Saturday, January 9, 2016

ভিতরে ভিতরে সবসময় আমার একটা গর্ব কাজ করে


ভিতরে ভিতরে সবসময় আমার একটা গর্ব কাজ করে যে, এই পেজ বা গ্রুপ টা তৈরি র পিছনে আমার একটু হলেও অবদান আছে, দিনের পর দিন ব্যক্তিগত এবং অফিসের কাজ তুলে রেখে এই পেজে সময় দিয়েছি, একটা সময় হতাশ হয়ে Anisur Rahman Reza ভাইকে বলেছিলাম, রেজা ভাই আমি আপনি আর দু একজন ছাড়া কাউকে তো পাচ্ছিনা, তখন রেজা ভাই বলেছিলো অপেক্ষা কর, অনেকেই আসবে, ঠিক তাইই, আজ এই পেজ জমজমাট এক পেজ এ পরিণত হয়েছে, যার মাধ্যমে কিছু কল্যাণকর কাজের পাশাপাশি, আমরা কলোনি বাসীর এক মহা মিলন মেলা বসাতে যাচ্ছি, যা আজ থেকে ৬ মাস আগেও কল্পনা করা যেতনা, সবাই অধীর আগ্রহভরে এ গ্রান্ড আড্ডার জন্য প্রতীক্ষায় আছে। প্রথম বারের মত এ আয়োজন করতে গিয়ে কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি থাকাটা স্বাভাবিক, বরং না থাকাটাই ছিলো অস্বাভাবিক।

ইশ আর একটি বার



ইশ আর একটি বার-----। ছোট এই জিবনের একটি ভালোলাগা। বন্ধুরা কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জি. কেউ আরো বড় অনেক কিছু। আমি কিছুই না, এই আফসোসটা আমার নাই। আমি আমাকে নিয়ে সুখি।
একটি যায়গাতে এসে মাঝে মাঝে থেমে যায়।
ইশ আর একটি বার ---- দিনগুলি ফিরে পেতাম, হারিয়ে যেতে দিতাম না।

চাঁদের বুড়ি


CSM colony'r আমরা সবাই কম বেশি হুজুরের কাছে মক্তবে পড়তে যেতাম ।হুজুর ছিলেন যেমন রাগি তেমনই রসিক ।তিনি তাঁর প্রিয় ছাত্র ছাত্রীদের বিভিন্ন নামে ডাকতেন ।কার কার মনে আছে সেই কথা ? হুজুর আমার ও একটি নাম দিয়েছিলেন এবং সব সময় সেই নামে ডাকতেন ।but সে নাম ছিল আমার বড়ই অপছন্দ ।কিন্তু এখন যখন সে নাম মনে পড়ে তখন মনটা কেঁদে উঠে ।সে কলোনি মরে গেছে , but আমরা বেচেঁ আছি ।কখনও কি ফিরে পাব সেই জীবনটা ।হুজুরের সাথে যখন একবার অনেক বছর পর দেখা হলো হুজুর আমাকে ঝুমুর বলে না ডেকে - বললেন চাঁদের বুড়ি তুই ভাল আছিস ?কোথায় রাখি এই ভালবাসা ???

রেজাভাই জড়িমানা হিসেবে ৩৮৭ টাকা


রেজাভাই জড়িমানা হিসেবে ৩৮৭ টাকা ও টেনসনের জন্য বাড়তি দিতে প্রস্তুত থাকুন, নইলে দূূবার আন্দলন শুরু হবে! ঘটনার নেপথ্য হচ্ছে এই সিএসএম কলোনি নামক পেজ যার গুরু আবার রেজা ভাই। আজ আমি একটি কাজে ভারতে যাওয়ার জন্য সোহাগ বাসের টিকিট নেই ও যথাসময়ের পূর্বেই কাউন্টারে আসি। এসেই মশগুল হয়ে যাই সিএসএম পেইজে, ফলাফল যা হবার তাই হলো। এ্যানান্স হলো যথাসময়ে কিন্তু আমি ব্যাস্ত রেজাভাই, আতিক্কা ও জাভেদের কয়েকটি পোস্টে, গাড়ি তার সময়মত মালিবাগ ত্যাগ করার ১৫ মিনিট পর আমাদের সম্ভিত ফিরে পাই। দৌড় ঝাপ শুরু হলো সিএনজির খোঁজে গন্তব্য আবদুল্লাহপুর, ভাড়া ৩৫০ টাকা ও ফোন খরচ ৩৭ টাকা গচ্চা, সাথে টেনসন নামক মহা রোগ। আল্লার অশেষ কৃপায় ও সিএনজি চালকের চতুরতায় ১২.৪৫ কাঙিত বাস পাই। এবার বুঝুন সিএসএম পেইজের কেরামতি! আপনারা কেউ আমার সাথে আন্দলনে থাকবেন, যদি না থাকেন তবে একাই লরব জড়িমানা আদায়ে, 
যদি তোর ডাক শুনে
কেউ না আসে
তবে একলা চলো রে।

Friday, January 8, 2016

শুভ জন্মদিন যাদুকর, শুভ জন্মদিন


অক্টোবরে পপুলার হসপিটালে গিয়ে বসেছিলাম আমি, নাজমুল ভাই, রেজা ভাই, পুলক, টিপু আরো কয়েকজন। অপেক্ষায় ছিলাম। নাটোর থেকে তারিক ভাই আসছেন। এক সময় তিনি এলেন। শারীরিক অসুস্থতা আর ভ্রমন ক্লান্তিতে বিধ্বস্ত। ইমারজেন্সিতে প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ভর্তি করে নেয়া হলো কিন্তু ভর্তির দাপ্তরিক কাজ কর্মের কারনে হসপিটালের লবিতে কিছুক্ষন নিজের হুইল চেয়ারে বসে থাকতে হয়েছিলো তারিক ভাইকে। তখন উনার সাথে আমার টুকটাক কথা হচ্ছিলো। এক পর্যায়ে তারিক ভাই উঠে দাঁড়াতে চাইলে উনাকে ওয়াকার দিয়ে দুজনে ধরে দাঁড় করালো তবে বেশিক্ষন দাঁড়িয়ে থাকতেও পারলেন না। আমি খুব ব্যথিত হয়েছিলাম সেদিন।

আমার মেয়েদের জন্য ভালো ছেলে খুঁজে বের কর


নাজমুল, সালাম
কেমন আছ?
তোমার ছেলেরা কে কোন ক্লাস এ আছে?
তোমাদের সবার সাথে কাটানো আমার দিনের ঐ সময়টুকু স্বর্গীয়৷
অনেক fun হোলো সেদিন, মনে কিছু রেখো না....কিন্তু ছেলে আমার চাই.....
নাজমুল, আমার মেয়েরা আমার জানের টুকরা ৷ প্রাত্যহিক জীবনে, অফিস, ঘরকন্যার কাজ শেষে যে টুকু সময় পাই পুরোটা আমার মেয়েদের নিয়ে কাটে ৷ ওদের পড়াশোনা, খেলাধুলায় অংশগ্রহন, আরবী পড়া, cooking, gardening, শেখানো, friday night এ, একসাথে movie দেখা, গান শোনা, আরো যত fun করা যায়...কোনটা বাদ রাখি না৷ ...তখন বোঝা দায় যে আমরা কে মা আর কে মেয়ে...

