Saturday, June 4, 2016

বড়দের উপস্হিতি আর সহযোগীতা ছোটদের কতটুকৃ অনুপ্রানিত


বড়দের উপস্হিতি আর সহযোগীতা ছোটদের কতটুকৃ অনুপ্রানিত, উৎসাহিত আর উদ্যোগী করতে পারে, তা গতকাল আর একবার অনুভব করলাম। গতকাল মোসাদ্দেক আলী ভাইয়ের আহবানে ছুটে আসা জাফর ভাই,শাহিন ভাই, আমার ছোট বেলার বন্ধুদের উপস্হিতি আমাকে আবার অনুপ্রানিত করেছে। বিশেষ করে ছোট ভাইবোনদের উপস্হিতি আমাদের আগামী দিনের পথ চলার এক নুতন মাইলফলক বলে আমি মনে করি। গতকালের আলোচনাও ছিল বেশ খোলামেলা এবং গঠনমুলক। সবার প্রত্যাশা একই রকম, অতীতের সকল ক্লান্তি,ভুলভ্রান্তিকে পিছনে ফেলে আমরা এগিয়ে যাবো- সামনের দিকে। আমরা শত প্রতিকুলতার মাঝেও ঐক্যবদ্ব থাকবো। আমাদের ঐক্যবদ্ব থাকতে হবে। আমরা ঐক্যবদ্বভাবে থেকেই আমাদের আগামী প্রজন্মকে একটা ঐক্যবদ্ব সিএসএম পরিবার উপহার দিয়ে যাবো। আমাদের রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও আমাদের রয়েছে সুদৃঢ এক আত্মার সম্পর্ক। যা দিয়ে সকল বাঁধা অতিক্রম করে শক্ত মজবুত বন্ধন নিয়ে এগিয়ে যাবো। ভালবাসার এ বন্ধন নিয়ে দাড়াবো সকল স্টীলারদের পাশে,সুখ -দুঃখ, কিংবা যে কোন প্রয়োজনীয়তায়। আমাদের বন্ধন হবে স্টীলের মত মজবুত। ধন্যবাদ মোসাদ্দেক ভাই, জাফরভাই,শাহিনভাই।বন্ধুদের ধন্যবাদ দিলাম না কারন ওরা চাকর বাকরের সমতুল্য। তবে ছোট ভাইবোনদের প্রচুর প্রচুর ধন্যবাদ।

এখন এসব সংলাপ উপন্যাসের বইতেও পাওয়া যায়না, আফসোস


কি দেখছো এভাবে? এভাবে চেহারা কুঁচকে তাকিয়ে আছো কেনো। 
-- আচ্ছা তোমার মাথায় কিছু নাই, এটা কি সাজ দিলা, সবাই কেমনে তাকিয়ে আছে, যে রিক্সা করে আসছো সে রিক্সাওয়ালাও তাকিয়ে আছে। 
কি সাজ দিলাম আবার কি? সবই ঠিক আছে,যেটা বুঝোনা ওইটা নিয়ে কথা বলবে না। ভালো না লাগলে আইসোনা
-- ----চেহারার এই অবস্থা কেনো, কি হয়েছে তোমার? রাতে ঘুমাও নি??
হইছে আর ঢং দেখাতে হবেনা।
------ ঢং না সিরিয়াস বলছি।
---------------------------++---------++++
একটু ফিটফাট চলতে পারোনা, শেভ করোনি কেন? এক্ষুনি চলো সেলুনে।
---- আরে আমি সেলুনে গেলে তুমি কই থাকবে?
আমিও সেলুনে যাবো, দাঁড়িয়ে থাকব, তুমি শেভ করবে।
------ পাগল নাকি, তুমি সেলুনে দাঁড়ালে মানুষ জমে যাবে, প্লিজ আজকের মত ছাড় দাও।
অসম্ভব তুমি শেভ না করলে কোথাও যাচ্ছিনা আমি তোমার সাথে।
--- আচ্ছা ঠিক আছে, তোমার সেলুনে যেতে হবেনা। আমিই শেভ করে আসছি সেলুন থেকে। তুমি থাকো এখানে।
( এখন এসব সংলাপ উপন্যাসের বইতেও পাওয়া যায়না, আফসোস )

ইচ্ছা পূরণ


এত দিন শুধু দেখতাম সবাই বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে আড্ডা দেয়। আমি দূর থেকে শুধু দেখতাম আর মাঝে মাঝে কমেন্ট করতাম। কিন্তু আমার মনে মনে প্রশ্ন থাকত এসব আড্ডায় সবাই কেমন মজা করে আর কি নিয়ে আলোচনা করে? আর আমার মনে হয় এই ধরনের আড্ডায় আসা হবে না যেহেতু দূরে থাকি। কিন্ত আমি ctg আসলাম আর এই সময়ে মোসাদ্দেক আলি ভাইয়াও ctg এসেছে আর একটা আড্ডার আহবান করেছেন। তাই আমি এই আড্ডায় অংশ গ্রহণ করতে পেরেছি। আর আমার প্রশ্ন পেয়েছি। এখানে অনেক মজার মজার স্মৃতি চারণ হয় আবার উন্নয়নমূলক কথাও হয়।যা খুব ভালো লেগেছে। Mosaddeq Ali ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর বিকাল উপহার দেওয়ার জন্য। আজ বড় ছোট ভাইদের দেখা হলো।

টিংকুর সাথে গেলাম ।আসার সময় বাবু ভাই তার গাড়িতে করে এগিয়ে দিলেন। আর তানিয়া আমাদের গাড়িতে উঠিয়ে দিল ।গাড়িটা ছেড়ে দেওয়ায় তানিয়াকে ধন্যবাদ জানাতে পারলাম না।

Csm বাসীর এই আন্তরিকতা আসলেই কোথাও পাব কিনা সন্দেহ।

যাই হোক মোসাদ্দেক আলী ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ। এরকম একটা আড্ডায় ওনার জন্য অংশ নেওয়ায় আমার ইচ্ছা পূরণ হলো।

রোজা ও ডায়াবেটিস


রোজা আসন্ন।

প্রথমেই বলে রাখি ডায়াবেটিস এর রোগী দের রোজা রাখা বা না রাখার ধর্মীয় আলোচনায় যাব না। যদি ডায়াবেটিস নিয়ে কেও রোজা রাখতে চায়, তাহলে কি করা দরকার সেই আলোচনা করব।

রোজা ও ডায়াবেটিস এর ম্যানেজমেন্ট এক রোগী থেকে অন্য রোগী ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে।সাধারণত ডায়াবেটিস রোগী দের জন্য দরকার ঘন ঘন blood গ্লুকোজ চেক করা, specially যারা ইনসুলিন নেন। [রোজা রেখে blood গ্লুকোজ চেক করা যায়, এতে রোজা ভাঙ্গে না -- এটা সহী হাদীস]I

Diabetic রোগী খাওয়া হতে হবে balanced ও healthy ডায়েট। [শুধু diabetic রুগীর না, সবার এ তাই দরকার] . সেহেরীতে দরকার complex carbohydrate (শর্করা) কারণ এটা আস্তে আস্তে digestion ও absorption হবে বডিতে। অন্যদিকে ইফতার এর সময় simple carbodydrate খেতে পারেন।প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া দরকার সবারই, specially এবার রোজা হবে গরমের সময়।

রোজার সময় exercise নিয়ে বাড়াবাড়ি না করাই ভালো।যদি কেও হাটতে চায় তবে তা যেন ইফতার এর আগে না হয়। পুরা তারাবির নামাজকে ডেইলি exercise হিসাবে consider করা হয়।

Friday, June 3, 2016

CSM এর সবার সা‌থে সব কিছু শেয়ার কর‌তে ইচেছ ক‌রে কিনতু সময় বের কর‌তে পা‌রি না


CSM এর সবার সা‌থে সব কিছু শেয়ার কর‌তে ইচেছ ক‌রে কিনতু সময় বের কর‌তে পা‌রি না/ কেন তা অামার friend circle অ‌নে‌কেই জা‌নে/ অাজ‌কে খুবই লিখ‌তে ইচেছ কর‌ছে/ গত বেশ কিছু দিন ধ‌রে অামা‌দের শওগাতুল অানয়ার ভাই আমা‌কে ফোন দি‌চেছন পাপপুর ‌চি‌কিৎসার ব্যাপা‌রে/ উনি কোন একটা পথ খুজ‌ছেন পাপপুর একটু better life এর জন্য / অ‌নে‌কেই জা‌নে অামার ছোট ভাই পাপপু Apr.2009 এ এক সি‌ভিয়ার রোড accident এ ঘা‌ড়ের Spinal cord Injury র কার‌নে full body paralysis হ‌য়ে bed e প‌রে অা‌ছে/ তার প্রশাব পায়খানার ও sense নেই/ যাই হোক শওগাত ভাই নি‌জেই doctor এর appointment নি‌য়ে অামা‌কে গতকাল সনধ্যা ৭টায় যে‌তে বল‌লেন/ য‌দিও আমি late ,উ‌নি ১৫মি: আগেই পৌ‌ছে wait কর‌ছেন/ মা‌ঝে মাঝে অামার নি‌জে‌কে ছোট ম‌নে হয়, অামি অ‌নেক সময় timely feedback দি‌তে পা‌রি না কিনতু শওগাত ভাই নি‌জেই নি‌জের শত ব্যাসততার মা‌ঝে আমাকে ফোন দি‌য়ে জে‌নে নেন/ হয়তবা অনেক অাপন ভাইও যা ক‌রে না , তি‌নি তা কর‌ছেন/ শওগাত ভাই‌কে স্যালুট/

‌সেইসা‌থে csm সকলকে, যারা পাপপু‌কে দেখ‌তে অা‌সে, খোজখবর নেয় , সবার প্র‌তি রইল gratitude.

