Friday, February 26, 2016

অনু নাকি পরমানু

- Mohammad Arif

অনু নাকি পরমানু!
ছড়া নাকি কাব্য....
কি ছিল মর্মটা?
কি তার ভাব্য.....
কি নিয়ে লিখালিখি
উঁকি দিই দেয়ালে....
একজনে লিখলেই!
ডাকাডাকি শেয়ালে...
যে যাই লিখুক না
অনুছড়ার রীতিটা.....
টেনে অানে অতীত
টেনে অানে স্মৃতিটা.....!
Inspired from atiq csm 

মামুন ভাই বললেন "তরু তুই আড্ডা নিয়ে তোর অভিজ্ঞতা লিখ"


মামুন ভাই বললেন "তরু তুই আড্ডা নিয়ে তোর অভিজ্ঞতা লিখ"
আমি তাই লিখতে বসলুম tongue emoticon
.
.
ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে নাকি নভেম্বরের শেষ দিকে আমার তা ঠিক মনে নেই । একদিন আব্বু আম্মু বাইরে থেকে এসে বললো কলোনীবাসীর রিইউনিয়ন হবে । আমি তো শুনে খুশিতে আটখানা । কতদিন পর সবাইকে দেখবো!
গেলাম আমার বড় আন্টির ছেলে জুয়েল ভাইয়ার কাছে ডিটেইলস জানতে। তখন জুয়েল ভাইয়া আমাকে এই গ্রুপে এড করলো । গ্রুপে এড হয়ে যেন আমি বিশাল এক রাজ্য খুঁজে পেলাম যেখানে সবাই আমার খুব আপন মানুষ । প্রথম প্রথম আমি কাউকেই আসলে চিনতাম না,কারন আমার সাথে সবারই বয়সের ডিফারেন্স অনেক বেশি,আমি যখন খুব ছোট তখনই বেশির ভাগ ভাই বোনেরা কলোনী ছেড়ে চলে গেছে । যাই হোক সবাই আমাকে অনেক আপন করে নিলো যেটা আমার কাছে কল্পনাতীত ব্যাপার ছিল । আড্ডার আগে শায়লা আপু,সামী ভাইয়া, বন্যা আন্টি,আতিক ভাইয়া,রাসেল ভাইয়া ছাড়া আসলে তেমন কাউকেই চিনতাম না আমি । 

আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম গ্র্যান্ড আড্ডার ।

খানা খাজানা (শেষ পর্ব)


২৯/০১/২০১৬ তারিখ সকাল বেলা লিটন সজিবকে নিয়ে গেলো মুরগি আনতে। সাতটা বাজে রাজিব বললো ভাইয়া আপনি বাসায় গিয়ে একটু ফ্রেশ হয়ে আসেন। আমি রাজি ছিলাম না। বাসায় আসার দশ মিনিট পর লিটন ফোন দিল সাইজ মতো মুরগি পাওয়া যাচ্ছে না। আবার বেরিয়ে পড়লাম। বাসা থেকে সবাই আমার সঙ্গে যেতে চাইলো। আমি মুরগির সন্ধানে যাচ্ছি বলে কাউকে সঙ্গে নিতে পারলাম না। অনেক কষ্টে সাইজ মতো মুরগি পাওয়া গেলো। সবাই সেজেগুজে স্পটে আসছে আর আমি জবাই করা মুরগির বস্তা নিয়ে স্পটে গেলাম। গিয়ে দেখি তখনো সকালের নাস্তা আসে নাই। ইমরুলকে ফোন দিলাম নাস্তা নিয়ে তাড়াতাড়ি আসার জন্য। নাস্তাও আসলো এবং সাথে সাথে বিতরন শুরু করে দেওয়া হলো। নাস্তা নেওয়ার জন্য মাইকে ঘোষনা দিতে গিয়ে দেখি মাইক শাহিন ভাইয়ের দখলে। শাহিন ভাইকে বললাম ঘোষনা দেওয়ার জন্য। 

এদিকে বাবুর্চির লোকদের কাছে জিজ্ঞাসা করলাম কোন কিছু লাগবে কিনা? তারা বললো আপাতত কিছু লাগবে না। গেলাম স্টেজ এর দিকে। দেখি রেজা ভাই একেকজনের নাম ধরে ডাকছে। এক পাশে দাঁড়ালাম। একটু পরে আমাকেও ডাকলো। স্টেজে উঠলাম সবাই লাইন ধরে দাঁড়ালাম আবার একটু পর নেমেও গেলাম। কেন উঠানামা বোধগম্য হলো না। যেখানে বাচ্চাদের খেলা হচ্ছে সেখানে যাওয়া মাত্র বাবুর্চির লোকে ফোন দিল লবন লাগবে। তাড়াতাড়ি এসে মাসুক ভাইয়ের লোকটাকে পাঠালাম লবনের জন্য। 

প্রজাপতি


ছোটবেলায় মুন্নি আপাকে দেখতাম মানিক ভাইয়ের কাছে পড়তে আসতে।মাঝে মাঝে টিংকু ভাই, উনার ছোট ভাই, ছোট্ট রেশমাকেও দেখতাম মানিক ভাইদের বাসায় আসতে।বুঝতাম দুই পরিবারের মধ্যে ভাল একটা সম্পর্ক আছে।কিন্তু এর গভীরতা কতটুকু তা মাথায় আসেনি। তবে মানিক ভাইয়ের সাথে মুন্নি আপার বিয়ে হবে সেটা কখনো চিন্তা করিনি।

কলোনি তে যেদিন বিদ্যুৎ থাকত না সেদিন আমরা রাতে বের হলে মানিক ভাই আমাকে আলীবাবা আর চল্লিশ চোরের গল্প বলতেন।কিন্তু মজার ব্যাপার হল উনি কখনোই পুরো শেষ করতে পারতেন না।গল্প বলার সময় উনি এতে নাটকীয়তা যোগ করতেন। ফলে গল্পের দৈর্ঘ্য আরও বেড়ে যেত। তাই গল্প শেষ হবার আগে বিদ্যুৎ চলে আসত।আর আমিও বাসায় চলে আসতাম।

গ্রান্ড আড্ডায় কোন পোশাক বা শাড়ি পড়বে বউ বাচ্চা দুজনেই সিলেক্ট করে ফেলেছে


গ্রান্ড আড্ডায় কোন পোশাক বা শাড়ি পড়বে বউ বাচ্চা দুজনেই সিলেক্ট করে ফেলেছে, এবার আমি কোন শার্ট টা পড়ব, বউ জিজ্ঞেস করল, বললাম আকাশী শার্ট টা পড়ব, বউ এবার বলে উঠল, আকাশী শার্ট কেনো, গ্রান্ড আড্ডায় খুব রোমান্টিক সাজার ইচ্ছা তাইনা? আমি আর কিছু বললাম না। মেরুন শার্ট টা ব্যাগে ভরলাম, অনেক পুরোনো শার্ট, আর আকাশি শার্ট টি চিটাগাং জার্নির দিন পড়লাম, ভাবলাম এবার কিছু হবেনা। আড্ডা র সকালে মেরুন শার্ট টি পড়লাম,বউ হঠাৎ বলে উঠল এতো পুরানো শার্ট পড়লা কোন রহস্য আছে নাকি, আমি বউরে বিভ্রান্ত করতে একটা রহস্য ময় হাসি দিলাম।

বাসার আশপাশে কোন এক জায়গা থেকে "নাগিন নাগিন" গানটা শোনা যাচ্ছে


বাসার আশপাশে কোন এক জায়গা থেকে "নাগিন নাগিন" গানটা শোনা যাচ্ছে।প্রতিনিয়ত এই গ্র্যান্ড আড্ডা নিয়ে স্মৃতি কাতর হয়ে পড়ছি।আড্ডার দিন যে বড় ভুলটা আমি করেছি সেটা হল অনেক দেরিতে পৌঁছানো।যাইহোক শারীরিক শিক্ষা কলেজে ঢুকতেই দেখি অনিকাও মাত্র এসছে।আম্মা দাঁড়িয়ে আছে হিমেলভাইয়ের আম্মার সাথে।জসিমভাই মাশুকভাইয়ের সাথে দেখা হল।মাশুকভাইকে কত্ত বছর পর দেখলাম।স্মৃতিকাতর হয়ে চোখ ভিজে উঠার আগেই দৌড় দিলাম মূল অনুষ্ঠানের দিকে।হুম আসলেই দৌড় দিয়েছিলাম কিন্তু।গিয়ে দেখি আমার প্রাণের বন্ধুরা ওইখানেই আছে।ওদের সাথে কথা বলতে বলতে দেখি বন্যাপা কথার ফুলঝুরি দিয়ে স্টেজ মাতাচ্ছেন।বন্যাপার সাথে কথা বলে ফিরে আসতেই ইয়াসমিন আপা আর খালাম্মার সাথে সাক্ষাত।ইয়াসমিন আপাকে যে কত বছর পর দেখলাম।উনাদেরকে দেখে কিছুক্ষণের জন্য আমি আমার শৈশবে ফিরে গেলাম।ইয়াসমিন আপার কন্যা সুবহা'র সাথে ছবি টবি তুলে আম্মা নিয়ে গেল সুমা নাসরিন আপার কাছে।

Thursday, February 25, 2016

সুজন যে ভাবে পরিসংখ্যান রিপোর্ট প্রকাশ করা শুরু করেছে-সে হিসাবে আমার কিছু লেখে পেজে নাম উঠানো দরকার


সুজন যে ভাবে পরিসংখ্যান রিপোর্ট প্রকাশ করা শুরু করেছে-সে হিসাবে আমার কিছু লেখে পেজে নাম উঠানো দরকার। আড্ডা সমন্ধে এখন কিছু লিখব না। কারণ তা হলে- হেড অফিস ব্যাগ গুছানো শুরু করবে। তাই কয়েকটা জোকস বলে নিজের নামটা উঠাই। অনেক ছোট বেলায় আমার নানার মুখে একটা গল্প শুনেছিলাম।
এক চুল দাড়ি পাকা বুড়ো রাস্তার ধারে বসে,
ও মা! ও পিশি মা! ও ঠাকুমা!
বলে কাদছে। 
এক পথচারী তাই দেখে জিজ্ঞাস করল 
ও দাদু কাঁছ কেন? 
বুড়ো ফুঁপিয়ে উঠে জবাব দিল
বাবা মেরেছে।
পথচারী তো হতবাক, এই বুড়োকে বাবা মারকে কেন? তাছাড়া এমন বুড়োর বাবা কি বেচেঁ থাকা সম্ভব? তাই সে আবার জানতে চাইল?
বাবা তোমাকে মারল কেন?
বুড়ো বলল,
ঠাকুর দাদার হুঁক্কো ভেঙ্গে ফেলেছি তো তাই।