০৭/০৪/২০১৩ চইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সব শেষ গিয়েছিলাম


০৭/০৪/২০১৩ চইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সব শেষ গিয়েছিলাম। অবশ্য অন্য কাজে। আমার একটা ছোট কন্সট্রাকশান কাজ চলছিল KEPZএ। এক নজর কাজ দেখে মনের ভিতর আকুপাকু চলছিল কখন স্কুল কম্পাউন্ডে ঢুকব। সাথের লোকজন বুঝতে পেরে বলল, চলেন ভিতরে যাই। আমাদের কয়েক জনকে দেখে স্যাররা দেলয়ার ভাইকে পাঠালেন। দেলয়ার ভাই চ্যালেঞ্জ করলেন যদি এ স্কুলের হন আমাকে চিনেন কিনা বলেন। আমি বললাম, আপনি দেলয়ার ভাই? আমাকে না চিনলেও আব্বাকে চিনতে পারছিলেন। দোতলায় উঠার সময় চোখে কি যেন হল। সাথের লোকজন আমাকে স্পেস দেয়ার জন্য অন্যদিকে চলে গেল।

কংকাল হোলা না মাইয়া !!!


একবার আমাদের ক্লাসের পোলাপাইনের প্রেকটিক্যাল ক্লাস হচ্ছে, ক্লাস নিচ্ছেন আমাদের আনোয়ার স্যার। আমরা সবাই প্রেকটিক্যাল ক্লাসের এইটা সেইটা ঘাটা ঘাটা করছি, অবার অনেক জিনিস দেখে অবাক হচ্ছি, হাসা হাসি করছি।
কিন্তু আমাদের Iftakhar Iftakhar ইফতেখার একটা টেবিলের সামনে বসে টেবিলের উপরে রাখা একটা ছোট প্লাস্টিকের ডামি কংকালের দিকে একনজরে তাকিয়া আছে !!! এত মনযোগ সহকারে দেখছিলো, মনে হচ্ছিলো কংকালের এই দশা দেখে ইফতেখার খুব অবাক !!!!

Thursday, January 7, 2016

স্মৃতিচারণ


বার্ষিক পরীক্ষা শেষ। কখনও হাফ প্যান্টের পকেটে কিংবা কখনও লুঙ্গির কোছায় প্রায় ৮০/১০০ মার্বেল নিয়ে বুইজ্জার বাগানে খেলায় নেমেছি।খেলা শেষে প্যান্ট বা লুঙ্গি মার্বেলের ভারে খুলে যায় যায় অবস্থা কারন এখনতো সাথে ৩০০/৩৫০ মার্বেল। পানির পাম্পে উঠে সেগুলোকে নীচের দিকে ছুঁড়ে মারতাম আর নীচে থাকা ছোটরা সেগুলো কুড়ানোয় ব্যাস্ত। যারা কুড়িয়ে একদম পেতোই না তাদেরকে আবার দয়াবশত ১০/১২ টা এমনিতেই ধরিয়ে দিতাম।

একটা রড বাঁকা করে গোলাকৃতি করে আরেকটা রড বিশেষভাবে বাঁকিয়ে কত যে চালিয়েছি। সেগুলো নিয়ে চালাতে চালাতে আবার ড্রেন লাফও দিতাম। বুইজ্জার বাগান ছিল নারিকেল গাছে ভরা। আর গাছের শিকড়্গুলো ছিল সাতচাড়া কিংবা নই খেলার উপকরন। সিগারেটের প্যাকেট ছিঁড়ে টাকা হিসেবে ব্যাবহার করতাম।

আমরা কিছু "দম ফাটানো হাসির বানী" আশা করছি সবার কাছে


অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন "যে কখনও ভুল করেনা। সে নতুন কিছু করার চেষ্টা করে না।"।
প্লেটো একবার বললেন, ‘মানুষ হলো একটি পালকবিহীন দুই পাবিশিষ্ট প্রাণী।’

এর কিছুদিন পর এক গবেষক একটি পালকবিহীন মুরগি নিয়ে প্লেটোর ক্লাসে হাজির হলেন। বললেন, ‘দেখো দেখো! এই হলো প্লেটোর মানুষ!’

দার্শনিক সক্রেটিসের বউ ছিলেন বদমেজাজি প্রকৃতির। প্রায়ই সক্রেটিসকে ঘর থেকে বের করে দিতেন। ত্যাক্তবিরক্ত হয়ে সক্রেটিস বানী দিয়েছিলেন "বিয়ে করবে। তোমার বউ ভালো হলে সুখী হবে আর খারাপ হলে হবে দার্শনিক।"
আর আমাদের এক মহান স্টীলার একদা প্রেমিকার বদমেজাজি বাপের প্রতি বানী ছুড়ে দিয়েছিলেন "আমি কাটা টুকরোগুলো কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষন করবো তবু............" বাকিটা সবাই জানে।

আমরা আড্ডার জন্য একটি বই করছি। বইয়ের একটি পৃষ্ঠায় আমরা আমাদের মহান স্টীলারদের মজার কিছু মহান বানী সংরক্ষন করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আপনাদের কাছ থেকে নিজেদের নিজস্ব কিছু বানী আশা করছি। গম্ভীর জ্ঞানগর্ভ বানী নয়। আমরা কিছু "দম ফাটানো হাসির বানী" আশা করছি সবার কাছে।

Wednesday, January 6, 2016

গ্রেন্ড আড্ডাতে খেলাধূলা আইটেম এ 7 থেকে 10 বছর প'যন্ত বাচ্চাদের জন্য


গ্রেন্ড আড্ডাতে খেলাধূলা আইটেম এ 7 থেকে 10 বছর প'যন্ত বাচ্চাদের জন্য একটা ক্রীকেট প্রীতি ম্যাচ থাকলে ভালো হয়। কারণ এখন সব ছেলেরা ক্রীকেট নিয়ে অতি exited। ম্যাচ না করতে পারলেও এমন ভাবে করা যেতে পারে প্রত্যেকে 2 ওভার করে খেলবে। তাহলে ওদের enjoy টা মনে হয় পরিপূ'ণ হবে।

মনে পড়ে সি এস এম তোমায়


মনে পড়ে সি এস এম তোমায়
কত স্মৃতি আর স্বপ্নের বাসনায়
ট্যাঙ্কির তলায় সে তুমুল আড্ডায়
গ্রীষ্মকালে রাতে ছাদে শুয়ে আকাশের পানে চেয়ে থাকায়
বাসায় বাসায় আম কাঠালের পসরা বসায়
বর্ষাকালে বল খেলে কর্দমাক্ত হয়ে পুকুরে ঝাপ দেওয়ায়
ওরে খেলা ফুলের টব দর্শকের চিৎকারে মন ভাসায়
শরৎকালে আনসার ব্যারাক এর কাশফুলের দোলায়
শাপলা আর পদ্ম ফুলের পুকুর ছেয়ে যাওয়ায়
হেমন্তকালে বিকেলে সোনালী রোদের খেলায়
বাসার কার্নিশে জবা ফুলের লাল আভায়
শীতের বিকালে ব্যাটমিন্টন আর লাটিম খেলায়
খেজুরের রস আর ভাপা পিঠার ধূয়ায়
বসন্তকালে বাগানের নতুন শাক সবজির মুখরতায় 
শিমুল পলাশ আর গাঁদা ফুলের স্নিগ্ধ আভায় ।

হ্যাঁ, আমি পারবই


ক্লাসের শেষ রোলের ছেলেটি — যে কি না প্রায়ই বিরক্ত হয়ে বই ছিঁড়ে পুড়িয়ে ফেলতো, তাকেই আজ দেখা যায় পাজারোতে চেপে অফিস যেতে । হ্যাঁ, সে আজ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার । . রাগের কারণে যে ছেলেটি ছিল সবচেয়ে বিখ্যাত, পাড়ার যেকোন গন্ডগোলে যেই ছেলেটিকে ছুঁড়ি হাতে দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে দেখা যেত, সেই আজ মাথা ঠান্ডা রেখে পরিচালনা করে পুরো একটি ব্রিগেড ফোর্স । কাঁধভর্তি চকচকে স্টার আর জাতীয় প্রতীক শাপলা । 

