আজ এই ভাল মনের মানুষ গুলোর সাথে খানিকটা সময় পাড় করার সুযোগ হয়েছিল আমার।।আমি ফোন করার সাথে সাথে সবাই আমাকে দেখতে নিরু ভাইয়ের অফিসে ছূটে আসে।।কেউ তার অসুস্থ সন্তান কে ফেলে,কেউ কেউ বাসা থেকে নিজের পরিজন ছেড়ে,,কেউ কেউ সারাদিনের কর্ম ব্যস্ততার পর সরাসরি বাসায় না গিয়ে আমার সাথে এক পলক দেখা করতে বুকের সাথে বুকটা মেলাতে ছুটে আসে নিরু ভাইয়ের অফিসে।।নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে হয়েছে।।এই ভেবে যে,এমন একটা পরিবারে আমার জন্ম হয়েছে।।আমার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই প্রিয় মানুষ গুলোর সাথে।।
আমাদের এই গ্রুপ টা হচ্ছে আমাদের কলোনীর মিলন মেলা, প্রাণের স্পন্দন, আমাদের সুখ দু:খ, প্রেম ভালোবাসা, হাসি আনন্দ, মজার সব অভিজ্ঞতা একে অপরের সাথে শেয়ার করার মাধ্যম। তবে এসব শেয়ার করতে গিয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে, কোন নেগেটিভ বিষয়ে, বা কারও কোন দুর্বল বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যেন সরাসরি কারো নাম প্রকাশ না পায়, আমরা কারো নাম দিয়ে এমন কিছু প্রকাশ করবনা যাতে করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিব্রত হয়, আমাদের জুনিয়র সিনিয়র সকলের অনুভূতি ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা রাখব। অশ্লীল যেকোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকব।
Monday, March 21, 2016
নতুন এবং পুরাতনের যোগসুত্র
গত কয়েকদিন অাগে অামি "একটি দুপুরবেলা ও অামার স্বাধীনতা" শিরোনামে একটি পোস্ট করেছিলাম। অনেকেই পোস্টটির ইতিবাচক দিকগুলো উপলব্দি না করে নেতিবাচক দিকগুলো নিয়েই নাচানাচি করেছে। অাজ পুরো একটি সপ্তাহ যেতে না যেতেই অাবার সেই "মুখে বন্ধু ভাবাপন্ন অথচ অন্তরে বিষময় ইন্ডিয়া" এবার বাংলাদেশের ক্রিড়াঙ্গন নিয়ে icc কে ব্যবহার করে হিংসার বুনোজাল বিস্তার করলো। "হিংসা" শব্দটি ব্যবহার করলাম, কারণ ইন্ডিয়া চায় না তার প্রতিবেশী বাংলাদেশ ক্রীড়াক্ষেত্রে তাদের সমর্পযায়ের হোক বা এগিয়ে যাক। তাই icc কে ব্যবহার করে অামাদের দেশকে নিয়ে এই নীল নকশা। এটা হিংসার বর্হিঃ প্রকাশ নয় কি?
অারাফাত সানির ব্যপারটা না হয় কিছুটা ভিন্ন। তার বল করার ধরণ কিছুটা "সেমি চাকার" এর র্পযায়ে পড়ে। কিন্তু তাসকিন? ওর বল করার মধ্যে কোন প্রকার "চাকার"এর লক্ষণ পাওয়া যায় নি। শুধু বাউন্স ডেলিভারীতে গিয়ে তার হাত ৩০ ডিগ্রী এঙ্গেল হয়। তাও অাবার সংশোধনযোগ্য। এছাড়া বাকী সবদিক থেকে তার বল করার ধরনের কোন ক্রুটি খোজেঁ পাওয়া যায়নি। তারপরও কেন তাসকিন নিষিদ্ধ?
উফ আর পারিনা
উফ আর পারিনা
কি যে এক যন্ত্রণা
কোন সুখে যে তোকে
ধরে ছিলাম
এখন ছাড়তেও পারিনা
দুই কান ধরে বলি ভাই
তোর সাথে আমি আর নাই
ঈমানে বললাম
কাল থেকে, আমি
একা চললাম
দেখবো শালা, তোর ঘাড়ে
কয়টা মাথা
আমিও বাপের বেটা
দিলাম তোকে তালাক
এখনি তুই ভাগ
সারাফের মা শুনছো নাকি
আর দিবোনা কথার ফাকি
এই বার বলছি তোমার হাতে ধরে
সিগারেটের সাথে আড়ি দিলাম"জনম ভরে"।
ইংলিশ মিডিয়াম টিউশনি
সময়টা সম্ভবত ২০০০/২০০১।আমি ৩য়/৪র্থ সেমিস্টারে অধ্যায়ণরত।ইউনিভার্সিটির এক বন্ধু একটি টিউশনির খবর দিলো তবে লিটল জুয়েলস ইংলিশ মিডিয়ামের ক্লাস সিক্স এর ছাত্রী যাহা আমার জন্য প্রথম।যাইহোক টাকা দরকার তাই রাজী হয়ে গেলাম।আমাকে নিয়ে গেলো বহদ্দারহাটের পাশে বাদুরতলা ছাত্রীর বাসায়।কথা হলো ছাত্রীর মা’র সাথে,ছাত্রী খুব ফাঁকিবাজ,প্রয়োজন হলে মারবেন এইসব কথা বলার সাথে ছাত্রীর লাজুক হাসি।পরিচয় পর্ব শেষে পরেরদিন আসবো বলে বিদায় নিলাম।পরেরদিন গেলাম পড়াতে,প্রথম দিনেই আমাকে জিজ্ঞাসা “স্যার আপনি নাকি কম্পিউটারের উপর পড়াশোনা করেন”।প্রতিউত্তরে আমি মৃদু হেসে জবাব দিলাম “হ্যাঁ আমি কম্পিউটার মানে সিপিইউ এর উপর বসে পড়ালিখা করি”।ছাত্রীর কি হাসি...।এর পর দেখি কিছু লিখতে দিলে লিখার সময় গান গেয়ে গেয়ে লিখে,মানা করেও লাভ হলোনা।আমাকে বলে গান গেয়ে লিখলে সব পড়া মনে পড়ে...।
আরেকদিন গেলাম ছাত্রী আমাকে বলে স্যার হৃতিক রোশানের মত চুল কাটতে পারেন না!!(তখন “কাহো না পেয়ার হো” সিনেমা হিট করেছিলো)। আমিতো তাজ্জব মেয়ে কয় কি!!!আমি নিশ্চুপ চেপে গেলাম...।
আমার কখনওই কোন প্রাইভেটটিউটর ছিল না
আমার কখনওই কোন প্রাইভেটটিউটর ছিল না।আব্বা পড়াতেন। শুক্রবার আসা মানেই ছিল আব্বার কাছে পড়তে বসা,তাও আবার অংক আর ইংরেজি। ইংরেজিভীতি ছিল বেশি। সকালে বাজার থেকে ফিরে আমাকে নিয়ে বসতেন।জুম্মার সময় হলে ছুটি পেতাম। ক্লাস এইটে পুরা পড়া তিনি পড়িয়েছেন। অংক পরিক্ষার আগের রাতে মুখে মুখে পুরা বই রিভিশন করিয়েছেন। ফজরের আজানের সময় ডেকে তুলে বললেন নামাজ পড়ে জ্যামিতিটা রিভাইস করতে। করলাম। আবা এসে বসলেন, আবার রাতের মত পুরা বই রিভিশন করিয়ে পরিক্ষার হলে নিয়ে গেলেন। আমি ৯৫ পেয়েছিলাম। বৃত্তিও পেলাম ট্যালেন্টপুলে ফার্স্ট গ্রেডে। ssc এর সময় ত আরো বেশি। আমার সব বিষয়ের আলাদা খাতা ছিল।আলাদা মানে ভাবাই যায় না এমন।
যেমন ইংরেজি গ্রামারের প্রতিটা টপিকের জন্য আলাদা খাতা। মানে voice,narration, transformation, tense,preposition, article,translation, composition,letter,application,question answer. এটা একটা উদাহরন দিলাম।
Saturday, March 19, 2016
মাকড়সার একটা গল্প
মাকড়সার একটা গল্প --- এক মাকড়সার সখ খালি দাওয়াত খাওয়া এবং খেতে যায় দাওয়াত না পেলেও যায়। একদিন অনুষ্ঠান হচ্ছে but কোথায় হচ্ছে বুঝতে পারছে না। তাই সে মাঝায় রশি বেধে চার ছেলেকে চার দিকে পাঠিয়েছে যেদিকে অনুষ্ঠান সেদিকে যেন রশি টান দেয়। প্রথমে একজন রশি টান দিল ।এভাবে চার দিক থেকে চারজনই টান দিল। মাকড়সার পেট হয়ে গেল চিকন চারদিকের রশি টানাটানিতে।
এবার আমার কথা বলি --সামনে তিন দিনের বন্ধে চেয়েছিলাম রাজধানীতে যেতে। but ctg থেকে বিয়ের মৌ মৌ গন্ধ পেলাম। তাই ডিসিসন চেন্জ করে ফেল্লাম। ঠিক করলাম দাওয়াত পাই আর না পাই ctg তেই যাব।বিয়ে খেয়ে আছি।এটাই মনে হয় csm কলোনির আন্তরিকতা কি বলেন জসিম ভাই আর কমু ভাই? আমরা আমরাই তো।
বিঃদ্রঃ-- কমু ভাই অবশ্য একটু আগে ফোন করে দাওয়াত দিয়েছে আমাকে।যদিও আমি দাওয়াত না পেলেও যেতাম।
গল্পটা আমাদের
- গল্পের নায়কঃ ৯৯ ব্যাচের দামাল ছেলেরা
- গল্পের নায়িকাঃ ৯৯ ব্যাচের দুরন্তপনা মেয়েরা
- গল্পের সময়কালঃ ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬
- গল্পের স্থানঃ CSM School এবং সমগ্র CSM Colony
- গল্পের প্রেক্ষাপটঃ গ্রুপ প্রেম ( দশে মিলে করি প্রেম, হারি জিতি নাহি সেম [shame - লজ্জা] )
পর্বঃ ০১
সত্য ঘটনা অবলম্বনে। গল্পটা আমাদের ১৯৯৯ ব্যাচের কিছু দামাল ছেলে এবং কিছু দুরন্তপনা মেয়েদের নিয়ে রচিত। সবে মাত্র আমরা সবাই ক্লাস ফাইভ থেকে ক্লাস সিক্স এ উঠছি। তখনও ঠিকমত জানতাম না অথবা বুজতাম না আসলে প্রেম কি, ভাললাগা কি এবং ভালবাসা কি?
