Sunday, October 18, 2015

ঢাকায় গিয়েছিলাম তারিককে ভালবাসা জানাতে


ঢাকায় গিয়েছিলাম তারিককে ভালবাসা জানাতে। আমি, জসিম ভাই, পুলক এবং টিপু। রাতের ট্রেন। এমনিতেই আমার জার্নিতে ঘুম হয়না। তার উপর রাতভর জসিম ভাইয়ের মজার মজার কথা। কমলাপুর পৌঁছানোর আগে বন্ধু রিপনকে ফোন দেওয়ার কথা ছিল। অথচ উল্টো ৫.৩০ থেকে সেই আমাদের ফোন দিয়ে জেনে নিচ্ছিল আমরা কতদূর। যাই হোক সকালে কমলাপুর পৌঁছে বন্ধু রিপন আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। 

রিপনকে বললাম, বাইরে নাস্তা করে তোর বাসায় যাই। ও ভীষন রেগে বলল, তোর ভাবী চিতল পিঠা বানিয়ে রেখেছে। গেলাম রিপনের বাসায়। গরুর মাংস দিয়ে চিতল পিঠা খেলাম আমরা। তারপর সবাই ফ্রেশ হয়ে নিলাম। ভাবী খুব চাপাচাপি করল খিঁচুড়ী খেয়ে যাওয়ার জন। সময় কম, রেজা ভাই অপেক্ষা করছে বলে সবাই রেজা ভাইয়ের অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। রেজা ভাইতো, ভালবাসার ঢালি নিয়ে বসে থাকেন। 

এতো ভালোবাসা,এতো আবেগ শুধু সিএসএম এ সম্ভব


এতো ভালোবাসা,এতো আবেগ শুধু সিএসএম এ সম্ভব। কলোনিতে একসাথে থাকা স্বত্তেও বন্যা আপা, রনি আপার সাথে কাল প্রথম সরাসরি কথা হলো। বাবু ভাইয়ের সাথে ১৭ বছর পর দেখা, আবেগে আমাকে জড়িয়ে ধরা। বিকেলে হাসপাতালে তারিক কে দেখা, তাকে দেখলাম ১৮ বছর পর, আর সাথে বুড়া মিয়া কে ও দেখলাম। আসলে গতকালের এই আবেগ ভালোবাসা আমার পক্ষে কখনই লিখে বর্ণনা করা সম্ভব নয়।

Batch : 1982

- Moin Khan

১৯৮২ ব্যাচের আর্ট/কলা বিভাগের (Banana section!!) আমরা ১১জনের গুনবতী-গুনধরদের গ্রুপ।বসা ডানদিক থেকে তহমিনা,তারপরের জনের নাম মনে নেই,বীনা,সাহেদা(আনোয়ার স্যারের মেয়ে),ফিরোজা এবং ওর নামও ভুলে গেছি। দাঁড়ানো--ডান দিক থেকে বাপ্পি,বাবুল(এক সময়ের টিভি নাটকের নায়ক),হারুন,বখতিয়ার এবং আমি। এর মধ্যে হারুন এবং বখতিয়ার আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। (আল্লাহ্ তাদের উত্তম পুরস্কারে ভূষিত করুন)

My dear brothers and sisters


Pulok, and others...
My dear brothers and sisters
Regarding Ahsanul Tarique, I need some direct contact no from you guys who are there beside tariq all the time. I need to know the details of hospital address n Kebin no, tariq is admitted there. When the treatment will start. Please send me the details.

টুকরো কথা



পুলক জানালো তারা রওনা দিয়েছে। আমি এর পনের মিনিট পর অফিস থেকে বের হলাম। পপুলার হসপিটাল আমার অফিস থেকে বিশ মিনিটের পথ। রিকশা নিয়ে গ্রীনরোডে ঢুকে দেখি বিশাল জ্যাম। ল্যাব এইডের সামনে যখন পৌঁছলাম তখন সাড়ে তিনটা বাজে। এরপর হেঁটে গিয়ে সায়েন্সল্যাবের ফুট ওভারব্রিজ পার হয়ে আড়ঙের সামনে দাঁড়িয়ে আবার পুলককে ফোনে ধরলাম। সে জানালো তারা পপুলারে বসে আছে। গিয়ে দেখি পুলক গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে আর ভিতরে চেয়ারে বসে আছে নাজমুল ভাই আর রেজা ভাই। রেজা ভাই আমাকে জড়িয়ে ধরলো।

বুড়া মিয়া


আমরা সবাই আজ তারিক কে নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম এবং এটাই ছিলো স্বাভাবিক। এরই ফাকে একজন রয়ে গেল সবার আড়ালে, সে হচ্ছে আমার বন্ধু, দশ টি বছরের স্কুল জীবনের খুবই কাছের সহপাঠী বাবু, যাকে সবাই বুড়া মিয়া নামেই অধিক চিনে, সে তারিকের বড় ভাই।তারিকের চিকিৎসা কালীন সময়ে সে তারিকের সাথেই থাকবে। বুড়া মিয়া জীবনে অনেক কিছুই করতে পারত, নিজের জীবনের প্রতি চরম উদাসীনতা আর খামখেয়ালিপনাতে কিছুই করল না।

ভালো থাকিস বন্ধু, সবসময় সবখানে।

Saturday, October 17, 2015

আল্লাহ যেন তারিককে সুস্থ করে দেন


আজ প্রায় ৩৫/৪০ জনের মতো আমরা একসাথে হয়েছিলাম পপুলার হাসপাতাল, ঢাকায়। উপলক্ষ একটাই আবার নতুন করে তারিকের ট্রিটমেন্ট শুরু করা ও ওর সাথে দেখা করা। একসাথে এতো attendance দেখে পপুলার হসপিটালের সবাই ভেবেছি "ওরে বাবা কোন VIP patient admit হয়েছে"? হাহাহা সে এক দেখার মতো ব্যাপার।

সাবু ভাই


আমাদের এবং সাবুদের (সাবু ১৯৯০ব্যাচ আমি কখনো ভাই বলি নাই বন্ধুর মত ছিলাম)বাসা ছিল পাশাপাশি e-12 এ,সব সময় কাকা বলত এই সাবু কিরে, মানি সাবুকে পরার মধ্যে রাখত,কাকা খুব ভাল মানুষ ছিল,আমরা দেখতাম কাকার কি পরিমান ধর্য্য।কাকা আমদের খুবই আদর করতেন।আমি আমদের বাসার বাজার করতাম বেশীর ভাগ সময়,সাবু ও মাঝে মাঝে ওদের বাজার করতে যেত।একদিন আমি ও সাবু বাজার করে দেখলাম ১.৫০ টাকা বেচেছে,তখন একটা হোটেল ছিল মাছের বাজারের আগে, ঐ হোটেলে গিয়ে ২ জনে ২ টা নান রুটি ও ২ জিলাপি খাইলাম,আহা কি মজা লাগছে তখন।সাবুই আমাদেরকে প্রথমে নেভীর জাহাজ দেখতে নিয়ে যায়।ঈদের নামাজ শেষ হলে বাসায় এসে ঈদের কাপড় পড়ে চলে যেতাম ঈসাখাঁন। জাহাজ দেখার জন্য,জাহাজ এর কিছু নাবিক সাবুদের পরিচিত ছিল,আআমাদের অনেক আদর করত,আর এখন সব স্মৃতি।সাবুকে দেখিনা আজ কত দিন।মাঝে মাঝে পান্না আপার(মিঠু ভাইয়ের গৃহিণী) সাথে দেখা হয় কোন বিয়ের অনুষ্ঠানে।সাবু ভাই যেখানে থাকস ভাল থাকিস,আর সিএসএম এর সাথে থাকিস।

বইঙ্গা


আগে কলোনীতে এক বল্ডিং এ ২ টা সিড়িতে আটটা বাসা ছিল,একেক জনের বাড়ি একেক জেলায়,কিন্তু কখনো মনে হয় নাই আমরা আলাদা,এই সাবু আম্মা খালাম্মা আমাদের বাসায় এসে রান্না ঘরের ফ্লোরে বসে মায়ের সাথে গল্প করতো,মা সাবুদের বাসায় গিয়ে পানের ডিব্বা নিয়ে বসে পান খেত আর গল্প করত।আর এখন আমরা ভাড়া বাসায়, মাঝেমাঝে কিছু নিয়ে কথা উঠলে চিটাগাং এরা বলে বসে বইঙ্গা,আরে ভাই বইঙ্গা কি বাংলাদেশের বাইরে।