একটা কথা কয়েক দিন ধরেই শেয়ার করব করব করে ভাবছি


একটা কথা কয়েক দিন ধরেই শেয়ার করব করব করে ভাবছি। বেপার টা আমার আর সহ্য হচ্ছে না। কিন্তু কোনো সমাধান ও খোঁজে পাচ্ছি না। যাই হোক মূল কোথায় আসি। মসজিদে নামাজ পরতে গেলে দেখি কিছু জায়নামাজ এ পবিত্র কাবা ঘর এর ছবি আর সেই জায়নামাজ এর উপর দিয়েই অন্য মানুষ রা পা হেটে যায়। এই কাজটা আমরা ভুল করেই করে ফেলছি। কিন্তু এটা উচিৎ না। যারা এই ধরনের জায়নামাজ ব্যবহার করে, আমার মনে হয় তাদের ইহা থেকে বিরত থাকা দরকার। আর আমরা যারা মসজিদ এ নামাজ পড়ি আমরা সবাই যাতে একটু খেয়াল করে হাঁটি যাতে ভুলে এই ধরনের জায়নামাজ এ পা না দিয়ে দেয়।

Thursday, June 2, 2016

পাখির কান্ড - আমার বাড়ান্দায় পাখি বাসা বাঁধার জন্য হাঁড়ি রেখেছি


পাখির কান্ড - আমার বাড়ান্দায় পাখি বাসা বাঁধার জন্য হাঁড়ি রেখেছি।প্রথমে দোয়েল বাসা করে তিনটি ছানা ফুটালো। বড় হয়ে চলে গেল।এরপর আবার এসেছিল বাসা করতে। কিন্তু শালিক পাখি দিল না।পরে শালিকের ৫টি ফুটালো।মা পাখি

সবসময় পাহারা দিয়ে রাখতো।একদিন ছেলে বললো একটি পাখি মারা গেছে।এখন কিভাবে এটাকে ফেলে দেই,চিন্তা
করছিলাম।পরদিন সকালবেলা বাড়ান্দায় যেয়ে দেখি মরা ছানাটি ফ্লোরে পরে আছে।মা পাখিটা এটাকে ফেলে দিল।
পাখিটিও বুজলো মরা ছানাটি থাকলে অন্য গুলির ক্ষতি।

গতকাল তপন চৌধুরীকে নিয়ে Atiq Csm এর পোষ্ট দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়লো


গতকাল তপন চৌধুরীকে নিয়ে Atiq Csm এর পোষ্ট দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়লো। সম্ভবত ৯০ সালের ঘটনা। চার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মধ্যে আমি আর শীতল ছিলাম তপন ভক্ত আর সওগাত এবং সেলিম ছিলো মান্না দের ভক্ত। বিভিন্ন সময় আমাদের মধ্যে তর্ক লেগে যেতো কে সেরা। চিটাগাং কলেজের কমন রুমে চ্যালেঞ্জ এ ক্যারাম খেলায় মান্না দেকে তপন চৌধুরী প্রায়ই হারিয়ে দিতো। যাই হোক একদিন চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম এ আবাহনীর খেলা দেখতে গেলাম, খেলা শেষে প্যাভিলিয়ন এর সামনে দাঁড়িয়ে আছি। কিছুক্ষণ পর দেখলাম প্যাভিলিয়ন গেইট দিয়ে তপন চৌধুরী বেরিয়ে আসছেন। আবাহনীর খেলোয়াড়রা গেইট দিয়ে বের হবে সেইদিকেই সবার নজর। আমি আর শীতল তপন চৌধুরীকে দেখে উনার কাছে গিয়ে সালাম দিলাম এবং আমরাযে উনার ভক্ত সেটা জানালাম। উনিও ভদ্রভাবে আমাদের ধন্যবাদ দিলেন। এরপরই শীতল বলে উঠলো আমাদের মধ্যে দুই বন্ধু আপনাকে পছন্দ করেনা, তাদের পছন্দ নাকি মান্না দে। আপনিই বলুন মান্না দে কি আপনার চাইতে ভালো গায়? তপনদা সাথে সাথে জিহ্বা কামড় দিয়ে বললেন, ছি ছি তোমরা এগুলু কি বলছো। মান্না দে কত বড় শিল্পী উনার সাথে আমার তুলনা করছো। এর পর জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের ওই দুই বন্ধু কারা। আমরা একযোগে বলে উঠলাম, সওগাত্যা আর সেলিম্যা।

এই ঘটনা মনে পড়লে এখনো হাসি পায়।

সকালে অফিসে আসার পথে রাজীবের ফোন


সকালে অফিসে আসার পথে রাজীবের ফোন, "আতিক ভাই আমি ঢাকা আসছি, আপনার সাথে আজ লাঞ্চ করব", - আমি সানন্দে বললাম ঠিক আছে আজ পূর্নিমায় দুই ভাই দুপুরে এক সাথে খাবো। এটা আমার জন্য খুবই আনন্দের ব্যাপার যে, সিএসসএম এর কারো সাথে এক সাথে খাওয়া দাওয়া করা। আমি এই ব্যপার টি খুবই উপভোগ করি।
কিন্ত দুপুর একটা র সময় আমাদের চেয়ারম্যান আমাকে হঠাৎ করে একটি জরুরী মিশনে পুরানো ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। তাই শত ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও রাজিবের সাথে লাঞ্চ করতে পারিনি।

রাজিব, আমি খুবই দু:খিত ও লজ্জিত যে, তোকে কথা দিয়েও কথা রাখতে পারিনি বলে। এই লজ্জা থেকে তুই আমাকে উদ্ধার করতে পারবি যদি আরেক দিন আমার সাথে খাওয়াদাওয়া র সুযোগ ও সময় দিস।

আজকে (০২ জুন) আমার জন্মদিন


আজকে (০২ জুন) আমার জন্মদিন। ভাবছেন কয়দিন আগে না(১৫মার্চ) জন্মদিন গেল। আবার আজকে কেমনে জন্মদিন হয়। আসলেই আমার জন্মদিন তবে সার্টিফিকেট অনুসারে। ক্লাস নাইনে রেজিষ্ট্রেশন সময় স্কুলের কেরানি স্যার মানে শফি স্যার এই তারিখ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে ছিলেন। আমি আগে থেকে যদি টের পেতাম তাহলে ১৫ মার্চ দিয়ে করতাম। একদিন বিকালে স্কুলের মাঠে যখন খেলতে গেলাম। দেখলাম কেরানি স্যারের রুমের সামনে সবাই ভীড় করছে। কাছে গিয়ে কারন জেনে আমারটা ঠিক করতে গেলাম। স্যার বললো " তোঁয়ার গান অই গেইয়ে"। তারমানে আমার জন্ম তারিখ, সাল সবই স্যার নিজ দায়িত্বে আগে থেকে সেরে ফেলেছেন।

Wednesday, June 1, 2016

বন্ধু তোমায়


কি দিয়ে কি করবো বুজতে পারছি না,আমার পরিচিত ওনেক মানুষ আছে, আছে অনেক বন্ধু,কিন্তু আমার বন্ধু গুলা এতো ভাল যে তাদের কোন দিক দিয়ে ফেলে দিবার মত কিছু ই খুঁজে পাইনা,আমি নিজে কে অনেক অনেক সাধুবাদ জানাই যে আমি এই অধম কে আমার এই বন্ধু গুলা বন্ধু বলে মানে ও আমাকে ওরা সময় দেয়,ভালবাসে। এক কথা আমি ওদের বন্ধু হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

সাতে সাতে এখন বলছি আমার ছোট ভাই ও বোন গুলার কথা, আমি মাঝে মাঝে খুব অবাক হই যে, আমার এই ভাই বোন গুলা এতো ভাল যে ওদের কাজকর্ম কথাবার্তা অনেক অনেক ভাল , আমি ওদের সাতে তাল মিলিয়ে চলতে পারবো তো।তোবে হা অবশই পারবো এতো গুলা ভাল ভাই বোন্দের সাতে চলতে চলতে মনে হয় কোন না কোন দিন তাদের সমান হতে পারবো ই ইন্সশাআল্লাহ।এই যে লিখা এটা ছোট ভাই বোন গুলা থেকে শিক্ষা ।

জ্যামে বসে আছি অনেকক্ষন গুলশান ২ এ


জ্যামে বসে আছি অনেকক্ষন গুলশান ২ এর একটি সুন্দর ফুলের দোকানের সামনে। দোকানের কাস্টমারও সুন্দরী সব হাস্যময়ী লাস্যময়ী তরুণী ললনা। আমি এক দৃষ্টিতে চেয়ে আছি, না আজ আমি সুন্দরি দের দিকে তাকাচ্ছিনা। তাকিয়ে আছি সেই দোকানের এক গুচ্ছ গোলাপি রঙ এর গোলাপের দিকে, অনেক দিন পর এই গোলাপি গোলাপ দেখছি। 

আজ থেকে দু যুগেরও আগে এক বিশেষ প্রয়োজনে বিএইচ ওয়ানের তিন তলার পিচ্ছিল কার্নিশ থেকে এই গোলাপি রঙ এর গোলাপ সংগ্রহ করে দিয়েছিল আমাদের পাগলা রাশেদ (মরাইয়া)।

আজো আমি চলার পথে খুজে ফিরি সেই গোলাপি গোলাপ।

ছেলে আমার খুব্বি স্টাইলিশ


ছেলে আমার খুব্বি স্টাইলিশ। বোকাটা ঘরেও জিন্সের প্যান্ট, টি-শার্ট, আর বোতাম খোলা শার্ট, হাতে ঘড়ি ইত্যাদি পড়ে থাকে। রাতে ওসব পড়েই ঘুমাই। ওর দাদুভাই, দিদাসহ আমরা হাজারো চেস্টা করেও ওকে ওর স্টাইল থেকে নড়াতে পারিনি। যদি কেউ বলে "তুমি ঘরে এসব পড়ে আছো কেন? কোথাও বেরাতে গেলে ওসব পড়তে হয়।" তখন আমার 4 বছরের আজানের সাফ সাফ উত্তর "স্টাইল করতে হয়"