আমরা সবাই ছিলাম খুব দুরন্তপনা। সারাক্ষণ আমরা ছেলেরা মেয়েরা মারামারি করতাম টিফিন নিয়ে, বাড়ির কাজের খাতা নিয়ে আরো অনেক কিছু নিয়ে আর এই জন্য আমরা অনেকবার মার খেয়েছি স্যার আপাদের কাছ থেকে। এভাবেই কেটে যায় আমাদের বেবি ক্লাস থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত। যাইহোক ক্লাস সিক্স এ উঠার পর আমরা নিজেদের একটু বড় ভাবা শুরু করলাম। আমাদের স্কুল এ ক্লাস ফাইভ এর পর ছেলেরা মেয়েরা আলাদা ক্লাস রুমে ক্লাস করত এটাই নিয়ম ছিল। আলাদা হয়ে আমরা ছেলেরা প্রথম প্রথম অনেক খুশি হলাম কারণ এখন আর ওদের সাথে মারামারি হবে না আর আমরা স্যার আপাদের কাছ থেকে বকাও শুনবো না আবার মারও খাবো না, সুতরাং এখন আমরা অনেক শান্তিতে থাকব।
বেশ কিছুদিন শান্তিতে কাটল আমাদের কিন্তু কিছুদিন যাবার পর আর ভালো লাগে না আমাদের। আমরা সবাই ওদের সবাইকে খুব মিস করতে থাকি, ওরাও আমাদের ......। এভাবে তো চলতে পারে না, একটা কিছু তো করতেই হবে। তাই সবাই মিলে প্লান করলাম প্রেম করতে হবে। সবাই প্রেম করবো একসাথে, শুধুমাত্র নিজ ব্যাচ এর মেয়েদের সাথে। যেই কথা সেই কাজ। শুরু করলাম কল্লোলকে দিয়ে। কল্লোলও রাজি হয়ে গেল। আমরা কল্লোলের প্রেমিকা ঠিক করে আমাদের ব্যাচ এর মেয়েদের জানিয়ে দিলাম কল্লোলের প্রেমিকার নাম (কম)।
বই পড়া তখন আর এখন
আতিক ভাই সেদিন সবাইকে বই পড়ার জন্য আহবান জানিয়েছিলেন। বেশ ভাল কথা।ছোটবেলায় আমরা সবাই আমরা পাঠ্যবই এর বাইরে রুপকথার গল্প পড়তাম।বড় হয়ে উপন্যাস কিংবা গল্পের বই।সেগুলোর কোনটার কাহিনি বা চরিত্র আমাদের মনে ডাক কেটেছিল।নিজের সাথে কোন চরিত্রের মিল খুজে পেত কেউ। বিষয় টা নিয়ে আড্ডা হতে পারে।
থাক সে কথা।ছোটবেলায় আমাকে গল্পের বই কিনে দেয়া হত।সেটা পরীক্ষা শেষ হবার পর ডিসেম্বর মাসে। বছরের অন্য সময় দেয়া হত না কারন পড়ালেখার ক্ষতি হতে পারে।কিন্তু আমি নানাভাবে বই ম্যানেজ করতাম।একবার স্নিগ্ধা আপার কাছ থেকে রাক্ষসের মায়াপুরী নামে একটা বই এনে আর ফেরত দেয়া হয়নি।বাবার কিনে দেয়া বইয়ের মধ্যে ছিল,"ঠাকুর মার ঝুলি, ছোটদের আরব্য রজনী " ইত্যাদি।কখনো বেবি আপাদের বাসা থেকে গিয়ে উনাদের দ্রুত পঠন কিংবা
গতকাল প্রায় ১৫/১৬ বছর পর ফুটবল খেলতে নেমেছিলাম বীচে
গতকাল প্রায় ১৫/১৬ বছর পর ফুটবল খেলতে নেমেছিলাম বীচে, দৌড়াদৌড়ি কম করা লাগে তাই গোল কিপার পজিশনে খেলেছি, সেই আগের কার দিনের মত ডাইভ দিয়ে দুয়েক টি গোলও সেভ করেছি, আশপাশ থেকে হাততালিও বোধ হয় এসেছে।
সি টাইপ মাঠ, বিকেলে ফুটবল খেলছি, আমি গোল কিপার, খেলার শুরুতেই দুটো গোল খেয়ে গেলাম বাজে ভাবে, হঠাৎ মাঠের পাশে রাস্তা থেকে এলোকেশী খিলখিল হাসি, আর আমার পারফরমেন্স ও বেড়ে দর্শনীয় ভংগীমায় ডাইভ দিয়া কয়েকটি গোল সেভ করলাম আর কোন গোল খেলাম না।
মোরাল অফ দি স্টোরি ; কাল বীচে অনেক সুন্দরী ললনা ছিলো।
ডাব ও বাপের বাড়ী
Anisur Rahman Reza ভাইএর বাপের বাড়ী লেখা পরে, আমার বাপের বাড়ী যাওয়ার একটা চিরস্বরনীয় ঘটনা শেয়ার করতে ইচ্ছা হল।
বিয়ের ৩য় দিন সংসার শুরু করতে ঢাকা এলাম। এক সপ্তাহ না যেতেই খুলনা যাওয়ার জন্য মন এত অস্থির হয়ে গেল যে আজকে রওনা না দিলে মরেই যাব। তো স্বামী বেচারা খবর নিয়ে জানল যে আমাদের এক আত্বীয় শামীম ভাই ও যাচ্ছে। তার কাছে টিকেট কাটার দায়ীত্ব দিল।
বিধিবাম, ভাই টিকেট কিনল নন এসি বাসের একদম লাস্ট সিট। সারা পথ উত্থান পতন অনুভব করলাম। কত প্রবাদ মনে পড়ল- জীবন কুসুম আস্তিরন নয়। কখনো কবি নজরুলের " দুর্গম গিরি কান্তার মরু...."
অবশেষ, ঘাটে নাম্লাম।
Friday, March 18, 2016
আমাদের নাজমুল ভাই
আমি ছোট থাকতে মনে করতাম হাউজিং কলোনীর লিডারশীপ মনে হয় ওনার কাছে,কারণ বড় মাঠে যখন এই কলোনীর সাথে ফুটবল খেলতে আসত,তখন ওনারা আমাদের ১২ নাম্বার বিল্ডিং এর মাঠের কোনায় সব একএিত হত।সেখানে দেখতাম ওনার সরব উপস্হিতি,সবাই কে পরামর্শ দিচ্ছে, উপদেশ দিচ্ছে।
তখন ওনাকে ওভাবেই চিনতাম। পরে এ কলোনীতে আসার পর সবসময় জসিম ভাই,নিরু ভাইদের সাথে দেখেছি।তখন আস্তে আস্তে দেখলাম আসলেই সবাই কে আপন করে নেওয়ার মত একজন মানুষ।
আমাদের আড্ডাতে তার সাথে মিশেছি, এবং দেখিছি আসলেই বড় ভাই,ছোট- ভাই সকলকে নিয়ে তার আড্ডা সফল করার জন্য, পরিশ্রম।আড্ডাতে সবাই কম বেশী পরিশ্রম করেছে,এখানে কেউ নিজেকে ছোট করে ভাববেন না।
তাজদার
আমার মেয়েটা আজ বললো, আব্বু তোমার ছেলেটা বেশী দুষ্ট হইছে, আমাকে শুধু মারে। আমার মা ও তার কথায় সাই দিলো। কি আর করি সিদ্ধান্ত নিলাম বিচার করতে হবে, আব্বাও সেই দিন বললো ও নাকি আব্বা ঘুমালে ওনার শরীরের উপর লাফিয়ে পড়ে। কোন বারন সে তোয়াক্কায় করে না। আম্মা বলে ছেলে নাম রেখেছিস তাজদার মানে তাজ ধারী অর্থাৎ রাজা। তাই সে কারো কথা শুনে না, তার যা ইচ্ছা হয় তাই করে।
কিন্তু আজকে আর ছাড়বো না বিচার হবে তার। ডাক দিলাম, তাজদার এই তাজদার, তাড়াতাড়ী আস।
তাজদার- জ্বি আব্বা কি ইইছেএ.. কেন ডাকছো বলো..