সে আজ সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা । . যে ছেলেটি এক ফোঁটা রক্ত দেখলেই মাথা ঘুরে পড়ে যেত, সেই আজ অপারেশন থিয়েটারে রক্ত নিয়ে হাত মাখামাখি করে ফেলে । হ্যাঁ, সে আজ দেশের নামকরা একজন ডাক্তার । . ..........সবকিছই বদলে যায় । বদলে যায় সমাজ, বদলায় মানুষ আর মানুষের জীবন । . শুধু দরকার একটু ধৈর্যের ।

Tuesday, January 5, 2016

স্বর্গভ্রষ্ট



আমরা কলোনিতে ঢুকেছিলাম ১৯৮৭ সালে। জুন মাসে। আমার বয়স তখন আট কি নয়। তখন স্টিলমিলের রমরমা অবস্থা। নতুন কেউ বাসা পেলে তখন বাসার দরজা, জানালা ঠিক করে দেয়া হতো। আমরা ঢুকে দেখি তখনো কাঠের কাজ শেষ হয়নি। আমার পা ভাঙ্গা থাকায় উরু পর্যন্ত প্লাস্টার দেয়া ছিলো। আমি সারাদিন বসে সেই প্লাস্টারে ছবি আঁকতাম বা একা একা বসে ক্যারম খেলতাম। সেবছরই আমি মাত্র ক্লাস থ্রি তে ভর্তি হয়েছিলাম স্টিলমিল স্কুলে। কিছুদিন ক্লাস করতে না করতেই পা ভাঙ্গার বিপত্তি। তাই প্রথম অনেকদিন আমার কলোনির সাথে পরিচয় হয়নি। আমাদের বাসার সামনে ছিলো জঙ্গলে ভরা। জঙ্গলে ছেয়ে গিয়ে জায়গাটা এতই সবুজ হয়ে ছিলো যে সকালে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে সারা ঘর সবুজ হয়ে যেতো। তখন আমার বারান্দা থেকে বা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর তেমন কিছুই করার ছিল না তাই সবকিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতাম। 

একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু.............................



শরীফা আপার কথা বলছি। অত্যান্ত মেধাবিনী ছিলেন। খেলাধুলায়ও খুব ভাল ছিলেন। চইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১ম শ্রেনী থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত কখনও ২য় হন নাই। সিনিয়র শিক্ষকরা হয়ত এখনও স্বরন করতে পারবেন। সম্ভবত উনি যখন ৯ম/১০ম শ্রেনীতে তখন আমার স্কুলে যাব যাব ভাব। একদিন আমাকে স্কুলে নিয়ে গেলেন। একদম পেছনের সিটে বসিয়ে রাখছিলেন। মনে পরে কোন এক আপা আমাকে বললেন, বাবু অ আ লিখ তো। আমি গাল ফুলিয়ে বসে ছিলাম। লিখব না তো লিখবনা। হা হা হা.......

স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হবেন। ইন্টারে থাকা অবস্থায় একজন ভাল সুন্দর ছেলে পেয়ে আম্মা বিয়ে দিয়ে দিলেন। (এখন হলে বাল্য বিয়ের কেস হয়ে যেত)। পড়ালেখা আর আগায়নি। আমরা চইকা কলনী থেকে চলে আসার পরও উনার কথা স্যার আপারা অনেক দিন ক্লাসে বলতেন বলে শুনেছি.......

অবিনাশ স্যার


গতকাল অবিনাশ স্যারের বাসায় গিয়েছিলাম স্যারের হাতে আমাদের গ্রান্ড আড্ডার কুপন তুলে দেওয়ার জন্য, আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ আমাকে এই দ্বায়িত্ব দেওয়ার জন্য। স্যারের সাথে পুরানো দিনের অনেক কথা হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে খালাম্মা ( স্যারের স্ত্রী) আমাকে এখনো মনে রেখেছেন। অথচ উনার সাথে আমার খুব সামান্য পরিচয় ছিলো।

অবিনাশ স্যার খুব ছাত্র বান্ধব শিক্ষক ছিলেন, ছাত্রদের প্রতি প্রচন্ড শাসনের পাশাপাশি যথেষ্ট স্নেহ করতেন। স্কুল লাইফে দলগত বা ব্যাক্তিগত অন্যায় করে যতবারই ঝামেলায় পড়েছি ততবারই স্যারের কাছে আশ্রয় চেয়েছি ও পেয়েছি।তাই বলে উনি শুধু শুধু ছেড়ে দেন নি, অন্যায়ের বিচার ঠিকই উনি করতেন।। স্কুল লাইফ শেষ হওয়ার পর ও একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা থেকে স্যার আমাদের উদ্ধার করেছিলেন।এর আগেও স্যার কে নিয়ে লিখেছি, আসলে উনাকে নিয়ে লেখা কখনও শেষ হওয়ার নয়।

Monday, January 4, 2016

জাফর স্যার, আমাদের স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন


জাফর স্যার, আমাদের স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি ছিলেন অসম্ভব কড়া মেজাজের আর প্রচুর ধূমপান করতেন অথচ তাঁর ক্লাসে কেউ কাশি দিলে বলতেন “কিরে ব্যাটা গাঁজা খেয়েছিস নাকি, এগুলো খাসনে, দেখছিস না আমি ধূমপান করে শেষ” স্যারের ক্লাস খাকতো পিনপতন নিরবতা, কেউ কথা বললেই তার উপর চলত “ধামাধাম মাসকালান্দার” এবংপ্রায়ই দিনই এ জিনিস টা আমার উপর প্রযোগ করা হতো। স্যারের ক্লাসে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে। যেহেতু Mahabub Rashel আজ স্যারকে নিয়ে লেখা শুরু করেছে তাই রাসেলকে জানিয়েই আমরা কাহিনী গুলোর ছোট্ট কিছু অংশ লিখছি।

আমাদের জাফর স্যার



জাফর স্যারের ক্লাস মানেই ক্লাসে শুনশান নীরবতা, সবার বুকে ধুপ-ধুপ আর চোখ পিট-পিট করতে থাকা !!! চোখতো কোন ভাবেই খোলা রাখা যায় না !!! আবার ঘুমানোও যেতো না, কারন ঘুমাতে দেখলেই স্যার দাড়া করিয়ে জিজ্ঞেস করবেন ............ Spelling কর । যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তাদের জাফর স্যারের ক্লাসে বসিয়ে দিলে ৫ মিনিটের মধ্যে ঘুম এসে যাবে এটা সিউর।

জাফর স্যারের ক্লাস টাইমিং ছিলো একেবারে নিখুত, ঘন্টা শুরু সঙ্গে সঙ্গে জাফর স্যার বিদ্যুতের গতিতে ক্লাসে হাজির, আবার ঘন্টা শেষ হলে, পড়া যে অবস্থায় ছিলো সেই অবস্থায় রেখে,বই বন্ধ করে বিদ্যুতের গতিতে ক্লাস থেকে বাহির।
আর স্কুলে পড়ার সময় আমাদের চিরাচরিত বদঅভ্যাস ছিলো, ক্লাস থেকে ছোট টয়লেটের নাম করে বাহিরে একটা চক্কর দিয়ে আসা।