বামন ও চাঁদ

- Javed


আমি মানুষটা বিরাট লম্বা কিন্তু স্বভাবে, যোগ্যতায় চির বামন। কতবার হাত বাড়িয়েছি একটা চাঁদ ধরার জন্য, পারিনি। HSC তে ফেল করে খালপাড়ের পাইপগুলোর উপর অনেক রাত পর্যন্ত বসে থেকে বাসায় গিয়েছি। সেই রাতে বড্ড দুঃখে নিজেকে নিয়ে একটা ছড়া লিখেছিলাম। সেই কাঁচা হাতে লেখা ছড়াটা সেই রাতে কিছুটা শান্তি দিয়েছিলো আমাকে। যার চাঁদ পাওয়ার যোগ্যতাই নাই তার আবার চাঁদ ধরতে না পারার দুঃখ কিসের? তারাশঙ্করের কবি উপন্যাসের নিতাই এর মতো সান্ত্বনা খুঁজেছিলাম ---
"চাঁদ তুমি আকাশেই থাকো
তোমায় আমি দেখব খালি
তোমায় ছুঁতে যাবো নাকো
তোমার গায়ে লাগবে কালি"
ছড়াটা দিলাম। ফেল করা ছাত্রের ছড়া আর কতোইবা ভালো হবে?

বামন ও চাঁদ
-------

সঙ্গতিপুর্ন ?


আজ সারাদিনে কোন পোষ্টটা এই পেজের সাথে ১০০% সঙ্গতিপুর্ন ?
আর কোন পোষ্টগুলো এই পেজের সাথে একদম'ই যায় না ?

আমি সারাদিনে Atiq Csm Mahmudur Rashid Pulak এর কয়েকটা ছবি, Monirul Islam Monir মুনির ভাইয়ের দেয়া আতিক ভাইকে নিয়ে পোষ্টটা, আর 
Al Amin Billah Shujon এর উপহার জেক্স এর ছবিটা ছাড়াতো কোন পোষ্ট দেখি না !!!!!
কয়েকদিন আগেও পেজটাতে ঢুকলে মনে হত কলোনিতে ঢুকেছি, খুটিয়ে খুটিয়ে কলোনির গল্প, ছবিগুলো বার বার পড়তাম, দেখতাম। আর এখন .................... !!!

Friday, October 16, 2015

বলবই একদিন

- Javed


বলবই একদিন
-----------------
আমি তোমাকে কখনোই বলবোনা যে
"আমি তোমাকে ভালবাসি"
আমি এভাবে ভালবাসার কথা জানাবোনা।
সেই অ্যাডামের জমানা থেকে
কতো প্রেমিক এই কথাটি বলেছে
তার কোন হিসেব কি কেঊ করেছে?
বাক্যটি এত বেশি ব্যবহৃত হয়েছে
আর এতই প্রাচীন যে
এর মেয়াদকাল বহু আগেই পেরিয়ে গেছে।
কথাটি এতই জীর্ণ যে উচ্চারিত হতেই
এর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়।

এখন নাকি রাগী মানুষদের সময়


আজকে পত্রিকায় পড়লাম এখন নাকি রাগী মানুষদের সময়।তারা যা খুশি তা করতে পারেন।অথচ ছোটবেলায় এই জিনিসটা আমি করতে পারতাম না। এখনো পারিনা। রাগ অনুরাগ বিষয়ে কিছু কথা প্রচলিত আছে।যেমন, মানুষ নাকি তার আপন মানুষের উপর রাগ করে কিংবা রাগের বিপরীতে অনুরাগ লুকিয়ে থাকে।জানিনা কথাগুলো কতটা সত্য।আমার উপর কেউ রাগ দেখালে ব্যাপারটা চুপচাপ সয়ে যাই।তবে একটা কথা না বলে পারছিনা যে কাছের মানুষের সাথে কেউ রাগ করেনা, যেটা করে সেটা অভিমান।রাগের ফল ভোগ করতে হয় অন্য কাউকে কিন্তু অভিমানের কষ্ট অভিমানীকে নিজে পেতে হয় যেটা হয়ত আশেপাশের অনেকে টের পায় না।

Thursday, October 15, 2015

CSM Super Shop


বড়াপা কইলো CSM Super Shop খুলবো। খুব্বি ভাল আইডিয়া। আসলে বড়াপা আমগো যে কত ভালবাসে এটাই বুঝলাম। আমগো লইয়া আপার কত চিন্তা।

ওকে ব্যাপারটা একটু খোলাশা করতাছি। আমাগো এই কলোনীতে চোর, ছেচোর কতই না ছিল তাইনা?? সেইটা সবাই পোষ্টের মাধ্যমে নিজেরাই জানান দিছে এবং দিতাছে। ডাব চোর, নারিকেল চোর, আম চোর, সাইকেল চোর, বই চোর, কুত্তা চোর, কলম চোর (তাও আবার নিজের বাসায়) সহ আরো কত চোর পাইলাম। ও আচ্ছা মন চোরও আছে। তো এই সমস্ত চোর স্টীল মিল বন্ধের পরে এদিক সেদিক ছড়াইয়া ছিটাইয়া পরছে। চোরায় না শুনে ধর্মের কাহিনী। চোরেগো এখনও চুরি করতে হাত পা নিশপিশ করে। কিন্তু যেখানে সেখানেতো চুরি করা যায় না। কলোনী ছিল চোরদের চুরি করার বিশাল ভান্ডার। ধরা খাইলেও অমুক তমুকের ছেলে বইলা পাড় পাইয়া যাইতো কিন্তু ষ্টীল মিল জগতের বাইরের জগততো অন্যরকম। চুরি করলেই খেসারত দিতে অইবো।

ফ্ল্যাশব্যাক


ফ্ল্যাশব্যাকঃ 
মেজাজ খারাপের মাস,
খুব সম্ভবত নভেম্বর, 
বার্ষিক পরিক্ষা সামনে।
রাত ৭ টার মতো
মধুর কণ্ঠের এখনো মাঝে মাঝে কানে বেজে ওঠা,
মোয়াজ্জেম হুজুরের এশার আজান শুনতে শুনতে
বাসা থেকে বের হচ্ছি,
গন্তব্য বন্ধুর বাসা।

বিব্রত - ২ ( পেজের ১২ টা )

- Mahabub Rasel


আতিক ভাই খুব সুন্দর করে "বিব্রত - ১" লিখেছিলেন, আতিক ভাইয়ের এই কথাগুলো কয়জনের মনে আছে জানি না, তাই এখন তার একটা ছোট্ট ২য় পর্ব দিলাম smile emoticon
যখন দেশে ছিলাম, তখন ক্যাবল অপেরেটররা ( আমাদের ভাষায়, ডিস লাইনে ) তাদের নিজস্ব চ্যানেলে সুন্দর সুন্দর বাংলা / ইংলিশ / হিন্দি সিনেমা চালাতো, মাঝে মধ্যে দারুন দারুন নাটকও চালাতো। ভালোই লাগতো দেখতে কারন, বেশীরভাগ সময় বাছাই করা সিনেমা বা নাটক ছিলো সেগুলো। তার উপরে কোন বিজ্ঞাপন ছাড়া একটানা দেখা যেত, তাই দেখে মজা পাওয়া যেত। তাই টেলিভিশন অন করলেই সবার আগে ক্যাবল অপারেটরদের এই চ্যানেলে দেখে নিতাম, এখন কি সিনেমা বা নাটক চলছে ।