আমি- তুমি আব্বু সরাক্ষন কেন মারামরি করো
তাজদার- আমার ভালো লাগে
আমি- এটা কেমন কথা, তোমার ভালো লাগে
তাজদার- হু আমার ভালো লাগে। হুওওওম আমার মনে হয় আমার এখানে (বুকটা দেখিয়ে) জ্বীন ডুকছে, ঐ ভূত আছেনা ভূত ওটাও ডুকছে, এইজন্য আমি এরুম করি।
বাবার জন্য শ্রধাঞ্জলি
প্রথমেই টলির প্রতি কৃতজ্ঞতা;আমার বাবাকে নিয়ে চমৎকার একটা স্মৃতি চারনের জন্য।
সেই সাথে প্রয়াত পিতার প্রতি শ্রধ্যা জানিয়ে তাকে নিয়ে নিজের কিছু স্মৃতিগাথা :
১. তখন আমি থ্রিতে পড়ি । বাবা-ই আমার পড়াশুনার তদারকি করেন। একদিন " আমার পোষা পাখী " বিষয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে একটা রচনা লিখতে বললেন। আমি খুশি মনে যথাসময়ে তা লিখে জমা দিলাম। বাবা পুরাটা পড়ে আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।
কিছুখখন এভাবে থেকে যখন মুখোমুখি হলাম তখন দেখি বাবার চোখ ছলছল। শুধু বললেন " খুব সুন্দর হয়েছে তবে 'পাখী' বানানটা একজায়গায় ভুল হয়েছে। ওটা ভুল করা ঠিক হয়নি "
২. ১৯৭৭ সালে স্টীল মিলে HSC / BSc পাশ কিছু জুনিয়র / সিনিয়র অপারেটর নিয়োগ হবে। বন্ধু বান্ধব সবাই দরখাস্ত করলো। আমিও করতে চাইলাম কিন্ত বাবা বাধ সাধলেন।
সাত ভাই-বোনের টানাটানির সংসার, আমি চাকরি করলে সংসারে কিছুটা হলেও সাছছন্দ আসবে -যুক্তি দেখালাম।মাকে দিয়ে সুপারিশ করালাম। তিনি কিছুতেই রাজী হলেন না। শুধু মাকে বললেন -
" আল্লাহ চায়তো ও অপারেটর না, ইঞ্জিনিয়ার হবে। "
ছোট বেলায় সকালে হোটেল থেকে মাঝে মাঝে রুটি বা পরোটা আনতে যেতাম
ছোট বেলায় সকালে হোটেল থেকে মাঝে মাঝে রুটি বা পরোটা আনতে যেতাম।।অবশ্যই ষ্টীল মিল বাজারে।।তো সব সময়ই একটা বেশি নিতাম।।কাউন্টারে পাঁচটার টাকা দিলে ছয়টা নিতাম।।কোন সময়ই ধরা পরতাম না।।
কিন্তু আজ ঘটলো ভিন্ন ঘটনা।।কর্মস্থলের এড়িয়ার একটি হোটেলে নাস্তা করতে ঢুকলাম হঠাৎ সোরগোল শুনতে পেলাম।।এখন দোকানের মালিক আমাকে চিনে বলে একটি আট-দশ বছরের ছেলেকে আমার সামনে হাজির করালো এবং বললো এর বিচার করুন।।প্রশ্ন করলাম কি হয়েছে??বললো হারামি দুই পরোটার টাকা দিয়ে তিন পরোটা নিছে।।সাথে সাথে খাবার আমার বন্ধ হয়ে গেল।।ফিরে গেলাম অতীতে।।হায়রে কপাল,,শেষ পর্যন্ত এখানে ধরা পরলি।।তাও আবার আমার কাছে!!চিন্তায় পড়ে গেলাম।।কি করা যায়।।হাজার হোক আমার অনুসারী।।উপকারতো করতেই হয়।।
বললাম থাক বাদ দেন।ছোট মানুষ।।বলে বিদায় করে দিলাম আর মনে মনে ভাবলাম আল্লাহ্ কি বাঁচান বাঁচাইলা।।
এ জন্যই বোধ আমার বাহিনীর একটা প্রবাদ প্রায়ই বলতে শুনি যে,,একশ একটা পাপ করলে নাকি এই চাকরি মানুষের কপালে থাকে।।
গতবার যখন কক্সবাজার গেলাম
গতবার যখন কক্সবাজার গেলাম আব্বা ফোন দিলেন একেবারে ওখান থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দেবার আগে। লাক্ষা মাছের শুটকি নিতে বলেছিলেন। আমি শুটকির দোকানে ফোন দিলাম। জানতে চাইলাম কত করে কেজি। ওরা বললো 2000 থেকে শুরু। সবচেয়ে ভালটা ৫০০০/৬০০০ টাকা। যেহেতু ফেরার সময়, এত টাকা ছিলনা। তাই সেবার কিনি নাই। এবার গিয়ে প্রথমেই ওটা কিনে এনে পাঠালাম। আব্বা খেয়েছেন। যদিও খুব অল্প খেয়েছেন। তবুও শান্তি আব্বার ইচ্ছাটা পুরন করতে পেরেছি। আব্বা নিজের সামর্থের মাঝে আমাদের সব ইচ্ছা পুরন করেছেন। আম্মা সেকি রাগ আব্বার ওপর কেন এত দামি শুঁটকি আনতে বলেছেন। আম্মাকে বললাম থাকনা আম্মা,কত টাকা খরচ করি,এটা এমন কি। নিজে মুখ ফুটে কিছু বলতেন না। একবার ভুটান গেলাম,আব্বা সেই আরেকবার বললেন ওখান থেকে জেলি আনিনি কেন। বললাম আব্বা ব্যাগ ভারি হয়ে যায় আর এটা ঢাকাতেই পাওয়া যায়। DRUK এর জেলি।
পরোটা ( স্টার এর নয়)
একদিন খুব সকালবেলা চিনি শেষ বাসায়।সবাই ঘুম।আমি আর আম্মা উঠছি।আম্মা আমাকে বাজারে পাঠাতে চাইলেন না।বললেন পাশের বাসার রুবি আপাদের বাসা থেকে এক কাপ চিনি নিয়ে আসতে।আমি গেলাম।দেখি উনারা পরোটা বানাচ্ছেন।আমরা যেরকম করে বানাই, সেভাবে না,একটু অন্যরকম ভাবে।আমি বিস্ময় প্রকাশ করলাম।কারন পরোটা গুলো খুব সুন্দর হচ্ছিল দেখতে।খালাম্মা আমাকে জোর করলেন একটা পরোটা নিতে।অনেক বড় পরোটা। আমি আম্মা বকা দিবেন বলে নিলাম না।চলে আসলাম।
আমাদের বাসায় পরোটা বানাত কিন্তু চারকোণা। মাঝে মাঝে মুন বেকারস এর থেকে পরোটা আনা হত।সেদিন রাতে বেবি আপা আমাকে সকালে উনাদের বাসায় দাওয়াত দিলেন।আমি সকালে নাস্তা খেতে উনাদের বাসায় গেলাম।কেউ জানেনা।চুপি চুপি।
নীল আকাশের নিচে
নীল আকাশের নিচে
এই পৃথিবী
পৃথিবীর উপরে
ঐ নীল আকাশ
তুমি দেখেছো কি
শোনো, মনে হচ্ছে তুমি বাবা হবে, আর আমি মা। ডাক্তার এসে ছিলো, তাই বলে গেলো। মনটা খুশীতে ভরে গেলো। ছুটলাম, বাড়ীর দিকে। বাবা/মা খুব খুশী। দুই দিন বাড়ীতে থেকে, ঢাকায় চলে আসলাম।
ঢাকায়, সাথে করে নিয়ে আসতে চেয়েছিলাম, ডাক্তার নিষেধ করলো, অন্তত তিন মাসের আগে, জার্নি না করতে। মনটা খারাপ করেই চলে আসলাম। বাড়িতে আমরা সবাই আছি, ভয় পাওয়ার কিছু নাই, দাদা ভরসা দিলো। ভালোই যাচ্ছিলো দিন, প্রতি দিন, কতো কথা, দুই জনের মাঝে, কি করবো/না করবো!!! কি চাই, ছেলে না মেয়ে?? আল্লাহ পাক, একটা দিলেই হলো, তাতেই আমি খুশী।
আমাদের গল্প
আমি লিটন , তখন ক্লাস এইট শেষ করে নাইনে উঠলাম। নাইনের বাতাস লাগতেই কেমন জানি নিজেকে সুপারম্যান ভাবতে শুরু করি। পুরা জগতটাই যেন আমার হাতের মুঠোয়। আমি সব কিছু কন্ট্রোল করতে পারি ,সাজু আমাকে সিগারেট ধরাতে শেখালো। উফ কি টান রে মামা। ঐ টিংকা দিবি নাকি এক টান, ফুটবলে মেসি চলে না আসলে আমার নাম টা নিয়েই পুরা ষ্টীল মিলে সবার মুখে মুখে ঘুরে বেড়াতো।
মেসি কি আমাদের ষ্টিলমিলে আসছিল নাকি রে লিটন বলে অট্টহাসি দিয়ে ফেটে পরলো আবু।
যাই হোক সব কিছুই আমার দখলে ছিল শুধু কবীর স্যারের ইংলিশ ক্লাসের সময় মনে হলো আমার সুপার পাওয়ার টা কেউ হাইজ্যাক করে নিয়ে গিয়েছে, ট্রান্সলেশনের সময় কেন জানি মুখ টা খুলতেই চায়না। যথারীতি স্যার এর মাইর জুটলো। স্যার এর শরীরের পুরা শক্তি দিয়ে আমাদের উত্তম মধ্যম দেয়া হলো। উফ আজকে স্যার কি খেয়ে ক্লাস নিতে আসছে রে সাজু, মাইড় একটাও মাটিতে পরে নাই সব গুলি আমার উপর দিয়ে গেছে, বেঞ্চে বসতেও পারছিনা।
বিকালে স্কুল ছুটি হলো। তার আগে পুরান অভ্যাস টিফিন পিরিয়ডের পর ক্লাস পালালাম। অনেক্ষন লেকের উপর বসে ছিলাম, মাইড়ের ব্যাথা তখনো ফিল করছি একটু বৃষ্টি হচ্ছে তবুও বাসায় যেতে ইচ্ছে করছে না। বৃষ্টির পরিমান বেড়ে যাওয়ায় তে বাসায় ফিরতে বাধ্য হলাম।
Thursday, March 17, 2016
বাপের বাড়ী যাওয়াটা মেয়েদের জন্য খুব আবেগ আর আনন্দের ব্যাপার
বাপের বাড়ী যাওয়াটা মেয়েদের জন্য খুব আবেগ আর আনন্দের ব্যাপার। হোক না সেটা টিনের বা দালানের বাড়ী। বিশাল একটা অধিকার নিয়ে তারা বাপের বাড়ী যায়। আশে পাশে সবাই জানে, ভাবী আজ বাপের বাড়ি যাচ্ছে। জানেন ভাবী, আমি বাড়ীর কাছা/কাছি গিয়েই দেখবো, বাবা হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে!!! কিরে এত দেরী করলি কেন?? রাস্তায় সমস্যা হয়েছিলো?? বাবা আমার!!!! এমন ভাবে বলে, কান্না চলে আসে। রনি, বাড়ী আসবে সুনলেই বাবা অস্থির হয়ে পড়ে। বাবুর বউকে বলবে, সুনিল কে খবর দাও, সকালে যেন, ছোট মাছ দিয়ে যায়। রনি ছোট মাছ খুব ভালোবাসে। বাড়ী যাওয়ার ব্যাপারে, রনি "থোরাই কেয়ার" করে, জামাই কে। জামাই যদি বলে, আমি ব্যাস্ত, তোমাকে তো যেতে কে বলেছে?? তোমার ইচ্ছা হলে যাবা, ইচ্ছা না হলে যাবানা। এক গ্লাস পানি খাওয়ার মত, সমাধান দিয়ে দিলো!!! "বাপের বাড়ীর" মেয়ে বলে কথা!!! মেয়েরা এমনিই হয়। প্রচন্ড ভালোবাসে বাপের বাড়ী।
আর আমার বউতো, যমুনা ব্রিজ পার হলেই, আমাকে আর চিনেনা!!!! এমনেই হিসাব করে কথা বলি, শশুর বাড়ি কাছা/কাছি আসলেই, হুজুর/হুজুর সুরু করে দেই!!!! একি গল্প প্রতিবার সুনতে হয়!!! বাবা কি ভাবে আদর করতো!!! কলেজে কত মজা করেছে!!! চাঁদ রাতে, দল বেধে, কি ভাবে, হৈ চৈ করতো!!! চুরি করে, ছিনেমা দেখতে যাওয়া!!!! আমি প্রতিবারি আগ্রহ নিয়ে সুনি, যেন এই প্রথম সুনলাম!!!
