোনি র আড্ডা র ভেন্যু কি হবে



আজকে গেলাম নিরু ভাইয়ের অফিসে।csm কলোনি র আড্ডা র ভেন্যু কি হবে।আমি এর আগে কোনদিন যাইনি।পুলক ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করলাম।উনি সবকিছু বলে দিলেন।ওখানে যাওয়ার সাথে সাথে পুলক ভাই,টিনকু ভাইয়ের আন্তরিক অভ্য রথনা।মন ভরে গেল।সাথে সাজু ভাই।মনে হল অনেকদিনের চেনা।আত্মার আত্নীয়।সবাই যাবার পর আমাকে কি সাইজে দেখছিলেন সে কথা।বিব্রতকর পরিস্থিতি। শওগাত ভাই কথা বলেন কম,শুনেন বেশি কিন্তু যা বলেন কনক্রিট। নাজমুল ভাই অনেক গুছিয়ে কথা বলেন।যুক্তি দিয়ে তবে চাপিয়ে দেন না কোন কিছু।

Thursday, October 22, 2015

“ কলোনী ও কান্না - ২“


.
আমি বড় হবার পর কখন কেঁদেছি মনে করতে পারি না, কখনো কারো জানাযায় গেলে চোখের কোনায় পানি অটোমেটিক চলে আসে তা ভিন্ন কথা, কিন্তু এ ছাড়া বড় হবার পর কষ্ট করলেও, কখনো কান্না করার দরকার হয়েছে বলে মনে পড়ে না। বরং কলোনিতে যখন ছিলাম বিভিন্ন এবাদতের রাতে মসজিদে মোনাজাতের সময় অনেক চেষ্টা করতাম, চোখে একটু পানি আনার জন্য কিন্তু পানি তো আসতো’ই না, বরং অন্য মুরুব্বীদের বিভিন্ন ভঙ্গীতে কান্না দেখে আমরা বান্দরগুলা হাসা-হাসি করতাম আর গবেষণা করতাম !!!! হা হা হা

আমি ও আমার লক্ষবিচ্যুত উচ্চাকাক্ষা



জীবনের শত চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আল্লাহ্র অশেষ মেহেরবানীতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক স্থির জীবন অতিবাহিত করছি। ১৯৬৮ সালে আমাদের প্রথম বাসা বড় মাঠের ওয়াল এর সাথে ই-টাইপ এর দ্বিতীয় বিল্ডিংটিতে। দুই-তিন বছর পর আমরা হোসেন আহম্মদ পাড়া মস্জিদের লাগোয়া ডি-টাইপের যে বিল্ডিংটি আছে তার সি-ইউনিটে দোতলায় বাসা পাই। কিছুদিন পর আমরা ১৯৭৩ বা ৭৪ সালে সি/১০/এ তে নিচতলার বাসায় চলে আসি। এর পর ৭৬ সালে বাসা পরিবর্তন করে চলে আসি সি/৯/সি এর দোতলায়। যা ছিল কলোনিতে ঢোকার গেইটের সাথে লাগোয়া। যেখানে কেটে যায় আমার জীবনের ১৮টি বছর। যার সাথে মিশে আছে আমার আনন্দ বেদনার অনেক স্মৃতি।

চরম মাথা ব্যাথা



চরম মাথা ব্যাথা নিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলাম। এনিয়ে চারদিন চলছে লাগাতার। উপায় না দেখে আবার গেলাম ডাঃ এর কাছে।
ডাঃ- ভালো করে দেখলো, হুম... তো কি কাজ করা হয়?
মি- শিপিং কোম্পানী, সারাক্ষন email পড়ি আর reply দেয়। নয়টা থেকে পাচঁটা কি ছয়টা পর্যন্ত এইভাবে চলে। ডকুমেনট রেডি করা আরো বিভিন্ন ধরনের টেবিল work প্রায় থাকে।