Sunday, January 3, 2016

রাত ১১টা


রাত ১১টা। সিগারেটের নেশা চেপেছে। কি করি? হাতের কাছে সিগারেট নেই। হঠাত মনে পরলো, সন্ধায় বাসায় ফেরার সময়, সিড়ির নিচে আধা খাওয়া একটি সিগারেট পরে থাকতে দেখেছি। চুপচাপ দরজা খুলে বের হলাম। সিগারেটটি ধরিয়ে দিলাম দুই টান। যথেষ্ট, সিগারেটটি ছিলো, রমনা " Brand"।

কয় দিন ধরেই রনি বলছিলো, ভাইয়া চলো, সাইফুল আমিন চাচাকে দেখে আসি। চাচা খুব অসুস্থ। সাথে বন্যাও যাবে। আজ যাবো,কাল যাবো করে আর সময় হয়ে উঠেনি। 

কিন্তু চাচা সময় মত চলে গেছেন। আমরা এত ব্যাস্ত যে, চাচা আমাদের সময় নষ্ট করতে চাননি। 

আমাদের গ্রান্ড আড্ডারর আনন্দ টেনশন


আগে যখন ঢাকা থেকে চিটাগাং গিয়ে ঈদ করতাম, তখন কি যে একটা টেনশন কাজ করত, ঠিক মত যাওয়া আসার টিকেট পাওয়া যাবে কিনা, সবার সব কিছু কেনা হয়েছে কিনা, অফিস থেকে টাইম মত বের হয়ে গাড়ি ধরতে পারব কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি।সে টেনশন ছিলো আনন্দের টেনশন, আপনজন দের সাথে দেখা হওয়ার আনন্দ।

এখন যতই গাম্ভীর্য বজায় রেখে চলিনা কেনো ভিতরে ভিতরে সে ঈদ টাইপ উত্তেজনা চলছে। আর সেটা হচ্ছে আমাদের গ্রান্ড আড্ডারর আনন্দ টেনশন। গ্রান্ড আড্ডা উপলক্ষ্যে এখনো পোশাক কেনাকাটা চলছে, যাওয়া আসা কিভাবে হবে এটা নিয়ে চলছে গবেষনা, চিটাগাং গিয়ে কোন হোটেলে উঠব এটা নিয়ে চলছে রীতিমত বিতর্ক প্রতিযোগিতা। 

Saturday, January 2, 2016

আজ সন্ধায় বন্যার বাসায় গিয়েছিলাম


আজ সন্ধায় বন্যার বাসায় গিয়েছিলাম। বন্যা, জাবেদ, টিপু, আপেল, শেষে দেখলাম নাসিরও হাজির। খুব বিজি। আড্ডা উপলক্ষে বই আকারে কি যেন প্রকাশ করবে। বসে বসে গল্প, কবিতা আর কি কি যেন বাছাই করছে।

আজ খুব একটা পাত্তা দিলোনা আমাকে। যদিও চা/নাস্তা খাওয়াইছে। তবে কাজটা ভালো করিনাই। একটা সন্দেশ খেয়ে ফেলেছি, টিপু হারামজাদার পাম্পে, সাহস করে খেয়ে ফেললাম। সন্দেশে চিনি কম থাকে, খান একটা কিছু হবেনা। কিন্তু দই টা যে খাইলাম, এই দোষ কাকে দেই?? মনে করতে পারছিনা, মনে হয় বন্যা জোর করে প্লেটে তুলে দিয়েছিলো।


আমার না হয় ডায়াবেটিস আজ একটু বেশিই হলো, যে কাজটি ওরা হাতে নিয়েছে, তা যেন সফল হয়। হবে ইনশাল্লাহ। আমি দেখেছি, ওরা খুব আন্তরিকতার সাথে কাজটি সুরু করেছে।

প্রিয় আকাশী


প্রিয় আকাশী,
গতকাল ঠিক দুপুরে তোমার চিঠি পেয়েছি
খামের উপর নাম ঠিকানা পড়েই চিনতে পেরেছি তোমার হাতের লেখা;
ঠিকানা পেলে কিভাবে লেখনি;
কতদিন পর ঢাকার চিঠি ; তাও তোমার লেখা ,
ভাবতে পারো আমার অবস্থা !
গতকাল প্যারিসে ঝরেছিলো এ বছরের রেকর্ড ভাঙ্গা তুষাড়পাত
তামাক ফুরিয়ে গেছে আনতে পারিনি; এই প্রথম আমি
অনেকটা সময় নিয়ে ভুলেছিলাম তামাকের গন্ধ।

বিয়ে .......


‘‘বিয়েনামক কার্যক্রমের মাধ্যমে দুইজন নারী পুরুষের মধ্যে একত্রে থাকার যে সামাজিক চুক্তি হয় তাতেই একজন অন্যজনের স্বামী বা স্ত্রী হয়েে উঠেন।

বছর 50 এক আগে তো চোখে দেখাও হত না অথচ মৌলভী, পাদ্রি বা পুরহিত-দুইজনের জন্য দোয়া, বাইবেল বা মন্ত্র পাঠ করলেন চারজনের স্বাক্ষী থাকল আর আত্মীয় পরিজন পেট ঠেসে খাওয়া দাওয়া করল-ব্যস হয়ে গেলা বিয়ে।

পর দিন থেকে ভাল লাগুক না লাগুক এক ঘরে এক ছাদের নিচে কাটিয়ে দাও জীবন ভর। ব্যাপারটা গোলমেলে বলেই স্বামী স্ত্রী সম্পর্ক নিয়ে এ যাবৎকাল সবচাইতে বেশী জোকর্স সৃষ্টি হয়েছে।

Friday, January 1, 2016

সেদিনের সে ৬০ টাকার পিকনিকের সাথে কোন কিছুর তুলনা হয়না

- Atiq CSM

এক বার আমাদের থার্টি ফার্স্ট নাইটের পিকনিকে অংশ নেওয়ার মত টাকা ( সম্ভবত ৬০ টাকা) আমি যোগাড় করতে পারছিলাম না, বিশেষ ঝামেলার কারনে বাসা থেকে এই টাকা খোজার সাহসও পাচ্ছিলাম না, অথচ এই পিকনিকের অন্যতম অর্গানাইজার আমি, তাই কাউকে আমি বলতেও পারছিলাম না, এদিকে ডিসেম্বর এর ৩০ তারিখ চলছে, পরদিনই পিকনিক। আমাদের Monirul Islam Monir তখন ঢাকায় ব্যবসা করে, সেও পিকনিকে অংশ নিতে চট্টগ্রাম এসেছে, আমার করুন দশা সে বুঝতে পারলো, এবং চুপিচুপি আমার পিকনিকের চাঁদা টা সে দিয়ে দিয়েছিলো। আমি সে টাকা টা এখনো দেইনি, দিলেও মনিরুল কখনো নিতোনা। আমি এখন যতই দামী দামী প্রোগ্রামে অংশ নেইনা কেনো সেদিনের সে ৬০ টাকার পিকনিকের সাথে কোন কিছুর তুলনা হয়না।

এইতো আমার শৈশব প্রেম


পুকুরপাড়ের নারিকেল তলা
আড্ডা আজো দেয় যে দোলা।
সি টাইপের মাঠের পাইন্যা খেলা
ভাবতে ভাবতে যায় যে বেলা।
ট্যাংকীর তলার হই চই
এখন আর পাবো কই।
বড় মাঠের সব টুর্নামেন্ট গুলো
যেন বিশ্বকাপের চেয়ে বড় ছিলো।