গল্পটা মনে রাখার,ভুলে যাবার কিংবা নতুন করে শুরু করার
ধরা যাক,ছেলেটা র নাম তন্ময়।একটা কলোনি র কোন বিল্ডিং এ তারা থাকত।অনেকগুলো ভাইবোনদের মধ্যে সে একটু আলাদা।চোখে পড়ে।স্কুলের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এ সতস্ফুরত অংশগ্রহণ ছিল।তন্ময় দের কয়েক বিল্ডিং পরেই ঝিলমিলদের বাসা।তন্ময় এর ক্লাসে পড়ে।সুন্দরী। পড়াশোনায় ভাল।চোখে পড়ার মত।তন্ময় এর বাসার পাশের রাস্তায় দাঁড়ালে ঝিলমিলদের বারান্দা দেখা যায়।কিংবা পুকুরপাড় এ দাঁড়ালেও।বিকেল বেলা ঝিলমিল বারান্দায় আসলে তন্ময় এর দৃষ্টি আর কোনদিকে সরতে চায়না।আর সব সুন্দরী মেয়েরা বোধহয় চায় জগতের সব পুরুষ মানুষের দৃষ্টি তাদের দিকে ফেরাতে।
একদিন স্কুল থেকে পিকনিকে যাবে তন্ময় দের ক্লাসের সবাই।ঝিলমিল ও যাবে।বান্দরবন এ।পিকনিকের দিন সবাই আসে কিন্তু তন্ময় যেন কাকে খুজতে থাকে।অবশেষে ঝিলমিল আসে।গাড়ি ছাড়ে।বান্দরবন এর সুন্দর সবুজ পরিবেশে তন্ময় যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারেনা।ঝিলমিলকে মনের কথা জানিয়ে দেয়।মেয়েটি সরাসরি কিছু না বললেও মিষ্টি হেসে ইতিবাচক কিছুর ইংগিত দেয়।
Change to positive direction………..
This is the Chittagong Steel Mill High School from where I passed the SSC Exam. There are two other buildings remain unchanged: One is the Administrative building the other one is the colony Mosque since CSM is handed over to BEPZA to establish EPZ. It was my first visit to CEPZ & KEPZ as Member (Engineering) since I joined BEPZA.
It was very much nostalgic and austronishing experience for me to see the change of Steel Mill area where I passed my childhood and part of my young age. All the old buildings. Mills and work shop have been auctioned and the whole area converted to industrial plots. The plots have been leased to the investors. Foreign , JV and local investors made the whole area into an Industrial Park. About fifty thousand work force has been employed so far in Karnofully EPZ (about 2 lacs in CEPZ).
GOOD BYE I-Phone.......
হয়তো তোমার অনেক কিছুই আছে, তবু নেই দাম তার কোনই আমার কাছে,
আমার পথ তোমার পথের সাথে.........।। মিল্বেনা যেন কিছুতেই...।।
মিলবে না যেন, কিছুতেই.........
GOOD BYE I-Phone.......
অনেক চেষ্টা করছি, পারি না, হালার I-Phone বাংলা টাইপ allow ই করে না!!!!!
আমার CSM এর ভাইদের সাথে আড্ডা দিয়ে serious প্রব্লেম হইত,
এখন আমি সেই প্রব্লেম থেকে মুক্ত, হাটে, মাঠে, ঘাটে জেখানেই মন চায়, কমেন্তস করতে পারি,থাকতে পারি অনেক কইজ্জা, jঝগড়ায়, যদি পোলার দখলে মোবাইল টা না যায়...
lap top বা desktop এর জন্য wait করতে হয়না।
Tks and welcome OPPO-F1 to CSM family with me,
Wednesday, March 16, 2016
দুই রুমের বাসা
দুই রুমের বাসা। তিলপা পাড়ায়। একটা খাট, ছোট একসেট সোফা, আর একটি আলমারি। সংসার সুরু।
দারুন খুশী, আজকের সারাফের মা। রাত যেগে গল্প করতাম। সারাদিন কাজে থাকতাম। সন্ধার পর, বাসাবো ক্লাবে আড্ডা। আর রাতে, চুপচাপ বউ এর, নানারকম কথা সুনতাম। আমি যখন ক্লাস সিক্সে পড়ি, তখন বাবা মারা যায়। বাবার সাইকেলে চরে প্রতিদিন স্কুলে যেতাম। অনেক ভালোবাসতো বাবা আমাকে, সবার ছোট ছিলামতো, তাই।
প্রেম/ট্রেম, আসেনাই জিবনে?? নাকি আমার আসায় বসেছিলে!! প্রেম ঠিক না, তবে---, নড়ে/চড়ে বসলাম, তবে কি?? তবে কিছু না। আরে বলে ফেলো, নো প্রবলেম। এই দেখো আমি, ভালোবাসতে/বাসতে, জিবনটা ফানা/ফানা করে ফেলছি!!!!
এই ভাবেই যেতো, নানারংগের দিনগুলি।
স্নানঘর
আমাদের বাসা টা মানে স্টিল মিলস কলোনি টা যদিও ছিল অনেক দূরে শহর থেকে,তবুও মেহমানের কমতি ছিল না।আজ নানি,কাল ফুফাত বোন, পরশুদিন মামাত ভাই সবসময় মেহমান লেগেই থাকত।কিন্তু বাথরুম ছিল একটা। তাই মেহমানরা আসলে ঝামেলা হত।
তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি।বাসায় মেহমান এসেছে অনেক।স্কুলে যাব। গোসল করতে হবে কিন্তু বাথরুম খালি নাই।কি করি! আগেই বলেছি বিল্ডিং এ সবার ঘরে যেকোন প্রয়োজনে চলে যাওয়া যেত।আম্মা বললেন,রিপা আপাদের বাসায় যেতে।আমিও আম্মার কথামত ছুটলাম উনাদের বাসায়।কারন খালাম্মা মানে রিমন ভাইয়ের আম্মা সবসময় গুছানো থাকতেন,ঘরদোর পরিস্কার রাখতেন।তাই বাথরুম টা ছিল দারুন পরিচ্ছন্ন।
খালাম্মা কে বাথরুম এর কথা বলতেই উনি নিঃসংকোচ এ যেতে বললেন।গোসল শেষ হবার পরে পিছনে ফিরতেই দেখি বাথরুম এর দুই দরজায় দুইজন বিদেশিনী মডেলের ছবি লাগানো। মেয়েগুলো এমন ভাবে তাকিয়ে আছে যেন এতক্ষণ ধরে আমাকেই দেখছিল।মনে কি আসল জানিনা,দৌড়ে তাড়াতাড়ি বাথরুম থেকে বেরিয়ে বাসায় চলে আসলাম
csm স্কুলে ক্লাস 4 এ পড়ি ১৯৯৯
csm স্কুলে ক্লাস 4 এ পড়ি ১৯৯৯
মানে এখানকার সিনিয়ার ভাই বেরাদারদের তুলনায় দুধভাত tongue emoticon
মূলকথায় অাসা যাক,স্কুলে নাজিমুদ্দিন স্যার ছিলেন ইংলিশ পড়াতেন। বেশ ভাল বেত চালাতেন!
হুম্মম ঠিক ধরছেন আমাদের গায়ের
উপর smile emoticon
যথারীতি বাসায় এসে অাব্বারে বিচার দিলাম "অাব্বা নাজিমুদ্দিন স্যার বেশি মারে "
আব্বা বলল পড়া না শিখলে তো মারবেই.....
পরের দিন অামার বড় ভাই ও আব্বাকে বলল নাজিমুদ্দিন স্যার ওরে ও কিলান দিছে। তাই অাব্বা অামাকে আর আমার ভাইকে একটা দোয়া শিখাই দিলেন(ফাবি আ...লা... ই রাব্বি কুমা তুকাজ্জিবান) অার বললেন স্যারের সামনে এটা মনে মনে পড়তে...