খানা খাজানা (পর্ব -২)


২৮/০১/২০১৬ তারিখ বৃহস্পতিবার যেহেতু কসাই, সকালের নাস্তা, বিকালের নাস্তা, পানি সব আগেই ঠিক করা হয়েছে। এখন বাকি কাঁচাবাজার ও অন্যান্য টুকিটাকি কাজ সন্ধ্যার আগেই সারতে হবে। তাই আগে থেকে প্ল্যান করে রাখছিলাম অফিস থেকে লাঞ্চের পর পর বের হয়ে যাবো।

সকালে অফিসে গেলাম এবং সবাইকে বলে রাখলাম আমি বেশিক্ষন থাকবো না। সকাল সাড়ে দশটায় অপু ভাই আমাদের অফিসে আসার খবর পেলাম। গেলাম উনার সাথে দেখা করতে। উনি আমাকে দেখে বলে তুই এখনো অফিসে? অপু ভাইয়ের সাথে দেখা করে আমার রুমে এসে সব গুছিয়ে বের হয়ে যাওয়ার সময় ভাবলাম আমাদের কোরিয়ান ভদ্র মহিলাকে বলে যাই, না হয় উনি মাইন্ড করতে পারে। ম্যাডামের রুমে গিয়ে দেখি অপু ভাইয়ের সাথে মিটিং করছেন। আমি কিছু বলার আগেই আমাকে দেখে অপু ভাই বললো ম্যাডাম ওকে আজকে ছেড়ে দেন, আগামিকাল আমাদের একটা প্রোগ্রাম আছে। ম্যাডাম সাথে সাথে বললো যাও। 

CSM colonynir সকালে কাকের কা কা ডাকে ঘুম ভাঙ্গানো


CSM colonynir সকালে কাকের কা কা ডাকে ঘুম ভাঙ্গানো।কলোনির মােঝ ড্রেন গুলোর কিছু ছিল মরা নদীর মতো,আর কিছু ছিল প্রবাহিত নদীর মতো তাতে মােঝ মােঝ মাছও দেখাযেতো।নারকেল গাছ গুলো ছিল পাহারাদারের মতো।লজ্জাপতি গাছে স্পশ করে দেখতাম বিশেষ গুন।R কলোনিতে রাস্তা গুলো ছিল পারিবারিক মানুষগুলো একে অন্যের সাথে মিলনের পথ।মােঝ মােঝ কল্পনায় ভেসে উঠে তোমার ছবি হায় CSM colony.

আমি আমার কয়েকটি লেখায় উল্লেখ করেছিলাম গ্রান্ড আড্ডা আমার কাছে ঈদ উৎসবের মত


আমি আমার কয়েকটি লেখায় উল্লেখ করেছিলাম গ্রান্ড আড্ডা আমার কাছে ঈদ উৎসবের মত। আড্ডার দিন যতই ঘনিয়ে আসতে লাগলো আর এই উৎসবের টেনশন পারদ আমার মধ্যে আরো উপরে উঠতে লাগলো। আর এ উছিলায় বৌ এর শপিং চলতে লাগলো ধুমায়ে, যেটা দরকার সেটাতো কিনছেই আর যেটা দরকার নেই সেটাও কিনছে এমনকি রওয়ানা দেয়ার আগের দিন পর্য্যন্ত কেনাকাটা চলছেই। আর আমিও আম্পায়ার আলিমদারের মত সবকিছু মেনে নিচ্ছিলাম, গ্রান্ড আড্ডার আগে গৃহ শান্তি জরুরী বলে কথা। আব্বা আম্মা আড্ডার ১৫ দিন আগেই চট্টগ্রাম চলে গিয়েছে আড্ডার পাশাপাশি একটা পারিবারিক অনুষ্ঠানেও যোগ দেয়ার জন্য, ছোট বোন তার জামাই বাচ্চা সহ দুদিন আগে চলে যায়। 

অবশেষে আমার যাওয়ার পালা ২৮ জানুয়ারী খুব সকালে অফিসে এসে কাজ শেষ করে দুপুরেই বাসায় চলে যাই। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ফ্লাইট, বিকাল পাঁচটার মধ্যে এয়ারপোর্টে। সংগে বউ পোলা আর ছোট ভাই জাভেদ, একটু পর পীর সাহেব রেজা ভাই হাজির। সমানে সেল্ফি তুলছি, হঠাৎ পলাশ ভাই ও ভাবীর সাথে দেখা, তাঁরাও একই ফ্লাইটে চিটাগাং যাচ্ছেন আবারও সবাই মিলে এক দফা সেল্ফি। প্লেনে উঠার আগ মূহুর্তে এক মেয়ে আমার সামনে এসে বলল “ আপনি আতিক ভাই না” , আমি বউয়ের সামনে এবার বিব্রত, কোন মতে ঢোক গিলে বললাম “হ্যা িআমিই আতিক” মেয়েটি নিজের পরিচয় দিলো , দেখলাম কলোনীর ছোট বোন নাম লাকী।ফেসবুকে আমার ছবি দেখে সে আমাকে চিনতে পেরেছে, যাক নিজেকে ফেসবুক সেলিব্রেটি মনে হলো। সেও আড্ডায় অংশ নিতে চিটাগাং যাচ্ছে। রানওয়েতে আরেক দফা সেল্ফি চলল লাকী সহ।চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট নেমে আবারো সেল্ফি। আধা ঘন্টায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসলাম. আর পতেংগা থেকে আগ্রাবাদে হোটেল সেন্টমার্টিন যেতে পাক আড়াই ঘন্টা।

গ্র্যান্ড আড্ডা ২০১৬ স্মৃতিচারণ


অফিস শেষ করে আগ্রাবাদ মোড়ে মার্কেটের সামনে গিয়েই অপু দা’কে ফোন দিলাম।
আমিঃ দাদা আমি ওয়েল ফুড এর সামনে দাঁড়ালাম,সাথে সুজন ও আছে, আসেন তাড়াতাড়ি।
অপু দাঃ দাড়া ১০মিনিট আমি চলে আসতেছি।
১৫মিনিট পর অপু দা না আসাতে আবার ফোন দিলাম......
আমিঃ দাদা আপনার ১০মিনিট হইছে!!?

দাদাঃ পুলক কাজে আটকাই গেছি ভাই, তোরা দোকানে ঢুকে খাইতে থাক,আমি আসতেছি...
আমি আর সুজন দোকানে ঢুকে জ্যাকেট জুতা দেখতে থাকলাম আর আডডার কস্টিউম ঠিক করতেছি (ফাঁকা)
৩০মিনিট পর অপুদা এসে যে একটা হাসি দিলো,কিছুই বলার নাই।আসলেই কিছু বলা যাবেনা, অসম্ভব My dear মানুষ,আফসোস এমন মানুষের সাথে কেনো কলোনীতে থাকতে এভাবে মিশলাম না!!! যাই হোক সেটা হইতো সম্ভবও হতোনা!!

বেশ কিছু দিন ধরে একটা জিনিস মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে


বেশ কিছু দিন ধরে একটা জিনিস মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু গুছিয়ে নিতে পারছিনা বলার জন্য। আজকে চিন্তা করলাম বলেই ফেলি। যা ভালো হয় বড় ভাইরা করবে।

ভার্চুয়াল জগত থেকে বাস্তবে রূপ শেষ পর্যন্ত নিয়েই ফেলল CSM Colony । সফল ভাবে হয়ে গেলো 1st family Together (Grand ADDA). যার শুরু হয়েছিল তারিক ভাইএর চিকিৎসা কে কেন্দ্র করে। প্রাণের ডাক কেউ ফেরাতে পারেনি। সবার ইচ্ছা ও আন্তরিকতা প্রমান করেছে, সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে মোরা পরের তরে। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আপন করে নিয়েছে যারা কষ্টে আছে তাঁদের। এই সহযোগিতার হাত আরও সম্প্রসারন করা দরকার তাঁদের ও আরও সবার জন্য, যাদের প্রয়োজন, যাদের root এই CSM.আর সেজন্য দরকার এই CSM কে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করা। এর মাধ্যমে আমরা আমাদেরই আপন জনদের কাজে ও সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারি। আমরা কি পারিনা এই CSM Colony কে একটা সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে। একটা Co-Operative Society বা একটা Foundation এর রূপ দিতে। 

ইস্কুল এস্টেজ এর পিছনে আমরা কয়েকজন বন্ধু স্কুল পালিয়ে মার্বেল খেলছি


ইস্কুল এস্টেজ এর পিছনে আমরা কয়েকজন বন্ধু স্কুল পালিয়ে মার্বেল খেলছি,বন্ধুদের নাম ভুলে গেছি,কিন্তু একজনের কথা মনে আছে,তাকে আমরা মেথিউছ ডাক্তাম,আমরা খুভ মজা নিয়ে খেলছিলাম,কখন যে পেছনে বেত নিয়ে হুজুর স্যার আসল টের পেলামনা।তার পর কি হল সবার জানার কথা।।।।।।

আমরা তখন csm এ e-7/f building ছিলাম


আমরা তখন csm এ e-7/f building ছিলাম... এক দিন আমি আর আমার আপু ( Raseda Hoque Raseda )ঠিক করলাম building এর সামনে পিকনিক করবো..যে পিকনিক করবে তার বাসা থেকে চাল.ডাল আর ১০ টাকা করে নেয়া হবে ..যথা সময়ে চাল ডাল আর ১০টাকা করে তোলা হলো.. বাসার সামনে বেড সিট দিেয় সামিয়ানা টানগানো হলো..এম্লৗফায়ার ইসপিকার দিয়ে জোরে গান চলতে লাগলো.. হঠাৎ .. টিংকু ভাই ( Mohammad Nazrul ) এর বোন পিচ্ছি রেশমা (তখন পিচ্ছি ছিলো) এসে আমার বোন কে বল্লো রাশু আপা আমিও পিকনিক করবো..আপা বল্লো ঠিক আছে রেশমা তুমি তোমার বাসা থেকে চাল.ডাল আর ১০টাকা নিয়ে এসো.. রেশমা খুশি তে এক দৌড়ে বাসায় গেলো..কিছুক্ষন পরে চাল ডাল নিয়ে আপাকে দিলো..আপা বলেলা রেশমা ১০ টাকা কই? আর রেশমার ফটাফট উত্তর ..রাশু আপা আমার বাসায় সব টাকার নোট আছে কিন্তু ১০ টাকার নোট নাই..

