Wednesday, March 16, 2016

দুই রুমের বাসা


দুই রুমের বাসা। তিলপা পাড়ায়। একটা খাট, ছোট একসেট সোফা, আর একটি আলমারি। সংসার সুরু।

দারুন খুশী, আজকের সারাফের মা। রাত যেগে গল্প করতাম। সারাদিন কাজে থাকতাম। সন্ধার পর, বাসাবো ক্লাবে আড্ডা। আর রাতে, চুপচাপ বউ এর, নানারকম কথা সুনতাম। আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি, তখন বাবা মারা যায়। বাবার সাইকেলে চরে প্রতিদিন স্কুলে যেতাম। অনেক ভালোবাসতো বাবা আমাকে, সবার ছোট ছিলামতো, তাই। 
প্রেম/ট্রেম, আসেনাই জিবনে?? নাকি আমার আসায় বসেছিলে!! প্রেম ঠিক না, তবে---, নড়ে/চড়ে বসলাম, তবে কি?? তবে কিছু না। আরে বলে ফেলো, নো প্রবলেম। এই দেখো আমি, ভালোবাসতে/বাসতে, জিবনটা ফানা/ফানা করে ফেলছি!!!! 

এই ভাবেই যেতো, নানারংগের দিনগুলি। 

স্নানঘর


আমাদের বাসা টা মানে স্টিল মিলস কলোনি টা যদিও ছিল অনেক দূরে শহর থেকে,তবুও মেহমানের কমতি ছিল না।আজ নানি,কাল ফুফাত বোন, পরশুদিন মামাত ভাই সবসময় মেহমান লেগেই থাকত।কিন্তু বাথরুম ছিল একটা। তাই মেহমানরা আসলে ঝামেলা হত।

তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি।বাসায় মেহমান এসেছে অনেক।স্কুলে যাব। গোসল করতে হবে কিন্তু বাথরুম খালি নাই।কি করি! আগেই বলেছি বিল্ডিং এ সবার ঘরে যেকোন প্রয়োজনে চলে যাওয়া যেত।আম্মা বললেন,রিপা আপাদের বাসায় যেতে।আমিও আম্মার কথামত ছুটলাম উনাদের বাসায়।কারন খালাম্মা মানে রিমন ভাইয়ের আম্মা সবসময় গুছানো থাকতেন,ঘরদোর পরিস্কার রাখতেন।তাই বাথরুম টা ছিল দারুন পরিচ্ছন্ন।

খালাম্মা কে বাথরুম এর কথা বলতেই উনি নিঃসংকোচ এ যেতে বললেন।গোসল শেষ হবার পরে পিছনে ফিরতেই দেখি বাথরুম এর দুই দরজায় দুইজন বিদেশিনী মডেলের ছবি লাগানো। মেয়েগুলো এমন ভাবে তাকিয়ে আছে যেন এতক্ষণ ধরে আমাকেই দেখছিল।মনে কি আসল জানিনা,দৌড়ে তাড়াতাড়ি বাথরুম থেকে বেরিয়ে বাসায় চলে আসলাম

csm স্কুলে ক্লাস 4 এ পড়ি ১৯৯৯


csm স্কুলে ক্লাস 4 এ পড়ি ১৯৯৯
মানে এখানকার সিনিয়ার ভাই বেরাদারদের তুলনায় দুধভাত tongue emoticon
মূলকথায় অাসা যাক,স্কুলে নাজিমুদ্দিন স্যার ছিলেন ইংলিশ পড়াতেন। বেশ ভাল বেত চালাতেন!
হুম্মম ঠিক ধরছেন আমাদের গায়ের
উপর smile emoticon
যথারীতি বাসায় এসে অাব্বারে বিচার দিলাম "অাব্বা নাজিমুদ্দিন স্যার বেশি মারে "
আব্বা বলল পড়া না শিখলে তো মারবেই.....
পরের দিন অামার বড় ভাই ও আব্বাকে বলল নাজিমুদ্দিন স্যার ওরে ও কিলান দিছে। তাই অাব্বা অামাকে আর আমার ভাইকে একটা দোয়া শিখাই দিলেন(ফাবি আ...লা... ই রাব্বি কুমা তুকাজ্জিবান) অার বললেন স্যারের সামনে এটা মনে মনে পড়তে...

কলেজ যাওয়ার আগেই কলেজ বাসে যাওয়া আসা করতাম


কলেজ যাওয়ার আগেই কলেজ বাসে যাওয়া আসা করতাম, একসময় কলেজে ভত্তি হলাম,কলেজে ভত্তি হওয়াতে মনের মধ্যে অন্য রকম ভাব কাজ করতো, কলেজ বাসে যাওয়ার সময় একটা নিয়ম ছিল বড় ভাইরা সামনে বসতো আর মেয়েরা মাঝে বসতো আর যারা নতুন তারা একদম পিছনে,আসার সময় আবার এই নিয়ম ছিল না, আমরা এমনে পিছনে বসার মধ্যে মজা পেতাম কারণ পিছনে বসলে সামনে কি হচেছ না হচেছ সব জানতে পারতাম,কলেজ বাসের দরজা ছিল দুইটা,কলেজে যাওয়ার সময় সবাই মোটামটি মাঞ্জা মেরে যেত, শত হলে নিজেকে জাহির করে যেতে হতোনা,বাসের মধ্যে মরা রাশেদ উঠলে তো কথাই নেই গান চলতো আর পিছনে চিল্লাচিল্লি প্রতিদিন চলতো,আমি বেশির ভাগ সময় ভিতরে না বসে পিছনের দরজায় দাড়িয়ে থাকতাম,পিছনের দরজায় দাড়ানো জন্য আমার সাথে অনেক কে ফাইট করা লাগতো,হেলপার এর পাটও নিতাম,কলেজ বাস ছাড়তো মেডিকেলের পিছন থেকে মেডিকেলের পাশে মোটা মোটা লোহার থাম দিয়ে গেইট ছিল,বাস ঐ গেইট দিয়ে মোড় ঘুরে বের হতো,তো একদিন আমি ভালো মতো মাঞ্জা মারতে মারতে দেরি হয়ে গেলো দৌড়ে কোনমতে পিছনের দরজায় উঠলাম বাসও মোড় ঘুরতেছে আমার হাত যে বাহিরে সে দিকে খেয়াল নেই হঠাৎ চোখে সষে ফুল কি থেকে কি হয়ে গেলো আমি চিৎকার করে উঠলাম,আমার বাম হাত নাড়াইতে পারছিনা সাথে সাথে আমাকে ধরে পাশে হাসপাতালে নিয়ে গেলো পুরো বাম হাত অবশ এই হাত যে আমাকে বহুত দিন ভোগাইছে

Anisur Rahman Reza ভাই উনার প্রায় কমেন্টস এ আমাকে কপাইল্যা বলেন


Anisur Rahman Reza ভাই উনার প্রায় কমেন্টস এ আমাকে কপাইল্যা বলেন। আমি ধর্ম কর্ম তেমন পালন না করলেও এই কপালের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে সব সময় কৃতজ্ঞ থাকি।

১৯৯৯ সালে যখন স্টিল মিল বন্ধ হচ্ছে হচ্ছে অবস্থা ঠিক সেই সময় আমার ঢাকায় বসুন্ধরাগ্রুপ এ চাকুরী হয়। ওই মূহুর্তে এ চাকুরী সৃষ্টি কর্তার কত বড় দয়া তা ভাষায় প্রকাশের মমত নয়।এর পর ৭/৮ বছর মোটামুটি চলছিল, পুরো পরিবার চিটাগাং , আমি ঢাকায় থাকি, সবাইকে ঢাকা নিয়ে আসলাম, ফুটফুটে এক পুত্র সন্তানের বাবা হলাম তার কিছুদিন পরে বিনা মেঘে বজ্রপাত, অফিসের নোংরা রাজনীতির শিকার হয়ে এক দিনের নোটিশে চাকুরী নেই, সর্ষে ফুলের চেয়ে হলুদ কোন ফুল থাকলে বোধ হয় সে ফুলই দেখছিলাম। ঢাকা শহরে চলার মত মাস দুয়েকের টাকা জমা আছে,এর পর কি হবে সে চিন্তায় অস্থির, কিন্তু সৃষ্টি কর্তা আবারো আমার প্রতি অসীম দয়া দেখালেন,দেড় মাসের মাথায় আবার চাকুরী তে পুনর্বহাল এবং আমাকে হয়রানির করার ক্ষতিপূরণবাবদ দুই লাখ টাকা প্রদান, সৃষ্টিকর্তা যা করেন বোধ হয় ভালোর জন্য করেন। 

অপুর হয়ে গতকাল পুলক একটি পোস্ট করেছে


অপুর হয়ে গতকাল পুলক একটি পোস্ট করেছে।রক্ত দরকার সেখানে আমাদের লিটন ৯৪ ব্যাচ, আমি ফোন করেছিলাম লিটনকে, সে বলল আসলাম রক্ত পাওয়া গেছে, আমি তাকে অপুর সাথে যোগাযোগ করতে বললাম।আমি অপুকে ফোন করে বুজতে পারলাম অপু খুব ব্যাস্ত রোগী নিয়ে,আমি লিটন এর কথা বলাতে অপু আমাকে লিটনের নাম্বার এসএমএস করে দিতে বলে।পরে পুলক বলল ৭ টার দিকে রক্ত দেওয়া হবে।

লিটন আমকে একদিন বলেছিল আসলাম রক্ত লাগলে আমাকে জানাইস,আমার মায়ের রক্তের দরকার হলে আমি লিটনকে বলেছিলাম,সে চেষ্টা করেছে লিটন বন্ধু তোকে অনেক ধন্যবাদ।

এই পোস্ট টা লেখার কারণ আমরা যদি সিএসএম বাসী সুখে- দুঃখে একসাথে থাকি,তাহলে আমরা যে কোন কাজে সফলতা অর্জন করতে পারবো।ইনশাআল্লাহ।

এক‌টি দুপুর‌বেলা ও অামার স্বাধীনতা :


দুপু‌রের খাওয়া শেষ ক‌রে অামার ছোট ভাই‌ অা‌নোয়া‌র এর প্রিয় "GREEN TEA" পরখ ক‌রে দেখব ভে‌বে এক কাপ হা‌তে নিলাম, ধীর গ‌তি‌তে টি‌ভি রু‌মে ঢুকলাম, চা‌য়ের কা‌পে চুমুক দি‌তেই FEEL করলাম কেন অামার ছোট ভাই এই GREEN TEA এত পছন্দ ক‌রে!!! 

