Wednesday, March 2, 2016

চুরি

- Anisur Rahman Reza

চুরি

সারাফ নাওয়ার

ওখানে কে?
আমি মসাই।
কী করেন?
চুরি করি।
কী চুরি?
সোনা চুরি।
কী সোনা?
খাটি সোনা।
আসছি আমি।
কেন ভাই?
ধরতে তোকে,
পালাই পালাই।

আজ আমার বেটির জন্মদিন। এই দিনটি আমাদের সব চেয়ে আনন্দের দিন। বিশাল আবদার করেছে আমার বেটি, বাবা একটা কবিতা লিখেছি, তোমার ফেইস বুকে দেওনা!! প্লিজ বাবা/প্লিজ বাবা।
দিয়ে দিলাম ফেইস বুকে।

শুভ জন্মদিন আমার সারাফ সোনা।

এই লেখাটা CSM তৃতীয় প্রজন্মের বাচ্চাদের জন্য, যাদের কলোনি দেখার সৌভাগ্য হয়নি


আকাশের রঙ কালো হয়ে আসছে। মেঘ গুরগুর করছে থেমে থেমে। কাকগুলো সব মেঘের সাড়া পেয়ে বিল্ডিঙের কার্নিশে কার্নিশে আশ্রয় নিয়েছে। আর ঝোপঝাড় থেকে বেরিয়ে এসেছে শত শত ময়ূর। এখনো পেখম মেলেনি। লম্বা লেজটা রাস্তায় গড়াচ্ছে। আবার মেঘ ডাকলো। একে একে পেখম মেলতে শুরু করলো ময়ূরের ঝাঁক। মুহুর্তেই রঙ্গিন হয়ে গেলো বাজার গেট, টাঙ্কির তলা, পুকুর পাড়, স্কুল মাঠ। মেঘের ফাক দিয়ে চুরি করে ঢুকে পড়া সূর্যের আলো ময়ূরের পেখমে পিছলে গিয়ে রঙ ছড়িয়ে দিলো সারা কলোনিতে। সেই রঙ মাতালের মতো দুলতে দুলতে আকাশে উঠে গিয়ে হয়ে গেলো রংধনু। বাসাবাড়ি থেকে একজন দুজন করে বের হয়ে আসতে লাগলো বাচ্চা ছেলের দল। ময়ূরের পেখম দুলানো নাচের সাথে নাচতে লাগলো তারাও। 

Tuesday, March 1, 2016

মহাপুরুষ


csm colony page এর যখন আবির্ভাব তখন থেকেই রিপন ভাইকে নিয়ে কিছু লিখব লিখব করেও আমার লিখা হয়ে উঠেনি। উঠেনি বললে ভুল হবে একটু সময়ের অপেক্ষায় ছিলাম এবং সেই সময়টা পেলাম আর অমনি লিখতে শুরু করলাম। তবে আমি রিপন ভাইয়ের মত রস কস দিয়ে বা গুছিয়ে লিখতে পারিনা।

যদি ভুল হয় দয়া করে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
আমার দেখা সিএসএম কলোনীর সেরা মানুষ(রিপন ভাই)।আমি উনাকে সবসময়ই মহাপুরুষই বলি। এমনকি গ্র্যান্ড আড্ডাতে ভাবীকে(রিপন ভাইয়ের বউ) ও বলেছিলাম যে, ভাবী জীবনে অনেক বড় একজন মানুষ পেয়েছেন। কিন্তু ভাবী বলেছিলেন তুমি তোমার ভাইকে কতটুকু চেন!

ভাবীকে বলেছিলাম, উনাকে আমি আমার জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার আগে থেকেই চিনি আর জ্ঞান বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেতো আরও ভাল করে চিনি।

বন্যা আপুকে সান্তনা দেওয়ার কোনো ভাষা আমার কাছে নেই


বন্যা আপুকে সান্তনা দেওয়ার কোনো ভাষা আমার কাছে নেই।তবে আমরা সবাই দোয়া করি চাচা জেন জাননাতবাসী হন আমিন।আমার আমমা মারা যান ৬ই February 2005,সে থেকে আমার বাবাই ছিল আমাদের সব।মায়ের মত সব খোজ খবর আমার বাবা আমাদের করতেন।আমাদের কোন ভাই বোনদের বিয়ে আমার মা দেখেজেতে পারেনী।আমার বিয়ের জন্য ছেলে আর তার মা দেখবে সেখানে আববাই আমাকে সাজাই গোছাই নিয়ে গেছে,কি করবে আমিই তো সবার বড়।সেখানে আমার বিয়েও হয়।সাথে আমার বড় ভাইয়েরা একদম আমার মায়ের আদর আর ভালবাসা দিয়ে আমাদের সব ভাইবোনদের রেখেছিল।

আমার বাবাই বাকী দুইবোন আর ভাইয়া বিয়ে দেন।কিনতু সবচাইতে দঃখজনক হল আমি কখনও কলপনাও করিনি আমার বাবা এতোতাড়ী আমাদের ছেড়ে চলেজাবে গত বছর ২৩শে ফেবরুয়ারী হঠাৎ করে আববা চলে জায়।মারা জাওয়ার একদিন আগে আমি বাসা থেকে আসছি।আমার এখনও মনে পড়ে যেদিন আমি চলে আসবো আমার দিকে খুব মায়া মায়া করে তাকিয়ে থেকে বলল তুমি চলে জাবে ঠিক আছে জাও।আমাকে আসতে হয়েছিল কারন আমার শশুর হাসপাতালে ছিল।এসব কথা বলছি কারন আমি আববার অনেক আদরের ছিলাম।আমি কলপুনাও করতে পারিনা আমার বাবা নেই।যা চাইতাম তাই এনে দিত।

ইন্টার স্কুলের সেমিফাইনাল খেলা


ইন্টার স্কুলের সেমিফাইনাল খেলা বেগমজান স্কুলের মাঠে।সিএসএম স্কুল বনাম নেভী স্কুল। সিএসএম-পক্ষে আমি.রানা .হানিফ,বিশ্বজিৎ..নজরুল.মিজান.পান্না.জাকির.আব্দু রউফ,শিপন.শামীম. সবার নাম মনে নেই।আমরা ১-০ গোলে জিতে ফাইনালে উঠি।পরে ফাইনালে বন্দর স্কুলকে ১-০গোলে হারিয়ে আমরা চ্যাম্পিয়ান হই।সিএসএম স্কুল বন্দর থানায় চ্যাম্পিয়ান হয়।খেলার পরে কলোনীতে টান্কী নিচে নাচানাচি রেজাভাই,জসিম ভাই.নিরু মামা,বড় শামীম ভাই.খোরশেদ াই.নাজমুল ভাই.শাহিন ভাই আরো অনেকে।নিরু মামা আমাকে কাধে তুলে নাচছিল।এইসব মুহুর্ত কখনো কি ভুলা যায়

৯৩ সাল আমি ইন্টারমিডিয়েট পরিক্ষা দিবো


৯৩ সাল আমি ইন্টারমিডিয়েট পরিক্ষা দিবো, কিন্তু উড়ু উড়ু ভাবের কারনে পরীক্ষায় ফেল করার সম্ভাবনাই বেশি। তাই পড়াশুনার খাতিরে আমাকে হালিশহরে মামার বাসায় নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ নেই, মন খারাপ হয়ে থাকে। মন প্রান সব কলোনি তে পড়ে থাকে, তাই নির্বাসন ভেংগে দু মাসের মাথায় এক রোজার দিনে কলোনিতে এসে পড়লাম। রাতে ঘুরতে বের হয়ে দেখি রাশেদ, দুলি, মনিরুল,লিটন, রতন এরা রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন শিরোনামে পোস্টার লাগাচ্ছে, সৌজন্যে 29 গ্রুপ(সারা দিন 29 খেলে রাতে রমজানের পবিত্রতার পোস্টার)। এভাবেই এই গ্রুপের যাত্রা শুরু। আসলে আমাদের বেশির ভাগ পোলাপানই 29 তাস খেলতো, তাই গ্রুপের নাম 29 গ্রুপ।

আমার আজকের আলোচনার বিষয় আমার সমসাময়িক বন্ধুদের নিয়ে


আল আমিন বিল্লাহ সুজন কি যুদ্ধ লাগিয়ে দিল আমাদের মধ্যে! আমি অবাক হই আমার ভাই বোনদের লেখার আশ্চর্য ক্ষমতা দেখে। আমার আজকের আলোচনার বিষয় আমার সমসাময়িক বন্ধুদের নিয়ে। আতিক এবং বন্যার কথা আমি বলবোনা, তারা হিসেবের বাইরে। মিনিটে মিনিটে পোষ্ট দেওয়ার ক্ষমতা ওরা রাখে। আর ছোটরাতো আরো প্রতিভাধর। আমাদের মধ্যে কিছুটা লেখনি ক্ষমতা আছে জসীম ভাই এবং মানিকের, কিন্তু তাদের নিয়ে আমি হতাশ। প্রথমদিকে শাহীনের লেখা থাকলেও ইদানীং দেখা যাচ্ছেনা। অবাক হই রেজা ভাইয়ের লেখনি দেখে, এই ভদ্রলোক যদি ছাত্রজীবনে এই মেধার কিছু ব্যয় করতো তাহলে আমি নিশ্চিত তার বর্তমান ক্যারিয়ার আরো উঁচুতে থাকতো। বলবো নিরুর কথা,একসাথে লেখাপড়া করেছি তার লেখাগুলুও অসাধারণ হচ্ছে। সবচেয়ে বেশী অবাক হচ্ছি রিপনের লেখায়, ভালোছেলে মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষ হিসেবেই ওকে জানি কিন্তু তার অসাধারণ লিখা এবং ছন্দ মিলানো কবিতা আমাদের ভীষণভাবে আনন্দিত করছে। যাই হোক আমি চাই আমার এই অবাক হওয়া অব্যাহত থাকুক,তোমরা সবাই লিখতে থাকো। সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন।

গ্র্যান্ড আড্ডা, পর্ব- ০২


তখন আনুমানিক ৪টা, মাঠে গিয়ে দেখি শাহিন ভাই আর নিরু ভাই ছাড়া কেউ নেই। মনে মনে খুব রাগ হোল, সাথে মনটাও ভেঙ্গে গেল, কিরে এমন তো হওয়ার কথা না, অন্তত কিছু পোলা পাইন তো এখানে পাওয়ার কথা, পড়ে নিরু ভাইয়ের কাজ থেকে জানতে পারলাম সুজন, টিপু সহ অনেকে সারাদিন থেকে এইমাত্র বাসায় গেছে ফ্রেশ হয়ে আবার আস্তে, যেতে নাকি চাচ্ছিল না, শাহিন ভাই আর নিরু ভাই জোর করে পাঠাইছে। যাই হোক, আস্তে আস্তে জমতে শুরু করলো উথসব প্রাঙ্গন, ধীরে ধীরে কলোনির অনেক বড় ভাই, বোন, বন্ধু আস্তে লাগলো মাঠে, রাত ১০টার মধ্যে পুরো মাঠের সমাগম দেখে মনে হচ্ছিলো আমাদের প্রোগ্রাম বোধয় ইতিমধ্যে শুরুই হয়ে গেছে, এতটা সমাগম হবে আগে জানলে কিছু সাউন্ড রাতেই নিয়ে আসতাম, তখন হয়তো মজাটা নতুন মাত্রা পেত। 

"গালি"


