আজকে কয়দিন যাবত সিএসএম পরিবারের উপর একটা বড় ঝড় বয়ে গিয়েছিল।আললাহর অশেষ মেহেবানীতে পরিবারের বড় ভাইয়েরা তা ঠিক করতে পেরেছেন।আসলে এ কথা ঠিক পরিবারে বড়রা হচছে ছোটদের সকল বিপদ আপদের ছায়া আর সকল সমস্যার সমাধানের গুরু।হাজার হাজার সালাম আর অগনিত দোয়া সকল বড় ভাইদের।এ না হলে কি আমাদের সিএস এম।একটা কথা অনেক বড় একটা লিখা লিখেছিলাম কত সময় ধরে কিনতু সেভ করতে জায় ডিলেট করি দিসি।কে জানি বেল দিচিল আর আমি মনে করছিলাম আমার শাশুড়ি, বাচ উলটা টিপ দিচি গেছে ডিলেট।আসলে এ কয়দিন সিএসএম এসবে মনটা অনেক খারাপ ছিল,আজ আবার ভাল।একটা কথা রাসেল ভাই আপনি আবার লেখা শুরু করেন।ছোট বোনের একটা অনুরুদ রাখবেন কিনতু।।শেষ কথা আমরা সবাই সিএসএম বাসী থাকবো মিলেমিশে,সব কিছু ভুলে গিয়ে।কয়দিনই বা থাকবো এ দুনিয়ায়। যতদিন বেচেঁ থাকবো সবাই মজা আর আনন্দ নিয়ে থাকবো।সবাইয়ের কাছ থেকে আরও সুন্দর সুন্দর লেখা চাই।।আললাহ্ যেন সবাইকে ভাল রাখেন।।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Thursday, March 10, 2016
আমি সি এস এম এর নিরু বলছি
মজা ই মজাঃশুখের, দুখের, হাশির,যে যা পারো লিখ লাইক দাও, কম্মেন্টস কর।
এই ছাড়া অন্য কিছু মানে রাগ, অভিমান, কাইজ্জা (আবার আমাদের সি এস এম এর কাজি না কইলাম) কর।
আয় সি এস এম এর ভাই ও বোন রা আয়
রাগ করোনা "রাগ করলে শাখ" খাবে।
"গোস্বা করোনা গোস্বা করলে ফোস্কা খাবে" আর এই খাওয়ার ছেয়ে সি এস এম পেইজ এর পোস্ট পড়া ,লিখা, লাইক দেয়া,কম্মেন্টস করা ১০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০ মজা, তাই আর কোন রাগ নয় হাঁসতে হাঁসতে আশো, মজা কর, গল্প লিখ, কতুক লিখ,মজার ও দুখের ঘটনা লিখ।
তবে শুরু হোক এখন থেকে এই আহবান করছি,আমি সি এস এম এর নিরু বলছি
আমার মা আমাকে বাইরের খাবার খাইতে নিষেধ করছে
- Pulak
আমি আর আমার এক বন্ধু গেলাম হোটেলে সিঙ্গারা খাইতে।
গরম গরম চারটা করে সিঙ্গারা আসলো দুই বন্ধু খাওয়া শুরু করলাম
হঠাত্ লক্ষ্য করলাম বন্ধুটা শুধু ভিতরের আলু গুলো খাচ্ছে।আমি জানতে
চাইলাম এরকম করতিছিস ক্যান।ও
আমাকে বলল তুই বুঝবি না।
.
.
আমার মা আমাকে বাইরের খাবার
খাইতে নিষেধ করছে।
-----------------------------------------------------------
মরাল অফ দা স্টোরিঃঃ আপনারাই বলুন ??????
আমি আর আমার এক বন্ধু গেলাম হোটেলে সিঙ্গারা খাইতে।
গরম গরম চারটা করে সিঙ্গারা আসলো দুই বন্ধু খাওয়া শুরু করলাম
হঠাত্ লক্ষ্য করলাম বন্ধুটা শুধু ভিতরের আলু গুলো খাচ্ছে।আমি জানতে
চাইলাম এরকম করতিছিস ক্যান।ও
আমাকে বলল তুই বুঝবি না।
.
.
আমার মা আমাকে বাইরের খাবার
খাইতে নিষেধ করছে।
-----------------------------------------------------------
মরাল অফ দা স্টোরিঃঃ আপনারাই বলুন ??????
গতকাল আমি এই পেজের এডমিন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেই
গতকাল আমি এই পেজের এডমিন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেই। এবং সম্পূর্ন সুস্থ মস্তিস্কে ও কারো দ্বারা প্ররোচিত না হয়েই এই সিদ্ধান্ত নেই। আপাত দৃষ্টিতে সিদ্ধান্ত টি সঠিক ছিলো বলে মনে করি।
তা স্বত্তেও আবারো এডমিনের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ছোট ভাই বোন দের অনুরোধ, বড় ভাইদের আদেশ অনুরোধ, দুটি ছোট ভাইয়ের গতকাল আমার অফিসে এসে অনুরোধের পর অনুরোধ, এমন কি দেশের বাইরে থেকেও এক বাল্য বন্ধুর অনুরোধ আর ফোনের পর ফোন আমাকে রীতিমত দ্বিধায় ফেলে দিয়েছিল, তাহলে আমি কি ভুল করছি? এত গুলো মানুষের ভালোবাসা স্নেহ নেওয়ার আমি যোগ্য নই, তারপরেও আমার পরম সৌভাগ্য আমি এত গুলো মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছি, এত ভালোবাসা স্নেহ দূরে ঠেলে দেওয়ার ক্ষমতা আমাকে দেওয়া হয়নি, এই ভালোবাসার স্নেহের লোভ উপেক্ষা করার মত মহা পুরুষও আমি নই।
আমাদের গ্রাণ্ড আড্ডায় খরচের পর যে টাকা টা রয়ে গিয়েছিলো, তা সিএসএম এর দুজন দুস্থ মানুষের সহায়তায় প্রদান করা হয়েছে
আমাদের গ্রাণ্ড আড্ডায় খরচের পর যে টাকা টা রয়ে গিয়েছিলো, তা সিএসএম এর দুজন দুস্থ মানুষের সহায়তায় প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি অংশ চিটাগাং এ লিটন ভাই (শামসু নানার ছেলে) এর স্ত্রী এর চিকিৎসা সহায়তায় দেয়া হয়েছে। বাদ বাকী ৩৩০০০ টাকা স্টিল মিলের প্রাক্তন কর্মী জনাব হারুন সাহেবের চিকিৎসা সহায়তার জন্য রাখা হয়েছিলো। এবং নাজমুল ভাই বিষয় টি অনেক আগেই পোস্টের মাধ্যমে সকল কে অবহিত করেছেন। আমার বলার বিষয় হচ্ছে , যেহেতু উনি ( জনাব হারুন) ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, সেহেতু সেই টাকা উনার নিকট পৌঁছানোর দায়িত্ব আমাকে দেয়া হয়েছিলো, কিন্তু উনি বর্তমানে ডেমরা সারুলিয়ায় বসবাস করছেন বিধায় আমার পক্ষে গুলশান বা মিরপুর থেকে গিয়ে সেখানে ঐ টাকাটা পৌঁছানো একটু সময় সাপেক্ষ ছিলো, তাই জনাব হারুন সাহেবের সাথে কথা বলার পর গতকাল বিকাশের মাধ্যমে উনার নিকট এ ৩৩০০০ টাকা পৌছনো হয়েছে।
সবাইকে শুভেচ্ছা।
আমরা পারবো, আমাদের পারতেই হবে
এডমিন বাড়ানো কিংবা কমিটি গঠন নিয়ে আমার দ্বিমত আছে। এডমিন কিংবা কমিটি গঠন করলেই যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তা কিন্তু না। ছোট এডমিন দিয়ে গ্র্যান্ড আড্ডার মত বড় আয়োজন করতে পেরেছি।গ্র্যান্ড আড্ডার পর সবাই যেন কেমন হয়ে গেছে। আমাদের সবাইকে আরো সহনশীল হতে হবে। ব্যক্তিগত আক্রমন বন্ধ করতে হবে। ছোট বড় কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমন করা যাবে না। কারো সাথে আমার হয়তো মতের মিল নাও হতে পারে তাই বলে আমি কাউকে অপমান করতে পারবো না। এটা সবাইকে মানতে হবে। আমি মনে করি আমরা সবাই একই পরিবারের সন্তান। একই পরিবারের সন্তান হলেও মতাদর্শ ভিন্ন হতে পারে। আমার কারো সাথে মতবিরোধ দেখা দিলে আমি সিনিয়রদের সাথে কথা বলে আমি বিরোধ মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করবো। আমি চেষ্টা করবো তৃতীয় পক্ষ যেন এ থেকে কোন ফায়দা লুটতে না পারে। একটা বিষয় প্রায়শঃ লক্ষ করি আপনজনেরা মারামারি করে আর আশে পাশের লোকেরা হাততালি দেয়। আমরা কেন এই সুযোগ দিব? সমস্যা বড় হওয়ার আগেই সবাই মিলে দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করবো। আমরা কি তা পারি না? আমার মনে হয় পারবো। শুধু দরকার সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ।