নি‌জের অজা‌ন্তেই কখন যে টি‌ভি রি‌মোর্ট হা‌তে নিলাম টেরই পেলাম না, হই‌তো চা এর স্বাদই এর জন্য দায়ী,,,,,যাক সে কথা, POWER BUTTON চাপ দি‌তেই সেই অ‌তি প‌রি‌চিত ভারতীয় চ্যা‌নেল চো‌খের সাম‌নে ভে‌সে উঠ‌লো, কিন্তু অামার ম‌নের খোরাক ঐ ভারতীয় চ্যা‌নেলগু‌লো নয়,,,হয়‌তোবা অার কেউ দেখ‌ছি‌লো এবং সে অবস্থা‌তেই টি‌ভি বন্ধ ক‌রে‌ছে। যা হোক, কেবল অপা‌রেট‌রের সি‌লেক্ট করা ২০ নম্বর চ্যা‌নেলটা চাপ দিলাম, GTV (gazi tv). নাহ, কোন খেলার পুনঃপ্রচারও নেই। সোজা চ‌লে গেলাম খেলার চ্যা‌নেলগু‌লো‌তে। ৩৮ থে‌কে ৪৭ পর্যন্ত খেলার চ্যা‌নেল। শুরু‌তেই ৩৮ নম্বর চ্যা‌নেল। হ্যাঁ, এটাই‌তো খোজঁ কর‌ছিলাম। বাংলা‌দে‌শের খেলা পুনঃপ্রচার। বাংলা‌দেশ বনাম অায়ারল্যান্ড। শেষ চুমুকটুকু দি‌য়ে চা‌য়ের কাপটা টে‌বি‌লের উপর রে‌খে ঘাড়টা টি‌ভির দি‌কে ফিরা‌তেই সেই "যন্ত্রণাময়" বিজ্ঞাপন বির‌তি। ধুর শালা....‌রি‌মোর্ট হা‌তে নি‌য়ে যেই চ্যা‌নেল চ্যান্জ কর‌তে যাব ঠিক সে সময় টি‌ভি পর্দায় ভে‌সে উঠল নিম্মরুপ:

Tuesday, March 15, 2016

আমি শেষ, আমাকে কেউ তোরা বাচা


আমি শেষ, আমাকে কেউ তোরা বাচা। নাক দিয়ে, অনবরত পানি বেরুচ্ছে। এক সাথে, নন স্টপ, ৬/৭টা হ্যাচ্চো!!! গামছা, টাওয়েল, গেঞ্জি, লুংগি দিয়ে নাকের পানি মুছতে মুছতে, বাকি ছিলো, সারাফের মার, উড়না। উড়না দিয়ে নাক মুছে, এখন মহাবিপদে আছি। আমার বেটি মহা আনন্দে আছে। আমি হ্যা-চ- করতেই, আম্মু, উড়না সামলাও, বাবা তোমার, উড়না ঘীন্না করে দিবে!!! আল্লাহ, তুমি আমারেই দেখলা!!! আমার ঠাণ্ডা টা, সারাফের মারে দিলে, কি এমন ক্ষতি হইতো!!!!

মানুষের মজ্জাগত স্বভাব হচ্ছে সস্তায় ভাল মাল কিনে ফেলা


মানুষের মজ্জাগত স্বভাব হচ্ছে সস্তায় ভাল মাল কিনে ফেলা, বরং বলা উচিত কিনেফেলার চেস্টা করা। পশ্চিমা দেশগুলোতে অহরহ লেগে থাকে ‘সেল’। দশ টাকার মাল পাঁচ টাকায় ফ্যাশন একটু পুরানো হলো কি সেটার দাম কমেগেল। আমার ধারনা-বিদেশে থেকে যারা জামা কাপড় ও অন্যান্য জিনিস আনে-তা বেশির ভাগই ‘সেল মার্কা দোকান থেকে’। এবার মুল ঘটনায় আসি। তাপসের চাচা-নারায়নগঞ্জ থেকে বেড়াতে এসে যাওয়ার সময়-তাপস কে জুতা কেনার জন্য 500টাকা দিয়ে গেল। অনুপ, তাপসকে বুদ্ধি দিল রিয়াজ উদ্দিন বাজারের ভিতরে রিডাকশনের দোকান থেকে ভাল জুতা অর্ধেক দামে পাওয়া যায়। 

কিন্ত অনুপ এর শর্ত হলো-চিম্বুক রেস্তরায় বিরানী ও ফিন্নি খাওয়াতে হবে। আর কিছু টাকা রাখা হবে সিনামা দেখার জন্য। তাপস জুতা পছন্দ করে ফেলল- দামটা নাগালের মধ্যে। আরেকটা জুতা তাপসের পছন্দ হয়েছিল-তার দাম এর থেকে বেশী। অনুপ বললো-আগেরটাই বেশি ভাল হবে। আসলে অনুপ হিসাব করে দেখেছে-তাপস যদি বেশী দামেরটা কেনে তাহলে রেষ্টুরেন্ট ও সিনামার জন্য তেমন কিছু অবশিষ্ট থাকে না। রেষ্টুরেন্টে গিয়ে-তাপস জুতা বের করল দেখা গেলো একটা জুতা কালো অন্যটা হালকা খয়েরি। তাপস অবাক হয়ে অনুপ কে জিজ্ঞাস করল এ জুতা পড়ব কি করে? অনুপ বলল কোন অসুবিধা হবে না, কালোটাকে একটু ব্রাউন কালি দিয়ে আর খয়েরিটাকে একটু কালো কালি দিয়ে পালিশ করে নিস, ব্যালেন্স হয়ে যাবে। তাপস অবশ্য সে কথায় ভড়সা পেল না। আবার গেলাম বদলাতে। দোকানের লোকের রক্ত চক্ষুকে কোন মতে সহ্য করে কোন মতে বের হয়ে এলাম। তাপস বাসায় গিয়া আবিস্কার করল-বাম পায়ের জুতা মনে হচ্ছে এক সাইজ ছোট। জুতা পায়ে হাটতে গেলে ব্যাথা লাগে। 

আসুন নেটে নয়, কাগজের পাতায় বই পড়ি


এক সময় খুব গল্পের বই পড়তাম, হুমায়ুন, মিলন, সুনীল, শীর্ষেন্দু, সেবা রোমান্টিক আরও কত কত। প্রজাপতি প্রকাশনির লুকোচুরি নামে একটি রোমান্টিক বই এর কাহিনী এখনো মনে আছে। আমি আর মনিরুল ফ্রিপোর্ট (বর্তমানে ইপিজেড) এর একটি দোকান থেকে বই প্রতি ২ টাকা ভাড়া দিয়ে বই আনতাম, তার জন্য জামানত জমা ছিলো ৫০ টাকা, ৯০/৯১ এর ৫০ টাকা মানে অনেক টাকা। এভাবেই প্রচুর বই পড়া হতো। মিলনের রোমান্টিক গল্প গুলো পড়ে নিজেকে গল্পের চরিত্রের নায়ক ভাব তে বেশ মজাই লাগতো। এর পর মমিন চাচা অফিসার্স ক্লাবে লাইব্রেরি গঠন করলে সেখান থেকে বই এনেও বই পড়া হতো। আর বন্ধু বান্ধব থেকে বই এনে ফেরত না দেওয়া তো শিল্পের পর্যায়ে পড়ত। প্রেমিক প্রেমিকার বার্থডে বা অন্য কোন অকেশনে পরস্পর কে বই উপহার দিতো। চাকুরী সূত্রে ঢাকা এসে আগের মত বই পড়ার সময় না পেলেও প্রতি বছর বই মেলায় যেতাম, গত সাত আট বছর ধরে এখন সে মেলাতেও আর যাচ্ছিনা। এখন কার ডিজিটাল যুগে কাগজের পাতায় কেউ আর বই পড়েনা।সবাই নেটেই বই পড়ে নেয়।

আসুন নেটে নয়, কাগজের পাতায় বই পড়ি।

ABBA TAR NATNIDER KHUB VALOBASTEN


ABBA TAR NATNIDER KHUB VALOBASTEN.BISHES KORE UMAMAKE.BONNA APUR LEKHA-PORAR JATE DISTURB NA HOY TAR JONNO UMAMKE 18 DIN BOYOS THEKE AMADER KACHE REKHECHILEN.BASAE R KARO BIRTHDAY HOK BA NA HOK UMAMER BIRTHDAY THIK PALON KORA HOTO.JUNE MAS ASLEI UMAMER BIRTHDAY PALON KORAR PREPARATION SHURU KORE DITEN."UMAM, R KONODIN TUMAR NANABHAI TUMAKE WISH KORBEN NA BA BOLBEN NA 12 JUNE UMAMMONIR BIRTHDAY." cry emoticon

ক্লাস এইট কি নাইনে পড়ি


ক্লাস এইট কি নাইনে পড়ি।তখন সিএসএম জামে মসজিদে তাবলীগ জামাত এসেছিল। সবাই চুয়েট এর ছাএ ছিল ।আমি তখন অন্য কোন ওয়াক্তের নামাজ না পড়েলও মাগরিব আর ঈসার সময় মসজিদে নামাজ পড়তাম।স্বাভাবিক ভাবেই তাবলীগের ভাইরা আমাদের দাওয়াত দিত মসজিদে বসে আল্লাহ্ কথা শুনার জন্য।একদিন ঈসার সময় তাবলীগের ভাইরা যে বিরানী রান্না করছিল তার খুব খুসবো পেলাম।যখন ঈসার ফরজ নামাজ শুরু হল তখন সাগর.আমি আর দুলাল আমরা নামাজ না পড়ে বিরাণী থেকে গোস্তের টুকরা গুলো খেয়ে মসজিদ থেকে বের গেলাম।তাবলীগের সাথী ভাইরা হয়ত বুজেছিল এই কাজটা কেে করছিল।তাবলীগ ভাইরা শেষ পর্যন্ত আমাদের কে নিয়ে জামাত তৈরি করে তিনদিনের জন্য চট্টগ্রাম শিকলবাহার গেল।আমার প্রথম তাবলীগ জামাতে যাওয়া।

আজ চৈত্রের ১ম দিন


আজ চৈত্রের ১ম দিন, চৈত্র মাসে নাকি কাঠ ফাটা গরমে দুনিয়া শুকিয়ে যায়, আর এদিকে আমাদের সিএসএম এ রোমান্সের জোয়ার বইছে। আহ কি রোমান্স!! পড়লেই মন টা হু হু করে ।

জানালা টু জানালা চোখাচোখি, পুকুরপাড় টু বারান্দা ইশারা। স্কুল টু বাসা কুটুর করে কথা বলতে বলতে পথ চলা।

কলেজ বাস আর নিউমার্কেট নার্শারী, পাথরঘাটা, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় ছিলাম না? সব জায়গায় রোমান্স। রোমান্সের জন্য কত পাগলামি, এই পাগলামি মাঝেমাঝে ছাগলামি তে গিয়ে পড়ত। 

তবু যুগযুগ বেঁচে থাকুক এই রোমান্সের পাগলামি ছাগলামি।

এক বালকের হারানো প্রেম কাহিনি


আমার ছোট ভাই মগার জন্য এই লিখা টি উওশরগ করলাম।

এক বালক আর তিন বালিকা এক ই এরিয়া তে থাকে এক জন ফেছনে,এক জন পাশে, এক জন নিছে, তিন জন ই এক বালক কে পছন্দ করে, বালক তিন জনের সাতে ই এক ই তালে পছন্দের সব কাজ করে যাচিল, অতি চালাকের মাঝে মাঝে ফাদে পরতে হয়, কি করে যেন ২ জন বালিকা যেনে গেল ওই এক জন বালক ই তাদের ২ জনের পছন্দের বালক, তাই ২ জনে বুদ্দি করে বালক কে শাস্তি দেয়ার, যাই হক এক দিন ২ জনের এক জন বলল তাকে কলেজের ফাকে কোথাও কিছু খাওয়া তে , বালক বলল সে কি করে খাওয়াবে তার কাছে তো অতো তাকা নাই বাসা থেকে জা দেয় তা দিয়ে আসা যাওয়া তে শেষ হয়ে যায়,তখন ওই বালিকা বলল ঠিক আছে খাওয়া তে হবে না এমনি গুরতে যাব, ঠিক হল বিধি বাম ২ জনে যুক্তি করে বালক কে ফাসাতে গিয়ে যা ঘটলোঃ 

তা--্বে-----------------------------অনেক বড় ঘটনা লিখে শেষ করা মহা বিপদ।

চলবে-----------------------------

উড়াতে চাই টেস্ট জয়ের পতাকা


Tomorrow is a big match PAKISTAN VS BANGLADESH ICC T20 WC..Keeping that in mind an old write up is posted here.