ভোরে প্রতিদিন 4:30 টায় আমার মোবাইলে এলার্ম দেয়া থাকে ফজরের নামাজের জন্য। এমনিতেই আমরা যখনি নামাজ পড়ি আজান ওর ছোট্ট জায়নামাজ আর টুপি ওয়ারড্রোব থেকে বের করে পাশে দাড়িয়ে যায়।

আজ ফজরের সময় উঠে আজানকে দেখে আমি আর ওর মাতো অবাক। ওর শোয়ার স্টাইলটাই অবাক করে দিয়েছে।

কুমার বিশ্বজিৎ একজন গুনী সঙ্গীত শিল্পী


কুমার বিশ্বজিৎ একজন গুনী সঙ্গীত শিল্পী। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সম্মানিত ব্যক্তিত্বদের একজন। একাধারে তিনি গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত শিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক। পেয়েছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। 

জন্ম ও প্রাথমিক শিক্ষা চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। যদিও তিনি চট্টগ্রামে বেড়ে উঠেছেন, তবে কর্মজীবনের জন্য তিনি বিভিন্ন সময় ঢাকা আসা যাওয়া করতেন।বর্তমানে চট্টগ্রামের হোটেল সেন্ট মার্টিনের কর্ণধার দের মতো একজন।

গানের প্রতি তার আলাদা টান ছিল। তার গানের একটি আলাদা অভিনবত্ব ছিলো। ৮০ দশকের শুরুতেই "তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে" - এই গানটি দিয়ে সঙ্গীত ভুবনে আলোড়ন ফেলে দেন। তখন থেকেই তিনি বিখ্যাত হয়ে উঠেন।সঙ্গীত জীবনে তিনি অনেক জনপ্রিয় গান গেয়েছেন। বাংলাদেশের নামকরা প্রায় সব সঙ্গীত পরিচালকের সাথে তিনি কাজ করেছেন।

এই গুনি শিল্পী আজকের এই দিনে জন্মগ্রহন করেন। আজকের এই দিনে কুমার বিস্বজিতের প্রতি জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।

(আংশিক সম্পাদিত)

ডায়াবেটিস সম্পর্কে সামান্য ধারণা


Heart attack সম্পর্কে লিখাটা দেবার পর শিউলী আপা বলেছিলো খাবার দাবার নিয়ে কিছু লিখতে। তাই এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।খাবার দাবার এর সাথে ডায়াবেটিস জুড়ে দিলাম কারণ আমরা ডায়াবেটিস না হওয়া পর্যন্ত সচেতন হই না। আমাদের কমন ডায়ালগ এখন খেয়ে নাও, ডায়াবেটিস হলে তো আর খেতে পারবে না!!

ডায়াবেটিস সম্পর্কে সামান্য ধারণা:
ডায়াবেটিস হয় - ইনসুলিন এর অভাবে বা ইনসুলিন যদি আপনার দেহে ঠিক মতো কাজ না করে (এটাকে ইনসুলিন রেসিস্তান্স [resistance] বলে)I

ইনসুলিন এর কাজ:
ইনসুলিন pancreas থেকে নিসৃত একটি হরমোন। রক্তে সবসময় ইনসুলিন আসতে থাকে pancreas থেকে। কিন্তু যখন আমরা খাই, তখন যেহেতু অনেক পরিমান শর্করা এক সাথে রক্তে চলে আসে, তাই তখন অনেক পরিমান ইনসুলিন এক সাথে বের হয় pancreas থেকে । এই ইনসুলিন আমাদের গ্রহণকৃত শর্করাকে প্রসেস করে বিভিন্ন জায়গায় জমা রাখে (যেমন লিভার ও মাংসপেশী), পরে প্রয়োজন মত শর্করI ওই সব জায়গা থেকে বের হয়ে আমাদের শক্তি যোগায়।

আমি যদি তপন চৌধুরী রে পাই তাহলে তোমারে ছেড়ে তপন রেই বিয়া করব


”আমি যদি তপন চৌধুরী রে পাই তাহলে তোমারে ছেড়ে তপন রেই বিয়া করব আমি, প্রেমিকা তার প্রেমিকের উদ্দেশ্যে বলল। উত্তরে প্রেমিক বলল, তপন আমারও অসম্ভব প্রিয় গায়ক, তার কাছে স্বেচ্ছায় তোমারে তুলে দিতে পারলে আমারও কোন আপত্তি নাই”।

ওই মেয়ে তপনরে অবশ্য বিয়া করতে পারে নাই, আবার ওই পোলার সাথেও বিয়া হয় নাই। তবে উপরোক্ত সংলাপ গুলো কিন্ত পুরোপুরি সত্য। সংগীত জগতে তপন চৌধুরী কতটুকু জনপ্রিয় হলে যার কাছে নিজের প্রেমিকারেও বিয়া দিয়ে দেয়া যায়, তা বুঝাতেই এই কথা গুলো তুলে ধরা হলো।

মেলোডিয়াস সংগীতে তপন চৌধুরী তুলনাহীন এক নাম। অথচ তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে সংগীত লাইনে তার কোন শাস্ত্রীয় বা ব্যাকরন গত জ্ঞান নেই।প্রচন্ড পরিমান বিনয়ী হলেই এক জন এত বড় তারকা নিজের `সীমাবদ্ধতা এভাবে স্বীকার করে নেয়। পরে অবশ্য তিনি শাস্ত্রিয় লাইনে অনুশীলন শুরু করেন। এবং রবীন্দ্র সংগীতের এলবামও বের করেন।

৯০-৯২তে জন্ম নেয়া ছেলেমেয়েগুলো হয়তো আমার মতো একটা দোটানায় ভোগে


"৯০-৯২তে জন্ম নেয়া ছেলেমেয়েগুলো হয়তো আমার মতো একটা দোটানায় ভোগে।আমরা খুব সুন্দর একটা ছেলেবেলা পার করে যখন জীবনের মধ্যভাগে ঠিক তখনি আমাদের চারপাশটা এমন ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে যে যারা এর সাথে মানিয়ে নিতে পেরেছে তারা আজ "কুল ডুড" আর যারা ছিটকে পড়েছে তাদের সোজা বাংলায় "ক্ষ্যাত" ।

আমাদের টাইম পাসের জন্য ফেইসবুক ছিলো না। আমরা সারা দিন স্কুলে বাদরামি করে বিকেলে খেলেতে যেতাম।

মাঝে মাঝে এলাকার আপুরা যখন মাঠ ক্রস করতো,বড় ভাইয়ারা এসে ব্যাট নিয়ে বিশাল বিশাল ছক্কা মেরে বল হারিয়ে ফেলতো।কষ্ট করে স্কুলে হেঁটে গিয়ে টাকা জমিয়ে কেনা বল হারানোর দুঃখ যে কি মারাত্মক তা আমরা ছাড়া কেউ বুঝবে না। বাসায় টিভি দেখতে দিতো না।প্রতি শুক্রবার দুপুরে বাংলা ছবি চলতো।এই ছবি দেখার জন্য হয়তো নিজের জীবনও দিতে পারতাম। কোন এক ফাকে টিভি ছেড়ে দেখে নিতাম নায়ক নায়িকা কে। যদি রিয়াজ,সালমান শাহ,বাপ্পা রাজ,শাবনূর,পূর্নিমা হতো তবে বুঝতাম ছবিটা অসম্ভব ভালো হবে।ওই দিন বিকেলে আর খেলতে যেতাম না। তবে অন্য নায়ক নায়িকার ছবি হলে ওতো পাত্তা দিতাম না। সন্ধ্যা ৭.৩০ এর অপেক্ষায় থাকা। অপেক্ষার প্রহর শুরু হতো ঠিক মাগরিবের পর থেকেই। মাগরিবের পর মানেই লক্ষী ছেলের মত পড়ার টেবিলে বসে যাওয়া। বসতাম ঠিকই কিন্তু মাথায় ঘুরতো আলিফ লায়লার সেই শুরুর গানটা। "দেখ সব নতুন কাহিনী,
মন ভরে যায় তার বাণী.........
আলিলললললফ
লায়লালালালালা............"

অন্য'দিন,অন্যরকম


কখনোসখনো একটি দিন অন্যরকম হয়ে যায়। 
অন্য নানান দিনগুলোর মতো নয়। 
চেনা মানুষের পুর্বের আলগা মুখোশ খুলে পড়ে,
এক অপরাহ্নের আলোয় নুতন করে দেখি,
হালকা মেকি প্রসাধন সরে যাবার প্রক্রিয়া বুঝতে পারা যায়,
কিন্তু হঠাৎ অন্যরকম দিনটির আলোয় খসে পড়ে নির্মম বেদনায়।
হঠাৎ সকালটি অন্যসকালের মত নয়। 
চেনা সকাল যেমন দেখি,
ঝলমলে,
মেঘলা,
বরিষনে ঝরো ঝরে,
পাগল হাওয়ায় কি গান গাওয়া,
সুনীল গগন,
না অন্যরকম,অন্যরকম।

Tuesday, May 31, 2016

প্রসংগ : জিপিএ ৫, মেধা,শিহ্মা ব্যবস্থা ও আমাদের সন্তানেরা


গত কাল একটা টিভি চ্যানেলে এ বছর SSC তে জিপিএ ৫ পাওয়া কিছু কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীর মেধা যাচাই করতে গিয়ে তাদেরকে যেভাবে অপমান করেছে সেটা কোনক্রমেই গ্রহনযোগ্য নয়, রীতিমত নিন্দনীয়।

জেনারেল নলেজকে বুধধিমত্তা বা মেধার মাপকাঠি বানিয়ে আমরা জাতিকে Jack of all trades. master of none করে ফেলেছি। এটা আমাদের শিহ্মা ব্যবস্থার বা নিয়োগ পরীহ্মার বড় দূরবলতা। PSC''র পর থেকেই কৃত্ত ভিত্তিক সিলেবাস/শিহ্মা ব্যবস্থা জাতিকে আরো বেশী দহ্ম মানব সম্পদ সৃস্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে । বিশেষজ্ঞ দের বিষয় টা ভেবে দেখা উচিত ।