( বিঃদ্রঃ- ১০টাকা ছাড়াই রেশমাকে পিকনিকে নেওয়া হইছিলো )

আড্ডাতে যাব, সেই খুশিতে আমার বাড়িতে ঈদ শুরু হয়ে গেল


আড্ডাতে যাব, সেই খুশিতে আমার বাড়িতে ঈদ শুরু হয়ে গেল। শপিং চললো পুরাদমে, আমাদের চার মা মেয়ের। বোনের ছেলে রেলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা,তাকে টিকেট দিতে বললাম। ব্যাগ রেডি,টিকেট রেডি। ড্রাইভার কে বললাম সকালে আসতে। সে বললো তাকে ছয়টায় তুলে দিতে। রাতের ঘুম হারাম। ভোরে উঠে বের হলাম স্টেশনের উদ্দেশ্যে। সেদিন রাতে গেলাম ভেনুতে। মেলা রাতে ফিরে পরের দিনের জন্য সব গুছিয়ে রেখে দিলাম। সকাল বেলা বের হলাম। সেজেগুজে। গেইটের কাছে এসে অবাক হলাম,একটা জায়গা এত সুন্দর কিভাবে লাগে! কি সুন্দর করে সাজিয়েছে Suzan Hasnat ও তার দল।কালারফুল কাগজে সেজেছে ভেনু। সন্ধ্যার আলোকসজ্জা ছিল চোখ ধাঁধানো। দলে দলে সবাই আসছে। প্রতিটা মুখ উজ্জ্বল, সবার চোখ খালি আপনজনকে খুজে ফিরছে। প্রথমেই গেলাম অডিটোরিয়াম এ। সাথে আনা ব্যাগ রেখে তালাচাবি মেরে চলে এলাম মুল জায়গায়। 

কি ঝলমল করছিল চারদিক! সবাইকে দেখতে খুব ফ্রেশ লাগছিল,সুন্দর লাগছিল। পীর সাহেব Anisur Rahman Reza যা একখান পাঞ্জাবি আর হাফ সোয়েটার পড়েছিল না! একেবারে আকাশের সাথে রঙ মিলিয়ে। এসেছিলেন একই স্কুলের ছাত্র,ক্লাস ফাকি দিয়ে Nazmul Huda,Jashim Uddin Reajul Islam Shahin ভাই। Atiq Csm এসেছে দেরি করে,ও সাজতে দেরি করেছিল। Ishrat Jahan Shaila আসলো আরো দেরি করে। দেখা হল মোস্তফা কামাল স্যারের সাথে। কতবছর পর! দৌড়ে গিয়ে স্যারকে সালাম করলাম। স্যারের সেই আগের চেহারাটা মনে গেঁথে ছিল যার সাথে এখনকার কোনো মিল নেই। বয়স বেড়েছে,সাদা দাড়ি আর সাদা পাঞ্জাবি পায়জামা পড়া স্যার যেন অন্য কেউ। Nargis Begum বেবীর সাথে দেখা। একসাথে পড়তাম। 

Wednesday, February 24, 2016

"খানা খাজানা" পর্ব- ১


যখন আমাকে আপ্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া তখন থেকেই আমার আড্ডার মজা অনেকটা পানসে হয়ে গেলো। কারন দায়িত্বটা এমনই সবাইকে শতভাগ সন্তুষ্ট করা যায় না। তারপরেও অনুরোধে ঢেঁকি গিলার মতো রাজি হলাম। জানুয়ারি মাসের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত এদিক ওদিক করে কাটালাম। কাজ শুরু করতে যাব এমন সময় জানুয়ারি ৩য় সপ্তাহে ব্যক্তিগত কাজে দুইদিনের জন্য ঢাকায় গেলাম। যাওযার আগে অবশ্যই কিছু কাজ আগাইয়া রাখছিলাম। আড্ডায় কতজন অংশগ্রহন করবে সে হিসাবটা দুপুর বেলা খাওয়ার আগে পর্যন্ত জানতে পারিনি। অনুষ্টানের আগে বড় ভাইদের কাছে কতবার জানতে চেয়েছি কতজন হবে? কেউ বলতে পারেনি। 

কেউ বলে ১২০০ হবে, কেউ ১৫০০ হবে, আর মাসুক ভাইরে জিজ্ঞাসা করলে উনি বলতো ১২০০ এর চেয়ে কম হবে। কেউ বলে সকালের নাস্তা ভারি হলে ভাল হয়, কেউ বলে হালকা। কেউ বলে দুপুরের মেনুতে আমরা মেজবান খাবো আর নন মুসলিমরা কি শুধু এক পিস মুরগি খাবে? ছাগলও লাগবে। এবার একজন বললো আমরা যেহেতু গরুর নলা খাবো ওরা কি শুধু মরগি আর ছাগলের মাংস খাবে? তাহলে? আরেকটা আইটেম বাড়াতে হবে। বাজেট একবার বাড়ে, একবার কমে। এক রকম অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে।

২৯ এ জানুয়ারি ২০১৬ ইং এ সিএসএম কলোনীর সকল ছোট- বড় ভাই- বোনরা মিলে এক আড্ডার আয়োজন করি


২৯ এ জানুয়ারি ২০১৬ ইং এ সিএসএম কলোনীর সকল ছোট- বড় ভাই- বোনরা মিলে এক আড্ডার আয়োজন করি।যেখানে আমাদের মা- বাবা,ভাই- বোন,ছেলে- মেয়ে,শিক্ষক -শিক্ষিকারা অংশগ্রহন করে এই আড্ডাকে সফল করেছে।
আড্ডা নিয়ে ৪ মাস আগে যখন নাজমুল ভাই বলেছিল আমরা এরকম একটা অনুষ্ঠান করবো যেখানে আমাদের মা- বাবারা অংশ নিবে,এবং সেই রকম একটা অনুষ্ঠান হবে।তারপর থেকে মিটিং, আলোচনা হল,তারিখ ঠিক হল ২৯/১/১৬ ইং।সবার মতামতের মাধ্যমে ভেন্যু নির্ধারণ হল গার্ণাস ক্লাব হালিশহর।কিন্তু জানুয়ারী মাসের প্রথমে আমরা জানতে পারলাম সরকারী সিদ্ধান্তের কারণে গার্ণাস ক্লাবে আমরা প্রোগ্রাম করতে পারছি না।

একদিন সন্ধায় জসিম ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম আজ কোথাও যাবেননা কূপন দিতে।জসিম ভাই একটা ঝারি মারল।বুঝলাম কোন কারণে জসিম ভাইয়ের মন খারাপ।পরে আমাকে বলল যে আমরা গার্নাস ক্লাব পাচ্ছি না।তারপর নাজমুল ভাই,সুজন এল। আমরা নয়াবাজার গিয়ে এক দোকানে বসে চা খাচ্ছি।তখন আমি শারীরিক শিক্ষা কলেজ এর কথা বলতে নাজমুল ভাই বলল চল দেখে আসি।সুজন ও টিটু মটর সাইকেলে এবং আমি,জসিম ভাই,নাজমুল ভাই সিএনজি করে ভেন্যু দেখতে গেলাম।সবার পছন্দ হল।তারপরের দিন আমি ও জসিম ভাই ওখানকার স্টাফ ইছা ভাইয়ের সাথে কথা বললাম,এবং ইছা ভাই আমাদের ভেন্যু নেওয়ার ব্যাপারে সহযোগীতা করল,এবং প্রিন্সিপাল স্যারকে আমাদের ব্যাপারে সব বলে তার আত্বিয় পরিচয় দিয়ে আড্ডা করার ব্যাবস্হা করে দিল।

ADDA


ADDA.AMON EKTA ONUVUTI,JA AMI GUCHIE BA SUNDOR KORE LIKHTE PARBONA.ADDAR DATE NIRDHARITO HOBAR POR THEKE KONO KAJE MON BOSTO NA.SHUDHU VABTAM KOBE DINTA ASBE?KOBE JABO PORICHITO MANUSGULIR SATHE DEKHA KORTE,KOTHA BOLTE R ANONDO KORTE.SOBAI MILA JE ANONDO KORLAM SETA SHUDHU AMI KENO AMAR DHARONA KEW VULTE PARBE NA.SEI KHUNSHUTI,ADOR,MAN-OVIMAN,VALO LAGA VULAR NOY.JANINA KI LIKHLAM?AMAR VULGULI ASHA KORI SOBAI KHOMA SUNDOR DRISTITE DEKHBE.SOBAI KHUB,KHUB,KHUB VALO THAKBEN.

