Wednesday, April 13, 2016

সি এস এম কলোনি।।


প্রায়ই মেজাজ খারাপ হয়ে যেত।।কর্মস্থলের কিছু কিছু ব্যক্তিকে অস্বস্তি লাগতো।।এদের আচার-আচরণ দেখলে মন চায় গুলি করে দেই।।নূন্যতম আত্মসম্মান নেই।।যেটা আছে সেটাও রাখতে নারাজ।।তো প্রথম প্রথম বুঝতাম না।।প্রতিবাদ করতাম।।কারন আমি তাঁদের ন্যায় আচরণ করতে পারতাম না বা আসতো না।।কারন আমি যে পরিবেশে মানুষ হয়েছি সে পরিবেশে এ ধরনের স্বার্থন্বেষী মানুষের বসবাস ছিল না।।একটা সময় চিন্তা করলাম পোস্টিং হয়ে চলে যাই কিন্তু পরে চিন্তা করলাম এখানে সবাই তো খারাপ না।।দু'একজন খারাপ।।তো তাদের কারনে আমি অন্যদের কেন ছাড়বো।।পরে ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করলাম এবং ওদের একটা তালিকা করলাম এবং যতটা সম্ভব এড়িয়ে থাকার চেষ্টা করতে লাগলাম।।কারন চিন্তা করলাম ওদের ছাড়া আমি চলতে পারবো না বা চাকরি করতে পারবো না।।এদের মাঝেই আমাকে থাকতে হবে।।চাকরি করতে হবে।।তাই এখন আর ঝামেলা করিনা।।ভাল না লাগলে এড়িয়ে যাই।।এই হলো আমার কর্মস্থলের কাহিনী।।

এবার আসি পেজ নিয়ে।।এই পেজে আমিও অনেক সময় বিভিন্ন বিষয়ে উত্তেজিত হয়ে যেতাম।।মতের অমিল হলে যা হয় আরকি।।পরে এক বড় ভাই উপদেশ দিল যে,,তুই এমন গরম হয়ে যাস কেন।।কোন বিষয় যদি তোর ভাল না লাগে এড়িয়ে যা,,অনেকটা রাজনীতি বীদদের মতো।।মুখে বলবি দেশকে ভালবাসি,,আর ভেতরে ভেতরে দেশকে বেঁচে দিবি।।অনেকটা এদেশের মতো।।পরে চিন্তা করলাম ঠিকতো।।দু'একজনের কারনে আমি বাকি দের কেন ছেড়ে যাবো।।উনার উপদেশটা আমি এখনও অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।।

একটা জোকস দিয়ে শুরু করি


একটা জোকস দিয়ে শুরু করি। এক কাজি ছিলেন। তাঁর কাছে কোন অভিযোগ এলে তিনি একটাই প্রশ্ন করতেন-মেয়েটি কে? একবার এক ফাদার মুখ খোলা ম্যানহোলে পড়ে পা ভেঙ্গে ফেললেন। ফাদার গেলেন কাজির কাছে অভিযোগ নিয়ে। কাজি সব শুনে জিজ্ঞাসা করলেন-মেয়েটি কে? কাজির পাসের সবাই তাকে বুঝাতে চেষ্টা করলেন, ইনি একজন সম্মানিত ফাদার! তাকে এ ধরনের প্রশ্ন করে বিব্রত না করতে। কাজি নাছোড় বান্ধা। তার একই প্রশ্ন-মেয়েটি কে? ফাদার শেষে নিরুপায় হয়ে সত্য কথাটি বললেন-রাস্তার ডান পাশ্বের তিন তলার মেয়ে! মেয়েটি বারান্দায় বসে চুল শুকাচ্ছিল। ফাদার রাস্তা দিয়ে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে হাটছেন। তারপর পা ম্যানহোলে! শেষে কাজি ফাদারকে বললেন-রাস্তায় হাটার সময় রাস্তার দিকেই তাকাবেন!

এই গল্পটি বর্তমানে হলে কেমন হতো। তা দেখি। িএক দেশে এক কাজি আছেন। তার কাছে কোন অভিযোগ আসলে প্রথম বলেন-নিশ্চয়ই এই ঘটনার পিছনে ইন্ডিয়া আমেরিকার কানেকশন আছে। এক দিন এক মহিলা কেদে বুক ভাসাতে ভাসাতে আসলেন কাজির কাছে। তার স্বামী তাকে গত রাতে পিটিয়েছে। কাজি সাহেব নিদের্শ দিলেন ঐ মহিলার স্বামী কে ধরে আনার জন্য । ধরেও আনাহলো। এবার কাজি বলল-বল আমেরিকা ইন্ডিয়া কিভাবে তোমাদের মধ্যে ঝগড়াটা বাদালো। কাজির পাশের সবাই হতভম্ব। স্বামী স্ত্রীর ঝগড়ার মাঝে ইন্ডিয়া আমেরিকা আসবে কিভাবে! স্বামী মুখ খুললো, তার স্ত্রী দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা টিভিতে ইন্ডিয়ান কাঁদতে কাঁদতে যায় বেলা টাইপের সিরিয়ালগুলো দেখে। আর কেঁদে হাটু ভাসায়। স্বামীর পছন্দ আমেরিকান চ্যানেল এএক্সএন (AXN) এর এ্যাকশন মুভি। সে বাসায় এসে স্ত্রীর কারনে এএক্সএন (AXN) এর এ্যাকশন মুভি দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গতরাতে তিনি রাগ সামলাতে না পেরে এএক্সএন (AXN) এর এ্যাকশন তার স্ত্রীর উপর চালিয়েছেন। কাজি সব শুনে মুচকি হেসে বলল-এবার বুঝলা সব কাহিনীর পিছনে আছে ইন্ডিয়া আমেরিকার কানেকশন।

ঝরাপাতা গো আমি তোমারি দলে

- Mosaddeque Ali

বৃষ্টিতে কোন একদিন ভিজে সারা
ভিজি কানন শ্যামল পথে
কোন একদিন দিনের রৌদ্র খরায়
ঘেমে চলাচল অন্য প্রান্তরে
ভোলাপথে মূখর বার্তা গত বছরের।
কোনো শরত হেমন্ত দিনে সুবাতাসে
আঙিনাতে ফুলের মঞ্জরি
বসন্ত দিনের ছায়া ফাগুনি পুর্ণীমায়
দখিনা সৌরভ ভাসে মনে
বিগত বছরের সুনন্দ স্মৃতিরা জ্বলে।
কতদিন বেদনা পেয়ালা ভরে যায়
ওষ্ঠ ছুঁয়ে বিষাদাচ্ছন্ন করে
আনন্দের পানপাত্রে করুণ মাদক
অন্যখানে অন্য কিন্নর ডাকে
নিরুদ্দেশা অতীতের ঘোর মধ্যান্হে।
সবকিছু ঝরাপাতা ডালিতে ভরেছি
পত্রপল্বব সব যতকিছু স্মৃতি
তোমারি দলে ঝরাপাতা ঝরাপাতা
ঝরাপাতা গো তুমি সাথী হও
উচ্চাশে নিশ্বাসে সামনের বনপথে।।
——————————
বিদায় ১৪২২। চৈত্রের শেষদিন।
নুতন দেখা দিক আরবার।

সরকারি বন্ধ বা বিশেষ দিন গুলো এলে আমার রীতিমতো ভয় এবং বিরক্ত লাগে


সরকারি বন্ধ বা বিশেষ দিন গুলো এলে আমার রীতিমতো ভয় এবং বিরক্ত লাগে।।কারন এই দিন গুলোতে সবাই যখন পরিবার পরিজনদের নিয়ে ব্যস্ত এবং আনন্দগন মুহূর্তে সময় গুলো পার করে তখন আমি থাকি বিভিন্ন রকম নিরাপত্তা মূলক ডিউটিতে নিয়োজিত।।রাস্তায়,,পার্কে বিভিন্ন রেস্তারাঁ সহ অন্যান্য জায়গায় যখন দেখি কোন পুরুষ তার পরিবারের বা প্রিয় মানুষ গুলোকে নিয়ে এক সাথে ঘুরে বেড়ায়,,খাবার খায় তখন আমার আনন্দ লাগার পরিবর্তে খারাপ লাগে।।মন খারাপ করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না।।

আর সবার মতো এবারো ছেলের জন্য এবং ছেলের মায়ের জন্য বৈশাখের কাপড় কিনেছি।।ছেলের বায়না শিশু পার্কে যাওয়ার আর বৌয়ের বায়না মেলায় যাওয়ার এবং ফিরতি পথে বাহিরে এক বেলা তৃপ্ত করে খাওয়া।।আমি জানি অন্য বারের মতো এবারো আমি ওদেরকে সময় দিতে পারবো না।।তবুও মিথ্যে সান্ত্বনা দিয়েছি যে,,আমরা অবশ্যই যাবো।।আনন্দ করবো।।বৌও জানে আমি মিথ্যে সান্ত্বনা দিচ্ছি।।তবুও সে এবং তার ছেলে তৈরি হয়ে বসে থাকবে আমার প্রতিক্ষায় এবং একটা সময় মন খারাপ করে সব কিছু ভূলে যাবে এবং একটা ফোন আসবে আমার কাছে আর বলবে,দেশ সেবা নিয়েই থাকো,,বৌ-সন্তানের প্রয়োজন নেই বলেই ফোনটা টোটাললি অফ করে দিবে।।আর ঠিক তখন আমার কষ্টটা আরো বেড়ে যায় এবং মনে মনে বলি খোদা এ কেমন রিজিক তুমি আমার কপালে রাখলে😢

আমাদের বন্ধু মহলে সর্বাধিক পঠিত গল্প বই টি ছিল প্রজাপতি প্রকাশনীর "লুকোচুরি "


আমাদের বন্ধু মহলে সর্বাধিক পঠিত গল্প বই টি ছিল প্রজাপতি প্রকাশনীর "লুকোচুরি "। রোমান্টিক কমেডি ঘরানার গল্প ছিল। বই টি এতো বার পড়েছি যে পুরো বইটি মুখস্ত হয়ে গিয়েছিল। সবচেয়ে বেশি বার পড়েছি আমি আর মরা রাশেদ। বই টি পড়ে আমি রাশেদ এতোটাই কল্পনায় ভেসে গেলাম যে, দু জনেই সিদ্ধান্ত নিলাম বই এর কাহিনী অবলম্বনে ছবি বানাবো। হিন্দি ও বাংলা দু ভাষায়ই ছবিটি রিলিজ দেয়া হবে। নায়ক নিয়ে কোন সমস্যা নেই। তখন আমির খানের যুগ, রাশেদ আর আমি দুজনেই আমির কে চয়েস করেছি। ভেজাল লাগলো নায়িকা নিয়ে, আমার পছন্দ জুহি আর রাশেদের মাধুরি, এ নিয়ে দু জনের মাঝে তুমুল ঝগড়া। ঝগড়ার চোটে ছবি বানানোর পরিকল্পনাই বাতিল। হুম! জাতি দুজন ভবিষ্যত গুনি চিত্র নির্মাতা কে অকালেই হারালো।