সন্ধ্যা ৬ টা বাজে, অফিস শেষ


সন্ধ্যা ৬ টা বাজে, অফিস শেষ। বসরে বললাম আমি আজ আপনার গাড়িতে করে বাসায় যাবো। বস কইল ১৫ মিনিট বসেন, হাতের কাজ শেষ করে নেই। সেই ১৫ মিনিট উনার শেষ হইল ১২০ মিনিটে। এরপর আগারগাঁও এসে মিরপুর ১০ এর জ্যাম এড়ানোর জন্য বিকল্প রাস্তা ধরলাম, শালার এমনই কপাল ওই বিকল্প রাস্তায় আখেরি জ্যাম।তার উপর এই বিকল্প রাস্তার শেষ মাথায় এসে দেখি বের হওয়ার পথ বন্ধ। আবার আরেক বিকল্প রাস্তা ধরলাম। এভাবে এখনো চলছি।

এরেই বলে, " প্রেম করবা মনা, ঝাটার বারি খাইবানা তা হবেনা তা হবেনা"।

Anisur Rahman Reza ভাই গত তিন মাসে দুইটা মোবাইল হারিয়েছে


Anisur Rahman Reza ভাই গত তিন মাসে দুইটা মোবাইল হারিয়েছে। অবশ্য এর আগে কয়টা হারিয়েছে আল্লাহ মালুম। তাই রেজা ভাই এবং উনার মত কম বয়স্কদের জন্য পাঁচটি আদেশ/উপদেশ/নির্দেশ/ পরামর্শ দিচ্ছি। এগুলো মেনে চললে আশাকরি মোবাইল হারানোর প্রবনতা রোধ করা সহজ হবে।

১. জিপার যুক্ত পকেট ব্যবহার করা
২. মোবাইল গলায় ঝুলিয়ে রাখা।
৩. সারাক্ষন পকেটে হাত ঢুকিয়ে রাখা।
৪. হেঁটে চলাফেরা করা।
৫. জবলে নুর, সুপ্রভাত, সালসাবিল, অনাবিল, সিটিং সার্ভিস ইত্যাদি পরিহার করা।
তারপরও যদি মোবাইল হারায় তাহলে উচিত হবে মোবাইল নিয়ে রাস্তায় বের না হওয়া।

সামনে রমজান মাস আসতাছে


সামনে রমজান মাস আসতাছে মনে হয় সকলের খুশির বান ডাকতাছে,আর কিছু না হউক এই রমজানের কারণে হগলে পাঁচ ওয়াত্ত নামাজ পড়তে চায়,রমজানে আমরা সকল ঢাকা বাসী কলোনীর পোলাপান বুড়া গুড়া আনডা বাচ্চা এক সাথে হইলে কেমন হয়? অন্তত একদিন হগলে মিলে ইফতার করতে পারি,ইফতার টা মূখ উদ্দেশ্য নহে অনেক দিন পর আবার সবাই এক সাথে হবে এই আশায়, (এমনেই তারিখ মেডিকেলে আসতাছে তখন সবার সাথে সবার কিছুটা সময় হলেও দেখা হবে কিন্তুু সবারতো একসাথে দেখা হবে না মেডিকেলে)

৮০/৯০-এর দশকের কথা


৮০/৯০-এর দশকের কথা। তখন এ সময়কার দিনের মত স্যাটেলাইট চ্যানেল বা ডিশ এন্টেনা ছিলোনা, চ্যানেল ছিলো একটাই “বাংলাদেশ টেলিভিশন”। টিভির উপর ইংরেজী “V” আকৃতির একটা এন্টেনা থাকতো অনেকে আমরা এটাকে আবার এরিয়েল বলতাম। অনেক সময় এ এরিয়লেও কাজ হতোনা, তখন উঁচু বাঁশের মাথায় এন্টেনা বেধে দাড় করে রাখতাম। েএটাকে বলা হতো আউটডোর এন্টেনা। একটু বাতাসে বা অন্য কোন কারনে এ আ্উট ডোর এন্টেনা নড়েচড়ে গেলে টিভির ছবি ঝিরঝির করত। তখন ছাদের উপর বা বাইরে গিয়ে বাঁশ টি ধরে এন্টেনা ঘুরানো লাগতো আর টিভির সামনে থেকে একজন বলত ‘ হয় নাই, আরেকটু ডানে ঘুরাও, আবার বাইরে থেকে তখন বলত ‘ এখন হইছে, ভিতর থেকে জবাব আসতো না হয় নাই, এভাবে অনেকক্ষন চেষ্টার পর ঘরের ভিতর থেকে ক্লিয়ারেনস আসতো “ হু, এখন ঠিক আছে।এভাবে এন্টেনা ঘুরিয়ে ঠিকমত টিভি দেখার ব্যবস্থা করতে পারলে নিজেকে বিরাট ইঞ্জিনিয়ার মনে হতো। আর এ এন্টেনায় এলুমুনিয়ামের হাড়ি পাতিল লাগিয়ে শুধু বিটিভি না, তার পাশাপাশি ভারতের ডিডি ন্যাশনাল (সেই সময়ের ডিডি ওয়ান) চ্যানেল দেখা যেতো। সন্ধ্যার পরে দেখতাম ডিডি বাংলা (সেই সময়ের ডিডি সেভেন)েএ চ্যানেল দুটোতে ইন্ডিয়ান আন্যান্য অনুষ্ঠান দেখার পাশাপাশি সময় ভারতে অনূষ্ঠিত টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচও দেখা েহতো এ এন্টেনার সাহায্যে। 

এখনো হয়তো অনেকের মনে পড়তে পারে, দেয়ালে লেখা সেই বিজ্ঞাপন টির কথা----

"দূরদর্শনের ছবি ঝকঝকে ও পরিষ্কার দেখতে আসল ব্রিটানিয়া টিভি অ্যান্টেনা ব্যবহার করুন"। 

আজ কেনো জানি মনে হয় এখন কার স্যাটেলাইট যুগের চেয়ে সেই এলুমুনিয়ামের হাড়িপাতিল লাগানো এন্টেনার সহজ সরল যুগ টাই ভালো ছিলো।

ছেলেদের সাথে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে


ছেলেদের সাথে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে অনেক ক্রিকেটতারকাকে মোটামুটি চিনি|তবে স্বদেশের ক্রিকেটারদের আরো ভাল করে চিনি|একবার আমরা ৩জনেই সব ক্রিকেটারদের ছবি,ষ্টিকার দিয়ে পুরো ঘর খেলাঘর বানিয়ে ফেলেছিলাম|ক্রিকেট সম্পর্কীয় ১টা মোটা ফাইল আমার ছেলেরা তাদের ফাইলের সাথে সযতনে আলমারিতে রেখে দিয়েছে| সন্তানসম মুস্তাফিজকে টিভিতে দেখে ভাবছি বাংলার এই সম্পদকে যথাযথ ভাবে রাখতে পারবোতো!সদা জয়ী হোক আমাদের গর্ব,আমাদের অহংকার,আমাদের ছেলে মুস্তাফিজ|পুষ্পবৃষ্টি হোক সর্বদা!

Monday, May 30, 2016

৫ দিনের মধ্যে টানা ৩ ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মত আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হলো হায়দ্রাবাদ


৫ দিনের মধ্যে টানা ৩ ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মত আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হলো হায়দ্রাবাদ। ব্যাংগালোর ১০ ওভারে বিনা উইকেটে রান ১১৪ করলেও মুহুর্তেই পাল্টাল দৃশ্যপট,হারল ৮ রানের ব্যবধানে । টুর্নামেন্ট জেতাতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।

ব্যাংগালোরের ফাইনালে খেলার ক্ষেত্রে ভাগ্যও তাদের সহায়তা করেছে। এলিমিনেটর ও ফাইনাল উভয় ম্যাচই তারা খেলেছে নিজেদের মাঠে যা টুর্নামেন্টের পূর্বসূচী অনুযায়ী হবার কথা ছিল মুম্বাইয়ে। তবে কোহলির ফর্ম আসলেই অবিশ্বাস্য, কিভাবে এত ধারাবাহিক খেলতে পারে একজন মানুষ ??? ১৭ ম্যাচে হাজারের কাছাকাছি রান করেছেন কোহলি।

যাই হোক পুরো টুর্নামেন্টে উজ্জ্বল ছিলেন মুস্তাফিজ। ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়েছেন, টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ছিলেন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তালিকার সেরা ৫ এ। দেশের বাইরে প্রথম আইপিএল খেলতে গিয়ে দেশের পাশাপাশি বয়ে এনেছেন দেশের সম্মানও, এতেই আমরা গর্বিত !! :-)

গতকাল (২৯/৫/১৬) সারাটি দিন জুহি ময় গিয়েছে


গতকাল (২৯/৫/১৬) সারাটি দিন জুহি ময় গিয়েছে, বরাবরের মত সকালে অফিস যাওয়ার পথে গাড়িতে জুহি অভিনীত ছবি গুলার গান শুনতে শুনতে অফিসে যাওয়া, অফিসে গিয়েই ফেসবুকে দেখি আমার ছবির সাথে জুহি চাওলার ছবি জুড়ে দিয়ে Rubina Akter Shireen আপার পোস্ট। আমার জন্য সত্যিই বিশাল ব্যাপার। জুহি চাওলা কে নিয়ে এভাবে কখনো কিছু পাইনি। সেই ৮৯ সাল, যখন ক্লাস নাইনে পড়ি তখন থেকেই জুহি চাওলার প্রতি আমার ব্যাপক দুর্বলতা যা আজো অবধি সমান ভাবে অটুট। কলোনীর বাসায় আমার রুমে সবসময় জুহি চাওলার পোস্টার বা ম্যাগাজিন কাটিং লাগানো থাকতো। সম্ভব হলেও এখন কার বাসায়ও লাগিয়ে রাখতাম। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী র জন্য সম্ভব নয়। যাক সে কথা, এরপর দুপুরে খাওদাওয়ার পর অফিসে জুহি র সাথে দু দফায় ঘন্টা দেড়েক সময় কাটানো। এরপর অফিস ছুটি শেষে আবারো জুহি অভিনীত সিনেমা গুলোর গান শুনে শুনে বাসায় গমন। একটু ফ্রেশ হওয়ার পর ফেসবুকে মেসেজ জি টিভিতে নাকি জুহির সিনেমা দেখাচ্ছে, টিভি ছেড়ে দেখি ডিশ লাইন নাই। কি আর করা, আবারো ইউ টিউব আবারো জুহি।