উড়াতে চাই টেস্ট জয়ের পতাকা; লর্ডসে (LORDS) কিংবা এমসিজিতে (MCG) :

স্বাধীনতার পর পর আবাহনী ক্লাব যখন বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন ধারার প্রবর্তন ক’রে খেলাটিতে প্রানের সঞ্চার করেছিল তখন থেকেই খেলাধূলার প্রতি আগ্রহের সৃষ্টি। বাবার চাকুরী সূত্রে কলোনী জীবনে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ছিল অফিসার্স ক্লাব। সেখানে ছিল ইনডোর আউটডোর নানা রকম খেলার সুবিধা। তাছাড়া চট্টগ্রামের প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগেরও একটা টীম ছিল আমাদের। লোকাল প্লেয়ার ছাড়াও ঢাকা আবাহনীর সালাউদ্দিন, টুটুল, চুন্নু এরা খেলতে যেত স্টীল মিলের ফুটবল টিমের পক্ষে। অফিসার্স ক্লাবের পাশের রেস্ট হাউসে তাদের থাকার ব্যবস্থা। আমরা ক’জন কিশোর বন্ধু ওদের আশ পাশে ঘুরঘুর করতাম দিনমান। তখন অটোগ্রাফের কথা মনে আসতো না তবে এত কাছ থেকে অতোবড় প্লেয়ারদের দেখতে পাওয়ার থ্রিল অনুভব করতাম প্রচন্ডভাবে।

দোস্ত মহলে সকলেরই একটা না একটা ছদ্ম নাম থাকে


দোস্ত মহলে সকলেরই একটা না একটা ছদ্ম নাম থাকে,আমি মাঝে মাঝে কলেজ এ ক্লাস করে খুলসী দিয়ে হাটতে হাটতে জেঠা বাসায় চলে যেতাম দুপুরে খাওয়ার জন্য মাঝে মাঝে টাইগার পাস উঠে বাসায় চলে আসতাম মাঝে মাঝে পর দিন বিকালে আসতাম,একদিন আসি নাই রাতে আমার সমবয়সী ভাই কে দিয়ে সাদা কাগজে দোস্তদের ছন্মনাম গুলি লিখে তাদের গোপন কথা গুলি বণনা করে একটা চিঠি লিখলাম,ঠিকানা দিলাম ভাই ভাই দোকান,তারপর ঐ চিঠি দুইদিন পর পাহাড়তলি ডাক বাক্সে ছেড়ে দিতে বললাম আমার জেঠাতো ভাইকে তারপর আমি বিকালে টাইগার পাস থেকে কলেজ বাসে করে কলোনীতে চলে আসি,দুপুরে একবার হলে ও বেলাল ভাইয়ের দোকানে আসা হতো দোয়া টানটে,তো তিন চার দিন পর আমি দুলি মরা রাশেদ দোকানের সামনে আডডা দিতাছি,এমন সময় পিয়ন এসে আমাদের সামনে চিঠিটা বেলাল ভাইয়ের হাতে দিলো, বেলাল ভাই ও চিঠি আমাদের হাতে দিল আমিও চিঠিটা এমন ভাবে ছিড়লাম যেন পোসট অফিসের নামটা না বুঝা যায়,তারপর চিঠি পড়ে তো সবার মন মেঝাজ হট আমার নামে যাতা বলা আছে,মোটামুটি সবার ব্যাপারে কথা,মরা রাশেদ তো পারলে যে চিঠি লিখছে তারে সাইজ করে, আমি ও সমানে গালাগালি করতাছি,বিকালে সবাই আসার পর এই নিয়ে আলোচনা চলতাছে কে করলো কাজটা লিখা কারো সাথে মিলে না,কে কারে দোষ দিবো এর রেশ অনেক অনেক দিন ছিল,তখন খালি টেনশন আর টেনশন এতো টেনশন কেন সবার মনে ছিল তখন?

একটি ছেলে আর একটি মেয়ে


একটি ছেলে আর একটি মেয়ে। দুজনের বয়সটা কাছাকাছি। তবে বয়সটা অল্প। ভালোবাসাটাই তখনো ভালো করে বুঝা হয়ে উঠেনি। একদিন হঠাত, একটি মায়াবি মুখ!!!! বারান্দায় দড়িতে ঝুলানো, শাড়ীর আড়ালে, একটু দেখা দিয়ে, আবার শাড়ীর আড়ালে, আবার দেখা দিয়ে, আবার শাড়ি আড়ালে!!!! ছেলেটির অস্থিরতা বেড়ে গেলো, বুঝতে পারলো, কোথায় যেনো, খুব ভালো লাগা, কিছু একটা হচ্ছে!!! গল্পের সুরু এখান থেকেই।

একটি চিঠি, যা ছিলো একটি প্রেম পত্র। মাত্র, কয়েকটি লাইনে লিখা, "আমি ভালোবাসি তোমাকে"। আর ছিলো, সামান্য আবদার, " আমার পছন্দের রঙ আকাশী", । আকাশি রঙ ছাড়া ছেলেটি কিছু বুঝেনা!!!।

চলতে থাকলো এভাবেই, ভালোবাসাটা না বুঝেই, গভীর ভালোবাসা!!!। তারপর একদিন, ধরা পড়লো মেয়েটি, পিঠেও কিছু জুটলো, গুমুর/গুমুর, আর এদিকে ছেলেটি চিন্তায় অস্থির, কখন ভালোবাসার এই রিপোর্ট কার্ড টি, তার বাবার হাতে পৌছাবে। তবে ছেলেটির কপাল ভালো!!!! বাবা, জানতে পারলো না, তার ছেলে, এখন প্রেমিক পুরুষ!!!!।

Monday, March 14, 2016

মাথাটা পুরা জাম হয়ে আছে


কোথায় যাবো? কার কাছে যাবো? কেন যাবো? কি করবো? কেন করবো? কি করা উচিত? কিছুই বুঝতাছিনা। মাথাটা পুরা জাম হয়ে আছে। আমার মাথা এমনিতেই হট থাকে। তারপরও কেন জানি মনে হচ্ছে মাথাটা আজকে একটু ওভার হটেট হয়ে আছে। বছর আরেকটা গেল। আপনাদের কাছে মাথা ঠান্ডা করার জন্য উপায় জানা আছে? থাকলে দয়া করে বলুন। এ্যলোপেথিক, হোমিও পেথিক, আয়ুর্বেদীয়, মায়ুর্বেদীয়, শাস্ত্রীয়, মঘা শাস্ত্রীয় কিংবা অন্য যে কোন উপায়।

CSM colony ভাবলেই মনে আসে


CSM colony ভাবলেই মনে আসে csm school, মসজীদের পুকুর, কোহিনুরদের মুরগীর খোয়ার আর তার সাথে লাগানো বরই গাছ যেটা আমার আর লাবনীর(মোস্তফা কামাল স্যারের মেয়ে)খেলার অন্যতম জায়গা ছিল।মক্তবএর পাশে রাস্তায় কুদ কুত খেলা,বড় মাঠে বাষিক প্রতিযগিতা,শান্তি বাবু স্যারের ব্রুতচারি,পিটিস্যারের পিটি,জাফর স্যারের চোখ পাকানো,ইউনুসের দোকান আরো কত কি....ওওও আরো একটি বিষেশ জায়গা যেটা ছিল আমার ভাই ও তার বন্ধুদের (কমু,লিটন,মানিক,মনু,আরো কয়েকজন ভাই)প্রিয় জায়গা......কে বলতে পারবে সেই বিষেশ জায়গাটির নাম???

আমি, কল্লোল আর মানিক


স্টুডেন্ট লাইফ এ আমরা সবাই কমবেশি টিওশনি করতাম। ওটাই আমাদের একমাত্র আরনিং সোর্স ছিল। আমাদের কল্লোলও টিওশনি করত। যাইহোক টিওশনির প্রথম মাসের টাকা পেয়ে কল্লোল আমার আর মানিকের বাসায় আসলো, আমরা ২ জন একই বিল্ডিং এ থাকতাম এবং কল্লোল প্রস্তাব দিল আজ আমাদের খায়াবে, আমি আর মানিকও কোনকিছু না ভেবে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। বললাম তোর বাজেট কত? কল্লোল বলল ২০০ টাকা। শুনে আমরা অবাক, ২০০ টাকা... ওবাজি! ওই সময় ২০০ টাকা আমাদের কাছে অনেক টাকা ছিল।

যাইহোক বিকেলে ৩ বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম। নিজের এলাকায় কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করলাম কিন্তু হোটেল পছন্দ হল না। সবাই মিলে ভাবতেছি এখন কি করা যায়? ২০০ টাকা বলে কথা, কোন আলতু ফালতু রেস্টুরেন্ট এ তো আর খাওয়া যায় না । হটাত মানিকের মাথায় বুদ্ধি এলো, ও বলল চল আগ্রাবাদ যাই, ওইখানে অনেক ভালো ভালো রেস্টুরেন্ট আছে, অনেক ভালো ভালো খাবার পাওয়া যায়। আমি আর কল্লোল মানিকের প্রস্তাবে রাজি হলাম এবং বাসে উঠে ৩ জন আগ্রাবাদ চলে আসলাম। বাসে করে আগ্রাবাদ আসতে আসতে সন্ধা হয়ে গেল।


শুরু হল ৩ জনের রেস্টুরেন্ট পছন্দের পালা। প্রথমেই গেলাম হোটেল আগ্রাবাদ এ। এর আগে আমি কোনদিন হোটেল আগ্রাবাদ এ যাই নাই, শুধু নাম শুনছি। কিছুক্ষণ ৩ জন হোটেল আগ্রাবাদের সামনে ঘুরাঘুরি করলাম কিন্তু ভিতরে ঢুকার সাহস পেলাম না, এরপর গেলাম সম্ভবত সিলভার স্পুন এ, এই ভাবে মোটামুটি আগ্রাবাদ এর সব হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এ গেলাম। প্রায় ২ ঘণ্টা এই ভাবে ঘুরাঘুরি করে পার করলাম।

চাইলাম এরি আর কেউরে দলে ভিরন যায়নি!!!!!


বড় আশা করি ভিতরের সব গোপন কথা CSM এর ভাইবোন বন্ধু হগলের লাই উজার কইরা দিয়ালছি, মনে করছিলাম আর থুন অনুপ্রেরনা ফাই আর কিচ্ছু ভাইয়েরাও তাগ ভিত্রের কিছু বাইর কইরব, অন্ত দেই দেগে ছুপ মারি গেছে, আছেন্নি কেউ আর মতো বেকুব, জাগাত থাই আওয়াজ দেন, আর তাড়াতাড়ি শুরু করেন, আরে ডরন লাইগদন, আন্না বেকে বেকেরে চিনি, আনরা আনরা কদ্দুরা মজা করলু আরি...।।
চাইলাম এরি আর কেউরে দলে ভিরন যায়নি!!!!!