টিফিন বক্স


ছোটবেলায় আমার ছোটমামা বিদেশ থেকে এলে সুন্দর সুন্দর টিফিন বক্স নিয়ে আসতেন।কিন্তু স্কুলে যাওয়া আসা শুরু করলেও আমার তখন টিফিন আওয়ার ছিলনা বলে মা আমাকে ওই টিফিন বক্স গুলো নিতে দিতেন না।তখন ভাবতাম কখন ক্লাস থ্রি তে উঠব আর টিফিন আওয়ারে টিফিন বক্স নিতে পারব।একসময় ক্লাস থ্রি তে উঠলাম।কিন্তু ততদিনে আমার টিফিন বক্সের মোহ ছুটে গেছে।স্কুল ছুটি হয় ১২ টায়।তখন আবার যারা ক্লাস ফাইভে পড়ত তাদের ক্লাস শুরু হত ১২ টায়।ইশ! যদি ক্লাস ফাইভে উঠতে পারতাম, তাহলে সারা সকাল খেলা করে ১২ টায় স্কুল করতাম।আর বৃহস্পতিবার মাত্র দুই ঘন্টা পর ছুটি। আহ! কবে সেই দিন আসবে।তারপর ক্লাস ফাইভে উঠলাম।যে আশা ছিল এতদিন মনে,দুপুরের ঘুমের কারণে তাতে ধূলো পড়তে বেশিদিন লাগল না।ভাবলাম,ক্লাস টা ১২ টায় না হয়ে ১০ টায় হলে বাসায় গিয়ে বিশ্রাম করতে পারতাম।অবশেষ এ একদিন ক্লাস সিক্সে উঠে ১০ টায় ক্লাস শুরু হল।এবার কি করা যায়?কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।পেছনে ফিরে তাকাবার অবকাশ নেই।মনে হল,আর টিফিন বক্স লাগবেনা আমার,এ যেন যত মধুর ভুল ছেলেবেলার

Wednesday, October 14, 2015

“ আমাদের আতিক কাকা, আমার অঙ্গীকারনামা “


কলোনি থেকে বের হয়ে গেছি বেশিদিন হয় নাই, কলোনি থেকে বের হয়ে গেলেও অবসরের পুরোটাই কাটতো কলোনিতে। তখন কলোনিতে অনেক নতুন নতুন সিকিউরিটি এসেছিলেন, পুরাতন সবাইতো আমাদেরকে চিনতো, তাই কেউ তেমন কিছু কখনো বলতো না, কিন্তু নতুন যারা এসেছেন তারাতো আর আমাদেরকে চিনে না। একদিন যে কোন এক কারনে একজন নতুন সিকিউরিটি এর সাথে বড় মাঠে আমার আর মাসুদের ( ব্যাচ-৯৬) তুমুল ঝগড়া। ঝগড়ার একসময় আমি তাকে কথার প্রসঙ্গে বললাম,..............

“ আপনারা আমাদেরকে নিয়ে এত মাথা ঘামাচ্ছেন, এত যে চুরি হয় চোরতো ধরতে পারেন না একটাও, আপ্নারাই হলেন চোর বুঝছেন, আপনাদের সাথে চোরদের যোগাযোগ আছে ।। “


জি!! ভাইয়াপারা গর্ত থেকে এই মাত্র বের হয়ে আসলাম।


জি!! ভাইয়াপারা গর্ত থেকে এই মাত্র বের হয়ে আসলাম।
বের হয়ে আসার সময় দেখলাম, আরো অনেকে গর্ত থেকেই সি. এস. এম. পেইজ এ দৌড়াদৌড়ি করে বেড়াচ্ছে আর সমানে বিভিন্ন পোস্ট এ লাইক/কমেন্ট দিচ্ছে।
আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি
এই গ্রুপ এর প্রত্যেকর চোখের আরাম এবং মনের আরামের
জায়গা নির্ধারিত আজ এই পেইজ এ।
নাহিদুল আলম (রাজন), এই আমার সাথে এই পেইজ এর বেশির ভাগ ভাইয়াপারাই হয়তো অপরিচিত। খুব স্বাভাবিক। আমার বয়স মাত্র ১৫ বছর।
আরে না।।। যখন কলোনি ছেড়ে চলে আসি।

ছেড়ে আসা সময় গুলো আজো খোজে আমায়

- Atiq CSM

ছেড়ে আসা সময় গুলো আজো খোজে আমায়
উড়িয়ে যায় নিয়ে কলোনির সেই শিতল ছায়ায়।
যেখানেই থাকি আমি
রয়েছি আজো বেচে সিএসএম এর ভালোবাসায়।
হৃদয়ে রয়েছে সবার
দিনগুলো সেই ভালোবাসার।
দূরে যতই যাই,তবু শুনতে পাই
মনে হয় বলছে যেনো
আজো ভালোবাসি তোমায়।
মন ফিরে ফিরে চায়
আজ সিএসএম কোথায়
কাটিয়েছি অর্ধেক জীবন যেখান টায়।
আবেগ মাখা ঐ জীবনে কি ছিলো জানিনা
তাইতো আজো সিএসএম কে ভুলতে পারিনা।।

সম্ভবত ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৩


*জ্যামে বসে বসে থেকে আমার মাথাই পুরা জ্যাম হয়ে গেছে, আর কোন লেখাই আসেনা। ”তাই নতুন শিশিতে পুরানো সিরাপ” , অর্থাৎ আবারো পুন: পোষ্ট করলাম। গোস্বা করিয়েন না মেম্বার সাবেরা।
আবারও রাশেদ, তবে এবার আর ডাব গাছ নয়, খেজুর গাছ।

সম্ভবত ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৩।

কিছু না বলা মানে, অনেক কিছু বলা।।


** কিছু না বলা মানে, অনেক কিছু বলা।।
** দু:খ যার সারা জীবনের সাথী তার আবার দু:খ কিসের।।

জ্বি না ভাই ও বোনেরা এগুলো আমার কোন কথা নয়। এতো উচ্চ মার্গের কথা বলার গুন আমার নেই । শ্রদ্ধেয় Mdnurul Kabir Niru নিরূ ভাইয়ের উক্তি। কয়েক দিন ধরে আমার শরীর টা ভালো যাচ্ছিলোনা, উনার এ মহামূল্যবান উক্তি শোনার পর এখন আমি অনেক ভালো বোধ করছি। সে হিসাবে বাংলাদেশের স্বাস্ব্য বিভাগে উনি ব্যাপক অবদান রাখতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাষ। নিরু ভাইয়ের সংগে আজ দুপুরে আমার টেলিসংলাপ হয়। উনি আমার মাধ্যমে জাতির প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ধন্যবাদ নিরু ভাই ।

নিরু ভাই প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড


নিরু ভাইয়ের সাথে আমরা খুব মজা করছি। নিরু ভাই প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড। এটা স্রেফ মজা। অন্য কিছু নয়। আমরা আপনাকে খুবি লাইক করি। 
আপনার কি মনে আছে, ৯০ এর গন আন্দোলন এ আমি আর আপনি এক সাথে ইপিজেড এ মিছিল করতে করতে যেতাম, কোন কোন দিন টেম্পু তে যেতাম, সবার ভাড়া আপনি দিয়ে দিতেন। 
আমি কমাস' কলেজে পড়তাম, আর আপনি আগ্রাবাদে ব্যাবসা করতেন। সোনালি ব্যাংকের সেই ষ্টাফ বাসে করে আমরা আরো কয়েকজন কলোনির ছেলেরা প্রতিদিন যেতাম আগ্রাবাদ। সবসময় সবার ভাড়া আপনি দিতেন।
আমার এক অতি সংবেদনশীল ব্যাক্তি গত একটি ঘটনার ব্যাপারে আপনি গুরুত্তপুন' ভুমিকা রেখেছিলেন। আমি কিছুই ভুলিনি নিরু ভাই। 

আমরা আপনাকে খুব পছন্দ করি তাই একক্টু মজা বেশি করি।
we like you Mdnurul Kabir Niru vai

কি লিখবো?