সি এস এম এর প্রথম আড্ডার কথা বলে বা লিখে শেষ করা যাবে না


সি এস এম এর প্রথম আড্ডার কথা বলে বা লিখে শেষ করা যাবে না, শুধু এই কথা বলে বুজাতে চাই যে কি পরিমান আবেগ আমার কাজ করেছিল সেই প্রথম আড্ডা।যেখানে আমার জোরে চলাফেরা করা নিষেধ সেই সময় আমার এতোটাই আবেগ কাজ করেছিল আমি কিছু চিন্টা না করে ছোট ভাইদের খুশি করতে এই বয়সে নাচতে এক বিন্ধু চিন্টা করি নাই।এর চেয়ে বেশি কিছু লিখে সবার মনের কস্ট বারাতে চাই না।ছিলাম, আছি,থাকবো এই সি এস এম এর সাতে যত দিন বাচবো।

উল্লেখঃ ৩৫ বসর জন্ম থেকে ছিলাম, যেখানে আমার জানা মতে সব ছেয়ে বেশি সংখ্যক ছেলে মেয়ে ভাই বোন ভাগনা ভাগ্নি এক জাগায় থেকেছে, পড়েছে সেই পরিবার এর আমি এক জন স্টিল্লার, আমার বাবার নাম ছিলঃ আহ ম্মেদ উল্লাহ, কঃনংঃ ই-১১-ডি

স্লিপারের সামনের বিল্ডিং টাই আমাদের E-7


স্লিপারের সামনের বিল্ডিং টাই আমাদের,E-7, দোতলাই থাকতাম,দোপুর সময়টাতে আম্মা অনেক বকাবকি করত ঘুমের জন্যে।আমার ঘুম আসতনা,প্রায় বকা খেতাম ঐ টাইমটাতে,মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতাম,,,,আচ্ছা আমাদের সি এস এম এর আকাশ আর এখনকার আকাশ কোন মিল নাই,,এই পারতক্য যারা সি এস এম এ ছিল তারাই বুজবেন। তখন কার নিলীয়মান আকাশে তাকালেই মন ভাল হয়ে যেত। অনেক চিল এক সাথে ডানা মেলে রাউন্ড দিচ্ছে,হঠাত কত্তেখে এক পনকিরাজ ঘুড়ি দেখা গেল, যা নিয়ে চিলেরা খেলছে,,,,,,,,,,,,,,,,,,
অনেক মিস করি,অনেক মিস।

প্রথম প্রাপ্তিটা সব সময় মধুর


প্রথম প্রাপ্তিটা সব সময় মধুর। আর তা যদি হয়ে থাকে, "২৯ শে জানুয়ারি"। প্রথম স্কুলে যাওয়া, বাবার একটি সাইকেল কিনে দেওয়া, চাদা দিয়ে একটি ফুটবল কিনা, প্রথম ভালোবাসা(যদিও আমি একবারমাত্র ভালোবেসেছি), প্রথম বিবাহ(এখানেও আমার ২য় বারের কোনো chance নাই), প্রথম সন্তান, এই সব প্রাপ্তি বড় আনন্দের, বড় আবেগের। মনের মনি কোঠায় গেথে থাকে।

২৯শে জানুয়ারি ঠিক তাই। এত আপনজন, একটা দিন, একটি বিন্দুতে!!!! বাধ ভাংগা আনন্দ, আবেগ, ভালোবাসায় সব কষ্ট যেন আমরা ভুলে গেলাম।

"একটা চাবি মেরে" সবাইকে যেন ছেড়ে দেওয়া হয়ছে, কোথাও কারো নিয়ন্ত্রন নেই!!! আবার চুল পরিমান " অনিয়ম" নেই!!! কি করে সম্ভব!!!????
এখানেই আমরা "স্টীলার"!! এবং "আমরা আমরাইতো"!!

রিমানের লুঙী কাহিনী তখনো শুরু হয়নি


২১ শে ফেব্রুয়ারির আগের রাতে বন্ধু রিমানের লুঙী কাহিনী তো আগেই বলা হয়েছে, এক্ষেত্রে ভিলেন মরাইয়া রাশেদ, আজ জানাবো বন্ধু বদরুলের গায়ে কফ নিক্ষেপ কাহিনী, এবং এখানেও ভিলেন যথারীতি মরাইয়া।

রিমানের লুঙী কাহিনী তখনো শুরু হয়নি, আমরা সবাই, মানে এপ্রিল 29 এর সদস্য রা পানির ট্যাংকীর নীচে রাস্তায় আল্পনা করছিলাম, বদরুল লুঙ্গি হাঁটু পর্য্যন্ত তুলে উবু হয়ে (অনেক টা নামাজের রুকু দেওয়ার ভঙ্গিমায়) খুব মনোযোগ দিয়ে আল্পনায় ফিনিশিং টাচ দিচ্ছিলো, ঠিক তখনই রাশেদের মাথায় দুষ্ট বুদ্ধি খেলে গেলো, বদরুলের পিছনে গিয়ে তার লুঙ্গী টি তুলে সর্বশক্তি দিয়ে একদলা কফ (মরাইয়ার প্রায় সময় সর্দি লেগে থাকতো) রাশেদ বদরুলের পশ্চাৎ দেশে মারল, ঘটনার আকষ্মিকতায় বদরুল পুরোপুরি হতবিহবল, রাগারাগি করার চেতনাও লোপ পেয়েছে বদরুলের, সম্বিৎ ফিরে পাওয়ার পর জাস্ট রাশেদ কে "তুই ওজ্ঞা ফেরোত" (তুই একটা নোংরা) বলতে বলতে, লুঙ্গি টি উচিয়ে ধরে বাসায় গিয়ে এই মাঝরাতে গোসল করে আবার ট্যাংকীর নীচে এলো বদরুল।

তারপর তো ঘটলো রিমানের লুঙ্গী ট্রাজেডি। এভাবে হাসি ঠাট্টা, আনন্দ,মজার মধ্যে দিয়ে ভোরে একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে আসি। সম্ভবত কলোনীতে এটাই ছিলো আমার শেষ একুশে ফেব্রুয়ারি পালন এবং এখনো পর্য্যন্ত এটাই শেষ একুশে পালন।

মানব প্রজাতির মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেনী বহুল আলোচিত


মানব প্রজাতির মধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেনী বহুল আলোচিত। দুনিয়ার যত বড় বড় কবি লেখক আছে তাঁরা মিডল ক্লাসদের নিয়ে সাহিত্য চর্চা করেই বিখ্যাত হয়েছেন। তাতে অবশ্য মধ্যবিত্তদের কোন লাভ বা ক্ষতি বৃদ্ধি হয়নি। মধ্যবিত্তদের কিছু আইকনিক স্বভাব আছে। হাজার চেষ্টা করলেও কেউ এসব থেকে বের হয়ে আসতে পারবে না। 
মধ্যবিত্তদের টিভি রিমোট পলিথিন দিয়ে মোড়ানো থাকে। যখন টিভির রিমোট নষ্ট হলে হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হতো তখন থেকে শুরু। এখন পঞ্চাশ টাকায় রিমোট পাওয়া যায় তবুও মধ্যবিত্তদের টিভি রিমোট এখনো পলিথিনের ভেতর থেকে বের হয়ে আসেনি। 

মধ্যবিত্তদের ভাই-বোন-মা-বাবা সবার সাথে সম্পর্ক থাকে গভীর। মা বছরের ৩৬৫ দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রান্না ঘরের কাজ করতে করতে মৃতপ্রায়। কারো সেদিকে দৃষ্টি নেই। বরং তরকারিতে লবণটা বেশি হলে, ঝালটা কম হলে রান্না শিক্ষা সম্পর্কে মাকে বিরাট লেকচার দেয়া হয়ে যায়। সেই ভাই বোনেরাই মায়ের একটু সর্দি জ্বর হলে চাকরি-বাকরি, স্কুল কলেজ বাদ দিয়ে মায়ের সেবায় লেগে থাকে। বলা বাহুল্য মায়ের সুস্থতা আর ছেলে মেয়েদের পুরনো রুটিনে ফিরে আসা সমানুপাতিকভাবে ঘটে। 

Tuesday, February 23, 2016

সি.এস.এম.পেইজের সকল সম্মানিত সদস্যদের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে


সি.এস.এম.পেইজের সকল সম্মানিত সদস্যদের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, গ্র‍্যান্ড আড্ডা পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী আমাদের হাতে সর্বমোট ৮৬৫০০ টাকা ক্যাশ আছে। সিনিয়র সদস্যদের সম্মতিতে এই টাকা ষ্টীল মিল কলোনীর প্রাক্তন বাসিন্দা বর্তমানে বিপদগ্রস্ত এবং টাকার সমস্যায় আছেন তাদের প্রদান করার সিদ্বান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সে মোতাবেক নিম্নলিখিত লোকদের টাকা প্রদান করা হবে।

হারুন অর রশীদ(সাবেক চাকুরীজীবী csm) ৩৩০০০ টাকা।
লিটনের স্ত্রী (সামসুল আলম প্রকাশ সামসু নানার ছেলে) ৪০০০০ টাকা।

উল্লেখ্য গত ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান এ ১৩৫০০ টাকা খরচ করা হয়েছিল।
সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

গ্রান্ড আড্ডার স্মৃতি বা আড্ডা কে নিয়ে কিছু লিখতে বললে


গ্রান্ড আড্ডার স্মৃতি বা আড্ডা কে নিয়ে কিছু লিখতে বললে বা বলা লাগলে তা আগামী আড্ডা না আসা পয্যন্ত শেষ হবেনা। এতো স্মৃতি এতো আবেগ জড়িয়ে আছে এ আড্ডাকে ঘিরে, কোনটা রেখে কোনটা বলি। তবে আমার কাছে একটা জিনিস খুব চমৎকার লেগেছে এইটা দেখে যে, যারাই যখন আড্ডার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে চিটাগাং রওয়ানা দিচ্ছিল রেল ষ্টেশন, বাস টার্মিনাল বা বিমানবন্দরে আড্ডার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়া আরেক গ্রুপের সাথে কাকতালীয় ভাবে দেখা হয়ে যাচ্ছে।

সরি Anisur Rahman Reza ভাই আমি বোধ হয় আপনার আগেই গ্রান্ড আড্ডার স্মৃতি কথা লিখে ফেললাম। 
তবে আমার নিজেরই সন্দেহ আছে যে এটা কোন স্মৃতি মূলক লেখা হয়েছে কিনা।