কোথায় আমির আর কোথায় জুহি মাধুরি আর কলোনি তে বসে আমাদের অতি আবেগী কল্পনার পাগলামো। কত সরলতার জীবন ছিলো আমাদের।

এই সরলতার জীবনটাতেই আবার ফিরে যেতে মন চায় বারবার।

ব্লাড নিয়ে এইটা আমার দ্বিতীয় লিখা


ব্লাড নিয়ে এইটা আমার দ্বিতীয় লিখা। চট্টগ্রাম সিটি কলেজে পড়াশোনা করার সময় আমি যুব রেড ক্রিসেন্ট সিটি কলেজ ইউনিট এর একজন সদস্য হই। পরবর্তীতে ব্লাড বিভাগীয় প্রধান হই। এর পর থেকে ব্লাড নিয়ে কাজ শুরু। ২০০৭-২০১২ পর্যন্ত আমি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করেছি। রেড ক্রিসেন্ট করার সময় আমার যুব প্রধান আমাকে সাহস দেয় ব্লাড দেয়ার । সেই থেকে বিদেশ আসার আগ পর্যন্ত ১২ বার ব্লাড দিয়েছি । যখনি কেউ কল দিত ব্লাড দেওয়ার জন্য চলে যেতাম ।কেউ কে চিনতাম না।কিন্তু রক্ত দিয়েছি । এই জন্য অবশ্য আম্মা অনেক বকা দিত। বলত্ নিজের শরীরে রক্ত নাই উনি অন্যেরে রক্ত দেয় ।কিন্তু রক্ত দিলে মনের মধ্যে একটা শান্তি কাজ করে।।মানুষ মন থেকে দোয়া করে।জীবনে একটা ভাল কাজ করতে পারি এই রক্ত দান করে।আমরা অনেক রক্ত দিতে ভয় করি। কিন্তু ভয়ের কিছু নাই। ।।।তাই হইত অনেকেই আমার ব্লাড নিয়ে প্রথম লেখায় লাইক দিলেও তাদের ব্লাড গ্রুপ কী তা লিখেনি।।।।

Tuesday, April 12, 2016

কিছুদিন আগে একটা কমেন্ট এ বলেছিলাম, আমাদের এই পেইজে silent member আছেন


কিছুদিন আগে একটা কমেন্ট এ বলেছিলাম, আমাদের এই পেইজে silent member আছেন যারা শুধু দেখেন কিন্তু কোন পোষ্ট লাইক কমেন্ট এ যান না। সেই রকম একজন মানুষ নিয়ে আমার এই লেখা। কলোনিতে থাকাকালীন আমাদের সমসাময়িক কালে অর্থাৎ আশির দশক থেকে নব্বই দশক এর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত কলোনির অত্যন্ত প্রিয় মুখ বেবী আপা এবং বুলা আপা(শিখা,মানিক,সুমন,সুজন এবং নমির বড় বোন)।বেবী আপার ফেইসবুক আইডি আছে কিনা আমার জানা নেই কিন্তু Salma Akter বুলা আপা আমাদের সাথেই আছেন। সেই ছোট বেলায় হাউজিং কলোনিতে আমরা পাশাপাশি ছিলাম এবং পরবর্তী সময় যখন স্টিলমিল কলোনিতে আসি কাকতালীয় ভাবে পাশাপাশি বাসায়ই ছিলাম। নিজের বোন ছিলোনা কিন্তু বেবী আপা এবং বুলা আপা সবসময় নিজের ছোট ভাই মনে করতেন। উনাদের পরিবারের সাথে আমাদের পরিবারের খুব ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিলো যা আজো বিদ্যমান। কলোনিতে দেখেছি বেবী আপা ভীষন উচ্ছল ছিলেন, সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন। সেই তুলনায় বুলা আপা কিছুটা চাপা স্বভাবের মানুষ ছিলেন। আমাদের এই পেইজেও তিনি আছেন,আমাদের দেখছেন। আমরা চাই তিনি আমাদের জন্য কিছু লিখুন। ভালো থাকুন আপা।

আমি যখন বছরের শেষে গ্রামে যেতাম তখন পাকা ধান দেখতে আমার খুবই ভালো লাগতো


আমি যখন বছরের শেষে গ্রামে যেতাম তখন পাকা ধান দেখতে আমার খুবই ভালো লাগতো। আমার ফুফাতো ভাই ও দুই পাড়াতো ভাই আমি গ্রামে গেলেই আমার সাথে সাথেই থাকতো। গ্রামে প্রতিটি বাড়ীতে দুপুর আর রাতের খাবারের জন্য আমাকে কখনোই ভাবতেই হয় নাই, বরঞ্চ চিন্তায় থাকতাম আজ কাকে কাকে বাদ দিবো।

একদিন সকালে চিন্তা করলাম আজকে কোথাও খাবো না জমিনের দিকে যাবো। তখন ছিলো মাইলের পর মাইল জমিন। জমিনে মটরশুটি আরো কি কি যনো চাষ করছিলো। আনুমানিক ১০টার দিকে দেখলাম আমার পাড়ার এক চাচা গামছা বিছিয়ে খাওয়ার আয়োজন করছে। আমাদের দেখে ডাকদিলো। বললো তুই সোলেমানের ছেলে না? কথা শেষ করে চলে যাচ্ছিলাম, তিনি বললেন "ওয়া পানি ভাত খাইবানা! তোয়ারা তো শরগো মানুষ ন খ'ও পানলার"। আমি অনেকবার পানতা ভাত খাইছি বাসায় শখ করে। গরম ভাতে পানি ঢেলে লবন দিয়ে মেখে গরুর মাংসের ঝোল দিয়ে অনেকবার খাইছি। এখনো সময় পেলে খাই। 

আমি গত দুয়েক দিন ধরে অফিসে বসে ইউটিউবে বিভিন্ন ছবি বা গান দেখছি


আমি গত দুয়েক দিন ধরে অফিসে বসে ইউটিউবে বিভিন্ন ছবি বা গান দেখছি, এগুলো নিয়ে মজা করে এ পেজে শেয়ার করছি, পুরা ব্যাপারটিই একটা ফান বা মজা। আজকাল প্রযুক্তি এতো সহজ যে, যে কেউ যে কোন স্থানে বসেই ইউটিউব এ এগুলো দেখতে পারে, এটা তেমন উল্লেখ করার মত কিছুই না। একটু মজা করার জন্যই এটা শেয়ার করা।

অনেকে আমার কাছে ব্যাক্তি গত ভাবে জানতে চেয়েছেন, আমি অফিসে এসে সারাদিন কি এগুলো নিয়ে পড়ে থাকি কিনা? বা অফিসে আমার কোন কাজ নেই কিনা?

তাদের উদ্দেশ্যেই বলছি, আমার অফিসে আমার কাজ খুবই গোছানো, রুটিন কাজ গুলো সকালেই এসে সেরে রাখি, তবে একদিনেই এই অবস্থা আসেনি দিনের পর দিন প্রচন্ড পরিশ্রম করে এই পরিবেশ সৃষ্টি করেছি, অনেক টা রিলাক্সে কাজ করি এখন। তবে অফিসে কোন কাজেই সমস্যা করে আমি কিছু করিনা। আর অফিসের প্রয়োজনেই আমি সার্বক্ষণিক নেটে থাকি।

আরেক টা ব্যাপার বলি, আমরা এখানে যতই ফান বা মজা করিনা কেনো আমরা সবাই আমাদের যার যার পরিবার, সমাজ, বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ। পেজের ফান পেজ পর্য্যন্তই সীমাবদ্ধ। বাইরে আসার কোন সুযোগ নেই।

অফিসের বাইরে যাওয়ার কথা ছিল আজ


অফিসের বাইরে যাওয়ার কথা ছিল আজ,বস কাল বলে ছিল আজ মার্কেটে একটা ভিজিট করার জন্য। আমি যাব যাব বলেছি। কিন্ত বাইরে যে রোদ, পানি ভর্তি চাল পাতিলে ভরে বাইরে আধা ঘন্টা রেখে দিলে আধা ঘন্টায় ফুটে পুরো ভাত হয়ে যাবে। তার উপর আমার পাইলট ছুটিতে। 

অসম্ভব! এ চাল ফুটানো রোদে বাইরে যাওয়ার প্রশ্নই আসেনা। এর চেয়ে অফিসে বসে জুহি চাওলার সিনেমা দেখা উত্তম, বসরে ম্যানেজ করে আগামীকালের মার্কেট ভিজিট প্রোগ্রামও ক্যান্সেল করেছি, চিন্তা করছি শ্রাবণ না আসা পর্য্যন্ত নো বাইরে যাওয়া যাওয়ি।
শ্রাবন তুমি জলদি চলে এসো।

বৈশাখী পারিবারিক ছবি উথসবে আজ আমিও নাম লিখালাম...


বৈশাখী পারিবারিক ছবি উথসবে আজ আমিও নাম লিখালাম...। অনেক খোঁজা খজি করে অবশেষে পরিবারের সবাইকে একসাথে খুজে পেলাম... বড় পরিবারের এইটি একটা বড় সমস্যা সবাইকে একসাথে পাওয়া আর তার মধ্যে যদি সবাই চাকরিজীবী হয়। যাই হোক উপরের দিকে বাম পাশ থেকে শুরু করছি। আমার মেঝ ভাই মইনুল হুদা, বড় ভাই নাজমুল হুদা, আমার মেঝ ভাবি অ্যাডভোকেট কানিয কাওসার চৌধুরী, বড় ভাবি অধ্যাপিকা নাজমা বেগম,নাজমুল ভাই এর বড় ছেলে নাযিব হুদা, মইনুল ভাই এর এক মাত্র ছেলে মুহতাসিম হুদা, আমার স্রদ্দেয় আব্বা শামসুল হুদা, আমি ইমরুল হুদা আমার কোলে মইনুল ভাই এর এক মাত্র কন্যা যাহারা তাসনিম, আমার স্ত্রী শাহিদা সুলতানা এবং আমার স্রদ্ধেয় আম্মা ফেরদউস আক্তার।

উহ এর পরেও একজন বাদ পরে গেল। সে অবশ্য তখন এই দুনিয়াতে আসেনি। আমার মেয়ে আনাবিয়া আফশীন। আলাদা করে তার ছবি পোস্ট করলাম। ধন্যবাদ।

আমরা কি আয়েশি হয়ে যাচ্ছি, নাকি সহ্য ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, গরমে সবাই আহ!