- Mahmud Hasan

কি লিখবো ? কাকে নিয়ে লিখবো বুঝতেই পারছি নাহ.... csm এর সবাই ব্যস্ত.. তারচেয়ে বেশি ব্যস্ত 98 Batch এর অনেক বন্ধু ...CSM এ থাকতে আমার মনে হয় আমার বাবারা অনেক ভাগ্যবান ছিলেন..বুঝতেই পারি নাই বাবার সিনিয়র জুনিয়র কারা ছিলেন .. মনেহতো সবাই এক পরিবারের সদস্য..কতোই না ভালোবাসা ছিলো তাদের মধ্যে...আর এখন ...বাবার জায়গাই আমরা এলাম.... বুঝতে পারছেন কিছু ? না .... বাবার জায়গাই আসলেও ওদের ওই বিশাল ভালোবাসার স্থান আমরা পূরন করতে পারি নাই.... ভাবতে অনেক কষ্ট হয় যখন অনেক দুর থেকে কোনো CSM এর বন্ধু কে CALL করলে Rcv করে না চেনার ভান করে Buzzy দেখাই... হয়তো তোরা দেশ এ আর আমরা কজন দেশ এর বাহিরে এইতো পার্থক্য ? এটা মনে রাখা উচিত আমরাও তোদের থেকে কম না.. তারপরও বন্ধু দোয়া করি তোদের জন্য .. অনেক ভালো থাকিস...

Tuesday, October 13, 2015

কত চেনা মুখ নতুন করে চেনা হয়

- Emrul Huda

কত চেনা মুখ নতুন করে চেনা হয়
সম্পর্কগুলো বদলে দেয় সময়....!!
"প্রিয়" কিছু হারানোর কষ্ট
আমাদেরকে কাদাঁয়।
সময়ের ব্যবধানে এই প্রিয় মানুষদের
ছাড়াই আমরা বাচঁতে শিখে যাই।
অথচ একদিন এই মানুষদের
ছাড়া বেচেঁ থাকাটাই অসম্পূর্ণ ছিল।
জীবন হয়ত কারো জন্য থেমে থাকে না;
কিন্তু হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষদের
জন্য মনটা ঠিকই থেমে থাকে।
হারিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে মনের
অনুভূতিকে যেন শূন্য করে দিয়ে যায়,,,,,,,!!

মনে পড়ে অতীতের সেই কথা

- Atiq CSM

মনে পড়ে অতীতের সেই কথা
যা ছিল স্বপ্নে গাঁথা
মনে পড়ে অতীতের সেই দিন
যা ছিল ভাবনায়রত
মনে পড়ে অতীতের সেই গান
যা ছিল সুখে দু:খে অবরত
মনে পড়ে অতীতের সেই ফাল্গুন
যা ছিল বাতাসে মুখরিত
মনে পড়ে হারানো সেই স্মৃতিটা
যা ছিল পাখির ডানার মত
মনে পড়ে অতীতের সেই প্রহরটা
যা করেছিল হতাহত
জীবনের শেষ সুখটা

তোমাকে ছেড়ে যেদিন শেষ বারের মত চলে আসি


তোমাকে ছেড়ে যেদিন শেষ বারের মত চলে আসি,
পেছন ফিরে তাকাইনি আর।
চোখ বেয়ে পড়েনি ক ফোটা অশ্রু, 
ভেবেছিলাম ভেতরের মানুষ টা হয়ত মারা গেছে।
এভাবে দিন যায়,
আমি ব্যস্ত হয়ে পড়ি আমার নিজেকে নিয়ে,
হঠাত ফুরসত মিলে গেলে ভাবি তোমার সাথে দেখা করে আসি,
কারণ চোখের আড়াল হলেও, মনের আড়াল ত হওনি।
কিন্তু আমার চারপাশের মানুষগুলো আর নিষ্ঠুর পারিপার্শ্বিকতা যেন আমাকে তোমার কাছে যেতে দেয়না,
আমি অপেক্ষা করি,দিনের পর দিন,
তারপর একদিন ছুটি মেলে আমার সব ব্যস্ততা থেকে,
আমি ছুটে যাই তোমার কাছে,
কিন্তু সেখানে তোমার অস্তিত্ব বিলীন হয়েছে অনেক আগেই,
পড়ে রয় তোমার করোটি ( কংকাল)।
প্রিয় কলোনি র উদ্দেশ্যে রচিত।

Monday, October 12, 2015

মারবেল খেলা (বাকি অংশ) ......


চম্পা- এটা মুলত দুই জনের খেলা। আন্টিসের মত আঙ্গুল দিয়ে খেলতে হয়না। মারবেল ধরে মারা যায়। এ খেলার সুবিধা হল যে কোন জায়গায় খেলা শুরু করা যায়। অর্থাৎ কেপ কেন্দ্রিক না। মারবেল যেখানে থাকবে সেখানে পা রেখে অন্য খেলোয়ারের মারবেল ঠুকতে হবে। লাগাতে পারলে একটা মারবেল পাবে।

চম্পার জন্য ডাগ্গিটা একটু বড় হতে হয়।
খেলোয়াড়- মারবেল যারা খেলত সবাই এটা খেলত। অনেক সময় আন্টিস খেলতে ইচ্ছা না করলে, কখন চান্স না পেলে অন্য পাশে চম্পা শুরু হয়ে যেত। যত দুর মনে পরে দুলি, সমু, বড়া মিয়ার মধ্যে চ্যালেঞ্জটা জমত ভাল।
ভ্যেনু- আন্টিস যেখানে খেলা হত তার আশে পাশে চম্পা খেলা হত। বিশেষ করে রাস্তায়। রাস্তার ইট.পাথরের খাজে মারবেল লুকিয়ে রাখা যেত তো তাই।

“ প্রথম, ব্যাংক অভিজ্ঞতা !!! “

- Mahabub Rasel

একদিন যেকোন এক কারনে প্রথম গিয়েছিলাম সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য কিছুক্ষন লাইনে দাড়ানোর পর আমার সিরিয়াল আসলো, আমি রিসিট আর টাকা জমা দিলাম, ( সব নোট ছিলো, কিছু টাকা ফেরত পাবো ) ক্যাশ কাউন্টারে বসা ম্যাডাম কয়েকবার করে বলছেন, “ভাংতি নাই, ভাংতি দাওআমি প্রতিবারই শুনছি আর ম্যাডামের দিকে তাকাচ্ছি কিন্তু বুঝতে পারছিলাম না, ম্যাডাম আসলে কাকে উদ্দ্যেশ্য করে বলছেনভাংতি নাই, ভাংতি দাও !!! “, কারন ম্যাডাম তাকিয়ে আছেন অন্য দিকে !! হয়তো আমার পাশের জনকে বা অন্য কাউকে বলছেন আমি আমার মত বাকি টাকা আর রশিদের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম

অভিশাপ দিচ্ছি সুখী হও

- Javed


কবিতা মনের খোরাক। কবিতা পড়ুন। ইচ্ছা করে তো কেউ পড়বেন না তাই জোর করে পড়াই। grin emoticon
----------------------------------------------------
অভিশাপ দিচ্ছি সুখী হও
------------------------
যতবার অবহেলা করেছো
আমি কেঁদেছি।
তোমার আর কি দোষ বল
তোমরা তো এমনই।
আজ আমি কাঁদতে আসিনি
আসিনি আকুতি জানাতে।
আজ আমি অভিশাপ দেবো।
অন্তঃস্থল থেকে জানাবো অভিসম্পাত।
ঘৃণার ফোয়ারা ছোটাব আজ।
তুমি পাবে আজ অবহেলার
কঠিন জবাব।
আজ কাঁদবো না,
অশ্রুর বদলে আগুন ঝরবে
দুচোখ দিয়ে।
হ্যাঁ, আমি অভিশাপ দিচ্ছি
সুখী হও।
প্রবল সুখের মাঝেও
আমার জন্য তুমি কাঁদবে জানি।
তোমার দু'ফোঁটা চোখের জলই আমার অভিসম্পাত।
অভিশাপ দিচ্ছি
সুখী হও, সুন্দর হও, সফল হও।।
(২০/১০/২০১৪)

"স্মৃতি"



২০০১ সালের ৭ আগস্ট যায়যায়দিন এর "বঞ্চনা" সংখ্যায় "শূন্য" নামক এক লেখকের একটি ছোট লেখা প্রকাশিত হয়েছিলো। লেখাটি স্টিলমিল কলোনি সম্পর্কিত তাই এখানে দিলাম। লেখার শিরোনাম ছিলো "স্মৃতি"। 
-----------------------------------------------------------------------------
৭ জুলাই ১৯৯৯ সালে বন্ধ হয়ে গেলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চিটাগাং স্টিল মিলস লিমিটেড। অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করেও কোন কাজ হলো না। আমরা মিলের কর্মরত কর্মচারীদের ছেলেরা মন খারাপ করে মিল সংলগ্ন কলোনির রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। কতো স্মৃতির এই কলোনি, কতো আনন্দের এই প্রাঙ্গন। জমজমাট কলোনি হঠাৎ করেই নিশ্চুপ হয়ে গেলো। কারো মুখে হাসি নেই, ভবিষ্যৎ চিন্তায় সকলেই দিশেহারা।