Monday, February 22, 2016

জাভেদের দেয়া ছবিগুলা দেখে মন খারাপ হয়ে গেল


জাভেদের দেয়া ছবিগুলা দেখে মন খারাপ হয়ে গেল। বিশেষ করে আড্ডার আগের রাতের ছবিগুলা। রাত প্রায় বারটা পর্যন্ত ছিলাম। ঠান্ডা আমাদের উতসাহ দমাতে পারেনি। কতজন এসেছিল! আমরা সিএনজি নিয়েছিলাম ভেনুতে যাবার জন্য। চিনিনা কিছু। কাছাকাছি গিয়ে লোকজনকে জিজ্ঞেস করতে করতে আগাচ্ছি,এমনসময় দূর থেকে চোখে পড়লো আলোকসজ্জা। খুশি হয়ে গেলাম।পারলে নেমে যাই। ভেতরে গিয়ে জায়গা দেখে আনন্দে মন ভরে গেল। যতটুকু দেখা যায় দেখলাম। অডিটোরিয়াম এ গিয়ে দেখি সব গিফট প্যাক করছে। কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখি। পরে গেলাম যেখানে রান্না হচ্ছে। পেয়াজ কাটা হচ্ছে,মশলা বাটা হচ্ছে। একপাশে মুরগী রাধার আয়োজন চলছে। ভাত আর মুরগী, কিন্তু স্বাদ ছিল অসাধারণ। ক্ষনে ক্ষনে এর ওর সাথে ছবি তোলা। কখনো দলবেধে। খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে ছিল লিটন। আর আমরা সবাই প্লেট হাতে দাঁড়িয়ে খাবার নেবার জন্য। এর মাঝেই সুযোগ নেবার চেস্টারও কমতি ছিল না। ওটাও ছিল আনন্দের অংশ। খাবারের প্লেট থেকে আলু ছিনতাই করাও ছিল মজার। আসলে ঈদের আগের রাতের মতই খুশি লাগছিল। আনন্দের সময়গুলা চলে যায় খুব দ্রুত আর কস্টের সময় যেন ফুরাতেই চায় না। আজব জীবন।

২০ দিন হয়ে গেলো চিটাগাং থেকে এসেছি


একটু যদি তাকাও তুমি
মেঘ গুলি হয় সোনা
আকাশ খুলে বসে আছি
তাও কেন দেখছোনা
একি আকাশ মাথার উপর
এক কেন ভাবছোনা

২০ দিন হয়ে গেলো চিটাগাং থেকে এসেছি। নো কথা/বার্তা। এই পেজের সবার প্রিয় বোন তো বলেই বসলো, "এখন ভাবির মান ভাংগান"। আরেক আদরের ছোট বোন মাঝে মাঝেই জিজ্ঞাসা করে, "ভাইয়া, সারাফের মার রাগ কমছেনি"। কমেনাই, বরং মেঘ গুলি গুমোট আকার ধারন করছে। রাতে একটু দেরি করেই বাসায় ফিরি, এখন। এড়িয়ে চলাই ভালো। 

গতকালও, বাবু ভাইয়ের ফার্মেছিতে আড্ডা মেরে রাত করে বাড়ি ফিরে, বুঝলাম, আজ কপালে খারাবী আছে।
যে কোনো মুহুর্তে, আক্রমন হতে পারে।

কোথায় ছিলে? বাবু ভাইয়ের ফার্মেছিতে একজন ভালো ডায়াবেটিসের ডাক্তার এসেছে, তার সাথে ডায়াবেটিস বিষয়ে একটু আলাপ হলো। তাই নাকি?? ডাক্তার সাহেব কি বললো?? বললো, টেনশন ফ্রি থাকতে, হাটাহাটি করতে, আর বললো একদম রাগ করা যাবেনা। 

গত বুধবার তারিকের কেবিনে গেলাম বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে


গত বুধবার তারিকের কেবিনে গেলাম বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে। গিয়ে দেখি কেউ নাই। আছে শুধু তারিক আর বাবু। কিছুক্ষণ পরে আসলো ইনান আর নুজাইমা।পরে আসলো তপু আর সোহাগ। তারওপরে আসলো Umama Iqbal। আসার পর থেকে দেখি ও খুব ফুরফুরে মেজাজে আছে। আর গুনগুন করে গাইছে "চুরি করেছো আমার মনটা হায়রে হায় মিস লংকা"। গানটা যতবার শুনি ততবারই একটা ঘটনা মনে পড়ে যায়। 

ঘটনাটি হলোঃ
মিস লংকা সদ্য মুক্তি পেয়েছে। তখনও রঙ্গীন ছবির প্রচলন খুব একটা হয়নি। তাই বড় মামা আমাদের সবাইকে নুপুর সিনেমা হলে নিয়ে গেলো মিস লংকা দেখার জন্য। বন্ধের দিন ৩টা-৬টার শো। টিকিট করা শেষে টাইম পাস করার জন্য এদিক ওদিক ঘুরছি।হঠাৎ দেখি মুক্তার স্যার মানে উনি আমাদের স্কুলে ইসলাম ধর্ম পড়ান। প্যান্ট শার্ট পড়া (উনি আবার স্কুলে যেতেন পায়জামা পান্জাবী পড়ে)। উনার এক হাতে সিগারেট আরেক হাতে কিছু বই।উনার আবার ষ্টীল মিল বাজারে একটা লাইব্রেরী আছে। স্যারের সামনে দিয়ে কয়েকবার আসা যাওয়া করছি। তারপরেও স্যারে যখন দেখেনাই আমি স্যারকে কিছু জিজ্ঞাসা করি নাই। স্যারে লজ্জা পাবে বলে। 

আড্ডা চলছে যথারীতি। চলুক আড্ডা। জয় হোক আড্ডার।


এবার, আসলে এবারই না,মানে ডিসেম্বর থেকে শুরু। সিএসেমের মিটিং এ যাবার জন্য ডাকলেন নাজমুল ভাই। খুব ইচ্ছা। কিন্তু কিভাবে যাব। পরিক্ষার খাতা বাসায়,স্কুল খোলা,ছুটি পাওয়া ঝামেলা। কিন্তু মনের অসম্ভব ইচ্ছা সব কিছু সম্ভব করে দেয়। প্রমান পেলাম যখন শুনলাম কলেজের ডিবেট টিম নিয়ে চিটাগাং যেতে হবে। খেয়ে না খেয়ে খাতা শেষ করে গেলাম। দুইটা দিন থাকলাম,একমুহুর্তের জন্য ক্লান্তি অনুভব করিনি এতটাই আনন্দে ছিলাম। ফিরে আবার অপেক্ষা কবে যাব। মাঝে মেয়েদের নিয়ে সিলেট ঘুরে এলাম। জানুয়ারি আসার সাথে সাথেই দিন গোনা শুরু। আড্ডা দিতে যাব। সেই ঘোর আজো কাটেনি। থাকুক সেটা,না কাটুক। পরে ঘুরতে গেলাম বাবার বাড়ি। এ বছরের মত হয়ত উতসব ছাড়া বেড়ানো শেষ। আড্ডা চলছে যথারীতি। চলুক আড্ডা। জয় হোক আড্ডার।

Sunday, February 21, 2016

এই ত সেদিনের কথা


এই ত সেদিনের কথা। ফেসবুকে CSM colony নামে পেজ খুলল।কলোনি র কিছু বড় ভাইয়েরা পুরনো দিনের ছবি শেয়ার করতে লাগলেন।সাথে সাথে ফেলে আসা দিনগুলোর কথা। আস্তে আস্তে সদস্য সংখ্যা বাড়তে লাগল। যোগাযোগ বাড়তে লাগল। তারপর তারিক ভাইয়ের ব্যাপারটা নিয়ে সবার মধ্যে উদ্বেগ যেন সবাইকে আরো কাছাকাছি নিয়ে এল।

এরপর রেজা ভাইয়ের একটি পোস্ট যাতে GRAND ADDA র বীজ বোনা ছিল। তারপর যা হল এগুলো আর নতুন করে বলার কিছু নেই,সবার চোখের সামনেই ঘটেছে। ১৬/১৭ বছর আগে সবাইকে যখন কলোনি ছেড়ে এক এক করে চলে যেতে হয়েছিল তখন কি কেউ ভেবেছিল আবার তারা একসাথে হতে হবে।একসাথে বিজয় দিবসে,শহীদ দিবসে বা GRAND ADDA ড় মত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এক হবে? কিন্তু না,এখন সবাই যেকোন উৎসবে একত্রিত হয়।আনন্দ ভাগাভাগি করে, মনের কথা শেয়ার করে।

আমাদের জীবনে এমন কিছু মানুষ আসে, কোথা থেকে আসে,কেন আসে জানতে পারিনা।তেমনি আমাদের জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে, কেন ঘটে তা জানা হয়না,রহস্য হয়েই থাকে কিন্তু ঘটনাগুলো সত্যি। হয়ত ফেসবুকে CSM COLONY পেজের আগমনের ঘটনা তেমনি একটি ভীষণ সত্যি অথচ রহস্যময় ঘটনা

গত কয়েকঘন্টা কি চমৎকার কাটলো


গত কয়েকঘন্টা কি চমৎকার কাটলো । আত্মার আত্মীয়দের সাথে কাটানো মুহুর্তগুলো ছিল অসাধারন । স্কুল ছাড়ার পর গত ৫বছরে কোন জাতীয় দিবসেই কোথাও ফুল দিতে যাওয়া হয়নি । আজ র‍্যালি করে যেতে যেতে ভীষন ভাল লাগছিল ।

প্রথমে একা একা লাগলেও পরে সবার সাথে কথা বলে সব ঠিক হয়ে গেলো । 

আমি মোটামুটি গুছিয়ে লিখতে পারলেও বলার ক্ষেত্রে তার উলটো। আমাকে যখন আজ কিছু বলতে বলা হল আমি এতই নার্ভাস হয়ে গিয়ে কি যে অগোছালো কথা বার্তা বলেছি নিজেই জানিনা tongue emoticon

অপেক্ষায় রইলাম ২৬শে মার্চে আবারো এভাবে একত্রিত হওয়ার smile emoticon

আমি জানি আজ বারবার প্রয়াত হামিদ স্যারের নাম আসবে


আমি জানি আজ বারবার প্রয়াত হামিদ স্যারের নাম আসবে। ২০ ফেব্রুয়ারি স্যার ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে বলে আসতেন প্রভাত ফেরির কথা। ভোরে যেন সবাই উপস্থিত থাকে। আমরা খালি পায়ে স্কুল মাঠে গিয়ে হাজির হতাম। তখনো আমরা শোক দিবস বুঝিনা, ভাষা আন্দোলন বুঝিনা। আমরা বুঝি ২১ ফেব্রুয়ারি স্কুল বন্ধ থাকে তবে ভোর বেলা স্যারের নির্দেশে খালি পায়ে মাঠে হাজির হতে হয় এবং দুই সারিতে হেঁটে মিলের লৌহ নির্মিত শহীদ বেদিতে ফুল দিতে হয়। স্কুলের পর্ব শেষ করার পর এখন পর্যন্ত আমি আর কখনো শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবসে কোথাও ফুল দিতে যাইনি। কি অদ্ভুত সুন্দর ছিল সেই লোহার শহীদ মিনারটা। 