যথেষ্ট হয়েছে। আর একটা কথা সুনতে চাইনা
যথেষ্ট হয়েছে। আর একটা কথা সুনতে চাইনা। আমাকে আমার ভাই বোনেরা যা কিছু বলেছে, আমি ভুলে গেছি। তোমরা ভুলে যাও। আমি আতিক কে বলছি, এই মুহুর্তে তুমি তোমার এডমিনে ফিরে যাও।আমি বড় ভাই, আমি তোমাকে আদেশ করতেছি।
আর, আজ সকালে আমার একটি পোষ্ট আছে, জসিম/নাজমুল/শাহিন/নিরু, তোমরা একটি মনিটরিং টিম করো। অবশ্যয় আমাদের দুইজন সম্মানিত এডমিন সহ। যাতে আমাদের এডমিনরা, মতামতের ভিত্তিতে সহজেই পেজের সার্থে, ভালো একটা সির্ধান্ত নিতে পারবে। আমি কোন ঝগড়া দেখতে চাইনা। ভালো থাকো সবাই এবং তোমরা তোমাদের গল্প/কবিতা লেখা সুরু করো।
এই পেজটি ভালোবাসার পেজ। এটি কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান না। ভালোবাসার জয় হোক।
দুপুর ৩টা কি ৩.৩০ বাজে বৈশাখ মাসের শেষের দিক আম পাঁকার সীজন
দুপুর ৩টা কি ৩.৩০ বাজে বৈশাখ মাসের শেষের দিক আম পাঁকার সীজন,এই ভর দুপুরে কলোনীর সবাই একটু বিছানায় গা এলিয়ে দেয়,আর চাচারা তো আফিসে দরকার না হলে এই দুপুর বেলায় ঘর থেকে কেউ বাহির হয় না, আমাদের বাসা তখন C/3 তে, মনের ভুলেও দুপুরে ঘুমানো হতোনা,কোন মতে সুযোগ পেলে মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাসা থেকে বাহিরে চলে যেতাম,এই জন্য কতো যে মায়ের হাতে মার খেয়েছি, গরমের জালায় প্যানট পড়তাম না,বাবাকে বলে একটা লুঙি কিনলাম,তো একদিন সুযোগ মতো নতুন লুঙি পড়ে সোজা নিচে ডালিমদের বাসায়,ডালিমদের বাসায় আমার অবাধ যাতাযাত ছিল, বাসায় গিয়ে দেকি ডালিম বাসায়, দুজনে বসে আর কতো আডডা দেয়া যায়, তাই দুজনে বাসা থেকে বাহির হলাম,বাসা থেকে বাহির হওয়ার পর দেখি রাস্তা সুনসান নিরবতা,হটাৎ ডালিম বললো চল আম চুরি করি আশে পাশে আম গাছ ছিল জুনাইদ ভাইদের আমার দোস্ত বদরুলদের, দুপুর বেলায় জানি কেউ দেখবেনা তাই দুজনে গাছতলায়, তখন শুকনা হালকা পাতলা ছিলাম, আমি সোজা গাছে উপরে আর ডালিম নিচে দাড়িয়ে আছে কেউ আসলে আওয়াজ দিবে,গাছে উঠে মনের সুখে আম পাড়তাছি আর লুঙি ভাজ করে লুঙি মধ্যে নিতাছি,হঠাৎ নিচে থেকে জোরে ডাক আসলো মনিরুল নিচে নেমে আয় নিচে তাকিয়ে দেখি কোথায় ডালিম নিচ থেকে জোনাইদ ভাই ডাকতাছে, জানি হাতের মধ্যে পাইলে খবর আছে তাই আম সহ সোজা নিচে লাফ দিয়া ভোঁ দোড়, নামার সময় হালকা ফড়াৎ আওয়াজ পেয়েছিলাম,এক দোড়ে Cটাইপ মাঠের পাশে দেখি ডালিম বসে আছে,ডালিম কে গিয়ে তো বকাঝকা কিরে জোনাইদ ভাই বাসাথেকে বাহির হইলো আওয়াজ দিলি না,ডালিম কইলো জোনাইদ ভাই বাস থেকে আসে নাই বাহির থেকে আসছে দেখি নাই, ডালিম আমাকে বলে কিরে তোর লুঙি ছিড়া কেন,ডালিম বলার পর হুশ হলো তাকিয়ে দেখি আমার নতুন লুঙি অনেক খানি পাড়া এই লুঙি নিয়ে বাসায় ডুকলে খবর আছে, ছিড়া লুঙি নিয়ে সোজা বাজারে বেশির ভাগ দোকান বনধ,কি করি সামনে এগিয়ে দেখি মালেক স্যারের দোকানের পাশে একটা টেইলাস এর দোকান খোলা আছে,দজি ছিড়া লুঙি দেখে যা বুঝার নিলো বললো ১০টাকা লাগবে কারো কাছে টাকা নাই দজির হাত পায়ে ধরে বললাম পরে দিয়ে যাবো এই মমে আমার লুঙিটা ছিলাই করে দিলো,বহুদিন পর দজির ১০টাকা পরিশোধ করছি,ঐ ১০ টাকা জোগাড় করতে খবর হয়ে গিয়াছিলো,আম ও গেলো লুঙিও গেলো ১০টা টাকা ও গেলো পেলাম কি একটা দুই ছিলাই করা লুঙি
গত রাতে দুটো প্রশ্নের উত্তর খুব বিনয়ের সাথে জানতে চেয়েছিলাম, আমি জানি ওই প্রশ্নের উত্তর আমি পাবোনা।
এক দিক থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার পরও আমরা চুপ থাকি, অবস্থা পর্য্যবেক্ষন করতে থাকি, কেউ মজা নিতে থাকি, কেউ বা দ্বিধাজনক অবস্থায় থাকি, কেউ ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি তে থাকি। এর মধ্যে যা সর্বনাশ হওয়ার তা হয়ে যায়, বিশৃঙ্খলা চারিদিক থেকে শুরু হয়ে যায়, তখন অনেকের টনক নড়ে। এই করতে হবে, সেই করতে হবে কত কিছু। অনেক টা গ্যাস দুর্ঘটনার পর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের নড়েচড়ে বসা, এদিকে আগুন লেগে তো পুরো পরিবার আগেই শেষ। প্রাথমিক অবস্থায়ই সিদ্ধান্ত নিলে হয়ত বিশৃঙ্খলা টা হতোনা।কিছুদিন আগে আমার দুয়েক টি পোস্ট আপত্তিকর মনে হওয়ায় এবং বিতর্কিত মনে হওয়ায় সিনিয়র ভাইদের অনুরোধে বা আদেশে পোস্ট দেওয়ার দশ মিনিটের মধ্যে পোস্ট টি সরিয়ে নেই। আমার বেলায় এতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া গেলে অন্য জায়গায় কেনো নেওয়া যাচ্ছেনা। কোথায় সমস্যা?
গত রাতে দুটো প্রশ্নের উত্তর খুব বিনয়ের সাথে জানতে চেয়েছিলাম, আমি জানি ওই প্রশ্নের উত্তর আমি পাবোনা।
মজা করব,আড্ডা দিব,পচবো,পচাবো
মোজাম্মেল ভাই, টলি ভাই, রেজা ভাই, জিয়া ভাই, জসিম ভাই, মাসুক ভাই, নাজমুল ভাই, নিরু ভাই,আতিক ভাই, অপু ভাই, কমু ভাই, বন্যা বুবু, নাহিদ আপু,বাবু,অপু,সামি,তারেক,মইনু,টিটু,মাবু,পুলক,টিপু, জাবেদ,টিংকু,নমি,রাসেল,হিমেল,সুজন,মক্তা,রনি,হাসনাত,শায়লা,আপেল,নাসের,সজীব,বীথি,তানজিনা,তানিয়া,টিপু,রাজিব।সবার নিকট আবেদন আমরা সবাই যেন আমরা আমরা যে পেজ সৃষ্টি করিয়াছি তার বন্ধন যেন সহজে ভেঙে না ফেলি।বড় ভাইদের নিকট আবেদ যেমনে পেজ সুন্দর চলছিল আড্ডা আগ থেকে তা যেন আপনারা ছোটদের মাধ্যমে আবার ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।কারণ মাবু আজ খুব সুন্দর করে একটা ব্যাখ্যা দিয়েছে।
আমরা আমরাই।মজা করব,আড্ডা দিব,পচবো,পচাবো।
আমি এ ধরনের কোন লেখা লিখে অভ্যস্ত নই
আমি এ ধরনের কোন লেখা লিখে অভ্যস্ত নই, তা ছাড়া এতো দিন এডমিন নামক একটি দ্বায়িত্বের মধ্যে ছিলাম (যদিও আমি নিজে এখনো জানিনা, আমি কি দায়িত্ব পালন করেছি) তাই যা তা আমি লিখতে পারিনা। আজ যেহেতু দায়িত্ব মুক্ত তাই এখানের সবার প্রতি বিনয়ের সাথে দুটো প্রশ্ন।
- আমি বা কেউ যদি কাউকে কটু কথা বলে এখান থেকে বহিষ্কৃত হই , পরবর্তী তে ছয় ঘন্টার মধ্যে পুনরায় ফিরিয়ে আনার স্ট্রং লবিং পাবো কিনা?
- যদি কোন মতে ফিরে এসে আবারো কটু কথা বলে পরে ক্ষমা চেয়ে পার পাওয়া যাবে কিনা? কাউকে উদ্দেশ্য করে নয়, নিতান্ত সাধারণ কৌতুহল থেকে জানতে চেয়েছি।
সি এস এম কলোনি র অামাদের এই বোনটিকে অামরা কি চিনি?