"গালি" ১৯৯৩ সাল আমি তখন ঢাকায় বসবাস শুরু করতাছি,কিন্তু মন বসে না প্রতি মাসে একবার দুইবার চিটাগাং না গেলে পেটের ভাত হজম হতোনা,তো একবার ১মাসের উপর হয়ে গেলো চিটাগাং যেতে পারছিনা,মামার কাছে বিভিন্ন রকম টাল বাহানা করে ৩/৪দিনের জন্য চিটাগাং যাওয়ার পারমিশন নিলাম,যাওয়ার আগে যতারীতি ব্যাগ ভত্তি জিনিসে, এবার একটা বাহারী রঙের শট প্যানট ও নিলাম, আবশেষে চিটাগাং পৌছলাম রাত ৯টা কি, বাবা মার বকাও শুনলাম এতো ঘনো ঘনো কেন বাসায় আসি,খাওয়া দাওয়া পর একটু ধোয়া না টানলে তখন ভাত হজম হতোনা আর আমি যে আসছি সেটা জানান দিতে হবে না,শট প্যানট পড়ে কেডস ও পড়লাম চোখে একটা বাহারি চশমা আর গায়ে থেকে ভুর ভুর করে পারফিউম মাথায় একটা ক্যাপ পড়ে সোজা দুলির বাসায় জানালার পাশে গিয়ে দুলিকে তলব শুনি দুলি বাসায় নাই তখন সোজা ইউনুস এর দোকানে যাইয়া মরা রাশেদ কে পাইলাম কিছুটা সময় বকবক কইরা বেলাল ভাই এর সাথে দেখা হবে চাও পান করা হবে এই উদ্দেশে বাজারে গেলাম, বেলাল ভাই এর সাথে কথা বলে বেলাল ভাইয়ের দোকানে সামনে একটা হোটেল ছিল নাম মনে পড়ছে না সেখানে গিয়ে বসলাম, তিন জন চা পান করছি আর বকবক করছি,হোটেলের একটা পিচচী বয় আমার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকাইয়া আমার কথা বুঝার চেসটা করতাছে,আমার ডো একটা প্লবলেম আছে সেটা সবাই জানে,তে দুলি হঠাৎ পিচচীটারে ডেকে বলে এইডা বিদেশী বাংলা বুঝেনা তুই তারে গালি দিলে সে কিছু বুঝবোনা,আমার বেশবুষা তো আগেই বণনা দিয়াছি একটু পাংখা পাংখা ভাব তো আছে, তখন পিচচী করলোকি একটু দুরে গিয়া মন খুইল্লা আমারে গালি শুরু করলো আর সবাই তো হাসাহাসি আরম্ভ করে দিলো আমি আর বাদ যাবোকি আমি ও বোকার মতো হাসতাসি,,,

গত কাল মনিরুল তার এক পোস্টে লিখেছে যে, তার গ্রান্ড আড্ডার অংশ নেওয়ার সব খরচ আমি দিবো


গত কাল মনিরুল তার এক পোস্টে লিখেছে যে, তার গ্রান্ড আড্ডার অংশ নেওয়ার সব খরচ আমি দিবো। যদিও তেমন কোন খরচ আমার করতে হয়নি। শুধু তার কূপন টি আমি সংগ্রহ করেছিলাম। এ রকম আরো দশটি গ্রান্ড আড্ডার অংশ নেওয়ার খরচও যদি আমি মনিরুল কে দেই তাও তার ঋন শোধ হবেনা। গত ১লা জানুয়ারি পোস্ট করা আমার এই লেখাটি পড়লেই বুঝা যাবে।

এক বার আমাদের থার্টি ফার্স্ট নাইটের পিকনিকে অংশ নেওয়ার মত টাকা ( সম্ভবত ৬০ টাকা) আমি যোগাড় করতে পারছিলাম না, বিশেষ ঝামেলার কারনে বাসা থেকে এই টাকা খোজার সাহসও পাচ্ছিলাম না, অথচ এই পিকনিকের অন্যতম অর্গানাইজার আমি, তাই কাউকে আমি বলতেও পারছিলাম না, এদিকে ডিসেম্বর এর ৩০ তারিখ চলছে, পরদিনই পিকনিক। আমাদের Monirul Islam Monir তখন ঢাকায় ব্যবসা করে, সেও পিকনিকে অংশ নিতে চট্টগ্রাম এসেছে, আমার করুন দশা সে বুঝতে পারলো, এবং চুপিচুপি আমার পিকনিকের চাঁদা টা সে দিয়ে দিয়েছিলো। আমি সে টাকা টা এখনো ফেরত দেইনি, দিলেও মনিরুল কখনো নিতোনা। আমি এখন যতই দামী দামী প্রোগ্রামে অংশ নেইনা কেনো সেদিনের সে ৬০ টাকার পিকনিকের সাথে কোন কিছুর তুলনা হয়না।

২৯ ফেব্রুয়ারি। আড্ডার একমাস পূর্তি হলো।


২৯ ফেব্রুয়ারি। আড্ডার একমাস পূর্তি হলো।এ উপলক্ষে কমবেশি সবাই কিছু না কিছু পোস্ট করায় ক'দিন ধরেই ভাবছিলাম, আড্ডা নিয়ে কিছু লিখবো। কাজের ব্যস্ততা আর কিছুটা আলসেমীর জন্য আর লিখা হয়ে উঠেনি। আজ ভেবেছিলাম,আড্ডা নিয়ে কিছু একটা লিখবোই। Unfortunately, আড্ডা নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক বা মজার কিছু লিখার মতো অবস্থা এখন না।

আমার ঢাকায় আসার খবর শুনে গত বৃহস্পতিবার আমার মেঝ আম্মু ইনান (@Chand Sultana বুবুর মেঝ মেয়ে) পেইজে একটা পোস্টে লিখে যে,আমার ঢাকায় আসার কথা শুনে নাকি ওর "ঈদ ঈদ" লাগছে। Priceless এই feelings এর প্রতিদান দেওয়ার যোগ্যতা আমার নেই। এত্তোগুলো ভালোলাগা নিয়ে ঢাকায় গেলাম। ভোরে পৌছানোর পর সকালে পাগলীটা ফোন দিয়ে ওর নানাভাইকে দেখতে ওদের বাসায় যেতে বল্লো। রেজা ভাইও নাকি যাবেন।তাই রেজা ভাইয়ের সাথে যাবো ভেবে রেজা ভাইকে ফোন দিয়ে জানতে পারলাম,উনার জ্বর। তাই শুক্রবার আর যাওয়া হলো না এরমাঝে অন্য এক কাজে ফেঁসে যাওয়ায়।পরে শুনি,আপেল নাসেররা নাকি গিয়েছিলো আর চাচা অনেক্ষন ওদের সাথে কথা বলেছেন।

জন্মিলে মরিতে হইবে এই সত্য সবাই জানে


জন্মিলে মরিতে হইবে এই সত্য সবাই জানে।তারপরও মৃত্যুকে স্বাভাবিকভাবে কেউ মেনে নিতে পারে না।তারপরও মেনে নিতে হয়।এই মেনে নিতে কত ঝড়ের মুখোমুখি হতে হয় এক মাত্র ভুক্তভোগী পরিবারই জানে। কত ছাড় দিয়ে যে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরত আসতে হয়, যার যায় সে ছাড়া কে বেশী জানে? বিপদে সাহস হারাতে নেই বিজ্ঞজনেরা বলে কিন্তু প্রিয়জন হারানোর বিপদে কি মানুষ সাহস ধরে রাখতে পারে? শেকড় উপড়ে যাওয়ার বিপদে কি মানুষ সাহস ধরে রাখতে পারে? সত্যি আমি জানিনা, তবে এইটুকু জানি সৃষ্টি করেছেন যিনি,জীবন দিয়েছেন যিনি, তিনিই আবার সব ঠিক করে দিবেন, তিনিই বাঁচিয়ে রাখবেন,তিনি আগামীদিনের পথ প্রদর্শন করবেন।চলুন আমরা সবাই প্রার্থনা করি আল্লাহ তাদের সবাইকে সহি সালামতে রাখুক।পাশাপাশি বলি চাচাকে আল্লাহ জান্নাতবাসী করুন।আমিন।

ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন ।।


ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন ।।
গত ২২শে ফেব্রুয়ারি শরমি এসেছিল আমার অফিসে। ব্যস্ততার জন্য খুব বেশী সময় দিতে পারিনি। শরমি বলছিল ওরও তাড়া আছে। বাবা অসুস্থ, তাকে ( প্রয়াত আজিজুল হক চাচা) নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
তখনো বুঝিনি সেই অসুস্থতার মাত্রা। চাচার সাথে আমার কখনো সরাসরি পরিচয় ছিল না,যতটুকু জেনেছি,শরমির কাছ থেকে গল্প আকারে।
সেই গল্পটা বুকে ধারন করার মত।
তার বিদেহী আত্মার প্রতি রইলো আমাদের অনেক অনেক শ্রদ্ধা । পরিবারে প্রতি সহমর্মিতা ।

আমি আসলে জানিনা কেউ চলে গেলে তার আপনজনদের কি বলতে হয়


আমি আসলে জানিনা কেউ চলে গেলে তার আপনজনদের কি বলতে হয় । এসব ব্যাপারে আমি নিজেকেই নিজে কখনো সান্তনা দিতে পারিনাই তাই অন্য কারো সাথেও তা করতে যাইনা ।

চলে যাওয়া ব্যাপারটা আমি ডিল করা এখনো শিখে উঠতে পারিনাই । ব্যাপারটা আমার জীবনে একটা ট্র্যাজেডি হয়ে গেছে ।

আব্বুর কাছে শুনেছি উমামার নানু কতটা ভাল মানুষ ছিলেন । আশা করবো উমামার নানু এই পৃথিবীর চেয়েও বেটার প্লেসে থাকবেন ।

May his soul rest in peace

Monday, February 29, 2016

আজ সাড়ে বারটার দিকে আমি, শওকত, হেলালী মাসুক ভাইয়ের ব্যাংকে গেলাম


আজ সাড়ে বারটার দিকে আমি, শওকত, হেলালী মাসুক ভাইয়ের ব্যাংকে গেলাম আমাদের এসোসিয়েশনের একাউন্ট করার জন্য। শওকত আর হেলালী ওদের জরুরী কাজ থাকায় ওরা কমপ্লিট না করে চলে গেলো। মাসুক ভাই আমাকে বসিয়ে রাখলো বাকি কাজ কমপ্লিট করার জন্য। আর বললো ওনার সাথে অবশ্যই লাঞ্চ করতে হবে। আমারও কাজ কম তাই বসে রইলাম। মাসুক ভাই আমাদের ফরম ফিলাপ করে আর আমি ফেইসবুক থেকে ঘুরে আসি। এরই মধ্যে উমামার আড্ডা সংক্রান্ত পোষ্ট দেখি। সেখানে কমেন্টসও করি। দেড়টার দিকে আমিও একটা পোষ্ট দিই। মাঝে মাঝে সেখানে ঢুকে দেখি কে কি কমেন্টস করলো। হঠাৎ মামুনের একটা পোষ্ট দেখে "থ" হয়ে গেলাম। 