গতকালের পোস্টের জন্য শিরিন আপাকে আবারো শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।

কি যেন কি ফেলে এসেছি


কি যেন কি ফেলে এসেছি। বুকের মাঝে তীব্র মোচড়, চোখের কোণায় পানি এসে পড়া। কিছুক্ষন বোধ হীন। আকাশের দিকে তাকিয়ে ধুয়া উদগীরন। গাড়ির তীব্র হর্নে চেতন ফিরে আসা।সেই হেমন্তের ঘ্রাণ শুকতে থাকা।

অথবা,
কিছু স্বপ্নিল সময়, বুকের মাঝে খালি খালি লাগা, একটু কষ্ট কিংবা কোথায় যেন অপরাধ বোধ। স্পর্শের ব্যাকুলতা। নিভৃতে স্বপ্নিল সময় নিয়ে ভাবা। তন্দ্রাবিহীন রাত, মন অস্থির।

অত:পর, এমন তো হওয়ার কথা ছিলনা।

সদ্য আই,পি,এল, ভাবনারে যে হাওয়ায় মাতালো


আই,পি,এল এর দুন্দুমার আতশবাজি নিভে গেছে। ফাইন্যাল ও স্নায়ুচাপি উত্তাপ শান্ত হবে ধীরে।
কারো কারো ভ্র-কুঞ্চিত সন্দেহ ,ক্রিকেটের টি-২০ ফরম্যেট এই আসরটির প্রতি। 

হাজার হাজার কোট টাকার খেলা,শত শত জুয়ারীর হরেক পশরা। আরেক ডব্লিউ ডব্লিউ এফ এর নিঁখুত মঞ্চায়ন। খেলাটির পুরো আমেজটাই বদলে গেছে শুরুর সেদিন থেকেই। তাবৎ বিশ্ব ক্রিকেটে এর প্রভাব পড়েছে। কত ক্রিক-পিএল। হোই হোই কান্ড। আমার মনে হয় ক্রিকেটিয় সংস্কৃতিতে বিরাট ঝাঁকুনি। এর পক্ষে-বিপক্ষ মন্ত্যব্য করছি না। ভবিষ্যত দেখবে। তবে মনে হয় সেই দিনের চ্যানেল নাইনের মিঃ ক্যারি প্যকার্সের জারিজুরিকে ও ম্লান করেছে একালের ক্রি-পিএল। 

ক্যারি প্যকার্স ইতিহাস হয়ে গেল। 

দ্রুপদী টেষ্ট ক্রিকেটে কালে ভদ্রে ছক্কার দেখা মিলতো। উদাহরণ ভেঙ্গসরকারের পুরো কেরিয়ারে ছয়টি ছক্কা আছে কিনা খুঁজে বের করতে হবে,আর এক আসরেই হাজার ছক্কা ছুঁই ছুঁই,এক্কেবারে মুড়ি-মুরকী,পপকর্ণ কুচুর মুচুর।

একজনের হাজারের কাছাকাছি রান,বিশ-বাইশটা উইকেট,অবিশ্বাস্য সব কেচ,ষ্টাম্পিং,রানআউট আহা চোখ সরানো যায় না মাঠ বা টিভি পর্দা থেকে। 

মন ভাল নেই


মন ভাল নেই,কিছু ই ভাল লাগছে না,কি কারন কি করবো তাও জানিনা,কেন যে এই ভাল লাগা আল্লাহ দিছিল তাও বুজিনা,আমার সব কিছুওতেই অনিহা ভাল লাগে না,শুধু শুধু হাহাকার, কি হবে এই হাহাকার করে তাও জানি না।চারি দিকে শুধুই হাহাকার আর না,নেই,পারবো না।

এই না,নেই,পারবো না শুনতে শুনতে আমার সব এতো ভাল লাগছে তা বলে বুজাতে পারবো না।যার উপসঙ্ঘার হলঃ মন ভাল নাই,কিছুই আমার বলার বা করার নেই।এ খা নে-------------কিছুই বুজার নেই।

না-- না -------------------------------না-----------------------------------অভিধানে এই শব্দ আর রাখবো না।

ডাক্তার মহাশয় প্রায় ১ মাস আগেই কোলেস্টেরল (লিপিড প্রোফাইল) টেস্ট করতে বলেছিলেন


ডাক্তার মহাশয় প্রায় ১ মাস আগেই কোলেস্টেরল (লিপিড প্রোফাইল) টেস্ট করতে বলেছিলেন, আজ করব কাল করব এভাবে আলসেমো করতে করতে এতোদিন করা হয়নি। পোলাপানের হৃদয় ব্যাথা শুনে আতংকে গতকাল সকালেই ব্লাড দিয়ে রাতে রিপোর্ট পেলাম। টোটাল কোলেস্টেরল স্বাভাবিক থাকলেও। triglycerides এর পরিমান বেশি। যেটার সর্বোচ্চ স্বাভাবিক অবস্থা থাকা উচিৎ ১৫০ mg/dlসেটা আমার আছে 300 mg/dl. মাস সাতেক আগেও ছিল আমার 200 mg/dl. মানে এই triglycerides দিন দিন বাড়ছে। যে ডাক্তার সাহেবকে দেখাই, উনি আবার দেশের বাইরে আছেন। উপায়ন্তর না দেখে চিটাগাং এ আমার পরিচিত এক ডাক্তারের সাথে ফোনে আলাপ করলাম। উনি একটি ঔষধের নাম বলে দিলেন খাওয়ার জন্য। আর রিচ ফুড একেবারে নিষেধ। এবং প্রতিদিন কমপক্ষে এক ঘন্টা হাঁটতে বললেন। এটা ঠিক আমি খুব কম হাঁটি ( কলোনি হইলে বুঝানো যাইত আমি কেমন হাটতে পারি, পুকুরপাড় দিয়া মিনিমাম ১০ চক্কর, কোলেস্টেরল এর বাপও পালাইতো)। কিন্তু রিচ ফুড!! আমি হইলাম ডাল ভাত কর্মসূচির পাবলিক। রিচ ফুডের আশেপাশেইই নাই। তারপরও শালার এই "কলস মলস "মার্কা ভেজাল আমার কাছে।

রাতের বেলা ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন দেখি কে জানি কইতাছে,আতিক্কা তোমার হাঁটা হাটি করা আর সব্জি খাওয়া ছাড়া কোন উপায় নাই। সারাদিন বইসা বইসা জুহির সিনেমা দেখোন ছাড়ন দেও।

KIND ATTN: REJA AND RIPON


আমরা সবাই তো মানুষ , তাই বলছি এক জন মানুষ কত গুলা দিক এক সাতে সামাল দিতে পারে,যত ই আমরা বলি আমি পারবো, হা পারব, তারপরেই বুজা যায় পেরেছি কিন্তু কিছু হারিয়েছি, যেমন হতে পারে ভুল করে চাবি ফেলে গেছি,না হয় চশমা, না হয় কাগজের বেগ, না হয় চোরা বেটা নিয়ে যায় মোবাইল, না হয় পকেটের টাকা এই সব, তাই বলছি আর কত রেজা নিজের প্রতি খেয়াল রাখ, নিজে বেঁচে থাকতে হবে তবেতো তুমি সবার জন্য করবে,তুমি যা করচো তা আমাদের অনেকের দ্বারা সম্ভব ই না , হা তোর সাতে আছে রিপন ও, তাই বলছি ভাই,বন্ধু,মামু,নিজের শরিরের প্রতি ও মোবাইল,টাকা,অফিস,ঘর,তারপর অন্যের জন্য কিছু কর।ভুল হলে ক্ষমা করিস,ভাল থাকিস।

তারিকের ফের ঢাকায় আগমণ


দু:খের পিঠেই নাকি সুখের বসবাস। রেজা ভাইয়ের মোবাইল চুরি হওয়াটা আসলেই দু:খজনক। কারন আগেও এরকম পরিস্থিতিতে তিনি পড়েছিলেন। আর বর্তমানে আমরা মোবাইল ছাড়া যে কতটা অসহায় সেটা সবাই জানি।

সে যাই হোক, এবার তাইলে একটা সুসংবাদ দিচ্ছি।

তারিক
কাল আবার রি-ট্রিটমেন্টের জন্য ঢাকা আসছে। এর মধ্যে আমরা আগেই সবাই জেনেছি তারিক বেশ কিছু জটিল রোগ নিয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিল। পরে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সকলের ডিসিশনেই তারিককে নাটোরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু শীতকাল, ডাক্তারের (ড: মনিরুজ্জামান) দীর্ঘদিন বিদেশ থাকা, বিভিন্ন ছুটিছাটা ইত্যাদি কারনেই কিছুটা দেরী হয়ে গেছে। তার উপর শুধুমাত্র ছোট একটা ভুলের কারনেও কেবিন পেতে দেরী হয়েছে।

কাল early morning তারিক ঢাকা মেডিকেলে আবার এডমিড হবে। ইনশাহ আল্লাহ সবকিছুর চিকিৎসা হবে, সাথে অপারেশনও। গত দুইদিন আগে ইসিজিতে তারিকের হার্টে সমস্যা ধরা পড়েছে। আল্লাহ সহায় থাকলে কোন সমস্যাই সমস্যা না।

Sunday, May 29, 2016

নিজেরে আবারো কেমন জানি ফেসবুক সেলেব্রিটি মনে হইতাছে


নিজেরে আবারো কেমন জানি ফেসবুক সেলেব্রিটি মনে হইতাছে, কিছুক্ষন আগে বাসার কাছে এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আমার ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট আনতে গেছিলাম। হঠাৎ সেখানে একজন মহিলা তার হাসব্যান্ড সহ খুব আন্তরিক ভাবে আমার সাথে পরিচিত হলো, আমি জিজ্ঞেস করলাম আমাকে চিনলো কিভাবে, আবারো সেই চির পরিচিত উত্তর, ফেসবুকের মাধ্যমে। ভালোই লাগছে ফেসবুকের মাধ্যমেই পরিচিত হচ্ছি সবার কাছে।