রাত ৮.০০ খবর শেষের দিকে


রাত ৮.০০খবর শেষের দিকে আমি দুলি, জিমি রাশেদ,আতিক,মরা রাশেদ,লিটন সোজা হাটতে হাটতে বড় মাঠের পাশে কলোনীর শেষ মাথা সম্ভবত F/11 তসলিম চাচা বাগানে হাজির, খবর শেষ একটু পর নাটক শুরু হবে, বাংলাদেশে তখন কাজি পেয়ারার চাষ শুরু হয়েছে,তসলিম চাচার বাগানে পেয়ারা ধরছে খাওয়ার উপযোগী হয়েছে,নাটক শুরু হয়েছে আস্তে আস্তে আমি দুলি মরা রাশেদ বাগানে পিছনে গিয়ে হাজির বেড়া তো আছে সাথে বিভিন্ন কাঁটা বেড়ার উপর দেয়া যেই কাঁটা টান দিলাম দোতালা থেকে টচ লাইট জলে উঠলো আর চিল্লাচিল্লী শুরু করে দিল,লাইট তো আর নিবে না, বুঝলাম আজকের মতো আর কাজী পেয়ারা খাওয়া হবে না, মন মেঝাজ ও খারাপ হয়ে গেলো সবাই একসাথে হয়ে মাঠে আবার বসলাম কি করা যায় মরা রাশেদ হঠাৎ বলে উঠলো পেয়ারা খেতে পারি নি কি হয়েছে বাসার সামনে তো চাচার পেঁপে গাছ আছে, যেই বলা সেই কাজ শুরু চাচাতো পিছনের জানালা দিয়ে পেয়ারা পাহারা দিচেছ আর আমরা সামনে দিয়া জন প্রতি দুইটা পেঁপে নিয়ে মাঠের মাঝ দিয়ে সোজা পুকুর পাড়ে তখন তো আর বুঝিনি পেঁপে কাঁচা এই পেঁপেতো খাওয়া যাবে না তখন প্রতি সিড়ির নিচে একটা একটা পেঁপে রেখে দিলাম জানি সকালে কেউ না কেউ পাবে তারপরদিন কি হয়েছে তা জানতে হলে স্কুলের সামনে ইউনুস এর দোকানে ইউনুস মুখ থেকে জেনে নিতে হবে

এভাবেই দিন বদলায়


এসএসসি ২০১৬ শেষ হয়ে এসেছে! কারও কোন খবর নাই!

কলোনীতে কারো এসএসসি পরীক্ষা মানেই অনেক বড় ঘটনা। কোন বিল্ডিং থেকে কারা পরীক্ষা দেবে?
পরের বছর কারা পরীক্ষা দেবে? কে অনেক পড়ে? কে কম পড়েও রেজাল্ট ভাল করে? এ নিয়ে চলত আলোচনা।
দিন গোনা শুরু হয়ে যেত টেস্ট পরীক্ষার পর থেকেই। এরপর স্কুলের বিদায়ের দিন ঘনিয়ে আসত। ক্লাস টেন এর উপর থাকত বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব। ফটোকপির এত ছিল না যাদের হাতের লেখা সুন্দর তাদের দিয়ে মানপত্র লেখানো,শুভেচ্ছা বক্তব্য, স্মৃতি চারণ, কোন বিদায়ী ব্যাচ স্কুল কে কত ভাল উপহার দিতে পারে এ নিয়ে প্রতিযোগিতা চলত।

আর আমাদের ছোট দের কাছে ছিল তাড়াতাড়ি ছুটি আর জিলিপি খাওয়ার দিন।

এক্সাম শুরু হলে কে কিভাবে যাবে? প্রশ্ন সহজ না কঠিন, পরীক্ষা কেমন হয়েছে, এ নিয়ে বড় আপু ভাইয়া, চাচা চাচী, স্যার ম্যডাম রা খোঁজ খবর রাখতেন। কে কি লিখেছে? কার কোন এক্সাম ভাল হয়নি, কত কথা।
প্র‍্যাকটিকাল খাতা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি। কার আঁকা ভাল?

হৃদয়ের একূল ওকূল


CSM কলোনি তে হৃদয়বান মানুষের অভাব ছিল না। না,আমি তাদেরকে প্রেমিক,প্রেমিকা বলে সস্তা করব না।আমি বলব হৃদয়বান মানুষ।কারন যার হৃদয় আছে সেই ত ভালবাসে,সবাই ত সেটা পারে না। এই হৃদয়ঘটিত ব্যাপার গুলো কলোনি তে ঘটেছে নানা ভাবে।কখনো দেখা গেল হৃদয়বান ছেলের বাসা সামনের বিল্ডিং এ, আর মেয়ের বাসা পেছনের বিল্ডিং এ।কেউ একই বিল্ডিং এর পাশাপাশি কিংবা উপরের তলা,নিচতলা।কিংবা হৃদয়বান ছেলেটি বন্ধুর বাসায় ঘনঘন আসা যাওয়া করাতে বন্ধুর পাশের বাসার সুন্দরী মেয়েটির প্রতি দুর্বল হয়ে যাওয়া।

আবার এক ধর্মের ছেলের অন্য ধর্মের মেয়ের প্রতি দুর্বল হয়ে যাওয়া যেখানে ধর্ম তাদের মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়ানো। আবার কলোনি র সুন্দরী মেয়েটি এমন এক ছেলের সাথে মন দেয়া নেয়া করছে যার পাশে মেয়েটি কে মানায় না অথচ মেয়েটি কে পছন্দ করে কলোনি র সুদর্শন কোন হৃদয়বান ছেলে।কিংবা ক্লাসের প্রথম স্থান অধিকারী ছেলের সাথে প্রথম স্থান অধিকারী মেয়েটি কে নিয়ে কানাঘুষা। অনেকগুলো ভাইয়ের আদরের ছোট বোনটি মন দেয়া নেয়া চলছে পড়ালেখায় অমনোযোগী বখাটে ছেলের।কেউবা কাউকে পড়াতে গিয়ে ছাত্রী র প্রতি কিংবা ছাত্রী টিচারের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ত।কলেজ বাসে আসা যাওয়ার পথে কথা বলতে বলতে হৃদয়ের একূল ওকূল ভাসিয়ে দেয়া।আবার দেখা গেল ছেলের বাবা মিলের বড় পদস্থ অফিসার,মেয়ের বাবা সাধারণ কর্মচারী,কিন্তু মন দেয়া নেয়ায় এগুলো কোন বাধা হিসেবে দাড়ায়নি। কেউ হত সাহস করে সামনে এগিয়েছেন,সফল হয়েছেন তবে এই পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না, কন্টকময় ছিল। তবুও তারা ছিলেন হৃদয়বান মানুষ, অনেকের অনুপ্রেরণা। তাদের প্রতি রইল অনেক অনেক শ্রদ্ধা।

Sunday, March 13, 2016

লুকোচুরি র দিনগুলো


বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবার পর একটা রুটিন বাধা নিয়ম ছিল সন্ধ্যার পর লুকোচুরি খেলতে বের হওয়া।সারা কলোনি জুড়ে কিংবা কয়েক টা বিল্ডিং ঘিরে চলত এ খেলা।খেলার সময় এক ধরনের থ্রিল অনুভব করতাম, মনে হত নিজেই চোর বা পুলিশ। নিজেকে কিভাবে পুলিশের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখব তার জন্য চেষ্টা র সীমা ছিল না।কখনো কখনো এমন জায়গাগুলোতে গিয়ে লুকাতাম ভয় ডর বলে কিছু লাগত না।আবার নিজেকে বাঁচানো র জন্য মানুষের বাসায় গিয়ে হানা দিতাম।

তেমনি একদিন খেলতে গিয়ে ঈ টাইপে র তিনতলা বিল্ডিং এ গেলাম।আমাদের ক্লাসের বেলিরা তখন তিনতলায় থাকত। ওর আম্মা প্রায় আমাদের বাসায় বেড়াতে আসত,আমরাও যেতাম।সেদিন খেলার সময় ঈ টাইপের সেই তিনতলা থেকে দেখি পুলিশ হয়েছে যে সে বিল্ডিং এর নিচে ঘুরাঘুরি করছে।আমি আর আমার সাথের জন কি করব ভেবে পাইনা,এমন সময় মনে হল বেলিদের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নেই।তাহলে এ যাত্রা বাচা যাবে।যেই না বেলি দের বাসা মনে করে কলিং বেল টিপ দিলাম,ওমনি দরজা খুলে দেখি একজন বড় মেয়ে।উনাকে আমি স্কুলে দেখছি ছোটবেলায় কিন্তু কলেজে পড়েন তখন।

কলেজ বাসে একদিন


আতিক ভাই বলছিলেন কলেজ বাস নিয়ে কিছু লিখতে।কিন্তু আমি ত কোনদিন কলেজ বাসে যাওয়া আসা করিনি।লিখি কিভাবে? বড়দের মুখে অল্প বিস্তর কিছু শুনতাম।তাই ভরসা।কেউ যখন লিখল না আমি না হয় চেষ্টা করি।

আমি বিনিতা।ছোট করে ডাকে সবাই বিনু।বড় ভাই বুবুন।আমি সবার ছোট।চট্টগ্রামকলেজ এ কেমিস্ট্রি তে এডমিশন নিয়েছি।ক্লাস পুরো দমে শুরু হয়নি। আজ পহেলা ফাল্গুন।বান্ধবী রা ডিসি হিলে যাব,বেড়াব।তাই সকাল থেকে সাজুগুজু নিয়ে ব্যস্ত।তাড়াহুড়ো করছি।কলেজ বাসে যদি জায়গা না পাই।বাসন্তী রং এর জামা পড়ে রওনা হলাম কলেজ বাস ধরতে।

কলেজ বাসে উঠলাম।কোথাও সিট খালি নেই।আমার বান্ধবী তিথি আর মিলি পাশাপাশি বসে আছে।আমার জন্য সিট কই জানতে চাইলাম।বলল রেখেছিল কিন্তু স্নিগ্ধা আপা আসাতে উনাকে দিয়ে দিয়েছেন।একটি সিট খালি আছে কিন্তু ওইখানে বসে আছেন তুহিন ভাই।উনার সাথে আমার তেমন পরিচয় নেই।দাড়িয়ে গেলে সাজ নষ্ট হয়ে যাবে এটা ভেবে উনার পাশে বসে পড়লাম।দেখলাম তিথি আর মিলি মুখ টিপে হাসছে।উনার শরীর থেকে সিগারেট আর বডি স্প্রে মিলিয়ে অদ্ভুত গন্ধ আসছে। খারাপ না।

আমি আজকে একটা সেইরাম অ্যাকশান ধর্মী স্বপ্ন দেখছি


দেখলাম যে,
আমাদের স্কুল এ একটা গ্রুপ হেভি অস্ত্র শস্ত্র নিয়া হামলা করছে, আমাদের কে ক্লাস রুম আটকাইয়া রাখছে। আমি আর Al Amin Billah Shujon সুজন কোনমতে পলাইয়া স্কুল এর পিছনে গেলাম। ইচ্ছা ছিল বাউন্ডারি টপকাইয়া কবর স্থান দিয়া পালামু। কিন্তু দেখি ওরা কবরস্থানে দুই টা বাঙ্কার কইরা পাহারা দিচ্চে। আমি আর সুজন মাথা তুইলা দেখি ওই বুজ্জার বাগান দিয়া আর্মি আসতেছে । ওরা আর্মির দিকে গুলি চুরতে লাগলো। এইদিকে আর্মি ও গুলি ছুড়ছে। আমি আর সুজন স্টেজের পিছন দিয়ে বাউন্ডারি টপকে E-type এর দিকে দৌড় দিলাম। ওদিকে কলোনির গেইট দিয়ে আর্মি আসছে ট্যাঙ্ক নিয়ে। সেই একটা অবস্থা চারিদিকে। এমন সময় দেখি আর্মির তাড়া খেয়ে বিদ্রোহীরা গুলি করতে করতে E- type এর দিকে আসছে। এখন আমরা কই যাই?
...
...
...
...
...
এই সময় ঘুম টা ভাইঙ্গা গেলো।
...
যাক বাবা বাইচ্চা গেছি। আরেকটু হইলেই তো গেছিলাম।

সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে এই বিষয়ে সবার মতামত আশা করছি


আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশ।আমরা এই দেশ কে খুব ভালবাসি। আবার জন্মগত কারনে আমাদের মধ্যে আন্চলিকতার প্রভাবও যতেষ্ট। এমনই একটা অন্চল সন্ধীপ। যার চারপাশেই সমুদ্র। আর সেই দ্বীপের বাসিন্দা আমাদের প্রিয় মাসুক। ছোট বেলায় মাসুককে একবার পাগলা শিয়ালে কামড়াইছিল।সেই থেকে মাসুকের মনে প্রশ্ন সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে? শিয়ালতো পোষ্য প্রানী নয়। গবেষনা করতে গিয়ে মাসুক দর্শনশাস্ত্র নিয়ে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছে শুধু শিয়ালের দর্শন বুজার জন্য এবং বনে জঙ্গলে ঘুরে ঘুরে শিয়ালের চরিত্র নিয়ে অনেক লেখাপড়া করেছে। তারপরও আবিষ্কার করতে পারেন নাই সন্ধীপে শিয়াল গেল কেমনে।আজ যদি সবাই মতামত দিয়ে সাহায্য করেন তবে মাসুক ভাই খুবই উপকৃত হবেন।।সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে এই বিষয়ে সবার মতামত আশা করছি।

সুযোগের অভাবে সৎ-আদর্শবান: কাহিনি-০৩


ইন্টার পাশের পর বিশাল এক বাহিনী নিয়ে university তে ভর্তি হই, 1st year, খুব আমোদেই কাটল, শার্টল ট্রেনে গান করতে করতে যাওয়া, দুএকটা ক্লাস করে আবার ঝুপড়িতে গান, আড্ডা, এভাবেই কাটছিল, দলের একটা বড় অংশ ছিল chemistry ডিপার্টমেন্ট এর, শুধু আমাদের কলোনিরই ছিল ৫জন. সাথে কলেজের অনেক বন্ধু ছিল যার কারনে ওই ডিপার্টমেন্ট এর ছেলে মেয়েদের সাথেই আড্ডাটা বেশি জমত, ধীরে ধীরে পরিচয় হোল ওর........ সাথে, অসম্ভব সুন্দর....... আর আরও সুন্দর রবীন্দ্র সংগীত করতো, হৃদয় ছুয়ে যেত, ধীরে ধীরে সখ্যতা বাড়তে লাগলো, বাড়তে লাগলো ভাললাগা.........কিন্তু কেউ কাউকে কিছু বলতে পারতাম না, কিন্তু দুজনেই চাইতাম দুজনকে। একপর্যায়ে বন্ধুরাই এগিয়ে আসলো, দীর্ঘদিন চলতে লাগলো তাদের প্রয়াস, অবশেষে একদিন সরাসরি আক্রমন, কেন হবে না, কেন প্রতিষ্ঠা পাবে না, তোরা দুজন দুজনকে চাস কিন্তু কেন প্রকাশ করবি না ইত্যাদি, অবশেষে সে মুখ খুলল, বলল আমি চাই, তুই চাও, সবায় চাই সম্পর্কটা প্রতিষ্ঠা পাক কিন্তু বিধাতা চায় না, আর চায় না বলেই আমাকে ব্রাহ্মণ আর ওকে ক্ষত্রিয় বংশে পাঠিয়েছে, আর আমার পক্ষে এর violation সম্ভব না......।।

আমাদের C.S.M


স্মৃতি। মানুষের জীবনের এক আশ্চর্য বাস্তবতা। প্রত্যেক মানুষেরই স্মৃতির পাতায় জমে থাকে অনেক না বলা কথা। অনেক ভালো লাগা, অনেক কষ্ট-বেদনা, দুঃখ-যন্ত্রণা সবসময়ই স্থান করে নেয় প্রতিটি মানুষের স্মৃতির পাতা। সবারই রয়েছে জীবনভর নানারকম স্মৃতি। জীবনের যে কোনো বয়সে এসে স্মৃতির পাতা হাতড়ে বের করা যায় এমন অনেক মুহুর্ত যা এক মূহুর্তের জন্য মুখে এক চিলতে হাসির কারণ হয়ে যায়। আবার এমন অনেক মূহুর্ত স্মৃতির পাতায় বন্দী হয়ে রয় যেগুলো নিমিষেই হাসিখুশি মনটাকে করে দিতে পারে বর্ষার মেঘের মতোই মলিন।

স্মৃতির পাতা যেন প্রতিটি মানুষের পরম আপন। মানুষ নিজে চাইলেও যেন তার স্মৃতির পাতাকে হুবহু ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। প্রকৃতি তাকে সেই শক্তি দেয়নি। সে কেবল তার স্মৃতির পাতা সম্পর্কে অন্যকে কিছুটা ধারণা দিতে পারে মাত্র। স্মৃতি, সে যে শুধু তারই একান্ত ব্যক্তিগত সম্পত্তি।

প্রত্যেকটি মানুষ নিজেকে কোন এক জায়গাতে আবিষ্কার করে থাকে, নিজের অস্তিত্ব টের পাওয়ার সর্বশেষ স্মৃতিময় স্থান মনে করতে পারে। এর আগে কোথায় ছিল তা মনে করতে পারে না। আমি এই পৃথিবী তে আমার অস্তিত্ব টের পেয়েছি.. C.S.M কলোনী তে |

এখন লোড শেডিং হলে বিরক্ত লাগে অথচ রাতে কলনিতে কারেন্ট গেলে খুবই ভাল লাগতো


এখন লোড শেডিং হলে বিরক্ত লাগে অথচ রাতে কলনিতে কারেন্ট গেলে খুবই ভাল লাগতো। আমার মনে হয় এমন কোন ছেলে মেয়ে নাই যার ভাল লাগতো না। পড়ালেখা করতে হইতো না। সবাই বাসা থেকে বের হয়ে যেত। যে যার মত আড্ডা দিত। সেরকম এক রাতে আমরা সবাই মিলে বড় মাঠে বসে সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছি। এমন সময় এক জনের বুদ্ধি এলো, সে বললো লুঙ্গি মাথায় তুলে পুরা মাঠ ঘুরতে পারবে কে? সবাইতো চুপ কারো মুখে কোন কথা নাই। মালু বললো সে পারবে কিন্তু তাকে টাকা দিতে হবে।ঠিক আছে সে মালুকে বললো তুই যদি লুঙ্গি মাথায় তুলে একবার পুরা মাঠ ঘুরে আসবি তোকে টাকা দেব। 

ষ্টার্টিং পয়েন্ট হচ্ছে ই টাইপ ১২ নং বিল্ডিং এর কর্ণার থেকে। এবং সেখানেই শেষ হবে। যথারীতি দৌঁড় শুরু হলো। মালু অর্ধেকের বেশি পার করে ফেলেছে এমন সময় কারেন্ট চলে আসলো। কারেন্ট চলে আসাতে আমরা তখন অন্যপাশে চলে যায় মানে ই টাইপ ১১ নং বিল্ডিংয়ের পাশে। আমরা চলে আসার পর ওখানে আসিফের আম্মা ( লাবনিদের পাশের বাসা / মামুনদের বিল্ডিংয়ের) কয়েকজন মহিলা নিয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। মালু এটা খেয়াল করে নাই সে মাথা থেকে লুঙ্গি নামানোর আগেই বলে টাকা দে। কিন্তু লুঙ্গি নামানোর পর দেখে আসিফের আম্মা। 

পড়ালেখায় কোনদিন মন বসতো না


পড়ালেখায় কোনদিন মন বসতো না,সারাদিন টো টো করে ঘুরতাম,সহজে তো স্কুলে যেতাম না যাও বা যেতাম সকালে গেলে হাফ টাইমে আর নাই,এভাবে দিন পার করতাসি,কোন মতে পাস করলাম, উঠলাম সেভেনে বয়স যতো বাড়তাছে বাহিরে বাহিরে ঘুরা ততো বাড়তাছে,স্যার রা আব্বাকে ডেকে নালিশ জানালো আপনার ছেলে স্কুলে ঠিক মতো আসে না,আম্মার হাতে মার তো চলতো প্রতিদিন,আব্বা চিন্তা ছেলেকে এখানে রাখলে পড়া লেখা হবে না,তাই টাইগার পাস ঝাউতলা জেঠার বাসায় পাঠিয়ে দিবে,যেই কথা সেই কাজ কলোনীর মায়া ছেড়ে আমি আর আব্বা ঝাউতলার পথে, আমার জেঠাতো বড় ভাই পরদিন আমাকে নিয়ে টাইগার পাস বহুমূখী উচ্চবিদ্যালয়ে ভত্তি করে দিলো সেভেনে,আমার সমবয়সী জেঠাতো ভাইও ঐ স্কুলে ক্লাস এইটে পড়ে,তো দুই ভাই প্রতিদিন একসাথে স্কুলে যেতাম,বাজেট ছিল দুজনের ১০ টাকা,আমার তো মন বসতো না একে তো নতুন আর কারো সাথে পরিচয় নেই কোনমতে দুই তিন দিন ঠিক মতো ক্লাস করলাম,১০ টাকা দুজনে ভাগ করে নিতাম,জেঠাতো ভাই একদিন বলে তুই আজ ৫টাকা নিস না পরের দিনের টাকা তুই নিয়ে নিস,আমি আর কিছু বলি নাই কি কারণে জানি স্কুল আগে আগে ছুটি দিয়ে দিল,আমি তো আমার ভাইকে খুজি ভাইকে পাইনা তখন একজন বললো বাদল ১২টার আগেই স্কুল থেকে বাহির হয়ে গেছে,আমি হাটতে হাটতে বাসায় হাজির,বাসায় তখন ছোট এক জেঠাতো ভাই ছাড়া কেউ নেই,বাদল আসলো ৩টার ও কিছু পরে আমি জানতে চাইলাম কিরে কই গেছিলি,তখন সে বলে বাসায় কিছু বলিছ না আমি সিনেমা দেখতে গিয়াছিলাম,পরদিন ১০ টাকা ভাগ করি নাই, তারপরের দিনের ১০টাকা নিয়ে মোট ২০টাকা নিয়ে সোজা টাইগার পাস নোভাহিনীর সিনেমাহলে শো শুরু হবে ১২টায় কি করবো দুই ভাই বসে আছি কখন ১২টা বাজবে এভাবে প্রতি সপ্তাহে একদিনের বাজেট ছিল ১৬টাকা ৪টাকা বাচতো তখন ৪টাকার কিছু খেয়ে বাসায় যেতাম,সহজে আর স্কুলে যাওয়া হতোনা কোনোদিন হাটতে হাটতে ফয়েজ লেখ, মাঝে মাঝে ট্রেনে চড়ে কদমতলী,ঝাউতলার পিছন দিক দিয়ে পাহাড় এর পাশ দিয়ে লালখান বাজার এভাবে চলতো দুই ভাইয়ের,স্কুলের হাজিরা খাতায় মাঝে মাঝে নাম উঠতো,স্কুল ছুটি তো ঠিক মতো বাসায় হাজির, একদিন সিনেমা দেখে বাসা গিয়ে দেখি আব্বা বসে আসে, আমরা দুইভাই তো এমন ভাব করলাম মাএ স্কুল থেকে আসলাম আব্বা পড়ালেখার কথাজানতে চাইলো ঠিক মতো ক্লাস করি কিনা জানতে চাইলো,আমরা ঠিক ঠিক জবাব দিলাম বিকাল সবাই যখন বাসায় আসলো আব্বা আসল কথা ফাঁস করলো মাসে একদিন দুইদিন ক্লাস করছি আর প্রতিদিন হাজিরা খাতায় নাম উঠে নাই, সেই দিন বড় ভাই ধরে দুজন কে যে মারটা দিলো তা এখন ও মনে পড়লে শরীর ব্যাথা করে, আব্বা বুঝলো পোলা এখানে রাখলে আরো খারাপ হবে মানুষ হবে না, তাই কলোনীর ছেলে কলোনীতে এনে স্কুলে ভত্তি করে দিল,এই পাচ ছয় মাসে কতো যে সিনেমা দেখছি কতো জায়গায় যে ঘুরলাম,মজা আর মজা