বন্যার আব্বা অর্থাৎ আজিজুল হক চাচা মারা গেছেন। বার বার পড়লাম পোষ্টটা। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এবার নীচের দিকে যেতে লাগলাম। দেখলাম একই পোষ্ট আতিক আরো আগে দিয়েছে। পুরো অবাক হয়ে সেই পোষ্টটাও দুই তিন পড়লাম। মাসুক ভাইকেও বললাম। বিস্তারিত ঘটনা জানার জন্য চিন্তা করছি কাকে ফোন দেওয়া যায়। কারন তখন বন্যাকে ফোন দেওযার মতো সাহস পেলাম না। দেওয়া ঠিকও হবে না। প্রথমে দিলাম আতিককে ফোন। বিস্তারিত জানতে চাইলাম। কিন্তু সেও বেশি কিছু বলতে পারলো না। তবে বললো কিছুক্ষণ পরে রেজা ভাই যাবে। তাই ঘন্টাখানেক পরে রেজা ভাইরে ফোন দিলাম। রেজা ভাই ও ব্যস্ত। তবে বললো ঘুমের মধ্যে মারা গেছে। রেজা ভাইয়ের মাধ্যমে জানতে পারলাম চাচার সাথে রিপন ভাই নেত্রকোনা যাবে। 

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় অফিস থেকে বের হয়ে ধানমন্ডির ল্যাবএইডে গেলাম এক রোগীর ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে


গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় অফিস থেকে বের হয়ে ধানমন্ডির ল্যাবএইডে গেলাম এক রোগীর ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে। ল্যাবএইড থেকে বের হয়ে আসার সময় বন্যা আপার সাথে দেখা। উনি এসেছেন বাবাকে নিয়ে চেকআপ করাতে, সাথে বন্যা আপার এক কাজিনও আছে। বহুবছর পর চাচাকে দেখলাম। কলোনিতে আজিজুল হক চাচাকে দেখেছিলাম সিংহদেহী সুপুরুষ। C-8 এর সামনের ছোট জায়গাটাতে আমি, আশিক, সবুজ, সামি, বাপেন আরো কে কে যেন ক্রিকেট খেলতাম। মাঝে মাঝে চাচা বিকেলে একটা টুল নিয়ে মাঠের ঠিক মাঝখানে বসে পেপার পড়া শুরু করতেন। আমরা ব্যাট-বল নিয়ে কিছুক্ষন ঘুরাঘুরি করে বিরক্ত হয়ে মুখ ভেংচে চলে আসতাম। বন্যা আপাকে তখন আমি চিনতাম না। শুধু জানতাম এই চাচার এক মেয়ে আছে নাম চাঁদ সুলতানা। আমরা নিজেরা নিজেরা কথা বলার সময় চাচার প্রসঙ্গ এলে উনাকে "চান্দুর বাপ" বলে সম্বোধন করতাম। ল্যাবএইডে কলোনির সেই চাচার ভগ্নাংশও খুঁজে পেলাম না। স্বাস্থ্য ভেঙ্গে গেছে, কিছুদিন আগে পায়ে আঘাত পাবার দরুন লাঠি হাতে হাঁটছেন। বন্যা আপা আমাকে চাচার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। স্টিলমিলের ছেলে শুনে তিনি আমার ডান গালে আদর করে চড় দিয়ে বললেন "কেমন আছস রে বাবা?"। এরপর বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য চাচার রক্ত নেয়া হলো, একটা এক্স-রে করানো হলো। এসময় আমি সাথেই ছিলাম। বিদায় নিয়ে আসার সময় তিনি দোয়া চাইলেন, আমিও আমার জন্য উনার কাছে দোয়া চাইলাম।

যার কিংবা যাদের যায়, একমাত্র সে কিংবা তারাই বুঝে হারানোর ব্যাথা


যার কিংবা যাদের যায়, একমাত্র সে কিংবা তারাই বুঝে হারানোর ব্যাথা।। আসলেই পৃথিবী থেকে প্রিয় কোন আপনজনকে কিংবা আপনজন নাই বা হোক, সেই মানুষটিকে চিরতরে বিদায় দেওয়ার প্রস্তুতি কারো পুর্ব থেকেই থাকে না। সেইজন্যই হয়তো নির্মম এই সত্যটা আরো বেশী কস্ট দেয়।

রেজা ভাইয়ের কাছ থেকে ফোন পেয়ে বিশ্বাষই হচ্ছিল না। কারন গত পরশুইতো বড়াপা এবং আমাদের মেয়েগুলোর কাছ থেকে শুনলাম ওদের নানাভাই মোটামুটি অনেকটাই ভাল আছে।

তারপরেও তড়িঘড়ি করে ছুটে গেলাম। বড়াপা'র বাসায় যেয়ে পরিস্থিতি দেখে আমার মুখ থেকে ওদের কাউকে শ্বান্তনা দেওয়ার মত একটা শব্দও বেরোলো না। ইনান আর নুজাইমা যখন জড়িয়ে ধরে কাঁদছিল তখন ফেল ফেল করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর বোকার মত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া ছাড়া কোন উপায়ই ছিল না। এই সব অবস্থায় শ্বান্তনা দেওয়ার ভাষা আমি হারিয়ে ফেলি। কেন যেন বোবা হয়ে যাই।

আজ দুপুর ২ টার দিকে আপেল আমাকে ফোন দিলো


আজ দুপুর ২ টার দিকে আপেল আমাকে ফোন দিলো।আমি বাইকেই ছিলাম।পকেট থেকে ফোন বের করে দেখি আপেলের ফোন।ভাবলাম পরে কথা বলবো কিন্তু কি যেনো মনে করে ফোন রিসিভ করলাম।আপেল যখনি আমাকে ফোন দেয় আমাকে দুষ্টুমি করে স্যার বলে ডাকে কিন্তু আজকে কোনো দুষ্টুমি না করেই বলে তোকে কি কেউ ফোন দিয়েছিলো? বললাম কেন?পরে যা শুনলাম তা শুনার জন্নে মোটেও প্রস্তুত ছিলামনা।

গতশুক্রবার আমি আর আপেল বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একসাথেই ছিলাম।আপেল কে বল্লাম চল বন্যা আপার বাসায় যাবো চাচাকে দেখে আসি।আপাকে ফোন না দিয়েই চলে গেলাম বাসায়। চাচার রুমে নিয়ে গেলো বন্যা আপা।তিনি শুয়ে ছিলেন এবং শুয়া অবস্থাতেই আমাদের সাথে কথা বললেন।আপা যখন বল্লো আব্বা এই দুইজন ষ্টীলমিলের। এখন ঢাকায় থাকে।চাচা খুব খুশি হলেন এবং আমাদের দুইজনেরি বাবার নাম জিজ্ঞেস করলেন।আমাদের সাথে খুব হাসিমুখে কিছুক্ষণ কথা বললেন।উনি বললেন আজকে একটু পা টা বেশি ফুলে গেছে তাই শুয়া থেকে উঠছেন্না।আরো বল্লো তোমাদের আড্ডায় যাওয়ার খুব শখ ছিলো শরীর খারাপের জন্য যেতে পারিনি। আমরা চাচাকে বলেছিলাম ইনশা আল্লাহ সামনের আড্ডায় অবশ্যয় যাবেন।চাচা তারোত্তরে আমাদেরকে বলেছিলেন ততোদিন বেঁচে থাকবতো?আমরা বলেছিলাম অবশ্যয় বেঁচে থাকবেন চাচা।কিন্তু না,চাচার কথায় সত্যি হয়ে গেলো।আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন।

আল্লাহ চাচাকে বেহেস্ত দান করুক এবং তার পরিবার যেনো এই শোক কাটিয়ে উঠতে পারে এই দোয়ায় করছি।

এপ্রিল 29 নিয়ে বিভিন্ন জনে বিভিন্ন মতামত পোষণ করে মুলত এটা কি ক্লাব না সংগঠন


এপ্রিল 29 নিয়ে বিভিন্ন জনে বিভিন্ন মতামত পোষণ করে মুলত এটা কি ক্লাব না সংগঠন, এপ্রিল 29 ছিল একটা তাস খেলার গ্রুপ, কোনমতে ৪জন জড়ো হলে খেলতে বসে যেতাম,সকালে স্কুলের পিছনে খাল পাড়ে,বিকালে স্কুলের ভিতরে, কারো বাসা খালি হলে 29খেলা চলতো,আমি, দুলি, মরা রাশেদ,জিমি রাশেদ,জুয়েল,বুড়া মিয়া,লিটন,এমন ও দিন গেছে সকালে বসে বিকালের সূয নিবু নিবু সেই সময় খেলা শেষ করছি,আতিক,রাজু, ভুতের ডিম,কইলজা পঁচা, রিমন,রানা,তখন তাস কম খেলতো, বিকাল হলেতো তারা কয়েকটা বাসার সামনে ঘুরাঘুরি করতো বিশেষ কারণে,তপু, লতিফ,সোহাগ, আরো কয়েক জন আলাদা আলাদা চলাফেরা করতো,সারাদিন 29 খেলতাম বলে যারা যারা জানতো তারা আমাদের কে 29গ্রুপ বলতো,তপুরা আমাদের থেকাবার জন্য তারা একটা গ্রুপের নাম দিল ঈমাম গ্রুপ,আতিক রা তো তখন নায়ক নায়ক ভাবে আনাচে কানাচে ডুমারতাসে,চারিদিকে আমাদের বদনাম আমরা সারাদিন বাপের হোটেলে খাই আর তাস খেলি,এভাবে কয়েক বছর চলতে ছিল,কলোনীতে বিভিন্ন টুনামেনটে আমাদের C টাইপ D টাইপের এর অনেকেই খেলতো,সবাই মিলে তখন একটা দল গঠন করে খেলায় যোগ দিতাম,নাম দিতাম 29 গ্রুপ,খেলায় মারামারি তো হতো,বদনাম আরও বাড়তো,কেউ কোন খারাপ কাজ করলেই পড়তো 29এর নাম,এটা ঠিক আম,নারিকেল,পেয়ারা, মুরগী, বালব,আচার,বই, সবই চুরি করতাম বদনাম আরো বাড়তো,ইউনুস, ভাই ভাই দোকানের বেলাল ভাই কে কতো জালাতোন করতাম, তারাও মাঝে মাঝে আমাদের পিছনে লাগতো,এভাবে দিন গুলি পার করতাম,লটারী নাম করে অনেকের পকেট খালি করতাম,অবশেষে আসলো আমাদের কলোনীর কাল প্রলয়ণকরি ১৯৯১ সালের ঘুণিঝড় এই ঝড় আমাদের সব কিছু উলট পালট করে দিল,২৯শে এপ্রিল এর সেই ঝড়ে আমরা কলোনীবাসি একে অপরের সাহায্য এগিয়ে আসলাম, সবাই তখন একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সব কিছুর মোকাবিলা করলাম,তখন আমরা যারা 29 খেলতাম তারা সবাই ভাবলাম এবার কিছুটা ভালো কাজ করি, তাই আগে তাস খেলার বদনাম ঘুচাতে হবে,এই সুযোগ ঘুণিঝড়টা আমাদের সেই সুযোগটা করে দিল ঘুণিঝড়টা হয়েছিল এপ্রিল মাসের 29 তারিখে এটাতো সবারই জানা আছে,সবাই মোটামুটি ঘুণিঝড়ের ধকল কাটিয়ে উঠতাছে,আমাদের গ্রুপের নাম ছিল 29 গ্রুপ আমরা সকলে মিলে তা এপ্রিল 29 নাম দিলাম,আগে এপ্রিল নাম দিয়ে পিছনে গ্রুপ টা বাদ দিলাম,এই হলো আমাদের এপ্রিল 29 ,, তারপরের ইতিহাস তো সবারই জানা যা কেউ কোনদিন করে দেখাতে পারে নাই তা আমরা করে দেখিয়েছি এই এপ্রিল 29,,সালাম এপ্রিল 29 এর সকলকে আমার তরফ থেকে,,,,,

গতকাল বিকালে চাচাকে দেখতে যাবো


গতকাল বিকালে চাচাকে দেখতে যাবো। বন্যা কে কথা দিয়েছিলাম। রিপনের সাথেও কথা হয়েছিলো, একসাথে দুইজন যাবো। বনানি থেকে মগবাজার রাস্তাটা এতটাই জ্যাম ছিলো, যেতে ইচ্ছা করছিলো না। যা হোক গেলাম। ছোট্ট একটা কেক নিলাম, নুজাইমার জন্য। 

অনেক বছর পর চাচার সাথে দেখা হলো। এখন বয়স হয়েছে, চাচার সেই শরীরটাও নেই। হাতে, চলা ফেরার জন্য লাঠি।

অনেক কথা হলো চাচার সাথে। বাবার কথা জিজ্ঞাসা করলো। এক পর্যায়ে বাবার সাথে, মোবাইলে কথা বলিয়ে দিলাম। খুব খুশি হলো দুজনেই।

চা এর টেবিলে, বন্যা বললো, আব্বা, রেজা ভাই আপনের জন্য কেক আনছে। ছোট বাচ্চার মত চাচা, নুজাইমাকে সাথে নিয়ে কেকটি কাটলো। এবং নিজে খেলো। আমি বসে বসে ভাবছিলাম, মানুষ একটি সময় সত্যি শিশু হয়ে যায়!!!!