দিনভর ক্লাসে ডুবে থাকা। এরপর বিকেল থেকে রাত ১০টা অব্দি টিউশনির তাগাদায় এ বাড়ি ও বাড়ি। তারপর গভীর রাত পর্যন্ত নিজের পড়াশোনায় মনোযোগ। সঙ্গে পরিবার টেনে নেওয়া-সেখানেও তিনি।
এসব কিছুর একটাই প্যাকেজ-‘ফারহানা ইয়াসমিন’। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
সারাদিন ক্লাস করার পর অন্য বন্ধুরা যখন একটু জিরিয়ে নেওয়ার আয়েশে থাকতেন- তখন তিনি দেদারসে টিউশনি করছেন। বন্ধুরা যখন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন তিনি মাঠে, একটি ব্যাংকের সেলস এক্সিকিউটিভ।

এতকিছুর পরও ছন্দপতন হয়নি ফলাফলে। নিছক মনের জোরেই স্নাতকে ৩ দশমিক ৭৯ পেয়ে হয়েছিলেন প্রথম।
ফারহানার সে কৃতীত্ব হয়েছে পুরস্কৃত। চলতি বছর প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পেয়েছেন তিনি। ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে নিয়েছেন পদক আর সনদ। প্রতিবন্ধকতার সব শেকল ভেঙে যুদ্ধজয়ী সোনার মেয়ে।
ভাবছিলাম মান-অভিমান নিয়ে কোন কথা বলব না
ভাবছিলাম মান-অভিমান নিয়ে কোন কথা বলব না।এখন দেখি আমার দোস্ত আতিক ও অভিমান করেছে।আতিক তোরা সিএসএম -এর বড়াভাই ও ছোটভাইরা মিলে এই পেইজের মাধ্যম আমাদের সকলকে একসাথে করেছিস। এই পেইজ সৃস্টি না হলে আমরা এমন সফল আড্ডা দিতে পারতাম না। তারেক .লিটন ভাই এর wife.নিরু মামার অসুখের খবর আমরা কি জানতে পারতাম।বড়াভাই ও ছোট ভাই সবাই মিলে সহযোগীতা করছ।আর তোরাই যদি রাগ করিস তাহলে চিটাগাং ঢাকার বাহিরে আমরা যারা আছি তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলব।এক মায়ের ঘর থেকে পাচ ছেলে পাঁচ রকম হয়।আর আমরা দশ মায়ের ঘরের, দশ রকমের।তাই সবার কথা মনে ধরতে নেই। সব ভুলে আমরা আবার আগের মত হয়ে যাই ।অন্যরা যাতে আমাদের নিয়ে মজা করতে না পারে।
Wednesday, March 9, 2016
স্বপ্ন ভঙ্গ এবং স্বার্থপর দৈত্য
সুজনের পরিসংখ্যান দেখে যখন আস্তে আস্তে গ্রুপে লিখার সং্খ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছিলাম তখন এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে ভাবিনি।ছোটবেলায় একটা গল্প পড়ছিলাম যে ছোট কিছু ছেলেমেয়ে একটা বাগানে খেলতে আসত।সেখানে তারা অনেক আনন্দে সময় কাটাত।কিন্তু বাগান ছিল এক দৈত্যএর।তাই সে দেয়াল তুলে দিয়ে বাগানের চারপাশে শিশুদের খেলাতে বাধা দেয়।
আমরা যারা কলোনি ছেড়ে অনেকদিন আগে চলে এসেছি,তারা এই পেজে মনের কথা লিখে,আড্ডা দিয়ে সেই সব শিশুদের মতই আনন্দ পেতাম।কখনো ভাবিনি তাদের মত আমাদের এই আনন্দ বাড়ি তে বাধা আসবে।দৈত্যএর মত কেউ দেয়াল তুলে দিয়ে শোকের বাড়ি বানিয়ে দিবে।তারপরেও রুপকথার গল্প মনে হয় সবসময় সত্য হয় না।আমিও চাইনা সত্য হোক।খসে পড়ুক সেই দৈত্যএর দেয়াল।মেতে উঠুক আনন্দ বাড়ি
CSM গ্রুপের কেউ এই পোস্টটি গ্রুপে রি-পোস্ট করলে কৃতজ্ঞ থাকবো
২৯ জানুয়ারির গ্রান্ড আড্ডা উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরনিকা "ফেরা" এর খরচের হিসাব সময়ের অভাবে ও বিজ্ঞাপনের টাকা তখন পর্যন্ত অনাদায়ী থাকায় এর আগে দেয়া সম্ভব হয়নি। যেহেতু আমি পেজ ত্যাগ করেছি তাই হিসাবটা এখন দিয়ে ফেলাটা উচিত বলে আমি মনে করছি।
বিজ্ঞাপন বাবদ প্রাপ্তঃ ১০২৫০০ টাকা
ম্যগাজিন বাবদ সর্বসাকুল্যে খরচঃ ১১৫০০০ টাকা।
ঘাটতিঃ (১২৫০০) টাকা
যেহেতু বিজ্ঞাপনের টাকা সম্পুর্ন অগ্রিম পাওয়া যায়না তাই গত ১৯/০১/২০১৬ তারিখে রেজা ভাই এর কাছ থেকে ৩০০০০ টাকা ও ব্যক্তিগত উৎস থেকে থেকে ২০০০০ টাকা নেয়া হয়েছিলো। গত ১ মার্চ বিজ্ঞাপনের টাকা পাওয়ার পর ব্যক্তিগত সমুদয় ২০০০০ টাকা ও রেজা ভাইকে ১৭৫০০ টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। যেহেতু ম্যাগাজিন টিম আর্থিক ব্যাপারে অবহিত নয় তাই ঘাটতি ১২৫০০ টাকার উৎস সম্পর্কে কোন ব্যখ্যা দিতে পারছি না।
"প্লিজ এড়িয়ে যাবেন না"
আমার ধারনা আমার লেখা সবাই পড়ে না। আমার লেখা সবাই পড়বে তেমন আশাও করিনা। কিছু দিন আগে একজন লিখেছিল কেউ কেউ নাকি লেখক বুঝে কমেন্টস আর লাইক দেয়। সেটা আমি বিশ্বাস করিনা। আমি আমার কথাই বলি আমি কমেন্টস / লাইকের আশায় পোষ্ট দিই না। আমার লেখায় কমেন্টস / লাইক বেশি পড়ছে কিনা তা কখনো চিন্তাও করি নাই। আমার কাছে যেটা হাসির মজার তা আরেক জনের কাছে হাসির না হতে পারে। সেই রকম আমার কাছে যেটা দুঃখের সেটা আরেক জনের কাছে তা নাও হতে পারে। তাই এই সব চিন্তা না করে আমার যা মনে আসে তা আমি লিখি।
এই পেইজের ৬৩৫ জন মেম্বার। সবাইকি আমাকে চেনে? হয়তো চেনে আবার হয়তো না। আবার আমাকে চিনতে হবে তার কোন বাধ্যবাধকতা নাই। আর আমি কি সবাইরে চিনি? তাও হয়তো না। কারন যখন কলনিতে ছিলাম তখন ওরা ছোট ছিল এখন বড় হয়ে গেছে। নামও হয়তো ভুলে গেছি। তাই অর্ধেকের বেশি আমার friend list এ add করা নাই। তা নিয়ে আমার মাথাব্যথাও নাই। কিন্তু আমার লেখায় তারাই বেশী কমেন্টস করে / লাইক দেয়।
নির্বোধ এক মানুষ আমি
নির্বোধ এক মানুষ আমি।।নিজের অবস্থানটা সব সময় ভূলে যাই বা গিয়েছিলাম।।কোথায় ছিলাম এবং কোথায় আছি দুটোই আমি ভূলে গিয়েছিলাম।।অনেকটা ""অল্প পানির মাছের মতো।।বেশি পানিতে পড়ে ছটফট করতে ছিলাম""হঠাৎ কয়েক জন পথ আগলে ধরলো।।বলে বসলো কি করছিস তুই।।তুই কি তোর অতীত ভূলে গিয়েছিস।।ছিলি একা।।ছন্ন ছাড়া।।আর এখন সংগী পেয়ে নিজের অতীত ভূলে গেলি।।যারা তোকে আশ্রয় দিয়ে বুকে টেনে নিয়েছে তাদেরই অপমান করছিস।।থমকে দাড়ালাম।।চিন্তা করলাম আমার দ্বারা পরিবার ধংস হচ্ছে নাতো।।বুঝতে পারলাম হচ্ছে।।তাই আজ নিজেকে সুধরে নিলাম।।আবার অতীত জীবনটাকে আকরে ধরলাম এবং সামনে চলতে শুরু করলাম।।
পেজের শুরু থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত যাদের যাদের মনে কষ্ট দিয়েছি বা কষ্টের কারন ছিলাম তাঁদের সকলের কাছে সজোড়ে ক্ষমা চাচ্ছি।।
একটা ভাল উদ্যোগ - তারপর ভাঙ্গনের সুর আর কিছু প্রশ্ন
ছোট বেলায় পরীক্ষায় ভাব সম্প্রসারণ আসতো "স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন" এইটা আধা মুখস্ত, কিছু ঠোটস্থ আর বাকীটা টেনেটুনে, সাজিয়ে গুছিয়ে বিশাল বড় করে ভাবের সম্প্রসারণ করে ফেলতাম ঠিক আমাদের বিশাল বড় গ্রান্ড আড্ডার মতো। আসলে কি তাই?
যেকারনেই হোক আর যেভাবেই হোক, আর যারাই এই পেজটা ক্রিয়েট করেছে আর শুরু থেকে আজ এই মুহুর্ত পর্যন্ত যত মেম্বার আছে এই পেজে, আর যারাই রেগুলার এক্টিভ আর ইনএক্টিভ সবার কাছেই আমরা সবাই কৃতজ্ঞ। কারন এই পেজের কারনেই কিছু ভাল কাজের পাশাপাশি ২৯ জানুয়ারীতে একটা বিশাল আড্ডার আয়োজন করতে পেরেছিলাম। এই পেজের কারনেই আমরা সবাই আজ একসূত্রে গাঁথা। আড্ডাটা যত বড় বিশাল ছিল-যত মানুষের সমাগম হয়েছিল, প্রত্যেকেই যে পরিমান আনন্দ, হৈ-হুল্লোর মজা করেছি সারা জীবনেও হয়তো এমন আরেকটা আমরা কেউ পাব না। আড্ডাটা ছিল আমাদের অহংকার, আমাদের গর্ব, আমাদের অর্জন, আমাদের প্রায় ২৩/২৪ বছর আগে ফিরে যাওয়া। সবাইকে দেখতে পাওয়ার অকৃত্তিম আনন্দ।
তোমরা যদি pain না খাও, আরেক্তা মজার কাহিনি লিখতে চাই, বাবাকে নিয়ে
সবেমাত্র ইশকুল শেষ করে কলেজে ভর্তি হইছি। প্রথম যেদিন কলেজ যাব, আগের দিন রাতে বাবা একটা ৫০০ টাকার নোট দিয়ে বলল, "এটা মানিব্যাগের এক কোনায় এমনভাবে রাখবি যাতে চোখে না পড়ে, চোখে পড়লে খরচ হয়ে যাবে। এই টাকাটা শুধু মাত্র বিপদের সঙ্গী, যখন কোন বিপদে পড়বি তখনি শুধু টাকাটা ব্যাবহার করবি" আবার বাবা আরেকটা কথাও সবসময় বলতো আর বিশ্বাস করত, "রু মানে পরান যখন যেটা চাইবে পরানকে সেটা দিয়ে দিবি, নতুবা পরানের আফসোস থেকে যাবে, কারন মানুশের মরা-বাচার কোন বিশ্বাস নাই, আত্মা যেন অতৃপ্তি নিয়ে না মরে।"
তো পরতাম, সিটি কলেজে, দুপর বেলা কলেজ বাস আসতো দেড়টায় ঠিক মার্কেটের মোড়ে। ওখানটায় একটা নার্সারি ছিল যেখানে বসে আমরা গাড়ির অপেক্ষা করতাম, সবারি হয়তো মনে পরবে পাশেই ছিল হোটেল জামান, ঠিক দুপুরে যখন খিদায় পেট কি খাব? কি খাব? করতো, ওই সময় পাশের ওই বিরিয়ানির ঘ্রান কেমন লাগতো এটা বোধয় কমবেশি সবাই জানি।
গাহি সাম্যের গান
অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম পেইজে কিছু লিখবো। অফিসের কাজের চাপে দিনরাত বেসামাল থাকায় পেইজে খুব একটা রেগুলার হতে পারছিলাম না বেশ কিছুদিন ধরেই। ছোটখাটো কিছু কমেন্টস আর লাইক দিয়ে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছিলাম। পরিসংখ্যানবিদ সুজনের মাসিক রিপোর্টের পর নিজেকে ফাঁকিবাজ ছাত্র মনে হচ্ছিলো।:p গতকাল থেকে কিছুটা অসুস্থ থাকায় আজ মেডিক্যাল লিভ নিয়ে রেস্ট করছি।তাই ভেবেছিলাম, আজ কিছু লিখবো।কিন্তু,পেইজে ঢুকেই দেখি সিরিয়ার যুদ্ধ(মইয়ু ভাইয়ের ভাষায়)চলছে CSM পেইজে। তাই তথাকথিত যুদ্ধ নিয়েই লিখছি।
পেইজে কিছু কিছু কমেন্টস পড়ে কয়েকটা প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন নির্বোধ আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রশ্নগুলো হলঃ
১। ব্লগ এবং ব্লগার কি?