অকৃতজ্ঞ


শিরোনাম টা কি ঠিক হলো কিনা আমি কনফিউজড , শিরোনামহীন হলে হয়তো ভালো হতো।যাই হোক অকৃতজ্ঞতার জন্য মাহমুদ কখনো আমার দিকে আঙ্গুল তুলে দিলে আমি নির্দ্বিধায় মেনে নিবো । আমি তার বন্ধু হিসেবে যোগ্যনা। মাহমুদ হাসান কে সব সময় আমি মাহমুদ বলে সম্বোধন করলেও অন্যদের কাছে মাহছান /মাছান নামেই বেশি পরিচিত ছিল। আমাদের ফাষ্ট বয়ের চেয়ার টা খুব ঘুরাঘুরি করতো । এই হট স্পট টায় কখনো সৌরভ কখনো জাহাঙ্গির কখনো মাহমুদ লাবুনি নুরজাহান দের মধ্যেই ঘুরে ফিরে আসতো। 

সবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি মাহমুদ এর পারসোনালিটি /কমোন সেন্স সবার চেয়ে আলাদা ছিল । মাহমুদ নাম টা আমাদের কাছে আইকন এরমতো ছিল। ব্যাচে রবিন গ্রুপ/মুসলিম গ্রুপ / সাধারন দের আলাদা গ্রুপ থাকলেও মাহমুদই শুধু সবাই কে এক করে দিতে পারতো। কারো ম্যাথ এ প্রব্লেম মাহমুদ তো আছেই, গ্রামার বুঝতে পারছিনা সেখানেই মাহমুদ। হক স্যার এর মাইর খেলাম মন ভালো নেই সেখানেও মাহমুদ এসে মন ভালো করে দিতো। সকাল থেকে শুরু করে রাত পেরিয়ে যায় মাহমুদ ক্লান্ত হয় না। কখনো বিরক্ত হতেও দেখি নাই , যার যখন যেভাবে প্রয়োজন সবাই মাহমুদ কে ইউজ করেছে। এই ছিল আমাদের মাহমুদ। শুধু বিলিয়েই গেলো ......

মনের টাইম মেশিনে চড়ে একটু পিছনে ঘুরে আসলাম


আজ পয়লা জানুয়ারি, গত রাতের সি টাইপ মাঠের আমাদের নববর্ষ উৎসব শেষ, মাঝরাতেই অধিকাংশরা যার যার বাসায় চলে গিয়েছে, আমি, দুলি,রানা রাশেদ, রিমান লিটন, বুড়া মিয়া, রাজু, মনিরুল সহ আরো কয়েক জন সারা রাত জেগে ছিলাম, খুব ভোরে প্যান্ডেল খুলছি, হোটেল খাজা আজমিরে ( বাজার গেটের সাথেই) সকালের নাস্তা করছি আর পিকনিকের যাবতীয় হিসাব, খরচ গুলো আপডেট করছি। তারপর যার যার বাসায় চলে গেলাম, গিয়ে লম্বা ঘুম। বিকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লান্ত ও ঢুলো ঢুলো চোখে আবারো বন্ধুরা মিলে আড্ডা আর বিষয় বস্তু হচ্ছে গতরাতের পিকনিকের চর্বিত চর্বন। 

মনের টাইম মেশিনে চড়ে একটু পিছনে ঘুরে আসলাম।

Thursday, December 31, 2015

HAPPY NEW YEAR


এই বছরের সর্বশেষ দিনটির বিদায় আর আগামীকাল আসা নতুন একটি বছরে পা রাখার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি CSM এর সবাইকে।।

HAPPY NEW YEAR.
ভালই কাটুক নতুন বছরের ৩৬৬ দিনের (লিপ ইয়ার) প্রতিটি সেকেন্ড আর প্রতিটি মুহুর্ত। নতুন নতুন আশা, ইচ্ছা আর কামনা নিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানালেও নতুন বছরটা হয়তো কারো জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে আবার কারো জন্য হয় তিক্ততায় ভরা। আশীর্বাদ আর তিক্ততা যাই হোক একটা দিন অতিরিক্ত আমরা এবছরে পাচ্ছিই।

আহা সেই দিনগুলা.......


আমরা যখন C-11-C তে সাইদ, চুমকি,রুমকি রা তখন C-11-D তে। সাইদ আমাদের সিনিয়র। আমার সাথে ছিল অন্য রকম সম্পর্ক।

ওরা D টাইপে থাকতে ( আমরা তখন C-2-B) ওদের বাসায় টিভি দেখতে যাইতাম। সাইদ গোসল করার সময় আমাকে দরজার সামনে দাড়িয়ে থাকতে হত, না হলে ও গোসল করবে না বলে গো ধরত। চাচা আমাকে কোলে করে নিয়ে বাথরুমের সামনে বসিয়ে দিতেন।

C-11-C আসার পর একসাথে কত গোসল করছি। একবার বাথরুমে দুই জনে সিগারেট খাইতে গিয়ে বাবুল ভাইয়ের কাছে হাতে নাতে ধরা।

জসিম ভাইয়ার জন্মদিন


আমাদের সবার প্রিয় জসিম ভাইয়ার আজ জন্মদিন । জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। দিনের শুরু তেই আমাদের ভাবি ( আপু বললেও ভুল হবে না ) জসিম ভাই ( দুলা ভাই ডাকতে পারবো না , মাইরা ফালাইবো) কে নিয়ে কবিতা লিখলোঃ
আজো তুমি সুর্য্য হয়ে দূর করে দাও অন্ধকার
আজো তুমি আছো বলেই
কবিতা গল্পে আমি আমাকে খুজে পাই
আজো তুমি আমাকে সি এন জি করে ঘুরে বেড়াও
এখনো বুঝতে পারি তুমি কি ছিলে আমার ?
এভাবেই চলুক
কখনো পায়ে হেটে কখনোবা রিক্সায় কিংবা মার্সিডিজে
যেভাবেই কাটুক আমাদের সময়
তুমি পাশে থাকলেই আমি সুখি
একদিন ইতিহাস হবে আমাদের ভালোবাসা
তুমি জন্মেছিলে বলে পুর্নতা পেয়েছে আমার জীবন

হ্যালো CSM


হ্যালো CSMপ্রথম প্রথম এই ভাবে লিখাটা সুরু করতে ভালো লাগতো। হ্যালো CSM হ্যাপী নিউ ইয়ার। ২০১৫ সালটা আমাদের জন্য ছিলো লাকি বছর। আমরা csm এর একটি বিশাল অংশ, এখন একটি জায়গায় অবস্থান করছি। কারো খুশীতে যেমন আমরা আনন্দিত হয়, ঠিক তেমনি কারো সমস্যায়,আমারা পাশে দারানোর চেষ্টা করি। এটা একটা বিশাল ব্যাপার।

এই শক্তিটাকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিতে হবে। এবং সেটা করতে হবে, সবাইকে সবার প্রতি সন্মান ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে। সবার মতামতকে মুল্যদিয়ে, ভালো ব্যাপার গুলিকে সামনে নিয়ে আসতে হবে।

কিছু আক্ষেপের কথা



আমি মোটামুটি স্বাধীনচেতা মানুষ। মন রক্ষা করে কথা বলার অভ্যাস আমার কখনোই ছিলোনা। এখন যা বলবো তা কারো ভালো লাগবেনা বলেই আমার বিশ্বাস। উপায় নেই, ভালো না লাগলেও শুনতে হবে, পড়তে হবে। কিছুই বলবো না ভেবেছিলাম কিন্তু এখন মনে হচ্ছে বলা উচিত।