হাত বদল


কলোনি তে একটা বিষয় লক্ষ্য করার মত ছিল।সেটা হল কারো বাসায় একটা ম্যাগাজিন কিনল,সেটা হাত ঘুরে ঘুরে অনেকের বাসায় চলে যেত।একই ঘটনা ঘটত অডিও ক্যাসেট এবং গল্পের বইয়ের বেলায়।একবার অন্যের কাছে গেলে সেটা ফেরত পাওয়া সোজা ছিল না।তেমন একটা ঘটনা,১৯৯৮ সাল।ঈদের পর পর।আমি ঈদের বেশ কিছুদিন পর বাসায় আসলাম। আমার বোনদের কাছে খবর পেলাম মৌ এর একটা ম্যাগাজিন আনা হয়েছে বাসায়।সেটা যখন দেখতে চাইলাম শুনলাম অপু ভাই নাকি দেখতে নিয়ে গেছেন। 

অপু ভাইদের বাসা থেকে সেটা চলে গেল সেকান্দার ভাইদের বাসায়,মানে মিনু আপাদের বাসায়।মিনু আপাদের বাসা থেকে ম্যাগাজিন নিয়ে ফিরছি, সিড়িতে রিনা আপার আম্মার সাথে দেখা।উনি আমার হাতে ম্যাগাজিন টা দেখে বললেন, "জনি, শুনছ, মৌ এর ত বিয়ে হয়ে গেছে।ঢাকায় আমাদের যারা পরিচিত তারা নাকি বিয়েও খায়ছে" আমি খালাম্মার কথা শুনে বললাম,"না ত খালাম্মা, জানিনা" এর কিছুদিন পর কলোনি থেকে চলে এলাম।

আমাদের কলোনিতে প্রায় বড় বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন হতো সেখানে আনেক বড় বড় প্লেয়ার খেলত


আমাদের কলোনিতে প্রায় বড় বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন হতো সেখানে আনেক বড় বড় প্লেয়ার খেলত।সি এস এম মাঠে খেলা অনেক প্লেয়ার পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয় দলেও খেলছে যেমন:জাফর ভাই । সি এস এম কলোনিতে অনেক গুলো ক্লাব ও ছিল যেমন: উদয়ন ক্লাব, মুন ষ্টার ক্লাব, বিজলি ক্লাব,এপ্রিল 29 ক্লাব (আচ্ছা এপ্রিল 29 কি ক্লাব ছিল না কি সংগঠন ছিল? যেহেতু এটি 91সালের 29 এপ্রিল এর ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় কে স্মরণে সৃষ্টি ।যাক উক্ত ক্লাবের সদস্যরা এটি ঠিক করে দিবেন।)এছাড়া আর কি কি ক্লাব ছিল?

বি টাইপের বাবু ভাই


বি টাইপের বাবু ভাই ।উনি খেলাধুলার প্রতি খুব আগ্রহ ছিল।বাবু ভাই ২৯ গ্রুপ পহ্মে ফুটবল খেলত।উনার শরীর একটুুুু ভারী থাকায় বাবুু ভাই সবসময় হাফটাইমের পরে মাঠে নামত।বাবু ভাই আমার বিপক্ষে খেললে,খেলার মাঝে বাবু ভাই বল নিয়ে দৌড়ানোর সময় আমি বাবু ভাই কে ধাককা দিতাম।বাবুভাই রেগে গিয়ে আমাকে ফাউল করত ।রেফারি বাবু ভাইকে কাড দেখাত। এইসব স্থৃতি প্রায়ই আমার মনে হয়।

Abdullah Al Mamun অপু ভাই, কলোনি তে অপু নামের আধিক্যের কারনে, যাকে আমরা চশমা অপু ভাই নামেই ডাকতাম


Abdullah Al Mamun অপু ভাই, কলোনি তে অপু নামের আধিক্যের কারনে, যাকে আমরা চশমা অপু ভাই নামেই ডাকতাম। কলোনি তে আসার পর উনার সাথে আমার প্রথম পরিচয় সিটাইপ মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে। চশমা পরে কাউকে ফুটবল খেলতে আমার জীবনে প্রথম আমি উনাকেই দেখেছিলাম। সেদিন আমি ছিলাম উনার দলের গোলকিপার, পরপর তিন চার টা গোল খাওয়ার পর আমার প্রতি উনার প্রথম সংলাপ ছিলো "চিন্তা করিস না তোরে আমি প্লাষ্টিক ম্যান বানামু" উল্লেখ্য তখন বিটিভি তে প্লাস্টিক ম্যান নামে জনপ্রিয় একটি টিভি সিরিয়াল দেখাতো। সেই থেকে উনার সাথে সম্পর্ক। উনার আব্বা সিদ্দিক চাচা অনেক দিন আমার আব্বার সরাসরি বস ছিলেন। আব্বার কাছে শুনেছি আমাদের কলোনি তে বাসা পাওয়ার ব্যাপারে চাচার অবদান ছিলো।

অপু ভাই আমার সিনিয়র হওয়া স্বত্তেও উনার সাথে কিছু কিছু ব্যাপারে আমার খুব মজার সম্পর্ক ছিলো, উনার কাছ থেকে টাকা নিয়ে সিনেমা দেখা, উনার কাছে পড়া যেগুলো আমি আগে কিছু পোস্টে উল্লেখ করেছি। এছাড়াও আমার অনেক ব্যাক্তিগত ব্যাপারেও উনার সাথে শেয়ার করতাম। খুব বিনয়ের সাথে বলছি, কিছু দিন আগে উনি গ্রান্ড আড্ডার প্রসংগক্রমে আমাকে বলেছিলেন কলোনি তে যে কয়েকজন মানুষ উনার পছন্দের, তার মধ্যে নাকি আমিও আছি। যে কোন জটিল পরিস্থিতি উনি উনার স্বভাব সুলভ কথার দ্বারা সহজ করে ফেলতেন।

বাজারের গেইট ধরে কলোনি তে ঢুকলেই দুপাশে বিল্ডিং


বাজারের গেইট ধরে কলোনি তে ঢুকলেই দুপাশে বিল্ডিং। আরেকটু সামনে গেলে দেয়াল ঘেরা একটা বিল্ডিং। তার বিপরীতে সোনালী, অগ্রণী, জনতা ব্যাংক।দেয়াল ঘেরা বিল্ডিং টির সাথে জেক্স নামের একটি দোকান।এখানে মানুষ আড্ডা দেয়,চা, সিগারেট খায়।পপুলার একটা জায়গা। রাস্তা বরাবর বিরাট জায়গা জুড়ে একটা পানির ট্যাংকি। নিচে লোহার বিশাল বিশাল পাইপ।পাইপের উপর বসে ছেলেরা আড্ডা দেয়,এদিক ওদিক তাকায়।

ট্যাংকি র দক্ষিণ দিকে চলে গেলে রাস্তা বরাবর ডানপাশে C type এর বিল্ডিং এবং এর সামনে মাঠ।মাঠে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলে।শুকনো ড্রেনের উপর বসে সিনিয়র ভাইয়েরা আড্ডা দেন।কোন কোন বিল্ডিং এর সামনে মেয়েরা হাটতে বের হয়।এমন সময় বাইক নিয়ে আসেন সানগ্লাস পড়া এক ভদ্রলোক। তিনি এসে ড্রেনের উপর বসা ছেলেগুলাকে ধমক দেন।ছেলেগুলো উঠে যায় সেখান থেকে,ভদ্রতার খাতিরে কিছু বলেনা কিন্তু পেছনে গিয়ে ঠিকই ওই ভদ্রলোক এর চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করেন