Saturday, February 20, 2016

তখন খুব সম্ভবত ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিবো, ১৯৯৩ সাল


তখন খুব সম্ভবত ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিবো, ১৯৯৩ সাল, আমরা কয়েকজন মরহুম ইউনুস স্যারের কাছে ইংলিশ প্রাইভেট পড়তাম, ওখানে যতটুকু না পড়তাম তার চেয়ে বেশী দুষ্টুমি করতাম, আর একাজে আমার আরেক সংগী ছিলো বন্ধু Riman Babu, আমাদের দুষ্টামি তে স্যার খুব অতিষ্ঠ ছিলেন। তো একদিক স্যার আমাদের পড়তে বসিয়ে ভিতরের রুমের দিকে গেলেন আর এ সুযোগে আমি আর রিমান আমাদের যত রকম বাঁদরামি আছে সব চালাতে লাগালাম, এমন করতে করতে স্যার যে বিছানায় বসে পড়াতেন তার তোষকের নীচে হাত চলে গেলো, তোষক আলগা করে দেখি তার নীচে একটি বিশ টাকার নোট আর দু প্যাকেট ইন্টেক সোর্ড ব্লেড, আমি আর রিমান দুজনেই ইংগিত পূর্ন হাসি দিয়ে ঐ বিশ টাকা আর ব্লেডের প্যাকেট দুটো সরিয়ে নিয়ে সুবোধ বালকের মত পড়া শেষ করে বাজারে চলে এলাম, সেখানে ব্লেড গুলো ভাই ভাই স্টোরে বিক্রয় করে ১০ টাকা সহ মোট ৩০ টাকা দিয়ে মুন বেকার্সে আমি আর রিমান পেট ভরে নাস্তা করে নিলাম। স্যার কোনদিন ব্যাপার‍টি জানতে পারেন নি। আজ BabuZahid এর হক স্যার কে নিয়ে লেখাটি পড়ে আমার এই কাহিনী টি মনে পড়ল। আজ যদি সুযোগ পেতাম তাহলে স্যারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতাম, আল্লাহ যেনো আমাদের সবার প্রিয় মরহুম ইউনুস স্যারকে বেহেশত নসীব করে। আমীন।

CSM colony সবাইকে দেখি অনেক মজার মজার ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা লিখে


CSM colony সবাইকে দেখি অনেক মজার মজার ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা লিখে ।তেমনি আমার একটা কথা এখন মনে পরছে তখন আম ক্লাস ১০ পরতাম। আমাদের হক স্যার এর কাছে আমি private পরতাম.সকাল ৭ টা থেকে ৮ টা পযন্ত।আমার সাথে আরো পরতো ঝংকার ক্লাবের স্বঘোষিত আজীবন সভাপতি মুসলিম উদ্দিন সিকদার।একদিন সকালে পরতে গেলে মুসলিম আমাকে বলে বাবু স্যারের পকেটে একটা ৫০ টাকা দেখছি চল আমরা নিয়ে ফেলাই।আমি বললাম ঠিক আছে আমরা ৫০ টাকা নেওয়ার পর দুজনে ২৫ করে ভাগ তরে নেই।মাসের শেষে যখন আমি স্যার কে বেতন দিতে গেলাম তখন স্যার আমাকে বলে বাবু তুই এ মাসে বেতন দেবার সময় ৫০ টাকা বেশি আনবি। আমি বললাম কেন স্যার বেতন তো ২০০ টাকা ২৫০ টাকা কেন দিবো। স্যার আমাকে বলে কথা বেশি বলিছ না । মুসলিম আমাকে বলে দিছে তুই ৫০ টাকা মারি দিছচ। তখন আমি স্যার কে বললাম স্যার তাহেল ২৫ টাকা মুসলিম কে আনতে বলেন। কারন ও ২৫ টাকা ভাগ পাইছে।।।আল্লাহ উনাকে জান্নাত নসিব করুক

সময় টা ১৯৯১ এর বন্যার পর পর


সময় টা ১৯৯১ এর বন্যার পর পর।আমি ক্লাস থ্রি তে।আমাদের বাংলা ব্যাকরণ ও রচনা ক্লাস নিতেন টিপু ভাইয়ের মা, নাজমা আপা।আপার ক্লাস ছিল টিফিনের পর।

প্রতিদিন সাধাসিধা ভাবে আপা ক্লাস নিতে আসতেন।হল্লা, চিতকার, চেঁচামেচি এগুলা পছন্দ করতেন না।তাই বলে রেগে থাকতেন তাও নয়।বুঝিয়ে বলতেন।আমাদের ক্লাসে নাজিমও ছিল।ও ছিল খুব শান্ত।ক্লাসে হৈ হূল্লোড় করত না।এজন্য নাজমা ওর একটা নামও দিয়েছিলেন। ক্লাসে বেশি দুষ্টামি বা বাঁদরামি করলে আপা একটা কথা বলতেন প্রায়ই,সেটা হল- "শোন, শুধু লেখাপড়ায় ভাল হলেই হয় না,স্বভাব-চরিত্র এগুলো ভাল হতে হয়।যে ছেলে শুধু ছাত্র হিসেবে ভাল কিন্তু ব্যবহার জানেনা,বেয়াদবি করে তাকে আমি কখনোই ভাল বলিনা। কেউ হয়ত লেখাপড়ায় ভাল নাও হতে পারে কিন্তু যখন তার চরিত্র সন্তোষজনক হয় তখন সবাই তাকে ভাল বলে" তখন আপাকে খুশি করার জন্য পিরিটন সিরাপের মত মাথা ঝাঁকালেও মনে মনে ভাবতাম, পড়া শিখলে সাত খুন মাফ। আদব কায়দা এগুলা বই আর বড়দের ব্যাপার। 

কিন্তু এখন এ সময়ে এসে মনে হয়, নাজমা আপার কথা গুলো যেন পুরো টাই সত্য।পড়াশোনায় ভাল হবার কারণে কারো হয়ত ভাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর ডিগ্রী থাকতে পারে,কিন্তু ভাল ব্যবহার, চরিত্র এগুলোর কাছে ওই ডিগ্রী কে মাঝে মাঝে হার মানতে হয়।

আমি আমাকে নিয়ে চিন্তিত


আমি আমাকে নিয়ে চিন্তিত।কেন জানি মনে হয় আমার উপর আমার নিয়ন্ত্রন নাই।কোন সিদ্বান্ত বাস্তবায়নের আগে অনেক কিছুই ভাবতে থাকি।মাঝে মাঝে মনে হয় তৃতীয় শ্রেনীর এই মেধা নিয়ে আমি পথ চলার সত্যিই অযোগ্য।ছোট বেলায় কয়েক বন্ধু মিলে(বন্ধু হাফিজও ছিলো) একটা ফুটবল ক্লাব করছিলাম বেশ ভালই চলছিল। কিছুদিন পর শুরু হল সমস্যা - বিভিন্ন জনের পছন্দ অপছন্দ গুলো সামনে আসতে শুরু করল।

কারো কারো দাবি এমন উদ্ভট ছিলো যে মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড়।কখন সিদ্বান্ত সিদ্বান্ত নেই ওকে বের করে দিব।আবার মাঝে মাঝে মনে হয় নিজই বের হয়ে যাব।কিন্তু কোনটাই আমাকে দিয়ে হয়না। আমি ছিলাম আবার ঐ ক্লাবের সভাপতি।অথচ আমার বন্ধুদের সিদ্বান্ত কত সহজ ছিল।সহজেই জানিয়ে দিত ও থাকলে আমি থাকবো না বা ও খেললে আমি খেলবোনা।অথচ আমি ভাবতে থাকি কাউকে বাদ দিলে সে কতটুকু অপমান বোধ করবে।শেষমেষ চেষ্টা করি উভয় পক্ষকে বুঝাতে।ফলাফল উভয় পক্ষের কাছে ভিলেন হয়ে যাই আবার কখনও কখনও কেউ কেউ আমাকে ছেড়ে চলে যায়।হায়রে বিধি এমন মেধাই দিলা কারো আপনই হতে পারলাম না।

রাত ৩.৩০ বাজে এখন কোন মতে 2G লাইন পুরাপুরি পাইতাসি


রাত ৩.৩০ বাজে এখন কোন মতে 2G লাইন পুরাপুরি পাইতাসি,3G তো দুরের কথা মোবাইল কোমপানি গুলি ভালোই তামাশা করে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া নাকি তাদের 3Gকভারেজের আওতায়,মাঝে মাঝে কোন মতে লাইক দেয়া যায়,2G যেমন বিকালে চালু করলে ঘুরতে ঘুরতে অনেক সময় রাত হয়ে যায়,ঢাকা চিটাগাং এর মাঝখানে এই করুণ দশা আর পুরা বাংলাদেশে কেমন সেটা এক উপর ওয়ালাই জানে,এই তো শুরু ডিজিটাল যুগ,আবার শুনতাছি 4G চালু হবে তাহলে তো লাইক ও দেওন যাইবো না মনে হয়

Friday, February 19, 2016

"সাময়িক বিদায়"


১৮/০২/২০১৬ বিষ্যুদ বার সারাদিন গুলশান ১ এ অফিসিয়াল মিটিংএ ছিলাম। যেহেতু গুলশান ১ থেকে আতিকের অফিস কাছে তাই বিকালে কাজ শেষ করেই আতিককে ফোন দিলাম। ফোন দিয়ে জানতে পারলাম সে তারিকের ওখানে। আমি বললাম আসতেছি। গুলশান ১ থেকে একটা সিএনজিও পাচ্ছি না মগবাজার যাওয়ার জন্য। ৪০ মিনিট অপেক্ষার পর একটি সিএনজি ড্রাইভারকে রাজি করাতে পারলাম মগবাজার যাওয়ার জন্য। রাজি করিয়ে ছিলাম ও চাইবে তা দিব এই শর্তে। হাসপাতালে গিয়ে দেখি Anisur Rahman Reza ভাই, Ripon Akhtaruzzaman ভাই, Atiq Csm, Monowar Dalim Dalim, মিল্টন এবং লেনা পরিবার সহ সবাই আছে। তার মধ্যে রেজা ভাই আর রিপন ভাই তারিকের কেবিনের বিল, আর রিলিজ অর্ডার নিয়ে ব্যস্ত। 