এই পেজের মোটামুটি শুরু থেকে এবং ২৯ তারিখের "রিইউনিউনের" উদ্যেগের শুরু থেকে সক্রিয় সদস্য হিসেবে আমি প্রতিটা ইভেন্টে উপস্থিত ছিলাম। সব মিলিয়ে ২৯ তারিখের ইভেন্টের ব্যাপারে আমার কিছু পর্যবেক্ষন আছে।

রিইউনিউন কোন প্রাত্যাহিক সাক্ষাৎ নয়। CSM এর রিইউনিউনে কিছু মানুষের পারস্পরিক সাক্ষাৎ ঘটবে ১৫/২০ বছর পর। আবার এটি কোন বিয়ে বা জন্মদিনের অনুষ্ঠানও নয়। এধরনের অনুষ্ঠানের আলাদা মর্যাদা আর গাম্ভির্য থাকতে হয়। আমি শুরু থেকেই চেষ্টা করেছি এ উপলক্ষ্যে একটি মান্সম্পন্ন স্মরনিকা প্রকাশের। আরো ইচ্ছা ছিলো উপস্থিত সবার হাতে একটি করে স্মারক বস্তু (souvenir) প্রদান করা। শুরুতে বড় ভাইরা এতে উৎসাহ দেখালেও পরবর্তিতে পিছিয়ে যান। পিছিয়ে যাবার কারন হিসেবে অর্থনৈতিক সমস্যা দেখালেও আমার বদ্ধমুল বিশ্বাস কারণটি অর্থনৈতিক নয়। কেননা স্মরনিকার বিজ্ঞাপন থেকেই স্মরনিকা প্রকাশের খরচ উঠে যেতো। বরং বাড়তি কিছু অর্থ মুল ফান্ডেও যেতে পারতো। এমনকি মুল ফান্ড থেকে খরচ করে হলেও স্মরনিকা প্রকাশের ব্যবস্থা করা উচিত ছিলো অনুষ্ঠানের ব্যাপ্তি কমিয়ে হলেও। মনে রাখা উচিত এ ধরনের অনুষ্ঠান স্মৃতিকাতরতা থেকেই হয় তাই স্মৃতিস্মারক হিসেবে কিছু দিয়ে দিতে হয় অংশগ্রহণকারীদের। (আমি মনে করি এখানে টাকার সমস্যার চেয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহনে সাহসের অভাবই বেশি কাজ করেছে)

Wednesday, December 30, 2015

এরে এক্কেরে মারি তামা তামা করিয়ালামু


অনেকেই আতিক চাচা (আমি নই কিন্তু, সিকিউরিটি অফিসার) এর মজার কাহিনি জানতে চায়, আসলে উনার সাথে কোন মজার কিছু নেই, আছে শুধু ঝামেলার কাহিনী সি টাইপ মাঠে খেলা নিয়া উনার সাথে আমাদের অনেক ঝামেলা হয়েছে (আর এ ব্যাপারে উস্কানি দিতো উনার পাশের বাসার.. ..... সাহেব)। সে জন্য আতিক চাচা কে অনেক হেনস্তা পোহাতে হয়েছে। অবশেষ উনি সমঝোতা করতে চাইতেন। সমঝোতা হতো উনার বাসায়, আর আমাদের পক্ষ থেকে চশমা অপু ভাই নেত্রিত্ত দিতেন। 

উনি অই সমঝ্যোতা মিটিং র আমাদের পক্ষ হতে দারুন সব বক্তব্য রাখতেন, অপু ভাইয়ের যুক্তির কাছে আতিক সাহেব ধরাশায়ী হতেন। মিটিং শেষ হলে ছিল চাচির (আতিক সাহেবের স্ত্রী) হাতের বিভিন্ন পদের নাস্তা। আমরা খেয়ে ও আসতাম নিয়েও আসতাম। আসলে অই মিটিং এর প্রধান আকষন ছিল এই নাস্তা।

ডিসেম্বর মাস, বিজয়ের মাস ....


ডিসেম্বর মাস, বিজয়ের মাস, সাধিনতার মাস। আতিক এই কয়টা দিন প্রায় মজা করে বলতো, ভাই আপনেতো পুরাই সাধীন। আসলেই কয়টা দিন সাধিন ছিলাম। বউ/বেটি রাজশাহী। মনের আনন্দে কয়টা দিন ইচ্ছা মত চলেছি। বলার কেউ নাই, সারাফের বাবা লজ্জা করেনা এই বয়সে fb. নিয়ে বসে থাকো। মাঝে মাঝে আমারও বলতে ইচ্ছা করে, তুমি যে ইন্ডিয়ান চ্যানেল নিয়ে বসে থাকো। কি আছে এই সিরিয়াল গুলিতে? পোশাক/আশাক, গয়না/গাটি, আর হলো------যতসব। কিন্তু আজ অবধি বলা হয়ে উঠেনি। 

কি আর বলবো বাড়িতে গেলে বাবাও দেখি ছেলের বউদের সাথে কিরন মালা দেখতে বসে যায়। আজ থেকে আমার সাধিনতা শেষ। আমি এখন ছুটে চলছি রাজশাহির পথে। নিয়ে আসতে যাচ্ছি আমার সারাফ আর -----। আবার শুরু হয়ে যাবে, সারাফের বাবা তুমি হলুদের গুরা আনতে ভুলে গেছো!!! আমার মনে হয় তুমি আমাকে বলতে ভুলে গেছো। মোটেও না, তুমি ইদানিং কালে অনেক কিছুই ভুলে যাও। কি আর করা আবার যেতে হয় হলুদ আনতে।

Tuesday, December 29, 2015

I miss them..I miss my childhood...


আতিক ভাইয়ের স্কুল পালানোর পোষ্ট পড়ে স্কুল পালাতে না পারার দুঃখটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো । আমার সবসময়ই ইচ্ছা করতো একটা দিন স্কুল পালিয়ে কলোনীর কোথাও ঘুরে বেড়াই । অথচ আমার দূর্ভাগ্যটাই খারাপ ছিল । আমার আব্বু আমার স্কুল টিচার ছিলেন frown emoticon

সব স্যার ম্যাডাম,দেলোয়ার ভাই তাহের ভাই,সব স্টুডেন্ট এবং কলোনীর বাকি সবাই আমাকে চিনতো squint emoticon

এই খ্যাতির(!!) বিরম্বনার কারনে পালানোর সুযোগ কোনকালেই হয়নাই colonthree emoticon

পরীক্ষার ফল বের হয়েছে


পরীক্ষার ফল বের হয়েছে। আমার বেটি এখন বাক বাকুম পায়রা। ডিসেম্বর মাস মানে ঘুরে বেড়ানো। আমার বেটি একটু বেশি বেড়ায়। প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় সে নির্ঘাত খারাপ করবে। দোষ হবে আমার। যেন পরীক্ষা আমি দিয়েছি। আমি দিলে কি হতো সেটা একমাত্র আল্লাহ পাক জানে। ২য় সাময়িক পরীক্ষায় রেজাল্ট বেশ ভালো হয়। এবার বেটির মা আসবেন রেজাল্ট হাতে নিয়ে। ভালো হয়েছে তবে আমি খুশি না। 

এই দেখো তোমার বেটির Report Cardআরে সারাফের মা, আমার বেটি অনেক ভালো নাম্বার পেয়েছে। এত নাম্বারতো আমার স্কুল জিবনের সব নাম্বার যোগ করলেও হবেনা। এভাবে বললে মেয়ে মানুষ করতে পারবেনা। আরে ভাই ছোট বাচ্চা, সারা জীবন পরে আছে, তুমি শুধু মেয়েটার বেসিকটা তৈরি করো। এক সময় সব ঠিক হয়ে যাবে।