কয়েক মাসের মধ্যেই কলোনি খালি হয়ে গেলো। আমরা চলে এলাম হালিশহর এলাকায়। অনেকে দেশের বাড়ি চলে গেলো। জনমানবহীন হয়ে গেলো আমার জন্মস্থান স্টিল মিল কলোনি। যেখানে কেটেছে আমার শৈশব আর কৈশোরের সোনালী দিনগুলো, যেখানকার আলো বাতাসে একজন পরিপূর্ণ যুবক হয়ে উঠেছিলাম। যেখানকার মাটির গন্ধ এখনো আমার গায়ে লেগে আছে।

অফ দ্যা রেকর্ড (২)


অফ দ্যা রেকর্ড ১ ফ্লপ যাওয়ার পর জসিম ভাই / পুলক ভাই এর রিকুয়েষ্টে সেকেন্ড পার্ট ব্রডকাষ্টের জন্য জমা দিয়েছি। যে কোন সময় অন এয়ারে চলে যেতে পারে। T.R.P (টার্গেট রেটিং পয়েন্ট) এর বেহাল অবস্থা তারপরেও চ্যানেল চালাতে হবে বলেই হয়তো আমাকে আর রাসেল কে আবার কাজে নেমে যেতে হলো । এইবার আমাদের প্রমোশন হলো , রেকর্ড করার জন্য আইফোন -6 পেলাম। এই আই ফোন নিয়ে রাসেল এর সাথে আমার সারাক্ষন লেগেই থাকে। এইবার আমাদের সাবজেক্ট – "সব কইলাম দেইখা ফেলছি" 

আতিক ভাই কে দিয়ে আমাদের প্রোগ্রাম শুরু হয় ,আজ শুধু দোয়া নিতে গেলাম আমাদের গুরুজন শ্রদ্ধেয় বড় ভাই এর কাছে। আতিক ভাই মানেই হচ্ছে থার্ড পিরিয়ড । এই থার্ড পিরিয়ড এর পরে স্কুলে আতিক ভাইয়ার কি যে হতো বুঝতাম না ,কেমন জানি ছটফট করতো। স্কুলের দোতলা থেকে কখনো লাফ দিয়ে লাফ দিয়ে পালাতেও দেখেছি ।অনেক বার ফলো করার চেষ্টাও করেছি কিন্তু হঠাত করে কোথায় যেনো মিলিয়ে যেতো । আজ অফিসে গিয়ে দেখি থার্ড পিরিয়ড এর রিপিটেশন হচ্ছে tongue emoticon উনি আজ ফিমেল কলিগের হাত ধরে আছে? 
রাসেইল্লা রে আই ফোন এর ভিডিও অন কর। 

দি চক্রযান (Cycle)


কলোনি ছেড়ে আসার পর অনেকে তাদের অতিত কৃত কর্মের ফিরিস্ত দিচ্ছেন।যেমন কে কখন কার গাছের পেপে,আম, কারো মুরগি,আচার, ডাব খেয়েছেন সেগুলা। আবার অনুতপ্ত হয়ে দোষ সীকার করছেন। ভাল কথা।তবে কলোনি তে আমাদের বিল্ডিং এর একজন চাচার একটা দি চক্রযান প্রায় চুরি হত।যদিও দি চক্রযান টি ছিল চাচার অনেক প্রিয় জিনিস।তবুও চোর ব্যাটা একবার নয়,দু দুবার সেটা চুরি করেছিল।আমাদের দোতলার প্রয়াত গোলাম হোসেন চাচার দি চক্রযান টি একবার নিচতলার সিড়ি থেকে চুরি যায়।

Sunday, October 11, 2015

২১ শে ফেব্রুয়ারী


এ লিখাটি প্রায় মাস দুয়েক আগে আমার টাইম লাইনে পোস্ট করেছিলাম, নতুন সদস্যদের আবার বলার লোভ সামলাতে পারলাম না, তাই এ গ্রুপে আবার পোষ্ট করলাম, কেউ বিরক্ত হলে নিজ গুনে ক্ষমা করে দিবেন....................।

রাত প্রায় ১ টা, ২১ শে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে আমরা টাঙকির নীচে রাস্তায় আল্পনা করছি, আর ভোর বেলা আমাদের শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার জন্য পুস্প স্তবক রেডী করছি, কিছু ফুলের শর্ট পড়ল, আমি আর রিমান ফুল যোগাড় করতে গেলাম আনোয়ার ভাই দের বাগানে (ডি ১) ,যেই বাগানে ঢুকলাম অমনি আনোয়ার ভাই বারান্দা থেকে কে রে বলে চিৎকার করলেন, দেখলাম উনি একটা কালো চাদর জড়িয়ে বারান্দায় বসে আছেন চোর পাহাড়া দেওয়ার জন্য, 

সেকাল ও একাল


বলেছিলাম খুব তারাতারি কিছু লিখব, কিন্তু তারপরও দেরি হয়ে গেল। আসলে আমরা বাস্তবতার কাছে বড়ই অসহায়। তাই টাইম এর সাথে দৌউরে পারি না...। তারপর ও কছছপের মত এগিয়ে যাই...যদি জীবন সহাস্নে কিছু মিলে যায়। বহু প্রতিখখার পর এমন আবার আমাদের প্রানের মিলন মেলা CSM কে খুজে পেয়েছি তার জন্য মহান আল্লাহর কাছে জানাই শুকরিয়া। অল্প কয়েক দিন হল আমরা আমাদের মিলন মেলা জমিয়েছি আবার সেই কর্ণফুলী নদীর পাশে আমাদের প্রান প্রিয় CSM Colony তে। 
  
মজা করার জন্য এই লিখাটা লিখতে বসেছিলাম কিন্তু কখনো কখনো আমার মনে হয়েছে এটা কি শুধু আমাদের কলোনি ছিল নাকি আমাদের জন্য ছিল সব কিছুই... যেখানে কোন কিছুর জন্যই কার কাছে যাওয়া লাগত না। আমরা CSM ই ছিলাম ১০০ তে ১১০। যাক বেশি ইমশোনাল হয়ে লাভ নাই কারন আমি আগেই বলেছি আমরা বাস্তবতার কাছে বড়ই অসহায়।

যা সন্দেহ করেছিলাম .....................


আমি প্রথম থেকে বলে আসছিলাম, শাহীন ভাইকে গুম করা হয়েছে !!! কিন্তু কেউ ব্যাপারটাকে আমলে নেন নাই !!!!
কারন ওই গোপন গেট-টুগেদার এর দিন থেকে শাহীন ভাইকে পাওয়া যাচ্ছে না !!!

আমাদের CSM Colony এর একজন গুরুত্বপুর্ন ব্যাক্তির এহেন নিখোজ হবার ঘটনায় CSM-FBI উদ্বিগ্ন। তাই CSM-FBI নিজ দায়িত্বে শাহীন ভাইয়কে উদ্ধারের জন্য গোপনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। 
তাদের তদন্তের আংশিক তথ্য প্রকাশ করা হলো ।

Saturday, October 10, 2015

আমাদের যা যা করনীয়....