কলেজ যাওয়ার আগেই কলেজ বাসে যাওয়া আসা করতাম
কলেজ যাওয়ার আগেই কলেজ বাসে যাওয়া আসা করতাম, একসময় কলেজে ভত্তি হলাম,কলেজে ভত্তি হওয়াতে মনের মধ্যে অন্য রকম ভাব কাজ করতো, কলেজ বাসে যাওয়ার সময় একটা নিয়ম ছিল বড় ভাইরা সামনে বসতো আর মেয়েরা মাঝে বসতো আর যারা নতুন তারা একদম পিছনে,আসার সময় আবার এই নিয়ম ছিল না, আমরা এমনে পিছনে বসার মধ্যে মজা পেতাম কারণ পিছনে বসলে সামনে কি হচেছ না হচেছ সব জানতে পারতাম,কলেজ বাসের দরজা ছিল দুইটা,কলেজে যাওয়ার সময় সবাই মোটামটি মাঞ্জা মেরে যেত, শত হলে নিজেকে জাহির করে যেতে হতোনা,বাসের মধ্যে মরা রাশেদ উঠলে তো কথাই নেই গান চলতো আর পিছনে চিল্লাচিল্লি প্রতিদিন চলতো,আমি বেশির ভাগ সময় ভিতরে না বসে পিছনের দরজায় দাড়িয়ে থাকতাম,পিছনের দরজায় দাড়ানো জন্য আমার সাথে অনেক কে ফাইট করা লাগতো,হেলপার এর পাটও নিতাম,কলেজ বাস ছাড়তো মেডিকেলের পিছন থেকে মেডিকেলের পাশে মোটা মোটা লোহার থাম দিয়ে গেইট ছিল,বাস ঐ গেইট দিয়ে মোড় ঘুরে বের হতো,তো একদিন আমি ভালো মতো মাঞ্জা মারতে মারতে দেরি হয়ে গেলো দৌড়ে কোনমতে পিছনের দরজায় উঠলাম বাসও মোড় ঘুরতেছে আমার হাত যে বাহিরে সে দিকে খেয়াল নেই হঠাৎ চোখে সষে ফুল কি থেকে কি হয়ে গেলো আমি চিৎকার করে উঠলাম,আমার বাম হাত নাড়াইতে পারছিনা সাথে সাথে আমাকে ধরে পাশে হাসপাতালে নিয়ে গেলো পুরো বাম হাত অবশ এই হাত যে আমাকে বহুত দিন ভোগাইছে
Anisur Rahman Reza ভাই উনার প্রায় কমেন্টস এ আমাকে কপাইল্যা বলেন
Anisur Rahman Reza ভাই উনার প্রায় কমেন্টস এ আমাকে কপাইল্যা বলেন। আমি ধর্ম কর্ম তেমন পালন না করলেও এই কপালের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে সব সময় কৃতজ্ঞ থাকি।
১৯৯৯ সালে যখন স্টিল মিল বন্ধ হচ্ছে হচ্ছে অবস্থা ঠিক সেই সময় আমার ঢাকায় বসুন্ধরাগ্রুপ এ চাকুরী হয়। ওই মূহুর্তে এ চাকুরী সৃষ্টি কর্তার কত বড় দয়া তা ভাষায় প্রকাশের মমত নয়।এর পর ৭/৮ বছর মোটামুটি চলছিল, পুরো পরিবার চিটাগাং , আমি ঢাকায় থাকি, সবাইকে ঢাকা নিয়ে আসলাম, ফুটফুটে এক পুত্র সন্তানের বাবা হলাম তার কিছুদিন পরে বিনা মেঘে বজ্রপাত, অফিসের নোংরা রাজনীতির শিকার হয়ে এক দিনের নোটিশে চাকুরী নেই, সর্ষে ফুলের চেয়ে হলুদ কোন ফুল থাকলে বোধ হয় সে ফুলই দেখছিলাম। ঢাকা শহরে চলার মত মাস দুয়েকের টাকা জমা আছে,এর পর কি হবে সে চিন্তায় অস্থির, কিন্তু সৃষ্টি কর্তা আবারো আমার প্রতি অসীম দয়া দেখালেন,দেড় মাসের মাথায় আবার চাকুরী তে পুনর্বহাল এবং আমাকে হয়রানির করার ক্ষতিপূরণবাবদ দুই লাখ টাকা প্রদান, সৃষ্টিকর্তা যা করেন বোধ হয় ভালোর জন্য করেন।
অপুর হয়ে গতকাল পুলক একটি পোস্ট করেছে
অপুর হয়ে গতকাল পুলক একটি পোস্ট করেছে।রক্ত দরকার সেখানে আমাদের লিটন ৯৪ ব্যাচ, আমি ফোন করেছিলাম লিটনকে, সে বলল আসলাম রক্ত পাওয়া গেছে, আমি তাকে অপুর সাথে যোগাযোগ করতে বললাম।আমি অপুকে ফোন করে বুজতে পারলাম অপু খুব ব্যাস্ত রোগী নিয়ে,আমি লিটন এর কথা বলাতে অপু আমাকে লিটনের নাম্বার এসএমএস করে দিতে বলে।পরে পুলক বলল ৭ টার দিকে রক্ত দেওয়া হবে।
লিটন আমকে একদিন বলেছিল আসলাম রক্ত লাগলে আমাকে জানাইস,আমার মায়ের রক্তের দরকার হলে আমি লিটনকে বলেছিলাম,সে চেষ্টা করেছে লিটন বন্ধু তোকে অনেক ধন্যবাদ।
এই পোস্ট টা লেখার কারণ আমরা যদি সিএসএম বাসী সুখে- দুঃখে একসাথে থাকি,তাহলে আমরা যে কোন কাজে সফলতা অর্জন করতে পারবো।ইনশাআল্লাহ।
একটি দুপুরবেলা ও অামার স্বাধীনতা :
দুপুরের খাওয়া শেষ করে অামার ছোট ভাই অানোয়ার এর প্রিয় "GREEN TEA" পরখ করে দেখব ভেবে এক কাপ হাতে নিলাম, ধীর গতিতে টিভি রুমে ঢুকলাম, চায়ের কাপে চুমুক দিতেই FEEL করলাম কেন অামার ছোট ভাই এই GREEN TEA এত পছন্দ করে!!!
নিজের অজান্তেই কখন যে টিভি রিমোর্ট হাতে নিলাম টেরই পেলাম না, হইতো চা এর স্বাদই এর জন্য দায়ী,,,,,যাক সে কথা, POWER BUTTON চাপ দিতেই সেই অতি পরিচিত ভারতীয় চ্যানেল চোখের সামনে ভেসে উঠলো, কিন্তু অামার মনের খোরাক ঐ ভারতীয় চ্যানেলগুলো নয়,,,হয়তোবা অার কেউ দেখছিলো এবং সে অবস্থাতেই টিভি বন্ধ করেছে। যা হোক, কেবল অপারেটরের সিলেক্ট করা ২০ নম্বর চ্যানেলটা চাপ দিলাম, GTV (gazi tv). নাহ, কোন খেলার পুনঃপ্রচারও নেই। সোজা চলে গেলাম খেলার চ্যানেলগুলোতে। ৩৮ থেকে ৪৭ পর্যন্ত খেলার চ্যানেল। শুরুতেই ৩৮ নম্বর চ্যানেল। হ্যাঁ, এটাইতো খোজঁ করছিলাম। বাংলাদেশের খেলা পুনঃপ্রচার। বাংলাদেশ বনাম অায়ারল্যান্ড। শেষ চুমুকটুকু দিয়ে চায়ের কাপটা টেবিলের উপর রেখে ঘাড়টা টিভির দিকে ফিরাতেই সেই "যন্ত্রণাময়" বিজ্ঞাপন বিরতি। ধুর শালা....রিমোর্ট হাতে নিয়ে যেই চ্যানেল চ্যান্জ করতে যাব ঠিক সে সময় টিভি পর্দায় ভেসে উঠল নিম্মরুপ:
Tuesday, March 15, 2016
আমি শেষ, আমাকে কেউ তোরা বাচা
আমি শেষ, আমাকে কেউ তোরা বাচা। নাক দিয়ে, অনবরত পানি বেরুচ্ছে। এক সাথে, নন স্টপ, ৬/৭টা হ্যাচ্চো!!! গামছা, টাওয়েল, গেঞ্জি, লুংগি দিয়ে নাকের পানি মুছতে মুছতে, বাকি ছিলো, সারাফের মার, উড়না। উড়না দিয়ে নাক মুছে, এখন মহাবিপদে আছি। আমার বেটি মহা আনন্দে আছে। আমি হ্যা-চ- করতেই, আম্মু, উড়না সামলাও, বাবা তোমার, উড়না ঘীন্না করে দিবে!!! আল্লাহ, তুমি আমারেই দেখলা!!! আমার ঠাণ্ডা টা, সারাফের মারে দিলে, কি এমন ক্ষতি হইতো!!!!
মানুষের মজ্জাগত স্বভাব হচ্ছে সস্তায় ভাল মাল কিনে ফেলা
মানুষের মজ্জাগত স্বভাব হচ্ছে সস্তায় ভাল মাল কিনে ফেলা, বরং বলা উচিত কিনেফেলার চেস্টা করা। পশ্চিমা দেশগুলোতে অহরহ লেগে থাকে ‘সেল’। দশ টাকার মাল পাঁচ টাকায় ফ্যাশন একটু পুরানো হলো কি সেটার দাম কমেগেল। আমার ধারনা-বিদেশে থেকে যারা জামা কাপড় ও অন্যান্য জিনিস আনে-তা বেশির ভাগই ‘সেল মার্কা দোকান থেকে’। এবার মুল ঘটনায় আসি। তাপসের চাচা-নারায়নগঞ্জ থেকে বেড়াতে এসে যাওয়ার সময়-তাপস কে জুতা কেনার জন্য 500টাকা দিয়ে গেল। অনুপ, তাপসকে বুদ্ধি দিল রিয়াজ উদ্দিন বাজারের ভিতরে রিডাকশনের দোকান থেকে ভাল জুতা অর্ধেক দামে পাওয়া যায়।
কিন্ত অনুপ এর শর্ত হলো-চিম্বুক রেস্তরায় বিরানী ও ফিন্নি খাওয়াতে হবে। আর কিছু টাকা রাখা হবে সিনামা দেখার জন্য। তাপস জুতা পছন্দ করে ফেলল- দামটা নাগালের মধ্যে। আরেকটা জুতা তাপসের পছন্দ হয়েছিল-তার দাম এর থেকে বেশী। অনুপ বললো-আগেরটাই বেশি ভাল হবে। আসলে অনুপ হিসাব করে দেখেছে-তাপস যদি বেশী দামেরটা কেনে তাহলে রেষ্টুরেন্ট ও সিনামার জন্য তেমন কিছু অবশিষ্ট থাকে না। রেষ্টুরেন্টে গিয়ে-তাপস জুতা বের করল দেখা গেলো একটা জুতা কালো অন্যটা হালকা খয়েরি। তাপস অবাক হয়ে অনুপ কে জিজ্ঞাস করল এ জুতা পড়ব কি করে? অনুপ বলল কোন অসুবিধা হবে না, কালোটাকে একটু ব্রাউন কালি দিয়ে আর খয়েরিটাকে একটু কালো কালি দিয়ে পালিশ করে নিস, ব্যালেন্স হয়ে যাবে। তাপস অবশ্য সে কথায় ভড়সা পেল না। আবার গেলাম বদলাতে। দোকানের লোকের রক্ত চক্ষুকে কোন মতে সহ্য করে কোন মতে বের হয়ে এলাম। তাপস বাসায় গিয়া আবিস্কার করল-বাম পায়ের জুতা মনে হচ্ছে এক সাইজ ছোট। জুতা পায়ে হাটতে গেলে ব্যাথা লাগে।