২। CSM Colony গ্রুপটি কি একটি ফেসবুকভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্লগ; নাকি আত্মার মিলনস্থান?
৩। যারা CSM Colony গ্রুপে বিভিন্ন পোস্ট দেন, তারা কি ব্লগার?
আমার বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে খুব ইচ্ছে করছে আজ
আমার বাবাকে নিয়ে কিছু লিখতে খুব ইচ্ছে করছে আজ। যারা দেখেছেন সবাই জানেন কি পরিমান friendly ছিলেন উনি, কোনদিন শাসন করেন নাই, শুধু ভাল আর মন্দটা বোঝাতে চেয়েছেন। সাথে সাথে লিখিয়েছেন কোনটা গ্রহন আর কোনটা বর্জন করতে হবে আর কেন। কিশোর বয়সে যখন অন্য অভিবাবকরা ছেলেদের খারাপ সঙ্গ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিতো, সেখানে বাবা আমাকে বলতো, খারাপের সাথেও মিশতে নাহলে বুজব কিভাবে কোনটা খারাপ, কেন খারাপ ইত্যাদি। আমার আরও মনে আছে অন্য বাবারা যখন ছেলেদের লাঠিম, মার্বেল কিংবা ঘুড়ি না উড়ানোর জন্য শাসন করত, বাবা আমার জন্য বক্সশির হাট থেকে uncommon সব colorful লাঠিম, কয়েক পাঙ্খি ঘুড়ি নিয়ে আসতো, তারপর উনি নিজেই ওগুলো উড়ানোর যাবতীয় বন্দোবস্ত করে দিতো, শুধু তাই নয়, রোদে ঘুড়ি উরালে গায়ের রঙ কালো হয়ে যাবে বলে বাবা আমাকে system করে দিতো কিভাবে ঘরে বসে ঘুড়ি উড়ানো যায়। কারন বাশা ছিল মাথের পাশেই। এমন কন আবদার নাই যেটা আমার বাবা পূরণ করে নাই।
ভাই ও বোনেরা শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কাইকে আঘাত করার জন্য বলছি না
ভাই ও বোনেরা শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কাইকে আঘাত করার জন্য বলছি না।
আমরা সবাই প্রতিটি ক্ষেত্রে বলছি আমরা সি.এস.এম এর পরিবার্। এ কেমন পরিবার? আমরাতো সবাই মিলেমিশে থাকতে চাই। পরিবারের ভিতরে যে হিংসা বিদ্দেশ শুরু হয়ে গেছে তার সমাধান দিবে কে? এই সমাধান আমাদের নিজেদের মাঝেই।
অবশ্যই আমাদের নিজেদের মন-মানষিকতাকে আরো উন্নত করা উচিত । ছোট বেলায় দেখতাম আমরা কারো সাথে ছোট খাটো বিষয় নিয়ে হিংসা, অহংকারের কমতি ছিল না। এখন তো আমরা সবাই বড় হয়ে গেছি, একটু কি পারি না বড় মনের অধিকারী হতে।
তাহলে বোঝা যাচ্ছে আমরা যতই নিজেদেরকে কাপড় চোপড়ে পরিপাটি করলেও মনকে পরিপাটি করতে পারি নাই।
এত সুন্দর একটা গ্রুপ তা আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে। আমরা তো ভালই ছিলাম।
বিনীত অনুরোধ
সর্বজন শ্রদ্ধেয়,
রেজা ভাই/নিরু মামা/ নাজমুল ভাই/মানিক ভাই/আতিক ভাই- গত দুদিন ধরে এই পেজে যা হচ্চে তাতে আমরা সাধারণ সদস্যরা(যারা আড্ডায় সক্রিয় ছিল না)যথেষ্ট বিব্রত।ঘটনার আদোপান্ত আমরা জানি না আর জানতে ও চাই না।আমরা csm এর সাধারণ সদস্যরা চাই,২৯ শে জানুয়ারী আমাদের মাঝে প্রতিবছর ফিরে আসুক।আপনারা এই পেজের কান্ডারী,আপনাদের সুচিন্তিত নির্দেশনায় আমাদের চলার পথের পাথেয়।আমরা csm কলেনীর বাসিন্দাদের একই ফ্যমেলীর মেম্বার হিসাবেই চিন্তা করতে চাই।এর জন্য প্রয়োজনীয় যা যা করার দরকার এই csm কলোনীর কান্ডারী হিসাবে,মোরব্বী হিসাবে আশা করি আপনারা করবেন।দু'একজনের জন্য এ মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যেতে পারে না।আশা করি শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ভাইয়েরা বিষয়টি ভেবে দেখবেন।
কি হচেছ আজ কয়েকদিন এই পেইজে
কি হচেছ আজ কয়েকদিন এই পেইজে নতুন করে কেউ যদি জয়েন করে পেইজে তাহলে সে মনে করবে সিরিয়া বা ইরাকে ডুকছে, তাড়াতাড়ি পালাইতে চাইবে,কলোনীতে আবাহনী মোহামেডান খেলা হলে যে উত্তেজনা হতো,নবীন সংঘ এপ্রিল29 খেলা হলে যে উত্তজনা হতো সে উত্তেজনা বিরাজ করছে, টান টান উত্তেজনা সাময়িক কয়েক দিন থাকবে কলোনীতে,আবাহনী মোহামেডান খেলার সময় একদিন প্রাণের দোস্তের হাতে মাইরও খইছি,দুএকদিন দুই দোস্তের কোন মুখদেখা দেখি নেই, কলোনীতে বাস করে কারোমুখ কেহ না দেখে থাকা যায়না,তিনদিনের দিন দোস্ত নিজে এসে বাসা থেকে ডেকে নিল,এটা C S M কলোনী কলোনীতে বাস করে সবাই সব বিবেদ ভুলে একসাথে কাধে কাধ মিলিয়ে চলাফেরা করছি, এই পেজটা ও একটা কলোনী তাই আর কি বলবো আমরা আমরাই তো(((রাতে ঘুমানোর সময় মনে করছিলাম কাঁকড়া নিয়ে একটা গল্প বলবো কিন্তু সকালে পেজ খুলে আমার দোস্তের মেজাঝ দেইক্কা গল্পের প্লট ই গিলিয়া পেলছি)))
মেয়ের খুব শখ হইলো তার বান্ধবী কে আমাদের বিয়ের ভিডিও দেখাবে
মেয়ের খুব শখ হইলো তার বান্ধবী কে আমাদের বিয়ের ভিডিও দেখাবে।পাশের বাসা থেকে মেয়ের বান্ধবীকে ডেকে নিয়ে আসা হলো,বিয়ের ভিডিও চালু করে দিয়ে পাশের রুমে গেলাম।তারা দুইজন মিলে ভিডিও দেখতে থাকলো, হঠাৎ মেয়ের সেই কান্না ...তরিৎ গতিতে দৌড়ে মেয়ের কাছে গেলাম।গিয়ে যা শুনলাম......
...
...
...
মেয়ের বান্ধবীঃ আঙ্কেল আমি শুধু মানহা কে জিজ্ঞাসা করেছি "ভিডিও তে তুমি নাই কেনো!? বিয়েতে তোমাকে নিয়ে যায়নাই!!? অমনি সে কান্না করে দিলো।।
মেয়েঃ আমাকে তোমরা নিয়ে যাওনি কেনো!!?
আমিঃ উপায়ন্তুর না পেয়ে বলে বুঝালাম যে,সেইদিন সন্ধ্যার পরেই তুমি ঘুমিয়ে গিয়েছিলে,তাই তোমাকে স্টেজের পিছনে একটা খাট ছিলো,ঐটাতে তুমি ঘুমাচ্ছিলে।
পরে মনে মনে চিন্তা করে বের করলাম এই যে, বান্ধবীর কাছে এই রকম প্রশ্ন শুনে মেয়ের নিশ্চই খুব অপমান লেগেছে তাই সাথে সাথে তার বিশাল কান্না,আজকাল বাচ্চাদেরও অনেক অপমানবোধ,খেয়াল রাখবেন সবাই।
(আপনাদের এমন অভিজ্ঞতা থাকলে শেয়ার করুন)
পেজ জমেনা এই কথাটি বললে, এখানে যারা নিয়মিত লিখে বা আমারা যারা লেখাগুলি পড়ি, লাইক বা কমেন্ট করি, তাদের অপমান করা হবে
রাসেলের লেখা post গুলি মজার ছিলো। post গুলি ছিলো ভিন্ন সাধের। সবাই মিলে ভালো আড্ডা চলতো। নমিও csm টিভি চ্যানেল খুলে, আমাদের প্রচুর আনন্দ দিয়েছে। মইন খান সুন্দর সুন্দর গল্প কবিতা লিখে এই পেজটি জমিয়ে রেখেছিলো। এখন এই তিনজনের একজনও এই পেজে নাই।
আমাদের এডমিনরা কি তাদের বের করে দিয়েছে!!?? তাহলে কেন চলে গেলো?? তার কোনো ব্যাখ্যাও দিয়ে যায়নি!! মইন খানের টা আমি জানি। কিন্তু সে আমার কথা না সুনেই চলে গেছে। আমার বিরুদ্ধে মইন খানের অভিযোগ আছে, সে, তার অভিযোগ টি এই পেজে post করেছে।
রাসেল আর নমির ব্যাপারটা আমি বলতে পারবোনা।
Tuesday, March 8, 2016
নোয়াখাইল্লা ভাষা আর সুইডিশ ভাষার অনেক মিল আছে
নোয়াখাইল্লা ভাষা আর সুইডিশ ভাষার অনেক মিল আছে। মিল দেখে মনে হয় যেন, আমার আগেই কোন এক নোয়াখাইল্লা সুইডেনে এসে এদের ভাষা শিখিয়ে গিয়েছে। কোন নোয়াখাইল্লা যদি সুইডিশদের কে ভাষা না শেখাতো তাহলে সুইডিশ জাতি, না জানি কত দিন বোবা থেকে যেত। আমি প্রমাণ দিচ্ছি, বিশ্বাস না হলে গুগল ট্রান্সলেটে উচ্চারণ দেখে নিতে পারেন।
যেমন
কোর্তা (skjorta)-শার্ট
খলিয়া (skölja)- তরল পদার্থ যেমন পানি বা রাসায়নিকে কিছু ধোয়া
নাম - (namn) - নাম
মোচ (mustasch) গোঁফ
যাই হোক কালের বিবর্তনে সুইডিশ জাতি তাদের অতীতের ভাষার ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে। তার পরও প্রাচীন ভাষার রেশ এখনো তাদের ভাষায় পাওয়া যায়।
আঁই কি বইলতে চাই আন্নেরা ব্যাকে বুইজ্জেননি(förstår ni)?