বেকিং নিউজ



২০/১০/২০১৫ রোজ মঙ্গলবার রাত ৮ঘটিকায় নাজমুল ভাই ও জসিম ভাই আমার সাথে মিলিত হয়েছেন এবং সন্মানিত দুই বড় ভাই অনুরোধ করেছেন, ওনাদের বিরুদ্ধে আমার দেওয়া অভিযোগ টি তুলে/উঠিয়ে নিতে। ওনারা আমাকে কথা দিয়েছেন -- এবারের মিশন আমার বন্দু জাবেদকে নিয়ে। জসিম ভাই বললেন - জাবেদের কেমন মেয়ে পছন্দ। আমি যতটুকু যানি বা বলার সবটুকুই উনাদের সাথে শেয়ার করলাম। সর্বশেষ নাজমুল ভাই আমাকে বললেন -- আমি জাবেদর ব্যাপারটা মথায় নিলাম প্রয়োজনবোধে আমার শালিকাকে দিবো। ওনাদের কথার উপর আমার আস্তা আছে এবং আশা করছি আগামী ৩/৪ মাসের মধ্যে আমরা জাবেদের বিয়ের অনুষ্ঠান দেখবো । আপনাদের সবার ওনাদের উপর আস্তা আছে কিনা জানাবেন -----

আমার বন্ধু আসিফের ছেলে আনাস



আমার বন্ধু আসিফের ছেলে আনাস। আসিফ ই আমার একমাত্র বন্ধু যার সাথে আমার ১৯৯০ থেকে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ। প্রায় ২ বছর আগে ওর ওয়াইফ এর ব্লাড লাগছিল। আমি শুনেই ভোরবেলা দৌড় দিয়েছিলাম যেহেতু আমার ব্লাড গ্রুপ আর ওর ওয়াইফ এর ব্লাড গ্রুপ একই। কয়েকদিন আগে আমার ওয়াইফ এর ব্লাড দরকার ছিল কি আযব কাছে পেলাম আমার এই বন্ধু টাকেই।
আজ আমাকে প্রথম দেখাতেই ওর ছেলে আমাকে জাপ্টে ধরে জরিয়ে ধরলো। মনে হয় যেন অনেক আগে থেকেই চেনে। আসিফ বলল এই কাজ টা ওর ছেলে কারো সাথেই করেনা।

রাত এখন ২.২০



কিছুদিন ধরে খুব চিন্তা করতে ছিলাম -------
এই পেজ ঘুরে ঘুরে বেশি রাত জাগা একদম উচিৎ না । এই অভ্যাস ছাড়তে হবে।

তাই ছেড়ে দিলাম।

ইয়ে ঐ চিন্তাই ছেড়ে দিলাম । tongue emoticon tongue emoticon

Don’t want to survive
Want to live

Want to see more heavenly faces
Want to see more writing from their abstract satiric thoughts

Which can very decisively assist the page to meet its desired goal. !!!!!!!!!

Wednesday, October 21, 2015

“সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান” (তারেক)



আমাদের স্টীলার- আমাদের সবার স্বপ্নের নায়ক- “সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান” (তারেক) এর উদ্দেশ্যে-
কিশোর বয়সে আমার স্বপ্নের নায়ক ছিলো-“সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান”। তার স্লো মশান পদ্ধতিতে সে অনেক অসম্ভব কে সম্ভব করে ফেলতো। আমার বিভিন্ন চুরির ঘটনায় আমি (স্লো মশান পদ্ধতির বিশ্বাস) ব্যবহার করে কামিয়াব হইয়াছি।

আমার বিশ্বাস প্রায় 517 জন স্টীলার এর দোয়া ও সহযোগীতায়-আমাদের ছোট ভাই তারেক সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান কে ও ছাড়িয়ে যাবে।

মানুষ সামাজিক জীব, সমাজ ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। পারে না বলেই বন কেটে হয় বসত। ধীরে ধীরে গড়ে উঠে সমাজ। সুখে দুঃখে, বিপদ আপদে এক অন্যের সাথী হয়। সুখের অনুভূতি অন্যের কাছে প্রকাশ করার মধ্যেই আনন্দ। তা না হলে হাজার সুখেও সুখ হয় না। দামী দামী শাড়ী, গহনায় নারীদেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি যত না হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি হয় বিত্তের বিজ্ঞপ্তি। ঐশ্বর্য শুধু থাকলেই হয় না- তা যদি অপরে না দেখলো, তাহলে সুখ কোথায়...?