ঢাকা মিটিং


Csm কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা আড্ডায় যেতে সব সময় ভালো লাগে । আড্ডা শেষ করে ফিরতে রাত হয়ে যায়, অবশ্য আমি তো দৈত্য (Datta) রেই ভয় পাইনা আর একটু রাত হলেইবা কি যায় আসে? যাই হোক এইবার আড্ডা নিয়ে আতিক ভাই ছাড়া আর কেউ লিখলো না। এইবার আড্ডায় Samee (ভাই) দেখলাম কিন্তু বৌ দেখলাম না । বৌ না থাকলেও Kazi কিন্তু হাজির ছিল। Ripon ভাই কে দেখলাম Kamar দোলাতে দোলাতে আসলো। 

শুরুতেই কোন একটা কারনে Reza ভাই আমাদের উপর একটু চড়াও হয়ে হয়ে ব্যাট করছিলেন, Abdullah ভাই না থাকলে আমাদের যে কি হতো ? উনি সব সময় আমাদের বাচিয়ে দেন, সব সময় স্বভাব সুলভ ভঙ্গিতে Hasan. রেজা ভাই আপনি সবাই রে খুশি করতে পারবেন না এইটা সুন্দরি আনোয়ারা ও পারেন নাই আপনিও পারবেন না বলে যে ডায়লোগ টা ছেড়ে আমাদের বাচিয়ে দিলেন কিন্তু সুন্দরি আনোয়ারা তা কে বললেন না grin emoticon সব চেয়ে বেশি মজা পাচ্ছিলাম অবশ্য Rakib ভাইয়ার ছবি তুলতে গিয়ে, একটু বিব্রত হচ্ছিলাম আমার আই ফোন কাভার করতে পারছিল না tongue emoticon @রফিক ভাইয়ার সাথে ছবি তুলতে ইচ্ছে করছিল কিন্তু আড্ডা জমে উঠায় সেই দিকে আর যেতেই পারিনি। Shormi এসে স্বরনিকার কাজ ধরিয়ে দিলো, টলি ভাই রে অনেক মিস করলাম জিরো ফিগার এর ভাইজান কি Khan খুব দেখতে ইচ্ছে করে ? grin emoticon 

আমরা আজো জানতে পারিনি কোরবানের বাবা কেনো তাকে এভাবে ডান্ডাবেড়ি পড়িয়ে রেখেছিলো


গতকাল আমার বন্ধু আনোয়ারুল হক আমাদের ক্লাসের কোরবান আলী কে নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলো, আসলেই একটা মজার মানুষ ছিলো কোরবান আলী পাশাপাশি সে ছিলো একটা মিষ্টিরিয়াস চরিত্র শুধু সে নয় তার পুরো পরিবার টাই ছিলো বোধ হয় মিষ্টিরিয়াস।

ক্লাস ফাইভ বা সিক্স পর্য্যন্ত আমাদের সাথে পড়াশোনা করেছে কোরবান, তারপর আর তাকে স্কুলের গন্ডিতে দেখিনি সম্ভবত পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছিলো।

সেই সময় প্রতিবেশীদের মধ্যে যে হৃদ্যতা, আন্তরিকতা ছিল এখন তা আত্বীয়দের মাঝেও দেখা যায়না


আমরা যখন C-2-B তে থাকি আমাদের উপর তলায় থাকত মুন্নি, লিন্ডা আপারা। চাচার নাম ভুলে গেছি। চাচা আমাকে আদর করে ডাকতেন আ.......য়.......না......ল হক। তখন হাতে গোনা যে কয়টা সাদা কাল টিভি ছিল তার একটা ছিল উনাদের বাসায়।আমরা এ সপ্তাহের নাটক দেখার জন্য সুযোগ পেতাম। আমাদের আসন হত টিভির সামনে ফ্লরে আর বড়রা পিছনে সোফায়। বাবুরাও আসত। কোন একদিন বাচ্চাদের মধ্যে কে যেন নাটক দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে গেছিল আর পেশাব করে দিছিল। হা হা হা।

উনারা কখনও বেড়াতে গেলে আমাকে আর কাজের ছেলেটাকে বাসায় পাহাড়ার জন্য রেখে যেতেন।

লিন্ডা আপা ছিল মুক্তির সখি। মুক্তি কতদিন উনাদের বাসায় খেয়ে আসত আর আম্মার বকা খাইত! মুন্নি আপা শরিফার আপার কাছে একবার আংক দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য ট্রেনিং নিতে আসছিলেন। ঘটনাটা আমার চোখে ভাসে।

সি এস এম কলোনির বড় ভাইদে দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটা প্রস্তাব করতে চাই


সি এস এম কলোনির বড় ভাইদে দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটা প্রস্তাব করতে চাই।

আমাদের অনুষ্ঠানে যদি কিছু মানুষ কে সম্মাননা করা যায়,তবে কেমন হবে? যারা আমাদের সি এস এম কলোনিতে বিভিন্ন সেবা মুলুক কাজের মাধ্যমে আমাদের মাঝে আজও পরিচিত। আমি কিছু মানুষ এর নাম উল্লেখ করছি।

১.বাদল (কলোনিতে পেপার বিলি করতো)।
২.নাম মনে নেয় (জেক্স এর পাশে জুতা শেলাই করত)।
৩.বাচ্চু (টাংকির নিচে ২/১ টাকা সাহায্যের জন্য বসে থাকত)।
৪.আব্দুর লতিফ (ওয়ারকার ক্লাব এর কেয়ারটেকার দায়িত্ব ছিল)। 

আর অনেকের নাম আসা করি আসবে।


আমার প্রস্তাব টি বিবেচনা করার জন্ন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

Monday, December 28, 2015

কোরবান আলী

- Anawarul Hoque

কোরবান আলী। বয়সে আমাদের বড়। অনেকটা আদু ভাই। আমরা পাইছি class six এ।

কখনও কোন ক্লাসে কোন স্যার না আসলে অন্য স্যার এসে পড়ালেখার চেয়ে গল্প করতেন বেশী। এসব ক্ষেত্রে বদরুল ছিল আমাদের প্রথম পছন্দ। ১৯৮৫ (class 5) সালে উরির চরে ঘুর্নি ঝড়ের পর থেকে বদরুল আমাদের এসব ক্লাসে একটা গান প্রায়ই শুনাত। " ভাসেরে ভাই মানুষ ভাসে......"। কথাগুলো ঠীক মনে নাই।

class six এ এমন একদিন আবিনাশ স্যার আসলেন। সময় কাটানো যায় কি ভাবে। সবাই বলে উঠল বদরুলের গান হয়ে যাক। বদরুল মনে হয়ে তৈরী হয়েই ছিল। শুনলাম " ভাসেরে ভাই ...."। সময় তো শেষ হয়নি। এবার? স্যার কোরবানের নাচ। কোরবান তো শরমে গরম। সবাই অনুরোধ করে, স্যারও বলেন আরে একটু....। শেষ পর্যন্ত কোরবান সামনে এসে হাত পা ছড়িয়ে এমন পোজ দিল, সবাই এক সাথে হো হো করে উঠল। আর ঘন্টাও বেজে গেল।


অনেক সময় জহিরের নিজের বানান গল্পও শুনতে হত ....