- Taher Hossain

আমাদের যা যা করনীয়....
১। মানিক ভাই রে মাইক্কার চিপায় ফেলাই তে হইব যাতে ফাটটোয়া কথা বলা বন্দ হয়।
২। নিরু ( Mdnurul Kabir Niru) ভাই জসিম ( Jashim Uddin) ভাই ও নাজমুল ( Nazmul Huda) ভাইরে ঘৃহ বন্দি করতে হইব। যাতে বিচারিক কাজে ফ্যাচ লাগাইতে না হারে
৩। পির কে (রেজা Anisur Rahman ভাই) নজর বন্দি করতে হইব যাতে কোনাই যাই কি করে ও কারে কারে ঝাড ফু দিয়া পক্কে টানে তা খেয়াল রাইকতে হইব।
তাইলে আরার জিতননের সম্ববনা আছে নইলে কচু গাছের লগে হাসি খাইতে হইব অপমানের জন্য

আবাহনী Vs মোহামেডান


টানা দু তিন দিন ধরে সারা দেশের পাশাপাশি কলোনিতেও উত্তেজনা চলছে, কলোনি টাও দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে, এরই মধ্যে উৎসব উৎসব পরিবেশ। না এ কথা গুলো এখনকার কোন ঘটনা নয়, এগুলো আজ থেকে ২৮/৩০ বছর আগের চিত্র। 

আমি আবাহনী আর মোহামেডান এর ফুটবল খেলার কথা বলছিলাম। ঢাকার ফুটবল লীগ জমজমাট ভাব। কলোনির প্রতিটি খেলা পাগল ব্যাক্তি রাত ৮টা বা রাত ১০ টার ইংরেজি র খবরের মাধ্যমে নিজ নিজ দলের খেলার আপডেট রাখার চেষ্টা করে।

স্টীল মিলের পিকনিক....


হাওয়া হাওয়া ইয়ে হাওয়া খুসবু লুটা দে
চিরদিনি তুমি যে আমার।
ম্যায় নে পেয়ার - ফুল অর কাটা 
তখনকার সময়ের আরো কত হিট গান
নাহ, আমি গান গাইতেছিনা আর গান আমি পারিও না। এসব পিকনিক সিজনের গান।। পিকনিকে যাবো তাই বিশাল বড় বড় বাস, তার উপর সামনে পিছনে দুই দিকে মাইক। আর কান ফাঁটানো গান। কি যে মজা আর আনন্দ। যারা পিকনিকে যেতাম তাদের যেমন আনন্দ তেমনি না যাওয়াদেরও কান ফাঁটানো গান শুনে আনন্দ। পুরো কলোনী তখন উৎসবমুখর। আমরা বেশীর ভাগই নতুন জামা কাপড় পড়ে ফুল বাবুটি সেজে পিকনিকে যাচ্ছি সেটা জানান দিতাম। আরে মজারে... মজা।। সারাটা পথ মাইকে কান ফাটানো গান শুনে destination এ পৌছতাম। সেখানে সবচেয়ে মজার ব্যাপার ছিল ফটো তোলা। আমরা ৪/৫ জন মিলে শেয়ারে ফুজি ফিল্ম কিনে ইয়াসিকা ক্যামেরায় ছবি তুলতাম।। ছবি তোলার সময় সে কি সতর্কতারে বাবা। একটা ছবি উলটা পালটা হয়েছেতো একজনের ভাগের একটা ছবি শেষ। হাহাহহ print করানোর সময়েও ভাগে টাকা দেয়া হত। আর এখন স্মার্ট ফোনের কারনে আমার মতো অগা মগা, গরু ছাগলও স্মার্ট হয়ে গেছে।। যাই হোক সারাদিন আনন্দ আর মজা আর খাওয়া দাওয়া করে সন্ধায় যখন ফিরতাম তখনও গান শুনেই সবাই বুঝতো "ওরা এসেছে"।। কি মজাই না ছিল অইসব দিনগুলি।

বেশ কিছুদিন ধরে চিন্তা করছিলাম কি নিয়ে লেখা যায়


বেশ কিছুদিন ধরে চিন্তা করছিলাম কি নিয়ে লেখা যায়।কখনো ত এই গ্রুপ এ কিছু লিখিনি... আমার বড় ভাই (নাজমুল ভাই) সবসময় আমাকে বলে তুই কিছু লিখস না কেন... আসলে কি লিখব সব বড় ভাইদের সামনে কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করব সেটাই বুঝে উঠছিলাম না... 

আজ অনেক দিন পরে facebook এ লগ ইন করলাম... আর লগ ইন করার পর প্রথমেই দেখলাম রেজা ভাই এর ‘তারিকের ফান্ড’ নামক পোস্ট টি। একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলাম... সম্মেলিত ভাবে আমরা এইটা কি করে দেখালাম... অবাক হয়ে গেলাম মুগ্ধ হয়ে গেলাম স্তম্ভিত হয়ে গেলাম... আমরা CSM কলনি ছেড়েছি কত বছর হয়ে গেল... কিন্তু আত্মার টান সবার ভিতর ছিল্‌... শুধু দরকার ছিল একটা প্লাটফর্ম এর...।সেইটা করে দিল CSM facebook group. 

আজ রেজা ভাইয়ের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম


আজ রেজা ভাইয়ের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম আমি আর মাহমুদ |অনেক ভালো লাগলো রেজা ভাইয়ের সাথে কথা বলে |উনি আমাদেরকে রিসিভ করার জন্যে নিছে নেমে এলো এবং কুলাকুলি করলেন |খেয়াল করলাম কুলাকুলি করার সময় উনি শক্ত করে বুকে জরিয়ে ধরছেন |উনার অফিসে নিয়ে গেলেন এবং অনেকক্ষণ আড্ডা দিলাম উনার সাথে |মাঝে মধ্যে খেয়াল করলাম রেজা ভাই কথা বলার সময় উনার চোখের কোনায় পানি |রেজা ভাই হয়তো লোকানোর চেস্টা করেছেন কিন্তু দেকেছি |

কানে ধরার দল


সব যুগের স্টুডেন্টদের যদি একটা প্রশ্ন করা হয় আপনার সবচেয়ে মজার সময়টা কখন কেটেছে ? আমার ধারনা সবাই স্কুল লাইফেই বেছে নিবে । আমি ও ব্যাতিক্রম না। আমি ও সেই লাইফ কেই খুজে নেই ,কখনো মন খারাপ থাকলে আমাকে সেই লাইফেই ছুটে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়। যাই হোক আমি একটু ভদ্র গোছের ছেলে ছিলাম ,জাহাঙ্গির এর ধারনা আমি সুযোগের অভাবে ভদ্র ছিলাম। কি জানি হবে হয়তো। গুরুর কথা অমান্য করি করে grin emoticon ক্লাস নাইন/টেন এ আমাদের ক্যাপ্টেন ছিল জাহাঙ্গির । এই ছেলে কোন স্ট্যান্ডার্ডের ফান করতে পারে কেউ ধারনাই করতে পারবে না। আমাদের ক্লাসে পজিশন ছিল ফাষ্ট বেঞ্চে। ফাষ্ট বেঞ্চে বসলে মজা করা যায়না এই রকম ধারনা আমরাই সম্ভবত প্রথম ভেঙ্গে দিয়েছিলাম। মাহফুজ স্যার / আনোয়ার স্যার এর মাইড় খেয়ে তত দিন আমাদের পিঠের চামড়া গন্ডার এর মতো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তখনো মনের পর্দা অতটা শক্ত হয়ে উঠেনি। ক্লাস টিচার মহসিন স্যার এর ধমক শুনে মন প্রায় খারাপ হয়ে যেতো । ব্যাপারটা জাহাঙ্গির খেয়াল করে। আমাকে অনেক জ্ঞান দিতে থাকে । কিন্তু কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছিল না। আমাকে নিয়ে এক রকম ঝামেলায় পরে যায় জাহাঙ্গির। কিন্তু হাল ছেড়ে দেয়নি ।

Friday, October 9, 2015

আজ আমি আর কোথাও যাব না


আজ আমি পতেংগা সিবিচ যাব।কিন্তু জানি স্টিল মিলস কলোনি র গেইট এ আসা মাত্র আমার আর যাওয়া হবেনা।ওখানেই থেমে যাব।তারপর হাটতে হাটতে কলোনি র গেইট এর দিকে যাব।পুরোপুরি হ্যালুসিনেশনে চলে যাব।দেয়ালটা উঠে কলোনি র সেই আগের গেইট হয়ে যাবে।আমি যেন দুপুরে মায়ের পাশে শুয়ে আছি, কখন মা চোখ বন্ধ করবেন এই আশায়।মা ঘুমালে যদি বৃষ্টি হয় তাহলে আমি বের হবনা।হয়ত আতিক ভাইয়ের কাছ থেকে আনা আনন্দ বিচিত্রা দেখতে থাকব।বড় বোন স্যারের কাছ থেকে এসে আমাকে বকা দিবেন ম্যাগাজিন ঘেটেছি বলে।তবুও বন্ধ হবেনা আমার এ অভ্যাস।