Tuesday, October 20, 2015

আমি গাট্টি বোচকা বাইন্তেয়াছি


রাসেইল্যার সাথে (পোলাপাইন রে নাম ভেংগাইয়া না ডাকলে ভালো লাগেনা) কিছুক্ষণ আগে টেলি সংলাপ হলো। মাশাল্লাহ! গলার ভয়েস যেন ভয়েস অব আমেরিকা, হারামজাদার কথা বাতা' পুরা টক শো ষ্টাইলের। ফেব্রুয়ারি মাসের আমাদের চট্টগ্রামের সম্ভ্যাব্য আড্ডা নিয়ে বেচারার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে।
রাসেল আমাকে ডিসেম্বর /জানুয়ারি মাসের দিকে আবুধাবি দাওয়াত দিছে (কৌশলে আমিই দাওয়াত আদায় করছি)।
ভালোই লাগছে Masudul Hasan আমন্ত্রণ জানাচ্ছে সুইডেন যাওয়ার জন্য আর রাসেল আবুধাবির জন্য। নিজেরে তো পুরা পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মত লাগছে।

তবে রাসিল্যা সুইডেনের ভিসা হয়ত পামুনা, তোর দুবাইর ভিসা যেন মিস ন হয়। আমি গাট্টি বোচকা বাইন্তেয়াছি।

পুনঃমিলনি বিষয়ক


গতকাল রেজা ভাইয়ের একটি পোস্ট দেখলাম পুনঃমিলনি বিষয়ক।।দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হলাম।।রেজা ভাই,আতিক ভাই,পুলক ভাই,চাদ বুবু,কমু ভাই,টিনকু ভাই,জসিম ভাই,শাহিন ভাই,রাসেল ভাই সহ যারা এই পেজটিকে টিকেয়ে রাখতে প্রানান্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত তাদের অভিনন্দন।।তারিক ভাই ইস্যুতে সকলের আন্তরিকতা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।।আল্লাহ আমাদের সহায় হোক,আমিন।।আজ শাহিন ভাইয়ের সাথে আমার অনেকহ্মন আলাপ হল পুনর্মিলনি বিষয়ে।।আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি অনুষ্ঠান হতে হবে আমাদের প্রানপ্রিয় বিদ্যালয় প্রাংগনে।।সিএসএম এর একমাত্র জিবন্ত কিংবদন্তি এই বিদ্যালয়।।এটি ব্যাতিত আমাদের আর কোন স্থান আমাদের আবেগের সাথে সংগতি পুরন নয়।।আশা করি সবাই অতিত স্মৃতি এবং আমাদের আবেগকে মুল্যায়ন করবেন।।ভুল হলে হ্মমা সুন্দর ভাবে দেখবেন।।সবাইকে আমার পহ্ম থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সালাম জানাচ্ছি।।

একটা সুষ্ট বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি

- Tinku


আমি বিব্রত এবং নিরাপত্তা হীনতায় আছি। জাবেদের বিবাহ্ নিয়ে আমার আগ্রহটা একটু বেশী কারণ সে আমার খুব ভাল বন্দু। ঐ অতি আগ্রহের কারণে আমাকে দুই বড় ভাই রিতিমত হুমকী দিয়েছে। সেই দুই সন্মানিত বড় ভাইরা হলেন - জসিম ভাই ও নাজমুল ভাই। আমি বুঝে উঠতে পারছি না জাবেদকে আয়বুড়ো বানিয়ে জসিম ভাইয়ের লাভ কি? নাজমুল ভাই তার শালিকাকেও দিবে না। জাবেদের বিয়ে নিয়েও কথা বলতে দিবে না।
আমি প্রধানমন্ত্রী এবং শিশু ও নারী মন্ত্রীদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং এর সুষ্ট বিচারের দাবি করছি।

( বি: দ্র: কুমু ভাইয়ের সাথে এক মত প্রকাশ করে, যে কোন দিন অনশনের ডাক দেওয়া হতে পারে)