আমরা কি আয়েশি হয়ে যাচ্ছি, নাকি সহ্য ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, গরমে সবাই আহ! উহ! মরে গেলাম পুড়ে গেলাম শুরু করে দিয়েছি । অথচ এমন গরম নুতন নয়, এই সিজনে এই গরম টা পড়বেই,এটাই প্রকৃতির স্বাভাবিকতা। বরং গরম না পড়লেই অস্বাভাবিক ছিল। 

কলোনি তে থাকার সময় এই গরমেই সকাল থেকেই ঘন্টার পর ঘন্টা ক্রিকেট খেলেছি বিকেলে আবার ফুটবল, কত দৌড় ঝাপ, আরো কত কিছু। আর এখন একটুতেই হাপিয়ে উঠছি। 

আসলেই আমাদের সহ্য ক্ষমতা কমে গিয়েছে, সহ্য ক্ষমতা বাড়লে বোধ করি গরম টা কমে যাবে

ধরেন, আপনি বাস থেকে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে গেলেন

- Towsif Noor Kabbo

ধরেন,
আপনি বাস থেকে তাড়াহুড়ো করে
নামতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে
গেলেন। পিছন থেকে আরেকটা বাস
এসে আপনাকে চাপা দিয়ে পিষ্ট
করলো। আপনি মারা গেলেন। আপনি
মারা যাওয়ায় আপনার বন্ধুরা মিলে
সেই বাস কোম্পানির বাসগুলো
ভাংচুর শুরু
করলো। আগুন ধরালো। এর ফলে
বাসের
পেট্রোলের টাংকিতে আগুন ধরে
প্রচন্ড
বিস্ফোরন ঘটলো।

সীমানা হারিয়ে সীমানায়


নিরাপদ প্রাচীরে ঘেরা সংরক্ষিত এক আবাসিক কলোনীর নাম সি এস এম জরুরী আবাসিক কলোনী। জনজীবনের চাহিদার সকল সুবিধা বিদ্যমান ছিলো সেই কলোনীতে। স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, খেলার মাঠ, খোলামেলা পরিবেশ। সারিসারি নারিকেল গাছ আর নানা রকমের ফলের গাছের সমারোহে কলোনীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিলো শীতল সবুজ।
বৃহতাকার এই সুন্দর কলোনীটেতে বসবাস ছিলো চিটাগাং স্টীল মিলস নামক দক্ষিন এশিয়ার সর্ববৃহত মিলটির চাকুরী জীবি ও তাদের পরিবারের বর্গের।

প্রতিটি পরিবারের সাথে প্রতিটি পরিবারের দৃঢ় সামাজিক বন্ধন, সুখে দুঃখে একে অপরের পাশে দাড়ানোর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিলো কলোনীর বাসিন্দাদের মাঝে।

চাকুরী জীবিদের সন্তানদের নানা রকম কর্ম কান্ডে মুখরিত থাকতো কলোনীর পরিবেশ। খেলাধুলা, আড্ড,া সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড চাকুরীজীবীদের সন্তানদের মাঝে গড়ে তুলেছিল বন্ধুত্ব আর ভাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধন।

নব বর্ষ-এ, ইলিশ পান্তা খেতে হবে


নব বর্ষ-এ, ইলিশ পান্তা খেতে হবে! পান্তা না হয় খেলাম কিন্তু ইলিশ! এত দাম দিয়ে কিনে এই আহ্লাদের মানে কি? মাথায় ঢুকেনা এই বদমায়েশি টা এলো কোথা থেকে!? আমি অন্তত আমার ছোট বেলায় এই সংস্কৃতি টা দেখি নাই। পুর্ব পুরুষ গ্রামের মানুষ, সেখানেও তো চর্চা হয় নাই। কলেজ লাইফ টায় দেখলাম, রমনা বটমুলে, ইলিশ/পান্তা! কালচারাল পার্টি দের নাচ গান গেয়ে বর্ষ বরন আয়োজন। বর্ষ বরন আমাদের অধিকার। এই রমনা পার্কে জুটে গেলো, বড় বড় মানি ম্যান! কালচারাল পার্টদের নাচ গান এর সাথে, বড় বড় মানি ম্যানদের ইলিশ পান্তা আহ্লাদ! এখন জাতির রন্ধে রন্ধে ঢুকে গেছে! ইলিশ পান্তা খেতে হবে! হাতের কব্জির সমান একটা ইলিশের দাম, ১০০০টাকার উপড়ে বা তারো বেশি! কয় জন মানুষের সাধ্যি আছে! বর্ষ বরন আমরা করবো কিন্তু এই ইলিশ পান্তা কালচার টা কে একটা লাথি মারলে কেমন হয়??? এর চেয়ে আতিকের ডাল ভাত কর্ম সুচিকে স্বাগত জানাই। যেটা প্রায়ই সবার জন্য সম্ভব।

পৃথিবীর সব বাপগুলা হইল বট গাছের মত যতদিন থাকে আমরা বুজিনা কি এটা


পৃথিবীর সব বাপগুলা হইল বট গাছের মত যতদিন থাকে আমরা বুজিনা কি এটা.... যখন ছোট ছিলাম ঈদে বাড়ি গেলেই দেকতাম দাদু আব্বুকে বিভিন্ন কারনে বকা দিতেসে আর আব্বু মাথা নিচু করে দাঁড়ায় থাকতো। মজা লাগতো অনেক আব্বু ও বকা খায় এটা চিন্তা করে। আমার দাদা ছিল আবার মেম্বার তার উপর কঠিন রাগি..... আমার নিজের চোখে দেখা আমার আব্বু কি পরিমান সম্মান করতো দাদুকে আর যখন দাদু মারা যাই তখন আব্বুর কান্না দেখে বুঝসিলাম কি পরিমান ভালবাসত আব্বু দাদুকে..........

তখন আমি ক্লাস ৭ এ পরি দাদু খুব অসুস্ত ছিল..... আব্বু অফিস শেষ করে বাড়িতে গেল দাদুকে দেকতে.... বাসায় আসলো ১১টা বাজে আব্বুর সাথে ভাত খাব বলে ঘুমায় গেলাম....আব্বু ডেকে বল্লো চল ভাত খাব (আমি তখন আবার ম্মাম্মি ডেডি ছিলাম)... ভাত খেতে খেতে আব্বুকে দেরি করার কারন জিজ্ঞেস করলাম আব্বু বললো তোমার দাদু খুব অসুস্থ তাই .... 

Monday, April 11, 2016

মুখ চেনা সেই মানুষ গুলো


জীবিকা নির্বাহের জন্য কিছু মানুষের পদচারনা ছিলো সি এস এম কলোনীতে। কারো ছিলো নিরব পদচারনা কেউ করতো হাকডাক। হাকডাক ওয়ালা জীবিকা নির্বাহী সেই কাগজের ফেরী ওয়ালার সুর করা এই কাগেএএএএএজ পুরানো বই খাতা পেপার বিক্রির কাগেএএএএএজ হাকটি আজো কানে বাজে। জুতা সেলাই করা সেই মুচির এই সেলাইইইই, কটকটি ওয়ালার টুংটুংগীর শব্দ কিম্বা মিল্ক ভিটার ভ্যানের প্যা পু প্যা পু শব্দ গুলি ছিলো কলোনী বাসীর কাছে পরিচিত শব্দ এই মুখ গুলো ছিলো চেনা মুখ।

আজকে যাইতাসি বাপের বাড়ি


,পোলার Exam শেষ কি মজ।ষটীলমিলস যাওয়ার কথা মনে হলে আমার আর রাতে ঘুম হয়না অথচ আমার বাসা থেকে ষটীলমিলের জেতে মাএ দইশ টাকা গাড়ি ভাড়া।৪৫ মিনিটে বাসায় চলে যাই।বড় ভাই,ভাবী,ছোট ভাইবোনরা খালি কখন জুবায়েরর examশেষ হবে এদিন গনে।আজকে আমাদের বাসায় সবাই অনেক খুশি কারন আমি জাব।অনেক দিন পরে যাচছি।ষটীল বাজার,মুনবেকারির পরোটা আরও কত কি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।আললাহ হাফেজ।

অতিথি


যেখানে সীমান্ত তোমার সেখানে বসন্ত আমার
ভালোবাসা হৃদয়ে নিয়ে আমি বারেবার আসি ফিরে ডাকি তোমায় কাছে..........
বাস ফেনীর মহিপাল ক্রস করার পর এই গানটা ক্যাসেটে বাজতে লাগলো। এমনিতে আবেগ আপ্লুত হয়ে ছিলাম এই গান বাজতে শুরু করায় আবেগ নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে গেলো দুই চোখ বেয়ে পানি পড়তে শুরু করলো নিরবে। এটাকে কান্না বলে না। আবেগে চোখ বেয়ে এভাবে পানি পড়াকে কি বলে আমার জানা নাই। 

সি এস এম কলোনী ছেড়ে নাটোরে চলে এসেছি একমাস আগে ১৯৯৮ সালের ৪ ঠা মার্চ। কলোনী ছেড়ে চলে আসার পর এই প্রথম আবার কলোনীতে যাচ্ছি তাই এতো বাধ ভাংগা আবেগ।বাস যতই চট্টগ্রামের কাছাকাছি পৌছাচ্ছে আমার আবেগ ততই বেড়ে চলেছে। শীতাকুন্ড পার হয়ে এসেছি। আর কিছুক্ষনের মধ্যেই চট্টগ্রাম শহরে পা রাখবো। চিন্তা করছি নেমে প্রথমে কোথায় যাবো রাত তখন বাজে দশটা তাই সিদ্ধান্ত নিলাম এতো রাতে আর কলোনীতে যাবো না। বৌ বাজার পানির কলে বন্ধু ডালিমদের বাসা তাই দেওয়ানহাটে বাস থেকে নেমে ওদের বাসায় গেলাম। মাত্র একমাস আগেই চিটাগাং থেকে বিদায় নিয়েছি কিন্তু ওদের বাসার সবার ব্যবহারে মনে হলো কয়েক যুগ পর পরিবারের কোনো সদস্যের সাথে দেখা। রাতের বেশীর ভাগ সময় কাটলো ডালিমের সাথে গল্প করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে আমার আর তর সয় না কখন পৌছাবো কলোনীতে। সকাল দশটার দিকে ডালিমকে সাথে নিয়ে রওনা হলাম বেবী ট্যাক্সি চড়ে। পরিচিত শহরটাকে দেখতে দেখতে পৌছে গেলাম চিরচেনা স্টীলমিলস বাজারে। ট্যাক্সি থেকে বাজারেই নামলাম। ভাই ভাই বেকারি তে দেখা বন্ধু সিরাজের সাথে আরো অনেক পরিচিত মানুষের সাথে। বাজার গেট দিয়ে কলোনীতে ঢুকতেই লেখাটা চোখে পড়লো " থামুন, আপনার পরিচয় দিন"। বুকের ভিতর কেমন যেনো করে উঠলো কি পরিচয়ে আমি কলোনীতে প্রবেশ করছি? জন্ম থেকে বেড়ে উঠা এই কলোনীর সাথে আমার সম্পর্ক টা এখন কি? আমিতো আর এই কলোনীর বাসিন্দা নই। জন্ম, বেড়ে উঠা, হাসি আনন্দের হাজারো স্মৃতি বিজড়িত এই কলোনীতে আমি এখন অতিথি। 