৮ মার্চ নারী দিবস তার মানে নারী দি boss
৮ মার্চ নারী দিবস তার মানে নারী দি boss. আর বছরের ৩৬৪ দিন কি নারীদের পাওয়ার থাকে না? আমারতো মনে হয় ৩৬৫ দিন অর্থাৎ ৮৭৬০ ঘন্টায় পাওয়ার থাকে। অফিস থেকে একটু দেরি করলে ফিরলে ফোন। কোথায় গেছি? দেরি হচ্ছে কেন? ফোন বিজি পেলে বা রিসিভ করতে দেরি হলে বা রিসিভ করেত না পারলে কত কৈফিয়ত। বিশেষ কোন দাওয়াতে গেলে ড্রেস পর্যন্ত ঠিক করে দেয়। মাঝেমাঝে খারাপ লাগে না। ভালোই লাগে।
একটা মাদ্রাসার প্রাতিষ্ঠানিক ভদ্রতা
গত মাসে আমার মেঝ ফুফা মারা যায়। আমি আর আমার বাবা হাজির হলাম ফুফুর শশুর বাড়ী জানাজায় শরীক হবো বলে। যাওয়ার পর জানলাম পাশের একটা মাদ্রাসায় ওনাকে নেয়া হয়েছে আর সেখানেই জানাজা হবে। আমরাও রওয়ানা দিলাম। মন খারাপের মাঝেও প্রাকৃতিক পরিবেশের ছোয়ায় মনটা হালকা হতে লাগলো। কিছু বড় বড় হুজুর আর কিছু পিচ্চি পিচ্চি হুজুরের দেখা পেতে লাগলাম, কি বলবো! ভাবলাম আমি আগে সলাম দিয়ে তাদের অবাক করে দিবো কিন্তু আমাকেই অবাক করে একের পর এক সালাম, আর পিচ্চিরা তো এক ধাপ উপরে। মাদ্রাসা গেইট দিয়ে ডুকলাম, যার সাথেই দেখা হচ্ছে তিনি সালাম দিচ্ছেন আর হাত মিলাচ্ছেন ও কোলাকুলি করছেন। এক হুজুরকে বললাম আমি একটু ওয়াশরুমে যাবো, প্রথমে আমর কথাটা মনে হয় বুঝতে পারেননি, কিন্তু যখনই বঝলেন সাথে সাথে একজন ছাত্রকে ডেকে বললেন হুজুরকে হাম্মাম দেখায় দাও।
সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
কেমন আছিস তুই?
তোর কথা ভাইবা জাগি
তোরে ভাইবা শুই।
সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
তোর শরীরডা কি ভাল?
তোর এত সুন্দর চেহারাটা আমরা
ঝগড়া করিয়া বানাইলম কালো।
সি. এস.এম. পেইজরে, ওরে সি. এস.এম পেইজ
তোর অভিমানি ভাইদের কি হইল?
তোর পেইজে আসিয়া বলতে বল,
কেন তারা চলিয়া গেলো-------?
এটাই সত্যি এটাই রিয়েলিটি
এটাই সত্যি এটাই রিয়েলিটি। "এটা এলিট ক্লাসের পেজ"" জাবেদের এই লাইনটাই সবকিছুর সমাধান। একজন বা দুজন না থাকলে কখনও আমাদের এই পথচলা থামবেনা। যে যেখানে মজা পায় সেখানে চলে যাক আমরা থোরাই কেয়ার করি। বরং তারাই এক্টা সময় আফসোস করে মরবে।
গল্পটা সবাই হয়তো জানেন। তাও বলছি।
একবার সন্তান রাগ করে খাচ্ছে না । তো মা অনেক সাধাসাধি করছেন। মার মন বলে কথা। অনেক বারই সেধেছেন মা। কিন্তু সন্তান খাবে না বলে মায়ের এই সাধাসাধিটা খুবি এঞ্জয় করছে। তারপর মা-ও অনেক ডাকাডাকির পর হাল ছেড়ে ডাকাই বন্ধ করে দিল।
সন্তান যখন দেখছে মা আর ডাকছে না তখন একটা প্লাকার্ডে "আরেকবার সাধিলেই খাইবো" এই বাক্যটি লিখে পাশে রেখেছে। কি করবে বেচারা? লজ্জায় মাকে বলতেও পারছে না আর ক্ষিদেও সহ্য করতে পারছেনা।
আমাদের থেকে যারা সরে গিয়েছে তারাও কোন একদিন রিলাইজড করবে আর যখন দেখতে আমরা সবাই সেই আগের মতোই মজা করছি কিংবা আনন্দে মেতে আছি তখন ভীশন আফসোস করবে হয়তো।
তবে এটা ঠিক কারো ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু করা যায় না । যার যেখানে খুশী চলে যাক। তবে আমরা যারা আছি তারা থাকবো সবসময় একে অপরের সাথে ।
অনেকক্ষণ ধরে গুলশান ২ এ জ্যামে বসে আছি
অনেকক্ষণ ধরে গুলশান ২ এ জ্যামে বসে আছি। আমাদের পেজে ঢুকলাম একটু রিফ্রেশ হওয়ার জন্য, ওমা সেখানে দেখি আরো সব কঠিন কঠিন কথা চলছে, তাই গুগল ভাইজানের রম্য পেজে ঢুকলাম। কিছু লেখা পড়তে পড়তে নীচের লেখাটি খুব খুব মজা লেগেছে, তাই এটি আপনাদের জন্য তুলে ধরলাম। উল্লেখ্য লেখাটি সম্পূর্ণ সংগৃহীত ও কিঞ্চিৎ সম্পাদিত।
এমন কিছু মানুষ আছে যারা কথায় কথায় ‘ধুর শালা’ বলতে না পারলে কথা বলাই যেন হয় না। আবার এমন অনেকই আছেন যারা নাকের ময়লা পরিস্কার করাটাকে একবারে শৈল্পিক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। এই রকম কত বদঅভ্যাস বা মুদ্রাদোষ যে আমাদের আছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। সে দিন এক রেস্তুরায় বসে চা খাচ্ছিলামম হঠাৎ দেয়ালের দিকে চোখ পড়ল। দেখলাম সেখানে লিখাঃ- “আপনি যদি সিগারেটের ছাই চায়ের কাপে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে বেয়ারাকে বলুন আ্যাশট্রেতে করে আপনাকে চা দিতে। লেখাটা দেখে কিছুটা অবাক হলেও রেস্তুরার মালিকের বুদ্ধির তারিফ করলাম মনে মনে। এই বদভ্যাসের না হয় একটা সামাধান খুঁজে পাওয়া গেল, কিন্তু আজ কালকার যুগের অতি আধুনিক মেয়েদের উত্তরাধুনিক বদভ্যাসের কি হবে?
এই লেখা কিছু কিছু মানুষের জন্য প্রযোজ্য
এই লেখা কিছু কিছু মানুষের জন্য প্রযোজ্য। যাদের জন্য প্রযোজ্য তারা বুঝবে, যারা বুঝবে না তাদের জন্য এটা প্রযোজ্য না। এই লেখা পড়ে কারো মন খারাপ হলে, অপমানবোধ করলে, সম্মানহানী হয়েছে মনে করলে সেটা তার সমস্যা। আমার না। তাই কারো প্রতি দুঃখ প্রকাশেরও অবকাশ নেই আমার। একবার এক পোস্টে কে যেন আমার প্রতি বানী ছুড়েছিলো আমি নাকি সাহিত্যের ভাষায় লিখি এবং জীবন নাকি সাহিত্য না। আমাকে নাকি রিয়েলিটি বুঝতে হবে। যারা এখনো এই বানী বিশ্বাস করেন তাদের প্রতি আহবান আসেন রিয়েলিটিতে, দেখা যাক আমি কতটা রিয়েল।
সম্প্রতি বই মেলায় আমি একটি বই পেয়েছি ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত আব্দুল মান্নান স্বপনের "বাংলার গালি অভিধান"। বইটিতে সপ্তদশ শতক থেকে এখন পর্যন্ত প্রচলিত সব গালি সংকলিত আছে। বইটি আমার মোটামুটি মুখস্থ আছে। কেউ আমাকে রিয়েলিটিতে আহবান জানালে ওই ডিকশনারিটা হজম করার মানসিকতা নিয়েই জানাবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কারো ধার ধারি না, কারো লেজুড়বৃত্তি করিনা। কিছু লেখার আগে দশবার ভাবি না। কে মনে কষ্ট পেলো, কে অপমানবোধ করলো এসব নিয়ে ভাবার সময় নেই আমার। লেখালেখি আমার শখ, আমি এখানে শখ মিটাই। পেজে জটিলতা সৃষ্টিকারী না থাকলে আমি খুশি হই এমনকি সেটা যদি আমিও হই। মেরুদন্ড সোজা রেখে কথা বলার হিম্মত আমার আছে। যারা মন জুগিয়ে, মন রেখে কথা বলে। সমর্থন ধরে রাখার জন্য অন্যায়কে অন্যায় বলতে পারেনা তাদেরকে আমি নোংরা নর্দমার কীট ছাড়া কিছু ভাবি না। এখানে কেউ অত্যাবশ্যকীয় নয়। কেউ একজন না থাকলে সব থেমে যাবে এমন ভাবার কোন কারন নেই। যে বুকে টেনে নেয়ার মত মহান প্রয়োজনে তাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়ার মত কঠোরও হতে হয়।
কাল রাত থেকে পেজ টা থমথম বিরাজ করছে
কাল রাত থেকে পেজ টা থমথম বিরাজ করছে, মনে হইতাছে ১৪৪ধারা জারি হইছে,সব দোষ আমাগো বড় ভাইগো,একটা স্কুলে কোন টিচার না থাকলে যেমন চিৎকার চেচামেচি চলে এখানে ঠিক তেমনি চলতাসে,মঈন ভাই, জিয়া ভাই, রেজা ভাই, রফিক ভাই, জসিম ভাই,শাহীন ভাই,মাসুক ভাই,রাকিব ভাই আরো কতো বড় ভাইগো পদচারণা এই পেজ টা গমগম করতো সব কই গেল বড় ভাইরা, আমাদের শাষণ করবে কে আদর করবে কে,নাজমুল ভাই নিরু ভাই যা একটু কথাবাতা কয়,শাহীন ভাই চুপচাপ দেখে কিছু কয়না,বন্যা আপার মজার মজার কমেনট গুলি আর দেখি না,জাভেদ এর সেই দুদান্ত লিখাগুলি আর পাইনা, ছোট ভাই নমির কালপনিক ঘটনাগুলি কোথায় হারিয়ে যাচেছ,রাসেল এর খোঁচা মারা কথা গুলিও আর পাইনা,গুটি কয়েক ছাএ ছাএী এখন ও এই পেজটা মধ্যে চলাফেরা করছে,আশা করি এক সময় সব ঠিক হয়ে যাবে কিন্তুু বড় ভাইদের এগিয়ে আসতে হবে তাদের হাতে হাত ধরেই না আমরা সামনে এগিয়ে যাবো,সব কলোনী বাসী এক হও
কেউ ভাবে নি অতীত হবে
- Mohammad Arif
কেউ ভাবে নি অতীত হবে
তোমার অামার প্রীতি
তৈরি হবে মস্তিষ্কে এক
অাবেগ ঘন স্মৃতি
কেউ ভাবে নি বিলীন হবে
লাল ফড়িং এর মেলা
অদ্ভুত ঐ দিনগুলি অার
ইচিং বিচিং খেলা
কেউ ভাবে নি দেখব না অার
রাতের জোনাক পাখি
লাফিয়ে চলা ঘাস ফড়িংটা
বোতল ভরে রাখি....!