এক আকাশের নিচে ছিলাম

- Javed

কলোনি নিয়ে দুটা লাইন লেখলাম কয়েকদিন আগে। গীটারটা হাতে ছিলো। এমনিতেই গুনগুন করছিলাম। শেষে একটু সুরের মতো হলো। কিন্তু আমার গলা অতি নিকৃষ্ট ধরনের। গানের কোরাসটা আমার গলায় আসছিলোই না। বিরক্ত হয়ে ফেলে রাখলাম। আজ ভাবলাম দিয়েই দেই। কি আর হবে। আমরা আমরাই তো। কোরাসের অংশটা বাগে আনতে না পেরে গোজামিল দিয়ে শেষ করেছি। আশা করি আবেগের ঢাকনি দিয়ে গানের মান কে চাপা দেয়া যাবে।
লিরিকটাও দিয়ে দিলাম। গানে লিরিক ভালো বুঝা যায় না।

বুঝলাম না সবার কি কষা নাকি!!!!



বুঝলাম না সবার কি কষা নাকি!!!!
সবাই ইসুপ গুল আর পেঁপে খাওয়াতে বিজি নাকি!!!!:)
পেজ এ সদস্য সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৫৩৮
প্রতি পোস্ট এ পছন্দ পড়ে গড়ে ৩০ থেকে ৪০।
কেন ভাইয়ারা?!?!? আপারা আপনাদের বিয়োগ দিয়ে বলছিনা

আচ্ছা বাদ দেন।

অন্যান্য সি. এস. এম. পেজ এর বড় ভাই আপাদের পাশাপাশি
পপুলার হসপিটালের ৬৬০ নং কেবিন এ আমার উপস্থিতি ও জানি্যে আসলাম।

কিছু পাওয়া আর কিছু চাওয়া



প্রচন্ড অনিচ্ছা সত্ত্বেও ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আমার প্রিয় মাতৃভূমি ছেড়ে অজানা এক দেশ ইউরোপ এর শান্তপ্রিয় নোবেল এর দেশ সুইডেনে পাড়ি জমিয়েছিলাম উচ্চশিক্ষা নিয়ে দেশের জন্য কিছু করব এই আশায়। তার আগে আমার ক্যারিয়ার এর সবচেয়ে ভাল চাকরিটি ছেড়ে দিয়ে আসা লেগেছিল। এখনো মিস করি আমার ক্যারিয়ার সেরা সেই টেলিকমিনিকেশন এর জবটি কে। কত জেলায় না গিয়েছিলাম এই জব এর কারনে, কত মজাই না ছিল সেই সময়।

কেমন যেন সব গা সওয়া হয়ে গিয়েছে


কেমন যেন সব গা সওয়া হয়ে গিয়েছে, মনে হচ্ছে যেন এটাই হওয়ার কথা,এটাই স্বাভাবিক। অপু ভাইয়ের সাথে ১৭ বছর পর আজ দেখা হলো অথচ কোন বাড়তি উচ্ছাস নেই জাস্ট কোলাকুলি, রাজনের (মরহুম সাহ আলম কাকার ছেলে) সাথে কত বছর পর দেখা তার কোন হিসেব নেই, তার সাথেও সেই কোলাকুলি। কিছুক্ষন হাল্কা কথা বারতা, খুন্সুটি। সিএসএম এর আরো কয়েকজন ছিলো আজ সন্ধায় আমার সাথে, আমাদের ভাবসাব এমন, যেন মনে হচ্ছে আড্ডা মেরে একটু পর কলোনির যার যার বাসায় ফিরে যাবো।
Mahabub Rashel আজ একটি কমেন্টসে আমাকে সফল উদ্যেক্তা বলেছে। আমি সফল উদ্যেক্তা কিনা জানিনা তবে এই গ্রুপ চালু হওয়ার আগে কলোনি নিয়ে স্মৃতিচারনা মুলক এলোমেলো লিখা গুলো সফল, অই লিখা গুলো থেকেই আমি সবাইকে আবার কাছে পেয়েছি।