সবাই লিখতাছে আমি জানি আমার লিখা লাইন বেলাই নাই তাও মনে ঝোঁকে লিখতে বসে গেলাম


সবাই লিখতাছে আমি জানি আমার লিখা লাইন বেলাই নাই তাও মনে ঝোঁকে লিখতে বসে গেলাম, কারণ আমরা তো আমরাই,চিটাগাং যাবো না যাবো এই টেনশন ছিল অনেক দিন আমাদের 29গ্রুপ এর বিভিন্ন সদস্য কেউ ঢাকা কেউ চিটাগাং কেউ কেউ বিভিন্ন জোলায়, ফোনে সবার সাথে যোগাযোগ হয় মাঝে মাঝে কারো সাথে কচিৎ দেখাও হয়,আডডা ঘোষনা হওয়ার পর থেকে আমি মোটামুটি সবার সাথে ফোনে যোগাযোগ রাখতাম এই ব্যাপারে,মাছুম, জুয়েল,লিটন,বুড়া মিয়া,রিমন,মরা রাশেদ,জিমি রাশেদ,দুলি,ইউনুস,তপু,ভুতের ডিম,আর আতিক তো আছে,কে যাবে কে যাবে না এই সব আলাপ হত সবচেয়ে বেশি,লিটন পা ভেঙে বিছানা অনেক দিন, সবচেয়ে বেশি কথা হতো লিটন এর সাথে তার পা এর খবর নিতে পা ভালো তো লিটন যাবো, মোটামুটি সবাই যাবে,আডডা সময় ঘনিয়ে আসার কিছুূদিন আগে লিটন কে বলি তুই না গেলে আমিও যাবোনা,লিটন আবার এটা আতিককে বলে দেয়,আতিক আমাকে ফোন করে বলে তোকে যেতে হবে তোর সব খরচ আমার তখন আমি আতিক কে বলি এটা খরচ এর ব্যাপার না, আতিক কোন কথা শুনতে রাজি না,আতিক আমার কুপন নিয়ে আমাকে ফোন করে বলে তোর কুপন নেয়া হয়েছে তুই কি ভাবে যাবি জানা একসাথে যাবি না একলা যাবি আমাকে জানা, আমি আতিককে বলি আমি একলা যাবো রাতে যাবো সকালে পোছবো,লিটন এর পা ভালো হয় নি সে এই পা নিয়ে যেতে পারবে না, জুয়েলও যাবে না, আগের দিন রাতে মাছুম কে ফোন দিলাম মাছুম ব্যাবসার কাজে ঢাকার বাহিরে মনটা খারাপ হয়ে গেলো,২৮তারিখ রাতে কল্যাণপুর থেকে গাড়িতে উঠলাম আর সারারাত চিন্তা করতে করতে গেলাম কার সাথে দেখা হবে কেমন অনূভুতি হবে গাড়িতে রাতে এক ফোটাও ঘুম হয়নি,রাতে জিমি রাশেদ কয়েক বার ফোন দিয়ে বলছে সকালে যেন সোজা তার বাসায় হাজির হই তারপর দুজনে একসাথে ভ্যেনু তে যাবে,যাক অবশেষে সকাল ৬টায় আমার জন্মভুমিতে নেমে একটা সি এন জি নিয়ে সোজা গেইটে হাজির গেইটে ডুকার মুখে দেখি রাজিব ফ্রেস হতে বাসায় যাচেছ,জানতে চাইলাম ভিতরে কে কে আছে রাজিব বলে মাসুক ভাই আছে,ভিতরে ঢুকতাছি আর মনটা পুলকিত অনুভব করতাসি আরে এটা তো পুরা আমাদের কলোনী, হাটতে হাটতে সোজা চুলার কাছে দেখি মাসুক ভাই রান্নার তদকারি করছে, আমাকে দেখে সোজা বুকে নিয়ে যতারীতি কোলাকুলি তারপর সব খবরাখবর জানলো,নিজে এসে ওয়াশ রুম দেখিয়ে দিল,ওয়াশ রুম থেকে বাহির হয়ে একলা একলা ঘুরাঘুরি করতে দেখি আস্তে আস্তে একজন একজন করে পরিচিত মুখ ঢুকতাসে আমি তো সোজা গেইটের সামনে ১১টা পযন্ত, কিন্তু আমাদের 29গ্রপ এর কেউ এসে পৌয়াছনি,একমাএ ছোটকালে খেলার সাথী আানু সবসময় আমর পাশেই ছিল,১১পর থেকে পুরা কলোনী জমজমাট হয়ে গেলো এতো মানুষ, সবচেয়ে মজার লাগলো ডালিম কে দেখে দেখি হুজুর ডালিম বাশিঁ নিয়ে পুরা কলোনী ঘুরতাছে, সময় কি ভাবে কেটে যাচেছ রোর পেলাম বিকালে আবার রাতে ঢাকায় ফিরবো তাই মরা রাশেদ কে নিয়ে টিকেট নিয়া আসলাম তারপর আর,,,,, ,,,,,

গ্রান্ড আড্ডা পর্ব-১


ছাত্রী পড়াতে পড়াতে এক ফাকে ভাবলাম যে গ্রান্ড আড্ডা নিয়ে পোস্ট দেই।মোটামুটি সবাই আড্ডা নিয়ে পোস্ট দিয়ে ফেলেছেন।কিন্তু আমি আগেই ভেবে রেখেছিলাম যে আমি ২৯ ফ্রেব্রুয়ারি পোস্টটি দিব।আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করি।আশা করি কেউ বিরক্ত হবেন না।

যে কোনো অনুষ্ঠান হওয়ার পাচদিন আগে থেকেই আমার মাথায় ঘুরতে থাকে যে অনুষ্ঠানে কি পড়বো না পড়বো।গ্রান্ড আড্ডার একমাস আগে থেকেই বোনের সাথে জামাকাপড় কি পড়বো তা ঠিক করলাম।মহা উৎসাহে নতুন কাপড় চোপড় বানালাম।এরপর একদিন শুনি ট্রেনের টিকেটও হয়ে গেছে।নেত্রকোনা থেকে ঊর্মি খালামণি চলে আসলো, ছোট খালাও যাওয়ার আগে রাতে বাসায় এসে পড়লো।হাসাহাসি-হৈ হুল্লোড় চলছেই।সবাই খুব উত্তেজিত চিটাগাং যাব, আড্ডায় যাব। পরের দিন সকালে মানে ২৮ জানুয়ারি সকালে ঘুম থেকে উঠেই রওনা দিলাম।প্রতি সেকেন্ডে উত্তেজনা বাড়ছিল।শেষ পর‍্যন্ত গিয়ে উঠলাম ট্রেনে।কিছুক্ষণের মধ্যে ট্রেন ছেড়ে দিল।

কলোনির একটি বর্ননামূলক মানচিত্র (BH-1)



তিন তলা L-Shape বিল্ডিং নাম তার BH-1 মানে হলো Bachelor Hostel-1.একটি মাত্র রুম সাথে বিশাল করিডোর(ব্যাচেলরদের জন্য রুমের তুলনায় করিডোর এত বিশাল কেনো তা আজো আমার নিজের প্রতি প্রশ্নই রয়ে গেলো)।এক পাশে ৬/৭টি মোট ১২/১৩ করে রুম একটি ফ্লোরে,মাঝখানে বড় একটি ডাইনিং হল,যা পরবর্তিতে পার্টিশন দিয়ে দুভাগ করে দুই ফ্যামিলিকে দেওয়া হয়। ও হ্যাঁ আমি যতদুর জানি ব্যাচলর হোস্টেলে একজন দুজন ফ্যামিলি নিয়ে আসতে আসতে ফ্যামিলি হোস্টেল হয়ে গেলো,আমি অবশ্য ছোটকাল থেকে বেশীরভাগ ফ্যামিলিই দেখেছি নিচের তলায় গুটিকয়েক ব্যাচেলর ছাড়া।শুধুমাত্র নিচের ডাইনিং হলটা রেখে দিয়েছিলো,অনেক অফিসিয়াল(যাদের বাসা কলোনির বাহিরে) দুপুর বেলায় আসত খেতে আর বাবুর্চী ছিলো বিখ্যাত মোখলেস ভাই।মাঝে মাঝে আমাদের মা খালাদের অনুরোধে পিকনিক এ মোখলেস ভাই রান্না করে দিত।বিশেষ করে উনার রান্না করা সবজী ছিলো অসাধারণ।

সিড়িগুলো ছিলো দুই পাশে ফাঁকা।নিচে সিড়ির পাশেই ছিলো একটি পরিত্যক্ত পানির ট্যাঙ্কি।বোধ হওয়ার পর থেকে ট্যাঙ্কি টি সেই পরিত্যক্ত অবস্থায়ই ছিলো,শুধুমাত্র ৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ে সামান্য পরিমান সরে গিয়েছিলো।এই ট্যাঙ্কি নিয়ে আমাদের মাঝে নানারকম ভয়াল ধারণা কাজ করত।এই ট্যাঙ্কির আশে পাশে প্রায়ই গুইশাপের বিচরণ ছিলো, আমরা সিড়ি থেকে পাথর মেরে গুইশাপের মনযোগ আকর্শন করতাম।

সিএসএম এর সকল ভাই আর বোনদের বলছি, মানুষ বছরে একবার কোন একটা দিবস পালন করে আর আমরা মাসে আমাদের সটীলারদের মাসিক আডডা দিবস হিসেবে ২৯ তারিখ আডডার দিন রাখলাম


সিএসএম এর সকল ভাই আর বোনদের বলছি, মানুষ বছরে একবার কোন একটা দিবস পালন করে আর আমরা মাসে আমাদের সটীলারদের মাসিক আডডা দিবস হিসেবে ২৯ তারিখ আডডার দিন রাখলাম। বড়ভাইরা,বোনরা কি বলেন আপনারা।আবার ইচছা করে প্রতিদিন আডডার দিন রাখি।আমার যদি অলৌকিক কোন Power থাকতো আমি আবার কলোনীতে আমাদের সিএসএম বাসীদের নিয়ে আসতে পারতাম।আবার চালু করতাম সটীলমিলস্ সব চাচারা আসতো আবার চাকরীতে জোগ দিত।এগুলা আসলে বলে শানতনা পাওয়া।গতমাসের আডডা কে খুব মিস করছি।আমার আজ কতদিন জাবত কিছু বনধুবানধব আর একটা আপুকে খুব মনে পড়ছে।

সুমি আপু এখন আমেরিকায় থাকে।আমার মনে আছে কোথাও বেড়াতে গেলে বা আমরা পিকনিক করতাম জে সুমি আপা আমাকে সাজাই দিত।উনার অনেক রকমের কসমেটিক্ থাকতো জা দিয়ে খুব সুন্দর করে সাজাতো।সারিতার আমমা তো আমাদের চুল কেটে দিত খুব সুন্দর করে।এগুলা কিছুই ভুলার নয়।

কলোনি র কাল্পনিক চিত্র ৩


কোন এক দুপুর বেলা।D type এর কোন এক বিল্ডিং এর দোতলার এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিসি আর এনেছেন।হিন্দি সিনেমা দেখবেন বলে।অবশ্যই তার প্রিয় নায়িকা শ্রীদেবীর। হয়ত ক্লাসিক চাঁদনী অথবা নাগিনা।এজন্য তিনি বিল্ডিং এর সব ছেলেমেয়েকে ডেকে পাঠালেন।সবাই ছুটে এল।তখন স্যাটেলাইট এর যুগ আসেনি। তাই কারো বাসায় ভিসি আর আনলে মোটামুটি ছোটখাটো হলের মত অবস্থা।

সেদিন বিকেলে ওই বিল্ডিং এর ছেলেমেয়েগুলো খেলতে নামেনা।বিল্ডিং এর সামনের মাঠটা অলস পড়ে থাকে।ভদ্রলোক এর বড় মেয়ের মন খারাপ।সে সিনেমা দেখতে আসেনা।জানালা দিয়ে উদাস হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে।সিনেমা শেষ হতে হতে সন্ধ্যাবেলা হয়ে যায়।আযান দেয়।সবাই যার যার বাসায় ফিরে যায়।হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খেয়ে পড়তে বসে।

আমাদের গ্রান্ড আড্ডার "শুভ মাস পূর্তি দিবস" এ সবাইকে শুভেচ্ছা


আমাদের গ্রান্ড আড্ডার "শুভ মাস পূর্তি দিবস" এ সবাইকে শুভেচ্ছা। আজ এই দিবসে কিছু সময় পেলেও একান্ত নিজের মতো করে হারিয়ে যান সেই দিনটিতে। ভাবতে থাকুন এই সময়ে (যে সময়ে আপনি ভাবছেন) আপনি কি করছিলেন। ক্ষনিকের জন্য হলেও মনকে আন্দোলিত করে যাবে স্মৃতিগুলো।। সেই পরিচিত মানুষগুলোর মধ্যে ডুবে যান কিছুক্ষনের জন্য (বাট ইফ ইউ হেভ টাইম)।।।।
শুভেচ্ছা রইলো সেদিন অংশগ্রহন করা প্রতিজনকে।।।।।

"গ্র্যান্ড আড্ডার" আজ এক মাস পূর্ণ হল


"গ্র্যান্ড আড্ডার" আজ এক মাস পূর্ণ হল।সবাই স্মৃতিচারন নিয়ে ব্যস্থ।এ কথা সত্য যে সুজনের পরিসংখ্যানটা প্রকাশিত হওয়ার পর CSM এর লেখকদের লেখার মাত্রা পূর্বের চেয়ে বেড়ে গেছে।এটা অবশ্যই শুভ লক্ষণ।এজন্য সুজন ধন্যবাদ পাওয়ার দাবী রাখে।