Saturday, March 12, 2016

সবাই যে যার মত ব্যস্ত


সবাই যে যার মত ব্যস্ত। আর আমার কোন কাজ নেই। বসে থাকা ছাড়া। আস ত সবাই আমার বাসায়। একসাথে বসে গল্প কর, আমার ভাল লাগবে। আর হ্যা আমি আছি তোমাদের সাথে। বিশেষ করে আব্বা চলে যাবার পর সিএসএম পেইজের ভাইরা সবাই যারা ঢাকা ছিল রেজাভাই সহ সবার জন্য অনেক দোয়া ওই সময়ে আমার পাশে দাড়ানোর জন্য। প্রথম ফোন দিলাম রেজাভাইকে,ভাইয়ের ফোন বন্ধ পেয়ে ফোন দিলাম আতিককে। এরপর ত সব ছুটে এলো। আমি খুব কৃতজ্ঞ যে নমি আমাকে প্রথম ফোন দিয়েছিল,এরপরের ফোন টাই ছিল জনির। ভাই তোদের আমি খুব ভাল বাসি। ভালবাসি সবাইকেই। বাকি সব ভুলে যেতে চাই। চিটাগাং, আমেরিকা,মালয়েশিয়া, সুইডেন সব জায়গা থেকে প্রচুর ফোন পেয়েছি। It really means a lot to me. May Allah bless u all. And I love u all.

কথায় বলে সস্তার তিন অবস্থা


কথায় বলে সস্তার তিন অবস্থা, আমি বলি সস্তার সাত অবস্থা তার পরে মানুষ সস্তা খোজে এবং তা কিনে নাস্তানাবোদ হয়। সাত অবস্থার উপলব্ধি আমার হয়েছিল স্কুলে পড়ার সময় তার পরেও আমি সস্তায় মাল কিনে নাস্তানাবোদ হয়েছি। দুই একটা ঘটনা বলি-মুশুরীর ডাল খাবার ম্যানুতে রেগুলার ছিল। তারপরে সকালের নাস্তার পর পরই চুলায় ডাল বসিয়ে দেওয়া হইত। মা জননীর ধারনা ছিল-কোন কিছু খাওয়ার পর ডাল খেলে মুখটা পরিস্কার হয়। অর্থাৎ খাবার পর পান খাবার বিকল্প হিসাবে পাতলা ডালের ব্যবহার। বাবার সকালে ডিউটি থাকাতে আমার উপর বাজারের ভার পরলো। বাজারে অনুপের সাথে দেখা- অনুপ বুদ্ধি দিল সবজি বাজারে-কবির সদাগারের দোকানে বিদেশী মুশুরীর ডাল কম দামে পাওয়া যায়। যাক-পয়সা বাচানোর একটা উপায় পাওয়া গেল। বাসায় আসার পর-মা জননী বললো, কিরে বাবা? এত বড় বড় ডাল কোথা থেকে আনলি? মা-এগুলো বিদেশী ডাল অনেক ভাল। মা তারা তাড়ি শিদ্ধ করার জন্য চুলায় বসিয়ে দিল। এমনিতে অনেক দেরি হয়ে গেছে। দুপুরে ভাত খেতে আজ একটু দেরী হবে। কিন্ত বোঝার তখনও বাকি ছিলো। ডাল চুলায় বসানো আছে তো আছেই, সিদ্ধ হওয়ার নাম নেই। শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো ডাল যখন গলবেই না তখন ও দিয়ে ভর্তা করা হউক। কিন্ত দেখাগেল সে ডাল ভর্তা হতেও নারাজ। এমনই তার ড্যাম কেয়ার ভাব যে শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়েই দিতে হল। তবে দান দান তিন দান বা সেই সস্তার তিন অবস্থা।

এতো ইমোশনাল ইমোশনাল কথা ভালো লাগেনা


এতো ইমোশনাল ইমোশনাল কথা ভালো লাগেনা,কে কি বললো এইটা নিয়ে সবাই দোড়াদোড়ি করতাছে, এই পেজটা খোলা হয়েছেতো সবাই যেন ব্যস্ততার মাঝে ও পেজে ডুকে মনের সুখে একটু শান্তি পায়,পেজে ডুকলে মনে হতো কলোনীতে আছি,একজন না একজনের সাথে দেখা হচেছ,কথা হচেছ,সবার সুখ দুঃখ হাসি কান্না শেয়ার করছে,আর এখন কি হচেছ মনে হয় ১৯৭১সালে ফিরে গেলাম,পেজের এই অবস্তা দেখে এখন অনেক বড় ভাই বোন ছোট ভাইবোন লিখা লাইক কমেনট করে না,নিজের মান ইজ্জত নিয়ে দুরে সরে গেছে,কলোনীতে ও মনে হয়না এতো ঝামেলা ছিল, আমরা বড় হচিছ আর কি করছি,কলোনী নিয়ে সবার কাছে গব করতাম,এখন যেই অবস্তা কি নিয়ে গব করবো,এই পেজের বাহিরেও অনেক লিখা লিখি হয় কলোনী নিয়ে, আমার একটা অনুরোধ কারো কোন সমস্যা থাকলে তা এই পেজে বলা হউক,আমাদের সমস্যা আমরাই মিটমাট করবো,আরো একটা কথা পেজ টা কারো একার না পেজ টা কলোনীর সবার,কলোনীতে যদি একটা লোক ও থাকে তাহলে পেজ চলবে,কলোনীতে কেউ চিরদিনের জন্য আসে না আসা যাওয়ার মধ্যে থাকে তাই বলে কি কলোনী অফ হয়ে যায়,তাই আর কাদাছোড়া ছুড়ি না সবাই মিলে মিশে থাকি শান্তিতে থাকি

সুযোগের অভাবে সৎ-আদর্শবান: কাহিনি-০২


কলোনির অনেকের মতো আমিও প্রাইভেট পরাতাম, টিচার হিসেবে খুব কড়া ছিলাম, যে বিল্ডিং এ পড়াতে যেতাম, তার আশেপাশের দুই চার বিল্ডিং এর ছেলে মেয়ে আমাকে দেখলে ভুত দেকছে মতো ভয় পাইত, হুলুত্থুল মারদাঙ্গা টিচার ছিলাম, ইন্টার পড়ুয়া ছাত্রীকেও এক চড়ে চেয়ার থেকে ফেলে দিয়েছিলাম। আর ওইটাই ছিল আমার specialty, গার্ডিয়ানরা attitude দেখে নিশ্চিত থাকতো এর লগে মেয়ে আর যাই করুক প্রেম অন্তত করবে না, কিন্তু.........।। জনির কথায় ঠিক একসাথে একজন ছেলে আর মেয়ে দীর্ঘদিন থাকলে kuch kuch must be hota hai!.....

তেমনি একটা ছাত্রীকে মাঝে মাঝে একটু একটু ভাল লাগতো, তো স্টিল মিল বন্ধ, যে যার বাড়ি ঘরে চলে যাবে, এরি মধ্যে আমার ওই ছাত্রী ইন্টার পাশ করল। একদিন আমাকে বলে বসল...............।(এখন না আরেক্তু সবুর কর...।)
দাদা, খুব ইচ্ছে ছিল university তে পড়ার, কিন্তু বাড়িতে যেহেতু চলে যাচ্ছি, university তে পড়াত আর হবে না, একবার যদি বেরাতে নিয়ে জান......।।চিন্তা করলাম ক্ষতি কি, ছাত্রী হিসেবে আবদার করল যখন, ঠিক আছে নিয়ে যাব একদিন। যথারীতি নিয়ে গেলাম একদিন, শার্টল ট্রেন এ বন্ধুরা মোটামুটি হুলোর ফেলে দিল......।। সবাইকে বোন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে কোন রকম সামলালাম। কিন্তু বিকেল বেলা ফেরার পথে সেই ফিল্মি স্টাইল এ proposed করে বসলো, আমি ওকে অনেক বুঝিয়ে শান্ত করলাম, থিম ওই একটাই, পুরো কলোনির মানুষ আমাদের এই এতদিনের সুন্দর সম্পর্কটাকে কলুষিত করে ফেলবে, means ওই একটাই ভয়, সৎ-আদর্শবান ...........

সুযোগের অভাবে সৎ-আদর্শবান: কাহিনি-০১


আমার আজকের এই লিখা, আমার একটা চরম desperate সিদ্ধান্ত, জানি না কে কি মন্তব্য করবে কিন্তু আমি আমার বড় ভাইদের চরম রোমান্টিকতা আর ভালবাশার প্রতি সাহসী পদক্ষেপ দেখে এততাই মুগ্ধ যে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম, জানাইদিব সব, আর কতদিন ছুপা রুস্তম হয়ে থাকব.........।।

আর একটা কথা কিছু কিছু ছোট ভাই আমার এই লিখার গুন কীর্তন করে আমার অভ্যাস টাকে এতটা desperate করে ফেলছে তোদের কাছে করজোড়ে বলছি, believe me, তোদের ভাই, মানুষ খারাপ আছিল না।

কাহিনি-০১
ছোট বেলা থেকেই একটা উপদেশ বানি শুনতে শুনতে নিজেকে কেমন জানি, রোবট বানাই ফেলছিলাম, আর জাই কিছু করি, বাবা-মার সন্মান যেন নষ্ট না করি, সবাই যে ভাবে আদর করে ওইটা যেন ধরে রাখি, আমাকে নটু দা’র ছেলে না বলে বাবাকে যেন সবাই বলে উনি অপুর বাবা ইত্যাদি ইত্যাদি, এগুলতে psychologically এতটা motivated ছিলাম যে really কোন খারাপ কাজ করতে দুইবার চিন্তা করতাম, কিন্তু তাই বলে আমার মনটা???? DIL TO PAGOL HAI……… শুধু একজনের জন্য। খূব সম্ভবত 8/9 এ পড়ি, আমাদের সাথেই পড়তো সে, খূব ভালো লাগতো ওকে দেখলে, যখন সে স্কুলে যেতো আমি প্রাইভেট পড়ে বাসায় আসতাম, খূব ভালো লাগতো তার স্কুলে হেঁটে যাওয়াটা, একটা দারুণ PERSONALITY আর অদ্ভুত সুন্দর RHYTHAM ছিল তার হাঁটার মধ্যে, মুগ্ধ চোখে চেয়ে থাকতাম, কিন্তু............ খানিক পড়েই মেজাজ টা বিগড়ে যেতো যখন দেখতাম ওর সমস্ত কিছু অবলোকন করার জন্য সে আগে থেকেই একজনকে NOMINATION দিয়ে রাখছে, আর তার সে মূড আর কিছু নয়, শুধু ওকে PLEASED করার জন্য যে, যতই অমিতাভ আর দীলীপ কুমার মাঠে থাকুক না কেন তুমি রবিউল ই আমার সব.........।।