কলোনি থেকে যেদিন আমরা চলে আসি,সেদিন আমার কাছে ছিল,"ওঠ ছেড়ি তোর বিয়া"র মত


কলোনি থেকে যেদিন আমরা চলে আসি,সেদিন আমার কাছে ছিল," ওঠ ছেড়ি তোর বিয়া"র মত।সবকিছু গোছগাছ করে নতুন জায়গার জন্য নিয়ে যাওয়া।কোন কিছু ফেলে যাওয়া যাবেনা।এগুলো করতে করতে নিজের স্কুলের শ্রদ্ধেয় স্যার,আপা আর সহপাঠী এবং বন্ধু কারো সাথে দেখা করার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তাড়াহুড়ো করে কিছু জিনিস ট্যাক্সি করে নিয়ে নতুন জায়গায় চলে এলাম।

ছোটবেলা থেকে যেসব মানুষকে দেখে আসছিলাম,তাদের অনেকে চলে গিয়েছিল।পুরনো বলতে শুধু রিপা আপারা।শুনেছি আম্মারা চলে আসার সময় রিপা আপার আম্মা এমনভাবে কেঁদেছিলেন যে অন্যদের চোখেও পানি চলে এসেছিল।ভাগ্য ভাল যে আমি আগেই চলে এসেছিলাম,নাহলে আমিও কেঁদে ফেলতাম খালাম্মার কান্না দেখে।আর কাঁদলে আমাকে আরো খারাপ দেখায়।নিজেকে খারাপ দেখতে কার ভাল লাগে।

আমি রেজা ভাই কে যতদিন ধরে চিনি তার চেয়ে বেশি দিন ধরে চিনি খানসুর চাচা কে


আমি রেজা ভাই কে যতদিন ধরে চিনি তার চেয়ে বেশি দিন ধরে চিনি খানসুর চাচা কে। সেই ৯৫/৯৬ সাল থেকে। নাহ! চাচার সাথে কখনও দেখা হয়নি, আলাপ হয়নি। চাচা কে চিনি "ইস্পাত শিখা" তে লেখা পড়ে। আমি তখন অনেক ছোট। 

এবার গ্র‍্যান্ড আড্ডার স্মরণিকা "ফেরা"য় চাচার স্মৃতিচারণ পড়ে দেখলাম রূপকথার মত চিটাগাং স্টিল মিলের সোনালী সময়ের প্রতিচ্ছবি।

এরপর "ইস্পাত শিখা"য় দেওয়া লেখাটা খুঁজে বের করলাম। কম্পিউটার নিয়ে শিশু কিশোরদের জন্যে সেই ৯৫/৯৬ এ লেখা। যা কম্পিউটার জগতের এত পরিবর্তনের পর ও এ সময়ের উপযোগী। 

২৯ জানুয়ারি রেজা ভাইয়ের সাথে প্রথম কথা হয়। চিটাগাং স্টিল মিল আর কলোনি নিয়ে ভাইয়ার আবেগ আমাকে স্পর্শ করেছে। 

খানসুর চাচার লেখায় বুঝলাম আবেগের উৎস টা কোথায় গেঁথে আছে। চাচা সোনালী সময় দেখেছেন আমি এর প্রায় শেষ হয়ে বিবর্ণ হয়ে যাওয়া টা দেখেছি, এটা একটা ঐতিহ্যের পরম্পরা, একটা বিন্দুর চারদিকে বৃত্তের পরিধির মত, আমরা সবাই একটা নক্ষত্র কে কেন্দ্র করে ঘুরছি। এখানে আমাদের সবার ই একটা অবস্থান আছে।

কেউ নিজের জায়গা ছেড়ে দিলে প্যাটার্ন টা খারাপ হয়ে যায়, ওই শূন্যস্থান অন্য কিছু দিয়ে পূরণ করা যায় না।

"মায়া" অদ্ভুদ এক জিনিস


"মায়া" অদ্ভুদ এক জিনিস। ঠিক কোন জায়গায়টায় যে এর বসবাস!!!!! গত ৭/৮ মাসে কত কিছুই না হয়ে গেলো!! পুরানো বন্ধন গুলি, যা এখানে/সেখানে, এমন কি বহুদুর পর্যন্ত ছড়িয়ে/ছিটিয়ে ছিলো, কি এক মায়াবি টানে এক যায়গায় জড়ো হলো। মাঝে/মাঝে ভাবি এর শেষ কোথায়?

কিন্তু মন বলে এর শেষ নাই। এখানে কোন সার্থ নাই। নাই টাকা পয়সার লোভ/লালসা। ব্যাবসা/বানিজ্য নাই। নাই কোন, "মানি ম্যান" দের বাহাদুরি। আছে নিখাধ ভালোবাসা। ঝগড়া/রাগ/অভিমান এই মানবীয় গুনগুলিও আছে। আছে বলেই আমরা মানুষ।

আমাকে এই পেজের একজন সিনিয়র হিসাবে অনেকেই জিজ্ঞাসা করে, এর পর কি??? যে যায়গাটি তে এত "কোয়ালিটির" পদচারণা, সেখানে তারপর নিয়ে ভাবনার কিছু নাই। চলুক না এভাবেই, সব কিছু মিলিয়ে, যে ভাবে চলছে এখন। সময় সব কিছু ঠিক করে দিবে।

ঐ যে, প্রথমেই বললাম "মায়া"। "পুরাতন বন্ধন"। "তুমি মায়া ফেলে চলে যাবে, কিন্তু মায়া যে তোমার পিছু ছাড়বেনা"।
এই মায়াটা বড় অদ্ভুদ জিনিষ। কোথায় যে এর বসবাস!!!!!!!।

বন্ধুত্বতা সমাচার


ভোরে মোবাইলে কল করে রেজা ভাইকে জানিয়ে দিতে চাইছিলাম জয়দেবপুর স্টেশনে যেন যেয়ে ক্ষনিকের জন্য হলেও তারিকের সাথে দেখা করে। মোবাইল যখন বন্ধ পেলাম তখন আমরা ভাবলাম ছোট্ট মা সারাফ'কে বুকে জড়িয়ে ধরে ঘুমের মাধ্যমে ছুটিটা বেশ উপভোগ করছেন। কিন্তু গতকাল রাতে রেজা ভাই জয়দেবপুর চলে যাওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ কারনে তিনি রাতে ঢাকায় রয়ে গেলেন, তারিকের সাথে অন্তত জয়দেবপুর যাবে বলে।। স্টেশনে রেজা ভাইকে ভবঘুরের মত আমাদেরকে খুজতে দেখে আমরাতো রীতিমত সারপ্রাইজড।

আরেকটা মজার কান্ড:
ট্রেন ছাড়লো ৮:২৫ মি:। রেজা ভাই ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে যেই না রিপন ভাইকে বললেন "তুই চল আমাদের সাথে। তোকে জয়দেবপুরের চা পরাটা খাইয়ে ফিরতি ট্রেনে ঢাকা পাঠিয়ে দিব।" যেই না বলা হলো আর রিপন ভাই সাথে সাথে কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই স্লোলি চলতে থাকা ট্রেনে লাফিয়ে উঠলেন।বন্ধুত্বের এমন গভীরতায় আমরা সবাই মুগ্ধ, যেমনটা মুগ্ধ হয়েছি গত পরশু ডালিম আর মিল্টনকে দেখে। ওরা বাচপান (ন্যাংটু কালের বন্ধু) কালের বন্ধু তারিককে বিদায় দিতে এসে মেডিকেলেই কাটিয়েছি রাত।।

মিষ্টি হতে সাবধান !!


মাননীয়,
এডমিন স্যার,
( বড় মিয়া )
সি.এস.এম কলোনী ,
সারা বিশ্ব !!

বিষয়:- মিষ্টি হতে সাবধান !!

জনাব, নিবেদন এই যে আমি সি.এস.এম কলোনীর এক অতি ক্ষুদ্র একজন সদস্য । আপনার কাজ থেকে ছুটি নিয়া বাড়ী যাইতেছি । আপনি আমাকে ছুটি দিয়েছেন ,এই কথা শুনিয়া কেউ একজন ফাল মারিয়া উঠে এবং আপনার কাছে মিষ্টি নিয়া দৌড়াইতেছে । আমি জানি আপনার শরীরটা এতো ভাল না , ডাক্তার আপনাকে মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছে । মিষ্টি নিয়ে নিরব ষড়যন্ত্র হতে পারে ।
অতএব, মহাদয় আপনার স্বাস্হ্য ও শরীরের দিকে তাকাইয়া উত্ত্ বিষয় নিয়ে বালিশের উপর মাথা পালাইয়া চিন্তা করার জন্যে অনুরোধ করতেছি ।

নিবেদন,
সেই আমি 
সি.এস.এম কলোণীর অতি ক্ষুদ্র সদস্য !!
সারা বিশ্ব !!!