জয়তু ফেসবুক, জয়তু সিএসএম কলোনি।

আর হ্যাঁ, সেই পরিচিত জন হচ্ছে আমাদের কলোনির বড় ভাই বাবুল ভাইয়ের ছোট বোন Rowshonakter Lepe ( ৯৪ ব্যাচ)।

তোমাকে অভিবাদন ছোট বোন লিপি।

গত বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া এসেছিলাম অফিসের কাজে


গত বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া এসেছিলাম অফিসের কাজে | নানা ব্যস্ততায় এবং কিছুটা অসুস্থতার কারণে কুষ্টিয়ার দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখার ইচ্ছা থাকলেও সময় করে উঠতে পারিনি | বিশেষ করে Taskiatun Nur Tania আপুর বুড়ো প্রিয়তমের 😜কুঠিবাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও সময় করে উঠতে পারিনি |

একই কাজে আজ আবার কুষ্টিয়া আসার সুযোগ হলে কুঠিবাড়িতে যাওয়ার সুযোগ আর হাতছাড়া করিনি | অফিসের কাজ সিস্টেমে ফেলে দিয়ে গাড়ি নিয়ে ভোঁ দৌড় ! লালনের মাজার, বিষাদ সিন্ধুর রচয়িতা মীর মোশাররফ হোসেনের পৈতৃক ভীটা , হার্ডিঞ্জ ব্রীজ ঘুরে তানিয়া আপুর প্রিয়তমের কুঠিবাড়িতে গিয়ে দেখি, আজ সাপ্তাহিক বন্ধ !! মেজাজটা চাংগে উঠে গেলো !! দারোয়ান ব্যাটা সম্মান করে বাহিরের গেট খুলে দিলে ভিতরে গিয়ে তানিয়া আপুর জন্য কয়েকটা ছবি তুলে নিই | অন্দরমহলের চাবি কিউরেটরের কাছে থাকায় অন্দরমহলে যেতে পারিনদেই| সময়ের স্বল্পতা থাকায় ভদ্রলোক চাবি নিয়ে আসতে চাইলেও মানা করে দেই| বাহির থেকেই কিছু ছবি তুলে কুলফি খেতে খেতে সেলফি তুলে চমৎকার একটি দিন কাটিয়ে ফিরে যাচ্ছি জেলখানায় |

এই দুনিয়াতে সকল মানুষ ই মনে হয় তার নিজের প্রসংশা সুনতে অভ্যস্ত


এই দুনিয়াতে সকল মানুষ ই মনে হয় তার নিজের প্রসংশা সুনতে অভ্যস্ত ,যে মানুষ যাকে যত বেশি তেলাতে বা প্রসংশা করতে পারে সেই মানুষ তার কাছে তত ভাল, আর এই সব জাগায় আমি বেতিক্রম আমি প্রসংশা না করে তাকে সত্যি টা বলে দেই, তাতেই আমি দোষী হয়ে যাই,তারপর ও আমি সত্যি টা বলবই,আর কোন মানুষ কোন কথাটা দিয়ে সত্যি কথা বলছে না তেল দিছে এইটা যদি না বুজে তাহলে কি বলা বা ভাবা উচিত।তবে এই বেপারে আমি পুরাই বেকুব মানুষ কারন যে কোন মানুষ যা বলে আমি তাই সত্যি বলে বিশ্বাস করি তাতেই আমি বেশি ধরা খাই।কিন্তু কোনটা আমাকে তেল দিছে এই টা খুব ভাল ভাবে বুজতে পারি,তাই সকলের কাছে বিনিত অনুরোধ কাউ কে নিয়ে মিথ্যা প্রশংশা করবেন না।

কিছুক্ষণ আগে Mohammed Kamar Uddin ভাই জুহি ও মাধুরির ফ্যান পেজের


কিছুক্ষণ আগে Mohammed Kamar Uddin ভাই জুহি ও মাধুরির ফ্যান পেজের একটি তুলনামূলক চিত্র দিয়ে বলেছিলেন, এটা দেখে আমি টাস্কি খাবো। আমি সত্যিই টাস্কি খেয়েছি। শুধু টাস্কি নয় আমি মর্মাহত, উদ্বিগ্ন। কারন জুহির পেজের লাইকারের সংখ্যা ৮লাখেরও অধিক। জুহির লাইকার এতো জন হবে কেন? আমি ভেবেছিলাম জুহির লাইকার শুধু আমি একাই থাকবো আর কেউ নয়। আমি কায়মনোবাক্যে আশা করছি জুহির লাইকার দিনে দিনে আরো কমতে কমতে এক জনে নেমে আসুক, আর এই একজনই শধুই আমি। আমি আরো আশা করছি আমাদের মাধুরী শিক্ষিত মামীর লাইকার ২ কোটি থেকে ২০০ কোটিতে পরিণত হোক। উনারে লই বেকে কাড়াকাড়ি করুক।

মঞ্চ কাঁপিয়ে টেলিভিশনে এলেন তিনি


মঞ্চ কাঁপিয়ে টেলিভিশনে এলেন তিনি, ট্র‍্যাডিশনাল পুতু পুতু প্রেমের নায়ক চরিত্রের সংজ্ঞা পালটে দিলেন। তারপর চলচিত্রে।সেখানেও গৎবাঁধা ভিলেন ও কমেডি চরিত্রের ধারা বদলে দিলেন। দেখা গেল দর্শকের কাছে নায়কের চেয়ে ভিলেনই জনপ্রিয়। কথাবার্তা চালচলনে প্রচন্ড ক্যাজুয়াল ছিলেন তিনি।

মঞ্চ থেকে চলচ্চিত্র সর্বত্রই ছিল তার সাবলীল ও রাজসিক পদচারণা। অভিনয়ের ভেতরে চলে যাওয়ার অপূর্ব ক্ষমতা। মিশে যাওয়া অভিনয়ের সাথে।অভিনেতা যায়, আসে। কিন্তু কিংবন্তি তৈরি হয় সচরাচর। একবার গেলে আর আসে না। নজরুলের ধুমকেতুর মত-‘আমি যুগে যুগে আসি; আসিয়াসি পুনঃ মহাবিপ্লব হেতু। এই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধুমকেতু’। এরা বার বার আসে না। শত বছরে আসেন একবার। এসে বিপ্লব সাধন করেই চলে যান।

হ্যাঁ , আমি হুমায়ুন ফরিদীর কথা বলছি। অভিনয় জগতের সত্যিকার কিংবদন্তী এই অভিনেতার ৬৪ তম জন্মদিন আজ। আজকের এই দিনে এই গুনীর প্রতি রইল সিএসএম কলোনী গ্রুপের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা ও অভিবাদন।যেখানেই থাকুন মহান সৃষ্টিকর্তা আপনাকে ভালো রাখুন।

Saturday, May 28, 2016

বেশ কয়েক দিন ধরেই বুকে চিন চিন ব্যাথা হচ্ছিল


বেশ কয়েক দিন ধরেই বুকে চিন চিন ব্যাথা হচ্ছিল। তার উপর মামুইন্যার নলা তেলেসমাতি আর তারিকের কারিগরি শুনে মনে হচ্ছিল ব্যাথা টা আজ আরো বেশি করছে। তাই ইসিজি করে আসছি কিছুক্ষণ আগে। লিপিড প্রোফাইল সহ আরো কিছু ব্লাড টেস্ট আগামী কাল সকালে খালি পেটে করতে হবে। ইসিজি যে মহিলা আফায় করছেন ( নাম কইতাম না আজকা) উনি কইছেন ইসিজি রিপোর্ট নরমাল। ভয়ের কিছু নাই। বুঝলাম না বুকের ব্যাথা কি ভাইরাস আকার ধরল নাকি? মামুইন্যার তেলেসমাতি র পর দেখি অনেকেরই বুকের পেইন বাইরা গেছে। 

আমার অবশ্য শৈশব কাল থেকেই হৃদয় একটু দুর্বল। তার উপর আমার জুহিরে লই কমু ভাই যা কইতাছে, হৃদয় আরো দুর্বল হই যাইতাছে।

গতকাল Ria Momin চাচির আমন্ত্রনে KEPZ rest house এ যাওয়ার পরে


গতকাল Ria Momin চাচির আমন্ত্রনে KEPZ rest house এ যাওয়ার পরে আমাদেরকে অনেক নাস্তা, আপেল, লিচু, চা খেতে দিল। এই সময় KEPZ এর GM মহোদয় আসলো। উনি আসার সময় জাম নিয়ে আসলো। আর বললো এই জাম সিএসএম মজসিদের পাশের গাছের। ঈমাম হুজুর উনাকে দিয়েছে। সবাই খেলাম। খাওয়ার পরেও অনেক জাম রয়ে গেলো। Mdnurul Kabir Niru ভাই Taskiatun Nur Tania 'র কথা বলে চাচীর কাছ থেকে অবশিষ্ট জাম গুলো চেয়ে নিলো। কিন্তু বাহিরে এসে দেখলাম উল্টোটা।