রেজা ভাই বলেছেন," সব ঠিক হয়ে যাবে"


রেজা ভাই বলেছেন," সব ঠিক হয়ে যাবে"।আমরা বিশ্বাস করেছি নির্দ্বিধায়। রেজা ভাই বলেছেন,নাজমুল ভাই,জসিম ভাই,নিরু ভাইদের জরুরী মিটিং করতে;আমরা বিশ্বাস করেছি,এইবার বোধহয় সব ঠিক হবে। সরকারের মতো আশার বানী শুনে এসেছি বারবার। বিশ্বাস ও করেছি। আমরা আর আশার বানী শুনতে যাই না।এই পেইজে মেজাজ খারাপ করতে সারাদিন পড়ে থাকিনা। দুইদিন পরপর নতুন নতুন খোঁচাখুঁচি দেখি।এতোগুলো সাধারণ csm বাসীর আত্মার খোরাকের এই পেইজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার বা পলিটিক্স করার অধিকার কারো নাই।রেজা ভাই,জসিম ভাই,কমু ভাই,নাজমুল ভাই,মাসুক ভাই,নিরু ভাই,লিটন ভাই, আতিক ভাই ও সব্বাই....এই পেইজের সফলতার জন্য আপনাদের সাধুবাদ দিতে যেমন কার্পণ্য করিনি, আপনাদের indecision এর জন্য এই পেইজের ক্ষতির জন্যও আপনাদের দোষারোপ করতে কার্পণ্য করবো না। অনেক অ-নে-ক বেশি বিশ্বাস করি আপনাদেরকে। চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করি যে,আপনারা অনেককিছু করতে পারেন।সেই অনেক বিশ্বাসের জন্যই আমরা আপনাদেরকে অনেক শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। আমাদের সেই শ্রদ্ধা আর সম্মানের প্রতি দয়া করে নিজেদের ব্যার্থ করিয়েন না। এই পেইজের ভালোর জন্য যা কিছু করা দরকার,দয়া করে তা করুন। তা না হলে,কখনোই ক্ষমা করতে পারবো না আপনাদেরকে। কেউ পেইজ ছেড়ে চলে যাক,তা চাইনা মোটেও।কিন্তু,কেউ নিজেকে তার নিজস্ব ক্রিয়েটিভিটি দ্বারা "ছোটলোক, চামার, পলিটেশিয়ান" প্রমান করলে তাকে ঘাড় ধরে বের করে দিতে কার্পণ্য করবেন না। আল্লাহর দোহাই লাগে। আর এই পেইজে ঝামেলা দেখতে চাই না। It's already enough!!!!

কেনো আমরা উদার হতে পারছিনা


কেনো আমরা উদার হতে পারছিনা, কেনো এতো ইগো, কেনো এতো অহংকার, ২০৪৮ সাল আসতে আসতে তো মারাই যাবো, তবে কেনো এত বাড়াবাড়ি, এক বার কি মন খুলে সত্যিকার আন্তরিক ভাবে বলতে পারিনা ভাই আপা আমার ভুল হয়েছে আমাকে ক্ষমা করুন, বিনয় মানুষ কে ছোট করেনা, বিনয় মানুষ কে মহৎ করে, এটা আমরা বারবার ভুলে যাই। কলোনি তে বাস্তবে সিনিয়র জুনিয়ার যে ভালো সম্পর্ক ছিলো এটা কেনো এখন আলগা হয়ে যাচ্ছে। লিটন টিংকু তোরা ঢাকা আয়, ঢাকায় তোদের সব দ্বায়িত্ব আমার, তারপরেও এই অচলাবস্থা ভাংগতে হবে।
আর ভালো লাগছেনা।

আপনাকে বড় বলে, বড় সেই হয়


আপনাকে বড় বলে, বড় সেই হয়
লোকে যারে বড় বলে বড় সেই নয়।
বড় হওয়া সংসারেতে সহজ ব্যাপার
সংসারে সে বড় হয় ছোট গুন যার।
গুনেতে হইলে ছোট বড় বলে সবে
ছোট যদি হতে চাও, বড় হও তবে।
.....................................................
পারিব এ কথাটি বলিও না আর,
এক বার পারিলে পারতে হবে বার বার।
দশ জনে পারে যাহা,
তুমি একা কিভাবে পারিবে তাহা?
পারিব বলে মুখে দিয়ো না হাসি,
সবার চাপে প্রান যাবে টাসি।
চালাক চতুর যারা
সব কিছু পারে না তারা,
তোমায় তো দেখি নাক তাদের আকার
তবে কেন পারিব বল বার বার?
................................................
করিতে পারি যে কোন কাজ
নাহি ভয় নাহি লাজ
সংশয়ে সংকল্প নাহি টলে,
পাছে লোকে আবার কি বলে?
আড়ালে আড়ালে থাকি না
নীরবে আপনা ঢাকি না।
পশ্চাদে চরণ নাহি চলে
পাছে লোকে আবার কি বলে?

২০৩৫সাল


২০৩৫সাল।ছোট একটা গ্রাম, ছোট একটি নদী বয়ে চলছে, পাশেই টালির ছাদের কয়েকটি ঘর, আর আশে পাশে সরিষা ক্ষেত। একটু সামনেই টিনের লম্বা একটি ঘর, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন আর পরিপাটি। সেখানে সকালে চলে গরিব ছিন্নমুল শিশু দের শিক্ষা কার্য্যক্রম আর সন্ধ্যায় বয়স্ক শিক্ষা। দু জন অবসরপ্রাপ্ত পৌঢ় এই কার্য্যক্রমের সাথে জড়িত। তারা থাকেন সেই টালি দেওয়া বাড়িতে, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে নামাজ আর কোরআন তেলাওয়াত করে সোজা চলে যান শিশু দের শিক্ষা দানে সেখান থেকে মাঠে, চাষাবাদ কাজ তদারকি করে বাড়িতে ফিরে গোসল করে জোহর নামাজ,দুপুরে খাওয়া দাওয়া তারপর বিশ্রাম, বিকেলে আসর নামাজ শেষে গ্রামের বাচ্চাদের সাথে ফুটবল ক্রিকেট নিয়ে মেতে উঠা, মাগরিবের নামাজ শেষে বয়স্ক শিক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকা, এশার নামাজ শেষ করে একটু হাটাহাটি আর মানুষের কল্যান নিয়ে আলাপ আলোচনা এই দুই পৌঢ়ের। এভাবেই খুব সুন্দর ভাবে চলছিল এই দুই ব্যাক্তির জীবন। সব কিছুরই শেষ আছে, ২০৪৮ সালে এক সোনা রাংগা দিনে সাত দিনের মধ্যে এই দুই শিক্ষানুরাগী বৃদ্ধের মৃত্যু।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়, এই দুই বৃদ্ধের আজীবন লালিত স্বপ্ন টেনে নিতে লাগলো তাদের পরবর্তী প্রজন্ম।

Babu Csm Club ঠিক আছে???

আমার সম্মানিত বড়/ছোট ভাই ও বোনেরা


আমার সম্মানিত বড়/ছোট ভাই ও বোনেরাঃ এইসব আর ভাল লাগছে না। অনেক হইছে আর না, আমরা এই পেজ এ আসি একটু শান্তির জন্য, একটু সৃতিচারন এর জন্য। এটা আমাদের ভালবাসার পেজ, এটা আমাদের আবেগের পেজ, সবার কাছে আকুল আবেদন আমাদের একটু শান্তিতে থাকতে দেন। নাজমুল ভাই বলেছে ছোটরা চুপ থাকবে, ছোটরা কোন কথা বলবে না তাই চুপ আছি কিন্তু শান্তি পাচ্ছি না, শুধু দেখছি আর

আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করছি " হে আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে হেদায়াত দাও, আমাদেরকে শান্তি দাও, আমাদের সবাইকে আবার এক করে দাও,আমাদের এই পরীক্ষায় পাস করিয়ে দাও"

এই পোস্ট টি আমার ব্যাক্তিগত মতামত, এডমিন হিসেবে নয়


এই পেজ টির কোন বাণিজ্যিক ভিত্তি নেই, নেই কোন সাংগঠনিক কাঠামো,নেই নেতৃত্ব, কিন্তু তারপরেও সুশৃঙ্খল ভাবে চলছিলো এবং সুন্দর একটি গ্রান্ড আড্ডা ও হয়েছে। এর পরে জানিনা কি হলো, একটা এলোমেলো অবস্থা। তাহলে কি গ্রান্ড আয়োজন করাটাই ভুল ছিলো?

এই পেজ টি সম্পুর্ন আবেগের তৈরি, সবার আবেগ আর মানবতা প্রেমী কিছু মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম আর ভালোবাসায় এই পেজ।

এখানে ব্যবসায়িক কোন চিন্তা ভাবনা নেই বরং নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে এখানে চলতে হয়। আর এ পেজে টিকে থাকতে হলে লাগে কিছু ক্রিয়েটিভিটি। এখানে ডিপ্লোম্যাসি করে উঠা যায়না। কেউ যদি উদার ভাবে মানুষ কে আপন করে অনেকের প্রিয় হয়ে যায় সেটা তার কৃতিত্ব, কিন্তু আমার কোন ডিসক্রেডিট নয়, আমার জন্য হতাশারও নয়,অতএব কে কত প্রিয় এটা নিয়ে আমার মাথা না ঘামালেও চলবে। আমি কোন ইলেকশনেও দাড়াবো না। সুতরাং কেউ কি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী কিনা এটা নিয়ে ফালতু চিন্তা করাটাও বোকামি। যার যার সৃষ্টিশীলতা দিয়েই চলতে হবে। কোথাও আমার নাম উল্লেখ করা হয়েছে কিনা এটাও আমি কখনো কেয়ার করিনা, আমি কি করছি তা আমি জানি, আমার নাম দরকার নেই। এই পেজ তৈরির ইতিহাস সবাই জানে। তাই ঐ ইতিহাসে যাবোনা। তবে যারা মনে করেন এ ধরনের একটি পেজ আপনা আপনি হয়ে গেছে , তাদের বলব আসুন আমরা আপাতত কিছু দিনের জন্য এই পেজটির কার্য্যক্রম স্থগিত করে, নতুন একটি পেজ খুলি, দেখি চালাতে পারি কিনা।