ভাবতে ভাল লাগে অন্তত দুয়েক জন আমার লেখার জন্য অপেক্ষা করে


ভাবতে ভাল লাগে অন্তত দুয়েক জন আমার লেখার জন্য অপেক্ষা করে। আমরা কলোনী ছেড়ে হালিশহরে নিজেদের বাড়ী চলে আসি ১৯৮৭। তখন আমি ক্লাস 7 এ। মাসটা ছিল সেপ্টেম্বর। অনেকটা সময়। অনেক ছোট খাট ঘটনা মনে আছে আবার অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে।

সালটা ঠীক মনে নাই। তখন সবেমাত্র internal টেলিফোন গুলো দেওয়া হইছে। তারিকের সাথে নম্বর বিনিময় হল। বললাম দুপুরে ফোন করিস তখন ড্রইং রুমে কেউ থাকেনা। ঐ দিনই তারিক দুপুরে ফোন করল। তারেকের কোন কথারই ঠীক মত জবাব দিতে পারছিলাম না। হু হা করে যাচ্ছিলাম। বেচারা বেশী আগাতে না পেরে রেখই দিল। পরে বিকালে দেখা হলে তারিক জিজ্ঞাস করল, কিরে ফোন দিলাম ঠীক মত কথাই বললেন না....। আমি বললাম আরে অন্য সময় দুপুরে ড্রইং রুমে কেউ থাকেনা, আজকে বড় ভাই বোন, আম্মা ঔ সময় ড্রইং রুমে হাজির। ওদের সামনে আমাদের আলাপ চলে?

Sunday, December 27, 2015

গ্রান্ড আড্ডায় একটা মানুষকে অবশ্যই অনেক মিস করবো


গ্রান্ড আড্ডায় একটা মানুষকে অবশ্যই অনেক মিস করবো । তিনি হলেন শ্রদ্ধেয় হামিদ স্যার । স্যারের সাথে ছোটবেলায় অনেক রাগ করতাম tongue emoticon

বয়সের তুলনায় আমার হাইট বরাবরই বেশি ছিল । তাই প্রাইমারীতে থাকতে কখনোই আমি স্পোর্টসে অংশগ্রহন করতে পারতাম না । প্রাইমারীর স্টুডেন্টদের জন্য যে হাইট সিলেক্টেড ছিল আমি তারচেও ইন্চিখানেক লম্বা ছিলাম । আমি তো কান্নাকাটি করতাম খেলা দিবো আমার ক্লাশমেটদের সাথে কিন্তু হামিদ স্যার কোনভাবেই আমাকে নিবেন না । উনি আমাকে ধরে নিয়ে হাই স্কুলের মেয়েদের লাইনে দাঁড় করিয়ে দিতেন । আমি রাগে দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে আব্বুর কাছে যেতাম tongue emoticon

চুরি


আমি বড় হয়েছি চট্টগ্রামের স্টিল মিল কলোনিতে। বড় হয়েছি বললে অবশ্য সৌম্য ( আমার বোনের ছেলে) আপত্তি করে।সৌম্যর ধারনা আমার এখনো বড় হতে অনেক বাকি,বুদ্ধি সুদ্ধি ও তেমন একটা হয়ে উঠে নাই। আমাকে দেখলে এখনো অনেকে স্কুলের স্টুডেন্ট ভাবে। এই জন্য অবশ্য অনেক সুবিধা পেয়ে আসছি। ছোট আর বোকা বোকা চেহারার কারনে অনেক সময় অপরাধ করেও শাস্তি পেতে হয় নাই।আমি এই রকম থাকতেই চাই। বড় হবো না বুড়ো ও হবো না। কিন্তু বুড়ো হতে না চাইলেও চুল গুলো যে স্টকে আর থাকতে চাইছে না।

কে যেনো চুল গুলো চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। টাক মাথা নিয়ে অনেক চিন্তায় আছি, মনে হয় পাপের ফল ভোগ করছি। সারা জীবন তো কম চুরি করলাম না এইবার আমার গচ্ছা দেবার সময় এসেছে ।আমি স্টিল মিল কলোনিতে যেখানে থাকতাম সেখানে অনেক সুন্দর ২/৩ জন মেয়ে ছিল , আমি ভাবতাম এদের কারো সাথে হয়তো আমার বিয়ে হবে। বাংলা ফিল্মের মতো আমার জন্য এরা ঝগড়া করবে একজন কষ্ট পেয়ে দূরে চলে যাবে আর অন্য জন কে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করবো, কিন্তু হলো ঠিক উল্টো এরা দুই জন দুই ছেলে কে বিয়ে করে সুখে শান্তিতে বসবাস করছে আমি এদের বাচ্চাদের মামা হয়েই চলেছি। আমি আমার হার্ট এর দরজা সব সময়ই খুলে রেখেছি কেউ আমার মন চুরি করলো না frown emoticon .

স্কুল পালানো টা ছিলো আমার কাছে ক্লাস করার মত একটা নিয়মিত রুটিন


প্রতিদিন তিনটি পিরিয়ড পরে স্কুল পালানোর কথা আমি অনেকবার লিখেছি। স্কুলে গিয়ে স্কুল না পালালে মনে হতো বিরাট কি যেনো মিস করে ফেলেছি। স্কুল পালানো টা ছিলো আমার কাছে ক্লাস করার মত একটা নিয়মিত রুটিন। এবং অবশ্যই তা প্রথম তিনটি পিরিয়ড পর।

ক্রিকেট খেলায় অভিষেক ম্যাচে যেমন কেউ সেঞ্চুরি করে আবার কেউ গোল্লা মারে। তেমনি আমার অভিষেক অর্থাৎ প্রথম স্কুল পালানোর দিনই আমি গোল্লা মেরেছিলাম। সে ক্ষেত্রে বোলার ছিলেন আমাদের মাহফুজ স্যার। তখন ক্লাস সেভেনে উঠেছি, বই পত্র সব ডেস্কে রেখে দু তিন জন এক সাথে পিছনের টিনের বেড়া টপকে স্কুল থেকে বের হয়ে গেলাম। 

Saturday, December 26, 2015

কিছুদিন ধরে কিছু ফিসফিস, কানাকানি, হুড়োহুড়ি দেখা যাচ্ছে


পৃথিবীতে সাতশ কোটি মানুষের বাস। জাতি, ধর্ম, বর্ন, চেহারা, জাতীয়তা, পরিবার, ব্যাক্তি, স্বভাব ভেদে প্রতিটা মানুষ আলাদা। পৃথিবীর এক প্রান্তে যে সাধু মানুষকে আলো দেখাচ্ছে দেখা যাবে আরেক প্রান্তে একই চেহারার ব্যাক্তি মানুষ জবাই করে এসে বোরহানী দিয়ে হাজির বিরিয়ানী খাচ্ছে। চরম বৈপরীত্য মানুষের মাঝে থাকেই। কিন্তু যখন একদল মানুষ একই পরিবেশে, একই পরিবার কাঠামোর মধ্যে আর একই শিক্ষা ব্যবস্থায় বেড়ে উঠে তখন খুব সহজেই বলা যায় তাদের মৌলিক মানসিক কাঠামো একরকম হবে। আমি খুব আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি স্টিলমিল কলোনির প্রতিটা মানুষ খুব কাছাকাছি মানসিকতায় তৈরি। উদাহরন দেই- আমরা তখন কলোনিতে ঢুকেছি মাত্র। 

অনেক বছর পর বেবি/বুলু আপাকে দেখলাম


অনেক বছর পর বেবি/বুলু আপাকে দেখলাম। সাথে ছোট বোন শিখাকেও। সাভাবিক ভাবেই ছবি post করার লোভ সামলাতে পারলাম না।

csm এ থাকা অবস্থায় এত বড় সাহস আমার হতো না।

তবে এই পরিবারের কাছাকাছি ছিলাম। মিন্টু মামা ছিলো তাস খেলার বন্ধু। ডানপিটা মানিকও অনেক সময় খেলাধুলা নিয়ে আমাদের কাছাকাছি থাকছে।