কেউ ভাবে নি কাশফুলগুলো
পড়বে না অার চোখে
এক টানেতে ঢুকিয়ে দিব
সবগুলো তোর মুখে!!!
কেউ ভাবে নি স্মৃতিগুলো
অাবেগ হয়ে তোমায়
সারাটা জীবন বর্ননাতে
মনের মধ্যে ঘুমায়..... wink emoticon smile emoticon
কেউ ভাবে নি অতীত হবে
তোমার অামার প্রীতি
তৈরি হবে মস্তিষ্কে এক
অাবেগ ঘন স্মৃতি
কেউ ভাবে নি বিলীন হবে
লাল ফড়িং এর মেলা
অদ্ভুত ঐ দিনগুলি অার
ইচিং বিচিং খেলা
কেউ ভাবে নি দেখব না অার
রাতের জোনাক পাখি
লাফিয়ে চলা ঘাস ফড়িংটা
বোতল ভরে রাখি....!
কেউ ভাবে নি কাশফুলগুলো
পড়বে না অার চোখে
এক টানেতে ঢুকিয়ে দিব
সবগুলো তোর মুখে!!!
কেউ ভাবে নি স্মৃতিগুলো
অাবেগ হয়ে তোমায়
সারাটা জীবন বর্ননাতে
মনের মধ্যে ঘুমায়..... wink emoticon smile emoticon
কোন একটি টার্গেট বা লক্ষ্য সামনে না থাকলে সাধারনত কাজের গতি বা স্পৃহা কম থাকে এবং এটাই খুব স্বাভাবিক ব্যাপার
কোন একটি টার্গেট বা লক্ষ্য সামনে না থাকলে সাধারনত কাজের গতি বা স্পৃহা কম থাকে এবং এটাই খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। যখন ছাত্রজীবন ছিলো তখন দেখা যেত পরীক্ষা এলেই হুলস্থুল পড়াশোনা বাকী সময় টুকু চলছে গাড়ি যাত্রা বাড়ী অবস্থা।অবশ্য ভালো ছাত্রদের কি অবস্থা থাকে তা আমি জানিনা, আমি তো আর ভালো ছাত্র ছিলাম না , ছিলাম থার্ড বেঞ্চের ছাত্র।
২৯ জানুয়ারী আমাদের গ্রান্ড আড্ডা এই পেজ বা গ্রুপ টির জন্য একটি টার্গেট ছিলো, সংগত কারনেই সবার মধ্যে একটা যোগাযোগ, দৌড়াদৌড়ি, কমেন্টস ইত্যাদি একটু বেশীই ছিলো। অপরদিকে তারিকের ঢাকায় তার চিকিৎসা কালীন সময়ে তকে ঘিরে েএকটা আড্ডা বা যোগাযোগ গড়ে উঠত। এসব কারনে সবসময় একটা জমজমাট ভাব বিরাজ করত। কিন্তু এখন পেজ যে ঝিমায়ে পড়ছে এটা মানতে আমি রাজী নই।প্রচুর লেখা আসছে এবং ভালো ভালো লেখা আসছে, এবং সবাই যার যার মনের আবেগ ঢেলে লিখছে। যে মনিরুল কলোনী তে জীবনে পিকনিকের বাজারের লিস্ট আর মেডিকেলের ঔষুধ বেচার লিষ্ট করা ছাড়া অন্য কিছু লেখছে কিনা সন্দেহ আছে ,সে মনিরুল এখানে দুর্দান্ত সব লেখা দিচ্ছে। এটা কি পেজের পজিটিভ উত্তরন নয় ? মিঠু ভাইয়ের কোক কাহিনী টা লিখেছিলাম এ পেজ তৈরী হওয়ার আগে আমার টাইম লাইনে, আমার সেদিনের সে লেখায় প্রচুর কমেন্টস পড়েছিলো অথচ এ পেজে আমি যে লেখা গুলো দিয়েছি সেখানেও এতো কমেন্টস পড়েনি, তাহলে কি আমি এটা বলব যে, এ পেজের চেয়ে আমার টাইমলাইনে লিখা ভালো ? মোটেই না। কমেন্টস লাইকের উপর নির্ভর করে ও বিচার করে অন্তত এ পেজের জনপ্রিয়তা বা কার্যকরিতা মূল্যায়ন করা যাবেনা, কারন এটি একটি নির্দিষ্ট এলাকার প্রায় সমমনা ও সমান মর্যাদার মানুষ নিয়ে তৈরী।
আমিতো এই গ্রুপে বাপের বাড়ির ফ্লেভার পাই
আমিতো এই গ্রুপে বাপের বাড়ির ফ্লেভার পাই।হয়তো ব্যস্ততার কারনে যাওয়া আসা কম হচ্ছে কিন্তু বাপের বাড়ি কি ভুলে থাকা যায়? কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বাবার বাড়ি মানেই কি যা ইচ্ছা তা করা? আমার দুঃখ কষ্ট পছন্দ অপছন্দের কথা আমি বলতেই পারি।এটা আমার অধিকার।কিন্তু সেটা ব্যাক্তি গত আক্রমন করে না।ফান করতে গিয়ে যেমন কারো উইক পয়েন্ট নিয়ে আঘাত করা যায়না,তেমনি অপছন্দের কথা বলতে গিয়ে কারো নাম উল্লেখ করাও উচিত না তার উপর ব্যাক্তির ওই অপছন্দের মানুষটি যদি সে জায়গায় আবার নিয়মিত আসা যাওয়া করে।এটা একটা কমন সেন্স যেটা সবার থাকা বাধ্যতামূলক। আমাদের সবার মাথাতেই ফিল্টার বসানো আছে,কোন জায়গায় কোন কথা বলতে হয় বা হয়না ওইটা ওই ফিল্টরই ঠিক করে।এখন এই ফিল্টার যদি কারো নষ্ট থাকে অবিলম্বে মেরামত করো।সুইচ্ অফ থাকলে অন করো।গ্রুপে এ ভালোনা,তে খারাপ এগুলা শুনতে ভাল্লাগেনা। যাই হোক আমার মাথার ফিল্টার ঠিকাছে, আপনারটা?