পারিবারিক একটা ঝামেলায় ছিলাম বলে আড্ডায় এটেন্ট করতে পারব বলে ভাবিনি।এজন্য আড্ডা নিয়ে আগ্রহ থাকলে ও ছিলাম নিরুত্তাপ।এদিকে বাচ্চারা শোনার পর থেকে যাওয়ার জন্য অস্থির,বিশেষ করে সে কারণেই আমার বউ (ফরিদা ৯৬ ব্যাচ) আমাকে না জানিয়ে আড্ডার কুপন সংগ্রহ করে।তাদের মধ্যে আড্ডা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্লেুন প্রোগ্রাম ও চলছে।আড্ডায় যাচ্চি না কিন্তুু কোনদিন কোথায় কি হচ্চে সবই খবর রাখছি ফেবুর সুবাদে।এর মধ্য বউ দু একবার নক করেছে আড্ডায় যাওয়া নিয়ে।অবশেষে তাকে আশ্বস্থ করলাম-দেখা যাক,সময় আসুক, এই বলে।

Sunday, February 28, 2016

যারা কলোনীতে ২০০০ এর পরের সাল গুলোতে ছিলেন না তারা অনেকেই হয়তো জানেন না আস্তে আস্তে আমাদের পুরো কলোনীই জঙ্গলে পরিনত হয়েছিল


যারা কলোনীতে ২০০০ এর পরের সাল গুলোতে ছিলেন না তারা অনেকেই হয়তো জানেন না আস্তে আস্তে আমাদের পুরো কলোনীই জঙ্গলে পরিনত হয়েছিল । বেশির ভাগ বিল্ডিং এরই নীচতলাগুলো খালি পড়ে থাকতো । ই টাইপ,এফ টাইপ আর সি টাইপের অনেক বিল্ডিং পরিত্যাক্ত হয়ে গিয়েছিল । এসময় কলোনীতে সাপ আর ইঁদুরের উৎপাত ছিল বেশি । আমরা থাকতাম D-4-F এ । ৩তলার উপর ও বিশাল সাইজের ইঁদুর থাকতো আর এগুলোকে মারতে আব্বু আম্মু আর ভাইয়া বেশ পরিশ্রম করতো ।

যাই হোক,আমি তখন কোন ক্লাশে পড়ি মনে নাই । শুক্রবার,আমি ভাইয়া আর আম্মু বসে বসে আলিফ লায়লা দেখছিলাম । আম্মু উঠে ওয়াশরুমে গেল । হঠাৎ ভাইয়াকে ডাক দিলো ওয়াশরুমের দরজার ওপাশ থেকে, বললো ভাইয়ার ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প গুলো থেকে একটা দিতে । ভাইয়া বুঝতে পারলো, পরে আম্মু বের হলো আর ভাইয়া ওর জীবনে প্রথমবার একটা সাপ মারলো স্ট্যাম্প দিয়ে colonthree emoticon

গেল মাসের এই সময়ে আমরা ছিলাম grand আড্ডার ভেনুতে


গেল মাসের এই সময়ে আমরা ছিলাম grand আড্ডার ভেনুতে। কিভাবে মাস পুরা হয়ে গেল। আমরা হয়ত এই সময় চা খেতে গিয়েছিলাম পাশের চায়ের দোকানে। ড্রাই কেক চায়ে ডুবিয়ে, জিবনেও খাইনি,সেদিন খেলাম।আরো কত ছোট খাটো বিষয় আছে সেগুলোকে একসাথে করে লিখতে পারলে ভাল হত।

সবাই যেভাবে লিখছে তাতে পেইজটা বেশ জমেছে। আগে তীর্থেরকাকের মত অপেক্ষা করতাম কখন আতিক,জাভেদ বা রেজাভাইয়ের একটা লেখা আসবে,পড়বো। এখন বেশ উৎসব উৎসব ভাব এসেছে। কিছুক্ষন না ঢুকলে পরে এসে দেখি বেশ লেখা জমেছে। জাভেদ বদ আবার এমন একটা লেখা দিসে যাতে আমি কোনোভাবেই অংশগ্রহণ করতে পারবোনা।স্টিল মিলের ম্যাপ। আমার দৌড় ছিল মাসুক ভাইদের বাসা অব্দি,তাও রাস্তাটা মনে নেই কোন দিক দিয়ে যেতাম।তাম্বুরার এই লেখার মাঝে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। 

আতিক আবার আতিক্কা ছড়া শুরু করেছে,জানিনা সে আতিক্কা কি লিখে বসবে। পীর সাহেব ছুটিতে আছেন।লেখেন না।অপু নাকি সময় পায়না,আজ সেও তিনটা লেখা দিয়েছে। জনিও বেশ রেগুলার হয়েছে। মুনতাহার চলা বেশ দ্রুত হয়েছে। ভালই,গুড়াগুলা শুদ্ধা উঠে পড়ে লেগেছে। আমাদের অবসরে যাবার সময় হল বোধ হয়। সবাই লিখবে আর আমি খালি আরাম করে পান চিবাতে চিবাতে পড়বো।

পরিসংখ্যানবিদ সুজনের হিসাব অনুযায়ী ২০ শে আগষ্ট ২০১৫ থেকে ৭ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমার নাকি পোষ্ট ছিলো চারটা


পরিসংখ্যানবিদ সুজনের হিসাব অনুযায়ী ২০ শে আগষ্ট ২০১৫ থেকে ৭ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমার নাকি পোষ্ট ছিলো চারটা। যদিও আমার সাথে কিঞ্চিৎ পার্থক্য আছে। আর যেহেতু পরিসংখ্যান আড্ডার পরে প্রকাশ হয়েছে। তাই আমিও লেখার একটা বিষয় পেয়ে গেলাম। তাই আড্ডা নিয়ে না আমাকে যে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সে বিষয় নিয়ে কয়েকটি পোষ্ট দিলাম। কে পড়লো কি পড়লো না সেই চিন্তা না করেই পোষ্টগুলো দিলাম। অনেকে ভাবতে লাগলো আমার লেখায় কোন কোয়ালিটি নাই। আমি নাকি কোয়ানটিটি বাড়ানোর জন্য লিখছি। 

আমিও স্বীকার করি আমার লেখার মধ্যে কোন কোয়ালিটি নাই। কলনিতে বলার মতো কোন কাহিনি ছিলো না। কথা গুছিয়ে বলতে পারি না। মাথায় ও কিছু নাই যে গুছিয়ে লেখবো। সব এলোমেলো লেখা। মন চাইছে তাই লিখছি এই টাইপের। তবে মাথায় যদি কিছু না থাকে তাহলে এলোমেলো ভাবে বেশিদুর যাওয়া যায় না। আমিও বেশিদুর যেতে পারবো না। আর না গেলে মন্দ হবে না কারন প্রতিদিন এতো বেশি পোষ্ট সবাই সবগুলো ভাল করে পড়া হয় না। অন্তত একটা পোষ্ট হলেও কমবে। আমি সুন্দর কমেন্টস ও করতে পারি না। আমি কোন কমেন্টস করলাম হয়তো আমার কাছে মনে হয়েছে কমেন্টসটি ফান কিন্তু আরেকজনের কাছে ফান নাও হতে পারে। কোন না কোন কমেন্টসে কেউ কেউ বিরাগভাজন হয়। আমার লেখায় ও কমেন্টসে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি দুঃখিত।

বড় হয়ে কি হবে?


ছোটবেলায় একটা ম্যাগাজিনে পড়ছিলাম, অভিনয়শিল্পী রা বড় হয়ে কে কি হতে চায়? সেখানে কেউ বলছিলেন, যেমন - শমী কায়সার বাবার মত হতে চান, হুমায়ুন ফরিদি বাবুর্চি হতে চান, আজিজুল হাকিম হোন্ডা হতে চেয়েছিলেন আর মডেল মৌ চেয়েছিলেন আজীবন কিশোরী থেকে যেতে অর্থাৎ বয়স যেন না বাড়ে।তখন তার এই ইচ্ছার কথা শুনে হাসি পেয়েছিল।

Csm colony পেজ টাতে যখন ঢুকি তখন বিভিন্ন ভাই বোনদের লিখা পড়ার সময় উনাদেরকে বর্তমান বয়সে ভাবতে পারিনা।মনে হয় কলোনি ছেড়ে আসার সময় উনাদেরকে যে বয়সে দেখে এসেছিলাম এখনো সেরকম ঈ আছেন।এমনকি আমার সমবয়সী যারা ছিল তাদেরকেও।কেন যে এমন মনে হয় জানি না,তবে সবার বয়স এক জায়গায় দাড়িয়ে আছে এটা ভাবতে ভালই লাগে

কলোনি র কাল্পনিক চিত্র ২


একটা L সাইজের বিল্ডিং। এটা হল স্কুল।স্কুলের সামনে বিরাট মাঠ।এক পাশে দাড়িয়ে আছে মঞ্চ।স্কুল এর চারদিকে টিনের ঘেরা দেয়া।পেছনে কবর স্থান।তার পেছনে খাল পাড়।পাশে মসজিদ। মসজিদের সামনে BH 1 নামে একটা L সাইজের বিল্ডিং। স্কুলের গেইট পেরোলেই ছাত্তার স্টোর নামে একটি দোকান।তার পাশে পানি সাপ্লাই এর অফিস।সেখানে বসে ইউনুস ভাই নামে এক শ্যামলা ছেলে দোকানদারি করেন।

স্কুল ছুটি হলে মেয়েরা বের হয় দুপুর ১ টার দিকে।এসময় কিছু কলেজ এবং ভার্সিটি পড়ুয়া ছেলে ইউনুস ভাইয়ের দোকানের সামনে দাড়িয়ে থাকে।কিছু কিছু মেয়ে চোরা চোখে তাকায় ছেলেগুলোর দিকে,কেউবা নিজের সৌন্দর্য জাহির করার চেষ্টায়য় থাকে,কেউবা মাটির দিকে তাকিয়ে বাসায় চলে যায়।তবে কিছু অভিভাবক দের ধারনা ভাল ছেলেরা এ জায়গাটা তে দাড়ায় না। কিন্তু সব ছেলেকে ত একই দোষে দোষী করা যায় না।এমনো ত হতে পারে স্কুলের দিকে তাকালে কিছু ছেলের তাদের স্কুল জীবনের কথা মনে করে বুকের ভেতর থেকে কিছু ছোট বড় দীর্ঘশ্বাস বেড়িয়ে আসে কিংবা এক ধরনের কষ্ট কষ্ট সুখ পায় তারা

আগে আমাদের এই পেজে কোন একটা পোস্ট কেউ করলে সেটার উপর সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়তো


রিপন ভাই Ripon Akhtaruzzaman আর আমাদের সওগাত ভাই নাকি একবার চা দিয়ে কে কয়টা পরোটা খেতে পারে সেটার বেট ধরেছিলেন। খুব সম্ভবত মহসীন কলেজেই বন্ধুদের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা হয়েছিল। রিপন ভাই যেখানে চা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৮ টা পরোটা খেয়েছেন সেখানে নাকি সওগাত ভাই ২২ টা খেয়ে ফার্স্ট হয়েছিলেন।

রিপন ভাই ১৮ টা খেয়েও হজম করতে না পেড়ে অস্থিরতার কারনে মুখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে বমি করে অবশেষে কম্ফর্টেবল ফিল করেছেন।