আর ভাল লাগে না


আর ভাল লাগে না । আজ সারাদিন স্কুলে কাটাইলাম ।কাল থেকে স্কুল ছুটি শেষ ।মানিক ভাই গত মাসে মেসেজ দিছিল চিটাগাং আইসবো ১২ .১৩ তাং ।কই ?তিনি তো গত দেড় মাস ধরি busy ফল ফুরুট এর ছবি লই ? আরে কিল্লাই মিছা স্বপ্ন দেখায়ছেন ?শুধু শুধু আর ১২০০ টাকা খরচ হইছে নতুন ডেরেস বানাই । আর আমগো আতিক ভাই কইছিল আরে ডাল ভাত খাওয়াই বো । আই বলছিলাম বিরানী খামু । তিনি কইছিলেন খাওয়ামু । এই মাসে রোয়ানু সাবরে লই ঢাকাত তুন চাঁটগা আইছেন ।but আমারে বিরানী খাওনের কতা ভুলি গেছেন গই ? কি দরকার আছিল আরে জিহবাত পানি ফালনের । আর নিরু ভাই কতা কমু নি ?তিনি আরে কি কইছিলেন ? নিরু ভাই এর যদি . . . . . . থাক তারে আর শক্ত কতা কমু না । হার্টের রুগী । আতিক্কা কিছু হই গেলে তো আরে উত্তম মইধ্ধম দিবেন আন্নেরা বেবাকে ।কেউ কতা রাখে না । ;-(

১৫/২০ দিন থেকে বুকের বাম পাশে ব্যাথা হচ্ছিলো পাত্তা দেই নাই


১৫/২০ দিন থেকে বুকের বাম পাশে ব্যাথা হচ্ছিলো পাত্তা দেই নাই। মনে করেছিলাম গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা। গতপরশু Shadiqul Hoque Polash ভাইয়ের পোস্ট পরে মনে খটকা লাগে। গতকাল সন্ধ্যায় ব্যাথাটা বেরে গেলে স্থানীয় একটা ক্লিনিকে ইসিজি করাতে যাই। ইসিজি তে হার্টের সমস্যা ধরা পরে। ডাঃ কিছু অসুধ লেখে দেয় এবং উপদেশ দেয় একজন ভালো হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করতে। বিষয়টা আমার বন্ধু ডাঃ Abdus Samadএর সাথে আলোচনা করি এবং তার কাছে ইসিজি রিপোর্টের ছবি সেন্ড করি সে সেটা দেখে একই সমস্যার কথা বলে যা স্থানীয় ডাঃ বলেছিলো। গতকাল রাত থেকে দুইটা অসুধ শুরু করেছি। ব্যাথা কিছু কম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন বড় ধরনের কোনো হার্টের সমস্যা থেকে যেনো আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেন। মনের দিক থেকে অনেক দুর্বল হয়ে পরেছি। আল্লাহ তুমি রহম করো।

মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল


মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। আজকে আমার খুব পছন্দের মোমিন চাচা আর চাচী চিটাগাং আসলেন, আমাদের ডাক্লেন কিন্তু যেতে পারলাম না। আশলে ৪টায় অফিস থেকে এসে হোম মিনিস্টারের ডিউটিতে কর্নেল হাট যেতে হয় শ্যালিকার বাড়িতে কারন কিছুদিন আগে শ্যালিকার মেয়ের জন্মদিনে যেতে পারি নাই ব্যস্ততার কারনে। বুজতেই পারছেন ডিউটিটা কতো কড়া ছিল। কিন্ত সকালে জানলে হয়ত একটা রাস্তা বের করা যেত। ওদিকে দুলাল স্যারকেও দেখতে যেতে পারি নাই। Nazmul Huda ভাইয়ের কাছে আগেই excuse চেয়েছি এখন চাচ্ছি সকল csm ভাইদের কাছে যারা হয়তো আমার উপস্থিতি আশা করেছিল। আর Ria Mominচাচা চাচীকে কি আর বলবো! আফসোস রয়েই গেল!

Friday, May 27, 2016

হার্ট অ্যাটাক


I felt I should write something about our day to day life’s medical problem after I talked with Mamun. I tried to simplify heart attack. I hope this will help our people. There might be some mistakes in my English to bangeli translation. Sorry for the size of the post. 

[I took help from the website of National Institute of Health (NIH). It is free website. Anybody can learn about all the common medical problem from this website.]

হার্ট অ্যাটাক কি?
যখন heart এর রক্তনালীতে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত প্রবাহ হঠাৎ অবরুদ্ধ হয়ে এবং heart যথেষ্ট অক্সিজেন না পায় তাহলে heart muscle মারা যেতে থাকে, এটাই হার্ট অ্যাটাক.
Heart attack এর বিভিন্ন নাম আছে:
মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (Myocardial infarction)
তীব্র মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (Acute Myocardial Infarction)
তীব্র করোনারি সিন্ড্রোম (Acute coronary syndrome)
করোনারি রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা (Coronary thrombosis)
করোনারি অবরোধ (Coronary occlusion)
একটি হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো কি কি?

সময় হচ্ছে সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি


সময় হচ্ছে সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি। সময়ের কারনে অনেকে সবকিছুতেই হেরে যায়, আবার এই সময়ের হাত ধরে আবার অনকের বিশাল জয় আসে। এই সময়ের কারনে অনেক প্রশ্নের কোন উত্তর নেই, আবার অনেক কিছু রয়ে যায় অমীমাংসিত আর রহস্যময় এই সময়ের জন্যই। সময় এত দ্রুত চলে যায় যে পুরানো অনেক হিসাবই মেলানো যায়না। হোঁচট খেতে হয়।

ধুর!!! ছাতার মাথা কি লিখলাম ফেসবুকই জানে। আসলে সনধ্যা থেকে মন খুব বিষন্ন হয়ে আছে।

৯০ এর দশকে টিভিতে ঔষধ কোম্পানি "সিবা গেইগি" (বর্তমানে নোভারটিস) একটি এড দিত, সেখানে একটি ডায়ালগ ছিল " বিষন্নতা একটি রোগ, আজই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন"।

আচ্ছা আমি কোন চিকিৎসক এর পরামর্শ নিব??

Thursday, May 26, 2016

ঝিরঝির বৃষ্টি,, দেয়াল বেয়ে উঠে প্রবল বেগে বয়স বাড়াচ্ছে জংলী লতা পাতা গুলো


ঝিরঝির বৃষ্টি,, দেয়াল বেয়ে উঠে প্রবল বেগে বয়স বাড়াচ্ছে জংলী লতা পাতা গুলো।

মাঝে মাঝে অর্থ হীন ভাবে চিন্তা করি ওই জংলী লতা পাতা গুলোর কি চিন্তা শক্তি আছে ?আচ্ছা এ সব উদিভদ গুলো কি আমার মত নষ্টালজিয়ায় ভোগেনা??

এই লতা গুলোর কি ইচ্ছে করেনা তার অংকুরের সময় গুলোতে ফিরে যেতে ? মনে হয় করেনা, ও রকম হলে তো লতা নুইয়ে পড়ত।

আমার খুব ইচ্ছে করে, চলে যেতে সেই কৈশোরে, যেখানে ব্যস্ততা নেই, জটিলতা নেই যেখানে সবুজ মন ছুটে চলে দুরন্ত গতিতে কলোনীর এ মাথা ও মাথা।

ইচ্ছে করে, সেই সহজ সরল জীবন টা ফিরে পেতে। দুরু দুরু বুকে নিষ্পাপ চাহনী, তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে পাগলা রাশেদের সাথে বিরাট ৈহৈ চৈ, দশ মিনিট পর আবার একটা সিগারেট নিয়ে ভাগাভাগি করে খাওয়া।দুটো গোল সেভ করতে পারলে বা দুটো চার মারতে পারলে নিজেকে বিরাট ফুটবল বা ক্রিকেট খেলোয়ার মনে করা।

ইচ্ছে করে আগের মতন, এই যন্ত্রনাময় জটিল জীবনের বাইরোে- কেবল মা কিংবা বাবার বকুনির ভয়টাই যেনো থাকে আজীবন বুকের ভেতরে।

এই যে এক জীবন যেখানে সবকিছুর মানে লুকিয়ে থাকা -ইচ্ছে করে এ জটিলতা থেকে পালিয়ে যাই আমার সহজ সরল ওই কৈশোরে।

আচ্ছা নষ্টালজিয়া কাকে বলে?
প্রচন্ড ভাবে কৈশোরে ফিরে যাবার প্রবনতা, সেখান থেকে ফেলে আসা স্মৃতির বুকে লাফালাফি করতে, শৈশবের গালে চুমু আঁকতে মন চাচ্ছে।বুকের মাঝে তীব্র ধুকধুকানি হচ্ছে, পেছনের কিছু ভুলকেও যেন মনে হচ্ছে ফুল ।

যখন তখন ফিরে যেতে ইচ্ছে হচ্ছে পেছনের সময়ে; যেই দ্রুতযানে করে এসেছি আজ এই জটিল জীবনে- মন চায় খুব ভোরেই সেই দ্রুতযানে চড়ে আবার ফিরে যেতে আমার সেই স্বর্ণালী কৈশরে।

এটাই বোধ হয় সেই নষ্টালজিয়া। ভীষণ ভুগছি এই নষ্টালজিয়া রোগে।।

কোন ভাল কাজ করতে গেলে পিছুটান বা নেগেটিভ কথা আসবেই


আস সালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই, আশাকরি ভাল

কোন ভাল কাজ করতে গেলে পিছুটান বা নেগেটিভ কথা আসবেই কিন্তু তাতে কোন কিছু আসে যায় না যদি আমার নিয়ত পরিস্কার থাকে। আত্ত্বতৃপ্তি ও মনের প্রশান্তি হল আসল কথা। আমাদের সমাজে খারাপ মানুয যেমন আছে তেমনি ভাল মানুযও আছে। এই ভাল মানুয গুলো আছে বলেই ভাল কাজ করে আনন্দ পায়। নিজেকে মানুয বলে মনে হয়। কারো কপালে লিখা থাকে না কে ভাল কে খারাপ। বিশ্বাস নিয়ে কাজ করে যেতে হবে কেউ যদি বিশ্বাসঘাতকতা করে সেটার ফল তাকে ভোগ করতে হবে আজ হউক বা কাল হউক। যার যার কর্মের সে অবশ্যই ভোগ করবে। এটাই জগতের নিয়ম। আল্লাহ্‌ এর বিধান যা অমান্য করার কারো সাধ্য নাই।

Mosaddeque Ali, Ziaul Hasan Anisur Rahman Reza, Ripon Akhtaruzzaman, Jashim Uddin Atiq Csm Masuk Elahi Nazmul Huda