আসুন নেটে নয়, কাগজের পাতায় বই পড়ি
এক সময় খুব গল্পের বই পড়তাম, হুমায়ুন, মিলন, সুনীল, শীর্ষেন্দু, সেবা রোমান্টিক আরও কত কত। প্রজাপতি প্রকাশনির লুকোচুরি নামে একটি রোমান্টিক বই এর কাহিনী এখনো মনে আছে। আমি আর মনিরুল ফ্রিপোর্ট (বর্তমানে ইপিজেড) এর একটি দোকান থেকে বই প্রতি ২ টাকা ভাড়া দিয়ে বই আনতাম, তার জন্য জামানত জমা ছিলো ৫০ টাকা, ৯০/৯১ এর ৫০ টাকা মানে অনেক টাকা। এভাবেই প্রচুর বই পড়া হতো। মিলনের রোমান্টিক গল্প গুলো পড়ে নিজেকে গল্পের চরিত্রের নায়ক ভাব তে বেশ মজাই লাগতো। এর পর মমিন চাচা অফিসার্স ক্লাবে লাইব্রেরি গঠন করলে সেখান থেকে বই এনেও বই পড়া হতো। আর বন্ধু বান্ধব থেকে বই এনে ফেরত না দেওয়া তো শিল্পের পর্যায়ে পড়ত। প্রেমিক প্রেমিকার বার্থডে বা অন্য কোন অকেশনে পরস্পর কে বই উপহার দিতো। চাকুরী সূত্রে ঢাকা এসে আগের মত বই পড়ার সময় না পেলেও প্রতি বছর বই মেলায় যেতাম, গত সাত আট বছর ধরে এখন সে মেলাতেও আর যাচ্ছিনা। এখন কার ডিজিটাল যুগে কাগজের পাতায় কেউ আর বই পড়েনা।সবাই নেটেই বই পড়ে নেয়।
আসুন নেটে নয়, কাগজের পাতায় বই পড়ি।
ABBA TAR NATNIDER KHUB VALOBASTEN
ABBA TAR NATNIDER KHUB VALOBASTEN.BISHES KORE UMAMAKE.BONNA APUR LEKHA-PORAR JATE DISTURB NA HOY TAR JONNO UMAMKE 18 DIN BOYOS THEKE AMADER KACHE REKHECHILEN.BASAE R KARO BIRTHDAY HOK BA NA HOK UMAMER BIRTHDAY THIK PALON KORA HOTO.JUNE MAS ASLEI UMAMER BIRTHDAY PALON KORAR PREPARATION SHURU KORE DITEN."UMAM, R KONODIN TUMAR NANABHAI TUMAKE WISH KORBEN NA BA BOLBEN NA 12 JUNE UMAMMONIR BIRTHDAY." cry emoticon
ক্লাস এইট কি নাইনে পড়ি
ক্লাস এইট কি নাইনে পড়ি।তখন সিএসএম জামে মসজিদে তাবলীগ জামাত এসেছিল। সবাই চুয়েট এর ছাএ ছিল ।আমি তখন অন্য কোন ওয়াক্তের নামাজ না পড়েলও মাগরিব আর ঈসার সময় মসজিদে নামাজ পড়তাম।স্বাভাবিক ভাবেই তাবলীগের ভাইরা আমাদের দাওয়াত দিত মসজিদে বসে আল্লাহ্ কথা শুনার জন্য।একদিন ঈসার সময় তাবলীগের ভাইরা যে বিরানী রান্না করছিল তার খুব খুসবো পেলাম।যখন ঈসার ফরজ নামাজ শুরু হল তখন সাগর.আমি আর দুলাল আমরা নামাজ না পড়ে বিরাণী থেকে গোস্তের টুকরা গুলো খেয়ে মসজিদ থেকে বের গেলাম।তাবলীগের সাথী ভাইরা হয়ত বুজেছিল এই কাজটা কেে করছিল।তাবলীগ ভাইরা শেষ পর্যন্ত আমাদের কে নিয়ে জামাত তৈরি করে তিনদিনের জন্য চট্টগ্রাম শিকলবাহার গেল।আমার প্রথম তাবলীগ জামাতে যাওয়া।
আজ চৈত্রের ১ম দিন
আজ চৈত্রের ১ম দিন, চৈত্র মাসে নাকি কাঠ ফাটা গরমে দুনিয়া শুকিয়ে যায়, আর এদিকে আমাদের সিএসএম এ রোমান্সের জোয়ার বইছে। আহ কি রোমান্স!! পড়লেই মন টা হু হু করে ।
জানালা টু জানালা চোখাচোখি, পুকুরপাড় টু বারান্দা ইশারা। স্কুল টু বাসা কুটুর করে কথা বলতে বলতে পথ চলা।
কলেজ বাস আর নিউমার্কেট নার্শারী, পাথরঘাটা, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় ছিলাম না? সব জায়গায় রোমান্স। রোমান্সের জন্য কত পাগলামি, এই পাগলামি মাঝেমাঝে ছাগলামি তে গিয়ে পড়ত।
তবু যুগযুগ বেঁচে থাকুক এই রোমান্সের পাগলামি ছাগলামি।
এক বালকের হারানো প্রেম কাহিনি
আমার ছোট ভাই মগার জন্য এই লিখা টি উওশরগ করলাম।
এক বালক আর তিন বালিকা এক ই এরিয়া তে থাকে এক জন ফেছনে,এক জন পাশে, এক জন নিছে, তিন জন ই এক বালক কে পছন্দ করে, বালক তিন জনের সাতে ই এক ই তালে পছন্দের সব কাজ করে যাচিল, অতি চালাকের মাঝে মাঝে ফাদে পরতে হয়, কি করে যেন ২ জন বালিকা যেনে গেল ওই এক জন বালক ই তাদের ২ জনের পছন্দের বালক, তাই ২ জনে বুদ্দি করে বালক কে শাস্তি দেয়ার, যাই হক এক দিন ২ জনের এক জন বলল তাকে কলেজের ফাকে কোথাও কিছু খাওয়া তে , বালক বলল সে কি করে খাওয়াবে তার কাছে তো অতো তাকা নাই বাসা থেকে জা দেয় তা দিয়ে আসা যাওয়া তে শেষ হয়ে যায়,তখন ওই বালিকা বলল ঠিক আছে খাওয়া তে হবে না এমনি গুরতে যাব, ঠিক হল বিধি বাম ২ জনে যুক্তি করে বালক কে ফাসাতে গিয়ে যা ঘটলোঃ
তা--্বে-----------------------------অনেক বড় ঘটনা লিখে শেষ করা মহা বিপদ।
চলবে-----------------------------
উড়াতে চাই টেস্ট জয়ের পতাকা
Tomorrow is a big match PAKISTAN VS BANGLADESH ICC T20 WC..Keeping that in mind an old write up is posted here.
উড়াতে চাই টেস্ট জয়ের পতাকা; লর্ডসে (LORDS) কিংবা এমসিজিতে (MCG) :
স্বাধীনতার পর পর আবাহনী ক্লাব যখন বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন ধারার প্রবর্তন ক’রে খেলাটিতে প্রানের সঞ্চার করেছিল তখন থেকেই খেলাধূলার প্রতি আগ্রহের সৃষ্টি। বাবার চাকুরী সূত্রে কলোনী জীবনে বড় হয়েছি। বাসার পাশেই ছিল অফিসার্স ক্লাব। সেখানে ছিল ইনডোর আউটডোর নানা রকম খেলার সুবিধা। তাছাড়া চট্টগ্রামের প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগেরও একটা টীম ছিল আমাদের। লোকাল প্লেয়ার ছাড়াও ঢাকা আবাহনীর সালাউদ্দিন, টুটুল, চুন্নু এরা খেলতে যেত স্টীল মিলের ফুটবল টিমের পক্ষে। অফিসার্স ক্লাবের পাশের রেস্ট হাউসে তাদের থাকার ব্যবস্থা। আমরা ক’জন কিশোর বন্ধু ওদের আশ পাশে ঘুরঘুর করতাম দিনমান। তখন অটোগ্রাফের কথা মনে আসতো না তবে এত কাছ থেকে অতোবড় প্লেয়ারদের দেখতে পাওয়ার থ্রিল অনুভব করতাম প্রচন্ডভাবে।
দোস্ত মহলে সকলেরই একটা না একটা ছদ্ম নাম থাকে
দোস্ত মহলে সকলেরই একটা না একটা ছদ্ম নাম থাকে,আমি মাঝে মাঝে কলেজ এ ক্লাস করে খুলসী দিয়ে হাটতে হাটতে জেঠা বাসায় চলে যেতাম দুপুরে খাওয়ার জন্য মাঝে মাঝে টাইগার পাস উঠে বাসায় চলে আসতাম মাঝে মাঝে পর দিন বিকালে আসতাম,একদিন আসি নাই রাতে আমার সমবয়সী ভাই কে দিয়ে সাদা কাগজে দোস্তদের ছন্মনাম গুলি লিখে তাদের গোপন কথা গুলি বণনা করে একটা চিঠি লিখলাম,ঠিকানা দিলাম ভাই ভাই দোকান,তারপর ঐ চিঠি দুইদিন পর পাহাড়তলি ডাক বাক্সে ছেড়ে দিতে বললাম আমার জেঠাতো ভাইকে তারপর আমি বিকালে টাইগার পাস থেকে কলেজ বাসে করে কলোনীতে চলে আসি,দুপুরে একবার হলে ও বেলাল ভাইয়ের দোকানে আসা হতো দোয়া টানটে,তো তিন চার দিন পর আমি দুলি মরা রাশেদ দোকানের সামনে আডডা দিতাছি,এমন সময় পিয়ন এসে আমাদের সামনে চিঠিটা বেলাল ভাইয়ের হাতে দিলো, বেলাল ভাই ও চিঠি আমাদের হাতে দিল আমিও চিঠিটা এমন ভাবে ছিড়লাম যেন পোসট অফিসের নামটা না বুঝা যায়,তারপর চিঠি পড়ে তো সবার মন মেঝাজ হট আমার নামে যাতা বলা আছে,মোটামুটি সবার ব্যাপারে কথা,মরা রাশেদ তো পারলে যে চিঠি লিখছে তারে সাইজ করে, আমি ও সমানে গালাগালি করতাছি,বিকালে সবাই আসার পর এই নিয়ে আলোচনা চলতাছে কে করলো কাজটা লিখা কারো সাথে মিলে না,কে কারে দোষ দিবো এর রেশ অনেক অনেক দিন ছিল,তখন খালি টেনশন আর টেনশন এতো টেনশন কেন সবার মনে ছিল তখন?