সাথী ফয়হাদ:::কানা ফয়হাদ
বনধু দুই ফয়হাদের কথা আজ কেন জানি বার বার মনে পড়ছে।সাথী ফয়হাদ যেখানে আছে যে ভাবে আছে তুমি ভালো থেক আললাহ দরবারে এই দোয়া করি।সাথী ফয়হাদ ডুব দিয়ে মাছ ধরার পারদূশী ছিল।এক ডুব দিয়ে দুই হাতে দুইটা মাছ ধরতে পারতে।আমরা যখন পুকুরে গোসল করতাম তখন আমি সাতার পারতাম না।তখন ফয়হাদ সাতার তে পারতে ডুব সাতার পারতে ডুব দিয়ে অনেক দূর চলে যেতে পারতে।সে অন্য দিক দিয়ে ডুব মেরে আমাদের পা দরে টান দিত।অনেক ভয় পেতাম ভাবতাম কিছু টেনে নিয়ে যাচেছ। অনেক অনেক ভয় পেতাম।এখন মনে মনে হাসি পাই।মনে হলে ফয়হাদকে মিস করে। ফয়হাদ গাছের নীচ থেকে পাথর দিয়ে নারকেল ফেলে দিতে পারতে। সাথী ফয়হাদ তো সাথী ফয়হাদ ভালো থাকা হয় যেন দোয়া করে।।। বাকি টুকু অন্য দিন।--------।
ইদানিং নিজের কিছু ব্যাক্তিগত সমস্যা আর ব্যাস্ততার কারনে পেজটাতে একদমই কম এন্ট্রি করা হয়
ইদানিং নিজের কিছু ব্যাক্তিগত সমস্যা আর ব্যাস্ততার কারনে পেজটাতে একদমই কম এন্ট্রি করা হয়। মাঝে মধ্যে একটু আধটু যাই ঢুকি কেবল লাইকের উপরেই থাকি। লাইক দিয়ে জানান দেই যে আছি সেই আগের মতই সবার সাথে। যদিও মানিক ভাই লাইক না দিয়ে এক লাইন হলেও কমেন্ট করতে বলেছেন।
আমি ডেইলী রাত ১:৩0টা/২টার দিকে এন্ট্রি করে সারাদিনের জমানো কমেন্ট পোস্টগুলোর জাবর কাটি। আজ রাত ১.৫৫টায় ঢুকেই পোস্টগুলি পড়ছি তখনি ছোট ভাই লিটনের পোস্ট-এ চোখ আটকে গেল। আমার চোখে দেখা খুব্বি ভদ্র একটা ছেলে, সেই ছোট বেলা থেকেই দেখছি লিটনকে।
যাই হোক, লিটন এবং অন্য সবার উদ্দেশ্যে কেবল আমি আমার কথাগুলি বলছি। তোমরা যারা ভাবছো এখন আর আগের মতো লাইক কিংবা কমেন্ট পড়ে না, কিংবা আগের মতো এই পেজ জমে না তাইলে সেটা হবে ভুল ধারনা।
Monday, March 7, 2016
আমাদের বাসার পাশের বাসা ছিল জাফর মামাদের বাসা
আমাদের বাসার পাশের বাসা ছিল জাফর মামাদের বাসা।মামার দুটো ছেলে ছিল-রুমি ও জনি।রুমি ওজনি পিটা-পিঠি ছিল।তারা খুব চন্চল ছিল।জনি ও রুমির তখন বয়স সম্ভবত ৪-৫ হবে।ওরা সবসময় চিটাগাং এ বাসায় কথা বলত।আমি জনি ও রুমি কে ক্ষ্যাপাইতাম আর ওরা আমাকে চিটাগাংএ ভাষায় গালি দিত।ওদের ছোট্ট মুখে চিটাগাং ভাষা শুনার জন্য সবসময় ওদের সাথে দুষ্টামি করতাম।
অনেক দিন পর পেজে লিখছি
অনেক দিন পর পেজে লিখছি।।কোন পুরস্কার বা হিট লিস্টে থাকার জন্য নয়।।মনটা খারাপ লাগছে তাই লিখছি।।একটা সময় এই পেজটাতে রাত-দিন পরে থাকতাম।।কর্মস্থলে সিনিয়ারের বকুনি শুনতাম আর বাসায় চলতো রীতিমতো যুদ্ধ।।তারপরও পেজটাকে ছাড়তাম না।।নিজের অস্তিত্বকে কি করে ছেড়ে যাই।।হাজার প্রতিকূলতার মাঝেও নিজের অস্তিত্বটাকে ধরে রেখেছিলাম।।কিন্তু এখন কেন যেন পারছি না।।যতই চাচ্ছি ধরে রাখতে ততটাই দূরে সরে যাচ্ছি।।একটা বাধা কাজ করছে।।
গতকাল "হীরা" নিয়ে একটা কমেন্টস করেছিলাম মনের দুঃখ থেকে।।বেশ ভাল লাগলো।।নিজেকে হীরা বলে দাবি করছিনা।।আমার মতো নির্বোধ লোক কিছু (হিরার মতো দামি) এবং (ভাল মনের ) কিছু মানুষের সন্ধান পেয়েছিলাম এই পেজের মাধ্যমে।।যাদের মাঝে থাকতে পেরে নিজেকে অনেক ধন্য এবং সৌভাগ্যবান মনে করেছি।এখনও করি।।হয়তো সময়ের পরিবর্তনে তা এখন প্রকাশ করতে পারিনা।।
বিকাল বেলায় আমি রাশেদ( মরা রাশেদ)দুলি কলোনীর বিভিন্ন রাস্তায় হাটতাছি
বিকাল বেলায় আমি রাশেদ( মরা রাশেদ)দুলি কলোনীর বিভিন্ন রাস্তায় হাটতাছি, হাটতে হাটতে C টাইপ মাঠের আমাদের বাসার সামনে রিমনদের বাসার পাশে এককোনায় বসলাম, রিমন দের বাসার নীচতলা টিন দিয়ে ঘেরা ছিল টিনের সাথে একটা পেঁপে গাছ ছিল,গাছে মোটামুটি ভালোই পেঁপে ধরছে সূযের আলো পড়ে একটি পেঁপে হলুদ বণ ধারণ করছে,বুঝলাম পেঁপেটা পাকছে তিনজনের মত আজই পেঁপে টা খেতে হবে , এই রাস্তাদিয়ে সব সময় লোকজন চলাফেরা করে,তাই মাগরীব এর নামাজ এর সময়টা বেচে নিলাম,সময়মতো পেঁপেটা নিয়ে পুকুরপাড়ে নারিকেল তলা মানিক ভাই সুমন দের বাসার সামনে তিনজনে বসে আসি এই সময় লিটন এর আগমন বুঝলাম আর কেউ আসবেনা,রাশেদ বাসাথেকে একটা ছুরি নিয়ে এসে পেঁপেটা কাটলো, পেঁপে কাটার পর তো সবার মাথায় হাত পুরা কাঁচা পেঁপে এখন কি করি, লিটন একটা সুন্দর পরামশ দিল আমরা সবাই তা মেনে নিলাম, রাশেদ আবার বাসায় গিয়ে একটা খালি মিসটির প্যাকেট নিয়া আসলো সাথে প্যাকেটের সাথে রশি পলিথিন নিয়া আসলো,এবার সুন্দর করে পেঁপেটা বসাইয়া সোজা বাজারে,বাজারের গেইট পার হইয়া লিটন প্যাকেট টা নিয়া মুন বেকারীর পিছন দিয়া গিয়া সামনে দিয়া হেলতে দুলতে আসতাছে,এদিকে আমি দুলি রাশেদ বেলাল ভাই ভাই দোকানের সামনে দাড়িয়ে আছি,দোকানে তখন আবদুল্লাহ ভাই লিটনকে দেখে তো আমরা সবাই হইচই শুরু করে দিলাম এবং প্যাকেটটা নিয়ার জন্য জোরাজুরি করতাছি লিটন এর এক কথা বাসায় মেহমান আমাকে ছেড়ে দে কে শুনে কার কথা জোর করে প্যাকেটটা নিয়া আবদুল্লাহ ভাই বললাম ভাই ১০টা ব্যনসন সিগারেট দেন আর প্যাকেটটা রাখেন, আবদুল্লাহ ভাই তো পারলে প্যাকেট তখন খুলে ফেলে কোনোমতে ১০টা সিগারের নিয়ে আমরা ফগার পার আর এদিকে আবদুল্লাহ প্যাকেট খুলেতো যা তা শুরু করে দিল আমার বাসায় এসে বাপের কাছে বিচার দিল দুলির বাসায় গিয়ে বিচার দিয়ে আসলো কয়েকদিন তো বাজারে গেলোও মাছ বাজার দিয়া ঘুরে যেতাম বহুদিন আবদুল্লাহ ভাইয়ের সামনে পড়ি নাই .....
প্রতিশোধ
১৯৭১ সালের আগস্ট মাসের মাঝামাঝি । আমরা তখন থাকি স্টীল মিলের ই- টাইপে। সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি ব্রিস্টি। ১১ টা নাগাদ তা মূষলধারে। বাসা থেকে পুকুরটা দূরে না খুব। তাই ব্রিস্টি মাথায় নিয়ে পুকুরে দাপাদাপির নেশাটা পেয়ে বসলো। গামছাটা সাটের নীচে লুকিয়ে সোজা পুকুরপাড়।
পুকুরে নেমে দেখি বুলু-বাদল দু'ভাই (আমার বন্ধু/ক্লাসমেট)। তিন জন মিলে বরষন মূখর দুপুরে পুকুরে সে কী মাতামাতি আর দাপাদাপি। এদিকে যোহরের নামাযের ওয়াক্ত ঘনিয়ে এসেছে।মসজিদে হাজিরা না দিলে বাপের কাছ কইফিয়ত দেবার ভয়। আনন্দে ছেদ টেনে তাই তাড়াতাড়ি পাড়ে উঠার আয়োজন
"আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি----" মনের আনন্দে গান গেয়ে পাড়ে উঠছি,-পিছন থেকে পিঠের উপর এক ঘুসি। পিছন ফিরে তাকাতেই মুখের উপর আরেকটা।
এক এক মানুষের জীবনের গল্প এক এক রকম
এক এক মানুষের জীবনের গল্প এক এক রকম ।তারপর ও মানুষের দিন চলে যায় জীবনের নিয়মে ।কেউ বা চলে ঝাকানাকা , কেউ বা চলে একা ,কেউ বা চলে. . . . . । কেউ ই থেমে থাকে না ।চলছে জীবন যাত্রা বাড়ী ।চলেই যাচ্ছে ।তেমনি আমরা ও চলে যাচ্ছিলাম যার যার মতো ।হঠাত্ এলো CSM COLONY GROUP .জীবনে এল নতুন পরিবর্তন ।একি হলো সবার জীবনে ।সকাল শুরু করি এর আপডেট দেখে ।ঘুমাতে গেলে CSM ,ঘুম ভাঙ্গলে CSM ,অফিসে কাজের ফাঁকে CSM ,খেতে বসে ও CSM ,আরিনকে পড়ানোর ফাঁকে CSM,এমন কি বাথরুমে গেলে ও CSM .রক্তের সাথে মিশে গেছে এই CSM COLONY .তোমায় বড্ড ভালবাসি ।তোমায় অনেক মিস্ করি CSM COLONY.