আগে আমাদের এই পেজে কোন একটা পোস্ট কেউ করলে সেটার উপর সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়তো। তার মানে লাইক আর কমেন্টের সিডর, নার্গিস কিংবা ক্যাটরিনায় ভেসে যেত। এক এক পোস্টে ১৫০/২০০ লাইক পড়লে তার সাথে পাল্লা দিয়ে কমেন্টও করতো প্রায় ১০০ এর উপরে। সেসব কমেন্টের আবার সাব কমেন্ট মানে রিপ্লাইও থাকতো প্রচুর।

ক্লাস নাইনে উঠার আগে কলনি থেকে খুব একটা বের হতাম না


ক্লাস নাইনে উঠার আগে কলনি থেকে খুব একটা বের হতাম না। বড়জোর বাজার কিংবা হাউজিং কলনি। অর্থাৎ পতেঙ্গা এরিয়ার মধ্যে থাকতাম। নাইনে উঠার পর থেকে নিজেকে একটু বড় বড় ভাবা শুরু হয়ে গেছে। তখন পতেঙ্গা এরিয়া আর ভাল লাগেনা। ঈদ আসলে রমজান মাসে ষ্টীল মিল থেকে মার্কেটে বাস দিতো শপিং করার জন্য। মাঝে মাঝে কোন কাজ ছাড়াই বাসে উঠে মার্কেট থেকে ঘুরে আসতাম বন্ধুদের নিয়ে। আর ঈদ আসলে অসম্ভব খুশি লাগতো। কারন ঈদের দিন কিংবা পরের দুইদিন কোন বাধা ধরা নিয়ম ছিলনা। ইচ্ছে মত ঘুরতে পারতাম। বাসায় বাসায় গিয়ে সালাম করতাম।

ঈদ আসলে আরেকটা ব্যাপারে খুশি হতাম হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে পরবো বলে। একবার এক ঈদে নামাজ পড়ার পর আমরা কয়েকজন সিনেমা দেখার উদ্দেশ্যে বের হলাম। ১২টা-৩টার শো দেখবো ( বিকালে দল বেঁধে বাসায বাসায় যেতে হবে তাই এই টাইমটা বেছে নিলাম)। ষ্টীল মিল বাজারে আসলাম বাসের জন্য। গন্তব্য সাগরিকা সিনেমা হল। কারন ঈদে তিনটা নতুন সিনেমা রিলিজ হইছে। একটা সাগরিকা, একটা সানাই, আরেকটা বনানীতে। তিনটার মধ্যে সাগরিকার টাই সুন্দর। আমরা ঠিক করলাম আপাতত সাগরিকায় যাবো। যথারীতি বাস আসলো। বাসে উঠেতো চোখ ছানাবড়া। কারন বাসে আগে থেকে বসে আছে আমাদের সকলের প্রিয় মালেক স্যার। উনি আরো বসে আছে পিছনের সিটে। উনাকে দেখেও না দেখার ভান করে বাসের সামনের দিকে এগোতে থাকলাম। উনি ডাক দিলেন আর বললেন বেটা সামনে দাঁড়াইয়া থাকি কি করবি আমার পাশে বস। কি আর করা আমতা আমতা করে বসে পড়লাম। বসার পর পরই উনি জিজ্ঞাসা করলো কই যাস? সিনেমা দেখতে? বললাম না স্যার আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে। উনি বললো আমি সব জানি। এই বয়সটা আমি পার করে আসছি না। উনি ভাড়া দিতে চাইলো। বললাম স্যার আপনারটা সহ আমরা দিয়ে দিই। 

ফেবুতে নিজের প্রোফাইল ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে লিখাটা খুঁজে পেলাম


ফেবুতে নিজের প্রোফাইল ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে লিখাটা খুঁজে পেলাম । লিখাটা ২০১১সালের শেষে/২০১২ সালের শুরুতে লিখা,তখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়তাম । ভাবলাম সবার সাথে শেয়ার করি লিখাটা ।
অনেক বড়,বিরক্ত হলে আমার দোষ নেই tongue emoticon
পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর সম্পর্ক হলো বাবা মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্ক।

আমার বাবা হলেন আমার সবচাইতে প্রিয় কথাসংগী।ছোটবেলা থেকেই বাবা আমাকে এবং আমার ভাইয়াকে অনেক আদর দিয়ে বড় করেছেন।ছোটবেলায় বাবার কাঁধে চড়তাম সবসময়।বাবা বিছানায় বসে থাকলেই গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে গিয়ে বিছানায় উঠে বাবার গলা পেছন থেকে জড়িয়ে ধরতাম।বাবা বুঝে যেতেন আমি কি চাইছি।বাবা তখন আমাকে কাঁধে উঠিয়ে নিতেন আর আমি খুশিতে হাততালি দিতাম।
.
আমার বাবা একজন স্কুল শিক্ষক।বাবার স্কুলেই শিশুশ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছি।আমার সহপাঠীরা সবাই একলাই স্কুলে যেতো।কখনো কারো অভিভাবক তাদেরকে আনা নেয়া করতে যেতোনা।কিন্তু আমি শিশু শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত প্রতিটা দিন আমার বাবার হাত ধরে স্কুলে গিয়েছি। আমার গায়ে রোদের আঁচ না লাগার জন্য বাবা এক হাতে আমার মাথার উপর ছাতা ধরে রাখতেন আর অন্য হাতে আমার একটি হাত ধরে রাখতেন।

কলোনি র কাল্পনিক চিত্র


কলোনি র কাল্পনিক চিত্র- tambourine man ওরফে জাবেদ ভাইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী। 

একটা তিনতলা বিল্ডিং। এর সামনে একটা, পেছনে একটা, ডান পাশে, বাম পাশে আরো কয়েকটা বিল্ডিং। বিল্ডিং এর সামনে কয়েক টা হাস- মুরগির ঘর। পাশে ওয়াসার ট্যাংকি। এর গা ঘেষে ড্রেন।সামনের বিল্ডিং টার সামনে একটা গার্ডের বসার টিনের ঘর আছে। আরো আছে মসজিদ, মসজিদের গা ঘেষে পুকুর।

পুকুর পাড় এর একটু পাশেই কয়েক টা নারকেল গাছ দাড়িয়ে আছে।তার নিচে যুবক বয়সী ছেলেরা আড্ডা দেয়।সিগারেট ফুঁকে। ছেলেগুলোর জন্য কিছু মেয়ে বারান্দায় বসতে পারেনা।তবুও ছেলেগুলোর আড্ডা বন্ধ হয়না।হয়ত নারকেল পাতার শনশনে হাওয়া ছেলেগুলোর মনকে উদাস করে দেয়।

আমরা ছোট বড় সবাই মোটামুটি আড্ডা নিয়ে ব্যাস্ত


আমরা ছোট বড় সবাই মোটামুটি আড্ডা নিয়ে ব্যাস্ত। যে যেভাবে পারছি আড্ডা চালিয়ে যাচ্ছি, কেউ কেউ পুরান পাল্টে নতুন android সেট নিচ্ছে ইজি typing এর জন্য। সবচে প্রশংশার দাবিদার আমাদের ছোট খাট charitable কাজ গুলো। খুব কম সংগঠন আছে যারা তাদের এই সামান্য জমা টাকাটাও কোন সমস্যা পীরিত বন্ধুর জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। সব কিছু মিলিয়ে যে power আমরা আমাদের মধ্যে দেকতে পাচ্ছি, আমি আমাদের বড় ভাইদের( Anisur Rahman Reza, Ziaul Hasan, Jashim Uddin, Nazmul Huda, Reajul Islam Shahin) কাছে request করবো ব্যাপার টা নিয়ে serious কিছু চিন্তা করতে। এতগুলো মানুষের আবেগ ভালবাসা নিয়ে আমরা কেন শুধু FB তে আড্ডা দেয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবো, আমরা আরও অনেক কিছু করতে পারবো। ছোট ভাই Jahed Tipu-র CSM কলোনি re-establishment ও অসম্ভব কিছু না। 

Please think one more, it’s the high time to do something for our next generation. বর্তমান যান্ত্রিকতার যুগে এমন আবেগ, ভালবাসা কোথায় পাব??? এখন পথ চলতে আসলেই অন্য রকম একটা বোধ কাজ করে, আমি আজ একা নই, বিশাল এক CSM পরিবার আছে আমার সাথে। কারন আমি বিশ্বাস করি, "A real friend sees the first tears…… catches the 2nd and stops the third tear…"

প্রতিদিনই অনেক লিখা আসছে, জানি সামনে আরও আসবে, আসতেই হবে


প্রতিদিনই অনেক লিখা আসছে, জানি সামনে আরও আসবে, আসতেই হবে। তাই এইবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা অথবা প্রতিযোগিতা অথবা ইতিবাচক যুদ্ধ যেটাই বলিনা কেন বেশ জমে উঠেছে। প্রতিনিয়ত লেখকদের অবস্থান পরিবর্তন হচ্ছে। সকালে যিনি এগিয়ে থাকেন আবার দেখি দুপুরে তিনি পিছিয়ে গেছেন, আবার দুপুরে যিনি এগিয়ে আছেন রাতে তার অবস্থান দেখি পিছিয়ে গেছে। পরিসংখ্যান করতে গিয়ে এইবার আমাকে কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। কিন্তু আমি অনেক মজা পাচ্ছি সবার এত উৎসাহ দেখে আবার একটু ভয়েও আছি যদি কারো কোন লিখা আবার বাদ পড়ে। ক্ষমা করবেন যদি কোন ভুল হয়। আমি মানুষ, আমার ভুল হবে এটাই স্বাভাবিক। আপনারা আমার প্রাণপ্রিয় ছোট বড় ভাই বোন তাই ক্ষমা করে দিবেন।

খুব খুব, অনেক অনেক বেশি বেশি মিস করছি আমি এবং আমরা সবাই আমাদের প্রথম সারির ৩ জন লেখককে, তারা হলে রাসেল ভাই, মইন ভাই এবং নমি ভাই। উনাদের লিখা পড়েই আমি এবং আমার মত অনেক আনাড়ি লেখক মাঝে মাঝে লিখার দুরসাহস করে। উনারা থাকলে প্রতিযোগিতা আরও বেশি প্রাণবন্ত হত। হয়তো উনারা অনেক ব্যস্ত তারপরও জানি উনারা আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবে, আসতেই হবে, আপনাদের ফিরে আসার প্রতীক্ষায় রইলাম ... ...।

আমার লেখার প্রতি তেমন কোন আগ্রহ নেই


আমার লেখার প্রতি তেমন কোন আগ্রহ নেই।আগ্রহ না থাকার কারনে বলতে হয় মেধার স্বল্পতা, স্বচঞ্চলতা।আমি বলতে পারি নেশা ও পেশাগত কারনে।কিন্ত রেনাজ(তিনজন ব্যক্তি) বলেই যাচ্ছে আড্ডায় লেখ।তাই সাহসী হয়ে উঠলাম। শিশু থেকে কৈশোর পর্যন্ত যাদের স্নেহে, শাসনে বড় হয়ে উঠেছি,তাদের মধ্যে একজন জসিম ভাই /কাকা।২০১৫ সালের নভেম্বর বা ডিসেম্বর মাসে ফেসবুকে সাক্ষাত। অত:পর কল্।স্বাভাবিকভাবেই আদেশ। ২৯ জানুয়ারি তোমার কোনো কাজ থাকবেনা। আমি কল্পনাও করিনি আমি শুনবো আমরা সি,এস,এম কলোনিবাসি একসাথে হবো।আড্ডা হবে ২৯ জানুয়ারি, তোমাকে উপস্থাপনা ও আবৃত্তি করতে হবে। বহুপ্রতীক্ষিত দিন এলো। আনন্দ মিশ্রিত ভয় কাজ করছিল,আনন্দ হচ্ছিল ঝুমুর আপু, একা আপু, রুমি,শাকিল,আংকেল,আংটিদের সাথে দেখা হবে।ভয় হচ্ছিল সঞ্চলনায় কী করবো।বহু উত্তেজনা নিয়ে আড্ডার মঞ্চে উঠলাম। আমার জীবনে প্রথম ব্যতিক্রমী সঞ্চলনা।কঠিন কাজটি সহজ করে দিল বন্যা আপু।টলি ভাই এসে আরও মজা করলেন।অনেক বেশি লিখলাম।শেষে এতটুকু বলি:কিছু স্বপ্নবাজ তরুণের স্বপ্নময় আবেগের ফসল ---আড্ডা। যাঁরা এখনও স্বপ্ন বিলি করে ফিরছে ----প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।

আমি আসলামকে নিয়েই একটু লিখছি


সবাইকে গ্রান্ড আড্ডা নিয়ে লিখতে বলছে আসলাম।

আমি আসলামকে নিয়েই একটু লিখছি।

আমাদের প্রোগ্রামের ২ দিন আগে আসলামের এক কান্ড দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আসলাম আমাকে ফোনে জানালো মা'কে (আসলামের মা) ঢাকায় ভর্তি করিয়েছে। অপারেশন করতে হতে পারে, খুব্বি খারাপ অবস্থা। আমি আসলাম আর মিতু ভাইকে রিমুর নম্বর দিলাম যদি কোনভাবে হেল্প করতে পারে!!.