ভাই সহ csm colony এর ছোট বড় সকল ভাই বোন কে ওনুরোধ যে যাই বলুক নিজের নীতিতে অটুট থেকে সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ইউনিটি ও মানব কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত করুন।

চন্দন চাচি ও পাপ্পুর জন্য আমাদের দ্রুত কিছু কাজ করেতে হবে। ভাল মন্দ চিন্তার কিছু নাই। সকল দ্বিধাদন্দ ভুলে তারাতারি তাদের জন্য কিছু করতে হবে। এখনিই সময়।

প্লিজ আমার অনুরোধ টা ভেবে দেখবেন সবাই।

২০০৭ সালে প্রথম ভারত সফরে গিয়েছিলাম


২০০৭ সালে প্রথম ভারত সফরে গিয়েছিলাম। প্রথম দিন কলকাতায় থাকলাম। কারন তারপরের দিন বিকাল ৪.৩০ টায় রাজধানী এক্সপ্রেস এর টিকেট। উদ্দ্যেশ্য প্রথমে দিল্লি যাবো পরে সেখান থেকে আজমির। যেহেতু কলকাতায় প্রথম যাত্রা তাই পরের দিন দুপুরের খাবার শেষ করে দুইটার কিছু সময় পরে রওনা দিলাম। কারন আমরা ছিলাম মার্কুইজ ষ্ট্রীটে। সেখান থেকে হাওড়া ষ্টেশন যেতে অনেক সময় লাগে। ষ্টেশনে পৌঁছার কিছুক্ষণের মধ্যে ট্রেন আসলো। ট্রেনের বগির বাইরে দরজায় লাগানো name list দেখে বগিতে উঠলাম। নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছাড়লো। ট্রেন ছাড়ার পর পরিচারক এসে গরম পানি, টি ব্যাগ, দুধ পাউডারের প্যাকেট আর বিস্কুট দিয়ে গেল। এবার আরেকজন এসে জিজ্ঞাসা করল ভেজ না ননভেজ? আমি বললাম ননভেজ। 

সন্ধ্যা ৬ টার পরে চিকেন স্যান্ডুইচ, চা দিলো। রাত ন'টার দিকে চিকেন, ভাজি, ডাল দিয়ে ভাত দিল। ( ভাগ্যিস ভেজ বলিনি। ভেজ বললে ভাজি ডাল দিয়ে রুটি দিত।) রাতের খাবার শেষ করার পর দই দিল। সব শেষ করে ঘুমানোর পালা। আমার আসন মাঝখানে। অর্থাৎ নীচ তলাযও না আবার উপরের তলায়ও না। আমি আমার জন্য নির্ধারিত বালিশ, চাদর গুলি নিয়ে আমার আসনে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিতে যাবো। এমন সময় আমার সাথে যারা গিয়েছিল তাদের মধ্যে একজন বলে বিকাল থেকে একটা সিগারেটও খাই নাই। তখন আমি বললাম এটা ফুল এসি ট্রেন এখানে সিগারেট খাওয়ার কোন সুযোগ নাই। আর লেখাই আছে ধুমপান করলে ২০০ রুপি জরিমানা। এখন ওর কথা ২০০ রুপি দিলে দিবো তাও খাবো। আমাকে জোর করে সিট থেকে নামিয়ে দিলো। বাধ্য হয়ে বললাম চলেন। কিন্তু কই যাবো? হঠাৎ মাথায় আসলো পুরা ট্রেন এসি হলেও যে বগিতে রান্না সে বগিতেতো আর এসি থাকবে না। টহলরত ট্রেনের এক লোককে জিজ্ঞাস করে আমার লোকটিকে বললাম যান ওখানে গিয়ে খেয়ে আসেন। 

সবপ্নকে ছাড়িয়ে


১৯৮৩ সালের কথা। সেশন জটের কারনে তখনও আমি চতুর্থ বরষ এর ছাত্র। সে সময়ে স্টিল মিলে বিজ্ঞাপন দিল "সহকারী প্রকৌশলী" পদে লোক নিয়োগের। আব্বার খুব মন খারাপ। 'সেশন জট' টা না থাকলে ছেলে তার স্টিল মিলেই 'ইঞ্জিনিয়্রর' হিসাবে চাকরীটা পেয়ে যেত। তখন মিলের চাকরীটা একেবারে খারাপ ছিল না। তাছাড়া এক সাথে থাকতে পারা,ছোট ভাইবোনের লেখাপড়ার দেখভাল - এমনতর আরও কিছু বাড়তি সুবিধা।

'৮৪তে আমার সমসাময়িক বুয়েট, কুয়েট,রুয়েট (বর্তমান) থেকে পাশ করা অনেক বন্ধুরা জয়েন করলো মিলে। 
তাদের দেখে আমারও মন খারাপ হোল। 

ফাইনাল পরীখখা দিয়ে বেকার জীবনে অফিসারস ক্লাবে সদ্য জয়েন করা ইঞ্জিনিয়র বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই বটে, মনের খচখচানিটা কিছতেই যায় না। 

মা-বাবা, ছোট ভাইবোনদের কায়মন প্রাথনা আমার কখন একটা চাকরী হবে-সংসারে একটু সাছছন্দ আসবে।

মাস ছ'য়েক পর পল্লী বিদ্যুতে চাকরী পেলাম, বেতন ও অন্যান্য লিগ্যাল সুবিধা স্টিল মিলের চেয়ে ভাল।পোস্টিংটাও কেমন করে যেন চিটাগাং এ পেয়ে গেলাম-সাথে একটা নতুন ১১০ সিসির মোটর সাইকেল আর একটা পিক আপের সুবিধা।

পাত্র হিসেবে পাভেল বেশ ভালোই ঢাকায় ব্যাংকে চাকুরী করে বাবা মা চট্টগ্রামে


পাত্র হিসেবে পাভেল বেশ ভালোই ঢাকায় ব্যাংকে চাকুরী করে বাবা মা চট্টগ্রামে,পাভেলের বিয়ে ঠিক ঠাক মুনিরার সাথে, মুনিরার মাস্টার্স পরীক্ষা শেষ হলেই বিয়ে।উভয় পরিবার ঠিক করিল এখন আকদ টা সেরে ফেলা যাক।যথাসময় আকদ সম্পন্ন হলো,সব কিছু ঠিক থাকিলে ৩ মাস পর বিয়ে।নিয়ম হলো পাভেল শশুর বাড়ি যেতে পারিবে তবে শুধুমাত্র দাওয়াত খেতেই,থাকতে পারিবেনা।ফোনে কথা বলা যাবে।

পাভেল এর চট্টগ্রামে প্রায়ই আসা হয়।সেদিন মুনিরাদের বাসায় পাভেল এর দাওয়াত ছিল।হঠাৎ রাত ৯:৩০মিনিটে আসলো ঝুম ঝড় বৃষ্টি। পাভেলও মনে মনে ভাবলো এইবার শশুর শাশুড়ি যাবে কোথায়,নিশ্চয় এই অবস্থায় তাকে যেতে দিবেনা।এইদিকে পাভেল এর মা অস্থির ফোনে বারবার তার বেয়াই কে বলল পাভেল কে পাঠিয়ে দিন জলদি।মুনিরা মিটি মিটি হাসে আবার অস্থির হয়ে ভাবে পাভেল কে যদি সত্যি সত্যি পাঠিয়েই দেয় তাহলে পাভেল এই ঝড়ে কিভাবে বাসায় যাবে!!

ওমা, রাত ১২টায় মুনিরার বাবা কোথা হতে এক স্কুটার এনে হাজির ছাতা মাথায় নিয়ে।পাভেল কে বলল, বাবা পাভেল ভাড়া দিওনা, ভাড়াটা আমি দিয়ে দিয়েছি...
সেইদিন রাতে পাভেল ভালোভাবেই তার বাসায় পৌঁছেছিল....

(উপরের কাহিনী টি গল্প আকারে লিখলেও এই ধরনের অপেক্ষা আমাদের যুগে ছিল,এবং আজ এত কাল পর বুঝতে পারি এই অপেক্ষা কত যে মধুর, তখনকার কালচারটা আসলেই ছিল অনেক কিউট ।।।আজকালকার ছেলেমেয়েরা কি বুঝবে!!)

আমার জীবনের প্রথম সময়গুলো কেটেছিলো ষ্টীল মিলস্ জরুরী আবাসীক কলোনীতে


আমার জীবনের প্রথম সময়গুলো কেটেছিলো ষ্টীল মিলস্ জরুরী আবাসীক কলোনীতে। এমন কতোগুলো স্বৃতী এতোই গভীর ভাবে জড়ীত যে আমার আর কোন স্বৃতীর প্রয়োজন নেই এই একটি জীবন কাটিয়ে দেয়ার জন্য। একটা পরিবারে যেমন বড়,ছোট সকলকে নিয়ে বসবাস তেমনি ছিলো পুরো কলোনী। আমার পোড়া কপাল যে যখনি কলোনীর মজাটা গভীর ভাবে টের পাচ্ছিলাম তখনি কিছু ক্ষুদার্থ হায়েনার লালসায় পড়ে পুরো ষ্টীলমিল বন্ধ হলো আর আমরা ও হয়ে গেলাম শেখড় থেকে বিচ্ছিন্ন। কিছুদিন আগে আতীক ভাই আসছিলো CTG সেই শেখড়ের টানে। সবাকে honor করে একটা ভোজের আয়োজন করেছিলো। আমারা খুবই মজা করে খেলাম। সত্যিকার অর্থে আমরা তেমন কোন বড় রকমের খাদক নই, সবায়কে দেখবো এই আশায় একত্রিত হওয়া। কলোনী ছাড়লাম ১৬ বছর হলো, কারো জন্য তা ১৮ বা তারো বেশী কিন্তু একের জন্য অন্যের আবেগের নাই এতোঠুকু কমতি। আমরা এইভাবেই থাকবো ইনশাআল্লাহ একে অপরের জন্য একসাথে...