মাশুক ভাইয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আমার পুরনো কথা মনে পড়ে গেল
মাশুক ভাইয়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আমার পুরনো কথা মনে পড়ে গেল।ভাইয়ার কাছে পড়ার সময় আমরা যখন পরীক্ষা ভীতির কারনে প্রাইভেটে যেতাম না।ভাই বুঝে যেত আমরা ফাঁকি দিয়েছি।যথারীতি বাসায়(মাঝে মাঝে) হাঝির,নয়তো বা ফাঁকিবাজির খবর রাত ১০ টার মধ্যে বাসায় পৌঁছে গেছে। তারপর বাসায় ১০ নাম্বার বিপদ সংকেত। অশেষ শ্রদ্ধা ও কৃতঞ্জতা মাসুক ভাইয়ের প্রতি।ভাইয়ার সুস্থতা কামনা করি।
পাঁচ বছর পর মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে ঢুকলাম
পাঁচ বছর পর মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখতে ঢুকলাম, সেই ২০১১ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর গতকাল গেলাম, এর মাঝে অনেক গুলো ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হলেও কোনবার যাইনি, অথচ বাসা ষ্টেডিযামের কাছেই এবং প্রতিবারই অফিস থেকে টিকেটের ব্যাবস্থা থাকে (পুরা মাগনা ।)। এ বার গেলাম, বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে, সংগে আরো দুজন কলিগ। গেটের কাছাকাছি আসতেই নিজেরে সেলিব্রেটি মনে হলো , প্রথমে ষ্টার স্পোটর্স চ্যানেল তাদের বুম ও ক্যামেরা ধরল , জানতে চাইল বাংলাদেশ ফাইনালে খেলছে এর প্রতিক্রিয়া, গতানুতিক উত্তর দিলাম, এরপর আসল ইন্ডিপেনডেন্ট ও এসএ টিভি তারা জানতে চাইল টিকেট পেতে কোন সমস্যা হয়েছে কিনা। এই কথার কোন উত্তর দিলাম না (মানুষ যেখানে কষ্ট করে দিন রাত লাইনে দাড়িয়ে ২৫০ টাকার টিকেট ২৫০০ টাকা দিয়ে কিনে খেলা দেখতে যায়, সেখানে আমি অফিসের কল্যানে ফ্রি তে ভিআইপি গ্যালারিতে খেলা দেখি, স্বাভাভিক ভাবেই তখন তো নিজেরে অপরাধী লাগে, আর এ জন্য জবান বন্ধ থাকে।)। এর পরতো ঝড় তুফান, বাংলাদেশের হার আর আশেপাশে সুন্দরী ললনা। রাত সাড়ে বারোটার দিকে হেটে হেটে বাসায় ফিরলাম।
পরিসংখ্যান এর এদিক সেদিক
Al Amin Billah Shujon এর প্রকাশিত ডাটা অনুযায়ী লিখার সং্খ্যা যেমন বেড়েছে,তেমনি বেড়েছে লেখকের সং্খ্যা। এটা অবশ্যই আনন্দের বিষয়। তবে জসিম ভাই,নজরুল ভাই চিন্তিত যে আগের মত আড্ডা জমছেনা যেটা শুরুতে জমত।খেয়াল করার মত,তবে দুশ্চিন্তা করার মত না।ভাল সময়, মন্দ সময় সব সময় থাকবে।বসন্ত, শীত সবসময় থাকবে।কোন বসন্তে গাছে ফুল নাও থাকতে পারে,তবুও বসন্ত।আড্ডা জমছেনা তার মানে মেম্বারদের পেজের প্রতি ভালবাসা কমে গেছে এমন মনে করার কোন কারণ নাই। তাহলে লিখার সং্খ্যা এত বেড়ে যেত না।কারন কিছু স্বপ্নবাজ মানুষ পেজটাকে সবসময় নিজের অস্তিত্ব এর অংশ মনে করে।তারা কখনোই পেজকে ঝিমিয়ে পড়তে দিবেনা।সবার আলাদা আলাদা জীবন আছে,ব্যস্ততা আছে।তবুও দিন শেষে সবাই পেজে ঢুকে পোস্ট দেখতে পছন্দ করি।কেউ লাইক দেই,কেউ কমেন্ট করি।এটা করি পেজের প্রতি ভালবাসা থেকে, আন্তরিকতা থেকে।দায়বদ্ধতা থেকে। পেজের জন্য ভালবাসা না থাকলে এটা কখনোই হত না।
পরিসংখ্যান রিপোর্টঃ গ্র্যান্ড টোটাল (২০ অগাস্ট ২০১৫ টু ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ পর্যন্ত)
- Al Amin Billah Shujon
কিছু কথাঃ
গ্র্যান্ড টোটাল নিয়ে কি আর বলব। এক কথায় আমি মুগ্ধ এবং অভিভূত । জানুয়ারীতে লিখার সংখ্যা ছিল ৮৯ এবং লেখকের সংখ্যা ছিল ৩৩ জন, যা ফেব্রুয়ারীতে গিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৩ টি এবং ৫৯ জনে। অর্থাৎ জানুয়ারীর তুলনায় ফেব্রুয়ারীতে লিখার সংখ্যা বেড়েছে ১২৮.০৯% এবং লেখকের সংখ্যা বেড়েছে ৭৮.৭৯%। পার্থক্যটা অবশ্যই চোখে পড়ার মত।
কি যে মাসাকার অবস্থা হত যদি মইন ভাই, রাসেল ভাই আর নমি ভাই থাকতো। ভাবতেই ভাল লাগে এখন সবাই অনেক গুছিয়ে লিখে, অনেক সতর্ক সবাই লিখার ব্যাপারে, লিখাগুলো পরে মনে হয় যেন কোন প্রফেসনাল লেখক এর লিখা পড়ছি।
আশা করছি মার্চ মাসে লিখা এবং লেখকের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে, এখনো পর্যন্ত প্রতিদিন ৮ টিরও বেশি লিখা আসছে যা খুবই ইতিবাচক। এইভাবে চলতে থাকলে মার্চ মাসের প্রতিযোগিতা অনেক বেশি/আরো বেশি জমজমাট হবে বলে মনে হচ্ছে।
এইবার সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমাদের জাভেদ ভাইয়ের প্রপোসালটা নিয়ে একটু ভাবতে। খুব সুন্দর প্রস্তাব। আমি জাভেদ ভাইয়ের কথাটা কোড করলামঃ
“আমি কলোনির একটি বর্ননামুলক মানচিত্র তৈরির চেষ্টা করছি। শুরুটা আমি করলাম। আমি চাই সবাই যার যার মত অংশগ্রহন করুক। লেখাগুলো বর্ননামুলক হওয়া জরুরী। কলোনির আইডেন্টিক্যাল, আইকনিক অথবা দীর্ঘদিন চোখে পড়েছে এমন জিনিসগুলো বর্ননায় এলে মানচিত্রটা অনেক সমৃদ্ধ হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় খালপাড়ের সেই বড় পাথরটা, ই-টাইপের ভাঙ্গা স্লিপার কিংবা টাংকির নিচের সেই ঠাণ্ডা চকচকে মসৃণ পানির পাইপটা। যারা এই গ্রুপের লেখার আর্কাইভ করছেন তাদের কাছে অনুরোধ এই আহবানে সাড়া পাওয়া গেলে এই লেখাগুলো যেন আলাদা মার্ক করে একসাথে মজুদ করা হয়। লেখাগুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম”
আমরা সবাই চাইলে খুব সুন্দর একটা মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব। ২/৩ জন ইতিমধ্যে লিখা শুরু করছে এই বিষয়ে। আমাদের সবার উচিত এই বিষয়ে অন্তত একটা করে লিখা পোস্ট করা। মার্চ মাসে সবাইকে “কলোনির একটি বর্ননামুলক মানচিত্র” এই বিষয়ের উপর অন্তত ১ টি করে লিখা, লেখার জন্য অথবা বিষয়টি নিয়ে ভাবার জন্য অনুরোধ এবং আহবান করা হল।
যাই হোক অনেক কথা বলে ফেললাম। আর বেশি কথা বলব না, আর আপনাদের বিরক্ত করব না। এইবার গ্র্যান্ড টোটাল এর ফলাফল প্রকাশ করছি।
এখন আমি কোন দিকে যাবো বুঝতে পারছিনা
মসজিদের ডান পাশে পুকুর বাম পাশে আমাদের বাসা, আমি ডালিম, শিপন,দুপুর হলেই পুকুরে দাপাদাপি করতাম,এই দাপাদাপি করতে করতে একদিন ডুব দেয়া শিখলাম, আস্তে আস্তে কিছুটা সাঁতারও শিখলাম তাও পুরাপুরিনা এটা আবার বড়াই করে সবাইকে বলতাম,আমাদের এই কথা শুনে বিপুল ও গো ধরছে সে ও সাঁতার শিখবে কিন্তুু আমি চাইনি বিপুল আমার আগে সাঁতার শিখুক আর এমনেও বিপুল এর সাথে আমার বনিবনা হতো কম,তো সবাই মিলে একদিন পুকুরে গেলাম বিপুলও সাথে, পুকুরে নেমে ডালিম শিপন সাঁতার কাটতাসে আমি আর বিপুল নিজেরা নিজেরা পানিতে দাপাদাপি করতেছি আর বিপুল কে দেখাচিছ কি ভাবে ডুব দিয়া পানির নিচে থাকতে হয় এভাবে কিছু সময় দুজনের কথা বলা চলছে,কথা বলতে বলতে কি নিয়ে জানি দুজনেরই ঝগড়া শিপন ডালিম তো একবার আসে আবার সাঁতার কাটতে কাটতে দুরে চলে যায়,হঠাৎ আমি আর বিপুল পানির মধ্যে মারামারি শুরু করে দিলাম,বিপুল মারামারি করতে করতে উপরের দিকে চলে যেতে চায় আমি বিপুলকে পানি থেকে উঠতে দিতে চাচিছ না,হঠাৎ আমি বিপুলকে ধইরা পানির মধ্যে চুবাইতেছি আর বিপুল উপরে উঠতে চাচেছ এভাবে কয়েকবার করাতে বিপুল এর মুখের ভিতর পানি ডুকে গেল আর কাশতে শুরু করে দিল শিপন আর ডালিম এসে তাড়াতাড়ি বিপুল কে বাসায় পৌঁছে দিল, বিপুল এর মা তো সাথে সাথে যতারীতি বাসায় বিচার দিল আর নিচে বিপুল এর মা আর উপরে আমার মা বসে রইলো এখন আমি কোন দিকে যাবো বুঝতে পারছিনা .........
আমি কাল রাত থেকে মানে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ার পর থেকে
আমি কাল রাত থেকে মানে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ার পর থেকে আমার মাথায় একটাই চিনতা কাজ করছে আর খুব বেশি মনে হচছে সাকিব ইচছা করেই আমাদের সাথে এমন করল।আমার মনে আছে আরও একবার আমরা সাকিবে জন্য হেরেছি।এই পেইজে অনেক ভাইয়ারা আছেন জারা খেলা খুব বুঝেন, একটা জিনিস খেয়াল করবেন যে বাংলাদেশ আট ভারতের খেলা হলে কোন মা কোন ভাবে আটা হেরে জায়। আমার মনে হয় কোন এতে কোন ষড়যন্রআছে।ইস এখন ইচছা করতাছে কেন জে সাংবাদিকতা নিয়ে পড়লাম না।কিছু একটা হলেও করতে পারতাম।যখন দেখতাছি আমরা হেরে জাব,তখন মনটা খুব খারাপ হওয়াতে জুবায়ের উপর সব রাগ গিয়ে পড়ল।খেলা দেখার সময় দুইবার ওকে মারচি।কি করব কি বুঝতাছিনা। আসলে কালকে আমাদের মুজতাবিজকে বেশি দরকার ছিল।মনটা খারাপ তো তাই উলটা পালটা কিছু লিখলাম। কিনতু কথা সত্য।
Subscribe to:
Posts (Atom)