একটি ছেলে আর একটি মেয়ে
একটি ছেলে আর একটি মেয়ে। দুজনের বয়সটা কাছাকাছি। তবে বয়সটা অল্প। ভালোবাসাটাই তখনো ভালো করে বুঝা হয়ে উঠেনি। একদিন হঠাত, একটি মায়াবি মুখ!!!! বারান্দায় দড়িতে ঝুলানো, শাড়ীর আড়ালে, একটু দেখা দিয়ে, আবার শাড়ীর আড়ালে, আবার দেখা দিয়ে, আবার শাড়ি আড়ালে!!!! ছেলেটির অস্থিরতা বেড়ে গেলো, বুঝতে পারলো, কোথায় যেনো, খুব ভালো লাগা, কিছু একটা হচ্ছে!!! গল্পের সুরু এখান থেকেই।
একটি চিঠি, যা ছিলো একটি প্রেম পত্র। মাত্র, কয়েকটি লাইনে লিখা, "আমি ভালোবাসি তোমাকে"। আর ছিলো, সামান্য আবদার, " আমার পছন্দের রঙ আকাশী", । আকাশি রঙ ছাড়া ছেলেটি কিছু বুঝেনা!!!।
চলতে থাকলো এভাবেই, ভালোবাসাটা না বুঝেই, গভীর ভালোবাসা!!!। তারপর একদিন, ধরা পড়লো মেয়েটি, পিঠেও কিছু জুটলো, গুমুর/গুমুর, আর এদিকে ছেলেটি চিন্তায় অস্থির, কখন ভালোবাসার এই রিপোর্ট কার্ড টি, তার বাবার হাতে পৌছাবে। তবে ছেলেটির কপাল ভালো!!!! বাবা, জানতে পারলো না, তার ছেলে, এখন প্রেমিক পুরুষ!!!!।
Monday, March 14, 2016
মাথাটা পুরা জাম হয়ে আছে
কোথায় যাবো? কার কাছে যাবো? কেন যাবো? কি করবো? কেন করবো? কি করা উচিত? কিছুই বুঝতাছিনা। মাথাটা পুরা জাম হয়ে আছে। আমার মাথা এমনিতেই হট থাকে। তারপরও কেন জানি মনে হচ্ছে মাথাটা আজকে একটু ওভার হটেট হয়ে আছে। বছর আরেকটা গেল। আপনাদের কাছে মাথা ঠান্ডা করার জন্য উপায় জানা আছে? থাকলে দয়া করে বলুন। এ্যলোপেথিক, হোমিও পেথিক, আয়ুর্বেদীয়, মায়ুর্বেদীয়, শাস্ত্রীয়, মঘা শাস্ত্রীয় কিংবা অন্য যে কোন উপায়।
CSM colony ভাবলেই মনে আসে
CSM colony ভাবলেই মনে আসে csm school, মসজীদের পুকুর, কোহিনুরদের মুরগীর খোয়ার আর তার সাথে লাগানো বরই গাছ যেটা আমার আর লাবনীর(মোস্তফা কামাল স্যারের মেয়ে)খেলার অন্যতম জায়গা ছিল।মক্তবএর পাশে রাস্তায় কুদ কুত খেলা,বড় মাঠে বাষিক প্রতিযগিতা,শান্তি বাবু স্যারের ব্রুতচারি,পিটিস্যারের পিটি,জাফর স্যারের চোখ পাকানো,ইউনুসের দোকান আরো কত কি....ওওও আরো একটি বিষেশ জায়গা যেটা ছিল আমার ভাই ও তার বন্ধুদের (কমু,লিটন,মানিক,মনু,আরো কয়েকজন ভাই)প্রিয় জায়গা......কে বলতে পারবে সেই বিষেশ জায়গাটির নাম???
আমি, কল্লোল আর মানিক
স্টুডেন্ট লাইফ এ আমরা সবাই কমবেশি টিওশনি করতাম। ওটাই আমাদের একমাত্র আরনিং সোর্স ছিল। আমাদের কল্লোলও টিওশনি করত। যাইহোক টিওশনির প্রথম মাসের টাকা পেয়ে কল্লোল আমার আর মানিকের বাসায় আসলো, আমরা ২ জন একই বিল্ডিং এ থাকতাম এবং কল্লোল প্রস্তাব দিল আজ আমাদের খায়াবে, আমি আর মানিকও কোনকিছু না ভেবে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। বললাম তোর বাজেট কত? কল্লোল বলল ২০০ টাকা। শুনে আমরা অবাক, ২০০ টাকা... ওবাজি! ওই সময় ২০০ টাকা আমাদের কাছে অনেক টাকা ছিল।
যাইহোক বিকেলে ৩ বন্ধু বেরিয়ে পড়লাম। নিজের এলাকায় কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি করলাম কিন্তু হোটেল পছন্দ হল না। সবাই মিলে ভাবতেছি এখন কি করা যায়? ২০০ টাকা বলে কথা, কোন আলতু ফালতু রেস্টুরেন্ট এ তো আর খাওয়া যায় না । হটাত মানিকের মাথায় বুদ্ধি এলো, ও বলল চল আগ্রাবাদ যাই, ওইখানে অনেক ভালো ভালো রেস্টুরেন্ট আছে, অনেক ভালো ভালো খাবার পাওয়া যায়। আমি আর কল্লোল মানিকের প্রস্তাবে রাজি হলাম এবং বাসে উঠে ৩ জন আগ্রাবাদ চলে আসলাম। বাসে করে আগ্রাবাদ আসতে আসতে সন্ধা হয়ে গেল।
শুরু হল ৩ জনের রেস্টুরেন্ট পছন্দের পালা। প্রথমেই গেলাম হোটেল আগ্রাবাদ এ। এর আগে আমি কোনদিন হোটেল আগ্রাবাদ এ যাই নাই, শুধু নাম শুনছি। কিছুক্ষণ ৩ জন হোটেল আগ্রাবাদের সামনে ঘুরাঘুরি করলাম কিন্তু ভিতরে ঢুকার সাহস পেলাম না, এরপর গেলাম সম্ভবত সিলভার স্পুন এ, এই ভাবে মোটামুটি আগ্রাবাদ এর সব হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট এ গেলাম। প্রায় ২ ঘণ্টা এই ভাবে ঘুরাঘুরি করে পার করলাম।
চাইলাম এরি আর কেউরে দলে ভিরন যায়নি!!!!!
বড় আশা করি ভিতরের সব গোপন কথা CSM এর ভাইবোন বন্ধু হগলের লাই উজার কইরা দিয়ালছি, মনে করছিলাম আর থুন অনুপ্রেরনা ফাই আর কিচ্ছু ভাইয়েরাও তাগ ভিত্রের কিছু বাইর কইরব, অন্ত দেই দেগে ছুপ মারি গেছে, আছেন্নি কেউ আর মতো বেকুব, জাগাত থাই আওয়াজ দেন, আর তাড়াতাড়ি শুরু করেন, আরে ডরন লাইগদন, আন্না বেকে বেকেরে চিনি, আনরা আনরা কদ্দুরা মজা করলু আরি...।।
চাইলাম এরি আর কেউরে দলে ভিরন যায়নি!!!!!
রাত ৮.০০ খবর শেষের দিকে
রাত ৮.০০খবর শেষের দিকে আমি দুলি, জিমি রাশেদ,আতিক,মরা রাশেদ,লিটন সোজা হাটতে হাটতে বড় মাঠের পাশে কলোনীর শেষ মাথা সম্ভবত F/11 তসলিম চাচা বাগানে হাজির, খবর শেষ একটু পর নাটক শুরু হবে, বাংলাদেশে তখন কাজি পেয়ারার চাষ শুরু হয়েছে,তসলিম চাচার বাগানে পেয়ারা ধরছে খাওয়ার উপযোগী হয়েছে,নাটক শুরু হয়েছে আস্তে আস্তে আমি দুলি মরা রাশেদ বাগানে পিছনে গিয়ে হাজির বেড়া তো আছে সাথে বিভিন্ন কাঁটা বেড়ার উপর দেয়া যেই কাঁটা টান দিলাম দোতালা থেকে টচ লাইট জলে উঠলো আর চিল্লাচিল্লী শুরু করে দিল,লাইট তো আর নিবে না, বুঝলাম আজকের মতো আর কাজী পেয়ারা খাওয়া হবে না, মন মেঝাজ ও খারাপ হয়ে গেলো সবাই একসাথে হয়ে মাঠে আবার বসলাম কি করা যায় মরা রাশেদ হঠাৎ বলে উঠলো পেয়ারা খেতে পারি নি কি হয়েছে বাসার সামনে তো চাচার পেঁপে গাছ আছে, যেই বলা সেই কাজ শুরু চাচাতো পিছনের জানালা দিয়ে পেয়ারা পাহারা দিচেছ আর আমরা সামনে দিয়া জন প্রতি দুইটা পেঁপে নিয়ে মাঠের মাঝ দিয়ে সোজা পুকুর পাড়ে তখন তো আর বুঝিনি পেঁপে কাঁচা এই পেঁপেতো খাওয়া যাবে না তখন প্রতি সিড়ির নিচে একটা একটা পেঁপে রেখে দিলাম জানি সকালে কেউ না কেউ পাবে তারপরদিন কি হয়েছে তা জানতে হলে স্কুলের সামনে ইউনুস এর দোকানে ইউনুস মুখ থেকে জেনে নিতে হবে
এভাবেই দিন বদলায়
এসএসসি ২০১৬ শেষ হয়ে এসেছে! কারও কোন খবর নাই!
কলোনীতে কারো এসএসসি পরীক্ষা মানেই অনেক বড় ঘটনা। কোন বিল্ডিং থেকে কারা পরীক্ষা দেবে?
পরের বছর কারা পরীক্ষা দেবে? কে অনেক পড়ে? কে কম পড়েও রেজাল্ট ভাল করে? এ নিয়ে চলত আলোচনা।
দিন গোনা শুরু হয়ে যেত টেস্ট পরীক্ষার পর থেকেই। এরপর স্কুলের বিদায়ের দিন ঘনিয়ে আসত। ক্লাস টেন এর উপর থাকত বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্ব। ফটোকপির এত ছিল না যাদের হাতের লেখা সুন্দর তাদের দিয়ে মানপত্র লেখানো,শুভেচ্ছা বক্তব্য, স্মৃতি চারণ, কোন বিদায়ী ব্যাচ স্কুল কে কত ভাল উপহার দিতে পারে এ নিয়ে প্রতিযোগিতা চলত।
আর আমাদের ছোট দের কাছে ছিল তাড়াতাড়ি ছুটি আর জিলিপি খাওয়ার দিন।
এক্সাম শুরু হলে কে কিভাবে যাবে? প্রশ্ন সহজ না কঠিন, পরীক্ষা কেমন হয়েছে, এ নিয়ে বড় আপু ভাইয়া, চাচা চাচী, স্যার ম্যডাম রা খোঁজ খবর রাখতেন। কে কি লিখেছে? কার কোন এক্সাম ভাল হয়নি, কত কথা।
প্র্যাকটিকাল খাতা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি। কার আঁকা ভাল?