আমি, আমার ছোট ভাই, শায়লার স্বপরিবার, রাজিব আর মোটা বাবু ভাই ২৭ তারিখ রাতে আতিক ভাই এর ব্যবস্থাপনায় চিটাগাং যাব বলে প্রস্তুতি নিলাম। মা কেমন আছে জানার জন্য দুপুরে আসলামকে কল করলাম। হালার কথা হুইনা আমিতো চাঙ্গে উইঠা গেলাম। আমারে কইলো কি, "দোস্ত আমি আজই চিটাগাং যাইতাছি গ্রান্ড আড্ডার অনেক কাজ রইয়া গেছে।" মার কি করলি? আমাকে বললো মিতু ভাইয়ের দায়িত্বে রাইখাইছি। দেখি কি করা যায়। 
আসলেই অবাক হয়েছিলাম ওর কথা শুনে। মা অসুস্থ আর শালা যাচ্ছে গ্রান্ড আড্ডায় বিটলামী করতে। মা'ও নাকি প্রোগ্রামে এটেন্ড করার জন্য ভীষন ইচ্ছুক ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যদিও থাকতেই পারলেন না।

একটা পিঁপড়া একটা বেড়ে উঠা ঘাসের ডগা বেয়ে উঠছে আর নামছে


একটা পিঁপড়া একটা বেড়ে উঠা ঘাসের ডগা বেয়ে উঠছে আর নামছে। সকালে বৃষ্টি হয়েছে, মাটি ভেজা ভেজা। আকাশ এখনো মেঘলা। ঠাণ্ডা ভেজা বাতাস বইছে থেমে থেমে। মাঠের কোনে একটা উঁচু জায়গা। কোন এক কালে হয়তো গার্বেজ ফেলা হয়েছিলো এখানে। কালের কামড়ে জমে পাথর হয়ে গেছে জায়গাটা। ঘাস গজিয়েছে, লতাগুল্মে ঢেকেছে অনেকটা তবু চুড়াটা এখনো ন্যাড়া। ছেলেপেলেরা এই চুড়ায় বসে আড্ডা জমায়। হাতের ডানে বড় একটা মাঠ, খুব বড় নয় যদিও তবু নাম "বড় মাঠ"। চুড়া থেকে নেমে একটা রাস্তা সোজা চলে গেছে আরেকটু বড় রাস্তায়। রাস্তাটা যেখানে বড় রাস্তায় মিলেছে সেখানে একটা ছোট দোকান। টিনের টংঘরের মত। নুরুচ্ছাফা সাহেব ডিউটি শেষে দোকানে বসেন অনেক রাত পর্যন্ত বিকিকিনি করে ঝাঁপ নামিয়ে বাসায় যান।

ক্রমশ......
(আমি কলোনির একটি বর্ননামুলক মানচিত্র তৈরির চেষ্টা করছি। শুরুটা আমি করলাম। আমি চাই সবাই যার যার মত অংশগ্রহন করুক। লেখাগুলো বর্ননামুলক হওয়া জরুরী। কলোনির আইডেন্টিক্যাল, আইকনিক অথবা দীর্ঘদিন চোখে পড়েছে এমন জিনিসগুলো বর্ননায় এলে মানচিত্রটা অনেক সমৃদ্ধ হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় খালপাড়ের সেই বড় পাথরটা, ই-টাইপের ভাঙ্গা স্লিপার কিংবা টাংকির নিচের সেই ঠাণ্ডা চকচকে মসৃণ পানির পাইপটা। যারা এই গ্রুপের লেখার আর্কাইভ করছেন তাদের কাছে অনুরোধ এই আহবানে সাড়া পাওয়া গেলে এই লেখাগুলো যেন আলাদা মার্ক করে একসাথে মজুদ করা হয়। লেখাগুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম)

এটা লিখছি আমাদের মামুইন্নার জন্য। গ্র্যান্ড আড্ডা ২০১৬, পর্বঃ ০১


এটা লিখছি আমাদের মামুইন্নার জন্যঃ
পর্ব - ০১ঃ
তিন মাস আগেও, যখন জসীম ভাই, নাযমুল ভাই, রেজা ভাই, পুলক, মামুন, বাবু, টিপু আরও অনেকে মিলে আড্ডা নিয়ে কাজ শুরু করেছে, আমার ধারনা ছিলনা এটার সমাপ্তিটা এত সুন্দর হবে, ধীরে ধীরে কাছে গেলাম, দুই একটা মিটিং এ গিয়ে বুজতে পারলাম, না কোন কিছুই অসম্ভব না, যে উদ্যম আর উৎসাহ ছোট আর বড় ভাইদের মধ্যে দেখলাম তাতে পুরপুরি আত্মবিশ্বাসী হয়ে গেলাম যেকোনো উপায়ে আড্ডা হবেই হবে।

দায়িত্ব পরল musical program arrange niye, কিন্তু কম বেশী সব কাজেই আমাদের সকলের সমন্বয় ছিল চোখে পড়ার মতো। কাজ করতে গিয়ে প্রথমেই মুগ্ধ হলাম Suzan Hasnat এর টেস্ট আর মেধা দেখে, অসাধারণ বুঝে সে, অথচ ওকে আমি কখনো ইভেন্ট লাইনে কাজ করতে দেখি নাই বা শুনি নাই। ওকে চিনি অনেক ছোট বয়েস থেকে, আমাদের পাশেই ছিল ওদের বাসা, সারাদিন থাকতো খেলা ধুলা নিয়ে, ওরা তিন ভাই যেকোনো খেলায় ছিল সমান পারদর্শী। সেই ছোট ভাই সুজন এর এরকম perfect maturity in all aspects আমাকে দারুন মুগ্ধ করেছে, আরও অনেক আইডিয়া ছিল ওর মধ্যে যা বাজেট আর সমালোচনার ভয়ে করতে পারি নাই। 

সুজনের ভয়ে ইজ্জত বাঁচানোর ক্ষুদ্র প্রয়াস.........।।


আমার ছেলে আদিত্য দে (রাহুল), ২বছর ৮মাস। মোবাইল হোল তার অসম্ভব প্রিয় খেলনা. সেই ১.৫০বছর বয়েস থেকে তার মোবাইল ব্যাবহার শুরু আর এই ১৩ মাসে মোবাইল আর ট্যাব ভেঙেছে মোট ৪টা, তাই ওর মা ওর মোবাইল ব্যাবহারের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। যার কারনে আমি বাসায় ফেরার সাথে সাথে আমার মোবাইল তার দখলে, কারন সে জানে পাপ্পা সাথে থাকলে মা কিছুই করতে পারবে না।
এতক্ষণ গেল ভুমিকা, এবার মুল ঘটনায় আসা যাক।
সেদিন দুপুরে ওর মা ফোন করে বলল ছেলে আজ সব জীব-জন্তু’র ইংরেজি নাম শিখে ফেলেছে। আর আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম কখন বাসায় গিয়ে তার সেই কারিশমা দেখবো। 

Atiq Csm কাল আমাকে দশ প্যাকেট মাংসের মশলা দিয়েছে


Atiq Csm কাল আমাকে দশ প্যাকেট মাংসের মশলা দিয়েছে।আজ রান্না করবো সেই মশলা। ও শুধু মশলা দিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি,আমার কাছে মেজবানি মাংস খাবার দাওয়াত আমি দেবার আগেই নিজ দায়িত্বে নিয়ে নিয়েছে।সমস্যা নেই। খাওয়াবো।

খুবি বদ একটা পোলা। পেট্টা ভরা হিংসা। যদিও পেট বলে কিছু নাই ওর। কাল রাজিববের আচারের পোস্টে ও কয় ও আমারে মশলা দিসে তার কথা কইলাম না কেরে। 

নিম্নলিখিত কারনে বলি নাই।
১. আচার রাজিব বানায়ে আনসে। মশলা তুই বানায়ে আনস নাই।
২. রাজিবের আচার খাইসি,মজা লাগসে।তোর মশলা ত খাইনাই এখনো।
৩.রাজিব যশোর থেকে আসছে,তুই বনানি থেকে গুলশান আসছিস।
৪.রাজিব সারারাত বাসে আসছে,তুই দশ মিনিটে আইসস।
৫. আচারের ব্যাগ ক্যারী করতে আমাদের কস্ট হইসে, তোর মশলা উমামের বড় ব্যাগের মধ্যেই রাখা গেছে।
আশা করি তুই বুঝতে পেরেছিস।

ব্যাক্তি আর পেজ দুটো আলাদা আলাদা সেটা অনেক সময় ভুলে যাই


এ পেজ টার সাথে ওতপ্রোত ভাবে এমন জড়িয়ে গিয়েছি যে, ব্যাক্তি আর পেজ দুটো আলাদা আলাদা সেটা অনেক সময় ভুলে যাই।অর্থাৎ পেজের একেকজন সদস্য যে আলাদা ব্যাক্তি সত্তার অধিকারী এটা খেয়াল থাকেনা আমার। যেমন ধরি নাজমুল ভাই, উনি একজন ব্যাক্তি উনার আলাদা ব্যাক্তি সত্তা আছে, পরিবার আছে বা এই পেজের বাইরেও যে উনার আলাদা জগৎ আছে এটা মনে রাখতে পারতাম না। আমার মাথায় ঢুকে গিয়েছিল নাজমুল ভাই এর আলাদা আবার কিসের জগত, নাজমুল ভাই মানেই সিএসএম। এখানে নাজমুল ভাইকে আমি উদাহরণ হিসেবে জাস্ট দেখালাম ( উনাকে উদাহরণ হিসেবে দেখানোই টা আমার জন্য নিরাপদ), পেজের বাকী সক্রিয় মেম্বারদের ব্যাপারেও আমার একই কনসেপ্ট কাজ করে। কিন্তু এটা যে কত বড় ভুল আইডিয়া আমার, তা হাড়ে হাড়ে বুঝি।