কিংবা রোদ থাকলে আমি টুল নিয়ে দরজার ছিটকিনি খুলে চলে যাব রিপা আপাদের বাসায়।দেখব গোলাম হোসেন চাচা একা একা শ্রীদেবীর কোন ছবি দেখছেন।আমি গিয়ে বসব উনার পাশে।যদিও শ্রীদেবীকে আমার ভাল লাগেনা,ভাল লাগে জুহি চাওলাকে।রিপা আপা থাকলে হয়ত দেখতে পারতাম।

মামলার ধারা - ৪২০

জানি ইচ্ছা পূরণ হবেনা



স্যরি আজ দুটি পোস্ট দিয়ে ফেললাম একই দিনে। ঘুম আসছে না। কিছু কিছু দিন এমনই থাকে। কিছুতেই ঘুম আসতে চায় না। আমরা যখন সি টাইপের তিনতলা বাসাটায় ছিলাম আমি রান্না ঘরের সাথের কোনার রুমটায় থাকতাম। এই রুমটার মজা হল এটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো। অনেক রাত হয়ে গেলে একটু নির্জনতা পাওয়া যেত। তখন মাঝে মাঝে আজকের মতো কিছু রাত আসতো যখন ঘুম নিরুদ্দেশে যেত। আমি খোলা জানালা দিয়ে আকাশে তাকিয়ে থাকতাম। জানালার পাশের নারকেল পাতা নক্ষত্রের আলো দিয়ে কত ভুত প্রেত যে আঁকত আমার মশারীতে। কত রাতে যে আমি উল্কার খসে পড়া দেখেছি। উল্কা পরার সময় নাকি মনে মনে কোন ইচ্ছা প্রকাশ করলে সেই ইচ্ছা পূরণ হয়। যতবার উল্কা পরতে দেখেছি ততবার আমি একটা ইচ্ছাই করেছি। ইচ্ছা পূরণ হয়নি। কত রাত দেখতাম স্টিলমিলের চোঙ্গাগুলো দিয়ে ধোঁয়া বেরুচ্ছে আর জেটির সোডিয়াম বাতির আলোয় কেমন লাল হয়ে উড়ে যাচ্ছে ধোঁয়ারা। স্টিলমিল নিয়ে কত ছোট ছোট সপ্নের মতো স্মৃতি আমার। অফিসার্স ক্লাবের গেটের সামনের রাস্তার নিচের ড্রেন ভেঙ্গে গেলো একবার। সিমেন্ট ঢালাইয়ের ঝামেলাতে না গিয়ে একটা এক ইঞ্চি স্টিল শীট কেটে ওখানে বসিয়ে দেয়া হল। ওখান থেকে টাঙ্কির দিকে এগিয়ে গেলে নতুন পিচ দেয়া রাস্তায় একদম ছোট একটা গর্ত। প্রতি রাতে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে ডি টাইপের ওয়াশার টাঙ্কি থেকে পানি খেয়ে একমুখ পানি বয়ে নিয়ে এসে ওই গর্তে ফেলতাম। দিনের পর দিন কোন কারন ছাড়া এই ছেলেমানুষি খেলা খেলেছি আমি। মেডিকেল গেটের কাছ দিয়ে খালপাড়ে ঢুকতেই একটু সামনে বাম পাশে একটা বিশাল পাথর। পাথরটা বর্ষায় ঝোপঝাড়ে ঢেকে যায় আর শীতকালে বেরিয়ে আসে। পাথরের পাশেই একটা গর্ত। সেই গর্ত থেকেই কলোনির যত ব্যাডমিন্টন কোর্ট আর খেলার মাঠে দাগ টানার চুন যেতো। আমরা এটাকে চুনের খনি বলতাম। আরেকটু এগুলেই একটা পানির পাইপ খালের উপর দিয়ে আড়াআড়ি পার হয়ে গেছে। ছেলেরা পাহাড়ি ছাগলের মতো তরতর করে ওই পাইপ পার হয়ে বিএইচ১ এর পিছন দিয়ে শর্টকাট মেরে দিত। আমি কখনো ওই পাইপ পার হতে পারিনি। সাহসের বড় অভাব ছিল। খালপাড়ের জংলা থেকে পাকা তোকমা খুঁজে বের করে খেতে খেতে চলে যেতাম পুকুর পাড়ে। পুকুর পাড়ের কোনায় মসজিদের কাছের ঝোপে এক জোড়া টিয়া বাসা করেছিল। ওদের সামনে তোকমা ছুঁড়ে দিলে মাঝে মাঝে পায়ে চেপে ধরে খুঁটেখুঁটে খেত আর মাঝে মাঝে ফিরেও তাকাতো না। উড়ে চলে যেতো। 

গানের নাম "পাপড়ি"। হ্যাঁ, আজম খানের পাপড়ি।



আজ সকালে অফিসে যাওয়ার সময় পরিচিত একটা গান কানে এলো। বহু বছর পর গানটা শুনলাম। গানের নাম "পাপড়ি"। হ্যাঁ, আজম খানের পাপড়ি। পাপড়ি কেন বোঝেনা তাই ঘুম আসেনা। আমার প্রজন্মের মানুষের জীবনে আজম খান একটা বিশাল অংশ জুড়ে আছে। আজ সারাদিন গুরুকে মনে পড়ছিল। ৫ জুন গুরুর মৃত্যু বার্ষিকীতে গুরুকে নিয়ে আমি দুলাইন লিখেছিলাম।


আমি তখন ক্লাস সিক্স কি সেভেনে পড়ি। তখন টেপ রেকর্ডারের যুগ। বাজারে TDK, Sony কোম্পানির ষাট মিনিট আর নব্বই মিনিটের টেপ কিনতে পাওয়া যেত। আমরা আবার নষ্ট হয়ে যাওয়া টেপ থেকে ফিতা খুলে এখানে ওখানে টানা দিয়ে বেঁধে রাখতাম, বাতাস এলে ভ্রিইই ভ্রিইই শব্দ হয়। আমরা বলতাম ক্যাসেটের গানগুলোই বাজছে। তখনো আমাদের বাসায় কোন ক্যাসেট প্লেয়ার নেই। গান নিয়েও তেমন ধ্যান ধারনা ছিলনা। সেসময় আমাদের ক্লাসে নতুন একটা ছেলে ভর্তি হল, নাম জয়নাল আবেদিন। তার বাবা হুজুর ধরনের মানুষ। সফেদ দাড়ি আর তিনগজি আলখাল্লা পড়ে থাকে। জয়নাল ছেলেটা পিছনের বেঞ্চে আমার পাশেই বসত বেশির ভাগ সময়। কথাটথা হতনা খুব একটা। সারাদিন গুনগুন করে অদ্ভুত সুরে কি যেন গাইতো। অনেক চেষ্টা করেও ওর গানের কথা আবিস্কার করতে পারিনি অনেকদিন। একদিন ক্লাসে স্যার নেই, ব্যাপক হইহল্লা হচ্ছে। সম্ভবত চীনা আলম তার স্বভাবসুলভ খবিসি জোকের ভাণ্ডার খুলে বসেছে, সবাই হাহা হোহো করছে। জয়নাল পিছনের বেঞ্চে বসে একা একা গুনগুন করে যাচ্ছে। হইচইয়ের কারনে একটু জোরেই গাইছে। আমি কুত্তার মত কান বাগিয়ে বসে আছি যদি কিছু বুঝা যায়। শেষ দুটা শব্দ শুধু বুঝতে পারছি "তোমাকে আমার"। হঠাৎ একটু বেশিই জোরে গেয়ে ফেলল আর আমিও শুনে ফেললাম। "হৃদয়ের টানে আরো কাছে আনে তোমাকে আমার"। কেমন অদ্ভুত নিয়ম ভাঙ্গা সুর। আমরা তখনো "তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে মরন যাত্রা যেদিন যাবে" ধরনের সুর শুনে অভ্যস্ত। গানের কথা আবিস্কার করে আমি ক্লাসে মোটামুটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটালাম। এরপর বহুদিন জয়নালকে আমরা "হৃদয়ের টানে" নামে ডাকতাম। 