Thursday, February 18, 2016

গাড়ি ভরা বেলী আর কাঁঠালচাঁপা

- Javed

সকালে অফিস যাবার তাড়া থাকে
তড়িঘড়ি বড় রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াই।
আমার অফিস পথে যায়
এমন কোন গাড়িতে উঠে পড়ি সটান।
সারাদিনের কর্মক্লান্তি শেষে
আবারো সেই বড় রাস্তা।
এবার আমাকে একটু সতর্ক হতে হয়,
কৌসুলি হতে হয় খুব।
চাতকের মত তাকিয়ে থাকতে হয়
সঠিক গাড়ির খোঁজে।

কালো মানিক-পেলে সম


কলোনীর-‘‘কালো মানিক-পেলে সম”-কলোনীর কিংবদ্বন্তী ফুটবলার-আনোয়ার ভাই আর নেই উনি গতকাল না ফেরার দেশে চলে গেছেন। 

জন্মিলে মরিতে হেইবে-ইহাই প্রকৃতির স্বভাবিক নিয়ম। কিন্ত অসমায়ে অস্বভাবিক মৃত্যুগুলিকে মেনে নিতে কষ্ট হয়।

ভাবতে অবাক লাগে কেমন করে কলোনী ছাড়ার-পনের বছর কেটেগেল। এখনও মনে হয় এইতো সেই দিন-আনোয়ার ভাই বড় মাঠে বল নিয়ে মাঠের এপাশ থেকে ওপাশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অনেক সৌখিন ফুটবলার ছিলেন তিনি। সংসারের কয়েক বোনের একমাত্র ভাই হিসাবে এত আদরে বেড়ে উঠার সৌভাগ্য আমাদের কলোনীর হয়ত হাতে গোনা কয়েকজনের ভাগ্যে জুটেছিল। কলোনীতে থাকাকালীন কোন দিন কোন দুঃখ তাকে স্পর্শ করেছে কি না আমার জানা নাই। 

Wednesday, February 17, 2016

বুকের বাম পাশে হাল্কা চিনচিনে ব্যাথা


বুকের বাম পাশে হাল্কা চিনচিনে ব্যাথা। অনেক পুরাতন বন্ধু, অনেক কথা। কিন্তু আজকে তার সাফল্যে আমার কেন এমন লাগছে? এটাই মানব চরিত্র, হুমায়ুন আহমেদ এর মতে “বায়বীয়” আর অনেকের মতে “জলীয়” চরিত্র। আমরা কেউই এর উর্ধে নই। অকপটে স্বীকার হয়ত করা কঠিন কিন্তু বাস্তবে আমরা সবাই বায়বীয় কিংবা জলীয় চরিত্র ধারন করি।

খুব ছোট বেলা থেকে আমরা কিছু চুরি হলে চোর খুঁজি, যখন আমি পুলিশ তখন তীর সবার দিকেই আমি ছুঁড়তে পারি! তাতে আমার হারানো জিনিস ফেরত না আসলেও আমার সম্পর্ক গুলো হারাতে থাকে। কোন অদ্ভুত কারনে বুকের সেই ব্যাথা তখন আর কাজ করে না। আমরা পারি না রুপের এই বদলকে নিয়ন্ত্রণ করতে।

Tuesday, February 16, 2016

কিছু কথা .....


মেডিকেল থেকে মেডিকেলে ৪ মাস...
কালকে মেডিকেলে বসবাসের হিসেবে তারিকের পুরোপুরি ৪ মাস হবে। সামান্য কিছুদিনের জন্য ১৯ তারিখ শুক্রবার তারিককে নাটোরে ওর বাড়ীতে পাঠানো হচ্ছে, কেন সেটা রেজা ভাই আগেই পোস্ট করে ডিটেইলস জানিয়েছে। তারিককে কয়েকমাস পর আবার টিটমেন্টের জন্য নিয়ে আসা হবে।।

এখন আল্লাহর কাছে আমাদের সবার কেবল একটাই চাওয়া আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে বিশেষ করে সিএসএম এর পাপ্পু ভাই আর তারিককে সুস্থ করে দেন। পাপ্পু ভাইও বেশ কিছু বছর অসহায়ত্ব বরণ করে জীবনের সাথে লড়াই করছেন। আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে সুস্থ রেখো। আমিন।।।

CSM কলোনি তে অনেকের বাসার সামনে মুরগির ঘর ছিল


CSM কলোনি তে অনেকের বাসার সামনে মুরগির ঘর ছিল। যেমন ছিল জুহি আর আমিরদের বাসার সামনে।জুহিরা থাকত দোতলায় আর আমির রা তিনতলায়। জুহিরা তিন বোন- মাহি,সুহি আর জুহি।আমির রা তিন ভাই- পামির, নামির আর আমির। ছোটবেলা থেকে একসাথে খেলত আমির জুহি।

আমিরদের মুরগি গুলা দেখাশোনা করত আমিরের মেজ ভাই নামির আর জুহিদের গুলো জুহির মেজ বোন সুহি।একদিন সন্ধ্যাবেলা জুহিদের লাল মুরগি টা পাওয়া যাচ্ছে না। সুহি বলল, নামির ভাই, দেখেন ত আমাদের লাল মুরগী টা আপনাদের খোয়াড়ে গেছে কিনা।নামির বলল, আমি একটা একটা করে মুরগি দেখছি।তোমাদের মুরগি নাই।এই টেনশনে সুহির সারারাত ঘুম হল না, মুরগি কই গেল।এত বড় কলোনি তে সে কোথায় খুজবে।

গ্র্যান্ড আড্ডা হিসাব বিবরণী


গ্র্যান্ড আড্ডা হিসাব বিবরণীঃ
----------------------------
সি এস এম গ্র্যান্ড আড্ডা ২৯শে জানুয়ারী ২০১৬ এর খরচের হিসাব বিবরণীঃ-
সি.এস.এম জরুরী আবাসিক কলোনীর ভাই বোনেরা আসসালামু-আলাইকুম,সবাইকে শুভেচ্ছা।আমরা সি এস এম জরুরী আবাসিক কলোনীর ভাই বোনেরা সকলে ২৯শে জানুয়ারী ২০১৬ সনে শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে একত্রিত হয়ে সকাল ৮:০০ ঘটিকা থেকে রাত ১০ঘটিকা পর্যন্ত প্রানের মেলায় একত্রিত হয়েছিলাম।সেখানে আমাদের বাবা-মা ভাইবোনেরা সবাই একত্রিত হয়েছিলাম।বহুদিনপর একে অপরের সাথে দেখা হওয়ায় এক অন্য রকমের পরিবেশ এর সৃষ্টি হয়েছে যা হয়তো ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা।এই ধরনের অনুষ্ঠানে অনেককিছু ভুল ভ্রান্তি হতে পারে।কিন্তু আমরা যখন দেখি ২০বছর পর আমার পরিবারের সাথে আমার পাশের বাসার খালাম্মা কাকার দেখা হয়েছে তখন আর এই সমস্ত ভুল ভ্রান্তি একেবারে নগন্য মনে হয়।তারপরও যদি কোন ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।বহুক্ষনধরে ঘ্যান ঘ্যান করলাম,এবার হিসেবটি দেওয়া যেতে পারে।
নিন্মে বিস্তারিত হিসেব দেওয়া হইলোঃ-
আয়ঃ
----
১)কুপন বাবদ------- ৩,৮১,৫০০/-
২)ডোনেশান বাবদ---৫,১৭,০০০/-
মোট আয়ঃ---------- ৮,৯৮,৫০০/-
--------------------------------------
ব্যায়ঃ
-----
১)আপ্যায়ন------------- ৩,৮০,০০০/-
২)সাংস্কৃতিক------------- ৬০,০০০/-
৩)অভ্যর্থনা------------ ৭০,০০০/-
৪)ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট----২,২৫,০০০/-
৫)খেলাধুলা-------------- ১০,০০০/-
৬)ভেন্যু------------------ ৪০,০০০/-
৭)ব্লাড গ্রুপিং------------ ৪,০০০/-
৮)মিলাদ---------------- ৮,৭০০/-
৯)বিবিধ--------------- ১৪,৩০০/-
মোট ব্যায়ঃ ------------৮,১২,০০০/-
---------------------------------------
মোট আয়-----৮,৯৮,৫০০ টাকা
মোট ব্যায়----৮,১২,০০০ টাকা 
---------------------------------
জমা আছে----৮৬,৫০০ টাকা

'পরিচিতি'


আড্ডার রেশ এখনও কাটেনি তাই আবারো লিখতে বসলাম।কলোনিতে আমরা সবাই একসাথে বেড়ে উঠেছি। কিন্তু সবাই সবাইকে চিনিনা আবার মুখ চেনা চিনি কিন্তু নাম জানিনা। এমন ও আছে একজন আরেক জনকে চিনতাম কিন্তু কখনও কথা হয়নি। এই CSM গ্রুপে এসে সবাই সবার এতটাই আপন হয়ে গেছে যে আগে যাদের সাথে ভয়ে বা লজ্জায় কখনও কথা হয়নি সবাই একটা মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গেছে। ছোট বড় সবার মধ্যে সম্পর্কটা আরো গভীর হয়েছে।

এবার আসল কথায় আসি আমি ভাবতাম গ্রুপের যখন আছি আমার প্রোফাইল পিকও যখন দেয়া আছে সবাই আমাকে চিনে। কিন্তু আড্ডায় গিয়ে আমার ধারণা ভুল প্রমানিত হলো। সবাইকে যতক্ষননা আমার পুরো নাম বলেছি কেউ চিনতে পারছিলনা। তবে সবাই বললে ভুল হবে এমন কয়েকজন আছে যাদের সাথে জীবনে কখনও কথা হয়নি হয়তো শুধু আত্মার টানে চিনতে পেরেছিল। গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথেই দেখা হলো Nazmul Huda আংকেলের সাথে। অনেক বছর পর দেখা। আমি সালাম দিলাম। আংকেল সুন্দর একটা হাসি দিয়ে বললো রনি কেমন আছ? যাও ভিতরে সবাই আছে। মনটাতো সবাইকে দেখার জন্য আগে থেকেই অস্থির হয়ে আছে। যত সামনে যাচ্ছি কলোনির সেই পরিচিত মুখ গুলো। ভীষণ ভালো লাগছিল। Anisur Rahman Reza আংকেলের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে সালাম দিয়ে বললাম আংকেল কেমন আছেন? আমাকে চিনতে পেরেছেন? আংকেল মাথায় হাত রেখে বললো আংকেল যখন ডাকছোছ তাহলে তুই আমাদের রনি। মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। Chand Sultana বুবুতো দেখা মাত্র রনি তোরে হিডা দেওন লাগবো এতো দেরি করি কিল্লাই আইসত বলে জরিয়ে ধরলো। এইনা হলে আমাদের বুবু। একেই বলে CSM এর টান আত্মার টান। Atiq Csm আংকেল কলোনিতে দেখেছি কিন্তু কখনও কথা হয়নি। সাহস করে ওনার কাছে গেলাম। সালাম দিলাম।