কলোনীতে থাকতে সব সময় বাপের কাছে নালিশ আসতো আমার নামে


কলোনীতে থাকতে সব সময় বাপের কাছে নালিশ আসতো আমার নামে, বাপটা খুবই ভালো বলে আমাকে মারতো না, সব সময় বুঝাইতো আব্বা কারো মনে ব্যাথা দিয়োনা,কেউ যেন তোমার জন্য আমাকে কিছু বলতে না পারে,নিজের সন্মান রেখ আমার টা ও রেখ,কে শুনে কার কথা এই কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে ধোয়ার মতো বের করে দিতাম,প্রতিদিন না হলে সপ্তাহে একদিন হলেও নালিশ আসতো,বাবা তো বিরত্ত হয়ে বহু কিছু করলো আমার জন্য তা আশা করি সবাই অবগত আছেন,আর কলোনীতে যাদের কে জালাতন করতাম তারা তো জলতো আশাপাশের সবাইকে জালিয়ে রাখতো এই ছেলে ভালো না আমুকের এই ছেলের জন্য আমার ছেলেটাও খারাপ হয়ে যাচেছ,আমি সবসময় জানতাম কলোনীর তে ছোট বড় সবাই আমাকে টেরা চোখে দেখতো,এই ভাবে কলোনী জীবন পার করে এসেছি,কলোনীতে যে দাগ গুলি রেখে এসেছি মানুষের মনে তা সবাই আজীবন মনে রাখবে সযত্মে,দুই যুগ এর কাছি কাছি পর পেইজ এর মাধ্যমে সবাই আবার একসাথে হয়েছি,প্রথম প্রথম খালি দেখতাম কে কি লিখে কোনো আওয়াজ করতাম উকি ঝুকি মারতাম,না দেখলাম কলোনী আগের মতোই আছে যাই কলোনীতে ডু মেরে আবার আগের মতো ফাজলামি করে আসি,আগেও ডেমকেয়ার ভাবে চলতাম, এখন ও ডেমকেয়ার ভাবে চলি,পাথক্য তখন সাথে বহু সঙী ছিল এখন একলা সব মোকাবেলা করতে হবে,কলোনীতে ভুলেও জন্মদিন পালন হতোনা মায়ের জন্য,মা আবার ধমে কড়া,কিন্তুু পেইজে আসার পর দেখলাম Mohammad Nazrulটিংকা ওরফে টিংকু Aslamuddin Mamun মামুন্না ওরফে মামুন সবার জন্মদিন এর ব্যাপারটা সবাইকে জানিয়ে দিচেছ বহুত বহুত ভালো লাগতো কিন্তুু কেউ কে আমি জন্মদিনে কমেনট করতাম না বেশি হলে লাইক দিতাম কারণ জন্মদিন টা আমাদের ফ্যামিলিতে চল না আমিও বিভিন্ন বই পড়ে জানতে পারলাম এটা মুসলমান দের জন্য উচিত না,গতকাল আমার জন্মদিন গেলো মনে করছি কি আর হবে গতানুতিক ভাবে মামুন হয়তো আমার জন্মদিন টা সবাইকে জানিয়ে দিবে কেহ দেখবে তো কেউ দেখবে না, আজ জন্মেছি না তাই আজ বেশি সময় দিতে পারি নাই কলোনীর এবংআমার জগতের বিভিন্নজনের ফোন করে ধরতে পারি না এই জন্য হাত জোড় করলাম,রাতে পেইজে টাইম লাইনে ডুকে তো অবাক নিয়মবহিভুত ভাবে আমাকে Atiq Csmআমার দোস্ত Ahsanul Tariqueআমার গুড়া কালে সঙী,আর যতারীতি মামুন, টিংকু ও দেখি আমার জন্মদিনের বাতা চারিদিকে আযান দিয়া প্রচার করতাছে,আর এই আওয়াজ শুনে কলোনীতে সকলে আবার সজাগ হলো জানি না কলোনীতে কে কি মনে করতো আমাকে দেখলে তা তো আগে বলে দিয়াছি,তো এবার ও মনে করছিলাম সবাই আমার জন্ম দেইখখা আবার টেনশন করে লো হাই প্রেশার হয়ে যাবে আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত হলো এবার কলোনীতে এসে,এতো এতো মানুষ আমার জন্মকে সাগতম জানালো সত্যি আমি পুরাই তাসকি খাইলাম বুঝলাম এরই নাম ভালোবাসা, দীঘজীবি হউক কলোনীর সকলের ভালোবাসা সকলের জন্য,(ধন্যপাতা জানিয়ে কারো হাত ঘ্র্যাণ করতে চাই না আল্লাহ যেন আমারে সামনের বছর আবার আরো নতুন করে জন্মায়)

Sunday, April 10, 2016

দীপক ভাই‌কে নি‌য়ে লিখা পোস্ট‌টি প‌ড়ে খুবই মন খারাপ ছিল


দীপক ভাই‌কে নি‌য়ে লিখা পোস্ট‌টি প‌ড়ে খুবই মন খারাপ ছিল। অাজও তার ব্য‌তিক্রম ছিল না। বু‌কের ভেতর কেমন যেন একটা কষ্ট অনুভব কর‌ছিলাম। দিপক ভাই, যার হাত ধ‌রেই অামার ব্যায়াম জগ‌তে পদচারনা শুরু হ‌য়ে‌ছিল। বারংবার ম‌নে পড়‌ছিল সেই স্কু‌লের স্টেই‌জে উনার কো‌চিং এর মুহুর্তগু‌লো। উনার হা‌স্যোজ্জ্বল মুখ খা‌নি চো‌খের সাম‌নে ভে‌সে উঠ‌লে এখনও চো‌খে জল চ‌লে অা‌সে।

অাজ যখন কবীর ভাই‌য়ের সা‌থে দেখা হ‌লো তখন ম‌নে হ‌চ্ছিল যেন দীপক ভাই‌কেই সাম‌নে পে‌য়ে গেলাম। কারণ দীপক ভাই‌য়ের শেষ মুহুর্তগু‌লো খুব কাছ থে‌কে একমাত্র কবীর ভাই দে‌খে‌ছিল।

অাজও কবীর ভাই‌য়ের চোখ দু‌টো ছলছল কর‌ছিল যখন উনি দীপক ভাই প্রস‌ঙ্গে শেষ মুহুর্তগু‌লো অামা‌কে বর্ণনা কর‌ছি‌লো।

কবীর ভাই! এক পরা‌জিত সৈ‌নি‌কের ম‌তো জীবন যাপন কর‌ছেন। সেই দিন‌টির পর অাজও কবীর ভাই স্বাভা‌বিক জীবনে ফির‌তে পা‌রে নি। দীপক ভাই‌য়ের প্রসঙ্গ অাস‌তেই খেয়াল করলাম, কবীর ভাই যেন এক নিষ্প্রাণ অন্তর নি‌য়ে অাজও স্সৃ‌তিগু‌লো ব‌য়ে বেড়া‌চ্ছে।

ফুল যদি ভুল হয়


ছেলেটি মেয়েটি র বিছানার পাশে প্রতিদিন একটি ঘাস ফুল রেখে যেত। ছেলেটির ইচ্ছা করত গোলাপ রেখে যেতে কিন্তু তার সে সামর্থ্য ছিল না। আবার এই মেয়েটি যেহেতু তার স্ত্রী, তার উপর আবার অসুস্থ তাই ফুল রেখে যেত যাতে ঘুম থেকে উঠে ফুল দেখে তার মন ভাল হয়ে যায়।

একদিন ছেলেটি ফুল রেখে যেতে ভুল গেল।কারন অফিসের তাড়া ছিল।দুপুরে যখন সে মধ্যহ্ন ভোজ এ গেল তার স্ত্রী ফোন দিল কেন সে গোলাপ রেখে যায় নি তার জন্য। ছেলেটি বেশ অবাক হল।পরে বুঝতে পারল ছেলেটির ভালবাসার কারণে ঘাসফুল তার কাছে গোলাপের মত মনে হত।

সিনেমা বলতেই ফাইটিং সিনেমা কে ই বুঝতাম


সিনেমা বলতেই ফাইটিং সিনেমা কে ই বুঝতাম, সিনেমা শুরু হওয়ার পর থেকে শেষ না হওয়া পর্য্যন্ত অন্তত গোটা দশেক মারামারি না থাকলে ঐ সিনেমা দেখে পোষত না। যখন ক্লাস এইট নাইনে পড়ি তখন, মামার বাসা থেকে প্রায় সময় ভিসি আর এনে রাখতাম, আর এই সব ডিসুয়া ডিসুয়া মার্কা ফাইটিং ছবি দেখতাম। 

এক দিন মরা রাশেদ এসে বলল নুতন একটা ছবি এসছে, নতুন নায়ক নায়িকা আমীর খান আর জুহি চাওলা। সিনেমার নামটা একটু বড়, দেখি রাশেদ ও নামটা ঠিক মত উচ্চারণ করতে পারলোনা, কি কেয়ামত কেয়ামত করে খালি। যাই হোক পরদিন রাশেদ ক্যাসেট টি দিল, বাসায় এনে দেখি নাম কেয়ামত সে কেয়ামত তাক। সিনেমা দেখা শুরু করলাম খালি ঘ্যান ঘ্যান সিনেমা, হালকা দু মিনিটের মারামারি আর শেষে নায়ক নায়িকা দু জনেই কুল্লু খালাস মানে ইন্তেকাল। ধুর! মোটেই ভালো লাগলো না।

যাদু


আমার গোপন কথাটি সখি রেখো গোপনে।

কবি গুরুর এই গানের কথাটি কেউ রাখেনা। কেউ যদি চায় তার কোনো কথা প্রচার করা দরকার তাহলে কথাটি কাউকে বলে শুধু নিষেধ করে দিতে হবে যেন অন্য আর কাউকে কথাটি না বলে তাহলেই আশা করা যায় সবাই ব্যাপার টা যেনে যাবে।

কোনো একদিন বন্ধু Monirul Islam Monir তার এক গোপন প্রতিভার কথা বলেছিলো বন্ধু Monowar Dalim Dalim কে এবং নিষেধ করেছিলো আর কাউকে যেন না বলে। ডালিম ও কথা রেখেছিলো একজন কে কথাটি বলে নিষেধ করে দিতো যেন আর কাউকে না বলে। এইভাবে মনিরের গোপন প্রতিভার কথাটি সবাই যেনে যায়। মনিরুলের গোপন প্রতিভাটা ছিলো ও মুখ দিয়ে পানি খেয়ে নাক দিয়ে সে পানির সম্পুর্নটাই বের করে দিতে পারে। আমরা বন্ধুরা সবাই মনিরুলের এই প্রতিভায় দেখে যারপরনাই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। প্রতিদিন ই মনিরুলের কাছে এই যাদু দেখতাম। একদিন সবাই চিন্তা করলাম বিনা পয়সায় আর যাদু না। যাদু দেখতে হলে পয়সা লাগবে যেই কথা সেই কাজ ডি টাইপের টিউবওয়েল এর কাছে যাদু প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হলো আমরা টিউবওয়েল থেকে এক গ্লাস পানি মনিরুল কে দিতাম ও সেই পানি মুখ দিয়ে খেয়ে নাক দিয়ে আবার গ্লাস ভর্তি করে পানি বের করে দিতো। যাদু দেখার মূল্য ছিলো চার আনা। চার আনার বিনিময়ে যে কেউ যাদু দেখতে পেতো। কয়েকদিন যাদুর ব্যবসা দারুন চলেছিলো। যাদু দেখানোর পয়সা দিয়ে আমরা জিলাপি কিনে খেতাম। আনোয়ারুল হক, ডালিম, বিপুল, মিল্টন, আমি আর যাদুকর মনিরুল এই যাদুর ব্যবসা করতাম। যে সময়ের গল্পটা এতোক্ষন আমি বললাম আমরা তখন অনেক ছোট ছিলাম সবে স্কুলে ভর্তি হয়েছি এমন। 