হৃদয়ের একূল ওকূল
CSM কলোনি তে হৃদয়বান মানুষের অভাব ছিল না। না,আমি তাদেরকে প্রেমিক,প্রেমিকা বলে সস্তা করব না।আমি বলব হৃদয়বান মানুষ।কারন যার হৃদয় আছে সেই ত ভালবাসে,সবাই ত সেটা পারে না। এই হৃদয়ঘটিত ব্যাপার গুলো কলোনি তে ঘটেছে নানা ভাবে।কখনো দেখা গেল হৃদয়বান ছেলের বাসা সামনের বিল্ডিং এ, আর মেয়ের বাসা পেছনের বিল্ডিং এ।কেউ একই বিল্ডিং এর পাশাপাশি কিংবা উপরের তলা,নিচতলা।কিংবা হৃদয়বান ছেলেটি বন্ধুর বাসায় ঘনঘন আসা যাওয়া করাতে বন্ধুর পাশের বাসার সুন্দরী মেয়েটির প্রতি দুর্বল হয়ে যাওয়া।
আবার এক ধর্মের ছেলের অন্য ধর্মের মেয়ের প্রতি দুর্বল হয়ে যাওয়া যেখানে ধর্ম তাদের মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়ানো। আবার কলোনি র সুন্দরী মেয়েটি এমন এক ছেলের সাথে মন দেয়া নেয়া করছে যার পাশে মেয়েটি কে মানায় না অথচ মেয়েটি কে পছন্দ করে কলোনি র সুদর্শন কোন হৃদয়বান ছেলে।কিংবা ক্লাসের প্রথম স্থান অধিকারী ছেলের সাথে প্রথম স্থান অধিকারী মেয়েটি কে নিয়ে কানাঘুষা। অনেকগুলো ভাইয়ের আদরের ছোট বোনটি মন দেয়া নেয়া চলছে পড়ালেখায় অমনোযোগী বখাটে ছেলের।কেউবা কাউকে পড়াতে গিয়ে ছাত্রী র প্রতি কিংবা ছাত্রী টিচারের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ত।কলেজ বাসে আসা যাওয়ার পথে কথা বলতে বলতে হৃদয়ের একূল ওকূল ভাসিয়ে দেয়া।আবার দেখা গেল ছেলের বাবা মিলের বড় পদস্থ অফিসার,মেয়ের বাবা সাধারণ কর্মচারী,কিন্তু মন দেয়া নেয়ায় এগুলো কোন বাধা হিসেবে দাড়ায়নি। কেউ হত সাহস করে সামনে এগিয়েছেন,সফল হয়েছেন তবে এই পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না, কন্টকময় ছিল। তবুও তারা ছিলেন হৃদয়বান মানুষ, অনেকের অনুপ্রেরণা। তাদের প্রতি রইল অনেক অনেক শ্রদ্ধা।
Sunday, March 13, 2016
লুকোচুরি র দিনগুলো
বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবার পর একটা রুটিন বাধা নিয়ম ছিল সন্ধ্যার পর লুকোচুরি খেলতে বের হওয়া।সারা কলোনি জুড়ে কিংবা কয়েক টা বিল্ডিং ঘিরে চলত এ খেলা।খেলার সময় এক ধরনের থ্রিল অনুভব করতাম, মনে হত নিজেই চোর বা পুলিশ। নিজেকে কিভাবে পুলিশের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখব তার জন্য চেষ্টা র সীমা ছিল না।কখনো কখনো এমন জায়গাগুলোতে গিয়ে লুকাতাম ভয় ডর বলে কিছু লাগত না।আবার নিজেকে বাঁচানো র জন্য মানুষের বাসায় গিয়ে হানা দিতাম।
তেমনি একদিন খেলতে গিয়ে ঈ টাইপে র তিনতলা বিল্ডিং এ গেলাম।আমাদের ক্লাসের বেলিরা তখন তিনতলায় থাকত। ওর আম্মা প্রায় আমাদের বাসায় বেড়াতে আসত,আমরাও যেতাম।সেদিন খেলার সময় ঈ টাইপের সেই তিনতলা থেকে দেখি পুলিশ হয়েছে যে সে বিল্ডিং এর নিচে ঘুরাঘুরি করছে।আমি আর আমার সাথের জন কি করব ভেবে পাইনা,এমন সময় মনে হল বেলিদের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নেই।তাহলে এ যাত্রা বাচা যাবে।যেই না বেলি দের বাসা মনে করে কলিং বেল টিপ দিলাম,ওমনি দরজা খুলে দেখি একজন বড় মেয়ে।উনাকে আমি স্কুলে দেখছি ছোটবেলায় কিন্তু কলেজে পড়েন তখন।
কলেজ বাসে একদিন
আতিক ভাই বলছিলেন কলেজ বাস নিয়ে কিছু লিখতে।কিন্তু আমি ত কোনদিন কলেজ বাসে যাওয়া আসা করিনি।লিখি কিভাবে? বড়দের মুখে অল্প বিস্তর কিছু শুনতাম।তাই ভরসা।কেউ যখন লিখল না আমি না হয় চেষ্টা করি।
আমি বিনিতা।ছোট করে ডাকে সবাই বিনু।বড় ভাই বুবুন।আমি সবার ছোট।চট্টগ্রামকলেজ এ কেমিস্ট্রি তে এডমিশন নিয়েছি।ক্লাস পুরো দমে শুরু হয়নি। আজ পহেলা ফাল্গুন।বান্ধবী রা ডিসি হিলে যাব,বেড়াব।তাই সকাল থেকে সাজুগুজু নিয়ে ব্যস্ত।তাড়াহুড়ো করছি।কলেজ বাসে যদি জায়গা না পাই।বাসন্তী রং এর জামা পড়ে রওনা হলাম কলেজ বাস ধরতে।
কলেজ বাসে উঠলাম।কোথাও সিট খালি নেই।আমার বান্ধবী তিথি আর মিলি পাশাপাশি বসে আছে।আমার জন্য সিট কই জানতে চাইলাম।বলল রেখেছিল কিন্তু স্নিগ্ধা আপা আসাতে উনাকে দিয়ে দিয়েছেন।একটি সিট খালি আছে কিন্তু ওইখানে বসে আছেন তুহিন ভাই।উনার সাথে আমার তেমন পরিচয় নেই।দাড়িয়ে গেলে সাজ নষ্ট হয়ে যাবে এটা ভেবে উনার পাশে বসে পড়লাম।দেখলাম তিথি আর মিলি মুখ টিপে হাসছে।উনার শরীর থেকে সিগারেট আর বডি স্প্রে মিলিয়ে অদ্ভুত গন্ধ আসছে। খারাপ না।
আমি আজকে একটা সেইরাম অ্যাকশান ধর্মী স্বপ্ন দেখছি
দেখলাম যে,
আমাদের স্কুল এ একটা গ্রুপ হেভি অস্ত্র শস্ত্র নিয়া হামলা করছে, আমাদের কে ক্লাস রুম আটকাইয়া রাখছে। আমি আর Al Amin Billah Shujon সুজন কোনমতে পলাইয়া স্কুল এর পিছনে গেলাম। ইচ্ছা ছিল বাউন্ডারি টপকাইয়া কবর স্থান দিয়া পালামু। কিন্তু দেখি ওরা কবরস্থানে দুই টা বাঙ্কার কইরা পাহারা দিচ্চে। আমি আর সুজন মাথা তুইলা দেখি ওই বুজ্জার বাগান দিয়া আর্মি আসতেছে । ওরা আর্মির দিকে গুলি চুরতে লাগলো। এইদিকে আর্মি ও গুলি ছুড়ছে। আমি আর সুজন স্টেজের পিছন দিয়ে বাউন্ডারি টপকে E-type এর দিকে দৌড় দিলাম। ওদিকে কলোনির গেইট দিয়ে আর্মি আসছে ট্যাঙ্ক নিয়ে। সেই একটা অবস্থা চারিদিকে। এমন সময় দেখি আর্মির তাড়া খেয়ে বিদ্রোহীরা গুলি করতে করতে E- type এর দিকে আসছে। এখন আমরা কই যাই?
...
...
...
...
...
এই সময় ঘুম টা ভাইঙ্গা গেলো।
...
যাক বাবা বাইচ্চা গেছি। আরেকটু হইলেই তো গেছিলাম।
সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে এই বিষয়ে সবার মতামত আশা করছি
আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশ।আমরা এই দেশ কে খুব ভালবাসি। আবার জন্মগত কারনে আমাদের মধ্যে আন্চলিকতার প্রভাবও যতেষ্ট। এমনই একটা অন্চল সন্ধীপ। যার চারপাশেই সমুদ্র। আর সেই দ্বীপের বাসিন্দা আমাদের প্রিয় মাসুক। ছোট বেলায় মাসুককে একবার পাগলা শিয়ালে কামড়াইছিল।সেই থেকে মাসুকের মনে প্রশ্ন সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে? শিয়ালতো পোষ্য প্রানী নয়। গবেষনা করতে গিয়ে মাসুক দর্শনশাস্ত্র নিয়ে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছে শুধু শিয়ালের দর্শন বুজার জন্য এবং বনে জঙ্গলে ঘুরে ঘুরে শিয়ালের চরিত্র নিয়ে অনেক লেখাপড়া করেছে। তারপরও আবিষ্কার করতে পারেন নাই সন্ধীপে শিয়াল গেল কেমনে।আজ যদি সবাই মতামত দিয়ে সাহায্য করেন তবে মাসুক ভাই খুবই উপকৃত হবেন।।সন্ধীপে শিয়াল গেল কিভাবে এই বিষয়ে সবার মতামত আশা করছি।
Subscribe to:
Posts (Atom)