প্রাইভেসি এবং সেই সময়


কলোনি তে যখন ছিলাম আমাদের টিভি টা প্রায় নষ্ট হয়ে যেত।ভরসা ছিল পাশের বাসার Rehana Alam রুবি আপা কিংবা Jerin Ripa রিপা আপা দের বাসা।তখন ত এত চ্যানেল বা প্যাকেজ নাটক ছিল না।হয়ত মঙ্গল বারে ধারাবাহিক বহুব্রীহি বা কোথাও কেউ নেই, বুধবার এ ম্যাকগাইভার এবং বৃহস্পতিবার এ এ সপ্তাহের নাটক দেখতে যাওয়া।সাড়ে আট টা বাজে চলে যেতাম উনাদের বাসায়।উনারা কিছু বলতেন না,যেন আমাদেরই টিভি আমরা দেখতে আসছি।দরজা খোলা থাকত সবসময়। বিরক্ত হতে দেখিনি কোনদিন। রুবি আপাদের বাসায় শুক্রবারে সকালে, "Fairy Tale" নামে একটা রুপকথার গল্প দেখতাম।

Friday, March 11, 2016

আমার যেদিন অনেক টাকা হবে সেইদিন গ্রামে গিয়ে নদীর ধারে একটা টিনের ঘর করে জীবনটা কাটিয়ে দিবো


আমার যেদিন অনেক টাকা হবে সেইদিন গ্রামে গিয়ে নদীর ধারে একটা টিনের ঘর করে জীবনটা কাটিয়ে দিবো। জনি বলেছিলো কারেন্ট থাকবে না। সত্যি বলতে এই জীবনটা বিতৃষ্না হয়ে গেছে। কারেন্ট কেনো লাগবে!!!! আমার জীবনধারা হবে এইভাবে:

প্রতিদিন সকালের আজানের সময় ঘুম থেকে উঠে প্রার্থনা শেষে প্রাতভ্রমন, নাশ্তা শেষ করে আবার একটু ঘুম। তারপর ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে একটা স্কুল চালাবো, ফ্রী সার্ভীস। বিকাল চারটার পর একটা বুড়াদের স্কুল চালাবো যাতে তারা পত্রিকাটা পড়তে পারে। সন্ধ্যার পর কুপির আলোতে গল্পর বই পড়তে পড়তে কখন যে ঘুমিয়ে যাবো বলতেই পারবো না। জোৎসা যেদিন থাকবে সেইদিন সবাইকে নিয়ে মাঠে রান্না করে খাবো। সম্পূর্ণ নিরিবিলি। জেনারেটরের আওয়াজের ও প্রয়োজন নাই। সঙে আতিক ভাই থাকলেতো সোনায় সোহাগা। আর আমার বিশ্বাস অল্প কিছুদিন যেতে না যেত ওটা একটা CSM গ্রাম্য পল্লি হয়ে যাবে..... smile emoticon 

আমরা সবায় রাজা.....

খেলা অফ এখন লিখা যাইবো


খেলা অফ এখন লিখা যাইবো।তখন ক্লাস নাইনে পড়ি এই বয়সে মনটা একটু উড়াঁ উড়াঁ ভাব থাকে,এর আগে আমার কিছু দোস্ত প্রেমের পাঠশালা পড়ালিখা করতাছে,আমার মনে এই সব চিন্তা ভুলেও আসতো না,আরো তাদের বকাঝকা করতাম,সারাদিন বাহিরে বাহিরে ঘুরতাম, আমি তারিক,বিপুল,ডালিম,শিপন রতন, টিটু ভাই টিংকু ভাই সারাদিন খেলাধুলা নিয়া পড়ে থাকতাম,বাসায় তখন ও টিভি আসে নাই টিভি দেখার উছিলায় বিভিন্ন বাসায় ডু মারতাম,এই জন্য মায়ের হাতে বহুত মার খেয়েছি,তো এই বাসা ঐ বাসা ঘুরতে একটা মেয়ে কে খুবই ভালো লেগে গেল.(মেয়ে তো বলা যায় না একটা ছদ্ম নাম না হয় দিই শত হলেও ভালোলাগার মানুষ মিমি না হয় নাম দিলাম)ঐ বাসায় সকাল বিকাল রাত সব সময় অবাধ যাতাযাত ছিল,মিমিকে অল্প অল্প ভালো লাগা শুরু তখন থেকে,মিমি ও আমার সাথে একই ক্লাসে পড়তো,ছোট ছোট অনেক ভাই বোন ছিল তার,চাচীও আমাকে খুব পছন্দ করতো,চাচী ছিল সহজ সরল মহিলা,চাচী আমাকে বলে তুমি তো সারাদিন বাহিরে বাহিরে থাক সময় পেলে আমার ছেলেমেয়েকে একবেলা পড়াইয়ো,তোমাকে কিছু হাত খরচ দিবো,আমি তো মহা খুশি এই তো শুরু মেঘ না চাইতে জল,সকাল, বিকাল,দুপুর বিকাল,রাত সারাদিন পারলে পড়াই, রাতে বেশি সময় নিয়া পড়াইতাম কারণ সবাই এক সাথে ডাইনিং টেবিলে বসে পড়তাম আমি একপাশে বসলে মিমি আপর পাশে বসতো আর নিচেতো পা ছোঁয়াছুয়ি চলতো, এভাবে বহুদিন গেলো এতো ঘন ঘন আসা যাওয়াতে মিমির বাবা একটু সন্দেহের চোখে দেখতো,আস্তে আস্তে ভালোলাগার দৈঘ্য বড় হতে শুরু করলো,তখন বাসায় যেতে না পারলে জানালায় দিয়ে কথাবাতা চলতো এভাবে চলাতে আশেপাশের অনেকের নজর পরে গেলো বাসায়ও জেনে গেলো ১৪৪ধারা জারী হলো ঐবাসায় আর যাবি না, এখন হাতের লিখা ছাড়া আর কোন উপায় নেই,এটা ও শেষ পষন্ত ধরা পড়লো,হঠাৎ একদিন শুনি মিমিকে মিমির বাবা ঢাকায় নিয়ে গেছে,আমার তো এদিকে খবর হয়ে যাচেছ কি করে খবর নিই, ৪/৫দিন পর মিমির বাবা আসলো একা, লোক মারফত খবর নিলাম মিমি কয়েকদিন পর আসবে ১৫/২০দিন হয়ে গেলো শেষ পষন্ত চাচীর কাছে গেলাম সালাম দিলাম তারপর জানতে চাইলাম মিমির কি খবর শুনলাম চাচা ঢাকায় নিয়ে মিমিকে বিয়ে দিয়ে দিছে,কোনমতে বাসা থেকে বের হয়ে সোজা ওয়াসার পিছনে, এই শোক ভুলতে পারি নাই সহজে মনে হলো কি যেন হারিয়ে ফেলছি,মনে আছে একটা ক্যসেটে একটা গান পুরা রেকডিং করছিলাম,((গানটা হলো বেদনা মধুর হয়ে যায় তুমি যদি দাও))

আকাশ কুসুম


ছোটবেলায় আমরা কমবেশি সবাই ছবি মানে সিনেমা দেখতে ভাকবাসতাম। মাঝে মাঝে ভাবতাম নিজের চেহারার সাথে অমুক নায়কের চেহারা মিল আছে।এবং ওই নায়কের সিনেমা দেখার সময় নায়িকার পাশে ওই নায়কের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতাম।কলোনি তে অনেক হিরো র মত ভাইয়া ছিলেন,বলেন ত নিজেকে কোন নায়কের মত ভাবতেন আর আপুরা নিজেকে কোন নায়িকার মত।কোন রকম সংকোচ না রেখে বলে ফেলুন ত দেখি

যে আমারে বাঁধিবার চায়......


রেজা ভাইয়ের এই পোস্টে ভাবীর (সারাফের মা) ফেসবুক বিরোধী আচরনের কারনে একটা গল্প মনে পড়ে গেল।

একবার এক বয়স্কা মহিলা পরিচিত আরেক বয়স্কা মহিলাকে বলছেন "জানেন আমার মেয়ের জামাই কি ভাল? সবসময় বৌকে সব কাজে সাহায্য করে। বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যায়, মাঝে মধ্যে ঘরের ছোট খাট কামকাজ করে আমার মেয়েটাকে সাহায্য করে। অনেক সময় রান্নাবান্নার কাজটাও মেয়ের জামাই করে দেয়। আমার মেয়ে অনেক সময় জোড় খাটিয়ে ওর জামাইকে দিয়ে কাপড় কাঁচিয়েও নেই ইত্যাদি ইত্যাদি।" বলে ইয়া বড় একটা ভেটকি দিলেন।
কিন্তু "আমার ছেলের বৌটা দুনিয়ার বদ। আমার ছেলের কথাতো শুনেই না। সবসময় পায়ের উপর পা তুলে বৌ মা থাকতে চায়। ছেলেটাকে দিয়ে হেন কোন কাজ নেই করায়না। সবকিছু আমার ছেলেটাকেই করতে হয়। কিযে বলবো - বৌটা কাজ করিয়ে আমার ছেলেটার লাইফটাই বারোটা বাজিয়ে দিল ইত্যাদি বলে ইয়া বড় এক দীর্ঘশ্বাষ ছাড়লেন""।
সবাই বুঝতেই পারছেন তিনি কি রাইট ওয়েতে আছেন নাকি wrong ওয়েতে আছেন? তিনি কোন নীতি অবলম্বন করেছেন বোঝা একদম কঠিন নয়

সময় কথা বলে


আল্লাহ মানুষকে সেরা জীব হিসেবে বানিয়েছেন।তেমনি দিয়েছেন অসীম ক্ষমতা,প্রতিভা।এটা দিয়ে মানুষ অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে।নিজের মনের সুপ্ত ইচ্ছগুলোকে পুরণ করতে পারে,মানুষের কল্যাণ এ কাজ করতে পারে।যুগে যুগে মানুষ তার সেই ক্ষমতার চমক দেখিয়েছে।

তবে সবসময় মানুষ যা চায় তা নাও হতে পারে। সময়ের উপরে কিছু জিনিস ছেড়ে দেয়া ভাল।কিছু কিছু কাজের ফল সাথে সাথে নাও পেতে পারে।অপেক্ষা করতে হয়।সময়ের কাছে হার মানতে হয়,পরাজয় স্বীকার করে নিতে হয়,সে যত বড় ক্ষমতাশালী বা প্রতিভাবান হোক না কেন,যে কোন কিছুরর জন্য ধৈর্য ধরতে হয়।সময় একসময় সঠিক জবাব নিয়ে আসে,উত্তর দেয়।যারা সময়ের কাছে হার মানতে চায় না,তারা হেরে যায়।এজন্যই বলে, " রেগে গেলেন ত হেরে গেলেন"।তাই সবসময় নিজের ক্ষমতার কারিগরি না দেখিয়ে সময়ের উপরে কিছু জিনিস ছেড়ে দেয়া ভাল।কারন কোন একসময় ঠিকই " সময় কথা বলে"

আজ থেকে ১২ বছর আগে, বিয়ের ঠিক আগে আগে, এই কবিতাটি সারাফের মা আমাকে সুনিয়েছিলো


যে আমারে বাঁধিবার চায়
অনিত্য সংসার মেলায়
ভালোবাসা দিয়ে
সেই তোমাকে ভালোবাসি
আজ থেকে ১২ বছর আগে, কে যেন কবিতাটি সুনিয়েছিলো!!!

মহা যন্ত্রনায় কয়টা দিন পার করলাম। ঘরে/বাহিরে/অফিসে। মাঝে মাঝে আমরা বড় অবুঝ হয়ে পড়ি। একটি দেশের সকল কার্যক্রমও আমাদের কাছে হার মানবে!!!!