আমার দাদুর আর বোনের সাথে প্রায় দশ বছর আগে


আমার দাদুর আর বোনের সাথে প্রায় দশ বছর আগে। আহারে আমার দাদু ছবি তুলতে খুব পছনদ করতো।খুব মিস করি আমার দাদুমনিকে।আমাকে অনেক.......অনেক বেশি আদর করতো যা কখনও বলে বুঝানো জাবেনা।আমমা মারা যাওয়ার দাদু আমাদের সাথে থাকতেন।উনার আমরা চার বোন সব কিছু শেয়ার করতাম।অনেক আধুনিক ছিল কিনতু উনি।আমি কলেজ আর টিউশনি ছেড়ে যখন বাসায় আসতাম তখন উনি খাবেন বলতেন।কোন কিছু আমাকে ছাড়া করতেন না। জা হবে শামমী জা বলবে তা।আমার জন্য উনি সব সময় দোয়া করতেন জেন আমার খুব ভাল জায়গায় বিয়ে হয়,আমি জেন ভাল থাকি।আললাহ উনার দোয়া কবুল করেছে হয়তো।আমিও উনি যা যা পছনদ করতেন তাই করতাম।জখন আমার ছেলে হয় ৩০ মাথায় আমার দাদু আমাকে ছেড়ে চলে যায়।আমার ছেলেকে দেখতে ছেয়েছিল কিনতু আমি দেখাতে পারিনি কারন শশুর বাড়ির কতগুলা নিয়ম কাননের জন্য।যাক অনেক কিছু লিখে ফেললাম মাফ করবেন সবাই।।।আমার দাদুর জন্য দোয়া করবেন।দাদাদাদুর আদর অনেক রহমতের জিনিস জারা পায় তারা অনেক ভাগ্যবান আমার মতে।।

Saturday, April 9, 2016

মিজানুর রহমান ( মিজান)


আমাদের ব্যাচ এর ছিলো।ওরা থাকতো এফ/২ নং বিল্ডিং এ।পরে আমাদের পাশের বাসায় আসলো।এফ/১ এ।তার বাবার নাম হচ্ছে আব্দুল আলম। সিকিউরিটি সেকশন এ ছিলো।রাউজান হচ্ছে তাদের বাড়ী। কলোনী থেকে বের হওয়ার পর তারা নারিকেল তলায় ভাড়া বাসায় অনেক দিন ছিলো।মিজানের বড় ভাই Md Hannan আর তার ছোট ভাই হচ্ছে Cricketer Minhaj মিজান কলোনীতে খুব ঘুরে বেড়াতো।হাসি খুশির মাঝেই সবাইকে মাতিয়ে রাখতো।কলোনী থেকে বের হওয়ার পরে মিজান দুবাই গিয়েছিলো।ঐ খানে ভালোই ছিলো।মাঝে মাঝে ফোন করতো।রাউজানে বাড়ি করার পর তারা সবাই ঐখানেই চলে আসলো।গত বছর দেশে এসে বিয়ে করেছে।বন্ধুদের বিয়ের দাওয়াত ও দিয়েছে।যাওয়া হয়নি।ফোনে কথা হয়েছিলো।আমাদের পাশের বাসায় ছিলো বিধায় আমাদের সাথে ওর পরিবারের সাথে যোগাযোগ ছিলো এখনো আছে।ওর বিয়ের ঠিক ১৯ কি ২০ দিনের দিন বন্ধুর মৃত্তুর খবর পেলাম।গত বছর কোরবান ঈদের ঠিক আগের দিন রাতে মারা গেছে মিজান।ঐ দিন রাতে নাকি পুকুরে ওযু বানাতে গিয়ে পুকুরে পরে গিয়েছিলো। আর উঠতে পারেনি।রাতে খুযার পরে পুকুরে তার লাশ ভাসতে দেখেছে।দেশে আসছিলো ছুটিতে আর যাওয়া হলোনা দুবাই।

আজ পিংকি আর কাশেম চাচি আসছিলেন বাসায়


আজ পিংকি আর কাশেম চাচি আসছিলেন বাসায়। দিনটা খুব দারুন পার হল। আম্মা থাকলে আরো ভাল লাগতো। বাসায় মাঝে মাঝেই চাচিদের আড্ডা বসতো। কাশেম চাচি আর আম্মা প্রথম লুডু খেলার সুচনা করেছিলেন। সে কি নেশা দুজনের! আমার দায়িত্ব ছিল উনাদের চা আর পান সাপ্লাই দেয়া।তখন সি টাইপে থাকতাম। আস্তে আস্তে তা ছড়িয়ে পড়লো বি টাইপেও। সবার বাসায়ই লুডুর বোর্ড কেনা হয়েছিল। যে যখন যে বাসায় যেতেন সেখানেই এক রাউন্ড হত। বি টাইপে আমরা আর চাচিরা যাবার পর খানসুর চাচি,সিদ্দিক চাচিও যোগ দিলেন। সেকি খেলা! পরে দেখা গেলো চার গুটিতে হচ্ছেনা।একেকজন আট গুটি নিয়ে বসতেন।ওদিকে লুডুর বোর্ড ছিল শুভদের বাসায়। যে বাসায় যেতেন চায়ের আগে এক রাউন্ড খেলা পরে চা আর পান চলতো। আহা,কি দিন। এখন খালি একসাথে হলে এইসব গল্পই চলে। আজ চাচিকে দেখে ওসব মনে পড়ছিল।

আমার বন্ধু মনিরুল, খুবই ঘনিষ্ঠ


আমার বন্ধু মনিরুল, খুবই ঘনিষ্ঠ, বহু আকাম কুকামের সাথী,ঔষধ বানিজ্যের আমার প্রধান পার্টনার, চিকিৎসা বিজ্ঞানে তার কাছ থেকে বহুবিধ জ্ঞান অর্জন করছি। শালা ছিল প্রচুর বিদ্যানুরাগী, তবে পাঠ্য বইয়ের প্রতি তার কোন আকর্ষণ ছিলোনা, অপাঠ্য বইয়ের প্রতি ছিল তার প্রবল আকর্ষণ। এই শালার সংগে মিলে ইপিজেড এর এক বই এর দোকান থেকে বই ভাড়া আনতাম, নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি উনার প্রচন্ড দুর্বলতা ছিল। সাংগঠনিক কাজে উনার ক্ষিপ্রতা ছিল ইর্ষনীয়। উনি যে কাজ ধরতেন "টিপো সুইচ জ্বালাও বাত্তি" স্টাইলে দ্রুত গতিতে সে কাজ সম্পন্ন করতেন। আমার রোমান্সের সহায়তায় উনি কিছু দুর্দান্ত সাহসী কাজ করেছেন। বন্ধু মহলে উনি সবার আগে ইনকাম করা শুরু করেন, উনার শিনার মত উনার আত্মা টাও বড়, ঢাকা শহরে উনি উনার ব্যবসা শুরু করেন, তখন ঢাকা শহরে আমরা কপর্দক শূন্য অবস্থায় এলেও জনাব মনিরুল আমাদের বটবৃক্ষের ন্যায় আশ্রয় দিতেন এনং চিটাগাং যাওয়ার ভাড়াও দিয়ে দিতেন। উনি বন্ধুমহলে সবার আগে শহিদ হোন মানে বিয়ে করেন, দাম্পত্য জীবনের যাবতীয় খুঁটিনাটি জ্ঞান উনি আমাদের সবিস্তারে বিতরন করেন।

মুখের ভিতর স্প্রে মেরে গন্ধ দূর করার দুর্লভ জ্ঞান উনিই আবিষ্কার করেন। আমার চাকুরী জীবনের প্রথম দিকের নিরামিষ দিনগুলোতে উনি আমাকে সংগ ও সাহস দিয়েছেন।

পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা তাদের ব্যক্তিত্বের গুনেই অন্যকে আকর্ষন করতে পারে


পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা তাদের ব্যক্তিত্বের গুনেই অন্যকে আকর্ষন করতে পারে। এমনকি ভিন্ন মতের মানুষকেও কাছে টানতে পারে। সদা হাস্য মুখ, পরোপকারে ক্লান্তিহীন, সজ্জন, সদালাপি এমন মানুষের সংখ্যা আমাদের সমাজে দিন দিন কমে আসছে। উপরোক্ত গুনাবলীর অধিকারী-বন্ধু দুইটির একজনের নাম ‘‘হাফিজ” অন্য জন ‘‘সওগাত”।

স্কুল জীবনে দেখেছি হাফিজ কে অত্যন্ত মেধাবী ও তীক্ষ্ম বুদ্ধি মত্তার অধিকারী যদিও স্কুলের গতানুগতিক পরীক্ষায় সেই অনুপাতে কৃতিত্ব দেখাতে পারেনি। আর এই জন্য তাকে কখনো ব্যকুল ও দেখিনী। বরংচ জীবনকে সব সময় স্বভাবিক, সামাজিকতায় আচ্ছন্ন, রসময় ও উচ্ছৃল করে নেওয়ার প্রবনতা হাফিজকে এক অপূর্ব ব্যক্তিত্বে রূপদান করে। হাফিজের মুখস্ত বিদ্যার ক্ষমতা ছিল অসাধারণ। কোন কিছু না বুঝেও সে অনার্গল মুখস্ত করে ফেলত-অনেকটা লোহা খেয়ে লোহা হজমের মত। অসম্ভব পরিশ্রমি ছিল সে। ভাল ফুট বল খেলত। তার হাতের লেখা ছিল অসাধারন। যে কোন সংগঠনিক কাজেও খুব গুছিয়ে করতে পারত। খুব স্টাইলীস্ট ছিল। আধুনিক যে কোন স্টাইলকে সে ফল করতে ভালবাসত। স্কুল জীবনের অনেক টা সময় দুজন এক সঙ্গে কাটিয়েছি-আজ স্মৃতি চারনার এই মুহুর্তে তার আগামী অগ্র যাত্রা, সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

চিটাগাং এর এক বড় ব্যবসায়ীর ছেলে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত


চিটাগাং এর এক বড় ব্যবসায়ীর ছেলে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত, ঢাকায় চিকিৎসাধীন, প্রতি তিন মাস পরপর বি+ রক্ত দেয়া লাগে। িএপ্রিল ২৯ এর রক্ত দান প্রোগ্রামের কারনে রোগীর স্বজন রা কলোনীতে যোগাযোগ করে। সে প্রেক্ষিতে ৯৭ এর ডিসেম্বরে আমার বন্ধু রানা সহ তিনজন রক্ত দিতে ঢাকা যায়। আবার মার্চে দেয়া লাগবে,রোগীর আত্মীয় স্বজন ব্যাপক সমাদর করে রক্ত দাতা দের। এবারের যাবো আমি ,দীপক দা আর মিজান ভাই। ৯৮ এর মার্চের ৮ বা ৯ তারিখে ঢাকায় রওনা দিবো সৌদিয়া এসি বাসে, টিকেট কাটা হয়ে গেছে এক দিন আগে আমার জ্বর শুরু। এ অবস্থায় আমার রক্ত দিতে ঢাকায় যাওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। আমার বদলে নেওয়া হলো কলোনীর বাইরের সম্ভবত দক্ষিন পতেংগার কাশেম নামে এক ব্যাক্তিকে,গার্জিযান হিসেবে গেলেন কবির ভাই (লম্বা কবির ভাই)।

সেদিনই বিকেলে জ্বর একটু কম, বাজারের সালাউদ্দিন ভাইদের দোকানে আড্ডা দিচ্ছি, একটি ফোন এলো, সাথে সেই ভয়াবহ সংবাদ, দীপক দা ,মিজান ভাই আর কাশেম নামের ওই ব্যাক্তি যে কিনা আমার বদলে গিয়েছিলো তিনজনই ফেনীতে বাস একসিডেন্টে আর নেই, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস প্রথম এই খবর টা পেলাম আমি, আর এ যাত্রায় কাশেমের পরিবর্তে আমার যাওয়ার কথা ছিলো, খবর টি শুনে আমার পিঠ দিয়ে মনে হলো চিকন একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। কোন মতে জেকসের শাহনুর ভাইকে খবর টি দিয়ে উদভ্রান্তের মত বাসায় গিয়ে শুয়ে ছিলাম। পুরা কলোনী তে খবর রটে যায় মূহূর্তেই। কলোনী থমথমে হয়ে যায়। রাতে দীপক দার লাশ আসে, পুরা কলোনী কান্নায় ভেংগে পড়ে, দীপক দাকে দাহ করার সময় কবির ভাইয়ের কান্ন্া মনে পড়লে এখনো চোখে পানি এস পড়ে। ওই চারজনের মধ্যে উনিই বেঁচে ছিলেন।

আশোক - The lord of the jungle (Buijjar Bagan)


তখন অনেক ছোট, বোধয় 4/5 এ পড়ি। শয়নে, স্বপনে টারজান ছিল আমাদের স্বপ্নের পুরুষ। মনে প্রানে টারজান কে আমরা মানতাম হিরো হিসেবে। সেই টারজানের কিছু ফ্লেভার পাইতাম আমারা আশোকের ভেতর। নারকেল গাছের ডাল দিয়ে দোল খাওয়া, দোতলার কার্নিশ থেকে প্রিকুলিয়ার আওয়াজ করে জাম্প দেয়া, তীর ধনুকের ব্যাবহার, সর্বোপরি ৬নাম্বার বিল্ডিং এর আযমের লগে ফাইটিং, সব মিলায় আশোক ছিল আমাদের সেই টারজান এর মূর্তিমান প্রতীক।

তবে চরম বদ হিসেবে ওর ছিল কলোনিতে খুব সুনাম। কারও কিছু হারানো গেলে বা নষ্ট হলে সন্দেহের তীরটা প্রতমেই যেত ওর দিকে। ওর চুরির অপারেশনে নিজ মুরগির খামার বা নারকেল গাছও বাদ যেত না।

একটা ই পেজ, একটা ই গ্রুপ, একটা ই ঠিকানা, "সিএসএম কলোনি"


একটা ই পেজ, একটা ই গ্রুপ, একটা ই ঠিকানা, "সিএসএম কলোনি"। এর কোন শাখা,প্রশাখা,বিশাখা নেই। এটি অন্য কোন প্রতিষ্ঠান তৈরির বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র নয়। সম্পূর্ন স্বতন্ত্র এবং একক একটি পেজ বা গ্রুপ। নামে নামে মিলে গেলেও কোন বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। এখানে কোন স্বজন প্রীতি বা স্বজন ভীতি নেই। এ পেজের সকল সদস্যই আমাদের স্বজন।
যারা এ পেজের মেম্বার নন তারা এ পেজ সম্পর্কে দয়া করে কোন জ্ঞান দিবেন না। এ পেজের সদস্যদের মতামতই গুরুত্বপুর্ন ও যথেষ্ট। আমাদের সমস্যা আমরাই সমাধান করতে পারি।
এটা শুধু নির্মল, নির্দোষ বিনোদন, সুখ দু:খ, আনন্দ বেদনা একে অপরেরর সাথে শেয়ার করা জায়গা। পাশাপাশি মানবিকতার গান গেয়ে চলি সবসময়।

গ্রান্ড আড্ডা ২০১৮


গ্রান্ড আড্ডা ২০১৮, সিএসএম কলোনি, ভেন্যু: কক্সবাজার।
-----------------------------------------------------------------------------------
এবারের এই আসরে সিএসএম ফার্স্ট জেনারেশন আসেনি, এত দূর জার্নি,, উনাদের এখন বয়স হয়ে গেছে, তাই এতো ধকল নিলেন না। আবার ইয়াং জেনারেশনের মধ্যে অনেকের ছুটি ছাটা ইত্যাদি ঝামেলায় আসতে পারে নাই, তবে বিশাল অংশই আছে।
যারা ফ্যামিলি নিয়ে আসছে এবং মেয়েরা হোটেল সায়মানে উঠেছে, যারা ব্যাচেলর বা ফ্যামিলি ছাড়া এসেছে তারা উঠেছে ওশেন প্যারাডাইস হোটেলে। এই নন ফ্যামিলি দলে আছে আতিক,রেজা ভাই, নাজমুল ভাই,নিরু ভাই আরো কলোনির কিছু জুনিয়রর ভাইয়েরা। আর হোটেল সায়মানে জিয়া ভাই,শাহিন ভাই,বন্যাপা সহ কলোনির আরো জুনিয়র সিনিয়র ছেলে মেয়েরা।
কিন্ত মজা হচ্ছে বেশি ওশেন প্যারাডাইজে, যেখানে সব ফ্যামিলি ছাড়া পোলাপান, নিরু ভাই গানের তালে তালে ব্রেক ড্যান্স দিচ্ছে। এখন আতিক নাচবে।
ওহ! ওহ! খাটের পাশের ওয়ালে পায়ে বাড়ি খাইছিরে। ধুর এতো সুন্দর স্বপ্ন আর ঘুম টা ভেংগে গেলো।

যেজন আছেন মাঝখানে


মধ্যবিত্ত শব্দ টা ছোটবেলা থেকে এত বেশি শুনতাম কিন্তু ভাবার্থ বুঝতাম না।এখনো যে খুব বুঝি তা না।তবে তাদের কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য খেয়াল করি,যেমন- তাদের জীবন হয় আটপৌরে, বৈচিত্র্য থাকে কম। মাঝে মাঝে এটা সেটা করে তারা জীবনে আনন্দ খোজার চেষ্টা করে। এরা পারেনা গরীব দের মত সরাসরি নিজের অবস্থা সবার সামনে তুলে ধরতে,আবার ধনীদের মত যা খুশি করতে। আপোষ করে চলতে হয়। ছেলেগুলোর থাকে দ্রুত নিজের পায়ের দাঁড়ানোর চেষ্টা আর মেয়েগুলো র থাকে বিয়ের পিড়িতে বসার চাপ।মেয়েগুলো কে লিখাপড়া শেখানো হয় ভাল পাত্রস্থ করার জন্য কিন্তু বলা হয় নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য পড়াশোনা করছে।এরা বড় বড় স্বপ্ন দেখতে জানে, কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারে খুব কম কিংবা বাস্তবায়ন এর জন্য অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়। হাসিমুখে নিজের কষ্ট টাকে চাপা দিতে হয়।এযেন নিজের সাথে নিজের লুকোচুরি খেলা।প্রতিদিন অনেক অচেনা মানুষের সাথে আন্তরিকতার অভিনয় করতে হয়, আবার আপন মানুষকে চিনেও না চেনার, দেখেও না দেখার ভান করতে হয়।

আসলে মধ্যবিত্ত দের দৈনন্দিন জীবনে থাকে এক ধরনের ভন্ডামির প্র‍্যাকটিস।

এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি?


টানটান উত্তেজনাকর মুহুর্ত। শিরা উপশিরা সব উত্তেজিত একদৃষ্টে তাকিয়ে আছি টেলিভিশনের দিকে। মাইটি ইগল এর ফাইটিং চলছে। হ্যা রেসলিং দেখছিলাম টেলিভিশনে। অনেক আগের কথা বলছি। কোন ক্লাসে পড়ি মনে নাই তবে বেশ ছোট ছিলাম। মিল মাস্কারাস, মাইটি ইগলরা তখন ফেমাস রেসলার। রেসলিং দেখার সেই উত্তেজনাকর মূহুর্তে আব্বার এক কলিগ এসেছিলেন আব্বার সাথে দেখা করতে। আব্বার কলিগ আব্বার জন্য অপেক্ষা করছিলেন আর রেসলিং দেখছিলেন। কিছুক্ষণ পর আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন "কাগু এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি"। এই কথা শুনে আমার মনে হয়েছিলো কাগুর সাথে আমি নিজেই রেসলিং খেলে দেখিয়ে দেই এগিন অভিনয় ন। প্রচণ্ড রাগ আর ক্ষোভ হজম করে চুপচাপ ছিলাম কোনো উত্তর দিতে পারিনি। এর অনেক বছর পর জানতে পেরেছি রেসলিং আসলেই অভিনয়।নিজের প্রতি বিরক্ত জন্ম নিলো আর নোয়াখালী অধিবাসী ওই কাগুর প্রতি শ্রদ্ধা জন্মালো। সত্যি ভেবে দিনের পর দিন চরম উত্তেজনা নিয়ে যে রেসলিং দেখেছি আমার সেই কাগু একদিন দেখিই সন্দেহ করেছিলো রেসলিং টা অভিনয়। সমাজের অনেক অসংগতি দেখে কাগুর সেই প্রশ্নটা আজো আমার মনে বাজে... "কাগু এগিন হেতেগো কোনো অভিনয় নি?"