আমার ডায়েরির ছেড়া পাতা ( সুমন বিশ্বাস )


আমি কখনোই রাইটার ছিলাম না, লিখতে যে খুব ভালো লাগে তাও না। আমি সারা জীবন বাধ্য না হলে কোন কাজ করিনা আজো ঠিক তেমনি আছি। আমি সত্যি বদলাতে পারি না । জসিম ভাই এর জন্য আজ আমি বাধ্য হয়ে আবার লিখতে আসলাম । গ্রুপে আমরা না থাকলে মজা হয় না। আমরা বলতে পুরো ৫০০+ ম্যাম্বার। এত বড় ভাই /বোন আছে অনেকের সাথেই এই গ্রুপেই প্রথম পরিচয় হলো। জসিম ভাইয়ার কথা শুনেই মনে হলো ফ্রেন্ড দের নিয়ে কিছু লিখবো ।

আমার ফ্রেন্ড , কাকে নিয়ে লিখবো ? ফেসবুকে আমার মতো নিরামিষ মানুষের ফ্রেন্ডলিষ্টে ৩৭১ জন ফ্রেন্ড !!! ভার্চুয়াল ফ্রেন্ড সিয়াম/রাব্বির কথা দিয়ে না শুরু করলে ফ্রেন্ডশিপ এর গল্প পুর্নতা পায় না , জাহাঙ্গির,কাজী, কাইয়ুম, রায়হান দের ছাড়া আমি নিজেরে খুজেই পাইনা । পলাশ এর সাথে কথা বলে যে আনন্দ টা খুঁজে পাই তারো তুলনা হয় না। কত যে ফ্রেন্ড আমার গুনে শেষ হবে না । সবার সাথেই মোটা মুটি যোগাযোগ আছে । ফ্রেন্ডশিপ কিভাবে করতে হয় এইটা যার কাছে শিখেছি সেই শুধু নেই আমার কাছে । এক সাথে বড় হয়েছি , কত ঝগড়া করেছি, গাল ফুলিয়েছি , কথা বলা বন্ধ করেছি। স্যাররা মিলিয়ে দিয়েছে আবার ফ্রেন্ডশিপ হয়েছে , অনেকবার দূরে চলে গিয়েও ফিরে এসেছে এখন তো আমাদের মাঝে কত দুরুত্ব আমাদের দেশ আলাদা , আমাদের দু জন কে আরো আলাদা করে দিয়েছে দুই দেশের মাঝে দেয়াল হয়ে থাকা কাটা তার। আমার আদর্শও হয়তো সুমনের কাছ থেকে আরো দূরে সরিয়ে দিয়েছে । দূরে সরে গিয়েই হয়তো আমি আরো বেশি অনুভব করতে শুরু করেছি । সময়ের সাথে বন্ধুত্ব আরো শক্তি শালি হচ্ছে। 

Thursday, October 8, 2015

“ গর্ব “


“তারেক” জাস্ট একটা নাম, এর চেয়ে বড় কথা হলো তিনি একজন মানুষ, এটাকে আরো ভালো করে বলতে গেলে, তিনি আমাদের স্টিল মিলস কলোনির একজন মানুষ, বড় ভাই, কারো ছোট ভাই, অনেকের দোস্ত। অনেকেই আছে যারা তারেক ভাইকে শুধু নামেই চিনে, কেউ স্কুল এর অনুষ্ঠানে গিটার বাদক হিসাবে, বেশীর ভাগই ফুটবল খেলাতে গোল কিপার হিসাবে চিনে। তারেক ভাই কলোনি থেকে বের হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত যারা কলোনিতে ছিলো সবাই তাকে চিনে বিভিন্ন ভাবে। কলোনির যাদের সাথে কখনো তার কথা হয় নাই তারাও তাকে চিনে, এমনটা শুধু তারেক ভাইয়ের বেলায় না, আমার বেলাতেও এমন, সবার বেলাতেই ঠিক এমনই। কারন কলোনি এমন একটা জায়গা ছিলো সবাই সবাইকে চিনতো, কথা হোক বা না হোক।

“একদা ঈদের ময়দানে “

- Mahabub Rasel

CSM কলোনিতে থাকাকালীন অবস্থায় আমরা সবাই ঈদের নামাজ পড়তাম অফিসার্স ক্লাব মাঠে, এটা সবার জানা এই মাঠে শুধু কলোনির মানুষ না, বাহিরের মানুষরাও দলে দলে এসে নামাজে অংশগ্রহন করতেন, এটাও সবার জানা নামাজ শেষে ফকির / গরীব মানুষেরা অফিসার্স ক্লাব থেকে বের হবার রাস্তায় লাইন ধরে দলে দলে দাঁড়িয়ে থাকতো এইটাও সবার জানা কিন্তু যে সত্য কাহিনীটা অনেকের হয়তো জানা নাই তা হল …………

আমাদের একজন ছোট্ট-খাট্ট সন্মানিত কাকা ( অনুগ্রহ করে যারা ঘটনাটা জানেন তারা কাকার নাম প্রকাশ করবেন না ) ঈদের নামাজ শেষ করে ক্লাব থেকে বের হবার রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন, তার পরনে ছিলো হালকা সাদা লুঙ্গী, আর গায়ে ছিলো আগেরদিনের মুরুব্বীদের পাঞ্জাবি (অনেকটা হাফ শার্টের মত, একটু লম্বা, কিন্তু পাঞ্জাবী !!!) হয়তোবা কারো জন্য অপেক্ষা করছিলেন কিন্তু সমস্যা হল তিনি এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলেন, ফকিরের লাইন যেখানে এসে শেষ হয়েছিলো!!!!

হাজিরা খাতা



কলেজে উঠে ক্লাস পালায় নি এমন ছাত্র,ছাত্রী খুব কম আছে। সম্ভবত এই কারনেই কলেজের প্রতি ক্লাসে রোল কল হত। আমি ত প্রথমে ঢাকায় ভিকারুন্নিসা কলেজে পড়েছি পরে চিটাগাং গেলাম। এখানে পড়ার সময়ে মাঝে মাঝে ক্লাস পালাতাম। আমাদের এখানে সিট রোলিং হয় প্রতিদিন। আমাদের যে রুমটাতে ক্লাস হত সেই রুমের দুইটা দরজা ছিল। আমরা ছিলাম ১২১ জন ছাত্রি। তো সিট রোলিং করে করে যে দুই দিন আমি দরজার পাশে বসতাম সেই দুই দিন নাম প্রেজেন্ট করেই পালাতাম।তবে হ্যা সব ক্লাস না,বা প্রতিদিন না। পালিয়ে আমরা বেশি কোথাও ত যেতে পারতাম না। কারন স্কুলের দিকে যাওয়া নিষেধ ছিল। বড়জোর আমরা অডিটোরিয়ামের ভিতরে যে ড্রেসিংরুম যেটা ছিল ওখানে বসে থাকতাম। এলাম চিটাগাং। এখানে এসে প্রথম দিকে পুরা ক্লাস করতাম মনোযোগ দিয়ে আর ওটা ছিল ছেলেদের সাথে প্রথম একসাথে ক্লাস করা। খুব অস্বস্তি লাগত বলে পড়ালেখাই করতাম। কিছুদিন পর আবার ক্লাস পালানো শুরু করলাম। এবারের স্বাধিনতা আলাদা,কারন বিশাল ক্যাম্পাস, চাইলেও ধরা খাবার সম্ভাবনা নাই। একদিন ক্লাস ফাকি দিয়ে গেলাম মিতুর (sister of Abdullah Al Mamun অপু ভাই) ক্লাসে। পিছনে বসে সমানে আমি আর মিতু স্যার কে নকল করছিলাম। স্যারের নাম ছিল something পাটোয়ারী। উনি নিজের নাম বলতেন ফাটোয়ারি। এরকম নানা কিছু মনে হচ্ছে আর কি। কি দিন পার করেছি।