:::তু চিজ বা‌ড়ি হে মাস্ত মাস্ত:::


অামা‌দের ক‌লোনীর কিছু "‌চিজ" পাব‌লিক‌কে এই পেই‌জে খুব মিস কর‌ছি। তারা থাক‌লে পেইজটা অারও জমজমাট হ‌তো ।
১) মোকাদ্দাস কা সিকান্দার ("হা‌ন্ড্রেড টেন" ছিল তার জন‌প্রিয় অ‌নেক ডায়ল‌গের এক‌টি)
২)শীতল ভাই (জ‌সিম ভাই‌দের ব্যাচ, উনার কোন এক বন্ধু fun ক‌রে উনার লু‌ঙ্গি খু‌লে দি‌য়ে‌ছিল এবং পরক্ষ‌ণে অাবার বাধ্য হ‌য়েই সেই বন্ধু লু‌ঙ্গিটা শীতল ভাই‌কে প‌রি‌য়ে দি‌য়ে‌ছিল। grin emoticon ) 
৩) অালমগীর বিরানী ( সর্ম্প‌কে কিন্তু অামার চাচা হয়)
এমন অারও অ‌নেক পিকু‌লিয়ার পাব‌লিকের বসবাস অামা‌দের ক‌লোনী‌তে ছিল যা‌দের নাম অামার ম‌নে অাস‌ছে না।
দয়া ক‌রে অাপনারা এই টাই‌পের কিছু লো‌কের নাম পোস্ট ক‌রে সবাই‌কে ম‌নে ক‌রি‌য়ে দিন।

Friday, April 8, 2016

আতিক ভাইয়ের পোস্ট আর অনেক গুলা বাংলা গান comments পড়ে পুরনো কিছু সৃতি মনে পড়ে গেল


আতিক ভাইয়ের পোস্ট আর অনেক গুলা বাংলা গান comments পড়ে পুরনো কিছু সৃতি মনে পড়ে গেল।

স্পার্ক এর বেজ গিটারিস্ট শাহজাহান ভাইয়ের সাথে মেডিকেলে এক শো তে দেখা, উনারা গেছেন বেবি নাজনিনের সাথে বাজাতে আর আমি মেডিকেলের বন্ধুদের সাথে লোকাল প্রোগ্রামের পারফর্মার হিসেবে। তখন সবেমাত্র 1st year এ পরি। প্রগ্রামের পর পরই উনি প্রস্তাব দিলেন উনাদের টিমে বাজানোর, ওনাদের তখনকার প্লেয়ার উন্নত ধান্দার খোঁজে ঢাকা প্রবাসী। আমিতো বেহুঁশ, সব বাঘা বাঘা মিউজিসিয়ান, বাবার বয়সী লোক, একটু নারভাস, যা হোক, শুরু করে দিলাম মিউজিক লাইফ, প্রথম শো engineer’s institution. শিল্পী তপন চৌধুরী-শাকিলা জাফর। তারপরদিন পেপারে ছবি, আমিতো পুরা হিরো। এভাবে চলছে বেশ কয়েক মাস, তখন “আতিক হাসান” নামে একটা শিল্পী উঠেছিল মাধবী নামের এক গান দিয়ে পুরা হিট, ফটিকছড়ির সোনা রফিকের বাড়িতে এক বিশাল গায়ে হলুদের শো তে গেলাম। বিলের মধ্যখানে বিশাল স্টেজ আর বিলের অপর পাশে ছিল খাওয়ার বিশাল আয়োজন, মাগরিবের পর থেকেই খাওয়া শুরু আর নন স্টপ চলবে পরদিন ভোর পর্যন্ত, ১০টা গরু অলরেডি জবাই করা হয়েছে অ্যান্ড আরও ৩/৪ টা স্ট্যান্ডবাই ছিল। আমার লাইফে এমন গায়ে হলুদের আয়োজন আগে কখনও দেখিনি। 

এক গ্লাস রঙ চা সাথে বরফ মেশানো


এক গ্লাস রঙ চা সাথে বরফ মেশানো, হুমম, দারুন ফিলিংস। বারান্দায় বসে বসে খাওয়া আর আকাশ দেখা। দারুন শান্তি! ইমোশনাল পানি লাগেনা। ভাবনার জগতে চলে যাওয়া যায়! গুন গুন করে গানও গাচ্ছি! আরে ভাই, আমি গাই আমার আত্নার শান্তির জন্য! আসলেই দুনিয়াটা অনেক সুন্দর করে বানিয়েছে, আল্লাহ পাক। সারাফের মা বুঝলো না। ছি! রঙ চা কেউ বরফ দিয়ে খায়!? তোমার এই আদিখ্যেতা দেখলে! ভ্যার/ভ্যারা গলায় গান গেও নাতো, অসহ্য! খালা ডাকছে, ভিতরে আসো। আমি আজ কোথাও যাবোনা। ডাকুক খালা।
আকাশের ঐ মিটি মিটি তারার সাথে
কইবো কথা, নাইবা তুমি এলে।
রে---জা--, আসি খালা! না এই গরিবের কপালে সামান্য বিলাসিতা বলতে কিছুই নাই! এর চেয়ে আতিক্কাই ভালো! কি সুন্দর, পারটেক্স হাশেমের কান্দে চইরা, কক্সবাজার-----!!

Ali Abbas Mohammad Khorshed


খোরশেদ হল আমাদের হুজুর স্যারের(ফারুকি স্যার) "আব্বাইচ্চা মার ফোয়া"। আমাদের ক্লাস ক্যাপ্টেন। একবার কোথায় যেন নাম লিখার কথা , আমি ওর নামের বানান ঠিক লিখেছিলাম, এর পর থেকেই আমাদের বন্ধুত্ব বাড়তে লাগলো। আমার হাতের লেখা বরাবরই খারাপ, খোরশেদ আমাকে টিপস দিত কিভাবে হাতের লেখা খারাপ না করে দ্রুত লিখা যায়। আর খোরশেদের প্ররচনাতে ছেলেরা (Mamun Baul, Herin Moynuddin, Abdullah Al Mamun Rana) কিভাবে বিউটি আপার ক্লাস ভণ্ডুল করেছিল তা আগেই বলেছি।
আমি আর খোরশেদ এক সাথে হক স্যারের কাছে প্রাইভেট পড়তাম। তখন ও সকাল বেলা একটা গান মুখস্থ করতো আর সারাদিন ঐ গান গুন গুন করে গাইত। ভাগ্যিস জোরে জোরে গাইত না, তাহলে শ্রোতার বারোটা বেজে যেতো। পর দিন আবার নতুন আরেক গান। মোরশেদ ভাই, রাশেদ ভাই তখন ইউনিভার্সিটিতে পড়তেন, উনাদের গানের সংগ্রহ ভালই ছিল।

রাত ১ টা, ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল


রাত ১ টা, ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিল। সেই ভয়াল কালো রাত। এক জরিপে দেখা যায় যে প্রায় ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল, আর প্রায় ১ কোটি মানুষ কোন না কোনভাবে আশ্রয়হীন হয়েছিলেন। প্রানহানীর দিক দিয়ে ১৯৭০ সালের পর সবচেয়ে বড় দূর্যোগ হিসেবে বিবেচিত ছিল এই ভয়াবহতা। এর পর ২০০৭ সালের সিডর ভয়াবহতার দিক দিয়ে আরো বেশি থাকলে্ও প্রানহানী ছিল তুলনামূলক বেশ কম। ঐদিন আমাদের পরিবারের সদস্যদের প্রাণ যে কিভাবে বেচেঁ ছিল সেই কথা মনে পড়লে মনের অজান্তে অশ্রুসিক্ত হই। আমার এক ছোট ভাই সম্ভবত লিটন ( নামটা ভূল হলে ক্ষমাপ্রার্থী , সংশোধন করে নিব ) সেই ভয়াল কালো রাতের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে পোষ্ট করার জন্য অনুরোধ করেছেন। আমিও আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো আসছে ২৯শে এপ্রিল ,২৯শে এপ্রিলের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পোষ্ট করুন, প্লিজ।

ইস্পাত একাদশের অনেক খেলা দেখেছি আমি স্টেডিয়ামে


ইস্পাত একাদশের অনেক খেলা দেখেছি আমি স্টেডিয়ামে।স্কুলের টিফিন ফাকি দিয়ে স্টীলমিলের বাস করে খেলা দেখতে যেতাম।একবার চট্টগ্রাম আবহনীর সাথে স্টীলমিলের খেলা দেখতে গিয়াছিলাম।আবহনী ১-০ গোলে হেরেছিল।খেলা শেষ হওয়ার সাথে সাথে আবহনীর সমর্থকরা শুরু করে দিল ইট পাটকেল নিক্ষেপ। পুলিশ লাটিচার্জ শুরু করল।সেদিন আমিও পুলিশে লাঠির বারি খেয়েছিলাম ।আশিশ ভদ্র ইস্পাত এর খেলোয়াড়দের গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙ্গে দিয়েছিল।

৯৬ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর থেকেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ধুম লাগে


৯৬ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পর থেকেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ধুম লাগে। স্টার স্পোর্টস ও ইএসপিএন চ্যানেলে এই সব টুর্নামেন্ট এর ম্যাচ গুলা সরাসরি সম্প্রচার করত। আমাদের বাসায় ডিশ কানেকশন ছিলোনা, তাই খেলা দেখার জন্য ছুটে যেতাম সুমন ভাই, লুনা আপা, মুনা দের বাসায় ( উনাদের বাবা রফিকুল মাওলা চাচা, D 1 E) আমাদের জন্য এ বাসার দরজা সবসময় খোলা ছিল,আমি ও আমার আব্বা ছিলাম নিয়মিত দর্শক, চাচা চাচী বা উনাদের ছেলে মেয়েরা কখনো বিরক্ত হতেন না, বরং কোন দিন খেলা দেখতে যেতে দেরী করলে ফোন করে খোজ নিতেন কেন দেরী করছি। নিজের ঘরের মত আন্তরিক পরিবেশে খেলা দেখতাম সেখানে। আমরা ছাড়াও কলোনির অনেকেই মুনা দের বাসায় খেলা দেখতাম। এখন আমার তেমন একটা খেলা দেখা হয়না, যাও দেখি তাতেও সুমন ভাইদের বাসায় খেলা দেখার সেই মজা পাইনা।

তারা আমাদের পরিবারের সুখ দু:খের পরম সাথী। আমাদের পরিবারের সাথে রয়েছে তাঁদের নিবিড় যোগাযোগ।
সময়ের আবর্তে পেশাগত ব্যস্ততায় উনাদের সাথে আমার ব্যাক্তিগত যোগাযোগ হয়তো কমে গিয়েছে, কিন্তু উনারা হয়তো জানেননা আমার অন্তরে উনারা আছেন পরম শ্রদ্ধা আর স্নেহে।

Farhana Muna
Rakiba Khanum Luna

আমি ছোট একটা সরকারি কলোনিতে থাকি


আমি ছোট একটা সরকারি কলোনিতে থাকি।সেটা কোন ভাবেই আমাদের কলোনির মত নয়।সেখানে আমি যখনি বাইরে যাই আমার পিছন পিছন কলোনির আন্ডা বাচ্চাদের গ্রুপটা থাকে।সেটা পুকুরের ঘাটলায় বসি আর রাস্তায় হাটি।তাদের যত অভিযোগ,ছোটখাট আবদার আমার পূরণ করতে হয়।আমি বিরক্ত নই কিন্তু আমার ভাবিরা বিরক্ত। তারা সবসময় বলে আপনি পারেনও।আমি হাসিমুখে বলি হ্যা আমি পারি কারন আমি সি,এস,এম কলোনির মেয়ে।যেখানে আমি শুধু বাবা,মা বা শুধু নিজের ভাই বোনের আদর পেয়ে বড় হয়নি।অনেক চাচা চাচি এবং ভাই বোনদের আদরে বড় হয়েছি।নিজের ছোট ভাই বোনেরও অভাববোধ করিনি।চাচা চাচিদের কাছ থেকে শিখেছি কি করে অন্যের সন্তান কেও এত আপন করে নিজের সন্তানেরর মতই ভালবাসা যায়।আমি জানি এটা শুধু আমার কথা নয়।আমাদের কলোনির সব ভাই বোনদের কথা।আমাদের সব ভাই বোনদের হয়ে আমি কলোনির সব চাচা চাচিদের প্রতি সম্মান জানাচ্ছি।আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।আমি দুজন চাচির কথা না বলে পারছিনা।সিরাজ চাচা চাচি। চাচা আমায় স্কুলে দিয়ে আসতেন আর চাচির কাছেই আমার লিখতে শেখা।আর আমিনউল্লাহ চাচা চাচি।ওনারা আমায় মেয়ে কম বন্ধু মানেন বেশি।এখনো রান্না বা অন্যকিছুতে সমস্যায় পরলে প্রথম ফোন চাচিকেই করি।আপনারা এভাবেই আমাদের সবসময় ভালোবাসবেন।

যতটুকু মনে পড়ে পড়তাম ক্লাস ৫/৬ এ


যতটুকু মনে পড়ে পড়তাম ক্লাস ৫/৬ এ। ওই সময় দেখতাম কলোনিতে আচমকা কিছু পাগল বড় ভাইদের আবির্ভাব। তাদের চলাফেরা কেমন আজব লাগতো। তবে এর পেছনে যে জিনিসটির ভুমিকা প্রধান তা হল ব্যান্ড সংগীত এর প্রভাব। ওই সময় ব্যান্ড গান এমন জনপ্রিয় ছিল যা বলার অপেক্ষা রাখে না। দেখি ভাই বোন রা বলতে পরবেন (১)আপনি কোন ব্যান্ড গান পছন্দ করতেন? (২) আপনাদের কোন বন্ধুটি ব্যান্ড এর প্রভাবে আসক্ত হয়ে কেমন আচরণ করতেন?।(৩) নিজের কথা বলতে পারার সাহস আছে কিনা দেখি কোন ভাই ও বোনদের ? (৪) কেমন পেরা হত কলোনির মুরুব্বিদের?। (৫) এখন কেমন যাচ্ছে দিন? পাগলামি কি এখন আছে,তা হলেতো বো/ স্বামী পাশে থাকার কথা না।

শুভ সকাল সব্বাইকে এবং পবিত্র দিনে সকলকে জুম্মা মোবারক


শুভ সকাল সব্বাইকে এবং পবিত্র দিনে সকলকে জুম্মা মোবারক।।শুক্রবার টা আমার কাছে দারুণ একটা দিন মনে হয়।।চারিদিকে একটা পবিত্র পবিত্র ভাব থাকে।।দিনটাতে সকলে সব কিছু ধোয়ে মুছে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি নিজেকেও পরিস্কার পরিচ্ছন্নের মাধ্যমে পবিত্র করে তোলে।।কলোনি থাকাকালীন বাবা সপ্তাহের ছ'টা দিন যেভাবেই যাক না কেন এই একটা দিনে বাবা খূব সিরিয়াস থাকতেন।।ভাল-মন্দ খাবারের ব্যবস্থা করতেন।।গরিবের হজ্বের দিন বলে বাবা একজন গরীব কে দাওয়াত দিয়ে খাওয়াতেন।।যেটা বাবা আজও করেন।।যেটা এখন আমিও করি।।কারন বাবার কাছ থেকেই শেখা।।

আশা রাখি আমার মতো আপনারাও এই দিনটি পবিত্রতার সহিত পালন করেন বা করবেন বা করছেন।।

এই পেজ টাকে যদি একটা দেশ হিসাবে কল্পনা করি


এই পেজ টাকে যদি একটা দেশ হিসাবে কল্পনা করি তাহলে সে দেশে নিশ্চয়ই একটা সরকার থাকা উচিৎ। একটা মন্ত্রী সভা অ থাকবে। তাই আমাদের সবার উচিৎ প্রধান মন্ত্রী, মন্ত্রী সিলেক্ট করা। 

আমি একটু এগিয়ে দিচ্ছি যেমন খাদ্য মন্ত্রী হিসেবে আমার মানিক ভাই কে পছন্দ। কারন উনি প্রায় সময় ফল, মাছ এইগুলো দিয়ে শুভ সকাল বা শুভ বিকেল জানান। আর সাস্থ্য মন্ত্রী হিসেবে এই পেজ এ একটিভ কোন ডাক্তার কে রাখা যায়। যে কিনা কেও যদি স্ট্যাটাস দেয় দাত ব্যাথা সাথে সাথে একটা ওষধের নাম দিয়ে দিবেন। Reajul Islam Shahin Khurshed Alam Manik Anisur Rahman Reza

Arif Samad Rubel


আমি, রুবেল, Mohammed Wakilul Islam, Owajuddin Chowdhury, Sumit Dutta, মুরাদ নিখিল স্যারের কাছে পড়তাম। স্যার মাঝে মাঝে অবজেক্টিভ পরীক্ষা নিতেন। বেশি ভুল হলে বেত চলত। আমি আর তানিম একজন আরেক জনকে ইশারাতে সাহায্য করতাম কিন্তু রুবেলের পদ্ধতি ছিল ইউনিক। কারো সাহায্য ছাড়াই সে চাইলে ১০০% সঠিক উত্তর দিতে পারতো। স্যারের যাতে সন্দেহ না হয় তাই ইচ্ছে করেই কিছু কিছু ভুল করতো। আমি এটা সবসময় মানি যে, রুবেলের আইকিউ অনেক বেশি। ঝামেলার মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা ওর অসাধারণ।
সবাই নিশ্চই জানেন, আমাদের স্কুলে টিফিন ছুটি ছিল এক ঘণ্টা। স্কুলে টিফিন ছুটির সময় আমরা বাসায় গিয়ে ভাত খেয়ে আবার স্কুলে চলে আসতাম। যত আগে আসা যায় তত বেশি বাঁদরামি করা যাবে, এই ছিল আমাদের লক্ষ। রুবেল ছিল এর উলটা, ওদের বাসা ছিল বিএইচ ওয়ানে তিন তলায়। রুবেল বাসায় গিয়ে ভাত খেয়ে দিত এক ঘুম। টিফিন ছুটি শেষে ঘণ্টা পড়লে আন্টি রুবেলকে ঘুম থেকে তুলে দিত। আর ও ঢুলতে ঢুলতে ক্লাসে চলে আসতো। ঘুমের ব্যাপারে রুবেল ছিল খুবই সমঝদার।

A page join korechi onek age


A page join korechi onek age ,but kokhono kichu lekha hoinai.ami'99' a Chittagong thake chole asechi.air 17 bochor a Chittagong galeo colony the jaoya hoini.tai hoyto temon kaoke mone o rakhte parini.se jonno khoma chacchi.aj dekhlam sujon sei voyaboho '29th April' r picture diache.sei rat r kotha none pore galo.ami tokhon class-3 pori.sei ghor dekhe amar mone je voy hoachilo, ajo o ami jhor dekhle,bojjropat dekhle voy pai.mone hoy,Rima apu der basar janala dea bazarer rastay vase jaoya laser kotha.sober ato kosto tokhon dekhechi ja like shes kora jabena.por din sokale baranday jeya dekhi bazarer sob sobji, mach baser same sea vase jate.jara niche thakto tader je ki kosto, tokhon beshi na bujhlao akhon mone hoy r kokhono jeno amon jhor na hoy. OK, sobai valo thakben.

চারিদিকে যেভাবে রেড এলার্ট জারি হয়েছে তাতে মনে হয় আর আত্মগোপন করে থাকতে পারবো না


চারিদিকে যেভাবে রেড এলার্ট জারি হয়েছে তাতে মনে হয় আর আত্মগোপন করে থাকতে পারবো না। প্রথমে Nazmul Huda ভাই খুলশি থানায় জিডি করলো। তারপরে Ishrat Jahan Shaila মিরপুর পল্লবি থানায় মামলা করে। পরে Chand Sultana বন্যা পরপর দুইদিন পত্রিকায় নিখোঁজ সংবাদের বিজ্ঞাপন দিলো। সবশেষে Towsif Noor Kabbo ধরিয়ে দেওয়ার জন্য রীতিমত পুরষ্কার ঘোষনা করেছে। আর Umama Iqbal তো আমারে বাদ দিয়ে গৃহমন্ত্রীরে ম্যানেজ করে ফেলছে। মোটামুটি ভাবে আমার আত্মগোপনের পরিধি দিনদিন ছোট হয়ে আসছে। তাই নিজেই আত্মসমর্পন করলাম। আর একটা কথা আমি আত্মগোপন থাকলেও আমি চুপিচুপি সব কিছু দেখতাম। একটু পর পর পেইজে ডু মারতাম। আর মজার কমেন্টস, পোষ্ট দেখলে আপন মনে হাসতাম। আপনাদের সবাইকে জানাতে চাই এই পেইজে আছি, থাকবো। তাই সাবিনা ইয়াসমিনের গানের সুরে বলতে চাই,
"আমি আছি থাকবো,
ভালবেসে মরবো।
দোহাই লাগে তোমার
আমারে ছাইড়া যাইওনা।"

পরীক্ষা নামক জিনিসটা বড়ই বিরক্তিকর


পরীক্ষা নামক জিনিসটা বড়ই বিরক্তিকর। জীবনে কোনোদিন ইচ্ছা নিয়ে পড়াশুনা করিনি। খুব বেশী ডিমান্ডিং মানুষ না আমি।অল্প কিছু কাছের মানুষ, আল্লাহ্‌কে ডাকার মত সুস্থ জীবন,কিছু গল্পের বই, লেখালেখি করার জন্য কাগজ-কলম আর ছোটখাটো একটা চাকরি হলেই আমার চলবে।লাখপতি হওয়ার ইচ্ছা আমার ছিলনা।সাড়ে তিন হাতের ঘরে এসব কিছুই নিয়ে যাবনা।তাই পড়াশুনাও সিরিয়াসলি করিনা।যদিও ভার্সিটি পরীক্ষায় কোনোদিন দ্বিতীয় হইনি।প্রতিবার পরীক্ষা আসার আগে মাথার মাঝ বরাবর ব্যাথা হয়।রাগ উঠে খালি।মেজাজ আকাশে থাকে। আরে ভাই,আমি যা শিখব তা আমি বাস্তবে এপ্লাই করে ভালো/খারাপ রেজাল্ট পাব।পরীক্ষা দেয়া লাগবে কেনো? যাই হোক,আগামী ১১ এপ্রিল থেকে ফাইনাল পরীক্ষা।৯ তারিখ পড়তে বসবো।সবার কাছে দোয়াপ্রার্থী।দোয়া করবেন মামা নানা ভাইয়া আপুরা।

শুভরাত্রি। 
যেতে যেতে কমুমামাকে ওয়েল্কাম বলে যাই।তোমাকে মিস করসিলাম মামা।